পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes৫৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০: রিভিশন পরীক্ষা [১৪০দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৯ প্রশ্ন

.
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয় কোনটি?  
  1. বিপরীত শব্দ
  2. শব্দজোড়
  3. প্রতিশব্দ
  4. বাচ্য 
সঠিক উত্তর:
বাচ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাচ্য 
ব্যাখ্যা

• অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে ।
- বাক্যের নির্মান ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

• ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য:
- বাগ্‌যন্ত্র, বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য , ধ্বনিদল প্রভৃতি।

• রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
কম্পনজাত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ কোনটি? 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• কম্পনজাত ব্যঞ্জনধ্বনি:
জিভ কম্পিত হয়ে বা দন্তমূল বারবার আঘাত করে উচ্চারিত হয় বলে এ-জাতীয় ব্যঞ্জনগুলিকে বলে কম্পনজাত।
- এ শ্রেণির বাংলা ব্যঞ্জন একটি: র।
যেমন- বার, ধার। 

অন্যদিকে,
- 'ল' একটি পার্শ্বিক ধ্বনি।
- ড় ও ঢ় হলো তাড়নজাত ধ্বনি।
- শ, ষ, স শিশধ্বনি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি বিষমীভবন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয়? 
  1. শরীর > শরীল 
  2. লাল > নাল
  3. লাফ > ফাল 
  4. লাঙ্গল > নাঙ্গল
সঠিক উত্তর:
লাফ > ফাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাফ > ফাল 
ব্যাখ্যা

• বিষমীভবন:
- শব্দের ভেতরে পাশাপাশি থাকা দুটি সমবর্ণ বা একই ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে একটি ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপ নিলে তাকে বিষমীভবন বলা হয়।
- এটি মূলত সমীভবন-এর বিপরীত ধ্বনিপ্রক্রিয়া।
- এখানে একই ধ্বনিকে একই রাখার বদলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য একটি ধ্বনি ভিন্ন রূপ ধারণ করে।
- যেমন: 
- শরীর > শরীল শব্দে পাশাপাশি থাকা ‘র’ ধ্বনির একটি পরিবর্তিত হয়ে ‘ল’ হয়েছে;
- লাল > নাল শব্দে একটি ‘ল’ ধ্বনি ‘ন’-এ রূপান্তরিত হয়েছে;
- আবার লাঙ্গল > নাঙ্গল শব্দে ‘ল’ ধ্বনির পরিবর্তন ঘটেছে। 

অন্যদিকে,
• ধ্বনি বিপর্যয়:
- ধ্বনি বিপর্যয় হলো এমন ধ্বনিগত পরিবর্তন, যেখানে উচ্চারণের সময় শব্দের আগের ধ্বনি পিছিয়ে যায় এবং পরের ধ্বনি সামনে চলে আসে। - ফলে ধ্বনির স্বাভাবিক ক্রম উল্টে যায়।
- যেমন: 
- রিক্সা > রিস্কা, 
- তলোয়ার > তরোয়াল,
- নকশা > নশকা,
- লাফ > ফাল।

• ব্যঞ্জনবিকৃতি: 
- ব্যঞ্জনবিকৃতি বলতে বোঝায়—শব্দের ভেতরে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি রূপান্তরিত হয়ে ভিন্ন ব্যঞ্জনে পরিণত হওয়া।
- এতে ধ্বনিটি লোপ পায় না, বরং তার ধ্বনিগত রূপ বদলে যায়।
- যেমন: 
- কবাট > কপাট,
- ধাইমা > দাইমা।

• অন্তর্হতি:
- অন্তর্হতি বলতে বোঝায়—শব্দের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি সম্পূর্ণভাবে লোপ পাওয়া।
- এই প্রক্রিয়ায় শব্দটি সংক্ষিপ্ত ও সহজ উচ্চারণযোগ্য হয়ে ওঠে।
- যেমন: 
- আলাহিদা > আলাদা,  
- ফাল্গুন > ফাগুন,
- ফলাহার > ফলার। 

উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; 
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
কোনটি ব্যঞ্জনচ্যুতির উদাহরণ?
  1. ধাইমা > দাইমা 
  2. বড়দাদা > বড়দা 
  3. নকশা > নশকা
  4. শাক > শাগ
সঠিক উত্তর:
বড়দাদা > বড়দা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়দাদা > বড়দা 
ব্যাখ্যা

• ব্যঞ্জনচ্যুতি:
- পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লোপ পায়। এরূপ লোপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি।
যেমন:
- বড়দাদা > বড়দা;
- বউদিদি > বউদি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ব্যঞ্জনবিকৃতি:
শব্দের মধ্যে কোন ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যদি নতুন কোন রূপ ধারণ করলে তাকে ব্যঞ্জনবিকৃতি বলে।
যেমন:
- শাক > শাগ,
- কবাট > কপাট,
- ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

ধ্বনি বিপর্যয়:
উচ্চারণের সময় আগের ধ্বনি পরে গেলে ও পরের ধ্বনি আগে চলে আসলে ধ্বনি বিপর্যয় ঘটে।
যেমন:
- নকশা > নশকা,
- রিক্সা > রিস্কা। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
নিম্ন - মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি কোনটি? 
  1. উ 
  2. অ্যা
  3. এ 
সঠিক উত্তর:
অ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যা
ব্যাখ্যা

• [অ্যা] নিম্ন-মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি।

অন্যদিকে,
- [ই] উচ্চ সম্মুখ স্বরধ্বনি।
- [উ] উচ্চ পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।

- [এ]  উচ্চ-মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি।
- [ও]  উচ্চ-মধ্য পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।

- [অ্যা]  নিম্ন - মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি।
- [অ]  নিম্ন - মধ্য পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।

- [আ]  নিম্ন মধ্য স্বরধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)। 

.
নিচের কোন শব্দে 'অ' বর্ণের উচ্চারণ [ও] এর মতো হয়?
  1. অনেক 
  2. পক্ষ 
  3. অনাথ  
  4. কথা 
সঠিক উত্তর:
পক্ষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষ 
ব্যাখ্যা

'পক্ষ ' শব্দটিতে 'অ' বর্ণের উচ্চারণ [ও] এর মতো হয়।

• স্বরবর্ণ অ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।
- সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।
- অ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক [অনেক্], কথা [কথা], অনাথ [অনাথ্]।
- অ বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোখো], অদ্য [ওদো], মন [মোন্]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি? 
  1. ৪টি 
  2. ৬টি 
  3. ৮টি 
  4. ১০টি 
সঠিক উত্তর:
৬টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি 
ব্যাখ্যা

• বর্ণমালা:
- ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। এই বর্ণ কানে শোনার বিষয়কে চোখে দেখার বিষয়ে পরিণত করে। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা।
- বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
- মাত্রাহীন বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এ, ঐ, ও, ঔ এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ)।
- অর্ধমাত্রা বর্ণ- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১টি (ঋ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি (খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ)।
- পূর্ণমাত্রা বর্ণ- ৩২টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৪ সংস্করণ)। 

.
‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণে কী কী বর্ণ আছে? 
  1. ক্‌ + ষ 
  2. ষ্‌ + ণ
  3. হ্‌ + ণ
  4. হ্‌ + ম
সঠিক উত্তর:
ষ্‌ + ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষ্‌ + ণ
ব্যাখ্যা

• গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি যুক্তবর্ণ:
ক্‌ + ষ = ক্ষ
ষ্‌ + ণ = ষ্ণ
হ্‌ + ণ = হ্ণ
হ্‌ + ম = হ্ম 

উৎস : বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ এবং নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি’।

.
কোন ভাষা অপরিবর্তনীয় এবং কৃত্রিম?
  1. সাধু ভাষা 
  2. চলিত ভাষা 
  3. আঞ্চলিক ভাষা
  4. উপভাষা 
সঠিক উত্তর:
সাধু ভাষা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধু ভাষা 
ব্যাখ্যা

সাধু ভাষারীতি:
১. সাধু ভাষারীতি সর্বজনগ্রাহ্য লেখার ভাষা।
২. সাধু ভাষারীতি সব সময় ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।
৩. সাধু ভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট।
৪. সাধু ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি।
৫. সাধু ভাষা বক্তৃতা, ভাষণ ও নাটকের সংলাপের উপযোগী নয়।
৬. সাধু ভাষায় সর্বনাম, ক্রিয়া ও অব্যয় পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
৭. সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর, দুর্বোধ্য ও মন্থর।
৮. সাধু ভাষারীতি অপরিবর্তনীয়, তাই কৃত্রিম।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

১০.
'লগ্ন > লগ্গ'  কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. পরাগত সমীভবন 
  2. ব্যঞ্জনদ্বিত্ব 
  3. অন্যোন্য সমীভবন 
  4. প্রগত সমীভবন
সঠিক উত্তর:
প্রগত সমীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগত সমীভবন
ব্যাখ্যা

• প্রগত সমীভবন:
- পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতাে হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন।

যেমন:
- চক্র > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক,
- পদ্ম > পদ্দ,
- লগ্ন > লগ্গ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১১.
শব্দ সঞ্চালনের জন্য কোনটি অপরিহার্য? 
  1. মাধ্যম 
  2. আলো 
  3. উচ্চ তাপমাত্রা 
  4. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
মাধ্যম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাধ্যম 
ব্যাখ্যা

- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, যা পদার্থের কণাগুলোর কম্পনের মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয়। কোনো স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম (যেমন: কঠিন, তরল বা বায়বীয় পদার্থ) ছাড়া শব্দ চলাচল করতে পারে না। 

শব্দ সঞ্চালন: 
- কম্পনশীল বস্তু শব্দ সৃষ্টি করে। 
- কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন, মাধ্যমের মধ্য দিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয়, তাকে ঢেউ বলে। 
- শব্দের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতকে শব্দ সঞ্চালন বলে। 
- শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, এই মাধ্যম হতে পারে কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কঠিন মাধ্যমে শব্দ বায়ু ও তরল মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে সঞ্চালিত হয়। আবার শব্দ বায়ু মাধ্যমের চেয়ে দ্রুত ও ভালোভাবে তরল মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ সঞ্চালিত হয় না, অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে শব্দ সঞ্চালিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১২.
একই পরিমাণ গ্যাস একটি বড় পাত্রে রাখা হলে কী ঘটে?
  1. পাত্রের আয়তন কমে যায় 
  2. পাত্রের আয়তন অপরিবর্তিত থাকে
  3. পাত্রের আকার অনুসারে সম্পূর্ণ জুড়ে যায়
  4. কোনোটিই নয় 
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অপশন খ) তে ভাষাগত অসঙ্গতি থাকায় একাধিক সঠিক উত্তর হয়ে যায়।
তাই একাধিক সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

- একই পরিমাণ গ্যাস একটি বড় পাত্রে রাখলে গ্যাসটি পাত্রের আকার অনুযায়ী সম্পূর্ণ জুড়ে যায়, কারণ গ্যাসের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই এবং এটি সর্বদা পাত্রের উপলব্ধ সমস্ত স্থান দখল করে নেয়; তাই সঠিক উত্তর হলো পাত্রের আকার অনুসারে সম্পূর্ণ জুড়ে যায়। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থ যেমন- বাতাসের কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। 
- একই পরিমাণ গ্যাস ছোট পাত্রে রাখলে এর আয়তন কম হয় আবার বড় পাত্রে রাখলে এর আয়তন বেশি হয়। 
যেমন- যদি সমপরিমাণ গ্যাস দুইটি সিলিন্ডারে রাখা হয় তাহলে তা ছোট সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে যেমন সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে, তেমনি একই পরিমাণ গ্যাস বড় সিলিন্ডরে রাখলেও তা সম্পূর্ণ সিলিন্ডার জুড়ে থাকবে। অর্থ্যাৎ, গ্যাসীয় পদার্থ যে পাত্রে রাখা হয় ঐ পাত্রের আয়তনই গ্যাসের আয়তন। 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই, দৃঢ়তা তো একবারেই নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৩.
এক্স-রশ্মি কোন পথে চলে?
  1. বক্র পথে
  2. সরল পথে
  3. জটিল পথে
  4. আবর্তিত পথে
সঠিক উত্তর:
সরল পথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল পথে
ব্যাখ্যা

- এক্স-রশ্মি (X-ray) হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তি সম্পন্ন তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ। দৃশ্যমান আলোর মতোই এক্স-রশ্মিও একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সর্বদা সরল পথে চলাচল করে, এটি বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না। 

এক্স-রশ্মির ধর্ম: 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 
- এক্স-রশ্মি সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।  
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কোন পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়?
  1. পরিবাহী
  2. অপরিবাহী
  3. অন্তরক
  4. অর্ধপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধপরিবাহী
ব্যাখ্যা

- অর্ধপরিবাহী (Semi-conductor) পদার্থের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহী ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

 পরিবাহী পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থে তার অণু-পরমাণু শক্ত করে নিজের জায়গায় বসে থাকে ফলে তাপমাত্রা বাড়লে তারা নিজের জায়গায় কাঁপাকাঁপি করতে পারে কিন্তু সেখান থেকে সরে অন্য জায়গায় চলে যায় না। ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন।

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
আলোক রশ্মি যখন অভিলম্ব বরাবর আপতিত হয়, তখন কী ঘটে?
  1. প্রতিসরণ কোণ শূন্য হয়
  2. প্রতিসরণ কোণ সর্বোচ্চ হয়
  3. আলোক রশ্মি ঘূর্ণিত হয়
  4. আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ কোণ শূন্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ কোণ শূন্য হয়
ব্যাখ্যা

- আলোক রশ্মি যখন বিভেদ তলের ওপর অভিলম্ব বরাবর (লম্বভাবে) আপতিত হয়, তখন আপতন কোণের মান হয় 0° । স্নেলের সূত্রানুসারে, আপতন কোণ শূন্য হলে প্রতিসরণ কোণও শূন্য (0°) হয়। এই বিশেষ ক্ষেত্রে আলোক রশ্মি তার গতির অভিমুখ পরিবর্তন না করে সোজা দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশ করে। 

আলোর প্রতিসরণ: 
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি তার গতিপথের দিক পরিবর্তন করে, আলোক রশ্মির এই দিক পরিবর্তনকে আলোর প্রতিসরণ বলে। একটি নির্দিষ্ট স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরল রেখায় চলে, কিন্তু অন্য মাধ্যমে প্রবেশের সাথে সাথেই এটি মাধ্যমের অলোকীয় বৈশিষ্ট্য অনুসারে দিক পরিবর্তন করে। 
উল্লেখ্য যে, লম্বভাবে আলো এক মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় এর গতিপথের কোনো দিক পরিবর্তন হয় না। 

আলোর প্রতিসরণের নিয়ম: 
- আলোক রশ্মি যখন হালকা মাধ্যমে থেকে ঘন মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি অভিলম্বের দিকে সরে আসে। এই ক্ষেত্রে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ আপেক্ষা বড় হয়। 
- আলোকরশ্মি প্রথমে একটি মাধ্যম থেকে (যেমন বায়ু) অন্য মাধ্যমে (কাঁচ) প্রতিসরিত হওয়ার পর পুনরায় একই মাধ্যমে (বায়ু) নির্গত হলে আপতন কোণ ও নির্গমন কোণ সমান হয়। 
- আপতিত রশ্মি, প্রতিসরিত রশ্মি এবং আপতন বিন্দুতে দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে অঙ্কিত অভিলম্ব একই সমতলে থাকে। এছাড়াও আলোক রশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন এটি অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। এই ক্ষেত্রে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ অপেক্ষা ছোট হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন অভিলম্ব বরাবর আপতিত হয় তখন আপতন কোণ, প্রতিসরণ কোণ ও নির্গত কোণের মান শূন্য হয়। এক্ষেত্রে আপতিত রশ্মির দিক পরিবর্তন হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১৬.
যে রাশি পরিমাপের জন্য অন্য কোনো রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না, তাকে কী বলে?
  1. যৌগিক রাশি
  2. ভেক্টর রাশি
  3. মৌলিক রাশি
  4. লব্ধ রাশি
সঠিক উত্তর:
মৌলিক রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক রাশি
ব্যাখ্যা

- যে রাশি পরিমাপের জন্য অন্য কোনো রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না, তাকে মৌলিক রাশি বলে, যা দৈর্ঘ্য, ভর, সময়ের মতো স্বাধীন রাশি এবং পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি তৈরি করে। 

ভৌত রাশি: 
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। 

মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেসব রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ বা যৌগিক রাশি: 
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ, যেগুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
যে ট্রান্সফরমারে সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা প্রাইমারির তুলনায় কম হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রাইমারি ট্রান্সফরমার
  2. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
  3. স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার
  4. সিকোয়েন্স ট্রান্সফরমার 
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

- যে ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা প্রাইমারি তুলনায় কম হয়, তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলা হয়, কারণ এটি ভোল্টেজ কমিয়ে দেয়, যা কম প্যাঁচের কারণে ঘটে। 

ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। 
- বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

- প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু বৈদ্যুতিক শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেটা পরিমাপ করা হয় VI (ভোল্টেজ × কারেন্ট) দিয়ে, একটা ট্রান্সফরমারে প্রাইমারিতে যে পরিমাণ VI প্রয়োগ করা হয়, সেকেন্ডারি কয়েল থেকে ঠিক সেই পরিমাণ VI ফেরত পাওয়া যায়। কাজেই সেকেন্ডারিতে যদি ভোল্টেজ দশ গুণ বাড়িয়ে নেয়া যায় তাহলে সেখানে বিদ্যুৎও দশ গুণ কমে যাবে। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮.
যে তাপ সঞ্চালন পদ্ধতিতে কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না, সেটি হলো- 
  1. পরিবাহীতা
  2. পরিবহন
  3. বিকিরণ
  4. পরিচলন 
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
ব্যাখ্যা

- বিকিরণ এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে তাপ কোনো জড় মাধ্যম (কঠিন, তরল বা গ্যাসীয়) ছাড়াই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হতে পারে। এই পদ্ধতিতে তাপ তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের আকারে প্রবাহিত হয়, যা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও ভ্রমণ করতে পারে। যেমন— সূর্য থেকে তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীতে আসে। 

তাপ সঞ্চালন: 
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যেতে পারে, তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে। 
- তাপ সঞ্চালন তিন ভাবে হয়। 
যথা- পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ। 

তাপ বিকিরণ: 
- পৃথিবীতে সূর্যই তাপের মূল উৎস। 
- সূর্য আর পৃথিবীর মাঝখানে প্রায় সবটুকুই ফাঁকা, কোনো বায়বীয় পদার্থও নেই। 
- সূর্য থেকে তাপ আসে বিকিরণের মাধ্যমে, যেখানে কোনো জড় মাধ্যম নেই, সেখানে তাপ বিকিরণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- আলো এক রকমের তরঙ্গ, যা কোনো মাধ্যম ছাড়া এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। 
- বিকিরণের সময় তাপ আলো বা বিদ্যুৎচুম্বকীয় তরঙ্গাকারে সঞ্চালিত হয়। আসলে মাধ্যম থাকুক বা না থাকুক, উত্তপ্ত বস্তু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ নির্গত করে।
- কোনো পদার্থ তাপ বিকিরণ করলে তাকে বিকিরক বলে। আবার কোনো পদার্থ তাপ শোষণ করলে তাকে বলে শোষক। 
- কোনো পদার্থ তার তাপমাত্রার জন্য তাপ বিকিরণ বা শোষণ করলে তাকে তাপীয় বিকিরণ (Thermal radiation) বা তাপীয় শোষণ বলে। 
- বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, কোনো পদার্থ ভালো তাপ বিকিরক হলে সেটি ভালো তাপ শোষকও হয়। তা না হলে একটি বিকিরক ক্রমাগত বেশি পরিমাণ তাপ বিকিরণ কার ক্রমশ শীতল হতে থাকবে এবং একটি শোষক ক্রমাগত বেশি পরিমাণ তাপ শোষণ করে ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১৯.
তেজস্ক্রিয়তা কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না?
  1. চাপ দিয়ে
  2. তাপ দিয়ে
  3. চৌম্বকক্ষেত্র দিয়ে
  4. উপরের সবকটি 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো কোনো এক ধরনের বিকিরণ করে স্থিতিশীল হওয়ার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াটাকে বলা হয় তেজস্ক্রিয়তা। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যে বিকিরণ বের হয়ে আসে তাকে বলে তেজস্ক্রিয় রশ্মি। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৪2 থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে।
- 1896 সালে হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) প্রথম ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- পরবর্তীতে আরনেস্ট রাদারফোর্ড (Ernest Rutherford), পিয়ারে কুরি (Pierre Curie), মেরি কুরি (Marie Curie) এবং অন্যা বিজ্ঞানীরা অন্যান্য মৌলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- এটি বাইরের চাপ, তাপ, বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে কোনোভাবে প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, কাজেই এটি একটি নিউক্লী ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার কারণে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়ে নিউক্লিয়াসের গঠন পরিবর্তিত হয়ে সেটিও ভিন্ন একটি মৌলে রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে। 
- নিউক্লিয়াস থেকে যে তিনটি প্রধান তেজস্ক্রিয় রশ্মি বের হয়, সেগুলো হচ্ছে আলফা, বিটা এবং গামা রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
বাংলাদেশে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের প্রধান কর্তৃপক্ষ হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

• জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট। 

২১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার নির্ধারিত 'বয়স্ক ভাতা' জনপ্রতি কত টাকা?
  1. ৫৫০  টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

• 'বয়স্ক ভাতা' কর্মসূচি:
- 'বয়স্ক ভাতা' বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ, দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম বা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য চালু করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো বয়স্কদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা, চিকিৎসা ও পুষ্টির সুবিধা বাড়ানো এবং মনোবল জোরদার করা।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে 'বয়স্কভাতা' কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন, জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।
- এটি আগের অর্থবছরের ৬০০ টাকা থেকে বাড়ানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
ii) বাসস। 
iii) প্রথম আলো। 

২২.
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য সর্বাধিক কোন দেশে রপ্তানি করা হয়? (মার্চ-২০২৬)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। 

• কৃষিপণ্য রপ্তানি বাজার: 
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের স্থানীয় বাজারের আকার প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- সর্বশেষ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশ থেকে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোাটি মার্কিন ডলারের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
 - বর্তমানে ১৪৫টি দেশে সুগন্ধি চাল, ফল, সবজি, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, জুস, মসলাসহ প্রায় ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে। 
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। 
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো: 
১. সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)
২. সৌদি আরব
৩. ভারত
৪. যুক্তরাজ্য
৫. যুক্তরাষ্ট্র

- এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়। সর্বোচ্চ প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইউএইতে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও ফিনানশিয়াল এক্সপ্রেস।

২৩.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেটের আকার:  ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫%।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা:  ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৩%)।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৭.০%।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আর সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

২৪.
বাংলাদেশে কৃষি শুমারি পরিচালনার দায়িত্ব কোন সংস্থার?
  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  2. কৃষি মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. খাদ্য ও কৃষি সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে। 

• কৃষি শুমারি:
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- স্বাধীন বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৫ টি।
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কৃষি শুমারিতে পল্লি এবং শহর উভয় এলাকার সকল খানার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এই শুমারিতে প্রথম বারের মতো মৎস্য চাষে জমির ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি (FAO) সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে। 

তথ্যসূত্র:  কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস।

২৫.
‘কাবিখা’ কর্মসূচি কোন ধরনের সরকারি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টিকা প্রদান
  2. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. অবকাঠামো উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

• 'কাবিখা’ কর্মসূচি:
- বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ‘কাবিখা’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব, খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ অঞ্চলে তীব্র বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ যখন অনাহারের সম্মুখীন হয়, তখন সরকার জরুরি ভিত্তিতে ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ কর্মসূচি চালু করে, যা পরবর্তীতে কাবিখা হিসেবে পরিচিতি পায়।
- এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামোর নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ, স্বাভাবিক সময়ে অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র মানুষের আয় বৃদ্ধি।
- পাশাপাশি দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা ও সার্বিক দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র:  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২৬.
সরকারের বাজেটে রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কোনটি? 
  1. বিদেশি অনুদান
  2. কর
  3. রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের মুনাফা
  4. বিদেশি ঋণ
সঠিক উত্তর:
কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:, ৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৭.
আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. রংপুর
  2. বগুড়া
  3. জয়পুরহাট
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?  
  1. হোম টেক্সটাইল
  2. নিটওয়্যার 
  3. চামড়াজাত পণ্য
  4. হিমায়িত মাছ
সঠিক উত্তর:
নিটওয়্যার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিটওয়্যার 
ব্যাখ্যা

• নীট পোশাক: 
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য নীটওয়্যার।
- এখাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোষাক:
- ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

• হোম টেক্সটাইল:
- হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.১৮%।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫। 

২৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আমদানি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫। 

৩০.
নিচের কোনটি Optical Storage Device-এর উদাহরণ?
  1. Hard Disk
  2. USB Flash Drive
  3. DVD
  4. Magnetic Tape
সঠিক উত্তর:
DVD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DVD
ব্যাখ্যা

• DVD একটি Optical Storage Device, যা লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপটিক্যাল ডিস্কে ডেটা সংরক্ষণ ও পড়া-লেখা করে।

• Storage Device:
- Storage device হলো এমন একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা কম্পিউটারে ডেটা, তথ্য বা প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাময়িক (temporary) অথবা স্থায়ী (permanent)ভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Hard Disk, SSD, USB Flash Drive, CD, DVD।

• Primary Storage (Main Memory):
- Primary storage সরাসরি CPU দ্বারা অ্যাক্সেস করা যায়।
- এটি দ্রুতগতির কিন্তু সাধারণত কম ধারণক্ষমতার হয়।
- উদাহরণ: RAM, ROM, Cache Memory।

• Secondary Storage:
- Secondary storage ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- এটি CPU দ্বারা সরাসরি নয়, ইনপুট/আউটপুট অপারেশনের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা হয়।
- উদাহরণ: Hard Disk, SSD, CD, DVD, USB Flash Drive।

• Hard Disk Drive (HDD):
- Hard disk drive একটি magnetic storage device।
- এটি ঘূর্ণায়মান ডিস্ক (platter) ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে।
- দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটারের প্রধান secondary storage হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Solid State Drive (SSD):
- SSD একটি flash memory-based storage device।
- এতে কোনো moving part নেই, তাই HDD-এর তুলনায় দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য।

• Optical Storage Device:
- Optical storage device লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেটা পড়া ও লেখা হয়।
- উদাহরণ: CD (Compact Disc), DVD (Digital Versatile Disc), Blu-ray Disc।

• Flash Memory Storage:
- Flash memory হলো non-volatile memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা সংরক্ষিত থাকে।
- USB Flash Drive এবং SSD এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

• Magnetic Storage Device:
- Magnetic storage ডেটা সংরক্ষণ করে magnetic coating ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: Hard Disk, Magnetic Tape, Floppy Disk।

• Magnetic Tape:
- Magnetic tape একটি sequential access storage device।
- সাধারণত backup ও archival storage-এ ব্যবহৃত হয়।

• CD (Compact Disc):
- CD একটি optical storage medium।
- সাধারণত প্রায় 700 MB ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- Hard Disk → magnetic storage device, যা platter ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে।
- USB Flash Drive → flash memory ভিত্তিক portable storage device।
- Magnetic Tape → sequential access magnetic storage device, backup ও archival storage-এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), নবম-দশম শ্রেণি।
- Encyclopaedia Britannica.
- Oxford Dictionary of Computing.
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.

৩১.
কম্পিউটার চালু করার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. Electronic Chip
  4. Hard Disk
সঠিক উত্তর:
Electronic Chip
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Chip
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার চালু করার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো একটি Electronic Chip-এ সংরক্ষিত থাকে, যেখানে BIOS ফার্মওয়্যার রাখা হয়।

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM → Random Access Memory, কম্পিউটারের প্রধান অস্থায়ী মেমোরি যেখানে চলমান প্রোগ্রামের ডেটা সংরক্ষণ হয়।
- Cache Memory → CPU-এর নিকটবর্তী উচ্চগতির ছোট মেমোরি, যা বারবার ব্যবহৃত ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Hard Disk → একটি magnetic secondary storage device, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; Encyclopaedia Britannica.

৩২.
নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. কীবোর্ড
  2. টাচ স্ক্রিন
  3. স্ক্যানার
  4. জয়স্টিক
সঠিক উত্তর:
টাচ স্ক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাচ স্ক্রিন
ব্যাখ্যা

• টাচ স্ক্রিন (Touch Screen) এমন একটি ডিভাইস যা একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে পারে; এতে ব্যবহারকারী সরাসরি স্ক্রিন স্পর্শ করে নির্দেশ দিতে পারে এবং স্ক্রিনে ফলাফলও দেখতে পারে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
- উদাহরণ: কি-বোর্ড (Keyboard), ওএমআর (OMR), মাউস (Mouse), ওসিআর (OCR), ট্যাকবল (Trackball), স্ক্যানার (Scanner), জয়স্টিক (Joystick), ডিজিটাইজার (Digitizer), টাচ স্ক্রিন (Touch Screen), লাইটপেন (Lightpen), বার কোড রিডার (Bar Code Reader), গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad), পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale), ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
- আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারী সেই ফলাফল দেখতে, শুনতে বা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: মনিটর (Monitor), প্রিন্টার (Printer), প্লটার (Plotter), স্পিকার (Speaker), মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector), ইমেজ সেটার (Image Setter), ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder), হেডফোন (Headphone)।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারে এমন কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে পারে।
- এই ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে ডেটা কম্পিউটারে দেওয়া এবং কম্পিউটার থেকে গ্রহণ—দুটিই সম্ভব।
- উদাহরণ: হার্ডডিস্ক (Hard Disk), সিডি বা ডিভিডি (CD/DVD), পেনড্রাইভ (Pen Drive), টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)।

• অন্যান্য অপশন:
- কীবোর্ড → একটি সাধারণ ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে টাইপ করে কম্পিউটারে ডেটা বা নির্দেশ দেওয়া হয়।
- স্ক্যানার → একটি ইনপুট ডিভাইস, যা কাগজের লেখা বা ছবি ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে।
- জয়স্টিক → একটি ইনপুট ডিভাইস, যা সাধারণত কম্পিউটার গেম বা গ্রাফিক্স নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি–১ (SSC ও দাখিল ভোকেশনাল); মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 0 এবং 1 অংক দুটিকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
  1. নিবল
  2. বাইট
  3. বিট
  4. ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিট
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 0 এবং 1 এই দুটি অংককে সংক্ষেপে বিট (Bit) বলা হয়; Bit শব্দটি Binary এবং Digit শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।

• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধির প্রচলন রয়েছে।
- প্রধান চারটি সংখ্যা পদ্ধতি হলো: দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System), বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System), অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System), হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা ও হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 10।
- কারণ এতে মোট 10টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9।
- উদাহরণ: (101)10, 12310, (98.73)10
- সাধারণ হিসাব-নিকাশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিংয়ে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অংক 0 এবং 1 ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 2।
- 0 এবং 1 এই দুটি অংককে সংক্ষেপে বিট (Bit) বলা হয়।
- Bit শব্দটি Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে t নিয়ে গঠিত।
- 0 এবং 1-কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোনো সংখ্যাকে বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশ করা যায়।
- উদাহরণ: (101)2, 100012, (1000.111)2
- উদাহরণ: দশমিক সংখ্যা 127 বাইনারি পদ্ধতিতে 10000011।

• অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 8।
- এতে মোট 8টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7।
- উদাহরণ: (101)8, (731)8, (645.103)8

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 16।
- এতে মোট 16টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- A, B, C, D, E, F এর দশমিক মান যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15।
- বর্ণ ও সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- উদাহরণ: (151)16, (1B)16, (ABC.B)16

• অন্যান্য অপশন:
- নিবল (Nibble) → 4 বিটের সমষ্টিকে নিবল বলা হয়।
- বাইট (Byte) → 8 বিটের সমষ্টিকে বাইট বলা হয়।
- ওয়ার্ড (Word) → কম্পিউটারের স্থাপত্যভেদে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিটের সমষ্টিকে ওয়ার্ড বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
Internet of Things (IoT) বলতে কী বোঝায়?
  1. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভৌত ডিভাইসগুলোর পারস্পরিক সংযোগ
  2. শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান
  3. কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা
  4. ডেটা সংরক্ষণের একটি প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভৌত ডিভাইসগুলোর পারস্পরিক সংযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভৌত ডিভাইসগুলোর পারস্পরিক সংযোগ
ব্যাখ্যা

• Internet of Things (IoT) হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন ভৌত ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।

• Internet of Things (IoT):
- Internet of Things (IoT) এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন physical device ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ ও বিনিময় করে।
- IoT ডিভাইসগুলোতে সাধারণত sensor, software এবং network connectivity থাকে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• IoT Devices:
- IoT device হলো এমন ডিভাইস যা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ এবং আদান-প্রদান করতে পারে।
- উদাহরণ: Smartwatch, Smart Thermostat, Smart Home Devices, Connected Cars।

• Sensors in IoT:
- Sensor হলো এমন একটি ডিভাইস যা পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- IoT ডিভাইস সাধারণত temperature, motion, light, humidity ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহের জন্য sensor ব্যবহার করে।

• Smart Home:
- Smart home হলো IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এমন একটি বাসস্থান যেখানে বিভিন্ন ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- উদাহরণ: Smart Lighting, Smart Security System, Smart Thermostat।

• Machine-to-Machine Communication (M2M):
- Machine-to-Machine (M2M) যোগাযোগ হলো এমন প্রযুক্তি যেখানে ডিভাইসগুলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- IoT প্রযুক্তিতে M2M গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• IoT এর ব্যবহার ক্ষেত্র:
- Smart Home, Smart City, Healthcare Monitoring, Industrial Automation, Connected Vehicles ইত্যাদি ক্ষেত্রে IoT প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান → এটি সাধারণ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে নির্দেশ করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা → এটি CPU বা প্রসেসিং সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত।
- ডেটা সংরক্ষণের প্রযুক্তি → এটি স্টোরেজ প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
- Encyclopaedia Britannica – Internet of Things;
- IBM IoT Guide;
- Cisco IoT Overview.

৩৫.
দশমিক সংখ্যা 105 কে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. 1100101
  2. 1101001
  3. 1110001
  4. 1010101
সঠিক উত্তর:
1101001
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1101001
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা 105 কে 2 দ্বারা ধারাবাহিকভাবে ভাগ করলে অবশিষ্টগুলো নিচ থেকে উপর দিকে সাজালে বাইনারি সংখ্যা 1101001 পাওয়া যায়।

• দশমিক থেকে বাইনারি রূপান্তর:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের জন্য দশমিক সংখ্যাকে ধারাবাহিকভাবে 2 দ্বারা ভাগ করা হয়।
- প্রতিবার ভাগ করার সময় যে অবশিষ্ট পাওয়া যায় তা লিখে রাখা হয়।
- ভাগফল 0 না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হয়।
- অবশিষ্টগুলো নিচ থেকে উপর দিকে সাজালে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

• উদাহরণ:
- 105 ÷ 2 = 52, অবশিষ্ট 1 (LSB)
- 52 ÷ 2 = 26, অবশিষ্ট 0  
- 26 ÷ 2 = 13, অবশিষ্ট 0  
- 13 ÷ 2 = 6, অবশিষ্ট 1  
- 6 ÷ 2 = 3, অবশিষ্ট 0  
- 3 ÷ 2 = 1, অবশিষ্ট 1  
- 1 ÷ 2 = 0, অবশিষ্ট 1 (MSB)

- অবশিষ্টগুলো নিচ থেকে উপর দিকে সাজালে পাওয়া যায়: 11010012

• LSB ও MSB:
- প্রথম প্রাপ্ত অবশিষ্টকে Least Significant Bit (LSB) বলা হয়।
- সর্বশেষ প্রাপ্ত বিটকে Most Significant Bit (MSB) বলা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- 1100101 → এটি 105 এর সঠিক বাইনারি রূপ নয়।
- 1110001 → এটি 105 এর বাইনারি রূপ নয়।
- 1010101 → এটি 105 এর বাইনারি রূপ নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
ক্রিকেটে বলের গতিপথ (trajectory) বিশ্লেষণ করে LBW সিদ্ধান্ত যাচাই করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. গোল-লাইন প্রযুক্তি
  2. ওয়্যারেবল প্রযুক্তি
  3. ভিডিও অ্যানালাইসিস
  4. হক-আই প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
হক-আই প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হক-আই প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• হক-আই (Hawk-Eye) প্রযুক্তি একটি কম্পিউটারভিত্তিক ভিশন সিস্টেম যা বলের গতিপথ (trajectory) বিশ্লেষণ করে; ক্রিকেটে LBW সিদ্ধান্ত যাচাই করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

• খেলাধুলায় কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার:
- আধুনিক খেলাধুলায় কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ, ম্যাচ পরিচালনা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে খেলার তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রদর্শন করা সম্ভব হয়।

• ভিডিও বিশ্লেষণ (Video Analysis):
- ভিডিও বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হয়।
- কোচ ও বিশ্লেষকরা খেলোয়াড়ের চলন, কৌশল এবং ভুলগুলো বিশ্লেষণের জন্য ভিডিও বিশ্লেষণ সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।

• Hawk-Eye প্রযুক্তি:
- Hawk-Eye একটি কম্পিউটারভিত্তিক ভিশন সিস্টেম যা বলের গতিপথ ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ক্রিকেট, টেনিস এবং ফুটবলে ব্যবহৃত হয়।
- ক্রিকেটে LBW সিদ্ধান্ত যাচাই করতে এবং টেনিসে বল লাইনের ভেতরে নাকি বাইরে পড়েছে তা নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• Goal-Line Technology:
- Goal-line technology ফুটবলে ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তি।
- এর মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় বলটি সম্পূর্ণভাবে গোললাইন অতিক্রম করেছে কিনা।
- এটি রেফারিকে দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

• Wearable Technology:
- Wearable device যেমন smartwatch ও GPS tracker খেলোয়াড়ের বিভিন্ন শারীরিক তথ্য সংগ্রহ করে।
- এগুলোর মাধ্যমে heart rate, speed এবং distance ইত্যাদি তথ্য বিশ্লেষণ করা যায়।

• Sports Analytics:
- Sports analytics হলো খেলাধুলার ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পদ্ধতি।
- এটি খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, দল নির্বাচন এবং কৌশল নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।

• Electronic Scoreboard:
- Electronic scoreboard কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে খেলার স্কোর এবং অন্যান্য তথ্য প্রদর্শন করে।
- এটি দর্শক ও খেলোয়াড়দের দ্রুত তথ্য জানাতে সাহায্য করে।

• অন্যান্য অপশন:
- গোল-লাইন প্রযুক্তি → ফুটবলে বলটি সম্পূর্ণভাবে গোললাইন অতিক্রম করেছে কিনা তা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- ভিডিও অ্যানালাইসিস → খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স ও কৌশল বিশ্লেষণের জন্য ভিডিওভিত্তিক প্রযুক্তি।
- ওয়্যারেবল প্রযুক্তি → খেলোয়াড়ের শারীরিক তথ্য যেমন হার্ট রেট, গতি ও দূরত্ব পরিমাপে ব্যবহৃত প্রযুক্তি।

উৎস: Encyclopaedia Britannica (Hawk-Eye, Sports Technology); IBM Sports Analytics; FIFA Goal-Line Technology.

৩৭.
CPU performance বৃদ্ধি করতে বারবার ব্যবহৃত ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য কোন মেমোরি ব্যবহৃত হয়?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. ROM
  4. Hard Disk
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cache Memory
ব্যাখ্যা

• Cache Memory CPU-এর নিকটবর্তী একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি, যা বারবার ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ করে CPU performance বৃদ্ধি করে।

• CPU Performance:
- CPU performance বোঝায় একটি প্রসেসর কত দ্রুত ও দক্ষভাবে নির্দেশনা (instructions) সম্পাদন করতে পারে।
- CPU performance সাধারণত clock speed, number of cores, cache memory, এবং processor architecture-এর উপর নির্ভর করে।

• Clock Speed:
- Clock speed হলো CPU প্রতি সেকেন্ডে কতটি clock cycle সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি Hertz (Hz) এককে মাপা হয়।
- আধুনিক প্রসেসরে clock speed সাধারণত Gigahertz (GHz) এ প্রকাশ করা হয়।

• CPU Core:
- Core হলো CPU-এর একটি স্বাধীন processing unit।
- Multi-core processor একই সময়ে একাধিক instruction বা task প্রক্রিয়া করতে পারে।
- উদাহরণ: Dual-core, Quad-core, Octa-core processor।

• Cache Memory:
- Cache memory হলো একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত দ্রুতগতির মেমোরি যা CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে।
- এটি বারবার ব্যবহৃত ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য সংরক্ষণ করে।
- Cache memory ব্যবহারের ফলে CPU-এর ডেটা অ্যাক্সেস সময় কমে এবং performance বৃদ্ধি পায়।

• Instruction Per Cycle (IPC):
- Instruction per cycle (IPC) বোঝায় CPU একটি clock cycle-এ গড়ে কতটি instruction সম্পাদন করতে পারে।
- IPC বেশি হলে একই clock speed-এ CPU বেশি কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

• CPU Architecture:
- CPU architecture বোঝায় প্রসেসরের নকশা এবং instruction set structure।
- উন্নত architecture সাধারণত বেশি efficient processing নিশ্চিত করে।

• Multithreading:
- Multithreading এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে একটি CPU core একই সময়ে একাধিক thread পরিচালনা করতে পারে।
- এটি CPU utilization এবং performance বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

• Benchmark:
- Benchmark হলো CPU performance পরিমাপের একটি standard test।
- বিভিন্ন প্রসেসরের performance তুলনা করার জন্য benchmark ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM → Primary memory, যা চলমান প্রোগ্রামের ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।
- ROM → Non-volatile memory, যেখানে স্থায়ীভাবে firmware সংরক্ষিত থাকে।
- Hard Disk → Magnetic secondary storage device, যা স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে।

Source:
- Encyclopaedia Britannica,
- Intel CPU Performance Guide,
- IBM CPU Overview,
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণী কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল),
- Computer Organization and Design – David A. Patterson & John L. Hennessy.

৩৮.
পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয় কোন অংশ?
  1. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার
  2. সার্জ সাপ্রেসর
  3. প্রধান বিদ্যুৎ উৎস
  4. ব্যাটারি চার্জার
সঠিক উত্তর:
সার্জ সাপ্রেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জ সাপ্রেসর
ব্যাখ্যা

• সার্জ সাপ্রেসর পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষা দেয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ (Power Backup):
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে, সেই উদ্দেশ্যে পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- এতে সাধারণত একটি ব্যাটারি ব্যাংক থাকে।
- মেইন পাওয়ার থাকাকালে ব্যাটারি চার্জ হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্রপাতি চালু রাখা হয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রধান অংশগুলো:
- Utility → প্রধান বিদ্যুৎ উৎস।
- EMI/RFI Filter → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমায়।
- Surge Suppressor → হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Transfer Switch → মেইন পাওয়ার ও ব্যাকআপ পাওয়ারের মধ্যে পরিবর্তন ঘটায়।
- AVR (Automatic Voltage Regulator) → ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখে।
- Battery Charger → ব্যাটারি চার্জ করে রাখে।
- Inverter → ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- IPS (Instant Power Supply)।
- UPS (Uninterrupted Power Supply)।
- EPS (Emergency Power Supply)।
- QPS (Quick Power Supply)।

• অন্যান্য অপশন:
- ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রধান বিদ্যুৎ উৎস → এটি বিদ্যুতের মূল সরবরাহ উৎস।
- ব্যাটারি চার্জার → ব্যাটারি চার্জ করে শক্তি সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৩৯.
খোলা থাকা বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা উইন্ডোর মধ্যে দ্রুত পরিবর্তন করার শর্টকাট কোনটি?
  1. Ctrl + Esc
  2. Alt + Enter
  3. Ctrl + Tab
  4. Alt + Tab
সঠিক উত্তর:
Alt + Tab
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alt + Tab
ব্যাখ্যা

• Alt + Tab শর্টকাট কী ব্যবহার করে কম্পিউটারে খোলা থাকা বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা উইন্ডোর মধ্যে দ্রুত পরিবর্তন করা যায়।

• Keyboard Shortcut:
- Keyboard shortcut হলো এক বা একাধিক কী-এর সমন্বয় যা দ্রুত কোনো কমান্ড সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি মাউস ব্যবহার না করেও কম্পিউটারে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

• সাধারণ Keyboard Shortcut:
- Ctrl + C → নির্বাচিত লেখা বা ফাইল কপি করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + V → কপি বা কাট করা তথ্য পেস্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + X → নির্বাচিত লেখা বা ফাইল কাট করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + Z → সর্বশেষ কাজ বাতিল (Undo) করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + A → একটি ডকুমেন্ট বা ফোল্ডারের সবকিছু নির্বাচন করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + S → ফাইল বা ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + P → কোনো ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + F → কোনো ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজে নির্দিষ্ট শব্দ বা তথ্য খুঁজে বের করতে ব্যবহৃত হয়।

• Alt + Tab:
- Alt + Tab শর্টকাট কী ব্যবহার করে খোলা থাকা বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা উইন্ডোর মধ্যে পরিবর্তন করা যায়।
- এটি মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় দ্রুত একটি প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Ctrl + Tab → একই সফটওয়্যারের বিভিন্ন ট্যাবের মধ্যে পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + Esc → সাধারণত স্টার্ট মেনু খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Alt + Enter → কোনো ফাইল বা অবজেক্টের বৈশিষ্ট্য (Properties) দেখার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: Encyclopaedia Britannica (Keyboard); Microsoft Windows Keyboard Shortcuts; IBM Documentation.

৪০.
What is an "epithalamion"?
  1. An ancient form of lyric poetry
  2. A poetic form focused on love
  3. A lyric poem to celebrate a wedding
  4. A poem praising nature
সঠিক উত্তর:
A lyric poem to celebrate a wedding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A lyric poem to celebrate a wedding
ব্যাখ্যা

Correct answer: A lyric poem to celebrate wedding.

• Epithalamion:
- It is a song or poem in honor of a bride and bridegroom.
- অর্থাৎ, বিবাহ অনুষ্ঠানে বর এবং কনেকে উদ্দেশ্য করে যে গান গাওয়া হয়।
- Epithalamion হলো একটি বিশেষ ধরনের কাব্য যা বিবাহের আনন্দ উদযাপন এবং নবদম্পতির জন্য শুভ কামনা জানাতে লেখা হয়।
- It is used as a wedding lyric.
- This poetic form started in ancient Greece as a song that was sung to the bride and groom on their wedding night by a group of children.
- এই কবিতা প্রাচীন গ্রিক এবং রোমান সময় থেকে উদ্ভূত এবং সাধারণত বিয়ের দিন এবং নবদম্পতির ভবিষ্যতের জন্য সৌভাগ্য কামনা করে।

• স্পেনসারের বিখ্যাত Epithalamion একটি কাব্যিক উদাহরণ, যা তার নিজস্ব বিয়ের দিনকে কেন্দ্র করে লেখা হয়। এতে প্রকৃতির সৌন্দর্য, ঐশ্বরিক আশীর্বাদ, এবং নবদম্পতির প্রতি প্রেম ও ভক্তি গভীরভাবে প্রকাশ পায়।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

৪১.
What is "Melodrama"?
  1. A drama about a social issue
  2. A drama having a sensational quality
  3. A drama with a philosophical theme
  4. A drama with a psychological theme
সঠিক উত্তর:
A drama having a sensational quality
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A drama having a sensational quality
ব্যাখ্যা

Correct answer: A drama having a sensational quality.

Melodrama:
 - A kind of drama that provides sensational entertainment and presents horror and bloodshed, thrills and violence on the stage.
- A Melodrama is a sentimental drama with an improbable plot that concerns the difficulties suffered by the virtuous at the hands of the villainous but ends happily with virtue triumphant.
- It is a drama in which many exciting events happen, and the characters have very strong or exaggerated emotions.
- Melodrama means a sensational, dramatic piece with exaggerated characters and exciting events intended to appeal to the emotions or a play interspersed with songs and orchestral music accompanying the action.
- The melodrama focuses not on character development but on sensational incidents and spectacular staging.
- যে নাটকে আবেগ, উত্তেজনার উপাদান পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকবে; পাশাপাশি সংঘাত ও দ্বন্দ্বের উপস্থিতিও দৃশ্যমান এই নাটকগুলোতে
- তবে অধিকাংশ সময় এই নাটকগুলোর হ্যাপি এন্ডিং বা সুখকর সমাপ্তি ঘটে থাকে।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

৪২.
A short fictional narrative in prose that can be read in one sitting is called-
  1. Comedy
  2. Short story
  3. Tragedy
  4. Novelette
সঠিক উত্তর:
Short story
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Short story
ব্যাখ্যা

Correct answer: Short story.
- A short fictional narrative in prose that can be read in one sitting is called a short story.

• Short story:
- An invented prose narrative shorter than a novel, usually dealing with a few characters and aiming at unity of effect, and often concentrating on the creation of mood rather than plot.
- কোনো ভূমিকা ছাড়াই আচমকা গল্পটি শুরু হয় এবং হঠাৎ করেও খুব দ্রুত Climax এ পৌঁছে যায় কিন্তু কেমন যেনো অসম্পূর্ণতার অনুভূতির সাথে হঠাৎ গল্পটি শেষ হয়ে যায়।
- The incident in it is invented instead of being an account of an event that actually happened. 
- Short stories are also called Short-fiction. 
- যেমন - The Luncheon, The Ant and The Grasshopper, The Gift of Magi by William Sidney Porte/ O' Henry are the best examples of short stories in English Literature.

• Other options:
ক) Comedy- A kind of drama which begins with adversity or discord but ends in happiness.

গ) Tragedy- A form of drama which presents the fall of a superior human being for a mistake of some kind.

ঘ) Novelette - A short novel usually of thirty to forty thousand words.

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৪৩.
In literature, the term "Aphorism" refers to?
  1. A fictional story used to teach a lesson
  2. A long narrative poem
  3. A break or pause in the rhythmic progression
  4. A concise expression of a universal truth
সঠিক উত্তর:
A concise expression of a universal truth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A concise expression of a universal truth
ব্যাখ্যা

Correct answer: A concise expression of a universal truth.

• ​Aphorism:
​- A terse, memorable expression of a universal truth.
- Aphorism, a concise expression of doctrine or principle or any generally accepted truth conveyed in a pithy, memorable statement.
- Aphorism হলো কোনো গভীর সত্য, প্রজ্ঞা বা নীতিবাক্যের সংক্ষিপ্ত, সুনির্দিষ্ট এবং স্মরণীয় প্রকাশ।
- এটি সাধারণত অল্প কথায় জীবনের গভীর অভিজ্ঞতা বা কোনো বিশেষ বিষয় তুলে ধরে।
​- The use of aphorisms reflects the range of an author's experience and adds universality to the text in which it is used.
​- Aphorism is different from a proverb: A proverb is an anonymous expression of a general truth, while an aphorism is a truth taken out of one's personal experience.- Proverbs are traditional, but aphorisms are individual.
​​- 'To err is human, to forgive divine' হচ্ছে একটি universal truth যার অর্থ “মানুষ মাত্রেই ভুল” এবং “ক্ষমা করা স্বর্গীয়।
​- সুতরাং, এই উক্তিটি Aphorism এর একটি উদাহরণ।
​- উক্তিটি Alexander Pope এর An essay on criticism হতে উদ্ধৃত।

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৪৪.
The literary term 'Catharsis' is related to-
  1. Comedy
  2. Tragedy
  3. Poetry
  4. none
সঠিক উত্তর:
Tragedy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tragedy
ব্যাখ্যা

Correct answer: Tragedy.

Catharsis:
- The purgation or purification of pity and fear in tragedies is known as Catharsis.
- অর্থাৎ, এটি সাধারণত Drama এবং Tragedy এর সাথে সম্পর্কিত।
- Catharsis: যার অর্থ আবেগমুক্তি।
- The process of releasing strong emotions through a particular activity or experience, such as writing or theatre, in a way that helps you to understand those emotions.
- Catharsis,  meaning “cleansing” in Greek, refers to a literary theory first developed by the philosopher Aristotle, who believed that cleansing our emotions was the purpose of a good story, especially a tragedy.
- Catharsis, শব্দটি মূলত গ্রীক নাটক থেকে এসেছে, যা একটি আবেগিক মুক্তি বা পরিশোধনের অনুভূতিকে নির্দেশ করে।
- এটি তখন ঘটে যখন পাঠক বা দর্শক কোনো নাটক বা কাহিনীর মাধ্যমে এক ধরনের গভীর আবেগ বা বেদনা অনুভব করে, যা তাদের মনের ওপরের চাপ বা দ্বিধা দূর করে দেয়।

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৪৫.
"The child is the father of the man." This is an example of-
  1. Paradox
  2. Metaphor
  3. Alliteration
  4. Simile
সঠিক উত্তর:
Paradox
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paradox
ব্যাখ্যা

Correct answer: Paradox.

• Paradox
• A self-contradictory statement that hides a rational meaning is called a paradox.
- It is a situation or statement that seems impossible or is difficult to understand because it contains two opposite facts or characteristics.
- Paradox হচ্ছে আপাত বিরোধী কিন্তু সত্য।
- এটি এমন একটি উক্তি, ধারণা বা পরিস্থিতি, যা প্রথম দর্শনে স্ববিরোধী বা অযৌক্তিক মনে হলেও, গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে এর মধ্যে একটি গভীর অর্থ প্রকাশ পায়।
- Example: The child is the father of the man. 
- যেখানে  আপাত দৃষ্টিতে লাইনটির অর্থ contradictory.
- কিন্তু এর Deeper meaning এ বোঝা যায় যে A person's childhood experiences can fundamentally shape his/hers feelings as adults.

Other options:
খ) Metaphor:
- Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.

গ) Alliteration
- The Repetition of a consonant at the beginning of two or more words or stressed syllables is called Alliteration.
- যখন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বা পাশাপাশি স্থাপিত শব্দের শুরুতে একই বর্ণ বা একই ধরনের উচ্চারণ থাকে তাকে অনুপ্রাস (Alliteration) বলে।

ঘ) Simile:
- An explicit comparison between two different things is called - Simile 
- Usually as and like are used in it. In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As  ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

৪৬.
"Dr. Aziz" is a famous character who appears in-
  1. A Passage to India
  2. The Spanish Tragedy
  3. India Wins Freedom
  4. A Room with a View
সঠিক উত্তর:
A Passage to India
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Passage to India
ব্যাখ্যা

Correct answer: A Passage to India.

• 'A Passage to India'
- ১৯২৪ সালে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল যেটিকে লেখকের অন্যতম এবং শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ভারত এবং আলেক্সান্দ্রিয়াতে তার অবস্থানের প্রেক্ষিতে তিনি এই উপন্যাস টি রচনা করেন।
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- উপন্যাসটি E.M. Forster এর ভারতে অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে লেখা।
- ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতীয়দের প্রতি ব্রিটিশদের আচরণ, জাতিগত বৈষম্য এবং বন্ধুত্বের সীমাবদ্ধতা এ উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- ড. আজিজ নামক একজন ভারতীয় মুসলিম ডাক্তার এবং Mrs. Moore ও  Adela Quested নামক দুইজন ইংরেজ নারীর সম্পর্কের ওপর কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- The book also portrays the relationship between the British and the Indians in India.

• এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে -
- Dr. Aziz,
- Adela Quested,
- Mrs. Moore,
- Ronny Heaslop,
- Cyril Fielding,
- Stella Moore, etc.

• E.M. Forster:
- তিনি একজন British writer.
- E. M. Forster was born into an upper-middle-class family. He attended the University of Cambridge and, from roughly 1907, was a member of the informal Bloomsbury group.
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- Forster's work examines the restrictive nature of the English middle class, the repression of emotions, and the impact of British imperialism.
- His fame rests largely on his novels Howards End and A Passage to India and on a large body of criticism.

• E.M. Forster's other works -
- A Room with a View,
- Aspects of the Novel,
- Howards End,
- Marianne Thornton,
- Maurice,
- The Hill of Devi,
- The Longest Journey,
- Where Angels Fear to Tread.

Source: Britannica.

৪৭.
Who quoted "The paths of glory lead but to the grave"?
  1. Ezra pound
  2. James Joyce
  3. Thomas Gray
  4. Joseph Conrad
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
ব্যাখ্যা

Correct answer: Thomas Gray.
- এটি Thomas Gray এর বিখ্যাত কবিতা An Elegy Written in a Country Church Yard এর একটি বিখ্যাত উক্তি এটি।

• An Elegy Written in a Country Church Yard: 
- Thomas Gray রচিত একটি Elegy বা শোকগাঁথা এটি। 
- A meditative poem written in iambic pentameter quatrains published in 1751. 
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম  সেরা রত্নভান্ডার বলা যেতে পাারে এই সাহিত্যটিকে।
- A meditation on unused human potential, the conditions of country life, and mortality, An Elegy Written in a Country Church Yard is one of the best-known elegies in the language.
- এখানে মূলত: কবরস্থানে বসে একজন বর্ণনাকারী অত্যন্ত করুন এবং স্পষ্ট ভাষায় তার চারপাশের বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে । 
 
• Thomas Gray:
- তিনি একজন বিখ্যাত Graveyard Poet.
- যদিও তার সাহিত্যিক প্রকাশনা সামান্য ছিল, ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি ছিলেন  প্রভাবশালী কাব্যিক ব্যক্তিত্ব এবং রোমান্টিক আন্দোলনের অগ্রদূত ।
- His famous Elegy is 'Elegy Written in a Country Churchyard.'
- তিনি the Age of Sensibility এর একজন গুরুত্বপূর্ন সাহিত্যিক।
- তাঁর কবিতায় বিষাদ (Melancholy), মানব অনুভূতি এবং প্রকৃতিকে তুলে ধরা হয়েছে, যা গ্রীক ও রোমান সাহিত্য দ্বারা প্রভাবিত।

• Notable Poems:
- An Elegy Written in a Country Church Yard,
- Ode on a Distant Prospect of Eton College,
- The Bard,
- The Progress of Poesy.
 
• His famous quotations:
- Where ignorance is bliss, it is folly to be wise.
- Full many a flower is born to blush unseen, And waste its sweetness on the desert air.
- The paths of glory lead but to the grave.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr.M. Mofizar Rahman.

৪৮.
"Polonius" is a character from-
  1. Macbeth
  2. Julius Caesar
  3. Othello
  4. Hamlet
সঠিক উত্তর:
Hamlet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hamlet
ব্যাখ্যা

Correct answer: Hamlet.

Hamlet:
- Hamlet is a five acts tragedy by William Shakespeare, 
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet অন্যতম।
- It is often considered the greatest drama of all time.
- The play tells the story of the troubled titular prince of Denmark.
- Hamlet জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে তার চাচা Claudius, তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং  সে জানতে পারে এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর Hamlet তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

Characters of Hamlet:
- Ophelia (Heroine),
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's Uncle), etc.

William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon-এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet-এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Notable works:
Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream, etc.

Source: Britannica.

৪৯.
"I have measured out my life with coffee spoons." This quotation is from-
  1. The Rime of the Ancient Mariner
  2. The Return of the Native
  3. The Wild Swans at Coole
  4. The Love Song of J. Alfred Prufrock
সঠিক উত্তর:
The Love Song of J. Alfred Prufrock
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Love Song of J. Alfred Prufrock
ব্যাখ্যা

Correct answer: The Love Song of J. Alfred Prufrock.
- এই কবিতার বিখ্যাত লাইন, “I have measured out my life with coffee spoons."

• The Love Song of J. Alfred Prufrock:
- It is written by T.S Eliot.
- আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা কবিতা এটি।
- এটা মূলত একটি Dramatic Monologue. এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল Poetry ম্যাগাজিনে, ১৯১৫ সালে।
- এখানে দেখায়, J. Alfred Prufrock যে কিনা একজন মধ্যবয়সী মানুষ, তার ফেলে আসা অতীতের স্মরণ করছে। চাপা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে তার ভগ্ন শরীর ও হৃদয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে।
- সে বুঝতে পারে, সে তার যৌবন এবং সুখ দুটোই হারিয়েছে।

• T.S. Eliot: 
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- তিনি একাধারে  American-English poet, playwright, literary critic, এবং editor.
- T.S. Eliot আধুনিকতাবাদী কবিতার ধারক ছিলেন, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের রোমান্টিকতার বদলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সমাজের ক্লান্তি ও ধ্বংসের চিত্র তুলে ধরেছিলেন।
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- ১৯২২ সালে তাঁর "দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড" কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পর , T.S. Eliot  আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

• Best works:
•  Poems
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem).

• His well-known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge, etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman, and Britannica.

৫০.
পলিনেশিয়া (Polynesia) — অঞ্চলের অন্তর্গত দেশ কোনটি?
  1. টোঙ্গা
  2. অস্ট্রেলিয়া 
  3. ভানুয়াতু
  4. কিরিবাতি
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
ব্যাখ্যা

ওশেনিয়া (Oceania):
- ওশেনিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল। 
- মহাদেশটি অসংখ্য ছোট-বড় দ্বীপ ও একটি প্রধান মূলভূমি—Australia—নিয়ে গঠিত।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মহাদেশ হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে মোট ১৪টি স্বাধীন রাষ্ট্র রয়েছে।
- আয়তন ও জনসংখ্যা—উভয় দিক থেকেই অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- অন্যদিকে, আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট দেশ হলো Nauru।
- আর জনসংখ্যার হিসেবে সবচেয়ে ছোট দেশ Tuvalu।
- অর্থনৈতিক ও সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি New Zealand-ও এই অঞ্চলের অন্যতম উন্নত ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র।

• ওশেনিয়াকে সাধারণত চারটি অংশে ভাগ করা হয়: 
- অস্ট্রালাসিয়া — (অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড);
- মেলানেশিয়া (Melanesia) — ফিজি, নিউ গিনি, ভানুয়াতু; 
-  মাইক্রোনেশিয়া (Micronesia) — কিরিবাতি, নাউরু, পালাউ;
- পলিনেশিয়া (Polynesia) — নিউজিল্যান্ড, টোঙ্গা, সামোয়া, হাওয়াই। 

উৎস: Britannica. 

৫১.
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পরিচিত মানচিত্রটি কোন নগরীর?
  1. চীনের 
  2. এথেন্সের
  3. ব্যাবিলনের 
  4. ইরানের
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনের 
ব্যাখ্যা

প্রাচীনতম মানচিত্র:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পরিচিত মানচিত্রটি প্রাচীন Babylon নগরীর, যা বর্তমান ইরাক–সিরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত ছিল।
- এই মানচিত্রটির নাম ইমাগো মুন্ডি (Imago Mundi)।
- এটি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে, অর্থাৎ যিশু খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ছয় শতাব্দী আগে নির্মিত হয়।
- মানচিত্রটি হাতে আঁকা কাগজের ছিল না।
- বরং এটি পোড়ামাটির একটি ফলকের ওপর খোদাই করা ছিল।
- যদিও একে পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র বলা হয়, বাস্তবে এটি সমগ্র পৃথিবীর নয়—মূলত ব্যাবিলন নগরী ও তার আশপাশের এলাকার চিত্রই এতে উপস্থাপিত হয়েছে।

- এই ব্যাবিলনীয় মানচিত্রটি ছিল বৃত্তাকার আকৃতির।
- এতে ব্যাবিলনকে কেন্দ্রস্থলে দেখানো হয়েছে এবং Euphrates River নদীকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- এতে চারপাশের বিশ্বকে একটি বৃত্তাকার সমুদ্র দ্বারা পরিবেষ্টিত রূপে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যা প্রাচীন মানুষের ভৌগোলিক ধারণাকে প্রতিফলিত করে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা [লিঙ্ক]। 

৫২.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এর সীমান্তবর্তী নদী কোনটি? 
  1. কর্ণফুলি
  2. নাফ
  3. তিস্তা
  4. সাঙ্গু
সঠিক উত্তর:
নাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাফ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের দক্ষিণাংশ নাফ নদী বরাবর প্রসারিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
----------------------------- 
• বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার-এর মধ্যকার সীমানা রেখাকেই বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত বলা হয়।
- এই সীমান্তটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে এবং মিয়ানমারের পশ্চিমাংশে অবস্থিত।
- ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্তের পর মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের এই সীমান্তটি দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত। 
- বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের স্থলসীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭১ কিলোমিটার।
- এটি ভারত–বাংলাদেশ–মিয়ানমার ত্রিসীমানা বিন্দু থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সীমান্তের সর্বশেষ অংশ নাফ নদী বরাবর প্রসারিত হয়েছে।
- এই সীমান্ত বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলাকে মিয়ানমারের রাখাইন ও চিন প্রদেশ থেকে পৃথক করেছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা, যার সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার—উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 

৫৩.
পিকো দ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর 
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর 
ব্যাখ্যা

পিকো দ্বীপ(Pico Island):
- Pico Island উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত পর্তুগালের একটি আগ্নেয়গিরিময় দ্বীপ। 
- এটি Azores দ্বীপপুঞ্জের কেন্দ্রীয় গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত এবং আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- দ্বীপটি তার কালো লাভাপাথরের ভূপ্রকৃতির কারণে ‘ব্ল্যাক আইল্যান্ড’ নামেও পরিচিত।
- এখানেই অবস্থিত পর্তুগালের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ Mount Pico (উচ্চতা ২,৩৫১ মিটার বা ৭,৭১৩ ফুট), যা আজোরেস অঞ্চলেরও সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি।
- দ্বীপটির মোট আয়তন প্রায় ১৬৩ বর্গমাইল (৪৩৩ বর্গকিলোমিটার)।
- এটি Faial দ্বীপ থেকে ফায়াল চ্যানেল দ্বারা বিচ্ছিন্ন।
- এবং পর্তুগালের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে এর অবস্থান।
- পিকো দ্বীপের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর—বিশেষ করে দুগ্ধ উৎপাদন, গবাদিপশু পালন ও আঙ্গুর চাষ উল্লেখযোগ্য।
- এখানকার ঐতিহ্যবাহী দ্রাক্ষাক্ষেত্রের অনন্য লাভাপাথরঘেরা ভূদৃশ্যকে ২০০৪ সালে UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- দ্বীপের প্রধান নগরকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদালেনা, সাও রোক দো পিকো, সাও মাতেউস ও লাজেস।
- লাজেসে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি তিমি শিকার জাদুঘর ও গ্রন্থাগার রয়েছে।

উৎস: Britannica. 

৫৪.
ইউরোপের ক্যালিডোনিয়ান পর্বতশ্রেণি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কোন মালভূমি সৃষ্টি হয়েছে?
  1. ফিজেন্ড মালভূমি
  2. মেসেটা মালভূমি
  3. তিব্বত মালভূমি
  4. দাক্ষিণাত্য মালভূমি
সঠিক উত্তর:
ফিজেন্ড মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিজেন্ড মালভূমি
ব্যাখ্যা

ইউরোপের ক্যালিডোনিয়ান পর্বতশ্রেণি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ফিজেন্ড মালভূমি সৃষ্টি হয়েছে। 
- এটি ক্ষয়জাত মালভূমির উদাহরণ। 
-----------------
• ক্ষয়জাত মালভূমি:
- কোনো পার্বত্য অঞ্চল বা উঁচু ভূ-খন্ড নদী, হিমবাহ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ভূমির উচ্চতা হ্রাস পেয়ে প্রায় সমতল ভূমিতে পরিণত হলে তাকে ক্ষয়জাত মালভূমি বলে।  
- মূলত এই মালভূমি পুরাতন উঁচু ভূ-ভাগ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সৃষ্টির ফলে শিলার প্রকৃতি এর বন্ধুরতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ইউরোপের ক্যালিডোনিয়ান পর্বতশ্রেণি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ফিজেন্ড মালভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
----------- 
অন্যদিকে,
• চ্যুতি মালভূমি:
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠে কোনো বিস্তৃত স্থান চ্যুতির সৃষ্টি হয়ে কোনো এলাকার বিরাট অংশ অসমানভাবে উপরে উঠে গিয়ে যে ভূমির সৃষ্টি করে তাকে চ্যুতি মালভূমি বলে। 
- মূলত ভূ-আন্দোলনজনিত এবং পাত সঞ্চালনজনিত কারণে এই ধরনের মালভূমি সৃষ্টি হয় যা চ্যুতি সৃষ্টির কারণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- যেমন-স্পেনের মেসেটা।

• পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি:
- সংকোচনজনিত চাপের কারণে ভঙ্গিল পর্বতের মাঝে এ ধরনের মালভূমি সৃষ্টি হয়।
- যেহেতু ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হওয়ার সময় পবর্তদ্বারা বেষ্টিত নিম্নস্থানসমূহ উঁচু হয়ে এই মালভূমি সৃষ্টি করে সেহেতু এ ধরনের মালভূমিকে পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি বলে।
- এ ধরনের মালভূমির উচ্চতা সাধারণত ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- যেমন- তিব্বতের মালভূমি।

• 
আগ্নেয় মালভূমি:
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-ত্বকের কোনো ফাটল বা আগ্নেয়গিরির ছিদ্র পথে ভূ-গর্ভ হতে লাভা প্রবাহ ভূ-পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং শীতলীকরণ প্রক্রিয়ায় ঠান্ডা হয়ে কঠিন অবস্থা ধারণ করে যে ভূমির সৃষ্টি হয় তাকে আগ্নেয়জাত মালভূমি বলে। 
- যেমন- ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫৫.
নিম্মের কোনটি হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ?
  1. গ্রাবরেখা
  2. এসকার
  3. কেম
  4. সবগুলা
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
ব্যাখ্যা

হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ:
- হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হলো সেই বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতি, যা হিমবাহের সঙ্গে বাহিত শিলাখণ্ড, বালি, কাদা ও নুড়ি-পাথরের স্তূপাকারে হিমবাহের প্রবাহপথে বা শেষপ্রান্তে জমে তৈরি হয়।
- হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত প্রধান ভূমিরূপগুলো হলো-
- গ্রাবরেখা (Moraine),
- কেম (Kame),
- ড্রামলিন (Drumlin),
- এসকার (Esker),
- বহিঃধৌত সমভূমি (Outwash Plain)
- এবং কেটল (Kettle)।
- এই ভূমিরূপগুলো সাধারণত কাদা, বালি, নুড়ি ও পাথরের স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়ে তৈরি হয়।

- প্রধান ভূমিরূপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:
গ্রাবরেখা (Moraine):
- হিমবাহের সাথে বাহিত শিলাখণ্ড, নুড়ি ও বালি সঞ্চিত হয়ে গঠিত।
- এটি অবস্থান অনুসারে ভূমি গ্রাবরেখা (হিমবাহের নিচে) এবং প্রান্ত গ্রাবরেখা (হিমবাহের সামনের দিকে) হতে পারে।

এসকার (Esker): 
- হিমবাহের ভেতর বা নিচে নদী দ্বারা সঞ্চিত বালি ও নুড়ি দীর্ঘ, আঁকাবাঁকা ও সরু শৈলশিরার মতো ভূমিরূপ তৈরি করে।

কেম (Kame):
- হিমবাহের শেষপ্রান্তে বরফ গলে কাদা, বালি ও নুড়ি স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণাকার বা দ্বীপাকার ছোট টিলা তৈরি করে।

• ড্রামলিন (Drumlin):
- হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত উল্টানো নৌকা বা অর্ধেক ডিমের মতো টিলা।

• বহিঃধৌত সমভূমি (Outwash Plain):
- হিমবাহের প্রান্তে গলিত জলের মাধ্যমে বাহিত পলি, বালি ও কাঁকর জমে গঠিত সমভূমি।

• কেটল (Kettle):
- হিমবাহের সঞ্চিত বালি ও পাথরের মধ্যে বরফের টুকরো গলে গর্ত বা ছোট হ্রদ তৈরি করে।

উৎস: BBC News ও Antarctic Glaciers Website. 

৫৬.
ভরা কটাল বা তেজ কটাল কখন হয়?
  1. চন্দ্র এবং সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করলে
  2. চন্দ্র পৃথিবীর বিপরীত পাশে অবস্থান করলে
  3. সূর্য পৃথিবীর পাশে অবস্থান করলে
  4. চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করলে 
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র এবং সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র এবং সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করলে
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা:
- পৃথিবীর সঙ্গে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের প্রভাবে সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়।
- জোয়ার-ভাটা হলো সমুদ্রপানির সেই ওঠানামা, যা মহাকর্ষ শক্তি ও কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে ঘটে।
- সমুদ্রের পানি এক জায়গায় ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলা হয়।
- প্রতিদিন সমুদ্রের একই স্থানে সাধারণত দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা দেখা যায়।

- যদিও সূর্য চন্দ্রের তুলনায় অনেক বড় (চন্দ্র অপেক্ষা প্রায় ২.৬ কোটি গুণ এবং পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ), সূর্য পৃথিবী থেকে অনেক দূরে (প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার) এবং চন্দ্র পৃথিবী থেকে তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি (প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার) অবস্থানে থাকে। তাই পৃথিবীতে চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্যের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে, ফলে জোয়ার-ভাটায় চাঁদের প্রভাব প্রধান।

- জোয়ার-ভাটা প্রধানত চার ধরনের:

ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময়ে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে, তাদের মিলিত তীব্র আকর্ষণ শক্তির কারণে সমুদ্রে প্রচণ্ড ও উঁচু জোয়ার সৃষ্টি হয়।
- এই জোয়ারকে ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলা হয়।
- এই সময়ে ভাটার তীব্রতাও বেশি থাকে। প্রতি মাসে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় এটি ঘটে।
- সিজিগি বা Syzygy অবস্থায়, অর্থাৎ চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকলে, সমুদ্রের পানি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক উঁচুতে ওঠে এবং ভাটার সময় জল খুব কমে যায়।
- মূলত মহাকর্ষ শক্তির প্রভাবে সমুদ্রে ব্যাপক জলস্ফীতি ঘটে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ারের প্রবলতা বৃদ্ধি করে।

• মুখ্য জোয়ার:
- মুখ্য জোয়ার (Direct Tide) হলো সেই জোয়ার, যা পৃথিবীর সেই স্থানে ঘটে যেখানে চাঁদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
- চাঁদ ও পৃথিবীর পারস্পরিক মহাকর্ষের কারণে এই জোয়ার সৃষ্টি হয় এবং চাঁদ যে পাশে অবস্থান করে, সেই পাশেই জলরাশি ফুলে ওঠে।
- মুখ্য জোয়ার সাধারণত প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘটে এবং গৌণ জোয়ারের চেয়ে শক্তিশালী।

• গৌণ জোয়ার: 
- গৌণ জোয়ার (Neap Tide) হলো সেই জোয়ার, যা পৃথিবীর সেই অংশে সৃষ্টি হয় যা মুখ্য জোয়ারের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থান করে।
- চাঁদের সরাসরি আকর্ষণ না থাকলেও, পৃথিবীর আবর্তনের কারণে তৈরি কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে এই অঞ্চলের জলরাশি ফুলে ওঠে। 
- গৌণ জোয়ার হলো চাঁদের বিপরীত পাশে সৃষ্টি হওয়া জোয়ার, যা পৃথিবীর ঘূর্ণন ও কেন্দ্রাতিগ বলের কারণে ঘটে। 
- এটি মুখ্য জোয়ারের তুলনায় কিছুটা দুর্বল হয়।

• মরা কটাল:
- অষ্টমী বা সপ্তমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করলে তাদের বিপরীতমুখী আকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি খুব বেশি ফুলে ওঠে না।
- এই সময়ে সৃষ্টি হওয়া মৃদু বা দুর্বল জোয়ার-ভাটাকে মরা কোটাল বা Neap Tide (নিপ টাইড) বলা হয়।
- সাধারণত শুক্লপক্ষ ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী বা সপ্তমী তিথিতে এটি ঘটে।
- মরা কোটালে সূর্যের আকর্ষণ চাঁদের আকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে, ফলে জলস্তর খুব বেশি উঁচু হয় না এবং ভাটার তীব্রতা কমে যায়, পানি অনেক কম নামে।
- তাই এটি 'মরা জোয়ার' বা 'মৃদু জোয়ার' নামেও পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫৭.
V-20-এর উদ্যোক্তা সংস্থা কোনটি?
  1. UNDP
  2. CVF
  3. IMFD 
  4. World Bank
সঠিক উত্তর:
CVF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CVF
ব্যাখ্যা

V-20:
- Vulnerable Twenty (V20) হলো একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম, যা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে একত্রিত করে।
- এটি ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর লিমা তে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত এই দেশের অর্থমন্ত্রীদের জন্য সহযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
- এর উদ্ভাবক সংস্থা হলো- Climate Vulnerable Forum (CVF)।

- এতে প্রাথমিকভাবে ২০টি দেশ যুক্ত ছিল যারা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- প্রথম ২০টি দেশ হলো: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বার্বাডোস, ভুটান, কোস্টা রিকা, ইথিওপিয়া, ঘানা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মালদ্বীপ, মাদাগাস্কার, নেপাল, ফিলিপাইন, রুয়ান্ডা, সেন্ট লুসিয়া, দক্ষিণ সুদান, পূর্ব তিমুর, টুভালু, তানজানিয়া, ভিয়েতনাম।
- ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত এর সদস্য সংখ্যা ৭০টি দেশ। 
- V20 গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো বিশ্বের প্রায় ২০% জনসংখ্যার প্রতিনিধিত্ব করে এবং বৈশ্বিক নির্গমনের প্রায় ৫% উৎপন্ন করে।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এর Climate Vulnerable Forum-এর সাথে সরাসরি যুক্ত।
- বাংলাদেশ ২০২০–২০২২ সালে এই গ্রুপের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে।

উৎস: V20 অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

৫৮.
বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্রের আবিষ্কারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বি.এইচ.পি মিনারেলস
  2. চাইনিজ কোম্পানি CMC
  3. এম/এস ওয়ার্ডেল আর্মস্ট্রং কোম্পানি
  4. বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)
ব্যাখ্যা

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি:
- দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বাংলাদেশের একমাত্র সক্রিয় ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি।
- এটি ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। 
- এটি ২০০৫ সালে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে।
- এই খনি দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে জ্বালানির সরবরাহ দেয়।

- এই কয়লা খনির- 
• বিস্তৃতি: ৬.৬৮ বর্গকিলোমিটার;
• মোট কয়লা মজুদ: ৩৯০ মিলিয়ন মেট্রিক টন;
• উপরিভাগ: বারিন্ড ক্লে স্তর (মধুপুর ক্লে) দ্বারা আবৃত;
• কয়লার মান: উচ্চ-উদ্ভাবনী বিটুমিনাস থেকে সাব-বিটুমিনাস শ্রেণী;
• প্রধান উপাদান: ফিক্সড কার্বন ৪৮.৪০%, এ্যাশ ১২.৪০%, ভোলাটাইল মেটার ২৯.২০%, মোট ময়েশ্চার ১০%, সালফার ০.৫৩%;
• তাপ দহন ক্ষমতা: ১১,০৪০ বিটিউ/পাউন্ড;
• খনি উন্নয়নে প্রাথমিক সমীক্ষা পরিচালনা: এম/এস ওয়ার্ডেল আর্মস্ট্রং কোম্পানি;
• খনি উন্নয়নের চুক্তি: ১৯৯৪ সালে চাইনিজ কোম্পানি CMC-এর সাথে। 
---------------------------- 
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৫টি প্রধান কয়লা ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে, যা দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- এদের মধ্যে একমাত্র সচল খনি হলো দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া, যেখান থেকে বর্তমানে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

বাংলাদেশের কয়লা ক্ষেত্রগুলো:
• জামালগঞ্জ – এই কয়লা ক্ষেত্রটি জয়পুরহাট অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে জিএসবি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। (দেশের প্রথম কয়লা ক্ষেত্র, গভীরতার কারণে এখনও উত্তোলন শুরু হয়নি)। 
• ফুলবাড়ী – এই কয়লা ক্ষেত্রটি দিনাজপুর অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটির আবিষ্কারক: জিএসবি, ১৯৮৯।

• দীঘিপাড়া – এই কয়লা ক্ষেত্রটি দিনাজপুর অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি ১৯৯৫ সালে জিএসবি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। 

• খালাসপীর–
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি রংপুর অবস্থিত। 
- এই কয়লা ক্ষেত্রটি ১৯৯৭ সালে বি.এইচ.পি মিনারেলস কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। 

উৎস:
১) খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (Bangladesh Geological Survey & Mineral Development Bureau) ওয়েবসাইট;
২) বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (BCMCL) ওয়েবসাইট;
৩) প্রথম আলো

৫৯.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ১,২০০ মেগাওয়াট
  2. ২,৪০০ মেগাওয়াট
  3. ৩,৬০০ মেগাওয়াট
  4. ৪,২০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
২,৪০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা

• রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Rooppur Nuclear Power Plant – RNPP):
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের রূপপুর গ্রামে, পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট। 
- এটি দুটি ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটে বিভক্ত।
- প্রতিটি ইউনিট VVER-1200 রিয়্যাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

- কেন্দ্রটি বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পরমাণু শক্তি কমিশন।
- এবং নির্মাণ কাজ করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটোম এর প্রকৌশল বিভাগ এটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট।
- মূল নির্মাণ চুক্তি ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সাথে এটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়;
- যার বাস্তবায়ন সময়কাল ধরা হয় ৭ বছর, এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মেয়াদকাল ৬০ বছর।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
- ৫ অক্টোবর ২০২৩ রাশিয়া বাংলাদেশকে কেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম সরবরাহ করে।
- এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম এবং দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় পারমাণবিক জ্বালানি ব্যবহারকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।