পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৯
সিলেবাস
Exam - 17 Full Model Test - 07 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৯ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় কিসের ভিত্তিতে  বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. আদালতের ইচ্ছাধীন
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর আদেশ ১৪ বিধি ৩ অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন:
ক) পক্ষগণ কর্তৃক বা তাদের পক্ষে উপস্থিতি কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা সেই পক্ষদের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে রচিত অভিযোগের ভিত্তিতে।
খ) আরজি জবাবের বা মামলায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তররের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে।
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক উপস্থাপিত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু ভিত্তিতে।
.
কোনো ব্যক্তিকে আদালত সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য সমন পাঠালে সাক্ষ্য দিতে না আসলে আদালত তার উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি
  2. তার সম্পত্তি ক্রোক করে বিক্রি করা
  3. জরিমানা আরোপ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩০ ধারায় সমন দেওয়ার পর কোনো ব্যক্তি সমনের আদেশ অনুসারে হাজির না হলে ৩২ ধারা মোতাবেক এই আদেশ প্রচার করতে পারেন।
♦দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩২ ধারা মতে যার প্রতি ৩০ ধারা অনুসারে সমন দেয়া হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে
ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করতে পারেন,
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) তাকে অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ দিতে পারেন; এবং জামানত না দিলে তাকে দেওয়ানী কারাগারে প্রেরণ করতে পারেন।
.
ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশ দেওয়া যায় কোন ক্ষেত্রে?
  1. মামলা পরিচালনায় বিবিধ খরচের ক্ষেত্রে
  2. মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
  3. মধ্যবর্তী বিষয়ে বিলম্বে দরখাস্ত দাখিল করলে
  4. উপরিউক্ত সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির - ৩৫ক ধারা বিধান হল মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি বা জবাব সম্পর্কে ক্ষতিপূরণমূলক খরচঃ মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মোকদ্দমা বা দাবির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ ক্ষতিপূরণমূলক খরচের (Compensatory Cost ) জন্য আবেদন করতে পারে। আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন । এই ধারাটি আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
♦এই ধারায় কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে তাকে ফৌজদারি দায় হতে অব্যাহতি দিয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে না।
♦৩৫ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
♦৩৫ ধারার খরচ হল সাধারণ খরচ যা মামলার কারণে পক্ষদের খরচ হয় যেমন- কোর্ট ফি, আইনজীবীর ফি ও এই সংক্রান্ত অন্যান্য খরচ।
♦৩৫ক ধারায় মিথ্যা ও হয়রানিকর দাবির কারণে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ দিতে পারে।
♦৩৫খ তে যে খরচের আদেশ দেওয়া হয় তা মূলত interlocutory matter এ কোনো দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ে দাখিল না করে বিলম্বে দাখিল করার জন্য আরোপ করা হয়।
.
দেওয়ানী কার্যবিধির অধীনে precept কার বরাবরে ইস্যু করা হয়?
  1. ব্যাংকের বরাবরে
  2. আদালত বরাবরে
  3. দায়িক বরাবরে
  4. জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরাবরে
সঠিক উত্তর:
আদালত বরাবরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বরাবরে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৬ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রিদারের আবেদনক্রমে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত অন্য কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে ডিক্রি জারি করার অনুরোধ করতে পারেন এবং এরূপ আদালত অনুরোধপত্রে নির্ধারিত দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক করতে পারেন। যা  ডিক্রি জারির অনুরোধ (Precepts) নামে পরিচিতো।
♦ডিক্রিদানকারী আদালত ক্রোকের মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে কোন ক্রোক ২ মাসের অধিক সময় বলবৎ থাকবে না।
.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান কোথায় আছে?
  1. ধারা ৮৯ক
  2. ধারা ৮৯খ
  3. ধারা ৮৯গ
  4. সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯খ
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারা মোতাবেক mediation বা মধ্যস্ততার বিধান ও ৮৯খ ধারা মোতাবেক সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
♦তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
♦সর্বশেষ ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ সংক্রান্ত বিধানগুলো (ধারা-৮৯ক থেকে ৮৯৫) সংশোধন করা হয়। এছাড়া ২০১৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জেলা লিগ্যাল এইড কর্মকর্তা কোনো দেওয়ানী মামলায় একজন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে।
.
বাদী ক-এর দরখাস্তের ভিত্তিতে বিবাদীর বরাবরে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রচার করা হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় যে বাদী যে কারণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করেছেন তা অপর্যাপ্ত। এমতাবস্থায় আদালত কী আদেশ দিতে পারেন?
  1. বাদীকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারেন
  2. অনধিক ১০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
  3. অনধিক ২০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
  4. বাদীকে মোকদ্দমার পরবর্তী ধাপে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করা হতে বারিত করা হবে
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ হাজার টাকার খরচের আদেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৯৫ ধারা মতে অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করলে খেসারত (Compensation for obtaining arrest, attachment or injunction on insufficient grounds): কোন মোকদ্দমায় অপর্যাপ্ত কারণে গ্রেফতার বা ক্রোক কার্যকর বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়ে থাকলে বা বাদী মোকদ্দমায় হেরে যাওয়ার পর আদালত যদি দেখে যে উক্ত মোকদ্দমা দায়েরের জন্য বাদীর কোন সঙ্গত কারণ ছিলনা, তখন বিবাদী তার ব্যয় ও ক্ষতির জন্য বাদীর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চাইলে আদালত বিবাদীকে অনধিক ১০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বাদীকে আদেশ দিতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, আদালত তার আর্থিক এখতিয়ারের চেয়ে বেশি ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করবেন না।
.
ক তার বাড়ি মাসিক ১০০০০ টাকা ভাড়ার ভিত্তিতে খ কে ভাড়া দেয়। খ ১৫ মাসের ভাড়া বকেয়া রেখে দেওয়ায় ক আদালতে খ এর বিরুদ্ধে ১২ মাসের ভাড়া আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে ডিক্রি লাভ করে। পরবর্তীতে ক বাকি ৩ মাসের ভাড়ার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে।
  1. পরবর্তী মোকদ্দমা তামাদিতে বারিত হবে
  2. পূর্বে সকল পাওনা মোকদ্দমায় আনয়ন না করায় পরবর্তী মোকদ্দমা করা হতে বারিত হবে।
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা গৃহীত হবে।
  4. কোনোটি নয়।
সঠিক উত্তর:
পূর্বে সকল পাওনা মোকদ্দমায় আনয়ন না করায় পরবর্তী মোকদ্দমা করা হতে বারিত হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বে সকল পাওনা মোকদ্দমায় আনয়ন না করায় পরবর্তী মোকদ্দমা করা হতে বারিত হবে।
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ২, বিধি ২(৩) বিধান দাবির আংশিক পরিত্যাগ (Relinquishment of part of claim) : বাদী যদি তার দাবির কোন অংশ বাদ বা ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিয়ে মোকদ্দমা করে, তাহলে পরে দাবির সেই অংশের জন্য মামলা করতে পারবে না। যখন বাদী একাধিক প্রতিকার দাবি করে মোকদ্দমা করতে অধিকারী, তখন আদালতের অনুমতি ব্যতীত উত্তরূপ প্রতিকারগুলির মধ্যে কোন একটি দাবি করা না হলে পরে সেই প্রতিকারটি দাবি করা যাবে না।
♦আদেশ ২, বিধি ২(৩) এ এই বিষয়ে বলা আছে। একই transaction হতে উদ্ভূত সকল প্রতিকার না চাইলে এবং কোনো প্রতিকার আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে বাদ দিলে তা নিয়ে পরবর্তীতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না। পরবর্তী মোকদ্দমা দায়ের করার সুযোগ দিলে একই বিষয় নিয়ে একাধিক মোকদ্দমার সুযোগ থাকবে। যেমন- কেউ ১ লক্ষ টাকার জন্য ১০ টা মোকদ্দমাও দায়ের করতে পারবে যেখানে প্রতি মোকদ্দমায় ১০ হাজার টাকা করে দাবি করা হবে। এই কারণে একই লেনদেন হতে উদ্ভূত সকল পাওনা বা প্রতিকার এক মোকদ্দমায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬, বিধি-১৭ মতে-
  1. শুধু আরজি সংশোধন করা যায়
  2. শুধু লিখিত বর্ণনা সংশোধন করা যায়
  3. আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
  4. উপরের সবগুলো সঠিক।
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ও লিখিত জবাব উভয়ই সংশোধন করা যায়
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৬, বিধি ১৭ অনুসারে প্লিডিংস সংশোধন (Amendment of pleadings)- প্লিডিংস বলতে যেহেতু আরজি বা লিখিত জবাবকে বোঝায়, সুতরাং প্লিডিংস সংশোধন বলতে আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনকে বোঝাবে অর্থাৎ আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের জন্য ৬নং আদেশের ১৭নং বিধি প্রযোজ্য হবে।
♦দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশের ১৭নং বিধিতে প্লিডিংস সংশোধন করার বিধান রয়েছে। ১৭ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ ও ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে এমনকি আপিলেও আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে।
♦প্লিডিংস সংশোধনের সময়- ৬ নং আদেশের ১৮ নং বিধিমতে আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অথবা সময় নির্ধারণ করে না দিলে আদালতের প্লিডিংস সংশোধনীর আদেশের ১৪ দিনের মধ্যে প্লিডিংস সংশোধন করতে হবে। নির্ধারিত সময় পার হলে এবং আদালত সময় বর্ধিত না করলে প্লিডিংস সংশোধন করা যাবে না।
.
আদেশ ৯, বিধি ৯ক এর বিধান মতে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল করতে কত বার আবেদন করতে পারবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্ধারিত সংখ্যা নেই
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ-৯, বিধি-৯ক: সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিল (Directly setting-aside dismissal )- বিলম্ব এড়ানো ও বিচার তরান্বিত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ নং আদেশের ৯ক বিধিমতে বাদী উক্ত খারিজ আদেশের বিরূদ্ধে সরাসরি রদ বা বাতিলের আবেদন করতে পারবে, তবে শর্ত-
 খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি খারিজ আদেশ রদ বা বাতিলের আবেদন করতে হবে; এবং অনধিক ১০০০ টাকা খরচ প্রদান করতে হবে।
♦ সরাসরি খারিজ রদের আদেশ একবারের বেশি হবে না।
১০.
চূড়ান্ত শুনানীর পূর্বে কোনো পক্ষকে খরচ ব্যতীত কতবার মূলতবী মনজুর করা যায়?
  1. ৩ বার
  2. ৬ বার
  3. ৯ বার
  4. একবারও নয়
সঠিক উত্তর:
৬ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বার
ব্যাখ্যা
♦ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে দেওয়ানী মোকদ্দমায় মূলতবির আবেদন করতে হয়। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন । আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মূলতবি রাখতে পারে। চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে। 
♦ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে; তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।
♦ মূলতবি খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে। মূলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১১.
মিনস প্রফিট (Means Profit) এর শর্ত হচ্ছে কি?
  1. যেকোনো দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  2. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তির উন্নতি লাভ করতে হবে
  3. বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
  4. কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী দখলকার ব্যক্তিকে সম্পত্তি হতে মুনাফা লাভ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২) অনুযায়ী সম্পত্তির ওয়াশিলাত(mesne profit) বলতে: বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তি হতে প্রকৃতপক্ষে যে মুনাফা লাভ করেছে বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারত সুদসহ সেই মুনাফা বুঝায়, কিন্তু বে-আইনী দখলকার ব্যক্তি সম্পত্তির কোন উন্নতি সাধন করে থাকলে ইহার ফলে সৃষ্ট মুনাফা অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১২.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে মোকদ্দমা পুনঃদাখিলের অনুমতিতে প্রত্যাহার করা যায় কোন বিধান মতে?
  1. আদেশ ২২ বিধি ২
  2. আদেশ ২৩ বিধি ১
  3. আদেশ ২৩ বিধি ৪
  4. ধারা ২৪
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২৩ বিধি ১
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ২৩-এর বিধি ১ মতে আরজিতে ফরমাল ডিফেক্ট আছে এই কারণে পুনরায় দাখিলের শর্তে মোকদ্দমা প্রত্যাহারের বিধান আছে। তবে এইরূপে অনুমতি না নিয়ে প্রত্যাহার করলে পরবর্তীতে আর মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।
♦ আদালতের অনুমতি ছাড়া মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে বাদী ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করতে পারবে না। তবে আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রত্যাহার করলে ঐ বিষয়ে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে।
♦ যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা কোন আনুষ্ঠানিক ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে, অথবা নতুনভাবে মোকদ্দমা দায়েরের জন্য অন্যান্য যথেষ্ট কারণ আছে সেক্ষেত্রে আদালত বাদীকে নতুন করে মোকদ্দমা করার অনুমতিসহ উক্ত মোকদ্দমার বিষয় বস্তু বা কোন দাবীর অংশ পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারেন।
১৩.
ক ৩০,০০,০০০/- টাকা দিয়ে একটি জমি খরিদ করার পর দলিলে ত্রুটি ধরা পড়ায় দলিল সংশোধনের জন্য সিনিয়র সহকারী জজ-এর আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে? এই ক্ষেত্রে নিম্নের কোন আদেশটি আইনগত ভাবে সঠিক?
  1. আরজি ফেরত
  2. আরজি প্রত্যাখ্যান
  3. মোকদ্দমা স্থানান্তর
  4. আরজি খারিজ
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি ফেরত
ব্যাখ্যা
♦দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১৫ তে বলা হয়েছে এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। কথিত দলিলের মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা হওয়ায় এই মোকদ্দমা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে বিচার্য। কিন্তু এটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করায় আদেশ ৭ রুল-১০ অনুসারে তা উপযুক্ত আদালতে অর্থাৎ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দায়ের করার জন্য ফেরত দিতে হবে। ভুল আদালতে দায়ের করার কারণে মোকদ্দমা খারিজ বা আরজি প্রত্যাখ্যানের সুযোগ নেই। আর মোকদ্দমা স্থানান্তরের ক্ষমতা শুধু জেলা জজ-এর আছে।
♦The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
• সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
• সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
• যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 
১৪.
নাবালকের পক্ষে মামলা দায়েরকারী ব্যক্তিকে__________বলা হয়।
  1. Guardian
  2. Guardian ad litem
  3. Next Friend
  4. Legal Representative
সঠিক উত্তর:
Next Friend
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Next Friend
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৩২, বিধি-১ এ বলা হয়েছে every suit by minor shall be instituted in his name by a person who in such suit shall be called the next friend of the minor. নাবালকের পক্ষে তার হিতৈষী এমন আত্মীয় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে।
♦ বিধি-১ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু দ্বারা নাবালককে মোকদ্দমা করতে হয় (Minor to sue by next friend): নাবালক বাদী করে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা তার 'আসন্ন বন্ধু' দ্বারা দায়ের করতে হবে।
♦ বিধি-২ তে বলা আছে- আসন্ন বন্ধু' ছাড়া মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আরজি নথি হতে অপসারণ করার জন্য বিবাদী আবেদন করতে পারবে।
১৫.
বাদী ক বিবাদী খ কে নালিশী জমিতে প্রবেশ করে বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানো হতে বারিত করার প্রার্থনায় দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯, রুল ১/২ ও ১৫১ ধারা মোতাবেক দরখাস্ত দাখিল করেন। আদালত বিবাদী খ কে কেন বারিত করা হবে না জানতে চেয়ে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেন এবং ততোদিন পর্যন্ত বাদীর দখলে বিঘ্ন ঘটানোর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। আদালতের উক্ত আদেশ-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  2. অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ
  4. Interlocutory order
সঠিক উত্তর:
অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ আদেশ ৩৯ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর আগে শুনানীকাল পর্যন্ত বা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যে আদেশ দেওয়া হয় তাঁকে ad interim injunction order বা অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ বলা হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত শুনানীর পর দরখাস্তের গুণাগুণ বিবেচনায় নিয়ে আদেশ দিতে হয়, অন্যদিকে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে দরখাস্তের গুণাগুণ যাচাইয়ের দরকার পড়ে না, বরং পরিস্থিতি খুবই জরুরি হলে এই আদেশ দেওয়া যায়।
♦ আদালতের উক্ত আদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ
১৬.
Direct re-admission of appeal –এর বিধান কোথায় আছে?
  1. আদেশ ২০ রুল ২১
  2. আদেশ ৪০ রু ল ১৯
  3. আদেশ ৪১ রুল ১৯ক
  4. আদেশ ৪৩ রুল ২১ক
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ রুল ১৯ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১ রুল ১৯ক
ব্যাখ্যা
♦আদেশ ৪১ এর ১৯ক বিধির বিধান আপিল সরাসরি পুনঃগ্রহণ (Direct re-admission of appeal): বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আপিলকারীকে পর্যাপ্ত কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করেই সরাসরি আপিল পুনঃগ্রহণ করতে পারেন; এজন্য খারিজের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে অ্যাফিডেভিটসহ আবেদন করতে হবে। এই বিধির অধীন সর্বোচ্চ ১ বার আপিল পুনঃগ্রহণের আবেদন করা যাবে।
♦অর্থাৎ আদেশ ৪১, বিধি ১৯ক তে আপিলকারীর ব্যর্থতার কারণে আপিল খারিজ হলে খারিজ আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করলে কোনো সাক্ষ্যগ্রহণ ব্যতীত আদালত সরাসরি আপিল পুনরায় গ্রহণ করতে পারবেন।
১৭.
নিম্নের কোনটি পেনাল কোড-এর এখতিয়ারে পরে না?
  1. বাংলাদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
  2. বিদেশী নাগরিক বাংলাদেশে অপরাধ করলে
  3. বিদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
  4. বাংলাদেশী নাগরিক দেশে অপরাধ করে বিদেশে পালিয়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
বিদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশী নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২,৩ ও ৪ ধারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে পেনাল কোডের অপরাধগুলো কোথায় কার মাধ্যমে সংঘটিত হলে সেটির বিচার বাংলাদেশে করা যাবে তার বর্ণনা উদাহরণ সহ দেওয়া আছে। বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশী নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশী কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
♦দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
১৮.
সাধারণ ব্যতিক্রমের আওতায় পড়লে কোনো ব্যক্তির কৃত অপরাধ –এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. দোষী সাব্যস্ত হলেও শাস্তি হবে না
  2. সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
  3. খালাস পাবে না, তবে সর্বনিম্ন শাস্তি প্রদান করা হবে
  4. ক+গ সঠিক।
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে নিরপরাধের মতো খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
♦যে কাজগুলোকে স্বাভাবিকভাবে অপরাধ বলে গণ্য করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়না তাকেই সাধারণ ব্যতিক্রম বা General Exception বলে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারায় কিছু সাধারণ ব্যতিক্রমের উল্লেখ রয়েছে। দন্ডবিধির ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্য বা কার্যবিরতিগুলো (acts or omission) স্বাভাবিকভাবে অপরাধ মনে হলেও সেগুলো ফৌজদারি দায় (criminal liability) থেকে মুক্ত; অর্থাৎ ৭৬ থেকে ১০৬ ধারার আওতাধীন কার্যগুলো অপরাধ মনে হলেও অপরাধী কোন শাস্তি পায়না।
♦পেনাল কোডের ৭৬-১০৬ ধারার মধ্যে যে সকল সাধারণ ব্যতিক্রম বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলোর কোনো একটির সুযোগ যদি কোনো অভিযুক্ত পায় তাহলে উক্ত ব্যক্তিকে যে কাজের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে তা আর অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে না। অভিযুক্ত ব্যক্তি এই ক্ষেত্রে নিরপরাধ হিসেবে খালাস পাবে। দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগও নাই।
১৯.
ক কে একটি আদালত ১০০ টাকা দণ্ড প্রদান করে এবং অনাদায়ে ৪ মাসের কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দেয়। ক টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁকে জেলে নেওয়া হলো। পরে ক ৭৫ টাকা পরিশোধ করলো। এই ক্ষেত্রে ______।
  1. ক শুরুতে জরিমানার টাকা না দেওয়ায় ৪ মাস পর মুক্তি পাবে
  2. ক ১ মাস পর মুক্তি পাবে
  3. ক ২ মাস পর মুক্তি পাবে
  4. ৩ মাস পর মুক্তি পাবে।
সঠিক উত্তর:
ক ১ মাস পর মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ১ মাস পর মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ৬৯ ধারার বিধান জরিমানার আনুপাতিক অংশ আদায়ে কারামুক্তি (Termination of imprisonment on payment of proportional part of fine): অর্থদণ্ড যতটুকু পরিশোধ করা হবে কারাদণ্ড সেই অনুপাতে বাতিল হবে। আংশিক অর্থদণ্ড পরিশোধে আংশিক কারাদণ্ড বাতিল হবে।
♦অর্থদণ্ড অনাদায়ের জন্য প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে যদি অর্থদণ্ডের একটি অংশ প্রদান করা হয় তবে বাকি কারাদণ্ডের মেয়াদ আদায়কৃত অর্থদণ্ডের অনুপাত কমে যাবে। আদায়কৃত অর্থদণ্ড বাকি থাকা কারাদণ্ডের আনুপাতিক হারে বেশী হলে আসামী সাথে সাথে মুক্তি পাবে।
♦পেনাল কোডের ৬৫-৬৯ নং ধারা একসাথে পড়তে হবে। যেক্ষেত্রে শুধু জরিমানার দণ্ড দেওয়া হয় সেই ক্ষেত্রে জরিমানার টাকা শোধ করলে দণ্ডিত ব্যক্তিকে সাথে সাথে মুক্তি দিতে হবে। যদি অর্ধেক বা এক তৃতীয়াংশ টাকা জমা দেয় তাহলে অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ কারাদণ্ডের মেয়াদ থাকতেই তাঁকে মুক্তি দিতে হবে। উল্লেখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি যদি ৫০ টাকা জমা দিতো তাহলে ২ মাস পর মুক্তি দেওয়া হতো।
২০.
ক একটি ঘরে ঢুকে দস্যুতা করার জন্য খ ও গ কে প্ররোচনা দিলো এবং এই উদ্দেশ্যে অস্ত্র সরবরাহ করলো। দস্যুতা সংঘটনের সময় ঘরের মালিক ‘ম’ তাদেরকে প্রতিহত করায় খ তাঁকে হত্যা করলো। ক এই ক্ষেত্রে ____?
  1. ক শুধু দস্যুতার প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
  2. ক খুনের প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
  3. ক এর কোনো অপরাধ হবে না, খ ও গ খুনের দায়ে অভিযুক্ত হবে
  4. ক সাধারণ উদ্দেশ্য না থাকার কারণে শাস্তি পাবে না।
সঠিক উত্তর:
ক খুনের প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক খুনের প্ররোচনার দায়ে দোষী হবে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ১১১ ধারায় বলা হয়েছে যে কোনো একটি অপরাধের জন্য প্ররোচনা দিলে এবং বাস্তবে ভিন্ন অপরাধ হলে এবং এই ভিন্ন অপরাধ প্ররোচিত অপরাধের সম্ভাব্য পরিণাম (probable consequence) হলে প্ররোচনাদানকারী (abettor) এমনভাবে শাস্তি পাবে যেন উক্ত কাজের জন্যই প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। দস্যুতা সংঘটনে বাঁধা দেওয়া এবং সেখানে হত্যাকাণ্ড ঘটা সম্ভাব্য পরিণাম হওয়ায় abettor কে দস্যুতার জন্য নয় বরং খুনের প্ররোচনার জন্য দোষী করা যাবে।
২১.
Common object কোন ধারার অপরাধের উপাদান?
  1. ১৩৪
  2. ৩৪
  3. ১৪৯
  4. ৩৫
সঠিক উত্তর:
১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৪৯ ধারা মতে বে-আইনি সমাবেশের কোনো সদস্য যদি common object বাস্তবায়নে কোনো অপরাধ করে তবে উক্ত সমাবেশের সকল সদস্য ব্যক্তিগতভাবে উক্ত অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে। সকল সদস্যের সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object ছিল এটি প্রমাণ করতে না পারলে ১৪৯ ধারায় সকলকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ি করা যাবে না।
২২.
‘জ’ একজন বিচারক হয়ে তার ভাই ‘ভ’ কে ‘ক’ এর ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার শর্তে ‘ভ’ এর অনুকূলে রায় ঘোষণা করে। ‘জ’-এর অপরাধ কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৬৩ ধারায়
  4. ১৬৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৬১ ধারায় পাবলিক সার্ভেন্ট ঘুষ বা আনুকূল্য গ্রহণ করলে তার শাস্তির বর্ণনা দেওয়া আছে যা ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
♦পেনাল কোড এর ধারা ১৬১ মতে সরকারী কর্মচারী হইয়া বা হওয়ার আশা করিয়া কোন সরকারী কার্যের জন্য ঘুষ গ্রহণঃ কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারী হিসেবে অথবা সরকারী কর্মচারী হবে বলে আশা করে কোন সরকারী কাজ করার অথবা করা হতে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব সম্পাদনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করার জন্য বা করা হতে বিরত থাকার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা অথবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন ব্যক্তির উপকার বা অপকার করার জন্য বা তা করার চেষ্টায় নিজের অথবা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে আইনসম্মত পারিশ্রমিক ছাড়াই অপর যে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে বা লাভ বা গ্রহণ করতে সম্মত হয় বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২৩.
খ-এর নিকট একটি দলিল থাকা সত্ত্বেও আদালত থেকে এই দলিল দাখিলের জন্য সমন দেওয়া হলে খ উক্ত দলিল আদালতে দাখিল না করে মাটিতে গর্ত করে লুকিয়ে রাখে। খ-এর শাস্তিঃ-
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২০৪ ধারার বিধান অনুসারে destruction of documents to prevent its production as evidence এর শাস্তি বর্ণিত আছে।
♦পেনাল কোডের ধারা ২০৪ মতে কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দলিল গোপন করে বা লুকিয়ে ফেলে কিংবা ধ্বংস করে বা বিনষ্ট করে, যা সে কোন আদালতে কিংবা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে আইনসম্মতভাবে সংঘটিত কোন কার্যক্রমের প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে আইনানুসারে বাধ্য হতে পারে, অথবা অনুরূপ দলিল যাতে সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসেবে উপরোলিখিতরূপে কোন আদালতে বা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে উপস্থাপিত বা ব্যবহৃত হতে না পারে তদুদ্দেশ্যে উহার সমগ্র অংশ বা অংশবিশেষ অস্পষ্ট করে (বা মুছিয়া ফেলে কিংবা পাঠের অযোগ্য করে দেয়, কিংবা অনুরূপ উদ্দেশ্যে দলিলটি উপস্থাপন করার জন্য আইনানুসারে সমন বা নির্দেশদানের পর, যাতে উহা উপস্থাপিত বা ব্যবহৃত হতে না পারে, তদুদ্দেশ্যে উক্তরূপ কাজ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
২৪.
পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide –এর কয়টি ব্যাখ্যা (explanation) দেওয়া হয়েছে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide এর ৩ টি explanation দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ৩০০ ধারায় খুনের অপরাধের ৫ টি ব্যতিক্রম দেওয়া হয়েছে যেগুলোর উপস্থিতিতে নিন্দনীয় নরহত্যা খুন হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারায় নিন্দনীয় নরহত্যার সংজ্ঞা (Culpable homicide)- কোন ব্যক্তিকে প্রত্যক্ষভাবে হত্যা না করে এমন কাজ করা যা তার মৃত্যু ঘটায় তাই হলো নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide।
♦ দন্ডবিধির ২৯৯ ধারামতে নিম্নলিখিত ৩টি ক্ষেত্রে কোন কাজ নিন্দনীয় নরহত্যা বলে গণ্য হবে। যথা-
i) মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্য (with the intention of causing death); অথবা
ii) দৈহিক জখমের উদ্দেশ্যে( with the intention of causing such bodily injury); অথবা
iii) মৃত্যু ঘটতে পারে এরকম জ্ঞান নিয়ে (with the knowledge that he is likely by such act to cause death) কোন কাজ করার ফলে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বা Culpable homicide বলে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ২৯৯ ধারায় Culpable Homicide এর ৩ টি explanation হলঃ
ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।
ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।
ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।
২৫.
‘ক’ আত্মহত্যার জন্য ১৬ বছর বয়সী তরুণী ‘খ’ কে প্ররোচিত করে তাঁকে দিয়ে আত্মহত্যা করালো। এখানে ‘ক’-এর অপরাধ কী?
  1. আত্মহত্যার প্ররোচনা
  2. নিন্দনীয় নরহত্যা
  3. খুনের প্ররোচনা
  4. খুন
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুনের প্ররোচনা
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩০০ ধারার ব্যতিক্রম ৫: শাস্তিযোগ্য নরহত্যা খুন হিসেবে গণ্য হবে না, যদি সে ব্যক্তির মৃত্যু হয়, সে ব্যক্তি আঠারো বছর উপ হলে স্বেচ্ছায় স্বীয় সম্মতিক্রমে মৃত্যুবরণ করে বা মৃত্যুর ঝুঁকি গ্রহণ করে।
♦ ৫ নং ব্যতিক্রম হলো প্রাপ্ত বয়স্ক কোনো ব্যক্তি যদি নিজেই মৃত্যুর ঝুঁকি নেয় তাহলে মৃত্যুর সংঘটনকারী ব্যক্তি খুনের দায়ে নয়, শুধু নিন্দনীয় নরহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হবে এবং ৩০৪ ধারায় শাস্তি প্রাপ্ত হবে। কিন্তু ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, এই ক্ষেত্রে সে খুনের প্ররোচনার জন্য দায়ী হবে।
♦ উদাহরণঃ A প্ররোচনা দিয়ে, ইচ্ছাকৃতভাবে C- কে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করে, C- এর বয়স আঠারো বছর অপেক্ষ কম। এক্ষেত্রে C যেহেতু অপ্রাপ্ত বয়স্ক তাই সে তার নিজের মৃত্যুকে সম্মতি দানে অপারগ ছিল; সুতরাং এ খুনে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা বা প্ররোচনা দান করেছে।
২৬.
পেনাল কোডে কত ধরণের গুরুতর জখমের কথা উল্লেখ রয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোডের ধারা ৩২০-এ ৮ ধরণের অপরাধের তালিকা দেওয়া হয়েছে যেগুলো মারাত্মক বা grivious hurt হিসেবে গণ্য হবে।
♦পেনাল কোডের ৩২০ ধারায় ৮ ধরণের গুরুতর জখমের উল্লেখ রয়েছে। যথাঃ
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ দিন পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।
২৭.
পেনাল কোড-এর অধীনে বলপূর্বক গ্রহণ (extortion) সংঘটিত হওয়ার জন্য নিম্নের কোন উপাদান থাকার আবশ্যকতা নাই?
  1. সম্মতি
  2. প্ররোচনা
  3. ক্ষতির ভয়
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৩৮৩ ধারাতে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায়ের সংজ্ঞা (Extortion) রয়েছে। কাউকে ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে তার নিকট থেকে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি গ্রহণ করাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বা extortion বলে। অন্যভাবে বলা যায়, কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অপর কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুর ভয়, আঘাতের ভয় বা পথরুদ্ধ করার ভয় দেখিয়ে কোন কিছু দিতে বাধ্য করলে তাকে বলপূর্বক গ্রহণ বা বলপূর্বক আদায় বলে। 
♦Extortion –এর ক্ষেত্রে ক্ষতির ভয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোনো সম্পত্তি দিয়ে দিলেও তা অপরাধ হিসেবেই গণ্য হবে।  সম্মতি থাকার আবশ্যকতা নাই।
২৮.
ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে খ-এর একটি রিং নদীতে ফেলে দিলো। ক পেনাল কোড-এর অধীনে কী অপরাধ করলো?
  1. অপরাধমূলক তসরুফ (criminal misappropriation)
  2. অনিষ্ট (Miscief)
  3. Criminal Breach of Trust
  4. Unlawful damage
সঠিক উত্তর:
অনিষ্ট (Miscief)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিষ্ট (Miscief)
ব্যাখ্যা
♦Penal Code, 1860-এর ধারা ৪২৫ এ অনিষ্ট এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। ক ইচ্ছাকৃতভাবে খ এর ক্ষতিসাধনের জন্য তার আংটি নদীতে ফেলে দেয় যা ৪২৫ ধারার অপরাধ। এই ধারার (গ) নং  উদাহরণ দ্রষ্টব্য। Unlawful damage নামে পেনাল কোডে কোনো অপরাধ নেই।
♦দণ্ডবিধি ৪২৫ ধারা অনুযায়ী অন্যের অন্যায় ক্ষতি বা লোকসানের (Wrongful loss or damage) উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট অথবা সম্পত্তির মূল্য/উপযোগীতা হ্রাস বা ক্ষতিগ্রস্ত করাকে অনিষ্ট বা ক্ষতি (mischief) বলে।
২৯.
কোন অপরাধটি পেনাল কোডে শাস্তিযোগ্য নয়?
  1. Assault
  2. Fight
  3. Affray
  4. Criminal Intimidation
সঠিক উত্তর:
Fight
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fight
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ধারা ১৫৯ এর বিধান মারামারিঃ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা “মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৩৫১ এর বিধান আক্রমণঃ কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে ।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৫০৩ এর বিধান অপরাধ ভীতিপ্রদর্শনঃ কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্ৰদৰ্শন করে।
ব্যাখ্যা (Explanation):-
ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।
♦ তবে Fight পেনাল কোডে শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।
৩০.
চুরি বা বলপূর্বক গ্রহণ-এর অপরাধ কখন দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে না?
  1. চুরি করার সময় মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা না করলে
  2. চুরি করার সময় মৃত্যুর হুমকি দিলে
  3. চুরি করার সময় অবৈধ আটকের ভয় প্রদর্শন করলে
  4. চুরি করার সময় তাতক্ষণিক আঘাতের ভয় দেখালে
সঠিক উত্তর:
চুরি করার সময় মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি করার সময় মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা না করলে
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৩৯০ ধারায় দস্যুতার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। চুরি করার সময় কোন কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নেবে এবং বলপূর্বক গ্রহণের সময় কী কাজ করলে সেটি দস্যুতায় রূপ নিবে সেটি বর্ণনা করা হয়েছে। চুরি অপরাধ সংঘটনকালে যদি death, hurt, wrongful restraint ইত্যাদি করে বা তা করার চেষ্টা করে বা তা করার তাৎক্ষণিক ভয় দেখায় তবে তা দস্যুতায় রূপ নেবে। কিন্তু extortion –এর ক্ষেত্রে উক্ত অপরাধগুলো সংঘটন করা নয়, বরং তা করার ভয় দেখালেই তা দস্যুতায় রূপান্তরিত হবে।
♦ পেনাল কোডের ধারা ৩৯০ এর বিধান যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলিয়া গণ্য হয়ঃ প্রত্যেক দস্যতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
♦যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে (When theft is robbery):-
চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ ৷ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে দস্যুতা।
♦বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দসুযতা বলে পরিগণিত হবে (When extortion is robbery):-
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী-যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহবল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে।
♦ ব্যাখ্যা (Explanation):-
অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
৩১.
জালিয়াতির শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দণ্ডবিধি ৪৬৪ ধারা অনুযায়ী যে সব কাজ জালিয়াতি বলে গণ্য হবে তা হলো-
(i) কোন ব্যক্তি নিজে যদি এই উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করে যে, তার স্বাক্ষর বা নামটি একই নামের অন্য কোন ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেবেন;
(ii) যখন কোন ব্যক্তি অন্য কারো স্বাক্ষর জালিয়াতি করে স্বাক্ষর করে;
(iii) যদি কোন ব্যক্তি কোন বিলে পৃষ্ঠাঙ্কন করে এই উদ্দেশ্যে যে, তা অন্য কেউ করেছে বলে চালিয়ে দেবেন:
(iv) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির সাথে ষড়যন্ত্র করে তার নামে কোন সম্পত্তি নামমাত্র মূল্যে ইজারা নেয় কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিল মূলত তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা; অথবা
(v) যদি কোন ব্যক্তি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার উদ্দেশ্যে অন্য কোন ব্যক্তির কাছে সম্পদ গচ্ছিত রাখে এবং সে উদ্দেশ্য কোন প্রমিসরি নোট তৈরি করে।
♦কোন ব্যক্তির নিজের নাম স্বাক্ষরও জালিয়াতির সামিল হতে পারে। নিজের নামে স্বাক্ষর করলেই জালিয়াতি হবে বিষয়টা এমন নয়। বরং নিজের নাম স্বাক্ষর জালিয়াতি হতে পারে যদি স্বাক্ষরটা দ্বারা কোন মিথ্যা দলিল তৈরী করা হয়, কোন অধিকার দাবী করতে, কোন ব্যক্তিকে ক্ষতি করতে বা প্রতারণা করতে ইত্যাদি।
♦পেনাল কোড-এর  ৪৬৫ ধারায় জালিয়াতির শাস্তি বর্ণিত আছে যা সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩২.
স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহ করলে ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪৯৪ ধারার বিধান স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিবাহকরণ (Marrying again during lifetime of husband or wife) : কোন ব্যক্তি যদি এক স্বামী বা এক স্ত্রী জীবিত থাকা সত্ত্বেও এমন কোন পরিস্থতিতে বিবাহ করে, যে পরিস্থিতিতে স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় সংঘটিত বলে অনুরূপ বিবাহটি অবৈধ হয়েছে, তবে উক্ত ব্যক্তি ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যতিক্রম:- অনুরূপ স্বামী বা স্ত্রীর সাথে যে ব্যক্তির বিবাহ কোন উপযুক্ত আদালত দ্বারা নাকচ বলে ঘোষণা করা হয়েছে সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়োগযোগ্য হবে না। বা যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় বিবাহ সংঘটিত হচ্ছে, বিবাহের সময় পর্যন্ত যে প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী যদি পূর্ববর্তী সাত বছর পর্যন্ত ক্রমাগত পরবর্তী বিবাহ অনুষ্ঠানকারীর নিকট থেকে অনুপস্থিত থেকে থাকে এবং সে সাত বছর যাবৎ অনুরূপ প্রাক্তন স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি না শুনে থাকে তবে তার ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগযোগ্য হবে না; তবে পরবর্তী বিবাহকালে বিবাহ অনুষ্ঠানকারী ব্যক্তি যার সাথে তার বিবাহ হচ্ছে তাকে বিবাহ সংঘটিত হওয়ার পূর্বে তার জ্ঞাত সকল ঘটনা সংক্রান্ত প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৩৩.
দাঙ্গা কীভাবে সংঘটিত হতে পারে?
  1. বেআইনি সমাবেশে বল প্রয়োগ করলে
  2. বেআইনি সমাবেশে সহিংসতা প্রয়োগ করা হলে
  3. বেআইনি সমাবেশে লাঠিসোঁটা থাকলে
  4. ক+খ নং উপায়ে
সঠিক উত্তর:
ক+খ নং উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ নং উপায়ে
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ১৪৬ ধারায় বলা হয়েছে বেআইনি সমাবেশ কর্তৃক বা এর কোনো সদস্য কর্তৃক বলপ্রয়োগ করা  হলে বা সহিংসতা (force or violence) করা হলে তখন সমাবেশের সকল সদস্য দাঙ্গা করেছে মর্মে বলা হবে।
৩৪.
কোন অপরাধের প্রস্তুতির জন্য শাস্তি প্রদানের বিধান আছে?
  1. দস্যুতা
  2. ডাকাতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. ধর্ষণ
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতি
ব্যাখ্যা
♦পেনাল কোড-এর ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে। সাধারণত অপরাধ সংঘটন, এর সংঘটনে সহযোগিতা বা অপরাধ সংঘটনের প্রচেষ্টা কে শাস্তিযোগ্য করা হয়। কিন্তু ৩৯৯ ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতিকেও শাস্তিযোগ্য করা হয়েছে।
৩৫.
ক একটি মানি ব্যাগ কুড়িয়ে পেলো এবং জানতে পারলো যে মানিব্যাগটি খ-এর। কিন্তু পরবর্তীতে ক মানিব্যাগটি খ কে ফেরত না দিয়ে তা নিজে ব্যবহার করলো। ক-এর অপরাধ-
  1. Cheating
  2. Criminal Breach of Trus
  3. Mischief
  4. Dishonest Misappriation of Property
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappriation of Property
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dishonest Misappriation of Property
ব্যাখ্যা
♦ পেনাল কোডের ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎকরণ: কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা তা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি ১ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাত্ত এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নেই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি তার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে তা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে গণ্য হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও তা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে তা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে। অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসঙ্গত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে তার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে তার মালিক তা জানার আবশ্যকতা নেই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় সেটা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।
♦ পেনাল কোডের৪০৩ ধারার (৫) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য। মানিব্যাগটি বিনষ্ট না করায় এখানে mischief হয়নি। ক এর সাথে খ এর যোগাযোগ হয়নি তাই প্রতারণার সুযোগ নেই। criminal breach of trust হতে হলে সেখানে entrustment of property বা dominion of property থাকা আবশ্যক। এই কারণে অপশন ঘ সঠিক।
৩৬.
ক নিজেকে খ হিসেবে দাবি করে যেখানে খ মৃত। ক এইভাবে নিজেকে খ দাবি করে খ-এর ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করে। ক-এর অপরাধ পেনাল কোড-এর ________ ধারায় শাস্তিযোগ্য।
  1. ৪১৫
  2. ৪১৬
  3. ৪১৯
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
৪১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৯
ব্যাখ্যা
⇒ পেনাল কোডের ৪১৬ ধারায় ছদ্মবেশী প্রতারণার সংজ্ঞা (Cheating by personation)- দন্ডবিধির ৪১৬ ধারায় অপরের রূপ ধারন পূর্বক প্রতারণা বা ছদ্মবেশী প্রতারণার (cheating by personation) বিধান রয়েছে। প্রতারণার উদ্দেশ্যে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে উপস্থিত করলে তাকে ছদ্মবেশী প্রতারণা বা Cheating by personation বলে।
যে ব্যক্তির রূপ ধারন করা হয় সে ব্যক্তি প্রকৃত বা কল্পিত যাই হোক না কেন তা ছদ্মবেশে প্রতারণা হবে । যেমন- করিম নিজেকে আলতাফ হোসেনের ৩ নম্বর পুত্র বলে রহিমের নিকট উপস্থাপন করে কিন্তু বাস্তবে আলতাফ সাহেবের ১ জন পুত্র রয়েছে। এক্ষেত্রে করিম ছদ্মবেশী প্রতারণার জন্য দায়ী হবে ।

♦ ৪১৯ ধারায় cheating by personation এর শাস্তি বর্ণিত আছে যা অনধিক ৩ বৎসর কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
♦ পেনাল কোডের ৪১৯ ধারায় শাস্তি বর্ণিত আছে তাই ৪১৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি-এর ৪০১ ধারায় কে দণ্ড মওকুফ করতে পারে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
 ♦ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা মতে সরকার দণ্ড হ্রাস, মওকুফ ও পরিবর্তন করতে পারেন।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত অথবা মওকুফ করার ক্ষমতা (Power to suspend or remit sentences): সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা শর্তসাপেক্ষে দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে পারেন বা সম্পূর্ণ দত্ত বা দণ্ডের অংশবিশেষ মওকুফ করতে পারেন।
♦ যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হলে, সরকার আদালতের প্রিজাইডিং জজকে আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিনা, সে সম্পর্কে মতামত জানাতে বলতে পারে এবং বিচারের নথি নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
♦ যে সকল শর্তে দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি বলে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তি তখন মুক্ত থাকলে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে।
♦ রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরে বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকার অক্ষুন্ন থাকবে।
৩৮.
কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না?
  1. কেউ আমলযোগ্য অপরাধ করলে
  2. কারও কাছে ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পাওয়া গেলে
  3. কেউ প্রতারণা করলে
  4. পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
কেউ প্রতারণা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেউ প্রতারণা করলে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence).
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking).
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender).
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property).
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs).
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces).
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed).
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict).
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest).
♦অর্থাৎ ক,খ ও ঘ নং অপশন ৫৪ ধারার বিধান মোতাবেক গ্রেফতার করতে পারে। তবে কেউ প্রতারণা করলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে না।
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক পুলিশ কার বক্তব্য বা জবানবন্দি নিতে পারে?
  1. সাক্ষীর
  2. অভিযোগকারীর
  3. অপরাধের বিষয়ে জ্ঞান আছে এমন যে কোনো ব্যক্তির
  4. উপরের সকল কে
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সকল কে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা অপরাধ তদন্তের সময় অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত বা এই বিষয়ে জ্ঞাত যে কোনো ব্যক্তির বক্তব্য রেকর্ড করতে পারে। অর্থাৎ সাক্ষী, অভিযুক্ত বা অভিযোগকারী সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ আছে এই ধারার অধীনে।
৪০.
আগাম জামিনের দরখাস্ত দায়ের করা হয় কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ৪৯৬
  2. ৪৯৭
  3. ৪৯৮
  4. ৪৯৯
সঠিক উত্তর:
৪৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৮
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
৪১.
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক- কে ম্যাজিস্টেট আদালত ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ক উক্ত দন্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করবে-
  1. দায়রা জজ-এর আদালতে
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর আদালতে
  3. স্পেশাল জজ-এর আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় বলা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট যদি ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদোহের জন্য দন্ড দেয় এর বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় বলা হয়েছে যখন কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজের নিকট আপিল করতে পারবে।
♦যখন কোন মামলায় যুগ্ম দায়রা জজ পাঁচ বছরের বেশি সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ দেন তখন সংশ্লিষ্ট বিচারে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
♦যখন কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় (রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায়) বর্ণিত অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয় তখন হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৪২.
অভিযোগ (Complaint) খারিজ করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ২০১
  2. ২০২
  3. ২০৩
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
২০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৩-এ বলা হয়েছে অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো কার্যক্রম নেওয়ার মতো কোনো কারণ না দেখলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ডিসমিস করতে পারবেন।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৩ নালিশ খারিজকরণঃ যার নিকট অভিযোগ করা হয়েছে, অথবা যার নিকট তা হস্তান্তর করা হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদী কর্তৃক শপথপূর্বক প্রদত্ত বিবৃতি (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করে অগ্রসর হওয়ার মত কোন কারণ না পেলে নালিশটি খারিজ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে সংক্ষেপে তিনি তার এরূপকরার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
♦ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নের ২ টি বিষয় বিবেচনা করে অগ্রসর হওয়ার কারণ না পেলে নালিশ খারিজ (dismiss) করতে পারেন:
১) ২০০ ধারায় প্রদত্ত অভিযোগকারীর বিবৃতি এবং ২)  ২০২ ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল।
প্রতিকার-২০৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ বা নালিশ খারিজের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।
৪৩.
A wrongfully strikes B with a cane. A may be separately charged with and convicted of offences under section _________ and ____________ of the Penal Code.
  1. 323, 324
  2. 352, 324
  3. 351, 323
  4. 323, 352
সঠিক উত্তর:
323, 352
উত্তর
সঠিক উত্তর:
323, 352
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৩৫ ধারার বিধান একাধিক অপরাধের বিচার (Trial for more than one offence): পর পর সংঘটিত কতকগুলো কাজ পরস্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কাজগুলো একটিমাত্র কাজের সামিল এবং একই ব্যক্তি যদি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৩৫-এর ২ নং উপধারায় একই অপরাধ ২ টি ধারায় শাস্তিযোগ্য হলে পৃথক চার্জ করে একসাথে বিচার করা যাবে। বোতল দিয়ে আঘাত করলে ৩২৩ ধারার আঘাতের অপরাধ ও ৩৫২ ধারার আক্রমণের অপরাধ হয়। তবে এই ক্ষেত্রে যে কোন একটি ধারায় শাস্তি দিতে হবে। ২৩৫ ধারার (২) উপ-ধারার (i) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
৪৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি আনুসারে কোন আদালত রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. আতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. ওপরের সবায়
সঠিক উত্তর:
ওপরের সবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপরের সবায়
ব্যাখ্যা
♦ রিভিশনের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ সকলের রয়েছে ।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ক(৩) ধারায় অতিরিক্তি দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা রয়েছে। দায়রা জজ সাধারন বা বিশেষ আদেশ বলে তার নিকট দায়েরকৃত কোন রিভিশন অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করতে পারে; এক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।  রিভিশনে প্রদত্ত দায়রা জজের আদেশই চূড়ান্ত কেননা, ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২য় ব্রিভিশনের বিধান নাই।
♦ অর্থাৎ দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ২য় রিভিশন দায়ের করা যাবেনা।
৪৫.
মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিরক্তিকর অভিযোগ দাখিলের জন্য অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে বিচারিক আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পার?
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
  4. মামলা দায়েরের নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন তার নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি বা খালাসের আদেশ দিবেন এবং পাশাপাশি, অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন আসামিকে বা আসামিদের ক্ষতিপূরণ দিবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক বিচারিক আদালত মিথ্যা অভিযোগ দাখিলকারীকে ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ ও তা অনাদায়ে অনধিক ৩০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন। মনে রাখতে হবে, জরিমানা আর ক্ষতিপূরণ এক নয়। জরিনামা এক প্রকার দণ্ড যা সরকার পাবে, অন্যদিকে ক্ষতিপূরণ পাবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ।
৪৬.
Summary Trial- ফৌজদারি কার্যবিধির কত নং অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XXX
  2. XXII
  3. XXIII
  4. XI
সঠিক উত্তর:
XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII
ব্যাখ্যা
♦গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২২(XXII) নং অধ্যায়ে এবং ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা-
i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার।
ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর;
iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯,২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ ।
iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি;
v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit the foregoing offences); এবং
vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
♦এছাড়াও মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর অধীনে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমান আদালত সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে বিচার পরিচালনা করে থাকে।
♦অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
৪৭.
১৯০(১) ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. অভিযোগ দায়েরের ভিত্তিতে
  2. পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  3. অন্য কোনো মাধ্যমে থেকে প্রাপ্ত সংবাদ প্রাপ্তির ভিত্তিতে
  4. উপরে বর্ণিত যে কোনো ভাবে
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত যে কোনো ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত যে কোনো ভাবে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১) ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট ১। complaint এর ভিত্তিতে ২। পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে ৩। পুলিশ ব্যতীত অন কোনো ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে বা নিজের জ্ঞান থেকে বা সন্দেহের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।
৪৮.
রিমান্ডে সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য নেওয়া যায়?
  1. ৭ দিনের জন্য
  2. ১৫ দিনের জন্য
  3. ১০ দিনের জন্য
  4. ৫ দিনের জন্য
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের জন্য
ব্যাখ্যা
♦আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাঁকে জেল খানায় না পাঠিয়ে নিজের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করাকে রিমান্ড বলা হয়। ১৬৭ ধারার বিধান মোতাবেক কোনো মোকদ্দমায়  একজন আসামীকে সর্বোচ্চ ১৫ দিন রিমান্ডে রাখা যায়।
৪৯.
W/P&A কী?
  1. Warrant of Production and Arrest
  2. Warrant of Publication and Assessment
  3. Warrant of Proclamation and Attachment
  4. Warrant of Probation and Arrest
সঠিক উত্তর:
Warrant of Proclamation and Attachment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Warrant of Proclamation and Attachment
ব্যাখ্যা
♦ আসামী যদি আদালতে গরহাজির থাকে এবং বিচার প্রক্রিয়া হতে পালিয়ে থাকে এবং তাঁকে গ্রেফতার করার সম্ভাবনা না থাকে তখন আদালত তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার জন্য আদেশ করে হুলিয়া জারি করে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার অধীনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
♦ ফৌজদারি মামলায় আসামীর প্রতি সমন ও ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পরেও অথবা আসামী জামিনে মুক্ত হওয়ার পরে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হলে উক্ত আসামী বা আসামীদেরকে পলাতক বা ফেরারী আসামী (absconder) বলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারামতে আদালত কর্তৃক এরূপ পলাতক বা ফেরারী আসামীকে নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ে (যা ৩০ দিনের কম নয়) হাজির হওয়ার নির্দেশ সম্বলিত ঘোষনাপত্রকে হুলিয়া বা Proclamation বলে । ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারায় পলাতক ব্যক্তির হুলিয়া (Proclamation) এবং ৮৮ ধারায় পলাতক ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক  (Attachment of property) সম্পর্কে বিধান বর্ণিত হয়েছে।
♦ফৌজদারি  কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার অধীনে এই বিধান কে একসাথে W/P&A বা Warrant of Proclamation and Attachment বলে।
৫০.
ক-এর বিরুদ্ধে একটি চেকের মামলা দায়ের করার পর সমন, ওয়ারেন্ট ও W/P&A ইস্যু করার পরও সে আদালতে হাজির হয় নি। এমতাবস্থায় আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
  2. পুনরায় গ্রেফতরারি পরওয়ানা জারি করা
  3. তাঁর বিরুদ্ধে বিচার শুরু করা
  4. তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা
সঠিক উত্তর:
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
ব্যাখ্যা
♦ আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আইনে Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীন পলাতক বা ফেরারী আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালনের পর অর্থাৎ হুলিয়া জারি ও সম্পত্তি ক্রোকের পর যদি আদালত মনে করে যে, আসামী গ্রেফতার ও বিচার এড়ানোর জন্য পলায়ন করেছে, আত্মগোপান করেছে এবং আসামীকে গ্রেফতার করার কোনো আশু সম্ভাবনা নাই, তাহলে মামলা আমল গ্রহণকারী আদালত কমপক্ষে ২টি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসামীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হলে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
♦ তবে ৩৩৯-খ এর ২ উপধারা অনুযায়ী, আসামী কোন ভাবে আদালতে একবার হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন না করেই তার অনুপস্থিতিতেই আদালত বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।
৫১.
ক-এর বিরুদ্ধে খ- যুগ্ম জেলা জজের আদালতে চেক ডিজঅনারের জন্য মামলা দায়ের করে। শুনানীর সময় ক তাঁর দোষ স্বীকার করে নেওয়ায় আদালত তাঁকে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে ক কি আপিল করতে পারবে?
  1. পারবে না, কারণ সে দোষ স্বীকার করে নিয়েছে
  2. পারবে, কারণ আদালত তাঁকে অতিরিক্ত দণ্ড দিয়েছে
  3. পারবে না, কারণ চেক ডিজঅনারের মামলায় আপিলের বিধান নেই
  4. ক মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিয়েছে এই দাবিতে আপিল করতে পারবে।
সঠিক উত্তর:
পারবে, কারণ আদালত তাঁকে অতিরিক্ত দণ্ড দিয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারবে, কারণ আদালত তাঁকে অতিরিক্ত দণ্ড দিয়েছে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারামতে কোন আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং উক্ত দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আদালত তাকে কোন দন্ড দিলে উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
♦ তবে এক্ষেত্রে দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে দেয়া শাস্তির বৈধতা নিয়ে আপিল করা যেতে পারে।
♦ ৪১২ ধারায় বলা হয়েছে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে প্রদত্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলবেনা। তবে, ঘোষিত দণ্ড যদি বেআইনি হয় তবে সেটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেই কারণে আপিল চলবে। চেকের মামলায় সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান আছে। ২ বছর দণ্ড দেওয়ায় এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে আপিল করতে পারবে।
৫২.
দণ্ডিত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া যায় কোন ধারার বিধান অনুসারে?
  1. ৪৯৭
  2. ৪৯৮
  3. ৪৯৯
  4. ৪২৬
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারার বিধান আপিল পেন্ডিং থাকলে দণ্ড স্থগিতঃ দণ্ডিত ব্যক্তির আপিল সাপেক্ষে আপিল আদালত আপিলকৃত দণ্ড বা আদেশ কার্যকর স্থগিত রাখবে এবং আসামি আটক থাকলে মুক্তি দিবে। [৪২৬(১)]
♦ এই ধারায় প্রদত্ত আপিল আদালতের ক্ষমতা হাইকোর্টও প্রয়োগ করতে পারবেন। [৪২৬(২)]
♦ কোন ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১ বছর মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলে, আপিল পেশ ও আপিল আদালতের আদেশ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত সময়ের জন্য আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে যতদিন সে জামিনে মুক্ত থাকবে ততদিন পর্যন্ত কারাদণ্ড স্থগিত রয়েছে বলে গণ্য হবে। [ ৪২৬(২)]
♦ আপীলকারী যখন শেষ পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তখন যে সময়ের জন্য সে মুক্ত ছিল দণ্ডের মেয়াদ হিসাবের সময় তা বাদ দিতে হবে। [৪২৬(৩)]
♦ অর্থাৎ দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করলে আপিল আদালত দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড কার্যকর করার উপর স্থগিতাদেশ দিতে পারেন এবং তাঁকে জেল হতে জামিনের মাধ্যমে মুক্তি দিতে পারেন।
৫৩.
একটি অপরাধ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তা জানা যাবে-
  1. সিডিউল ২ কলাম ৩ থেকে
  2. সিডিউল ২ কলাম ৫ থেকে
  3. সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
  4. সিডিউল ২ কলাম ৪ থেকে
সঠিক উত্তর:
সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির সিডিউল-২ এর ৮ নং কলামে অপরাধ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তা উল্লেখ আছে। 
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন, ১৮৯৮ সনের ২২ শে মার্চ প্রকাশিত হয় এবং ১৮৯৮ সনের ১লা জুলাই হইতে কার্যকর হয়। ফৌজদারি কার্যবিধি তে ৫৬৫ টি ধারা আছে, তফসিল ৫ টি। সিডিউল-২ এর ৮টি কলাম আছে। 
৫৪.
৪৩৯ক ধারার বিধান কী?
  1. দায়রা আদালতের আপিলের বিধান
  2. হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনের ক্ষমতা
  3. দায়রা আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের রিভিশনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ দায়রা আদালত –এর রিভিশনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ৪৩৯ক নং ধারায়।
♦ ধারাঃ ৪৩৯-ক মতে (১) কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নিজে কোন মামলার নথি তলব করে থাকলে বা অন্য কোনভাবে বিষয়টি তার গোচরীভূত হলে দায়রা জজ ৪৩৯ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
♦ (২) কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা তার পক্ষ হতে দায়রা জজের নিকট কোন রিভিশনের আবেদন করা হলে, সে সম্পর্কে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
♦ (৩) দায়রা জজের সাধারণ বা বিশেষ আদেশক্রমে কোন মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তরিত হলে সেই মামলা সম্পর্কে তিনি এই অধ্যায়ের অধীন দায়রা জজের সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
♦ রিভিশনের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের যে সকল ক্ষমতা আছে সেসকল ক্ষমতা দায়রা জজকে দেওয়া হয়েছে। 
♦ রিভিশনের ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। দায়রা জজের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে পুনরায় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
♦ অতিরিক্ত দায়রা জজ তার নিকট হস্তান্তরকৃত মামলা সম্পর্কে দয়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে।
৫৫.
অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে বা একাদিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে-
  1. যে কোনো একটি আদালতে বিচার করা যাবে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে
  3. সুপ্রিমকোর্ট বিচার করবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦ ১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।
♦ ১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
৫৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. আপিল
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. যে কোনোটি
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।
♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
♦এই আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
৫৭.
A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by______________________.
  1. The Code of Civil Procedure, 1908
  2. Specific Relief Act, 1877
  3. The Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Transper of Property Act, 1882
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৮ ধারায় শুধুমাত্র যে একজন স্থাবর সম্পত্তির মালিক তার স্বত্বের উপর ভিত্তি করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে তা না বরং দখলের অধিকারী যে কোন ব্যক্তি ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে; যদি সে তার স্বত্ব প্রমাণ করতে পারে। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে দখলের অধিকারী বলতে মালিক বা দখলদার হিসেবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে।
♦অর্থাৎ ৮ ধারার অধীন দেখাতে হবে সম্পত্তিতে স্বত্ব আছে এবং তা চুক্তিবলে হোক বা উত্তরাধিকারসূত্রে হোক বা দখলি স্বত্ব হোক এবং এমন স্বত্বের কারণে দখলের অধকারী।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারার বিধান অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা করা যায়। কিন্তু দখল উদ্ধারের নিয়ম কানুন বলা আছে The Code of Civil Procedure এর আদেশ ২১ এর মাঝে
♦A person entitled to the possession of specific immovable property may recover it in the manner prescribed by The Code of Civil Procedure, 1908.
৫৮.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদান আদালতের জন্য_______।
  1. বাধ্যতামূলক
  2. ইচ্ছাধীন
  3. ক এবং খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (Specific Relief) বলতে ঐ সকল প্রতিকারকে বোঝায় যা কোন ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের বিধান মোতাবেক সুনির্দিষ্টভাবে পাওয়ার অধিকারী। 
♦ এই প্রতিকার সমূহ কেউ অধিকারবলে দাবী করতে পারবেন না; ইহা আদালতের ইচ্ছার(discretion) উপর নির্ভর করে থাকে। এই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা বা নামঞ্জুর করা আদালতের ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আইনটির ২২ ধারা আদালতকে এই ক্ষমতা অর্পণ করেছে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে আদালতকে আইন দ্বারা বাধ্য করা যায়না। পরিস্থিতি বিবেচনায় আদালত ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। তবে আদালতের এই ইচ্ছাধীন বা সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই স্বেচ্ছাচারীতামূলক হবে না বরং ন্যায় বিচার সহায়ক হবে।
৫৯.
বায়নানামা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য কী শর্ত পূরণ করা আবশ্যক?
  1. চুক্তির বাকি বিনিময় মূল্য আদালতে দাখিল করা
  2. চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়া
  3. চুক্তি হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করা
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ২১ক ধারায় বলা হয়েছে- বায়নানামা দলিলটি নিবন্ধিত হতে হবে এবং বায়নানামার শর্ত মোতাবেক কোনো টাকা বাকি থাকলে তা আদালতে জমা দিতে হবে। অন্যাথায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি পেতে পারে না।
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১ক এর বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্যঃ এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
৬০.
সুবর্ণগ্রামের মৌজার সর্বনিম্ন মৌজা রেট প্রতি শতকে ৫০,০০০ টাকা। ক ঐ গ্রামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। ক তাঁর গরিব ও বিধবা প্রতিবেশী খ হতে ৩ শতক জমি প্রতি শতক ৩০,০০০ টাকা দামে খরিদ করার জন্য বায়নানামা দলিল সম্পাদন করেন। কিন্তু খ বিক্রয় দলিল সম্পাদন করে না দেওয়ায় ক চুক্তি প্রবলের মামলা দায়ের করে।
  1. আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি দেওয়ার পক্ষে সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন
  2. আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার জন্য সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন
  3. আদালত অবশ্যই চুক্তি প্রবলের ডিক্রি দিবেন
  4. আদালত মামলা খারিজ করবেন।
সঠিক উত্তর:
আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার জন্য সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার জন্য সুবিবেচনা প্রয়োগ করবেন
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার বিধান সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে ডিক্রি প্রদানঃ প্রসঙ্গে বিবেচনামূলক ক্ষমতাঃ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পদানের ব্যাপারে ডিক্রি পদানের এখতিয়ার হচ্ছে ইচ্ছাধীন এবং শুধুমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত তেমন প্রতিকার মঞ্জর করতে বাধ্য নয়। কিন্তু আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা স্বেচ্ছাচারিতা নয়, বরং তা হচ্ছে নিখুত ও যুক্তিসঙ্গত, বিচার বিভাগীয় মূলনীতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং আপীল আদালতের মাধ্যমে সংশোধনযোগ্য ৷
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান না করার ব্যাপারে যথাযথভাবে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেনঃ-
(১) যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে প্রতিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করেছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।
 (২) যেখানে চুক্তির কার্য সম্পাদন প্রতিবাদীকে অত্যন্ত ক্লেশে জড়িয়ে ফেলবে, যা সে পূর্ণ হতে বুঝতে পারেনি, অপরদিকে, উহার কার্য সম্পাদন না করলে বাদীকে তা তেমন কোন ক্লেশে বিজড়িত করবে না।
 নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদানের ব্যাপারে যথাযথভাবে তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।
(৩) যেখানে বাদী সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনযোগ্য চুক্তির উল্লেখযোগ্য কাজ সম্পন্ন করেছে অথবা চুক্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
♦ অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারায় ২ টি ক্ষেত্রে চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার এবং ১ টি ক্ষেত্রে ডিক্রি দেওয়ার পক্ষে সুবিবেচনা বা discretion প্রয়োগ করার ব্যাপারে বিধান দেওয়া হয়েছে। প্রথম ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে চুক্তিতে বেআইনি কিছু না থাকলেও যদি দেখা যায় যে বাদী বিবাদীর উপর অনুচিত সুবিধা (unfair advantage) নিয়েছে সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি প্রবলের ডিক্রি না দেওয়ার পক্ষে বিষয়টি বিবেচনা করবেন। এখানে বাদী প্রভাবশালী প্রতিবেশী ও বিবাদী গরিব বিধবা হওয়ায় অনুচিত সুবিধা নেওয়ার উপাদান পাওয়া যায়। তাই খ সঠিক উত্তর হবে।
৬১.
কোন ক্ষেত্রে দলিল সংশোধনের ডিক্রি দেওয়া হয়?
  1. পক্ষদের অভিপ্রায় প্রকাশ না পেলে
  2. দলিলে পণমূল্য উল্লেখ না থাকলে
  3. দলিলটি নিবন্ধিত হলে
  4. দলিলটি অবৈধ না হলে
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের অভিপ্রায় প্রকাশ না পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদের অভিপ্রায় প্রকাশ না পেলে
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান; যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
৬২.
ক রেজিস্টার্ড দলিলমূলে খ-এর নিকট একটি জমি বিক্রি করলো। বিক্রির পরে খ দেখলো যে এই জমির উপর গ এর চলাচলের অধিকার (easement) আছে যা শুধু ক জানতো। খ-এর প্রতিকার কী?
  1. দলিল সংশোধনের মামলা করা
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করা
  3. চুক্তি অবসানের মামলা করা
  4. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করা
সঠিক উত্তর:
চুক্তি অবসানের মামলা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি অবসানের মামলা করা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়ঃ লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ
ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।
গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
৬৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন 1877 এর ৮ ধারার মামলার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সত্য?
  1. মালিকানা প্রমাণ করতে হয়
  2. দখল প্রমাণ করতে হয় না
  3. 12 বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে শুধুমাত্র দখলের অধিকারী ব্যক্তি। ৮ ধারায় স্থাবর সম্পত্তিতে 'দখলের অধিকারী’ বলতে মালিক বা দখলদার হিসাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে ।যেমন: চুক্তিবলে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা অনুমতি সাপেক্ষে দখলের অধিকারী বা দখলি স্বত্বের উপর ভিত্তি করে দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। আপনি দখলের অধিকারী কারণ সম্পত্তিতে আপনার স্বত্ব আছে। সুতরাং যে স্বত্বের কারণে আপনি দখলের অধিকারী আপনাকে সেই স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে। বা যে স্বত্বের কারণে আপনি দখল দাবী করছেন, আপনাকে সেই স্বত্ত্বই প্রমাণ করতে হবে। দখলে আছেন কিনা সেটা বিবেচ্য বিষয় না।
৬৪.
তামাদি আইন ১৯০৮ কবে কার্যকর করা হয়?
  1. ১লা জানুয়ারী ১৯০৮
  2. ৭ আগস্ট ১৯০৮
  3. ১লা জানুয়ারী ১৯০৯
  4. ৭ আগস্ট ১৯০৯
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারী ১৯০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারী ১৯০৯
ব্যাখ্যা
♦বর্তমানে প্রচলিত তামাদি আইনটি ৭ আগস্ট ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়), যা তামাদি আইন ১৯০৮নামে পরিচিত।
♦এটি ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়। তামাদি আইন ১৯০৮ সালের ৯ নং আইন। সর্বশেষ ২০০৪ সালে তামাদি আইন সংশোধন করা হয়।
♦তামাদি আইন একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)।
৬৫.
তামাদি আইন __________ কে নষ্ট করে না, তবে _________ কে বারিত করে।
  1. প্রতিকার, অধিকার
  2. স্বত্ব, দখল
  3. অধিকার, প্রতিকার
  4. অধিকার, অধিকার
সঠিক উত্তর:
অধিকার, প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার, প্রতিকার
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মামলা বা দরখাস্ত দায়ের করলে তা গ্রহণ করা হয় না। এর মাধ্যমে তামাদি আইন প্রতিকার পাওয়া হতে বারিত করে, তবে অন্যভাবে কেউ তাঁর অধিকার প্রয়োগ করলে তা পেতে বারিত করে না।
♦অর্থাৎ তামাদি আইন অধিকার কে নষ্ট করে না, তবে প্রতিকার কে বারিত করে।
৬৬.
তামাদি আইনের ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফের জন্য দরখাস্তে কী দাবি/উল্লেখ করতে হয়?
  1. বিলম্বের কারণ
  2. বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
  3. মামলার গুরুত্ব
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্বের উপযুক্ত কারণ
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারা মতে কোন আপীলকারী বা দরখাস্তকারী যদি প্রমান করতে পারেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেও কোন আপীল , রিভিউ বা রিভিশন করতে না পারার পর্যাপ্ত কারণ ছিল মর্মে আদালতকে সন্তোষ্ট করতে পারে সে ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যেতে পারে তখন এই ব্যবস্থাকেই আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বলে।
♦অর্থাৎ ৫ ধারায় দরখাস্তকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে যথাসময়ে আদালতে আপিল বা দরখাস্ত দাখিল করতে না পারার পেছনে যথোপযুক্ত কারণ (sufficient cause) ছিলো।
♦১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারাটি কেবরমাত্র আপীল এবং রিভিউ ,রিভিশন সহ অন্যান্য উল্লেখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এমনকি ফৌজদারী মামলার আপীলের ক্ষেত্রেও ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে।
৬৭.
ক-এর পক্ষে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের অধিকার সৃষ্টি হওয়ার ১১ বছর পর সে সাবালকত্ব অর্জন করে। সাধারণ নিয়ম অনুসারে ক-এর হাতে মামলা দায়ের করার জন্য আরও ১ বছর সময় আছে। ক- অতিরিক্ত আরও কত বছর সময় পাবে?
  1. সময় পাবে না
  2. ১১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮ অনুসারে- যে মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তা কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করেছে বলে গণ্য হবে না।
♦সাধারণত স্বত্বের মামলার তামাদি মেয়াদ ১২ বছর,  যেহেতু ক ১১ বছর পর সাবালক হয়েছে ও মামলা করার অধিকারী হয়েছে। আইনগত ভাবে মামলা করার শুধু মাত্র এক বছর সময় বাকি থাকে।
♦কিন্তু তামাদি আইনের ৮ ধারার বিশেষ ব্যতিক্রম অনুযায়ী আইনগত অপারগতা অবসান হওয়ার পর মামলা করার জন্য তিন বছর সময় পাবে । অর্থাৎ সাবালক হওয়ার পরে ক মামলা করার জন্য মোট  তিন বছর সময় পাবে। এক্ষেত্রে ক তার স্বত্বের অধিকারের মামলার এক বছর মেয়াদের সাথে অতিরিক্ত  দুই বছর সময় বেশি পাবে।
বি:দ্র: ৮ ধারার উদাহরণ: (ক)
⇒ 'ক' নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্ৰ অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে৷
৬৮.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে কোন সময় টা বাদ দেওয়ার বিধান নেই?
  1. যেদিন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে সেদিন
  2. যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
  3. রায়-ডিক্রির কপি প্রাপ্ত হতে যে সময় লাগে
  4. রোয়েদাদের কপি প্রাপ্ত হতে ব্যয়কৃত সময়
সঠিক উত্তর:
যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১২ ধারায় বলা আছে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় কোন কোন সময় বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে। যেদিন মামলা দায়ের করা হবে সেদিন বাদ দেওয়ার বিধান নেই।
♦তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন।
রায় ঘোষণার দিন।
রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়।
রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।
৬৯.
ক-এর মামলা করার অধিকার আছে একটি দলিলের অনুবলে। কিন্তু বিবাদী খ উক্ত দলিল ক-এর দখল হতে প্রতারণামূলকভাবে লুকিয়ে রাখে। ক-এর মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে কখন?
  1. প্রতারণার বিষয়ে জানার পর
  2. যখন উক্ত দলিলের দখল প্রাপ্ত হবে
  3. যখন বিবাদীকে পাওয়া যাবে
  4. দলিল হাতছাড়া হওয়ার পর থেকে
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত দলিলের দখল প্রাপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন উক্ত দলিলের দখল প্রাপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৮ ধারায় বলা হয়েছে যে কারও মামলা করার অধিকার যদি প্রতারণামূলকভাবে তাঁর কাছ থেকে গোপন করা হয় অথবা যে দলিলের ভিত্তিতে মামলা করবে তা যদি প্রতারণামূলকভাবে তাঁর থকে লুকানো হয় তবে অধিকার সম্পর্কে জানা বা দলিলের হেফাজত পাওয়ার পর থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে। প্রতারণা করবে এমন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে এই অধিকার সৃষ্টি হয়েছে।
৭০.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে কোনো ব্যক্তিকে বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে তাঁর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা কোন সময় থেকে দায়ের করা হয়েছে মর্মে ধরে নেওয়া হবে?
  1. যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
  2. যখন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
  3. যখন তাঁকে সমন দেওয়া হয়েছে
  4. যখন সে আদালতে হাজির হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ধারা ২২ মতে নতুন বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে স্থলাভিষিক্তের তারিখে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কোন মামলায় নতুন করে বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে সেই নতুন বাদী বা বিবাদীর তামাদি মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নতুন বাদী বা বিবাদীর পক্ষভুক্তির তারিখ হতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। কিন্তু স্বত্ব স্থানান্তরের ফলে পক্ষভূক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে অথবা বাদীকে বিবাদীতে এবং বিবাদীকে বাদীতে পরিণত করা হলে উক্ত বিধান কার্যকর হবে না।
৭১.
চুক্তি প্রবলের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় কত বছরের মধ্যে
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦সিডিউল ১, আর্টিকেল ১১৩ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-এর ১২ ধারায় মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে  চুক্তির মেয়াদ হতে বা চুক্তির মেয়াদ না থাকলে চুক্তির সম্পাদন অস্বীকার করার বিষয়ে জানার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে। পূর্বে এই মেয়াদ ৩ বছর ছিলো যা ২০০৪ সালে সংশোধন করা হয়।
৭২.
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে ৬ মাসের মধ্যে এটি কোন আর্টিকেলে বলা হয়েছে?
  1. ১৮০
  2. ১৮২
  3. ১৫৫
  4. ১৫৭
সঠিক উত্তর:
১৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের সিডিউলের ১৫৭ নং আর্টিকেলের বিধান অনুসারে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৬ মাসের তামাদির মেয়াদের বিধান করা হয়েছে।
৭৩.
কোন বিষয়ে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া যায়?
  1. Fact in issue and relevant fact
  2. Admitted Facts
  3. Important facts only
  4. All facts
সঠিক উত্তর:
Fact in issue and relevant fact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fact in issue and relevant fact
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইন-এর ৫ ধারায় বলা হয়েছে বিচার্য বিষয় ও এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যাবে। এই দুই ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়া যাবে না।
৭৪.
ক আহত অবস্থায় পুলিশের নিকট খ-কে দোষী উল্লেখ করে এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর মারা যায়। ক-এর এই জবানবন্দির সাক্ষ্যগত মূল্য কী?
  1. পুলিশের নিকট দেওয়ায় এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়
  2. ক সাথে সাথে মারা না যাওয়ায় এই জবানবন্দি গ্রহণযোগ্য নয়
  3. মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
  4. এটি স্বীকৃতি হিসেবে গ্রহণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে এই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
♦সাধারণত পুলিশের নিকট প্রদত্ত জবানবন্দির সাক্ষ্যগত মূল্য নাই (ধারা ২৬)। তবে মৃত্যুকালীন ঘোষণা পুলিশের সামনে দিলেও তা যদি পুলিশ আদালতে এসে উল্লেখ করে তবে তা গ্রহণযোগ্য (ধারা ৩২)।
♦১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) মৃত ব্যক্তি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রদত্ত বিবৃতিকে সাধারণত মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়৷ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা মতে, কোন নিহত ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে যদি তার মৃত্যুর কারণ, অবস্থা এবং পরিস্থিতি বর্ণনা করে কোন বিবৃতি বা জবানবন্দি প্রদান করে থাকেন তবে তাকে মৃত্যুকালীন ঘোষণা বলা হয়।
৭৫.
ক-এর বিরুদ্ধে খ-এর স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগে আদালতে বিচার চলছে। নীচের কোনটি ক-এর বিচারের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক?
  1. সে যে সম্পত্তি চুরি করেছে সেটি অত্যন্ত মূল্যবান
  2. চেইনটির মালিক ‘খ’ নয়
  3. চেইনটি সে গোপনে নাকি প্রকাশ্যে চুরি করেছে?
  4. ক এর আগেও চুরির অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে।
সঠিক উত্তর:
ক এর আগেও চুরির অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এর আগেও চুরির অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছে।
ব্যাখ্যা
♦মূলনীতি এই যে, fact in issue ও relevant issue ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায় না। কী বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়া যায় তাঁর বিস্তারিত আছে ৫-৫৫ ধারা পর্যন্ত। ৪১ ধারায় বলা হয়েছে পূর্বোক্ত মামলার রায় কখন প্রাসঙ্গিক হবে। ‘ক’ একই অপরাধে আগেও দণ্ডিত হয়েছে এই বিষয়টি প্রাসঙ্গিক। উদাহরণ (e) দ্রষ্টব্য।
৭৬.
কোন ক্ষেত্রে বিষেজ্ঞর মতামত (expert opinion) প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. বিদেশী আইন
  2. বিজ্ঞান
  3. হস্তরেখা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, কলা বিজ্ঞান, হস্তরেখা, আঙ্গুলের ছাপ ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ ব্যক্তিদের সাক্ষ্য মোকদ্দমায় প্রাসঙ্গিক হবে।
৭৭.
সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান হলো-
  1. ঘটনা সম্পর্কিত অনুমান
  2. অখণ্ডননযোগ্য আইনগত অনুমান
  3. খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
  4. আইন ও ঘটনার মিশ্র অনুমান
সঠিক উত্তর:
খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খণ্ডনযোগ্য আইনগত অনুমান
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ১১২ ধারার অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ। ১১২ ধারায় সন্তানের বৈধতার অনুমান চূড়ান্ত প্রমাণ হলেও এটা খণ্ডনযোগ্য আইনসম্পর্কিত অনুমান। যেমন কোন সন্তানের পিতা ও মাতার মধ্যে বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন সময়ে উক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ করে থাকলে ১১২ ধারার অধীন আইনসম্পর্কিত অনুমান হলো উক্ত সন্তানটি বৈধ এবং এই অনুমান হলো চূড়ান্ত প্রমাণ কিন্তু খণ্ডনযোগ্য।
৭৮.
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a ________ is relevant.
  1. Bad character
  2. Criminal character
  3. Good character
  4. Good or bad character
সঠিক উত্তর:
Good character
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Good character
ব্যাখ্যা
♦Criminal Proceeding –এ আসামীর ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক, খারাপ চরিত্র সাধারণত প্রাসঙ্গিক নয়। তবে যদি ভালো চরিত্র দাবি করা হয় তখন তাঁর চরিত্র ভালো না এই বিষয়ও প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়।
♦ ধারা ৫৩ ধারা- In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৭৯.
বিচার্য বিষয় ও প্রাসঙ্গিক বিষয় হওয়া সত্ত্বেও কোনটি প্রমাণ করার দরকার নাই?
  1. স্বীকৃত বিষয়
  2. যে বিষয়ে আদালত judicial notice নিতে পারেন
  3. বাংলাদেশের আইন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবংযে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৮০.
ক একটি দলিল বাতিলের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করেন। ক-এর দাবি এই যে, দলিলের দাতা হিসেবে ক এর নাম থাকলেও প্রকৃতপক্ষে ক এই দলিল সম্পাদন করেনি। বিবাদী খ দলিল টি কে সঠিক এবং ক তাতে স্বাক্ষর করেছে মর্মে দাবি করেন। দলিলের সম্পাদন প্রমাণের বিষয়ে নিম্নের কোনটি সত্য।
  1. যেহেতু দলিলটি নিবন্ধিত, সুতরাং এর সম্পাদন প্রমাণ করার দরকার নাই।
  2. বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
  3. দলিলের আসল দাখিল করলে সম্পাদন প্রমাণ করতে হবে না
  4. উপরের সবগুলো সত্য
সঠিক উত্তর:
বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী সম্পাদন অস্বীকার করায় এর সম্পাদন attesting witness দিয়ে প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারায় বলা হয়েছে যেসকল দলিল সত্যায়নকারী সাক্ষী দ্বারা স্বাক্ষরিত সেগুলোর সম্পাদন প্রমাণ করার জন্য অন্তত একজন সত্যায়নকারীকে আদালতে এসে দলিলের সম্পাদনের বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে হবে। তবে নিবন্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে এইরূপে প্রমাণের দরকার নাই। নিবন্ধিত দলিলের দাতা যদি এর সম্পাদন অস্বীকার করলে এটি নিবন্ধিত হওয়া সত্ত্বেও উক্তরূপে প্রমাণ করতে হয়।
৮১.
কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. রেজিস্ট্রিকৃত সাবকবলা দলিলের আসল
  2. আদালতের আদেশের জাবেদা কপি
  3. আদালতে দাখিলকৃত আরজি
  4. সমনের আসল
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত সাবকবলা দলিলের আসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত সাবকবলা দলিলের আসল
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে। সাব কবলা দলিলের আসল সরকারি দলিল নয়, কারণ এটি সরকারি অফিস সংরক্ষণ করে না, রেজিস্ট্রেশনের পর গ্রহীতাকে হস্তান্তর করা হয়। তবে এই দলিলের বিষয়বস্তু যেহেতু বালাম বইয়ের সংরক্ষিত থাকে সেটা সরকারি দলিল এবং সেখান থেকে যে জাবেদা নকল দেওয়া হয় সেটি সরকারি দলিল।
৮২.
সত্যায়িত অবিকল নকল বিষয়ে আদালতের অনুমান কেমন হবে?
  1. আদালত এটির সঠিকতা নিয়ে অনুমান করবে না
  2. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক এবং এর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দেওয়া যাবে না
  3. আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
  4. আদালত ইচ্ছে করলে এটিকে সঠিক বলে ধরে নিতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত ধরে নিবে যে এটি অবশ্যই সঠিক যতক্ষণ না এটিকে ভুল প্রমাণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৭৯ ধারায় সত্যায়িত কপির presumptive value উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত এটিকে অবশ্যই সঠিক বলে ধরে নিবে। এই ধারায় shall presume শব্দমালা ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ অবশ্যই অনুমান করবে। তবে এটি ভুল প্রমাণে সাক্ষ্যপ্রমাণ দেওয়ার সুযোগও দিবে। তাই উত্তর ক,খ, ঘ ভুল।
৮৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১ ধারায় দোবারা দোষ  এবং ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা নীতির প্রতিফলন ঘটেছে সাক্ষ্য আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ৪০
  2. ধারা  ৪১
  3. ধারা ৪২
  4. ধারা ৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০
ব্যাখ্যা
♦সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় দেওয়ানী কার্যবিধির দোবারা দোষ এবং ফৌজদারী কার্যবিধির দোবারা সাজা নীতির প্রতিফলন হয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১ ধারার দোবারা দোষ অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত মামলা পুনরায় একই বিষয়ে এবং একই পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আদালতে শুরু করে যাবে না। যদি কোন ব্যক্তি এমন মামলা দায়ের করে তাহলে আদালত মামলাটি খারিজ করে দিবে। আবর ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা নীতি অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য দুইবার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না।
৮৪.
ক আদালতে ১৯৭৫ সালের একটি পুরাতন দলিলের ভিত্তিতে স্বত্ব দাবি করে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু দলিলের আসল হারিয়ে যাওয়ায় ক উক্ত দলিলের একখানা ফটোকপি দাখিল করতে আদালতে প্রার্থনা করেন।
  1. ক-কে ফটোকপি দাখিল করতে দেওয়া হবে না
  2. ক-এর মামলা খারিজ হবে
  3. ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
  4. সরাসরি ফটোকপি দাখিল করতে অনুমতি দেওয়া হবে।
সঠিক উত্তর:
ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক-কে মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ার বিষয় আগে প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦১০৪ ধারার বিধান এই যে, একটি সাক্ষ্য যদি আদালতে admissible হওয়ার জন্য পূর্বে কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে হয় তবে সেটি আগে প্রমাণ করতে হবে। মূল দলিল হারিয়ে যাওয়ায় ফটোকপি গ্রহণ করা হবে তবে পূর্বে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রমাণ করতে হবে।
৮৫.
Leading Question বলতে নিচের কোনটিকে বুঝাবে?
  1. যে প্রশ্নের পূর্বে উত্তর বলা থাকে
  2. যে প্রশ্নের পরে উত্তর বলা থাকে
  3. যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর বলা থাকে
  4. যে প্রশ্নে প্রশ্নকারী হা বা না সূচক প্রশ্ন করে থাকে
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর বলা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর বলা থাকে
ব্যাখ্যা
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারার বিধান হলো ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নঃ প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
♦ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত হ্যা অথবা না ব্যাজেই এ ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়। ♦ অর্থাৎ নির্দেশক প্রশ্ন বা Leading question তাই যার মধ্যে উক্ত প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত থাকে।
♦ সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্নের (Leading question) বিধান রয়েছে।
♦ যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি সালমান ?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম সালমান। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত (সালমান) রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
৮৬.
হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার যোগ্যতা অর্জনের জন্য কত বছর নিম্ন আদালতে প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
♦অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৮৭.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে হলে আইন বিষয়ে ডিগ্রি লাগবে এবং বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে এটি কোন আইনের বিধান?
  1. Article 20, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
  2. Article 21, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
  3. Article 25, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
  4. Article 27, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
সঠিক উত্তর:
Article 27, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 27, The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972
ব্যাখ্যা
♦আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা
আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
৮৮.
“Clients, not advocates, are the litigants”- এই মূলনীতির মূল শিক্ষা কী?
  1. ক্কেল আইনজীবীর মতো জ্ঞানী নন
  2. আইনজীবীগণ মক্কেলের আত্মীয় হতে পারবেন না
  3. মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মামলায় প্রভাব ফেলতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦Cannons of Professional Conduct and Etiquette, এর অধ্যায় ১, রুল ৭ অনুযায়ী ‘আইনজীবী নয়; মেক্কেলগণই মামলার ব্যক্তি’।
♦Conduct with regard to other advocates-এর ৭ নং দফায় এই মূলনীতি বলা হয়েছে। মামলা বা দ্বন্দ্ব হলো মক্কেলদের মধ্যে।
♦সুতরাং মক্কেলদের দ্বন্দ্ব যেমন আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না তেমনি আইনজীবীদের পারস্পরিক ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব মক্কেলের মামলাকে প্রভাবিত করবে না। এটিই পেশার পেশাদারিত্ব।
৮৯.
মামলার ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী বিষয় বিবেচনা করা যায় না?
  1. মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব ও অভিনবত্ব
  2. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কীরুপ নিশ্চয়তা/অনিশ্চয়তা বিদ্যমান
  3. একই ধরণের মামলায় আইনজীবী সমিতিতে সাধারণ প্র্যাক্টিস কেমন
  4. মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦Conduct with regard to clients এর ২ নং অধ্যায়ের ১০ নং দফায় ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী কী বিষয় বিবেচনায় নেওয়া যাবে সেটি বলা আছে। মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা বেশি হলে বেশি টাকা নিতে হবে এই ধারণা সঠিক নয়। মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। বাকি ৩ টি বিষয় উল্লেখ আছে।
♦অচরণবিধি এর অধ্যায় ২, বিধি ১০ তে বলা আছে ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তার পরামর্শ ও সেবারজন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করবেনা। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হলে তা সহৃদয়তার সাথে বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে হবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হলে কোনরুপ ফি ব্যতিরেকে তাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হবে। ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্ন বর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় রাখা সমীচীন হবে :
i) মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব, অভিনবত্ব ও প্রশ্নের জটিলতা নিরসনে কিরুপ দক্ষতা, শ্রম এবং সময় বিনিয়োগ করতে হবে।
ii) কোন মামলায় আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হলে তা উক্ত আইনজীবীর জন্য অন্য মামলায় অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে কিনা কিংবা উক্ত মামলায় তার সম্পৃক্ততা না হলে ভাল হতো কিংবা উক্ত মামলায় তার অংশ গ্রহনের ফলে অন্য একটি মামলায় তার ক্ষতি হবে না।
iii) সদৃশ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনজীবী সমিতিতে ফি নেওয়ার কি নিয়ম প্রচলিত আছে।
iv)মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ের মূল্যমান ও মামলার ফলাফলে মক্কেল কী পরিমাণ সুফল লাভ করবে।
v) ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে কিরুপ অনিশ্চয়তা কিংবা নিশ্চয়তা বিদ্যমান, এবং 
vi. আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগের ধরণ অর্থাৎ উক্ত নিয়োগ সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদী। উপরোক্ত বিষয়ের কোনটিই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করেনা বরং সেবার প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা হিসাবে কাজ করে।
ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইহা ভুললে চলবেনা যে, আইন পেশা সুবিচার নিশ্চিত করার একটি পেশা, উক্ত পেশা কেবল মাত্র অর্থ উপার্জনের কোন পেশা নহে।