পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা [ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়] ২. ধ্বনিতত্ত্ব [ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; যুক্তবর্ণ; ধ্বনির গঠন ও উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন] এবং বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ক ১. ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থের চৌম্বকত্ব, তড়িৎ চৌম্বক ও তাড়িত চৌম্বকীয় আবেশ, তরঙ্গ এবং শব্দ, শক্তি। ২. কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা; তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, পদার্থের গ্যাসীয় ধর্ম, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক বিজ্ঞান ও আলোক যন্ত্রপাতি, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
বাংলা ভাষায় কারবর্ণ কয়টি?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১১
সঠিক উত্তর:
গ) ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় কারবর্ণ হচ্ছে ১০টি।

 • কারবর্ণ
-  স্বরবর্ণের মােট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, এগুলাের নাম কারবর্ণ: া,্ি,ী.ু,ূ,ৃ,্ে, ৈ,াে,ৌ।
- কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলাে ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।
- কোনাে ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হস্চি‌হ্ন না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি অ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। (সংস্করণ-২০২১)
.
নিচের কোনটি সমীভবনের উদাহরণ?
  1. ক) লাল> নাল
  2. খ) কাঁদনা > কান্না
  3. গ) ধোবা > ধোপা
  4. ঘ) আলাদিয়া> আলাদা
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁদনা > কান্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁদনা > কান্না
ব্যাখ্যা
- কাঁদনা > কান্না হচ্ছে সমীভবনের উদাহরণ। 

• সমীভবন:
- দুটো ধ্বনির একে অপরের প্রভাবে অল্প বিস্তর সমতা লাভ করাকে বলে সমীভবন।
যেমন: জন্ম > জম্ম,কাঁদনা > কান্না।

অন্যান্য অপশন- 
• বিষমীভবন:
- দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। 
যেমন: শরীর> শরীল, লাল> নাল ইত্যাদি।

• অন্তর্হতি:
- পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্তর্হতি বলে।
যেমন: ফাল্গুন>ফাগুন, ফলাহার> ফলার, আলাদিয়া> আলাদা ইত্যাদি। 

• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দের মধ্যে কোনো কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জন ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন: কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) সর্বনাম হ্রস্বতর
  2. খ) বিশেষ্যের আধিক্য
  3. গ) ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ
  4. ঘ) অনুসর্গ হ্রস্বতর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ
ব্যাখ্যা
- সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর হয়।

• সাধু রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:


ক) সাধু রীতিতে ক্রিয়ারূপ দীর্ঘতর।
যেমন- ‘করা' ক্রিয়ার রূপ: করিতেছে, করিয়াছে, করিল, - করিলে, করিলাম, করিত, করিতেছিল, করিয়াছিল, করিব, করিবে, করিতে, করিয়া করিলে, করিবার।
(খ) সাধু রীতির বহু সর্বনামে ‘হ’-বর্ণ যুক্ত থাকে।
যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। (সংস্করণ-২০২১)
.
'শৃগাল'- এর উচ্চারণ -
  1. ক) শ্রীগাল
  2. খ) স্রিগাল
  3. গ) শৃগাল
  4. ঘ) সৃগাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৃগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৃগাল
ব্যাখ্যা
শৃগাল (বিশেষ্য):
উচ্চারণ: সৃগাল্‌।
অর্থ:
১. খাড়া ত্রিকোণাকৃতি কান, সুচালো মুখ এবং মোটা লোমশ লেজযুক্ত চতুষ্পদ মাংসাশী ও নিশাচর স্তন্যপায়ী বন্য প্রাণী।
২. শিয়াল, শিবা, শেয়াল।

অপশন অনুসারে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর: ঘ) সৃগাল।

শৃগাল - শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।
সঠিক প্রকৃতি - প্রত্যয় হলো: √সৃজ্‌ + আল = শৃগাল
সঠিক স্ত্রী রূপ/স্ত্রীলিঙ্গ - শৃগালী।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ-
  1. ক) ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ)
  2. খ) ব্যাকরণ কৌমুদী
  3. গ) এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. ঘ) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ হচ্ছে গৌড়ীয় ব্যাকরণ।
- ১৮৩৩ সালে রাজা রামমোহন রায় এটি রচনা করেন।

এছাড়া,
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়। লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ। 
- ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ। তাঁর রচিত বইটির নাম ‘এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'।
- ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এবং ১৮২৬ সালে রামমোহন রায় ইংরেজি ভাষায় আরো দুটি উল্লেখযোগ্য বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। (সংস্করণ-২০২১)
.
অপিনিহিতির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) দেশি > দিশি
  2. খ) বেঞ্চ > বেঞ্চি
  3. গ) টপ+টপ > টপাটপ
  4. ঘ) মারি > মাইর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মারি > মাইর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মারি > মাইর
ব্যাখ্যা
- মারি>মাইর হচ্ছে অপিনিহিতির উদাহরণ।

 • অপিনিহিতি:
- পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন: আজি > আইজ, সাধু > সাউধ, মারি > মাইর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
স্বরসঙ্গতি:
- একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে শব্দে অপর স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসঙ্গতি বলে।
যেমন: দেশি > দিশি, বিলাতি > বিলিতি, শিকা > শিকে, মুলা > মুলো ইত্যাদি।

• অসমীকরণ:
- একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ।
যেমন: ধপ + ধপ > ধপাধপ, টপ + টপ > টপাটপ ইত্যাদি।

• অন্ত্যস্বরাগম:
- কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরুপ স্বরাগমকে বলে অন্ত্যস্বরাগম।
যেমন: দিশ্ > দিশা, পোখত্ > পোক্ত, বেঞ্চ > বেঞ্চি, সত্য > সত্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সাধু রীতির শব্দ নয় কোনটি?
  1. ক) ওটি
  2. খ) কাহাদের
  3. গ) করিও
  4. ঘ) আসিল
সঠিক উত্তর:
ক) ওটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওটি
ব্যাখ্যা
- 'ওটি' সাধু রীতির শব্দ নয়।
- 'উহা' এর চলিত রূপ হচ্ছে 'ওটি'/ও/ওটা।

অন্যদিকে,
'কাহাদের' চলিত রূপ হচ্ছে কাদের।
'করিও' চলিত রূপ হচ্ছে করো।
'আসিল' চলিত রূপ হচ্ছে আসল, এলো।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
কোনটি অশুদ্ধ?
  1. ক) ত্ত = ত্‌+ত
  2. খ) ভ্রূ = ভ্‌+র
  3. গ) ষ্ণ = ষ্‌+ণ
  4. ঘ) হ্ম = হ্‌+ম
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্রূ = ভ্‌+র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্রূ = ভ্‌+র
ব্যাখ্যা
- 'ভ্রূ' যুক্তবর্ণে (ভ্‌+র্‌+ঊ) তিনটি বর্ণ আছে।

• যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলােকে দেখে কখনাে সহজে চেনা যায়, কখনাে সহজে চেনা যায় না।

• যুক্তবর্ণ দুই রকম- 
১) স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- জ্ঝ = জ + ঝ।
- ক্ট, ব্জ, দ্দ, ড্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্ব, দ্ম, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, প্স, ল্ক, শ্চ, ষ্ফ, ল্ট ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ক্ত (ক্‌+ত), ক্ম (ক্‌+ম), ক্র (ক্‌+র), ক্ষ (ক্‌+ষ), ক্ষ্ম (ক্‌+ষ্‌+ম), ক্স (ক্‌+স), গ্ধ (গ্‌+ধ) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। (সংস্করণ-২০২১)
.
চলিত রীতি ভাষার শুদ্ধ বাক্য -
  1. ক) কতবার সেই ফুল ধরতে চেষ্টা করলাম-- পারলাম না।
  2. খ) কতবার সেই ফুল ধরতে চেষ্টা করলাম-- পারিলাম না।
  3. গ) কতবার সেই ফুল ধরিতে চেষ্টা করিলাম-- পারলাম না।
  4. ঘ) কতবার সেই ফুল ধরতে চেষ্টা করিলাম-- পারিলাম না।
সঠিক উত্তর:
ক) কতবার সেই ফুল ধরতে চেষ্টা করলাম-- পারলাম না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কতবার সেই ফুল ধরতে চেষ্টা করলাম-- পারলাম না।
ব্যাখ্যা
- চলিত রীতি ভাষার শুদ্ধ বাক্যটি হচ্ছে কতবার সেই ফুল ধরতে চেষ্টা করলাম-- পারলাম না।

• চলিত রীতির বৈশিষ্ট্য:
ক) এ ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার অধিক।
খ) এ ভাষায় বক্তৃতা, আলাপ ও নাট্য আলাপের উপযোগী।
গ) চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল।
ঘ) চলিত ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সংক্ষিপ্ত হয়।
ঙ) চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদের প্রচুর রূপ দেখা যায়।

 • চলিত রীতি ভাষার উদাহরণ:
- পুল পেরিয়ে সামনে একটা বাঁশ বাগান পড়ল।
- বাকি রাতটা আমার নির্ঘুম কাটল।
- আমি এক সময় ভাবি, লেখার একটি স্কুল খুললে কেমন হয়।
- কতবার সেই ফুল ধরতে চেষ্টা করলাম-- পারলাম না।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
১০.
'আ' কখনো অ্যা এর মতো উচ্চারিত হয়, যেমন-
  1. ক) কাতুকুতু
  2. খ) জ্ঞান
  3. গ) একা
  4. ঘ) রাত
সঠিক উত্তর:
খ) জ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জ্ঞান
ব্যাখ্যা
- [আ] জ্ঞ এর সঙ্গে থাকলে অ্যা এর মতো উচ্চারিত হয়।
যেমন: জ্ঞান [গ্যাঁন], জ্ঞাত [গ্যাঁতো], জ্ঞাপন [গ্যাঁপন্‌]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। (সংস্করণ-২০২১)
১১.
স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ পরম তাপমাত্রার সাথে কীভাবে সম্পর্কিত?
  1. ক) চাপ তাপমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক
  2. খ) চাপ তাপমাত্রার সমানুপাতিক
  3. গ) চাপ তাপমাত্রার বর্গের সমানুপাতিক
  4. ঘ) চাপ তাপমাত্রার বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
খ) চাপ তাপমাত্রার সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাপ তাপমাত্রার সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা:

- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
- আয়তন, চাপ ও তাপমাত্রা তিনটি রাশি বা চলক এক সাথে গ্যাসের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে । এই তিনটি চলকের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে তিনটি সূত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এগুলো গ্যাস সূত্রাবলি নামে পরিচিত।
- বয়েলের সূত্র: তাপমাত্রা স্থির থাকলে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার চাপের ব্যস্তানুপাতিক।
- চার্লসের সূত্র: স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তনের পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
- গে লুসাকের সূত্র: স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক।
- স্থির চাপে গাণিকিভাবে যে তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে (-273°C) পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বরফ গলে পানিতে পরিণত হয় বা পানি জমে বরফে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা বলে

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কাজের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) বল × সরণ
  2. খ) ভর × সরণ
  3. গ) ভর × বল
  4. ঘ) ভর × সময়
সঠিক উত্তর:
ক) বল × সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বল × সরণ
ব্যাখ্যা
কাজ:

- কাজ = বল × সরণ।
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই ৷
- কাজের মাত্রা = বলের মাত্রা × সরণের মাত্রা।
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)। অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। নিউটন মিটারকে জুল (J)বলা হয়।
-  বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের দিকে সরে যায় তখন বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ধনাত্মক কাজ বলা হয়।
- বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় তাহলে সেই বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ঋণাত্মক কাজ বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
'পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করা যায়'- এটি কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ওয়েরস্টেডে
  2. খ) ম্যাক্সওয়েল
  3. গ) ফ্যারাডে
  4. ঘ) ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
তাড়িতচৌম্বক আবেশ:

- 'পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করা যায়'- এটি ফ্যারাডে আবিষ্কার করেন।
- তড়িচ্চালক শক্তি ও তড়িৎপ্রবাহ উৎপন্ন হওয়ার পদ্ধতিকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে
-  ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে আবিষ্কার করেন যে, পরিবর্তনশীল চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি করা যায়।
- এ আবিষ্কার এর উপর ভিত্তি করে ডায়নামো, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি বৈদ্যুতিক যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
- তাড়িতচৌম্বক আবেশের ফলে সৃষ্ট ক্ষণস্থায়ী তড়িচ্চালক শক্তিকে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি বলে
- ১৮২০ সালে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
নিচের কোনটি যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়।
  2. খ) স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে।
  3. গ) কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়।
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য:

- তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়।
- মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়।
- মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না।
- তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্যস্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে।
- স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে
- তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়।
- কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
উত্তল লেন্সের ব্যবহার কোনটি?
  1. ক) গ্যালিলিওর দূরবীক্ষন যন্ত্র
  2. খ) সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টর
  3. গ) বিবর্ধক কাচ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) বিবর্ধক কাচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিবর্ধক কাচ
ব্যাখ্যা
উত্তল লেন্স:

- যেই লেন্সে আলোক রশ্মি কোন একটি বিন্দুতে এসে মিলিত হয় তাকে উত্তল লেন্স বলে
- এই বিন্দুটি লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব।
- আতশী কাচ হিসেবে এবং আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যহার করা হয়।
- চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাচ, অণুবীক্ষন যন্ত্র ইত্যাদি আলোক যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিচের কোনটি আবেশের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) দূর প্রান্তে বিপরীতধর্মী আধানের সৃষ্টি হয়।
  2. খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
  3. গ) নিকট প্রান্তে আবিষ্ট বস্তুতে আবেশী বস্তুর সমধর্মী।
  4. ঘ) কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
ব্যাখ্যা
আবেশের বৈশিষ্ট্য:

- স্পর্শ ছাড়া আহিত বস্তুর (আবেশী বস্তু) প্রভাবে আধানহীন বস্তু (আবিষ্ট বস্তু) আহিত হবার ঘটনাকে আবেশ বলে।
- আবেশ প্রক্রিয়ায় আবিষ্ট বস্তুতে সমমানের দুই ধরণের আধানের সৃষ্টি হয়।
- আবেশী বস্তুর নিকট প্রান্তে আবিষ্ট বস্তুতে আবেশী বস্তুর বিপরীতধর্মী এবং দূর প্রান্তে সমধর্মী আধানের সৃষ্টি হয়।
- আবেশী বস্তু সরিয়ে নিলে আবিষ্ট বস্তু আধানহীন হয়ে পড়ে।
- আগে আবেশ হয় পরে আকর্ষণ হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কী বলে?
  1. ক) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
  2. খ) তরঙ্গ বেগ
  3. গ) বিস্তার
  4. ঘ) কম্পাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পাঙ্ক
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ:

- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে
- একে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয় Hz।
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা কোনো বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিক থেকে পুনরায় ঐ বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে একটি পূর্ণস্পন্দন বলে।
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কালকে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে।
- তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
মৌলিক রাশির সংখ্যা কত?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি:

- মৌলিক রাশির সংখ্যা ৭টি।
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
- যেসকল রাশি পরিমাপের জন্যে অন্য রাশির প্রয়োজন হয় না তাকে মৌলিক রাশি বলে।
- ৭টি মৌলিক রাশি হলো দৈর্ঘ্য, ভর, সময়,তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।
- যেসকল রাশি পরিমাপের জন্যে অন্য রাশির প্রয়োজন হয় তাকে লব্ধ রাশি বলে।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ। 

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
বর্তনীতে কেন ফিউজ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) নিরাপত্তার জন্য।
  2. খ) বেশি আলো পাওয়ার জন্য।
  3. গ) বিদ্যুৎ বিল কমানোর জন্য।
  4. ঘ) রোধ বৃদ্ধির জন্য।
সঠিক উত্তর:
ক) নিরাপত্তার জন্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিরাপত্তার জন্য।
ব্যাখ্যা
তড়িতের নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহার:

- বর্তনীতে নিরাপত্তার জন্য ফিউজ ব্যবহার করা হয় নিরাপত্তার জন্য।
- তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান সরবরাহ লাইনের মাধ্যমে 220V (AC) হিসেবে সরবরাহ করে।
- এখানে AC বলতে (Alternating Current) পরিবর্তী প্রবাহ বোঝানো হয়।
- হৃৎপিন্ডের ভেতর দিয়ে সরাসরি 10 mA তড়িৎ প্রবাহ হলেই মানুষ মারা যেতে পারে।
- হঠাৎ করে মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করার জন্য সরবরাহ লাইনে সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়।
- সর্বদা উচ্চ বিভবের তারের সাথে সুইচ লাগানো হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।