পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়45 minutes
মোট প্রশ্ন৫৩
সিলেবাস
৪৬তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৫ [রাউন্ড – ২] পরীক্ষার টপিক: •৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। •২৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। •২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। •২৪তম বিসিএস (বাতিল) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। Live MCQ অ্যাপের আর্কাইভের "বিসিএস জব সল্যুশন" বাটন থেকে উল্লিখিত বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নগুলোর ব্যাখ্যা এবং রেফারেন্সসহ সমাধান ভালো করে পড়ে পরীক্ষা দিন। উল্লিখিত পরীক্ষাগুলোর প্রশ্ন ও ব্যাখ্যা মডিফাই করে রিভিশন পরীক্ষাটির প্রশ্ন প্রণয়ন করা হবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৩ প্রশ্ন

.
'Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror' অনুবাদটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৬০ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৬২ সালে
  4. ১৮৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
• 'Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror' অনুবাদটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়।

নীল-দর্পণ:
- 'নীল-দর্পণ' (১৮৬০) দীনবন্ধু মিত্র রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- সমকালের নীলচাষ ও  নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু।
- নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ' A Native' ছদ্মনামে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন ও নাম দেন 'Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror' (1861) এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হন।  
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নীল-দর্পণকে 'আঙ্কল টমস কেবিন'-এর সঙ্গে তুলনা করেন।
- নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশি ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক।
- ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।

দীনবন্ধু মিত্র: 
- ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- রায়বাহাদুর দীনবন্ধু মিত্র একজন নাট্যকার ছিলেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ। 
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অনুপ্রেরণায় কবিতা লিখতেন।
- তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে 'সংবাদ প্রভাকর', 'সংবাদ সাধুরঞ্জন' প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- 'নীল-দর্পণ' তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।
- ১৮৭৩ সালের ১ নভেম্বর তাঁর অকাল মৃত্যু ঘটে।

তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- নবীন তপস্বিনী,
- লীলাবতী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. সাতিক
  2. সাত্বিক
  3. সাত্তিক
  4. সাত্ত্বিক
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - সাত্ত্বিক
- শব্দটি বিশেষণ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- অর্থ: সত্ত্বগুণ সম্পর্কিত; সাধু; আড়ম্বরহীন; নিরামিষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
চর্যাপদের কবি নন কে?
  1. আর্যদেবপা
  2. তাড়নপা
  3. দারিকপা
  4. মহীধরপা
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের কবি নন - তাড়নপা

উল্লেখ্য, 'তাড়কপা' নামে চর্যাপদের কবি রয়েছে, 'তাড়নপা' নামে নয়।

চর্যাপদ:
- 'চর্যাপদ' বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- 'চর্যাপদ' আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে (১৩১৪ বঙ্গাব্দে) এবং ১৯১৬ সালে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- প্রাচীন এ গ্রন্থটির সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

চর্যাপদের কবিগণ:
 চর্যার কবিদের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে -
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
সে বিচারে এককথায় বলা চলে, চর্যাপদের কবির সংখ্যা ২৩, মতান্তরে ২৪।

এরা হলেন -
- লুইপা, কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, ধর্মপা, ঢেণ্ডণপা, বিরুপা, বীণাপা, ভাদেপা, ভুসুকুপা, মহীধরপা, শবরপা, শান্তিপা, সরহপা, ডোম্বীপা, কম্বলাম্বরপা, গুণ্ডরীপা, চাটিল্লপা, আর্যদেবপা, দারিকপা, তাড়কপা, কঙ্কণপা, জয়নন্দীপা, তন্ত্রীপা, লাড়ীডোম্বীপা। 
- লাড়ীডোম্বীপার কোনো পদ পাওয়া যায় নি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
‘চাবি’ শব্দটি কোন বিদেশি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. তুর্কি
  2. পর্তুগিজ
  3. ফরাসি
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা
• ‘চাবি’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
- আনারস,
- কামরা,
- গির্জা,
- গুদাম,
- জানালা,
- তোয়ালে,
- পাউরুটি,
- পাদ্রি,
- পেয়ারা, 
- পেঁপে,
- বালতি,
- বোতল, 
- বোতাম ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• তুর্কি শব্দ: বাবা, চাকু, বাবুর্চি, মুচলেকা ইত্যাদি।
• ফরাসি শব্দ: এস্টেট, কার্পেট, রেস্টুরেন্ট, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
• হিন্দি শব্দ: দাঙ্গা, রোকড়, লড়াকু, লেনদেন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
হাসান আজিজুল হক রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. অসীমান্তিক
  2. কথা লেখা কথা
  3. নামহীন গোত্রহীন
  4. শিউলি
ব্যাখ্যা
• হাসান আজিজুল হক রচিত উপন্যাস - শিউলি
- এটি ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়।

হাসান আজিজুল হক:
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি, যবগ্রাম, বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৬০ সাল থেকে লেখক হিসেবে নিজেকে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সক্রিয় সাহিত্যচর্চার আরম্ভ। 
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনশাস্ত্র বিভাগে অধ্যাপনা শেষে তিনি অবসর নিয়েছেন। 
- তিনি আদমজি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল পুরস্কার, অগ্রণী পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর গল্প ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, রুশ ও চেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- সমুদ্রের স্বপ্ন শীতের অরণ্য,
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- জীবন ঘষে আগুন,
- নামহীন গোত্রহীন,
- পাতালে হাসপাতালে,
- আমরা অপেক্ষা করছি,
- রোদে যাবো,
- মা-মেয়ের সংসার,
- নির্বাচিত গল্প,
- রাঢ়বঙ্গের গল্প।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বৃত্তায়ন,
- শিউলি,
- আগুনপাখি,
- সাবিত্রী উপাখ্যান।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কথাসাহিত্যের কথকতা,
- অপ্রকাশের ভার,
- অতলের আঁধি,
- ছড়ানো ছিটানো,
- কথা লেখা কথা

তাঁর রচিত সম্পাদনা:
- জি.সি. দেব রচনাবলী,
- অসীমান্তিক

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও 'আগুনপাখি' উপন্যাস, হাসান আজিজুল হক।
.
'নকড়া ছকড়া' বাগ্‌ধারাটির অর্থ কোনটি?
  1. অপব্যয়
  2. বিবাদের বিষয়
  3. সমূহ সর্বনাশ
  4. হেলা ফেলা
ব্যাখ্যা
• 'নকড়া ছকড়া' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - হেলা ফেলা

অন্যদিকে,
• ‘নয় ছয়’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অপব্যয়।
• 'নারদের ঢেঁকি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - বিবাদের বিষয়।
• 'দফা নিকেশ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সমূহ সর্বনাশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ব্যাকরণ মঞ্জরি' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. মুহম্মদ আবদুল হাই
  3. মুহম্মদ এনামুল হক
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
• 'ব্যাকরণ মঞ্জরি' গ্রন্থের রচয়িতা - মুহম্মদ এনামুল হক
- এটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

মুহম্মদ এনামুল হক: 
- ১৯০২ সালে বর্তমান চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গবেষণায় অন্যতম প্রধান পণ্ডিত ব্যক্তি।  
- মুহম্মদ এনামুল হক মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য ও ইতিহাস এবং বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ে দুরূহ গবেষণা কর্মে বিশেষ অবদান রেখেছেন। 
- ১৯২৯ হতে ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পেয়ে এনামুল হক অধ্যাপক  সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অধীনে গবেষণা করেন।
- তাঁর গবেষণার বিষয়বস্ত্ত ছিল ‘History of Sufism in Bengal’। 
- বাংলা একাডেমি তাঁর নামে ‘মুহম্মদ এনামুল হক সাহিত্য পদক’ প্রচলন করে।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- আরাকান রাজসভায় বাঙ্গালা সাহিত্য,
- 'মনীষা মঞ্জুষা',
- ঝর্ণাধারা (কবিতা সংকলন),
- বঙ্গে সূফী প্রভাব,
- ব্যাকরণ মঞ্জরি

তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- গ্যাব্রোভোবাসীর রস-রসিকতা (এই ভ্রমণকাহিনিতে তিনি বুলগেরিয়ার 'গ্যাব্রোভো' অঞ্চলের অধিবাসীদের হাস্যপরিহাস বর্ণনা করেছেন),
- বুলগেরিয়া ভ্রমণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'কুলীন' শব্দটির বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. অকার্য
  2. অন্ত্যজ
  3. অন্তর্ভূত
  4. আটক
ব্যাখ্যা
• 'কুলীন' শব্দটির বিপরীত শব্দ - অন্ত্যজ

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
 কার্য - অকার্য।
 প্রসাদ - রোষ।
প্রাচী - প্রতীচী।
অন্তর্ভূত - বহির্ভূত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কে ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন?
  1. কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য
  2. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  3. দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার
  4. দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায় ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন।

• ইয়ংবেঙ্গল:

- 'ইয়ংবেঙ্গল' ডিরোজিও প্রভাবিত এক তরুণ ছাত্রগোষ্ঠী।
- এঁদের মধ্যে প্রধান কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র ও তারাচাঁদ চক্রবর্তী।
- ছাত্র হিসেবে সকলেই ছিলেন প্রতিভাবান, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহী।
- প্রথম জীবনে হিন্দুধর্মের প্রতি অশ্রদ্ধাপরায়ণ ও ঐতিহ্য সম্পর্কে অত্যন্ত সমালোচনা-মুখর।
- প্রচলিত হিন্দুত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ তাদের ঐক্যসূত্র।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর সাহিত্য, ধর্ম, নীতি গঠনে তাঁদের বিশিষ্ট ভূমিকা ছিল।

হেনরি ডিরোজিও:
- ডিরোজিওর পূর্ণ নাম হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- তিনি একজন ইউরেশীয় তরুণ কবি, যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।
- মাত্র সতেরো বছর বয়সে হিন্দু কলেজের (বর্তমান নাম প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তাঁর একটি সংগঠন 'অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন'।
- ডিরোজিওর অনুসারী মুক্তচিন্তক গোষ্ঠীকে বলা হয় 'ইয়ংবেঙ্গল'।
- তিনি 'ডেইলি দি ইস্ট ইন্ডিয়ান' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
'বাহ্যিক' কী কারণে অশুদ্ধ?
  1. উপসর্গজনিত
  2. প্রত্যয়জনিত
  3. বিভক্তিজনিত
  4. সন্ধিজনিত
ব্যাখ্যা
• 'বাহ্যিক' প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের কারণে অশুদ্ধ।

প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

অশুদ্ধ - শুদ্ধ
• আবশ্যকীয় - আবশ্যক।
• একত্রিত - একত্র।
• পুজ্য - পূজ্য।
বাহ্যিক - বাহ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ত্রয়ী উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. আনন্দমঠ
  2. দেবী চৌধুরানী
  3. রজনী
  4. সীতারাম
ব্যাখ্যা
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ত্রয়ী উপন্যাস নয় - রজনী
- এটি তাঁর মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণমূলক উপন্যাস।
- এটি ১৮৭৭ সালে প্রকাশিত হয়।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬)।
- তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। এটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)।
- 'আনন্দমঠ', 'দেবী চৌধুরানী' ও 'সীতারাম' তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- তিনি ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
'যার লাঠি, তার মাটি।' - কোন পদের উদাহরণ?
  1. সাপেক্ষ সর্বনাম
  2. যোজক
  3. পারস্পরিক সর্বনাম
  4. ক্রিয়া-বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• 'যার লাঠি, তার মাটি।' - সাপেক্ষ সর্বনাম পদের উদাহরণ।

সর্বনাম:
বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে সর্বনাম শব্দ বলে।
যেমন - নজরুল ভালো ছেলে। সে নিয়মিত স্কুলে যায়।
দ্বিতিয় বাক্যের ‘সে’ প্রথম বাক্যের ‘নজরুল’- এর পরিবর্তে বসেছে।
- বিশেষ্য শব্দের মতো সর্বনাম শব্দের সঙ্গেও বিভক্তি, নির্দেশক, বচন প্রভৃতি যুক্ত হয়।

সাপেক্ষ সর্বনাম:
পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন -
- যারা-তারা,
- যে-সে,
- যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল),
- যার-তার (যার লাঠি, তার মাটি) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
'কাঁটা-কুঞ্জে বসি’ তুই গাঁথিবি মালিকা,
দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা!' - পঙ্‌ক্তিদ্বয় কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত
  1. দারিদ্র্য
  2. ভাঙার গান
  3. সর্বহারা
  4. সিন্ধু-হিন্দোল
ব্যাখ্যা
• 'কাঁটা-কুঞ্জে বসি’ তুই গাঁথিবি মালিকা,
দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা!' - পঙ্‌ক্তিদ্বয় কাজী নজরুল ইসলামের 'সিন্ধু-হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি তাঁর 'সিন্ধু-হিন্দোল' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত 'দারিদ্র্য' কবিতার পঙ্‌ক্তি।

দারিদ্র্য,
--- কাজী নজরুল ইসলাম

হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান্‌।
তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রীষ্টের সম্মান
কন্টক-মুকুট শোভা।-দিয়াছ, তাপস,
অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস;
----------------------------
টলটল ধরণীর মত করুণায়!
তুমি রবি, তব তাপে শুকাইয়া যায়
করুণা-নীহার-বিন্দু! ম্লান হ’য়ে উঠি
ধরণীর ছায়াঞ্চলে! স্বপ্ন যায় টুটি’
সুন্দরের, কল্যাণের। তরল গরল
কন্ঠে ঢালি’ তুমি বল, ‘অমৃতে কি ফল?
জ্বালা নাই, নেশা নাই. নাই উন্মাদনা,-
রে দুর্বল, অমরার অমৃত-সাধনা
এ দুঃখের পৃথিবীতে তোর ব্রত নহে,
তুই নাগ, জন্ম তোর বেদনার দহে।
কাঁটা-কুঞ্জে বসি’ তুই গাঁথিবি মালিকা,
দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা!….
গাহি গান, গাঁথি মালা, কন্ঠ করে জ্বালা,
দংশিল সর্বাঙ্গে মোর নাগ-নাগবালা!….

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। 
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
-  বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- সাম্যবাদী,
- সিন্ধু-হিন্দোল,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া; সিন্ধু-হিন্দোল, কাজী নজরুল ইসলাম।
১৪.
"She saved money every month; therefore, she was able to afford the vacation of her dreams."
This is a -
  1. Complex sentence
  2. Simple sentence
  3. Compound sentence
  4. Interrogative sentence
ব্যাখ্যা
• "She saved money every month; therefore, she was able to afford the vacation of her dreams."
- This is a - Compound Sentence.

• therefore (adverb) - সেই কারণে; সুতরাং।

Compound Sentence:
- যে বাক্যে একাধিক Principal Clause 'Coordinating Conjunction' দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে Compound Sentence বলে।
Compound Sentence গঠনের শর্ত হচ্ছে-
- বাক্যে একের অধিক Principal Clause থাকবে।
- বাক্যে এক বা একাধিক Coordinating Conjunction থাকবে।

• and, or, but, both, fewer than, neither, and, not only.... but also, no less than, neither... nor, either... or, otherwise, still, yet, else, nevertheless, on the contrary, while, whereas, only, so, therefore, consequently, for- ইত্যাদি Coordinating Conjunction দ্বারা Compound Sentence গঠিত হয়।
১৫.
He is always ready to die __________ his country.
  1. of
  2. in
  3. for
  4. on
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: He is always ready to die for his country.

• ভালো কাজের জন্য বা দেশের জন্য মারা যাওয়ার অর্থে die for বসে।
যেমন: He died for country.

die of (disease): He died of cholera.
die from (effect): He died from a snake bite/overeating.
die for (cause): He died for his country.
die in (accident): He died in an accident.
die in (place/month/year): He died in 1950./He died in London./He died in a hospital in Dhaka.
die in (accident): He died in a train accident.
die on (name of day/spot death): He died on the spot./He died on Monday.
die at (time): He died at 9–30 am.
die between (time): He died between 9 a m to 9–30 am.
die within (time): He died within five minutes.
১৬.
What does the word 'Misanthropist' mean?
  1. A person who dislikes or distrusts humanity
  2. A person who is fond of humanity
  3. A person who hates animals
  4. A person who is charitable towards others
ব্যাখ্যা
• The word 'Misanthropist' means - A person who dislikes or distrusts humanity.

• Misanthropist (noun)
Bangla Meaning: যে ব্যক্তি মানবজাতিকে ঘৃণা করে; যে ব্যক্তি সমাজকে এড়িয়ে চলে।

Example Sentence:
1. Despite his profession as a therapist, he couldn't hide his misanthropist tendencies, often avoiding social gatherings and interactions.
2. After years of disappointment and betrayal, she began to adopt a misanthropist worldview, believing that people were inherently selfish and untrustworthy.

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৭.
Which of these works of literature is written by "John Donne"?
  1. The Sun Also Rises
  2. The Sun Is Also a Star
  3. The Sun Rising
  4. A Raisin in the Sun
ব্যাখ্যা
• The Sun Rising:
- এটি John Donne রচিত।
- ১৬৩৩ সালে কবিতাটি প্রকাশিত হয়।

John Donne: 
- John Donne- Renaissance যুগের একজন কবি। 
- Metaphysi­cal poetry এর জনক বলা হয় John Donne কে। 
- তিনি আধ্যাত্মিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysi­cal poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।

• তাঁর বিখ্যাত কিছু কবিতা হচ্ছে: 
- Good Morrow,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Sun Rising,
- A Valediction: Forbidding Mourning.

Options,
- "The Sun Also Rises" by Ernest Hemingway
- "A Raisin in the Sun" by Lorraine Hansberry
- "The Sun Is Also a Star" by Nicola Yoon

Source: Encyclopedia Britannica. 
১৮.
Select the correct synonym for 'Gullible'.
  1. Cynical
  2. Skeptical
  3. Naive
  4. Wary
ব্যাখ্যা
• The correct synonym for 'Gullible' is - Naive.

• Gullible (adjective)
Bangla Meaning: সহজে প্রতারণাযোগ্য।

অপশন আলোচনা:
- Cynical - নৈরাশ্যবাদীর আচরণসম্পন্ন।
- Skeptical - সন্দেহপ্রবণ; অবিশ্বাসী।
- Naive - সরল; কাঁচা।
- Wary - সতর্ক।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৯.
The hero of "The Rape of the Lock" is -
  1. Iago
  2. Arial
  3. Belinda
  4. Baron
ব্যাখ্যা
Alexander Pope:
- He is a poet of the Augustan period.
- He is called Mock Heroic Poet.
- His famous epic is The Rape of the Lock.

• The important character of this Epic:
- Baron (Hero),
- Belinda (Heroine),
- Arial (God).

Other notable works: 
- An Essay on Criticism,
- The Dunciad,
- The Imitation of Horace,
- An Essay on Man,
- Letter to Gay.

Some famous quotations by Alexander Pope:
- "Fools rush in where angels fear to tread."
- "An honest man's the noblest work of God."
- "To err is human, to forgive, divine."

Source: Britannica.com
২০.
In the context of international diplomacy, what does "Lingua franca" refer to?
  1. An ancient form of communication
  2. A formal document outlining diplomatic agreements
  3. A common language spoken by diplomats
  4. A secret code used for encrypted messages
ব্যাখ্যা
• In the context of international diplomacy, "Lingua franca" refers to - A common language spoken by diplomats.

• Lingua franca
English Meaning: a language that is adopted as a common language between speakers whose native languages are different.
Bangla Meaning: বহু ভাষাভাষী অঞ্চলে যে ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২১.
What is the antonym of the word 'Compliant'?
  1. Obedient
  2. Submissive
  3. Agreeable
  4. Stubborn
ব্যাখ্যা
• The antonym of the word 'Compliant' is - Stubborn.

• Compliant (adjective)
English Meaning: readily giving in to the command or authority of another.
Bangla Meaning: অন্যের ইচ্ছাপূরণে সম্মত; নমনশীল; ভদ্র।

অপশন আলোচনা:
- Obedient - আজ্ঞানুবর্তী; বাধ্য।
- Submissive - বশ্য; বাধ্য; অনুগত।
- Agreeable - মনোজ্ঞ; প্রীতিকর।
- Stubborn - একগুঁয়ে; জেদি।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২২.
Identify the determiner in the following sentence:
We have no plans for the weekend yet.
  1. We
  2. no
  3. plans
  4. weekend
ব্যাখ্যা
• We have no plans for the weekend yet.
- বাক্যটিতে no = determiner.
- এই বাক্যে noun = plans এর পূর্বে ‘no’ শব্দটি determiner হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Determiner:
- Determiner এর প্রধান কাজ হলো noun কে determine করা।
- Noun এর নির্দিষ্টতা-অনির্দিষ্টতা বুঝাতে এর ব্যহার হয়ে থাকে।
- এটি noun কে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে modify করলেও modify করা এটির প্রধান কাজ নয়।
২৩.
What does the idiom "After one's own heart" mean?
  1. Behaving in a way that is pleasing to oneself
  2. Following someone's commands
  3. Acting against one's wishes
  4. Ignoring one's own interests for the sake of others
ব্যাখ্যা
• The idiom "After one's own heart" means - Behaving in a way that is pleasing to oneself.

• After one's own heart (idiom)
English Meaning: used to say that someone has likes and dislikes similar to one's own.
Bangla Meaning: মনের মতো।

Example Sentence:
1. His dedication to environmental conservation is after my own heart; she spends every weekend planting trees and cleaning up local parks.
2. As a lover of art and literature, her decision to spend her vacation visiting museums and bookstores is truly after my own heart.

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
The patient died after the doctor _____________.
  1. is coming
  2. has come
  3. come
  4. had come
ব্যাখ্যা
Complete Sentence: The patient died after the doctor had come.

• After এর পূর্বে past indefinite tense এবং পরে past perfect tense হয়।
উদাহরণ:
- I remembered him after he had left.
- The patient died after the doctor had come.
- She told me his name after he had left.
২৫.
The lost dog wandered the streets for days before being reunited with its owner. Here 'lost' is a -
  1. gerund
  2. verbal noun
  3. participle
  4. gerundial infinitive
ব্যাখ্যা
• The lost dog wandered the streets for days before being reunited with its owner.  
- Here 'lost' is a - participle.

• Verb এর যে রূপ কিছুটা verb এবং কিছুটা adjective এর কাজ করে তাকে participle বলে।
- বাক্যে ‘lost’ শব্দটি একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করেছে।
- সুতরাং এটি Participle.
২৬.
4x2 - 13x + 3 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কোনটি?
  1. বাস্তব ও সমান
  2. বাস্তব ও অসমান
  3. অবাস্তব ও অসমান
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4x2 - 13x + 3 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
4x2 - 13x + 3 = 0
নিশ্চায়ক = b2 - 4ac
= ( - 13)2 - 4 × 4 × ( 3)
= 169 - 48
= 121 > 0
যেহেতু, b2 - 4ac > 0 হলে মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান।


দ্বিঘাত সমীকরণের মূলের প্রকৃতি:
1. যদি b2 - 4ac = 0 হয় তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান হবে।
2. যদি b2 - 4ac > 0 হয় তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান হবে।
3. যদি b2 - 4ac < 0 হয় তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় অবাস্তব ও অসমান হবে।
4.  যদি b2 - 4ac পূর্ণবর্গ সংখ্যা হয় তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় মূলদ ও অসমান হবে।
২৭.
বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের ‘শ’ অক্ষরটির পূর্বের চতুর্থ অক্ষরটি কী?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের ‘শ’ অক্ষরটির পূর্বের চতুর্থ অক্ষরটি কী?

সমাধান:
ব্যঞ্জনবর্ণ: ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত চিহ্ন বা প্রতীককে ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। বাংলা ভাষায় ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

যথা: ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, , য, র, ল, , ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ, ং, ঃ
২৮.
নিচের কোন পূর্ণ সংখ্যাটি ৪, ৫, ৬ এবং ৮ দ্বারা ভাগ করলে যথাক্রমে ২, ৩, ৪ ও ৬ অবশিষ্ট থাকে?
  1. ১১৬
  2. ১২০
  3. ১২২
  4. ১১৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন পূর্ণ সংখ্যাটি ৪, ৫, ৬ এবং ৮ দ্বারা ভাগ করলে যথাক্রমে ২, ৩, ৪ ও ৬ অবশিষ্ট থাকে?

সমাধান: 
৪, ৫, ৬ এবং ৮ এর ল.সা.গু = ১২০
৪ - ২ = ২;
৫ - ৩ = ২;
৬ - ৪ = ২
৮ - ৬ = ২

∴ নির্ণেয় সংখ্যা = ১২০ - ২ = ১১৮
২৯.
x2 + 1/x2 = 1 হলে, (x6 + 1)/x3 এর মান কত?
  1. 3
  2. 6
  3. 2
  4. 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + 1/x2 = 1 হলে, (x6 + 1)/x3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x2 + 1/x2 = 1
(x + 1/x)2 - 2.x.1/x = 1
(x + 1/x)2 - 2 = 1
(x + 1/x)2 = 2 + 1
(x + 1/x)2 = 3
x + 1/x = √3

(x6 + 1)/x3 = x6/x3 + 1/x3
= x3 + 1/x3
= (x + 1/x)3 - 3.x.1/x(x + 1/x)
= (√3)3 - 3√3
= 3√3 - 3√3
= 0
৩০.
একজন শ্রমিক প্রতিদিন প্রথম ৮ ঘণ্টা কাজের জন্য ঘণ্টায় ৩০ টাকা করে এবং পরবর্তী সময়ের ঘণ্টায় ৩৫ টাকা করে মজুরি পায়। দৈনিক ১০ ঘণ্টা কাজ করলে তার ঘণ্টাপ্রতি গড় মজুরি কত?
  1. ৩২ টাকা
  2. ৩১ টাকা
  3. ৩৪ টাকা
  4. ৩৩ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন শ্রমিক প্রতিদিন প্রথম ৮ ঘণ্টা কাজের জন্য ঘণ্টায় ৩০ টাকা করে এবং পরবর্তী সময়ের ঘণ্টায় ৩৫ টাকা করে মজুরি পায়। দৈনিক ১০ ঘণ্টা কাজ করলে তার ঘণ্টাপ্রতি গড় মজুরি কত?

 সমাধান:
প্রথম ৮ ঘণ্টায় পায় = ৮ × ৩০ = ২৪০ টাকা।
পরবর্তী ২ ঘণ্টায় পায় = ২ × ৩৫= ৭০ টাকা।

১০ ঘণ্টায় মোট মজুরি পায়= ২৪০ + ৭০ = ৩১০ টাকা
∴ ঘণ্টা প্রতি গড় মজুরি  = ৩১০/১০ = ৩১ টাকা।
৩১.
এক ব্যাক্তি একটি দ্রব্য ১৮০০ টাকায় কিনে ২০% লাভে বিক্রয় করল, ক্রেতা ঐ দ্রব্য তৃতীয় এক ব্যাক্তির কাছে ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করল। শেষ বিক্রয়মূল্য কত ছিল? 
  1. ১৯৪৪ টাকা
  2. ১৯৬৪ টাকা
  3. ১৯৮৪ টাকা
  4. ১৯৫৪ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যাক্তি একটি দ্রব্য ১৮০০ টাকায় কিনে ২০% লাভে বিক্রয় করল, ক্রেতা ঐ দ্রব্য তৃতীয় এক ব্যাক্তির কাছে ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করল। শেষ বিক্রয়মূল্য কত ছিল? 

সমাধান: 
২০% লাভে,
১০০ টাকার জিনিস বিক্রয় করে = (১০০ + ২০) = ১২০ টাকা

∴ ১৮০০ টাকার জিনিস বিক্রয় করে = (১২০ × ১৮০০)/১০০ টাকা
= ২১৬০ টাকা 

আবার
১০% ক্ষতিতে,
১০০ টাকার জিনিস বিক্রয় করে = (১০০ - ১০) = ৯০ টাকা
∴ ২১৬০ টাকার জিনিস বিক্রয় করে = (৯০ × ২১৬০)/১০০ টাকা
= ১৯৪৪ টাকা
৩২.
একটি আয়তকার ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দ্বিগুণ। এর ক্ষেত্রফল ৫৭৮ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত?
  1. ১০৭ মিটার
  2. ১০৬ মিটার
  3. ১০৫ মিটার
  4. ১০২ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তকার ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দ্বিগুণ। এর ক্ষেত্রফল ৫৭৮ বর্গমিটার হলে পরিসীমা কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তাকার ঘরের বিস্তার ক মিটার
∴ আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য ২ক মিটার
আয়তাকার ঘরের ক্ষেত্রফল = ২ক × ক বর্গমিটার = ২ক বর্গমিটার

শর্তমতে,
২ক২ = ৫৭৮
বা, ক২ = ২৮৯
বা, ক = ১৭

আয়তাকার ঘরের বিস্তার ১৭ মিটার
আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য ৩৪ মিটার

আয়তাকার ঘরের পরিসীমা = ২(৩৪ + ১৭) মিটার
=২ × ৫১ মিটার
= ১০২মিটার
৩৩.
এক ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার নিকট ৫০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?
  1. ১২০০০ টাকা
  2. ১৪০০০ টাকা
  3. ১৫০০০ টাকা
  4. ১৮০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার নিকট ৫০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?

 সমাধান:
মোট সম্পত্তি = ১ অংশ
অবশিষ্ট রইলো = (১ - ৭/৩) = ৪/৭ অংশ
৪/৭ এর ৫/১২ অংশ = ৫/২১অংশ

প্রশ্নমতে,
(৪/৭- ৫/২১)অংশ = ৫০০০
(১২ - ৫)/২১ অংশ = ৫০০০
বা, ৭/২১অংশ = ৫০০০
বা, ১ অংশ = (২১ × ৫০০০) ÷ ৭ = ১৫০০০ টাকা
৩৪.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. অধঃগতি
  2. অধোঃগতি
  3. অধগতি
  4. অধোগতি
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধবানান - অধোগতি  । 
- অধোগতি, অধোগমন একটি বিশেষ্য শব্দ। 
- অধোগতি শব্দটির বিভিন্ন অর্থ রয়েছে। 
যেমন - 
১. নিম্নগতি; নিচের দিকে যাওয়া। 
২. অবনতি; দুর্দশা; অধঃপতন (আকস্মিক অধোগতির খবরতার কানে আসে-অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত)।
৩. নরকবাস; দোজখে যাওয়া। 

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
৩৫.
log5 + log25 + log125 +  ................ ধারাটির প্রথম বিশটি পদের সমষ্টি কত?
  1. 220log5
  2. 150log5
  3. 210log5
  4. 120log5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log5 + log25 + log125 +  ................ ধারাটির প্রথম বিশটি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
log5 + log25 + log125 + ............... + প্রথম বিশটি পদের সমষ্টি
= log5 + log52 + log53 + .............. + প্রথম বিশটি পদের সমষ্টি
= log51 + log52 + log53 + ............... + প্রথম বিশটি পদের সমষ্টি
= 1log5 + 2log5 + 3log5 + ............... + প্রথম বিশটি পদের সমষ্টি
= (1 + 2 + 3 + 4 + ............... + 20)log5
= {20(20+1)/2}log5
= (10 × 21)log5
=210log5
৩৬.
x2 - 11x + 30 এবং x2 - 13x + 42 এর গ.সা.গু. এর মান 6 হলে, x এর মান কত?
  1. 6
  2. 18
  3. 24
  4. 12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 11x + 30 এবং x2 - 13x + 42 এর গ.সা.গু. এর মান 6 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
১ম রাশি = x2 - 11x + 30
= x2 - 6x - 5x + 30
= x(x - 6) -5(x - 6) 
= (x - 6)(x - 5)

২য় রাশি = x2 - 13x + 42
= x2 - 6x - 7x + 42
= x(x - 6) - 7(x - 6)
= (x - 6)(x - 7)

∴ গ.সা.গু = x - 6

x - 6 = 6
x = 6 + 6
x = 12
৩৭.
একটি 51 মিটার লম্বা খুঁটি ভেঙ্গে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সাথে 30° কোণ উৎপন্ন করে। খুঁটিটি কত উঁচুতে ভঙ্গে ছিল?
  1. 17 মিটার
  2. 34 মিটার
  3. 18 মিটার
  4. 36 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি 51 মিটার লম্বা খুঁটি ভেঙ্গে গিয়ে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভূমির সাথে 30° কোণ উৎপন্ন করে। খুঁটিটি কত উঁচুতে ভঙ্গে ছিল?

সমাধান:

ধরি,
খুটিটি x মিটার উচুতে ভেঙ্গেছিল।
∴ অপর ভাঙ্গা অংশের দৈর্ঘ্য = (51 - x) মিটার
sinθ = x/(51 - x)
sin30° = x/(51 - x)
বা, 1/2 = x/(51 - x)
2x = 51 - x
2x + x = 51
3x = 51
∴ x = 17
৩৮.
সার্ক বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. গুজরাত, ভারত
  2. কলম্বো, শ্রীলংকা
  3. ঢাকা, বাংলাদেশ
  4. থিম্পু, ভুটান
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫, ঢাকায়।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।

উল্লেখ্য,
সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত।
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাত, গান্ধীনগর ভারত,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা,
- সার্ক কৃষিবিষয়ক কেন্দ্র ও আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ,
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইচআইভি/এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল,
- সার্ক শক্তি কেন্দ্র: পাকিস্তান,
- সার্ক বন গবেষণা কেন্দ্র: থিম্পু, ভুটান,
- সার্ক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান,
- সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: মালদ্বীপ,

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
৩৯.
বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল -
  1. ৭.১৪ কোটি
  2. ৭.৬৪ কোটি
  3. ৮.১৪ কোটি
  4. ৮.৬৪ কোটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
 
উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৪০.
বাংলাদেশের জিডিপির দ্রুত বর্ধনশীল খাত কোনটি?
  1. কৃষি খাত
  2. সেবা' খাত
  3. শিল্প খাত
  4. মৎস্য খাত
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮৪ শতাংশ।
 
উল্লেখ্য,
-জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত সেবাখাত এবং সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%।

অন্যদিকে,
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
   
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৪১.
প্রাচীন পুণ্ড্রনগরে কোন সাম্রাজ্যের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে?
  1. মৌর্য সাম্রাজ্য
  2. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  3. সেন সাম্রাজ্য
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪২.
প্রাকৃতিক মানচিত্র কোন স্কেলে অঙ্কন করা হয়?
  1. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র
  2. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র
  3. ক্ষুদ্র ও বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মানচিত্র:
- স্কেলের উপর ভিত্তি করে মানচিত্রকে প্রধান দু'ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা:
১. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র:
- যখন ব্যাপক এলাকাকে ছোট করে কাগজে অঙ্কন করা হয় তখন তাকে ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র বলে।
- এ ক্ষেত্রে সমগ্র পৃথিবী বা মহাদেশ বা দেশের বড় এলাকাকে একটি ছোট কাগজে দেখানো হয়।
- ভূ-চিত্রাবলীর মানচিত্র ও দেওয়াল মানচিত্র ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র।

২. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র:
- ক্ষুদ্র এলাকাকে বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করে যখন অনেক বড় করে দেখান হয়, তখন তাকে বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র বলে।
- যেমন: ১"=১৬ মাইল; ১৬"= ১মাইল।
- যেমন মৌজা মানচিত্র বা ক্যাডাস্ট্রাল মানচিত্র, ভূ-সংস্থানিক মানচিত্র বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র।

উল্লেখ্য,
প্রাকৃতিক মানচিত্র (Physical map):
- যে মানচিত্রে কোনো দেশ বা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক ভূমিরূপ যেমন: পর্বত, মালভূমি, ভূমি, নদী, হ্রদ ইত্যানি সম্পর্কে তথ্য থাকে তাকে প্রাকৃতিক মানচিত্র বলে।
- প্রাকৃতিক মানচিত্র বৃহৎ স্কেলে অঙ্কন করা হয়

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৩.
পি-৫-এর অন্তর্ভুক্ত নয় -
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে। 
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

অন্যদিকে -
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ইকুয়েডর (২০২৪), জাপান (২০২৪), মাল্টা (২০২৪), মোজাম্বিক (২০২৪), সুইজারল্যান্ড (২০২৪), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)। 

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৪৪.
নিচের কোনটি পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ভঙ্গুরতা দেখা যায়
  2. এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি
  3. এই শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না
  4. কয়লা এক প্রকার পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ। 

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- এই শিলায় স্তরায়ন এবং কাদার চির খাওয়া দাগ লক্ষ্য করা যায়।
- একমাত্র এই শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় সচ্ছিদ্রতা ও ভঙ্গুরতা দেখা যায়।
- এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
- ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বিভিন্ন রকম হয়।
- কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার এই শিলা।
- কাঠিন্য আগ্নেয় শিলার থেকে কম।
- ফাটল বা কেলাসের গঠন থাকে না।

অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
নিচের কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য?
  1. বেসরকারি সংগঠন
  2. দলীয় কর্মসূচিবিহীন
  3. দলীয় সংগঠনবিহীন
  4. ক , খ ও গ
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে। 

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না। 
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না। 
• সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে।
• বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
কাসালং কোন নদীর উপনদী?
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি নদী:
- কর্ণফুলী নদীবাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী। 
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে।
- বাংলাদেশের প্রবেশের পর রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদী বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়েছে।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। 
- হালদা, কাসালং প্রভৃতি কর্ণফুলীর উপনদী।

উল্লেখ্য,
- পদ্মা নদীর উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- যমুনার নদীর উপনদী: ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই।

উপনদী (Tributary):
- বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৭.
গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ -
  1. সূর্য
  2. দেবতা
  3. গাছ
  4. মানুষ
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
৪৮.
ফা হিয়েন কত শতকে বাংলায় আসেন?
  1. ৩য় শতকে
  2. ৪র্থ শতকে
  3. ৫ম শতকে
  4. ৬ষ্ঠ শতকে
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন প্রাচীন চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি মধ্য এশিয়া, ভারত ও শ্রীলংকা ভ্রমণ করেন ও তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করেন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তখন তাঁর বয়স সম্ভবত ৬৪ বছর।
- তিনি পঞ্চম শতকের সূচনায় বাংলায় আসেন।
- তিনি তাঁর ভ্রমণের অধিকাংশ সময়ই মধ্য ভারত বা মগধ পরিভ্রমণ অতিবাহিত করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুক)।

উল্লেখ্য,
- চিনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
- ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে।
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া। 
৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৬৩নং
  2. ৭৫নং
  3. ৫২নং
  4. ৮১নং
ব্যাখ্যা
কোরাম:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫০.
World Economic Forum কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
World Economic Forum:
- WEF-এর পূর্ণরূপ; World Economic Forum.
-  World Economic Forum বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে
- প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: জার্মান অধ্যাপক ক্লাউস সোয়েব।
- প্রতিবছর জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। 
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো European Management Forum।
- এটি ১৯৮৭ সালে World Economic Forum নামধারণ করে। 

উৎস: WEF ওয়েবসাইট।
৫১.
‘আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’-উক্তিটি করেছেন -
  1. অধ্যাপক হল্যান্ড
  2. অধ্যাপক ডাইসি
  3. অধ্যাপক আনেস্ট বার্কার
  4. অধ্যাপক ক্লাউস সোয়েব
ব্যাখ্যা
আইন:
- অর্থাৎ মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধি নিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।
- রাষ্ট্র সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য।
- আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
- ফলে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তি বিরাজ করে।
- আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে। 

উল্লেখ্য,
- ‘আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’-উক্তিটি করেছেন অধ্যাপক ডাইসি।
- আইনের শাসনের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, আইনের শাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বটি হচ্ছে, ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে আইনের চোখে সবার সমতা।
- রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে লিখিত বিভিন্ন বিখ্যাত গ্রন্থও আইনের উৎস হিসেবে অধ্যাপক ডাইসির "Law of the Constitution" এর উল্লেখ করা যায়।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৫২.
আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধের পরিপন্থী নয় কোনটি?
  1. সার্থকতা
  2. শঠতা
  3. সততা
  4. অসহিষ্ণুতা
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Value.
- যেসকল চিন্তা ভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সংকল্প ও আদর্শ মানুষের সামগ্রিক আচার-আচরণ ও কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে, তাদের সমষ্টিকেই মূল্যবোধ বলে।
- মূল্যবোধ দ্বারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, নৈতিকতা- অনৈতিকতা,সততা, সৌজন্যবোধ, শিষ্টাচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি মূল্যায়িত হয়।
- আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ হলো সত্য ও ন্যায়।
- সার্থকতা, শঠতা, অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি হলো চিরন্তন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫৩.
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় কোন ধরনের বন্যা দেখা যায়?
  1. আকস্মিক বন্যা
  2. মৌসুমী বন্যা
  3. উপকূলীয় বন্যা
  4. নগর বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

মৌসুমী বন্যা:
- বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে মৌসুমী বন্যা বলে।
- কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না তবে কখনো কখনো মারাত্মক ক্ষতিকর রূপ ধারণ করে।
- মৌসুমী বন্যার মাত্রা স্বভাবিক হলে ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

আকস্মিক বন্যা:
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমে আকস্মিক বৃষ্টিপাতের ফলে বা পাহাড়ি ঢলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রায় প্রতি বছর আকস্মিক বন্যা হতে দেখা যায়।

উপকূলীয় বন্যা:
- উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি বা জোয়ার-ভাটাজনিত কারণে যে বন্যা সৃষ্টি হয় তাকে উপকূলীয় বন্যা বলে।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলাসমূহে এ ধরনের বন্যা দেখা দেয়।

নগর বন্যা:
- নগর এলাকায় সুষ্ঠু ও পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে বন্যা দেখা দেয়।
- এ ধরনের বন্যাকে নগর বন্যা বলে।
- ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে এ ধরনের বন্যা দেখা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।