পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন৪১
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 7” এর জন্য প্রযোজ্য
--------------------------------------------
রিভিশন পরীক্ষা
[নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা]
-----------------------
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
বায়ুচাপ বলয়: - ভূ-পৃষ্ঠে নানা প্রকার ও আকৃতির বায়ুচাপ বলয় দেখতে পাওয়া যায়। - ভূপৃষ্ঠে প্রধানত ৭টি চাপ বলয় রয়েছে। - এদের ৩টি নিম্নচাপ বলয় ও ৪টি উচ্চচাপ বলয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল ১ম পত্র বই (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।
২.
রিখটার স্কেলে প্রতি এক সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য ভূমিকম্পের শক্তি কত গুন বেড়ে যায়?
ক
৪০ গুন
খ
২০ গুন
গ
৩০ গুন
ঘ
১৬ গুন
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প - ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়। - ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়। - কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়। - কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে। - ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে। - ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার। - ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। - রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। - এই রিখটার স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া।
ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো: • পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে। • আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।
ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ: • শিলাচ্যুতি, • তাপ বিকিরণ, • ভূগর্ভস্থ বাষ্প, • ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস, • হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।
- অধিকাংশ ভূমিকম্প (শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ) পৃথিবীর অল্প কিছু জায়গায় সংঘটিত হয়। যেমন- পৃথিবীর বৃত্তচাপীয় দ্বীপমালা জাপান, ফিলিপাইন, নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালা ও সামুদ্রিক শৈলশিরাসমূহ। - ভূমিকম্পের সংখ্যার দিক থেকে জাপান বিশ্বে প্রথম। - বছরে প্রায় গড়ে ৭,৫০০টি ভূমিকম্প হয় জাপানে। - জাপানের পর সর্বাধিক ভূমিকম্প হয় ইতালিতে, গড়ে প্রায় ৫০০টি। - এছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার পেরু ও চিলি এবং আমেরিকার গুয়েতেমালায় অধিক ভূমিকম্প হয়।
উল্লেখ্য, - সম্প্রতি ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে জাপানে ৭.৬ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। - এরপর জাপানি কর্তৃপক্ষ ইশিকাওয়া, নিগাতা, নাগানো এবং তোয়ামা প্রশাসনিক অঞ্চলে সুনামি সতর্কতা জারি করেছে। - পৃথিবীর ভূ-ত্বক ৮টি বড় বড় টুকরা এবং ৬টি আঞ্চলিক টুকরা দ্বারা বিভক্ত। এগুলো টেকটনিক প্লেট নামে পরিচিত।
- ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো - ১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল।) ২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)। ৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)। ৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি) ।
তথ্যসূত্র: ১. ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২. BNBC প্রকাশিত Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট।
৩.
ঢাকা সিটিতে বৃষ্টিপাতের পরে প্রায়ই জলাবদ্ধতা বন্যায় রূপ নেয়। এটি কোন ধনের বন্যা?
ক
মৌসুমী বন্যা
খ
আকস্মিক বন্যা
গ
উপকূলীয় বন্যা
ঘ
নগর বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood) - সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে। - প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়। - রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন, যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে। - যথা: ১. মৌসুমী বা বৃষ্টিজনিত বন্যা, ২. আকস্মিক বন্যা, ৩. উপকূলীয় বন্যা, ৪. নগর বন্যা।
আকস্মিক বন্যা (Flash Flood): - বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে। - এপ্রিল-মে এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়। - বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
নগর বন্যা: - নগর এলাকায় সুষ্ঠু ও পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে বন্যা দেখা দেয়। - এ ধরনের বন্যাকে নগর বন্যা বলে। - ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে এ ধরনের বন্যা দেখা যায়।
উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪.
ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহের দিকের বিচ্যুতি ঘটে নিচের কোন বলটির প্রভাবে?
ক
নিয়ত বল
খ
কোরিওলিস বল
গ
কেন্দ্রাতিক বল
ঘ
কেন্দ্রবিমুখী বল
ব্যাখ্যা
ফেরেলের সূত্র, বায়ুপ্রবাহের দিক ও কোরিওলিস বল - বায়ুপ্রবাহ সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। - তবে এই প্রবাহ সোজাসুজি প্রবাহিত না হয়ে ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বেঁকে যায়।
- ফেরেলের সূত্র : কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে সোজাপথে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয় ।
- কোরিওলিস বল : পৃথিবীর পৃষ্ঠের সাপেক্ষে একটি সরল পথে চলমান বস্তুর (যেমন বিমান, বায়ু, ক্ষেপণাস্ত্র এবং সমুদ্রের স্রোত) আপাত বিচ্যুতিকে বোঝায়। এর শক্তি বিভিন্ন অক্ষাংশে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতির সমানুপাতিক।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।
৫.
কোনটি নদী ভাঙনের মানবসৃষ্ট কারণ?
ক
নদীতে পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া
খ
বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ
গ
নদীতে চর সৃষ্টি হওয়া
ঘ
সবগুলো
ব্যাখ্যা
নদীভাঙন: - নদীভাঙন, এক প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ। - নদীর পানির স্রোতে নদীর পাড় ভাঙার এই অবস্থাকে নদীভাঙন বলে। - বন্যা নদীভাঙনের অন্যতম কারণ। - পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার প্রায় ১,২০০ কিলোমিটার জুড়ে ভাঙন অব্যাহত আছে।
- জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে বাংলাদেশের প্রধান নদী ও শাখানদী দ্বারা দেশের প্রায় ১০০টি উপজেলায় কমবেশি নদীভাঙন প্রক্রিয়া চলে। - বর্ষাকালে নদীখাতে প্রবল বেগে পানিপ্রবাহ, নদী খাতের উভয় পার্শ্বে নরম মাটি ও ফাটলের অবস্থানের কারণে যে ক্ষয় হয়ে থাকে, তাকে নদীভাঙন বলে। - পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত বাংলাদেশে নদীভাঙনে প্রতি বছর প্রচুর ঘরবাড়ি, নানা ধরনের স্থাপনা ও রাস্তাঘাট ধ্বংস হয় এবং অনেক মানুষের জীবনহানি ঘটে। - নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকগণ জমি পুনরূদ্ধার করতে না পারায় ভূমিহীন হয়ে পড়ে। ফলে, তারা শহর ও নগরের ভাসমান মানুষে পরিণত হয়।
নদীভাঙনের কারণসমূহ:
নদীভাঙনের প্রাকৃতিক কারণ সমূহের মধ্যে রয়েছেঃ - নদীর গতিপথ পরিবর্তন, - নদীতে পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া, - নদীতে চর সৃষ্টি হওয়া, - অতিবৃষ্টি, - মার্টির দুর্বল গঠন, - বন্যা ইত্যাদি।
অন্যদিকে, নদী ভাঙনের মানবসৃষ্টকারণ সমূহ হলো: - বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, - নদী শাসন, - নদীর পাড়ের গাছপালা নিধন, - নদীতে দ্রুতগতির জলযান চলাচল ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬.
মেরুজ্যোতি বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে দেখা যায় ?
ক
এক্সোমণ্ডল
খ
মেসোমণ্ডল
গ
তাপমণ্ডল
ঘ
ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার - মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। - এই স্তরের বাতাস অত্যন্ত হালকা ও ক্ষীণ। - তাপমণ্ডল নিচের দিক থেকে আয়নোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার নামক তিনটি স্তরে বিভক্ত। - তাপমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে মেরুজ্যোতি(Aurora) তৈরি হয়। - পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে মেরুজ্যোতি দেখা যায়। - আয়নোস্ফিয়ারে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।
উল্লেখ্য, বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা- ১. ট্রপোমণ্ডল, ২. স্ট্রাটোমন্ডল, ৩. মেসোমণ্ডল, ৪. তাপমণ্ডল ও ৫. এক্সোমণ্ডল।
জলবায়ু ও তাপমাত্রার উপর সমুদ্র উপকূল এর দূরত্বের প্রভাব - সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় স্থলভাগ জলভাগ অপেক্ষা যেমন দ্রুত উষ্ণ হয়, আবার দ্রুত ঠান্ডাও হয়। - এ জন্য সমুদ্রতীর থেকে দূরবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই তীব্র বা চরম হয়। - গ্রীষ্মকালে মহাদেশের মধ্য ভাগের তাপমাত্রা অনেক বেশী থাকে, আবার শীতকালে প্রচন্ড শীত অনুভূত হয়। - এ ধরনের জলবায়ুকে চরমভাবাপন্ন বা মহাদেশীয় জলবায়ু বলে।
অন্যদিকে, - সমুদ্র নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম এবং দিনরাত্রির তাপমাত্রার তেমন পার্থক্য হয় না। - এই ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।
উল্লেখ্য, - কোনো এলাকার প্রতি দিনের গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের তথ্যের ভিত্তিতে সামগ্রিক যে অবস্থা প্রকাশ পায় তাকেই সেই আবহাওয়া বলে। - সাধারণত কোনো এলাকার ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়াজনিত অবস্থাকে জলবায়ু বলে। - সাধারণত বৃহৎ এলাকাজুড়ে জলবায়ু পরিমাপ করা হয়ে থাকে। - আবহাওয়া সম্পর্কীয় বিজ্ঞান মেটিওরোলজি (Meteorology) নামে পরিচিত।
উৎস- ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮.
উদ্ভিদে খাদ্য পরিবহন করে -
ক
মেসোফিল
খ
সিভ প্লেট
গ
জাইলেম
ঘ
ফ্লোয়েম
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদে খাদ্য তৈরি ও পরিবহন: - উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে। - এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। - পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। - পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়। - খাদ্য তৈরির পর ফ্লোয়েমের কোষসমূহ বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌছায়। - ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু। - এর মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। - এ তিনটির মধ্যে সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে।
• ভাজক টিস্যু: - যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম অর্থাৎ যে টিস্যুর নতুন কোষ উৎপন্ন করার ক্ষমতা থাকে তাকে ভাজক টিস্যু বলে। - ভাজক টিস্যু যে সমস্ত কোষ দ্বারা গঠিত তাদেরকে ভাজক কোষ বলে। - সাধারণত উদ্ভিদ দেহের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে (যে স্থানে উদ্ভিদ বৃদ্ধি পায়) অর্থাৎ মূল, কান্ড ও পাতার অগ্রভাগে থাকে। - ভাজক টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ এরা লম্বা হয় এবং এদের ব্যাস বৃদ্ধি পায়। - ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়।
• স্থায়ী টিস্যু: - ভাজক টিস্যু থেকে উৎপন্ন যে টিস্যুগুলো বিভাজনে অক্ষম তাদেরকে বলা হয় স্থায়ী টিস্যু। - ভাজক টিস্যুগুলো বিভাজন ক্ষমতা লোপ পাওয়ার পর তা বৃদ্ধি পেয়ে একটি নির্দিষ্ট আকার ধারণ করে এবং স্থায়ী টিস্যুতে পরিণত হয়। - স্থায়ী টিস্যুর কোষগুলো বিভাজন ক্ষমতাহীন, পূর্ণভাবে বিকশিত এবং সঠিক আকৃতিপ্রাপ্ত। - স্থায়ী টিস্যুর কাজ- খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবহন করা, দেহ গঠন ও উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করে। - স্থায়ী টিস্যু তিন ধরনের। যথা- সরল টিস্যু, জটিল টিস্যু এবং নিঃস্রাবী (ক্ষরণকারী) টিস্যু৷
কোন ধরণের কোষ বিভাজনে অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয় ?
ক
অ্যামাইটোসিস
খ
মাইটোসিস
গ
মায়োসিস
ঘ
মেটাফেজ
ব্যাখ্যা
• জীবজগতে তিন প্রকারের কোষ বিভাজন দেখা যায়। যথা- ক) অ্যামাইটোসিস বা প্ৰত্যক্ষ কোষ বিভাজন, (খ) মাইটোসিস বা সমীকরণিক কোষ বিভাজন (গ) মায়োসিস বা হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন ।
অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন : যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম উভয়েই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয়। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসটি সরাসরি দুটি অংশে বিভক্ত হয়।
মাইটোসিস কোষ বিভাজন : যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়েই একবার করে বিভক্ত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয় ।
মায়োসিস কোষ বিভাজন : যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমোসোম মাত্র একবার এবং নিউক্লিয়াস পরপর দু'বার বিভক্ত হয়, ফলে সৃষ্ট চারটি অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা (n) মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার (2n) অর্ধেক হয়, তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয় -
ক
স্মল পক্স এর ভ্যাকসিন তৈরিতে
খ
DNA অণুকে কাঁটতে
গ
DNA অণু জোড়াদানে
ঘ
সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেট ডিএনএ টেকনলজি -জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ - প্রত্যাশিত DNA অনুকে ছেদন। - এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে কেটে আলাদা করা হয়। - প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয়। - বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। যথা- Eco RI, Hind III, Bam HI ইত্যাদি। - রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজান অংশকে অসমভাবে কেঁটে দেয়।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
১২.
বংশগতি বস্তুর ধারক ও বাহক -
ক
ক্রোমোজোম
খ
জিন
গ
ডিএনএ
ঘ
আরএনএ
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: - যে সকল বস্তু জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে তাকে বংশগতি বস্তু বলে।
- উন্নত জীবে DNA প্রোটিনের সাথে যুক্ত হয়ে তৈরি করে ক্রোমোসোম। - ক্রোমোসোমই জনন কোষের মাধ্যমে সন্তান-সন্ততিতে বাহিত হয়। - ক্রোমোসোম হলো বংশগতি বস্তুর ধারক ও বাহক। - ক্রোমোসোমকে বংশগতির প্রধান উপাদান বলা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোনটি জারিত হয়?
ক
পানি
খ
কাবন ডাইঅক্সাইড
গ
অক্সিজেন
ঘ
ক + গ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: - যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ। - এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। - উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে। - সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে। - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে। - পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ। - কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে। - অর্থাৎ সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন ছাড়ে। - পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। - সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়। - জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রাণী জগতের শ্রেণীবিন্যাস: - সম্পূর্ণ প্রানী জগতকে ৯ টি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে প্রথম আটটি অমেরুদন্ডী প্রাণীদের এবং শুধুমাত্র কর্ডাটা পর্ব মেরুদন্ডী প্রাণীদের নিয়ে গঠিত।
- থিওফ্রাস্টাস উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক। - তিনি উদ্ভিদ কাণ্ডের প্রকৃতি, বিস্তৃতি ও কাষ্ঠলতার উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদসমূহকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন। - যথা,
১. ট্রি বা বৃক্ষ, ২. শ্রাব বা গুল্ম, ৩. আন্ডারশ্রাব বা উপগুল্ম এবং ৪. হার্ব বা বীরুৎ।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬.
স্বাভাবিক প্রজনন সহায়তা ও বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে -
ক
ভিটামিন এ
খ
ভিটামিন বি
গ
ভিটামিন ডি
ঘ
ভিটামিন ই
ব্যাখ্যা
ভিটামিন ই (Vitamin E): - ভিটামিন ই এর রাসায়নিক নাম টোকোফেরল। - এটি তাপ ও অম্লে বিনষ্ট হয় না। তবে ক্ষারে সামান্য নষ্ট হয়।
ভিটামিন ই এর উৎস: - সব ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল, যেমন- নারিকেল তেল, সরিষার তেল, চালের কুঁড়ার তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি ভিটামিন ই এর ভালো উৎস। - শস্যদানার ভ্রূণ, বাদাম, গোটা শস্য, শাক-সবজি, মাখন ইত্যাদিতে কিছু পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে। - ডিমের কুসুম, দুধ ও যকৃতেও ভিটামিন ই পাওয়া যায়।
ভিটামিন ই এর কাজ: ১। ভিটামিন এ রক্তের লোহিত কণার জারণসহ অবাঞ্ছিত জারণ রোধ করে। ২। জননাঙ্গের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক ক্ষমতা বজায় রাখে । ৩। নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করে। ৪। নারী ও পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননে সহায়তা করে। ৫। অকাল বার্ধক্য রোধ করে। ৬। ভ্রূণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
ভিটামিন ই এর অভাবজনিত অবস্থা: ১। নারী ও পুরুষের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা লোপ পায় এবং বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়। ২। ভ্রূণের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। ৩। গর্ভপাত হতে পারে। ৪। অকাল বার্ধক্য দেখা দেয়।
তথ্যসূত্র - গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
In a formal letter, which part includes “Yours faithfully” or “I remain, Sir”?
ক
Heading
খ
Salutation
গ
Subscription
ঘ
Superscription
ব্যাখ্যা
Answer: C) Subscription.
Formal letter: - Official বা Business সংক্রান্ত চিঠিপত্র। - একটি formal letter এর প্রধান অংশ হলো ছয়টি। যথা:
1. Heading - প্রেরকের নাম, ঠিকানা ইত্যাদি। 2. Salutation - যেমন Sir, Dear X. 3. Body 4. Complimentary close or, subscription যেমন I remain, Sir/ Yourse faithfully, 5. Signature - স্বাক্ষর। 6. Address or, superscription.
Source: 1. High School English Grammar and Composition by Wren & Martin. 2. English Grammar and Composition (9th-10th Class). 3. Applied English Grammar and Composition by P.C. Das.
১৮.
Which of the following is the correct tag question for the sentence “You forgot my birthday”, ______?
ক
hadn't you?
খ
haven't you?
গ
didn't you?
ঘ
don't you?
ব্যাখ্যা
• Tag question করার নিয়ম- - সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত কোন উক্তি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য। - Statement positive হলে tag question টা negative হবে। - আবার statement negative হলে tag question positive হবে। - Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question তৈরি হয়। - যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি affirmative এ আছে, তাই Tag question Negative হবে এবং বাক্যটি past tense হওয়ায় Subject ও Tense অনুসারে এবং verb singular এবং subject টি 3rd person singular হওয়ায় Tag question এর ক্ষেত্রে didn't হবে।
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর, - You forgot my birthday, didn't you?
১৯.
He said, "I know this boy." (Change the narration)
ক
He said he knew this boy.
খ
He said that he knew that boy.
গ
He said that he knew the boy.
ঘ
He said that he knows this boy.
ব্যাখ্যা
• Direct speech: He said, "I know this boy." • Indirect speech: He said that he knew that boy. --------------- • Narration এর ক্ষেত্রে,
• Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের বেলায়: - Reporting verb এর subject বসে। - Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে। - Inverted comma উঠে that বসে। - Direct speech এর Tense- Indirect speech এ পরিবর্তন হয়। - বাকি অংশ বসবে। - Dicect speech- এ 'this' থাকলে indirect speech- এ 'that' বসবে।
More Example: Direct: Hasan said, "I must finish this homework." Indirect: Hasan said that he had to finish that homework.
Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
২০.
Which of the following is an Imperative Sentence?
ক
May Bangladesh prosper day by day.
খ
Can you help me with this?
গ
I am going to the market.
ঘ
Please, close the door.
ব্যাখ্যা
• " Please, close the door." is an Imperative Sentence.
Imperative sentence: - যে sentence-এ কোন আদেশ (order), উপদেশ (advice), অনুরোধ (request)- প্রকাশিত হয় তাকে Imperative sentence বলে। যেমন: - আদেশ বুঝাতে, Mother: Rahim, go home. - উপদেশ বুঝাতে, Doctor: Take this medicine every other day.
গঠন: - Imperative sentence-এর বক্তব্যটি (আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ) second person বা you কে লক্ষ্য করে বলা হয়। - কিন্তু এই বাক্যে you উহ্য থাকে। অর্থাৎ, ⇒ Imperative sentence-এর subject হলো second person (you) যা উহ্য থাকে। ⇒ Sentence শুরু হয় principal verb দিয়ে। যেমন: (you) Do the work.
এখানে, - Do হচ্ছে Principal verb. - the work হচ্ছে extension.
- Please (or, Kindly), show me the way to the nearest market. - অনুরোধ বা requset বুঝাতে imperative sentence-এর প্রথমে বা শেষে Please বা Kindly শব্দটি যোগ করতে হয়।
অন্যদিকে, • May Bangladesh prosper day by day. - Optative Sentence. • Can you help me with this? - Interrogative sentence. • I am going to the market. - Assertive Sentence.
Source: A Passage to the English Language, S. M. Zakir Hussain.
২১.
"The house with the blue door is for sale." - The underlined part is a/an-
ক
Adverb Phrase
খ
Noun Phrase
গ
Adjective Phrase
ঘ
Verb Phrase
ব্যাখ্যা
• In the sentence "The house with the blue door is for sale." - The underlined part is - an adjective phrase.
• Adjective phrase: - যে phrase গুলো sentence - এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থ্যাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ-গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, সেই phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে। - Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।
বাক্যটি, "The house with the blue door is for sale." এখানে 'with the blue door' noun - The house কে মডিফাই করছে, তাই এটি Adjective phrase.
Source: Live MCQ English Wizard by Saleh Ahmed.
২২.
Identify the optative sentence from the options below:
ক
What a beautiful sunset!
খ
Do your homework now.
গ
Long live the queen.
ঘ
Let’s go for a walk.
ব্যাখ্যা
Optative Sentence: - যে sentence- এ মনের ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পায় তাকে Optative Sentence বলে। - Structure: May + subject + verb + extension. যেমন: May Bangladesh prosper day by day. - অনেক সময় May উহ্য থাকে। যেমন: Long live the king. Long live the queen.
অন্যান্য অপশনসমূহ, • What a beautiful sunset! - (Exclamatory Sentence). • "Let’s go for a walk." & "Do your homework now." - (Imperative Sentence).
Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition.
২৩.
In the sentence “He worked with great enthusiasm,” what type of phrase is ‘with great enthusiasm’?
ক
Adjective Phrase
খ
Adverbial Phrase
গ
Noun Phrase
ঘ
Verbal Phrase
ব্যাখ্যা
Answer: B) Adverbial Phrase.
• Adverbial Phrase: - যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷ - সাধারণত বাক্যকে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase. - প্রদত্ত বাক্যে- “He worked with great enthusiasm,” এখানে underlined phrase টি বাক্যের verb ‘worked’ কে modify করেছে তাই এটি adverbial phrase.
Source: Live MCQ English Wizard by Saleh Ahmed.
২৪.
বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট অধিনায়ক কে ছিলেন?
ক
নাইমুর রহমান
খ
গাজী আশরাফ হোসেন লিপু
গ
ফারুখ আহমেদ
ঘ
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক: - বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল করিম শামীম। তিনি ১৯৭৭ সালে MCC এর বিরুদ্ধে অধিনায়কত্ব করেন। - ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। - প্রথম আইসিসি ট্রফি হয় ১৯৭৯ সালে, সেবার অধিনায়ক ছিলেন রাকিবুল হাসান। - প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। - প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান। - প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শাহরিয়ার নাফীস।
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ আগস্ট ২০১৪. ESPN Cricinfo Statistics, ICC Stat and Newspapers.
২৫.
স্বাধীনতা পুরস্কার কোন উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়?
ক
বীর শহীদদের সম্মানিত করার জন্য
খ
মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণ করার জন্য
গ
দেশের ও জাতির কল্যাণে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য
ঘ
সংস্কৃতি প্রচার ও প্রসার করার জন্য
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পুরস্কার: - দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়। - স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। - মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে। - সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। - প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
- ক্যাটাগরি সমূহ: ১. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, ২. সংস্কৃতি, ৩. সমাজসেবা, ৪. চিকিৎসাবিদ্যা, ৫.বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ৬.ক্রীড়া।
তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
২৬.
বাংলাদেশ কত সালে অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহন করে?
ক
১৯৮০ সালে
খ
১৯৮৪ সালে
গ
১৯৭৬ সালে
ঘ
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
• অলিম্পিক গেমস: - প্রথম অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় গ্রিসে। - খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ থেকে ৩৯৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রাচীন গ্রিসে প্রাচীন অলিম্পিকের আসর অনুষ্ঠিত হতো। - আধুনিক অলিম্পিক গেমসের জনক ব্যারেন পিয়েরে দ্য ক্যুবার্তো। - আধুনিক অলিম্পিক গেমসের সূচনা হয় ১৮৯৬ সালে গ্রিসের এথেন্সে। - বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলস, যুক্তরাষ্ট্রে ২৩ তম অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহন করে।
তথ্যসূত্র- Britannica.com & The Daily Star, Aug 12, 2021.
২৭.
জাতীয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
ক
১৯৫৫ সালে
খ
১৯৫০ সালে
গ
১৯৫৪ সালে
ঘ
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রেস ক্লাব: - জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের একটি সংঘবিশেষ। - পেশাদার সাংবাদিকদের ক্লাব যা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেস ক্লাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব। - ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবই বাংলাদেশের প্রধান প্রেসক্লাব। - পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাবের প্রথম সভাপতি হন দৈনিক আজাদ-এর যুগ্ম সম্পাদক মুজীবুর রহমান খাঁ। - অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে কলকাতায়।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া, প্রেসক্লাবের ওয়েবসাইট।
২৮.
কোন চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ -এর দেশভাগ নিয়ে নির্মিত হয়?
ক
নদীর নাম মধুমতি
খ
চিত্রা নদীর পাড়ে
গ
হাঙর নদী গ্রেনেড
ঘ
সূর্য দীঘল বাড়ি
ব্যাখ্যা
• 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্র: - এটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত। - পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল। - ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়। - শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
অন্যদিকে, - 'নদীর নাম মধুমতি', 'হাঙর নদী গ্রেনেড' চলচ্চিত্র মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে। - 'সূর্য দীঘল বাড়ি' চলচ্চিত্র গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত।
উৎস: বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র।
২৯.
লুডুর দুইটি ছক্কা একত্রে নিক্ষেপ করলে, দুইটি সংখ্যা একই (জোড় সংখ্যা) না আসার সম্ভাবনা কত?
ক
1/6
খ
11/12
গ
5/6
ঘ
5/36
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: লুডুর দুইটি ছক্কা একত্রে নিক্ষেপ করলে, দুইটি সংখ্যা একই (জোড় সংখ্যা) না আসার সম্ভাবনা কত?
সমাধান: লুডুর দুইটি ছক্কা নিক্ষেপ করলে মোট ঘটনা = 62 = 36
লুডুর দুইটি ছক্কা নিক্ষেপ করলে, দুইটি সংখ্যা (জোড় সংখ্যা) পাওয়ার অনুকূল ঘটনা = {(2, 2), (4, 4), (6, 6)} = 3 টি
দুইটি সংখ্যা একই (জোড় সংখ্যা) পাওয়ার সম্ভাবনা = 3/36 = 1/12
∴ দুইটি সংখ্যা একই (জোড় সংখ্যা) না পাওয়ার সম্ভাবনা = 1 - (1/12) = (12 - 1)/12 = 11/12
৩০.
A = {x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 20} হলে, P(A) এর সদস্য সংখ্যা কত?
ক
128
খ
180
গ
256
ঘ
512
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 20} হলে, P(A) এর সদস্য সংখ্যা কত?
সমাধান: দেওয়া আছে, {x : x মৌলিক সংখ্যা এবং x ≤ 20}
20 থেকে ছোট বা 20 এর পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো = {2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19} A = {2, 3, 5, 7, 11, 13, 17, 19} = 8 টি সংখ্যা
52 টি তাসের একটি প্যাকেট থেকে দৈব্যভাবে একটি তাস নির্বাচন করা হলে কার্ডটি রাজা অথবা টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
ক
1/13
খ
3/52
গ
1/52
ঘ
2/13
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 52 টি তাসের একটি প্যাকেট থেকে দৈব্যভাবে একটি তাস নির্বাচন করা হলে কার্ডটি রাজা অথবা টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা কত?
সমাধান: মোট তাস সংখ্যা = 52 টি, রাজা = 4 টি, টেক্কা = 4 টি
∴ তাসটি রাজা বা টেক্কা হওয়ার সম্ভাবনা = (4/52) + (4/52) = 2/13
৩৩.
A = {4, 8, 12, 16, 20, 24} সেটটিকে সেট গঠন পদ্ধতিতে প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে?
ক
A = {x : x, 4 এর গুণিতক এবং x > 3}
খ
A = {x : x, 4 এর গুণিতক এবং x ≤ 24}
গ
A = {x : x, 4 এর গুণিতক এবং x ≥ 24}
ঘ
A = {x : x, 4 এর গুণিতক এবং x < 24}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {4, 8, 12, 16, 20, 24} সেটটিকে সেট গঠন পদ্ধতিতে প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে?
সমাধান: দেওয়া আছে, A = {4, 8, 12, 16, 20, 24} A সেটের উপাদান গুলো হলো 4, 8, 12, 16, 20, 24 যা 24 এর সমান বা 24 থেকে ছোট এবং 4 এর গুণিতক।
∴ A সেটটিকে সেট গঠন পদ্ধতিতে প্রকাশ করলে হবে, A = {x : x, 4 এর গুণিতক এবং x ≤ 24}
৩৪.
৩, ৫, ২, ৪, ৬, ১, ১৫ ও ১২ সংখ্যাগুলোর প্রচুরক কত?
ক
৬
খ
৫
গ
১৫
ঘ
প্রচুরক নেই
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩, ৫, ২, ৪, ৬, ১, ১৫ ও ১২ সংখ্যাগুলোর প্রচুরক কত?
সমাধান: উপাত্তের মধ্যে যে সংখ্যাটি সব থেকে বেশি সংখ্যকবার থাকে তাকে প্রচুরক বলে। প্রদত্ত উপাত্তে কোন সংখ্যাই এক বারের বেশি নেই। তাই এখানে প্রচুরক নেই।
৩৫.
একটি নৌকায় 3 জন লোক উঠতে পারে, নৌকাটি দ্বারা 4 জন লোক কত প্রকারে উঠে নদী পার হতে পারে?
ক
3 প্রকারে
খ
4 প্রকারে
গ
5 প্রকারে
ঘ
6 প্রকারে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি নৌকায় 3 জন লোক উঠতে পারে, নৌকাটি দ্বারা 4 জন লোক কত প্রকারে উঠে নদী পার হতে পারে?
সমাধান: 4 জন লোক হতে 3 জন করে নৌকাতে উঠে নদী পার হওয়ার উপায় = 4C3 = 4!/3!(4 - 3)! = 4
[4 জন লোককে একসাথে পার করা যাবে না, কারণ নৌকায় শুধু 3 জন উঠতে পারে। তাই, প্রথম পর্যায়ে 3 জন যাবে, দ্বিতীয় পর্যায়ে 1 জন যাবে এখন, 4 জন থেকে 3 জন বেছে নেওয়ার উপায়, 4C3 = 4 উপায়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে বাকি 1 জন যাবে, এর জন্য শুধু 1টি উপায় আছে। ∴ মোট উপায়ের সংখ্যা = প্রথম পর্যায়ের উপায় × দ্বিতীয় পর্যায়ের উপায় = 4 × 1 = 4]
৩৬.
একটি সমাবেশ শেষে উপস্থিত লোকজন প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে করমর্দন করলো। লোকের সংখ্যা 14 জন হলে করমর্দনের সংখ্যা কত?
ক
64
খ
77
গ
84
ঘ
91
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমাবেশ শেষে উপস্থিত লোকজন প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে করমর্দন করলো। লোকের সংখ্যা 14 জন হলে করমর্দনের সংখ্যা কত?
10 টি বইয়ের মধ্যে 4 টি বই কত প্রকারে বাছাই করা যায়, যাতে নির্দিষ্ট দুইটি বই সর্বদা বাদ থাকে?
ক
60 টি
খ
70 টি
গ
85 টি
ঘ
90 টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 10 টি বইয়ের মধ্যে 4 টি বই কত প্রকারে বাছাই করা যায়, যাতে নির্দিষ্ট দুইটি বই সর্বদা বাদ থাকে?
সমাধান: নির্দিষ্ট দুইটি বই সর্বদা বাদ থাকে, অতএব (10 - 2) বা 8 টি থেকে 4 টি বাছাই করতে হবে।
∴ বাছাই করার উপায় = 8C4 = 8!/(4! 4!) = 70
৩৮.
"SMART" শব্দটির বর্ণগুলো নিয়ে কত প্রকারে বিন্যাস তৈরি করা যায়, যাদের প্রথমে একটি স্বরবর্ণ থাকে?
ক
24টি
খ
30টি
গ
36টি
ঘ
48টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "SMART" শব্দটির বর্ণগুলো নিয়ে কত প্রকারে বিন্যাস তৈরি করা যায়, যাদের প্রথমে একটি স্বরবর্ণ থাকে?
সমাধান: "SMART" শব্দটিতে মোট বর্ণ 5টি, এবং স্বরবর্ণ আছে 1টি। "SMART" শব্দটির মোট বিন্যাস সংখ্যা = 5! = 120
1টি উপাদানের বিন্যাস সংখ্যা = মোট বিন্যাস/উপাদান সংখ্যা = 120/5! = 24
∴ 1টি স্বরবর্ণ এর জন্য বিন্যাস = (24 × 1) = 24টি অর্থাৎ, 24টি বিন্যাসের শুরুতে স্বরবর্ণ থাকবে ।
৩৯.
সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস -
ক
অরণ্যবহ্নি
খ
চৈতালী ঘূর্ণি
গ
পঞ্চগ্রাম
ঘ
একটি কালো মেয়ের কথা
ব্যাখ্যা
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় - ১৮৯৮ সালের ২৩ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। - ১৯৭১ সালেরই ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যু হয় লেখকের।
সাহিত্যকর্ম - তার সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে ৬৫টি উপন্যাস, ৫৩টি গল্পগ্রন্থ, ১২টি নাটক, ৪টি প্রবন্ধের বই, ৪টি আত্মজীবনী এবং ২টি ভ্রমণ কাহিনী। - তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়। - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস চৈতালী ঘূর্ণি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩২ সালে। - তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।
- সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস 'অরণ্যবহ্নি’- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে। - 'একটি কালো মেয়ের কথা' - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত উপন্যাস। - ১৯৭১ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।
তাঁর রচিত উপন্যাস: - আরোগ্য নিকেতন, - চৈতালী ঘূর্ণি, - ধাত্রীদেবতা, - কালিন্দী, - গণদেবতা, - পঞ্চগ্রাম, - কবি, - হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, - একটি কালো মেয়ের কথা।
তাঁর প্রসিদ্ধ ছোটগল্প: - রসকলি - বেদেনী - ডাকহরকরা
তাঁর রচিত নাটক: - দ্বীপান্তর, - পথের ডাক, - দুই পুরুষ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪০.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটকটি লিখেছেন -
ক
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
গ
কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ
জসীম উদ্দীন
ব্যাখ্যা
• 'সাজাহান' নাটক: - সম্রাট সাজাহানকে নিয়ে দ্বিজেন্দ্রলালই সর্বপ্রথম নাটক রচনা করেন। - নাটকটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক। - 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয়। - নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়। - 'ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। গানটি তাঁর 'সাজাহান' নাটকে ছিল।
------------------------ • দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কবি, নাট্যকার, গীতিকার। - ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম। - দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। - ছাত্রজীবনে তাঁর আর্য্যগাথা এবং বিলেতে থাকাকালে Lyrics of Ind (১৮৮৬) কাব্য প্রকাশিত হয়। - ১৯০৩ সাল পর্যন্ত তিনি মূলত কাব্যই রচনা করেন এবং এ সময় পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ বারোটি। - ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে যে গণজাগরণমূলক গান রচনার প্রচলন শুরু হয়, তাতে দ্বিজেন্দ্রলালের অবদান ছিল অসামান্য। - দ্বিজেন্দ্রলাল রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধনধান্যপুষ্পভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। - ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত সামাজিক নাটকগুলো হলো: - পরপারে, - বঙ্গনারী।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪১.
নজরুল সম্পাদিত পত্রিকা -
ক
ধূমকেতু
খ
লাঙ্গল
গ
দৈনিক আজাদ
ঘ
ক + খ
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত পত্রিকা: - 'ধূমকেতু' ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। - ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। - 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।
অন্যদিকে, - মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় বাংলা ও আসামের মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে দৈনিক আজাদ প্রকাশিত হয়।
------------------------- • কাজী নজরুল ইসলাম: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। - কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’। - কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।