পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
কোনটি কামিনী রায় রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. পৌরাণিকী
  2. মাল্য
  3. পৃথিবীজোড়া গান
  4. আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও
সঠিক উত্তর:
পৌরাণিকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরাণিকী
ব্যাখ্যা
• কামিনী রায় রচিত কাব্যগ্রন্থ 'পৌরাণিকী'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৭ খ্রিষ্টাব্দে। 

• কামিনী রায়:

- কামিনী রায় ছিলেন কবি ও সমাজকর্মী।
- ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা চণ্ডীচরণ সেন ছিলেন একজন ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখক ও পেশায় বিচারক। 
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ সালে। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভূমিকা লিখে দেন।
- বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগত্তারিণী পদক (১৯২৯) লাভ করেন।
- ১৯৩৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো হলো:
- নির্মাল্য,
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন (শিশুকাব্য),
- ধর্ম্মপুত্র (অনুবাদ),
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোকসঙ্গীত (সনেট),
- অম্বা (নাটক)।

অন্যদিকে,
• “আমাকে কী মাল্য দেবে, দাও” নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি কবিতা।
• ‘পৃথিবীজোড়া গান’ নির্মলেন্দু গুণ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
What does the idiom "To keep one's head" mean?
  1. To remain calm in a difficult situation
  2. To maintain a high level of physical fitness
  3. To be preoccupied with trivial matters
  4. To always prioritize one's own interests
সঠিক উত্তর:
To remain calm in a difficult situation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To remain calm in a difficult situation
ব্যাখ্যা
• The idiom "To keep one's head" means to remain calm in a difficult situation.

• To keep one's head (idiom)
English Meaning: to remain calm.
Bangla Meaning: শান্ত থাকা।

Example Sentence:
1. Despite the unexpected challenge, Sarah managed to keep her head and find a solution to the problem.
2. In a crisis, it's crucial to keep your head and make rational decisions rather than panicking.

Source: merriam-webster.
.
The idiom "To talk someone's head off" means -
  1. To talk in whispers
  2. To talk excessively
  3. To talk to oneself
  4. To talk very angrily
সঠিক উত্তর:
To talk excessively
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To talk excessively
ব্যাখ্যা
• To talk someone's head off (idiom)
English Meaning: to talk to someone for a long time, usually loudly, to bore or weary someone by excessive talk; talk incessantly
Bangla meaning: সাধারণত দীর্ঘক্ষন ধরে কথা বলা, বা উচ্চস্বরে কথা বলা, অতিরিক্ত কথা বলা।

• সুতরাং, অপশন অনুযায়ী, The idiom "To talk someone's head off" means - To talk excessively.

Example Sentence: She talked my head off.

Source: Collins Dictionary and Cambridge Dictionary.
.
She wanted to have a cup of tea. The underlined part is -
  1. Noun phrase
  2. Adverb phrase
  3. Adjective phrase
  4. participle phrase
সঠিক উত্তর:
Noun phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun phrase
ব্যাখ্যা
• She wanted to have a cup of tea. The underlined part is - Noun phrase.
- Verb 'wanted' এর object হিসেবে এটি Noun phrase হয়েছে।

• Noun phrase:
- A noun phrase consists of a pronoun or noun and any associated modifiers, including adjectives, adjective phrases, adjective clauses, and other nouns in the possessive case.

এছাড়া, অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে । যেমন: 

- Subject হিসেবে।
- Object of a verb হিসেবে।
- Object of a preposition হিসেবে। 
- Subject complement হিসেবে। 
- Object complement হিসেবে I

 Source: Cliff's TOEFL, English Wizard by Saleh Ahmed.
.
Remember to look after your belongings when you're traveling in crowded places. Here 'look after' is a/an -
  1. Phrasal verb
  2. Verb phrase
  3. Proverb phrase
  4. Noun phrase
সঠিক উত্তর:
Phrasal verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phrasal verb
ব্যাখ্যা
• Remember to look after your belongings when you're traveling in crowded places. Here 'look after' is a/an - Phrasal verb.

• Phrasal Verb:
- বাক্যে Verb + preposition/adverb থাকলে সেটা Phrasal Verb হয়।
- যেমন - look down upon, give up, look after.

• তাই এখানে, look after (verb + preposition) হচ্ছে phrasal verb.

• অন্যদিকে,
• Verb Phrase:
- যে phrase - verb এর কাজ করে সেটি Verb Phrase.
-A verb phrase consists of a main verb alone, or a main verb plus any modal and/or auxiliary verbs.
- The main verb always comes last in the verb phrase
.
The man with the cat came here. The underlined part is -
  1. Noun phrase
  2. Adverb phrase
  3. Adjective phrase
  4. Both B & C
সঠিক উত্তর:
Adjective phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective phrase
ব্যাখ্যা
The man with the cat came here. The underlined part is - Adjective phrase.

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence - এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থ্যাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ-গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, সেই phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে।
-  Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।
-  এখানে underlined phrase টি  noun ‘man' কে modify করায় এটি Adjective phrase.
- এখানে 'with the cat' দ্বারা noun ‘man' অবস্থা প্রকাশ করছে তাই এটি Adjective এর কাজ করছে, তাই এটি Adjective phrase.
- Underlined phrase টি Noun, man কে modify করছে তাই এটি Adjective phrase.
.
A = {x : x, 18 এর গুণনীয়কসমূহ} এবং B = {x : x, 9 এর গুণিতকসমূহ এবং x ≤ 18} হলে, n(A ∩ B) =?
  1. 2
  2. 4
  3. 6
  4. 0
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x : x, 18 এর গুণনীয়কসমূহ} এবং B = {x : x, 9 এর গুণিতকসমূহ এবং x ≤ 18} হলে, n(A ∩ B) =?
 
সমাধান:
18 এর গুণনীয়কসমূহ 1, 2, 3, 6, 9 এবং 18
A = {1, 2, 3, 6, 9, 18}

 x ≤ 18 এর জন্য 9 এর গুণিতকসমূহ 9, 18
B = {9, 18} 

A ∩ B = {1, 2, 3, 6, 9, 18} ∩ {9, 18}
= {9, 18}

∴ n(A ∩ B) = 2
.
45 এবং 90 এর হারমোনিক গড় কত হবে?
  1. 67.5
  2. 45
  3. 60
  4. 75
সঠিক উত্তর:
60
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 45 এবং 90 এর হারমোনিক গড় কত হবে?

সমাধান:
আমরা জানি, 
হারমোনিক গড় =  

∴ 45 এবং 90 এর হারমোনিক গড় = 2/(1/45 + 1/90) 
= 2/(3/90)
= 2 × (90/3)
= 60
.
৫২ খানা তাস হতে ১ খানা তাস দৈবভাবে উঠানো হল। রুইতন না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১২/১৩
  2. ১/৪
  3. ১/১৩
  4. ৩/৪
সঠিক উত্তর:
৩/৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩/৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫২ খানা তাস হতে ১ খানা তাস দৈবভাবে উঠানো হল। রুইতন না হওয়ার সম্ভাবনা কত? 

সমাধান:
- একটি প্যাকেটে মোট তাসের সংখ্যা = ৫২ টি।
- রুইতন, হরতন, ইস্কাপন ও চিরাতন ১৩টি করে।

∴ রুইতন হওয়ার সম্ভাবনা = ১৩/৫২ = ১/৪
রুইতন না হওয়ার সম্ভাবনা = ১ - ১/৪
= (৪ - ১)/৪
= ৩/৪
১০.
UNIVERSITY শব্দের সব বর্ণ নিয়ে কতটি ভিন্ন ভিন্ন শব্দ গঠন করা যাবে?
  1. 10!/(2! 2!)
  2. 10!/2!
  3. 10/2!
  4. 8/2!
সঠিক উত্তর:
10!/2!
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10!/2!
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: UNIVERSITY শব্দের সব বর্ণ নিয়ে কতটি ভিন্ন ভিন্ন শব্দ গঠন করা যাবে?

সমাধান: 
UNIVERSITY শব্দে মোট বর্ণ ১০ টি এবং I আছে ২ টি। 

শব্দ গঠন করা যাবে = 10!/2!
১১.
একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে ৯টি দল অংশগ্রহণ করেছে। একক লীগ পদ্ধতিতে খেলা হলে মোট কতটি খেলা পরিচালনা করা যাবে?
  1. ১৮টি
  2. ২১টি
  3. ৩৬টি
  4. ৪২টি
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে ৯টি দল অংশগ্রহণ করেছে। একক লীগ পদ্ধতিতে খেলা হলে মোট কতটি খেলা পরিচালনা করা যাবে? 

সমাধান: 
প্রতিটি খেলার জন্য ৯টি দল থেকে ২টি দল নির্বাচন করতে হবে 

মোট খেলার সংখ্যা = C = ৩৬
১২.
৮, ৯, x, ১২, ১৪, ১৬ সংখ্যাগুলোর মধ্যক ১১ হলে, x এর মান কত?
  1. ১৪
  2. ১১
  3. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮, ৯, x, ১২, ১৪, ১৬ সংখ্যাগুলোর মধ্যক ১১ হলে, x এর মান কত? 

সমাধান: 
৮, ৯, x, ১২, ১৪, ১৬ সংখ্যাগুলোর মধ্যক = (x + ১২)/২ 

(x + ১২)/২ = ১১
⇒ x + ১২ = ২২ 
⇒ x = ২২ - ১২ 
∴ x = ১০ 
১৩.
কোনো পরীক্ষণের S নমুনাক্ষেত্রের অধীনে E একটি ঘটনা হলে, কোনটি সঠিক?
  1. 0 < P(E) < 1
  2. 0 ≤ P(E) ≤ 1
  3. 0 ≤ P(E) < 1
  4. 0 < P(E) ≤ 1
সঠিক উত্তর:
0 ≤ P(E) ≤ 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0 ≤ P(E) ≤ 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো পরীক্ষণের S নমুনাক্ষেত্রের অধীনে E একটি ঘটনা হলে, কোনটি সঠিক?

সমাধান:
- কোনো পরীক্ষণের S নমুনাক্ষেত্রের অধীনে E একটি ঘটনা হলে, 0 ≤ P(E) ≤ 1 
- সম্ভাবনার মান 0 থেকে 1 এর মধ্যে থাকে।
- নিশ্চিত ঘটনার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার মান 1 এবং অসম্ভব ঘটনার ক্ষেত্রে সম্ভাবনার মান 0। তাই সকল ঘটনা ঘটার সম্ভাবনার মান 0 বা 0 থেকে বড় হতে পারে অথবা 1 বা 1 থেকে ছোট হতে পারে।
- কোন ঘটনা ঘটার সম্ভাবনার মান কখনোই 0 থেকে ছোট হতে পারে না এবং 1 থেকে বড় হতে পারে না। 
- একটা কাজ বা ঘটনা অবশ্যই ঘটলে, তার সম্ভাবনা = ১০০% = ১
- একটা কাজ বা ঘটনা কখনোই না ঘটলে, তার সম্ভাবনা = ০% =০
১৪.
0, 1, 3, 7, 8 অঙ্কগুলো প্রতি সংখ্যায় একবার ব্যবহার করে পাঁচ অঙ্কের কয়টি অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যায়?
  1. 24
  2. 90
  3. 96
  4. 120
সঠিক উত্তর:
96
উত্তর
সঠিক উত্তর:
96
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 0, 1, 3, 7, 8 অঙ্কগুলো প্রতি সংখ্যায় একবার ব্যবহার করে পাঁচ অঙ্কের কয়টি অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যায়?

সমাধান:
এখানে 0, 1, 3, 7, 8 মোট পাঁচটি অঙ্ক আছে।
সবগুলো অঙ্ক নিয়ে সংখ্যা তৈরির মোট উপায় = 5! = 120

কিন্তু প্রথম অঙ্কটি 0 হলে সংখ্যাটি অর্থপূর্ণ পাঁচ অঙ্কের হয় না
এরূপ সংখ্যা গঠিত হয় 4! = 24 উপায়ে
∴ শর্তানুসারে গঠিত মোট সংখ্যা = 120 - 24 = 96 উপায়ে
১৫.
৬টি বাহুবিশিষ্ট একটি বহুভুজের কৌণিক বিন্দুগুলো সংযোগ করলে কতগুলো ত্রিভুজ গঠন করা যাবে?
  1. 720
  2. 120
  3. 6
  4. 20
সঠিক উত্তর:
20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬টি বাহুবিশিষ্ট একটি বহুভুজের কৌণিক বিন্দুগুলো সংযোগ করলে কতগুলো ত্রিভুজ গঠন করা যাবে?

সমাধান: 
একটি ত্রিভুজ গঠন করার জন্য বিন্দু প্রয়োজন 3টি 

ত্রিভুজের গঠন করা যাবে = 6C3 = 20
১৬.
উদ্ভিদের মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট কোনটি? 
  1. কার্বন
  2. সালফার
  3. লৌহ
  4. দস্তা
সঠিক উত্তর:
দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তা
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন - 
১। ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং 
২। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 
যথা -
• নাইট্রোজেন (N), 
• পটাশিয়াম (K), 
• ফসফরাস (P), 
• ক্যালসিয়াম (Ca), 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg), 
কার্বন (C)
• হাইড্রোজেন (H), 
• অক্সিজেন (O), 
সালফার (S) এবং 
লৌহ বা আয়রন (Fe)। 

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে।
- মাইক্রো উপাদান ৬টি।
যথা - 
দস্তা বা জিংক (Zn)
• ম্যাঙ্গানিজ (Mn), 
• মোলিবডেনাম (Mo), 
• বোরন (B), 
• তামা বা কপার (Cu) এবং 
• ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
গুচ্ছ ফল কোনটি? 
  1. কাঁঠাল
  2. জাম
  3. আনারস
  4. আতা
সঠিক উত্তর:
আতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতা
ব্যাখ্যা
ফল: 
- নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে। 
- শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে। 
যেমন- আম, কাঁঠাল। 
- গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে। 
যেমন- আপেল, চালতা ইত্যাদি। 
- প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- সরল ফল, গুচ্ছফল ও যৌগিক ফল। 
১) সরল ফল: 
- ফুলের একটি মাত্র গর্ভাশয় থেকে যে ফলের উৎপত্তি তাকে সরল ফল বলে। যেমন- আম। এরা রসাল বা শুষ্ক হতে পারে। 
- আবার সরল ফল দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) রসাল ফল: যে ফলের ফলত্বক পুরু এবং রসাল তাকে রসাল ফল বলে। এ ধরনের ফল পাকলে ফলত্বক ফেটে যায় না। 
যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি। 

খ) নীরস ফল: যে ফলের ফলত্বক পাতলা এবং পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় তাকে নীরস ফল বলে। 
যেমন- শিম, ঢেঁড়স, সরিষা ইত্যাদি। 

২) গুচ্ছ ফল: 
- একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে। 
যেমন- চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি। 

৩) যৌগিক ফল: 
- একটি মজুরির সম্পূর্ণ অংশ যখন একটি ফলে পরিণত হয় তখন তাকে যৌগিক ফল বলে। 
যেমন- আনারস, কাঁঠাল ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৮.
কোন বিজ্ঞানীর মতে 'পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে'?
  1. ল্যামার্ক
  2. জেনোফেন
  3. ডারউইন
  4. ভাইসম্যান
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা
ল্যামার্কিজম (Lamarckism): 
- ফরাসী প্রকৃতি বিজ্ঞানী Jcan Baptist Lamarck (১৭৪৪-১৮২৯), ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে ফিলোসফিক জুলজিক (Philosophic Zoologique) গ্রন্থে অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশগতি (theory of inheritance of acquired character) নামক বিবর্তন সম্পর্কীত মতবাদ প্রকাশ করেন। 
- ল্যামার্কের মতবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে। 
- পরিবেশের প্রভাবে জীবের দৈহিক গঠনের পরিবর্তন হয়। 
- তাঁর মতে বিবর্তন কতিপয় রীতি-নীতি মেনে চলে। এই রীতি-নীতিগুলোই বিবর্তনের ক্রম ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। 
- ল্যামার্ক তাঁর বিবর্তন তত্ত্বেও এ রীতি-নীতিগুলোই ব্যাখ্যা করেছেন। 
- আধুনিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে Dodson, 1960 ল্যামার্কের একজন বিশিষ্ট সমর্থক। 
- Dodson ল্যামার্কবাদকে চারটি সূত্রে ব্যাখ্যা করেছেন যা ল্যামার্কীয় সুত্র বলেও পরিচিত। 
সূত্র ১. জীবদেহ এবং দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আকারে ক্রমবর্ধিত হওয়ার একটি লক্ষণ সর্বদাই পরিলক্ষিত হয়। 
সূত্র ২. জীবন ধারণের প্রয়োজনে কোন নতুন চাহিদা এবং এ চাহিদার ফলে জীবন অভ্যাসের যে পরিবর্তন হয় তার ফলেই নতুন প্রত্যঙ্গের উৎপত্তি হয়। 
সূত্র ৩. কোন একটি অঙ্গ প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হলে তা উন্নত এবং সুগঠিত হয়, কিন্তু ব্যবহৃত না হলে ক্রমান্বয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে অবশেষে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ সুত্রটি ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র ৪. কোন একটি জীবের দেহে উন্নতি বা ক্ষয়প্রাপ্তির মাধ্যমে যে সকল পরিবর্তন সাধিত হয় তা অর্জিত বৈশিষ্ট্যরূপে অঙ্গীভূত হয় এবং পরবর্তী প্রজন্মে (Generation) সঞ্চারিত ও বিকশিত হয়। এ সূত্রটি অর্জিত বৈশিষ্ট্য সঞ্চারণের সূত্র (Law of inhertance of acquired character) নামে অভিহিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য নয় কোনটি? 
  1. এদের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের। 
  2. এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক। 
  3. এদের মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়।
  4. এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
সঠিক উত্তর:
এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে। 
ব্যাখ্যা
ব্রায়োফাইটা: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদের ফুল হয় না, এদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ব্রায়োফাইটা এবং টেরিডোফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদসমূহ হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ। 

ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য: 
১) এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক (হ্যাপ্লয়েড) অর্থাৎ গ্যামিট উৎপাদনকারী। 
২) গ্যামোটোফাইট সবুজ, স্বভোজী, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। 
৩) এরা থ্যালয়েড হতে পারে অথবা দেহ রাইজয়েড, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত। 
৪) দেহে মূল সৃষ্টি হয় না, মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়। 
৫) এদের দেহে কোন পরিবহন টিস্যু থাকে না। 
৬) জাইগোট হতে মাইটোটিক বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। 
৭) এদের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের, অর্থাৎ সচল ছোট শুক্রাণুর সাথে নিশ্চল বড় ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। 
৮) জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে। 
৯) এদের স্পোরোফাইট সর্বদাই পুষ্টি ও আশ্রয়ের জন্য আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্যামিটোফাইটের উপর নির্ভরশীল। 

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার মূল নকশাকার কে?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. শিবনারায়ণ দাস
  3. আ স ম আব্দুর রব
  4. সিরাজুল ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
শিবনারায়ণ দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবনারায়ণ দাস
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩। 
২১.
১১ দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে -
  1. ছাত্রলীগ
  2. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  3. ছাত্রসংগ্রাম ইউনিয়ন
  4. কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
-এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য। এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২২.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে 'আফসার ব্যাটালিয়ন' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. ভালুকা
  2. সুন্দরবন
  3. মাগুরা
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
ভালুকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভালুকা
ব্যাখ্যা
আফসার ব্যাটালিয়ন
-ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার নিভৃত পল্লী মল্লিকবাড়ী গ্রামে একটি মাত্র রাইফেল নিয়ে মেজর আফসার উদ্দিন আহমেদ পার্টি গঠন করেন।
- পাকবাহিনী ও দুষ্কৃতিকারীগণের সাথে লড়াই করে মেজর আফছার শত্রুদেরকে সমুচিত শিক্ষা দিয়েছেন।
- এবং তিনি তার পার্টি নিয়ে শত্রুপক্ষের নিকট থেকে আড়াই হাজারেরও অধিক রাইফেল, ব্রেটাগান, রকেট লান্সার, স্টেনগান, এমএমজি ইত্যাদি উদ্ধার করেন।
- তার দ্বারা পরিচালিত বাহিনীতে সর্বমোট প্রায় সাড়ে চার হাজার মুক্তিযোদ্ধা ছিল।
- মেজর আফছারের পৃষ্ঠপোষকতায় আফছার ব্যাটালিয়নের তরফ থেকে সাপ্তাহিক জাগ্রত বাংলা পত্রিকা যাবতীয় সংবাদ পরিবেশন করে মুক্তিকামী মানব মনে প্রেরণা জুগিয়েছে।

আঞ্চলিক বাহিনী:
সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশকে কয়টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১৭টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
সেক্টর ও সাব সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ১১ টি সেক্টরের অধীনে ৬৪ টি সাবসেক্টর গঠন করা হয়।
এক নজরে ১১টি সেক্টর এবং সেক্টর কমান্ডার
সেক্টর নং ১
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী পর্যন্ত ছিল ‘সেক্টর নং ১’।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম।
- আর এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।

সেক্টর নং ২
- ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ২’।
- এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এটিএম হায়দার।
- এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।

সেক্টর নং ৩
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৩’ এর আওতায়।
- এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম শফিউল্লাহ।
- সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর এএনএম নুরুজ্জামান।
- আর এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং ৪
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’।
- এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
- মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।

সেক্টর নং ৫
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
- মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার।
- এই সেক্টরকেও ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।

সেক্টর নং ৬
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার।
- এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং ৭
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
- এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং ৮
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর (পরে লে.কর্নেল) আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর (পরে মেজর জেনারেল) এম এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং ৯
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৯’।
- ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন।
- এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং ১০
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধিনে।
- এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।
- এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার।
- প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।

সেক্টর নং ১১
- কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান ।
- নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান।
- এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল। 

উৎস: বিবিসি ও বাংলাপিডিয়া।
২৪.
পাখির চর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভোলা
  2. সুন্দরবন
  3. সন্দ্বীপ
  4. হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বিভিন্ন চরের অবস্থান
চর মানিক - ভোলা
চর জব্বর - ভোলা
চর নিউটন - ভোলা
চর কুকরী মুকরী-  ভোলা
চর সাকুচিয়া -  ভোলা
চর গজারিয়া-  লক্ষীপুর
চর আলেকজান্ডার-  লক্ষীপুর
উড়ির চর-  নোয়াখালী
দুবলার চর- সুন্দরবনের দক্ষিণে
পাখির চর - সুন্দরবন 
মহুরীর চর-  ফেনী
নির্মল চর- রাজশাহী

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৫.
কোন ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ বাংলাদেশ করেছে?
  1. মিধিলি
  2. বিপর্যয়
  3. হামুন
  4. মিগজাউম
সঠিক উত্তর:
বিপর্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপর্যয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নামকরণ- বিপর্যয়। 
মায়ানমারের নামকরণ-  মিগজাউম।
ইরানের নামকরণ - হামুন।
মালদ্বীপের নামকরণ - মিধিলি।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ

-  ১৯৫৩ সালে অ্যামেরিকার ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের সবচেয়ে বড়ো শহর মায়ামির জাতীয় হ্যারিকেন সেন্টার আটলান্টিক অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য প্রস্তাব দেয়।
- পরবর্তীতে জাতিসংঘের একটি ইউনিট ওয়ার্ল্ড মিটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশনের বৈঠকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য একটি তালিকা তৈরি করা হয়।
- ওয়ার্ল্ড মেটিরিওলজিকাল ওয়েদার অর্গানাইজেশন এবং এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ২০০০ সালে এর সদস্য দেশগুলোর পরামর্শ নিয়ে ঘূর্ণিঝড় ঝড়ের জন্য নাম প্রস্তুত করার কাজ শুরু করে।
- বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, ওমান, পাকিস্তানের মতো আরও ১২টি দেশকে সাথে নিয়ে।
- শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এই প্যানেলের অংশ।
- আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়—তার অববাহিকায় থাকা দেশগুলো নামকরণ করে।
- পৃথিবীতে মোট ১১টি সংস্থা ঝড়ের নামকরণ করে থাকে।
- নামকরণের এই সামগ্রিক বিষয়টা নিয়ন্ত্রণিত হয় বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিওএমও) মাধ্যমে। 

সূত্র: Tropical Cyclone Naming/World Meteorological Organization. 
২৬.
বাংলাদেশে সাধারণত কোন কোন মাসে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে?
  1. জানুয়ারী ও মার্চ
  2. মার্চ ও নভেম্বর
  3. এপ্রিল ও মে
  4. মে ও জুন
সঠিক উত্তর:
মার্চ ও নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ ও নভেম্বর
ব্যাখ্যা
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড় (Anti-cyclone)।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- আমাদের দেশে প্রায় প্রতি বছর সাধারণত মার্চ ও নভেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বুঝানো হয়?
  1. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা
  2. দুর্যোগ পরবর্তী সহায়তা
  3. দুর্যোগকালীন ত্রাণ সহায়তা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।
প্রশমন (Mitigation)
• দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে।
• মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
• দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।