পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৫: সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ৫ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: বৈশ্বিক ইতিহাস (যুদ্ধ-বিগ্রহ, সভ্যতা, বিপ্লব ইত্যাদি), জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা ও চুক্তি। উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস, বাংলাপিডিয়া, বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
কোথায় প্রথম সিন্ধু সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়?
  1. সিন্ধু
  2. পাঞ্জাব
  3. বিহার
  4. হরিয়ানা
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু সভ্যতা ছিল ভারতের উপমহাদেশের প্রথম নগরসভ্যতা।
- এই সভ্যতার মূল সময়কাল ছিল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ থেকে ১৭০০ সাল পর্যন্ত।
- বিশ্বের তিনটি প্রাচীনতম সভ্যতার মধ্যে (অন্য দুটি হলো মেসোপটেমিয়া ও মিশর), সিন্ধু সভ্যতাই ছিল আয়তনে সবচেয়ে বিস্তৃত।
- প্রথমবার ১৯২১ সালে হরপ্পা (বর্তমানে পাকিস্তানের পাঞ্জাব) এবং ১৯২২ সালে মোহেনজো-দাড়ো (বর্তমানে পাকিস্তানের সিন্ধু) শহরে এই সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।
- ১৯৮০ সালে মোহেনজো-দাড়োকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা গড়ে তুলেছিল দ্রাবিড় জাতি।
- সিন্ধু সভ্যতা দুটি বড় শহর হরপ্পা এবং মহেঞ্জোদারো এবং ১০০ টিরও বেশি শহর ও গ্রাম নিয়ে গঠিত বলে জানা যায়।
- সিন্ধু সভ্যতা ছিল বিশ্বের প্রথম নগরসভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- উন্নত নগর ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও বাণিজ্যের সমৃদ্ধি, এবং সাংস্কৃতিক উন্নতির জন্য এটি ইতিহাসে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু হয় কোন সভ্যতায়?
  1. মিশরীয় সভ্যতায়
  2. ক্যালডীয়রা সভ্যতায়
  3. সুমেরীয়রা সভ্যতায়
  4. ব্যবিলনীয়রা সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা ( Sumerian Civilization):
- সুমের ছিল মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ অংশে, বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) মধ্যবর্তী উর্বর অঞ্চল।
- এটি ছিল মেসোপটেমিয়ার প্রাচীনতম সভ্যতা।
- ৪৫০০-৪০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে, উবাইদীয় (Ubaidians) জাতির মানুষ এখানে প্রথম বসতি স্থাপন করে।
- ৩৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সুমেরীয়রা এ অঞ্চলে আসে এবং তাদের ভাষা প্রধান ভাষা হয়ে ওঠে।
- তৃতীয় সহস্রাব্দে, এখানে অন্তত ১২টি শহর-রাষ্ট্র গড়ে ওঠে, যেমন:কিশ, উরুক, উর, সিপ্পার, লাগাশ, লারসা ইত্যাদি।
- প্রতিটি শহর-রাষ্ট্রে ছিল একটি প্রধান দেবতার মন্দির এবং আশেপাশে গ্রাম ও চাষের জমি।

সুমেরীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান:
- প্রযুক্তি ও যানবাহন: প্রথমবারের মতো দুই চাকার রথ (Chariot) ব্যবহারের প্রচলন ঘটে।
- সেচ ব্যবস্থা: টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর পানি ব্যবহার করে উন্নত সেচ ব্যবস্থা তৈরি করে কৃষির উন্নতি সাধন করা হয়।
- লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার: সুমেরীয়রা “কিউনিফর্ম” (Cuneiform) নামক লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবন করে।
- এই লিপি বাম থেকে ডান দিকে লেখা হত এবং এর বর্ণ সংখ্যা ছিল ৩২টি।
- সাহিত্য ও ধর্ম: বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেন।
- বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল, তাদের প্রধান দেবতা ছিল 'নাগাল'।
- গণিত ও সময় গণনা: জলঘড়ি ও চন্দ্র পঞ্জিকা আবিষ্কারেও সুমেরীয়রা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
- রাজা উর-নাম্মু (Ur-Nammu) প্রথম লিখিত আইন সংকলন তৈরি করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে মানব সভ্যতায় ফিনিশীয়দের অবদান কী?
  1. মানচিত্র
  2. চন্দ্র পঞ্জিকা
  3. স্থাপত্য
  4. বর্ণমালা
ব্যাখ্যা
→ ফিনিশীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল বর্ণমালার উদ্ভাবন।

ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ফিনিশীয় সভ্যতা ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে, বর্তমান লেবানন, সিরিয়া ও ইসরায়েলের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।
- ফিনিশীয়দের সামনে ছিল সাগর এবং পেছনে ছিল পাহাড়, যা তাদের বাণিজ্যিক জীবনে বড় ভূমিকা রেখেছিল।
বিশ্বব্যাপী পরিচিতি:
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের বিশেষ পরিচয় ছিল শ্রেষ্ঠ নাবিক এবং জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
বাণিজ্যিক সভ্যতার বিকাশ:
- ফিনিশীয়রা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে, যা তাদেরকে ঐতিহাসিক গুরুত্ব দেয়।
রাতের জাহাজ চালনা:
- ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে তারা দেখে জাহাজ চালাত, যার ফলে ধ্রুবতারাকে অনেকেই ফিনিশীয় তারা হিসেবে চিহ্নিত করে।
বর্ণমালার উদ্ভাবন:
- সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের অন্যতম বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন, যেখানে তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণ তৈরি করেছিল।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
ডোমিনো তত্ত্ব (domino theory) কী?
  1. একটি সামরিক কৌশল
  2. একটি অর্থনৈতিক তত্ত্ব
  3. একটি পরিবেশগত তত্ত্ব
  4. কমিউনিজমের বিস্তার সম্পর্কিত মার্কিন ধারণা
ব্যাখ্যা
→ ডোমিনো তত্ত্ব (Domino theory) হল কমিউনিজমের বিস্তার সম্পর্কিত মার্কিন ধারণা।

ডোমিনো তত্ত্ব (Domino theory):
- ডোমিনো তত্ত্ব মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল ছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গৃহীত হয়। এটি স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী, যদি কোনো অ-কমিউনিস্ট রাষ্ট্র সমাজতন্ত্রের অধীনে চলে যায়, তবে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিও একে একে একই পরিণতির শিকার হবে, অর্থাৎ কমিউনিজম ছড়িয়ে পড়বে।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করার সময় ডোমিনো তত্ত্ব ব্যাখ্যা করেন।
- প্রথমদিকে, প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৯৪০-এর দশকে গ্রিস ও তুরস্ককে সামরিক সহায়তা পাঠানোর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে এই তত্ত্ব ব্যবহার করেন।
- তবে এটি জনপ্রিয়তা পায় ১৯৫০-এর দশকে, যখন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষত দক্ষিণ ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসের ক্ষেত্রে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করেন।
- ডোমিনো তত্ত্বের ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপ বাড়ায়।
- প্রেসিডেন্ট কেনেডি ও জনসন প্রশাসন এই তত্ত্বকে ভিত্তি করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে।
- মার্কিন সরকার আশঙ্কা করেছিল, দক্ষিণ ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট হলে লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, বার্মা ও ভারতেও এর প্রভাব পড়বে।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্র ঠেকাতে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায়।
- ১৯৭৫ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর দক্ষিণ ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট হলেও প্রতিবেশী দেশগুলোতে তত্ত্বটি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।
- স্নায়ুযুদ্ধের শেষদিকে ডোমিনো তত্ত্বের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান এবং ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ কেন্দ্রীয় শক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. জাপান
  2. তুরস্ক
  3. ইতালি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ।
- এই যুদ্ধে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।
- যুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল দুটি পক্ষ— 
১. কেন্দ্রীয় শক্তি: মূলত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্ক।
২. মিত্রশক্তি: মূলত ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং ১৯১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই যুদ্ধ কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ২০শ শতকের ভূরাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
- এই যুদ্ধের ফলে চারটি বিশাল সাম্রাজ্যের পতন ঘটে—
১. জার্মান সাম্রাজ্য
২. রাশিয়ান সাম্রাজ্য
৩. অটোমান সাম্রাজ্য
৪. অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান কখন নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়?
  1. ১০০ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৩০০ খ্রিস্টপূর্ব
  3. ৬০০ খ্রিস্টপূর্ব
  4. ১২০০ খ্রিস্টপূর্ব
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান:
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম বলে পরিচিত।
- এটি আজকের ইরাকের ব্যাবিলনে অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- ব্যাবিলনের রাজা নেবুচাদনেজার তার স্ত্রী সেমিরামিসের জন্য এই উদ্যান নির্মাণ করেছিলেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকরা ধারণা করেন, উদ্যানটি খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল।
- জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক রবার্ট কোলদেভে এই কিংবদন্তির উদ্যান খুঁজতে অভিযান চালান।
- ১৮৯৯ সালে তিনি ব্যাবিলনে খননকাজ শুরু করেন, যা বর্তমান ইরাকে অবস্থিত।
- সেখানে তিনি একটি অনন্য খিলানযুক্ত স্থাপনা আবিষ্কার করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] 
.
ট্রোজান যুদ্ধ কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. গ্রিক ও রোমান
  2. পারস্য ও ট্রোজান
  3. গ্রিক ও ট্রোজান
  4. রোমান ও ট্রোজান
ব্যাখ্যা
ট্রোজান যুদ্ধ:
- ট্রোজান যুদ্ধ ছিল গ্রীক ও ট্রয় শহরের রক্ষকদের মধ্যে এক ঐতিহাসিক যুদ্ধ।
- ট্রোজান যুদ্ধ গ্রিক ও ট্রোজানদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল
- এটি আনাতোলিয়ায় (আজকের তুরস্ক) ব্রোঞ্জ যুগের শেষের দিকে সংঘটিত হয়েছিল।
- যুদ্ধের কাহিনী গ্রীক সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে এবং হাজার বছর ধরে মানুষের কল্পনাকে আকৃষ্ট করেছে।
- এই যুদ্ধের প্রধান উৎস হলো হোমারের ইলিয়াড, যা ৮ম শতাব্দী খ্রিষ্টপূর্বে রচিত।
- গ্রীকরা বিশ্বাস করত যে যুদ্ধটি ১৩শ শতাব্দী খ্রিষ্টপূর্বে ঘটেছিল।
- ট্রোজান যুদ্ধের মূল কারণ ছিল হেলেনকে ফিরিয়ে আনার জন্য গ্রীকদের অভিযানে যাওয়া।
- হেলেন, স্পার্টার রাজা মেনেলাউসের স্ত্রী, যাকে ট্রোজান রাজপুত্র পারিস অপহরণ করেছিল।
- গ্রীকরা হেলেনকে ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রোজানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল।
- গ্রীক বাহিনী নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাইসেনের রাজা আগামেমনন।
- ট্রোজান সেনাবাহিনী নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাজা প্রিয়াম।

তথ্যসূত্র: worldhistory.org ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের D-Day অভিযানে কোন তিনটি দেশ প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স
  2. জার্মানি, ইতালি, জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন
ব্যাখ্যা
→ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের D-Day অভিযানে  যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা এই তিনটি দেশ প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।

D-Day:
- D-Day ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন, যা ৬ জুন ১৯৪৪ সালে ঘটেছিল।
- এই দিনে মিত্রবাহিনী (যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা) ফ্রান্সের নরম্যান্ডি সৈকতে জার্মান বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়।
- অপারেশন ওভারলর্ড নামে পরিচিত এই অভিযানে প্রায় ১,৩৫,০০০ সৈন্য অংশ নেয়।
- মিত্রবাহিনী এমন একটি জায়গা খুঁজছিল, যেখানে সমুদ্রপথ ছোট, বিমান সহায়তা সম্ভব, এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর থাকবে। তাই তারা নরম্যান্ডি নির্বাচন করে।
- জার্মানি "অ্যাটলান্টিক ওয়াল" নামে এক বিশাল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল, যাতে বাঙ্কার, কামান ও পর্যবেক্ষণ পোস্ট ছিল।
- এই যুদ্ধের ফলে মিত্রবাহিনী ইউরোপে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়, যা জার্মানির পরাজয়ের শুরু ঘটায়।

তথ্যসূত্র: worldhistory.org ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
জাতিসংঘের UNFCCC চুক্তির প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
  2. নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার ঘটানো।
  3. জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা কমানো।
  4. বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
ব্যাখ্যা
UNFCCC(United Nations Framework Convention on Climate Change):
- UNFCCC হলো জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- এটি ১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত আর্থ সামিটে স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- মূল লক্ষ্য: বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার স্থিতিশীল রাখা, যাতে এটি জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক না হয়।
- বর্তমানে UNFCCC-এর সদস্য সংখ্যা ১৯৮টি।
- এর সদর দপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালে চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৪ সালে অনুমোদন করে।

অর্থাৎ UNFCCC-এর মূল লক্ষ্য:
- বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার স্থিতিশীল রাখা, যাতে এটি জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক না হয়।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১০.
জাপানের হিরোসিমা ও নাগাসাকি পরমাণু বোমার শিকার হয়েও যারা বেঁচে গিয়েছিলেন তারা কোন নামে পরিচিত?
  1. শিন্তো
  2. হিবাকুশা
  3. রিউকিউ
  4. নিপ্পন-কোকু
ব্যাখ্যা
হিরোসিমা-নাগাসাকি ট্র্যাজেডি: 
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমা ও ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে নিউক্লীয় বোমা ফেলা হয়।
- হিরোশিমায় ১ লাখ ৪০ হাজার ও নাগাসাকিতে ৭৪ হাজার মানুষ মারা যায়।
- বেঁচে থাকা মানুষদের "হিবাকুশা" বলা হয়, যার অর্থ "বিস্ফোরণের দ্বারা আক্রান্ত জনগণ"।
- ১৪ আগস্ট, জাপান আত্মসমর্পণ করে, যার ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। 

উল্লেখ্য,
- জাপানের প্রধান ধর্ম শিন্তো এবং রাষ্ট্রের নাম ছিল "দাই নিপ্পন তেইকোকু"।
- রিউকিউ জাপানের অধীন একটি দ্বীপপুঞ্জ।

তথ্যসূত্র: - বিবিসি নিউজ ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১১.
কোন সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি গৃহীত হয়েছিল?
  1. COP-15
  2. COP-21
  3. COP-27
  4. COP-29
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে ২১তম UNFCC Conference of Parties (COP-21) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি এই সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর প্যারিস জলবায়ু চুক্তি কার্যকর হয়।
- এই সম্মেলনে ১৯৬টি দেশ ও সংস্থা অংশ নেয়।
- বাংলাদেশ ২০১৬ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষর এবং কার্যকর করে।
- চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
- গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয়ার বিষয়েও লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
- COP-1 সম্মেলন ১৯৯৫ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১২.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিশ্বব্যাংক ২০০৯ সালে মোট কতটি ঝুঁকি চিহ্নিত করেছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- ১) মরুকরণ। ২) বন্যা। ৩) ঝড়। ৪) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি। ৫) কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা। 

বৈশ্বিক ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকা:
- বন্যা ঝুঁকি: বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।
- ঝড় ঝুঁকি: ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।
- মরুকরণ ঝুঁকি: মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, ইরাক, কেনিয়া, ইরান।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ঝুঁকি: সব নীচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিশর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।
- কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা ঝুঁকি: সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

উল্লেখ্য, 
- এই তালিকার ৫টি ভাগের মধ্যে ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে, এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
গ্রিনপিস কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস: পরিবেশ রক্ষায় বৈশ্বিক সংগঠন: 
- গ্রিনপিস একটি স্বাধীন ও বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন, যা পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী কাজ করে।
- এটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে অবস্থিত।
- গ্রিনপিসের মূল লক্ষ্য হল পৃথিবীকে জীবনের বৈচিত্র্য ধারণ করার মতো সক্ষম রাখা এবং একটি সবুজ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। 
- গ্রিনপিস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদ হিসেবে।
- এরপর থেকে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ রক্ষায় নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

গ্রিনপিসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পৃথিবীকে জীবনের বৈচিত্র্য ধারণ করার মতো সক্ষম রাখা।
- একটি সবুজ ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন, যেখানে প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষিত থাকবে এবং খাদ্য উৎপাদন পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
- সিস্টেমিক পরিবর্তন আনা এবং বড় বড় পরিবেশগত সমস্যার মোকাবিলা করা।

গ্রিনপিসের কর্মপদ্ধতি:
- গ্রিনপিস অহিংস কর্মসূচি ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে পরিবেশগত সমস্যার সমাধান করে।
- তাদের প্রধান কর্মক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে:
- প্লাস্টিক দূষণ কমাতে কাজ করা।
- নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে উৎসাহিত করা।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি।
- বন ও মহাসাগর রক্ষায় কার্যক্রম। 

তথ্যসূত্র: - Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৪.
প্রথম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনটি কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. জেনেভা
  2. বার্লিন
  3. স্টকহোম
  4. নাইরোবি
ব্যাখ্যা
প্রথম জলবায়ু সম্মেলন:
- প্রথম জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার উদ্যোগে।
- স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- তারিখ: ১৯৭৯ সালের ১২-২৩ ফেব্রুয়ারি।
- দ্বিতীয় জলবায়ু সম্মেলন ১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত হয়, যা UNFCCC গঠনে সহায়তা করে।
- প্রতি বছর ১৯৯৫ সাল থেকে UNFCCC এর উদ্যোগে COP সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- স্টকহোম সম্মেলন থেকেই United Nations Environment Programme (UNEP) প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৫.
'বার বিধি' (The Twelve Tables) সম্পর্কিত কোন সভ্যতার সাথে?
  1. গ্রীক সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. মিশরীয় সভ্যতা
  4. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
রােমান সভ্যতা:
- রোমান সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান ছিলো আইন প্রণয়নে।
- আধুনিক বিশ্বে রোমান আইন থেকে অনেক কিছু ধার করা হয়েছে।
- রোমান আইনের মূল ভিত্তি ছিলো 'বার বিধি' (The Twelve Tables), যা খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ সালে প্রচলিত হয়।
- গ্রিক সভ্যতা পতনের আগে ইতালির টাইবার নদীর তীরে একটি শক্তিশালী সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রোমে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি রোমান সভ্যতা হিসেবে পরিচিত।
- প্রাথমিক সময়ে রোম ছিলো একটি রাজত্ব, যেখানে রাজা শাসন করতেন।
- রোমে একটি সভা এবং সিনেট ছিলো, যা রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখতো।
- রাজার স্বৈরাচারী শাসনের কারণে, ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বে রোমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রোমান সভ্যতা প্রায় ৬০০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রোমের অর্থনীতি ছিলো মূলত দাসদের উপর নির্ভরশীল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
'অরেঞ্জ বিপ্লব' কোন দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. ইউক্রেন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
→ 'অরেঞ্জ বিপ্লব' ইউক্রেনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- 'অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয়েছিল ইউক্রেনে।
- এটি একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল, যা ২০০৪ সালে শুরু হয়।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল এই নাগরিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি এবং দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, যার প্রতিবাদ হিসেবে এই আন্দোলন শুরু হয়।
- বিরোধী প্রার্থী ভিক্টর ইউশচেঙ্কো দুর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালান।
- প্রতিবাদকারীরা ইউশচেঙ্কোর প্রচারণার রঙ (কমলা) ব্যবহার করে রাজপথে নামেন।
- ৩ ডিসেম্বর, সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন বাতিল করে নতুন ভোটের আদেশ দেয়।
- নতুন নির্বাচনে ইউশচেঙ্কো ৫২% ভোট পেয়ে জয়ী হন।

উল্লেখযোগ্য যে,
- ২০০৪ সালের অরেঞ্জ বিপ্লব থেকে ২০১৪ সালের মাইদান আন্দোলন পর্যন্ত ইউক্রেন রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাশিয়ার প্রভাব এবং ইউরোপ ও রাশিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য সংগ্রাম করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১৭.
কিয়োটো প্রটোকল কখন কার্যকর হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয় ২০০৫ সালে।
- লক্ষ্য ১৯৯০ সালের তুলনায় গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন অন্তত ৫% হ্রাস করা।
- গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস ছিল কিয়োটো প্রটোকলের মূল বিষয়বস্তু।

কিয়োটো প্রটোকলের মূল পদ্ধতিসমূহ:
- গাছপালা লাগিয়ে CO2 শোষণ করা।
- উন্নত দেশগুলোকে উন্নয়নশীল দেশে প্রযুক্তি সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে নির্গমন কমানো।
- নির্গমন ট্রেডিং, যেখানে দেশগুলো তাদের নির্গমন অধিকার কেনা-বেচা করতে পারে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।