পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩০: GK - বাংলাদেশ বিষয়াবলি বাংলাদেশের অর্থনীতি (খাত, আমদানি, রপ্তানি ইত্যাদি), সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), যোগাযোগ ব্যবস্থা [অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, ও অন্যান্য সমীক্ষা)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ সরকার ADP ঘোষণা করে কত বছরের কর্মসূচি হিসেবে?
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ১ বছর
  3. গ) ৩ বছর
  4. ঘ) ৪ বছর
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি): কোন একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা,  কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি।
• প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) মিশ্র অর্থনীতি
  2. খ) বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
  3. গ) কৃষির উপর নির্ভরশীলতা
  4. ঘ) শিল্পোন্নত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
- সুতরাং উন্নয়নশীল অর্থনীতির সকল বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কম-বেশি দেখতে পাওয়া য়ায়।

• নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো:
- স্বল্প মাথাপিছু আয়।
- কৃষির উপর নির্ভরশীলতা
- প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার।
- শিল্পের অনগ্রসর
- জনসংখ্যার চাপ।
- মিশ্র অর্থনীতি
- সস্তা শ্রম।
- বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
- মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি।

সূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) -
  1. ক) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
  2. খ) ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর
  3. গ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  4. ঘ) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
ব্যাখ্যা
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর
• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
.
২০২২-২৩ অর্থ বছরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৭.৫ শতাংশ
  2. খ) ৭.৪ শতাংশ
  3. গ) ৭.৩ শতাংশ
  4. ঘ) ৭.২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২২-২৩
• বাজেটের আকার: ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

• বাজেটের আয়
- রাজস্ব আয় প্রাক্কলন: ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা: ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
- এনবিআর বহির্ভূত কর: ১৮ হাজার কোটি টাকা
- করছাড় প্রাপ্তি: ৪৩ হাজার কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান: ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা

• বাজেটের খরচ
- বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ: ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা
- উন্নয়ন ব্যয়: ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা

• প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৭ দশমিক ৫ শতাংশ
• মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা: ৫ দশমিক ৬ শতাংশ

সূত্র: বাজেট ২০২২-২৩।
.
নিচের কোনটি জিডিপি'র বৃহৎ খাত?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা: 
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।

 • উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জ্বালানি উৎস কোনটি?
  1. ক) ফার্নেস অয়েল
  2. খ) গ্যাস
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) ডিজেল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস: 
গ্যাস - ৫১.৩৫%
ফার্নেস অয়েল - 27.86%
কয়লা - ৮.০১% 
ডিজেল – ৫.৮৫%
 বিদ্যুৎ আমদানি – ৫. 26%
জলবিদ্যুৎ – ১.০৪%
নবায়নযোগ্য জ্বালানি - ১.০৪%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
.
বাংলাদেশে আর্থিক বছর শুরু হয় -
  1. ক) জুলাই মাসে
  2. খ) জুন মাসে
  3. গ) জানুয়ারি মাসে
  4. ঘ) ডিসেম্বর মাসে
ব্যাখ্যা
জুলাই মাসে বাংলাদেশে আর্থিক বছর শুরু হয় 
- জুলাই-জুন বাংলাদেশের আর্থিক বছর।
- জুলাই মাসে অর্থবছর শুরু হয়, শেষ হয় জুন মাসে।
- সে জন্য প্রতিবছর জুন মাসে সেই অর্থবছরের হিসাব শেষ করে পরবর্তী অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়।
- দেশের হিসাব-নিকাশ, রাষ্ট্রীয় আয়-ব্যয় পরিকল্পনা অর্থবছর ধরেই হয়।

সূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।
.
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. ক) সুতা
  2. খ) তুলা
  3. গ) আইসিটি পণ্যসামগ্রী
  4. ঘ) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা
• শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
• প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

• একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – সুতা।
তৃতীয় সর্বোচ্চ - সার। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
.
প্রবৃদ্ধির হারে বৃহৎখাত কোনটি?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• জিডিপিতে প্রধান ৩টি খাত।

• জিডিপিতে অবদান: 
সেবাখাত - ৫১.৪৪%
শিল্পখাত - ৩৭.০৭%
কৃষিখাত - ১১.৫০%

• প্রবৃদ্ধির হার:
সেবাখাত - ৬.৩১%
শিল্পখাত - ১০.৪৪%
কৃষিখাত - ২.২০%

• নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
সেবাখাত - ৩৯.০%
শিল্পখাত - ২০.৪%
কৃষিখাত - ৪০.৬%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১০.
'সোনালিকা' ও 'আকবর' বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কোন ফসলের নাম?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
উন্নতজাতের ফসলের জাত:
ধান: হীরা, ব্রিশাইল,ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড, সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি। 
গম: বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন ইত্যাদি। 
ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ, 
তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ
তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা
আলু: গ্রানূলা, মাল্টা, পেট্রোনিজ, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, ফেন্সিনা, ক্যারেজ, লেডিরোজ
মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ
আম: হিমসাগর, ল্যাংরা, গোপালভোগ, খিরশাপতি, ফজলী, বোম্বাই, আম্রপালি, বারিআম-১, বারিআম-৪, থোকাফজলী,
পেঁয়াজ: তাহেরপুরী, সুখসাগর
বাধাকপি: প্রতিভা, অগ্রদুত

সূত্র: বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ক) চা
  2. খ) পাট
  3. গ) গম
  4. ঘ) তুলা
ব্যাখ্যা
পাট:
- সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ।
- বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ পাট থেকে উৎপাদিত সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- সারা বিশ্বে আঁশ উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে তুলার পরেই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসল দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন সাড়ে তিন মণ।
- বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়— ফরিদপুর জেলায় । 
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা— ১৯৭৪ সালে ।
- পাট উৎপাদনের বিশ্বে প্রথম দেশ- ভারত (২য় শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ)।
- জুটন আবিস্কার করেন— ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকউল্লাহ । 
- আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর ফার্মগেট, ঢাকা (প্রতিষ্ঠা ২৭ এপ্রিল ২০০২)। 
- বাংলাদেশে উৎপন্ন কিছু উন্নত জাতের গম— অগ্রণী, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
১২.
কৃষি জমিতে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত রাসায়নিক সার কোনটি?
  1. ক) ইউরিয়া সার
  2. খ) ডিএপি সার
  3. গ) টিএসপি সার
  4. ঘ) জিংক সালফেট
ব্যাখ্যা
• কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে
- সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,১৫৮ হাজার/২১.৫৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৪৪২ হাজার/১৪.৪২ লক্ষ মেট্রিক টন।
• বাংলাদেশের কৃষিতে ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় - ৫,৬৯১.৫০ হাজার মেট্রিক টন/৫৬.৯১ লক্ষ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১৩.
বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র কোথায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) নেত্রকোণা
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর থানার অন্তগত বড়পুকুরিয়ায় দেশের প্রথম কয়লা খনিকে কেন্দ্র করে খনি মুখ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসাবে বড়পুকুরিয়া ২ ´১২৫ মেঃ ওঃ কয়লা ভিক্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন কাজ বর্তমানে চলমান ।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী হিসাবে প্রচলিত গ্যাস বা তেলের পরির্বতে বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্প হইতে উত্তোলনকৃত উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা ব্যবহার করা হইবে।

কয়লা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে - ৫টি; বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ।
-  আবিষ্কৃত ৫টি কয়লাক্ষেত্রে কয়লার মোট মজুদের পরিমাণ - আনুমানিক ৭,৮২৩ মিলিয়ন টন (যা প্রায় ১৮৫ টিসিএফ প্রাকৃতিক গ্যাস সমতুল্য)। 
- মজুদকৃত কয়লা থেকে ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত উত্তোলিত মোট কয়লার পরিমাণ - আনুমানিক ১২.৭৬ মিলিয়ন টন।  
-  বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইট তৈরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২২ ও  দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।
১৪.
নিচের কোন নদীর তলদেশে বাংলাদেশের প্রথম টানেল নির্মাণ কাজ চলছে?
  1. ক) মধুমতি
  2. খ) কর্ণফুলী
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) সাঙ্গু
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে যার দৈর্ঘ্য - ৩.৪০ কিলোমিটার।
- এটি এশিয়ান হাইওয়ের সাথেও সংযুক্ত হবে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে টানেল বোরিং কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

• এটি নির্মাণের উদ্দেশ্য:
 – চট্টগ্রাম শহরের পশ্চিম অংশের সাথে পূর্ব অংশের সংযোগ স্থাপন।
–  যানজট নিরসন।
– ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ সহজীকরণ।
– চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরের পণ্য পরিবহণ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১৫.
বাংলাদেশের প্রধান দানাজাতীয় ফসল -
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) যব
  3. গ) ধান
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
ধান বাংলাদেশের প্রধান দানাজাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য। 
- বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। 
- বিশ্বের প্রধান প্রধান ধান উৎপাদনকারী দেশ হলো চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ। 
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়ার এ দেশগুলোতে উৎপন্ন হয়। 
- বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া, জলবায়ু সব কিছুই ধান চাষের উপযোগী। 
- চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের চাষ তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
১. আউশ ধান (Aus rice): খরিপ ১ মৌসুমে এ ধান মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা হয়।
২. আমন ধান (Aman rice): খরিপ ২ মৌসুমে জুন থেকে ডিসেম্বর মাসে পর্যন্ত চাষ করা হয় ।
৩. বোরো ধান (Boro rice): রবি মৌসুমে নভেম্বর থেকে মে মাসে এ ধান চাষ করা হয়।

সূত্র: কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র, ওপেন স্কুল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি:
১. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও
৩. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর৷

• বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) (Civil Aviation Authority of Bangladesh-CAAB):
- বাংলাদেশের আকাশসীমায় ও বিমানবন্দরসমূহে চলাচলকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল উড়োজাহাজ এর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পালন করে থাকে। 
- CAAB এর অধীনে বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৭টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং ২টি স্টলপোর্ট রয়েছে।
- এই ১২টি বিমানবন্দর ও স্টলপোর্টের মধ্যে বর্তমানে ৮টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
- যাত্রী স্বল্পতার কারণে ২টি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর ও ২টি স্টলপোর্টে কোন ফ্লাইট যাতায়াত করছে না।
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড: বর্তমানে ৭টি অভ্যন্তরীণ ও ১৯টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সার্ভিস পরিচালনা করছে।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১৭.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে -
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।

• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
- এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
- প্রায় ৩০ প্রজাতির সাপ সুন্দরবনে পাওয়া যায়।
- জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে।

সূত্র: খুলনা জেলার ওয়েবসাইট।
১৮.
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. ক) হিমায়িত পণ্য
  2. খ) চিংড়ী
  3. গ) তৈরি পোশাক
  4. ঘ) কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। 
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। • অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে  ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
•  ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - জাপানে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১৯.
বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ইউনিসেফ
  2. খ) আইএমএফ
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।
- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
- বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।
- এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।

• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ,
- অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।