পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলী (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
BEPZA কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
 ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু- ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড- ঢাকার সাভারে।
- বাংলাদেশে একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড - উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
.
প্রাচীনকালে ‘সমতট’ বলতে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে বোঝানো হয়?
  1. কুষ্টিয়া
  2. বগুড়া
  3. বরিশাল
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• সমতট জনপদ:
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট। (অপশনে উত্তর না থাকায় এখানে উত্তর 'কোনটি নয়' হবে)
- হিউয়েন সাঙ কোন সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সমাপ্ত বছর -
  1. ২০২৫ সাল
  2. ২০২৬ সাল
  3. ২০৩১ সাল
  4. ২০৪১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

সূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
.
ময়মনসিংহের গারো পাহাড় ও টাঙ্গাইল জেলায় কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. খুমী
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. কুকী
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
.
'গ্রীন এক্সপ্রেস' কোন ফসলের জাত?
  1. বাঁধাকপি
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
বাঁধাকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাত: 
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত - হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত - গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত - বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান কোথায় প্রতিষ্ঠা করা হয়? 
  1. মানিলছড়া
  2. হালদা ভ্যালি
  3. মালনিছড়া
  4. জাফলং
সঠিক উত্তর:
মালনিছড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালনিছড়া
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

সূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ছিল -
  1. ৭নং সেক্টরের অধীনে
  2. ৬নং সেক্টরের অধীনে
  3. ৪নং সেক্টরের অধীনে
  4. ৮নং সেক্টরের অধীনে
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টরের অধীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টরের অধীনে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ছিল - ৮নং সেক্টরের অধীনে। 

• মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- তার মধ্যে মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
- ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
- সিলেট- ৪ নং সেক্টর,
- রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বর্ণালী' এবং 'শুভ্রা' কী?
  1. উন্নত জাতের চাল
  2. উন্নত জাতের টমেটো
  3. উন্নত জাতের আম
  4. উন্নত জাতের ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা
'বর্ণালী' এবং 'শুভ্রা' হলো উন্নত জাতের ভুট্টা।

উন্নত জাতের ভুট্টা:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

এছাড়াও,
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার।
• :উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
বাংলাদেশের কোন সম্প্রদায়ের মাঝে ‘মাতৃতান্ত্রিক পরিবার’ প্রথা চালু আছে?
  1. চাকমা
  2. মনিপুরী
  3. সাঁওতাল
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০.
নিচের কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. ডায়ামন্ড
  2. সিন্দুরী
  3. কার্ডিনাল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
আলুর উন্নত জাত হলো ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী প্রভৃতি।

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১১.
নিচের কোনটির সাথে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে?
  1. ব্যবসায়
  2. জনসংখ্যা
  3. জলবায়ু
  4. পরিবেশ
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হলে একটি দেশ দ্রুত উন্নয়ন সাধন করতে পারে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার।
১২.
মুঘল কোন সম্রাট বাংলা সনের প্রবর্তন করেন?
  1. সম্রাট বাবর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট হুমায়ূন
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
• পহেলা বৈশাখ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব।
- এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে।
- কল্যাণ ও নতুন জীবনের প্রতীক হলো নববর্ষ।
- অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় উদযাপিত হয় নববর্ষ।
- এদিন সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে।

- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তার সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত আকবরের সময় থেকেই।
- সে সময় বাংলার কৃষকরা চৈত্রমাসের শেষদিন পর্যন্ত জমিদার, তালুকদার এবং অন্যান্য ভূ-স্বামীর খাজনা পরিশোধ করত।
----------------------------------------

সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- আকবর সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন।
- আকবরের দরবারে জ্ঞানী, গুণী, বিদ্যান, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বাংলাদেশের ১৮তম সেনাপ্রধান কে?
  1. জেনারেল আবদুল আমিন
  2. জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ
  3. জেনারেল আজিজ আহমেদ
  4. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সেনাপ্রধান
- বাংলাদেশের ১৮তম সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
- তিনি বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।
- ওয়াকার-উজ-জামান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের পাশাপাশি নবম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সাভার এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার, সেনাসদরে সামরিক সচিব এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- এ ছাড়া তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েরর আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়া ও জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) নবম পদাতিক ডিভিশন হিসেবে ওয়াকার-উজ-জামান টানা তিন বছর অত্যন্ত সফলভাবে বিজয় দিবস প্যারেড ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬-এর প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
- বিরল এই কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘সেনাগৌরব পদক’ (এসজিপি)-এ ভূষিত হন।

সূত্র- আইএসপিআর।
১৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
  1. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৯ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩১ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানে মৌলিক অধিকার: 
- অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), ৩৪ (২ ক) অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ।
- এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হলে তা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। 
- তবে ফৌজদারি অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

অন্যদিকে, 
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, 
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা, 
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৫.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. ধানশালিকের দেশ
  2. উত্তরাধিকার
  3. প্রগতি
  4. বাংলা একাডেমি জার্নাল
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
ব্যাখ্যা
- 'প্রগতি' বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
• বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

• উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

• ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের প্রথম সিটি কর্পোরেশন।
- ঢাকা পৌরসভার যাত্রা শুরু হয় ১৮৬৪ সালের ১লা আগস্ট।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- ১৯৯৪ সালের ৩০শে জানুয়ারি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রত্যক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- মোহাম্মদ হানিফ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন।
- ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ভেঙ্গে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে দুটি সিটি কর্পোরেশন করা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট ।
১৭.
জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মাওলানা আব্দুর রশিদ
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
• জমিদারি প্রথা (১৯৫০) রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩) ছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৮.
জাতীয় সংসদে ’পয়েন্ট অব অর্ডার’ হলো - 
  1. বিধি বহির্ভূত বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য
  2. সংসদে সর্বসম্মত ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহন
  3. বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
  4. সংসদীয় বৈঠকের কার্যপ্রণালীর বিররণ
সঠিক উত্তর:
বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট অব অর্ডার:
- পয়েন্ট অব অর্ডার হলো এক প্রকার আপত্তি।
- জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালীন নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।
- সংসদের কার্যক্রম চলাকালে কোনো সদস্য যদি মনে করেন যে, প্রথাগত বিধিমালার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে বা পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে তাহলে কোনো সদস্য তত্ক্ষণাত্ সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন । এই দৃষ্টি আকর্ষণটাই পয়েন্ট অব অর্ডার।

এছাড়াও, 
- সংসদের প্রত্যেক বৈঠকের কার্যপ্রণালীর সংক্ষিপ্ত বিবরনকে বুলেটিন বলে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১৯.
কোন সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত?
  1. শশাঙ্ক পূর্ববর্তী
  2. গোপাল পূর্ববর্তী
  3. সেন পূর্ববর্তী
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল পূর্ববর্তী
ব্যাখ্যা
• মাৎস্যন্যায়:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন ।

- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার শশাঙ্ক পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে।
- মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হন।
- তাই বলা যায় ‘মাৎস্যন্যায়’ গোপাল পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- জেলা পরিষদ নির্বাচন পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা পরিষদের সংখ্যা ৬১টি।

২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী:
- ২১ জন প্রতিনিধি নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য।
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে। এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।

জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে:
(২০০০ সনের ১৯ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৪ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা :-
‘‘(১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হইবে, যথা :-
(ক) একজন চেয়ারম্যান;
(খ) সংশ্লিষ্ট জেলার মোট উপজেলার সমসংখ্যক সদস্য;
(গ) দফা (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত সদস্য-সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (নিকটবর্তী পূর্ণ সংখ্যায়) নারী সদস্য:
তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যা ২(দুই) এর কম হইবে না; এবং
(ঘ) সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং ক্ষেত্রমত, সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের প্রতিনিধি পদাধিকারবলে সদস্য।’’।
---------------------------------
[এখন ২০০০ সালের 'জেলা পরিষদ আইন' কার্যকরী নয়। বই তে ভুল রয়েছে।]

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণি এবং জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২২।
২১.
'বেহুলা' ও 'কাজল' ছবি দুটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২২.
ধর্মপাল কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
  1. খ্রিস্টান
  2. জৈন
  3. বৌদ্ধ
  4. হিন্দু
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
• ধর্মপাল:
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বাংলার পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা।
- পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের পুত্র ও উত্তরাধিকারী ধর্মপাল পালদের উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগের সূচনা করেন।
- পাল শাসন প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল গোপালের হাত ধরে।
- গোপাল রাজ্য প্রতিষ্ঠার সূচনা করলেও পাল সাম্রাজ্যকে সুসংহত করেন গোপালের পুত্র ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
- বিক্রমশীল বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কৃতিত্ব তাঁর।
- নয় শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত সমগ্র ভারতে এটি ছিল বৌদ্ধদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র।
- এছাড়া পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারও ধর্মপালের আরেক কীর্তি।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
২৩.
রাঢ় জনপদ কতটি অংশে বিভক্ত ছিল?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
রাঢ় জনপদ:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- রাঢ় জনপদটি দুইটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- দক্ষিণ রাঢ় এবং উত্তর রাঢ় নিয়ে ছিল রাঢ় জনপদ।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. উইলিয়াম জোন্স
  2. উইলিয়াম হান্টার
  3. স্যার টমাস উইলিয়াম
  4. উইলিয়াম কেরি
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত কোনটি?
  1. তাহেরপুরী
  2. আইলসা
  3. প্রভাতী
  4. সুফলা
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহেরপুরী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

অন্যদিকে: 
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২৬.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.৯%
  2. ৯.৫%
  3. ৯.২%
  4. ৯.১%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
২৭.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ২য় দাবি ছিলো কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
  3. মার্শাল ল প্রত্যাহার
  4. জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে।
- মার্শাল ল প্রত্যাহার বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রথম দাবি ছিলো।

• ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয় -
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

অন্যদিকে:
- ২১ দফা দাবির প্রথম দফা: বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
- ৬ দফা দাবির প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮.
‘স্বত্ববিলোপ নীতি’ আরোপ করে লর্ড ডালহৌসি কোন রাজ্যটি অধিকার করেন?
  1. অযোধ্যা ও পাঞ্জাব
  2. পাঞ্জাব ও হায়দ্রাবাদ
  3. নাগপুর ও ঝাঁসি
  4. হায়দ্রাবাদ ও অযোধ্যা
সঠিক উত্তর:
নাগপুর ও ঝাঁসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগপুর ও ঝাঁসি
ব্যাখ্যা
লর্ড ডালহৌসি:
- স্বত্ববিলোপ নীতি আরোপ করে লর্ড ডালহৌসি নাগপুর ও ঝাঁসি অধিকার করেন।
- স্বত্ববিলোপ নীতি বা ডক্ট্রিন অব ল্যাপ্স হলো ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বারা আরোপিত ভারতীয় রাজ্য আত্মসাৎ করার নীতি ৷
- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দ অবধি এই নীতি কার্যকর ছিল ৷
- লটারি উপমহাদেশের প্রথম টেলিগ্রাফ লাইন স্থাপন করেন ১৮৫০ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম রেললাইন স্থাপন করেন ১৮৬২ সালে।
- ডাকটিকিট চালু করেন ১৮৫৪ সালে।
- বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়ন করেন ১৮৫৬ সালে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।