বিষয়: ভূগোল ও দুর্যোগ-ব্যবস্থাপনা (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ১০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
বাংলাদেশের সীমান্ত: - বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি। - বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার। - বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার। - ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২.
ডেড সী বা মৃত সাগর কী?
ক
মৃত সাগর
খ
একটি হ্রদ
গ
একটি সাগর
ঘ
একটি নদী
সঠিক উত্তর: খ
একটি হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
একটি হ্রদ
খ
ব্যাখ্যা
ডেড সি: - ডেড সি জর্ডানে অবস্থিত। - ডেড সি জর্ডান এবং ইসরায়েলের মধ্যে অবস্থিত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি লবণাক্ত হ্রদ। - এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ৪৩০.৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। - ডেড সি পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলির মধ্যে একটি, সাধারণ সমুদ্রের জলের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি লবণাক্ত। - এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়। - উচ্চ লবণাক্ত স্তর এবং কঠোর জলবায়ু জন্যে ডেড সি তে কোনো মাছ জন্মায় না।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩.
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে -
ক
৮.১০ মিনিট
খ
৮.৩২ মিনিট
গ
৮.৪৩ মিনিট
ঘ
৮.৫৭ মিনিট
সঠিক উত্তর: খ
৮.৩২ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৮.৩২ মিনিট
খ
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun): - সূর্য একটি নক্ষত্র। - এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। - এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। - পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। - সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। - আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। - সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪.
আরব মরুভূমিতে প্রবাহিত স্থানীয় বায়ু -
ক
টাইফুন
খ
সিরোক্কো
গ
সাইমুম
ঘ
খামসিন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। এটি আরব মালভূমি হবে।
স্থানীয় বায়ু: - স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ। - রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ। - উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু। - ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়। - অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫.
পৃথিবীর পরিধি কত?
ক
১৫,০০০ কি.মি.
খ
২৫,০০০ কি.মি.
গ
৪০,০০০ কি.মি.
ঘ
৬০,০০০ কি.মি.
সঠিক উত্তর: গ
৪০,০০০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৪০,০০০ কি.মি.
গ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আকৃতি: - পৃথিবী একটি অভিগত গোলক। - অর্থাৎ এর উত্তর ও দক্ষিণ অংশ কিছুটা চাপা ও মধ্যভাগ, অর্থাৎ নিরক্ষরেখা বরাবর অঞ্চলটি কিঞ্চিত স্ফীত। - সৌরজগত পরিবারের মাঝারি আকারের গ্রহ পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কি.মি.। - পৃথিবীর গড় ব্যাস ১২,৭৩৪.৫ কি.মি. (প্রায়)। - পৃথিবীর গোলাকৃতি আকার সম্পর্কে নানা প্রমাণ উপস্থাপন করা যায়। - আধুনিক মহাকাশ চিত্রসমূহ থেকে পৃথিবীর আকার সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬.
ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাঁকে কী বলা হয়?
ক
সমকেন্দ্র
খ
কেন্দ্র
গ
উপকেন্দ্র
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর: খ
কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
কেন্দ্র
খ
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: - ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে। - একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। - ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে। - কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে। - ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়। - ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে। - যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭.
মঙ্গল গ্রহের কয়টি উপগ্রহ রয়েছে?
ক
১টি
খ
২টি
গ
৩টি
ঘ
৪টি
সঠিক উত্তর: খ
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২টি
খ
ব্যাখ্যা
মঙ্গল (Mars): - সূর্য থেকে মঙ্গলের গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার। - এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার। - সূর্যের চতুদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে মঙ্গলের সময় লাগে প্রায় ৬৮৭ দিন। - ডিমোস এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে। - বৃত্তাকার কক্ষপথে ডিমোস প্রতি ৩০ ঘণ্টা ১৭ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড এবং ফোবস ৭ ঘণ্টা ৩৯ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে মঙ্গলকে একবার আবর্তন করে। - মঙ্গলে রয়েছে সৌরজগতের বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি নিকস অলিম্পিকা। - মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড, আর্গন প্রভৃতি গ্যাস রয়েছে। মঙ্গলের আকাশ নীল, মাটি লাল ও শুষ্ক । - মঙ্গলের তাপমাত্রা ২০" সেলসিয়াস এর অধিক হয় না। তাপমাত্রা রাতে হিমাছের বহু নিচে নেমে যায়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮.
বায়ুমন্ডলের ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর কোনটি?
ক
স্ট্র্যাটোমন্ডল
খ
এক্সোমন্ডল
গ
মেসোমন্ডল
ঘ
ট্রপোমন্ডল
সঠিক উত্তর: ঘ
ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ট্রপোমন্ডল
ঘ
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল (Troposphere): - ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর। - মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। - ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার। - এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে। - এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। - এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে। - উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত। - ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। - এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯.
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য কত?
ক
১ মিনিট
খ
২ মিনিট
গ
৩ মিনিট
ঘ
৪ মিনিট
সঠিক উত্তর: ঘ
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৪ মিনিট
ঘ
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়: - গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ +৬ ঘন্টা। - পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। - অর্থাৎ ২০ দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৮ মিনিট। - সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। - গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। - গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।
১০.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অর্ন্তভূক্ত অঞ্চল কোনটি?
ক
কুমিল্লা
খ
ভোলা
গ
সিলেট
ঘ
চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর: ক
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
কুমিল্লা
ক
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি (Physiography): - বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ। - এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত। - উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি। - এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার। - ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ। • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ। • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: - টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত। - আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়। - রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের। - এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো- • দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ। • উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ: - আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। - এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর। - দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। - প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি: - টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। - এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম। - পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন - বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে। - এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। - এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে। - রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য। - মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।