পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
"Exam - 76 Bangla : Topic: সন্ধি, সমাস, পদ-প্রকরণ, উপসর্গ, অনুসর্গ।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি সন্ধির উদ্দেশ্য নয়?
  1. ধ্বনির মিলন
  2. নতুন শব্দ তৈরি
  3. উচ্চারণে সহজতা
  4. অর্থ পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
• সন্ধি:
- 'সন্ধি' শব্দের অর্থ - মিলন।
- পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। 
- অন্য কথায়, সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। 
- সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণের সহজপ্রবণতা এবং ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন। 
- সন্ধি শব্দ গঠনেরও একটি উপায়। 
- তবে সন্ধির প্রধান সুবিধা হলো উচ্চারণের সুবিধা। 
- তবে বাংলা ভাষায় উপসর্গ, প্রত্যয় ও সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে। 
- সন্ধির মাধ্যমে শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয় না।

• সন্ধির কতিপয় উদ্দেশ্য:
- সন্ধি মাধ্যমে ধ্বনির মিলন হয়।
- নতুন শব্দ তৈরি করা হয়।
- উচ্চারণে সহজতা আসে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"কোলেপিঠে" কোন সমাস?
  1. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
  2. সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
  3. অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
  4. বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদগুলোর বিভক্তি সমস্ত পদেও যুক্ত থাকে বা বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
অর্থাৎ কিছু দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হলেও বিদ্যমান থাকে। এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।
যেমন:
- কোলে ও পিঠে = কোলেপিঠে;
- দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে;
- ধীরে ও সুস্থে = ধীরেসুস্থে;
- হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
.
গঠনগতভাবে পদ কয় প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
• গঠনগতভাবে পদ দুই রকমের।
যথা -
- অলগ্নক পদ,
- সলগ্নক পদ। 
 -------------------  
• সলগ্নক পদ:
- বাক্যের যেসব পদে লগ্নক থাকে সেগুলোকে সলগ্নক পদ বলে।
যেমন -
'ছেলেরা ক্রিকেট খেলে'। 
- এ বাক্যে 'ছেলেরা' ও 'খেলে' সংলগ্নক পদ।
 
• অলগ্নক পদ:
যেসব পদে লগ্নক থাকে না সেগুলোকে অলগ্নক পদ বলে।
যেমন -
'ছেলেরা ক্রিকেট খেলে'।
- এ বাক্যে 'ক্রিকেট' অলগ্নক পদ।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
দ্বন্দ্ব সমাস কোন পদের প্রাধান্য থাকে?
  1. পূর্বপদ
  2. পরপদ
  3. উভয়পদ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- জায়া ও পতি = দম্পতি।  
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা। 

অন্যদিকে: 
- দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য থাকে।
- বহুব্রীহি সমাসে কোন পদেরই প্রাধান্য পায় না। 

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রত্যেকটি শব্দকে কী বলা হয়?
  1. বর্গ
  2. যোজক
  3. পদ
  4. ধ্বনি
ব্যাখ্যা
• পদ:
- বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রত্যেকটি শব্দকে পদ বলে।
- এদিক দিয়ে পদ হলো বাক্যের একক।
- রূপতত্ব অংশে শব্দশ্রেণি নামে বাক্যের এই পদ বিভাজনকে উপস্থাপন করা হয়েছে।
যেমন,
সজল ও লতা বই পড়ে।

উপরের বাক্যের,
'সজল','লতা' ও 'বই' হলো বিশেষ্য, 'ও' হলো যোজক এবং 'পড়ে' হলো ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোনটি অনুসর্গ নয়?
  1. জন্য
  2. চেয়ে
  3. অপর
  4. পানে
ব্যাখ্যা
অপর - অনুসর্গ নয়।
- অপর - অন্যবাচক সর্বনাম।
------------- 
অনুসর্গ: 

- যেসব শব্দ কোনাে শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন - 
• সে কাজ ছাড়া কিছুই বােঝে না।
এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ। 

• কোন পর্যন্ত পড়েছ?
এই বাক্যে 'পর্যন্ত' একটি অনুসর্গ।

কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
- অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, চেয়ে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতাে, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি। 

অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
- সাধারণ অনুসর্গ ও 
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।
.
বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?
  1. খেয়াঘাট
  2. খোশমেজাজ
  3. সিংহাসন
  4. অরুণরাঙা
ব্যাখ্যা
• সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য থাকে, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন -
- হৃতসর্বস্ব = হৃত হয়েছে সর্বস্ব যার,
- খোশমেজাজ = খোশ মেজাজ যার,
- হতশ্রী = হত হয়েছে শ্রী যার,
- নীলকণ্ঠ = নীল কণ্ঠ যার,
- পক্বকেশ = পক্ব কেশ যার।

অন্যদিকে,
- খেয়াঘাট = ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
- সিংহাসন = মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
- অরুণরাঙা = উপমান কর্মধারয় সমাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন পদ বিশেষ্য ও সর্বনামের দোষ, গুন, সংখ্যা ইত্যাদি বোঝায়?
  1. ক্রিয়া পদ
  2. অব্যয় পদ
  3. বিশেষণ পদ
  4. ক্রিয়াবিশেষণ পদ
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ:
যেসব শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুন, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে।
যেমন,
সুন্দর ফুল, বাজে কথা, লাল ফিতা, নীল আকাশ ইত্যাদি।

যেমন, 
- নীল আকাশ।
- লাল ফিতা।
এখানে 'নীল', 'লাল' হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।

একইভাবে, 
'সবুজ মাঠ পেরিয়ে আমাদের গ্রাম।' - বাক্যটিতে 'সবুজ' বিশেষণ পদ।

তথ্যসূত্র:-  বাংলা ভাষার ব্যাকরন ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'অভাব' অর্থে কোন উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বদমেজাজ
  2. হাভাত
  3. বিক্ষেপ
  4. আবছায়া
ব্যাখ্যা
•  খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়।
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
- যথা:
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• অভাব অর্থে ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘হা’ যোগে গঠিত শব্দ:
- হাভাত, হাঘরে, হাপিত্যেশ।

অন্যদিকে, 
• 'বদমেজাজ' শব্দে - মন্দ অর্থে ফারসি ‘বদ’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'বিক্ষেপ' শব্দে - গতি অর্থে তৎসম ‘বি’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'আবছায়া' শব্দে - 'অস্পষ্টতা' অর্থে খাঁটি বাংলা ‘আব’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। 

উৎস: ভাষা - শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
‘নিষ্কর’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নীঃ + কর
  2. নিঃ + কর
  3. নিস্ + কর
  4. নিষ + কর
ব্যাখ্যা
• 'নিষ্কর' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ-  নিঃ+ কর = নিষ্কর।
[এটি একটি বিসর্গ সন্ধি।]

এরূপ কিছু সন্ধি বিচ্ছেদ হলো:
দুঃ+ কর = দুষ্কর;
ভাঃ+ কর = ভাস্কর;
নিঃ + চুপ = নিশ্চপ;
নিঃ + চয় = নিশ্চয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
নিচের কোন শব্দটিতে কোনো উপসর্গ নেই?
  1. অনাবৃষ্টি
  2. নির্জীব
  3. শয়ন
  4. নিরেট
ব্যাখ্যা
• 'শয়ন' — শব্দটিতে কোন উপসর্গ নাই।

অন্যদিকে,
'অনাবৃষ্টি' শব্দটিতে 'অনা' খাঁটি বাংলা উপসর্গ।
'নির্জীব' শব্দটিতে 'নির' তৎসম উপসর্গ।
'নিরেট' - শব্দটিতে 'নি' খাঁটি বাংলা উপসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
"অনুপ্রবেশ" শব্দটিতে কয়টি উপসর্গ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
• 'অনুপ্রবেশ' শব্দটিতে — ২টি উপসর্গ রয়েছে।

• 'অনুপ্রবেশ' শব্দের উপসর্গ বিশ্লেষণ:
- অনু + প্র।
-------------------- 
উপসর্গ ৩ প্রকার।
যথা-
বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।

• বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
যথা:
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

• তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
যথা: 
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ। 

• বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।

বিদেশি উপসর্গ:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।
 
• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা-ড. হায়াৎ মামুদ।
১৩.
নিত্য সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. দর্শনমাত্র
  2. লাঠালাঠি
  3. অনুতাপ
  4. যথারীতি
ব্যাখ্যা
• 'দর্শনমাত্র'- 'নিত্য সমাস'। 

• নিত্য সমাস: 
যে সমাসে সমস্যমান পদ গুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে। 
যেমন-
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- কাল তুল্য সাপ = কালসাপ,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
লাঠালাঠি - ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
অনুতাপ- প্রাদি সমাস।
যথারীতি - অব্যয়ীভাব সমাস। 

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
'ষোড়শ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ষোড় + শ
  2. ষোড় + অশ
  3. ষট্ + দশ
  4. ষড় + দশ
ব্যাখ্যা
• 'ষোড়শ' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ- 'ষট্ + দশ'।
----------------
• কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ:
বন + পতি = বনস্পতি,
আ + চর্য = আশ্চর্য,
গো + পদ = গোস্পদ,
পর + পর = পরস্পর,
ষট্ + দশ = ষোড়শ,
এক + দশ = একাদশ,
পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।

উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।
১৫.
'অনুসর্গ' ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. শব্দতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব
  4. বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দনির্মাণ ও পদনির্মাণ প্রক্রিয়া।
- এছাড়া ,কারক, সমাস, উপসর্গ, অনুসর্গ, প্রকৃতি ও প্রত্যয় ইত্যাদি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬.
কোনটি ভাববাচক বিশেষ্য?
  1. জনতা
  2. মানুষ
  3. ভোজন
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভাববাচক বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য পদের কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয় তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে।
যথা- গমন (যাওয়ার ভাব বা কাজ), দর্শন (দেখার কাজ), ভোজন (খাওয়ার কাজ), শয়ন (শোয়ার কাজ) দেখা, শোনা ইত্যাদি ভাববাচক বিশেষ্য।

অন্যদিকে,
- ‘জনতা’ সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।
- ‘মানুষ’ জাতিবাচক বিশেষ্য। 

উল্লেখ্য,
ভাববাচক বিশেষ্য (২০২৩ সংস্করণ) অনুসারে ক্রিয়া-বিশেষ্য নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২৩ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
"অন্তরীপ" কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. নিত্য সমাস
  2. নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
  3. অলুক বহুব্রীহি
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
• 'অন্তরীপ' এর সমস্তপদ = অন্তর্গত অপ (জল) যার নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত।

• নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস:
- যে বহুব্রীহি সমাস কোনাে নিয়মের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায় না, তাকে বলা হয় নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস।
যেমন-
- দুই দিকে অপ যার = দ্বীপ,
- অন্তর্গত অপ(জল) যার = অন্তরীপ,
- নরাকারের পশু যে = নরপশু, 
- জীবিত থেকেও যে মৃত = জীবন্মৃত,
- পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পণ্ডিতমূৰ্থ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
'পুনরুক্ত' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. পুনর্‌ + উক্ত
  2. পুন্‌ + রুক্ত
  3. পুনঃ + উক্ত
  4. পুনঃ + রুক্ত
ব্যাখ্যা
• 'পুনরুক্ত' এর সন্ধি বিচ্ছেদ- 'পুনঃ + উক্ত'। 

• 'পুনরুক্ত' শব্দটির সন্ধির নিয়ম:
অ- কারের পরস্থিত র্‌-জাত বিসর্গের পর উপর্যুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনটি থাকলে বিসর্গ স্থানে 'র' হয়।
যেমন:
- অন্তঃ + গত= অন্তর্গত,
- অহঃ + অহ= অহরহ,
- পুনঃ + উক্ত= পুনরুক্ত ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।