পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

পরীক্ষা৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ বিষয়: বাংলা ব্যাকরণ - ২ ব্যাকরণ অংশের টপিক: পদ, বাক্য, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived]

৪৮তম বিশেষ বিসিএস [স্বাস্থ্য] ⎯ সাধারণ অংশ [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
বিশেষণের অতিশায়ণের উদাহরণ কোনটি?
  1. তুমি আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়।
  2. পদ্ম হতে গোলাপ বেশি সুন্দর। 
  3. আসমান হতে বৃষ্টি পড়ে।
  4. তিল থেকে তৈল হয়। 
সঠিক উত্তর:
পদ্ম হতে গোলাপ বেশি সুন্দর। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ম হতে গোলাপ বেশি সুন্দর। 
ব্যাখ্যা
বিশেষণের অতিশায়ন:
- বিশেষণের মধ্যে তুলনা থাকবে।

যেমন:
- গরুর থেকে ঘোড়ার দাম বেশি।
- পদ্ম হতে গোলাপ বেশি সুন্দর। 
- বাঘের চেয়ে সিংহ বলবান।

যেমন:
অনুসর্গ:
বিশেষণের মধ্যে তুলনা থাকবে না।

যেমন:
- তিল থেকে তৈল হয়। 
- আসমান হতে বৃষ্টি পড়ে।
- তুমি আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ভুল বানান কোনটি?
  1. প্রকৃতি
  2. প্রতীতি
  3. সমিতি
  4. জ্যমিতি
সঠিক উত্তর:
জ্যমিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যমিতি
ব্যাখ্যা
• ভুল বানান - জ্যমিতি
- শুদ্ধ বানান - জ্যামিতি।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- শাস্ত্রের যে শাখায় রেখা ক্ষেত্র আকার পরিমাপ প্রভৃতি বিষয় চর্চা করা হয়।

অন্যদিকে,
- প্রকৃতি, প্রতীতি, সমিতি - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোন শব্দে সন্ধিজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. বিপদোদ্ধার
  2. পৃথগন্ন
  3. অদ্যাবধি
  4. বাগীশ্বরী
সঠিক উত্তর:
বিপদোদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপদোদ্ধার
ব্যাখ্যা
বিপদোদ্ধার - শব্দে সন্ধিজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ - বিপদুদ্ধার।
- এই শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ - বিপদ্‌ + উদ্ধার।

অন্যদিকে,
- বাগীশ্বরী,
- অদ্যাবধি,
- পৃথগন্ন।
শব্দগুলোর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কী ভেদে ক্রিয়ার রূপের কোন পার্থক্য হয় না?
  1. পুরুষভেদে
  2. অর্থভেদে
  3. বর্ণনাভেদে
  4. বচনভেদে
সঠিক উত্তর:
বচনভেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বচনভেদে
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াপদ:
ক্রিয়ামূল অর্থাৎ ধাতুর সঙ্গে কাল সময় ও পুরুষজ্ঞাপক (ক্রিয়া) বিভক্তিযোগে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়।

• বচনভেদে ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য হয় না।
যেমন:
- আমি (বা আমরা) যাই।
- তুমি (বা তোমরা) যাও।
- সে (বা তারা) যায়।

এখানে, 
• পুরুষভেদে ক্রিয়ার রূপের পার্থক্য দেখা যায়।
যেমন:
- আমি যাই।
- তুমি যাও।
- আপনি যান।
- সে যায়। তিনি যান। (সাধারণ ভবিষ্যৎ কালে নাম পুরুষ ও মধ্যম পুরুষের রূপ অভিন্ন।)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
শুদ্ধ বানান কোনটি? 
  1. ধ্যাণধারনা
  2. ধ্যানধারনা
  3. ধ্যানধারণা
  4. ধ্যাণধারণা
সঠিক উত্তর:
ধ্যানধারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্যানধারণা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - ধ্যানধারণা
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- একাগ্র চিন্তা ও বিশ্বাস,
- স্মরণ ও মনন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।’ - এ বাক্যে ‘গিয়ে’ কোন ক্রিয়া?
  1. অসমাপিকা
  2. প্রযোজক
  3. দ্বিকর্মক
  4. সমাপিকা
সঠিক উত্তর:
অসমাপিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসমাপিকা
ব্যাখ্যা
অসমাপিকা ক্রিয়া:
- যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।

যেমন:
আমি বাড়ি গিয়ে .......
সে বই নিয়ে

এখানে 'গিয়ে', 'নিয়ে' ক্রিয়ার দ্বারা কথা শেষ হয় নি। বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ রয়েছে। বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য আরও ক্রিয়া চাই।
যেমন:
আমি বাড়ি গিয়ে খাব।
বাড়ি গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতুহল ভালো নয়।
  2. আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।
  3. বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতুহল ভালো নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতুহল ভালো নয়।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতুহল ভালো নয়।
শুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

অন্যদিকে:
- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
- আমি তোমার অপরাধ সম্পর্কে নিঃসন্দেহ।
উপরিউক্ত বাক্যগুলো শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"কল কল" কোন প্রকার অব্যয়?
  1. অনুসর্গ অব্যয়
  2. সমুচ্চয়ী অব্যয়
  3. অনন্বয়ী অব্যয়
  4. অনুকার অব্যয়
সঠিক উত্তর:
অনুকার অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুকার অব্যয়
ব্যাখ্যা
অনুকার অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে।

যথা:
বজ্রের ধ্বনি - কড় কড়।
বৃষ্টির তুমুল শব্দ – ঝম ঝম। 
স্রোতের ধ্বনি – কল কল। 
বাতাসের গতি – শন শন।
শুষ্ক পাতার শব্দ – মর মর। 
নূপুরের আওয়াজ – রুম ঝুম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ কোনটি?
  1. আয়ত্ত
  2. প্রয়োজনীয়তা
  3. অধীন
  4. কদাপি
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয়তা
ব্যাখ্যা
• 'প্রয়োজনীয়তা' সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ।
- এই শব্দের শুদ্ধরূপ - প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- আয়ত্ত,
- অধীন,
- কদাপি।
শব্দগুলোর প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
"মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না।" এটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করুন -
  1. মিথ্যাবাদীকে কেউই বিশ্বাস করতে চায় না।
  2. সে একজন মিথ্যাবাদী, তাই কেউ তাকে বিশ্বাস করে না।
  3. যেহেতু সে মিথ্যা বলে, তাই কেউ তাকে বিশ্বাস করে না।
  4. সে মিথ্যাবাদী এবং তাকে কেউ বিশ্বাস করে না।
সঠিক উত্তর:
যেহেতু সে মিথ্যা বলে, তাই কেউ তাকে বিশ্বাস করে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেহেতু সে মিথ্যা বলে, তাই কেউ তাকে বিশ্বাস করে না।
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর:
- যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন- তখন, যত-তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।

যেমন:
সরল বাক্য: মিথ্যাবাদীকে কেউ বিশ্বাস করে না।
জটিল বাক্য: যেহেতু সে মিথ্যা বলে, তাই কেউ তাকে বিশ্বাস করে না।

সরল বাক্য: সুসংবাদটা পেয়ে সে আনন্দিত হলো।
জটিল বাক্য: যখন সে সুসংবাদটা পেল, তখন সে আনন্দিত হলো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
১১.
নিচের কোনটির বানান সঠিক?
  1. পূনরুজ্জীবন
  2. পুনরুজ্জীবন
  3. পুনরুজ্জীবণ
  4. পুনঃরুজ্জীবন
সঠিক উত্তর:
পুনরুজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরুজ্জীবন
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - পুনরুজ্জীবন
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- নতুন জীবনলাভ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
'ড. আখতার হামিদ খান হলেন বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ।' - এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. জটিল
  2. সরল
  3. যৌগিক
  4. মিশ্র
সঠিক উত্তর:
সরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য:
- যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।

যথা:
- পুকুরে পদ্মফুল জন্মে।
- পরিশ্রমী লোকই সাফল্য লাভ করে।
- ড. আখতার হামিদ খান হলেন বাংলাদেশর পল্লী উন্নয়নের পথিকৃৎ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
"আমার কথা বিশ্বাস কর, তোমার মঙ্গল হবে।" সরল বাক্যে রূপান্তর করুন -
  1. তুমি আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
  2. আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
  3. যদি তুমি আমার কথা বিশ্বাস কর, তবে তোমার মঙ্গল হবে।
  4. আমার কথা বিশ্বাস করলে, তবেই তোমার মঙ্গল হবে।
সঠিক উত্তর:
আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গল হবে।
ব্যাখ্যা
যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তর:
- যৌগিক বাক্যে দুটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে; অন্যদিকে সরল বাক্যে থাকে একটি সমাপিকা ক্রিয়া। তাই যৌগিক বাক্য থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময়ে মাঝখানের সমাপিকা ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়ায় রূপান্তর করে নিতে হয়।

যৌগিক বাক্য: আমার কথা বিশ্বাস কর, তোমার মঙ্গল হবে।
সরল বাক্য: আমার কথা বিশ্বাস করলে তোমার মঙ্গাল হবে।

যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।
সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
নিচের কোন শব্দগুচ্ছ বিদেশী অব্যয়ের উদাহরণ?
  1. বহুত, খুব, মারহাবা
  2. খুব, বরং, খাসা
  3. দৈবাৎ, বরং, আবার
  4. পুনশ্চ, মারহাবা, খুব
সঠিক উত্তর:
বহুত, খুব, মারহাবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুত, খুব, মারহাবা
ব্যাখ্যা
বিদেশি অব্যয় শব্দ:

যেমন:
- আলবত, বহুত, খুব, শাবাশ, খাসা, মাইরি, মারহাবা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
তৎসম অব্যয় শব্দ:

যেমন:
- যদি, যথা, সদা, সহসা, হঠাৎ, অর্থাৎ, দৈবাৎ, বরং, পুনশ্চ, আপাতত, বস্তুত ইত্যাদি। 'এবং' ও 'সুতরাং' তৎসম শব্দ হলেও বাংলায় এগুলোর অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। সংস্কৃতে 'এবং' শব্দের অর্থ এমন, আর 'সুতরাং' অর্থ অত্যন্ত, অবশ্য।

বাংলা অব্যয় শব্দ:
- আর, আবার, ও, হ্যাঁ, না ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
'গীতাঞ্জলি, অগ্নিবীণা' কোন ধরনের বিশেষ্য?
  1. নামবাচক
  2. জাতিবাচক
  3. সংজ্ঞাবাচক
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
নামবাচক বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য:
- যে পদ দ্বারা কোন ব্যক্তি, ভৌগোলিক স্থান, বা গ্রন্থ বিশেষের নাম বিজ্ঞাপিত হয়, তাকে সংজ্ঞা বা নামবাচক বিশেষ্য পদ বলে।

যেমন:
- নজরুল, ঢাকা, মেঘনা, হিমালয়, গীতাঞ্জলি, অগ্নিবীণা, ফাল্গুন, বিজু, বৈসাবি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
জাতিবাচক বিশেষ্য:
- যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায় তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে।

যেমন:
মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, নদী, পর্বত, ইংরেজ ইত্যাদি জাতিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৮ সংস্করণ)।
১৬.
নিচের কোন শব্দে সমাস ঘটিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সময়কাল
  2. দুরাবস্থা
  3. নিরপরাধী
  4. বিবদমান
সঠিক উত্তর:
নিরপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপরাধী
ব্যাখ্যা
• সমাস সাধিত অশুদ্ধি ঘটেছে ‘নিরপরাধী’ শব্দে।
- শুদ্ধ প্রয়োগ: নিরপরাধ।

• কিছু সমাস ঘটিত অশুদ্ধ শব্দের সম্পর্কে সতর্কতা:
সংস্কৃত ইন্‌- প্রত্যয়ান্ত শব্দের প্রথমবার একবচনের রূপ হিসেবে বাংলায় ধনী, গুণী, মানী, পাপী ইত্যাদি হয়। কিন্তু নিঃ উপসর্গযোগে সমাসবদ্ধ হলে শব্দের শেষে ঈ- কার হয় না। সেখানে ধন, গুণ, মান, পাপ ইত্যাদি শব্দের সমান হয়। যেমন- নেই ধন যার= নির্ধন, নেই গুণ যার= নির্গুণ, নেই পাপ যার= নিষ্পাপ। নির্ধনী, নির্গুণী, নিষ্পাপী ইত্যাদি অশুদ্ধ।

• কিছু সমাস সাধিত অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ: 
অশুদ্ধ শব্দ ⇒ শুদ্ধ শব্দ:
- নিরপরাধী - নিরপরাধ;
- অহর্নিশি - অহর্নিশ;
- নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার;
- নির্দোষী - নির্দোষ;
- পিতাহারা - পিতৃহারা;
- অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র;
- নিরভিমানী - নিরভিমান;
- দিবারাত্রি - দিবারাত্র;
- নীরোগী - নীরোগ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৭.
"শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে?" - বাক্যটি কী কারণে অশুদ্ধ?
  1. সমাস-ঘটিত
  2. প্রত্যয়জনিত
  3. বাহুল্যজনিত
  4. সন্ধিজনিত
সঠিক উত্তর:
বাহুল্যজনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহুল্যজনিত
ব্যাখ্যা
• "শুধুমাত্র এই কটা টাকা দিলে?" - বাক্যটি 'সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত' কারণে অশুদ্ধ।
- এই বাক্যে শুদ্ধ প্রয়োগ - শুধু/মাত্র এই কটা টাকা দিলে?

• বাংলা বাক্যে বাহুল্যদোষ হয় তখনই, যখন বাক্যে অনর্থক, অপ্রয়োজনীয়, পুনরুক্ত বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়, যার ফলে বাক্যটি ভারাক্রান্ত, অপরিষ্কার বা অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ হয়ে পড়ে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
নিচের কোন বাক্যে প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতিজনিত ত্রুটি রয়েছে?
  1. গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
  2. ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয়।
  3. হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
  4. দশচক্রে ভগবান ভূত।
সঠিক উত্তর:
গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
ব্যাখ্যা
• বাক্যে প্রবাদ-প্রবচনের বিকৃতিজনিত ত্রুটি:
- সাধারণত বাংলা ভাষায় প্রবাদ-প্রবচনগুলো যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তন করা হলে তা ভুল বলে গণ্য হবে।

যেমন:
অশুদ্ধ: গৃহস্থের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।
শুদ্ধ: ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারব না।

অন্যদিকে,
শুদ্ধ বাক্য: দশচক্রে ভগবান ভূত।
শুদ্ধ বাক্য: হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
শুদ্ধ বাক্য: ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ? 
  1. বিভূতিভূষন
  2. ইতিমধ্যে
  3. ষাণ্মাষিক
  4. পরিষেবা
সঠিক উত্তর:
পরিষেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিষেবা
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - পরিষেবা
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
-  নিয়মিত সেবা;
- পরিচর্যা।

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধরূপ - ইতোমধ্যে, বিভূতিভূষণ, ষাণ্মাসিক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২০.
কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. চাতুর্য
  2. চালাক
  3. চতুর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চাতুর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাতুর্য
ব্যাখ্যা
• বিশেষ্য পদ  - চাতুর্য
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- চতুরতা।

অন্যদিকে,
বিশেষণ পদ - চালাক, চতুর।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২১.
'পরিত্যজ্য' শব্দে কোন ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. সন্ধি
  2. সমাস
  3. বাহুল্য
  4. প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• 'পরিত্যজ্য' শব্দে প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ ঘটেছে।
- এর শুদ্ধ প্রয়োগ - পরিত্যাজ্য। এর প্রকৃতি-প্রত্যয় - পরি + √ত্যজ।

প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
- প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

অশুদ্ধ = শুদ্ধ
• আবশ্যকীয় - আবশ্যক,
• একত্রিত - একত্র,
• পুজ্য - পূজ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২২.
শুদ্ধ বানান -
  1. অচিন্ত্যনীয়
  2. খৃষ্টাব্দ
  3. ঐক্যমত
  4. লক্ষণীয়
সঠিক উত্তর:
লক্ষণীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণীয়
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - লক্ষণীয়
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- লক্ষ করার যোগ্য, বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে এমন।

অন্যদিকে,
- অচিন্তনীয়, খ্রিষ্টাব্দ এবং ঐকমত্য - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৩.
"বাবা বাজার ইলিশ থেকে এনেছেন।" - বাক্যটি কোন গুণ হারিয়েছে?
  1. আসক্তি
  2. যোগ্যতা
  3. আকাঙ্ক্ষা
  4. আসত্তি
সঠিক উত্তর:
আসত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসত্তি
ব্যাখ্যা
আসত্তি:
- বাক্যের অর্থসংগতি রক্ষা করে পদগুলোকে যথাযথভাবে সাজিয়ে রাখার নাম আসত্তি।

যেমন :
- বাবা বাজার ইলিশ থেকে এনেছেন।
এখানে বক্তা যা বলতে চেয়েছেন তার সব উপকরণ আছে। কিন্তু পদগুলো যথাযথভাবে সাজানো হয় নি। ফলে সুস্পষ্ট কোনো অর্থও প্রকাশ পায়নি।

কিন্তু
- বাবা বাজার থেকে ইলিশ এনেছেন।
এভাবে লেখা হলে বক্তব্যটির অর্থ পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে একটি সুগঠিত বাক্য হতো। তাই সার্থক বাক্যে ব্যবহৃত পদগুলোর যথাযথ অবস্থানে থাকা আবশ্যক।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৪.
কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে? 
  1. সে ঘুমিয়ে আছে।
  2. সে যে চাল চেলেছে তাতে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না।
  3. সে গভীর চিন্তায় মগ্ন।
  4. সে বই পড়ছে।
সঠিক উত্তর:
সে যে চাল চেলেছে তাতে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে যে চাল চেলেছে তাতে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না।
ব্যাখ্যা
সমধাতুজ কর্ম:
- বাক্যের ক্রিয়া ও কর্ম পদ একই ধাতু থেকে গঠিত হলে ঐ কর্মপদকে সমধাতুজ কর্ম বা ধাত্বর্থক কর্মপদ বলে।

যেমন:
- 'আমি বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি'- বাক্যে কর্মপদ ঘুম এবং ক্রিয়াপদ ঘুমিয়েছি একই ধাতু ঘুম্‌ থেকে গঠিত হয়েছে।
অনুরূপ,
- সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না।

অন্যদিকে,
অন্যান্য বাক্যে সমধাতুজ কর্ম নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৫.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ওষুদ
  2. অষুধ
  3. ঔষধ
  4. ঔষুধ
সঠিক উত্তর:
ঔষধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঔষধ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - ঔষধ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- রোগ নিরাময় ও প্রতিরোধের জন্য প্রযুক্ত দ্রব্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৬.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. সভায় অনেক ছাত্র এসেছিল।
  2. সকল প্রাণীই এই গ্রহের বাসিন্দা।
  3. বিদ্যাণকে সকলে শ্রদ্ধা করে।
  4. মাদকাসক্তি ভালো নয়।
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাণকে সকলে শ্রদ্ধা করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাণকে সকলে শ্রদ্ধা করে।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্য: বিদ্যাণকে সকলে শ্রদ্ধা করে।
শুদ্ধ বাক্য: বিদ্বানকে সকলে শ্রদ্ধা করে।

অন্যদিকে:
- মাদকাসক্তি ভালো নয়।
- সকল প্রাণীই এই গ্রহের বাসিন্দা।
- সভায় অনেক ছাত্র এসেছিল।
উপরিউক্ত বাক্যগুলো শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭.
কোনটি প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি?
  1. সৌন্দর্যতা
  2. জ্ঞানবান
  3. পূজ্য
  4. সৌন্দর্য
সঠিক উত্তর:
সৌন্দর্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌন্দর্যতা
ব্যাখ্যা
• প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ-জনিত অশুদ্ধি - সৌন্দর্যতা
- শব্দের শুদ্ধ প্রয়োগ - সৌন্দর্য। এর প্রকৃতি-প্রত্যয় - সুন্দর + য।

অন্যদিকে,
- পূজ্য,
- জ্ঞানবান।
উপরিউক্ত শব্দগুলোর প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৮.
"আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম, সবার খাওয়া হয়ে গেছে।" — এই বাক্যে কোন ধরনের অধীন খণ্ডবাক্য রয়েছে?
  1. কার্যবাচক
  2. বিশেষ্যস্থানীয়
  3. ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয়
  4. বিশেষণস্থানীয়
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্যস্থানীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্যস্থানীয়
ব্যাখ্যা
বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের যেকোনো পদের অধীন থেকে বিশেষ্যের কাজ করে, তাকে বিশেষ্যস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।

যেমন:
- আমি বাড়ি গিয়ে দেখলাম, সবার খাওয়া হয়ে গেছে।

অন্যদিকে,
বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
- যে অধীন খণ্ডবাক্য স্বাধীন খণ্ডবাক্যের অন্তর্গত কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে। (অধীন খণ্ডবাক্যটি 'সে-ই' সর্বনামের অবস্থা প্রকাশ করছে)

ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য:
যে অধীন খণ্ডবাক্য ক্রিয়াপদের স্থান, কাল ও কারণ নির্দেশক অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অধীন খণ্ডবাক্য বলে।
যেমন: 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।'

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৯.
কোনটি বিশেষণ পদ?
  1. জনতা
  2. দর্শন
  3. সৎ
  4. সততা
সঠিক উত্তর:
সৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ পদ - সৎ
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- সত্য, উত্তম, শুভ, সাধু।

অন্যদিকে,
 বিশেষ্য পদ - সততা, দর্শন, জনতা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩০.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. বুৎপত্তি
  2. ব্যুৎপত্তি
  3. ব্যূৎপত্তি
  4. বূৎপত্তি
সঠিক উত্তর:
ব্যুৎপত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যুৎপত্তি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - ব্যুৎপত্তি
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- প্রকৃতি-প্রত্যয়াদি বিশ্লেষণদ্বারা শব্দের গঠন বিচার,
- গভীর জ্ঞান।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৩১.
"সে অনেক চেষ্টা করে সাফল্য লাভ করেছে।" যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করুন-
  1. সে সাফল্য লাভ করেছে, যাতে সবাই খুশি হয়।
  2. সে অনেক চেষ্টা করেছে, তাই সাফল্য লাভ করেছে।
  3. সে সাফল্য লাভ করেছে, যদিও সে চেষ্টা করেনি।
  4. সে সাফল্য লাভ করেছে কারণ সে চেষ্টা করেছে।
সঠিক উত্তর:
সে অনেক চেষ্টা করেছে, তাই সাফল্য লাভ করেছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে অনেক চেষ্টা করেছে, তাই সাফল্য লাভ করেছে।
ব্যাখ্যা
সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর:
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- এবং,  ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু,অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- কমা(, ), সেমিকোলন(ঃ), কোলন( ; ), ড্যাশ( -) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।
- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়। সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়। সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে হলে সরল বাক্যের কোন অংশকে নিরপেক্ষ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়।

যেমন:
সরল বাক্য: সে অনেক চেষ্টা করে সাফল্য লাভ করেছে।
যৌগিক বাক্য: সে অনেক চেষ্টা করেছে, তাই সাফল্য লাভ করেছে।

সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।
যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩২.
'যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে।' - এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. যৌগিক
  2. সরল
  3. জটিল
  4. অধীন খণ্ডবাক্য
সঠিক উত্তর:
জটিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জটিল
ব্যাখ্যা
জটিল বাক্য:
- যে বাক্যে একটি স্বাধীন বাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে।

যেমন:
যিনি পরের উপকার করেন, তাঁকে সবাই শ্রদ্ধা করে।
কোথাও পথ না পেয়ে তোমার কাছে এসেছি।
তুমি আসবে বলে আমি অপেক্ষা করে আছি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
৩৩.
‘যেমন কর্ম তেমন ফল।’ - বাক্যে কোন ধরনের সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অন্যবাচক সর্বনাম
  2. সাপেক্ষ সর্বনাম
  3. সকলবাচক সর্বনাম
  4. পারস্পরিক সর্বনাম
সঠিক উত্তর:
সাপেক্ষ সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপেক্ষ সর্বনাম
ব্যাখ্যা
সাপেক্ষ সর্বনাম:
- পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।

যেমন:
- যারা-তারা,
- যে-সে,
- যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
৩৪.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. মনকষ্ট
  2. মণকষ্ট
  3. মনঃকষ্ট
  4. মনোকষ্ট
সঠিক উত্তর:
মনঃকষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনঃকষ্ট
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - মনঃকষ্ট।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।

শব্দের অর্থ:
- মনের দুঃখ, মনোবেদনা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।