পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়26 minutes
মোট প্রশ্ন৫১
সিলেবাস
বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (সম্পূর্ণ সিলেবাস) উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ৭০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫১ প্রশ্ন

.
LAN ব্যবহার করে সর্বোচ্চ কত দূরত্ব পর্যন্ত ডিভাইসগুলিকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ৫০০ মিটার
  3. ১ কিলোমিটার
  4. ৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

◉ LAN (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে সাধারণত সর্বোচ্চ ১ কিলোমিটার দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।

LAN:
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে কোন কোম্পানি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ব্ল্যাকবেরি
  3. আইবিএম
  4. অ্যাপল
ব্যাখ্যা

◉ প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে আইবিএম (IBM)। ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।

স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
কম্পিউটারে কোন ফাংশন কী ব্যবহার করে ফুলস্ক্রিন মোডে যাওয়া যায়?
  1. F8
  2. F9
  3. F10
  4. F11
ব্যাখ্যা

◉ সাধারণত F11 কী ব্যবহার করে ব্রাউজার বা অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনে ফুলস্ক্রিন মোডে যাওয়া যায়।

ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

.
কম্পিউটারের কোন অংশটি arithmetic ও logical operations সম্পাদন করে?
  1. HDD
  2. CU
  3. ALU
  4. RAM
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ALU (Arithmetic Logic Unit) অংশটি arithmetic (গাণিতিক) এবং logical (যৌক্তিক) operations সম্পাদন করে। এটি CPU (Central Processing Unit)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (ALU):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
RAM (Random Access Memory): এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি, যা ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে যখন কম্পিউটার চালু থাকে। 
CU (Control Unit): এটি CPU-এর আরেকটি অংশ, যা নির্দেশাবলী নিয়ন্ত্রণ করে এবং ALU-কে নির্দেশ দেয় কী করতে হবে। 
HDD (Hard Disk Drive): এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
CPU-এর গতি কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. বাইট
  2. হার্টজ
  3. ভোল্ট
  4. ওয়াট
ব্যাখ্যা

◉ CPU-এর গতি নির্দেশ করে এটি প্রতি সেকেন্ডে কতগুলি নির্দেশ (instructions) প্রক্রিয়া করতে পারে। এই গতি হার্টজ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়।
১ হার্টজ মানে প্রতি সেকেন্ডে ১টি সাইকেল (cycle) সম্পন্ন করা। আধুনিক CPU-এর গতি সাধারণত গিগাহার্টজ (GHz) এককে পরিমাপ করা হয়, যেখানে ১ GHz = ১০ হার্টজ।

সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
(25)10 এর বাইনারি মান কোনটি?
  1. 11001
  2. 10101
  3. 11111
  4. 10001
ব্যাখ্যা

◉ (25)10 এর বাইনারি মান হচ্ছে - 11001.

দশমিক থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ক্রমাগত ২ দ্বারা ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হয়।
- এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না ভাগশেষ ০ আসে।

25 ÷ 2 = 12, ভাগশেষ = 1
12 ÷ 2 = 6, ভাগশেষ = 0
6 ÷ 2 = 3, ভাগশেষ = 0
3 ÷ 2 = 1, ভাগশেষ = 1
1 ÷ 2 = 0, ভাগশেষ = 1

ভাগশেষসমূহকে নিচ থেকে উপড়ে সাজিয়ে পাই = 11001 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) অ্যাড্রেস কী?
  1. ব্যবহারকারীর ইমেইল ঠিকানা
  2. নেটওয়ার্কে একটি ডিভাইসের নির্দিষ্ট ঠিকানা
  3. ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম
  4. ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের নাম
ব্যাখ্যা

◉ ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) অ্যাড্রেস হলো একটি অনন্য সংখ্যাসূচক লেবেল, যা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইস (যেমন: কম্পিউটার, স্মার্টফোন, প্রিন্টার ইত্যাদি) কে চিহ্নিত করে। এটি ডেটা প্যাকেট সঠিক ডিভাইসে পৌঁছানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- IPv4 অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ভার্চুয়াল মেমরি কী?
  1. ফিজিক্যাল মেমরির যে অংশ CPU ব্যবহার করে
  2. ROM এর একটি বিশেষ ধরন
  3. সেকেন্ডারি মেমরির যে অংশ প্রাইমারি মেমরি হিসেবে ব্যবহার করা হয়
  4. গ্রাফিক্স কার্ডের মেমরি
ব্যাখ্যা

◉ ভার্চুয়াল মেমরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি মেমরি ম্যানেজমেন্ট টেকনিক, যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন: হার্ড ডিস্ক বা SSD) এর একটি অংশকে প্রাইমারি মেমরি (RAM) এর সম্প্রসারণ হিসেবে ব্যবহার করে।
এটি প্রোগ্রামগুলিকে মনে করতে দেয় যে তাদের কাছে পর্যাপ্ত RAM আছে, এমনকি যখন ফিজিক্যাল RAM এর পরিমাণ সীমিত থাকে। ভার্চুয়াল মেমরি পেজিং (Paging) বা সোয়াপিং (Swapping) পদ্ধতির মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।

ভার্চুয়াল মেমরি: 
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

.
ফিশিং আক্রমণ কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধ করা
  2. ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপ
  3. ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য ভুয়া ইমেইল ব্যবহার
  4. ইন্টারনেট কানেকশন হ্যাকিং
ব্যাখ্যা

◉ ফিশিং (Phishing) হলো একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী ভুয়া ইমেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস) চুরি করার চেষ্টা করে।

ফিশিং (Phishing):
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে। এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।

সূত্র: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
কোন গ্রুপটি গ্রাফিক্যাল ফাইলের এক্সটেনশন (Extension) নির্দেশ করে?
  1. TCP, JPG, BMP
  2. WMF, WAV, AAC
  3. JPG, CPX, GCM
  4. JPG, GIF, BMP
ব্যাখ্যা

◉ JPG, PNG, এবং GIF সবই গ্রাফিক্যাল ফাইলের এক্সটেনশন, যা ইমেজ ফাইল ফরম্যাট নির্দেশ করে।

ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।

• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
GIF: Graphics Interchange Format.
JPG: Joint Photographic Group.
PNG: Portable Network Graphics.
BMP: Bitmap Image File.
JPEG: Joint Photographic Experts Group.

এছাড়াও, অডিও ফাইলস:
- .mp3
- .wav

• টেক্সট ও ডকুমেন্ট ফাইলস:
- .doc
- .docx
- .rtf
- .txt

• ভিডিও ফাইলস:
- .flv
- .avi
- .mp4

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।

১১.
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে গঠিত, একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা সিস্টেমকে কী বলে?
  1. সার্ভার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. এমবেডেড সিস্টেম
  4. সুপারকম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড সিস্টেম হলো হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ উদ্দেশ্যমূলক সিস্টেম, যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন স্মার্টফোন, গাড়ির ইলেকট্রনিক সিস্টেম, বা হোম অ্যাপ্লায়েন্সে ব্যবহৃত হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. BBC Website.

১২.
কৃষি ফলনের পূর্বাভাসের জন্য কোন কৌশলটি কার্যকর হতে পারে?
  1. ব্লকচেইন
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং
  4. ডিপ লার্নিং
ব্যাখ্যা

◉ ডিপ লার্নিং (Deep Learning) কৃষি উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রযুক্তি। এটি আবহাওয়া, মাটির গুণাগুণ, ফসলের ইতিহাস এবং অন্যান্য ডেটা বিশ্লেষণ করে সঠিক পূর্বাভাস দিতে পারে। অন্য অপশনগুলি, যেমন ক্লাউড কম্পিউটিং, ব্লকচেইন এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, কৃষি পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য নয়।

ডিপ লার্নিং: 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।

১৩.
কম্পিউটার নির্মাণের সময় যেসব প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে মেমরিতে সংরক্ষণ করা হয় এবং যেগুলো ডিভাইস চালুর সময় নিজে থেকে কাজ শুরু করে, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. হার্ডওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ ফার্মওয়্যার হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার, যা ROM বা ফ্ল্যাশ মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে চালু ও নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। উদাহরণ: BIOS, মাইক্রোকন্ট্রোলার কোড ইত্যাদি।

ফার্মওয়্যার: 
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) মূলত কোন আর্কিটেকচারের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে?
  1. ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার
  2. ইভেন্ট-ড্রিভেন আর্কিটেকচার
  3. লেয়ার্ড আর্কিটেকচার
  4. পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) আর্কিটেকচার
ব্যাখ্যা

◉ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) Client-server architecture অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
এই আর্কিটেকচারে, ক্লায়েন্ট (যেমন ওয়েব ব্রাউজার) সার্ভার থেকে তথ্য বা রিসোর্স অনুরোধ করে, এবং সার্ভার সেই অনুরোধের প্রতিক্রিয়া হিসেবে ক্লায়েন্টকে প্রয়োজনীয় ডেটা বা ওয়েব পেজ প্রদান করে। এই মডেল ইন্টারনেট এবং ওয়েবের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web):
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব হলো এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলোর সংগ্রহই হলো ওয়েব।
- ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যের Sir Tim Berners Lee ও Sir Sam Walker এবং বেলজিয়ামের Robert Cailiau সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত CERN (The European Center for Nuclear Research)-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কার করেন।
- তবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে Mosaic নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর।

ওয়েব যেভাবে কাজ করে:
- ওয়েব ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
- এর অর্থ হচ্ছে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার ওয়েব ব্রাউজার এর মাধ্যমে প্রোগ্রামটি বা ওয়েবটি রান করে অনুরোধ (Request) পাঠাবে সার্ভারে।
- সার্ভার, ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের অনুরোধকৃত তথ্যটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের ব্রাউজারের কাছে পাঠিয়ে দেবে এবং ব্রাউজার তা অনুবাদ করে স্ক্রিনে প্রদর্শন করবে।
- আর এভাবেই ওয়েব ব্রাউজার তার কার্যক্রম সম্পাদিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
যেসব সফটওয়্যারে পেরিফেরাল ডিভাইস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশনা থাকে, তাদের কী বলা হয়?
  1. অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  4. ডিভাইস ড্রাইভার
ব্যাখ্যা

◉ ডিভাইস ড্রাইভার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি ডিভাইসকে সঠিকভাবে চালাতে সহায়তা করে।

ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
CRAY-1 কী ধরনের কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  2. বৃহৎ কম্পিউটার
  3. ছোট কম্পিউটার
  4. অতিবৃহৎ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ CRAY-1 হলো বিশ্বের প্রথম সফল সুপারকম্পিউটার (অতিবৃহৎ কম্পিউটার), যা ১৯৭৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং জটিল গাণিতিক গণনার জন্য ব্যবহৃত হতো। সুপারকম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)

অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- এ যাবৎ কাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ও অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে সুপার কম্পিউটার।
উদাহরণ CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- ক্ষমতা ও আকার বিচারে মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কিন্তু মাইক্রো কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন।
উদাহরণ IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম বা বৃহৎ কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট ও কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে মিনি কম্পিউটার।
- এর কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশটি সাধারণ টেবিলের উপর বসানো সম্ভব।
উদাহরণ NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্য বিচারে সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রো বা ছোট কম্পিউটার।
- উদাহরণ IBM 486, IBM Pentium ইত্যাদি।
- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
টেসলা, স্পেসএক্স এবং নিউরালিঙ্ক – এই তিনটি বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জেফ বেজোস
  2. ইলন মাস্ক
  3. মার্ক জাকারবার্গ
  4. বিল গেটস
ব্যাখ্যা

◉ ইলন মাস্ক হলেন টেসলা (বৈদ্যুতিক গাড়ি ও শক্তি সংরক্ষণ প্রযুক্তি), স্পেসএক্স (মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি) এবং নিউরালিঙ্ক (নিউরোটেকনোলজি কোম্পানি) এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। তিনি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী খাতে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।

ইলন মাস্ক:
- ইলন মাস্ক একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা।
- তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা আর অর্থনীতিতে পড়ালেখা করেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ইলন মাস্ক ২০১৫ সালে অলাভজনক সংস্থা ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৬ সালে তিনি নিউরালিংক এবং বোরিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠান করেন।

জিপটু (Zip2):
- উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি প্রথম জিপটু (Zip2) নামে একটি সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৯৫ সালে এর পথচলা শুরু হলেও ১৯৯৯ সালে তিনি কমপ্যাক কোম্পানির কাছে জিপ-টু বিক্রি করেন।

এক্স.কম (X.com):
- হ্যারিস ফ্রিকার, এড হো এবং ক্রিস্টোফার পেইনের সঙ্গে ইলন মাস্ক এক্স.কম প্রতিষ্ঠা করেন।

পেপাল (PayPal):
- এক্স.কম কনফিনিটি ইনকরপোটেড এক হয়ে পেপালের জন্ম হয়।
- পেপাল অনলাইন পেমেন্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।

স্পেসএক্স (SpaceX):
- ইলস মাস্ক ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন স্পেসএক্স।
- এর প্রথম দুটি রকেট হলো ফ্যালকন 1 এবং ফ্যালকন 9।

টেসলা মোটরস (Tesla):
- তিনি ২০০৪ সালে কোম্পানিটি চালু করেন।

নিউরালিঙ্ক (Neuralink): 
- Nanotechnology ভিত্তিক কোম্পানি। 

টুইটার (Twitter):
- মাস্ক ২০০৯ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে যোগদান করেন।
- ২০২২ সালে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার উদ্যোগ নেন ইলন মাস্ক।

উৎস: Britannica.

১৮.
কোন প্রকারের ক্লাউড মডেলে একাধিক সংস্থা একটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ার করে?
  1. পাবলিক ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. কমিউনিটি ক্লাউড
  4. হাইব্রিড ক্লাউড
ব্যাখ্যা

◉ কমিউনিটি ক্লাউডে একই ধরনের চাহিদা বা লক্ষ্য থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠান (যেমন: গবেষণা সংস্থা, সরকারি বিভাগ) একটি শেয়ার্ড ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৯.
MS Word-এ একটি নতুন প্যারাগ্রাফ তৈরি না করে শুধুমাত্র লাইন পরিবর্তন (Line Break) করার জন্য কোন কীবোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করা হয়?
  1. Shift + Enter
  2. Ctrl + Enter
  3. Ctrl + Shift + Enter
  4. Ctrl + Alt + T
ব্যাখ্যা

◉ Shift + Enter ➝ লাইন ব্রেক (Line Break): নতুন অনুচ্ছেদ (paragraph) শুরু না করে একই প্যারাগ্রাফে লাইন পরিবর্তন করে।

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
F4: এই বাটন ব্যবহার করে অবস্থায় ঘুরে যাওয়া যাবে।
F5: ওয়ার্ড এ কাজ করার সময়, ডকুমেন্টের আলাদা আলাদা পেজে যাওয়ার জন্য।
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।

Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।

Shift + Enter: একটি লাইন ব্রেক (Line Break) যোগ করতে। 
Ctrl + Enter: একটি পেজ ব্রেক (Page Break) যোগ করতে। 
Ctrl + Shift + Enter: একটি কলাম ব্রেক (Column Break) যোগ করতে। 
Ctrl + Alt + T: ট্রেডমার্ক সিম্বল এড করতে। 

উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। 

২০.
কোন ডিভাইস ডেটা সংরক্ষণের জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে?
  1. USB flash drive
  2. Hard disk
  3. CD-ROM
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক (Hard disk) ডেটা সংরক্ষণের জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে। ডিস্কের পৃষ্ঠতলে চৌম্বকীয় কণাগুলো ডেটা স্টোর করে।

হার্ড ডিস্ক: 
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- সিডি-রম একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যা সহায়ক স্মৃতি।
- একটি ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ (পেনড্রাইভ) একটি ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস যা একটি সমন্বিত USB ইন্টারফেসের সাথে ফ্ল্যাশ মেমরি অন্তর্ভুক্ত করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
USB ফ্ল্যাশ ড্রাইভ: সলিড-স্টেট মেমরি (ফ্ল্যাশ মেমরি) ব্যবহার করে, ম্যাগনেটিক মিডিয়া নয়।
CD-ROM: অপটিক্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, যেখানে ডেটা লেজার দ্বারা পড়া ও লেখা হয়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
অতিক্ষুদ্র স্কেলে বস্তু বা যন্ত্রাংশ তৈরি ও নিয়ন্ত্রণের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়?
  1. অণুজৈব প্রযুক্তি
  2. মাইক্রোইলেকট্রনিক্স
  3. কোয়ান্টাম মেকানিক্স
  4. ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা

ন্যানোটেকনোলজি এমন একটি শাখা যেখানে আণবিক ও পরমাণু স্তরে পদার্থ নিয়ন্ত্রণ করে বিভিন্ন প্রযুক্তি বা উপাদান তৈরি করা হয়। এটি বর্তমানে চিকিৎসা, প্রযুক্তি, টেক্সটাইল, ও পরিবেশ– এসব ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

ন্যানোটেকনোলজি:
- ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10-9 মিটার (m)।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-

১. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

২. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২.
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) এর যুগ কবে শুরু হয়?
  1. ১৯৫০ এর দশকে
  2. ১৯৬০ এর দশকে
  3. ১৯৭০ এর দশকে
  4. ১৯৮০ এর দশকে
ব্যাখ্যা

◉ পার্সোনাল কম্পিউটারের (PC) যুগ শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে, যখন ছোট আকারের, তুলনামূলকভাবে কমদামী এবং ঘরে ব্যবহারের উপযোগী কম্পিউটার বাজারে আসে। ১৯৭৫ সালে বাজারে আসে Altair 8800, যাকে প্রথম PC হিসেবে ধরা হয়।

পার্সোনাল কম্পিউটার: 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা

২৩.
Linux-এর প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. স্টিভ জবস
  2. বিল গেটস
  3. লিনাস টর্ভাল্ডস
  4. স্টিভ ওজনিয়াক
ব্যাখ্যা

◉ লিনাস টর্ভাল্ডস (Linus Torvalds) ১৯৯০ সালে Linux কার্নেল তৈরি করেন, যা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওপেন-সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের ভিত্তি। তিনি ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র থাকাকালীন এই প্রকল্প শুরু করেছিলেন।

লিনাক্স:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টর্ভাল্ডস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- বিভিন্ন অফিস, বাসা-বাড়ি ও কোম্পানিতে লিনাক্স ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) স্টিভ জবস (Steve Jobs): অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যিনি Mac OS এবং iOS-এর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
খ) বিল গেটস (Bill Gates): মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যিনি Windows অপারেটিং সিস্টেমের জনক হিসেবে পরিচিত।
ঘ) স্টিভ ওজনিয়াক (Steve Wozniak): অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, তবে তিনি মূলত হার্ডওয়্যার ডিজাইনের জন্য বিখ্যাত, অপারেটিং সিস্টেম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
সলিড-স্টেট ড্রাইভ এর মূল কাজ কী?
  1. ডেটা প্রসেস করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ডেটা প্রিন্ট করা
  4. ডেটা ট্রান্সফার করা
ব্যাখ্যা

◉ সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) হল একটি non-volatile স্টোরেজ ডিভাইস, যার মূল কাজ হলো কম্পিউটারের ডেটা (অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রাম, ফাইল ইত্যাদি) দ্রুতগতিতে এবং স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। 

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Avast website.

২৫.
HTTPS কী নিশ্চিত করে?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. ত্বরিত ইন্টারনেট গতি
  3. বিজ্ঞাপন ব্লক করা
  4. সংক্রমণ রোধ
ব্যাখ্যা

◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন—লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- এটি SSL/TLS প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে তৃতীয় পক্ষ (হ্যাকার, ISP বা অন্যান্য অনুপ্রবেশকারী) এই তথ্য চুরি বা পড়তে না পারে।

 HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৬.
আইবিএম কোন ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে?
  1. Ethereum
  2. Binance Chain
  3. Ripple
  4. Hyperledger
ব্যাখ্যা

◉ আইবিএম (IBM) Hyperledger Fabric নামক একটি এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যা লিনাক্স ফাউন্ডেশনের Hyperledger প্রকল্পের অধীনে বিকশিত হয়েছে। এটি মূলত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

আইবিএম (IBM):
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার - ATM, Hard Disk, Floppy disc.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Ethereum: একটি পাবলিক ব্লকচেইন, আইবিএমের তৈরি নয়। 
Binance Chain: বিনান্স এক্সচেঞ্জের তৈরি ব্লকচেইন। 
Ripple: একটি ডিজিটাল পেমেন্ট নেটওয়ার্ক, আইবিএমের সাথে সম্পর্কিত নয়। 

উৎস: IBM Website.

২৭.
WiMax সাধারণত কোন ধরনের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়?
  1. PAN (Personal Area Network)
  2. LAN (Local Area Network)
  3. WAN (Wide Area Network)
  4. VPN (Virtual Private Network)
ব্যাখ্যা

◉ WiMax (Worldwide Interoperability for Microwave Access) মূলত ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)-এ ব্যবহৃত হয়, যা শহর বা দেশব্যাপী বিস্তৃত ওয়্যারলেস কভারেজ প্রদান করে।
এটি উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেয় এবং টেলিকম অপারেটররা সাধারণত এটিকে লাস্ট মাইল কানেক্টিভিটি (গ্রাহকদের শেষ প্রান্তে ইন্টারনেট পৌঁছানোর জন্য) হিসাবে ব্যবহার করে।

WiMax:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো - Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৮.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ কী নামে পরিচিত? 
  1. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  2. কার্নেল
  3. ল্যাটেক্স 
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা

◉ অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে "কার্নেল" বলা হয়।

অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: Techtarget website.

২৯.
সিডিতে কোনো ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. Ripping
  2. Zipping
  3. Burning
  4. Digitizing
ব্যাখ্যা

◉ সিডি (CD) বা ডিভিডি (DVD)-তে ডেটা কপি করার প্রক্রিয়াকে Burning বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় অপটিক্যাল ডিস্কে লেজার রশ্মির মাধ্যমে ডেটা রাইট করা হয়।

Burning:
- কম্পিউটার থেকে সিডি-রমে গান, ছবি, ভিডিও ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াটি Burning নামে পরিচিত।
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
Zipping: ফাইল কম্প্রেস বা আর্কাইভ করার প্রক্রিয়া (যেমন, .zip ফাইল তৈরি করা)।
Ripping: সিডি/ডিভিডি থেকে কম্পিউটারে ফাইল কপি করা (যেমন, অডিও ট্র্যাক MP3-এ কনভার্ট করা)।
Digitizing: অ্যানালগ ডেটাকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করা।

উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট। 

৩০.
এমএস ওয়ার্ডে নির্বাচিত টেক্সট কাট করতে কোন কী-বোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + X
  2. Ctrl + C
  3. Ctrl + V
  4. Ctrl + N
ব্যাখ্যা

◉ Ctrl + X নির্বাচিত টেক্সট বা বিষয়বস্তু কাট (Cut) করার শর্টকাট। এটি ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষণ করে এবং মূল অবস্থান থেকে সরিয়ে দেয়।

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৩১.
"ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত? 
  1. 2748
  2. 3124
  3. 4096
  4. 5270
ব্যাখ্যা

◉ হেক্সাডেসিমেল "ABC" = দশমিক 2748

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

A = 10
B = 11
C = 12

∴ (ABC)16 = (10 × 162) + (11 × 161) + (12 × 160
= (10 × 256) + (11 × 16) + (12 × 1)
= 2560 + 176 + 12
= 2748

৩২.
Code Red কী নির্দেশ করে? 
  1. কম্পিউটার সার্ভার কোড
  2. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা

◉ Code Red হলো একটি বিখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম/ভাইরাস, যা ২০০১ সালে ছড়িয়ে পড়ে এবং Microsoft IIS ওয়েব সার্ভারকে টার্গেট করে। এটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম ছিল।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- কোড রেড,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. kaspersky.com

৩৩.
Google Docs কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

◉ Google Docs একটি ক্লাউড-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশীট এবং অন্যান্য প্রোডাক্টিভিটি টুল ব্যবহার করতে দেয়। এটি SaaS মডেলের অন্তর্গত কারণ। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
কম্পিউটারের সমস্ত কার্যক্রম সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার কোনটি?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. স্টোরেজ ডিভাইস
ব্যাখ্যা

◉ মাইক্রোপ্রসেসর (CPU) হলো কম্পিউটারের সমস্ত গণনা, প্রক্রিয়াকরণ এবং নির্দেশনা কার্যকর করে।
এটি অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং প্রোগ্রাম বা অপারেটিং সিস্টেমের নির্দেশাবলী নির্বাহ করে।

মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
কী-বোর্ডে ব্যবহৃত একটি ফাংশন কী হলো—
  1. Shift
  2. F5
  3. Ctrl
  4. Alt
ব্যাখ্যা

◉ ফাংশন কী সাধারণত কী-বোর্ডের উপরের দিকে F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে। এগুলি বিভিন্ন সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমে বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন— F5 সাধারণত রিফ্রেশ (Refresh) বা প্রেজেন্টেশনে স্লাইড শো শুরু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

কী-বোর্ড (Key-board):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

৩৬.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের উদ্দেশ্য—
  1. ব্যাকআপ নেওয়া
  2. স্ক্রিন রিফ্রেশ করা
  3. প্রসেসিং গতি বাড়ানো
  4. তথ্য পুনরুদ্ধার করা
ব্যাখ্যা

◉ ক্যাশ মেমোরি হল একটি উচ্চ-গতিসম্পন্ন অস্থায়ী স্টোরেজ এলাকা যা মূল প্রসেসর (CPU) এবং প্রধান মেমোরির (RAM) মধ্যে অবস্থান করে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল প্রসেসরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩৭.
কোনটি কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যম?
  1. মোবাইল ফোন
  2. রেডিও
  3. টেলিভিশন
  4. ইমেইল
ব্যাখ্যা

◉ ইমেইল হল একটি কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগ পদ্ধতি যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে।

ইমেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে, মোবাইল ফোন (হার্ডওয়্যার ডিভাইস), রেডিও ও টেলিভিশন (ব্রডকাস্ট মিডিয়া) কম্পিউটারনির্ভর যোগাযোগ মাধ্যম নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৮.
কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত? 
  1. 67
  2. 79
  3. 88
  4. 98
ব্যাখ্যা

◉ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি একটি 8-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। 67 হল একটি বৈধ অক্টাল সংখ্যা, কারণ এর উভয় অঙ্ক (6 এবং 5) 0-7 এর মধ্যে পড়ে।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
(২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৯.
মাল্টিটাস্কিং সক্ষমতা প্রথম কোন OS-এ চালু হয়েছিল?
  1. UNIX
  2. MS-DOS
  3. Windows 3.1
  4. Mac OS Classic
ব্যাখ্যা

◉ মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমের ইতিহাসে UNIX ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল সিস্টেম যা প্রকৃত মাল্টিটাস্কিং সক্ষমতা প্রদান করেছিল।
এটি 1969 সালে বেল ল্যাবে বিকশিত হয় এবং 1970-এর দশকের শুরুতে মাল্টিটাস্কিং ফিচার চালু করে। UNIX একই সময়ে একাধিক প্রক্রিয়া (process) চালানোর সুযোগ দিত, যা প্রকৃত মাল্টিটাস্কিংয়ের সংজ্ঞা পূরণ করে।

UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.
- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) MS-DOS (1981): এটি একটি সিঙ্গেল-টাস্কিং OS, মাল্টিটাস্কিং সাপোর্ট করত না।
গ) Windows 3.1 (1992): এটি "কো-অপারেটিভ মাল্টিটাস্কিং" ব্যবহার করত, তবে প্রকৃত প্রি-এম্পটিভ মাল্টিটাস্কিং নয়।
ঘ) Mac OS Classic (1984): প্রাথমিক সংস্করণগুলোতে মাল্টিটাস্কিংয়ের সীমিত ক্ষমতা ছিল, তবে UNIX-এর পরে এসেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪০.
সুপার কম্পিউটারের প্রসেসিং এর গতি পরিমাপক কোনটি? 
  1. MIPS
  2. FLOPS
  3. GHz
  4. BPS
ব্যাখ্যা

◉ FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
MIPS (মিলিয়ন ইন্সট্রাকশনস পার সেকেন্ড): সাধারণ কম্পিউটার এবং এম্বেডেড সিস্টেমের পারফরম্যান্স পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
GHz (গিগাহার্টজ): প্রসেসরের ক্লক স্পিড বা ঘড়ির গতি পরিমাপ করে। 
BPS (বিটস পার সেকেন্ড): ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড পরিমাপের একক। 

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৪১.
Firewall ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. হার্ডডিস্ক রক্ষণাবেক্ষণ
  2. ভাইরাস তৈরিতে সহায়তা
  3. অবাঞ্ছিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ
  4. ডেটা কমপ্রেশন
ব্যাখ্যা

◉ ফায়ারওয়াল একটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেম যা অননুমোদিত অ্যাক্সেস এবং সাইবার হুমকি থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে।

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
ই-মেইলে ব্যবহৃত ‘cc’ এর অর্থ—
  1. Custom Copy
  2. Carbon Copy
  3. Casual Contact
  4. Common Code
ব্যাখ্যা

◉ ই-মেইলে ব্যবহৃত 'cc' ফিল্ডের পূর্ণরূপ হলো Carbon Copy (কার্বন কপি)। এটি একটি ঐতিহাসিক টার্ম যা ট্র্যাডিশনাল অফিস যোগাযোগ থেকে এসেছে, যেখানে কার্বন পেপার ব্যবহার করে একই চিঠির একাধিক কপি তৈরি করা হতো।

E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
ফ্যাক্স যন্ত্র সাধারণত কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে?
  1. WiFi
  2. Bluetooth
  3. LAN
  4. Telephone Line
ব্যাখ্যা

◉ ফ্যাক্স (ফ্যাসিমাইল) মেশিন সাধারণ টেলিফোন নেটওয়ার্ক (PSTN - Public Switched Telephone Network) এর মাধ্যমে কাজ করে। এটি অ্যানালগ সিগন্যাল ব্যবহার করে ডকুমেন্ট ট্রান্সমিট করে।

ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- ১৮৪৩ সালে স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।
- মূল নথিটিকে একটি ফ্যাক্স মেশিন দিয়ে স্ক্যান করে বিষয়বস্তুগুলোকে (টেক্সট বা ছবি) একটি একক স্থির গ্রাফিক ছবি হিসেবে প্রক্রিয়া করে, এটিকে একটি বিটম্যাপে রূপান্তর করে, এবং তারপর এটি অডিও- ফ্রিকোয়েন্সি টোন আকারে টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রেরণ করে।
- ফ্যাক্স মেশিনগুলো ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে অফিসগুলোতে অনেক প্রচলন ছিল,ইমেল এবং WWW এর মতো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তিগুলোর ফলে তা ধীরে ধীরে অপ্রচলিত হয়ে গেছে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৪৪.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে যেসব নেটওয়ার্ক রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে কী বলা হয়?
  1. ক্লায়েন্ট
  2. সার্ভার
  3. পিয়ার
  4. ব্রডব্যান্ড
ব্যাখ্যা

◉ ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে যেসব নেটওয়ার্ক রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলা হয়। আর যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে তাকে সার্ভার বলা হয়।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং (Client-server computing):
- ক্লায়েন্ট-সার্ভার কম্পিউটিং-এ তিনটি উপাদান বা কম্পোনেন্ট component থাকে:
১। ক্লায়েন্ট,
২। সার্ভার এবং
৩। নেটওয়ার্ক।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) সার্ভার: রিসোর্স প্রদানকারী, ব্যবহারকারী নয়।
গ) পিয়ার: P2P (পিয়ার-টু-পিয়ার) নেটওয়ার্কের ধারণা, যেখানে সব ডিভাইস সমান ভূমিকা রাখে।
ঘ) ব্রডব্যান্ড: ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি টাইপ, নেটওয়ার্ক রিসোর্স নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
Microsoft-এর OneDrive কী ধরনের সেবা?
  1. এন্টিভাইরাস
  2. ক্লাউড স্টোরেজ
  3. ভিডিও কনফারেন্সিং
  4. সফটওয়্যার ইন্সটলার
ব্যাখ্যা

◉ Microsoft OneDrive হলো একটি ক্লাউড-ভিত্তিক স্টোরেজ সেবা, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল, ফটো, ভিডিও এবং ডকুমেন্ট অনলাইনে সংরক্ষণ ও অ্যাক্সেস করতে দেয়।

মাইক্রোসফট (Microsoft): 
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তাঁর বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের রেডমন্ডে অবস্থিত।
- LinkedIn মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- মাইক্রোসফটের সার্ভিসসমূহ: OneDrive, Skype, LinkedIn, Microsoft Word, Microsoft Excel, Microsoft PowerPoint, Microsoft Access, Microsoft Edge, Outlook, Hotmail প্রভৃতি।

সূত্র: মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৬.
Swap space ব্যবহার হয়—
  1. হার্ডডিস্কে
  2. ইউজার ইন্টারফেসে
  3. মেমোরি ম্যানেজমেন্টে
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ Swap space হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ অংশ যা ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, OS অপ্রয়োজনীয় ডেটাকে হার্ড ডিস্কের swap area-তে স্থানান্তর করে। এটি মেমোরি ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে সিস্টেমের কার্যকারিতা বজায় রাখে। Swap space-এর ব্যবহার অপারেটিং সিস্টেমের মেমোরি ম্যানেজার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।

৪৭.
UNIVAC হলো-
  1. প্রথম সুপারকম্পিউটার
  2. প্রথম কমার্শিয়াল কম্পিউটার
  3. প্রথম গ্রাফিক্যাল কম্পিউটার
  4. প্রথম ল্যাপটপ
ব্যাখ্যা

◉ UNIVAC-এর প্রধান পরিচয় হলো এটি ইতিহাসের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ও বিক্রিত কম্পিউটার যা আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৮.
PDA বলতে কী বোঝায়?
  1. Personal Digital Assistant
  2. Portable Data Analyzer
  3. Public Digital Access
  4. Programmed Device Architecture
ব্যাখ্যা

◉ PDA (Personal Digital Assistant) হল একটি হ্যান্ডহেল্ড ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা ১৯৯০-২০০০ দশকে ব্যক্তিগত ও পেশাদার কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। 

মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন আকৃতির মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন-

১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA).
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer).
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer).
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।
এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

PDA:
- PDA-এর পূর্ণরূপ Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায় ।
- PDA হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল); মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৪৯.
কোন সফটওয়্যারটি ভাইরাস চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. MS Excel
  2. Adobe Reader
  3. VLC Player
  4. Norton
ব্যাখ্যা

◉ Norton Antivirus একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম থেকে ম্যালওয়্যার, ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত ও সরাতে ব্যবহৃত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ভাইরাস শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ। 

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- অ্যান্টিভাইরাসের কাজ হচ্ছে যে কোনো ম্যালওয়্যার সংক্রমণকে নির্মূল করা। পাশাপাশি এটি ইনস্টলের আগে থেকেই আক্রান্ত ডিভাইসকে সুরক্ষিত করা এবং আক্রমণ প্রতিরোধে সতর্কতা বজায় রাখা।
- অ্যান্টিভাইরাস শুধু ভাইরাস প্রতিরোধের জন্যই নয়, বরং ডিভাইস নিরাপত্তায় এর রয়েছে কার্যকর নানা বৈশিষ্ট্য। ফলে এ সময় কম্পিউটার সুরক্ষায় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- Avira,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essentials,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tools Anti-Virus, etc.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫০.
IMEI নম্বর দ্বারা—
  1. মোবাইলের ক্যামেরা চিহ্নিত হয়
  2. মোবাইলের সফটওয়্যার আপডেট হয়
  3. মোবাইলের সনাক্তকরণ
  4. মোবাইলের ব্যাকআপ নেওয়া হয়
ব্যাখ্যা

◉ IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর হল একটি অনন্য ১৫-অঙ্কের কোড যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য নির্ধারিত হয়। IMEI নম্বর মোবাইল ফোন/ট্যাবলেটের হার্ডওয়্যার আইডেন্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে।

IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।
- IMEI হলো একটি ইউনিক (বিশেষ) পরিচয় নম্বর, যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসকে দেওয়া হয়।
- এটি একটি মোবাইল ডিভাইসের "ফিঙ্গারপ্রিন্ট" হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে ডিভাইসটি মোবাইল নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করা যায়।
- IMEI সাধারণত ১৫টি ডিজিটের হয়ে থাকে।
- এটি নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ডিভাইস ট্র্যাক করতে সহায়তা করে (যেমন: চুরি হওয়া ফোন ব্লক করা)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫১.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে "Elasticity" মানে—
  1. ক্লাউড সিস্টেমে অ্যান্টিভাইরাস
  2. দ্রুত সিস্টেম বন্ধ করা
  3. অফলাইন স্টোরেজ
  4. রিসোর্স দ্রুত বাড়ানো ও কমানো
ব্যাখ্যা

◉ ইলাস্টিসিটি (Elasticity) হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি মূল নীতি, যা চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স (CPU, মেমোরি, স্টোরেজ ইত্যাদি) স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কেল করার ক্ষমতা বোঝায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং চালু করে অ্যামাজন কোম্পানি।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।