পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পার্ট-১: ১) গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সাধারণ তথ্য এবং ইতিহাস (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়ার, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাপান)। ২) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ, FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপাবলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর-ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19. পার্ট-২) নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন: 1) Definition of Values Education and Good Governance; 2) Relation between Values Education and Good Governance; 3) General Perception of Values Education and Good Governance; 4) Importance of Values Education and Good Governance in the life of an individual as a citizen as well as in the making of society and national ideals. পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে। পার্ট-২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC পৌরনীতি বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
ন্যাটোভুক্ত ইউরোপের বাইরের দেশ -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. খ) কলম্বিয়া ও হন্ডুরাস
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  4. ঘ) ইকুয়েডর ও বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
ন্যাটো (NATO)

- পরিচয়: সামরিক জোট।
- পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organization।
- উদ্যোক্তা: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠা: ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩০টি।
→ এদের মধ্যে ২৮টি দেশ ইউরোপের।
→ বাকি ২টি দেশ উত্তর আমেরিকার (যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা)।
→ অর্থাৎ, ন্যাটোভুক্ত ইউরোপের বাইরের দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
- সর্বশেষ সদস্য: উত্তর মেসিডোনিয়া (২০২০)।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।


তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
.
ট্রুম্যান নীতি ও মার্শাল পরিকল্পনাকে কোন ধরনের কূটনীতি বলা যায়?
  1. ক) গানবোট কূটনীতি
  2. খ) ওয়ার কূটনীতি
  3. গ) ডলার কূটনীতি
  4. ঘ) খোলানীতি
ব্যাখ্যা
ট্রুম্যান নীতি (Truman Doctrine)

- ঘোষণা: ১২ মার্চ, ১৯৪৭; মার্কিন কংগ্রেসে।
- ঘোষণাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান।
- বিষয়বস্তু: ট্রুম্যান আনুষ্ঠানিকভাবে Cold War শব্দটি ব্যবহার করেন এবং তুরস্ক ও গ্রিসকে ৪০ কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা দেন।
- উল্লেখ্য, ট্রুম্যান নীতির পরই বিশ্বে ডলার কূটনীতি চালু হয়।

মার্শাল প্ল্যান (Marshall Plan)

- ঘোষণা: ৫ জুন, ১৯৪৭; হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ঘোষণাকারী: তৎকালীন মার্কিন সেক্রেটারি অব দ্য স্টেট (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) জর্জ সি মার্শাল।
- আইনসভায় অনুমোদন: ৩ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- বিষয়বস্তু: ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে ২৬% পাবে যুক্তরাজ্য।
- উল্লেখ্য, রাশিয়ার প্রাভদা পত্রিকা এই পরিকল্পনাকে ডলার কূটনীতির সাথে তুলনা করেছে।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
‘State and Revolution’ গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. ক) ভ্লাদিমির লেনিন
  2. খ) মিখাইল গর্বাচেভ
  3. গ) উইন্সটন চার্চিল
  4. ঘ) কার্ল মার্ক্স
ব্যাখ্যা
ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন 

- পরিচয়: রুশ কমিউনিস্ট পার্টি ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা।
- বিদেশ থেকে প্রকাশিত তাঁর পত্রিকার নাম: ইসক্রা।
- বলশেভিক পার্টির প্রতিষ্ঠা: ১৯০৩।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ:
→ Imperialism: The Highest Stage of Capitalism
→ Materialism and Empirio Criticism
→ Philosophical Notebook
→ State and Revolution


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
স্নায়ুযুদ্ধকালীন প্রতিষ্ঠিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা কোনটি?
  1. ক) M-16
  2. খ) FBI
  3. গ) CIA
  4. ঘ) KGB
ব্যাখ্যা
CIA

- পূর্ণরূপ: Central Intelligence Agency 
- পরিচয়: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থা (স্নায়ুযুদ্ধকালীন প্রতিষ্ঠিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা)
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৭ সাল।
- সদর দপ্তর: ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

- উল্লেখ্য, স্নায়ুযুদ্ধকালীন প্রতিষ্ঠিত সোভিয়েত ইউনিয়নের গোয়েন্দা সংস্থা: KGB।

KGB

- পূর্ণরূপ: Komiet Gosudarstvennoy Bezopasnosti
- ইংরেজি নাম: Committee for State Security
- পরিচয়: সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধকালীন গোয়েন্দা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৪ সাল।
- বিলুপ্ত: ১৯৯১ সাল।
- সদর দপ্তর: লুবাইংকা স্কয়ার, মস্কো।


তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
.
গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রৈকা নীতি কোন নামে পরিচিত?
  1. ক) অখণ্ড ইউরোপ নীতি
  2. খ) সাম্যতার নীতি
  3. গ) সোভিয়েত পতন নীতি 
  4. ঘ) সংস্কার নীতি
ব্যাখ্যা
গ্লাসনস্ত (Glasnost)

প্রবর্তক: সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
প্রবর্তন: ১৯৮৭।
পরিচয়: সোভিয়েত খোলানীতি (Open Discussion)।
বিষয়বস্তু: সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণ নির্ভয়ে খোলাখুলিভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন, কমিউনিস্ট পার্টি ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের কর্মকাণ্ডেরও সমালোচনা করতে পারবেন।
ফলাফল: এই নীতির আলোকে পশ্চিম ও পূর্ব ইউরোপের মধ্যে অখণ্ডতার প্রস্তাব দেন গর্বাচেভ। এই নীতি ব্যর্থ হওয়ায় সোভিয়েত বিভক্তি হয় ৷

পেরেস্ত্রৈকা (Perestroika)

প্রবর্তক: সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
প্রবর্তন: ১৯৮৭।
পরিচয়: সোভিয়েত উদারনৈতিক অর্থনৈতিক সংস্কার (Development Discussion)।
বিষয়বস্তু: বনেদি সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে নয়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণে সচেষ্ট হয়। এরই সূত্র ধরে মার্কসবাদ আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জিত হয়, লেনিনের রচনাবলি বিলুপ্ত হয়, বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু হয় ও বুর্জোয়া কালচারকে পুনরায় গ্রহণ করা হয়।
ফলাফল: ১৯৯১ সালে Union of Soviet Socialist Republics এর নাম পরিবর্তন হয়ে নতুন নাম হয় Union of Soviet Sovereign Republics। তবে এটিও ছিল ক্ষণস্থায়ী।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
.
PKK হলো -
  1. ক) ফিলিস্তিনিদের সংগঠন
  2. খ) পাকিস্তানিদের সংগঠন
  3. গ) তুরস্কের কুর্দিদের সংগঠন
  4. ঘ) ফিলিপাইনের মুসলিম বিদ্রোহীদের সংগঠন
ব্যাখ্যা
PKK (তুরস্ক)

- পূর্ণরূপ: Partiya Karkeren Kurdistan (কুর্দি ভাষা) বা কুর্দিস্তান ওয়াকার্স পার্টি।
- দাবি: তুরস্ক থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন কুর্দিস্তান রাষ্ট্র গঠন।
- আদর্শ: বিপ্লবী মার্কসবাদ ও লেনিনবাদ।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ ওকালান।
- বর্তমান প্রধান কমান্ডার: মুরাত কারাইলান।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী নয় কোনটি?
  1. ক) ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
  2. খ) আল ফাতাহ
  3. গ) ফোর্স-১৭
  4. ঘ) এম-১৯
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী

- ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর
- আল ফাতাহ
- পিএলও
- ফোর্স-১৭

উল্লেখ্য, এম-১৯ (M-19) কলম্বিয়ার স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কখন?
  1. ক) ১৯১১ সালে
  2. খ) ১৯৩৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (Chinese Communist Revolution)

- সময়কাল: ১ অক্টোবর, ১৯৪৯
- নেতা: কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার নেতা মাও সে তুং।
- বিপ্লবে পতন হয়: কুওমিন্টাং দলের নেতা চিয়াং কাইশেকের।
- ফলাফল: পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান এবং সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চালু।
- গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম চেয়ারম্যান: মাও সে তুং।


তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম।
.
'মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট' কোন দেশের বিদ্রোহী গ্রুপ?
  1. ক) চীন
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) থাইল্যান্ড
  4. ঘ) ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (ফিলিপাইন )

- Moro National Liberation Front (MNLF)
- প্রতিষ্ঠাতা: নূর মিসৌরি।
- উদ্দেশ্য: দক্ষিণ ফিলিপাইনের অঞ্চল বাংসামোরোর স্বাধীনতা (মিন্দানাও দ্বীপের)।
- Bangsamoro Organic Law অনুমোদন হয়: ২৬ জানুয়ারি, ২০১৯।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১০.
ন্যাটোর বহুজাতিক বাহিনীর নাম -
  1. ক) IS
  2. খ) ISAF
  3. গ) ISIS
  4. ঘ) ISSB
ব্যাখ্যা
ISAF:

- ২০০১ সালে আফগান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর নেতৃত্বে গঠিত হয় - International Security Assistance Force (ISAF)
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল Afghan National Security Forces (ANSF)-কে প্রশিক্ষণ দেয়া।
- এটি ধীরে ধীরে তালেবান দমন থেকে শুরু করে আফগানিস্তান সংস্কারে কাজ করে যেতে থাকে।
- ISAF’কে ন্যাটোর বহুজাতিক বাহিনীও বলা হয়।
- মোট ৫১টি দেশের সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে ISAF গঠিত।

তথ্যসূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১১.
নিচের কোনটি গেরিলা সংগঠন নয়?
  1. ক) ফার্ক
  2. খ) গডস আর্মি
  3. গ) বোকো হারাম
  4. ঘ) আমান
ব্যাখ্যা
- ফার্ক: কলম্বিয়ার গেরিলা সংগঠন।
- গডস আর্মি: মিয়ানমারের গেরিলা সংগঠন।
- বোকো হারাম: নাইজেরিয়ার গেরিলা সংগঠন।
- আমান: ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা।


তথ্যসূত্র:  সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১২.
১৯৮৮ সালে 'আল কায়েদা' কোন দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) লিবিয়া
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
আল কায়েদা (পাকিস্তান)

- প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৮ সাল, পেশোয়ার, পাকিস্তান
- মূল প্রতিষ্ঠাতা: ওসামা বিন লাদেন।
- ধর্ম: সুন্নি।
- প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:
সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৮৮ সালে এই আন্তঃদেশীয় জিহাদি সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। ওসামা বিন লাদেন, আবদুল্লাহ আযযাম ও আফগান যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন আরব যোদ্ধার হাতে ১৯৮৮ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠাকালীন সোভিয়েত বিরোধী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করায় এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সোভিয়েত ইউনিয়ন বিরোধীদের ব্যাপক সহযোগিতা পায়। আফগান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরোধী গ্রুপগুলিকে ব্যাপক সহায়তা করেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হওয়ার পর আমেরিকা আগ্রাসী হয়ে উঠলে আল-কায়েদা মার্কিন আধিপত্য বিরোধী নেটওয়ার্কের রূপ পরিগ্রহ করে এবং বৈশ্বিক জিহাদি গোষ্ঠীতে পরিণত হয়।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৩.
ISIS -এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Islamic Struggle for Islamic State
  2. খ) International Struggle for Islamic State
  3. গ) International Struggle for Islamic Salvation
  4. ঘ) Islamic State in Iraq and Syria
ব্যাখ্যা
Islamic State in Iraq and Syria (ISIS)

- ইরাক ও সিরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকারী একটি উগ্র সুন্নী মতবাদীভিত্তিক গোষ্ঠী।
- এছাড়াও তারা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল, মিশরের সিনাই উপদ্বীপ এবং মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় রয়েছে।
- খিলাফত ঘোষণার পর তারা বিশ্বব্যপী মুসলিমদের উপর ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামরিক কর্তৃত্ব দাবি করে।
- তাদের ঘোষিত খিলাফত ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।
- এসব কাজের মধ্যে রয়েছে বিনাবিচারে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ হত্যা, শিরশ্ছেদ ও আগুনে পুড়িয়ে প্রতিপক্ষ ও বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যা দৃশ্যের ভিডিও প্রকাশ, প্রাচীন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন ধ্বংস ইত্যাদি।
- এরা ইসলামের নামে বিভিন্ন আধিপত্যবাদি মানবতা বিরোধী কাজ শুরু করলে সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম এর গ্রান্ড মুফতি এদেরকে ইসলামের প্রধান শত্রু হিসাবে ঘোষণা করেন।
- অপর নাম:
→ Islamic State (IS)
→ Islamic State of Iraq and the Levant (ISIL)


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৪.
‘Wings of Fire' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. খ) পারভেজ মোশারফ
  3. গ) মাওলানা আবুল কালাম
  4. ঘ) আব্দুল কালাম আজাদ
ব্যাখ্যা
এ. পি. জে. আব্দুল কালাম আজাদ  ভারতের ১১তম (২০০২-২০০৭) রাষ্ট্রপতি। 
- তামিলনাড়ুতে জন্ম নেয়া এ পরমাণু বিজ্ঞানী ভারতের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশযানবাহী রকেট আবিষ্কার করায় 'Missile Man of India' খেতাবে ভূষিত হন।
- তিনি ‘Wings of Fire' নামে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ লেখেন।
==========
অন্যদিকে,
- নেলসন মেন্ডেলার আত্মজীবনী - A Long Walk to Freedom
- পারভেজ মোশারফের লেখা বইয়ের নাম - In the Line of Fire
- মাওলানা আবুল কালামের লেখা বই - India Wins Freedom.

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম।
১৫.
কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীতদাস প্রথার অবসান ঘটে?
  1. ক) মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধ
  2. খ) ব্রিটিশ যুদ্ধ
  3. গ) গেটিসবার্গ যুদ্ধ
  4. ঘ) ক্যালিফোর্নিয়া যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
গেটিসবার্গ যুদ্ধ

- সময়: ১-৩ জুলাই, ১৮৬৩ ।
- স্থান: গেটিসবার্গ, পেনসিলভেনিয়া। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের পক্ষের ইউনিয়ন বাহিনী ও কনফেডারেট স্টেটস এর মাঝে যুুুুদ্ধটি সংগঠিত হয়।
- ফলাফল:
→ যুদ্ধে জয়লাভ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অর্থাৎ ইউনিয়ন সেনা।
→ ক্রীতদাস প্রথার অবসান ঘটে।

- প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ২ মিনিটের বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণ দেন: ১৮৬৩ সালে।
- বিখ্যাত উক্তি: ‘Democracy is a government of the people, by the people and for the people.’ 


তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম।
১৬.
ভারতের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) JKLF
  2. খ) NLFT
  3. গ) ULFA
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ভারতের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী

- JKLF (Jammu Kashmir Liberation Front) (কাশ্মীর)
- NLFT (National Liberation Front of Tripura) (ত্রিপুরা)
- ULFA (United Liberation Front of Assam) (আসাম)
- Manipur State Council (মণিপুর)


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৭.
‘পোর্ট ব্লেয়ার’-এর অবস্থান -
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) বঙ্গোপসাগর
  4. ঘ) কৃষ্ণসাগর 
ব্যাখ্যা
পোর্ট ব্লেয়ার

- ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নামক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী।
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
- মূল ভূ-খন্ড থেকে নৌ ও বিমান পথে যোগাযোগ আছে।
- ব্রিটিশ নৌসেনা অফিসার লেফটেন্যান্ট আর্চিবাল্ড ব্লেয়ারের নামে এই দ্বীপের নামকরণ করা হয়।


তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
১৮.
‘We shall fight on the beaches.’- উক্তিটি কার?
  1. ক) ভ্লাদিমির লেনিন
  2. খ) উইনস্টন চার্চিল
  3. গ) আব্রাহাম লিংকন
  4. ঘ) মাও সেতুং
ব্যাখ্যা
উইনস্টন চার্চিল

- ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- তবে তিনি যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিক পরিচিত।
- ১৯৫৩ সালে The History of Second World War গ্রন্থের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

- ১৯৪০ সালের ৪ জুন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের হাউস অফ কমন্সে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক প্রদত্ত বক্তৃতার দেয়া একটি সাধারণ শিরোনাম ‘We shall fight on the beaches.’

- ফ্রান্সের যুদ্ধের সময়কালে প্রদত্ত তিনটি প্রধান বক্তৃতার মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয়।
- অন্যগুলো হলো:
→ 'Blood, toil, tears and sweat.' (১৩ মে, ১৯৪০)
→ 'This was their finest hour.' (১৮ জুন, ১৯৪০)

- তাঁর লেখা কয়েকটি গ্রন্থ:
→ The Struggle for Survival
→ The River War
→ Great Contemporaries
→ The Story of the Malakand Field Force
→ Memoirs of the Second World War
→ A History of the English-Speaking Peoples


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৯.
ভারত ও চীনের সীমান্ত রেখার নাম -
  1. ক) ম্যাকমোহন লাইন
  2. খ) ডুরান্ড লাইন
  3. গ) র‍্যাডক্লিফ লাইন
  4. ঘ) লাইন অব কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা
ম্যাকমোহন লাইন

- বর্তমানে ভারত ও চীনের মধ্যে আইন স্বীকৃত সীমানা।
- যদিও চীন সরকার একে বিতর্কিত অংশ বলে মনে করে।
- এর নামকরণ করা হয় স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামে।


তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম।
২০.
ULFA -এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Union Liberation Front of Asansol
  2. খ) United Liberation Front of Afghanistan
  3. গ) Union Liberation Front of Austria
  4. ঘ) United Liberation Front of Assam
ব্যাখ্যা
United Liberation Front of Assam (ULFA)

- আসামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন।
- ভারত ফেডারেশন থেকে আসামের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- প্রতিষ্ঠা: ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯।
- প্রতিষ্ঠাতা: পরেশ বড়ুয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, অনুপ চেটিয়া প্রমুখ।
- মহাসচিব: অনুপ চেটিয়া।
- ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ২০১১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা না করার জন্য ভারত সরকার, আসাম সরকার ও উলফার মধ্যে একটি ত্রিমুখী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২১.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাপানের হিরোশিমায় আণবিক বোমা নিক্ষেপের ঘোষণা দেন?
  1. ক) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  2. খ) জন এফ কেনেডি
  3. গ) আব্রাহাম লিংকন
  4. ঘ) জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
- হ্যারি এস ট্রুম্যান: জাপানের হিরোশিমায় আণবিক বোমা নিক্ষেপের ঘোষণা দেন।

এছাড়া, 

জর্জ ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের ১ম প্রেসিডেন্ট।
আব্রাহাম লিংকন: 
→ ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
→ যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন।
→ বিখ্যাত উক্তি: ‘Democracy is a government of the people, by the people and for the people.’ 
→ ২ মিনিটের বিখ্যাত গেটিসবার্গ ভাষণ দেন: ১৮৬৩ সালে।

উড্রো উইলসন: জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠায় ১৪ দফা ঘোষণা করেন।
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট: 
→ জাতিসংঘের নামকরণ করেন।
→ ২য় বিশ্বযুদ্ধকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। 
→ ৪ বার নির্বাচিত হয়ে ১২ বছর ক্ষমতায় থাকেন।
→ ৪র্থ মেয়াদে ৩ মাস ক্ষমতায় থাকার পর ১৯৪৫ সালে মারা যান।

জন এফ কেনেডি: কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটকালীন প্রেসিডেন্ট।
রিচার্ড নিক্সন:
→ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
→ ওয়াটারগেট কেলেংকারির সাথে জড়িত ছিলেন।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২২.
বর্তমান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে (২০২৩)?
  1. ক) লিজ ট্রাস
  2. খ) বরিস জনসন
  3. গ) ঋষি সুনাক
  4. ঘ) পেনি মরডন্ট
ব্যাখ্যা
ঋষি সুনাক:

- যুক্তরাজ্যের ৫৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন ঋষি সুনাক।
- তিনি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা।
- গত ২৫ অক্টোবর, ২০২২ বাকিংহাম প্যালেসে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বাকিংহাম প্যালেসে রাজার সাথে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত হন ঋষি সুনাক।
- ২০০ বছরের ইতিহাসে ব্রিটেনের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৪২ বছর বয়সী এই রাজনীতিক। 


তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
২৩.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত 'পরেশ বড়ুয়া' ভারতের কোন অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সাথে যুক্ত?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) আসাম
  3. গ) নাগাল্যান্ড
  4. ঘ) মণিপুর
ব্যাখ্যা
ULFA (আসাম, ভারত)

- পূর্ণনাম: United Liberation Front of Assam
- আসামের একটি বিদ্রোহী সংগঠন।
- ভারত ফেডারেশন থেকে আসামের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- প্রতিষ্ঠা: ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯।
- প্রতিষ্ঠাতা: পরেশ বড়ুয়া, অরবিন্দ রাজখোয়া, অনুপ চেটিয়া প্রমুখ।
- মহাসচিব: অনুপ চেটিয়া।
- ভারত সরকার ১৯৯০ সালে সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ২০১১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর উলফার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা না করার জন্য ভারত সরকার, আসাম সরকার ও উলফার মধ্যে একটি ত্রিমুখী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪ সালে চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ ১৪ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয় বাংলাদেশের আদালত। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
২৪.
কোন সংস্থাটি 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) জাতিসংঘ
  3. গ) ইউএনডিপি
  4. ঘ) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ ১৯৯৭ সালে 'শাসন ও ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
- এখানে সর্বপ্রথম সুশাসন সম্পর্কে স্বীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে।
- জাতিসংঘের অভিমত অনুযায়ী, সুশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন। কেননা মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন ঘটাতে পারলে একদিকে যেমন মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষিত হয়। অন্যদিকে তেমনি নারীর উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। ফলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটে এবং দারিদ্র্য দূরীভূত হয়।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
২৫.
সুশাসনকে দ্বিমুখী প্রত্যয় বলে অবহিত করেন-
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) ইনাম্যুয়েল কান্ট
  3. গ) প্লেটো
  4. ঘ) সক্রেটিস
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- প্লেটোর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে প্রথম সুশাসনের ধারণা পাওয়া যায়।
- তিনি একে একটি দ্বিমুখী প্রত্যয় বলে অবহিত করেন, এক পক্ষ জনগণ ও অন্য পক্ষ সরকার।
- এ ব্যবস্থা নাগরিকের নিজ নিজ অধিকার ভোগ করার নিশ্চয়তা প্রদান করে।
- সুশাসনের মাধ্যমে শাসক ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে, জাতীয় ও ব্যক্তি জীবনে সমৃদ্ধি গড়ে তোলা সহজতর হয়।

সূত্র: সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মূল্যবোধের গুরুত্ব, বাংলাদেশ প্রতিদিন।