পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলীঃ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূপ্রকৃতি, বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৪৭ এর দেশ ভাগ পর্যন্ত)। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC বোর্ড বই। [শিক্ষক নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্নে ২ নভেম্বর থেকে Job Solution বাটনে নিয়মিত পরীক্ষা হচ্ছে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
সমতটের রাজধানী ছিল-
  1. ক) বড় কামতা
  2. খ) ছোট কামতা
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
ক) বড় কামতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বড় কামতা
ব্যাখ্যা
প্রাচীন যুগে বাংলা জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম সম্মৃদ্ধ জনপদ ছিল সমতট।
যারা অধিভূক্ত ছিল বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চল। এই অঞ্চলের রাজধানী ছিল বড় কামতা।
উৎস-বাংলাপিডিয়া।
.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বশেষ বাংলায় এসেছিলেন-
  1. ক) পর্তুগিজরা
  2. খ) ইংরেজরা
  3. গ) ফরাসিরা
  4. ঘ) ওলন্দাজরা
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরাসিরা
ব্যাখ্যা
১৪৯৮ সালের ২৭মে দুঃসাহসিক পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করে তিনটি বাণিজ্য তরী নিয়ে ভারতের পশ্চিম উপকূলে কালিকট বন্দরে আগমন করেন। তারা ১৫১৬ সালে প্রথম বাংলায় আসেন।
এরপর ১৬৩০ সালে ওলন্দাজরা, ১৬৫৮ সালে ইংরেজরা এবং সবশেষে ১৬৭৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করে।
উৎস - বাংলাপিডিয়া।
.
কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা ছিল কে?
  1. ক) কৈবর্ত
  2. খ) অশোক
  3. গ) দিব্য
  4. ঘ) কানু কৈবর্ত
সঠিক উত্তর:
গ) দিব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দিব্য
ব্যাখ্যা
রাজা দ্বিতীয় মহিপালের (৯৯৫-১০৪৩) শাসনামলে কৈবর্ত বিদ্রোহ হয়। অনেকে শুধু জেলে সম্প্রদায়কে কৈবর্ত বললেও প্রকৃতপক্ষে জেলে, কৃষক এবং শ্রমজীবী মানুষকে সাধারণত কৈবর্ত বলা হতো।
পাল রাজাদের এক সামন্ত দিব্যর নেতৃত্বে কৈবর্তরা রাজ্যের বরেন্দ্রীয় অংশ দখল করে নেয়।
রাজা দ্বিতীয় মহীপাল কৈবর্তবাহিনীকে আক্রমন করতে দিয়ে নিজে নিহত হন।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
.
‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার কোন সময়কে নির্দেশ করে?
  1. ক) ৫ম - ৬ষ্ঠ শতক
  2. খ) ৬ষ্ঠ - ৭ম শতক
  3. গ) ৭ম - ৮ম শতক
  4. ঘ) ৮ম - ৯ম শতক
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম - ৮ম শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ম - ৮ম শতক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্কের পর দীর্ঘদিন বাংলায় কোন যোগ্য শাসক ছিল না। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দেয়।
সামন্ত রাজারা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় অস্ত্র হাতে ঝাঁপিয়ে পড়তে থাকেন। অরাজকতাপূর্ণ সময় (৭ম - ৮ম) কে পাল তাম্র শাসনে আখ্যায়িত করা হয়েছে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে। পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা 'গোপাল' এর শাসনামলে এই মাৎস্যন্যায় এর অবসান ঘটে ও শৃঙ্খলা ফিরে আসে।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
কোন শাসক ভারতে মুসলিম শাসন স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) মুহম্মদ বিন কাসিম
  2. খ) সুলতান মাহমুদ গজনী
  3. গ) মুহম্মদ ঘুরী
  4. ঘ) কুতুবউদ্দিন আইবেক
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুতুবউদ্দিন আইবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুতুবউদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা
কুতুবইদ্দিন আইবেক মুহম্মদ ঘুরীর একজন ক্রীতদাস হিসেবে জীবন শুরু করেন। তিনি ঘুরীর অনুমতিক্রমে ভারত বিজয়ের পর দিল্লিতে মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন করেন।
উপমহাদেশে স্থায়ী মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আইবেক। দানশীলতার জন্য তাকে ‘লাখবক্স’ বলা হত।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
‘Parrot of India’ বা 'তোতা-ই-হিন্দ' বলা হয় কাকে?
  1. ক) তানসেনকে
  2. খ) আমীর খসরুকে
  3. গ) আবুল ফজলকে
  4. ঘ) গালিবকে
সঠিক উত্তর:
খ) আমীর খসরুকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমীর খসরুকে
ব্যাখ্যা

১) তানসেনকে সঙ্গীত সম্রাট বলা হয়। তার একমাত্র উপাধি ছিল "মিয়া", মানে হল জ্ঞানী ব্যাক্তি।
২) আমীর খস্রু কে বলা হয় "Parrot of India" তোতা-ই-হিন্দ।
৩) বিখ্যাত নেত্রী সরোজিনী নাইডু, তিনি বিশিষ্ট কবিও ছিলেন। তাঁর রচিত কবিতা সংগ্রহ The Golden Threshold ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সাধারণ্যে ‘বুলবুলে হিন্দ’ খেতাবে বিভূষিত হন।
১৯০৮ সালে হায়দ্রাবাদে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কায়সার-ই-হিন্দ স্বর্ণপদক প্রদান করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।

.
দিল্লী থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে?
  1. ক) সম্রাট আকবর
  2. খ) সুলতান ইলিয়াস শাহ
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) মুহম্মদ বিন তুগলক
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুহম্মদ বিন তুগলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুহম্মদ বিন তুগলক
ব্যাখ্যা
রাজ্য শাসনের প্রত্যক্ষ অসুবিধা দূর করার জন্য মুহম্মদ বিন তুগলক ১৩২৬ - ২৭ খ্রিষ্টাব্দে সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় রাজধানী দিল্লী থেকে দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন। তবে নানাবিধ কারনে তিনি আবার রাজধানী দেবগিরি থেকে দিল্লীতে আনেন।
মুহম্মদ বিন তুগলক সোনা ও রূপার মুদ্রার পরিবর্তে প্রতীকী তামার মুদ্রা প্রচলন করে মুদ্রামান নির্ধারণ করে দেন। তবে এ পরিকল্পনাও পরিত্যাগ করতে হয় । কেননা তাম্র মুদ্রা জাল হতে শুরু করে।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
বিখ্যাত ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক’ রোড কোন কোন শহরকে সংযুক্ত করেছে?
  1. ক) চট্রগ্রাম থেকে লাহোর
  2. খ) দাউদকান্দি থেকে করাচি
  3. গ) সোনারগাঁও থেকে ইসলামাবদ
  4. ঘ) সোনারগাঁও থেকে লাহোর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনারগাঁও থেকে লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনারগাঁও থেকে লাহোর
ব্যাখ্যা
চৌসারের যুদ্ধে (১৫৩৯) হুমায়ুনকে পরাজিত করে শেরখান (শেরশাহ) নিজেকে বিহারের স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন। ১৫৪০ সালে তিনি বাংলা দখল করে নেন।
তিনি বাংলাদেশের সোনারগাঁও থেকে লাহোর পর্যন্ত ২৭০০ কি.মি (১৭০০ মাইল) দীর্ঘ একটি মহাসড়ক ‘সড়ক-ই-আজম’ নির্মান করেন।
পরবর্তীতে ইংরেজগণ এ রাস্তা সংস্কার করে নাম দেয় ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক’ রোড।
এছাড়াও শেরশাহ ‘ঘোড়ার ডাক’ এবং কবুলিয়ত ও পাট্টা প্রথার প্রচলন করেন। তিনি ‘দাম’ নামক রূপার মুদ্রার প্রচলন করেন।
উৎস-বাংলাপিডিয়া।
.
৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়-
  1. ক) চট্টগ্রামকে
  2. খ) সিলেটকে
  3. গ) বাগেরহাটকে
  4. ঘ) রাজশাহীকে
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেটকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেটকে
ব্যাখ্যা
সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজশাহের শাসনামলে হযরত শাহ জালাল (র.) ৩৬০ জন আউলিয়া (শিষ্য) সহ বাংলাদেশে আসেন।
এজন্য সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
রাজা গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করে হযরত শাহজালাল সিলেটে ইসলাম প্রচার করেন। তার সাথে ছিল তার ভাগ্নে বিখ্যাত সুফী শাহ পরান র.।
আবার চট্টগ্রামকে ১২ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ড বই, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
পলাশীর যুদ্ধে কে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেনি?
  1. ক) মীরজাফর
  2. খ) মীরমদন
  3. গ) রায় দুর্লভ
  4. ঘ) ইয়ার লতিফ
সঠিক উত্তর:
খ) মীরমদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মীরমদন
ব্যাখ্যা
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলার সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ হয় । যুদ্ধক্ষেত্রে নবাবের সেনাপতি মীরজাফর, জগৎশেঠ, রায় দুর্লভ, ইয়ারলতিফ, উমিচাঁদ প্রমূখ তাদের সৈন্যবাহিনীসহ নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে ইংরেজদের জয়ের সুযোগ করে দেয়।
তবে মীরমদন, মোহনলাল প্রমুখ দেশপ্রেমিক সৈনিকগণ ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রাণপণে যুদ্ধ করেন এবং ইংরেজদের গোলার আঘাতে মীরমদনের মৃত্যু হয়।
নবাব পরাজিত ও নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।
পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনাদের একটি দল 'সিনফ্রে'র সেনাপতিত্বে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী।
১১.
উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা হয় -
  1. ক) কানপুর
  2. খ) মীরাট
  3. গ) ব্যারাকপুর
  4. ঘ) পাঞ্জাব
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যারাকপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যারাকপুর
ব্যাখ্যা

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম নামে অভিহিত করা হয় - সিপাহী বিদ্রোহকে।
১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ এই বিদ্রোহের সূচনা হয় পশ্চিম বঙ্গের 'ব্যারাকপুর' - এ। 'মঙ্গল পান্ডে' নামে এক সিপাহী গুলি ছুড়ে এই বিদ্রোহের সূচনা করেন।
দ্রুত এই বিদ্রোহ মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী - এই বিদ্রোহে সামিল হয়।
পরবর্তীতে সিপাহীরা পরাজিত হয়। বিদ্রোহী এসব সিপাহীদের বেশিরভাগকেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। ১৮৫৮ সালের জুলাইয়ের মধ্যে এই বিদ্রোহ ও আন্দোলন শেষ হয়ে যায়।
এই বিদ্রোহের ফলে ব্রিটিশ সরকার ভারত বর্ষের শাসন নিজেদের হাতে তুলে নেয় এবং কোম্পানী শাসনের অবসান হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী।

১২.
‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বা মহাদুর্ভিক্ষ হয় ইংরেজি -
  1. ক) ১১৭৬ সালে
  2. খ) ১১৭০ সালে
  3. গ) ১৭৭০ সালে
  4. ঘ) ১৭৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৭০ সালে
ব্যাখ্যা
রবার্ট ক্লাইভের দ্বৈতশাসন নীতি এবং ইংরেজ কর্মচারীদের অত্যাচার, উৎপীড়ন এবং শোষনের ফলে বাংলার জনসাধারণের অবস্থা ক্রমশ শোচনীয় হয়ে যায় এবং ১১৭০ সালে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে গেলে বাংলায় প্রচন্ড খাদ্যাভাব দেখা দেয়।
এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় ১ কোটি লোক মারা যায় । বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজী - ১৭৭০ সাল ) সংঘটিত এই দুর্ভিক্ষ "ছিয়াত্তরের মন্বন্তর" নামে পরিচিত।
এই সময় বাংলার গভর্ণর ছিল লর্ড কার্টিয়ার।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
ইস্ট - ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতা লাভের পর সর্বপ্রথম যে বিদ্রোহ হয় -
  1. ক) চাকমা বিদ্রোহ
  2. খ) ফকির - সন্ন্যাসী আন্দোলন
  3. গ) বারাসাত বিদ্রোহ
  4. ঘ) নীল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
খ) ফকির - সন্ন্যাসী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফকির - সন্ন্যাসী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ইস্ট - ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতা লাভের পর সর্বপ্রথম ফকির - সন্ন্যাসী বিদ্রোহ হয়েছিল। ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত মজনু শাহের নেতৃত্বে ফকির আন্দোলন ও ভবানী পাঠকের নেতৃত্বে সন্ন্যাসী আন্দোলন যৌথভাবে চলতে থাকে।
এছাড়া ১৭৭৭ সালে জোয়ান বকসের নায়েব রাণু খান এর নেতৃত্বে চাকমা বিদ্রোহ, তিতুমীর এর নেতৃত্বে বারাসত বিদ্রোহ এবং নীল চাষিদের যৌথ চেষ্টায় ১৮৬০ সালে নীল বিদ্রোহ হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী।
১৪.
‘ফ্লাউড কমিশন’ মূলত কী সংক্রান্ত সংস্কারে কাজ করে -
  1. ক) রাজনীতি
  2. খ) অর্থনীতি
  3. গ) সমাজনীতি
  4. ঘ) জমিদারী প্রথা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জমিদারী প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জমিদারী প্রথা
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা একে ফজলুল হক বিনা ক্ষতিপূরনে জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য ১৯৩৮ সালে যে কমিশন গঠন করে তা ‘ফ্লাউড কমিশন’ নামে পরিচিত।
১৯৩৮ সালে হক মন্ত্রীসভা বঙ্গীয় প্রজাসত্ব আইন সংশোধন করে জমিদারদের অধিকার হৃাস এবং কৃষকদের অধিকার বৃদ্ধির চেষ্টা করেন।
উৎস - বাংলাপিডিয়া।
১৫.
প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কতসালে উপমহাদেশে ক্রিপস কমিশন প্রেরণ করেন?
  1. ক) ১৯৪১
  2. খ) ১৯৪২
  3. গ) ১৯৪৩
  4. ঘ) ১৯৪৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪২
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বৃটিশ সরকারের পক্ষ থেকে স্যার স্টাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ১৯৪২ সালে ‘ক্রিপস কমিশন’ উপমহাদেশে আসে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান মিত্র পক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগদান করলে জাপানি আক্রমনের বিরুদ্ধে এ দেশীয় সাহায্য সহযোগীতা লাভের জন্য চার্চিল এ কমিশনকে ভারতে প্রেরণ করে।
উৎস - বাংলাপিডিয়া।
১৬.
মুজিব-ইন্দিরা ইউনিয়নটি কোন জেলায় অবস্থিত
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) কুড়িগ্রাম
  3. গ) নীলফামারি
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
খ) কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
মুজিব-ইন্দিরা ইউনিয়ন কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত। ২০১৫ সালের ১ আগষ্ট (৩১ জুলাই মধ্যরাতে) ছিটমহল বিনিময়ের পূর্বে এর নাম ছিল ‘দাশিয়ারছড়া’ ছিটমহল।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
১৭.
হবিগঞ্জের বাল্লা স্থলবন্দরের ভারতীয় অংশের নাম কি ?
  1. ক) পেট্রোপোল
  2. খ) ডাউকি
  3. গ) বিলোনিয়া
  4. ঘ) খোয়াই
সঠিক উত্তর:
ঘ) খোয়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খোয়াই
ব্যাখ্যা
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে অবস্থিত বাল্লা স্থলন্দরের ভারতীয় অংশের নাম খোয়াই, যা ত্রিপুরা জেলায় অবস্থিত।
এছাড়া পেট্রোপোল, ডাউকি ও বিলোনিয়ার স্থলবন্দরের বাংলাদেশী নাম যথাক্রমে বেনাপোল, তামাবিল এবং বিলোনিয়া।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ ও সরকারি ওয়েবসাইট।
১৮.
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা অভিন্ন নদী নয় কোনটি?
  1. ক) সাঙ্গু
  2. খ) মাতামুহুরী
  3. গ) নাফ
  4. ঘ) টাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাঙ্গন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আন্তর্জাতিক বা আন্তসীমান্ত নদী ৫৭টি।
এর মধ্যে ভারতের সাথে বাংলাদেশের অভিন্ন নদী ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সাথে অভিন্ন নদী ৩টি।
মিয়ানামার থেকে বাংলাদেশে আসা অভিন্ন নদী তিনটি হচ্ছে সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও নাফ। টাঙ্গন ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন নদী।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৯.
নিচের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) অতিক্রম করেনি?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) নারায়নগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) অতিক্রম করেছে।
চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি, ও রাঙ্গামাটি জেলার ওপর দিয়ে এ রেখা অতিক্রম করেছে।
অন্যদিকে বরিশাল, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার ওপর দিয়ে ৯০° দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে।
উৎসঃ ভূগোল বোর্ড বই, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।