ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোকে তাদের আলোর তীব্রতা অনুসারে লাল, হলুদ, নীল এই তিন বর্নে ভাগ করা হয়েছে। অতি বৃহৎ নক্ষত্রের রং লাল, মাঝারি নক্ষত্রের রং হলুদ এবং ছোট নক্ষত্রের রং নীল হয়ে থাকে।
উৎসঃ ৮ম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন
সমুদ্রের পানিতে অনেক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে যা সমুদ্রকে লবণাক্ত করে তোলে। তাদের অধিকাংশই পাহাড় ও মাটি থেকে দ্রবীভূত রাসায়নিক পদার্থ বহনকারী নদী সমুদ্রে নিয়ে যায়।
এর মাঝে অন্যতম হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড, যাকে আসলে লবণ বলা হয়।
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলাে হলাে-
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব।
এবং (২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব: মহাকর্ষ সূত্র অনুযায়ী মহাকাশে বিভিন্ন গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি প্রতিটি জ্যোতিষ্ক পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এর প্রভাবে সূর্য ও চাঁদ পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
কিন্তু পৃথিবীর উপর সূর্য অপেক্ষা চাঁদের আকর্ষণ বল বেশি হয়। কারণ সূর্যের ভর অপেক্ষা চাঁদের ভর অনেক কম হলেও চাঁদ সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর অনেক নিকটে অবস্থিত। তাই সমুদ্রের জল তরল বলে চাঁদের আকর্ষণেই প্রধানত সমুদ্রের জল ফুলে ওঠে ও জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণে জোয়ার তত জোরালাে হয় না।
চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থিত হলে চাঁদ ও সূর্য উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি :
পৃথিবী নিজ মেরুরেখার চারদিকে অনবরত আবর্তন করে বলে কেন্দ্রাতিগ শক্তি বা বিকর্ষণ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে পৃথিবীর প্রতিটি অণুই মহাকর্ষ শক্তির বিপরীত দিকে বিকর্ষিত হয় বা ছিটকে যায়। তাই পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে যেখানে মহাশক্তির প্রভাবে জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তার বিপরীত দিকে জল বিক্ষিপ্ত হয়েও জোয়ারের সৃষ্টি করে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয়, তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ
পদার্থ ও শক্তির অভিন্নতা বিষয়ক সূত্র E=mc2 যেখানে আইনস্টাইন ভর ও শক্তিকে এক জায়গায় নিয়ে আসেন।
E=mc2 হলো থিউরি অফ রিলেটিভিটি থেকে আগত একটি সূত্র।
সমীকরণ অনুযায়ী: E = hc/λ
শক্তি হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যাস্তানুপাতিক। যেহেতু বেগুনি বর্ণালীতে ফোটনের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন, সেহেতু তার ফোটনের শক্তি হবে সর্বোচ্চ।
প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics) ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।
তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়। যথা: সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা, অপসারী সীমা ও পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।
সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা যখন একে অপরের দিকে অগ্রসরমান দুটি প্লেট কেন্দ্রাভিমুখী হয়ে অবশেষে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, তখন একটি প্লেট অপরটির নিচে চাপা পড়ে। এই ধরনের প্লেট সংঘর্ষের ফলে পর্বতমালার সৃষ্টি হয় এবং প্লেট প্রান্তিকের আশেপাশে আগ্নেয়গিরির কর্মকান্ড সংঘটিত হয়।
অপসারী সীমা এই ক্ষেত্রে দুটি প্লেট একে অপরের থেকে সরে যেতে থাকে। এই ধরনের প্লেট সীমানার ফলে নতুন সমুদ্র তলদেশের এবং সামুদ্রিক আগ্নেয়গিরির সৃষ্টি হয়।
পরিবর্তক চ্যুতি সীমা যখন দুটি প্লেট একে অপরকে অতিক্রম করে যায়, তখন তাকে পরিবর্তক চ্যুতি সীমা বলে। তিন ধরনের প্লেট বিচলনেই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া