পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি টপিক: ১. ডাটাবেজ সিস্টেম, ২. ডাটা কমিউনিকেশন, ৩. তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, ৪. দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা আদান–প্রদানের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ডাটা স্টোরেজ
  2. ডাটা প্রসেসিং
  3. ডাটা কমিউনিকেশন
  4. ডাটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

 এক স্থান (উৎস) থেকে অন্য স্থানে (গন্তব্য) নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা আদান–প্রদানের প্রক্রিয়াকে ডাটা কমিউনিকেশন বলা হয়।

• তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology – IT):

- আধুনিক যুগকে তথ্য প্রযুক্তির যুগ বলা হয়।
- সাধারণভাবে তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও প্রয়োগ করার প্রযুক্তিকে তথ্য প্রযুক্তি বলা হয়।
- তথ্য প্রযুক্তিকে সংক্ষেপে ইনফরমেশন টেকনোলজি (IT) বলা হয়।
- টেলিযোগাযোগ, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, অডিও–ভিডিও সম্প্রচার, ডাটাবেস ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, নেটওয়ার্ক, মুদ্রণ প্রযুক্তি, - বিনোদন প্রযুক্তি, শিক্ষণ–প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং তথ্যভান্ডার—সবই তথ্য প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
- এক কথায়, কম্পিউটার ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও প্রয়োগের সমন্বিত ব্যবস্থাই তথ্য প্রযুক্তি।
 
• যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology):

- কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্রের মাধ্যমে ডাটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে ডাটা কমিউনিকেশন বলা হয়।
- যোগাযোগ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উৎস থেকে গন্তব্যে নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা বা উপাত্ত আদান–প্রদান করা যায়।
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology) বলা হয়।
 
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (Information and Communication Technology – ICT):

- তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
- এই দুই প্রযুক্তির সমন্বিত রূপকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্যকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে আদান–প্রদানের প্রযুক্তিই ICT।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার মানুষের কার্যক্রমকে দ্রুত, সহজ ও অধিক কার্যকর করে তুলেছে।

• অন্যান্য অপশন:
A) ডাটা স্টোরেজ:
→ এটি ডাটা সংরক্ষণের প্রক্রিয়া, আদান–প্রদান নয়।

B) ডাটা প্রসেসিং:
→ এটি ডাটা বিশ্লেষণ বা প্রক্রিয়াকরণের কাজ, স্থানান্তর নয়।

D) ডাটা এনক্রিপশন:
→ এটি ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পদ্ধতি, কমিউনিকেশন প্রক্রিয়া নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্যকে কী বলা হয়?
  1. তথ্য
  2. ডাটা
  3. রেকর্ড
  4. ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• ডাটা(Data): প্রক্রিয়াকরণের আগে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্য।

• ডাটা(Data):
- ডাটা শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Datum থেকে।
- Datum শব্দের অর্থ হলো তথ্যের উপাদান।
- প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে যে কাঁচা তথ্য ইনপুট হিসেবে দেওয়া হয়, তাকে ডাটা বলা হয়।
- উদাহরণ: কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর নাম, বয়স, মূলবেতন ইত্যাদি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ডাটা।
 
• ডাটাবেজ(Database):
- ডাটাবেজ শব্দটি Data + Base থেকে এসেছে, যার অর্থ তথ্যের ভাণ্ডার।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটার সুশৃঙ্খল সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ সাধারণত টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে।
- একটি ডাটাবেজে এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট থাকতে পারে।
- ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যকে সাধারণভাবে অভ্যন্তরীণ ডাটা বলা হয়।
- সব তথ্য ডাটাবেজে থাকে না; যেসব তথ্যের সাথে পরস্পর সম্পর্ক ও সংগঠন থাকে, সেগুলোই ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- উদাহরণ: ভোটার তালিকা, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্য।
 
• ডাটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডাটা টেবিল: ডাটাবেজের মূল কাঠামো, যেখানে ডাটা সারি ও কলামে সংরক্ষিত থাকে।
- রেকর্ড: টেবিলের একটি পূর্ণ সারি, যা একটি নির্দিষ্ট সত্তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে।
- ফিল্ড: টেবিলের প্রতিটি কলাম, যা ডাটার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- তথ্য(Information): প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত অর্থবহ ফলাফল।
- ডাটাবেজ(Database): পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সুশৃঙ্খল ভাণ্ডার।
- রেকর্ড(Record): টেবিলের একটি সম্পূর্ণ সারি যা নির্দিষ্ট সত্তার তথ্য বহন করে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ফর্ম
  2. রিপোর্ট
  3. মডিউল
  4. ইনডেক্স
ব্যাখ্যা

• ইনডেক্স ব্যবহার করলে বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করা যায়।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্য:
- ডাটাবেজে বিপুল পরিমাণ ডাটা সংরক্ষিত থাকলে সরাসরি অনুসন্ধান করতে বেশি সময় লাগে।
- ইনডেক্স ডাটার জন্য একটি সূচিপত্র (Index Table) তৈরি করে, যা নির্দিষ্ট রেকর্ডের অবস্থান দ্রুত নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।
- ইনডেক্স ব্যবহারের ফলে ডাটাবেজকে প্রতিটি রেকর্ড ধারাবাহিকভাবে খুঁজতে হয় না।
- তাই ইনডেক্স ডাটাবেজের অনুসন্ধান গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে।
- বড় ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় দ্রুত তথ্য আহরণের জন্য ইনডেক্স একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ফর্ম: ব্যবহারকারীর সুবিধার্থে ডাটা এন্ট্রি ও ডাটা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রিপোর্ট: সংরক্ষিত ডাটা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- মডিউল: ডাটাবেজ প্রোগ্রামে প্রোগ্রামিং ও অটোমেশন সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে কোন সুবিধা ব্যবহার করা হয়?
  1. ডাটা ভ্যালিডেশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. রিপোর্ট ডিজাইন
  4. চার্ট টুল
ব্যাখ্যা

• ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

• মাইক্রোসফ্ট এক্সেসের বৈশিষ্ট্য:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেস একটি জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।
- এক্সেসের মাধ্যমে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।
- ডাটাবেজে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

• ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ভ্যালিডেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- এর ফলে ভুল বা অনাকাঙ্ক্ষিত ডাটা এন্ট্রি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব:
- সঠিক ডাটা এন্ট্রি নিশ্চিত হলে ডাটাবেজ নির্ভরযোগ্য হয়।
- হিসাবরক্ষণ, রিপোর্ট ও বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়।
- তাই মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা ভ্যালিডেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ইনডেক্সিং: বিপুল ডাটা থেকে দ্রুত ডাটা অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রিপোর্ট ডিজাইন: সংরক্ষিত ডাটা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- চার্ট টুল: ডাটাকে গ্রাফিক্যালভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে কোন অপারেশনটি করা যায়?
  1. ডাটা অনুসন্ধান
  2. ডাটা প্রবেশ
  3. ডাটা ডিলিট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা অনুসন্ধান, ডাটা প্রবেশ এবং ডাটা ডিলিট—সবগুলো অপারেশন করা যায়।

• কুয়েরির ধারণা:
- কুয়েরি হলো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে নির্দিষ্ট শর্তে প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি।
- কুয়েরির মাধ্যমে বিভিন্ন শর্ত প্রয়োগ করে ডাটা আলাদা করা সম্ভব।

• কুয়েরির মাধ্যমে সম্পাদনযোগ্য অপারেশন:
- কুয়েরির সাহায্যে ডাটাবেজে সংরক্ষিত নির্দিষ্ট ডাটা অনুসন্ধান করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে নতুন ডাটা প্রবেশ করানো যায়।
- কুয়েরির সাহায্যে প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটা ডিলিট করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটা মডিফাই বা আপডেট করাও সম্ভব।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় কুয়েরির ভূমিকা:
- বিপুল পরিমাণ ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা খুব দ্রুত ও সহজে পাওয়া যায়।
- ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর ও সময় সাশ্রয়ী করে তোলে।
- শর্তযুক্ত তথ্য সংরক্ষণ ও পরবর্তী ব্যবহারের জন্য কুয়েরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে কী তৈরি করা যায়?
  1. টেবিল
  2. রিপোর্ট
  3. ইনডেক্স
  4. মডিউল
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

• রিপোর্টের ধারণা:
- রিপোর্ট হলো ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নির্দিষ্ট বিন্যাসে উপস্থাপন করার একটি ব্যবস্থা।
- রিপোর্টের মাধ্যমে তথ্য মুদ্রণ বা তথ্য সরবরাহ করা হয়।
- সাধারণত তথ্য প্রদর্শন ও বিতরণের জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।

• রিপোর্ট তৈরির উৎস:
- রিপোর্ট টেবিলের ডেটা থেকে তৈরি করা যায়।
- টেবিলের ডেটা কলাম ও রো অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়।
- এছাড়া ডাটাবেজে কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করেও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে শর্তযুক্ত বা নির্দিষ্ট তথ্য নির্বাচন করে সেই তথ্য রিপোর্টে উপস্থাপন করা সম্ভব।

• রিপোর্ট ব্যবহারের সুবিধা:
- প্রয়োজনীয় তথ্য নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপন করা যায়।
- তথ্য মুদ্রণ ও বিতরণ সহজ হয়।
- ডাটাবেজের তথ্য ব্যবহারকারীর জন্য বোধগম্যভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- টেবিল: ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, উপস্থাপন বা মুদ্রণের জন্য নয়।
- ইনডেক্স: ডাটা দ্রুত অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মডিউল: প্রোগ্রামিং ও স্বয়ংক্রিয় কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Globalization ও Internationalization প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. শিল্প বিপ্লব
  2. খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য
  3. সামরিক শক্তি
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে যোগাযোগ, তথ্য আদান–প্রদান, বাণিজ্য ও সহযোগিতা দ্রুত ও সহজ হয়েছে—যার ফলে Globalization ও Internationalization প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে।

• গ্লোবালাইজেশন ও ইন্টারন্যাশনালাইজেশনের ধারণা:
- একুশ শতকে এসে বিশ্বায়ন (Globalization) ও আন্তর্জাতিকীকরণ (Internationalization) ধারণার ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে।
- এই দুই প্রক্রিয়ার ফলে একটি দেশের কার্যক্রম নিজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হয়েছে।

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বায়ন ও আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে।
- আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির কারণে ভৌগোলিক সীমানা এখন আর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা নয়।
- ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়েছে।

• বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ফলে সারা বিশ্বের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে।
- মানুষ বিশ্বের যেকোনো স্থানের খবর মুহূর্তের মধ্যেই জানতে পারে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মতামত বা প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- শিল্প বিপ্লব: এটি যন্ত্রনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য: এটি অর্থনীতির একটি উপাদান।
- সামরিক শক্তি: এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সরকারি কার্যক্রম ও সেবাকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনার ব্যবস্থাকে কী বলা হয়?
  1. ই-কমার্স
  2. ই-গভর্নেন্স
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা

• সরকারি কার্যক্রম ও সেবাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনার ব্যবস্থাকে ই-গভর্নেন্স বলা হয়।

• ই-গভর্নেন্সের সংজ্ঞা:
- সরকারি কার্যক্রম ও সেবাকে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পরিচালনার ব্যবস্থাকে ই-গভর্নেন্স বলা হয়।
- ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে সরকারের কর্মকাণ্ড কাগজভিত্তিক পদ্ধতি থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়।

• ই-গভর্নেন্সের মূল ধারণা:
- সরকারি কাজ ও প্রক্রিয়ায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগই হলো ই-গভর্নেন্স।
- ই-গভর্নেন্স জনগণের সাথে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে।
- ডিজিটাল তথ্য বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহজে আদান-প্রদান করা যায়।

• ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধা:
- সরকারি সেবা স্বল্প সময়ে ও কম খরচে পাওয়া যায়।
- সেবা গ্রহণে হয়রানি কমে আসে।
- সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।
- নাগরিকরা নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে সেবা গ্রহণ করতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ই-কমার্স: অনলাইনে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা।
- ই-লার্নিং: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি।
- ই-ব্যাংকিং: ব্যাংকিং সেবা ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালনার ব্যবস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত কোন মাধ্যমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়?
  1. ব্লুটুথ
  2. ইনট্রানেট
  3. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব
  4. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

• আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

• ই-কমার্স পরিচালনার মাধ্যম:
- ই-কমার্স হলো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয়ের একটি ব্যবস্থা।
- আধুনিক যুগে ই-কমার্সের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্রেতা ও বিক্রেতা সহজে পণ্য প্রদর্শন, অর্ডার গ্রহণ ও লেনদেন সম্পন্ন করতে পারে।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ভূমিকা:
- WWW ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম।
- ই-কমার্সে ওয়েবসাইট ব্যবহার করে পণ্য ও সেবার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা যায়।
- অনলাইন পেমেন্ট, অর্ডার ট্র্যাকিং ও গ্রাহক সেবা প্রদান সহজ হয়।

• অন্যান্য মাধ্যম:
- ই-কমার্সে মোবাইল কমার্স ও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারও ব্যবহৃত হয়।
- তবে আধুনিক ই-কমার্স পরিচালনার প্রধান মাধ্যম হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক: এটি সীমিত পরিসরের নেটওয়ার্ক, ই-কমার্স পরিচালনার প্রধান মাধ্যম নয়।
- ইনট্রানেট: এটি একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্ক।
- ব্লুটুথ: স্বল্প দূরত্বে ডাটা আদান-প্রদানের প্রযুক্তি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
কমপক্ষে মেগাবিট পার সেকেন্ড বা তার বেশি গতির ডাটা স্থানান্তরের জন্য কোন ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. সাব ভয়েস ব্যান্ড
  3. ভয়েস ব্যান্ড
  4. ব্রড ব্যান্ড
ব্যাখ্যা

• কমপক্ষে ১ Mbps বা তার বেশি গতির ডাটা স্থানান্তরের জন্য ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

• ব্যান্ডউইডথের শ্রেণিবিভাগ:
- ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
- ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
- ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)

• ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band):
- ন্যারো ব্যান্ডের ডাটা গতি সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- একে সাব ভয়েস ব্যান্ড (Sub Voice Band) বলা হয়।
- ধীরগতির ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
- টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

• ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band):
- ভয়েস ব্যান্ডের ডাটা গতি সর্বোচ্চ ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি সাধারণত টেলিফোন যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে প্রিন্টারে ডাটা পাঠানো বা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরে এই ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।

• ব্রড ব্যান্ড (Broad Band):
- ব্রড ব্যান্ড হলো উচ্চগতিসম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ।
- এর গতি কমপক্ষে ১ Mbps (মেগাবিট পার সেকেন্ড) বা তার বেশি হয়ে থাকে।
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- স্যাটেলাইট ও মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ন্যারো ব্যান্ড: ধীরগতির ডাটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ভয়েস ব্যান্ড: তুলনামূলক কম গতির ডাটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাব ভয়েস ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ডের অন্য নাম, উচ্চগতির ব্যান্ড নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
ডাটা ট্রান্সমিশনের সময় সিগন্যালের বিটের শুরু ও শেষ শনাক্ত করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. ডাটা এনকোডিং
  2. বিট সিনক্রোনাইজেশন
  3. ডাটা কমপ্রেশন
  4. ডাটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

• ডাটা ট্রান্সমিশনের সময় সিগন্যালের বিটের শুরু ও শেষ শনাক্ত করার পদ্ধতিকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলা হয়।

• বিট সিনক্রোনাইজেশনের ধারণা:
- ডাটা ট্রান্সমিশনের সময় প্রেরক ও গ্রাহক কম্পিউটারের মধ্যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।
- সিগন্যালের কোন অংশ থেকে বিট শুরু এবং কোথায় শেষ হচ্ছে তা শনাক্ত করার প্রক্রিয়াই বিট সিনক্রোনাইজেশন।
- বিটের শুরু ও শেষ ঠিকভাবে বোঝা না গেলে গ্রহণকারী কম্পিউটার ডাটা পুনরুদ্ধার করতে পারে না।

• বিট সিনক্রোনাইজেশনের ভিত্তিতে ডাটা ট্রান্সমিশনের প্রকারভেদ:
- বিট সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি দুই ভাগে বিভক্ত।
- অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- এই পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- যেকোনো সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট যুক্ত থাকে।
- প্রতিটি ক্যারেক্টারের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- এই পদ্ধতিতে প্রথমে ডাটাকে প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- পরে ডাটাকে একাধিক ক্যারেক্টার নিয়ে ব্লক বা গ্রুপ আকারে পাঠানো হয়।
- সাধারণত একটি ব্লকে ৪০ থেকে ১৩২টি বর্ণ থাকে।
- দুটি ব্লকের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান থাকে।
- প্রতিটি ব্লকের শুরুতে হেডার (Header) এবং শেষে টেইলার (Tailer) ইনফরমেশন যুক্ত থাকে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ডাটা এনকোডিং: ডাটাকে সিগন্যাল আকারে রূপান্তরের পদ্ধতি।
- ডাটা কমপ্রেশন: ডাটার আকার কমানোর কৌশল।
- ডাটা এনক্রিপশন: ডাটাকে নিরাপদ করার পদ্ধতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

• রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে সিমপ্লেক্স (Simplex) ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের ধারণা:
- ডাটা প্রবাহের দিক বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোড তিন প্রকার—সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স।

• সিমপ্লেক্স (Simplex):
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডাটা প্রেরণের মোড।
- এ পদ্ধতিতে ডাটা শুধু প্রেরক থেকে গ্রাহকের দিকে যায়।
- গ্রাহক প্রেরকের দিকে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- তাই রেডিও ও টিভি সম্প্রচারে সিমপ্লেক্স মোড ব্যবহৃত হয়।

• হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- উভয় দিকেই ডাটা প্রেরণ সম্ভব।
- তবে একই সময়ে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- উভয় প্রান্ত একসাথে কথা বলতে ও শুনতে পারে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল ফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স—সব ধরনের ডাটা ট্রান্সমিশন মোডে কোন প্রাপকভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়?
  1. মাল্টিপ্লেক্স
  2. মাল্টিকাস্ট
  3. ব্রডকাস্ট
  4. ইউনিকাস্ট
ব্যাখ্যা

• সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স—সব ট্রান্সমিশন মোডেই ইউনিকাস্ট পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।

• প্রাপকভিত্তিক ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের ধারণা:
- প্রাপকের সংখ্যা ও ডাটা গ্রহণের অধিকার অনুযায়ী ডাটা ট্রান্সমিশন মোড নির্ধারিত হয়।
- এই ভিত্তিতে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড তিন প্রকার—ইউনিকাস্ট, ব্রডকাস্ট ও মাল্টিকাস্ট।

• ইউনিকাস্ট (Unicast):
- ইউনিকাস্ট পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপক ডাটা গ্রহণ করে।
- এটি এক-থেকে-এক (One-to-One) যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- ইউনিকাস্ট সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স—সব ধরনের ট্রান্সমিশন মোডেই ব্যবহার করা যায়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast):
- ব্রডকাস্টে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের সকল প্রাপক ডাটা গ্রহণ করে।
- এটি এক-থেকে-সকল (One-to-All) যোগাযোগ ব্যবস্থা।

• মাল্টিকাস্ট (Multicast):
- মাল্টিকাস্টে একটি প্রেরক থেকে নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের প্রাপক ডাটা গ্রহণ করে।
- এটি এক-থেকে-নির্বাচিত (One-to-Group) যোগাযোগ ব্যবস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
নিচের কোনটি তারবিহীন মাধ্যমের প্রকারভেদ?
  1. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
  4. অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোওয়েভ হলো তারবিহীন (Wireless) ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যমের একটি প্রকার।

• ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যমের ধারণা:
- ডাটা আদান-প্রদানের জন্য সিগন্যালকে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পরিবহন করতে হয়।
- এই সিগন্যাল পরিবহনের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহৃত হয় তাকে ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম বলা হয়।

• ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যমের প্রকারভেদ:
- ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম প্রধানত দুই প্রকার।
- তার মাধ্যম (Guided / Wired Media)
- তারবিহীন মাধ্যম (Unguided / Wireless Media)

• তার মাধ্যম (Guided / Wired Media):
- ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি তার মাধ্যম ডাটাকে গাইড করে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।
- এ কারণে একে গাইডেড মিডিয়া বলা হয়।
- তার মাধ্যমের প্রকারভেদ হলো—
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
- অপটিক্যাল ফাইবার

• তারবিহীন মাধ্যম (Unguided / Wireless Media):
- তারবিহীন মাধ্যমে কোনো তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না।
- সাধারণত রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- তারবিহীন মাধ্যমকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়—
- রেডিও ওয়েভ
- মাইক্রোওয়েভ
- ইনফ্রারেড

• মাইক্রোওয়েভ (Microwave):
- মাইক্রোওয়েভ হলো তারবিহীন ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
- এটি তার ছাড়াই দূরবর্তী স্থানে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
রেডিও ওয়েভ কোন ধরনের তরঙ্গ?
  1. শব্দ তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. আলোক তরঙ্গ
  4. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• রেডিও ওয়েভ হলো ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ।

• রেডিও ওয়েভের সংজ্ঞা:
- ১০ কিলোহার্টজ (kHz) থেকে ১ গিগাহার্টজ (GHz) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামকে রেডিও ওয়েভ বলা হয়।
- রেডিও ওয়েভ তারবিহীন ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

• রেডিও ওয়েভের বৈশিষ্ট্য:
- রেডিও ওয়েভ সহজে উৎপন্ন করা যায়।
- এটি অনেক দূরত্ব পর্যন্ত চলাচল করতে পারে।
- বিল্ডিং ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা ভেদ করে চলাচল করতে সক্ষম।
- যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেডিও ওয়েভ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না।
- শব্দ তরঙ্গ: এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- আলোক তরঙ্গ: এটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক হলেও রেডিও ওয়েভের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি সাধারণত কোন ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়?
  1. WPAN
  2. WLAN
  3. WMAN
  4. WWAN
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি সাধারণত ওয়‍্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN)-এ ব্যবহৃত হয়।

• ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের ধরন:
- কভারেজ এরিয়ার ভিত্তিতে ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন চার প্রকার।
- WPAN, WLAN, WMAN ও WWAN.

• ওয়‍্যারলেস প্যান (WPAN):
- স্বল্প দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত আইসিটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমিত পরিসরে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয়।
- উদাহরণ: মোবাইল ফোন, পিডিএ, ল্যাপটপ, মাউস, প্রজেক্টর ইত্যাদি।

• ওয়‍্যারলেস ল্যান (WLAN):
- একটি নির্দিষ্ট বিল্ডিং, অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে স্থাপিত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
- WLAN সংযোগে সাধারণত ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• ওয়‍্যারলেস ম্যান (WMAN):
- একটি শহর বা মহানগর এলাকার বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- শহরব্যাপী নেটওয়ার্ক কভারেজ প্রদান করে।

• ওয়‍্যারলেস ওয়ান (WWAN):
- বহু শহর বা বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকার আইসিটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- দীর্ঘ দূরত্বে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
সিডিএমএ কোন ধরনের পদ্ধতি?
  1. ট্রান্সমিশন মিডিয়া
  2. নেটওয়ার্ক টপোলজি
  3. ডাটা এনকোডিং পদ্ধতি
  4. চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড
ব্যাখ্যা

• সিডিএমএ (CDMA) হলো একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড।

• সিডিএমএ:
- সিডিএমএ-এর পূর্ণরূপ হলো কোড ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস (Code Division Multiple Access)।
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড, যার মাধ্যমে একই ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে যোগাযোগ করতে পারে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে সিডিএমএ বাস্তবায়িত হয়।

• সিডিএমএর ব্যবহার ও সক্ষমতা:
- সিডিএমএ প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডেটা অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এই প্রযুক্তিতে ২জি এবং ৩জি—উভয় প্রজন্মের মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়।

• সিডিএমএর কার্যপ্রণালি:
- সিডিএমএ পদ্ধতিতে বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে একাধিক ক্যারিয়ারে বিভক্ত করা হয়।
- প্রতিটি ক্যারিয়ারের প্রস্থ ১.২৫ মেগাহার্টজ।
- প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা কোড নির্ধারণ করা হয়।
- নির্ধারিত কোড পুরো ক্যারিয়ারের মধ্যে বিস্তৃত থাকে।

• সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড।
- বিভিন্ন রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তিতে ব্যবহারযোগ্য।
- ভয়েস ও ডেটা অ্যাপ্লিকেশনে উচ্চ ব্যান্ডউইথ প্রদান করে।
- ২জি ও ৩জি প্রযুক্তি সমর্থন করে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া: এটি ডাটা পরিবহনের মাধ্যম।
- নেটওয়ার্ক টপোলজি: এটি নেটওয়ার্কের গঠন কাঠামো নির্দেশ করে।
- ডাটা এনকোডিং পদ্ধতি: এটি ডাটাকে সিগন্যাল আকারে রূপান্তরের কৌশল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
ইউটিউব কোন প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মেটা
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা

• ইউটিউব বর্তমানে গুগল (Google)-এর মালিকানাধীন।

• ইউটিউবের পরিচয়:
- ইউটিউব একটি জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম।
- ব্যবহারকারীরা ভিডিও আপলোড, দেখা, শেয়ার ও মন্তব্য করতে পারে।

• প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা:
- ইউটিউব প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: চ্যাড হার্লি, স্টিভ চেন ও জাওয়েদ করিম।

• মালিকানা:
- গুগল ইউটিউবকে অধিগ্রহণ করে ২০০৬ সালে।
- অধিগ্রহণের পর ইউটিউব গুগলের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

• সেবার ধরন ও আয়ের উৎস:
- ইউটিউব ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা প্রদান করে।
- প্রধান আয়ের উৎস হলো বিজ্ঞাপন।

• কনটেন্ট ও ব্যবহার:
- শিক্ষামূলক, বিনোদনমূলক, সংবাদ, সংগীত ও লাইভ স্ট্রিমিং কনটেন্ট পাওয়া যায়।
- শিক্ষা, বিনোদন ও তথ্য আদান-প্রদানে বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত।

• বৈশিষ্ট্য:
- চ্যানেল তৈরি, সাবস্ক্রিপশন, লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার সুবিধা।
- লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা রয়েছে।

উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — YouTube [Link].
২) Official YouTube (About).
৩) Google Press Release (YouTube acquisition) [Link].

১৯.
IBM-এর পূর্ববর্তী নাম কী ছিল?
  1. Tabulating Machine Company
  2. Business Machine Corporation
  3. International Computing Company
  4. Computing-Tabulating-Recording Company
ব্যাখ্যা

• IBM-এর পূর্ববর্তী নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR)।

• IBM-এর পরিচয়:
- IBM একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান।
- এটি হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ক্লাউড কম্পিউটিং ও আইটি সেবা প্রদান করে।

• IBM-এর প্রতিষ্ঠা ও প্রাথমিক নাম:
- IBM প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালে কোম্পানিটির নাম ছিল Computing-Tabulating-Recording Company (CTR)।
- এই নামটি বিভিন্ন ব্যবসায়িক যন্ত্র ও তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রমকে প্রতিনিধিত্ব করত।

• নাম পরিবর্তন:
- ১৯২৪ সালে কোম্পানিটির নাম পরিবর্তন করে International Business Machines (IBM) রাখা হয়।
- নাম পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও প্রযুক্তিগত বিস্তৃতি প্রতিফলিত হয়।

• IBM-এর কার্যক্রম:
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উন্নয়ন
- আইটি কনসালটিং ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি

উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — IBM [Link].
২) IBM Official [Link].

২০.
X (Twitter) কোন ব্যক্তির মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম?
  1. জেফ বেজোস
  2. ইলন মাস্ক
  3. বিল গেটস
  4. ল্যারি পেজ
ব্যাখ্যা

• ২০২২ সালে Twitter (বর্তমান X) অধিগ্রহণ করেন ইলন মাস্ক (Elon Musk).

• X (পূর্বে Twitter)-এর পরিচয়:
- X একটি জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
- আগে এটি Twitter নামে পরিচিত ছিল।

• প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস:
- Twitter প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: জ্যাক ডরসি, নোয়া গ্লাস, বিজ স্টোন ও ইভান উইলিয়ামস।

• মালিকানা পরিবর্তন:
- ২০২২ সালে ইলন মাস্ক Twitter অধিগ্রহণ করেন।
- অধিগ্রহণের পর ২০২৩ সালে Twitter-এর নাম পরিবর্তন করে X রাখা হয়।

• সেবার ধরন ও ব্যবহার:
- X একটি ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া ও মাইক্রোব্লগিং সেবা প্রদান করে।
- দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও মতামত প্রকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• আয়ের প্রধান উৎস:
- X-এর আয়ের প্রধান উৎস হলো বিজ্ঞাপন ও সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- জেফ বেজোস: Amazon-এর প্রতিষ্ঠাতা।
- বিল গেটস: Microsoft-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা
- ল্যারি পেজ: Google-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস:
১) Encyclopaedia Britannica — Twitter [Link].
২) Official X (About) [Link].

২১.
তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে প্রবেশের জন্য ইমেইলকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. জাতীয় পরিচয়পত্র
  2. জন্মনিবন্ধন
  3. পাসপোর্ট
  4. ড্রাইভিং লাইসেন্স
ব্যাখ্যা

• তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে প্রবেশের জন্য ইমেইলকে পাসপোর্টের সাথে তুলনা করা হয়।

• ইমেইলের গুরুত্ব:
- আধুনিক তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম হলো ইমেইল।
- প্রায় সব ধরনের ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের জন্য একটি ইমেইল অ্যাকাউন্ট অপরিহার্য।
- এ কারণেই ইমেইলকে তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে প্রবেশের পাসপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• শিক্ষাক্ষেত্রে ইমেইলের প্রয়োজনীয়তা:
- জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
- সরকার শিক্ষাক্রমে আইসিটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করেছে।
- শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়নে ইমেইলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

• ইমেইলের শিক্ষামূলক ব্যবহার:
- শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক যোগাযোগ সহজ হয়।
- দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানে ইমেইল কার্যকর মাধ্যম।
- বড় আকারের ডকুমেন্ট সংযুক্ত করে একাডেমিক ও পেশাগত কাজে ব্যবহার করা যায়।
- পেশাগত নেটওয়ার্ক, ব্লগ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে ইমেইল অপরিহার্য।

• ডিজিটাল সেবা ও সংরক্ষণ:
- ভিডিও প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট আপলোডে ইমেইল প্রয়োজন।
- স্মার্টফোনের কন্টাক্ট ও ডাটা নিরাপদভাবে সংরক্ষণে ইমেইল ব্যবহৃত হয়।
- ক্লাউড স্টোরেজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে ইমেইল আবশ্যক।

উৎস:  শিক্ষায়  আইসিটি , বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
নিচের কোনটি ভার্চুয়াল ড্রাইভের উদাহরণ?
  1. গুগল ড্রাইভ
  2. ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. ডিভিডি
ব্যাখ্যা

• গুগল ড্রাইভ একটি ভার্চুয়াল ড্রাইভের উদাহরণ।
- ভার্চুয়াল ড্রাইভ / ক্লাউড ড্রাইভ: Google Drive, OneDrive, Dropbox, iCloud Drive, Mega ইত্যাদি।
- ফিজিক্যাল ড্রাইভ: হার্ড ডিস্ক, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, DVD, External HDD ইত্যাদি।

• ভার্চুয়াল ড্রাইভের প্রয়োজনীয়তা:
- ডাটার নিরাপত্তা ও স্টোরেজ ক্যাপাসিটি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির বড় চ্যালেঞ্জ।
- ডিভাইস নষ্ট হলে ডাটা হারানোর ঝুঁকি থাকে এবং ডাটা চুরির সম্ভাবনাও থাকে।
- ক্রমবর্ধমান ফাইল সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ সমাধান হিসেবে ভার্চুয়াল ড্রাইভ ব্যবহৃত হয়।

• ভার্চুয়াল ড্রাইভের ধারণা:
- ভার্চুয়াল ড্রাইভ একটি সফটওয়্যারভিত্তিক স্টোরেজ ব্যবস্থা।
- এটি বাস্তব স্টোরেজ ড্রাইভের মতো কাজ করে এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের কাছে বাস্তব ড্রাইভের মতোই আচরণ করে।
- ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

• ইন্টারনেট নির্ভরতা:
- ভার্চুয়াল ড্রাইভ ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন।

• বিনামূল্যের স্টোরেজ সুবিধা:
- গুগল ড্রাইভে জিমেইল ব্যবহারকারীরা ১৫ জিবি পর্যন্ত বিনামূল্যে স্টোরেজ পায়।
- ওয়ান ড্রাইভ সীমিত ক্ষমতা বিনামূল্যে প্রদান করে; অতিরিক্ত স্টোরেজের জন্য অর্থ দিতে হয়।

• শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যবহার:
- একাডেমিক ফাইল সংরক্ষণ, নোট ও অ্যাসাইনমেন্ট শেয়ার সহজ হয়।
- শিক্ষক–শিক্ষার্থীর মধ্যে রিসোর্স আদান-প্রদান নিরাপদভাবে করা যায়।

উৎস:  শিক্ষায়  আইসিটি , বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবসম্মত পরিবেশ তৈরিতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. দ্বিমাত্রিক চিত্র
  2. ত্রিমাত্রিক চিত্র
  3. শব্দ তরঙ্গ
  4. টেক্সট ফাইল
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে বাস্তবসম্মত পরিবেশ তৈরিতে ত্রিমাত্রিক (3D) চিত্র ব্যবহার করা হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ত্রিমাত্রিক পরিবেশ তৈরি করা হয়।
- এটি বাস্তব নয়; বরং বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পনা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম বাস্তবতা।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- কৃত্রিম পরিবেশটি ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব বলে মনে হয়।
- ত্রিমাত্রিক চিত্র ব্যবহারের ফলে বাস্তবে ঝুঁকিপূর্ণ বা কঠিন কাজ ভার্চুয়াল পরিবেশে নিরাপদে সম্পন্ন করা সম্ভব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD)
- ডেটা গ্লাভস
- বিশেষ বডি স্যুট
- এসব উপাদানের মাধ্যমে ব্যবহারকারী শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে
- ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়
- ফ্লাইট সিমুলেশনে
- খেলাধুলা ও বিনোদনে

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাকে কী বলা হয়?
  1. অফিস ডিজাইন
  2. অফিস নেটওয়ার্কিং
  3. অফিস অটোমেশন
  4. অফিস ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাকে অফিস অটোমেশন বলা হয়।

• অফিস অটোমেশন (Office Automation):
- অফিসের সার্বিক কার্যক্রম সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাই অফিস অটোমেশন।
- অফিস অটোমেশনের ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- আধুনিক অফিসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অফিস অটোমেশন জনপ্রিয় হয়েছে।

• অফিস অটোমেশনের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- সরকারি ও বেসরকারি অফিস।
- বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
- হাসপাতাল, গবেষণাগার ও শিল্পকারখানা।

• ডিজিটাল ও ক্লাউডভিত্তিক অফিস ব্যবস্থা:
- ইন্টারনেট ও ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে অফিস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- Google Drive, Office 365, Google Docs ইত্যাদি ব্যবহার করে ফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করা যায়।
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে অফিসের কাজ সম্পাদন সম্ভব।

• অফিস অটোমেশনের সীমাবদ্ধতা:
- সরাসরি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক মেলামেশা কমে যেতে পারে।
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে ডাটা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- অফিস নেটওয়ার্কিং: এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবস্থা।
- অফিস ডিজাইন: অফিসের কাঠামো ও বিন্যাস সম্পর্কিত বিষয়।
- অফিস ম্যানেজমেন্ট: অফিস পরিচালনার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২৫.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ফলে সংবাদের কোন দিকটি সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়েছে?
  1. কাগজের মান
  2. প্রচারের গতি
  3. ভাষার ব্যবহার
  4. মুদ্রণ খরচ
ব্যাখ্যা

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ফলে সংবাদের প্রচারের গতি সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়েছে।

• সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তি:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা ও প্রচার সহজ হয়েছে।
- ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে সংবাদ এখন তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা সম্ভব।
- পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

• সংবাদের প্রচারের গতি:
- আগে সংবাদ পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগত।
- বর্তমানে প্রযুক্তির কারণে সংবাদ মুহূর্তের মধ্যেই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ কারণেই সংবাদের প্রচারের গতি সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়েছে।

• সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম:
- সংবাদপত্র
- রেডিও
- টেলিভিশন
- অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

• সংবাদ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা:
- দ্রুত প্রচারের ফলে ভুল বা গুজবভিত্তিক সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
- যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রচার বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২৬.
নিচের কোনটি মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার ক্ষেত্র নয়?
  1. মুখ শনাক্তকরণ
  2. ভাষা অনুবাদ
  3. স্বয়ংক্রিয় যানবাহন
  4. টাইপ রাইটার
ব্যাখ্যা

• টাইপ রাইটার মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার ক্ষেত্র নয়।

• মেশিন লার্নিংয়ের ধারণা:
- মেশিন লার্নিং হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি শাখা।
- এতে কম্পিউটারকে উদাহরণ ও ডেটার মাধ্যমে শেখানো হয়, আলাদা করে প্রতিটি কাজের নির্দেশনা না দিয়েও।
- শেখার মাধ্যমে কম্পিউটার নতুন ডেটা দেখে নিজে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

• মেশিন লার্নিংয়ের প্রকারভেদ:
- Supervised Learning: ইনপুট ডেটার সাথে সঠিক আউটপুট আগে থেকেই জানিয়ে দিয়ে শেখানো হয়।
- Unsupervised Learning: আগে থেকে সঠিক উত্তর না দিয়ে ডেটার মধ্যে মিল-অমিল খুঁজে বের করতে শেখানো হয়।
- Reinforcement Learning: কাজের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে পুরস্কার ও শাস্তির মাধ্যমে শেখানো হয়।

• মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- ছবি ও মুখ শনাক্তকরণ
- ভাষা অনুবাদ
- স্বয়ংক্রিয় যানবাহন
- চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়
- শিক্ষা, কৃষি ও শিল্পক্ষেত্র

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২৭.
শিল্পকারখানায় রোবট ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি
  2. শ্রমিক সংখ্যা বৃদ্ধি
  3. কাগজের ব্যবহার বৃদ্ধি
  4. ম্যানুয়াল কাজ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• শিল্পকারখানায় রোবট ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি করা।

• রোবট:
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করে।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, কষ্টসাধ্য ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে রোবট ব্যবহার করা হয়।
 
• শিল্পকারখানায় রোবটের ব্যবহার:
- উৎপাদন প্রক্রিয়ায় দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কাজ সম্পাদনের জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
- ভারী বস্তু স্থানান্তর, ওয়েল্ডিং, প্যাকেজিং, সংযোজন ও মান যাচাইয়ের কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- দীর্ঘ সময় একই ধরনের কাজ ক্লান্তি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারে।
- ফলে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
 
• চিকিৎসাক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- জটিল অস্ত্রোপচার ও সার্জারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- রোগ নির্ণয়, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সহায়তায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে।
 
• সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- বিস্ফোরক দ্রব্য শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- যুদ্ধক্ষেত্র ও সীমান্ত এলাকায় নজরদারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
 
• মহাকাশ গবেষণায় রোবটের ব্যবহার:
- গ্রহ অনুসন্ধান, মহাকাশযান পরিচালনা ও গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হয়।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে রোবট গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
 
• শিক্ষা ও বিনোদনে রোবটের ব্যবহার:
- ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- চলচ্চিত্র ও বিনোদন শিল্পে বিশেষ দৃশ্য নির্মাণে রোবট ব্যবহার করা হয়।
 
• গৃহস্থালি ও উদ্ধার কাজে রোবটের ব্যবহার:
- ঘর পরিষ্কার, নজরদারি ও স্বয়ংক্রিয় গৃহস্থালি কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প ও দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
 
• রোবট ব্যবহারের সামগ্রিক গুরুত্ব:
- কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি পায়।
- সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- মানুষের জীবনঝুঁকি কমে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২৮.
ন্যানো প্রযুক্তি মূলত কোন মাত্রায় পদার্থ নিয়ে কাজ করে?
  1. মিটার স্কেল
  2. সেন্টিমিটার স্কেল
  3. ন্যানো স্কেল
  4. কিলোমিটার স্কেল
ব্যাখ্যা

• ন্যানো প্রযুক্তি মূলত ন্যানো স্কেলে পদার্থ নিয়ে কাজ করে।

• ন্যানো প্রযুক্তির ধারণা:
- ন্যানো প্রযুক্তি হলো এমন একটি আধুনিক প্রযুক্তি যেখানে অতি ক্ষুদ্র মাত্রায় (ন্যানো স্কেলে) পদার্থ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করা হয়।
- এই স্কেলে পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য ভিন্নভাবে কাজ করে, যা প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বিশেষ সুবিধা দেয়।

• তথ্যপ্রযুক্তিতে ন্যানো প্রযুক্তি:
- কম্পিউটার চিপ, প্রসেসর ও মেমোরি ডিভাইস আরও ছোট, দ্রুত ও শক্তিশালী করতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- কম শক্তি খরচে বেশি কার্যক্ষম ইলেকট্রনিক ডিভাইস তৈরিতে ন্যানো প্রযুক্তির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

• ন্যানো প্রযুক্তির অন্যান্য ব্যবহার:
- চিকিৎসাক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে ওষুধ পৌঁছে দিতে ন্যানো কণা ব্যবহার করা হয়।
- পরিবেশ সংরক্ষণে পানি বিশুদ্ধকরণে ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে।
- শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে হালকা ও টেকসই উপকরণ তৈরিতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• ন্যানো প্রযুক্তির গুরুত্ব:
- আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ ও শক্তিশালী করে।
- ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ন্যানো প্রযুক্তি বিবেচিত।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২৯.
তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারে কোন সমস্যাটি বৃদ্ধি পায়?
  1. কৃষি উৎপাদন
  2. সাইবার অপরাধ
  3. প্রাকৃতিক সম্পদ
  4. যোগাযোগ দক্ষতা
ব্যাখ্যা

• তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সাইবার অপরাধ বৃদ্ধি পায়।

• তথ্য প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবের মূল দিক:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণহীন বা অনৈতিক ব্যবহারে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- ইন্টারনেট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার সাইবার অপরাধের প্রধান কারণ।

• সাইবার অপরাধের ধারণা:
- সাইবার অপরাধ হলো কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ।
- এর মাধ্যমে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

• তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার ও সাইবার অপরাধ:
- ব্যক্তিগত তথ্য চুরি,
- অনলাইন প্রতারণা,
- হ্যাকিং,
- ভুয়া আইডি ব্যবহার,
- অনৈতিক ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া,
- ডিজিটাল ব্ল্যাকমেইল।

• সমাজে এর প্রভাব:
- মানুষের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে।
- সামাজিক অস্থিরতা ও অবিশ্বাস সৃষ্টি হয়।
- কিশোর ও তরুণ সমাজ সহজেই সাইবার অপরাধের শিকার হয়।

• সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা:
- তথ্য প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ও সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা।
- আইন ও নৈতিকতার প্রতি সচেতন থাকা।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৩০.
ফেসবুক মূলত কোন ধরনের প্ল্যাটফর্ম?
  1. সার্চ ইঞ্জিন
  2. ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম
  3. ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম
  4. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা

• ফেসবুক একটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম।

• ফেসবুক:
- ফেসবুক একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম।
- ব্যবহারকারীরা প্রোফাইল তৈরি, পোস্ট শেয়ার, মন্তব্য, লাইক ও মেসেজিং করতে পারে।

• প্রতিষ্ঠা ও প্রতিষ্ঠাতা:
- ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: মার্ক জাকারবার্গ এবং তার সহপাঠীরা।

• প্রাথমিক নাম ও সূচনা:
- শুরুতে ফেসবুকের নাম ছিল TheFacebook।
- প্রথমে এটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু ছিল।

• মালিকানা ও কোম্পানি কাঠামো:
- ফেসবুক পরিচালনাকারী মূল কোম্পানি হলো Meta Platforms, Inc.
- ২০২১ সালে Facebook Inc. নাম পরিবর্তন করে Meta Platforms, Inc. রাখা হয়।

• সেবার ধরন ও আয়ের উৎস:
- ফেসবুক ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া সেবা প্রদান করে।
- প্রধান আয়ের উৎস হলো ডিজিটাল বিজ্ঞাপন।

• ব্যবহার ও গুরুত্ব:
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান, শিক্ষা ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম → YouTube & TikTok.
- সার্চ ইঞ্জিন → Google & Bing.
- ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম → Blogger, WordPress & Medium.

উৎস:
1) Encyclopaedia Britannica — Facebook [Link].
2) Meta (Official About) [Link].