ব্যাখ্যা
- চর্যাগীতি রচনার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকুপা।
- তিনি সৌরাষ্ট্রের ক্ষত্রিয় রাজপুত্র ছিলেন বলে মনে করা হয়।
- তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮টি পদ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত চর্যার পদগুলো হলো- ৬নং/ ২১নং/ ২৩নং/ ২৭নং/ ৩০নং/ ৪১নং/ ৪৩নং/ ৪৯নং।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনি পূর্ব বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ ছিলেন।
- তিনি তাঁর রচিত ৪৯নং পদে পদ্মা নদী (পঁঊআ খাল) এবং 'বঙ্গাল' দেশ ও 'বঙ্গালী'র কথা বলেছেন।
- 'আপনা মাংসেঁ হরিণা বৈরী' (৬নং পদ) পদের রচয়িতা ভুসুকপা।
--------------------
• চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শনের নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
- চর্যাপদ গানের সংকলন।
- চর্যাপদের বিষয়বস্তু বৌদ্ধ ধর্ম মতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।
- চর্যাগুলো বৌদ্ধ সহজিয়াগণ রচনা করেন।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।
• চর্যাপদে মোট সাড়ে ছেচল্লিশটি (একটি পদের ছেঁড়া বা খণ্ডিত অংশসহ) পদ পাওয়া গেছে।
- চর্যাপদে সর্বাপেক্ষা বেশি পদ রচনা করেন - কাহ্নপা (১৩টি)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন - ভুসুকুপা (৮টি)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন - সরহপা (৪টি)।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন - কুক্কুরীপা (৩টি)।
• চর্যাপদে ২৩নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে।
- এর ৬টি পঙক্তি পাওয়া গেছে। বাকি ৪ পঙ্ক্তি পাওয়া যায়নি।
- এর রচয়িতা ভুসুকুপা।
• কাহ্নপা রচিত ২৪নং পদটি পাওয়া যায়নি।
• তন্ত্রীপা রচিত ২৫নং পদটি পাওয়া যায়নি।
• কুক্কুরীপা রচিত ৪৮নং পদটি পাওয়া যায়নি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।