পরীক্ষা আর্কাইভ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

পরীক্ষাখাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
ফুল মডেল টেস্ট - ১ খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক পদের জন্য প্রযোজ্য।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
'কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়'- 'কান্নায়' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. করণ কারকে ৭মী
  2. অধিকরণ কারকে ৭মী
  3. কর্ম কারকে ৭মী
  4. অপাদান কারকে ৭মী
ব্যাখ্যা

• ভাবাধিকরণ অধিকরণ কারক:
- যদি কোন ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য অন্য ক্রিয়ার কোনরূপ ভাবের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে, তবে তাকে ভাবাধিরকরণ বলে।
- ভাবাধিকরণে সর্বদাই সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ হয় বলে একে ভাবে সপ্তমী বলা হয়।
যেমন:
- সূর্যোদয়ে অন্ধকার দূরীভূত হয়।
- কান্নায় শোক মন্দীভূত হয়। (ভাবাধিকরণে ৭মী)।

আধারাধিকরণ:
- আধারাধিকরণ বা স্থানাধিকরণ কোন কোন স্থানকে বুঝায়। যেমন: তিলে তৈল আছে। ছেলেটি অঙ্কে কাচা। নদীতে পানি আছে।
এটি তিন ভাগে বিভক্ত। যথা : - ১. ঐকদেশিক, ২. অভিব্যাপক এবং ৩. বৈষয়িক।

কালাধিকরণ:
- যে কালে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কালাধিকরণ কারক বলে।
উদাহরণ-
ছেলেবেলায় আমি খুব দুষ্টু ছিলাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'দুশ্চরিত্র'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. দুশ্চ + চিত্র
  2. দুঃ + চরিত্র
  3. দু + চরিত্র
  4. দুঃ + চরিত
ব্যাখ্যা

• 'দুশ্চরিত্র'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ- 'দুঃ + চরিত্র'। 

• 'দুশ্চরিত্র'-এর সন্ধি বিচ্ছেদ এর নিয়ম:  
আগে বিসর্গ ও পরে চ্ বা ছ্ থাকলে বিসর্গ স্থানে শ্ হয়। শ্ পরের বর্ণে যুক্ত হয়।
যেমন:
- দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র,  
- নিঃ + চয় = নিশ্চয়,
- নিঃ + চল = নিশ্চল,
- নিঃ + চিহ্ন = নিশ্চিহ্ন,
- নিঃ + চুপ = নিশ্চুপ,
- দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা,
- দুঃ + চেষ্টা = দুশ্চেষ্টা,
- নভঃ + চর = নভশ্চর,
- মনঃ + চক্ষু = মনশ্চক্ষু,
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'সত্য > সত্যি’ কোন ধরনের ধ্বনির পরিবর্তন?
  1. অপিনিহিতি
  2. স্বরাগম
  3. অসমীকরণ
  4. স্বরসঙ্গতি
ব্যাখ্যা

• অন্ত্যস্বরাগম (Apothesis):
- কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে।
- এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম।
- যেমন: দিশ্ > দিশা, পোখত্ > পোক্ত, বেঞ্চ > বেঞ্চি, সত্য > সত্যি ইত্যাদি।

• অন্যদিকে:
• অপিনিহিতি (Apenthesis):
- পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
- যেমন: আজি > আইজ, সাধু > সাউধ, রাখিয়া > রাইখ্যা, বাক্য > বাইক্য, সত্য > সইত্য, চারি > চাইর, মারি > মাইর ইত্যাদি।

• অসমীকরণ (Dissimilation):
- একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ।
- যেমন: ধপ + ধপ > ধপাধপ, টপ + টপ > টপাটপ ইত্যাদি।

• স্বরসঙ্গতি (Vowel harmony):
- একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে।
-যেমন: দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলো ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'অপচয়' শব্দে 'অপ' কোন ধরনের উপসর্গ?
  1. খাঁটি বাংলা 
  2. আরবি 
  3. ফারসি
  4. তৎসম 
ব্যাখ্যা

• তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে। তৎসম উপসর্গ বিশটি।

যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

বিভিন্ন অর্থে 'অপ' তৎসম উপসর্গের ব্যবহার:
• বিপরীত অর্থে: অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ।
• নিকৃষ্ট অর্থে: অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
• স্থানান্তর অর্থে: অপসারণ, অপহরণ, অপনোধন।
• বিকৃত অর্থে: অপমৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
'চিরশত্রু' কোন সমাস?
  1. তৎপুরুষ সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস 
  3. দ্বিগু সমাস 
  4. বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি (কে, রে) ইত্যাদি লােপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত, বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন ।

• ব্যাপ্তি অর্থেও দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন : চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী। এরকম : গা-ঢাকা, রথদেখা, বীজবােনা, ভাঁতরাধা, ছেলে-ভুলানাে (ছড়া), নভেল-পড়া ইত্যাদি।

ব্যাসবাক্য - সমস্তপদ:
- চির কাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী। 
- চির কাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = চিরস্থায়ী।  
- চির কাল ব্যাপিয়া স্মরণীয় = চিরস্মরণীয়। 
- চির কাল ব্যাপিয়া শত্রু = চিরশত্রু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'Deed' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ- 
  1. খারাপ কাজ 
  2. অঙ্গীকার 
  3. দলিল 
  4. ঋণ
ব্যাখ্যা

• 'Deed' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- দলিল।

• গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পারিভাষিক শব্দ:
- Attested - প্রত্যায়িত,
- Blocade - অবরোধ,
- Bribe - উৎকোচ,
- Civil society - সুশীল সমাজ,
- Climax - মহামুহুর্ত,
- Executive - নির্বাহী,
- Excise duty - আবগারী শুল্ক,
- Epicurism - ভোগবাদ,
- Housing - আবাসন,
- Horizontal - অনুভূমিক,
- Hierarchy - আধিপত্য পরস্পরা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'কূপমণ্ডুক' বাগ্‌ধারা অর্থ -
  1. ভাবনাচিন্তাহীন
  2. তোষামোদকারী
  3. বিশিষ্ট ব্যক্তি
  4. সীমাবদ্ধ জ্ঞান
ব্যাখ্যা

• 'কূপমণ্ডুক' বাগ্‌ধারা অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।

অন্যদিকে,
- কেউকেটা - বিশিষ্ট ব্যক্তি। 
- খয়ের খাঁ - তোষামোদকারী। 
- খোদার খাসি - ভাবনাচিন্তাহীন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ,

.
'যা দমন করা কষ্টকর' এর এক কথায় প্রকাশ -
  1. দুর্দমনীয়
  2. দুর্নিবার
  3. অদম্য
  4. অদমনীয় 
ব্যাখ্যা

• 'যা দমন করা কষ্টকর' এক কথায় হবে- দুর্দমনীয়।

অন্যদিকে: 
- যা দমন করা যায় না = অদম্য।
- যা নিবারণ করা কষ্টকর = দুর্নিবার।
- দমন করা যায় না এমন = অদমনীয়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২)  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোনটি অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ?
  1. কুট কুট
  2. ঘর-টর
  3. খক খক
  4. ফটাফট
ব্যাখ্যা

• 'ঘর-টর' - অনুকার দ্বিত্বের উদাহরণ। 

অন্যদিকে, 
কুট কুট, খক খক, ফটাফট - ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ। 

• অনুকার দ্বিত্ব:
- পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে।
- এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
যেমন:
গুটিশুটি, মোটাসোটা, আম টাম, এলোমেলো ইত্যাদি। 

• ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
আর ধ্বন্যাত্মক শব্দের পনেরাবৃত্তিকে ধ্বান্যাত্মক দ্বিত বলে।
যেমন- কুটুস- কুটুস, কুট কুট, খক খক, খুটুর খুটুর, টুং টুং, জ্বলজ্বল, ঝমঝম, চকচক, টসটস।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১সংস্করণ)।

১০.
নিচের কোনটি সমুচ্চয়ী অব্যয়?
  1. মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ! 
  2. উচ্চপদ সামাজিক মর্যাদা সকলেই চায়।
  3. ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না।
  4. ঝম ঝম করে বৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যাখ্যা

• অনন্বয়ী অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
যেমন:  মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!

অন্যদিকে,
• অনুসর্গ/ পদান্বয়ী অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় শব্দ বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বিভক্তির ন্যায় বসে কারকবাচকতা প্রকাশ করে, তাদের অনুসর্গ অব্যয় বলে।
- যথা- ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না। (দিয়ে অনুসর্গ অব্যয়)।
- অনুসর্গ অব্যয় 'পদান্বয়ী অব্যয়' নামেও পরিচিত।

• সমুচ্চয়ী অব্যয়:
- যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায়, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধবাচক অব্যয় বলে।
যেমন: উচ্চপদ সামাজিক মর্যাদা সকলেই চায়।

• অনুকার অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে। 
যেমন- ঝম ঝম, গুড় গুড়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)

১১.
মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বিষাদ সিন্ধু' একটি-
  1. ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ 
  3. মহাকাব্য 
  4. আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা

 • ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাস:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্টিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।
- তন্মধ্যে 'মহরম পর্ব্বে' উপক্রমণিকা ও ছাব্বিশটি প্রবাহ, 'উদ্ধার পর্ব্বে' ত্রিশটি প্রবাহ, 'এজিদ-বধ পর্ব্বে' পাঁচটি প্রবাহ ও উপসংহার-অংশ রয়েছে।
- প্রথমত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত স্পর্শকাতর কাহিনি সাধারণ মুসলিম পাঠকের কাছে এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ।
- দ্বিতীয়ত 'বিষাদ-সিন্ধু'র জাদুকরী রচনাগুণের জন্যে সাহিত্যরসিকজনের কাছেও গ্রন্থটি আদরণীয়।
- জয়নাবের রূপে বিমোহিত এজিদ এবং এই রূপতৃষ্ণার পরিণামে বহু মানুষের বিপর্যয় ও ধ্বংসের যে কথকতা বর্ণিত হয়েছে তা গ্রন্থটিকে সর্বজনীন করে তুলেছে।
- 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকেই মীর মশাররফ হোসেন গ্রহণ করেছেন।


• মীর মশাররফ হোসেন:
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমিদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখিত প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
  1. জাহান্নম হতে বিদায়
  2. রাইফেল রোটি আওরাত
  3. হাঙ্গর নদী গ্রেনেড
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় 
ব্যাখ্যা

'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাস:
- আনোয়ার পাশা রচিত মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রথম উপন্যাস রাইফেল রোটি আওরাত।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাক সেনারা যে নজিরবিহীন গণহত্যা চালিয়েছিল, সে জঘন্য ঘটনার বিবরণ দিয়ে আনোয়ার পাশার ' রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩) উপন্যাসের সূচনা।
- এ উপন্যাসে ২৫ ও ২৬ মার্চের দুরাতের কাহিনি বিবৃত হলেও এর পশ্চাতে ছায়া ফেলেছে অনেক ঘটনা, অনেক ইতিহাস।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র সুদীপ্ত শাহীনকে মর্মমূলে স্থাপন করে ঔপন্যাসিক মূলত হানাদার বাহিনির বর্বরতার প্রচ্ছদপটকে প্রতিভাত করেছেন।
- এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস।
- এটি রচিত হয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১-এর মার্চ থেকে এপ্রিল মাসে।
-  উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৯৭৩ সাল

অন্যদিকে,
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জাহান্নম হইতে বিদায়'(১৯৭১)-এর রচয়িতা হলেন- শওকত ওসমান।
- সেলিনা হোসেন এর মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে রচিত উপন্যাস - হাঙর নদী গ্রেনেড (১৯৭৬)।
- ' 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'(১৯৭৫) সৈয়দ শামসুল রচিত মুক্তযুদ্ধের কাব্যনাটক।
- এটি রচিত হয়েছে ১৯৭৫ সালে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা

১৩.
What is the meaning of the idiom "Big bug"?
  1. Terrorist
  2. A large Bug
  3. Important Person
  4. A large insect
ব্যাখ্যা

Correct answer: Important Person.

Big bug
- English meaning: an important person or a person of consequence.
- Bangla meaning: গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রভাবশালী ব্যক্তি।

Example sentence:
1. He is a real big bug in the tech Industry.
2. Elon Musk is a big bug in the world.

Other options:

ক) Terrorist- সন্ত্রাসী, সন্ত্রাসবাদী।

খ) A large Bug- একটি বড় পোকা।

ঘ) A large insect- একটি বড় কীট বা পতঙ্গ।


Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

১৪.
Choose the correct spelling-
  1. Maintainance
  2. Maintenance
  3. Maintinance
  4. Maintenence
ব্যাখ্যা

Correct answer: maintenance.

Maintenance(noun)
- English meaning: the act of maintaining: the state of being maintained: support.
- Bangla meaning: রক্ষণাবেক্ষণ; ভরণপোষণ।

Example sentence:
1. He took a course to learn about car maintenance.
2. The building has suffered from years of poor maintenance. 

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

১৫.
The word 'Obese' is a synonym of-
  1. Obnoxious
  2. Very fat
  3. Skinny
  4. Tragic
ব্যাখ্যা

Correct answer: Very fat.

Obese(adjective)
- English meaning: having excessive body fat.
- Bangla meaning: ভীষণ মোটা।

Other options:
ক) Obnoxious
- English meaning: odiously or disgustingly objectionable: highly offensive.
- Bangla meaning: নোংরা; অত্যন্ত আপত্তিকর।

গ) Skinny
- English meaning: lacking sufficient flesh: very thin: emaciated.
- Bangla meaning: চর্মসার; হাড্ডিসার; কৃশকায়।


ঘ) Tragic
- English meaning: regrettably serious or unpleasant: deplorable, lamentable.
- Bangla meaning: করুণরসাত্মক; বিয়োগান্ত।


Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

১৬.
Which of the following is correct?
  1. I have gone to Sri Lanka a few days ago.
  2. I will go Sri Lanka a few days ago.
  3. I go to Sri Lanka a few days ago.
  4. I went to Sri Lanka a few days ago.
ব্যাখ্যা

Correct answer: I went to Sri Lanka a few days ago.
- Sentence টিতে সময় নির্দেশক শব্দ "ago" Past Indefinite Tense এর নিয়ম অনুসারে এখানে verb হিসেবে 'went' বসেছে।

• Past Indefinite Tense:
- অতীত কালে কোন কাজ ঘটেছিল এবং তার ফল এখন আর বর্তমান নেই এরূপ বুঝালে verb এর Past Indefinite Tense বা Simple Past Tense হয়।
- যখন sentence এ yesterday, ago, last night, last week, last month, that day, as soon as ইত্যাদি সময় নির্দেশক শব্দ থাকে, তখন সাধারণত verb এর Simple Past form ব্যবহার করা হয়।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
ক) I have gone to Sri Lanka a few days ago.
 - ভুল, Present Perfect কখনো নির্দিষ্ট অতীত সময় (yesterday, ago, last night, last week, last month, that day, as soon as)  এর সাথে ব্যবহার করা যায় না।

খ) I will go to Sri Lanka a few days ago.
- অতীত সময় নির্দেশক শব্দ (yesterday, ago, last night, last week, last month, that day, as soon as) এর সাথে Future Tense ব্যবহার করা যায় না।

গ) I go to Sri Lanka a few days ago.
- অতীত সময় নির্দেশক শব্দ (yesterday, ago, last night, last week, last month, that day, as soon as) এর সাথে Present tense এর ব্যবহার সঠিক নয়।

Source: Applied English Grammar and Composition, P. C. DAS.

১৭.
My teacher said, "He arrives on time and completes his work daily". Choose the correct indirect speech.
  1. My teacher said that he had arrived on time and completed his work daily.
  2. My teacher said that he arrived on time and completed his work daily.
  3. My teacher told that he arrived on time and completed his work daily.
  4. My teacher said that he had arrived on time and had completed his work daily.
ব্যাখ্যা

Correct answer: My teacher said that he arrived on time and completed his work daily.
-
Direct speech এ reported speech টি Present indefinite tense থাকলে তা indirect speech এ Past indefinite tense হয়।

• Direct speech থেকে Indirect Speech এ পরিবর্তনের নিয়ম:
- Reporting verb যদি Present বা Future tense-এ থাকে, তাহলে Reported Speech-এর tense-এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে যদি Reporting verb যদি Past tense-এ থাকে, তাহলে Reported Speech-এর Present indefinite tense Past indefinite tense-এ পরিবর্তিত হয়।
- Direct speech এ reported speech টি Present indefinite tense থাকলে তা indirect speech এ Past indefinite tense হয়।
- Subject + Reporting Verb টি বসে।
- Inverted comma উঠে গিয়ে that বসে।

Other options:
ক) My teacher said that he had arrived on time and completed his work daily.
- Direct speech এ reported speech টি Present indefinite tense থাকলে তা indirect speech এ Past indefinite tense হয়। তাই এটি সঠিক নয়।

গ) My teacher told that he arrived on time and completed his work daily.
- Reporting verb এ 'said to' থাকলে এর পরিবর্তে 'told' ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে 'said' থাকলে Indirect speech এ 'said' ব্যবহার করতে হয়। তাই এটি সঠিক নয়।

ঘ) My teacher said that he had arrived on time and had completed his work daily.
- Direct speech এ reported speech টি Present indefinite tense থাকলে তা Indirect speech এ Past indefinite tense হয়। তাই এটি সঠিক নয়।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৮.
Choose the correct sentence-
  1. No sooner had she finished her speech the lights went out.
  2. No sooner had she finished her speech than the lights went out.
  3. No sooner she had finished her speech than the lights went out.
  4. No sooner had she finished her speech then the lights went out.
ব্যাখ্যা

Correct answer: খ) No sooner had she finished her speech than the lights went out.

• কোন Sentence এ No sooner had.....than, Scarcely had.....when, Hardly had.....when থাকলে,
- প্রথম অংশ Past perfect tense অনুযায়ী হয়, অর্থাৎ verb-এর Past participle form হবে।
- দ্বিতীয় অংশ Past indefinite tense অনুযায়ী হয়, অর্থাৎ verb-এর Past form হয়।
- অর্থাৎ Structure টি দাঁড়ায়- No sooner had + Past Perfect + than + Simple Past.

Other option:
ক) No sooner had she finished her speech the lights went out.
- কোন Sentence "No sooner had' থাকলে পরের অংশে 'than' ব্যবহার করা হয়। তাই এটি সঠিক নয়।

গ) No sooner she had finished her speech than the lights went out.
- কোন Sentence "No sooner had' থাকলে subject টি এর পরে বসে।এখানে Subject "she" had এর পূর্বে বসায় এটি সঠিক নয়।

ঘ) No sooner had she finished her speech then the lights went out.
- কোন Sentence "No sooner had' থাকলে পরের অংশে 'than' ব্যবহার করা হয়।এখানে "then:" করা হয়েছে তাই এটি সঠিক নয়।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition By Chowdhury & Hossain.

১৯.
She was accustomed to _______ up early to exercise in the morning.
  1. wakes
  2. wake
  3. waking
  4. waked
ব্যাখ্যা

Complete sentence: She was accustomed to waking up early to exercise in the morning.
- প্রদত্ত বাক্যে "accustomed to" থাকায় এর পরবর্তী verb এর সাথে "ing" যুক্ত হবে।

• সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর Verb+ing হয়।
- শব্দগুচ্ছ সমূহ হলো: With a view to, With an eye to, Accustomed to, Adhere to, Adverse to, Addicted to, Committed  to, Confess to, Be used to, Get used to, Conducive to, Look forward to, Addicted to, ইত্যাদি।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২০.
He is named ________ his grandfather. (Fill in the gap with the correct preposition)
  1. about 
  2. according 
  3. after 
  4. to
ব্যাখ্যা

Complete sentence: He is named after his grandfather. 
-
দাদার নামে তার নামকরণ করা হয়েছে।

Named after 
- English meaning: to give someone or something the same name as another person or thing.
- Bangla meaning: নামানুযায়ী নাম দেত্তয়া।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

২১.
Which among the following is in plural form?
  1. Mouse
  2. Basis
  3. Datum
  4. Phenomena
ব্যাখ্যা

Correct answer: phenomena.

Phenomena (noun), (plural)
- এর singular form হলো "Phenomenon"
- English meaning: something extraordinary or surprising.
- Bangla meaning: অনন্যসাধারণ কিছু যা বিদ্যমান এবং ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য।  

Other options:
Singular Number→ Plural Number

ক) Mouse → Mice,

খ) Basis → Bases,

গ) Datum → Data.


Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২২.
The word "manifestation" means-
  1. Demonstration
  2. Corruption
  3. Contamination
  4. Imagination
ব্যাখ্যা

Correct answer: Demonstration.

• Manifestation(noun)
- English meaning: an event, action, or object that clearly shows or embodies something abstract or theoretical.
- Bangla meaning: স্পষ্টকরণ; প্রকাশ; স্পষ্টত প্রতীয়মান।

• Demonstration (noun)
- English meaning: ran act of showing that something exists or is true by giving proof or evidence.
- Bangla meaning: প্রতিপাদন; প্রমাণ; কার্যপ্রণালী প্রদর্শন।

 Other options:
খ) Corruption
- English meaning: dishonest or illegal behavior, especially by powerful people (such as government officials or police officers): depravity
- Bangla meaning: দুর্নীতি; পচন; দূষণ।

গ) Contamination
- English meaning: a process of contaminating: a state of being contaminated.
- Bangla meaning: দূষণ; দূষিতকরণ।

ঘ) Imagination
- English meaning: the act or power of forming a mental image of something not present to the senses or never before wholly perceived in reality.
- Bangla meaning: কল্পনা; কল্পনাশক্তি।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

২৩.
Everybody wants to rule the world. (make it interrogative)
  1. Who doesn't want to rule the world?
  2. Who wants to rule the world?
  3. Who do not wants rule the world?
  4. Who doesn't but want to rule the world?
ব্যাখ্যা

Correct answer: Who doesn't want to rule the world?
- Everybody/Everyone/All যুক্ত Assertive sentence কে Interrogative করার সময় প্রথমে এদের পরিবর্তে Who+ Subject and tense অনুযায়ী don’t/ didn’t/ doesn’t বসিয়ে Interrogative করতে হয়।

• Everybody/Everyone/All যুক্ত Assertive sentence কে Interrogative করার নিয়ম:
- প্রথমে এদের পরিবর্তে who বসে + don't/doesn't / didn't বসে।
- মূল Verb এর Present form বসে।
- মূল Verb এর পরের অংশ বসে + প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২৪.
Who among the following is called "Bard of Avon"?
  1. William Wordsworth
  2. Lord Byron
  3. William Shakespeare
  4. John Keats
ব্যাখ্যা

Correct answer: William Shakespeare.

William Shakespeare:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন 23rd April, 1564.
- তাঁর জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাঁকে English national poet বলা হয়।
- He was called 'Bard of Avon' or 'Swan of Avon'.
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- তিনি 154 টি সনেট, 37 টি play লিখেন।
- 1616 সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Notable works of Shakespeare :
Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

২৫.
Choose the correct sentence-
  1. If we had left earlier, we would have arrived on time. 
  2. If I won a lottery, I would buy a big house.
  3. If it rains, we won't go to the park.
  4. All of the above.
ব্যাখ্যা

Correct answer: All of the above.

উল্লিখিত অপশনগুলো
ক) If we had left earlier, we would have arrived on time. 
- Conditional sentence টি Third condition এর নিয়ম অনুসারে সঠিক। কারণ 3rd condition এর নিয়ম অনুসারে If যুক্ত Clause টি Past Perfect tense হলে অপর Clause টিতে would have/Could have+ verb এর past participle হয়।

খ) If I won a lottery, I would buy a big house.
- Conditional sentence টি 2nd condition এর নিয়ম অনুসারে সঠিক। কারণ 2nd condition এর নিয়ম অনুসারে If যুক্ত Clause টি Past Indefinite tense হলে অপর Clause টিতে would /Could + verb এর Present form হয়।

ঘ) If it rains, we won't go to the park.
- Conditional sentence টি 1st condition এর নিয়ম অনুসারে সঠিক। কারণ 1st condition এর নিয়ম অনুসারে If যুক্ত Clause টি Present Indefinite tense হলে অপর Clause টিতে will/can/may/shall + verb এর Present form হয়।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition

২৬.
√১৪৪ + √১৬৯ - √২৫৬ = ?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ৯ 
  4. ১৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: √১৪৪ + √১৬৯ - √২৫৬ = ?

সমাধান: 
প্রদত্ত রাশি, 
√১৪৪ + √১৬৯ - √২৫৬
= ১২ + ১৩ - ১৬
= ২৫ - ১৬ 
= ৯  

২৭.
করিম সাহেব ১০% লাভে বিক্রি করার পরিবর্তে ১০% ক্ষতিতে বিক্রি করলে ৪৮ টাকা কম পায়। তার ক্রয়মূল্য কত?
  1. ২৪০ টাকা
  2. ২৫০ টাকা
  3. ৩২০ টাকা
  4. ৪৮০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: করিম সাহেব ১০% লাভে বিক্রি করার পরিবর্তে ১০% ক্ষতিতে বিক্রি করলে ৪৮ টাকা কম পায়। তার ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
ধরি,
ক্রয়মূল্য = ক টাকা  

১০% লাভে বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্য = ক × (১১০/১০০) = ১১০ক/১০০  
১০% ক্ষতিতে বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্য = ক × (৯০/১০০) = ৯০ক/১০০   

যেহেতু দুটি বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৪৮ টাকা কম পাওয়া গেছে।  

∴ (১১০ক/১০০) - (৯০ক/১০০) = ৪৮  
⇒ (১১০ক - ৯০ক)/১০০ = ৪৮  
⇒ ২০ক/১০০ = ৪৮
⇒ ক/৫ = ৪৮ 
⇒ ক = ৪৮ × ৫
∴ ক = ২৪০ টাকা

∴ তার ক্রয়মূল্য  ২৪০ টাকা। 

২৮.
একটি রাস্তার পাশে এক সারিতে ৫৫টি গাছ লাগানো আছে। একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব ১০ মিটার হলে প্রথম ও শেষ গাছ দুটির মধ্যে দূরত্ব কত?
  1. ৫৫০ মিটার
  2. ৫৪০ মিটার
  3. ৫২০ মিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রাস্তার পাশে এক সারিতে ৫৫টি গাছ লাগানো আছে। একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের দূরত্ব ১০ মিটার হলে প্রথম ও শেষ গাছ দুটির মধ্যে দূরত্ব কত?

সমাধান:
মোট গাছ = ৫৫টি
প্রতি দুটি গাছের মধ্যে দূরত্ব = ১০ মিটার
প্রথম গাছ থেকে শেষ গাছ পর্যন্ত মোট ফাঁক আছে = (৫৫ - ১) = ৫৪টি

∴ প্রথম ও শেষ গাছের মধ্যে দূরত্ব = ৫৪ × ১০ মিটার = ৫৪০ মিটার

২৯.
ক ও খ এর বেতনের অনুপাত ৭ : ৫। ক, খ অপেক্ষায় ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে খ এর বেতন কত?
  1. ১২৫০ টাকা
  2. ৯০০ টাকা
  3. ১৬০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক ও খ এর বেতনের অনুপাত ৭ : ৫। ক, খ অপেক্ষায় ৪০০ টাকা বেশি বেতন পেলে খ এর বেতন কত? 

সমাধান:
ধরি, ক-এর বেতন = ৭x
এবং খ-এর বেতন = ৫x

প্রশ্নানুসারে, ক খ-এর চেয়ে ৪০০ টাকা বেশি পায়।
∴ ৭x - ৫x = ৪০০
⇒ ২x = ৪০০ 
⇒ x = ২০০

সুতরাং খ-এর বেতন = ৫x = ৫ × ২০০ = ১০০০ টাকা

৩০.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়? 
  1. ক্যালসিয়াম 
  2. ফসফরাস 
  3. নাইট্রোজেন
  4. পটাশিয়াম 
ব্যাখ্যা

• বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে নাইট্রোজেন নামক খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়।
- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ। 
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 
 - বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট।
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে। 
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়। 
- গাছপালা তখন মাটি থেকে 'নাইট্রোজেন' শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে। 
- যেহেতু এটি ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; cals.arizona.edu। 

৩১.
a - b = 8 এবং ab = 10 হলে a2 + b2 + 3ab = ?
  1. 96
  2. 114
  3. 54
  4. 64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a - b = 8 এবং ab = 10 হলে a2 + b2 + 3ab = ?

সমাধান: 
দেওয়া আছে
a - b = 8
এবং ab = 10

প্রদত্ত রাশি, 
a2 + b2 + 3ab
= (a - b)2 + 2ab + 3ab.   ; [a2 + b2 = (a - b)2 + 2ab ]
= (a - b)2 + 5ab
= 82 + 5 . 10
= 64 + 50
= 114

৩২.
রক্তে লোহিত কণিকা তৈরি হয়?
  1. যকৃত 
  2. তরুণাস্থি 
  3. হৃদপিণ্ড
  4. অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

• লোহিত রক্তকণিকা (RBC) লোহিত অস্থিমজ্জা-তে তৈরি হয়।
- অস্থিমজ্জা হলো হাড়ের ভেতরের নরম টিস্যু, যা থেকে স্টেম সেলের মাধ্যমে রক্তকণিকা উৎপন্ন হয়।
- লোহিত কণিকার উৎপাদন প্রক্রিয়াকে এরিথ্রোপোয়েসিস বলা হয় এবং এর জন্য এরিথ্রোপোয়েটিন নামক হরমোনের প্রয়োজন হয়।  

লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন। 
লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। 
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩.
১৮০ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণ কত ডিগ্রি?
  1. ৪৫°
  2. ৯০°
  3. ১৮০°
  4.  ০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৮০ ডিগ্রি কোণের সম্পূরক কোণ কত ডিগ্রি? 

সমাধান: 
সম্পূরক কোণ: দুটি কোণের সমষ্টি ১৮০° হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলা হয়।
যেমন, ১১০° কোণের সম্পূরক কোণ হলো  ৭০° , কারণ ১১০° + ৭০° = ১৮০°

অতএব, যদি একটি কোণ ১৮০° হয়, তাহলে তার সম্পূরক কোণ = ১৮০° - ১৮০° = ০°

৩৪.
প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর জন্মগ্রহণ করা পাঁচটি শিশুর বয়সের সমষ্টি ৮০ বছর। কণিষ্ঠ শিশুটির বয়স কত বছর?
  1. ১১ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর জন্মগ্রহণ করা পাঁচটি শিশুর বয়সের সমষ্টি ৮০ বছর। কণিষ্ঠ শিশুটির বয়স কত বছর?

সমাধান:
কণিষ্ঠ শিশুটির বয়স = ক বছর

প্রশ্নমতে
ক + (ক + ৪) + (ক + ৮) + (ক + ১২) + (ক + ১৬) = ৮০
⇒ ৫ক + ৪০ = ৮০
⇒ ৫ক = ৮০ - ৪০
⇒ ৫ক = ৪০
⇒ ক = ৪০/৫
∴ ক = ৮ 

সুতরাং, কণিষ্ঠ শিশুটির বয়স ৮ বছর।

৩৫.
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. ট্রান্সফরমার
  2. রেজিস্টর
  3. ট্রানজিস্টর
  4. রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এ ক্রিয়া সম্পাদন করা হয় তাকে বলা হয় একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier)। 
- অর্থাৎ, এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে- রেকটিফায়ার। 
- একমুখীকারক দুই প্রকার। 
যথা- (ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 
 
ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 
 
উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন। 
৩। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
ax + by = a - b এবং bx - ay = a + b হলে, x মান কত?
  1. 1
  2. - 2
  3. ab
  4. b - a
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ax + by = a - b এবং bx - ay = a + b হলে, x মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
ax + by = a - b ......(1)
bx - ay = a + b .........(2)

এখন, (1) কে a দিয়ে এবং (2) কে b দিয়ে গুণ করে যোগ করি, 
a2x + aby = a2 - ab
b2x - aby = ab + b2
__________________
⇒ a2x + b2x = a2 + b2
⇒ x(a2 + b2) = a2 + b2
⇒ x = (a2 + b2)/(a2 + b2)
∴ x = 1

৩৭.
একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 6√2 একক হলে, ঐ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?
  1. 72 বর্গমিটার
  2. 18√2 বর্গমিটার
  3. 36 বর্গমিটার
  4. 72√2 বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 6√2 একক হলে, ঐ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক? 

সমাধান:
মনেকরি  
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক 
 কর্ণের দৈর্ঘ্য = √2ক একক

শর্তমতে,
√2ক = 6√2
⇒ ক = 6√2/√2
∴ ক = 6

বর্গক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল = ক2
= 62
= 36 বর্গমিটার

৩৮.
সুদের হার ৬% থেকে কমে ৪% হওয়ায় ব্যক্তির আয় ২০ টাকা কমে গেল। আসলের পরিমাণ কত?
  1. ১২৬০ টাকা
  2. ৮২০ টাকা
  3. ১১০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সুদের হার ৬% থেকে কমে ৪% হওয়ায় ব্যক্তির আয় ২০ টাকা কমে গেল। আসলের পরিমাণ কত? 

সমাধান:
সুদের হার কমেছে = ৬% - ৪% = ২%
২% কমালে হয় = ২০ টাকা
∴ ১% কমালে হয় = ২০/২ = ১০ টাকা
∴ ১০০% কমালে হয় = ১০ × ১০০ = ১০০০ টাকা

সুতরাং, আসল ১০০০ টাকা।

৩৯.
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিধ্বনির মধ্যে সময় ব্যবধান ন্যূনতম কত হতে হবে? 
  1. ০.৩ সেকেন্ড
  2. ০.১ সেকেন্ড
  3. ১.১ সেকেন্ড
  4. ১.০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

• শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং, প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে।
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- ০°C বা ২৭৩K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি ৩৩২ms-1
- ০°C বা ২৭৩ K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব ০.৩ m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো- শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m (০°C বা ২৭৩ K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
বাংলাদেশ কত তারিখে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ১৫ জুন, ১৯৭২
  2. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৫ এপ্রিল, ১৯৭৩
  4. ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

FAO:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কুইবেক, কানাডা।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ/Dr. Qu Dongyu (চীনের নাগরিক)।

⇒ জাতিসংঘের অন্যতম মূলসংস্থা ECOSOC-এর তত্ত্বাবধানে ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এই সংস্থা গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে - বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা নির্মুল করা এবং সবাইকে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
-  FAO প্রতিষ্ঠার তারিখ হিসেবে ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।

৪১.
এল-ফাশের শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. সুদান
  3. ইথিওপিয়া
  4. লিবিয়া
ব্যাখ্যা

এল-ফাশের শহর:
- এল-ফাশের শহরটি সুদান-এ অবস্থিত।
- এটি উত্তর দারফুর অঞ্চলের রাজধানী।

⇒ সুদান:
- সুদান উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার দেশ এবং আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশগুলোর একটি।
- এর উত্তরে মিশর, পশ্চিমে চাদ ও লিবিয়া, দক্ষিণে দক্ষিণ সুদান, পূর্বে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে ইরিত্রিয়া ও ইথিওপিয়ার সীমান্তবর্তী।
- রাজধানী: খার্তুম।
- ভাষা: আরবি ও ইংরেজি।
- মুদ্রা: সুদানিজ পাউন্ড।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে দেশটি গৃহযুদ্ধে লিপ্ত, যার কারণ দেশটির সেনাবাহিনী (SAF) এবং আধা-সামরিক বাহিনী (RSF) এর মধ্যে ক্ষমতা ও সম্পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব। 

উৎস: Britannica.

৪২.
সম্প্রতি ব্রাজিলের বেলেম শহরে কততম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ২৯তম
  2. ৩০তম
  3. ৩১তম
  4. ৩৩তম
ব্যাখ্যা

৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30):
- সম্প্রতি ব্রাজিলের বেলেম শহরে ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

⇒ কপ- ৩০ জলবায়ু সম্মেলন ১০ - ২১ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ব্রাজিলের আমাজনের রেইনফরেস্ট এলাকায় বেলেমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
-  কপ৩০-এর মূল লক্ষ্য ছিল গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ রোধ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের বিদ্যমান কাঠামোকে শক্তিশালী করা।
- এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন ব্রাজিলীয় কূটনীতিক আন্দ্রে কোরেয়া দো লাগো।
- জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে স্পষ্ট রূপরেখা না থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তহবিল বাড়ানোর ঘোষণা কপ৩০–এর সবচেয়ে বড় অর্জন। জলবায়ু সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তা ধনী দেশগুলোকে ২০৩৫ সালের মধ্যে তিন গুণ বাড়াতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৪৩.
ভিয়েতনামের বিভাজনের সময় কোন অক্ষরেখা সীমারেখা হিসেবে নির্ধারিত হয়?
  1. ১৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ
  2. ১৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ
  3. ৩৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

ভিয়েতনাম:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ ভিয়েতনাম।
- দেশটিতে একদলীয় সমাজতান্ত্রিক শাসন বিদ্যমান।
- ১৯৭৫ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনাম দখল করে সমাজতান্ত্রিক উত্তর ভিয়েতনাম।
- এর মাধ্যমে একক সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ দেশটি। 
- রাষ্ট্রীয় নাম: সোশালিস্ট রিপাবলিক অব ভিয়েতনাম।
- রাজধানী: হ্যানয়। 
- বৃহত্তম নগরী: হো চি মিন শহর।
- ভাষা: ভিয়েতনামিজ।
- মুদ্রা: ভিয়েতনামি ডং। 

উল্লেখ্য,
- ভিয়েতনামের বিভাজনের সময় ১৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ (17th parallel north) উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের মধ্যে সীমারেখা হিসেবে নির্ধারিত হয়েছিল।
- ১৯৫৪ সালের জেনেভা চুক্তির মাধ্যমে এই বিভাজনটি একটি অস্থায়ী সামরিক সীমানা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- পরবর্তীতে এই ১৭তম সমান্তরালটিই অসামরিকীকৃত অঞ্চল (Demilitarized Zone বা DMZ) বা ডিমিলিটারাইজড জোনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। 

উৎস: Britannica.

৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন -
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. মমিনুল হক
  3. তামিম ইকবাল
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। 

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। 
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো।

৪৫.
সিপাহী বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৮৫৭ সালে
  3. ১৭৮৯ সালে
  4. ১৮৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়। 

সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ এ সংগ্রামের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
পরোক্ষ কারণ:
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।

প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়।
- এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো।
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে।
- এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
কোন দুইটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে হিমালয় পর্বতমালার উৎপত্তি ঘটেছে?
  1. আফ্রিকান প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেট
  2. ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
  3. অস্ট্রেলিয়ান প্লেট ও এন্টার্কটিক প্লেট
  4. উত্তর আমেরিকান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

মাউন্ট এভারেস্ট ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর অবস্থিত।

এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান প্লেট (বা ইন্ডিয়ান প্লেট) ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়া অন্তর্ভুক্ত করে। এটি উত্তর দিকে চলমান হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সাথে সংঘর্ষ করে, যা হিমালয় গঠনের প্রধান কারণ।
- আফ্রিকান প্লেট ইউরেশিয়ানের সাথে সংঘর্ষ করে মরক্কো থেকে ইউরোপীয় পর্বত গঠন করে, কিন্তু হিমালয়ের জন্য নয়।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।

৪৭.
ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. যুগোস্লাভিয়া
  2. তুরস্ক
  3. আলজেরিয়া
  4. মিশর
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- দাপ্তরিকভাবে ন্যাটো গঠনের উদ্দেশ্য হচ্ছে "উত্তর আটল্যান্টিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ" নিশ্চিত করে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর 'স্বাধীনতা, অভিন্ন ঐতিহ্য এবং সভ্যতার' রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করা। চুক্তি অনুযায়ী, ন্যাটো ভুক্ত যে কোনো দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটি জোটভুক্ত সব দেশের উপর হামলা বলেই গণ্য হবে এবং সব দেশ একে অন্যের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

উল্লেখ্য,
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।


উৎস: NATO ওয়েবসাইট।