পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৭ টপিক: বাংলাদেশের সরকার জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিনাস ও সংস্কার এবং বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি প্রাচীনকাল হতে সমসাময়িক কালের ইতিহাস - ১ [Live Class – 9 & 10] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দিয়ে থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট:
- হাইকোর্টের ব্রেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি। 
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। 
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর। 
- বর্তমানে ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে। 
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।

আপীল বিভাগের এখতিয়ার:
সংবিধান আপীল বিভাগকে নিম্নলিখিত এখতিয়ার প্রদান করেছে:

ক) আপীলের এখতিয়ার: সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রী, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানী ও তা নিষ্পত্তির এখতিয়ার আপীল বিভাগের থাকবে। 

খ) আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ: সংবিধানের ১০৪ অনুচ্ছেদের অধীন কোন ব্যক্তির হাজিরা বা দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হতে পারে, আপীল বিভাগ সেরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করতে পারে।

গ) পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা: সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, সংসদের যে কোন আইনের বিধানাবলী এবং আপীল বিভাগ কর্তৃক প্রণীত যে কোন বিধি সাপেক্ষে আপীল বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত কোন রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা উক্ত বিভাগের থাকবে। 

ঘ) উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার

ঙ) সুপ্রীম কোর্টের বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা: সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে প্রত্যেক বিভাগের এবং অধস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
সংবিধানের ১০১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, সংবিধান বা যে কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর যেরূপ আদি, আপীল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার ও ক্ষমতা অর্পন করা হবে উক্ত বিভাগের সেরূপ এখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকবে।

ক) আদি এখতিয়ার: হাইকোর্ট বিভাগের আদি এখতিয়ার বলতে সেই এখতিয়ারকে বোঝায় যেখানে এটি প্রথম বিচারাদালত হিসেবে একটি মামলা বা মোকদ্দমার শুনানী করতে পারে। 

খ) আপীলের এখতিয়ার: যেকোনো আইন যেকোনো বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগকে এখতিয়ার প্রদান করতে পারে। 

গ) পুনঃনিরীক্ষণের এখতিয়ার: হাইকোর্ট বিভাগ তার অধীনস্ত আদালতের সিদ্ধান্ত পরীক্ষা করতে পারে।

(খ) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৩৯ ধারা হাইকোর্ট বিভাগকে তার অধীনস্ত আদালতের ফৌজদারী বিষয়গুলির পুনঃনিরীক্ষণের এখতিয়ার প্রদান করেছে। 

ঘ) পুনর্বিবেচনার এখতিয়ার: দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১৪ ধারা হাইকোর্ট বিভাগকে পুনর্বিবেচনার এখতিয়ার প্রদান করেছে। 

ঙ) অধস্তন আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের এখতিয়ার: সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন সকল আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর উক্ত বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা থাকবে।

চ) অধস্তন আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর

লয়াজিমা আদালত:
মাননীয় রেজিস্ট্রার মহোদয় লয়াজিমা আদালতের সভাপতিত্ব করেন। এ আদালত মামলাগুলি শুনানীর জন্য প্রস্তুত করার পদ্ধতিগত বিষয় নিয়ে কাজ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) Legislative and Parliamentary Affairs Division, Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs
.
অধিদপ্তর এর প্রধান কে?
  1. সচিব
  2. মহাপরিচালক
  3. পরিচালক
  4. চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
অধিদপ্তর:
- মন্ত্রণালয়ের অধীন এক বা একাধিক ইউনিটকে অধিদপ্তর বলে।
- যার প্রধান মহাপরিচালক বা Director General. 
- যিনি অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন। 

পরিদপ্তর:
- অধিদপ্তরের অধিনস্ত এক বা একাধিক প্রশাসনিক ইউনিটকে পরিদপ্তর বলে।
- যার প্রধান হলেন পরিচালক।
- যিনি যুগ্ম সচিব বা উপ-সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন। 

কর্পোরেশন:
- যে অফিসের প্রধানের পরবর্তী চেয়ারম্যান অর্থাৎ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি সেই অফিসকে বলা হয় কর্পোরেশন।
- কর্পোরেশনগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট পাস হয় কবে?
  1. ১৭৮৪ সালে
  2. ১৭৮৫ সালে
  3. ১৮৭৭ সালে
  4. ১৭৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট:
- কোম্পানি দিউয়ানির নামে বাংলায় যে শোষণ ও উৎপীড়নের রাজত্ব কায়েম করে সে বিষয়ে ব্রিটিশ-রাজ কখনো দৃষ্টিপাত করেনি।
- কিন্তু ১৭৭০ সালে বাংলার মহাদুর্ভিক্ষ ব্রিটিশ সরকারকে কোম্পানির বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য করে।
- ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর মাধ্যমে পার্লামেন্ট কোম্পানি নিয়ন্ত্রিত বাংলার বঙ্গরাজ্য বিষয়ে প্রথম হস্তক্ষেপ করে।
- মার্কিন বিপ্লবের পর আমেরিকা থেকে বিতাড়িত হয়ে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষকে বিকল্প কলোনি হিসেবে বেছে নেয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট পাস হয় ১৭৮৪ সালে।
- ১৭৮৪ সালের পিট-এর ভারত আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া নিয়ন্ত্রিত কোম্পানির বঙ্গ রাজ্যের ওপর ব্রিটিশ সরকারের কর্তৃত্ব আরও সুদৃঢ় করা হয়।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট এর নামে নামকরণ করা হয়েছিল।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  2. বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস
  3. কাজী মোদুদ এলাহী
  4. এ কে এম সিদ্দিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের বন্দী অবস্থা থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- এরপর এক আদেশ বলে তিনি দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- ১৯৭২ সালের নির্বাচন কমিশন আদেশ জারি করা হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ পান বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস।
- ১৯৭৩ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। 
- সে সময় মোট ভোটার ছিল ৩ কোটি ১৯ হাজার ৮০৯ জন। 
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন সংবিধানের অধীনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মহাস্থানগড়কে কোন সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

⇒ ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২১ জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে এই অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
.
হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট:
- হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমানে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।