পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (সাহিত্য)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮: টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ (অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, আবু জাফর শামসুদ্দীন, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বেগম রোকেয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, অতুলপ্রসাদ সেন, অদ্বৈত মল্লবর্মণ, আব্দুল কাদির, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, আবু ইসহাক, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, আবুল হাসান, আল মাহমুদ, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আহমদ ছফা, আহসান হাবীবশওকত আলী, শওকত ওসমান, শামসুদ্দীন আবুল কালাম, শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, সেলিনা হোসেন। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] [এই টপিকের উপর কোন ভিডিও লেকচার নাই]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (সাহিত্য)

বাংলাবিদ (সাহিত্য) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত "বাংলাদেশ" কবিতাটি কার রচনা? 
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. আনোয়ার পাশা
  4. আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত "বাংলাদেশ" কবিতাটি অমিয় চক্রবর্তীর রচনা।  

অমিয় চক্রবর্তী:
- ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই 'কবিতাবলী' (১৯২৪-২৫)।
- তাঁর কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫।
- তিনি 'বাংলাদেশ' কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচনা করেন।
- তাছাড়া ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর ৯টি বই রয়েছে।
- কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমি পুরস্কার।
- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে 'দেশিকোত্তম' (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার 'পদ্মভূষণ' (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- অনিঃশেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
বিহারিলালকে ‘ভোরের পাখি’ নামে কে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. সেলিনা হোসেন
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা।
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে বিহারীলাল চক্রবর্তী পরিচিত।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা হলো 'বঙ্গসুন্দরী'।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হলো 'সারদা মঙ্গল'।

বিহারীলাল চক্রবর্তীর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীত শতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল,
- প্রেম প্রবাহিনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
“উত্তরের ক্ষেপ” কোন ধরনের রচনা?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4.  প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

“উত্তরের ক্ষেপ” শওকত আলী রচিত একটি উপন্যাস। 

শওকত আলী:
- শওকত আলীর (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ - ২৫ জানুয়ারি)।
- জন্মস্থান দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ।
- একটি ছোট উপন্যাস "পিঙ্গল আকাশ" (১৯৬৪) তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই।
- শিশুকিশোরদের জন্যেও তিনি লিখে থাকেন।
- বাংলা ছোটগল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য শওকত আলী বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান ১৯৬৮ সালে।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির তাঁকে হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে।            

শওকত আলী রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- ওয়ারিশ,
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- পিঙ্গল আকাশ,
- কুলায় কালস্রোত,
- যাত্রা (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস),
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন,
- যেতে চাই,
- বাসর মধুচন্দ্রিমা,
- উত্তরের ক্ষেপ,
- দলিল,
- হিসাবনিকাশ, ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না?
  1. সংবাদ সাধুরঞ্জন
  2. পাষণ্ডপীড়ন
  3. সংবাদ প্রভাকর 
  4. সমাচার দর্পণ 
ব্যাখ্যা

সমাচার দর্পণ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। 

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত একজন কবি, সাংবাদিক।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
“আমি কিংবদন্তির কথা বলছি” গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. শামসুর রাহমান
  2. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ 
  3. আল মাহমুদ
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

“আমি কিংবদন্তির কথা বলছি” গ্রন্থটির রচয়িতা হচ্ছে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। 

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ২০০১ সালের ১৯ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- সাত নরীর হার,
- কখনো রং কখনো সুর,
- কমলের চোখ,
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি,
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,
- প্রেমের কবিতা,
- নির্বাচিত কবিতা,
- আমার সকল কথা,
- মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ, প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
আবু ইসহাকের উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. সূর্য-দীঘল বাড়ী
  2. পদ্মার পলিদ্বীপ
  3. জাল
  4. মহাপতঙ্গ 
ব্যাখ্যা

মহাপতঙ্গ আবু ইসহাকের উপন্যাস নয়।  এটি হচ্ছে একটি গল্পগ্রন্থ।

আবু ইসহাক
- আবু ইসহাক ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক ও অভিধান-প্রণেতা।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় তাঁর 'অভিশাপ' নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- তিনি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান (২ খণ্ড: ১৯৯৩, ১৯৯৮) রচনা করে বাংলা কোষগ্রন্থের পরিধিকে সমৃদ্ধ করেন।
- সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন বিভিন্ন পুরস্কার:
  - বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৩)
  - সুন্দরবন সাহিত্য পদক (১৯৮১)
  - বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক (১৯৯০)
  - একুশে পদক (১৯৯৭)
  - স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর, ২০০৪)
  - শিশু একাডেমি পদক (মরণোত্তর, ২০০৬)
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উপন্যাস:
- সূর্য-দীঘল বাড়ী,
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল। 

গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
আল মাহমুদের উপন্যাস কোনটি?
  1. পানকৌড়ির রক্ত
  2. কাবিলের বোন
  3. বখতিয়ারের ঘোড়া
  4. পাখির কাছে ফুলের কাছে
ব্যাখ্যা

আল মাহমুদের উপন্যাস হচ্ছে কাবিলের বোন। 

আল মাহমুদ:
- কাবিলের বোন তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- দোয়েল ও দয়িতা,
- দ্বিতীয় ভাঙন,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- আগুনের মেয়ে, ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রধান গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- গন্ধবণিক,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

.
"আ মরি বাংলা ভাষা" গানের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. আহমদ ছফা
  3. অতুলপ্রসাদ সেন 
  4. আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

"আ মরি বাংলা ভাষা" গানের রচয়িতা হচ্ছে অতুলপ্রসাদ সেন। 

অতুলপ্রসাদ সেন
- অতুলপ্রসাদ সেন একজন কবি, গীতিকার ও গায়ক।
- তিনি ১৮৭১ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- পরিবারের আদি নিবাস ছিল ফরিদপুরের দক্ষিণ বিক্রমপুরের মগর গ্রামে।
- অতুলপ্রসাদ সেন সুরকার ও গীতিকার হিসেবে সঙ্গীত জগতে অনন্য স্থান দখল করেছেন।
- তাঁর অপূর্ব সৃষ্টি: 'মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা।'
- তাঁর রচিত গানের সংখ্যা প্রায় ২০০টি।
- তাঁর লেখা গানের সংকলন: 'কয়েকটি গান' ও 'গীতিপুঞ্জ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

.
‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ কোন ঘটনার পটভূমিতে রচিত?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন 
  3. ব্রিটিশ শাসন
  4. সমাজ সংস্কার
ব্যাখ্যা

‘জাহান্নম হইতে বিদায়’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তক ঘটনার পটভূমিতে রচিত। 

শওকত ওসমান:
- তিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; 'শওকত ওসমান' তাঁর সাহিত্যিক নাম।

তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- জলাঙ্গী,
- জাহান্নম হইতে বিদায়। 

তাঁর রচিত একটি নাটক:
- তস্কর লস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা,
- কাঁকর মণি,
- বাগদাদের কবি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১০.
কোনটি আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. রাইফেল রোটি আওরাত 
  2. চিলে কোঠার সেপাই
  3. আরেক ফাল্গুন 
  4. নিশুতি রাতের গাথা
ব্যাখ্যা

রাইফেল রোটি আওরাত হচ্ছে আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

রাইফেল রোটি আওরাত
- 'রাইফেল রোটি আওরাত' আনোয়ার পাশা রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- অন্যান্য চরিত্র: ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত, জামাল সাহেব প্রমুখ।
- উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকালীন রচিত।
- ১৯৭৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।

আনোয়ার পাশা
- তিনি বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ছিলেন।
- জন্ম: ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ডাবকাই গ্রামে।

সাহিত্যকর্ম:

উপন্যাস:
- নিশুতি রাতের গাথা,
- নীড় সন্ধানী,
- রাইফেল রোটি আওরাত (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)। 

কাব্যগ্রন্থ:
- নদী নিঃশেষিত হলে,
- সমুদ্র শৃঙ্খলাতা উজ্জয়িনী,
- অন্যান্য কবিতা। 

অন্যদিকে, 
-  উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রথম মহাকাব্যিক উপন্যাস 'চিলে কোঠার সেপাই' (১৯৮৭)।
- জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলন এবং এর পরবর্তীকালের ঢাকা শহরের পরিস্থিতি।

উৎস:
1) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,
2) বাংলাপিডিয়া। 

১১.
‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ শিশুতোষ গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. আহসান হাবীব
  2. অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. সেলিনা হোসেন
  4. অতুলপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা

‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ শিশুতোষ গ্রন্থটির লেখক হচ্ছে আহসান হাবীব। 

আহসান হাবীব
- তিনি ছিলেন মূলত কবি ও সাংবাদিক।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: রাত্রিশেষ।
- ১৯৪৭ সালে প্রথম কবিতার বই রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৬১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি এবং ১৯৭৮ সালে একুশে পদক লাভ করেন।
- তাঁর ‘ছায়া হরিণ’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯৬২ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।

কাব্যগ্রন্থসমূহ:
- রাত্রিশেষ (প্রথম প্রকাশিত),
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- ছায়া হরিণ,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ। 

শিশুতোষ গ্রন্থসমূহ:
- ছোটদের পাকিস্তান,
- ছুটির দিন দুপুরে,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
‘একালে আমাদের কাল’ কোন ধরনের রচনা?
  1. উপন্যাস
  2. প্রবন্ধ
  3. আত্মজীবনী
  4. গল্প
ব্যাখ্যা

‘একালে আমাদের কাল’ একটি আত্নজীবনীমূলক রচনা। 

সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'সৈনিক বধূ'। রচনা হয় ১৯২৩ সালে। গ্রন্থটি বরিশালের 'তরুণ' পত্রিকায় প্রকাশ পায়।

তার রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল, ইত্যাদি।

গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা।

শিশুতোষ গল্প:
- ইতল বিতল,
- নওল কিশোরের দরবারে।

ডায়েরি: একাত্তরের ডায়েরী।
আত্মজীবনী: একালে আমাদের কাল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  2. শকুন্তলা
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. ব্যাকরণ কৌমুদী
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হচ্ছে বেতাল পঞ্চবিংশতি। 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও জনহিতৈষী ছিলেন।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ তাঁকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন তিনি।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত তাঁর প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস, ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৪.
অন্নদাশঙ্কর রায়ের রচিত ভ্রমণকাহিনী কোনটি?
  1. ভলগার তীরে
  2. বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
  3. য়ুরোপ-প্রবাসীর পত্র
  4. পথে প্রবাসে
ব্যাখ্যা

অন্নদাশঙ্কর রায়ের রচিত ভ্রমণকাহিনী হচ্ছে পথে প্রবাসে।  

অন্নদাশঙ্কর রায়
- তিনি একজন স্বনামধন্য বাঙালি কবি, লেখক এবং ছড়াকার।
- তিনি ‘লীলাময় রায়’ ছদ্মনামে লিখতেন।

ভ্রমণ কাহিনী:
- পথে প্রবাসে,
- ইউরোপের চিঠি। 

উপন্যাসসমূহ:
- অসমাপিকা (প্রথম উপন্যাস, ১৯৩০), 
- কঙ্কাবতী,
- দুঃখমোচন,
- অপসরণ,
- অজ্ঞাতবাস। 

অন্যদিকে,
- "ভলগার তীরে" (Volgar Teere) মূলত বাংলাদেশী কবি নির্মলেন্দু গুণ-এর একটি ভ্রমণকাহিনী।
- মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী "বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন"
-'য়ুরোপ-প্রবাসীর পত্র' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি গ্রন্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

১৫.
আবু জাফর শামসুদ্দীনের ত্রয়ী উপন্যাসের অর্ন্তভুক্ত নয়? 
  1. ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান
  2. পদ্মা মেঘনা যমুনা
  3. রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা
  4. সংকর সংকীর্তন
ব্যাখ্যা

রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা আবু জাফর শামসুদ্দীনের ত্রয়ী উপন্যাসের অর্ন্তভুক্ত নয়। 
- এটি একটি গল্পগ্রন্থ। 

আবু জাফর শামসুদ্দীন
- তিনি একজন সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক।
- জন্ম: ১৯১১ সালের ১২ মার্চ, ঢাকা জেলার গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রামে।
- মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে দৈনিক সংবাদে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শীর্ষক সাপ্তাহিক কলাম লিখতেন।
- প্রথম উপন্যাস: পরিত্যক্ত স্বামী (১৯৪৭)। 

ত্রয়ী উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান,
- পদ্মা মেঘনা যমুনা,
- সংকর সংকীর্তন। 

উল্লেখযোগ্য রচনা:
উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান,
- পদ্মা মেঘনা যমুনা,
- সংকর সংকীর্তন,
- দেয়াল,
- পরিত্যক্ত স্বামী। 

গল্পগ্রন্থ:
- জীবন,
- রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা,
- ল্যাংড়ী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
দুধেভাতে উৎপাত’ কোন ধরনের রচনা?
  1. উপন্যাস
  2. কবিতা
  3. প্রবন্ধ
  4. ছোটগল্প 
ব্যাখ্যা

"দুধেভাতে উৎপাত" একটি ছোটগল্প। 

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭) একজন কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর পূর্ণনাম আখতারুজ্জামান মুহম্মদ ইলিয়াস।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- তিনি দেশের প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের পরোক্ষ সমর্থক ছিলেন।
- তাঁর লেখায় সমাজবাস্তবতা ও কালচেতনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

রচিত গ্রন্থসমূহ:
উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খোয়াবনামা। 

ছোটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

১৭.
কোনটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত নয়?
  1. অমৃতস্য পুত্রা
  2. মতিচূর
  3. আরোগ্য
  4. স্বাধীনতার স্বাদ
ব্যাখ্যা

মতিচূর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত নয়। 
- এটি রোকেয়া বেগমের রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। 

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তিনি ১৯০৮ সালে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- তিনি ছিলেন মূলত কথাসাহিত্যিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, 'মানিক' তাঁর ডাকনাম।
- তিনি ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কথাসাহিত্যের একজন শক্তিমান লেখক।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'জননী' (১৯৩৫)।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প 'অতসী মামী', 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- চিহ্ন,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মা নদীর মাঝি,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- চতুষ্কোণ,
- সার্বজনীন,
- সোনার চেয়ে দামী,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- অমৃতস্য পুত্রা,
- আরোগ্য ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- প্রাগৈতিহাসিক,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ,
- হলুদ পোড়া,
- আজ কাল পরশুর গল্প ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৮.
‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত?
  1. উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ
  2. বন্দী শিবির থেকে 
  3. বিধ্বস্ত নীলিমা
  4. রৌদ্র করোটিতে
ব্যাখ্যা

‘তোমাকে পাওয়ার জন্যে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 

• ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থ:
- এ গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে ১৯৭১ সালের শহীদদের প্রতি।
- ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ৩৮ টি কবিতা এ গ্রন্থে সংযোজন করা হয়েছে।

• শামসুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’ এর উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা,
- স্বাধীনতা তুমি,
- মধুস্মৃতি,
- রক্তাক্ত প্রান্তরে, ইত্যাদি। 

শামসুর রাহমান:
- শামসুর রাহমান ছিলেন একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯২৯ সালে পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- পৈত্রিক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শৈশবে তাঁর ডাক নাম ছিল ‘বাচ্চু’।
- মাত্র আঠারো বছর বয়সে প্রথম কবিতা লেখা শুরু করেন।
- ১৯৪৩ সালে তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ‘সোনার বাংলা’ পত্রিকায়।
- তাঁর দুটি বিখ্যাত কবিতা হলো "স্বাধীনতা তুমি" এবং "তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা"।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ‘মজলুম আদিব’ ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন।
- তিনি প্রাপ্ত পুরস্কারসমূহ: আদমজি পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার।
- শামসুর রাহমান ২০০৬ সালে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ সমূহ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ,
- এক ফোঁটা কেমন অনল,
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়,
- স্বপ্নে ও দুঃস্বপ্নে বেঁচে আছি,
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- বন্দী শিবির থেকে,
- কৃষ্ণপক্ষে পূর্ণিমার দিকে,
- না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।