ইনকা সভ্যতা: - এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা। - ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। - প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। - ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে। - স্থপতি: মানকো কাপেন। - ভাষা: কেচুয়া।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
২.
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীনস্ত আঞ্চলিক কমিশন নয় কোনটি?
ক
ECLAC
খ
ESCWA
গ
ELCAE
ঘ
ESCAP
ব্যাখ্যা
⇒ 'ELCAE' জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীনস্ত আঞ্চলিক কমিশন নয়।
জাতিসংঘ: - জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।
⇒ এগুলো হলো: - এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP), - পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA), - ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC), - ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE), - আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).
তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।
৩.
ডেটন শান্তি চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন -
ক
জন কেরি
খ
থিওডোর পোস্টওয়েল্ড
গ
বিল ক্লিন্টন
ঘ
স্ট্রোব ট্যালবট
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি: - ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina। - বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়। - ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার। - চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক। - চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল - চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল - চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স - চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া - চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ। ২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান। ৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।
তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৪.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (Interpol) এর বর্তমান সদস্য কয়টি? (জুন, ২০২৫)
ক
১৯৩টি
খ
১৯৪টি
গ
১৯৫টি
ঘ
১৯৬টি
ব্যাখ্যা
Interpol: - Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা। - Interpol এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization. - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল। - বর্তমান সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স। - ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়। - বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ। (জুন, ২০২৫) - সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ। - বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল। - বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা। (জুন, ২০২৫) - তিনি ব্রাজিলের নাগরিক। - ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত ৯২তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫.
'SAVAK' কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
ক
পাকিস্তান
খ
রাশিয়া
গ
ইসরায়েল
ঘ
ইরান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা: - বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB)। - ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI)। - পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA)। - রাশিয়া: Federal Security Service (FSB)। - ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6)। - ইসরায়েল: MOSSAD। - ইরান: SAVAK।
তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com
৬.
সম্প্রতি ইসরায়েল 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে কবে?
ক
০৭ জুন ২০২৫
খ
১০ জুন ২০২৫
গ
১৩ জুন ২০২৫
ঘ
১৫ জুন ২০২৫
ব্যাখ্যা
‘অপারেশন রাইজিং লায়ন': - ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'। - 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। - ১৩ জুন ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে। - ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।
উল্লেখ্য: - এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়। - এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি। - ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।
তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।
৭.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কী নামে পরিচিত?
ক
পার্পল লাইন
খ
লাইন অব ডিমারকেশন
গ
ব্লু লাইন
ঘ
ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা: ⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা। ⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা। ⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা। ⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা। ⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা। ⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা। ⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা। ⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা। ⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮.
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোন প্রতিষ্ঠান বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করে থাকে?
ক
MIGA
খ
ICSID
গ
IDA
ঘ
IBRD
ব্যাখ্যা
MIGA: - MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। - এটি ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। - বাংলাদেশ MIGA এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। - এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮২টি। (জুন, ২০২৫) - MIGA বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করে থাকে।
তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।
৯.
বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা নিচের কোনটি?
ক
IMO
খ
IPCC
গ
IUCN
ঘ
UNFCCC
ব্যাখ্যা
IUCN: - বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)। - IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature. - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে। - সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড। - এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে। - উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।
তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০.
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র নয় কোনটি?
ক
ডেনমার্ক
খ
লুক্সেমবার্গ
গ
সুইডেন
ঘ
নরওয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ লুক্সেমবার্গ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ: - স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল। - স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি। - যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক। - তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়। অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি। যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com
১১.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (জুন, ২০২৫)
ক
৬৩টি
খ
৬৭টি
গ
৬৯টি
ঘ
৭৩টি
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক: - ADB এর পূর্ণরূপ Asian Development Bank. - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৬ সালে। - সদর দপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইনের। - প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৩১টি। - বর্তমান সদস্য: ৬৯টি। (জুন, ২০২৫) - বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৩ সালে। - সাধারণত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জাপান থেকে। - বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মাসাতো কান্ডা। (জুন, ২০২৫)
তথ্যসূত্র - এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১২.
পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH কোনটি?
ক
২
খ
৪
গ
৬
ঘ
৮
ব্যাখ্যা
pH: - পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে। - কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। - কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে। - মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে। - স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45। - বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7। - মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির। - মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে। - পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2।
তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য কোন শর্টকাট কী ব্যবহৃত হয়?
ক
Ctrl + C
খ
Ctrl + D
গ
Ctrl + E
ঘ
Ctrl + F
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ: - Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য। - Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য। - Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য। - Ctrl + D: কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়। - Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)। - Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য। - Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
তথ্যসূত্র - Computer Hope.
১৪.
বর্তমানে শেনজেনভুক্ত দেশ কয়টি? (জুন, ২০২৫)
ক
২৮টি
খ
২৯টি
গ
৩০টি
ঘ
৩১টি
ব্যাখ্যা
শেনজেন অঞ্চল: - শেনজেন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি প্রদান করে। - শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে। - চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে। - ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ চুক্তিটি কার্যকর হলে ভিসামুক্ত ইউরোপের যাত্রা শুরু হয়। - শেনজেনভুক্ত দেশ: ২৯টি। (জুন, ২০২৫) - ১ জানুয়ারী ২০২৫ এ সম্পূর্ণরূপে যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া। (জুন, ২০২৫)
উল্লেখ্য: - লিচেনস্টাইন, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড এবং নরওয়ে এই দেশ চারটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত না হয়েও শেনজেনভুক্ত দেশের তালিকায় রয়েছে।
তথ্যসূত্র - European Union ওয়েবসাইট।
১৫.
প্রেজেন্টেশন ফাইলের এক একটি পৃষ্ঠাকে কী বলা হয়?
ক
ডকুমেন্ট
খ
স্লাইড
গ
প্রেজেন্টেশন
ঘ
কুয়েরি
ব্যাখ্যা
প্রেজেন্টেশন: - সাধারণত প্রেজেন্টেশন বলতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কোন বিষয়কে দর্শকদের সামনে প্রদর্শন করাকে বুঝায়। - প্রযুক্তিগত ভাষায় প্রেজেন্টেশন বলতে পাওয়ারপয়েন্টের ফাইলকে বুঝায়। - পাওয়ারপয়েন্টের এক একটি অংশ বা খন্ডের নাম স্লাইড। - একটি প্রেজেন্টেশনে এক বা একাধিক স্লাইড থাকতে পারে। যেমন MS-Word এর ফাইলে থাকে এক বা একাধিক পৃষ্ঠা। - কোন প্রেজেন্টেশনে কয়টি স্লাইড আছে তা জানা যায় Window এর স্ট্যাটাস বারে লক্ষ্য করলে। যেমন Slide 3 of 10 থাকলে বুঝা যায় চলমান প্রেজেন্টেশনে আছে দশটি স্লাইড এবং চলমান (Active) স্লাইড তিন নাম্বার স্লাইড।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন কে?
ক
ডেভিড হিলবার্ট
খ
হেন্ড্রিক লরেঞ্জ
গ
ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
ঘ
আইজ্যাক নিউটন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।] ---------------------------
আপেক্ষিক তত্ত্ব: - ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই তত্ত্ব প্রকাশ করেন। - তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। - বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়। - ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। - মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। - আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন, যথা- • বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব। • সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব।
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: - আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। - ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা -
• প্রথম স্বীকার্য - স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে । • দ্বিতীয় স্বীকার্য - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
ক
Alta Vista
খ
Safari
গ
Mozilla Firefox
ঘ
Google Chrome
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট: - ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়। - ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়। - ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়। - ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। - এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। - এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা। - সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়। - ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়। - ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন: • Yahoo, • Google, • Alta Vista, • Mamma, • Hotbot, • Bing, • Go ইত্যাদি। - পিপীলিকা (Pipilica) বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন।
ওয়েব ব্রাউজার: - ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। - ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। -জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো- • Google Chrome, • Mozilla Firefox, • Safari, • Opera, • Microsoft Edge, • Maxthon, • Brave, • UC Browser.
তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড এবং ব্রিটানিকা।
১৮.
জাপানের মুদ্রার নাম কী?
ক
কিয়াট
খ
ডং
গ
উন
ঘ
ইয়েন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম: - স্পেনের মুদ্রার নাম ইউরো। - ফ্রান্সের মুদ্রার নাম ইউরো। - যুক্তরাজ্যের মুদ্রার নাম পাউন্ড। - যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম ডলার। - জাপানের মুদ্রার নাম ইয়েন। - উত্তর কোরিয়ার মুদ্রার নাম উন। - ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং। - থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ। - ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম পেসো। - মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট। - ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম। - চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান। - নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৯.
পাউরুটি তৈরীতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
ক
অ্যামিবা
খ
ঈস্ট
গ
টি-২ ফাজ
ঘ
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ইস্ট: - পাউরুটি তৈরীতে পাউরুটি ফোলানোর জন্য ইস্ট ব্যবহার করা হয়। - ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক যা কার্বহাইড্রেড ও অক্সিজেনের উপর ক্রিয়া করে CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে। - উৎপন্ন CO₂ বা কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস পাউরুটি ফোলাতে সাহায্য করে। - পাউরুটি প্রয়োজনীয় পরিমাণ ফোলার পর ওভেনে বেকিং করা হয়। - উত্তাপে ইস্ট মরে যায় এবং CO₂ উৎপন্ন হওয়াও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রুটি ফোলাও বন্ধ হয়ে যায়।
তথ্যসূত্র - রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
ফুলস্ক্রিন দেখতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
ক
F9
খ
F10
গ
F11
ঘ
F12
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার: - F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়। - F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়। - F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। - F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়। - F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়। - F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়। - F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়। - F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়। - F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়। - F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়। - F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়। - F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
২১.
NDB এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কয়টি?
ক
৩টি
খ
৪টি
গ
৫টি
ঘ
৬টি
ব্যাখ্যা
NDB: - নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হল একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক যার লক্ষ্য BRICS এবং অন্যান্য EMDCs-এর অবকাঠামো এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য সংস্থান সংগ্রহ করা। - ব্রিকসের দেশগুলি দ্বারা ২০১৫ সালে NDB প্রতিষ্ঠিত হয়। - NDB এর পূর্ণরূপ New Development Bank. - এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত। - NDB এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫টি। এগুলো হলো - • চীন। • ভারত। • ব্রাজিল। • রাশিয়া। • দক্ষিণ আফ্রিকা। - নতুন সদস্য বাংলাদেশ, উরুগুয়ে, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আলজেরিয়া ও মিশর। (জুন, ২০২৫) - বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে। - NDB এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট ব্রাজিলের দিলমা রুসেফ। (জুন, ২০২৫) - NDB এর প্রেসিডেন্ট সবসময় প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলো থেকে নির্বাচিত হবে।
তথ্যসূত্র - NDB অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২২.
কোয়াড (QUAD) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
ক
২০০৪ সালে
খ
২০০৫ সালে
গ
২০০৬ সালে
ঘ
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
কোয়াড (QUAD): - QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue. - কোয়াড হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি কূটনৈতিক জোট। - এটি একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম। - প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০০৭ সালে। - সদস্য দেশ: ৪টি। (জুন, ২০২৫) • যুক্তরাষ্ট্র, • অস্ট্রেলিয়া, • ভারত, • জাপান। - কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।
তথ্যসূত্র - অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।
২৩.
ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত কয়টি উপাদান থাকে?
ক
৩টি
খ
৪টি
গ
৫টি
ঘ
৬টি
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশনের ধারণা: - এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্যবিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়। - ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়।
• ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান: - ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬টি উপাদান থাকে। যথা- ১। ডাটা বা তথ্য (Information), ২। ডাটার উৎস (Source), ৩। প্রেরক (Sender), ৪। মাধ্যম (Medium), ৫। প্রাপক (Receiver) ও ৬। গন্তব্য (Destination)।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
ক
MySQL
খ
Informix
গ
Sybase
ঘ
McAfee
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: - ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। - প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। - কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। - এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। - উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।
• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
২৫.
নিচের কোন অঙ্গ থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়?
ক
পেপসিন
খ
অগ্ন্যাশয়
গ
পিটুইটারী গ্রান্ড
ঘ
লিভার
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস: - বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। - প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। - অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। - ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। - কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। - যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।
তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচক অনুযায়ী, সবচেয়ে কম দুর্নীতির দেশ কোনটি? (জুলাই, ২০২৫)
ক
সিঙ্গাপুর
খ
ফিনল্যান্ড
গ
ডেনমার্ক
ঘ
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি সূচক ২০২৪: - জার্মানির বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচক প্রকাশ করে। - বাংলাদেশের অবস্থান ১৫১ তম।
কম দুর্নীতির দেশ: • প্রথম - ডেনমার্ক। • দ্বিতীয় - ফিনল্যান্ড। • তৃতীয় - সিঙ্গাপুর।
সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির দেশ: • প্রথম - দক্ষিণ সুদান। • দ্বিতীয় - সোমালিয়া। • তৃতীয় - ভেনেজুয়েলা।
দক্ষিণ এশিয়ার কম দুর্নীতির দেশসমূহ: • ভুটান - ১৮। • ভারত - ৯৬। • মালদ্বীপ - ৯৬। • নেপাল - ১০৭। • শ্রীলংকা - ১২১। • পাকিস্তান - ১৩৫। • বাংলাদেশ - ১৫১। • আফগানিস্তান - ১৬৫।
ভৌত রাশি: - এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়। যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি।
মৌলিক রাশি: - যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। - জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যেমন- • দৈর্ঘ্য, • ভর, • সময়, • তাপমাত্রা, • তড়িৎপ্রবাহ, • দীপন তীব্রতা এবং • পদার্থের পরিমাণ।
যৌগিক রাশি: - এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল। - অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। - যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। যেমন - • বেগ, • ত্বরণ, • কাজ, • বল, • তাপ, • বিভব ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।