পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ টপিক: পৃথিবীর স্থলভাগ (মহাদেশ সমূহ) এবং পৃথিবীর জলভাগ (মহাসাগর ও প্রণালী) [Live Class – 5 & 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
'সলোমান দ্বীপপুঞ্জ' কোন নিচের জলভাগের অন্তর্গত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

- 'সলোমান দ্বীপপুঞ্জ' প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।

» গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:


• প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

• আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

• ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
কোন মহাদেশে দেশের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. আফ্রিকা
  4.  উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

» বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
'জিব্রাল্টার' প্রণালী দ্বারা কোন দুই মহাদেশ পৃথক হয়েছে?
  1. ইউরোপ ও আফ্রিকা
  2. আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া
  3. ইউরোপ ও এশিয়া
  4. এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে। 
- জিব্রাল্টার প্রণালী হলো একটি সংকীর্ণ জলপথ যা ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- এটি স্পেন এবং উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য: ৩৬ মাইল (৫৮ কিমি)।
- সর্বনিম্ন প্রস্থ: ৮ মাইল (১৩ কিমি), যা স্পেনের পয়েন্ট মারোকি এবং মরক্কোর পয়েন্ট সিরেসের মধ্যে।
- গড় গভীরতা: ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকার আটলাস পর্বতমালা এবং স্পেনের উঁচু মালভূমির মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.

.
মারিয়ানা ট্রেঞ্চে অবস্থিত সর্বাধিক গভীর বিন্দুটির নাম কী?
  1. Challenger Deep
  2. Challenger Abyss
  3. Pacific Deep
  4. Mariana Pit
ব্যাখ্যা

• মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়।

তথ্যসূত্র:  i) World Atlas 
ii) National Geographic Society.

.
পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কাল্পনিক রেখাগুলোকে কী বলা হয়?
  1. অক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমা রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমাংশ ও দ্রাঘিমা রেখা:
• দ্রাঘিমাংশ:- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে।
দ্রাঘিমা রেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)।
- প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত।

অন্যদিকে,
অক্ষাংশ:- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
অক্ষরেখা:- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
নিরক্ষরেখা:- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
কর্কটক্রান্তি রেখা:- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
মকরক্রান্তি রেখা:- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি হিসেবে সাধারণত কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. অ্যাস্ট্রোল্যাব
  3. সোলার ক্লক
  4. স্পিরোস্কোপ
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ (Latitude) ও দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয়ের পদ্ধতি:
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]

» দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়: (সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং
  2. গঙ্গা
  3. হোয়াংহো 
  4. সিন্ধু
ব্যাখ্যা

• ইয়াংজি/ ইয়াংসিকিয়াং নদী (Yangtze River):
- চীন এবং এশিয়ার দীর্ঘতম নদী এবং বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী। 
- দৈর্ঘ্য: ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- নদীর বেসিন প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) পশ্চিম থেকে পূর্ব এবং ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- নদীটি তিব্বতের প্লেটোর উৎস থেকে বের হয়ে পূর্ব চীনা সাগরে পতিত হয়।
- নদী ১০টি চীনা প্রদেশ বা অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বা তাদের সীমান্ত হিসাবে কাজ করে।
- নদীর প্রায় ৭৫% পথ পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত।

• প্রধান উপনদীসমূহ:
- বাম তীরে: ইয়ালুং, মিন, জিয়ালিং, হান নদী।
- ডান তীরে: উ, ইউয়ান, শিয়াং, গ্যান নদী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কি?
  1. এলব্রুস পর্বত
  2. দেনালি
  3. মাউন্ট লোগান
  4. মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া
ব্যাখ্যা

• দেনালি বা মাউন্ট ম্যাককিনলি:
- মাউন্ট ম্যাককিনলি (বর্তমানে পরিচিত দেনালি নামে) হলো উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি অবস্থিত দক্ষিণ-মধ্য আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্রে, আলাস্কা রেঞ্জ পর্বতশ্রেণির কেন্দ্রে, ডেনালি ফল্ট-এর ওপরে অবস্থিত দুইটি শিখরের মধ্যে।
- সরকারিভাবে উচ্চতা: ২০,৩১০ ফুট (বা ৬,১৯০ মিটার)

- ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এই পর্বতের নতুন উচ্চতা নির্ধারণ করে।
- এটি দুটি শৃঙ্গ বিশিষ্ট, এবং এর চারপাশের অঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে বেশ সক্রিয়।
- এই পর্বতের ঐতিহাসিক নাম ম্যাককিনলি, তবে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এটি স্থানীয় দেনালি নামে পুনঃনামকরণ করে, যার অর্থ "উঁচু এক" বা "মহান"—আলাস্কার আদিবাসী কয়ানাথ জাতির ভাষায়।
- ডেনালি শুধুমাত্র একটি ভৌগোলিক চূড়া নয়, বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীকস্বরূপ এবং বিশ্বের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং পর্বতারোহণের গন্তব্য হিসেবেও বিবেচিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং জেদ্দার দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় জেদ্দার স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
ব্যাখ্যা

সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও জেদ্দার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, জেদ্দা ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ জেদ্দার স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: জেদ্দার স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
নিম্নের কোন পর্বতমালা ইউরোপে সর্বাধিক বিস্তৃত?
  1. আল্পস পর্বতমালা
  2. আন্দিস পর্বতমালা
  3. রকি পর্বতমালা
  4. অ্যাপালাচিয়ান পর্বতমালা। 
ব্যাখ্যা

- ইউরোপের দীর্ঘতম পর্বতমালা আল্পস পর্বতমালা। এটিই ইউরোপে সর্বাধিক বিস্তৃত।

• আল্পস পর্বতমালা:

- আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা।
- অবস্থান: দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

১১.
আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগরের নাম কী?
  1. হাডসন উপসাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. মেক্সিকো উপসাগর
  4. পারস্য উপসাগর
ব্যাখ্যা

• বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হলো বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২৬,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত। বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

অন্যদিকে -
- মেক্সিকো উপসাগরের আয়তন ১৫,৪২,৯৮৫ বর্গ কিমি.।
- পারস্য উপসাগরের আয়তন ২,৩৭,৭৬০ বর্গ কিমি.।
- হাডসন উপসাগরের আয়তন ১২,৩০,০০০ বর্গ কিমি.।

তথ্যসূত্র: Britannica.

১২.
পামীর মালভূমি কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. মধ্য এশিয়া
  2. উত্তর আফ্রিকা
  3. পশ্চিম ইউরোপ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• পামির মালভূমি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভূমির নাম পামীর মালভূমি।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৬,০০০ ফুটের মতো।
- 'পামির মালভূমি' মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পামীর পর্বতমালাকে ঘিরে এ মালভূমিটির অবস্থান।
- তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তিব্বত, চীন এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ পর্যন্ত এ মালভূমিটি বিস্তৃত।
- এ অঞ্চলটি মূলত বিভিন্ন উঁচু পর্বতের মিলনস্থল।
- এ কারণে তাই পামীর মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা।

১৩.
কিলিমাঞ্জারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তানজানিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

• কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো হল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)। 
- এই রাজকীয় পর্বতটি একটি তুষারাবৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি তিনটি ভিন্ন শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত: Kibo, Mawenzi, এবং Shira।
- কিলিমাঞ্জারোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো Kibo, যার উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

তথ্যসূত্র: National Geographic Society এবং ব্রিটানিকা।

১৪.
আমেরিকা ও এশিয়াকে আলাদা করা প্রণালীর নাম কী?
  1. বেরিং প্রণালি
  2. মালাক্কা প্রণালি
  3. হরমুজ প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালি
ব্যাখ্যা

• পৃথককারী প্রণালি:
- বেরিং প্রণালি পৃথক করেছে আমেরিকাকে-এশিয়া থেকে।
- হরমুজ প্রণালি পৃথক করেছে- সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে।
- মালাক্কা প্রণালি পৃথক করেছে- সুমাত্র- মালয়েশিয়াকে।
- বসফরাস প্রণালি পৃথক করেছে- এশিয়া থেকে ইউরোপকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালি ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা.

১৫.
'টিটিকাকা হ্রদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. বলিভিয়া
  2. ভেনেজুয়েলা 
  3. চিলি
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

• টিটিকাকা হ্রদ:
- টিটিকাকা হ্রদ পেরু এবং বলিভিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩,৮১০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- এটিকে পৃথিবীর সর্বোচ্চ বড় হ্রদগুলির মধ্যে একটি।

- ঐতিহাসিক এবং ভূতাত্ত্বিকরা বিশ্বাস করেন যে এটি প্রায় তিন মিলিয়ন বছরের পুরানো।
- হ্রদটির পরিমাপ ৮,৩০০ বর্গ কিলোমিটার বা ৩,২০০ বর্গ মাইল এবং এর প্রস্থ বিন্দুতে ৮০ কিলোমিটার বা ৫০ মাইল।
- হ্রদ সিস্টেমটি আসলে তার সরু প্রণালী দ্বারা দুটি ভাগে বিভক্ত যা টিকুইনা নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।