পরীক্ষা আর্কাইভ

২০ দিনে ৪৭তম বিসিএস রিভিশন - Archived

পরীক্ষা২০ দিনে ৪৭তম বিসিএস রিভিশন - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

২০ দিনে ৪৭তম বিসিএস রিভিশন - Archived

২০ দিনে ৪৭তম বিসিএস রিভিশন - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
সবচেয়ে প্রথম নির্মিত ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের নাম কোনটি?
  1. EDVAC
  2. IBM 701
  3. ENIAC
  4. Harvard Mark-I
ব্যাখ্যা

◉ ইতিহাসে প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো Harvard Mark-I, যাকে Automatic Sequence Controlled Calculator (ASCC) নামেও ডাকা হতো। এটি ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে Howard Aiken এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি করা হয়।

​ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​ক) EDVAC → এটি প্রথম ইলেকট্রনিক স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার, ১৯৪৯ সালে তৈরি হয়।

খ) IBM 701 → IBM-এর তৈরি প্রথম বাণিজ্যিক বৈজ্ঞানিক কম্পিউটার, ১৯৫২ সালে প্রকাশিত।

গ) ENIAC → বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, ১৯৪৫ সালে সম্পন্ন।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যে ধরনের কম্পিউটার গণনার ক্ষেত্রে একই সাথে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. সুপারকম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা এনালগ কম্পিউটারের ধারাবাহিক ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের যথার্থ গাণিতিক গণনার সুবিধা—দুটোই একসাথে ব্যবহার করে।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন সফটওয়্যারটি মূলত একটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে?
  1. Microsoft Excel
  2. Antivirus software
  3. Notepad
  4. Spider Software
ব্যাখ্যা

◉ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হলো এমন সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ, সুরক্ষা, এবং কার্যকারিতা উন্নত করার কাজ করে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। এটি একেবারে ইউটিলিটি প্রোগ্রামের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

​ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি। যেমন: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools-এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেম সংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

উদাহরণ:
- CCleaner,
- WinRAR,
- Disk Defragmenter,
- Antivirus Software (e.g., Avast, Norton, McAfee),
- Backup Software (e.g., Acronis True Image, Macrium Reflect),
- File Compression Tools (e.g., 7-Zip, WinZip),
- Disk Management Tools (e.g., EaseUS Partition Master),
- System Monitor Tools (e.g., Task Manager, HWMonitor),
- System Information Tools (e.g., Speccy),
- File Recovery Software (e.g., Recuva, Disk Drill),
- Driver Updater Tools (e.g., Driver Booster),
- Virtual Private Network (VPN) Software (e.g., ExpressVPN, NordVPN),
- Clipboard Manager (e.g., ClipClip),
- Uninstaller Tools (e.g., Revo Uninstaller),
- Password Managers (e.g., LastPass, Dashlane).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
ব্যবহারকারী অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ বা ইন্টার‌্যাক্ট করার জন্য যে ইন্টারফেস ব্যবহার করে, সেই ইন্টারফেসকে কী বলা হয়?
  1. Scheduler
  2. Application Programming Interface
  3. Shell
  4. Kernel
ব্যাখ্যা

Shell হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী শেল-এর মাধ্যমে কমান্ড বা নির্দেশনা দেয়, এবং শেল সেই নির্দেশনা কোর (Kernel)-এ পাঠায়। শেল হতে পারে CLI (Command Line Interface) যেমন Bash, বা GUI (Graphical User Interface) যেমন Windows Explorer.

​অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​Scheduler: CPU-তে কোন প্রসেস কখন চলবে তা নির্ধারণ করে। এটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস নয়।

API: সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, ব্যবহারকারী-টু-OS যোগাযোগ নয়।

Kernel: এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে, কিন্তু ব্যবহারকারীরা সরাসরি এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।

​উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
GSM (Global System for Mobile Communication) প্রযুক্তিতে ডেটা ও ভয়েস সিগন্যাল আলাদা করার জন্য কোন ধরনের মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. FDMA (Frequency Division Multiple Access)
  2. TDMA (Time Division Multiple Access)
  3. CDMA (Code Division Multiple Access)
  4. FDMA এবং TDMA উভয়ই
ব্যাখ্যা

◉ GSM প্রযুক্তিতে FDMA এবং TDMA উভয়ই ব্যবহার করা হয়।
FDMA: GSM-এ পুরো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডকে ছোট ছোট ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলে ভাগ করা হয়।
TDMA: প্রতিটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলকে আবার আলাদা আলাদা টাইম স্লটে ভাগ করা হয়, যাতে একই ফ্রিকোয়েন্সি বহু ব্যবহারকারী ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে পারে।

​জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Film Recorder
  2. Graphics Pad
  3. Image Setter
  4. Plotter
ব্যাখ্যা

◉ Graphics Pad (Digitizer/Graphics Tablet): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী হাতে আঁকা ছবি, ডিজাইন বা লেখাকে সরাসরি কম্পিউটারে ইনপুট দিতে পারে। ডিজাইনার ও ইলাস্ট্রেটররা এটি বেশি ব্যবহার করে।

​পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone, ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি বৈধ IPv4 ঠিকানা নয়?
  1. 172.16.0.5
  2. 192.168.255.256
  3. 255.255.255.255
  4. 10.0.0.1
ব্যাখ্যা

◉ একটি IPv4 ঠিকানা চারটি অক্টেট নিয়ে গঠিত (যেমন: A.B.C.D), এবং প্রতিটি অক্টেটের মান হতে পারে 0 থেকে 255 এর মধ্যে। 
​192.168.255.256 → ভুল, কারণ এখানে শেষ অক্টেটের মান 256, যা 0–255 এর বাইরে।


​আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কম্পিউটারের ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোন ধরনের মেমরি প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি হয়?
  1. ডায়নামিক মেমরি
  2. ম্যাগনেটিক মেমরি
  3. স্ট্যাটিক মেমরি
  4. অপটিক্যাল মেমরি
ব্যাখ্যা

◉ Cache Memory সাধারণত SRAM (Static Random Access Memory) দিয়ে তৈরি হয়। এটি দ্রুতগতির মেমরি, যেখানে প্রতিটি বিট সংরক্ষণের জন্য flip-flop circuit ব্যবহৃত হয়। এর গতি বেশি হলেও খরচ বেশি হওয়ায় এটি সাধারণত ছোট আকারে ব্যবহৃত হয় (যেমন L1, L2, L3 cache)।

​ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​Dynamic Memory (DRAM): এটি মূলত RAM (Random Access Memory)-এ ব্যবহৃত হয়, যেখানে চার্জ ক্যাপাসিটরে সংরক্ষিত হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর রিফ্রেশ করতে হয়।
Magnetic Memory: যেমন হার্ডডিস্ক বা ম্যাগনেটিক টেপ, যা দীর্ঘমেয়াদি স্টোরেজে ব্যবহৃত হয়।
Optical Memory: যেমন CD, DVD, Blu-ray Disc, যা লেজার প্রযুক্তি দিয়ে ডেটা পড়া/লেখা করে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

.
ডাটাবেজের উপাদান হিসেবে পরিচিত - 
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. ডাটা 
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ফিল্ড, রেকর্ড ও ডাটা— তিনটিই ডাটাবাজের উপাদান হিসেবে পরিচিত। 

​ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ফিল্ড (Field),
২. ডাটা (Data),
৩. রেকর্ড (Record)
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবনের কৃতিত্ব কার?
  1. Ted Hoff
  2. Wilhelm Leibniz
  3. Alan Turing
  4. Charles Babbage
ব্যাখ্যা

◉ Ted Hoff ১৯৭১ সালে ইন্টেল (Intel)-এ কাজ করার সময় তিনি প্রথম বাণিজ্যিক মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004 ডিজাইন করেন। এজন্য তাকেই মাইক্রোপ্রসেসরের জনক (Father of Microprocessor) বলা হয়।

​মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

​এছাড়াও, 
​Charles Babbage: তাঁকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক (Father of Computer), কারণ তিনি ১৯শ শতকে Analytical Engine-এর নকশা করেন।
Alan Turing: তিনি ছিলেন আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রণেতা, এবং টিউরিং মেশিন ধারণা দেন।
Wilhelm Leibniz: তিনি একজন গণিতবিদ ও দার্শনিক, যিনি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (binary system)-এর ভিত্তি তৈরি করেন।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.

১১.
ফোরট্রান (FORTRAN) প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব এবং প্রচলন কোন প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে শুরু হয়েছিল?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

FORTRAN (Formula Translation): এটি বিশ্বের প্রথম উচ্চস্তরের (High-level) প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ১৯৫৭ সালে IBM দ্বারা উদ্ভাবিত হয়। দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হতো এবং সেসময়েই উচ্চস্তরের ভাষার সূচনা হয়, যার মধ্যে FORTRAN অন্যতম।

​ দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বাযুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
- ট্রানজিস্টরে কোনো চলমান অংশ নেই এবং এর কাজ সুইচের মতো।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট অংশ এই সময়ে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
দুটি ভিন্ন প্রোটোকল-ভিত্তিক নেটওয়ার্ককে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করার জন্য কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Hub
  2. Switch
  3. Router
  4. Gateway
ব্যাখ্যা

Gateway এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা ভিন্ন ভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহারকারী নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে সক্ষম। এটি ডেটা ফরম্যাট, প্রোটোকল, এমনকি আর্কিটেকচার পরিবর্তন করে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।

​সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
‘Big Blue’ উপনামটি কোন বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত?
  1. Yahoo
  2. Intel
  3. IBM
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

IBM (International Business Machines Corporation)-কে প্রায়ই “Big Blue” নামে ডাকা হয়। এর কারণ হলো— IBM-এর কর্পোরেট লোগো এবং অফিসিয়াল ড্রেস কোডে নীল রঙের আধিক্য এবং কোম্পানির বিশালতা ও প্রযুক্তিগত প্রভাব।

​আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪.
কম্পিউটার সিস্টেমে ক্যাশ মেমোরি হিসেবে সাধারণত কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Synchronous DRAM
  2. Static RAM
  3. Programmable ROM
  4. Dynamic RAM
ব্যাখ্যা

◉ ক্যাশ মেমোরি তৈরি হয় SRAM (Static RAM) দিয়ে। এটি দ্রুতগতির হলেও ব্যয়বহুল এবং বেশি জায়গা নেয়। এর মধ্যে সংরক্ষিত তথ্য রিফ্রেশ ছাড়াই স্থায়ীভাবে থাকে (যতক্ষণ বিদ্যুৎ থাকে)। এজন্য প্রসেসরের L1, L2, L3 ক্যাশ হিসেবে SRAM ব্যবহৃত হয়। 

​ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

​স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৫.
IoT (Internet of Things) বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক শর্ত কোনটি?
  1. অটোমোবাইল ও নেটওয়ার্ক 
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং
  3. পারস্পরিক সংযুক্ত কম্পিউটিং ডিভাইস এবং নেটওয়ার্ক
  4. সেন্সর এবং ক্লাউড স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

◉ IoT (Internet of Things)-এর মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক সংযুক্ত ডিভাইস এবং একটি নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে মানুষ-মানুষ, মানুষ-কম্পিউটার এবং ডিভাইস-ডিভাইস ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।

​ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT এর ব্যবহারিক ক্ষেত্রসমূহ:
কৃষি: আইওটি কৃষি ক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করেছে যা ডিভাইসগুলির সাথে ব্যবহারকারীদের তাপমাত্রা, বায়ু গতি, গবাদি পশু, মাটি সামগ্রী, বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতা সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করে থাকে। এই ডিভাইসগুলি কৃষকদের ঝুঁকি কমাতে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতার সাথে ফসলগুলি উৎপাদনে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।
স্মার্ট হোম: একটি স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাড়ি যা ইন্টারনেটে সংযুক্ত ডিভাইসগুলি ব্যবহার করে বাড়িটিকে দূর থেকে পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। এটি বাড়ির মালিকদের সুরক্ষা, আরাম, সুবিধা ও নিয়ন্ত্রণ দক্ষতার সাথে প্রদান করে।
স্মার্ট শহর: স্মার্ট সিটি আইওটির একটি শক্তিশালী প্রয়োগ যা বিশ্বের জনসংখ্যার মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করে। স্মার্ট নজরদারি স্বয়ংক্রিয় পরিবহন, দক্ষ শক্তি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা, জল বিতরণ, নগর নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ সব স্মার্ট শহরগুলির জন্য আই ও টি ব্যবহারের উদাহরণ।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
ব্লুটুথ প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত IEEE স্ট্যান্ডার্ড এবং ব্যবহৃত ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ কোনটি?
  1. IEEE 802.15, 2.4 GHz
  2. IEEE 802.16, 5.2 GHz
  3. IEEE 802.11, 2.6 GHz
  4. IEEE 802.11, 2.8 GHz
ব্যাখ্যা

Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা মূলত প্যান (Personal Area Network) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.15, যা বিশেষভাবে Bluetooth-এর জন্য নির্ধারিত। Bluetooth সাধারণত 2.4 GHz ISM (Industrial, Scientific, Medical) band-এ কাজ করে।

​ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- ব্লুটুথে রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ব্লুটুথের কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
USB (Universal Serial Bus) এর মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তর কোন পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়?
  1. প্যারালাল ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে
  2. সিরিয়াল ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা

◉ USB (Universal Serial Bus) একটি Serial Communication Standard। অর্থাৎ, এখানে ডেটা এক বিট করে লাইনের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।

​USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।

​এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
একটি কম্পিউটার চালু হলে যে BIOS চিপ থেকে প্রাথমিক নির্দেশনা লোড হয়, সেটি কোথায় অবস্থিত থাকে?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটে
  2. RAM-এর ভেতরে
  3. ক্যাশ মেমরি-এর ভেতরে
  4. মাদারবোর্ডে
ব্যাখ্যা

◉ BIOS Chip সাধারণত ROM (Read Only Memory) বা Flash Memory-তে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে স্থাপন করা হয়।

​BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯.
3GPP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. 3rd Generation Partnership Project
  2. 3rd Generation Processing Protocol
  3. 3rd Grade Performance Program
  4. 3rd Generation Packet Platform
ব্যাখ্যা

◉ 3GPP (3rd Generation Partnership Project): এটি একটি আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণকারী সংস্থা, যা মোবাইল টেলিকমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড তৈরি ও উন্নয়ন করে।

​মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়। এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

​মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Generation Partnership Project )
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২০.
CPU এর কোন অংশটি নির্দেশাবলী পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত করে?
  1. ALU
  2. Control Unit
  3. Register
  4. Cache Memory
ব্যাখ্যা

◉ Control Unit (CU), CPU-এর এমন একটি অংশ যা নির্দেশনা (instructions) fetch → decode → execute প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় ঘটায়। এটি নির্দেশাবলী ডিকোড করে এবং CPU-এর অন্যান্য অংশ (ALU, Register, Memory)-কে কীভাবে কাজ করতে হবে তা নির্দেশ করে।

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২১.
অনলাইন পেমেন্টের জন্য কোনটি সবচেয়ে নিরাপদ?
  1. ক্রেডিট কার্ড
  2. ডেবিট কার্ড
  3. মোবাইল ব্যাংকিং
  4. সবগুলোই নিরাপদ যদি TLS ব্যবহার করা হয়
ব্যাখ্যা

◉ অনলাইন পেমেন্ট নিরাপদ হওয়ার জন্য শুধু কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং-ই যথেষ্ট নয়, বরং ডেটা এনক্রিপশন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। 
​- SSL (Secure Sockets Layer) বা বর্তমানের TLS (Transport Layer Security) ব্যবহার করা হলে ব্যবহারকারীর তথ্য (কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড, OTP ইত্যাদি) এনক্রিপ্টেড আকারে সার্ভারে পৌঁছে, ফলে মাঝপথে হ্যাকারদের পক্ষে চুরি করা কঠিন হয়।

​ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।

​TLS (Transport Layer Security): 
​- অনলাইন লেনদেনকে নিরাপদ করার জন্য ব্যবহৃত এনক্রিপশন প্রোটোকল। এটি ব্যবহারকারীর তথ্য (যেমন কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড, OTP) এনক্রিপ্ট করে সার্ভারে পাঠায়, ফলে হ্যাকাররা মাঝপথে ডেটা পড়তে বা পরিবর্তন করতে পারে না।

উৎস: 
​১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
​২। Kaspersky website.

২২.
ইন্টারনেট এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই
  2. WWW হলো নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
  3. ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্ক, WWW হলো তার ওপর চলা একটি সেবা
  4. WWW হলো একটি ব্রাউজার, ইন্টারনেট হলো একটি সার্চ ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট (Internet) হলো বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত নেটওয়ার্ক অব নেটওয়ার্কস, যেখানে বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার, রাউটার ও ডিভাইস তথ্য আদান-প্রদান করে।
আর, WWW (World Wide Web) হলো ইন্টারনেটের ওপর চলা একটি সেবা, যা ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট, হাইপারলিঙ্ক, ডকুমেন্ট এবং মাল্টিমিডিয়া অ্যাক্সেসের সুযোগ দেয়।
​Internet = Infrastructure (নেটওয়ার্ক অবকাঠামো), 
WWW = Service (ওয়েবসাইট অ্যাক্সেসের সেবা)। 

ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

​​WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে (Tim Berners-Lee) WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: 
​১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
​২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
কোন পোর্ট নম্বর HTTP (HyperText Transfer Protocol)-এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ২১
  2. ২৫
  3. ৮০
  4. ৪৪৩
ব্যাখ্যা

◉ যখন কোনো URL-এ পোর্ট নম্বর উল্লেখ করা হয় না, ব্রাউজার স্বতঃস্ফূর্তভাবে পোর্ট-৮০ ব্যবহার করে HTTP অনুরোধ পাঠায়। 

​HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​২১ — FTP (File Transfer Protocol)-এর জন্য ব্যবহৃত পোর্ট।
২৫ — SMTP (Simple Mail Transfer Protocol)-এ ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত পোর্ট।
৪৪৩ — HTTPS (HTTP Secure), অর্থাৎ HTTP এর এনক্রিপ্টেড ভার্সনের জন্য সর্বত্র ব্যবহৃত পোর্ট।

​উৎস: 
​১। ব্রিটানিকা। 
​২। ওরাকল ওয়েবসাইট। [লিংক] 

২৪.
কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করা যায়?
  1. OCR
  2. OMR
  3. MICR
  4. ICR
ব্যাখ্যা

◉ OCR (Optical Character Recognition) প্রযুক্তি স্ক্যান করা কাগজের ডকুমেন্ট বা ইমেজের লেখা শনাক্ত করে এডিটেবল ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে। যেমন: স্ক্যান করা বইকে PDF থেকে Word ডকুমেন্টে রূপান্তর করা।

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​OMR (Optical Mark Recognition): এটি বুদবুদ/চিহ্ন পড়তে ব্যবহৃত হয়, যেমন MCQ উত্তরপত্র স্ক্যান করা।
MICR (Magnetic Ink Character Recognition): এটি ব্যাংক চেকের মতো ডকুমেন্টে বিশেষ কালিতে লেখা সংখ্যা পড়তে ব্যবহৃত হয়।
ICR (Intelligent Character Recognition): এটি OCR-এর উন্নত সংস্করণ, যা মানুষের হাতের লেখা (Handwriting) শনাক্ত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
কোন প্রযুক্তি NFC-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. QR Code
  4. RFID
ব্যাখ্যা

RFID (Radio Frequency Identification) NFC-এর মতোই কাজ করে, তবে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে (সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার থেকে কয়েক মিটার পর্যন্ত) ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে NFC-কে RFID-এর একটি সাবসেট বলা হয়। তাই RFID-কে NFC-এর বিকল্প হিসেবে ধরা হয়।

​NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: 
​১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
​২। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

২৬.
WiMAX প্রধানত কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Circuit Switching
  2. Packet Switching
  3. Analog Transmission
  4. Frequency Modulation
ব্যাখ্যা

WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি বেতার ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা মূলত ডিজিটাল ডেটা প্যাকেট আকারে আদান-প্রদান করে। এটি Packet Switching প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যেমন ইন্টারনেট ও অন্যান্য আধুনিক ডেটা নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।

​ WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ZTE ওয়েবসাইট। 

২৭.
কম্পিউটারের কোন 'ফাংশন কী' চাপলে সাধারণত ফুলস্ক্রিন মোডে পরিবর্তিত হয়?
  1. F5
  2. F7
  3. F9
  4. F11
ব্যাখ্যা

◉ বেশিরভাগ ওয়েব ব্রাউজার (Chrome, Firefox, Edge, ইত্যাদি) এবং অনেক অ্যাপ্লিকেশনে F11 কী চাপলে ফুলস্ক্রিন মোড চালু/বন্ধ হয়।

​ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

​কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা

২৮.
Python কোন ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. লজিক-ভিত্তিক
  2. ইভেন্ট ড্রাইভেন
  3. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড
  4. ভিজুয়াল
ব্যাখ্যা

◉ Python একটি High-Level, Object-Oriented Programming Language, যা একই সাথে Structured Programming এবং Functional Programming বৈশিষ্ট্যও সমর্থন করে।

​পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।

২৯.
বাইনারি সংখ্যা 11010 এর ২ এর পরিপূরক (2’s Complement) কত?
  1. 01010
  2. 00110
  3. 00101
  4. 01011
ব্যাখ্যা

২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

​প্রদত্ত সংখ্যা = 11010
প্রথমে ১ এর পরিপূরক (1’s complement) নর্ণয় করতে হবে। 
11010 → 00101

এরপর এতে 1 যোগ করতে হবে →
00101 + 1 = 00110

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩০.
‘Code Red’ কী?
  1. হ্যাকার গ্রুপ
  2. ডাটাবেজ সফটওয়্যার 
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা

◉ Code Red ছিল একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম (virus ধরনের), যা প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল ২০০১ সালে। এটি মূলত Microsoft IIS web server-এর নিরাপত্তা দুর্বলতা (buffer overflow vulnerability) কাজে লাগিয়ে ছড়িয়েছিল।

​কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি।

​অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
স্মার্ট টিভি, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং গাড়ির ECU-তে সাধারণত কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. RTOS
  2. iOS
  3. macOS
  4. Mobile OS
ব্যাখ্যা

◉ স্মার্ট টিভি, ডিজিটাল ক্যামেরা, গাড়ির ECU (Electronic Control Unit) ইত্যাদিতে RTOS (Real-Time Operating System) ব্যবহৃত হয়। এই অপারেটিং সিস্টেম এমবেডেড সিস্টেমের জন্য তৈরি করা হয়।

​রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 

৩২.
Quantum Computer এবং Classical Computer এর মধ্যে মৌলিক পার্থক্য কী?
  1. গতির পার্থক্য
  2. মেমরির পার্থক্য
  3. তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিগত পার্থক্য
  4. সিকিউরিটির পার্থক্য
ব্যাখ্যা

◉ Classical Computer তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে বাইনারি বিট (0 বা 1) ব্যবহার করে। Quantum Computer তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে কিউবিট (Qubit) ব্যবহার করে।

​কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩৩.
Hybrid Cloud বলতে কী বোঝায়?
  1. একাধিক Public Cloud একসাথে
  2. Public এবং Private Cloud এর সমন্বয়
  3. একাধিক Private Cloud এর সমন্বয়
  4. Cloud এবং On-Premise এর মিশ্রণ
ব্যাখ্যা

◉ Hybrid Cloud হলো একটি কম্পিউটিং পরিবেশ, যেখানে Public Cloud এবং Private Cloud উভয় একসাথে ব্যবহার করা হয় এবং পরস্পরের সাথে ইন্টিগ্রেটেড থাকে।

​ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

​হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

​পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

​প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

​কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৪.
কৃষি ফলনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য নিচের কোন কৌশলটি সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে?
  1. ব্লকচেইন প্রযুক্তি
  2. অগমেন্টেড রিয়েলিটি
  3. ক্রিপ্টোগ্রাফি 
  4. ডিপ লার্নিং
ব্যাখ্যা

◉ ডিপ লার্নিং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি শাখা, যেখানে নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশাল ডেটা (যেমন আবহাওয়ার তথ্য, মাটির গুণমান, স্যাটেলাইট ইমেজ) বিশ্লেষণ করা হয়। কৃষি ক্ষেত্রে ফসল উৎপাদন কত হবে তা পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য এটি খুবই কার্যকর।

​ডিপ লার্নিং:
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​ব্লকচেইন প্রযুক্তি: কৃষি সরবরাহ শৃঙ্খল (Supply Chain) ও ট্রান্সপারেন্সি বাড়াতে কার্যকর, কিন্তু সরাসরি ফলনের পূর্বাভাস দেয় না।
অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR): কৃষি প্রশিক্ষণ ও ভিজ্যুয়ালাইজেশনে সহায়ক, তবে পূর্বাভাসে ব্যবহৃত হয় না।
বিগ ডাটা অ্যানালিটিক্স: বিশাল কৃষি ডেটা বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে, তবে সঠিক পূর্বাভাসের জন্য সাধারণত ডিপ লার্নিং বা মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম দরকার হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।

৩৫.
Solid-State Drive (SSD)-এর প্রধান কাজ কী?
  1. সফটওয়্যার চালানো
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
ব্যাখ্যা

◉ SSD (Solid-State Drive) একটি স্টোরেজ ডিভাইস, যা NAND Flash মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। এটি প্রচলিত হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, টেকসই এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Avast website.