পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি, বাংলাদেশের সংবিধান। উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্যবাতায়ন, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে? 
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ৪৩
ব্যাখ্যা

⇔ সংবিধান সংশোধনী:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এই অধিবেশনে ৪৩০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করে।
- এদের মধ্যে ৩৪ জনের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, খসড়া সংবিধান বিল গণপরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, 
- সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে সপ্তদশ (১৭তম) সংশোধনী বিল পাস হয়।
- এতে একাদশ সংসদের ৫০টি নারী আসন আগামী ২৫ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার বিধান অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন দুটি দেশের সংবিধান অলিখিত?
  1. England ও Spain
  2. England ও New Zealand
  3. Spain ও USA
  4. Saudi Arabia ও Spain
ব্যাখ্যা

অলিখিত সংবিধান :
- অলিখিত সংবিধান বলতে এমন সংবিধানকে বোঝায়, যার মৌলিক বিধানগুলো লিখিত কোনো একক দলিলে লিপিবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন প্রথা, রীতিনীতি, নজির এবং আইনের মাধ্যমে গড়ে ওঠে।
- এর মানে এই নয় যে এতে কোনো লিখিত অংশ নেই; বরং এর মূল নীতিগুলি কোনো একটি নির্দিষ্ট দলিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। 
- যেমন, ইংল্যান্ডের ও নিউজিল্যান্ডের সংবিধান অলিখিত।

ইংল্যান্ডের সংবিধান :
- ইংল্যান্ডের সংবিধান একক লিখিত দলিলের আকারে নেই, বরং সাধারণ আইন, বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত, সংসদীয় আইন, প্রথা ও রীতিনীতির মিশ্রণের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
নিউজিল্যান্ডের সংবিধান :
-  নিউজিল্যান্ডের সংবিধানকেও অলিখিত বলা হয়, কারণ এটি কোনো একক লিখিত দলিলে সংকলিত নয়;
- বরং এটি বিভিন্ন লিখিত আইন, আদালতের নির্দেশ, সাধারণ আইন এবং রীতিনীতির সংমিশ্রণ।

অন্যদিকে, 
• স্পেনের সংবিধান ১৯৭৮ সালে লিখিতভাবে গৃহীত হয়েছিল এবং 
- গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়ে ২৯ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- এটি ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর মৃত্যুর পর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
• সৌদি আরবে কোনো প্রচলিত লিখিত সংবিধান নেই;
- কিন্তু, ১৯৯২ সালে রাজকীয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে "মৌলিক আইন" গৃহীত হয়, যা দেশের সংবিধান হিসেবে কাজ করে এবং যা কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে তৈরি।

উৎস: 
পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

.
কোন উপাদান ছাড়া কোনো দেশকে রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা যায় না?
  1. জনসমষ্টি
  2. ভূখন্ড
  3. সরকার
  4. সার্বভৌমত্ব 
ব্যাখ্যা

 ♦রাষ্ট্রের উপাদান :
- রাষ্ট্র গঠনের চারটি প্রধান উপাদান রয়েছে।
 
⇔ প্রথম উপাদান হলো জনসমষ্টি, যা রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি। 
- জনসমষ্টি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না।
- তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রয়োজন নেই; এটি স্বাধীনভাবে নির্ধারিত হতে পারে।

⇔ দ্বিতীয় উপাদান হলো ভূখন্ড। 
- যা জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ প্রদান করে।
- ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়, পর্বত এবং সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়।

⇔ তৃতীয় উপাদান হলো সরকার, যা রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় এবং এটি তিন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে :
- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত এবং বিচার সংক্রান্ত।

⇔ চতুর্থ এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সার্বভৌমত্ব ছাড়া কোনো দেশকে রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা যায় না।
- উদাহরণস্বরূপ, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশের সব অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত ছিল না।

উৎস: পৌরনীতি, দ্বাদশ শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

.
জাতীয় সংসদ উদ্ভোধনের পর সংসদ অধিবেশন কোথায় বসত?
  1. কার্জন হল
  2. জগন্নাথ হল
  3. শহিদুল্লাহ হল
  4. কলাভবন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ হলো বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের প্রধান বিভাগ।
- সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি, যার মধ্যে ৫০টি নারী আসন রয়েছে।
- ১৭তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে এই নারী আসন পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখার বিধান প্রণীত হয়েছে।
- জাতীয় সংসদের স্থপতি লুইস আই কান।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল। এটি ছিল দেশের প্রথম সংসদের সূচনা।
- জাতীয় সংসদ প্রথমবার ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- পরবর্তীতে শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবন উদ্বোধনের পরে সেখানে প্রথম অধিবেশন শুরু হয় ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ সালে।
- উদ্বোধনের পর ২য় অধিবেশন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সংসদ অধিবেশন বসত।
 
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

.
সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে এবং কত সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান করতে বাধ্য?
  1. নির্বাচনের ২৫ দিনের মধ্যে; প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে
  2. নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে; সরকারী বিজ্ঞপ্তি দ্বারা
  3. নির্বাচনের ৩৫ দিনের মধ্যে; আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে
  4. নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে; প্রধান বিচারপতির পরামর্শে
ব্যাখ্যা

⇔সংসদের অধিবেশন:
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শের ভিত্তিতে সংসদ আহ্বান, স্থগিত অথবা ভেঙে দিতে পারেন।
- সংসদ কোথায় এবং কখন বসবে, তা সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি বা নির্ধারিত অন্য কোনো ব্যবস্থার মাধ্যমে ঠিক করা হয়।
- একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ দিনের বেশি বিরতি রাখা যাবে না; অর্থাৎ সংসদ অধিবেশন সমাপ্তির পর ৬০ দিনের মধ্যে আবার অধিবেশন ডাকতে হবে।
• সংবিধানের ৭২(২) ধারায় বলা আছে, জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সরকারী বিজ্ঞপ্তি দ্বারা সংসদ আহ্বান করা বাধ্যতামূলক।
• এছাড়া, ৭২(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি রাষ্ট্রপতি পূর্বেই সংসদ ভেঙে না দেন, তাহলে প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৫ বছর পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংসদ ভেঙে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

.
ওআইসির অধীনে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কোনটি বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. International Islamic University Chittagong (IIUC)
  2. Independent University, Bangladesh (IUB)
  3. Islamic University of Technology (IUT)
  4. Institute of Business Administration (IBA)
ব্যাখ্যা

OIC: 
- OIC (The Organization of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- এ সংস্থার কেন্দ্রীয় দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ওআইসি-এর ৩২তম সদস্য।
- ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান আয়োজিত দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশ এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ওআইসির অধীনে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়; র মধ্যে একটি  বাংলাদেশের গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি), একটি নাইজারে এবং আরেকটি উগান্ডায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৭ সালে জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আল আকসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর মুসলিম দেশগুলো মিলিত হয়ে OIC গঠন করে।
- মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিম অধ্যুষিত এসব রাষ্ট্র নিয়ে এ সংগঠন গঠিত হয়েছে।
- এর পর্যবেক্ষক সদস্য ১৭টি। 
- গঠনের সময় এর সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ২৪টি।
- সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যোগ দিয়েছে আইভরি কোস্ট।
- ওআইসি জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থা।
- এ সংস্থার সরকারি ভাষা হলো আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।

তথ্যসূত্র: OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছিলেন-
  1. বিচারপতি স্যার চৌধুরী জাফর উল্লাহ খান
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. আনোয়ারুল করিম চৌধুরী 
  4. কফি আনান
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশন:
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে।
- সদস্যপদ লাভের মাত্র এক সপ্তাহ পর, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় ভাষণ প্রদান করেন।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র।
- ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি দেশ ছিল বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ওই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছিলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

উল্লেখ্য, 
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি ছিলেন।
- বাংলাদেশ এ পর্যন্ত দুইবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়; যা বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের প্রতি বৈশ্বিক স্বীকৃতি।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ কততম দেশ হিসেবে কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি (CTBT) তে স্বাক্ষর করে?
  1. ২৮তম
  2. ১২৮তম
  3. ১২৯তম 
  4. ৪৯তম
ব্যাখ্যা

CTBT:
- CTBT বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণের জন্য প্রণীত একটি চুক্তি, যা সামরিক ও বেসামরিক সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- CTBT এর পূর্ণরূপ : Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে অবস্থিত।
- দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ CTBT কে অনুমোদন প্রদান করে এবং ১২৯তম দেশ হিসেবে ১৯৯৬ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ৫৪তম দেশ হিসেবে ২০০০ সালে এই চুক্তির অনুমোদন দেয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৫১তম অধিবেশনে চুক্তিটি গৃহীত হয়। তবে দুঃখজনকভাবে, এই চুক্তি এখনও আইনগতভাবে কার্যকর হয়নি।
- ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ সালে কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার-টেস্ট-ব্যান ট্রিটি (CTBT) নিউইয়র্কে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয়।
- ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৭১টি দেশ সনদে স্বাক্ষর করে, যার মধ্যে পাঁচটি পরমাণু অস্ত্রধারী রাষ্ট্রও ছিল। 
- এর প্রস্তাবক দেশ ছিল অস্ট্রেলিয়া।
- যদিও অনেক দেশ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে,কিন্তু  কিছু দেশ এখনো স্বাক্ষর করেনি, যার মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান এবং উত্তর কোরিয়া।
- এছাড়া, কিছু দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দেয়নি, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইসরায়েল, ইরান ও মিশর। 
- এখন পর্যন্ত CTBT কে ১৭৮টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন প্রদান করেছে এবং এখন পর্যন্ত এই চুক্তিতে  স্বাক্ষর করেছে ১৮৭টি দেশ।

উৎস: Britannica;
CTBT official website.

.
নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়ন ও ক্ষমতা কোন অনুচ্ছেদের অধীনে?
  1. ১২৪
  2. ১১৭
  3. ১১৮
  4. ১০৮
ব্যাখ্যা

◊ ১২৪ অনুচ্ছেদ — নির্বাচন সম্পর্কিত বিধানপ্রণয়ন:
- সংসদের ১২৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ আইনের মাধ্যমে নির্বাচন সম্পর্কিত বিষয়গুলি নির্ধারণ করতে পারে।
• এর মধ্যে রয়েছে : 
- নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ,
- ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা,
- নির্বাচন পরিচালনা এবং
- সংসদের সঠিক গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিধান প্রণয়ন করা।

উল্লেখ্য, 
• ১০৮ অনুচ্ছেদ — সুপ্রিম কোর্টের কোর্ট অব রেকর্ড স্বরূপ ক্ষমতা:
- সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদ মতে, সুপ্রিম কোর্ট একটি কোর্ট অফ রেকর্ড; তার আদেশ এবং রায় চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে এবং
- কোন বাক্তি  আদালত এর সিদ্ধান্তের অবমাননা করলে সুপ্রিম কোর্ট তদন্ত ও শাস্তিসহ তার সমস্ত সংবিধিবদ্ধ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে ওই বাক্তির বিরুদ্ধে।
• ১১৭ অনুচ্ছেদ — প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল:
- সংবিধানের ১১৭ অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ সম্পর্কিত বিধান নির্ধারণ করে (ট্রাইব্যুনালের প্রতিষ্ঠা, এখতিয়ার ও কার্যপদ্ধতি ইত্যাদি)।
• ১১৮ অনুচ্ছেদ — নির্বাচন কমিশন:
- ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে, যার প্রধান হবেন একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং
- সদস্য হিসেবে সর্বোচ্চ চারজন নির্বাচন কমিশনার থাকবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১০.
কোনো রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. জাতিসংঘের সমর্থন
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. জনসমষ্টি 
  4. সরকার
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র ও সরকার:
- রাষ্ট্র হলো একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর একটি সংগঠিত রাজনৈতিক কাঠামো, যেখানে সরকার বিদ্যমান থাকে এবং সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।
- রাষ্ট্র তার ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
- রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার অপরিহার্য।
- একটি কার্যকর রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব—এই চারটি উপাদান অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, 
• সরকার :
- সরকার হলো রাষ্ট্রের একটি অপরিহার্য উপাদান।
- সরকার আইন প্রণয়ন, প্রয়োগ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন তৈরি ও কার্যকর করে।
- এর মাধ্যমে রাষ্ট্র তার ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন ও বজায় রাখতে সক্ষম হয়।
- সরকার আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- এই বিভাগগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

উৎস: 
পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
পৌরনীতি ও নাগরিকতা – নবম-দশম শ্রেণি।

১১.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কে নিয়োগ দেন?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণের সরাসরি ভোটে 
  4. বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ:
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন।  
- যেই সংসদ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করবেন।
- প্রধানমন্ত্রী হলো সরকারপ্রধান এবং সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তিনি সংসদের নেতা এবং মন্ত্রিসভার প্রধান, যার মাধ্যমে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স ন্যূনতম ২৫ বছর হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার জন্য তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা নেত্রী হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ
- যদিও প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করেন, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ এবং সংবিধান অনুযায়ী তিনি সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি

১২.
SAARC কৃষিতথ্য কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. আফগানিস্তান 
  3. নেপাল 
  4. ভারত 
ব্যাখ্যা

⇔SAARC:
- SAARC -এর পূর্ণরূপ হল: South Asian Association for Regional Cooperation. 
- বাংলায় এর অর্থ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- SAARC ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সচিবালয় কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত।
- SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন দেশ ছিল ৭টি। 
- SAARC কৃষিতথ্য কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
   
উল্লেখ্য, 
- সার্কভুক্ত দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান এবং আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ যোগ দিয়েছে আফগানিস্তান, ২০০৭ সালে।
- SAARC এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিল বাংলাদেশ এর মোঃ এরশাদ।
- প্রথম মহাসচিব ছিল বাংলাদেশ এর আবুল হাসান।
- বাংলাদেশের গোলাম সারওয়ার সার্কের বর্তমান মহাসচিব (১৫তম)।
- SAARC দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.

১৩.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ইউরোপীয় রাস্ট্র-
  1. সেনেগাল
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. ইরাক
  4. পূর্ব জার্মানি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
• বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পূর্ব জার্মানি।
• মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইরাক।
• এশিয়ার অ-আরব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া; এরপর মালয়েশিয়া।
• মুসলিম ও আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে সেনেগাল।
• সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে কলম্বিয়া; এরপর ভেনেজুয়েলা।

উৎস:
Britannica;
প্রথম আলো।

১৪.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের মূল দায়িত্ব কোনটি?
  1. আইন কার্যকর
  2. আইন প্রণয়ন
  3. সংবিধান সংশোধন
  4. আইন ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা

♦নির্বাহী বিভাগ:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় আইনসভা, নির্বাহী ও বিচার বিভাগ পৃথক ক্ষমতার কাঠামো হিসেবে কাজ করে।
• আইনসভা আইন প্রণয়ন করে,
• বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা দেয়,
•আর নির্বাহী বিভাগ আইন কার্যকর করে।
----------------------------------------
- নির্বাহী বিভাগের মূল দায়িত্ব হলো আইন বাস্তবায়ন করা।
- তারা আইন প্রণয়ন বা ব্যাখ্যার কাজ করে না—এগুলোর দায়িত্ব যথাক্রমে আইনসভা ও বিচার বিভাগের।
- নির্বাহী বিভাগ মূলত প্রশাসন পরিচালনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের কার্যক্রম সচল রাখে।
--------------------------------------------
♦নির্বাহী বিভাগের প্রধান দায়িত্বসমূহ:
- আইন বাস্তবায়ন: আইনসভায় পাস হওয়া আইন কার্যকর করে জনগণের জীবনে প্রয়োগ করা।
- রাষ্ট্র পরিচালনা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা মিলে দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- নীতি বাস্তবায়ন: সরকারের গৃহীত নীতি, নির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা।
- স্থিতিশীলতা রক্ষা: আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- নির্বাহী বিভাগের অধীন বিস্তৃত প্রশাসনিক কাঠামো দেশের সর্বত্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
কোন নদীর উপর ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করা হয়েছে?
  1. মেঘনা 
  2. যমুনা 
  3. পদ্মা
  4. গঙ্গা 
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা বাঁধ:
ফারাক্কা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার মধ্যবর্তী গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি ব্যারেজ
• বাঁধটি বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ১৬.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
• এটি ১৯৭৫ সালে চালু হয়।

উল্লেখ্য, 
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল গঙ্গার পানি ফিডার ক্যানালের মাধ্যমে হুগলি নদীতে প্রবাহিত করে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বজায় রাখা। 
- ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্প ১৯৭১ সালে সম্পন্ন হয় এবং এর সঙ্গে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেচ সুবিধাও যুক্ত রয়েছে।
- তবে বাঁধটি চালুর পর থেকেই বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে পানির প্রবাহ শুষ্ক মৌসুমে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়;
- যার ফলে নদীর নাব্যতা কমে, পলি জমে, কৃষি ও মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- এবং এর ফলে পরিবেশগত ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেয়। 
- পানির সংকট ও জীবিকা ক্ষতির কারণে সামাজিক-অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পায়।
- অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে বাঁধ থেকে অতিরিক্ত পানি ছাড়া হলে বাংলাদেশের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
- এসব কারণে পানি বণ্টন নিয়ে ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক বিরোধ চলমান।
- যা আংশিকভাবে নিরসনের জন্য উভয় দেশ ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের ফারাক্কা পানি চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
- এই চুক্তিটি ২০২৬ সালে শেষ হবে।

উৎস:
BBC Official Website;
প্রথম আলো।

১৬.
ভারতের কতটি 'ছিটমহল' বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছ?
  1. ১৬২টি
  2. ৫১টি
  3. ১১১টি
  4. ১০১টি
ব্যাখ্যা

⇔ছিটমহল:
- ছিটমহল এমন এক ধরনের ভূখণ্ড, যা নিজের মূল রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সম্পূর্ণ অন্য দেশের সীমানার ভিতরে অবস্থান করে।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ফলে এ ধরনের জটিল ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
- পরে দীর্ঘ সময়ের আলোচনার পর ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ও ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির মাধ্যমে মোট ১৬২টি ছিটমহল পরস্পরের মধ্যে বিনিময় করে।
- বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে মোট ১০০৪১.২৫ একর জমি যোগ হয়।
- বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের মোট ১১১টি ছিটমহল ছিল।

উল্লেখ্য, 
- ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল অবস্থান করছিল।
- ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকর হয়। 
- এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ বহুদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধান করে।
- দুই দেশের যৌথ জরিপে দেখা যায়, মোট ১৬২টি ছিটমহলে প্রায় ৫৫ হাজারের মতো মানুষ বাস করত।
- এর মধ্যে বাংলাদেশের ভেতরের ছিটমহলগুলোতে ছিল প্রায় ৪১ হাজার লোক,
- আর ভারতের ভেতরের ছিটমহলগুলোতে ছিল প্রায় ১৪ হাজার মানুষ।
- ১৯৭৪ সালের স্থল সীমান্ত চুক্তি ও ২০১১ সালের প্রটোকলের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পরে দীর্ঘকাল ধরে চলা সীমান্ত জটিলতার অবসান ঘটে।
- চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের অংশ হয় এবং বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। 

উৎস: 
বিবিসি বাংলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট;
প্রথম আলো;
বাংলাপিডিয়া (৩১ জুলাই ২০১৫)।

১৭.
“বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১” এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. ২০৪১ এর মধ্যে দেশের উন্নয়নশীল অর্থনীতিকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করা।
  2. বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তর করা।
  3. ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বমানের করা।
  4. ২০৪১ এর মধ্যে দেশের শিল্প ও রপ্তানি খাতকে আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করা।
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১:
- বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১-এর মূল লক্ষ্য হলো শিল্পায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও উচ্চ আয়ের দেশে রূপান্তরিত করা।
- একটি স্মার্ট, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও সমাজ গঠন করা।
- এটি মূলত প্রযুক্তি-নির্ভর, যেখানে নাগরিক, সরকার, অর্থনীতি ও সমাজে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার উপর জোর দেয়া হচ্ছে।
• এর প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- উৎপাদন ক্ষমতা ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি,
- মানবসম্পদ উন্নয়ন,
- রপ্তানি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগানো।
•  “স্মার্ট বাংলাদেশ”-এর মূল চারটি স্তম্ভ আছে, তা হলো:
- স্মার্ট নাগরিক (প্রযুক্তিতে দক্ষ ও সচেতন মানুষ),
- স্মার্ট সরকার (স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক),
- স্মার্ট অর্থনীতি (উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-নির্ভর), 
- স্মার্ট সমাজ (শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও বাণিজ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার)।

উৎস:
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর;
কালবেলা;
দৈনিক যুগান্তর।

১৮.
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করেছে সেটি হল-
  1. NAFTA
  2. SAPTA
  3. GATT
  4. TICFA
ব্যাখ্যা

⇔টিকফা চুক্তি:
- টিকফা চুক্তির পূর্ণরূপ: TICFA - Trade and Investment Cooperation Framework Agreement.
- টিকফা চুক্তি হলো বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা চুক্তি।
- এটি ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং
- টিকফা চুক্তি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ককে শক্তিশালী করার জন্য একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করে।

উল্লেখ্য, 
- এই চুক্তি পূর্বে ‘টিফা’ (TIFA - Trade and Investment Framework Agreement) নামে পরিচিত ছিল। 
- টিকফা চুক্তির অধীনে উভয় দেশ নিয়মিত ‘কাউন্সিল বৈঠক’ আয়োজিত করে, যেখানে বাণিজ্য, শ্রম, মেধা সম্পদ এবং অন্যান্য সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- টিকফা চুক্তির সমালোচনা প্রধানত কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে : স্বচ্ছতার অভাব, শ্রম সংস্কারের চাপ, যুক্তরাষ্ট্রে অতিরিক্ত অর্থনৈতিক নির্ভরতা, সার্বভৌমত্বে প্রভাব, দ্বিপাক্ষিক সুবিধার সীমিততা, এবং গ্যাস রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব।

উৎস:
BBC Website;
প্রথম আলো;
U.S Embassy in Bangladesh.

১৯.
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রকৃতি কোনটি?
  1. সমাজতান্ত্রিক
  2. মুক্তবাজার
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. পরিকল্পিত অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
- অর্থনীতিতে যখন সরকারি এবং ব্যক্তিগত খাত একসাথে সহাবস্থান করে তখন সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে।
- বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- কারণ এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সুসমন্বয় বিদ্যমান।
- বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন ব্যবস্থা, ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রত্যেক খাতে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানার উপস্থিতি বিদ্যমান।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্পদ ব্যক্তি মালিকানায় রেখে বাকি সম্পদ সরকারকে বাৎসরিক করের বিনিময়ে ব্যক্তি মালিকানার হাতে থাকে।
- সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা খাতসমূহে সরকারি উদ্যোগে বিনিয়োগ পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির অধিকাংশই বেসরকারি বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
- তবে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর সরকারের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
সংবিধানের কোন ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৩৫ ধারা
  3. ১৪০ ধারা
  4. ১৪১(ক)(১) ধারা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা:
- সাধারণত জরুরি অবস্থা রাজনৈতিক উত্তেজনা বা সরকারের অস্থিরতার কারণে জারি হয়।
- সংবিধানের ১৪১(ক)(১) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হন যে দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তবে তিনি অধিক ১২০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন।
- বাংলাদেশে মোট পাঁচবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
- সময়কাল ও শাসক:
• ১৯৭৪: খাদ্য সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।
• ১৯৮১: রাজনৈতিক উত্তেজনা।
• ১৯৮৭:  সরকারবিরোধী আন্দোলন।
• ১৯৯০: রাজনৈতিক অস্থিরতা।
• ২০০৭: সামরিক হস্তক্ষেপ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি হলো দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সাংবিধানিকভাবে সর্বোচ্চ পদ অধিকারী।
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতির প্রধান দায়িত্ব হলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং সংবিধান অনুযায়ী কাজ করা।
- তিনি প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারক, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হন। 
 
উৎস: 
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি;
Laws of Bangladesh.

২১.
জাতীয় শিক্ষা নীতি–২০১০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার স্তর কত পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত
  2. পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত
  3. অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত
  4. দশম শ্রেণি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

◊ জাতীয় শিক্ষানীতি–২০১০:
- জাতীয় শিক্ষানীতি–২০১০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পূর্বের পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। 
- এর সঙ্গে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা যুক্ত করা হয়েছে। 
- নীতিতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণিকে প্রাথমিক ও নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিকে মাধ্যমিক স্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
- নীতিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করে একটি সমন্বিত স্তর গঠনের পাশাপাশি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তিমূলক ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। 
- যদিও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন কারণে এটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি;
- তবে সরকার ধীরে ধীরে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

২২.
বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নরের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৪ 
ব্যাখ্যা

⇔ বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বনাম ছিল : State Bank of Pakistan.
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর স্থপতি হচ্ছে শফিউল কাদের।
- এই ব্যাংক এর ১ম গভর্নর ছিল- A.N Hamidullah.
- গভর্নরের মেয়াদ হচ্ছে ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর বর্তমান শাখা ১০টি।
- সর্বশেষ শাখা ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উৎস: Bangladesh Bank Official Website.

২৩.
বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)-র মহাপরিচালক কে?[ ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান
  2. মোঃ আবুল কাশেম
  3. সৈয়দ আমানুল হক
  4. মোঃ কামরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর:
- DPE-এর পূর্ণরূপ: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (Directorate of Primary Education).
- এটি বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন, তদারকি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা একটি সরকারি সংস্থা।
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
 - এর মূল কাজের মধ্যে রয়েছে—
• দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা,
• শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান,
• প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ক নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা, এবং
• প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও সম্পাদন করা।
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

২৪.
বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়- 
  1. ২ ফেব্রুয়ারি
  2. ৮ মার্চ
  3. ১১ জুলাই
  4. ১১ জুন
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা দিবস:
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- এই দিনটি পালন করার মূল উদ্দেশ্য হলো : জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব, পরিবার পরিকল্পনা, স্বাস্থ্যসেবা এবং টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা।
- দিবসটির স্লোগান হলো: "দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়"।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস প্রতি বছর ১১ জুলাই পালিত হয়।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আয়োজন, যা জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা এবং সমাধান সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে উদ্যোগী। 
- ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা ৫০০ কোটি অতিক্রম করলে সারা বিশ্বের মানুষ এই বিষয়ে আগ্রহী হয়।
- সেই আগ্রহের প্রেক্ষিতে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালনা পরিষদ এই দিবসটি প্রতিষ্ঠা করে।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের মূল লক্ষ্য হলো পরিবার পরিকল্পনা, লৈঙ্গিক সমতা, দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকারের মতো জনসংখ্যা     বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

উৎস: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২৫.
বাংলাদেশে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা হয় কত তারিখে? 
  1. ১ জানুয়ারি ২০০৭
  2. ১৫ আগস্ট ২০০৭
  3. ১ নভেম্বর ২০০৭
  4. ২৬ মার্চ ২০০৭
ব্যাখ্যা

 • নির্বাহী বিভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 
- এর মূল লক্ষ্য হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
- যদিও এই ধারাটি সংবিধানে অনেক আগে থেকেই অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু
 - বাস্তবে এটি কার্যকর করা হয় ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর, মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৭ সালে পৃথক করা হলেও এতদিন বিচার বিভাগ কার্যত নির্বাহী বিভাগের অধীনে থেকে কাজ করত।
- জুলাই–আগস্ট ২০০৭ সালে অভ্যুত্থানের পর জনগণের মধ্যে স্বাধীন বিচার বিভাগের প্রতি আশাবাদ জন্মায়।
- এরপর প্রথমবারের মতো তরুণ বিচারকদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ইয়ং জাজেস ফর জুডিশিয়াল রিফর্ম’ তাদের ১২ দফা দাবি ঘোষণা করে। -
- যার মধ্যে প্রথম দফা ছিল সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় গঠন।
- পরবর্তীতে, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে।
- এর ফলে আদালত নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজস্ব প্রশাসনিক কাঠামো পায়।
- এই সচিবালয়ের নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধান বিচারপতির হাতে, এবং প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে একজন সচিব নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন।
- অধস্তন সব আদালতের বিচারকের নিয়োগ, পদায়ন ও বদলিও এই সচিবালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

২৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার বিষয়টি বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩৮
  3. অনুচ্ছেদ ৪০
  4. অনুচ্ছেদ ৩৯
ব্যাখ্যা

⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ নাগরিকদের চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা, নৈতিকতা, আদালত-অমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে   প্ররোচনা সম্পর্কিত আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার   পাশাপাশি সংবাদপত্রের স্বাধীনতারও নিশ্চয়তা আছে।
• অনুচ্ছেদ ৩৯(১): চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
• অনুচ্ছেদ ৩৯(২): রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক   নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করে।

অন্যদিকে, 
⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে, প্রত্যেক নাগরিকের বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধে চলাচল করার, দেশের যেকোনো স্থানে বসবাস ও বসতি স্থাপন করার এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও পুনঃপ্রবেশ করার অধিকার থাকবে। 
- এটি বাংলাদেশের নাগরিকদের চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে,
⇔ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে  প্রত্যেক নাগরিকের শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় জনসভা ও মিছিলে অংশ নেওয়ার অধিকার রয়েছে।
⇔ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয় হলো সংগঠনের স্বাধীনতা। 
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার রয়েছে। 

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

২৭.
বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ১৯৩৭
  2. ১৯৭২
  3. ১৯১০
  4. ১৯২১
ব্যাখ্যা

• বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি:
- বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এটি পূর্ববঙ্গের প্রথম জাদুঘর হিসেবে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন দিঘাপতিয়া রাজ পরিবারের বংশধর শরৎকুমার রায়, আইনজীবী ও ইতিহাসবিদ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ববিদ রামপ্রসাদ চন্দ্র।
- প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার ঐতিহ্য ও নিদর্শন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাদুঘর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, 
- বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি বিভিন্ন গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা করত, যার মধ্যে বার্ষিক প্রতিবেদন, মনোগ্রাফ, শিলালিপি ও সংস্কৃত পান্ডুলিপি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- তবে প্রতিষ্ঠাতাদের মৃত্যুর পর এবং ১৯৪৭ সালে দেশের বিভাজনের পর সোসাইটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে কমে যায়।
- অবশেষে ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- যদিও বরেন্দ্র জাদুঘর আজও গবেষণার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গৌরবের প্রতীক হিসেবে টিকে আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৮.
কবে বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নেয়? 
  1. ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট
  2. ১৯৯০ সালের ৩ মে
  3. ১৯৯০ সালের ৩ জুলাই
  4. ১৯৯০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়ন:
- বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট আইনি অঙ্গীকার গ্রহণ করে। 
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের এই সনদে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল।
- বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষর ও অনুসমর্থনের মাধ্যমে শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে আইনগতভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিশু অধিকার সনদ ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয় এবং
- ১৯৯০ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়ে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলোর ওপর আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
- সনদটি শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য পাঁচটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে প্রণীত:
• জীবনের অধিকার,
• একটি নাম ও জাতীয়তা পাওয়ার অধিকার, 
• পরিবারে বড় হওয়া ও যত্ন লাভের অধিকার,
•  শিক্ষা ও খেলাধুলার অধিকার, এবং
• অর্থনৈতিক ও যৌন শোষণ থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার। 

উৎস:
UNICEF;
বাংলাপিডিয়া।

২৯.
ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট কতটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

◊ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দেয়া:
- ইউনেস্কো বাংলাদেশে মোট ৩টি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে স্বীকৃতি দিয়েছে:
- এর মধ্যে ২টি সাংস্কৃতিক ও ১টি প্রাকৃতিক ঐতিহ্য।
- এই তিনটি স্থান হলো: পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (সাংস্কৃতিক),
- বাগেরহাটের মসজিদ শহর (সাংস্কৃতিক) এবং
- সুন্দরবন (প্রাকৃতিক)।

উল্লেখ্য,
⇔ সোমপুর মহাবিহার:
- সোমপুর মহাবিহার, বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় ৩২২তম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৮৫ সালে এটি এই মর্যাদা লাভ করে।
 দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত এই স্থাপনাটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল সম্রাট ধর্মপাল নির্মাণ করেছিলেন।
⇔ মসজিদের শহর বাগেরহাট:
-১৯৮৫ সালে মসজিদের শহর বাগেরহাট ইউনেস্কোর “ঐতিহাসিক মসজিদের শহর” হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- শহরটির স্বতন্ত্র স্থাপত্যশৈলী ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণেই এটি তালিকাভুক্ত হয়।
- একই বছরে ইউনেস্কো বাগেরহাটকে ৩২১তম বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- এই শহরটি বিশেষভাবে বিখ্যাত প্রায় ৩৬০টিরও বেশি মসজিদ, পাশাপাশি বহু সরকারি স্থাপনা, সমাধি, সেতু, সড়ক ও জলাধারের জন্য - যার মধ্যে ষাটগম্বুজ মসজিদ সর্বাধিক পরিচিত।
⇔ সুন্দরবন:
- সুন্দরবন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে তালিকায় ৭৯৮তম স্থান অর্জন করে। -বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, সমৃদ্ধ ও বিরল জীববৈচিত্র্য, এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল হওয়ার কারণে সুন্দরবনকে এই মর্যাদা প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

৩০.
এসডিজি ৪ (SDG 4)–এর মূল লক্ষ্য কী?
  1. স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন
  2. মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

♠ এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো:
-
SDG-এর পূর্ণরূপ হলো Sustainable Development Goals (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা)।
- এতে মোট ১৭টি লক্ষ্য রয়েছে।
- এটি জাতিসংঘের একটি বৈশ্বিক লক্ষ্য যা ২০৩০ সালের মধ্যে সকল মানুষের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোর ৪ নম্বর লক্ষ্য হলো মানসম্মত শিক্ষা (Quality Education).
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো : সবার জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।

উল্লেখ্য, 
-  এই লক্ষ্যের মধ্যে প্রধান বিষয়গুলো হলো:
• ২০৩০ সালের মধ্যে সব ছেলে-মেয়ের জন্য বিনামূল্যে, সমান ও মানসম্মত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।
•  শিশুর প্রাথমিক বিকাশ, যত্ন ও মানসম্মত প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষায় সকল শিশুর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।
•  নারী-পুরুষ সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, যাতে তারা শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত জীবন অর্জন করতে পারে।
• কর্মসংস্থান, ভালো চাকরি এবং উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা অর্জনে যুবক ও প্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
• লিঙ্গ বৈষম্য ও প্রতিবন্ধী, আদিবাসী ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুসহ দুর্বল জনগোষ্ঠীর শিক্ষায় সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
• সব যুবক ও প্রাপ্তবয়স্ককে সাক্ষরতা এবং মৌলিক গণিত দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
•  মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা, শান্তি ও অহিংসা, বিশ্ব নাগরিকত্ব এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ধারণা সম্পর্কিত শিক্ষার ব্যবস্থা করা।
• শিশু ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা এবং যোগ্য শিক্ষকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।
- এই সব লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে সবাই উন্নত জীবন লাভ করতে পারবে এবং দেশের টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি হবে।

উৎস: Sustainable Development Official Website.