পরীক্ষা আর্কাইভ

livemcq

পরীক্ষাlivemcqতারিখতারিখ অনির্ধারিত১৪২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৪৪
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

livemcq

livemcq · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪৪ প্রশ্ন

.
ধ্বনি-পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ-বিপর্যয়-এর দৃষ্টান্ত?
  1. রতন
  2. কবাট
  3. পিচাশ
  4. মুলুক
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি বিপর্যয়: 
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এতে দুটি বর্ণের মধ্যে জায়গা পরিবর্তন হয়।
যেমন:
- পিশাচ ˃ পিচাশ,
- লাফ ˃ ফাল,
- বাক্‌স > বাস্‌ক,
- রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি।

--------
অন্যদিকে,
• রত্ন > রতন এবং মুল্‌ক > মুলুক; মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তির উদাহরণ।
• কবাট > কপাট;ব্যঞ্জন বিকৃতির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি 'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ নয়?
  1. বহ্নি
  2. আবীর
  3. বায়ুসখা
  4. বৈশ্বানর
ব্যাখ্যা
• অগ্নি শব্দের সমার্থক নয়- আবীর। 

• আবীর (বিশেষ্য পদ)। 
- আরবি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- সুগদ্ধি রঞ্জক দ্রব্য, অভ্রের গুঁড়ো মেশানো রঙ, ফাগ।
-  অস্তায়মান সূর্যের রক্তিম আভা

-----------
অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ:
হুতাশন, অনল, পাবক, আগুন, দহন, সর্বভুক, শিখা, হুতাশন, বহ্নি, বৈশ্বানর, কৃশানু, বিভাবসু, সর্বশুচি, বায়ুশখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা' - এই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত?
  1. অপহ্নুতি
  2. যমক
  3. অর্থোন্নতি
  4. অভিযোজন
ব্যাখ্যা

• 'অপহ্নুতি' অলঙ্কার: 
প্রকৃতকে অর্থাৎ উপমেয়কে নিষেধ করে করে বা গোপন করে অপ্রকৃতকে অর্থাৎ উপমানকে প্রতিষ্ঠা করলে, সেখানে ‘অপহ্নুতি’ অলঙ্কার হয়।
এখানে সাধারণতঃ দু’ভাবে এ নিষেধ হয়ে থাকে-
- প্রথমত: না, নহে, নয় প্রভৃতি না সূচক অব্যয় ব্যবহার করে;
- দ্বিতীয়ত: ব্যাজ, ছল, ছলনা, ছদ্ম প্রভৃতি সত্য গোপনকারী শব্দ প্রয়োগ করে।
প্রথম ক্ষেত্রে উপমান ও উপমেয় পৃথক বাক্যে আর দ্বিতীয়  ক্ষেত্রে উপমানও উপমেয় একই বাক্যে অবস্থান করে থাকে।

কয়েকটি উদাহরণ দ্বারা বিষয়টি স্পষ্ট করা যাচ্ছে। যেমন-
(ক) “মেয়ে ত নয়, হলদে পাখির ছা,” - জসীম উদ্দীন 
এখানে উপমেয়- ‘মেয়ে’; উপমান- ‘ছা’; না সূচক অব্যয়- ‘নয়'; ‘নয়’ অব্যয় ব্যবহার করে উপমেয়কে নিষেধ করা হয়েছে এবং উপমানকেই এখানে প্রতিষ্ঠিত করা। হয়েছে।
সুতরাং এটি ‘অপহূতি’ অলঙ্কার হয়েছে। 

(খ) “তারাই আজি নিঃস্ব দেশে, কাঁদছে হয়ে অন্ন হারা; 
দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রু ধারা।”
- নজরুল ইসলাম
উদাহরণে উপমেয়- ‘জল’; উপমান- ‘অশ্রু’ । কবি এখানে ‘না’ সূচক অব্যয় ‘না’ ব্যবহার করে উপমেয়কে অস্বীকার করে উপমানকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সুতরাং এখানে ‘অপহূতি’ অলঙ্কার সৃষ্টি করা হয়েছে।
 
(গ) “নীর বিন্দু যত
দেখিতে কুসুম-দলে, হে সুধাংশু নিধি, 
অভাগীর অশ্রু বিন্দু কহিনু তােমারে।”
- মধুসূদন দত্ত।
এখানে উপমেয়- ‘নীর বিন্দু'; উপমান- ‘অশ্রু বিন্দু’; ‘না’ সূচক অব্যয় সরাসরি ব্যবহার করা না হলেও ব্যঞ্জনায় তা বােধগম্য হচ্ছে।
তাই এখানে ‘অপহূতি’ অলঙ্কার হয়েছে। 

(ঘ) “নারী নহ, কাব্য তুমি, তােমা 'পরে কবির প্রসাদ",
- বুদ্ধদেব বসু
এখানে উপমেয়- 'নারী'; উপমান- ‘কাব্য'; ‘না’ সূচক অব্যয়-’নহ’ দ্বারা উপমেয়কে অস্বীকার করে উপমান- ‘কাব্য’কে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
সুতরাং ‘অপহ্নুতি’ অলঙ্কার হয়েছে। সুতরাং এখানে ‘অপহূতি’ অলঙ্কার হয়েছে।

উৎস: প্রাচ্য সাহিত্য সমালোচনা তত্ত্ব ও অলঙ্কার শাস্ত্র [রূপত্তত্ব, রসতত্ত্ব, অলঙ্কার ও ছন্দ] : প্রফেসর ড. ধীরেন্দ্রনাথ তরফদার।

.
'মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি’ - কথাটি সংকোচন করলে হবে -
  1. তন্ময় 
  2. মন্ময় 
  3. মৃন্ময়
  4. চিন্ময়
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• মৃন্ময় (বিশেষণ পদ):
অর্থ:
- মাটির তৈরি।
- এটি একটি তৎসম শব্দ।

• সুতরাং ‘মৃত্তিকার দ্বারা নির্মিত’ এর বাক্য সংকোচন - মৃন্ময়।

• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন:
- 'তৃণাচ্ছাদিত ভূমি'- শাদ্বল।
- 'নীল বর্ণ পদ্ম'- ইন্দিবর।
- 'বুকে হেঁটে গমন করে যে'- উরগ।
- 'বমন করার ইচ্ছা' - বিবমিষা। 
- 'বাস করার ইচ্ছা' - বিবৎসা।
- 'জয় করার ইচ্ছা'- জিগীষা।

উৎস:  ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'অর্ধচন্দ্র' কথাটির অর্থ -
  1. অমাবস্যা
  2. গলাধাক্কা দেওয়া 
  3. কাছে টানা
  4. কাস্তে 
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• অর্ধচন্দ্র (বিশেষ্য পদ):
অর্থ:
- অর্ধ - প্রকাশিত চন্দ্র,
- গলাধাক্কা,
- সেনা সমাবেশের কৌশল বিশেষ।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা ও তাঁর অর্থ:
'অর্ধচন্দ্র' অর্থ - গলা ধাক্কা।  
'অগ্নি পরীক্ষা' অর্থ -  কঠিন পরীক্ষা।  
'অহিনকুল সম্পর্ক' অর্থ - ভীষণ শত্রুতা।  
'আক্কেল গুড়ুম' অর্থ - হতবুদ্ধি।  

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
.
'হরতাল' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ? 
  1. পর্তুগিজ
  2. হিন্দি 
  3. গুজরাটি
  4. ফরাসি 
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
'হরতাল' শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে।

• 'হরতাল' শব্দের অর্থ: 
- প্রতিবাদ বা শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিরোধী রাজনৈতিক দলের আহূত ধর্মঘট, বন্ধ।
- ধর্মঘট; বিক্ষোভ প্রকাশ করার জন্য যানবাহন, হাট-বাজার, দোকান-পাট, অফিস-আদালত ইত্যাদি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ করা।

----------------
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
আনারস, র্গীজা, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদ্রি, বালতি, কামরা, বোতল জানালা, বোতাম, গামলা, সাবান, তোয়ালে।

• ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত শব্দ: 
- কুপন,
- ডিপো,
- রেস্তোরাঁ,
- আঁতেল,
- কার্তুজ ইত্যাদি।

• হিন্দি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো:
ঝাড়ু, জোখ, জুতা, জুড়ি, তরাই, ঢাকনা, ঝিলমিল, ঝিল, ঝুমকা, চৌপট, চৌপল, চৌতাল, চাঁটি, কুঁজড়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কোনটি 'জিগীষা'র সম্প্রসারিত প্রকাশ? 
  1. জানিবার ইচ্ছা
  2. জয় করিবার ইচ্ছা 
  3. হনন করিবার ইচ্ছা
  4. যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা 
ব্যাখ্যা
• জিগীষা (বিশেষ্য) - জয়লাভ করার ইচ্ছা। 

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শব্দের সম্প্রসারিত রূপ:

• জিজীবিষা (বিশেষ্য) - বেঁচে থাকার ইচ্ছা। 
• জিজ্ঞাসা (বিশেষ্য) - জানার ইচ্ছা/কৌতুহল। 
• জিঘাংসা (বিশেষ্য) - বধ/হনন করার ইচ্ছা। 
• যুযুৎসা (বিশেষ্য) - যুদ্ধ করার অভিলাষ/ইচ্ছা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি,আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি তৎসম শব্দ? 
  1. পছন্দ
  2. হিসাব 
  3. ধূলি
  4. শৌখিন 
ব্যাখ্যা
• ধূলি (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।
অর্থ: 
- শুকনো মাটির সূক্ষ্ম কণা,
- রেণু। 

সুতরাং, 'ধূলি' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত অর্থ্যাৎ তৎসম শব্দ।

অন্যদিকে.
• পছন্দ (বিশেষণ পদ),
- শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- মনের মতো, মনঃপূত, ইচ্ছানুযায়ী মনোনীত,
- নির্বাচিত। 

পছন্দ (বিশেষ্য):
অর্থ:
- নির্বাচন,
- মনোনয়ন,
- রুচি। 

--------------
• হিসাব (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- গণনা, সংখ্যাকরণ,
- জমাখরচের বিবরণ,
- দর,
- কৈফিয়ত,
- বিচারবিবেচনা। 

--------------
• শৌখিন (বিশেষণ পদ),
- শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- বিলাসী,
- শখ মেটায় এমন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি বাংলা ধাতুর দৃষ্টান্ত?
  1. কহ্ 
  2. কথ্‌ 
  3. বুধ্‌ 
  4. গঠ্‌ 
ব্যাখ্যা
• মৌলিক ধাতু: 
যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা-
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন: কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্ কহ্, কর্ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত মূল ধাতু: 
যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন: অঙ্ক, কথ্, কৃৎ, খাদ্, হস্, পঠ্‌, গঠ্, দৃশ্, কথ্‌ ইত্যাদি।

• বিদেশি ধাতু: 
তৎসম ও বাংলা ধাতু ছাড়া যেসব ধাতু বিদেশি ভাষা থেকে এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় বিদেশি ধাতু।
যেমন:
- আঁট (শক্ত করে বাঁধা) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- খাট্ (মেহনত করা) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- চেঁচ্ (চিৎকার করা) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ঝুল্ (দোলা ) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- টান্ (আকর্ষণ) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ডর্ (ভীত হওয়া) অর্থে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
কোনটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ নয়?
  1. ব্যথার দান
  2. দোলনচাঁপা
  3. সোনার তরী
  4. শিউলিমালা
ব্যাখ্যা
• 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থ: 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে লেখা হয়েছে।
- 'সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের নাম-কবিতা।
- এ কবিতায় নিবিড়ভাবে মিশে আছে কবির জীবন দর্শন।
- সোনার তরী 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে রচিত।
- এর অধিকাংশ পঙক্তি ৮+৫ মাত্রার পূর্ণপর্বে বিন্যস্ত।

এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো :
- সোনার তরী,
- বিম্ববতী,
- বর্ষাযাপন,
- সুপ্তোত্থিতা,
- হিং টিং ছট,
- বসুন্ধরা,
- নিরুদ্দেশ যাত্রা।

----------------
অন্যদিকে,
- তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: দোলনচাঁপা। 

গল্পগ্রন্থ:
- ব্যথার দান,
- শিউলিমালা। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া, উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ)।
১১.
'ইতরবিশেষ’ বলতে বােঝায়— 
  1. দুর্বৃত্ত
  2. চালাকি 
  3. পার্থক্য
  4. অপদার্থ
ব্যাখ্যা
• ইতরবিশেষ (বিশেষ্য পদ),
- এটি সংস্কৃত শব্দ থেকে আগত।
অর্থ:
- সামান্য পার্থক্য।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা ও অর্থ:
• 'গভীর জলের মাছ' অর্থ - অতি চালাক।
• 'ঘটিরাম/অকাল কুষ্মাণ্ড' অর্থ - অপদার্থ।
• 'বকধার্মিক' অর্থ - ভণ্ড।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা শিক্ষা-ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির দৃষ্টান্ত কোনটি?
  1. গো + অক্ষ = গবাক্ষ
  2. পৌ + অক = পাবক
  3. বি + অঙ্গ = বঙ্গ
  4. যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র
ব্যাখ্যা
• নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
- কতগুলো সন্ধি এই নিয়মের অনুসরণ করে হয় না। সেগুলোকে নিপাতনেসিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে।
যেমন:
- কুল + অটা = কুলটা (কুলাটা নয়)। 
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ (গবক্ষ নয়)। 
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়)। 
- অন্য + অন্য = অন্যান্য। 
- মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড। 
- শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন। 

----------
অন্যদিকে,
পৌ + অক = পাবক। 
বি + অঙ্গ = বঙ্গ। 
যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র। 
উপর্যুক্ত শব্দগুলো স্বরসন্ধির নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৩.
নিচের কোন বাক্যটি প্রয়ােগগত দিক থেকে শুদ্ধ?
  1. আমি কারও সাতেও নেই, সতেরােতেও নেই।
  2. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
  3. তার দু'চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।
  4. সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম ।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: তার দু'চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।

অন্যান্য বাক্যগুলোর শুদ্ধরূপ -
• অশুদ্ধ বাক্য: আমি কারও সাতেও নেই, সতেরােতেও নেই।
• শুদ্ধ বাক্য: আমি কারও সাতেও নেই, পাঁচেও নেই।

• অশুদ্ধ বাক্য: আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত। 
• শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত। 

• অশুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম । 
• শুদ্ধ বাক্য: সারা জীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?
  1. দোষ স্বীকার করলে তােমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না।
  2. তিনি বেড়াতে এসে কেনাকাটা করলেন।
  3. মহৎ মানুষ বলে সবাই তাঁকে সম্মান করেন।
  4. ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী।
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।

- এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যৌগক বাক্য গঠনে শর্ত:
- যৌগিক বাক্যে কমপক্ষে দুটো খণ্ডবাক্য থাকবে।
- খণ্ডবাক্যগুলো পরস্পর নিরপেক্ষ বা স্বাধীন, এক অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়।
- খণ্ডবাক্যগুলো বিভিন্ন যোজক যোগে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। কখনো কখনো এগুলো উহ্যও থাকতে পারে।

যেমন:
- দোষ স্বীকার কর, তোমাকে শাস্তি দেয়া হবে না।
- ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী।
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- তিনি সত্যের পূজারি, এজন্য তিনি জগতের সর্বত্র আদৃত।
- সে ভালো ফল করেছে তাই আমরা আনন্দিত হয়েছি।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ৷
- অন্ধকার হয়ে এসেছে অথচ সে বাসাই ফিরেনি।
- এখনই যাও, নচেৎ তার দেখা পাবে না।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি এতে দোষের কিছু নেই।

[প্রশ্নে উল্লিখিত অন্যান্য বাক্যগুলো - সরল বাক্য।]

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য' কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?
  1. নেপালের রাজদরবার থেকে 
  2. গোয়ালঘর থেকে 
  3. পাঠশালা থেকে
  4. কান্তজীর মন্দির থেকে
ব্যাখ্যা
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
• বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত।
• ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্ৰী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কারের সময় গ্রন্থের প্রথম পৃষ্ঠায় এর কোনো নাম পাওয়া যায়নি। সম্পাদক বসন্তরঞ্জন রায় এর নাম দেন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। একে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভও বলা হয়।
• ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
• পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায়নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায়নি।
• কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
• এ কাব্যের প্রধন তিনটি চরিত্র- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি। 

• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। এগুলো হলো-
- জন্ম খণ্ড,
- তাম্বুল খণ্ড,
- দান খণ্ড,
- নৌকা খণ্ড,
- ভার খণ্ড,
- ছত্র খণ্ড,
- বৃন্দাবন খণ্ড,
- কালিয়দমন খণ্ড,
- যমুনা খণ্ড,
- হার খণ্ড,
- বাণ খণ্ড,
- বংশী খণ্ড ও
- বিরহ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬.
বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন?
  1. মারাঠি
  2. হিন্দি
  3. মৈথিলি
  4. গুজরাটি
ব্যাখ্যা
• 'বিদ্যাপতি' মূলত মৈথিলী ভাষার কবি ছিলেন। 

• বিদ্যাপতি:
- মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন বিদ্যাপতি। তিনি ছিলেন পঞ্চদশ শতকের কবি।
- কবির রচনায় মোহিত ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহ। এ জন্য সে বিদ্যাপতিকে 'কবিকন্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- ‘মৈথিল কোকিল’ বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।
• কোকিল যেমন সুললিত সুমধুর গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে, মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতিও মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।

- তিনি ছিলেন বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১৭.
'মনােরমা’ বঙ্কিমচন্দ্রের কোন উপন্যাসের চরিত্র? 
  1. কৃষ্ণকান্তের উইল
  2. দুর্গেশনন্দিনী
  3. মৃণালিনী
  4. বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা
• মৃণালিনী:
- ‘মৃণালিনী’ (১৮৬৯) ত্রয়োদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ ও তুর্কি আক্রমণ এর ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর দেশাত্মবোধ এবং ইতিহাস জিজ্ঞাসার প্রথম প্রকাশ এই উপন্যাসে।
- ঐতিহাসিক ঘটনার অন্তরালে হেমচন্দ্র-মৃণালিনী এবং পশুপতি-মনোরমার প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসে প্রধান হয়ে উঠেছে।
- ইতিহাসের উপাদান নিয়ে এখানে জীবনকে মুখ্য করা হয়েছে।

‘মৃণালিনী’ উপন্যাসের চরিত্র: 
- মনোরমা,
- পশুপতি,
- হেমচন্দ্র ও
- মৃণালিনী।

অন্যদিকে,
• রোহিনী, ভ্রমর এবং গোবিন্দলালের ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে। 
• দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো: বীরেন্দ্র সিংহ, ওসমান, জগৎসিংহ, তিলোত্তমা, আয়েশা। 
• বিষবৃক্ষ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ, হীরা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।

-------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম দিকে ছিলেন ব্রিটিশ উপনিবেশিক সরকারের একজন কর্মকর্তা, পরে হুগলির ডেপুটি কালেক্টর হন। 
- ১৮৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের যে দুজন ছাত্র বিএ পাস করেন, বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন তাঁদের একজন। 
- তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর পদে চাকরি করেন।
- তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ কর্তৃপক্ষ তাঁকে ১৮৯১ সালে 'রায়বাহাদুর' এবং ১৮৯৪ সালে 'Companion of the Most Eminent Order of the Indian Empire' (CMEOIE) উপাধি প্রদান করে। 
- চবিবশ পরগনা জেলার বারুইপুরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট থাকা অবস্থায় বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর প্রথম দুটি বিখ্যাত উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) ও 'কপালকুণ্ডলা' (১৮৬৬) রচনা করেন।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো:
- দুর্গেশনন্দিনী,
- কপালকুণ্ডলা,
- রাজসিংহ,
- রজনী,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- কৃষ্ণকান্তের উইল, 
- চন্দ্রশেখর,
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরাণী,
- সীতারাম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৮.
'ব্যক্ত প্রেম' ও 'গুপ্ত প্রেম' কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. খেয়া
  2. মানসী
  3. কল্পনা
  4. সােনার তরী
ব্যাখ্যা
• 'ব্যক্ত প্রেম' ও 'গুপ্ত প্রেম' কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের "মানসী" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 

• "মানসী" কাব্যগ্রন্থ:

- রবীন্দ্রনাথ রচিত "মানসী" কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত এবং গ্রন্থটি কবির কাব্যকলার পূর্ণ প্রতিষ্ঠামূলক কাব্যগ্রন্থ।
- তাই কবি বুদ্ধদেব বসু ‘মানসী’ কাব্যকে “রবীন্দ্র-কাব্যের অণুবিশ্ব বলেছেন”।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৬৬টি কবিতা রয়েছে।
- কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, “নূতন আবেষ্টনে এই কবিতাগুলি সহসা যেন নবদেহ ধারণ করল।”

• উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো-
- উপহার,
- নিস্ফল উপহার,
- ক্ষণিক মিলন,
- নিস্ফল কামনা,
- অহল্যার প্রতি,
- নবদম্পতির প্রেমালাপ,
- মানসিক অভিসার,
- পুরুষের উক্তি,
- নারীর উক্তি,
- ব্যক্ত প্রেম,
- গুপ্ত প্রেম,
- অনন্ত প্রেম,
- শেষ উপহার ইত্যাদি।

উৎস: ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
১৯.
'অভীক' রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক?
  1. নষ্টনীড়
  2. নামঞ্জুর গল্প
  3. রবিবার
  4. ল্যাবরেটরি
ব্যাখ্যা
• 'অভীক' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘রবিবার’ গল্পের প্রধান চরিত্র। 

• 'অভীক' চরিত্র বিষয়ক আলোচনা:
গল্পে অভয়াচরণ (অভীক) নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ পণ্ডিত ঘরের সন্তান। সে হয়ে উঠেছে ঘোর নাস্তিক। যত রকম নিয়মভঙ্গে সিদ্ধ। বেয়াদবি আচরণে তার যত উৎসাহ। সে যেমন কলকব্জা সারাতে পারে আবার ছবি আঁকতেও দক্ষ। নিষিদ্ধ মাংস খায়, অগাধ পয়সা থাকা সত্ত্বেও কারখানায় শৌখিন মজদুরি করে। গ্যাঁটের পয়সা খরচা করে নিজের আঁকা ছবির প্রদর্শনী করে প্রশংসা পাবে বলে।

----------------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর ছোটগল্পসমূহ:
- বাংলা ছোট গল্পের জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১১৯ টি ছোট গল্প রচনা করেন।
- তার রচিত প্রথম ছোট গল্প ‘ভিখারিনী’।
- ‘ভারতী’ পত্রিকার ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায় প্রকাশিত হয় - রবীন্দ্রনাথের ভিখারিণী গল্পটি।
- এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে মাত্র ষোলো বছর বয়েসেই রবীন্দ্রনাথ ছোট গল্পকার হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মোট ৫টি গল্পগ্রন্থ রয়েছে। এগুলো হলো: 
• গল্পগুচ্ছ,
• লিপিকা,
• সে,
• তিন সঙ্গী,
• গল্পসল্প।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প: 
- দেনাপাওনা,
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা,
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ,
- অনধিকার প্রবেশ। 

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত চারটি অতিপ্রাকৃতিক গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীতে,
- মণিহারা,
- কঙ্কাল।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প: 
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি।

উৎস: রবিবার’ গল্প; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
'সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।'- কার রচিত পংক্তি?
  1. রজনীকান্ত সেন
  2. ইসমাইল হােসেন সিরাজী
  3. কামিনী রায়
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
ব্যাখ্যা

• 'সকলের তরে সকলে আমরা / প্রত্যেকে আমরা পরের তরে'- পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা- কামিনী রায়।

সুখ - কবিতা
কামিনী রায়
"আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
আসে নাই কেহ অবনী পরে,
সকলের তরে সকলে আমরা
প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।"

----------------
• কামিনী রায়:
- তিনি ১৮৬৪ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কলকাতার বেথুন কলেজ থেকে সংস্কৃতে অনার্স সহ বি.এ পাস করেন। সেই কলেজেই অধ্যাপনা করেন।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৯ সালে 'জগত্তারিণী' পদক পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- আলো ও ছায়া,
- নির্মাল্য,
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন,
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোক সংগীত (সনেট সংগ্রহ),
- অম্বা (নাট্যকাব্য),
- দীপ ও ধূপ,
- জীবন পথে।

উৎস: 'সুখ' কবিতা; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২১.
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।'—এই মনােবাঞ্ছাটি কার?
  1. ভবানন্দের
  2. ভাঁড়ুদত্তের
  3. ঈশ্বরী পাটনীর
  4. ফুল্লরার
ব্যাখ্যা
“আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে”- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের অমর এই উক্তি তথা প্রার্থনাটি করেছে ঈশ্বরী পাটনী।
- যখন দেবী অন্নদা তার খেয়া নৌকায় নদী পার হয়ে বর চাইতে বলে ঈশ্বরী পাটনীকে, তখন ঈশ্বরী পাটনী এই প্রার্থনাটি করে।

---------------------
• ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি ‘অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ ‘বিদ্যাসুন্দর'।
- ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: ‘অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

• এই কাব্যের প্রধান চরিত্র:
- মানসিংহ,
- ভবানন্দ,
- বিদ্যাসুন্দর,
- মালিনী,
- ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।

অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি হলো:
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?
- যতন নহিলে নাহি মিলয়ে রতন।
- কড়িতে বাঘের দুধ মিলে।
- না রবে প্রাসাদগুণ না হবে রসাল, অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল।
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
২২.
নিচের কোন কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক?
  1. বিষের বাঁশী
  2. অগ্নি-বীণা
  3. সিন্ধু-হিন্দোল
  4. চক্রবাক
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যে উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনা সম্পর্কিত আলোচনা:
-  উদারতাবাদের ইংরেজি Liberalism উদ্ভব হয়েছে লাতিন শব্দ liberalis থেকে। 
- উদারনীতিবাদের সাধারণ অর্থ হলো রাষ্ট্রীয় কতৃত্ববাদ এর বিরুদ্ধে ব্যক্তিস্বাধীনতা নীতি প্রতিষ্ঠা করা।

'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ:
- কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্য ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন বিশেষভাবে দেখা যায় 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থে। 
- 'অগ্নিবীণা' তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং এটি মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক দ্রোহ, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, মানবিক সাম্য ও উদারনৈতিক মানবতাবোধের স্বর তুলে ধরে। 
- এই কাব্যগ্রন্থে তার বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী' ও 'আগমনী' সহ বিভিন্ন কবিতা রয়েছে যেগুলি মানবতাবাদী ও উদারনৈতিক চেতনার সুস্পষ্ট নিদর্শন।
- এ কাব্যের ১২টি কবিতার মধ্যে সাতটি ইসলামী ঐতিহ্য, তিনটি বিশুদ্ধ হিন্দু ঐতিহ্য এবং দুটি কবিতা হিন্দু-মুসলিম উভয় ঐতিহ্যের মিশ্রণে রচিত। 
- কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্য ও জীবনবােধের প্রসঙ্গে খোদার আসন, আরশ ছেদিয়া, বোররাক, জিব্রাইল, হাবিয়া-দোযখ, প্রভৃতি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। 
- অন্যদিকে, এই কাব্যের কবিতায় নটরাজ ধূর্জটি, হােমশিখা, জমদগ্নি, ইন্দ্রানী, কৃষ্ণ-কন্ঠ, ব্যোমকেশ, ইশান, শ্যাম, বিষ্ণু, পরশুরাম, বলরাম, ভৃগু প্রভৃতি শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কাজী নজরুলের সচেতন প্রয়াস লক্ষ করা যায়।  

• অগ্নি-বীণা কাব্যে ১২ টি কবিতা আছে।বিষয়বস্তুর জায়গা থেকে কবিতাগুলোকে ৪ ভাগে বিভক্ত করা যায়।
যেমন:
- ১. দ্রোহ, বিপ্লব ও আমিত্ব: প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, ধূমকেতু।
- ২. সময় ও যুদ্ধ: কামাল পাশা, আনোয়ার, রণভেরী, শাত-ইল- আরব।
- ৩. মুসলিম ঐতিহ্য: মোহররম, কোরবানী, খেয়াপারের তরণী। 
- ৪. হিন্দু ঐতিহ্য: রক্তাম্বরধারিণী মা, আগমনী।

----------------------- 
• বিষের বাঁশী:
- ১৩৩১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণে (আগস্ট, ১৯২৪) ‘বিষের বাঁশী’ প্রকাশ করেন কবি নিজেই। সে বছরই সরকার গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করে।
- এটি নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধকৃত কাব্যগ্রন্থ। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহৃত হয়েছিল ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৭শে এপ্রিল।
- এ গ্রন্থের কবিতাগুলাে উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার অন্তর্গত।
- কাজী নজরুলের কবিতার বলিষ্ঠতা, যৌবনের উদ্দাম শক্তি, উদার মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা এবং গীতি প্রতিভার সমস্ত বৈশিষ্ট্য এই কাব্যে পরিস্ফুট হয়েছে।

এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- বন্দী-বন্দনা,
- উদ্‌বোধন,
- উৎসর্গ,
- চরকার গান,
- জাতের বজ্জাতি,
- বন্দনা-গান,
- বিদ্রোহীর বাণী,
- মুক্ত-পিঞ্জর,
- যুগান্তরের গান,
- শিকল-পরার গান।
-----------------------

পরিশেষে বলা যায়, 
• 'বিষের বাঁশী' কাব্যগ্রন্থও উদার নৈতিক ঐতিহ্য ও মানবতাবাদের চিন্তাধারা বহন করে, তবে এটি বেশি প্রকাশিত হয়েছে সামাজিক দ্রোহ ও বিপ্লবী চেতনার মাধ্যমে।
• অন্যদিকে, 'অগ্নিবীণা' তাঁর উদারনৈতিক ও মানবতাবাদী ভাবনার আরও গভীর ও ব্যাপক প্রকাশ ঘটায়।
তাই, কাজী নজরুল ইসলামের উদার নৈতিক ঐতিহ্য ভাবনার ধারক হিসেবে 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থকে অধিক উল্লেখযোগ্য বলা যেতে পারে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া, লাইভ এমসিকিউ লেকচার-১৪।
২৩.
নিচের কোনটি বিশ শতকের পত্রিকা?
  1. শনিবারের চিঠি
  2. বঙ্গদর্শন
  3. তত্ত্ববােধিনী
  4. সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা
• 'শনিবারের চিঠি' পত্রিকা:
- শনিবারের চিঠি স্যাটায়ার ধর্মী সাহিত্যিক পত্রিকা। প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক পরে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল হাস্য কৌতুকের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্য-চর্চাকে আক্রমণ করা।
- প্রথম প্রকাশিত হয় - ১৯২৪ সালে।
- পত্রিকাটি ১৯৩০ - ৪০ এর দশকে কলকাতা কেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্যের জগতে বেশ আলোড়ন তুলেছিলো। এই পত্রিকার সঙ্গে কল্লোল গোষ্ঠীর দ্বন্দ ছিলো আক্রমণাত্মক; তবে তৎকালীন সাহিত্যকে বিশেষভাবে পত্রিকাটি অনুপ্রাণিত করেছিল।
- পত্রিকার প্রাণপুরুষ ছিলেন - সজনীকান্ত দাস। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পত্রিকাটির প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

------------------
• 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা:
- ১৮৭২ সালে  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) কর্তৃক 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উনিশ শতকের  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
- পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।

------------------
• 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা:
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র।
- ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় ও অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা।
- এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

-----------------
• 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে,
- শনিবারের চিঠি পত্রিকাটি বিশ শতকে প্রকাশিত হয়।
- অন্যদিকে, বঙ্গদর্শন, তত্ত্ববোধিনী ও সংবাদ প্রভাকর - উনিশ শতকের পত্রিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৪.
'খােকা' ও 'রঞ্জু' মাহমুদুল হক-এর কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. কালাে বরফ
  2. খেলাঘর
  3. অনুর পাঠশালা
  4. জীবন আমার বােন
ব্যাখ্যা
• 'জীবন আমার বোন' উপন্যাস:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'জীবন আমার বোন' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে।
- জাহিদুল কবির 'খোকা' নামের এক নির্লিপ্ত ও জীবন পলাতক মানুষকে কেন্দ্রে স্থাপন করে মাহমুদুল হক উপন্যাসটি রচনা করেন।

 উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র:
- মুরাদ,
- রহমান,
- রঞ্জু,
- ইয়াসিন,
- জাহিদুল করিম,
- খোকা প্রমুখ।

-----------------
• মাহমুদুল হক:
- তিনি ১৯৪০ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর লিখনশৈলী ও শব্দচয়নের মুনশিয়ানা ছিল চমকপ্রদ।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কালো বরফ (এই উপন্যাসে দেশবিভাগের কাহিনী ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে)।
- জীবন আমার বোন (এই উপন্যাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রচিত)।
- খেলাঘর,
- অনুর পাঠশালা,
- নিরাপদ তন্দ্রা,
- অশরীরী,
- পাতালপুরী,
- মাটির জাহাজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'জীবন আমার বোন' উপন্যাস।
২৫.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নাটক কোনটি?
  1. কবর
  2. বহিপীর
  3. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  4. ওরা কদম আলী
ব্যাখ্যা
• 'বহিপীর' নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত নাটক 'বহিপীর' ১৯৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গড়ে উঠেছে বহিপীরের সর্বগ্রাসী স্বার্থ ও নতুন দিনের প্রতীক এক বালিকার বিদ্রোহের কাহিনীকে কেন্দ্র করে।
- নাটকের এই কেন্দ্রীয় চরিত্রটির নাম অনুসারেই নাটকের নামকরণ করা হয়েছে বহিপীর।
- এখানে ধর্মকে ভণ্ডবহিপীর ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- বহিপীর,
- তাহেরা,
- হাতেম,
- আমেনা,
- হাশেম।

-----------------------
অন্যদিকে,
• 'কবর' নাটকের রচয়িতা অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী। 'কবর' নাটকের পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
• সৈয়দ শামসুল হকের 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি কাব্য নাটক।
• মামুনুর রশীদ রচিত নাটক হচ্ছে ওরা কদম আলী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬.
মীর মশাররফ হােসেনের ‘বিষাদসিন্ধু' একটি -
  1. মহাকাব্য
  2. ইতিহাস গ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. ইতিহাস-আশ্রিত জীবনীগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• বিষাদ সিন্ধু:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।

------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার। নিজগৃহে মুনশির নিকট আরবি ও ফারসি শেখার মাধ্যমে মশাররফ হোসেনের লেখাপড়ার  হাতেখড়ি হয়।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায়  সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির  গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু। গ্রামবার্তার সম্পাদক  কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু। পরে তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী বিবি কুলসুমও এক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখেন।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়। 
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার চার বছর পর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়। 

নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

উপন্যাস:
- বিষাদ সিন্ধু। 

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৭.
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-
  1. আবদুল কাদের
  2. খতিব মিয়া
  3. আক্কাস আলী
  4. আরেফ আলী
ব্যাখ্যা
• ‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪) উপন্যাসটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচনা করেন।
- এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য
বিষয়।

--------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহ্‘র প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনুদিত হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।
• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৮.
'মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।' - পংক্তিটির রচয়িতা-
  1. বিদ্যাপতি
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গােবিন্দদাস
  4. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
ব্যাখ্যা
• 'মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান।' পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি তাঁর রচিত 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' কাব্যের অন্তর্গত 'মরণ' কবিতার অংশবিশেষ।

মরণ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মরণ রে,
তুঁহু মম শ্যামসমান।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট,
তাপবিমোচন করুণ কোর তব
মৃত্যু-অমৃত করে দান।
তুঁহু মম শ্যামসমান।।

• “ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী” কাব্যের সারসংক্ষেপ:
- ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বৈষ্ণব পদাবলির ধারার এবং ব্রজবুলি ভাষায় লিখিত একটি কাব্য।
- ১২৯১ সনে আষাঢ়ের মাঝামাঝি এ কাব্যটির প্রকাশকালে কবির নাম হিসেবে আখ্যাপত্রে লিখিত হয় ভানুসিংহ ঠাকুর। আর গ্রন্থটির প্রকাশক হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।                                                                                                                                      
- প্রকাশকের বিজ্ঞাপনে বলা হয়: ভানুসিংহের পদাবলী শৈশব সঙ্গীতের আনুষঙ্গিক স্বরূপে প্রকাশিত হইল। ইহার অধিকাংশই পুরাতন কালের খাতা হইতে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছি।
- ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' গ্রন্থে বর্তমানে মোট ২০টি পদ রয়েছে।
-  উল্লেখযোগ্য কবিতা- মরণ, প্রশ্ন।
- ‘মরণ’ কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি: "মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যামসমান।"

উৎস: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী কাব্যগ্রন্থ এবং 'মরণ' কবিতা। 
২৯.
Select the appropriate preposition:
‘Are you doing’ anything special ___ the weekend?’
  1. at
  2. with
  3. on
  4. for
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - at.
- Complete sentence: Are you doing anything special at the weekend?’
- bangla Meaning: আপনি কি সপ্তাহান্তে কোনো বিশেষ কিছু করছেন?

• সপ্তাহের বন্ধের দিনগুলোকে weekend বলা হয়।
- পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে শনিবার ও রবিবার। আমাদের দেশে শুক্রবার ও শনিবার। 
- British English অনুযায়ী at the weekend/over the weekend হবে।
- American English অনুযায়ী on the weekend হবে।
- আমাদের দেশে Written English এ British English অনুসরণ করা হয়।

• এছাড়া, সময় নির্দিষ্ট করে বুঝাতে at preposition ব্যবহৃত হয়।
- the weekend বা সাপ্তাহিক ছুটি যেহেতু নির্দিষ্ট সময় তাই এর পূর্বে at হবে।
- তাই সঠিক উত্তর (ক)।
৩০.
The word 'equivocation' refers to -
  1. stating like an author
  2. two contradictory things in the same statement
  3. free expression of opinions
  4. a true statement
ব্যাখ্যা
• 'Equivocation' means - Two contrary things in the same statement.

• Equivocation (noun):
Meaning: The use of ambiguous language to conceal the truth or to avoid committing oneself; prevarication/To contrary things in the same statement.
Bengali meaning: কথার দুটি অর্থ হয় এমন ভাব; বাকচাতুরী।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) stating like an author - একজন লেখকের মত বর্ণনা করা।
খ) Free expression of opinions - মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা।
গ) A true statement  - একটি সত্য বক্তব্য।

Source:
1. Oxford Learner's  Dictionary
Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
"Life's but a walking shadow, a poor player,
That struts and frets his hour upon the stage,
And then is heard no more;”
These memorable lines in Shakespearean tragedy are spoken by -
  1. Lady Macbeth
  2. Banquo
  3. Duncan
  4. Macbeth
ব্যাখ্যা
• Macbeth is the character who famously declares 'Life's but a walking shadow, a poor player...'.
- It appears in Act V, Scene 5.

• Macbeth হচ্ছে William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ Tragedy এবং Macbeth হল এর মূল চরিত্র/ tragic hero.
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General.
- Banquo is a thane in Duncan's army, and at first a friend to Macbeth
- নাটকে দেখা যায় তিনজন ডাইনী সেনাপতি Macbeth এর সাথে দেখা করে এবং সে ভবিষ্যতে Scotland এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজা হবে।
- ভবিষ্যদ্বণীতে আরো বলা ছিলো যে পরবর্বতীতে রাজত্ব পাবে অপর সেনাপতি Banquo.
-  এই ভবিষ্যদ্বাণীর কথা Macbeth যখন lady Macbeth কে জানায় , তখন লোভের বর্শবর্তী হয়ে Lady Macbeth, Macbeth কে প্ররোচনা দেয় রাজা Duncan কে হত্যা করতে।
- স্ত্রীর কুমন্ত্রণায় ক্ষমতার লোভে পরে তিনি প্রথমে রাজা ডানকান, ব্যাংকোকে হত্যা করে এবং পরবর্তীতে আরো অনেক কে হত্যা করতে বাধ্য হোন।
- Civil war erupts to overthrow Macbeth, resulting in more deaths.
• এই tragedy টি ১৬০৭-০৭ সালের দিকে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
 -Shakespeare রচিত Tragedy গুলোর  মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত এটি। 
- এই নাটকটি Shakespeare এর ‘Scottish Play ’ নামেও পরিচিত।

• Its important characters are - 
- Macbeth,
- Lady Macbeth,
- Duncan,
- Banquo,
- Three Witches, etc.

• Some famous quotations of Macbeth - 
- 'Fair is foul, and foul is fair.'
- 'All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand'
- 'Life is but a walking shadow.'
- 'What's done cannot be undone'
- 'Life is but a walking shadow, a poor player'.
- "What's done can't be undone." 
- 'Is this a dagger which I see before me, the handle toward my hand?' 
- "Look like an innocent flower But be the serpent under it."

Source: Britannica and Sparksnotes and Live MCQ Lecture.
৩২.
Which of the following words is spelt correctly?
  1. authoratative
  2. autheritative
  3. authoritative
  4. authoratative.
ব্যাখ্যা
• The Correct spelling is Authoritative.

Authoritative (Adjective):
Meaning: Able to be trusted as being accurate or true; reliable: Commanding and self-confident; likely to be respected and obeyed.
Bangla Meaning:  অধিকার আছে এমন; অধিকারবলে প্রদত্ত; আধিকারিক; কর্তৃপক্ষীয়।

Example Sentence: The teacher spoke in an authoritative tone to maintain discipline in the classroom.
Bangla Meaning: শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দৃঢ় ও কর্তৃত্বপূর্ণ সুরে কথা বললেন।


Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৩.
Find out the active form of the sentence:
"By whom can our country be saved?"
  1. Who can save our country?
  2. Our country has been saved by who?
  3. Who save our country?
  4. Who will save our country?
ব্যাখ্যা
• Passive: By whom can our country be saved?
• Active: Who can save our country?

• Passive Voice এ By whom থাকলে Active Voice করতে হলে –
i) Subject হিসেবে Who বসে।
ii) কোনো Modal Auxiliary থাকলে তা who এর পরে বসবে। (এখানে can)
iii) be বাদ যাবে।
iv) বাদ যাওয়া be verb যে Form এ ছিল, মূল Verb- ঐ form এ বসবে। এখানে be verb – Base Form এ ছিল, তাই মূল verb ও base form এ বসবে (save)। 
v) Passive Voice এর Subject - Object হয়ে বসবে। (Our country) এ হিসেবে সঠিক উত্তর (ক)।
৩৪.
"All changed, changed utterly:
A terrible beauty is born.”
This extract is taken from W. B. Yeats' poem titled—
  1. No Second Troy
  2. Easter 1916
  3. The Second Coming
  4. The Wild Swans at Coole
ব্যাখ্যা
• "All changed, changed utterly: A terrible beauty is born." - এই উক্তিটি William Butler Yeats এর "Easter 1916" কবিতার অংশ।

• Easter 1916:
- কবিতাটি William Butler Yeats লিখিত।
-১৯১৬ সালের এপ্রিলে British Colonialism এর বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডে যে গণঅভ্যুত্থান হয়, তাকে কেন্দ্র করে Easter 1916 কবিতাটি লেখা হয়।
- এখানে শহীদদের আত্মত্যাগ এর কথা বর্ণিত হয়েছে।
- It commemorates the lives lost at the Easter Uprising in 1916, Dublin, and immortalizes several names of key leaders in the movement, some of whom Yeats knew personally.

• William Butler Yeats:
• He is an Irish Poet
- তাঁকে Ireland এর National poet  বলা হয়ে থাকে।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B. Yeats was first awarded the Nobel Prize in Literature as the first Irishman.
-১৯২৩ সালে সাহিত্যে Nobel Prize লাভ করেন।  
- Abbey Theatre হচ্ছে W. B. Yeats প্রতিষ্ঠাকৃত Irish National Theatre Society.
- মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

• Major Poems:
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- The Winding Stair and Other poems,
- The Second Coming,
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- Easter 1916,
- September 1919,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan.

• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে - 
- The Resurrection,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Four Plays for Dancers,
- Calvary,
- Cathleen ni Houlihan,
- The Countess Cathleen.

• Prose
- A Vision,
- Celtic Twilight (essay).
৩৫.
Identify the correct passive form:
‘Do not close the door.’
  1. Let not the door close.
  2. Let not the door be closed.
  3. Let not the door close
  4. Let not door closed.
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের Correct Passive Voice হচ্ছে Let not the door be shut.

• Do not দিয়ে শুরু যুক্ত Imperative Sentence কে Passive Voice করতে হলে – 
i) বাক্যের শুরুতে Let বসে। 
ii) Active Voice এ Do not থাকলে Passive Voice এ শুধু not বসে।
iii) Active Voice এর Object – Subject এর স্থানে বসে।
iv) be বসে।
v) মূল Verb এর Past Participle বসে।

• Active: Do not close the door.
• Passive: Let not the door be closed.
৩৬.
The poetic drama ‘Murder in the Cathedral’ was written by—
  1. Harold Pinter
  2. G. B. Shaw
  3. T. S. Eliot
  4. Samuel Beckett
ব্যাখ্যা
• 'Murder in the Cathedral':
- T.S Eliot wrote the drama, 'Murder in the Cathedral'.
- The play was performed at Canterbury Cathedral in 1935 and published the same year.
- এটা মূলত: T.S Eliot রচিত একটি  Poetic Drama।
- নাটকটি দুইটি ভাগে বিভক্ত। 
- St. Thomas Becket কে Canterbury Cathedral বা গীর্জাতে রাজা হেনরি কর্তৃক অন্যায় ভাবে নিহত করার ঘটনাটি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- এজন্য এই নাটকটিকে Miracle Play বা Saint’s Play ও বলা হয়ে থাকে।

• Characters: 
- Second Tempter,
- Third Tempter,
- First Tempter,
- Thomas Becket,
- King Henry II, etc.

• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
-  He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best works:
•  Poems:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem),

• His well known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৩৭.
'All for Love' is a drama written by—
  1. John Dryden
  2. William Congreve
  3. John Bunyan
  4. Francis Bacon
ব্যাখ্যা
• 'All for Love' is a tragedy written by John Dryden.
- The play is a retelling of the story of Antony and Cleopatra.
- Shakespeare এর Antony and Cleopatra এর উপর ভিত্তি করে Blank Verse এ লেখা হয়েছে এই tragedy টি।
- Antony and Cleopatra , এই ট্র্যাজিডির দুই কেন্দ্রীয় চরিত্রের মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে নাটকটির সমাপ্তি ঘটে।
- এটি John Dryden অন্যতম সাহিত্যকর্ম।

• Characters: 
- Antony,
- Cleopatra,
- Ventidius,
- Dollabella,
- Alexas,
- Octavius,
- Octavia,
- Charmion, etc.

• John Dryden হচ্ছেন The restoration Period এর একজন English poet, dramatist, and literary critic, যিনি তাঁর সময়ের সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে এতটাই আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন যে, তাঁর যুগটিকে 'The Age of Dryden' হিসাবেও ধরা হয়।

• John Dryden রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্ম সমূহ -
- Absalom and Achitophel,
- Annus Mirabilis,
- Astraea Redux,
- The Essay of Dramatic Poesy,
- Aureng-Zebe,
- Fables Ancient and Modern,
- King Arthur,
- Mac Flecknoe,
- Marriage a-la-Mode,
- Of Dramatic Poesie, an Essay,
- Religio Laici; or A Layman’s Faith,
- Secret Love, or the Maiden Queen,
- The Conquest of Granada of the Spaniards,
- The Hind and the Panther,
- The Indian Emperour,
- The Indian Queen,
- The Medall,
- The Wild Gallant,
- To His Sacred Majesty, etc.

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.
৩৮.
Sitting happily, the chicken laid eggs.
The underlined part is a/an—
  1. noun clause
  2. subordinate clause
  3. independent clause
  4. coordinate clause
ব্যাখ্যা
- Underlined অংশটি একটি Phrase, এটি কোনো Clause নয়, কারণ Clause বলতে বোঝায় বাক্যের একটি অংশ যার মধ্যে Subject ও Finite Verb থাকে।  
- তথাপি এটাকে Function এর বিচারে আমরা Clause ধরে নিলে, এটাকে subordinate clause বলতে হবে।
- কারণ এটা laid (ডিম পাড়া) – Verb কে Modify করছে, তাই এটা Adverb হিসেবে কাজ করছে।
- আর Adverb Clause এক ধরনের subordinate clause.
৩৯.
Identify the right tense: 'My father _____ before I came'.
  1. would be leaving
  2. had been leaving
  3. had left
  4. will leave
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হচ্ছে - came.
- Complete sentence: My father had left before I came.
- Bangla Meaning: আমি আসার আগে আমার বাবা চলে গিয়েছিলেন।

• দুইটি clause যদি before দ্বারা যুক্ত থাকে তাহলে  before এর পূর্বের  clause টিতে verb এর past perfect এবং পরের  clause টিতে past indefinite tense হয়।
- We had reached the school before the ball rang.
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যটিতে before এর আগের অংশ Past perfect tense এ আছে, তাই পরের অংশে past indefinite.

• আবার,
- যদি before দ্বারা যুক্ত প্রথম clauseটি future perfect tense এ হয়, তবে পরের  clause টিতে present indefinite tense হবে।
যেমন:  We shall have reached the school before the bell rings.
৪০.
'He prayeth best, who loveth best.’ —Who said it?
  1. John Milton
  2. John Donne
  3. Lord Byron
  4. S.T. Coleridge
ব্যাখ্যা
• S.T. Coleridge said, "He prayeth best, who loveth best".

• Samuel Taylor Coleridge wrote, "He prayeth best, who loveth best, All things both great and small." in his most famous poem 'The Rime of the Ancient Mariner.'
- 'The Rime of the Ancient Mariner' is a Lyric poem.
-  কবিতায় Albatross নামক একটি পাখিকে কোনো কারণ ছাড়াই হত্যা করে এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়শ্চিত্ত করে যেতে হয়।এভাবেই কবিতার কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
- The title character detains one of three young men on their way to a wedding feast and mesmerizes him with the story of his youthful experience at sea—his slaughter of an albatross, the deaths of his fellow sailors, his suffering, and his eventual redemption.
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা এবং এটি সর্বপ্রথম 'Lyrical Ballads' এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• এই কবিতার কিছু বিখ্যাত উক্তি -
• ''Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea.''

• ''Water, water everywhere,
Not any drop to drink.''

• "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small."

• 'A sadder and a wiser man,
He rose the morrow morn.'

• The important character of this poem -
- The Mariner,
- Wedding Guest,
- Albatross,
- The Nightmare,
- Death,
- Life in Death.

• Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- তাঁকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography);
- Christabel (Poem);
- Dejection: An Ode (Poem);
- Frost at Midnight (Poem);
- Kubla Khan (poem);
- Lyrical Ballads (Book);
- The Rime of the Ancient Marine (Poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৪১.
Identify the appropriate preposition:
Your opinion is identical __ mine.
  1. for
  2. in
  3. with
  4. by
ব্যাখ্যা

• Identical অর্থ – পুরোপুরি একই রকম। এর পর to অথবা with ব্যবহৃত হয়।
- অপশনে to না থাকায় সঠিক উত্তর with হয়েছে।

Identical (adjective):
English Meaning: 
1. Similar in every detail; exactly alike.
2. Expressing an identity.
Bangla Meaning:
1. এক; অভিন্ন; অভিন্নরূপ; অভিন্ন সত্তা।
2. হুবহু অনুরূপ; সর্বতোভাবে একরূপ; তুল্যমূল্য; অনন্যরূপ। 

• Identical to somebody/something: Her dress is almost identical to mine.
- Identical with somebody/something: The name on the ticket should be identical with the one in the passport.

Source: Oxford Learner's Dictionary.

৪২.
Who wrote the short story 'The Ant and the Grasshopper'?
  1. Guy de Maupassant
  2. W. Somerset Maugham
  3. J. K. Rawlings
  4. O' Henry
ব্যাখ্যা
• The Ant and The Grasshopper:
- Written by William Somerset Maugham.
- এটি একটি short story.
- William Somerset Maugham তাঁর এই ছোট গল্পটির নামকরণ করেছেন famous Aesop fable এর একটি fable এর নামানুসারে।
- The story presents a more balanced view of the world.

• William Somerset Maugham was an outstanding English novelist and storyteller.
- Maugham was a keen observer of life and an ardent student of human nature. In his writings, his aim was to present life as it really is.

• Famous Novels:
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick.

• Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

Source: Britannica.
৪৩.
The word 'vital' is a/an—
  1. noun
  2. adverb
  3. adjective
  4. verb
ব্যাখ্যা
Vital (Adjective):
English Meaning:
1. Absolutely necessary; essential.
2. Indispensable to the continuance of life.
3. Full of energy; lively.

Bangla Meaning:
১. জীবনসম্পৃক্ত; জীবনসম্বন্ধীয়; জীবনের জন্য অপরিহার্য; জৈবনিক; জীবনীয়; জীবনসাধক।
২. অপরিহার্য; চরম; আত্যন্তিক; বিশেষ প্রয়োজনীয়।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৪.
The synonym for 'panoramic' is—
  1. scenic
  2. narrow
  3. limited
  4. restricted
ব্যাখ্যা
• Panoramic (Adjective)
English Meaning: a view of a wide area:
Bangla Meaning: বিস্তৃত অবাধ দৃশ্যপট; ক্রমাগত চলমান দৃশ্য। 

• Synonyms:
- Wide-ranging, extensive, scenic, broad, far-reaching, overall, comprehensive, sweeping, all-encompassing, all-embracing, inclusive, general
• Antonyms:
- Restricted, narrow, limited

• অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Scenic- মনোরম নৈসর্গিক দৃশ্যসংবলিত।
খ) Narrow -  সংকীর্ণ; অপ্রশস্ত; সরু; চাপা; অনায়ত।
গ) Limited - নিয়ন্ত্রিত; বাধাপ্রাপ্ত; সংকীর্ণ; সীমিত; সীমাবদ্ধ।
ঘ) Restricted -  সীমিত করা; সীমাবদ্ধ রাখা।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Scenic শব্দটি Panoramic এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary.
৪৫.
The antonym for 'slothful' is—
  1. playful
  2. sluggish
  3. energetic
  4. quarrelsome
ব্যাখ্যা
• Slothful (Adjective)
English Meaning: Lazy.
Bangla Meaning: - নিষ্ক্রিয়; অলস।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর অর্থ - 
ক) playful (adjective)
- কৌতুকপূর্ণ; সকৌতুক; লীলাপর; ক্রীড়াপর; ক্রীড়াপরায়ণ। 

খ) sluggish (adjective)
- নিষ্ক্রিয়; মন্থরগতি। 

গ) energetic (adjective)
- কর্মশক্তিসম্পন্ন; উদ্যমী।

ঘ) quarrelsome (adjective)
- ঝগড়াটে; বদরাগী।

সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে energetic শব্দটি Slothful এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। 
তাই সঠিক উত্তর - energetic.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary.
৪৬.
'By and large' means—
  1. everywhere
  2. very large
  3. mostly
  4. far away
ব্যাখ্যা
• 'By and large' (Phrase)
English Meaning: On the whole/ Everything considered/ mostly.
Bengali Meaning: সাধারনভাবে বলতে গেলে/সবকিছু বিবেচনায়/ প্রায় সবই।

Ex. Sentence:
Mammals have, by and large, bigger brains than reptiles
Bangla Meaning: স্তন্যপায়ীদের মস্তিষ্ক সাধারণত সরীসৃপদের মস্তিষ্কের চেয়ে বড় হয়।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) everywhere - সর্বত্র
খ) very large - অনেক বড়
গ) mostly - প্রধানত,  প্রায় সবই; সাধারণত; সচরাচর; বেশির ভাগ
ঘ) far away - অনেক দূরে

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - mostly শব্দটি By and Large, phrase টির সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
- তাই সঠিক উত্তর - mostly.

Source: Live MCQ Lecture.
৪৭.
‘He could not win but learnt a lot.' Which part of speech is the word 'but'?
  1. an adverb
  2. a verb
  3. an adjective
  4. a conjunction
ব্যাখ্যা
• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে but দ্বারা "He could not win" এবং "learnt a lot" দুইটি independent clause কে সংযুক্ত হয়েছে।
- তাই এখানে but হচ্ছে conjunction.

- But (Conjunction): কিন্তু; তবে।
- Used to indicate the impossibility of anything other than what is being stated.
- Used to introduce a response expressing a feeling such as surprise or anger.
- Used to introduce a phrase or clause contrasting with what has already been mentioned.
• Example:
- He never writes a word but he carefully weighs.
- এখানে 'but' হচ্ছে conjunction কারণ দুটি বাক্যাংশকে যুক্ত করেছে।

• অন্যদিকে,
• But (preposition):
Meaning - ব্যতিরেকে, ছাড়া।

• Everyone but Sarah attended the meeting.
- সারা ব্যতীত সকলেই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- এখানে 'but' হচ্ছে preposition কারণ 'but' শব্দটি noun (Sarah) এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে।

• But (adverb) - শুধু; কেবল; মাত্র।
- জোড় দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Used as No more than; only.
- He is but a shadow of his former self - এই বাক্যে 'but' is an Adverb

• But (pronoun) - এমন কেউ/কিছু যে/যা....না।
- There is not one of them but wants to deceive us.
- এখানে 'but' হচ্ছে pronoun কারণ noun এর বিকল্প হিসেবে বসেছে।

Source:
1. Cambridge Dictionary,
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Merriam-Webster Dictionary..
৪৮.
2log105 + log1036 - log109 =?
  1. 2
  2. 100
  3. 37
  4. 4.6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2log105 + log1036 - log109 =?

সমাধান:
2log105 + log1036 - log10
= log1052 + log1062 - log1032 [ plogkM = logkMp]
= log10 {(52×62)/32} [logkM + logkN = logk(MN), logkM - logkN = logk(M/N)]
= log10{(25 × 36)/9}
= log10100
= log10102
= 2log1010
= 2 × 1
= 2
৪৯.
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?
  1. লাভ ২৫%
  2. ক্ষতি ২৫%
  3. লাভ ১০%
  4. ক্ষতি ৫০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্যের দ্বিগুণ হলে শতকরা লাভ বা ক্ষতির পরিমাণ কত?

সমাধান:
ধরি,
বিক্রয়মূল্য x টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্য ২x টাকা
তাহলে, ক্ষতি = (২x - x) = x টাকা

এখন, 
২x টাকায় ক্ষতি হয় x টাকা
∴ 1 টাকায় ক্ষতি হয় x/২x টাকা
∴ 100 টাকায় ক্ষতি হয় (x × ১০০)/২x টাকা
= ৫০ টাকা বা ৫০%
৫০.
একটি ফাংশন f: R⇒R, f(x) = 2x + 1 দ্বারা সংজ্ঞায়িত হলে f-1(2) এর মান কত?
  1. 0
  2. 1/2
  3. 5
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ফাংশন f: R⇒R, f(x) = 2x + 1 দ্বারা সংজ্ঞায়িত হলে f-1(2) এর মান কত?

সমাধান:
ধরি,
y = f(x) = 2x + 1
বা, y = 2x + 1
বা, 2x = y - 1
বা, x = (y - 1)/2

∴ y = f(x)
বা, f-1(y) = x
বা, f-1(y) = (y - 1)/2
∴ f-1(x) = (x - 1)/2
∴ f-1(2) = (2 - 1)/2 = 1/2
৫১.
ABC ত্রিভুজে B কোণের পরিমাণ ৪৮° এবং AB = AC। যদি E এবং F, AB এবং AC-কে এমনভাবে ছেদ করে যেন EF || BC হয়, তাহলে ∠A + ∠AFE =?
  1. ১৩২°
  2. ১৮০°
  3. ১০৮°
  4. ১৬০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ABC ত্রিভুজে B কোণের পরিমাণ ৪৮° এবং AB = AC। যদি E এবং F, AB এবং AC-কে এমনভাবে ছেদ করে যেন EF || BC হয়, তাহলে ∠A + ∠AFE =?

সমাধান:

দেওয়া আছে,
∠B = ৪৮° এবং AB = AC
সুতরাং, ∠ B = ∠C = ৪৮°

আবার,  EF||BC এবং AC ছেদক
 ∠C = ∠AFE [অনুরূপ কোণ]
অতএব, ∠ AFE = ৪৮°
এখানে, ∠ A +∠ B + ∠C = ১৮০°
⇒ ∠A + ৪৮° + ৪৮° = ১৮০°
⇒ ∠A = ১৮০° - ৯৬°
∴ ∠A = ৮৪°
সুতরাং ∠A +  ∠AFE = ৮৪° + ৪৮° = ১৩২°
৫২.
যদি log10x = -1 হয়, তাহলে নিচের কোনটি x এর মান?
  1. 0.1
  2. 0.01
  3. 1/10000
  4. 0.001
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি log10x = -1 হয়, তাহলে নিচের কোনটি x এর মান?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
log10x = - 1
⇒ 10-1 = x
⇒ x = 1/10
⇒ x = 0.1
৫৩.
যদি - 5, p, q, 16 সমান্তর অনুক্রমে থাকে, তাহলে p ও q এর মান হবে যথাক্রমে-
  1. - 2, 9
  2. 2, 9
  3. - 2, - 9
  4. 2, - 9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি - 5, p, q, 16 সমান্তর অনুক্রমে থাকে, তাহলে p ও q এর মান হবে যথাক্রমে-

সমাধান:
ধারাটির প্রথম পদ, a = - 5
ধরি,
সাধারণ অন্তর = d
সমান্তর ধারার n তম পদ = a + (n - 1)d
ধারাটির ৪র্থ পদ = a + (n - 1)d = - 5 + (4 - 1)d  = - 5 + 3d
⇒ - 5 + 3d = 16
⇒ 3d = 21
⇒ d = 21/3
⇒ d = 7

ধারাটির দ্বিতীয় পদ, p = a + (n - 1)d = - 5 + (2 - 1)7 = - 5 + 7 = 2
ধারাটির তৃতীয় পদ, q =  a + (n - 1)d = - 5 + (3 - 1)7 = - 5 + 2 × 7 = - 5 + 14 = 9
৫৪.
i-49 এর মান কত?
  1. - 1
  2. i
  3. 1
  4. - i
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: i-49 এর মান কত?

সমাধান:
আমরা জানি, 
i = √(- 1);
i2= - 1; 
i3 = i2 . i = - i; 
i4 = i2.i2 = (-1).(-1) = 1
 
i-49
= 1/i49
= 1/{i48.i}
= 1/{(i4)12.i}
= 1/i
= i4/i
= i3
= - i
৫৫.
১৮ এবং ৭২ এর গুণোত্তর গড় কোনটি?
  1. ৪৫
  2. ১২৯৩
  3. ৩৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৮ এবং ৭২ এর গুণোত্তর গড় কোনটি?

সমাধান:
আমরা জানি, n সংখ্যক সংখ্যার গুণোত্তর গড় =
 
সুতরাং 18 ও 72 এর গুণোত্তর গড় = √(18 × 72)
= √(9 × 2 × 36 × 2)
= √(9 × 36 × 4)
= 3 × 6 × 2 
= 36
৫৬.
1 - 1 + 1 - 1 + 1 - 1 + ... + n সংখ্যক পদের যোগফল হবে -
  1. 0
  2. 1
  3. [1 + (- 1)n]
  4. (1/2)[1 - (- 1)n]
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 - 1 + 1 - 1 + 1 - 1 + ... + n সংখ্যক পদের যোগফল হবে - 

সমাধান:
এখানে  ১ম পদ, a = 1
সাধারণ অনুপাত, r = (- 1)/1 = -1 < 1
আমরা জানি, r  < 1 হলে, 
n সংখ্যক পদের সমষ্টি = {a(1 - rn)/(1 - r)}

∴ n সংখ্যক পদের সমষ্টি = {a(1 - rn)} / (1 - r)
= {1 × (1 - (-1)n) / {1 - (- 1)}
= {1 - (-1)n} / (1 + 1)
=  {1 - (-1)n} / 2
= (1/2)[1 - (- 1)n]
৫৭.
একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি কোণ ১৬৮°। এর বাহুসংখ্যা কতগুলো হবে?
  1. ৩০
  2. ২০
  3. ১৮
  4. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সুষম বহুভুজের প্রত্যেকটি কোণ ১৬৮°। এর বাহুসংখ্যা কতগুলো হবে?

সমাধান:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৬৮°।
সুতরাং সুষম বহুভুজের বহিস্থঃকোণ = ১৮০° - ১৬৮° = ১২°

আমরা জানি,
সুষম বহুভুজের বহিস্থঃকোণের সমষ্টি = ৩৬০°
সুতরাং বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা হবে = ৩৬০°/১২°
= ৩০টি
৫৮.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ২ সে.মি. এবং উচ্চতা x সে.মি. হলে, x এর মান কোনটি?
  1. √২
  2. √৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য ২ সে.মি. এবং উচ্চতা x সে.মি. হলে, x এর মান কোনটি?

সমাধান:
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩/৪) × (বাহু)
=  (√৩/৪) × (২)
=  √৩
 
আমরা জানি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা 
= (১/২) × ২ × x
= x

প্রশ্নমতে,
x = √৩
৫৯.
  1. 8
  2. 16
  3. 4
  4. 64
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৬০.
বাস্তব সংখ্যায় |3x + 2| < 7 অসমতাটির সমাধান:
  1. - 3 < x < 3
  2. - (5/3) < x < (5/3)
  3. - 3 < x < (5/3)
  4. (5/3) < x < (- 5/3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাস্তব সংখ্যায় |3x + 2| < 7 অসমতাটির সমাধান:

সমাধান:
|3x + 2| < 7
⇒ - 7 < 3x + 2  < 7
⇒ - 7 - 2 < 3x + 2 - 2 < 7 - 2
⇒ - 9 < 3x < 5 
⇒ (- 9/3) < (3x/3) < (5/3)
⇒ - 3 < x < (5/3)
৬১.
6a2bcএবং 4a3b2c2-এর সংখ্যা সহগের গ.সা.গু. নিচের কোনটি?
  1. a2bc
  2. 2a2bc
  3. 2a2b2c2
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 6a2bc এবং 4a3b2c2 এর সংখ্যা সহগের গ.সা.গু. নিচের কোনটি?

সমাধান:
6a2bc এবং 4a3b2c2 এর সংখ্যা সহগ যথাক্রমে 6 ও 4
সংখ্যা সহগের গ.সা.গু = 2
অতএব, উত্তর হবে কোনটিই নয়। 
 
আবার, প্রদত্ত রাশি 6a2bc এবং 4a3b2c2 এর গ.সা.গু = 2a2bc
যদি রাশি দুইটির গ.সা.গু বের করতে বলা হতো, তাহলে উত্তর 2a2bc হতো।
৬২.
সুপরিবাহী পদার্থে valence band এবং conduction band -
  1. আলাদা থাকে
  2. ওভারল্যাপ থাকে
  3. অনেক দূরে থাকে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- যে সব পদার্থের মধ্যে যথেষ্ট মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং যেগুলোর মধ্য দিয়ে খুব সহজে তড়িৎ প্রবাহ চলাচল করতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, লোহা ইত্যাদি পরিবাহী পদার্থ। 

সুপরিবাহী পদার্থে বৈশিষ্ট্য: 
- পরিবাহীতে যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মাঝে কোন শক্তি ব্যবধান থাকে না। অর্থাৎ, Ep এর মান শূন্য হয়। 
- এক্ষেত্রে পরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ড এর মধ্যে আংশিক উপরিলেপন ঘটে বা ওভারল্যাপ থাকে, কাজেই যোজন ইলেকট্রন খুব সহজেই পরিবহন ইলেকট্রনে পরিণত হতে পারে। 
- এই উপরিলেপনের জন্য পরিবাহীর দুই প্রান্তে খুব সামান্য বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করলেই মুক্ত ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহীতে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকার ফলে এদের রোধ খুব কম হয় অর্থাৎ তড়িৎ পরিবাহিতা বেশি হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে -
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. সিলভার ক্লোরাইডের
  3. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের
  4. সিলভার ফ্লোরাইডের
ব্যাখ্যা
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে সিলভার ব্রোমাইডের। 
- সিলভার ব্রোমাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো AgBr. 
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ সাধারণত সিলভার হ্যালাইডের (ব্রোমাইড বা আয়োডাইড) আবরণ থাকে। 
- ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে। 
- এটি −১ (Br) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু। 
যেমন- সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br) এর প্রতি। 
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়। 

Dry plate, in photography, glass plate coated with a gelatin emulsion of silver bromide. It can be stored until exposure, and after exposure it can be brought back to a darkroom for development at leisure.

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৬৪.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. ফসফরাস
ব্যাখ্যা
- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ। 
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 

- বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট। 
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে। 
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়। 
- গাছপালা তখন মাটি থেকে নাইট্রোজেন শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে। 
- যেহেতু ইহা ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়। 

Lightening is a potent fertilizing agent. Every time it strikes, nitrogen in the atmosphere is combined with hydrogen or oxygen to form ammonium and nitrate, two forms of nitrogen. The nitrogen then goes into solution in atmospheric moisture and is washed to the ground in rainfall. Plants then absorb nitrogen from the ground and utilize it for growth. Since it is a key constituent in chlorophyll, the green pigment of plants, nitrogen causes a greening of the plant.

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং cals.arizona.edu
৬৫.
ফলিক এসিডের অন্য নাম কোনটি?
  1. ভিটামিন বি ১২
  2. ভিটামিন বি ৬
  3. ভিটামিন বি ১
  4. ভিটামিন বি ৯
ব্যাখ্যা
- ফলিক এসিডের অপর নাম ভিটামিন বি ৯। 

ফলিক এসিডের উৎস: 
- কলিজা, মাংস, মাছ, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি, যকৃত ও বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড পাওয়া যায়। 

ফলিক এসিডের কাজ: 
১. হিমোগ্লোবিনের লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ফলিক এসিড প্রয়োজন হয়। 
২. বংশগতির জন্য দায়ী জিন এর গঠন উপাদান নিউক্লিয়িক এসিডের ডিএনএ অণুর গঠনে বা সংশ্লেষণে কাজ করে। 
৩. কোষ বিভাজনে ও বর্ধনে কাজ করে। 

উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
যে কারণে শৈশব-অন্ধত্ব হতে পারে তা হলো -
  1. এইচআইভি/এইডস
  2. ম্যালেরিয়া
  3. হাম
  4. যক্ষা
ব্যাখ্যা
হাম: 
- হাম একটি ভাইরাস ঘটিত রোগ। 
- হাম রোগের জন্য মোরবিলি ভাইরাস দায়ী। 
- হামে আক্রান্ত শিশু থেকে এই রোগের জীবাণু বাতাসের মাধ্যমে সুস্থ শিশুর শরীরে প্রবেশ করে এবং হাম রোগে আক্রান্ত হয়। 
- ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে এক ডোজ এমআর (হাম-রুবেলা) টিকা এবং ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে হামের ২য় ডোজের টিকা দিয়ে শিশুকে হাম রোগ থেকে প্রতিরোধ করা যায়। 
- হামের কারণে শৈশবে অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে। 

উৎস: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, National Library of Medicine, US Govt.
৬৭.
শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিতে হয় -
  1. বছরে একবার
  2. বছরে দুইবার
  3. বছরে তিনবার
  4. এর কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিতে হয় বছরে দুইবার। 
- ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। 
- ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। 
- ভিটামিন-এ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ভিটামিন-এ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা শূন্য দশমিক শূন্য চার শতাংশে নেমে এসেছে। 

উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
৬৮.
ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো—
  1. পিল্লি
  2. ফ্লাজেলা
  3. শীথ
  4. ক্যাপসুলস
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার তার যে গঠন দায়ী হলো ফ্ল্যাজেলা। 
- ফ্ল্যাজেলা: ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। 
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত। 
- ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করা। 
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে রাখতে পিলি সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯.
'কেপলার-৪৫২বি' কী?
  1. একটি মহাকাশযান
  2. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
  3. সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
  4. NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
ব্যাখ্যা
- 'কেপলার-৪৫২ বি' পৃথিবীর মত একটি গ্রহ। 
- নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে এই গ্রহটিতে খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। 
- এটির নাম দিয়েছেন ‘কেপলার ৪৫২ বি’। 
- ২০০৯ সাল থেকে জীবনধারণের উপযোগী পৃথিবী সদৃশ গ্রহ শনাক্ত করতে কাজ করছে কেপলার। 
- এক বিবৃতিতে নাসার গবেষকরা দাবি করেন, কেপলার ৪৫২ বি আমাদের সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, কিন্তু ওই নক্ষত্রটি ১৫০ কোটি বছরের পুরনো যা সূর্যের চেয়ে চার শতাংশ বড় ও ১০ শতাংশ উজ্জ্বল। 

উৎস: NASA Website.
৭০.
ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার ভাল পদ্ধতি –
  1. বয়লিং
  2. বেনজিন ওয়াশ
  3. ফরমালিন ওয়াশ
  4. কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন
ব্যাখ্যা
কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন: 
- কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন হলো এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে ধারালো যন্ত্রপাতি বা সংবেদনশীল উপকরণগুলো জীবাণুমুক্ত করতে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
- এই পদ্ধতি বিশেষত তাপ-সংবেদনশীল (heat-sensitive) বা উচ্চ তাপমাত্রায় বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকা যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার জন্য কার্যকর।
- ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার জন্য 'কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন' সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। 

অন্যদিকে, 
বয়লিং: 
- উচ্চ তাপমাত্রায় কিছু জীবাণু এবং স্পোর বেঁচে যেতে পারে। তাই ধারালো যন্ত্রপাতির ধার নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

বেনজিন ওয়াশ: 
- বেনজিন জীবাণু ধ্বংসে কার্যকর নয় এবং এটি পরিষ্কারক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও জীবাণুমুক্ত করতে পারে না। 

ফরমালিন ওয়াশ: 
- ফরমালিন শুধুমাত্র জীবাণুনাশক (disinfectant) হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি পুরোপুরি স্টেরিলাইজ করার জন্য যথেষ্ট নয়।
৭১.
সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো—
  1. R3NH+
  2. SO3-Na+
  3. R2NH2+
  4. COO-Na+
ব্যাখ্যা
সাবান: 
- সাধারণত সাবান হলাে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সােডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK). 
- সাবানের রাসায়নিক নাম হলাে সােডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa). 
- সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো COO-Na+
- সাবান তৈরি করা হয় চর্বি এবং ক্ষার থেকে। 
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭২.
কোন জোড়াটি বেমানান?
  1. যক্ষ্মার জীবাণু : রবার্ট কচ
  2. হোমিওপ্যাথি: হ্যানিম্যান
  3. ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
  4. এনাটমি : ভেসলিয়াস
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক জোড়াটি সঠিক নয়। 

ব্যাকটেরিয়া: 

- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। 
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। 
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। 
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। তাই তাকে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। 
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। 
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন। 

অন্যদিকে, 
- যক্ষ্মা ব্যাকটেরিয়াজনিত মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা মাইকো-ব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নামক জীবাণু দিয়ে হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটিয়ে থাকে। ড. রবার্ট কচ ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ জার্মানির বার্লিনে যক্ষ্মার জীবাণু আবিষ্কার করেন। 
- ক্রিস্টিয়ান ফ্রিডরিখ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান জার্মানির একজন বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন, তাকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জনক বলা হয়।
 - আন্দ্রেয়াস ভেসলিয়াস ছিলেন একজন বেলজিয়ান অ্যানাটমিস্ট এবং চিকিৎসক। তাকে আধুনিক শারীরবিদ্যার জনক বলে মনে করা হয় এবং তার কাজ ধরে  আধুনিক চিকিৎসার সূচনা হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৭৩.
এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন-এর মৌলিক উপাদান -
  1. প্রোটিন
  2. ক্যালসিয়াম
  3. ভিটামিন
  4. লবণ
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবডি: 
- অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ। 
- অ্যান্টিবডি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। 
- এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে। 

হরমোন:  
 - মানুষের বৃদ্ধি হরমোন (Human Growth Hormone, HGH) সাধারণভাবে সোমাটোট্রপিন (Somatotrophin) নামে পরিচিত। 
- এটি এক ধরনের পেপটাইড হরমোন যা প্রায় ২০০ টি অ্যামাইনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত। 
- আর আমিষ বা প্রোটিনের গঠনগত একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। 
- মানবদেহের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত এ হরমোন শরীরে স্বাভাবিকভাবেই উৎপন্ন হয়। 

এনজাইম:  
- এনজাইম এক ধরণের প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় পদার্থ। 
- জীবকোষ অসংখ্য রাসায়নিক বিক্রিয়ার কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিগণিত। 
- প্রতিটি জীবের পরিপাক, শ্বসন, জনন ইত্যাদি শারীরবৃত্তীয় কাজগুলি জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। 
- এ সমস্ত জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি ও হার কতকগুলি প্রোটিন জাতীয় যৌগ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। 
- যে প্রোটিন জাতীয় পদার্থ অতি অল্প মাত্রায় বিদ্যমান থেকে জীবদেহে বিক্রিয়ার হারকে ত্বরান্বিত করে কিন্তু বিক্রিয়ার পরে নিজে অপরিবর্তিত থাকে, তাকে এনজাইম বলে। 

উপরোক্ত আলোচনায় বুঝা যাচ্ছে, এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন-এর মৌলিক উপাদান হচ্ছে- প্রোটিন। 

উৎস: (প্রাণিবিজ্ঞান + উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
নিচের কোনটি Structured Query Language নয়?
  1. Java
  2. MySQL
  3. Oracle
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
Java, MySQL এবং Oracle এর কোনটাই Structured Query Language (SQL) নয়।


অর্থাৎ, সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো (Structured Query Language নয়)

একটি ট্রিকি প্রশ্ন। তাই, কোন প্রকার বিতর্কে যাবার আগে MySQL and Oracle এই দুটি ল্যাঙ্গুয়েজ, এটা রেফারেন্সসহ দিয়ে খোলামনে বিতর্ক শুরু করতে হবে।

অপশন ক) JAVA
- একটি Programming Language. তবে, SQL নয়। আসলে এটা নিয়ে কারও কোন সন্দেহ থাকার সুযোগ নেই।

অপশন খ) MySQL
- একটি Relational Database Management System (RDBMS). কোন ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।
MySQL এর অফিসিয়াল সাইট থেকে - MySQL, the most popular Open-Source SQL database management system, is developed, distributed, and supported by Oracle Corporation.
SQL is the most common standardized language used to access databases. 
অর্থাৎ, রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার। MySQL as a Management System, Structured Query Language (SQL) ব্যবহার করে। নিজে কোন ল্যাংগুয়েজ নয়।

অপশন গ) Oracle
- Oracle Corporation এর আরেকটি Relational Database Management System (RDBMS). কোন ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

Structured Query Language (SQL) একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ। ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

অন্যদিকে,

RDBMS এর পূর্ণরূপ Relational Database Management System.
Relational Database Management System এর উদাহরণ হলো- MS Access, Oracle, MySQL, Microsoft SQL Server, Informix ইত্যাদি।

তথ্যসুত্র:
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বইসমূহ, MySQL এবং Oracle এর অফিসিয়াল সাইট।
৭৫.
ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে -
  1. FTP Server
  2. Firewall
  3. DNS Server
  4. Gateway
ব্যাখ্যা
DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System। 
ডোমেন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয়/ইউনিক আলফানিউমেরিক (ক্যারাক্টর বা নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। 

Hostname হল একটি Host কম্পিউটারের জন্য বরাদ্দকৃত ডোমেন নেম। এর দ্বারা একটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। DNS Server মূলত Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে দেয়। 

একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
ইহা Hostname এর পরিবর্তে IP Address-এ রূপান্তর করে দেয়। 
তখনই কেবল ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে।
৭৬.
নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?
  1. CaaS
  2. laaS
  3. PaaS
  4. SaaS
ব্যাখ্যা
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. Infrastructure-as-a Service (IaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং সিস্টেম ভাড়া দেয় ।
যেমন - অ্যামাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) ।

২. Platform-as-a -Service (PaaS): এই পদ্ধতিতে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় প্ল্যাটফর্ম, যার উপর অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজাররা।
যেমন: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিনে ।

৩. Software-as-a Service (SaaS): সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন ।
যেমন: গুগল ডকস।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।


এখানে CaaS, Cloud Computing সেবার কোনো ধরণ নয়।
৭৭.
অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম কোনটি?
  1. Azure
  2. AWS
  3. Cloudera
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- অ্যামাজন-এর ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
 
উৎস: aws.amazon.com


অন্যদিকে,
- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
- Cloudera যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডাটা ম্যানেজম্যান্ট সেবাদানকারী  কোম্পানি।
৭৮.
নিচের কোন সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহক নিজ Computer System ব্যবহার করতে পারেন না এবং Computer System-কে ব্যবহার উপযোগী করতে অর্থ দাবি করা হয়?
  1. Phishing
  2. Denial of Service
  3. Ransomware
  4. Man-in-the-Middle
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার: ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। 

র‍্যানসমওয়্যার: ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়। 
কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে। যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়। 
ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে। যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
 
- DoS (Denial of Service): ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে। কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
Man-in-the-Middle: দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
৭৯.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে?
  1. Scanner
  2. Mouse
  3. Touch Screen
  4. Projector
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৮০.
নিচের কোন Octal সংখ্যাটি Decimal সংখ্যা ৫৫-এর সমতুল্য?
  1. ৫৫
  2. ৭৭
  3. ৬৭
  4. ৮৭
ব্যাখ্যা
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। অত:পর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit - MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit -LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্ট্যাল মান নির্ণয় করা যায়।

Division by 8   Quotient(ভাগফল)   Remainder (ভাগশেষ)  

(55)/8                 6                                    7                        

(6)/8                   0                                    6    

 (55)10 = (67)8
৮১.
নিচের কোনটি systern software নয়?
  1. Linux
  2. Android
  3. Mozilla Firefox
  4. Apple iOS
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম:
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। 
কম্পিউটারের আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। 
 
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো DOS, WINDOWS, UNIX, LINUX, Mac OS,Apple iOS, Android  ইত্যাদি। 
অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে। অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা। 
 
অন্যদিকে Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।  
 
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিজে নিজেই অন্য কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কপি হয় তাকে ____বলে।
  1. Program Virus
  2. Worms
  3. Trojan Horse
  4. Boot Virus
ব্যাখ্যা
Computer Worm:
A self-replicating program that propagates itself through a network onto other computer systems without requiring a host program or any user intervention to replicate.

কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে। নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

তথ্যসুত্রঃ https://csrc.nist.gov/glossary/term/worm


বাকী ৩টির মধ্যে Program and Boot Virus হচ্ছে Computer Virus এর উদাহরণ। এবং Trojan Horse একটি Malware.
৮৩.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি 4G Standard প্রস্তুতকরণে সম্পৃক্ত?
  1. ISO
  2. ITU
  3. 3GPP
  4. ETSI
ব্যাখ্যা
- ITU এর পূর্ণরূপ International Telecommunicaion Union. এটি ১৮৬৫ সালের ১৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।- শুরুতে এটির নাম ছিলো International Telegraph Union. ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি এটি ITU নাম ধারণ করে।
- ITU বিভিন্ন মোবাইল ফোন প্রজন্ম যেমন 4G/5G স্ট্যান্ডার্ডকে ডিফাইন করে থাকে। 
 
উৎস: ITU ওয়েবসাইট।
৮৪.
নিচের কোনটি Open Source Software?
  1. Google Chrome
  2. Microsoft Windows
  3. Zoom
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা
সত্যি বলতে প্রশ্নে কিছুটা ভুল আছে। তবে, মূল পরীক্ষায় উত্তর খালি রাখার সুযোগ নেই তাই বেস্ট এন্সার নিতে হচ্ছে।

Microsoft Windows, Zoom, Adobe Photoshop এগুলো নিয়ে কারও কনফিউশন থাকার কথা নয়। স্বাভাবিকভাবেই উত্তর ক) Google Chrome হয়ে যাচ্ছে।

তবে, জেনে রাখা উচিত যে, Google Chrome ব্রাউজারটি মোটেও ওপেন সোর্স নয়।

গুগুলের বিখ্যাত The Chromium Projects এর দুটি অংশ হচ্ছে Chromium and Chromium OS.

Chromium
Chromium is an open-source browser project that aims to build a safer, faster, and more stable way for all users to experience the web. 

Chromium OS
Chromium OS is an open-source project that aims to provide a fast, simple, and more secure computing experience for people who spend most of their time on the web. 

অর্থাৎ, Google Chromium একটি ওপেন সোর্স ব্রাউজার প্রোজেক্ট।

অন্যদিকে,

Google Chrome ব্রাউজারটি একটি Freeware, তবে এটা ওপেন সোর্স নয়।

এটা গুগুলের Proprietary Software. এটা ফ্রি। কিন্তু, যে কেউ এটার পরিবর্তন করে নিজের মতো অবাণিজ্যিক বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। কপিরাইট Google LLC এর।



যে সকল সফটওয়্যার এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলে। 

Chrome এবং Chromium এক নয়। Freeware and Open Source ও এক নয়।

প্রশ্নকর্তা সম্ভবত ভুলে Chrome লিখেছেন।

যাইহোক, বেস্ট এন্সার হিসেবে ক) Google Chrome কে সঠিক ধরে নেয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র:
উপরে Google Chrome এর কপিরাইটের এবং Term of Service পেজের স্ক্রিনশট দেয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, https://www.chromium.org/Home/ লিঙ্ক ভিজিট করতে পারেন।
৮৫.
নিচের কোন Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে?
  1. FTP
  2. HTTPS
  3. TCP
  4. DNS
ব্যাখ্যা
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- https এর পূর্ণরূপ Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
৮৬.
Piconet কী?
  1. Wifi Network
  2. Wide Area Network
  3. Bluetooth Network
  4. 5G Network
ব্যাখ্যা
Piconet হলো Bluetooth Network।
ব্লুটুথ (Bluetooth): ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের (১০ মিটার বা ৩৩ ফিটের কাছাকাছি) ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট (Piconet) বলে।
- দুটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এ দুটি পিকোনেটকে একসাথে স্কারনেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৭.
P এবং Q দুই ভাই। R এবং S দুই বোন। P-এর ছেলে হলো S-এর ভাই। তাহলে Q হলো R-এর -
  1. পুত্র
  2. ভাই
  3. পিতা
  4. চাচা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P এবং Q দুই ভাই। R এবং S দুই বোন। P-এর ছেলে হলো S-এর ভাই। তাহলে Q হলো R-এর -

সমাধান:
এখানে, P এবং Q দুই ভাই।
R এবং S দুই বোন। 

P এর ছেলে হলো S এর ভাই 
∴ P হলো S এর বাবা
R হলো S এর বোন
অতএব, R হলো P এর মেয়ে।

অর্থাৎ, Q হলো R এর চাচা।
৮৮.
স্টেপলারের সাথে যেমন স্টেপল, সুচের সাথে তেমন -
  1. ছিদ্ৰ
  2. কাপড়
  3. সুতা
  4. সেলাই মেশিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: স্টেপলারের সাথে যেমন স্টেপল, সুচের সাথে তেমন -

সমাধান:
স্টেপলার মেশিনে স্টেপল (Staple) এর মাধ্যমে আটকানো/বাধা হয়। অনুরূপভাবে, সূচ দিয়ে সুতার মাধ্যমে সেলাই করা হয়।

দ্রষ্টব্যঃ অপশনে যা আছে সব বিশেষ্য। Staple কে ক্রিয়া ভাবলে অপশনের উত্তরও ক্রিয়া ধরতে হবে। অপশনে কোন ক্রিয়া নেই।

From Cambridge Dictionary-
Staple: A short, thin piece of wire used to fasten sheets of paper together. It has sharp ends that are pushed through the paper and then bent flat by a special device. 
 
And, Oxford:
Staple: A piece of thin wire with two short right-angled end pieces which are driven by a stapler through sheets of paper to fasten them together.
৮৯.
165135 যদি Peace হয়, তবে 1215225 -
  1. Lead
  2. Love
  3. Loop
  4. Castle
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 165135 যদি Peace হয়, তবে 1215225 -

সমাধান:
এখানে 
ইংরেজি বর্ণগুলোর অবস্থানগত সাংখ্যিক মান হিসেবে নেয়া হয়েছে।  

16 - P, 5 -  e, 1 - a, 3 - c,  5 - e
একইভাবে,
12 - L,15 - o, 22 - v, 5 - e

1215225 = Love
৯০.
নিচের চিত্রে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৪টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের চিত্রে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে?


সমাধান:

1টি করে ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে= AGE, EGC, GFC, BGF, DGB এবং  ADG  = 6টি 
2টি করে ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে= AGC, BGC এবং ABG = 3টি 
3টি করে ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে=AFC, BEC, BDC, ABF, ABE এবং DAC = 6টি 
সব মিলিয়ে  ত্রিভুজ আছে ABC= 1টি

মোট = (6 + 3 + 6 + 1) টি  = 16 টি
৯১.
৫, ৭, ১০, ১৪, ......... ২৫ ধারার শূন্যস্থানের সংখ্যাটি কত?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৯
  4. ২১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫, ৭, ১০, ১৪, ......... ২৫ ধারার শূন্যস্থানের সংখ্যাটি কত? 

সমাধান:
এখানে, 

১ম পদ = ৫ 
২য় পদ = ৫ +২ = ৭
৩য় পদ = ৭ + ৩ = ১০
৪র্থ পদ = ১০ + ৪ = ১৪ 
৫ম পদ = ১৪ + ৫ = ১৯
৬ষ্ঠ পদ = ১৯ + ৬ = ২৫
৯২.
"MEMORY" শব্দটির আয়নার প্রতিবিম্ব কোনটি?
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "MEMORY" শব্দটির আয়নার প্রতিবিম্ব কোনটি?


সমাধান:

৯৩.
প্রশ্ন-চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. ৬৪
  2. ৬৬
  3. ৬৮
  4. ৭২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্ন-চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
এখানে,
৫ × ৯ + ৩ = ৪৮
৭ × ৮ + ৪ = ৬০
৯ × ৭ + ৫ = ৬৮
৯৪.
কোনো কিছুর কারণ জানতে হলে আমরা ইংরেজিতে যে প্রশ্ন করি তা সাধারণত কোন শব্দটি দিয়ে শুরু হয়?
  1. how
  2. what
  3. why
  4. who
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো কিছুর কারণ জানতে হলে আমরা ইংরেজিতে যে প্রশ্ন করি তা সাধারণত কোন শব্দটি দিয়ে শুরু হয়?

সমাধান:
- কোনো কিছুর কারণ জানতে why ব্যবহৃত হয়।
- কোনো কিছুর কিভাবে জানতে how ব্যবহৃত হয়। 
- কী দ্বারা প্রশ্ন করলে what ব্যবহৃত হয়। 
- কর্তাকে নিয়ে প্রশ্ন করলে who ব্যবহৃত হয়। 
৯৫.
নিম্নের কোন গুচ্ছের শব্দগুলো বর্ণনানুক্রমিকভাবে সাজানো রয়েছে?
  1. নিম্নোক্ত, নিদর্শন, নিরাসক্ত, নিরাময়, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ
  2. নিদর্শন, নিম্নোক্ত, নিরাময়, নিরাসক্ত, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ
  3. নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ, নিম্নোক্ত, নিদর্শন, নিরাসক্ত, নিরাময়
  4. নিদর্শন, নিরাসক্ত, নিষ্ক্রিয়, নিসর্গ, নিম্নোক্ত, নিরাময়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের কোন গুচ্ছের শব্দগুলো বর্ণনানুক্রমিকভাবে সাজানো রয়েছে?

সমাধান:
বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে,বর্ণনানুক্রমিকভাবে সাজালে আমরা পাই,
- নিদর্শন, 
- নিম্নোক্ত, 
- নিরাময়, 
- নিরাসক্ত, 
- নিষ্ক্রিয়, 
- নিসর্গ
 
অতএব সঠিক উত্তর খ)
৯৬.
যদি PLAY-এর কোড ৮১২৩ এবং RHYME-এর কোড ৪৯৩৬৭ হয়, তাহলে MALE-এর কোড হবে-
  1. ৬৩২৩
  2. ৬১৯৮
  3. ৬২১৭
  4. ৬২৮৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি PLAY-এর কোড ৮১২৩ এবং RHYME-এর কোড ৪৯৩৬৭ হয়, তাহলে MALE-এর কোড হবে-

সমাধান:
PLAY = ৮১২৩
P - ৮ , L - ১ , A - ২, Y - ৩

RHYME =  ৪৯৩৬৭
R - ৪ , H - ৯, Y - ৩, M - ৬, E - ৭

MALE - ৬২১৭
৯৭.
এই সিরিজটিতে পরের সংখ্যাটি কত?
৩ ৫ ৮ ১৩ ২১
  1. ২৪
  2. ২৬
  3. ২৯
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এই সিরিজটিতে পরের সংখ্যাটি কত?
৩ ৫ ৮ ১৩ ২১

সমাধান:
ধারাটি একটি ফিবোনাক্কি ধারা 
১ম পদ = ৩
২য় পদ =  ৩ + ৫ = ৮
৩য় পদ =  ৫ + ৮ = ১৩
৪র্থ পদ  = ১৩ + ৮ = ২১
৫ম পদ  = ২১ + ১৩ = ৩৪
৯৮.
বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. সমতট
  2. পুণ্ড্রু
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা
• বঙ্গ জনপদ:
- প্রাচীন বাংলা কতগুলো অঞ্চল বা জনপদে বিভক্ত ছিলো।
- এর মধ্যে ‘বঙ্গ' জনপদ ছিলো অন্যতম।
- বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।

প্রাচীন জনপদগুলোর অবস্থান:
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- বঙ্গ জনপদ: বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সমতট জনপদ: বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৯.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযােদ্ধাকে 'বীর বিক্রম' খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা- 
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
১০০.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী - এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী।
১০১.
কোন শাসকদের আমলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?
  1. মৌর্য
  2. গুপ্ত
  3. পাল
  4. মুসলিম
ব্যাখ্যা
• সুলতানি আমল: 
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্রো করেন।
- সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহহের আমল থেকেই সমগ্র বাংলা 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ স্থানীয় জনগণের মন জয় করার জন্য উদারনৈতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। 
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।

এছাড়াও,
- ইলিয়াসশাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।
- অবশ্য ইলিয়াস শাহী বংশের শাসন সূচনার কিছু সময় আগে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগ শুরু হয়।
- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৬৩৮ সালে পূর্ব বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানী হয় সোনারগাও।
- একই সময় আলাউদ্দীন আলী শাহ পশ্চিম বাংলায় স্বাধীন সুলতানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৩৫২ সালে ইলিয়াস শাহ সোনারগাও দখলের মাধ্যমে দুই বাংলা একত্র করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০২.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
  1. শশাঙ্ক
  2. মুর্শিদ কুলি খান
  3. সিরাজউদ্দৌলা
  4. আব্বাস আলী মীর্জা
ব্যাখ্যা
• বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ছিলেন — নবাব মুর্শিদ কুলি খান।

নবাব মুর্শিদ কুলি খান:
- মুর্শিদ কুলি খান (১৭০০-১৭২৭) বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
- সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব।

অন্যদিকে -
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব।
- আলীবর্দী খান (১৬৭৬-১৭৫৬) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব (১৭৪০-১৭৫৬)।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১০৩.
চীনদেশের কোন ভ্রমণকারী গুপ্তযুগে বাংলাদেশে আগমন করেন?
  1. হিউয়েন সাং
  2. ফা হিয়েন
  3. আই সিং
  4. এদের সকলেই
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন প্রাচীন চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি মধ্য এশিয়া, ভারত ও শ্রীলংকা ভ্রমণ করেন ও তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করেন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তখন তাঁর বয়স সম্ভবত ৬৪ বছর।
- তিনি পঞ্চম শতকের সূচনায় বাংলায় আসেন।
- তিনি তাঁর ভ্রমণের অধিকাংশ সময়ই মধ্য ভারত বা মগধ পরিভ্রমণ অতিবাহিত করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুক)।

উল্লেখ্য,
- চিনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
- ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে।
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে,
- হিউয়েন সাঙ বাংলায় আসেন ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে।

উৎস:
i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০৪.
BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
  1. Bangladesh Salt Testing Institute
  2. Bangladesh Strategic Training Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bangladesh Society for Telecommunication and Information
ব্যাখ্যা
• BSTI -এর পূর্ণ অভিব্যক্তি - Bangladesh Standards and Testing Institution.
• ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।
• অতঃপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত কৃষিপণ্য বিপনন ও শ্রেণী বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়। উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
• বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র:- Bangladesh Standards and Testing Institution ওয়েবসাইট। 
১০৫.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানাে একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটি কে রচনা করেন?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. জহির রায়হান
  3. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গান:
- “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।

- বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- এটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০৬.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. লাইবেরিয়া
  2. নামিবিয়া
  3. হাইতি
  4. সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
• 'সিয়েরা লিওন' — বাংলা ভাষাকে  সরকারী ভাষার মর্যাদা দিয়েছে। 
 
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনের অংশ হিসেবে দেশটিতে পাঁচ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সৈন্য মোতায়েন ছিল।
- তারা সিয়েরালিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। 
- বাংলাদেশি সেনাবাহিনীর এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করে দেশটি।
 
সূত্র: UN Peace keeping Missions
১০৭.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন।] বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগােষ্ঠীর সংখ্যা-
  1. ২০
  2. ৪৮
  3. ২৫
  4. ৩২
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। বর্তমানে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি। তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

------------------------ 
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে - ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

⇒ সংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

⇒ জেলার দিক দিয়ে -
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রাঙামাটি জেলায়।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১০৮.
নিম্নের কোন পত্রিকাটির প্রকাশনা উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন?
  1. সবুজপত্র
  2. শনিবারের চিঠি
  3. কল্লোল
  4. ধূমকেতু
ব্যাখ্যা
• ধূমকেতু পত্রিকা: 
- কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধসপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু।
- ১৯২২ সালে অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে 'ধূমকেতু' কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- ধূমকেতু পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের বাণী ছাপা হয়েছিল - "আয় চলে আয় রে ধূমকেতু/ আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু -"।
- ধূমকেতুর পূজা সংখ্যায় (২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯২২) 'আনন্দময়ীর আগমনে' প্রকাশিত হলে পত্রিকাটি ব্রিটিশ সরকার দ্বারা বাজেয়াপ্ত হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।

• কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা -
- ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। 
- 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্‌ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০৯.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- জাতীয় প্রতীক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতীক।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে — ৪টি তারকা আছে।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১০.
বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘােষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
  2. খ) ২২ মার্চ ১৯৫৮
  3. গ) ২০ এপ্রিল ১৯৬২
  4. ঘ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
১১১.
'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার গ্রাম' - জাতির পিতা কবে এই ঘােষণা দেন?
  1. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. ৩ মার্চ ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহব্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন - “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান ৪টি দাবি উপস্থাপন করেন। যথা:
১.চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার,
২.সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
৩. গণহত্যার তদন্তকরা এবং
৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১১২.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. বান্দরবান
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি। জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত। জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।

- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে। পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়। এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৩.
বাংলাদেশের জিডিপি (GDP)-তে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. বাণিজ্য
  4. সেবা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------------- 
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

অর্থাৎ,
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
-------------------------- 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১৪.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৫.৬৮%
  2. ৯.৯৪%
  3. ৭.৬৬%
  4. ৬.৯৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------- 
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ৬.৯৪%।
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
------------------------ 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১৫.
বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?
  1. ১ জুন ২০১৪
  2. ১ জুন ২০১৫
  3. ১ জুলাই ২০১৫
  4. ১ জুলাই ২০১৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংকের মতে মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৫ মা, ডলারের অধিক হওয়ায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১৬.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরণের স্যাটেলাইট হবে?
  1. কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
  2. ওয়েদার স্যাটেলাইট
  3. আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
  4. ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭ তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
১১৭.
বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (Perspective Plan) সময়সীমা কত?
  1. ২০২১-২০৩০
  2. ২০২৪-২০৩২
  3. ২০২১-২০৪১
  4. ২০২২-২০৫০
ব্যাখ্যা
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক ও ২টি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয় ১৯৭৩-১৯৭৮ সময়ে।
- সর্বশেষ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, 
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১০ থেকে ২০২১ এবং দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ : ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী,
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।
১১৮.
কোন সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে?
  1. ২০১০
  2. ২০১২
  3. ২০১৪
  4. ২০১৬
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া:
- ২৪ আগস্ট, ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভ করে।

কিন্তু,
- ১৬ মার্চ, ২০১৪ সালে ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল কৃষ্ণ সাগরের উত্তর উপকূলের ছোট দ্বীপ ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটে ক্রিমিয়ার জনগণ রাশিয়ার সাথে একীভূত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।
- ১৭ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়ার পার্লামেন্ট নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৮ মার্চ, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া।
- ২১ মার্চ, ২০১৪ সালে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইতিহাসের সবচেয়ে স্বল্পায়ু রাষ্ট্র ক্রিমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়।

উৎস: Britannica.
১১৯.
কোন দেশটি ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়?
  1. গায়ানা
  2. বলিভিয়া
  3. ব্রাজিল
  4. কলাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
ভেনিজুয়েলা:
- ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অবস্থিত।
- ভেনিজুয়েলার উত্তরে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর, পূর্বে গায়ানা, দক্ষিণে ব্রাজিল এবং দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিমে কলম্বিয়া দ্বারা বেষ্টিত।
- রাষ্ট্রীয় নাম: বলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনিজুয়েলা।
- রাজধানী: কারাকাস।
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ মারাকাইবো হ্রদ ভেনিজুয়েলাতে অবস্থিত।
- ভেনিজুয়েলার অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।

অন্যদিকে,
- বলিভিয়া ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়।

উৎস: Britannica.
১২০.
নিচের কোন দেশটি ASEAN জোটভুক্ত নয়?
  1. লাওস
  2. হংকং
  3. ভিয়েতনাম
  4. কম্বােডিয়া
ব্যাখ্যা
ASEAN:
- ASEAN এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- ASEAN জোটের বর্তমান সভাপতি দেশ: ইন্দোনেশিয়া (জাকার্তা)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে ৪৪তম ASEAN শীর্ষ সম্মেলন লাওসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- হংকং ASEAN জোটভুক্ত নয়।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
১২১.
নিচের কোন দেশটি ডি-৮ এর সদস্য নয়?
  1. জর্ডান
  2. ইরান
  3. মিশর
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
জর্ডান D-8-এর সদস্য নয়।

D-8:

- D-8-এর পূর্ণরূপ: Developing Eight.
- এটি মুসলিম বিশ্বের ৮টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি জোট।
- Istanbul Declaration -এর মাধ্যমে D-8 প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- সদরদপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- সদস্য: ৮টি দেশ।
- D-8 এর সদস্য দেশগুলো হলো: তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইরান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া।
- সংস্থাটির বর্তমান ও পঞ্চম মহাসচিব: ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম।
- D-8 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দুই বছর পর পর।

উল্লেখ্য,
- এশিয়া এবং আফ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রতিনিধিত্ব করে থাকে এসব দেশ।

উৎস: Developing Eight ওয়েবসাইট।
১২২.
World Economic Forum-এর বাৎসরিক অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. প্যারিস
  2. জুরিখ
  3. দাভোস
  4. বার্ন
ব্যাখ্যা
World Economic Forum:
- WEF-এর পূর্ণরূপ: World Economic Forum.
- World Economic Forum বা বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: জার্মান অধ্যাপক ক্লাউস সোয়েব।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ শুরুতে এটির নাম ছিলো European Management Forum.
- এটি ১৯৮৭ সালে World Economic Forum নামধারণ করে।

⇒ প্রতিবছর জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

- ১৫-১৯ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে World Economic Forum-এর ৫৪তম বার্ষিক সম্মেলন সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট।
১২৩.
[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]
প্রথাগতভাবে বছরের কোন দিন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়?
  1. সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সােমবার
  2. অক্টোবর মাসের প্রথম মঙ্গলবার
  3. আগস্ট মাসের শেষ সােমবার
  4. অক্টোবর মাসের প্রথম সােমবার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের ৩য় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন বসে সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় মঙ্গলবার।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে ১৬ ডিসেম্বর লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টার হলে (সেন্ট্রাল হল ওয়েস্টমিনিস্টার)।
- সাধারণ পরিষদের প্রথম মহিলা সভাপতি ভারতের বিজয় লক্ষ্মী পণ্ডিত।
- প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের সাইখা হায়া বিনতে রশীদ আল খলিফা।

⇒ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।
- ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
১২৪.
বিগত কপ-২৬ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জেনেভা
  2. প্যারিস
  3. গ্লাসগো
  4. ব্রাসেলস
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কপ-২৬ অনুষ্ঠিত হয় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে, ৩১ অক্টোবর - ১২ নভেম্বর, ২০২১ সালে।

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

⇒ ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।

উল্লেখ্য,
- কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলন ২০২৩ সালে ৩০ নভেম্বর-১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১২৫.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি কখন শেষ হবে?
  1. ২০৪০
  2. ২০২৬
  3. ২০২৪
  4. ২০৩০
ব্যাখ্যা
গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
১২৬.
গণতন্ত্রের ধারণা উৎসারিত হয় প্রথম কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. প্রাচীন গ্রীস
  3. প্রাচীন রােম
  4. প্রাচীন ভারত
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রের সূচনা:
- ‘গণতন্ত্র’ পরিভাষাটি ইংরেজি ‘Democracy’ থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুত্পত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন (Solon) গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রাচীন গ্রীসের গণতান্ত্রিক ধারণার মূল উপাদান ছিল ৬টি।

উৎস: Britannica.
১২৭.
কখন এবং কোথায় International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৮, ফ্রান্স
  2. ১৯৪৯, সুইজারল্যান্ড
  3. ১৯৬১, রােম
  4. ১৯৫২, লন্ডন
ব্যাখ্যা
IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরুপ: International Union for the Conservation of Nature.
- এটি বিশ্ব জীববৈচিত্র সংরক্ষণকারী সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি বিশ্বের ১৭০টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রজাতিকে নয়টি বিভাগে বিভক্ত করে।
- যথা: মূল্যায়ন করা হয়নি, ডেটার ঘাটতি, ন্যূনতম উদ্বেগ, কাছাকাছি হুমকির মুখে, ঝুঁকিপূর্ণ, বিপন্ন, গুরুতরভাবে বিপন্ন, বন্য অঞ্চলে বিলুপ্ত এবং বিলুপ্ত।

⇒ প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা (IUCN) ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থাটির প্রথম অধিবেশ অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর - ৭ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেব্লিউতে।
- দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।
১২৮.
কোন দুটি আরব রাষ্ট্র ক্যাম্প ডেভিড (Camp David) চুক্তি স্বাক্ষরের ফলশ্রুতিতে ইসরাইলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
  1. জর্ডান ও মিশর
  2. কুয়েত ও বাহরাইন
  3. লিবিয়া ও ওমান
  4. তিউনিশিয়া ও আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- পক্ষসমূহ: মিশর - ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিসরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।
- উদ্দেশ্য: মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিরুপণ এবং শান্তি স্থাপন।

⇒ চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত চুক্তিটির জন্য ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরাইলকে স্বীকৃতি প্রদান করে। বিনিময়ে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে এবং সেখানে মিশরের অধিকার পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে মিশরকে ওআইসি ও আরবলীগ থেকে বহিস্কার করা হয়।

• ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির আওতায় স্বাক্ষরিত পৃথক চুক্তি দুটি হচ্ছে -
1. A Framework for Peace in the Middle East ও
2. A Framework for the Conclusion of a Peace Treaty between Egypt and Israel

⇒  এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে মিশর ছাড়াও আরেকটি আরব দেশ—জর্ডানের সাথে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ১৯৯৪ সালে জর্ডান ইসরাইলের সঙ্গে একটি পৃথক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
- ১৯৭৯ সালে মিসর ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর জর্ডান ছিল স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় আরব মুসলিম দেশ।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
১২৯.
মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ (Concert for Bangladesh) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. নিউইয়র্ক
  2. বােস্টন
  3. লন্ডন
  4. ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন, যে ধরণের আয়োজন এর আগে বিশ্বের মানুষ কখনও দেখেনি।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।
- জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানের মতো তারকাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অন্যরকম এক পরিচিতি পায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের সাধারণ মানুষের কাছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) ১ অগাস্ট ২০২১, BBC।
১৩০.
আন্তর্জাতিক আদালতের একজন বিচারক কয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
  1. তিন বছর
  2. সাত বছর
  3. চার বছর
  4. নয় বছর
ব্যাখ্যা
International Court of Justice (ICJ):
- ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
- এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে (সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা)।
- কার্যক্রম শুরু হয়: ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম।
- বিচারক সংখ্যা: ১৫ জন।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দ্বারা এই বিচারকদের নির্বাচন করা হয়।
- একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য ও একজন সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।
- এর প্রধান কাজ স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করা এবং বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে আইন বিষয়ে পরামর্শ দেয়া

উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
১৩১.
ইসলাম ও সুফিমতের প্রভাবে ভারতবর্ষে ঘটেছিল -
  1. বর্ণবাদের পুনরুত্থান
  2. রাষ্ট্রবিপ্লব 
  3. চিন্তাবিপ্লব
  4. অভিবাসন বিপ্লব 
ব্যাখ্যা
ইসলাম ও সুফিমত:
- ইসলাম ও বিশেষ করে সুফিমতের আগমনে ফলে ভারতবর্ষে চিন্তার এক জগত খুলে যায়। পারস্পরিক সাংস্কৃতিক মেলাবন্ধনে পুরনো ধ্যান ধারণা ফেলে সূচনা হয় নতুন চিন্তা ধারার। পরবর্তীতে বহু মুক্তবুদ্ধি ও আধুনিক চিন্তা-চেতনার মনীষীকে এই চর্চা অব্যহত রাখতে এবং সমাজ সংস্কারেও এর প্রভাব দেখা যায়।

- ইরাণ থেকে আগত সুফী ধর্মাবলম্বীরা ভারতবর্ষের মাটিতে পা দেবার পর বাংলা দেশে এসে পৌছেছিল। ইবন বতুতার বর্ণনায় পাই যে বাংলাদেশে বহু সুফী বাস করতেন।

- সুফী ধর্ম হচ্ছে প্রেমবাদ যে প্রেম আল্লাহর প্রতি প্রেম। সাধ্য আল্লাহ বটে কিন্তু এর মানবিকতাই প্রেম সাধনার প্রথম পাঠ।

- আহমদ শরীফের মতে “তুর্কী আফগান বিজয়ের সঙ্গে সঙ্গে এবং তার আগেও ইরাণী সুফী তত্ত্বের প্রভাবে ভারতে ভক্তিবাদের উদ্ভব হয়।"

- এ বিষয়ে সুকুমার সেন লিখেছেন যে “রাজ সভাশ্রিত উচ্চতর সমাজে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে সাংস্কৃতিক আপোস কিছু হয়েছিল। ইহার পিছনে দরবেশ ফকিরদেরও প্রভাব ছিল এবং এই সুত্রে গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মে সুফি প্রভাবেব কিছু ছাপ পড়িয়াছিল বলিয়া মনে হয়।”

- চিন্তার বিপ্লবের কথা বললে রাজা রামমোহন রায়ের প্রসঙ্গ আনতে হয়।

- "রামমোহন একদিকে যেমন ইসলামের প্রখর যুক্তিবাদের দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়েছিলেন, অন্যদিকে তেমনি আবার সুফী ভক্ত-সম্প্রদায়ের দার্শনিক মতবাদকে বিশেষ শ্রদ্ধা করতেন। শুধু পাটনায় অধ্যয়ন কালেই নয়, পরবর্তী জীবনেও তিনি হাফিজ, মৌলানা রুমি প্রভৃতি ভক্ত-কবিগণের কাব্য পাঠ করতে ভালবাসতেন। তাহার মত বিচিত্র প্রতিভাধর ব্যক্তির পক্ষেই একাধারে ইসলামের নির্মোহ যুক্তিবাদ ও সুফী ধর্মের আবেগঘন ভক্তিবাদ- এই বিসম ভাবধারাকে মেলানো সম্ভব হয়েছিল।"

⇒ বাকী ৩টার উত্তর হবার কোন সুযোগ নেই। সুতরাং সঠিক উত্তর চিন্তাবিপ্লব।

উৎস: অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ও বাংলা সাহিত্য ও অনিরুদ্ধ রায়ের ইতিহাস অনুসন্ধান।
১৩২.
২০২২ সালে কোন দেশ জাতিসংঘের শান্তিস্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশন (পিবিসি):

- পিস বিল্ডিং কমিশন (পিবিসি) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা সংস্থা। 
- এ সংস্থা সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে শান্তি বিনির্মাণের জন্য কাজ করে, যাতে সংঘাতের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) থেকে নির্বাচিত সদস্যসহ ৩১ জন সদস্যের সমন্বয়ে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পিবিসি।
- জাতিসংঘে শীর্ষ অর্থ প্রদানকারী ও শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোও কমিশনের সদস্য।

২০২২ সালে জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সেখানে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তরে পিবিসির চেয়ার ও ভাইস-চেয়ারদের নির্বাচনে সর্বসম্মতিক্রমে তিনি ২০২২ সালের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ফাতিমা হলেন পিবিসির প্রথম নারী সভাপতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠানকাল থেকেই পিবিসি’র সদস্য।
- এর আগে ২০১২ সালে বাংলাদেশ পিবিসি’র সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

⇒ জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১ম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি- ইসমাত জাহান।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
১৩৩.
নিচের কোন দুর্যোগের কার্যকর পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়?
  1. বন্যা
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. খরা
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত অর্থাৎ কার্যকর পূর্বাভাস ছাড়া সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প।

⇒ ভূমিকম্প নির্ণয় যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে।
- এই রিখটার স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩১গুন বেড়ে যাওয়া।
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি।

⇒ ভূমিকম্পের প্রধান কারণ:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

উৎস: i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৩৪.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. চুনাপাথর
  3. বায়ু
  4. কয়লা
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য সম্পদ:
- নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Energy) হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (জৈবভর), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে,
⇒ অনবায়নযোগ্য সম্পদ:
- অনবায়নযোগ্য সম্পদ (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর, খনিজ তেল ইত্যাদি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
বাংলাদেশে জি-কে প্রকল্প একটি-
  1. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
  2. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প
  3. জল পরিবহন প্রকল্প
  4. সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জি. কে. প্রকল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট) গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- প্রকল্পের আওতায় সেচযোগ্য এলাকা রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ১০৭ হেক্টর।
- উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত।
- এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা।
- প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে শস্যের অধিক ফলন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ছিল অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৫১ সালে প্রাথমিক জরিপের পর ১৯৫৪ সালে জি-কে সেচ প্রকল্প অনুমোদন পায়।
- চালু হয় ১৯৬২-৬৩ সালে।
- সমগ্র প্রকল্প এলাকাটি দুটি অঞ্চলে বিভক্ত, কুষ্টিয়া অঞ্চল এবং যশোর অঞ্চল।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে বৃহত্তম যশোর ও কুষ্টিয়া জেলার খরিপ মৌসুমে অর্থাৎ রোপা আমন মৌসুমে সেচ প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
১৩৬.
COP 26-এ COP মানে কী?
  1. কনফারেন্স অব প্যারিস
  2. কনফারেন্স অব দ্য পাওয়ার
  3. কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
  4. কনফারেন্স অব দ্য প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
⇒ ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29):
- সর্বশেষ ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’।
- বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর দাবি ছিল, তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার দিতে হবে।
- চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
১৩৭.
বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয় কোনটি?
  1. ঘন ঘন বন্যা
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ঘন ঘন বন্যাব্লু ইকোনমি বাস্তবায়নের জন্য বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নয়।

Blue economy:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
- ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গ্রুন্টার পাউলি।
- ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথম এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।

⇒ বিশ্বব্যাংক আধুনিক ব্লু ইকোনোমির সংজ্ঞায় বলেছে - ব্লু ইকোনোমি হলো টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সামুদ্রিক পরিবেশের সুরক্ষা করে সমুদ্রের ব্যবহারযোগ্য সকল ধরণের সম্পদ সঠিকমাত্রায় ব্যবহার করা। এখানে, ইকোনোমি শুধু ব্যবসায়িক দিক বুঝায় না, বরং সমুদ্রের জীবন্ত প্রাণীদের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখাও বুঝায়।
- ২০১৪ সালে বাংলাদেশ মিয়ানমারের নিকট থেকে সমুদ্রসীমা বিজয়ের পর বঙ্গোপসাগরে অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ব্লু ইকোনমির বড় অংশীদার হয়। বিশাল সমুদ্রজয়ের পর সমুদ্র অর্থনীতি ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু হয় বাংলাদেশের।
- বাংলাদেশের 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা - ২১০০' বাস্তবায়নে ব্লু ইকোনমির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ:
- পর্যাপ্ত নীতিমালার ও সঠিক কর্মপরিকল্পনার অভাব।
- দক্ষ জনশক্তির অভাব।
- প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাব।
- সম্পদের পরিমাণ ও মূল্য সম্পর্কে সঠিক তথ্যের অভাব।
- মেরিন রিসোর্সভিত্তিক পর্যাপ্ত গবেষণা না হওয়া।
- ব্লু-ইকোনমি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগের অভাব।
- সমুদ্রে গমন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য গবেষণা জাহাজ না থাকা।

উৎস: i) United Nation ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩৮.
ডাউকি ফল্ট বরাবর একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশের কোন নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে?
  1. ব্ৰহ্মপুত্র নদী
  2. পদ্মা নদী
  3. কর্ণফুলি নদী
  4. মেঘনা নদী
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra):
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- ধরলা ও তিস্তা প্রধান উপনদী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মাটির নিচে ভূমিকম্পের দুটি বড় উৎস আছে।
- একটি হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের ডাউকি চ্যুতি বা ফাটল (ফল্ট)।
- ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
১৩৯.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
  2. সাভার, ঢাকা
  3. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  4. বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

⇒ এটি দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।
- কেন্দ্রটিতে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার করা হয়।
- এটি পরিচলনা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৪০.
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অনুসারে ‘শুদ্ধাচার’ হচ্ছে-
  1. শুদ্ধভাবে কার্যসম্পাদনের কৌশল
  2. সরকারী কর্মকর্তাদের আচরণের মানদণ্ড
  3. সততা ও নৈতিকতা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ
  4. দৈনন্দিন কার্যক্রমে অনুসৃতব্য মানদণ্ড
ব্যাখ্যা
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল হলো দুর্নীতি ঠেকাতে নাগরিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, এবং সততা নিশ্চিত করণে সরকার প্রণীত একটি সুশাসন কৌশল।
- স্লোগান: সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়।
- দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীদারদের ভূমিকা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই কৌশলে শুদ্ধাচার বলতে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- গ্রহণকারী: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

⇒ শুদ্ধাচার:
- শুদ্ধাচারের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সমস্যা দূর করা যায়।
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততার দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে বোঝায়।
- ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচারের অর্থ হলো কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা তথা চরিত্রনিষ্ঠা।
- রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো নাগরিক।
- নাগরিকগণ রাষ্ট্রের সকল কাজের অংশীদার।
- তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে নাগরিকদের শুদ্ধাচারের চর্চা করতে হবে।
- শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা পেলে দুর্নীতি হ্রাস, জনগণ অন্যায় কর্ম থেকে বিরত থাকবে এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রিক অনাচার দূর হবে।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৪১.
বাংলাদেশে দুর্নীতিকে দণ্ডনীয় ঘোষণা করা হয়েছে যে বিধানে -
  1. ১৮৬০ সালে প্রণীত দণ্ডবিধিতে
  2. ২০০৪ সালে প্রণীত দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে
  3. ২০১৮ সালে প্রণীত সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালাতে
  4. উপরের সবগুলােতে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ আইনটি বাংলাদেশে ফৌজদারী অপরাধ সংক্রান্তীয় দণ্ড দান করার জন্য প্রধান আইন।

⇒ ২০০৪ সালে দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরােধের লক্ষ্যে এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান ও পরিচালনার জন্য স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠাকরণ এবং এর আইন মােতাবেক দুর্নীতিকে সর্বস্তরে নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

⇒ ২০১৮ সালে প্রণীত সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালাতে অসদাচরণ, দুর্নীতি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ‘গুরুদণ্ড’ ও ‘লঘুদণ্ড’ নামক দুই ধরনের দণ্ড আরােপের বিধান রয়েছে।

তাই আমরা বলতে পারি,
- উক্ত তিনটি বিধিমালাই দুর্নীতিকে সর্বস্তরে প্রতিরােধকল্পে গঠিত।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।
১৪২.
জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরােধী কনভেনশনের নাম-
  1. UNCLOS
  2. UNCTAD
  3. UNCAC
  4. CEDAW
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশন:
- United Nations Convention Against Corruption (UNCAC) বা জাতিসংঘের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশন (ইউএনএসি)) হলো আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এজেন্ডার নাম: মেরিডা কনভেনশন (Merida Convention)।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

⇒ প্রধান পাঁচ কার্যক্রম:
i) অপরাধ প্রতিরোধ,
ii) আইন প্রয়োগমূলক পদক্ষে্‌
iii) আন্তর্জাতিক সহযোগিতা,
iv) সম্পত্তি উদ্ধা্‌
v) কারিগরি সহায়তা ও তথ্য বিনিময়।

উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি বিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ৩১ অক্টোবর ২০০৩ তারিখে জাতিসংঘের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কনভেনশন পাস হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন করা হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।
১৪৩.
সরকারি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ‘স্বার্থের সংঘাত' (conflict of interest)- এর উদ্ভব হয় যখন গৃহীতব্য সিদ্ধান্তের সঙ্গে -
  1. সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্মকর্তার নিজের বা পরিবারের সদস্যদের স্বার্থ জড়িত থাকে
  2. প্রভাবশালী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের স্বার্থ জড়িত থাকে
  3. সরকারি স্বার্থ জড়িত থাকে
  4. উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বার্থ জড়িত থাকে
ব্যাখ্যা
Conflict of Interest
- A conflict of interest occurs when an individual’s personal interests – family, friendships, financial, or social factors – could compromise his or her judgment, decisions, or actions in the workplace.
⇒ ‘স্বার্থের সংঘাত’ (Conflict of interest)- একটি পরিস্থিতি যেখানে দুটি ভিন্ন পক্ষের উদ্বেগ বা লক্ষ্য ভিন্ন।
⇒ নির্বাচিত কর্মকর্তা বা কর্পোরেট লবিস্টদের মধ্যে স্বার্থের দ্বন্দ্ব এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে একজন ব্যক্তি তাদের অফিসিয়াল ক্ষমতায় গৃহীত কর্ম বা সিদ্ধান্ত থেকে ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের অবস্থানে থাকে।

তাই,
- সঠিক উত্তর হবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্মকর্তার নিজের বা পরিবারের সদস্যদের স্বার্থ জড়িত থাকে।

উৎস: লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৪৪.
রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতিপ্রবণতার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী -
  1. আইনের প্রয়ােগের অভাব
  2. নৈতিকতা ও মূল্যবােধের অভাব
  3. দুর্বল পরিবীক্ষণ ব্যবস্থা
  4. অসৎ নেতৃত্ব
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি:
- দুর্নীতি হলো 'নীতি' বহির্ভূত কাজ।
- যেসব কাজ মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের পরিচয় বহন এবং সামাজিক জীবনে শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে সমাজের সংহতি ও সামাজিক সম্পর্ক নষ্ট করে তাকে দুর্নীতি বলে।
- দুর্নীতি রাষ্টীয় তথা জাতীয় জীবনের জন্য অভিশাপ।

⇒ দুর্নীতির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা বেশ জটিল।
- কারণ সমাজভেদে এবং একই সমাজে যুগভেদে নীতি, আদেশ ও মূল্যবোধের পার্থক্য দেখা দেয়।
- দুর্নীতি যেহেতু নীতি, আদর্শ ও মূল্যবোধের পরিপন্থীমূলক কাজ, সেহেতু দুর্নীতিমূলক কাজের উদাহরণ দিতে গেলে স্থান-কাল-পাত্র-আদর্শ ইত্যাদি বিবেচনা করতে হয়।
- দুর্নীতির সাথে পেশা, ক্ষমতা, সুেযাগ-সুবিধা, পদবি, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি বিষয় গভীরভাবে জড়িত।
- সুতরাং, "নৈতিকতা ও মূল্যবােধের অভাব" রাষ্ট্র ও সমাজে দুর্নীতিপ্রবণতার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র এইচসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।