পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি পরীক্ষা – ৩ বাংলাদেশের জনসংখ্যা জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াবলী এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নয়ন পরিকল্পনা, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় আয়-ব্যয়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী, দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচী [Live Class – 5 & 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে বলা হয় -
  1. ক) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
  2. খ) পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল
  3. গ) নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল
  4. ঘ) প্রায় জনহীন অঞ্চল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।

• জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা যেতে পারে। যথা-
১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল 
২. পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল 
৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল এবং
৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল।

১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে
১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। মোনাকো, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ,বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, চীন, জাপান, বাহরাইন, মাল্টা, বারমুডা, জার্মানি প্রভৃতি দেশ নিবিড় জনসংখ্যা অধ্যুষিত।

২.পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৫০-১০০ জন লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। যেমন-মিশর, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক কেনিয়া, মেক্সিকো, ইরাক, ইরান প্রভৃতি।

৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল: কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে
২-৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। যেমন- দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড, সৌদি আরব, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকার প্রেইরি প্রভৃতি।

৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল: প্রায় জনহীন অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় একজনের কম লোক বাস করে। এসব এলাকা অত্যন্ত দুর্গম এবং মানুষ বসবাসের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। সাহারা ও কালাহারি মরুভ‚মি, আমাজান উপত্যকা, হিমালয়, রকি ও আন্দিজ পর্বতমালা এ ধরনের অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

সুত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সর্বশেষ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে কোনটি?
  1. ক) ফজলি আম
  2. খ) বাগদা চিংড়ি
  3. গ) ঢাকাই মসলিন
  4. ঘ) রাজশাহী সিল্ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে এগারোটি পণ্য
সর্বশেষ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে -  ফজলি আম।
• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।

- এগারোতম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে ফজলি আম।
- বাংলাদেশে উৎপন্ন আমের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির আম হচ্ছে ফজলি। ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট, রাজশাহীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে এটি জিআই নিবন্ধন পায়।
- এই আম লম্বায় ১২ ও প্রস্থে ৫ সেন্টিমিটারের বেশি থাকে।  

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ: ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) ১৮ (ক) নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ২০ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদ : পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ : অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান
.
খাসিয়াদের গ্রাম প্রধানকে কী বলা হয়ে থাকে?
  1. ক) সিয়েম
  2. খ) মাঝি হারাম
  3. গ) রোয়াজা
  4. ঘ) মৌজা প্রধান
ব্যাখ্যা
- খাসিয়াদের গ্রাম প্রধান কে বলা হয় - সিয়েম
 -খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশের - এদের বসবাস - সিলেট, হবিগঞ্জ অঞ্চলে।

অন্যদিকে,
- মারমা গ্রামপ্রধান : রোয়াজা
- চাকমা গ্রামপ্রধান : কারবারি
- সাঁওতালদের গ্রাম প্রধান মাঝি হারাম ।
- ওঁরাও দের গ্রাম প্রধান কে বলা হয় মাহাতো।
- পার্বত্য অঞ্চলের সার্কেল প্রধানকে সার্কেল চীফ বলা হয় ।
- তিনটি অঞ্চল নিয়ে এই সার্কের প্রধান গঠন করা হয়।

সূত্র : Live MCQ Lecture এবং বাংলাপিডিয়া।
.
চলতি বাজেটে সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. ক) স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন
  2. খ) পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. গ) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  4. ঘ) জনপ্রশাসন
ব্যাখ্যা
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেট অনুসারে,
• ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে, উন্নয়ন বাজেটের আকার: ২,৫৯,৬১৭ কোটি টাকা। 
• বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) জনপ্রশাসন খাতে যা বাজেটের ১৯.৯%। যা টাকার অংকে দাঁড়ায় ১,৩৪,৬৭০ কোটি টাকা। 
• উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত হলো - পরিবহন ও যোগাযোগ। এর বরাদ্দের পরিমাণ ৭০,১৬১ কোটি টাকা যা উন্নয়ন বাজেটের ২৭.০%। 

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩।
.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম ‘আচিক কুসিক‘?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) গারো
  4. ঘ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
• গারো:
- বাসস্থান - ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল।
- সামাজিক সংঘঠন - গোত্র-চাচ্চি, উপগোত্র-মাহারী
- ভাষা - মান্দি-আচিক কুসিক, মান্দি কুসিক কথ্য ভাষা-আবেং, আত্তং, মেগাম
- ধর্ম - ধর্মান্তরিত খ্রীষ্টান, সাংসারেক ঐতিহ্যবাহী
- পরিবার - মাতৃতান্ত্রিক 
- সামাজিক উৎসব - ওয়ানগালা, আগাল মাককা।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
জাতিসংঘ কোন সময়কালকে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দশক' ঘোষণা করে?
  1. ক) ২০২১ থেকে ২০৩১
  2. খ) ২০২২ থেকে ২০৩২
  3. গ) ২০২৩ থেকে ২০৩৩
  4. ঘ) ২০২০ থেকে ২০৩০
ব্যাখ্যা
- ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' প্রজ্ঞাপন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন-২০১০ অনুযায়ী ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
- জাতিসংঘ ১৯৯৩ সালকে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে।
- ১৯৮২ সালের ৯ আগস্ট জাতিসংঘের আদিবাসী জনগোষ্ঠী বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- এই দিনকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ২০১৯ সালে জাতিসংঘ ২০২২ থেকে ২০৩২ সময়কালকে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দশক' ঘোষণা করে।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ১৪৪টি রাষ্ট্রের সমর্থন, ৪টি রাষ্ট্রের বিরোধিতা ও ১১টি রাষ্ট্রের ভোট প্রদানে অনুপস্থিতিতে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আদিবাসীদের কল্যাণার্থে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার নিমিত্তে The Declaration on the Rights of Indigenous Peoples (UNDRIP) অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে বীর বিক্রম খেতাব পাওয়া ইউ কে চিং কোন সম্প্রদায়ের?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) খিয়াং
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) বম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্যে উপজাতি সম্প্রদায় থেকে বীর বিক্রম খেতাব পাওয়া একমাত্র ব্যক্তি হলেন ইউকে চিং। 
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত।
 - তিনি বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন ইপিআর এর সদস্য হিসেবে ইউকে চিং ৮ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। 

সূত্র: বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
.
কখন আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে আশ্রয়ণ প্রকল্প শুরু করেন?
  1. ক) ১৯৯৬
  2. খ) ১৯৯৭
  3. গ) ১৯৯৮
  4. ঘ) ২০২১
ব্যাখ্যা
• আশ্রায়ন প্রকল্প:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন।
- ১৯৯৭ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে শুরু করেন আশ্রয়ণ প্রকল্প।
- ২৩ জানুয়ারি ২০২১ সালে প্রথম পর্যায়ে ৬৯ হাজার ৯০৪ পরিবারের মালিকানা স্বত্বসহ গৃহ প্ৰদান করা হয়।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ জুন, ২০২১ সালে ৫৩ হাজারের অধিক পরিবারকে অনুরূপভাবে গৃহ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) মৌলবী বাজার
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) বান্দারবান
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮। আর পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন৷
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর
মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে ৷
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।