পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ১২ পার্ট-১) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন: 1) Impact of Values Education and Good Governance in national development; 2) How the element of Good Governance and Values Education can be established in society in a given social context; 3) The benefits of Values Education and Good Governance and the cost society pays adversely in their absence. পার্ট-২) বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ - বাংলাদেশের অর্থনীতি: ১. জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC পৌরনীতি বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশে কত সাল থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে?
  1. ১৯৮৯ সাল
  2. ১৯৯১ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯৭ সাল
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন ভরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট যায়ে যে কর আরোপ করা হয়, তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।
- বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট)।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক আসে ভ্যাট থেকে।
- আমদানি শুল্ক এবং আয়করও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে ভ্যাটের অবদান তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
কত সালে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা): 
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ /পুননির্মাণ
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কর্মসংস্থান ব্যাংক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান ব্যাংক:
- কর্মসংস্থান ব্যাংক ১৯৯৮ সালের কর্মসংস্থান ব্যাংক আইনের আওতায় দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে দেশের বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের ঋণ সহায়তা ও আত্মকর্মসংস্থানের জন্য সরকার একটি বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সনের ৭ নং আইন বলে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ৩০ জুন ১৯৯৮ সালে প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের ৩০ মিলিয়ন শেয়ারে বিভক্ত ৩,০০০ মিলিয়ন টাকার মূলধন নিয়ে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু হয়।
- কর্মসংস্থান ব্যাংক বেকার যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য নিজস্ব কর্মসূচি হিসেবে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি এবং সরকারের বিশেষ কর্মসূচি হিসেবে কৃষিভিত্তিক শিল্পঋণ প্রদান কর্মসূচি ও শিল্পকারখানা/প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছা অবসরপ্রাপ্ত/কর্মচ্যুত শ্রমিক/কর্মচারিদের কর্মসংস্থানের জন্য জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (BIDS) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ: 
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) একটি স্বায়ত্তশাসিত পাবলিক বহু-বিষয়ক সংস্থা যা বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির মুখোমুখি উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে।
- এর লক্ষ্য হল নির্ভরযোগ্য গবেষণা পরিচালনা, নীতি সংলাপ প্রচার, নীতিগত বিকল্পগুলি প্রচার এবং তথ্যবহুল নীতি নির্ধারণের জন্য জোট তৈরির মাধ্যমে উন্নয়ন সমাধানগুলিতে শেখার সুবিধা প্রদান করা।
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এর উৎপত্তি পাকিস্তানে, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে এবং ১৯৫৭ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- পিআইডিই ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৪ সালে একটি সংসদীয় সনদ প্রদান করা হয় এবং উন্নয়ন গবেষণার বহুমুখী কেন্দ্রবিন্দু প্রতিফলিত করার জন্য ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (BIDS)।
- এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। 

উৎস: Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS)
.
বিবিএস এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৬.৮২%
  2. ৫.৮২%
  3. ৪.৬২%
  4. ৪.২২%
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।
- তন্মধ্যে স্কুল দেশজ উৎপাদ (GDP)-সহ গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নির্দেশক প্রাক্কলন অন্যতম।
 ইতঃপূর্বে সাময়িকভাবে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- এ পর্যায়ে চূড়ান্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.২২%, সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
e-TIN কী?
  1. অটোমেটেড পেমেন্ট গেটওয়ে
  2. অটোমেটেড পেমেন্ট সিস্টেম
  3. করদাতার পরিচিতি নম্বর
  4. মূল্য সংযোজন কর নম্বর
ব্যাখ্যা
e-TIN: 
- করদাতা  হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত  ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন  (e-TIN) রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি  প্রবর্তন করেছিল।
- ই-টিআইএন (e-TIN) মানে ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার। 
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- e-TIN করদাতার পরিচিতি নম্বর। 
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরে বসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি একটি পুনর্বাসন প্রকল্প?
  1. কাবিখা
  2. কাবিটা
  3. আশ্রয়ণ
  4. শেষ সম্বল
ব্যাখ্যা
আশ্রয়ণ প্রকল্প: 
- এটি একটি সমন্বিত দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প ।
- সারা দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় “আশ্রয়ণ প্রকল্প”।
- আশ্রয়ণ প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে ৬৫ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায়. পরিবারের দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। 
- আশ্রয়ণ প্রকল্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি প্রকল্প যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং যার জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার কত?
  1. ৫৪০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  2. ৪৮০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  3. ৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  4. ৪২০ বিলিয়ন ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
জিডিপির আকার: 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার ৫০,০২,৬৫৪ কোটি টাকা (৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার)। 
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ৪৪,৯০,৮৪২ কোটি টাকা (৪৫২ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
VGF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Fund
  2. Vulnerable General Fund
  3. Vulnerable Group Feeding
  4. Vulnerable General Feast
ব্যাখ্যা
VGF: 
- VGF এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Vulnerable Group Feeding.

- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি।
১০.
মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ: 
- মোট জাতীয় উৎপাদনকে তিনটি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়। 

১. উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা: 
- যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে নানাবিধ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা উৎপাদন করা হয়। 
- মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ নির্ণয় করতে হলে প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার মোট উৎপাদনের পরিমাণকে তার বাজার দাম দিয়ে গুণ করতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।
- এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করতে হলে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্যই গণনা করতে হবে।

২. উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয়: 
- এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করতে হলে উৎপাদনের উপাদানসমূহের মোট আয়ের সমষ্টি নির্ণয় করতে হয়।
- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন-উৎপাদনের এ চারটি উপাদানের আয় যথাক্রমে খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা।
- এক বছরে কোনো দেশের জাতীয় আয় হলো ঐ বছরে উৎপাদনের উপাদানসমূহের অর্জিত মোট খাজনা, মজুরি বা বেতন, সুদ ও মুনাফার সমষ্টি।

৩. সমাজের মোট ব্যয়: 
- সমাজের মোট ব্যয়ের ভিত্তিতেও মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করা যায়।
- এই পদ্ধতি অনুসারে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের সমস্ত ধরনের ব্যয় যোগ করলে মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য পাওয়া যায়।
- কোনো দেশের মোট আয় দু'ভাবে ব্যয়িত হয়- (i) ভোগ্যদ্রব্য ও সেবা কেনার জন্য এবং (ii) বিনিয়োগ করার জন্য।
- ব্যয়কারীদের প্রধানত তিন শ্রেণিতে বিন্যাস করা যায়: সরকার, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং জনগণ।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক বছরে সরকারি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং বেসরকারি ভোগ-ব্যয় ও বিনিয়োগ-ব্যয়ের সমষ্টি ঐ সময়ে ঐ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১১.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি কত?
  1. ৩.২১%
  2. ৩.৩০%
  3. ৩.৩৭%
  4. ৩.৫০%
ব্যাখ্যা
কৃষি (Agriculture) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ৩.৩০% । 

- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১২.
গিনি সূচক কী নির্দেশ করে?
  1. দারিদ্রতার হার
  2. আয় বৈষম্য
  3. বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত
  4. এসডিজি অগ্রগতি
ব্যাখ্যা
গিনি সূচক: 
- গিনি সূচক আয় বৈষম্যকে নির্দেশ করে। 
- একটি অর্থনীতির মধ্যে ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে আয় বা ভোগের বন্টন কতটা সম্পূর্ণ সমান বন্টন থেকে বিচ্যুত হয় তা গিনি সূচক পরিমাপ করে।
- ০(শূন্য) গিনি সূচক নিখুঁত সমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে ১০০ সূচক নিখুঁত বৈষম্যকে নির্দেশ করে।
- গিনি সূচক পরিমাপ করে যে, একটি অর্থনীতির মধ্যে ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে আয়ের বন্টন (অথবা, কিছু ক্ষেত্রে, ভোগ ব্যয়) কতটা সম্পূর্ণ সমান বন্টন থেকে বিচ্যুত হয়।
- একটি লরেঞ্জ বক্ররেখা দরিদ্রতম ব্যক্তি বা পরিবার থেকে শুরু করে, মোট প্রাপ্ত আয়ের ক্রমবর্ধমান শতাংশকে প্রাপকদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার বিপরীতে চিত্রিত করে।
- গিনি সূচক লরেঞ্জ বক্ররেখা এবং পরম সমতার একটি কাল্পনিক রেখার মধ্যবর্তী ক্ষেত্রফল পরিমাপ করে, যা রেখার নীচের সর্বাধিক ক্ষেত্রফলের শতাংশ হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
- সুতরাং ০(শূন্য) গিনি সূচক নিখুঁত সমতাকে প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে ১০০ সূচক নিখুঁত বৈষম্যকে নির্দেশ করে।
- বাংলাদেশের গিনি ইনডেক্স (২০২২) হচ্ছে ৩৩.৪ । 

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৩.
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতার ন্যূনতম আয়কর কত? [মে, ২০২৫]
  1. ৩৫০০ টাকা
  2. ৪০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৬০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়কর সীমা:
- স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়কর সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বৎসর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০ টাকা;
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা;
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,০০,০০০ টাকা;
- কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫০,০০০ টাকা অধিক হবে; প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা ও মাতা উভয়েই করদাতা হইলে যেকোনো একজন এই সুবিধা ভোগ করবেন।

মোট আয়ের পরিমাণ করমুক্ত আয়ের সীমার অধিক হলে করদাতার অবস্থানভেদে ন্যূনতম আয়করের পরিমাণ নিম্নরূপ:
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা - ৫০০০ টাকা 
- অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা - ৪০০০ টাকা 
- সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় অবস্থিত করদাতা - ৩০০০ টাকা 

উৎস: আয়কর পরিপত্র ২০২৪-২০২৫
১৪.
দৈনিক কত ডলার এর নিচে আয়কে চরম দারিদ্র্য হিসেবে অভিহিত করা হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ১.৫০ ডলার
  2. ২.১৫ ডলার
  3. ৩.৬৫ ডলার
  4. ৬.৮৫ ডলার
ব্যাখ্যা
- Poverty and Equity Briefs (PEBs) হলো একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন যা বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এর বসন্ত ও বার্ষিক সভার সময় বছরে দু’বার প্রকাশিত হয়।
- এর মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশের দারিদ্র্য, সমবণ্টিত উন্নয়ন ও বৈষম্যের প্রবণতা তুলে ধরা হয়।
- জাতীয় দারিদ্র্যরেখা এবং আন্তর্জাতিক চরম দারিদ্র্যরেখা (২০১৭ সালের পিপিপির পরিভাষায় ২.১৫ ডলার) অনুসারে দারিদ্র্যের হার এবং মোট দরিদ্রের সংখ্যা, পাশাপাশি নিম্ন-মধ্যম আয়ের (৩.৬৫ ডলার) এবং উচ্চ-মধ্যম আয়ের (৬.৮৫ ডলার) দারিদ্র্যরেখা।
- শুধু আয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষা ও মৌলিক সেবা প্রাপ্তির মতো অ-আর্থিক দিকগুলো থেকেও দারিদ্র্যকে মূল্যায়ন করা হয়।
- Gini Index-এর মাধ্যমে সমাজে আয় ও সম্পদের বৈষম্য বোঝা যায়।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৫.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনার খাত কয়টি? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫টি
  2. ১৯টি
  3. ২৪টি
  4. ২৬টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপির হিসাব প্রাক্কলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
- আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত System of National Accounts (SNA) ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে বিভিন্ন দেশ জিডিপি প্রাক্কলন করে।
- জিডিপি নিরূপণে তিনটি পদ্ধতি: উৎপাদন (Production Aproach), আয় (Income Approach) এবং ব্যয় (Expenditure Approach) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- তবে বাংলাদেশ উৎপাদন ও ব্যয় ভিত্তিক জিডিপি প্রণয়ন করে।
- উৎপাদন ভিত্তিতে জিডিপি প্রাক্কলনে অর্থনীতিকে ৩টি বৃহৎ খাত তথা: কৃষি, শিল্প ও সেবায় বিভক্ত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনার খাত ১৯টি। 
- বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার বিশেষ করে সেবা খাতে নতুন নতুন খাত/উপখাত অর্থনীতিতে যুক্ত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১৬.
শৃঙ্খলাবোধ কীসের ভিত্তি বা উপাদান?
  1. মূল্যবোধ
  2. সুশাসন
  3. নৈতিকতা
  4. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান:
১. নীতি ও ঔচিত্যবোধ
২. সামাজিক ন্যায়বিচার
৩. শৃঙ্খলাবোধ
৪. সহনশীলতা
৫. সহমর্মিতা
৬. শ্রমের মর্যাদা
৭. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
৮. আইনের শাসন
৯. নাগরিক সচেতনতা ও কর্তব্যবোধ
১০. সরকার ও রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখিতা
১১. সরকার ও রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা

শৃঙ্খলাবোধ: 

- সমাজজীবনের অগ্রগতির প্রধান সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ।
- বিশ্বে যে জাতি যত বেশি সুশৃঙ্খল সে জাতি তত বেশি উন্নত।
- সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে ব্যক্তির নিরাপত্তার অভাব দেখা দেয় এবং সামাজিক অগ্রগতি ব্যাহত হয়।
- তাই সমাজজীবনের সর্বক্ষেত্রে পরিবার থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, আদালত, কলকারখানা, সর্বত্র শৃঙ্খলার প্রয়োজন।
- শৃঙ্খলা মানুষের মানবিক মূল্যবোধগুলোকে সুদৃঢ় করে সমাজজীবনকে উন্নতি ও প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৭.
অবস্তুগত সংস্কৃতির উদাহরণ কোনটি?
  1. তৈজসপত্র
  2. শিল্পকলা
  3. আসবাবপত্র
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সংস্কৃতির ধরন:
সমাজে সাধারণত দুই ধরনের সংস্কৃতি বিদ্যামান।যথা-
১. বস্তুগত সংস্কৃতি এবং
২. অবস্তুগত সংস্কৃতি।

১. বস্তুগত সংস্কৃতি:
- সকল বস্তুগত জিনিসপত্র যা মানুষ দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য ব্যবহার করে তাকে বস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- এসব বস্তুগত জিনিসের মধ্যে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, পোষাক, বাসন বা তৈজসপত্র, হাতিয়ার অন্যতম আর এগুলোই বস্তুগত সংস্কৃতি।

২. অবস্তুগত সংস্কৃতি:
- যেসব বিষয়ের বস্তুগুণ নেই অথচ আমাদের সংস্কৃতির অংশ তাকে অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- যেমন- চিন্তাভাবনা, ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতি, সাহিত্য, দর্শন, ধর্ম, নীতিবোধ ইত্যাদি।
- এক কথায় ভাবগত সংস্কৃতিকে অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- এছাড়াও মানুষের ভাষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, আইন, আদর্শ, মূল্যবোধ, প্রথা, শিল্পকলা, অভ্যাস, বিশ্বাস, সামর্থ্য ইত্যাদি উপাদানও অবস্তুগত সংস্কৃতির অংশ।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
"সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স" - কে সংজ্ঞাটি প্রদান করে?
  1. সেরাজেন্ডিন
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. অক্সফোর্ড ডিকশনারি
  4. ল্যান্ডেল মিলস
ব্যাখ্যা
সুশাসনের ধারণা ও সংজ্ঞা:
- গভর্নেন্সকে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় শাসনের ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হয়ে থাকে।
- ল্যান্ডেল মিলস এবং সেরাজেন্ডিন (Landell Mills and seragedino মতে, জনগণ কীভাবে শাসিত হয়, কীভাবে রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি পরিচালিত হয়, কীভাবে দেশের রাজনীতি আবর্তিত হয় এবং একই সাথে এ সকল প্রক্রিয়া কীভাবে লোকপ্রশাসন ও আইনের সাথে সম্পর্কিত সে বিষয়কেই গভর্নেন্স বলে।
- The Oxford English Dictionary-Go to of FI, শাসনের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব, ব্যবস্থাপনা কৌশল এবং নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা হিসেবে গভর্নেসকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯.
সংস্কৃতি হচ্ছে মূল্যবোধের -
  1. সোপান
  2. প্রাণ
  3. চালিকাশক্তি
  4. মৌলিক গুণ
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- সমাজ জীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-আচরণ পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় মূল্যবোধের দ্বারা।
-আমাদের এ সকল কর্মকাণ্ড সংস্কৃতি দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়।
- মূল্যবোধের মাধ্যমে সমাজভেদে মানুষের আচার-আচরণের মাঝে যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় সংস্কৃতি মানুষকে তার কাঙিক্ষত আচরণটি শেখায়।
- সুতরাং সংস্কৃতি হচ্ছে মূল্যবোধের চালিকাশক্তি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২০.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌছানোকে কী বলা হয়?
  1. সুশাসন
  2. আমলাতন্ত্র
  3. ই-গভর্নেন্স
  4. ই-পর্চা
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স: 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া (interaction) সাধিত হলে ই-গভর্নেন্স-এর উদ্ভব ঘটে।
- এই মিথস্ক্রিয়া ঘটে সরকার ও জনগণের মধ্যে, সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে, সরকার ও চাকরিজীবীদের মধ্যে এবং এক সরকারের সাথে অন্য সরকারের মধ্যে।
- ইন্টারনেট-এর মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌছানকেই ই-গভর্নেন্স বলে।
- জনগণের নিকট বিভিন্ন সেবা পৌছে দেওয়ার দক্ষতা ও কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং অন্য ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যবহারকে ই-গভার্নমেন্ট বা ই-গভর্নেন্স বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২১.
কে বিশ্বাস করতেন যে, উত্তম জীবন গড়ে তোলার জন্যই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব?
  1. প্লেটো
  2. ইবনে খালদুন
  3. এরিস্টটল
  4. সকলেই
ব্যাখ্যা
- পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র মানব সভ্যতার বিবর্তনের ফসল।
- যুগের পর যুগ ও বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে বিভিন্ন শক্তি ও উপাদানের সমন্বয়ে এসবের উদ্ভব ঘটেছে।
- এসব সংগঠন গড়ে উঠেছে মানব জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রদানের জন্য।
- এ সকল সংগঠনের সদস্যদের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণের জন্য একসময় শাসন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।
- আদিতে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় শাসন প্রবর্তনের মূল লক্ষ্য ছিল জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- মনুসংহিতায় লক্ষ্য করা যায় যে, রাজা প্রজাদের নিকট থেকে উৎপন্ন ফসলের ছয় ভাগের এক ভাগ রাজস্ব আদায় করতো।
- এর বিনিময়ে রাজা প্রজাদের নিরাপত্ত বিধান করতো।
- প্লেটো, এরিস্টটল, ইবনে খালদুন প্রমুখ দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানিগণ বিশ্বাস করতেন যে, উত্তম জীবন গড়ে তোলার জন্যই রাষ্ট্রের অস্তিত্ব (The State exists to Promote good life) I

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২২.
সমাজ বা রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে কোনটির অভাব দেখা দেয়?
  1. ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবোধ
  2. ব্যক্তি নিরাপত্তা
  3. ব্যক্তিগত মতামত
  4. ব্যক্তি সচেতনতা
ব্যাখ্যা
শৃঙ্খলাবোধ:
- সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অগ্রগতির প্রধান ধাপ বা সোপান হলো শৃঙ্খলাবোধ।
- যে জাতি যত বেশি সুশৃঙ্খল সে জাতি তত বেশি উন্নত।
- সমাজ বা রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে ব্যক্তির নিরাপত্তার অভাব দেখা দেয়।
- এর ফলে রাষ্ট্রের অগ্রগতি ব্যাহত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৩.
কে ব্যক্তিস্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতিকে শ্রেষ্ঠ রক্ষাকবচ বলে বর্ণনা করেছেন?
  1. দার্শনিক মন্টেস্কু
  2. দার্শনিক ম্যাকিয়াভেলি
  3. দার্শনিক অ্যারিস্টটল
  4. দার্শনিক রেনে ডেকার্ত
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি (separation of Power): 
- কোনো একক কর্তৃপক্ষের ওপর আইন প্রণয়ন, শাসন পরিচালনা ও বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা অর্পিত হলে ব্যক্তিস্বাধীনতার অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়ে।
- এ কারণে ব্যক্তিস্বাধীনতা সংরক্ষণের এবং শাসনব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের তিনটি বিভাগের দায়িত্ব পৃথক ও স্বতন্ত্রভাবে অর্পিত হওয়া উচিত।
- এভাবে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি কার্যকর হলে সরকারের কোনো বিভাগের পক্ষে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠা সম্ভব হয় না।
- প্রখ্যাত ফরাসি দার্শনিক মন্টেস্কু ব্যক্তিস্বাধীনতা সংরক্ষণের জন্য ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতিকে শ্রেষ্ঠ রক্ষাকবচ বলে বর্ণনা করেছেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৪.
পরিবর্তনশীলতা নিচের কোনটির প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. মূল্যবোধ
  2. কর্তব্যবোধ
  3. নৈতিকতা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য:
সামজিক মূল্যবোধের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে:
১. সামাজিক মাপকাঠি,
২. যোগসূত্র ও সেতুবন্ধন,
৩. নৈতিক প্রাধান্য,
৪. বিভিন্নতা,
৫. বৈচিত্র্যময়তা ও আপেক্ষিকতা,
৬. পরিবর্তনশীলতা ও নৈর্ব্যক্তিকতা।

পরিবর্তনশীলতা ও নৈর্ব্যক্তিকতা:
- মূল্যবোধের প্রধান বৈশিষ্ট্য এর পরিবর্তনশীলতা।
- সমাজ নিয়ত পরিবর্তনশীল।
- এ পরিবর্তনের সাথে সাথে সমাজ অনুসৃত মূল্যবোধগুলোরও পরিবর্তন সাধিত হয়।
- অতীতের অনেক মূল্যবোধ বর্তমানে আমাদের কাছে মূল্যহীন।
- আবার বর্তমানের অনেক মূল্যবোধ ভবিষ্যতে নাও থাকতে পারে। মূল্যবোধ নৈর্ব্যক্তিক।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৫.
ই-গভর্নেন্স-এর কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সরকার পরিচালনায় প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ
  2. বিভিন্ন ধরনের লেনদেন পরিচালনা
  3. বিভিন্ন তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠানো
  4. সবগুলোই ই-গভর্নেন্স-এর কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স-এর কার্যক্রম:
- ই-সরকার বা ই-গভর্নেন্স-এর পারস্পরিক লেনদেন সরকার ও জনগণ বা সেবাগ্রহণকারী, সরকার ও ব্যবসায়ী, এক সরকারের সাথে অন্য সরকারের কিংবা সরকার ও তার কর্মকর্তাদের মধ্যে হতে পারে।
- এরূপ লেনদেনের ক্ষেত্রে চার ধরনের কার্যক্রম লক্ষ করা যায়:
১. বিভিন্ন তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠানো: যেমন নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যক্রম, সাধারণ ছুটি, জনগণের জন্য বিভিন্ন ঘটনার দিন তারিখ, বিভিন্ন ইস্যুর ব্যাখ্যা, নোটিশ ইত্যাদি।
২. সরকার ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ: এই প্রক্রিয়ায় যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সাথে ইন্টারনেট সংলাপে বসতে পারে এবং তাদের সমস্যা, মন্তব্য ও অনুরোধ প্রতিষ্ঠানকে জানাতে পারে।
৩. বিভিন্ন ধরনের লেনদেন পরিচালনা: যেমন আয়কর রিটার্ন জমা দেয়া, চাকরির জন্য আবেদন চাওয়া ও তা জমা দেয়া এবং অনুদান চাওয়া ও তা প্রদান করা।
৪. সরকার পরিচালনায় প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ: জনগণ ইলেকট্রনিক ব্যবস্থার সাহায্য গ্রহণ করে, তথ্যপ্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে প্রত্যক্ষভাবে সরকার পরিচালনায় অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৬.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কোন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিশ্চিত করা প্রয়োজন?
  1. স্বচ্ছতা
  2. জবাবদিহিতা
  3. আইনের শাসন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
- সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
- একটি সমাজে যখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, কর্তব্যপরায়ণতার মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো নিশ্চিত হয় তখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরমত সহিষ্ণুতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, অন্যের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলোও সুশাসনের জন্য আবশ্যক।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
প্লেটো এবং এরিস্টটল তাদের আদর্শ রাষ্ট্রের পরিকল্পনায় কীসের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন?
  1. মূল্যবোধ
  2. রাজনৈতিক আদর্শ
  3. নৈতিক আদর্শ
  4. সামাজিক সুরক্ষা
ব্যাখ্যা
- অতীতে নীতিবিজ্ঞান ছিল পৌরনীতিরই অংশবিশেষ।
- নৈতিকতার কষ্টিপাথরে রাজনৈতিক কার্যকলাপ ও আচারআচরণকে তখন বিচার করা হতো।
- প্লেটো এবং এরিস্টটল তাদের আদর্শ রাষ্ট্রের পরিকল্পনায় নৈতিক আদর্শের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন
- ইতালির প্রখ্যাত রাষ্ট্র দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি সর্বপ্রথম আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৮.
মূল্যবোধের কোন উপাদান অনুপস্থিত থাকলে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না?
  1. সামাজিক ন্যায়বিচার
  2. শৃঙ্খলাবোধ
  3. শ্রমের মর্যাদা
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ:
- মূল্যবোধ সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধের উন্মেষ ঘটায়।
- সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা পায়।
- গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় সামাজিক ন্যায়বিচার ব্যক্তিস্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ।
- সমাজজীবনে অগ্রগতির প্রধান সোপান হচ্ছে শৃঙ্খলাবোধ।
- শৃঙ্খলাবোধ মানবিক মূল্যবোধগুলোকে সুদৃঢ় করে সমাজ জীবনকে উন্নতি ও প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- সামাজিক ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলাবোধ সুশাসনেরও বৈশিষ্ঠ্য ও প্রয়োজনীয় উপাদান।
- যে সমাজ বা রাষ্ট্রে মূল্যবোধের এই দুটি উপাদান অনুপস্থিত, সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম-পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২৯.
ই-গভর্নেন্স-এর মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রীয় নীতির অকার্যকারিতা
  2. দক্ষ কর্মীর স্বল্পতা
  3. ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও ই-গভর্নেন্স-এর প্রতিবন্ধকতা: 
- ই-গভর্নেন্স-এর মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বেশকিছু প্রতিবন্ধকতা বা অসুবিধা রয়েছে। এগুলো নিম্নরূপ:
১. সমাজের সকল শ্রেণির মানুষ ই-গভর্নেন্স-এর সুবিধাগুলো নেওয়ার ক্ষেত্রে সমানভাবে ইন্টরনেট ব্যবহার করতে পারে না। কেননা ইন্টারনেট ব্যবস্থা এখনো ব্যয়বহুল।
২. ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য তা নিয়ে অনেক ক্ষেত্রে সংশয় থাকে।
৩. অনেক ক্ষেত্রে সরকারের অনেক গোপন কর্মপন্থা জনমতকে প্রভাবিত ও একমুখী করে থাকে।
৪. ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেকগুলো বিবেচেনা ও নির্দেশনা আছে, যেমন- সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রভাব, সাইবার আক্রমণের ভীতি এবং এসব ক্ষেত্রে যে ভারসাম্যতা আছে তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।
৫. রাষ্ট্রীয় নীতির অকার্যকারিতা সুশাসন ও ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
৬. সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।
৭. অনেক রাষ্ট্রের বিদ্যুৎ সমস্যা ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধার সৃষ্টি করে।
৮. দক্ষ কর্মীর স্বল্পতা ই-গভর্নেন্স প্রতিক্ষার পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে।
৯. অবকাঠামোগত সমস্যা ও ই-গভনেন্স-এর পথে বাধা হয়ে দাড়ায়।
১০. ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী উৎপাদন ও ব্যবসা বাণিজ্যে অনগ্রসরতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
১১. সরকার ও জনগণের মধ্যে অতিরিক্ত যোগাযোগের বিভিন্ন রকম নেতিবাচক ফলও রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩০.
মেরিডা কনভেনশনের বিষয়বস্তু কী?
  1. শিক্ষা বিস্তার
  2. দুর্নীতি প্রতিরোধ
  3. শাসন কাজে দক্ষতা বৃদ্ধি
  4. ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ
ব্যাখ্যা
দূর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক এজেন্ডা:
- এজেন্ডার নাম: মেরিডা কনভেনশন (Merida Convention)
- পরিচয়: জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী সনদ।
- আনুষ্ঠানিক নাম: United Nations Convention Against Corruption (UNCAC).
- সাধারণ পরিষদে অনুমোদন: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- স্বাক্ষর: ৯ থেকে ১১ ডিসেম্বর, ২০০৩।
- স্বাক্ষরস্থল : মেক্সিকোর মেরিডা।
- বর্তমান স্বাক্ষরকারী : জাতিসংঘভূক্ত ১৮৯টি দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।
- ২০২৩ সালে মেক্সিকো ২০তম বর্ষপূর্তি পালন করে।

- এটি পাঁচটি প্রধান ক্ষেত্র কভার করে:
i) prevention;
ii) criminalization and law enforcement;
iii) international cooperation;
iv) asset recovery;
v) technical assistance and information exchange.

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Mexico সরকারি ওয়েবসাইট