দুটি অধীন বাক্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নির্দেশ করতে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
ক
কমা
খ
কোলন
গ
কোলন ড্যাশ
ঘ
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
• দুটি অধীন বাক্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নির্দেশ করতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
• যতিচিহ্ন: - মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। - বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। - যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
• সেমিকোলন (;): স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন - - সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি। - কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়। - তিনি পড়েছেন বিজ্ঞান; পেশা ব্যাংকার; আর নেশা সাহিত্যচর্চা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২.
মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয় কোনটি?
ক
একেই কি বলে সভ্যতা
খ
কুলসুম জীবনী
গ
বিষাদ-সিন্ধু
ঘ
বেহুলা গীতাভিনয়
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয় - একেই কি বলে সভ্যতা। - এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন।
• মীর মশাররফ হোসেন: - ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম। - তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক। - তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন। এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু। - গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু। - তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন। - তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। - তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন। - তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।
• তাঁর রচিত নাটক: - বসন্তকুমারী, - জমীদার দর্পণ, - বেহুলা গীতাভিনয়, - টালা অভিনয়।
• তাঁর রচিত উপন্যাস: - বিষাদ-সিন্ধু।
• তাঁর রচিত গ্রন্থ: - উদাসীন পথিকের মনের কথা, - গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
• তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ: - আমার জীবনী, - কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ: - গো-জীবন।
• তাঁর রচিত প্রহসন: - এর উপায় কি?
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩.
'নিবারণ' শব্দের 'নি' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
ক
নিষেধ
খ
নিশ্চয়
গ
আতিশয্য
ঘ
অভাব
ব্যাখ্যা
• 'নিবারণ' শব্দের 'নি' উপসর্গটি নিশ্চয় অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• উপসর্গ: - যেসব শব্দাংশ অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলােকে উপসর্গ বলে। - নতুন শব্দ তৈরি করা এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন করা উপসর্গের কাজ।
• তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ: - বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। - তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি। যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।
• এই প্রবন্ধের কিছু বিখ্যাত উক্তি: - ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়। - যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব। - যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়। - যে জাতির জ্ঞানভাণ্ডারে শূন্য সে জাতি ভাঁড়েও ভবানী।
• প্রমথ চৌধুরী: - ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম। - তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন। - বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী। - তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।' - গদ্য / প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান। - বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। - তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। - ১৯৪৬ সালে শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।
• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ: - নানা কথা, - আমাদের শিক্ষা, - রায়তের কথা, - নানাচর্চা, - প্রবন্ধ সংগ্রহ, - বীরবলের হালখাতা, - তেল নুন লকড়ি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; প্রবন্ধ সংগ্রহ, প্রমথ চৌধুরী।
৫.
'ছায়ায় বস।' - নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক
অধিকরণে ৭মী
খ
অপাদানে ৭মী
গ
করণে ৭মী
ঘ
কর্মে ৭মী
ব্যাখ্যা
• 'ছায়ায় বস।' - নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
• অধিকরণ কারক: - ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। - অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ ‘এ’, 'য়', ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যথা - - আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। - কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে। - অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা: ১. আধারাধিকরণ, ২. কালাধিকরণ এবং ৩. ভাবাধিকরণ।
• অধিকরণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ: • প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি: - আমি ঢাকা যাব। - বাবা বাড়ি নেই।
• অধিকরণে অনুসর্গের ব্যবহার - ঘরের মধ্যে কে রে? তোমার আসন পাতিব হাটের মাঝে।
• ক্রিয়াকে কখন / কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক। - 'ছায়ায় বস।' - এখানে 'কোথায় বস?', প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'ছায়ায়'। তাই 'ছায়ায়' অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬.
'আষাঢ়' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
ক
কণিকা
খ
ক্ষণিকা
গ
খেয়া
ঘ
চিত্রা
ব্যাখ্যা
• 'আষাঢ়' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে 'ক্ষণিকা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। - গ্রন্থটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়। - উল্লেখযোগ্য কবিতা: ক্ষণিকা, যথাসময়, বোঝাপড়া, অচেনা, আষাঢ়, বিদায়, সেকাল, উদাসীন, শেষ ইত্যাদি।
আষাঢ়, - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নীল নবঘনে আষাঢ়গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে। ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে। বাদলের ধারা ঝরে ঝরঝর, আউষের ক্ষেত জলে ভরভর, কালিমাখা মেঘে ও পারে আঁধার ঘনিয়েছে দেখ্ চাহি রে। ওই শোনো শোনো পারে যাবে ব'লে কে ডাকিছে বুঝি মাঝিরে।।
ওই ডাকে শোনো ধেনু ঘন ঘন, ধবলীরে আনো গোহালে। এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে। দুয়ারে দাঁড়ায়ে ওগো দেখ্ দেখি মাঠে গেছে যারা তারা ফিরিছে কি, রাখালবালক কী জানি কোথায় সারা দিন আজি খোয়ালে। এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে॥
শোনো শোনো ওই পারে যাবে বলে কে ডাকিছে বুঝি মাঝিরে। খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে। পুবে হাওয়া বয়, কূলে নেই কেউ, দু কূল বাহিয়া উঠে পড়ে ঢেউ, দরদর বেগে জলে পড়ি জল ছলছল উঠে বাজি রে। খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে।।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। - তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক। - তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। - তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে। - মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। - ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
• তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ: - মানসী, - সোনার তরী, - চিত্রা, - চৈতালী, - কল্পনা, - ক্ষণিকা, - গীতাঞ্জলি, - বলাকা, - পূরবী, - পুনশ্চ, - পত্রপুট, - সেঁজুতি, - শেষ লেখা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; ক্ষণিকা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৭.
'দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধ কর।’- কোন ধরনের বাক্য?
ক
অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
খ
আবেগবাচক বাক্য
গ
বিবৃতিবাচক বাক্য
ঘ
বিস্ময়সূচক বাক্য
ব্যাখ্যা
• 'দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধ কর।’- অনুজ্ঞাবাচক বাক্য।
• বাক্য: - এক বা একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত পূর্ণ অর্থবোধক ভাষিক একককে বাক্য বলে। - বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রত্যেকটি শব্দকে পদ বলে। - এদিক দিয়ে পদ হলো বাক্যের একক। - বাক্য দিয়ে বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়। যেমন - - সজল ও লতা বই পড়ে। এটি একটি বাক্য। পাঁচটি শব্দ দিয়ে গঠিত এই বাক্যে বক্তার মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশিত হয়েছে।
• অনুজ্ঞাবাচক বাক্য: - আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বোঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হয়। যেমন - - আমাকে একটি কলম দাও। - তার মঙ্গল হোক। - দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধ কর।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
• 'রঙিন ফুলের সোহাগ জড়ানো ফুল-মালঞ্চ ধরি।' পঙ্ক্তিটির রচয়িতা - জসীম উদ্দীন। - এটি তাঁর রচিত 'বালুচর' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'প্রতিদান' কবিতার পঙ্ক্তি।
প্রতিদান, - জসীম উদ্দীন
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর। যে মোরে করিল পথের বিবাগী- পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি, দিঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর; আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর।
আমার এ কূল ভাঙিয়াছে যেবা আমি তার কূল বাঁধি, যে গেছে বুকেতে আঘাত হানিয়া তার লাগি আমি কাঁদি। যে মোরে দিয়েছে বিষে-ভরা বাণ, আমি দেই তারে বুকভরা গান, কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান সারাটি জনম ভর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।
মোর বুকে যেবা কবর বেঁধেছে আমি তার বুক ভরি রঙিন ফুলের সোহাগ জড়ানো ফুল-মালঞ্চ ধরি। যে মুখে সে কহে নিঠুরিয়া বাণী, আমি লয়ে সখি, তারি মুখখানি, কত ঠাঁই হতে কত কী যে আনি,সাজাই নিরন্তর আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।
• জসীম উদ্দীন: - তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ। - তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'। - তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। - E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন। - তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। - ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।
• তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য: - নক্সী কাঁথার মাঠ, - সোজন বাদিয়ার ঘাট, - মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।
• তাঁর রচিত জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন: - রাখালী, - বালুচর, - রূপবতী, - ধানখেত, - মাটির কান্না, - সুচয়নী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৯.
'Node' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
ক
উৎপাত
খ
পাত
গ
যাযাবর
ঘ
সংযোগ
ব্যাখ্যা
• 'Node' এর বাংলা পরিভাষা - পাত; পর্ব।
অন্যদিকে, • 'Nexus' এর বাংলা পরিভাষা - সংযোগ, সম্পর্ক। • 'Nomads' এর বাংলা পরিভাষা - যাযাবর। • 'Nuisance' এর বাংলা পরিভাষা - উৎপাত, কণ্টক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
১০.
What is the synonym of the word 'Recalcitrant'?
ক
Ruly
খ
Compliant
গ
Uncooperative
ঘ
Amenable
ব্যাখ্যা
• Recalcitrant (adjective)
English Meaning: Unwilling to do what you are asked or ordered to do, even if it is reasonable. Bangla Meaning: অবাধ্য; অবশ্য; শৃঙ্খলাভঙ্গকারী: a recalcitrant child/attitude.
Other Forms: - Recalcitrance (noun(s) [Uncountable noun] অবাধ্যতা; অবশ্যতা।
Example Sentence: 1. He was often handed the difficult and recalcitrant patients by his bosses and he hadn't failed one yet. 2. The manager worried that the recalcitrant employee would try to undermine his authority.
Source: Live MCQ Lecture.
১১.
'Verse or words that are badly written or expressed' can be termed as -
ক
Doggerel
খ
Requiem
গ
Lampoon
ঘ
Eulogize
ব্যাখ্যা
• Doggerel English Meaning: Poetry that is badly written or silly, sometimes because the writer has not intended it to be serious/ Verse or words that are badly written or expressed. Bangla Meaning: অনিয়মিত ছন্দের মূল্যহীন বা হালকা মেজাজের কবিতা।
• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - • Requiem English Meaning: A musical composition for the mass (A kind of funeral prayer) of a dead person). Bangla Meaning: মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্গতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত প্রার্থনা (সংগীত)।
• Lampoon: English meaning: It is a piece of writing or speech which criticizes someone or something very strongly, using humorous means. Bangla meaning: কোনো ব্যক্তিকে তীব্রভাবে ব্যঙ্গ করে রচিত কোনো রচনা।
• Eulogize (verb): English Meaning - To praise someone or something in a speech or piece of writing. Bangla Meaning - (আনুষ্ঠানিক) বক্তৃতায় অথবা লিখিতভাবে উচ্চপ্রশংসা করা।
Source: Oxford Learner's Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১২.
Identify the correct sentence.
ক
The new idea was hard to be grasp.
খ
The new idea was hard to be grasped.
গ
The new idea was hard to grasp.
ঘ
The new idea was hard to grasped.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - The new idea was hard to grasp. • কোন sentence এ adjective এর পর সাধারণত infinitive সব সময় active হয়, Passive/ to be হয় না। - প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে তাই hard, adjective এরপর to grasp বসেছে।
Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
১৩.
The phrase 'Baker's dozen' means -
ক
Thirteen in number
খ
Very ordinary
গ
A skilled person
ঘ
A task that is very difficult
ব্যাখ্যা
• A baker's dozen - from the former bakers' custom of adding an extra loaf to a dozen sold - এ phrase টি মূলত রুটি বা বিস্কুট তৈরীকারীদের অতীত রীতি থেকে এসেছে। - তারা কোন অর্ডার এর ক্ষেত্রে ১২ টির জায়গায় একটি অতিরিক্ত দিয়ে ১৩ টি দিত। - তাই ‘A baker’s dozen’ অর্থ ১৩ টি।
• A round dozen – পূর্ণ ডজন/১২টি অর্থাৎ A full dozen. • A long dozen or baker's dozen means - Thirteen; অর্থাৎ ১৩টি।
Source: Britannica
১৪.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ডের বিধান আছে?
ক
১৯
খ
২১
গ
২২
ঘ
২৩
ব্যাখ্যা
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান:মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড: (১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
১৫.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের উল্লেখিত অর্থের কত শতাংশ অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে?
ক
২৫%
খ
৫০%
গ
২০%
ঘ
৭৫%
ব্যাখ্যা
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত: চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়। -------------------- ⇒ NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal: -Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
১৬.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য গঠিত বাছাই কমিটির অন্যুন কত জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হবে?
ক
২ জন
খ
৩ জন
গ
৪ জন
ঘ
৫ জন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার বিধান বাছাই কমিটি: (১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- (ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; (খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; (গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; (ঘ) সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান; এবং (ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন৷ (৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ (৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷ (৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷
১৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের ক্ষেত্রে খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশে আদালত সর্বোচ্চ কত দিন সময় দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে?
ক
১৫
খ
৩০
গ
৬০
ঘ
৯০
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার: (১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- (ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং (খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।
(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
১৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার কতজন উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে?
ক
এক-তৃতীয়াংশ
খ
দুই-তৃতীয়াংশ
গ
এক-চতুর্থাংশ
ঘ
দুই-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা: (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে। (২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে। (৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন। (৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না। (৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
১৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৯ ধারা অনুযায়ী ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন হলে আদালত সর্বোচ্চ কত কার্য দিবসের জন্য বিচারকার্য মুলতবি রাখতে পারেন?
ক
৩
খ
৫
গ
৭
ঘ
১৫
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি: - এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।
২০.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের কোন ধারানুযায়ী Additional Special Tribunal গঠন করা হয়?
ক
২৫গ
খ
২৬
গ
২৭
ঘ
২৮
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান: এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে: -এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।
-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।
- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে। ---------------------------------------- ⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2).
(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:
Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.
২১.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
ক
অ্যাকসেস টাইম
খ
ল্যাটেন্সি টাইম
গ
রিড টাইম
ঘ
সিক টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time): - মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে। - প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়। - অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে। - সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান। - কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।
• পঠনক্রিয়া (Read Operation): - মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।
• লিখন অপারেশন (Write Operation): - মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।
• সিক টাইম (Seek Time): - চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।
• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time): - রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
- পেপিলোমা ভাইরাস প্রানীদেহে রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস। - পেপিলোমা ভাইরাসের কারণে মানুষের এনোজেনিটাল ক্যান্সার হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২৩.
কোনো গ্রামের জনসংখ্যা ৪% বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০৮০ জন হলো। পূর্বে ঐ গ্রামের জনসংখ্যা কত ছিল?
ক
১৮৮০ জন
খ
১৮৯০ জন
গ
২০০০ জন
ঘ
২০১০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো গ্রামের জনসংখ্যা ৪% বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০৮০ জন হলো। পূর্বে ঐ গ্রামের জনসংখ্যা কত ছিল?
সমাধান: ৪% বৃদ্ধিতে, পূর্বে জনসংখ্যা ১০০ জন হলে বর্তমানে = ১০০ + ৪ = ১০৪ জন
বর্তমান জনসংখ্যা ১০৪ জন হলে পূর্বের জনসংখ্যা = ১০০ জন বর্তমান জনসংখ্যা ১ জন হলে পূর্বের জনসংখ্যা = ১০০/১০৪ জন ∴ বর্তমান জনসংখ্যা ২০৮০ জন হলে পূর্বের জনসংখ্যা = (১০০ × ২০৮০)/১০৪ = ২০০০ জন
২৪.
a2 = 3a - 1 হলে a4 + (1/a4) - 5 এর মান কত?
ক
40
খ
42
গ
44
ঘ
47
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a2 = 3a - 1 হলে a4 + (1/a4) - 5 এর মান কত?
৩০% ছাড়ে, বিক্রয়মূল্য ৭০ টাকা হলে তালিকামূল্য = ১০০ টাকা বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে তালিকামূল্য = ১০০/৭০ টাকা বিক্রয়মূল্য ৮৪ টাকা হলে তালিকামূল্য = (১০০ × ৮৪)/৭০ = ১২০ টাকা
আবার ১৫% ছাড়ে, তালিকামূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৮৫ টাকা তালিকামূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ৮৫/১০০ টাকা তালিকামূল্য ১২০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (৮৫ × ১২০)/১০০ টাকা = ১০২ টাকা
∴ ১০% ছাড়ে, পাঞ্জাবীটি বিক্রয় করলে লাভ হতো = (১০২ - ১০০)% = ২%
২৮.
"There shall be _______ classes of judicial Magistrate under The Code of Criminal Procedure, 1898"
ক
two
খ
three
গ
four
ঘ
five
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, Section 6. Classes of Criminal Courts: (1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- (a) Courts of Sessions ; and (b) Courts of Magistrates. (2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - (a) Judicial Magistrate; and (b) Executive Magistrate.
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - (a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; (b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; (c) Magistrate of the second class; and (d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively. ------------------------------------------------- ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান: ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ: (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথা: (ক) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়; (খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে; (গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট; (ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট” এবং “চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট” বুঝাবে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতি গ্রেফতার: (১) থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অনুরূপভাবে নিম্নে উল্লিখিথ ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করতে বা গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-
(ক) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন ব্যক্তি এ পরিস্থিতিতে নিজের উপস্থিতি গোপন রাখার লক্ষ্যে সাবধানতা গ্রহণ করতেছে, যদরুণ যৌক্তিকভাবে বিশ্বাস করা যেতে পারে যে, কোন আমলযোগ্য অপরাধ করার লক্ষ্যেই সে এরূপ সতর্কতা গ্রহণ করতেছে, অথবা
(খ) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন প্রকাশ্য জীবিকা নেই এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ প্রদান করতে পারে না এরূপ কোন ব্যক্তিকে, অথবা
(গ) অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভংগকারী, বা চোর হিসাবে পরিচিত বা চোরাই হিসাবে অবগত হয়ে অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল গ্রহণ করার দুর্নাম আছে, এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক আদায় করে রূপে পরিচিত অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক গ্রহণের লক্ষ্যে অন্যকে আঘাতের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বা করার চেষ্টা করে। ---------------------------------- The Code of Criminal Procedure, Section 55. Arrest of vagabonds, habitual robbers, etc: (1) Any officer in Charge of a police-station may, in like manner, arrest or cause to be arrested- (a) any person found taking precautions to conceal his presence within the limits of such station, under circumstances which afford reason to believe that he is taking such precautions with a view committing a cognizable offence; or (b) any person within the limits of such station who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself; or (c) any person who is by repute an habitual robber, house-breaker or thief, or an habitual receiver of stolen property knowing it to be stolen, or who by repute habitually commits extortion or in order to the committing of extortion habitually puts or attempts to put persons in fear of injury.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান অনুযায়ী অবিলম্বে বা তাৎক্ষনিক কার্যকরের প্রয়োজন হলে কে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে পারে?
ক
যে কোন ব্যক্তি
খ
পুলিশ অফিসারের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
গ
আদালতের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
ঘ
জেলা ম্যাজিস্ট্রটের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান: পরোয়ানা যার কাছে প্রেরণ করতে হবে: (১) গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণতঃ এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত হবে এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারীকৃত পরোয়ানা সর্বদাই তদ্রূপ নির্দেশিত হবে, তবে যেক্ষেত্রে পরোয়ানা অবিলম্বে কার্যকরী করা আবশ্যক হয় এবং অবিলম্বে কোন পুলিশ অফিসার পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এরূপ পরোয়ানা জারীকারী আদালত অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর তা নির্দেশিত করতে পারবেন এবং এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি তা কার্যকরী করবেন।
(২) একাধিক ব্যক্তির কাছে প্রেরিত পরোয়ানাঃ যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা একাধিক অফিসার বা ব্যক্তি বরাবর নির্দেশিত হয়, সেক্ষেত্রে তাদের সকলে বা যে কোন এক বা একাধিক জন তা কার্যকরী করতে পারবেন। --------------------- The Code of Criminal Procedure, Section 77. Warrants to whom directed: (1) A warrant of arrest shall ordinarily be directed to one or more police-officers, and, when issued by a Metropolitan Magistrate, shall always be so directed; but any other Court issuing such a warrant may, if its immediate execution is necessary and no police-officer is immediately available, direct it to any other person or persons; and such person or persons shall execute the same.
Warrants to several persons: (2) When a warrant is directed to more officers or persons than one, it may be executed by all, or by any one or more, of them.
৩১.
হাইকোর্ট বিভাগের সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি কিভাবে নির্ধারিত হবে?
ক
আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশ দ্বারা
খ
প্রধান বিচারপতির আদেশ দ্বারা
গ
জাতীয় সংসদে প্রণীত বিধি দ্বারা
ঘ
সুপ্রিম কোর্টের বিধি দ্বারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারার বিধান: হাইকোর্ট ডিভিশনে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ: - সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ প্রণালী নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে। ------------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 365. Record of evidence in High Court Division: - The Supreme Court shall from time to time, by general rule, prescribe the manner in which evidence shall be taken down in cases coming before the Court, and the evidence shall be taken down in accordance with such rule.
৩২.
"An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court."-বিধানটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বর্ণিত হয়েছে?
ক
৪৫
খ
৪৫ক
গ
৪৬
ঘ
৪৭ক
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section 45A. Opinion of experts on physical or forensic evidence: - (1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties. (2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court. ------------- - ২০২২ সালের সংশোধনী অনুসারে সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: (১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়। (২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
৩৩.
নিচের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
ক
মূল বিক্রয় দলিল
খ
মূল বন্ধকী দলিল
গ
মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
ঘ
মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ (১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল; (২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল; (৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল; (৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে; (৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।
উদাহরণ: (ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
⇒ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়। -------------------- ⇒ The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence: -Secondary evidence means and includes- (1) certified copies given under the provisions hereinafter contained; (2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies; (3) copies made from or compared with the original; (4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them; (5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
Illustrations: (a) A photograph of an original is secondary evidence of its contents, though the two have not been compared, if it is proved that the thing photographed was the original. (b) A copy, compared with a copy of a letter made by a copying machine is secondary evidence of the contents of the letter, if it is shown that the copy made by the copying machine was made from the original. (c) A copy transcribed from a copy, but afterwards compared with the original is secondary evidence; but the copy not so compared is not secondary evidence of the original, although the copy from which it was transcribed was compared with the original. (d) Neither an oral account of a copy compared with the original, nor an oral account of a photograph or machine-copy of the original, is secondary evidence of the original.
৩৪.
ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান এটি সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার বিধান?
ক
৮৫ক
খ
৮৫খ
গ
৮৫গ
ঘ
৮৮ক
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:- বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। --------------- ⇒ The Evidence Act, 1872, Section 85C. Presumption as to Digital Signature Certificates: - The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the certificate was accepted by the subscriber.
৩৫.
ডিক্রি জারির সময় নিচের কোন সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না?
ক
কোম্পানির শেয়ার
খ
জমি
গ
দালান-কোঠা
ঘ
পরিধেয় বস্ত্র
ব্যাখ্যা
⇒ ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬০ ও ৬১ ধারায় বলা হয়েছে ডিক্রি জারির সময় কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে এবং কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে না যা নিম্নরূপ-
⇒ ধারা-৬০: ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে (property liable to attachment & sale in execution of decree)- ৬০ ধারামতে নিম্নলিখিত সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে। যথা-জমি, গৃহ, দালান-কোঠা, টাকা, ব্যাংক নোট, চেক, Bill of Exchange, প্রমিসরি নোট, বন্ড, কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া যে কোন বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তি ক্রোকযোগ্য, যেমন- equity of redemption.
⇒ ডিক্রি জারির সময় যে সকল সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না- ৬০ ধারামতে চাষীর বাসগৃহ, হিসেবের খাতাপত্র, সরকারী পেনশন ভোগীদের প্রাপ্য মঞ্জুরীকৃত বৃত্তি ও আনুতোষিক, দেনাদার (Judgement debtor) এবং তার স্ত্রী ও সন্তানগণের পরিধেয় বস্ত্র, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র যেমন- রান্নার বাসন, বিছানা ইত্যাদি সম্পত্তিসমূহ ডিক্রি জারির সময় ক্রোক এবং বিক্রয় করা যাবে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৬১ ধারামতে যে সব কৃষিজাত উৎপাদিত দ্রব্য কৃষকের জীবিকার জন্য প্রয়োজন সরকার তা ক্রোক থেকে মুক্তি দিতে পারে।
৩৬.
ডিক্রি জারির মামলায় আপোষ বা মীমাংসার আবেদন করা যায় না এটি দেওয়ানী কার্যবিধির _____________ এর বিধান।
ক
আদেশ-২৩ বিধি-১
খ
আদেশ-২৩ বিধি-২
গ
আদেশ-২৩ বিধি-৩
ঘ
আদেশ-২৩ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ নং আদেশে দেওয়ানী মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং সোলেনামা অর্থাৎ আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। ২৩ নং আদেশের ১নং বিধির ২ ও ৩নং উপবিধিতে মোকদ্দমা প্রত্যাহার এবং ৩নং বিধিতে সোলেনামার বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ২৩ আদেশের ৪ নং বিধি অনুযায়ী ডিক্রি জারির মামলায় Compromise বা আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে মোকদ্দমার নিষ্পত্তির আবেদন করা যায় না।
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-৪ এর বিধান: ডিক্রিজারির কার্যক্রম প্রভাবিত হয় না: ডিক্রি বা আদেশ জারির কোন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এই বিধির কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না। -------------- ⇒ CPC Order-23 Rule-4: Proceedings in execution of decrees not affected. Nothing in this Order shall apply to any proceedings in execution of a decree or order.
৩৭.
কোন আদেশ অনুসারে দায়িক কর্তৃক ডিক্রিদারকে বাধা না দেওয়ার জন্য দরখাস্ত করা যায়?
ক
আদেশ ২১ বিধি ৯৪
খ
আদেশ ২১ বিধি ৯৮
গ
আদেশ ২১ বিধি ৮৯
ঘ
আদেশ ২১ বিধি ৯৫
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে স্থাবর সম্পত্তির দখলে বাধা দান (Resistance or obstruction to possession of immovable property): স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য প্রদত্ত ডিক্রির মালিক কিংবা নিলাম সম্পত্তির ক্রেতা উক্ত সম্পত্তির দখল লাভে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে আদালতে অভিযোগ করে একটি আবেদন করতে পারবেন। যে পক্ষের বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়েছে সে পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়া এবং জবাব দেয়ার জন্য আদালত সমন প্রদান করবেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে দায়িক কর্তৃক প্রতিবন্ধ বা বাধাদান (Resistance or obstruction by Judgment-debtor): ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত বাধাদান করলে আদালত আবেদনকারীকে সম্পত্তি দখলে রাখার নির্দেশ দিবে এবং আবেদনকারীকে এর পরেও দখল লাভে বাধাদান করলে আদালত দায়িককে ৩০ দিন পর্যন্ত দেওয়ানি জেলে আটকের নির্দেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ আদেশ ২১ বিধি-৯৭ মতে যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত হলে এবং আদেশ ২১ বিধি-৯৮ মতে ডিক্রি দায়িক বা তার প্ররোচনায় অন্য কোন ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত কারণ ব্যতীত প্রতিবন্ধ বা বাধাদান করলে ডিক্রির মালিক বা ডিক্রিদার বাধা না দেওয়ার জন্য আদালতে দরখাস্ত করতে পারবেন।
৩৮.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান নেই নিচের কোন কার্যক্রমের?
ক
আপিল
খ
রিভিউ
গ
রিভিশন
ঘ
দরখাস্ত
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। - তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তামাদি আইনের ১ম তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। -তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে- ১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯। ২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭। ৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩৯.
চুক্তি আইনের কোন ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়?
ক
৫ ধারার ক্ষেত্রে
খ
১৫ ধারার ক্ষেত্রে
গ
২৫ ধারার ক্ষেত্রে
ঘ
৩৫ ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা ⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে ⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে ⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। ------------- The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings: (1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. (2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- (a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and (b) the remaining provisions of this Act shall not apply. (3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. (4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৪০.
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী গ্রাম আদালতে ফৌজদারী মামলা দায়েরের সময়সীমা-
ক
কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, বাদীর ইচ্ছা অনুযায়ী যে কোন সময়
খ
অপরাধ সংঘটিত হবার ১৫ দিনের মধ্যে
গ
অপরাধ সংঘটিত হবার ৩০ দিনের মধ্যে
ঘ
অপরাধ সংঘটিত হবার ৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর ৬ক ধারার বিধান মামলা দায়েরের সময়সীমা: - Limitation Act, 1908 (Act No IX of 1908) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, তফসিলের- (ক) প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হইবার ৩০(ত্রিশ) দিনের মধ্যে; এবং
(খ) দ্বিতীয় অংশের ক্রমিক নং ৩ এ বর্ণিত দেওয়ানী মামলা ব্যতীত অন্যান্য দেওয়ানী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে মামলার কারণ উদ্ভব হইবার ৬০(ষাট) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করিতে হইবে।
৪১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে?
ক
অনুচ্ছেদ ৩৫(৫)
খ
অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
গ
অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
ঘ
অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
ব্যাখ্যা
Doctrine of Self-Incrimination: Self-incrimination is a legal principle under which a person cannot be compelled to provide information or testify against themselves in a criminal case. In various jurisdictions, including the US and India, the right against self-incrimination is enshrined as a constitutional or legal protection. The doctrine is based upon the following legal maxim:Nemo teneteur prodre accussare seipsum – It states that a man cannot be compelled to state any self-incriminating statement. Self-Incrimination as a Fundamental Right The makers of the Constitution have borrowed several features from other constitutions of the world and the model for Fundamental Rights in India is adopted from the Constitution of the US.
⇒ Doctrine of Self-Incrimination হল একটি আইনগত সিদ্ধান্ত যা বলে, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য হল ব্যক্তির মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং তাকে নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে বাধ্য না করা।
অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না। এই অধিকার সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। আইনি প্রক্রিয়ায় এই নির্দেশিকা প্রয়োগের ফলে ব্যক্তির অন্তঃকরণ ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত হয়। এতে অনৈতিক উপায়ে ব্যক্তিকে তার নিজের বিপক্ষে প্রমাণ দেয়ার জন্য বাধ্য করা যায় না।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ: (১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। (২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। (৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। (৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। (৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। (৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
৪২.
কত সালে 'Secretary, Ministry of Finance vs Masdar Hossain (1999)' মামলার রীট দায়ের হয়?
ক
১৯৯৫
খ
১৯৯৭
গ
১৯৯৯
ঘ
২০০৭
ব্যাখ্যা
Masder Hossain vs Secretary Ministry of Finance (1999) 52 DLR (AD) 82.
Author Judge: Mr. Justice Mustafa kamal (CJ)
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা হয় এই মামলার মাধ্যমে। এই মামলায় ৪৪১ জন বিচার বিভাগীয় অফিসার রীট পিটিশন দায়ের করেছিল। অনুচ্ছেদ ২২ এর বাস্তবায়ন হয়।
- এই মামলার রীট দায়ের হয় ১৯৯৫ সালে। হাইকোর্ট বিভাগ রায় দেয় ৭ মে ১৯৯৭ সালে। আপিল বিভাগ রায় দেয় ২ ডিসেম্বর ১৯৯৯ সালে।
২০০৭ সালে ১লা নভেম্বর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে। এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ১২টি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
৪৩.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে ______ এবং নাগরিকগণ _______ বলিয়া পরিচিত হইবেন।
ক
বাংলাদেশী, বাংলাদেশী
খ
বাঙালী, বাংলাদেশী
গ
বাংলাভাষী, বাংলাদেশী
ঘ
বাংলাভাষী, বাঙালী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদে বিধান: নাগরিকত্ব: (১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। (২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন। -------------------------- Article 6. Citizenship: (1) The citizenship of Bangladesh shall be determined and regulated by law. (2) The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshies.
৪৪.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে কে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন?
ক
উপ-রাষ্ট্রপতি
খ
প্রধানমন্ত্রী
গ
স্পীকার
ঘ
সরকারের মনোনীত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধান: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার: রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন। ----------- ⇒ Article 54. Speaker to act as President during absence, etc. If a vacancy occurs in the office of President or if the President is unable to discharge the functions of his office on account of absence, illness or any other cause the Speaker shall discharge those functions until a President is elected or until the President resumes the functions of his office, as the case may be.
৪৫.
প্রধানমন্ত্রী কার নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন?
ক
রাষ্ট্রপতি
খ
স্পীকার
গ
প্রধান বিচারপতি
ঘ
সংসদের
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ: (১) প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি- (ক) তিনি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন; অথবা (খ) তিনি সংসদ-সদস্য না থাকেন।
(২) সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারাইলে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করিবেন কিংবা সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, অন্য কোন সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন নহেন এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন।
(৩) প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই অযোগ্য করিবে না। --------------- ⇒ Article 57. Tenure of office of Prime Minister: (1) The office of the Prime Minister shall become vacant– (a) if he resigns from office at any time by placing his resignation in the hands of the President; or (b) if he ceases to be a member of Parliament.
(2) If the Prime Minister ceases to retain the support of a majority of the members of Parliament, he shall either resign his office or advise the President in writing to dissolve Parliament, and if he so advises the President shall, if he is satisfied that no other member of Parliament commands the support of the majority of the members of Parliament, dissolve Parliament accordingly.
(3) Nothing in this article shall disqualify Prime Minister for holding office until his successor has entered upon office.
৪৬.
কে সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন করবার ব্যবস্থা করবেন?
ক
মহা হিসাব-নিরীক্ষক
খ
রাষ্ট্রপতি
গ
অর্থমন্ত্রী
ঘ
প্রধান মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন: - প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্টসমূহ রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন। ----------------------------- ⇒ Article 132. Reports of Auditor General to be laid before Parliament: - The reports of the Auditor General relating to the public accounts of the Republic shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament.
৪৭.
'De facto' অর্থ কী?
ক
In Law
খ
In deed
গ
In action
ঘ
In fact
ব্যাখ্যা
De facto: শাব্দিক অর্থ- In fact বা According to fact. 'প্রকৃতপক্ষে' বা 'বাস্তবতায়'। এই শব্দটি আইনি ও রাজনৈতিক প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয় এবং কোনও পরিস্থিতি, অবস্থা বা অবস্থান যা আইনগতভাবে স্বীকৃত নয় কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বিদ্যমান সেটিকে 'de facto' অবস্থা বলা হয়।
কূটনৈতিক (Diplomacy) ক্ষেত্রে: রাষ্ট্র হিসেবে জনসমষ্টি, সরকার, ভূ-খণ্ড, সম্পদের উপর কর্তৃত্ব, চলাচলের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের সকল আনুষ্ঠানিকতা সবই আছে, কিন্তু সার্বভৌমত্ব নেই। এককথায় সার্বভৌমত্বহীন হচ্ছে De facto. উদাহরণ- তাইওয়ান, হংকং ও গ্রিনল্যান্ড।
উদাহরণস্বরূপ: - কোনও দেশে সামরিক বিদ্রোহের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হলে, নতুন সরকার 'de facto' ক্ষমতায় থাকতে পারে, যদিও আইনগতভাবে তারা স্বীকৃত না হন। - কোনও ব্যক্তি একটি পদে কাজ করতে থাকলে, তিনি 'de facto' সেই পদে কর্মরত বলে গণ্য হতে পারেন, যদিও আইনগতভাবে তিনি সেই পদে নিযুক্ত না হন।
অর্থাৎ, 'de facto' শব্দটি আইনগত স্বীকৃতি না থাকলেও বাস্তবতায় বিদ্যমান অবস্থা কিংবা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
৪৮.
'Res nullius' অর্থ কী?
ক
Nobody's thing
খ
A matter judged
গ
A matter not yet decided
ঘ
The thing speaks for itself
ব্যাখ্যা
Res nullius : শাব্দিক অর্থ- Nobody's thing.
- আইনি প্রসঙ্গে 'res nullius' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যখন কোনো ভূখণ্ড, সম্পত্তি বা জিনিসের সুনিদিষ্ট মালিক নেই। এমন কিছু যা কেউ দখল করতে পারে বা মালিকানা করতে পারে।
অর্থাৎ, 'res nullius' হল এমন কিছু যার কোনও নির্দিষ্ট মালিক নেই এবং যা যেকোনও ব্যক্তি বা সরকার দখল করতে পারে।
৪৯.
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কত ধারায় "Gender and number" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
ক
১০
খ
১২
গ
১৩
ঘ
১৫
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ১৩ ধারায় "Gender and number" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
⇒ জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ১৩ ধারার বিধান: লিঙ্গ ও বচন (Gender and number);সংসদের সকল আইন এবং প্রবিধিতে- - পুরুষবাচক শব্দসমূহকে স্ত্রীবাচক শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে; এবং - একবচন শব্দসমূহ বহুবচন শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে এবং অনুরূপভাবে বহুবচন শব্দসমূহ একবচন শব্দসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করবে। ------------------- ⇒ The General Clauses Act, 1897 Section 13. Gender and number: - In all Acts of Parliament and Regulations, unless there is anything repugnant in the subject or context,- (1) words importing the masculine gender shall be taken to include females; and (2) words in the singular shall include the plural, and vice versa.
৫০.
"Immoveable Property without Khatian not to be sold" সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারার বিধান?
ক
৫৩ঘ
খ
৫৩ক
গ
৫৩খ
ঘ
৫৩গ
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold: - No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void. ------------ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না: কোন ব্যক্তি কোন স্থাবর সম্পত্তি খতিয়ান না থাকলে বিক্রয় করতে পারবে না তবে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে তার নাম অথবা তার পূর্বসূরির নাম থাকলে বিক্রি করা যাবে। SAT Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুতকৃত খতিয়ানে নাম না থাকলে পারবে না। অন্য কোনভাবে বিক্রয় করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
৫১.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় 'Rule of Marshalling' আলোচনা করা হয়েছে?
ক
৫৪
খ
৫৬
গ
৫৫
ঘ
৫৮
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারার বিধান পরবর্তী ক্রেতা কর্তৃক বিন্যাস (Marshalling by subsequent purchaser): যদি দুই বা ততোধিক সম্পত্তির মালিক সকল সম্পত্তি প্রথমে একজনের নিকট রেহেন দেয় এবং তারপর এর মধ্য হতে এক বা একাধিক সম্পত্তি অন্য জনের নিকট বিক্রয় করে, তাহলে ক্রেতা যে সম্পত্তি ক্রয় করে নাই, তা হতে রেহেনের টাকা যতদূর সম্ভব, পরিশোধ করে নেওয়ার দাবি করতে পারে; কিন্তু এরূপ দাবি রেহেনগ্রহীতা বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি অথবা মূল্যের বিনিময়ে এই সম্পত্তির কোন একটি স্বত্ব অর্জন করেছে তেমন কোন ব্যক্তির স্বার্থ ক্ষুন্ন করবে না।
অর্থাৎ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৬ ধারা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিন্যাসের নীতি (The Rule of Marshalling) আলোচনা করা হয়েছে। -------------------- The Transfer of Property Act, 1882 Section 56. Marshalling by subsequent purchaser: - If the owner of two or more properties mortgages them to one person and then sells one or more of the properties to another person, the buyer is in the absence of a contract to the contrary, entitled to have the mortgage-debt satisfied out of the property or properties not sold to him, so far as the same will extend, but not so as to prejudice the rights of the mortgagee or persons claiming under him or of any other person who has for consideration acquired an interest in any of the properties.
৫২.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬৩ ধারা অনুযায়ী রেহেনী সম্পত্তি বৃদ্ধি করলে রেহেনদাতা আসল টাকার বার্ষিক কত হারে সুদ দিতে হবে?
ক
৫%
খ
৬%
গ
৯%
ঘ
১০%
ব্যাখ্যা
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬৩ ধারার বিধান: রেহেনী সম্পত্তির বৃদ্ধি (Accession to mortgaged property): রেহেন কার্যকর অবস্থায় রেহেনী সম্পত্তি রেহেনগ্রহীতার দখলে থাকার সময় তাতে কোন সংযোজন বা বৃদ্ধি ঘটলে ভিন্নরূপ চুক্তির অবর্তমানে রেহেনমুক্ত করার সময় রেহেনদাতা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সম্পত্তির অধিকারী বলে গণ্য হবে।
মালিকানা হস্তান্তরের ফলশ্রুতিতে সংযোজন বা বৃদ্ধি: রেহেনগ্রহীতার ব্যয়ে কোনো সংযোজন অর্জিত হলে এবং মূল সম্পত্তির ক্ষতি না করে তা পৃথকভাবে দখল ও উপভোগের উপযুক্ত হয়, সেক্ষেত্রে রেহেনদাতা এই সম্পত্তি নিতে চাইলে তাকে তা অর্জনের ব্যয় রেহেনগ্রহীতাকে অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। - যদি এরূপ পৃথকভাবে দখল ও উপভোগ সম্ভব না হয় তাহলে সংযোজন অবশ্যই মূল সম্পত্তির সাথে রেহেনদাতাকে দিতে হবে; - ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা বিক্রয় হতে মূল সম্পত্তি রক্ষার জন্য অথবা দাতার সম্মতিক্রমে এই সংযোজন অর্জিত হয়ে থাকলে রেহেনদাতা আসল টাকা ছাড়াও সংযোজনের উপযুক্ত মূল্য দিতে বাধ্য থাকবেন এবং এই অতিরিক্ত টাকার জন্য আসল টাকার হারে সুদ দিতে হবে এবং সুদের হার নির্দিষ্ট করা না থাকলে বার্ষিক ৯% হারে সুদ দিতে হবে। - রেহেনদাতা মূল্য দিয়ে সংযোজন বা বৃদ্ধি গ্রহণ করলে এই সম্পত্তি হতে কোন লাভ হয়ে থাকলে তাও তাকে দিতে হবে। - যেক্ষেত্রে রেহেনটি খাইখালাসী এবং সংযোজন রেহেনগ্রহীতার ব্যয়ে অর্জিত হয়েছে সেক্ষেত্রে এই সংযোজন হতে যদি কোন লাভ হয়ে থাকে, তা ভিন্নরূপ কোন চুক্তির অবর্তমানে এই সংযোজন অর্জনের জন্য ব্যয়িত আসল অর্থের সুদ হিসেবে কাটা যাবে। ---------------------- The Transfer of Property Act, 1882 Section 63. Accession to mortgaged property: Where mortgaged property in possession of the mortgagee has, during the continuance of the mortgage, received any accession, the mortgagor, upon redemption, shall, in the absence of a contract to the contrary, be entitled as against the mortgagee to such accession.
Accession acquired in virtue of transferred ownership: Where such accession has been acquired at the expense of the mortgagee, and is capable of separate possession or enjoy-ment without detriment to the principal property, the mortgagor desiring to take the accession must pay to the mortgagee the expense of acquiring it. If such separate possession or enjoyment is not possible, the accession must be delivered with the property; the mortgagor being liable, in the case of an acquisition necessary to preserve the property from destruction, forfeiture or sale, or made with his assent, to pay the proper cost thereof, as an addition to the principal money, with interest at the same rate as is payable on the principal, or, where no such rate is fixed, at the rate of nine percent. per annum. In the case last mentioned the profits, if any, arising from the accession shall be credited to the mortgagor.
Where the mortgage is usufructuary and the accession has been acquired at the expense of the mortgagee, the profits, if any, arising from the accession shall, in the absence of a contract to the contrary, be set off against interest, if any, payable on the money so expended.
৫৩.
In a gift under the Transfer of Property Act, 1882, "If the donee dies before acceptance, ____________."
ক
the gift is voidable
খ
the gift is void
গ
the gift is valid
ঘ
both A and B
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act, 1882 Section 122.“Gift” defined: “Gift” is the transfer of certain existing moveable or immoveable property made voluntarily and without consideration, by one person, called the donor, to another, called the donee, and accepted by or on behalf of the donee. Acceptance when to be made: Such acceptance must be made during the lifetime of the donor and while he is still capable of giving. If the donee dies before acceptance, the gift is void. -------------- ⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা: - এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়। - যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।
দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made) -দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। - দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।
৫৪.
"Free consent" is defined under Section _______ of the Contract Act, 1872.
ক
13
খ
14
গ
15
ঘ
16
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872 Section 14. "Free consent" defined: Consent is said to be free when it is not caused by- (1) coercion, as defined in section 15, or (2) undue influence, as defined in section 16,or (3) fraud, as defined in section 17, or (4) misrepresentation, as defined in section 18, or (5) mistake, subject to the provisions of sections 20, 21 and 22. Consent is said to be so caused when it would not have been given but for the existence of such coercion, undue influence, fraud, misrepresentation or mistake.
৫৫.
"Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void." চুক্তি আইনের কত ধারার বিধান?
ক
২৩
খ
২৫
গ
২৬
ঘ
২৭
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872 Section 26. Agreement in restraint of marriage void: Every agreement in restrain of the marriage of any person, other than a minor, is void. -------------- ⇒ চুক্তি আইনের ২৬ ধারার বিধান: বিবাহে প্রতিবন্ধক সম্মতি বাতিল: - নাবালক ছাড়া কোন ব্যক্তির বিবাহের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী প্রত্যেকটি সম্মতি বাতিল।
৫৬.
চুক্তি আইনের কত ধারায় "Continuing guarantee" এর বিধান আছে?
ক
১২৭
খ
১২৮
গ
১২৯
ঘ
১৩০
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ১২৯ ধারার বিধান: "ধারাবাহিক জামিন" (Continuing guarantee): -যে জামিন ধারাবাহিক লেনদেনে কার্যকর হয় তাকে ধারাবাহিক জামিন বলে। --------------------- ⇒ The Contract Act, 1872 Section 129. "Continuing guarantee" A guarantee which extends to a series of transactions is called a "continuing guarantee".
Illustrations: (a) A, in consideration that B will employ C in collecting the rent of B's zamindari, promises B to be responsible, to the amount of 5,000 Taka, for the due collection and payment by C of those rents. This is a continuing guarantee.
৫৭.
The Registration Act, 1908 এর ২৪ ধারার বিধান অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে কতিপয় ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত দলিল কত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন এবং পুনঃনিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে?
ক
১ মাস
খ
৩ মাস
গ
২ মাস
ঘ
৪ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ রেজিস্ট্রেশন আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিভিন্ন সময়ে কতিপয় ব্যক্তি দ্বারা সম্পাদিত দলিল: যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে কোন দলিল সম্পাদন করে, সেখানে উক্ত দলিল নিবন্ধন এবং পুনঃনিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক সম্পাদনের তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে দাখিল করতে হবে। ------------------------- The Registration Act, 1908 Section 24. Documents executed by several persons at different times: Where there are several persons executing a document at different times, such document may be presented for registration and re-registration within four months from the date of each execution.
৫৮.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে মামলা দাখিলে নোটিশে উল্লিখিত মূল্যের উপর শতকরা কতভাগ হারে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
ক
৫%
খ
১০%
গ
১৫%
ঘ
৬.২৫%
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে: - নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। - নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ। - ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান। ----------- ⇒ Section 24. Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase: - (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.
- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.
-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.
Provided that if the correctness of any amount claimed to have been paid or spent by the transferee on any such account is disputed by any applicant the Court shall enquire into such dispute and, after giving the transferee an opportunity of being heard, determine the amount actually paid or spent by the transferee on any such account and shall then direct the applicant to deposit the amount so determined with interest at the rate of six and quarter per centum per annum as aforesaid within such period as the Court thinks reasonable.
(4) (a) When an application has been made by one or more co-sharer tenants under sub-section (1) any of the remaining co-sharer tenants including the transferee, if one of them, may within the period of four months referred to in the said sub-section or within one month of the service of notice of the application, whichever is later, apply to join in the said application, and any co-sharer tenant who has not applied under sub-section (1) or has not applied to join under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section.
(b) Such application to join as a co-applicant shall be dismissed unless within such period as the Court may fix, the applicant deposits in Court for payment to the applicant under sub-section (1), such sum, as the Court shall determine as the share to be paid by him for the purposes of sub-section (2).
(c) If such deposit is made, the Court shall grant the application to join and thereafter such applicant shall be deemed to be an applicant under sub-section (1).
(5) If the deposits required under sub-section (2) or clause (b) of sub-section (4), as the case may be, and under sub-section (3) are made, the Court shall make an order allowing the application and directing that the deposits made under sub-sections (2) and (3) shall be paid to the transferee or to such persons as the Court thinks fit.
(6) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force the Court shall, if the applicant under sub-section (1) or any person whose application under sub-section (4) is granted disputes the correctness of the amount of the consideration money as stated in the notice issued under section 23, inquire into such dispute before making an order under sub-section (5) and after giving the transferee an opportunity of being heard determine for the purposes of this section the amount of the consideration money which the transferee has actually paid for the transfer of the portion or share of the property and the amount so determined shall be deemed to be the consideration money referred to in sub-section (2) and where the amount of the consideration money has been so determined the deposit made under that sub-section shall for the purposes of sub-section (5) be the amount so determined together with the compensation at the rate of five per centum of such amount.
(7) In making an order under sub-section (5) in favour of more than one co-sharer tenant, the Court may apportion the property comprised in the portion or share transferred among the applicants in such manner as it deems equitable after taking existing possession into consideration; the Court shall so apportion the said property or portion thereof on the request of any applicant and, in this case, may require the applicant who makes such request to deposit, within such period as the Court may fix, such further sums as the Court considers necessary for equitable distribution among the remaining applicants: Provided that no apportionment order under this sub-section shall operate as a division of the tenancy.
(8) From the date of making of the order under sub-section (5)- (i) the right, title and interest in the share or portion of the non-agricultural land accruing to the transferee from the transfer shall, subject to any order passed under sub-section (7), vest free from all encumbrances, which have been created after the date of transfer, in the co-sharer tenant whose application to purchase has been allowed under sub-section (5), (ii) the liability of the transferee for the rent due from him on account of the transfer shall cease, and (iii) the Court, on further application of such applicant, may place him in possession of the property vested in him.
(9) An appeal from any order of a Court under this section shall lie to the Civil Appellate Court having jurisdiction to entertain such appeals. (10) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by Muhammadan Law.
(11) Nothing in this section shall apply to- (a) a transfer to a co-sharer in the tenancy whose existing interest has accrued otherwise than by purchase, or (b) a transfer by exchange, or partition, or (c) a transfer by bequest or gift (including heba but excluding heba-bil-ewaz for any pecuniary consideration) in favour of the husband or wife of the testator or the donor or of any relation by consanguinity within three degrees of the testator or donor, or (d) a wakf in accordance with the provisions of the Muhammadan Law, or (e) a debottor or any other dedication for religious or charitable purposes without any reservation of pecuniary benefit for any individual.
Explanation.- A relation by consanguinity shall for the purposes of this sub-section, include a son adopted under the Hindu Law.
৫৯.
মোহরানা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
ক
২
খ
৩
গ
১
ঘ
৬
ব্যাখ্যা
- The Limitation Act, 1908 এর ১০৩ অনুচ্ছেদে তাৎক্ষণিক পরিশোধযোগ্য (Promt/মু’অজ্জল) মোহরানা আদায়ের জন্য আর ১০৪ অনুচ্ছেদে বিলম্বিত (Differed/মু’আজ্জল) মোহরানা আদায়ে জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার বিধান আছে। উভয়ক্ষেত্রে মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর। মুয়াজ্জল মোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী দাবী করে ব্যার্থ হওয়ার ০৩ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
অর্থাৎ মুসলিম আইন অনুযায়ী মোহরানা আদায়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর
৬০.
যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে সে মোট সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
ক
২/৩
খ
১/২
গ
১/৬
ঘ
১/৪
ব্যাখ্যা
ছেলে-কন্যা: স্বামী/স্ত্রী এবং বা-মার অংশ দেওয়ার পর যা থাকবে তা সম্পূর্ণ মৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক তারা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে। - ছেলের সঙ্গে মেয়ে থাকলে প্রত্যেক কন্যা প্রত্যেক ছেলের (১/২) অর্ধেক হারে পাবে। - যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে। - আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে।
অর্থাৎ যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন।
৬১.
একজন হিন্দু তার একজন অবিবাহিত কন্যা 'A', একজন বিবাহিত কন্যা 'B' এবং একজন বিবাহিত পুত্র সম্ভাব্য কন্যা 'C' কে রেখে মারা যায়। উক্ত মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টন-
ক
'A' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
খ
'A' এবং 'C' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি সমান ভাবে পেয়ে যাবে।
গ
'A' 'B' এবং 'C' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি সমান ভাবে পাবে।
ঘ
'C' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
ব্যাখ্যা
- অবিবাহিত কন্যা 'A' মৃত ব্যক্তির সম্পূর্ণ সম্পত্তি পেয়ে যাবে।
বিবাহিত কন্যা 'B' এবং বিবাহিত পুত্র সম্ভাব্য কন্যা 'C' কে অবিবাহিত কন্যা 'A' বঞ্চিত করে কারণ অবিবাহিত কন্যার অবস্থান উত্তরাধিকারীর তালিকায় তাদের (B & C) সবার আগে।
৬২.
স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত কত বছর যাবত্ তার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে কোন মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারী হবেন?
ক
২
খ
৩
গ
৪
ঘ
৭
ব্যাখ্যা
১৯৩৯ সালের মুসলমান বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারার বিধান: বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রির হেতুবাদ: নিম্নলিখিত যে কোন এক বা একাধিক হেতুবাদে মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহিতা কোন মহিলা তাহার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারিণী হইবেন, যথা:
i) চার বছর যাবত্ স্বামী নিরুদ্দেশ হইলে; ii) স্বামী দুই বত্সছর যাবত্ স্ত্রীর ভরণ-পোষণ দানে অবহেলা প্রদর্শন করিলে অথবা ব্যর্থ হইলে; ii-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ব্যবস্থা লঙ্খন করিরা অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে; iii) স্বামী সাত বত্সার বা তদুর্ধ্ব সময়ের জন্য কারাদন্ডে দন্ডিত হইলে; iv) স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত তিন বছর যাবত্ তাহার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইলে; v) বিবাহকালে স্বামীর পুরুষত্বহীনতা থাকিলে এবং উহা বর্তমানেও চলিতে থাকলে; vi) দুই বছর যাবত্ স্বামী পাগল হইয়া থাকিলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে কিংবা ভয়ানক ধরণের উপদংশ রোগে ভুগিতে থাকলে; vii) আঠার বত্সরর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেতাহাকে তাহার পিতা অথবা অন্য অভিভাবক বিবাহ করাইয়া থাকিলে এবং উণিশ বত্সiরবয়স পূর্ণ হইবার পূর্বেই সে উক্ত বিবাহ অস্বীকার করিয়া থাকিলে; তবে, অবশ্য ঐসময়ের মধ্যে যদি দাম্পত্য মিলন অনুষ্ঠিত না হইয়া থাকে; viii) স্বামী তাহার (স্ত্রীর) সহিত নিষ্ঠুর আচরণ করিলে, অর্থাত্ ক) অভ্যাসগতভাবে তাহাকে আঘাত করিলে বানিষ্ঠুর আচরণ দ্বারা, উক্ত আচরণ দৈহিক পীড়নের পর্যায়ে না পড়িলও, তাহার জীবনশোচনীয় করিয়া তুলিয়াছে এমন হইলে;. খ) স্বামীর দূর্নাম রহিয়াছে বা কলঙ্কিত জীবন যাপন করে এমন স্ত্রীলোকদের সহিত মেলামেশা করিলে, অথবা গ) তাহাকে দূর্ণীত জীবন যাপনে বাধ্য করিবার চেষ্টা করিলে, অথবা ঘ) তাহার সম্পত্তি হস্তান্তর করিলে অথবা উহার উপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করিলে, অথবা ঙ) তাহার ধর্মীয় কর্তব্য পালনে বাধা সৃষ্টি করিলে, অথবা চ) একাধিক স্ত্রী থাকিলে, সে কোরানের নির্দেশ অনুযায়ী ন্যায়পরায়নতার সহিত তাহার সঙ্গে আচরণ না করিলে; ix) মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য বৈধ হেতু হিসাবে স্বীকৃত অন্য যে কোন কারণেঃ তবে অবশ্য- ক) কারাদন্ডাদেশ চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ৩ নং হেতু বাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না, খ) ১ নং হেতুবাদে প্রদত্ত ডিক্রিটি উহারপ্রদানের তারিখ হইতে ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকরী হইবে না এবং স্বামী উক্ত সময়েরমধ্যে স্বয়ং অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কো এজেন্টের মাধ্যমে উপস্থিত হইয়া এইমর্মে যদি আদালতকে খুশী করিতে পারে যে, দাম্পত্য কর্তব্য পালনে প্রস্তুতরহিয়াছে, তাহা হইলে আদালত ডিক্রিটি রদ করিবেন; এবং গ) ৫ নং হেতুবাদে ডিক্রি প্রদানের পূর্বে, স্বামীর আবেদনক্রমে আদালতের আদেশের এক বত্স রের মধ্যে যে পুরুষত্বহীনতাহইতে মুক্তি লাভ করিয়াছে বা তাহার পুরুষত্বহীনতার অবসান ঘটিয়াছে এই মর্মেআদালতকে সন্তুষ্ট করিবার জন্য আদালত তাহাকে আদেশ দান করিতে পারেন এবং যদিসে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারে, তাহা হইলে উক্তহেতুবাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না।
৬৩.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের নিকট তালাকের নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে কত দিন অতিবাহিত হলে তালাক কার্যকর হবে?
ক
৩০
খ
৬০
গ
৯০
ঘ
৪৫
ব্যাখ্যা
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারন করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।
৬৪.
দায়ভাগমতে কে, কাকে ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য নয়?
ক
পিতা, অবিবাহিতা কন্যাকে
খ
সন্তান, পিতামাতাকে
গ
পিতা, সাবালক পুত্রকে
ঘ
যৌথ পরিবারের কর্তা, সকল পুরুষ সদস্যদের
ব্যাখ্যা
• হিন্দু আইনে কোন কোন ব্যক্তি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী জানা অত্যাবশ্যক। নিম্নে তাদের তালিকা দেয়া হলো:
⇒ একজন হিন্দুর কোন সম্পত্তি না থাকলেও সে তার নাবালক পুত্র, অবিবাহিতা কন্যা এবং পিতামাতার ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য। -(দায়ভাগমতে পিতা সাবালক পুত্রকে ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য নয়।)
⇒ কর্তা যৌথ পরিবারের সকল পুরুষ, তাদের স্ত্রীগণ এবং সন্তানাদির ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।
⇒ একজন মৃত ব্যক্তি যাদের ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য ছিল, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীও মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হতে তাদের ভরণপোষণ করতে আইনত বাধ্য।
⇒ বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত পিতা তার কন্যা সন্তানের ভরণপোষণে বাধ্য। পিতার অবর্তমানে কন্যার ভরণপোষণ পিতৃ সম্পত্তি হতেই চলতে থাকবে।
⇒ অক্ষমতা বা অযোগ্যতা হেতু কেউ পৈতৃক সম্পত্তির অধিকারে বঞ্চিত থাকলে তাকে এবং তার পরিবারবর্গকে অক্ষম ব্যক্তির পিতা এবং পিতার অবর্তমানে পিতার উত্তরাধিকারী যথাযোগ্য ভরণপোষণ দিতে বাধ্য।
৬৫.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন?
ক
৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
খ
১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
গ
৯ জানুয়ারি, ১৯৭২
ঘ
৮ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: - মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়। - বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন গমন করেন। - সেখান থেকে দিল্লিতে কিছু সময় অবস্থান করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় আসেন। - ১০ জানুয়ারিকে বঙ্গবন্ধুর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৬.
সাংস্কৃতিক বিপ্লব কোথায় সংঘটিত হয়?
ক
চীন
খ
চিলি
গ
কিউবা
ঘ
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• চীন: - জনসংখ্যায় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ- চীন। - গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা- মাও সে তুং। - গ্রেট হল অবস্থিত- বেইজিং, চীনে। - ‘তিয়েন আনমেন‘ স্কয়ার অবস্থিত- বেইজিং চীন। - চীনে কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৪৯ সালে। - চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব হয় - ১৯৬৬-১৯৭৬ পর্যন্ত। - চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্বদান করেন - মাও সে তুং।