পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ২১ এপ্রিল, ২০২৪সময়50 minutes৯৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৪র্থ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০০৮
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ২১ এপ্রিল, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
একটি ত্রিভুজের ভূমি ১২ সেন্টিমিটার, উচ্চতা ৪ সেন্টিমিটার, উহার ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?
  1. ১২
  2. ১৮
  3. ২৪
  4. ৪৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ভূমি ১২ সেন্টিমিটার, উচ্চতা ৪ সেন্টিমিটার, উহার ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার?

সমাধান:
দেওয়া আছে
ত্রিভুজের ভূমি ১২ সেন্টিমিটার
ত্রিভুজের উচ্চতা ৪ সেন্টিমিটার

ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
= (১/২) × ১২ ×  ৪
= ২৪ বর্গ সেন্টিমিটার
.
মিতা একটি কাজ ১৫ মিনিটে করতে পারে, তার ছোট ভাইয়ের ঐ কাজটি করতে সময় লাগে দ্বিগুণ। দু'জনে মিলে কাজটি করলে কত মিনিটে কাজটি শেষ করতে পারবে?
  1. ১৫/২
  2. ১০
  3. ৪৫/২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মিতা একটি কাজ ১৫ মিনিটে করতে পারে, তার ছোট ভাইয়ের ঐ কাজটি করতে সময় লাগে দ্বিগুণ। দু'জনে মিলে কাজটি করলে কত মিনিটে কাজটি শেষ করতে পারবে?

সমাধান:
মিতা ১৫ মিনিটে করতে পারে কাজটির ১ অংশ
মিতা ১ মিনিটে করতে পারে ১/১৫ অংশ
 
তার ছোট ভাইয়ে ৩০ মিনিটে করতে পারে কাজটির ১ অংশ
তার ছোট ভাইয়ে ১ মিনিটে করতে পারে কাজটির ১/৩০ অংশ
 
মিতা ও তার ছোট ভাইয়ে মিনিটে করতে পারে কাজটির = (১/১৫) + (১/৩০) অংশ
= (২ + ১)/৩০
= ৩/৩০
= ১/১০
 
মিতা ও তার ছোট ভাইয়ে ১/১০ অংশ করতে পারে ১ দিনে
মিতা ও তার ছোট ভাইয়ে ১ অংশ বা সম্পূর্ণ করতে পারে (১ × ১০)/১ দিনে
= ১০ দিনে
.
৪% লবণ রয়েছে এমন ৬ লিটার সমুদ্র জল থেকে ১ লিটার পানি বাষ্পীভূত করলে তার লবণাক্ততা কত শতাংশ হবে?
  1. ৩.৬
  2. ৪.৮
  3. ৫.২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪% লবণ রয়েছে এমন ৬ লিটার সমুদ্র জল থেকে ১ লিটার পানি বাষ্পীভূত করলে তার লবণাক্ততা কত শতাংশ হবে? 

সমাধান:
১০০ লিটার সমুদ্র জলে লবণ আছে ৪ কেজি
১ লিটার সমুদ্র জলে লবণ আছে ৪/১০০ কেজি
৬ লিটার সমুদ্র জলে লবণ আছে (৪ × ৬)/১০০ কেজি
= ৬/২৫ কেজি

১ লিটার পানি বাষ্পীভূত করলে পানির পরিমাণ হবে = (৬ - ১) লিটার = ৫ লিটার

৫ লিটার পানিতে লবণ আছে ৬/২৫ কেজি 
১ লিটার পানিতে লবণ আছে ৬/(২৫ × ৫) কেজি 
১০০ লিটার পানিতে লবণ আছে (৬ × ১০০)/(২৫ × ৫) কেজি 
= ৪.৮ কেজি 
.
x যদি - 1 হয়, তা হলে 3x3 + 2x2 + x + 1 = ?
  1. - 5
  2. 1
  3. - 1
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x যদি - 1 হয়, তা হলে 3x3 + 2x2 + x + 1 = ?

সমাধান:
 3x3 + 2x2 + x + 1
= 3(- 1)3 + 2(- 1)2 + (- 1) + 1
= 3(- 1) + 2 × 1 - 1 + 1
= - 3 + 2 - 1 +  1
= - 1
.
যদি 8x + 4 = 64 হয়, তা হলে 2x + 1 = ?
  1. 12
  2. 13
  3. 16
  4. 24
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 8x + 4 = 64 হয়, তা হলে 2x + 1 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে
8x + 4 = 64
বা, 8x = 64 - 4
বা, 8x = 60
বা, 8x/4 =60/4
বা, 2x = 15
বা, 2x + 1 = 15 + 1
∴ 2x + 1 = 16
.
একটি ত্রিভুজের একটি কোণ যদি দ্বিতীয় কোণের তিনগুণ এবং তৃতীয় কোণ যদি দ্বিতীয় কোণের চেয়ে 20 ডিগ্রি বড় হয় তবে দ্বিতীয় কোণটি কত ডিগ্রি?
  1. ৬৮
  2. ৫০
  3. ৪০
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের একটি কোণ যদি দ্বিতীয় কোণের তিনগুণ এবং তৃতীয় কোণ যদি দ্বিতীয় কোণের চেয়ে 20 ডিগ্রি বড় হয় তবে দ্বিতীয় কোণটি কত ডিগ্রি?

সমাধান:
ধরি,
দ্বিতীয় কোণ = x°
প্রথম কোণ = ৩x°
তৃতীয় কোণ= (x + ২০)°

শর্তমতে,
x + ৩x + x + ২০° = ১৮০°
বা, ৫x = ১৮০° - ২০°
বা, ৫x = ১৬০°
বা, x = ১৬০°/৫
x = ৩২°
.
একটি গাড়ির সামনের চাকার পরিধি ৭ ফুট, পেছনের চাকার পরিধি ৯ ফুট। সামনের চাকা যখন পেছনের চাকার চেয়ে ১০ বার বেশি ঘুরে তখন গাড়িটি কত ফুট যায়?
  1. ১২৬
  2. ১৩০
  3. ১৮৯
  4. ৩১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গাড়ির সামনের চাকার পরিধি ৭ ফুট, পেছনের চাকার পরিধি ৯ ফুট। সামনের চাকা যখন পেছনের চাকার চেয়ে ১০ বার বেশি ঘুরে তখন গাড়িটি কত ফুট যায়?

সমাধান:
৯ ও ৭ এর ল.সা.গু ৬৩

৬৩ মিটার পথ চলতে সামনের চাকাকে ঘুরতে হয় ৬৩/৭ = ৯ বার
৬৩ মিটার পথ চলতে পিছনের চাকাকে ঘুরতে হয় ৬৩/৯ = ৭ বার

সামনের চাকা পিছনের চাকা থেকে ২ বার বেশি ঘুরে ৬৩ মিটারে
সামনের চাকা পিছনের চাকা থেকে ১ বার বেশি ঘুরে ৬৩/২ মিটারে
সামনের চাকা পিছনের চাকা থেকে ১০ বার বেশি ঘুরে (১০ × ৬৩)/২ মিটারে
= ৩১৫ মিটার
.
একটি সংখ্যার তিনগুণের সঙ্গে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?
  1. ১৬
  2. ১৮
  3. ২০
  4. ২২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যার তিনগুণের সঙ্গে দ্বিগুণ যোগ করলে ৯০ হয়। সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যাটি ক

প্রশ্নমতে
৩ক + ২ক = ৯০
⇒ ৫ক = ৯০
⇒ ক = ১৮
.
একটি বাঁশের অর্ধাংশ মাটির নিচে, এক-তৃতীয়াংশ পানির মধ্যে এবং ৪ ফুট পানির উপরে আছে। বাঁশটির দৈর্ঘ্য কত ফুট?
  1. ২১
  2. ২৪
  3. ২৭
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বাঁশের অর্ধাংশ মাটির নিচে, এক-তৃতীয়াংশ পানির মধ্যে এবং ৪ ফুট পানির উপরে আছে। বাঁশটির দৈর্ঘ্য কত ফুট?

সমাধান:
বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ক ফুট

প্রশ্নমতে
(ক/২) + (ক/৩) + ৪ = ক
বা, ক - (ক/২) - (ক/৩) = ৪
বা, (৬ক - ৩ক - ২ক)/৬ = ৪
বা, ক/৬ = ৪
বা ক = ৬ × ৪
ক = ২৪ 
১০.
যদি জ্বালানী তেলের দাম ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেল ব্যবহার শতকরা কত ভাগ কমালে তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ২০%
  2. ২৫%
  3. ৩০%
  4. ৩৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি জ্বালানী তেলের দাম ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেল ব্যবহার শতকরা কত ভাগ কমালে তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?

সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১২৫ টাকা

১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে ২৫ টাকা
১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে ২৫/১২৫ টাকা
১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে (২৫ × ১০০)/১২৫ টাকা
= ২০ টাকা
১১.
মাশরুম এক ধরণের-
  1. অপুষ্পক উদ্ভিদ
  2. ফাঙ্গাস
  3. স্ব-জীবী উদ্ভিদ
  4. অর্কিড
ব্যাখ্যা
- ফাংগাস বহুবচনে ফানজাই, একটি ল্যাটিন শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ‘মাশরুম' বা ব্যাঙের ছাতা সদৃশ বস্তু।
- ফানজাই বা ছত্রাক এমন একটি উদ্ভিদ গোষ্ঠী যারা বিভিন্ন পরিবেশে মৃতজীবী অথবা পরজীবী হিসেবে বসবাস করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। 
- এদের সকলেই আমাদের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে না, অনেক ছত্রাক আমাদের প্রভূত উপকার করে থাকে।
- এরা এককোষী সরলতম গঠন থেকে শুরু করে বহু-কোষী জটিল দেহের অধিকারী।
-  উদ্ভিদ বিজ্ঞানের যে শাখায় ছত্রাক সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে ছত্রাক বিজ্ঞান বা মাইকোলজি (Mycology গ্রীক শব্দ, mykes অর্থ ছত্রাক এবং logos অর্থ জ্ঞান) বলে।
 
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত  বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কম্পিউটার ব্রেইন হলো-
  1. মেমোরী
  2. হার্ডডিস্ক
  3. মনিটর
  4. মাইক্রো প্রসেসর
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
- ১৯৭১ সালে আমেরিকার ইন্টেল নামক কোম্পানি সর্বপ্রথম ইন্টেল ৪০৪০ নামের মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) তৈরি করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকেই আধুনিক মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়?
  1. মিথেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. সিএফসি
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেন গ্রীন হাউস গ্যাস নয়।

গ্রীন হাউস গ্যাস:
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে - 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 

- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সালফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.
১৪.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. আলোর অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  3. আলোর বিচ্ছুরণ
  4. আলোর পোলারায়ন
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার:
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু।
- এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়।
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়।
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তু অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবারের মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে।
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত।
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন: পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত।
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ।
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৫.
সবুজ বিপ্লব বলতে কী বুঝায়?
  1. হাইব্রিডের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
  2. সবুজ সারের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন
  3. পতিত জমির সবুজায়ন
  4. ফলন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা
ব্যাখ্যা
সবুজ বিপ্লব:

- বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে উচ্চ ফলনশীল বীজ, রাসায়নিক সার, কীটনাশক, জলসেচ ও আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় যার ফলস্বরূপ ফসলের উৎপাদন অত্যাধিক পরিমানে বৃদ্ধি পায়, যাকে সবুজ বিপ্লব বলে।
- সবুজ বিপ্ল­বের সূচনা হয় ১৯৪৪ সালে, মেক্সিকোয়।
- সবুজ বিপ্লবের প্রধান ফসল হল গম ও ধান।
- এর নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কৃষি বিজ্ঞানী ড. নরম্যান বোরলগ।
- তাই তাকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ৮ই মার্চ USAID-এর পরিচালক উইলয়াম, এস. গাউড একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতির সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় দ্রুত ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির কৌশলকে ‘সবুজ বিপ্ল­ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

উৎস: Britannica.
১৬.
শুকানোর মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায় কারণ-
  1. শুকানো প্রক্রিয়ায় তাপে জীবাণু মরে
  2. পচনের বিক্রিয়ার পানি লাগে
  3. শুষ্ক খাদ্যে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব কম
  4. পচনকারী জীবাণু পানি ছাড়া বাঁচে না
ব্যাখ্যা
• খাদ্য সংরক্ষণের বিভিন্ন কৌশল:

১। শুষ্ককরণ (Drying Process) : রোদে শুকিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়। এতে খাদ্যের উপর পানির পরিমাণ কমে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হয়। পচনশীল জীবাণু পানি ছাড়া বাঁচে না তাই খাদ্যবস্তু থেকে পানি শুকিয়ে নিয়ে তা সংরক্ষণ করা যায়। এতে খাদ্যের ছত্রাক, জীবাণু ও এনজাইম প্রতিহত হয় এবং কোনো বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়াই খাদ্য অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়। ধান বা চাল, গম, ডাল ইত্যাদি রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়।

২। শীতলীকরণ (Cooling Process): এ পদ্ধতিতে নিম্ন তাপমাত্রায় অণুজীবের পুনরুৎপাদন এবং বংশবিস্তার হ্রাস পায়। তাছাড়া যে সকল এনজাইম খাদ্য পচনে সাহায্য করে এদের কার্যকলাপ হ্রাস পায়, ফলে খাদ্য সংরক্ষিত থাকে।

৩। ভ্যাকুয়াম প্যাকিং : বায়ুশূণ্য পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় �2O2​ পায় না। ফলে অণুজীব মারা যায় এবং খাদ্য সংরক্ষিত অবস্থায় থাকে।

৪। লবণ যুক্তকরণ/কিউরিং (Curing): অসমোসিস পদ্ধতিতে লবণ মাছ, মাংস থেকে আর্দ্রতা সরিয়ে নেয়। তাছাড়া লবণ ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম নামক অণুজীব যা খাদ্য পচনজনিত বিষ ক্রিয়া সৃষ্টি করে এর বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্থ করে।

৫। চিনিযুক্তকরণ : চিনির শিরাপ বা কেলাস আকারে ফল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে খাদ্য কেলাসন না হওয়া পর্যন্ত চিনিতে রান্না করা হয়। প্রক্রিয়াকৃত খাদ্য শুষ্ক অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়। যেমন- লাউ, কুমড়ো এদের মোরোব্বা এ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়।

৬। পিকলিং (Pickling): এটি হচ্ছে খাদ্যকে কোনো Anti-microbial তরলে সংরক্ষণ করা। এতে খাদ্যকে কোনো তরলে ডুবিয়ে রাখা হয় যাতে ব্যাকটেরিয়া এবং অণুজীব ধ্বংস হয়। সাধারণত অ্যালকোহল, সরিষার তেল, ব্রাইন (NaCl এর গাঢ় জলীয় দ্রবণ) এক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

৭। লাইযুক্তকরণ (Liquidation): লাই দ্রবণ হিসেবে NaOH বা KOH বা 3Na2​CO3​ এর দ্রবণ ব্যবহৃত হয়। এ দ্রবণ খাদ্যকে এতে বেশি ক্ষারীয় করে যে ব্যাকটেরিয়া বাঁচতে পারে না। তাছাড়া লাই দ্রবণ চর্বিকে সাবানায়ন করে। এতে খাদ্যের গঠন এবং স্বাদ পরিবর্তন হয়।

৮। জেলিকরণ (Jelly): খাদ্যকে এমন একটি পদার্থের সাথে রান্না করা হয় যা শীতল করলে কঠিন জেল এ পরিণত হয়। এক্ষেত্রে পানির পরিমাণ কমে খাদ্য সংরক্ষিত হয়।

৯। Smoking বা ধুমায়িতকরণ: খাদ্যদ্রব্যকে কাঠ পুড়িয়ে ধোঁয়া তৈরি করে সে ধোঁয়াতে উন্মুক্ত করে সংরক্ষণ করা হয়। এতে খাদ্যের সেলফ লাইফ বাড়ে বা অনেকদিন টাটকা থাকে।

১০। তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays): গামা রশ্মি, UV রশ্মি, IR রশ্মি প্রয়োগ করে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়। এর সাহায্যে অণু জীব বিনষ্ট করা হয়। অনুজীব বংশবিস্তার করতে পারে না।
১৭.
ডিম ও দুধে কোন ভিটামিন নেই?
  1. ডি
  2. সি
  3. বি
ব্যাখ্যা
ডিম ও দুধে ভিটামিন-সি ছাড়া সকল ভিটামিন রয়েছে।  
 
ভিটামিন ‘এ’ : দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।
 
ভিটামিন ‘বি’: ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদম,
শিমের বীচি, কলিজা, হৃদপিন্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসব্জি ইত্যাদি।

ভিটামিন ‘সি’: পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস,
কাঁচামরিচ, তাজা শাকসব্জি ইত্যাদি।

ভিটামিন ‘ডি’: ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।
 
উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘কে’ পাওয়া যায়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
এন্টিবায়োটিক কাজ করে-
  1. শরীরে প্রতিরোধ বাড়িয়ে
  2. জীবাণু ধ্বংস করে
  3. উপকারী জীবাণু জোরদার করে
  4. ভাইরাস ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ হচ্ছে জীবাণু ধ্বংস করা। 

এন্টিবায়োটিক হলো এমন একটা উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের ক্ষেত্রে অকার্যকর।  

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিকগুলো:
১. এন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শারীরিক স্থূলতার ঝুঁকি থাকে।
২. এন্টিবায়োটিক অন্ত্রের অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে যাতে অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক রোধে করণীয়- 
১) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাধারন রোগে ভুগলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা।
২) ডাক্তারের পরামর্শ মত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক সেবন করা।
৩) ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করা, কোন ঔষধ কেন দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে ধারনা নেয়া।
৪) মেয়াদ উত্তীর্ণ এন্টিবায়োটিক সেবন না করা।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
কাঠ ও কয়লা প্রধানত কী?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. কার্বন
  4. ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে কয়লায় ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে।

আবার,
কাঠের প্রধান উপাদান হচ্ছে সেলুলোজ। আবার এ সেলুলোজ কার্বণ, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত। তাই বলা যায় যে, কাঠের অন্যতম উপাদান হচ্ছে কার্বন। অন্যদিকে, কয়লা হচ্ছে কার্বনের একটি সাধারণ রূপ। সর্বোপরি বলা যায় যে, কাঠ ও কয়লা উভয়ের মধ্যেই কার্বনের পরমাণু বিদ্যমান।
২০.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?
  1. পুকুরে
  2. নীতে
  3. বিলে
  4. সাগরে
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ।
- পুকুরের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ, কারন সমুদ্রের পানির ঘনত্ব নদীর পানি বা পুকুরের পানির চেয়ে বেশি।
- যে পানির ঘনত্ব বেশি সে পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
- সমুদ্রের পানিতে ২.৫% থেকে ৩.৫% লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২১.
লাউয়াছড়া বনে কোন বিরল প্রাণী আছে?
  1. হনুমান
  2. চিতল হরিণ
  3. ভুবন চিল
  4. উল্লুক
ব্যাখ্যা
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২২.
কোন স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ যমুনা ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে বিভক্ত হয়েছে?
  1. জামালপুর
  2. কুড়িগ্রাম
  3. দেওয়ানগঞ্জ
  4. সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম।
- তিববত, চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের ভূখন্ড জুড়ে রয়েছে এর অববাহিকা অঞ্চল।
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদ তার পুরানো গতিপথ পরিবর্তন করে দক্ষিণাভিমুখী যমুনা নদী নামে প্রবাহিত হয়ে আরিচায় গঙ্গা (পদ্মা) নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৩.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে পাহাড় আছে?
  1. কুতুবদিয়া
  2. সেন্টমার্টিন
  3. মহেশখালী
  4. মনপুরা
ব্যাখ্যা
মহেশখালী দ্বীপ:
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়িয়া দ্বীপ মহেশখালী।
- দ্বীপটি কয়েক শ বছর আগেও মূল ভূখণ্ড কক্সবাজারের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল।
- এক প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সৃষ্টি হয় দ্বীপের।
- ছোট ছোট তিনটি দ্বীপের (সোনাদিয়া, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা) সমন্বয়ে গঠিত দ্বীপটির পূর্ব প্রান্তে উত্তর-দক্ষিণমুখী পাহাড়।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে। এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে। 
- মহেশখালী দ্বীপেই মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে।

দ্বীপসমূহ:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন বা নারিকেল জিঞ্জিরা।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসুত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি গোলআলু উৎপন্ন হয়?
  1. বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায়
  2. বৃহত্তর রংপুর জেলায়
  3. বৃহত্তর ঢাকা জেলায়
  4. বৃহত্তর কুমিল্লা জেলায়
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমানে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা বগুড়া। সঠিক উত্তর না থাকায়, প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- বিভাগ অনুসারে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় রংপুর বিভাগে।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: বগুড়া।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
২৫.
কোন তারিখে বাংলাদেশে রঙ্গিন টেলিভিশন চালু হয়?
  1. ১৫ জানুয়ারি ১৯৮১
  2. ১৫ জানুয়ারি, ১৯৮০
  3. ১লা ডিসেম্বর, ১৯৮১
  4. ১লা ডিসেম্বর, ১৯৮০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে।
- বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৬.
বাংলাদেশ গণপরিষদে প্রথম স্পীকার কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
  2. মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  3. শাহ্ আব্দুল হামিদ
  4. আব্দুল মালেক উকিল
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।

• কাজের মেয়াদ ১০ এপ্রিল ১৯৭২ – ১ মে ১৯৭২।
• ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ। 
• গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
২৭.
কোন ব্যক্তি বাংলাদেশকে 'প্রাচুর্যপূর্ণ নরক' বলে অভিহিত করেন?
  1. ফা হিয়েন
  2. ইবনে বতুতা
  3. হিউয়েন সাং
  4. ইবনে খালদুন
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন। 
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকে ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন।
- ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা ডীন কে ছিলেন?
  1. বেগম আজিজুন্নেছা
  2. ডঃ নীলিমা ইব্রাহিম
  3. ডঃ আমিনা রহমান
  4. ডঃ তাজমেরী ইসলাম
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' নামে পরিচিত।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের নাম ছিলো 'নাথান কমিশন'। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ। 
- উপ-মহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চেন্সেলর ছিলেন স্যার এ. এফ. রহমান।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা ডীন ছিলেন বেগম আজিজুন্নেছা।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
২৯.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী?
  1. কুতুবদিয়া
  2. বরিশাল
  3. হাতিয়া
  4. সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

অন্যদিকে -
- সিলেটের প্রাচীন নাম হরিকেল।
- কুমিল্লা ও নোয়াখালী সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০.
কি কারণে বাংলাদেশ থেকে নীলচাষ বিলুপ্ত হয়?
  1. নীলচাষ নিষিদ্ধ করার ফলে
  2. নীলকরদের অত্যাচারের ফলে
  3. নীলচাষীদের বিদ্রোহের ফলে
  4. কৃত্রিম নীল আবিষ্কারের ফলে
ব্যাখ্যা
নীল বিদ্রোহ: 
- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ সালের মধ্যে ইংরেজ আমলে বাংলাদেশে নীল চাষ শুরু হয় কারণ এ সময় নীল ব্যবসা ছিল খুবই লাভজনক।
- নীল চাষের জন্য কৃষকদের অগ্রিম অর্থ গ্রহণে ( দাদন ) বাধ্য করা হতো এবং পরে নীল চাষে রাজি না হলে কৃষকের উপরে চরম অত্যাচার চালানো হতো।
- ফরিদপুর, যশোর, ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো। 

- জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নীল চাষের খরচও বৃদ্ধি পায় ফলে চাষীরা নীল চাষের প্রতি অনাগ্রহ প্রকাশ করলে তাদের ওপরে নির্যাতন চালানো হতো।
- নীল চাষীরা ১৮৫৯ সালে নীল চাষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ গড়ে তোলেন। 
- এ নীল বিদ্রোহের অত্যাচারের কথা দীনবন্ধু মিত্রের লেখা ‘নীলদর্পণ’ নাটকের কাহিনীর মাধ্যমে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 

- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই।
- হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই। 

- চাষীদের এ বিদ্রোহের কারণে ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার ‘ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন’ গঠন করে নীল চাষকে কৃষকদের ‘ইচ্ছাধীন’ বলে ঘোষণা দেয় যার পরিপ্রেক্ষিতে নীল বিদ্রোহের অবসান হয়।
- পরবর্তীতে কৃত্রিম নীল আবিষ্কৃত হওয়ায় ১৮৯২ সালে এদেশে নীল চাষ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১.
এশিয়ার প্রলয়ঙ্করী সুনামীর উৎস কোথায় ছিল?
  1. ভারতের অস্ত্র উপকূলে
  2. থাইল্যান্ডের ফুকেটে
  3. ইন্দোনেশিয়ার বালিতে
  4. ইন্দোনেশিয়ার আচেহতে
ব্যাখ্যা
সুনামি:

- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর এশিয়ার প্রলয়ঙ্করী সুনামী ঘটে।
- উৎপত্তি স্থল ছিল ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি আচেহ প্রদেশে ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে  সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। 
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩২.
সাম্প্রতিক সপ্তাশ্চর্যের একটি হলো মাচুপিচু। এটি কোন সভ্যতার নিদর্শন?
  1. ইনকা
  2. মায়া
  3. মোহাক
  4. আজটেক
ব্যাখ্যা
সভ্যতা:
- মাচুপিচু হলো ইনকা সভ্যতার একটি নিদর্শন।
- ইনকা সভ্যতা দ্বাদশ শতকে দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর আন্দিজ পার্বত্য অঞ্চলে রেড ইন্ডিয়ানদের দ্বারা গড়ে উঠে ছিলো।
- পেরুতে অবস্থিত মাচুপিচু হলো ইনকারা নির্মিত একটি পার্বত্য পাথুরে শহর যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৭০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। ষোড়শ শতকে স্পেনিশদের দ্বারা ইনকা সাম্রাজ্য ধ্বংস হলেও মাচুপিচু অজানার মধ্যে রয়ে যায়।
- পরবর্তীতে ১৯১১ সালে মাচুপিচুর সন্ধান মেলে।
- মাচুপিচু পৃথিবীর একটি সপ্তাশ্চর্য এবং ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য নিদর্শন।

উৎস: এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩৩.
মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. কাজাখস্তান
  2. উজবেকিস্তান
  3. কিরগিজিস্তান
  4. তাজিকিস্তান
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:

- কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম দেশ এবং বিশ্বের নবম বৃহত্তম দেশ।
- কাজাখস্তানের সীমান্তে নৌপথ ও জলপথ নেই।
- রাজধানী হল দেশের উত্তর-মধ্য অংশে আস্তানা (পূর্বে নুর-সুলতান, আকমোলা এবং সেলিনোগ্রাদ)।
- দেশটির ব্যবহৃত মুদ্রার নাম তেঙ্গে।
- এশিয়ার সর্বোচ্চ স্থলবেষ্টিত অবস্থানে কাজাখাস্তান অবস্থিত।
- পূর্বে কাজাখাস্তান সোভিয়েত ইউনিয়নের  সংযুক্তে থাকা একটি দেশ।
- এর উত্তর-পশ্চিমে এবং উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে চীন এবং দক্ষিণে কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, আরাল সাগর এবং তুর্কমেনিস্তান।
- কাজাখস্তান পূর্বে ইউ.এস.এস.আর.-এর একটি সংবিধান (ইউনিয়ন) প্রজাতন্ত্র, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৪.
মানব সভ্যতায় ফিনিশীয়দের অবদান কী?
  1. স্থাপত্য
  2. চিত্রকলা
  3. বর্ণমালা
  4. মানচিত্র
ব্যাখ্যা
ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- ফিনিশীয়দের সামনে ছিল সাগর আর পিছনে ছিল পাহাড়।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে।
 - ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে তারা দেখে জাহাজ চালাত। 
- এ কারণে ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে। 
- সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের উদ্ভাবন করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে জাপান আত্মসমর্পণ করেন-
  1. মে, ১৯৪৫
  2. জুন, ১৯৪৫
  3. জুলাই, ১৯৪৫
  4. আগস্ট, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- জাপানের সম্রাট হিরোহিতো ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট আত্মসমর্পণ ঘোষণা করেন।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

সূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
৩৬.
আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে?
  1. ১৯৬১
  2. ১৯৬২
  3. ১৯৬৩
  4. ১৯৬৪
ব্যাখ্যা
এক নজরে আফ্রিকান ইউনিয়ন বা আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা

• প্রতিষ্ঠাকাল - ২৫ মে, ১৯৬৩ সাল।
• প্রথম নাম - আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা; যা পরবর্তীতে, Sirte Declaration অনুযায়ী ৯ জুলাই, ২০০২ সালে দক্ষিন আফ্রিকার ডারবানে আফ্রিকান ইউনিয়ন (African Union - AU) নামকরণ করা হয়।
• প্রতিষ্ঠার স্থান - আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
• প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য - ৩২টি দেশ।
• সদর দপ্তর - আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।

সূত্র: আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।
৩৭.
প্রথম মুসলমান নোবেল বিজয়ী কে?
  1. আনোয়ার সাদাত
  2. ডঃ ইউনুস
  3. নাগিব মাহফুজ
  4. আব্দুস সালাম
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত মুসলিম মনীষী:
- মিশর ও ইসরায়েল এর বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ও শান্তিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে।
- যার ফলশ্রুতিতে মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাহেন বেগিন ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনিই প্রথম মুসলিম মনীষী যিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।

অন্যদিকে -
- প্রফেসর আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইয়াসির আরাফাত ও শিমন পেরেজ যৌথভাবে ১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- নাগিব মাহফুজ ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
- ডঃ ইউনুস ২০০৬ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

উৎস: নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইট।
৩৮.
কমনওয়েলথভুক্ত কোন দেশ আয়তনে সবচেয়ে বড়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ভারত
  3. কানাডা
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
• কমনওয়েলথভুক্ত দেশের মধ্যে কানাডা আয়তনে সবচেয়ে বড়।

এক নজরে কানাডা

• কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
• এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
• কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
• কানাডা'র রাষ্ট্রপ্রধান হলো ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। 
• কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
• কানাডার জাতীয় প্রতীক শ্বেতপদ্ম।
• ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা। দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
• কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে। বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।

তথ্যসূত্র: কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
৩৯.
কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আপেল উৎপন্ন হয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ভারত
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ খাদ্য সংস্থা [FAO] এবং USA কৃষি অধিদপ্তরের তথ্যমতে শীর্ষ আপেল উৎপাদনকারী দেশ- চীন।

উল্লেখ্য,
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO – Food and Agriculture Organization of the United Nations) এর পরিসংখ্যান এর তথ্যানুযায়ী- বাংলাদেশ ২২ ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন করার ক্ষেত্রে বিশ্বের সকল দেশের মধ্যে শীর্ষ ১০ দেশ এর  তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

এসব কৃষিপণ্যের তালিকায় রয়েছে -পাট, সুপারি, শুকনা মরিচ, চাল, রসুন, জাম, সুগন্ধি মসলা, মসুর ডাল, গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফল, পেঁয়াজ, আলু, আদা, বেগুন, শিমের বিচি, নারকেলের ছোবড়া, চা, কুমড়া, আম, পেয়ারা, ফুলকপি, ব্রকলি মটরশুটি, পাখির খাদ্য ইত্যাদি।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৪০.
গত অলিম্পিকে উসাইন বোল্ট কত সময়ে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে জয়ী হন?
  1. ৯.৬৬ সেকেন্ড
  2. ৯.৬৭ সেকেন্ড
  3. ৯.৬৯ সেকেন্ড
  4. ৯.৭১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে এটি আর প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিশ্বের নতুন দ্রুততম মানব নোয়াহ লাইলস।
- বুদাপেস্টে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন নোয়াহ লাইলস।
- মার্কিন এই স্প্রিন্টার ৯.৮৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে ফাইনাল জিতে দ্রুততম মানবের খেতাব পেয়েছেন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪১.
"আমরা সবাই রাজা" এই পংক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. রজনীকান্ত সেন
  2. স্বামী বিবেকানন্দ
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথের অতি পরিচিত একটি গান ‘আমরা সবাই রাজা’।
১৩১৭ সালে রচিত ‘রাজা’ নাটকে গানটি ব্যবহৃত হয়। পরবর্তী কালে ‘রাজা’র সংক্ষিপ্ত সংস্করণ ‘অরূপরতন’ নাটকেও গানটি রেখে দেন রবীন্দ্রনাথ।
এই গানটিতে যেন রবীন্দ্রনাথ রাজত্ব বা ‘রুল’ নিয়ে তাঁর আদর্শগুলি সূত্রাকারে লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন। 

এছাড়া, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কয়েকটি উক্তি:

⇒ মা, আমার ছুটি হয়েছে?
⇒ গ্রহণ করেছ যত, ঋণী তত করেছ আমায়;
⇒ তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি;
⇒ আমি যে দেখেছি, গোপন হিংসা কপট রাত্রিছায়ে;
⇒ বিপদে মোরে রক্ষা করো/এ নহে মোর প্রার্থনা;
⇒ হে মোর চিত্ত, পূণ্য তীর্থে।
৪২.
"ঊনপঞ্চাশ বায়ু" বাগধারার অর্থ কী?
  1. ঘৃণা
  2. বিরক্তি
  3. বদমেজাজ
  4. হিংসা
ব্যাখ্যা
ঊনপঞ্চাশ বায়ু অর্থ- পাগলামি/ বদমেজাজ
- পরীক্ষা ঘনিয়ে আসছে, আর তার মাথায় ঊনপঞ্চাশ বায়ু দেখা দিয়েছে। 

উল্লেখ্য, বাগধারাটির সঠিক অর্থ 'পাগলামি'। অপশনে না থাকায় অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে 'বদমেজাজ' উত্তর নেয়া হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৩.
"ভায়া লাফ দেয় তিন হাত, হেসে গান গায় দিন রাত” ছড়াটি কার সম্পর্কে?
  1. জসীম উদ্দিন
  2. পাগলা কানাই
  3. লালন শাহ
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
কবি গোলাম মোস্তফা কর্তৃক রচিত 'ভায়া লাফ দেয় তিন হাত, হেসে গান গায় দিন রাত' ছড়াটি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে।

• গোলাম মোস্তফা:
- গোলাম মোস্তফা কবি ও লেখক।
- যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা গোলাম রববানী এবং পিতামহ কাজী গোলাম সরোয়ার দুজনেই ছিলেন লোককবি।
- গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।

• তাঁর কাব্য:  
- রক্তরাগ,  
- খোশরোজ, 
- কাব্য-কাহিনী, 
- সাহারা,  
- হাসনেহেনা, 
- বুলবুলিস্তান,  
- তারানা-ই-পাকিস্তান, 
- বনিআদম,  
- গীতিসঞ্চালন ইত্যাদি।

• তাঁর গদ্যরচনার মধ্যে  রয়েছে:
- বিশ্বনবী (১৯৪২),
- ইসলাম ও কমিউনিজম (১৯৪৬),
- ইসলাম ও জেহাদ (১৯৪৭),
- আমার চিন্তাধারা (১৯৫২),
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ইত্যাদি।

- তাঁর বিশ্বনবী গ্রন্থখানি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।
- এতে তিনি হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে ঐতিহাসিক মহামানব হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।
- গোলাম মোস্তফার কাব্যের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ও শিল্পসম্মত প্রকাশভঙ্গি এবং ছন্দোলালিত্য।
- সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যশোর সংঘ কর্তৃক ‘কাব্য সুধাকর’ (১৯৫২) এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ (১৯৬০) উপাধি লাভ করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৪.
'সই কেবা শুনাইল শ্যাম নাম' পদটির রচয়িতা কে?
  1. চণ্ডীদাস
  2. জ্ঞানদাস
  3. গোবিন্দ দাস
  4. দ্বিজ চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
• চণ্ডীদাস এর বিখ্যাত উক্তি:
- 'শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।'
- 'সই কেবা শুনাইল শ্যাম নাম।',
- 'সখি কেমনে ধরিব হিয়া, আমার বধূয়া আনবাড়ী যায় আমার আঙিনা দিয়া।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
৪৫.
'সাবান' ও 'আনারস' শব্দ দু'টি কোন ভাষা হতে এসেছে?
  1. ফারসি
  2. আরবি
  3. বার্মিজ
  4. পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ শব্দ:
আলপিন, পাউরুটি, ইংরেজ, সাবান, তােয়ালে, বালতি, নিলাম, আলকাতরা, মার্কা, জানালা, পেরেক, ক্ৰশ, পরাত (বৃহৎ থালা), বারান্দা, নােনা, বেহালা, পেঁপে, পাচার, পেয়ারা, বােতাম, আলমারি, মিস্ত্রি, গামলা, ফিতা, সেমিজ, কামিজ, গির্জা, চাবি, পাদ্রি, আনারস, টুপি, বােমা, কেরানি, কামরা, আতা, তামাক, ইস্পাত, আয়া, আচার, পিস্তল, বেহালা, মাস্তুল, মাইরি, গুদাম ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
আরবি শব্দঃ বাংলায় ব্যবহৃত আরবি শব্দ গুলোকে দুটো ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ধর্মসংক্রান্ত শব্দঃ
আল্লাহ্‌, ইসলাম, ঈমান,তওবা, তসবি, যাকাত, হজ, হাদিস, হারাম, হালাল।

• প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দঃ
আদালত, আলেম, এলেম, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব ইত্যাদি।

ফারসি শব্দ - চশমা, তোশক, দফতর, দোকান, দৌলত, বান্দা, নালিশ, বেগম, ফেরেশতা, বেহেশত৷
বার্মিজ শব্দ - লুঙ্গি, ফুঙ্গি ইত্যাদি।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৬.
'কাঁচি' শব্দটি কোন ভাষা হতে এসেছে?
  1. ফারসি
  2. তুর্কি
  3. আরবি
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা
'কাঁচি' তুর্কি শব্দ।

এছাড়া আরো কয়েকটি তুর্কি শব্দ:
বাবা, উজবুক, কাবু, কুর্নিশ, কুলি (মজুর), কোর্মা, খাতুন, চকমক, চাকু, তালাশ, তােপ, বন্দুক, বাবুর্চি, বারুদ, বাহাদুর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান ও মাধ্যমিক ব্যাকরণ বোর্ড বই।
৪৭.
'জীবনস্মৃতি' কার আত্মজীবনী?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. রজনীকান্ত সেন
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
'জীবনস্মৃতি' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনী গ্রন্থ। 

জীবনস্মৃতি: 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মজীবনী গ্রন্থ।
- ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয়।
- বাল্মীকিপ্রতিভা রচনার সময় থেকে কবি সম্পূর্ণভাবে গান ও কাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন।
- তিনি রচনা করেন সন্ধ্যাসংগীত (১৮৮২) ও প্রভাতসংগীত (১৮৮৩)। এ সময়ের অনুভূতি কবির জীবনে একটি স্মরণীয় ঘটনা; জীবনস্মৃতিতে তিনি তা ব্যক্ত করেছেন।
------------------------------- 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। 
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর ‘বনফুল’ কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- ডাকঘর,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- রক্তকরবী,
- তাসের দেশ।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- পঞ্চভূত,
- বিচিত্রপ্রবন্ধ,
- সাহিত্য,
- মানুষের ধর্ম,
- কালান্তর,
- সভ্যতার সংকট।

অন্যদিকে, 
- ‘জীবন কথা’ আত্মজীবনীর লেখক - জসীমউদ্‌দীন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪৮.
'কাশবনের কন্যা' উপন্যাস কার লেখা?
  1. আবুল কালাম চৌধুরী
  2. আবু জাফর শামছুদ্দিন
  3. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  4. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'কাশবনের কন্যা' উপন্যাস:
- বরিশাল অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, লোকজীবন গ্রামীণ দিগন্ত ফটোগ্রাফিকভাবে চিত্রায়িত হয়েছে শামসুদ্দীন আবুল কালামের 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসে। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ সালে। 

শামসুদ্দীন আবুল কালাম:
- তিনি বরিশালের নলছিটি থানার কামদেবপুর গ্রামে ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবুল কালাম শামসুদ্দীন ।

তাঁর কয়েকটি উপন্যাসের নাম:
- আলমনগরের উপকথা,
- কাশবনের কন্যা,
- কাঞ্চনমালা,
- জায়জঙ্গল,
- সমুদ্র বাসর,
- কাঞ্চনগ্রাম।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. বড়দিদি
  2. বিন্দুর ছেলে
  3. রামের সুমতি
  4. বৈকুন্ঠের উইল
ব্যাখ্যা
⇒ 'বড়দিদি' উপন্যাস:
'বড়দিদি' (১৯১৩) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম মুদ্রিত উপন্যাস।
• এই উপন্যাসটি সরলা দেবী সম্পাদিত ‘ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশকালে বাংলা সাহিত্যে আলোড়নের সৃষ্টি করে। প্রথমে এর নাম ছিল ‘শিশু’।
• শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের প্রধান আকর্ষণ, নারীচরিত্রের সংযম ও মাধুর্য, শাস্ত্রশাসিত জীবন ও স্বাভাবিক প্রবৃত্তির মধ্যে টানাপোড়েন এবং সহজ সাবলীল ভাষা-সবই এখানে পূর্ণমাত্রায় প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র : সুরেন্দ্রনাথ, ব্রজরাজ, মাধবী, প্রমীলা। বড়দিদি ‘মাধবী'র নাম।

=============
⇒ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭)  ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের  প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: 
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া। 
৫০.
কাজী নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন সনে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২৫
  2. ১৯২৬
  3. ১৯২১
  4. ১৯২২
ব্যাখ্যা
'বিদ্রোহী' কবিতা:
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
- ‘বিদ্রোহী' কবিতা ২২ পৌষ, ১৩২৮ (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

উল্লেখ্য,
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'।
- এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।

'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতা গুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা), 
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বরধারিণী মা,
- আগমনী,
- ধুমকেতু,
- কামালপাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী এবং
- মোহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বিদ্রোহী কবিতা, বাংলাপিডিয়া। 
৫১.
কাজী নজরুল ইসলাম কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। 
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ই ভাদ্র (১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট) মৃত্যুবরণ করেন।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচনাসমগ্র:
উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা (বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপান্যাস),
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

গল্পগ্রন্থ:
- ব্যথার দান,
- রিক্তের বেদন,
- শিউলিমালা।

নাটক:
- ঝিলিমিলি,
- আলেয়া
 
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র মঙ্গল,
- মন্দির ও মসজিদ,
- আমি সৈনিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া। 
৫২.
কোন শব্দটি দ্বন্দ্ব সমাস?
  1. সিংহাসন
  2. রাজপথ
  3. প্রভাত
  4. দম্পতি
ব্যাখ্যা
দম্পতি - দ্বন্দ্ব সমাস।

দ্বন্দ্ব সমাস:
যে সমাসে দুই বা বহুপদ মিলে এক পদ এবং প্রত্যেক পদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
যেমন -
- জায়া ও পতি = জায়াপতি > জম্পতি > দম্পতি।
- সাহেব ও বিবি ও গোলাম = সাহেববিবিগোলাম।

• উল্লেখ্য,

মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস: যে কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদগুলো লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন, জ্যোৎস্না শোভিত যে রাত = জ্যোৎস্নারাত, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।

তৎপুরুষ সমাস: সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস।
যেমন: 'রাজপথ'-এর ব্যাসবাক্য = পথের রাজা।

প্রাদি সমাস: প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যেও সমাস হয় তাকে বলে প্রাদি সমাস।
যেমন: প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) ভাত (আলোকিত) = প্রভাত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫৩.
'কূলের সমীপে'-এর সংক্ষেপ কী?
  1. অনুকূল
  2. প্রতিকূল
  3. সমকূল
  4. উপকূল
ব্যাখ্যা
উপকূল- শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য = কূলের সমীপে। 
- এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। 

অব্যয়ীভাব সমাস:
যে সমাসের পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধানরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বলা হয় অব্যয়ীভাব সমাস।
- অন্যভাবে বলা যায়, পূর্বপদে অব্যয়যােগে নিষ্পন্ন সমাসে অর্থের প্রাধান্য থাকলে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- অব্যয়ীভাব সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয় উল্লেখ হয় না, কেবল অব্যয়ের অর্থযােগে ব্যাসবাক্যটি গঠিত হয়।
যেমন- জানু পর্যন্ত লম্বিত = আজানুলম্বিত (কাছে), মরণ পর্যন্ত = আমরণ ইত্যাদি।
বিভিন্ন অর্থে  অব্যয়ীভাব সমাস ব্যবহৃত হয় - 

সামীপ্য (উপ) :
কূলের সমীপে = উপকূল,
নগরীর সমীপে = উপনগরী,
শহরের সমীপে = উপশহর,
কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ,
অক্ষির সমীপে = সমক্ষ,
ক্ষুদ্র মহাদেশ = উপমহাদেশ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
'রহিম ধোপাকে কাপড় ধুতে দিল।' ইহা কোন কারক?
  1. কর্তৃকারক
  2. কর্মকারক
  3. সম্প্রদান কারক
  4. অপাদান কারক
ব্যাখ্যা
কর্মকারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
- কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম, গৌণ কর্ম।
যেমন -
- বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।

- সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে।
- এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।

'রহিম ধোপাকে কাপড় ধুতে দিল'- কর্মকারক এর উদহারণ। স্বত্বত্যাগ করে দেওয়া বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। যেমন- ভিখারিকে ভিক্ষা দাও।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫.
লিঙ্গান্তর হয় না কোন শব্দটির?
  1. ডাক্তার
  2. ধোপা
  3. কেরানি
  4. নাপিত
ব্যাখ্যা
কিছু শব্দের লিঙ্গান্তর হয় আর কিছু শব্দের লিঙ্গান্তর হয় না। এদেরকে নিত্য পুরুষবাচক এবং নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। যেমন:

নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
কবিরাজ, রাষ্ট্রপতি, সেনাপতি, দলপতি, ঢাকী, কৃতদার, বিচারপতি, পুরোহিত, কেরানি, অকৃতদার, যোদ্ধা।

নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:
সধবা, রূপসী, সৎমা, অর্ধাঙ্গিনী, শাকচুন্নি, কলঙ্কিনী, অন্তঃসত্ত্বা, অসূর্যস্পশ্যা, ডাইনি, কুলটা, দাই, শাখচুন্নি, বাইজি।
৫৬.
'অপসৃয়মান' শব্দের বিপরীত কি?
  1. উদীয়মান
  2. ক্ষয়মাণ
  3. বিলীয়মান
  4. বিবর্তমান
ব্যাখ্যা
• অপসৃয়মান অর্থ ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে এমন অর্থাৎ বিলীয়মান।
- এর বিপরীত শব্দ 'উদীয়মান।'

উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
৫৭.
'পাণিগ্রহণ' কথাটি যা গ্রহণ থেকে এসেছে-
  1. মালা
  2. ফুল
  3. বীণা
  4. হাত
ব্যাখ্যা
• 'বিবাহ' শব্দের সমার্থক শব্দ=  পরিনয়, পাণিগ্রহণ, পাণিপীড়ন, নিকাহ্‌, শাদী।

• উল্লেখ্য, 'পাণি' শব্দের প্রতিশব্দ হচ্ছে - 'হাত'। যেহেতু বরের হাতে কনেকে সোপর্দ করা হয়, সেহেতু বিবাহকে পাণিগ্রহণ বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫৮.
'দৃষ্টিপাত'-এর লেখক 'যাযাবর'-এর প্রকৃত নাম কি?
  1. ভূদর মুখোপাধ্যায়
  2. বিনয় মুখোপাধ্যায়
  3. আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
  4. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়' এর ছদ্মনাম - 'যাযাবর'।

• আরো কিছু গুরুত্বপুর্ণ ছদ্মনাম: 
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম- বীরবল। 
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম-'সুনন্দ'। 
- প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর। 
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম- 'হাবু শর্মা'।
- সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম- চিত্রগুপ্ত।
- মণীশ ঘটকের ছদ্মনাম 'যুবনাশ্ব'।
- বিমল মিত্র 'জাবালি' ছদ্মনামে লিখতেন। 
- চারুচন্দ্র চক্রবর্তী এর ছদ্মনাম - জরাসন্ধ।
- দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের ছদ্মনাম ছিলো - দৃষ্টিহীন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫৯.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেয়-
  1. হিন্দু কলেজ
  2. ইংরেজী কলেজ
  3. সংস্কৃত কলেজ
  4. প্রেসিডেন্সি কলেজ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬০.
শ্রীরামপুরের মিশনারীরা স্মরণীয় যে জন্য-
  1. প্রথম বাংলায় খৃষ্টধর্ম প্রচার
  2. প্রথম বাংলায় মুদ্রণ
  3. প্রথম বাংলায় সংস্কার কাজ
  4. প্রথম বাংলা স্কুল
ব্যাখ্যা
শ্রীরামপুর মিশন প্রেস:
- শ্রীরামপুর মিশন ছিল ভারতের প্রথম নিজস্ব প্রচারক সংঘ।
- মিশন হুগলি জেলার দুটি স্থান থেকে বাংলায় যীশুর বাণী প্রচার শুরু করে। 
- ১৮০০ সালের ১০ই জানুয়ারি উইলিয়াম কেরি এবং ভ্রাতৃবৃন্দ এই মিশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- সেই বছরই মার্চ মাসে উইলিয়াম কেরি শ্রীরামপুর মিশন প্রেস নামে ছাপাখানাটি খোলেন।
- এই মাসেই পঞ্চানন কর্মকারের সহযোগিতায় প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ মথী রচিত মঙ্গল সমাচার ছাপা হয় মিশন প্রেস থেকে।
- বাংলা গদ্য চর্চায় যে সকল প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে খ্রিষ্টান মিশনারীগণ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ‘শ্রীরামপুর মিশন' সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। 
- বাংলায় বাইবেল আনুবাদ করে প্রদেশে খ্রিষ্টধর্ম প্রচারে ব্রতী হয়েছিলেন উইলিয়াম কেরি।
- শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে পরবর্তীকালে রামায়ণ, মহাভারত, পাঠ্যপুস্তক ইত্যাদি বহু গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল।
- ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে এই মিশন থেকে 'দিগদর্শন' ও 'সমাচার দর্পণ' নামক পত্রিকা দুটি প্রকাশিত হয়। 
- ১৮০০-১৮৩২ সালের মধ্যে শ্রীরামপুর প্রেস থেকে ৪৫টি ভাষায় ২,১২,০০০ বই ছাপা হয়।
- ১৮৪৫ সালে শ্রীরামপুর মিশন বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু এ প্রেস ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬১.
নিষেধাজ্ঞায় আদেশ কত প্রকারের হতে পারে?
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।
৬২.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ ভঙ্গ করা হলে ভঙ্গকারীকে সর্বোচ্চ কতদিন civil prison-এ রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২ অনুযায়ী-

⇒ যদি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা হয়, অথবা কোন শর্ত ভঙ্গ করা হয় তবে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারেন, এবং উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাস মেয়াদের জন্য (Civil prison) দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখারও নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ চুক্তিভঙ্গ বা অন্য কোন প্রকার ক্ষতি করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য মোকদ্দমা শুরুর পর যেকোন সময়, রায়ের পূর্বে বা পরে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে। 

⇒ এরূপ কোন ক্রোক ১ বছরের অধিক বলবৎ থাকবে না, উক্ত সময়ের পরও যদি অবাধ্যতা বা চুক্তি লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে, তাহলে সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। 
৬৩.
দেওয়ানী মামলায় সর্বোচ্চ কত টাকা adjournment cost দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩,০০০ টাকা
  3. ১,০০০ টাকা
  4. ৩,৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি মোকদ্দমায় মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৬৪.
Mediation-এর আদেশ হওয়ার পর সর্বোচ্চ কতদিনের মধ্যে উত্তরূপ Mediation-এর কাজ শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতা সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা যাবে।

- দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
i) মধ্যস্থতা (Mediation);
ii) সালিশী (Arbitration)।

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না। 

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে। 
৬৫.
দেওয়ানী মামলায় সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ দেয়া যায়?
  1. ১০,০০০ টাকা
  2. ১৫,০০০ টাকা
  3. ২০,০০০ টাকা
  4. ২৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-

 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
৬৬.
ডিক্রি জারীর জন্য প্রথম দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

ডিক্রি জারির প্রথম দরখাস্ত বা আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর। তবে উক্ত ডিক্রি বা আদেশের সইমোহুরি নকল (Certified Copy) যদি রেজিস্টার্ড হয় সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৬ বছর।

সাধারনত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্যান্য ডিক্রির ক্ষেত্রে জারির জন্য আবেদনের সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ বছর। তবে প্রতারণা, প্রবঞ্চনা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলে ১২ বছরের পরও ডিক্রি জারির আবেদন করা যায়।
৬৭.
ডিক্রি জারী মূলে কোন সম্পত্তি নিলাম বিক্রি হলে বিক্রির তারিখ হতে কতদিনের মধ্যে ক্রয়মূল্য আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৮২:
স্মল কজ কোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালত ডিক্রি জারিতে স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের আদেশ প্রদান করতে পারে।

বিধি ৮৪-
স্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রয়ের ক্রেতা বলে ঘোষিত ব্যক্তি ঘোষণার পরপরই ক্রয়মূল্যের ২৫% টাকা জমা প্রদান করবে এবং তা প্রদানে ব্যর্থ হলে সম্পত্তিটি তখনই পুনরায় নিলামে বিক্রয় করা হবে।

বিধি ৮৫-
ক্রয়মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে জমা দিতে হবে।
৬৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় ফৌজদারী আদালতসমূহের শ্রেণিবিভাগ করা হয়েছে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারায় ফৌজদারি আদালত সমূহের শ্রেণীবিভাগ রয়েছে।

৬ ধারা:

(১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:
(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ
(i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং
(ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ
(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;
(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;
(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
৬৯.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারবেন?
  1. ৩,০০০ টাকা
  2. ৫,০০০ টাকা
  3. ১০,০০০ টাকা
  4. ১৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-

(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।

Section 32- Sentences which Magistrates may pass:

(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
৭০.
Code of Criminal Procedure- এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত তদন্ত কাজ করতে পারেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন।

• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী পুলিশকে আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য উভয় ধরণের মামলা বা অপরাধ সংঘটনের সংবাদ প্রদান করা যায়। পুলিশকে আমলযোগ্য অপরাধের [Cognizable offence] সংবাদ দিলে, তা পুলিশ ১৫৪ ধারা অনুযায়ী লিপিবদ্ধ করে। এই ধারায় দায়েরকৃত মামলা এফআইআর কেস (FIR case) বা পুলিশ কেস (Police Case) বা জি.আর (G.R) কেইস নামে পরিচিত। এই মামলার ক্ষেত্রে ১৫৬(১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারে এবং ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে।

• অন্যদিকে, পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offence] সংবাদ দিলে, সেক্ষেত্রে পুলিশ ১৫৫ ধারা অনুসরণ করেন।১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য অপরাধের ভিত্তিতে যে মামলা শুরু হয় তা -

১. Non-Gr (Non-Registered) Case;
২. Non-FIR Case;
৩. Non-Cognizable Case নামে পরিচিত.

আবার, আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৫৫(২) ধারায় প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের নির্দেশ দিলে শুধুমাত্র তখনই পুলিশ তদন্ত করতে পারে।
৭১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী একজন সাধারণ ব্যক্তি কেউ non- bailable ও cognizable অপরাধ করে তখন তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৫৪
  2. ৫৬
  3. ৫৮
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-

ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

৭২.
দায়রা জজ কোন ধারার ক্ষমতাবলে cognizance গ্রহণ করেন?
  1. ১৯০
  2. ১৯৩
  3. ১৯৫
  4. ১৯৬
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারায় দায়রা আদালতকে অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• অপরাধ আমলে নেওয়া অর্থ আদালত কর্তৃক কোন অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করা।কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আদালতে অথবা থানায় অপরাধের অভিযোগ করা যায়।আদালত অপরাধের অভিযোগ পাওয়ার পর তা বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন অথবা খারিজ বা ফেরত দিবেন।যদি তিনি গ্রহণ করে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন তখন তাকে অপরাধ আমলে নেয়া বলে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারামতে,

দায়রা আদালতের সরাসরি মামলা আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই,ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে নেয়ার পর দায়রা আদালতে প্রেরণ করলে দায়রা আদালত বিচারার্থে অপরাধ আমলে নিতে পারেন।অর্থাৎ দায়রা আদালত মূল এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নয়,তবে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ২০৫(গ) ধারায় মামলা পাঠানো হলেই কেবল উক্ত মামলা দায়রা জজ আমলে নিয়ে বিচার করতে পারেন।

এই ধারার অধীন অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ ও অপরাধ আমলে নিতে পারেন।নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ অপরাধ আমলে নিতে পারে । যথা-

i) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে; অথবা
ii) দায়রা জজ বিচারের জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজকে অর্পণ করলে।

৭৩.
একজন বিচারাধীন আসামী কোন ধারার বিধান অনুযায়ী তার defence-এর সমর্থনে সাক্ষী হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. ৩৩৭
  2. ৩৩৮
  3. ৩৪০
  4. ৩৪২
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।

তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-

(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader.

(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings.

(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:

Provided that-
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or

(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.

৭৪.
ফৌজদারী মামলায় fine প্রদান করা হলে উহা কত দিন পরে আর আদায় করা যাবে না?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. কোন সময়সীমা নেই
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৭০ ধারায় অর্থদণ্ড আদায়ের সময়সীমা সম্পর্কে ৩টি বিধানের উল্লেখ আছে। 

(i) দণ্ডাদেশ প্রদানের পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে যেকোনো সময়;
(ii) ৬ বছরের অধিক কারাদণ্ড হলে- কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ/উত্তীর্ণ হওয়ার আগে;
(iii) অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামির মৃত্যু হলে- আসামির সম্পত্তি থেকে আদায় করা হবে।

দণ্ডবিধির ৭০ ধারা-
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
৭৫.
কত বছর বয়সের শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না?
  1. ১০
  2. ১২
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৮২ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের কম বয়স্ক কোন শিশুর কার্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হয় না।

এবং ৮৩ ধারা অনুযায়ী-
৯ বছরের বেশী কিন্তু ১২ বছরের কম বয়স্ক অপরিনত বোধ সম্পন্ন শিশুর কোন কার্যই অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

অর্থাৎ ৭ বছর বয়সী শিশু কোন অপরাধ করলে তা অপরাধ গণ্য হয় না।
৭৬.
'ক'-এর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলে ২০,০০০ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আনা হয়। উহা কোন আদালতে বিচার্য?
  1. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. গ্রাম্য আদালত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বিচার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছে গ্রাম আদালত। 

গ্রাম আদালত গঠন- 
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করিয়া মোট পাঁচজন সদস্য লইয়া গ্রাম আদালত গঠিত হয়। তবে প্রত্যেক পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন সদস্যের মধ্যে একজন সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হইতে হয়।

এখতিয়ার-
গ্রাম আদালত ‘গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬’ এর তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে।
১। দন্ডবিধির ধারা ৩২৩ বা ৪২৬ বা ৪৪৭ মোতাবেক কোন অপরাধ সংঘটন করা, বে-আইনী জনসমাবেশ সাধারন উদ্দেশ্যে হইলে এবং উক্ত বে - আইনী জনসমাবেশে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা দশের অধিক না হইলে দন্ডবিধির ১৪৩ ও ১৪৭ ধারা, ১৪১ ধারা এর তৃতীয় বা চতুর্থ দফার সহিত পঠিতব্য;
২। দন্ডবিধির ধারা ১৬০, ৩৩৪, ৩৪১, ৩৪২, ৩৫২, ৩৫৮, ৫০৪, ৫০৬ (প্রথম অংশ) ৫০৮, ৫০৯ এবং ৫১০;
৩। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাধিপশু সংক্রান্ত হয় এবং গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৪। দন্ডবিধির ধারা ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ যখন সংঘটিত অপরাধটি গবাদিপশু ছাড়া অন্য কোন সম্পত্তি সংক্রান্ত হয় এবং উক্ত সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৫। দন্ডবিধির ধারা ৪০৩, ৪০৬, ৪১৭ ও ৪২০ যখন অপরাধ সংশ্লিষ্টি অর্থের পরিমান অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৬। দন্ডবিধির ধারা ৪২৭, যখন সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৭। দন্ডবিধির ধারা  ৪২৮ ও ৪২৯ যখন গবাদিপশুর মূল্য অনধিক পঁচিশ হাজার টাকা হয়;
৮। Cattle-Trespass Act, 1871 (Act I of 1871) এর  section 24, 26, 27;
৯। উপরিউক্ত যে কোন অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা বা উহা সংঘটনের সহায়তা প্রদান।

প্রশ্নে উল্লিখিত মামলা দন্ডবিধির ধারা ৪১৭ এর অধীন এবং মূল্যমান ২০,০০০ টাকা হওয়ায়, উক্ত মামলা গ্রাম্য আদালতে বিচার্য।
৭৭.
Evidence Act- এর কোন ধারায় re-examine করা যায়?
  1. ১৩৫
  2. ১৩৬
  3. ১৩৭
  4. ১৩৮
ব্যাখ্যা

• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:

সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।

৭৮.
Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নিলাম বাতিলের জন্য কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• Public Demands Recovery Act-এর ২৩ ধারার বিধান অনুযায়ী-
নিলাম বাতিলের জন্য ৬০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে।
------------------
Section 23. Application to set aside sale of immovable property on ground of non-service of notice or irregularity.

(1) Where immovable property has been sold in execution of a certificate, the certificate-holder, the certificate-debtor, or any person whose interests are affected by the sale, may, at any time within sixty days from the date of the sale, apply to the Certificate-officer to set aside the sale on the ground that notice was not served under section 7 or on the ground of a material irregularity in the certificate proceedings or in publishing or conducting the sale:
Provided as follows:-
(a) no sale shall be set aside on any such ground unless the Certificate-officer is satisfied that the applicant has sustained substantial injury by reason of the non-service or irregularity; and
(b) an application made by a certificate-debtor under this section shall be disallowed unless the applicant either deposits the amount recoverable from him in execution of the certificate or satisfies the Certificate-officer that he is not liable to pay such amount.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), the Certificate-officer may entertain an application made after the expiry of sixty days from the date of the sale if he is satisfied that there are reasonable grounds for so doing.
৭৯.
কোন চুক্তি আইনসঙ্গত হলেও Specific Relief Act- এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত চুক্তিটি বলবৎ করতে অস্বীকার করতে পারে?
  1. ২০
  2. ২১
  3. ২২
  4. ২৩
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী,

চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদীর প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না, সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
৮০.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য কত বৎসর বয়স্ক হতে হবে?
  1. ৩০
  2. ৩৫
  3. ৪০
  4. ৪৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪৮:

(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।
৮১.
'Boot leg' means-
  1. Import
  2. Export
  3. Distribution
  4. Smuggle
ব্যাখ্যা

Bootleg (verb transitive)

English Meaning: Make, distribute, or sell (alcoholic drink or a recording) illegally.
Bangla Meaning: শুল্ক ফাঁকি বা বেআইনিভাবে মদ চোলাই, বিক্রি, আমদানি-রপ্তানি করা।

Smuggle:
English Meaning: Move (goods) illegally into or out of a country.
Bangla Meaning: গোপনে ও অবৈধভাবে (কাউকে বা কোনোকিছুকে) নিয়ে যাওয়া।

Source: Oxford Dictionary & Accessible Dictionary.

৮২.
'Dog days' means-
  1. a period of being care-free
  2. hot weather
  3. a period of misfortune
  4. a time when dogs roam the street
ব্যাখ্যা

• Dog days

English Meaning: the hottest period of the year / a period of stagnation or inactivity.
Bangla Meaning: বছরের সবচেয়ে গরম দিন / খারাপ সময় / অচলাবস্থা

Ex. Sentence: The dog days of summer are a difficult period for those who have to work out in the open.
Bangla Meaning: যাদেরকে বাইরে কাজ করতে হয় তাদের জনয় গ্রীষ্মের গরম দিনগুলো খুব কঠিন সময়।

Source: Live MCQ Lecture.

৮৩.
Which of the following words is misspelt?
  1. belief
  2. deciet
  3. preview
  4. receive
ব্যাখ্যা
Correct spelling is: deceit.

"Deceit" refers to the act of deceiving or misleading someone through dishonesty or trickery. It involves intentionally presenting false information or concealing the truth in order to manipulate or gain an advantage over others. Deceit can manifest in various forms, such as lying, cheating, or misleading through omission. It is generally considered unethical or immoral behavior.

Bengali Meaning:
(১) [uncountable noun] কপট; কপটতা; প্রতারণা; প্রবঞ্চনা।
(২) [countable noun] মিথ্যা; ছলনা; কৈতব; শঠতা।

Source: Cambridge Dictionary.
৮৪.
'Frequency' is-
  1. adjective
  2. noun
  3. adverb
  4. verb
ব্যাখ্যা
Frequency (noun)

Meaning: the rate at which something occurs over a particular period of time or in a given sample.
- পুনঃপুন সংঘটন; পৌনঃপুন্য;

plural noun: frequencies.

Source: Oxford Dictionary.
৮৫.
Which of the following is correct?
  1. Do you know where does he lives?
  2. Do you know where he lives?
  3. Do you know where he has been living?
  4. Do you know where he is living?
ব্যাখ্যা
সঠিক বাক্যটি - Do you know where he lives? 
- Do you know where he lives?
- এর অর্থ: আপনি কি জানেন তিনি কোথায় থাকেন?

এখানে Do you know হচ্ছে Principal Clause (Interrogative) আর Where he lives হচ্ছে Know এর Object বিধায় Sub-ordinate Clause (Noun Clause).
Sub-ordinate Clause সর্বদা Assertive Form এ বসে। অর্থাৎ Auxiliary Verb – Subject এর আগে বসবে না।
৮৬.
What is the correct synonym of 'isolation'?
  1. separation
  2. depression
  3. loneliness
  4. aloofness
ব্যাখ্যা
• Isolation- বিচ্ছিন্ন অবস্থা;
Separation- বিচ্ছিন্ন অবস্থা;

অন্যান্য অপশন:
loneliness- একাকিত্ব;
depression- হতাশা;
aloofness- আলাদাভাবে।
৮৭.
'To kick the bucket' means to-
  1. quarrel
  2. die
  3. neglect
  4. begin
ব্যাখ্যা
Kick the bucket (idiom):

English Meaning - to stop living/ to die.
Bangla Meaning - মৃত্যুবরণ করা; অক্কা পাওয়া।

Example Sentence - His children were greedily waiting for him to kick the bucket.   

এছাড়াও, 
Kick one’s heels - অলসভাবে সময় কাটানো।
Kick somebody upstairs - কাউকে পদোন্নতি দিয়ে পথ খোলাসা করা (যাতে তার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়)।
Kick-back - অর্জিত অর্থের জন্য সহায়তাকারীকে প্রদত্ত অংশ।
Kick-start (noun) - মটরসাইকেল স্টার্ট দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত পাদানি। 

Source: Cambridge Dictionary.
৮৮.
What is the adverb of the word 'short'?
  1. Shorter
  2. Shortly
  3. Shorten
  4. Shortness
ব্যাখ্যা
The adverb of the word 'short' is - Shortly.   

• Short (adjective + adverb + noun + verb)
→ The word 'Short' can be used as an adjective, adverb, noun and verb. 

Other forms:
→ Shortly - adverb,
→ Short - adjective,
→ Shorten - verb,
→ Shortness - noun. 

Source: merriam-webster.
৮৯.
Choose the correct preposition of fill in the blank: "The tree has been blown_______ the storm".
  1. away
  2. off
  3. out
  4. up
ব্যাখ্যা
শুন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - away.

- Blow away - এক স্থান থেকে অন্য স্থানে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া (বাতাসে)।
- Blow off - অবস্থান সরানো (বাতাসে)।
- Blow out - আগুন নেভানো।
- Blow up - বিস্ফোরক ব্যবহার করে ধ্বংস করা।

- Complete Sentence: The tree has been blown away by the storm.
৯০.
Fill in the blank with the correct phrase: ______ your shoes before entering the mosque."
  1. put off
  2. put away
  3. put out
  4. put aside
ব্যাখ্যা
Put off = স্থগিত করা, খুলে ফেলা; সন্দেহ, ভয় ইত্যাদি থেকে মুক্ত হওয়া;
Put aside = সঞ্চয় করা;
Put in = দাখিল করা;
Put back = আগের জায়গায় রাখা;
Put on = পরিধান করা;
Put down = বিদ্রোহ দমন করা, লিখে রাখা, জমা করা;
Put up = স্থাপন করা;
Put up with =  সহ্য করা।

সুতরাং, context অনুসারে শূন্যস্থানে 'Put off' বসালে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হবে।
৯১.
Which of the following sentences is correct?
  1. Samad was hanged for murder
  2. Samad has been hanged for murder
  3. Samad has hanged for murder
  4. Samad is hanged for murder
ব্যাখ্যা
• 'Hang' ফাঁসি দেয়া অর্থে এর past form ও past participle form হয় hanged.

• অপরদিকে, Hang কোনো কিছু ঝুলানো বা বস্তু ঝুলানো অর্থে এর past form ও past participle form হয় 'Hung.' 

Context ও Passive Structure অনুযায়ী- এখানে hanged (ফাঁসি দেয়া) হওয়া বাঞ্ছনীয়। অর্থ অনুসারে এই বাক্যটি past indefinite tense এ হবে।  তাই ফাঁসি দেয়া অর্থে সঠিক উত্তর হবে- Samad was hanged for murder.
৯২.
Fine out the correct indirect form of the following direct sentence : Karim said, "I must go home."
  1. Karim said that he will have to go home.
  2. Karim said that he shall have to go home.
  3. Karim said that he had to go home.
  4. Karim said that he must go home
ব্যাখ্যা
• Narration এর ক্ষেত্রে,
• Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের বেলায়:
- Reporting verb এর subject বসে।
- Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে।
- Inverted comma উঠে that বসে।
- Direct speech এ must থাকলে Indirect speech এ had to হয়।
- to এর পর verb এর base form বসবে।
- বাকি অংশ বসবে। 

Direct: Karim said, "I must go home."
Indirect: Karim said that he had to go home.

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
৯৩.
The opposite word of 'dismay'-
  1. anguish
  2. understanding
  3. joy
  4. satisfaction
ব্যাখ্যা
"Dismay" is a noun that refers to a feeling of distress, typically caused by something unexpected or disheartening. It can also be used as a verb, meaning to cause someone to feel distressed or discouraged.

- হতাশার অনুভূতি বা আতঙ্ক

The opposite words of "dismay" include:
- Hearten,
- Cheer,
- Assure,
- Inspire,
- joy.

Source: merriam-webster.
৯৪.
What is the meaning of the word 'putsch'?
  1. baby bear
  2. sweet biscuit
  3. spoiled food
  4. a political overthrow
ব্যাখ্যা
Putsch
- sudden attempt to get rid of a government by force.
- বিপ্লবপ্রচেষ্টা; অভ্যুত্থান।

Sentence: Spectacular changes have taken place at the top since the failed putsch.

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৯৫.
What is the meaning of the word 'petulant'?
  1. unreasonably irritable
  2. courageous
  3. unwilling
  4. destructive
ব্যাখ্যা
• Petulant (adjective)- unreasonably irritable.

Meaning: যুক্তিহীনভাবে অস্থির বা বিরক্তিকর। 

অপশন আলোচনা:
- courageous - সাহসী;
- unwilling- অনিচ্ছুক;
- destructive- ধ্বংসাত্মক।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৯৬.
What is the meaning of the word 'refract'?
  1. repeat
  2. to bend
  3. split
  4. reduce
ব্যাখ্যা
• "Refract" refers to the bending of light, sound, or heat waves as they pass obliquely from one medium into another medium of different density. This bending occurs due to the change in speed of the waves as they move from one medium to another. It's a phenomenon commonly observed when light passes through a transparent object like water or glass, causing objects to appear distorted or shifted.

In simply words- 'To bend'.
Bangla Meaning: বাঁকানো; প্রতিসৃত করা।

Source: Cambridge Dictionary. 
৯৭.
What is the adjective of the word 'tax'?
  1. taxation
  2. taxing
  3. taxable
  4. taxability
ব্যাখ্যা
• Tax (noun) - কর; খাজনা।

• Tax (verb transitive) - করারোপ করা, বোঝা চাপানো; চাপ দেওয়া।

• Taxable (adjective)- করারোপযোগ্য।

• Taxation (noun)- করারোপের মাধ্যমে অর্থসংগ্রহ প্রদানযোগ্য করের পরিমাণ। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Accademy.
৯৮.
Choose the correct alternative: "He had a _______ of fever."
  1. serious attack
  2. strong attack
  3. severe attack
  4. bad attack
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: He had a severe attack of fever.

Severe
- English Meaning: causing very great pain, difficulty, worry, damage, etc.; very serious.
- Bangla Meaning: তীব্র, কঠোর। সাধারণত আবহাওয়া ও রোগের অবস্থা বুঝাতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
 
সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - severe attack.
৯৯.
"Bull market" means share prices are-
  1. falling
  2. static
  3. rising
  4. changing
ব্যাখ্যা
Bull market: 
English Meaning - A time when the prices of most shares are rising.
Bangla Meaning - একটি বাজার পরিস্থিতি যেখানে সাধারণতঃ শেয়ারের মানসমূহের উর্ধ্বগতি দেখা যায়। 
 
তাই, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - Rising. 
 
Source: Cambridge Dictionary. 
১০০.
Which century was the victorian century?
  1. 17th century
  2. 18th century
  3. 19th century
  4. 20th century
ব্যাখ্যা
The Victorian period: [1832-1901]
- 19th century of English literature refers to - The Victorian Period.
- 1832–1901- time frame is known as the ‘Victorian Period’ in English Literature.
- এই যুগটি Queen Victoria 'র নামে নামকরণ করা হয়।
- Queen Victoria যদিও 1837 সালে ক্ষমতায় আসে কিন্তু এই যুগটির সূচনা হয় 1832 সালে।
- এর কারণ হলো 1832 সাল থেকেই সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যে আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- Fabian Society was founded in 1883 to avoid violence in class-struggle.
- G.B. Shaw was one of the members of the Fabian Society.

• Victorian period মোট ২টি সময়কালে বিভক্ত। যেমন:
- The Pre-Raphaelites: (1848-1860);
- Aestheticism & Decadence: (1880-1901).