পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি টপিকসমূহ: ১. ভূ-রাজনীতি: i) গুরুত্বপূর্ণ স্থান (ভৌগোলিক উপনাম, আন্তর্জাতিক সীমারেখা, প্রণালী, দ্বীপ, উপদ্বীপ, সমভূমি, মালভূমি, মরুভূমি, হ্রদ, ইত্যাদি)। ii) বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প, পরিবহণ ও যোগাযোগ। উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

এশিয়ায় সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ:
- এশিয়ায় সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীন।

• এশিয়ার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ হলো চীন। এটি বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।
- দেশটির মোট জিডিপি ২০ লাখ ৬৫ হাজার ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।
- বিশ্বের উৎপাদন খাতের মোট মূল্য সংযোজনের প্রায় ৩০ শতাংশই আসে চীন থেকে। বৈদ্যুতিক যান, ব্যাটারি, সৌর প্যানেল ও নানা উন্নত শিল্প উপকরণে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে আধিপত্য বজায় রেখেছে।

• এশিয়ার ২য় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ভারত। 
- এশিয়ার ৩য় বৃহৎ অর্থনীতির দেশ জাপান।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সববৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় ৮৯ হাজার ৫৯৮ ডলার। উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতি থেকে দেশটির আয় হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।  [link]
ii) IMF ওয়েবসাইট। [link]

.
বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন ‘চোকপয়েন্ট’ কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ৩৩ কিলোমিটার। সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ ৯৫ কিলোমিটার।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

উল্লেখ্য,
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- পারস্য উপসাগর থেকে ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে জাহাজ প্রবেশের একমাত্র সমুদ্রপথ হলো হরমুজ প্রণালী।
- এর এক পাশে অবস্থিত আরব দেশগুলো, যাদের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র রাষ্ট্রসমূহ, এবং অন্য পাশে রয়েছে ইরান।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল যায় এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং অন্যান্য জায়গায়।

• যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য কর্তৃপক্ষ ইআইএ এই জলপথকে “বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন চোকপয়েন্ট” হিসেবে বর্ণনা করেছে।
- মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের মতে, বিশ্বে প্রতিদিন ব্যবহৃত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদন অনুসারে, এ পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের যা প্রায় ২১ শতাংশ।
- হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এবং তেল পণ্য পরিবহন করা হয়, যা বিশ্বব্যাপী তেল চালানের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
iii) EIA (U.S. Energy Information Administration) ওয়েবসাইট।

.
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলসেতু কোনটি? [মার্চ, ২০২৬]
  1. চেনাব রেল সেতু (ভারত)
  2. বেইপান রিভার শুইবাই রেল সেতু (চীন)
  3. মিলাউ ভায়াদাক্ট (ফ্রান্স)
  4. রয়্যাল গর্জ ব্রিজ (কানাডা)
ব্যাখ্যা

চেনাব রেলসেতু:
- বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলসেতু চেনাব রেলসেতু।
- জম্মু ও কাশ্মীরে চেনাব নদীর ওপর রেলসেতুটি অবস্থিত।
- মোট দৈর্ঘ্য: ১,৩১৫ মিটার। 
- মোট উচ্চতা: চেনাব নদীর তলদেশ থেকে ৩৫৯ মিটার (১,১৮০ ফুট) উচ্চতায় নির্মিত। এটি আইফেল টাওয়ারের চেয়ে ২৯ মিটার উঁচু।
- চেনাব সেতু স্টিলের তৈরি আর্চ বা ধনুকাকৃতির, যার নির্মাণ ছিল এক প্রকৌশলিক চ্যালেঞ্জ। ইস্পাতের তৈরি এই রেলসেতু তৈরি করেছেন ভারতীয় প্রকৌশলীরা।
- চেনাব সেতুটি ‘উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুল্লা রেল সংযোগ (USBRL)’ প্রকল্পের অংশ, যার মাধ্যমে কাশ্মীর উপত্যকা প্রথমবারের মতো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হলো।
- এই সেতু ৮ মাত্রার ভূমিকম্প ও শক্তিশালী বিস্ফোরণ সহ্য করতে পারবে এমনভাবে তৈরি। 

উৎস: i) CNN.
ii) BBC.

.
সিনাই উপদ্বীপ কোন দুটি মহাদেশকে যুক্ত করেছে?
  1. ইউরোপ ও এশিয়া
  2. এশিয়া ও ইউরোপ
  3. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

সিনাই উপদ্বীপ:
- সিনাই উপদ্বীপ মিশরের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।
- এটি আফ্রিকাকে এশিয়ার সাথে সংযুক্ত করে।
- এটি আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে একটি কৌশলগত ত্রিকোণাকার স্থলসেতু হিসেবে কাজ করে।
- এটি প্রায় ৬১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এই উপদ্বীপটি উত্তরে ভূমধ্যসাগর, দক্ষিণে লোহিত সাগর, পশ্চিমে সুয়েজ খাল এবং পূর্বে ইসরায়েল ও আকাবা উপসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
- এই উপদ্বীপের পশ্চিমে সুয়েজ খাল থাকায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ ও বাণিজ্যের পথ। 

উৎস: Britannica.

.
‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)’ কোন দেশের উদ্যোগ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীনের একটি উদ্যোগ।
- চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালের অক্টোবরে কাজাখস্তানে প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- মূল লক্ষ্য: বিশ্বব্যাপী বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা যা সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট এবং ২১শ শতাব্দীর মেরিটাইম সিল্ক রোড (সমুদ্রপথ)-এর মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা এবং ওশেনিয়াকে সংযুক্ত করা।

• এ প্রকল্পকে 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' বা 'নিউ সিল্ক রোড' নামেও অভিহিত করা হয়।
- চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) দেশটির উচ্চাভিলাষী নীতি পুনর্নির্মাণের কেন্দ্রবিন্দু।
- উল্লেখযোগ্য ভূ–কৌশলগত ও ভূ–অর্থনৈতিক প্রভাবসহ BRI–এর অধীনে সমস্ত বিনিয়োগের প্রায় ৪০ শতাংশ জ্বালানি ক্ষেত্র সংক্রান্ত।
- বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশ বিআরআই প্রকল্পের অংশীদার। 

উৎস: Britannica.

.
মালাক্কা প্রণালী কোন অঞ্চলের প্রধান বাণিজ্য পথ?
  1. পূর্ব এশিয়া-ইউরোপ
  2. ইউরোপ-আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা-আফ্রিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা-পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার মধ্যবর্তী একটি সংকীর্ণ পথ যা এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সমুদ্রপথ হিসেবে কাজ করে।
- এটি উত্তরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরকে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল পথ মালাক্কা প্রণালী। 
- মালাক্কা প্রণালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সামুদ্রিক পথ হিসেবে কাজ করে। 
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরে জাহাজ চলাচলের প্রধান এই জলপথটি এশিয়ার বড় সব অর্থনীতির দেশকে সরাসরি যুক্ত করেছে। এই দেশগুলো হলো- চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, জাপান, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়া। ফলে এটি এশিয়ার অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য একটি প্রধান বাণিজ্যপথেও পরিণত হয়েছে। 
- এটি বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৪০%-এর বেশি এবং চীনের জ্বালানি আমদানির ৮০% বহন করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) OBSERVER RESEARCH FOUNDATION ওয়েবসাইট।

.
বৈশ্বিক অর্থনীতিতে GATT-এর উত্তরসূরী সংস্থা কোনটি?
  1. IMF
  2. World Bank
  3. WTO
  4. UNDP
ব্যাখ্যা

GATT:
- GATT-এর পূর্ণরূপ: General Agreement on Tariffs and Trade.
- বৈশ্বিক অর্থনীতিতে GATT-এর উত্তরসূরী সংস্থা WTO (World Trade Organization)। 

উল্লেখ্য,
- GATT মূলত একটা বাণিজ্যিক চুক্তি।
- GATT চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৪৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৪৮ সালে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন কর্মসূচী প্রণয়ন করা এবং মুক্তবাজার অর্থনীতিকে গতিশীল করা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের ৩০ অক্টোবর, ২৩টি দেশ GATT স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির পিছনে উদ্দেশ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও বিশ্ব বাণিজ্যকে পুনর্গঠন।
- GATT প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন বাণিজ্য আলোচনা "রাউন্ড" আকারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- GATT এর সবচেয়ে বৃহত্তম ও প্রভাবশালী রাউন্ড ছিল উরুগুয়ে রাউন্ড। ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে WTO প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে GATT-এর উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।

.
পঞ্চবার্ষিকী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রবর্তক দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রবর্তক দেশ:
- পঞ্চবার্ষিকী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রবর্তক দেশ হলো সোভিয়েত ইউনিয়ন বা বর্তমান রাশিয়া। 
- ১৯২৮ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিন প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯২৮-১৯৩২) বাস্তবায়ন করেন।
- এটি ছিল আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রণীত বিশ্বের প্রথম কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা।
- এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল দ্রুত শিল্পায়ন, ভারী শিল্পের (ইস্পাত, কয়লা, বিদ্যুৎ) বিকাশ এবং কৃষির সমষ্টিকরণ। 
- স্ট্যালিনের এই পরিকল্পনা সোভিয়েত অর্থনীতিকে একটি কৃষিভিত্তিক সমাজ থেকে একটি শক্তিশালী শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করে। 

উৎস: Britannica.

.
সিলিকন ভ্যালি কোন শিল্পের জন্য বিখ্যাত?
  1. তথ্যপ্রযুক্তি
  2. জাহাজ নির্মাণ
  3. ইস্পাত
  4. টেক্সটাইল
ব্যাখ্যা

সিলিকন ভ্যালি:
- সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি ও হাই-টেক শিল্পের কেন্দ্রস্থল।
- সিলিকন ভ্যালি মূলত উন্নত প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, এবং বিশ্বখ্যাত সব টেক জায়েন্ট (যেমন: অ্যাপল, গুগল, মেটা) প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রস্থল হিসেবে বিখ্যাত।
- এটি মূলত সিলিকন-ভিত্তিক সেমিকন্ডাক্টর, মাইক্রোপ্রসেসর ও কম্পিউটার প্রযুক্তি শিল্পের জন্য পরিচিত, যা বর্তমানে সফটওয়্যার, ইন্টারনেট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষণায় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- সিলিকন ভ্যালির নাম এসেছে সিলিকন থেকে যা সেমিকন্ডাক্টর ও চিপ তৈরির প্রধান উপাদান।
- ১৯৫০-৬০ এর দশকে এখানে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উত্থানের পর থেকে এটি ধীরে ধীরে সফটওয়্যার, ইন্টারনেট, AI, ক্লাউড কম্পিউটিং, বায়োটেক এবং ইনোভেশনের গ্লোবাল হাব হয়ে উঠেছে।
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত একটি জরুরি উপাদান সিলিকন।
- আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সিলিকন ভ্যালিতে আছে প্রায় কয়েক হাজার প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়।
- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় সরাসরি সিলিকন ভ্যালি থেকে।

⇒ ১৯৩৯ সালে আমেস রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবাসভূমি হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সাংবাদিক ডন হফলার তিন পর্বের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘সিলিকন ভ্যালি ইউএসএ’।
- পরবর্তী সময়ে এই নামেই পরিচিত হয় বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির স্বর্গ হিসেবে। 

উৎস: Britannica.

১০.
কন্টেইনার বাণিজ্যে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম বন্দর কোনটি?
  1. সাংহাই
  2. সিঙ্গাপুর
  3. রটারডাম
  4. নিংবো-ঝৌশান
ব্যাখ্যা

সাংহাই বন্দর:
- বিশ্বব্যাপী কন্টেইনার বাণিজ্যে সবচেয়ে ব্যস্ততম বন্দর হলো চীনের সাংহাই বন্দর (Port of Shanghai)।

• এটি বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন TEUs-এর বেশি কন্টেইনার পরিচালনা করে। 
- চীনের বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও রপ্তানি চাহিদার কারণে সাংহাই বন্দর ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের বৃহত্তম ও ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। 

উল্লেখ্য,
- ১ম স্থান: সাংহাই বন্দর (চীন),
- ২য় স্থান: সিঙ্গাপুর বন্দর (সিঙ্গাপুর),
- ৩য় স্থান: নিংবো-ঝৌশান বন্দর (চীন)।

উৎস: i) freightslogistics.com ওয়েবসাইট।
ii) China Daily.

১১.
‘City of Canals’ নামে পরিচিত শহর কোনটি?
  1. রোম
  2. ভেনিস
  3. আমস্টারডাম
  4. ব্যাংকক
ব্যাখ্যা

City of canals:
- City of canals বা খাল নালার শহর বলা হয় ইতালির ভেনিস শহরকে।
- ইতালির উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এই শহরটি পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর ও রোমান্টিক শহর হিসেবে পরিচিত।
- এটি 'The Floating City' বা 'Queen of the Adriatic' নামেও পরিচিত। 
- এটি উত্তর-পূর্ব ইতালির ভেনেটো প্রদেশের রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর।
- এই শহরে কোনো গাড়ি চলে না। শহরের মূল পরিবহন মাধ্যম হলো জলপথ, যেখানে গন্ডোলা ও ভাপোরেত্তো দিয়ে মানুষ যাতায়াত করে।
- গ্র্যান্ড ক্যানাল হলো শহরের প্রধান জলপথ।

উৎস: Britannica.

১২.
‘গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল’ কোন দেশের সড়ক নেটওয়ার্ক?
  1. জাপান
  2. চীন
  3. ভারত
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল (Golden Quadrilateral):
- ‘গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল’ হলো ভারতের সড়ক নেটওয়ার্ক।
- এটি ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) দ্বারা নির্মিত ও পরিচালিত একটি বিশাল হাইওয়ে প্রকল্প।
- এটি প্রধানত দেশের চারটি প্রধান মহানগরীকে যুক্ত করে। এগুলো হলো: দিল্লি (উত্তর), মুম্বাই (পশ্চিম), চেন্নাই (দক্ষিণ) ও কলকাতা (পূর্ব)। 
- এই চারটি শহর মিলে একটি চতুর্ভুজ আকার গঠন করে, তাই নাম 'গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারাল'।
- ২০০১ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে এই প্রকল্পটি শুরু হয়। 
- এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৫,৮৪৬ কিলোমিটার।
- এটি ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য, যাতায়াত ও শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম হাইওয়ে নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) GOV.UK ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

১৩.
বিশ্বের প্রথম বুলেট ট্রেন বা উচ্চ-গতির রেল পরিষেবা চালু হয় কোন দেশে?
  1. জাপান
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

বিশ্বের প্রথম বুলেট ট্রেন:
- বিশ্বের প্রথম বুলেট ট্রেন বা উচ্চ-গতির রেল পরিষেবা চালু হয় জাপানে।

• বিশ্বের প্রথম বুলেট ট্রেনটির নাম টোকাইডো শিনকানসেন।
- ১৯৬৪ সালের ১ অক্টোবর প্রথমবারের মতো দ্রুতগতির এই বুলেট ট্রেন চালু করে জাপান।
- এটি টোকিও ও ওসাকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। ১৯৬৪ সালে টোকিওতে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের সময় এটি চালু হয় যা ছিল বিশ্বের প্রথম দ্রুতগতি সম্পন্ন ট্রেনের লাইন।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১৪.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. নিউ গিনি
  2. বোর্নিও
  3. মাদাগাস্কার
  4. গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ।
- এর অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- এর অবস্থান কানাডা এবং আইসল্যান্ডের মাঝে অবস্থিত।
- এটি ডেনমার্কের একটি স্বশাসিত অঞ্চল। আয়তনে মূল ডেনমার্কের চেয়ে গ্রীনল্যান্ড প্রায় ৫০ গুন বড়।
- রাজধানী: নুউক।
- গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এস্কিমো হিসেবে পরিচিত।
- গ্রীনল্যান্ডের ৮০ শতাংশ এলাকা বরফে ঢাকা।

উল্লেখ্য,
• বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ:
১. গ্রিনল্যান্ড,
২. নিউ গিনি,
৩. বোর্নিও,
৪. মাদাগাস্কার,
৫. বাফিন।
 
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১৫.
ইউরো টানেল কোন দুই দেশকে সংযুক্ত করেছে?
  1. ফ্রান্স ও জার্মানি
  2. ইতালি ও স্পেন
  3. যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  4. বেলজিয়াম ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ইউরো টানেল:
- ইংলিশ চ্যানেলের তলদেশের রেলপথ ইউরো টানেল নামে পরিচিত। এর নাম ছিল ইউরোস্টার।
- এটি যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সকে যুক্ত করে। চ্যানেল টানেল যুক্তরাজ্যের ফোকস্টোনকে ফ্রান্সের কোকুয়েলসের সাথে যুক্ত করেছে। 
- এটি ইংলিশ চ্যানেলের নিচ দিয়ে অবস্থিত। 
- টানেলটির মোট দৈর্ঘ্য ৫০.৪৫ কিমি (৩১.৫ মাইল)।
- ইউরোটানেল নির্মাণের কাজ শুরু হয় ১৯৮৮ সালে এবং ১৯৯৪ সালে উদ্বোধন হয়। 

উৎস: i) Eurostar ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
iii) BBC.

১৬.
বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি কোনটি?
  1. সাহারা মরুভূমি
  2. গোবি মরুভূমি
  3. কালাহারি মরুভূমি
  4. থর মরুভূমি
ব্যাখ্যা

সাহারা মরুভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি সাহারা মরুভূমি। 
- এটি অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি।
- এর আয়তন প্রায় ৯.২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার যা সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% জুড়ে রয়েছে।
- সাহারা মরুভূমি আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান সহ মোট ১১টি দেশে বিস্তৃত।
- মরুভূমিটি উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং আটলাস পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত; পূর্ব দিকে লোহিত সাগর; পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর এবং দক্ষিণে সাহেল অঞ্চল অবস্থিত। 
- এই মরুভূমির নিচে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, লোহা ও তামা ইত্যাদি সম্পদ রয়েছে। 
- প্রায় ১০,০০০ বছর আগে এই অঞ্চলটি আর্দ্র ও শীতল ছিল এবং এখানে নদী ও হ্রদ ছিল। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি অ্যান্টার্কটিকা।

উৎস: World Atlas.

১৭.
Laissez-faire নীতি প্রধানত কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত?
  1. বন্ধ অর্থনীতি
  2. মিশ্র অর্থনীতি
  3. পুঁজিবাদী অর্থনীতি
  4. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

লেসেজ-ফেয়ার (Laissez-faire):
- লেসেজ-ফেয়ার (Laissez-faire) একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ “অবাধ রাখতে দেওয়া“।
- অর্থনীতিতে, লেসেজ-ফেয়ার নীতি বলতে বোঝায় সরকারের ন্যূনতম হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও মুক্ত বাজারের উপর জোর দেওয়া।
- এটি অর্থনৈতিক উদারবাদ (economic liberalism) বা মুক্ত বাজার অর্থনীতি/পুঁজিবাদী অর্থনীতি (free market economy)-এর সাথে সম্পর্কিত।

⇒ এই নীতির মূল ধারণাগুলো হল:
- ব্যক্তিগত স্বাধীনতা: ব্যক্তিদের তাদের নিজস্ব অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
- মুক্ত বাজার: সরকারের বাজারে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়, বরং বাজারকে নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে দেওয়া উচিত।
- সীমিত সরকার: সরকারের ভূমিকা শুধুমাত্র আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা এবং ব্যক্তি ও সম্পত্তির নিরাপত্তা প্রদান করা।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

১৮.
‘Playground of Europe’ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. স্পেন
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

Playground of Europe:
- সুইজারল্যান্ডকে "Playground of Europe" বা ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গন  বলা হয়।
- আল্পস পর্বতমালা, অবিশ্বাস্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বরফে ঢাকা উপত্যকা এবং স্কিইং বা হাইকিং-এর মতো রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগের কারণে সুইজারল্যান্ডকে এই নাম দেওয়া হয়েছে।
- এটি ইউরোপের সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন হিসেবে পরিচিত যেখানে সারা বছর অ্যাকটিভিটি চলে।
- এই নামটি প্রথমে ১৮৭১ সালে ব্রিটিশ লেখক Leslie Stephen-এর বই "The Playground of Europe" থেকে এসেছে।

এছাড়াও,
- বেলজিয়ামকে 'ইউরোপের ককপিট' বা 'রণাঙ্গন' বলা হয়।

উৎস: Times of India.

১৯.
বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ কোনটি? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ভেনিজুয়েলা
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- ইআরএর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ কোটি ১২ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে। এটা বিশ্বে প্রতিদিন মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২২ শতাংশ। শুধু শীর্ষ তেল উত্তোলনকারী দেশ নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি তেলের ভোক্তা দেশের তালিকাতেও ১ নম্বরে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের ২য় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব। 

অন্যদিকে,
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রমাণিত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলায়, যার পরিমাণ ৩০৩ বিলিয়ন (৩০ হাজার ৩০০ কোটি) ব্যারেলের বেশি।

উৎস: i) World Population Review ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২০.
Mercosur কোন অঞ্চলের শক্তিশালী বাণিজ্যিক জোট?
  1. মধ্য আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. পূর্ব এশিয়া
  4. দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা

MERCOSUR:
- MERCOSUR বা The Southern Common Market দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯১।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: Treaty of Asuncion.
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আসুনসিয়ন, প্যারাগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে।
- বর্তমান সদস্য: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে ও বলিভিয়া)।  
- সদরদপ্তর: মণ্টেভিডিও, উরুগুয়ে।
- সহযোগী সদস্য: ৭টি (বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, গায়ানা, পেরু, পানামা, সুরিনাম)।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে ভেনেজুয়েলার সদস্যপদ স্থগিত রয়েছে।
- বলিভারিয়ান রিপাবলিক অব ভেনেজুয়েলা উশুয়ায়ার প্রোটোকলের ৫ অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের বিধান অনুসারে, মার্কোসুর রাষ্ট্রীয় পক্ষ হিসাবে তার অধিকার এবং বাধ্যবাধকতা স্থগিত করা হয়েছে।

উৎস: Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।

২১.
কাস্পিয়ান সাগর প্রকৃতপক্ষে একটি -
  1. নদী
  2. সাগর
  3. উপসাগর
  4. হ্রদ
ব্যাখ্যা

কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর হলো প্রকৃতপক্ষে একটি হ্রদ।
- এটি এশিয়া এবং ইউরোপের মাঝে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্তঃমহাদেশীয় হ্রদ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগরের আয়তন ৩,৮৬,৪০০ বর্গ কিলোমিটার।
- প্রধান নদী: ভলগা, ইউরাল, কুরা ও তেরেক নদী এতে পানি সরবরাহ করে।

উল্লেখ্য,
- এটি পাঁচটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত: রাশিয়া, কাজাখস্তান, আজারবাইজান, ইরান এবং তুর্কমেনিস্তান।
- এটি এশিয়া-ইউরোপের মাঝে, ককেসাস পর্বতমালার পূর্বে এবং স্তেপ ও মধ্য এশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত।

উৎস: World Atlas.

২২.
কোন দেশটি G7 সংগঠনের সদস্য নয়?
  1. কানাডা
  2. ইতালি
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

চীন G7 সংগঠনের সদস্য নয়।

G7:

- G7 বা Group of Seven হলো বিশ্বের ৭টি শিল্পোন্নত দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- বর্তমান সভাপতি দেশ: ফ্রান্স।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি। তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

উৎস: i) G7 ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

২৩.
বিরোধপূর্ণ ‘প্যারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জ কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. আন্দামান সাগর
  2. পারস্য উপসাগর
  3. পীতসাগর
  4. দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- বিরোধপূর্ণ ‘প্যারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন। এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

উৎস: i) Britannica. 
ii) BBC.

২৪.
সর্বশেষ ২১তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে কোন দেশ? [মার্চ, ২০২৬]
  1. সুইডেন
  2. রোমানিয়া
  3. বুলগেরিয়া
  4. মাল্টা
ব্যাখ্যা

 ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
- এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বুলগেরিয়া ইউরোজোন-এর ২১তম সদস্য হিসেবে যোগদান করেছে। 

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।