পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭৮
সিলেবাস
Exam - 5 Full Model Test-1 Topic: • BAR Council Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৮ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধি ৫৯ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে গ্রেফতারকৃত দেনাদারকে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে?
  1. তার বয়সের কারণে
  2. তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে
  3. যদি সে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে
  4. যদি সে তার সম্পত্তি জামিন হিসেবে প্রদান করে
সঠিক উত্তর:
তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে।
দেওয়ানী কার্যবিধি ৫৯ ধারার বিধান অসুস্থতার দরুন মুক্তি (Release on ground of illness):
১) কোন রায় সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতার করার জন্য পরোয়ানা জারির পর যে কোন সময় তার গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালত তা নাকচ করতে পারেন।
২) রায়সিদ্ধ দেনাদারকে গ্রেফতারের পর আদালত যদি মনে করেন যে, স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় ঐ ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখা চলে না, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

৩) দেওয়ানি জেলে আটক রায়সিদ্ধ দেনাদার নিম্নলিখিত উপায়ে মুক্তি পেতে পারে-
ক) কোন সংক্রামক বা ক্ষতিকারক রোগের দরুন সরকার তাকে মুক্তি দিতে পারেন; বা
খ) উক্ত ব্যক্তির গুরুতর অসুস্থতার দরুন সোপর্দকারী আদালত বা তা যে আদালতের অধীনস্ত তদ্রূপ কোন আদালত তাকে মুক্তি দিতে পারেন।
৪) এই ধারার অধীনে মুক্তিপ্রাপ্ত রায়সিদ্ধ দেনাদারকে পুনরায় গ্রেফতার করা যেতে পারে, কিন্তু উক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি জেলে আটক রাখার মোট মেয়াদ গড়ে ৫৮ ধারায় উল্লেখিত মেয়াদের অধিক হবে না।
-------------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 59. Release on ground of illness.
(1) At any time after a warrant for the arrest of a judgment-debtor has been issued the Court may cancel it on the ground of his serious illness.
(2) Where a judgment-debtor has been arrested, the Court may release him if, in its opinion, he is not in a fit state of health to be detained in the civil prison.
(3) Where a judgment-debtor has been committed to the civil prison, he may be released therefrom-
(a) by the Government, on the ground of the existence of any infectious or contagious disease, or
(b) by the committing Court, or any Court to which that Court is subordinate, on the ground of his suffering from any serious illness.

(4) A judgment-debtor released under this section may be re-arrested, but the period of his detention in the civil prison shall not in the aggregate exceed that prescribed by section 58.
.
দেওয়ানি আদালত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে।
অর্থাৎ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act,1887 এর ৩ ধারায় ৫ প্রকার দেওয়ানি আদালতের কথা উল্লেখ আছে।
- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেওয়া হয়েছে-
১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা কখন প্রয়োগ করতে পারে?
  1. আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে
  2. আদালতের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করতে
  3. ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে
  4. দেওয়ানি আদালতের যেকোন বিচার করতে
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)।
---------- 
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ ধারা দেওয়ানি আদালতের কোন এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক এখতিয়ার
  2. স্থানীয় এখতিয়ার
  3. বিষয়ভিত্তিক এখতিয়ার
  4. বিশেষ এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে ১৫ ধারায় আদালতের বিবেচ্য বিষয় আদালতের আর্থিক এখতিয়ার।
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"
অর্থাৎ, প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে।
সুতরাং, কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 15. Court in which suits to be instituted.
 Every suit shall be instituted in the Court of the lowest grade competent to try it.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২-এর ৯ক বিধির আওতায়, মোকদ্দমা বাতিলের আদেশ সরাসরি বাতিলের আবেদনে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের আদেশ করতে পারে?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৪০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ (Directly setting aside abatement or dismissal): বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
- Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতা মাধ্যমে সমঝোতা হলে আদালত প্রতিবেদন প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।
- মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে।
অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে।
- উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
----------
The Code of Civil Procedure, 1908 section-89A (5) The Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, shall, without violating the confidentiality of the parties to the mediation proceedings, submit to the court a report of result of the mediation proceedings; and if the result is of compromise of the dispute or disputes in the suit, the terms of such compromise shall be reduced into writing in the form of an agreement, bearing signatures or left thumb impressions of the parties as executants, and signatures of the pleaders, if any, and the Legal Aid Officer or mediator, as the case may be, as witnesses; and the Court shall, within seven days from receiving the said report, pass an order or a decree in accordance with relevant provisions of Order XXIII of the Code.
 
(6) When the Court itself mediates, it shall prepare a report and pass an order in the manner to that as stated in sub-section (5).
.
আপীল যোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৪১
  2. ৪৩
  3. ৪৬
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪ অনুযায়ী আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
⇒ আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

- সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না। তবে, যদি আদেশটি আপীলযোগ্য আদেশ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।
- দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এবং ধারা ১০৪-এ আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা প্রদান করা হয়েছে।
- এই বিধানগুলো নির্ধারণ করে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার সুযোগ রয়েছে।
- আদেশ ৪৩-এ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আপীল যোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে ২৫টি আপীল যোগ্য আদেশের কথা উল্লেখ আছে।
- ধারা ১০৪-এ কিছু নির্দিষ্ট আদেশ উল্লেখ করা হয়েছে যা আপীলযোগ্য।
- যে আদেশগুলো আপীল যোগ্য নয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র রিভিশন বা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) জন্য আবেদন করা যায়।
- আপীলযোগ্য আদেশগুলো আইনত নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী হতে হবে, এবং সংশ্লিষ্ট আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. নারীর বয়সের উপর
  2. নারীর আয়ের উপর
  3. নারীর শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর
  4. নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩২ ধারায় নারীদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতির বিধান  "নারীর সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির উপর" উপর নির্ভর করে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারায় কতিপয় স্ত্রী লোকের ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতির বিধান রয়েছে।
- প্রথা অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে হতে বাধ্য করা যায় না সেই সকল মহিলা আদালতে হাজিরা থেকে অব্যাহতি পাবেন।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩২ ধারার বিধান: কতিপয় মহিলার ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি:-
১) দেশের প্রথা ও রীতি অনুযায়ী যে সকল মহিলাকে জনসমক্ষে উপস্থিত হওয়ার জন্য বাধ্য করা উচিত নয়, উক্তরূপ মহিলা ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হতে অব্যাহতি পাবে।
২) এই আইন অনুসারে কোন মহিলাকে গ্রেফতারের ব্যাপারে যেক্ষেত্রে কোন নিষিদ্ধতা নেই, সেক্ষেত্রে দেওয়ানি পরোয়ানা জারিতে গ্রেফতার হতে উক্তরূপ মহিলা অব্যাহতি পাবে বলে এখানে উল্লিখিত কোন কিছু হতে বিবেচনা করা যাবে না।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section: 132. Exemption of certain women from personal appearance.
(1) Women who, according to the customs and manners of the country, ought not to be compelled to appear in public shall be exempt from personal appearance in Court.
(2) Nothing herein contained shall be deemed to exempt such women from arrest in execution of civil process in any case in which the arrest of women is not prohibited by this Code.
.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে-
  1. আদেশ-১২ বিধি-১
  2. আদেশ-১২ বিধি-২
  3. আদেশ-১২ বিধি-৪
  4. আদেশ-১২ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১২ বিধি-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১২ বিধি-৬
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ তে "Judgment on admissions" এর বিধান রয়েছে।
আদেশ ১২ বিধি ৬: স্বীকারোক্তির উপর রায়-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যে-রূপ সংগত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।
---------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 12 Rule 6: Judgment on admissions-
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১০.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. স্বত্বের বিরোধ
  2. কৃষি জমির ভাড়া
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
১১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিচের কোন বিধানের অধীনে প্রদত্ত আদেশটি আপিলযোগ্য নয়?
  1. আদেশ-৩৯ বিধি-২
  2. আদেশ-৮ বিধি-১০
  3. আদেশ-১০ বিধি-৭
  4. আদেশ-১৬ বিধি-২০
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১০ বিধি-৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১০ বিধি-৭
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী আদেশ-১০ বিধি-৭ এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য আদেশ নয়।

⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ নং ৪৩ এ আপিলযোগ্য আদেশের তালিকা দেওয়া হয়েছে, আদেশ ১০ বিধি-৭ উক্ত তালিকায় নাই। কিন্তু আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-১৬ বিধি-২০, আদেশ-৩৯ বিধি-২উক্ত তালিকায় আছে।
- আদেশ ৪৩-এ মোট ২৫ টি আদেশকে আপিলযোগ্য আদেশ মর্মে বলা হয়েছে। এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
১২.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী "অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা" কী ধরনের পদক্ষেপে সাহায্য করে?
  1. সম্পত্তির বিক্রি বা সরানো বন্ধ করা।
  2. সম্পত্তির নষ্ট হওয়া বা ক্ষতি রোধ করা।
  3. চুক্তির লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি রোধ করা।
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 এর  আদেশ ৩৯ বিধি-১: যে সকল ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যায়:
- যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় শপথপত্র দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে প্রমাণিত হয় যে
ক) কোন মোকদ্দমায় বিরোধীয় কোন সম্পত্তি মোকদ্দমার কোন পক্ষ কর্তৃক অপচয়, ক্ষতিগ্রন্থ বা হস্তান্তরিত হওয়ার বা কোন ডিক্রি জারিতে অন্যায়ভাবে বিক্রয় হওয়ার ঝুকির সম্মুখীন; অথবা
খ) বিবাদি তার পাওনাদারকে প্রতারিত করার উদ্দেশ্যে তার সম্পত্তি অপসারণ বা হস্তান্তর করার হুমকি বা ইচ্ছা প্রকাশ করতেছে, সেক্ষেত্রে আদালত অনুরূপ কার্য রোধ করার জন্য আদেশ দিয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, অথবা মোকদ্দমা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বা পুনরাদেশ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তি অপচয়, ক্ষতিগ্রস্থ করণ, হস্তান্তর, বিক্রয়, অপসারণ বা সমর্পণ করতে স্থগিত ও বারণ করার উদ্দেশ্যে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারে।
------------
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-১: যেসব ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যেতে পারে:
১. যখন কোনো মামলায় প্রমাণিত হয় যে:
(ক) মামলা সংশ্লিষ্ট কোনো সম্পত্তি নষ্ট, ক্ষতিগ্রস্ত বা বিক্রি হয়ে যেতে পারে, অথবা
(খ) প্রতিপক্ষ তার সম্পত্তি সরানোর বা বিক্রি করার মাধ্যমে তার ঋণদাতাদের প্রতারণা করার পরিকল্পনা করে, তখন আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যাতে সম্পত্তির নষ্ট, ক্ষতি, বিক্রি, সরানো বা অন্য কোনোভাবে পরিবর্তন বন্ধ রাখা যায়, যতক্ষণ না মামলার নিষ্পত্তি হয় বা পরবর্তী আদেশ দেওয়া না হয়।

চুক্তির লঙ্ঘন বা ক্ষতির পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধের জন্য নিষেধাজ্ঞা:
২. যখন কোনো চুক্তি বা অন্য কোনো ক্ষতির জন্য প্রতিপক্ষকে বিরত রাখতে নিষেধাজ্ঞা চাইতে হয়:
(১) যদি বাদী প্রতিপক্ষকে চুক্তির লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি করতে বাধা দিতে চায়, তাহলে সে মামলা শুরু হওয়ার পর যেকোনো সময়, বিচারাধীন বা পরবর্তী সময়ে আদালতের কাছে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আবেদন করতে পারে, যাতে প্রতিপক্ষ চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোনো ক্ষতি না করে, বা একই ধরনের নতুন ক্ষতি না ঘটে।
(২) আদালত এই নিষেধাজ্ঞা প্রদানে শর্ত দিতে পারে, যেমন নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা, হিসাব রাখা, সুরক্ষা প্রদান বা অন্য কোনো শর্ত।
(৩) যদি কেউ এই শর্ত ভঙ্গ করে, আদালত তার সম্পত্তি আটকাতে পারে এবং তাকে সিভিল কারাগারে ছয় মাস পর্যন্ত আটক রাখতে পারে, যদি না আদালত তার মুক্তির আদেশ দেয়।
(৪) যদি এক বছরের মধ্যে শর্ত ভঙ্গ অব্যাহত থাকে, আদালত আটকানো সম্পত্তি বিক্রি করতে পারে এবং বিক্রয়ের টাকা থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে। বাকি টাকা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে দেওয়া হবে।
------------------
The Code of Civil Procedure, 1908, Order XXXIX, Rule 1:  Temporary Injunctions: 
- Cases in which Temporary Injunction may be granted:
Where in any suit it is proved by affidavit or otherwise: (a) That any property in dispute in a suit is in danger of being wasted, damaged, or alienated by any party to the suit, or wrongfully sold in execution of a decree; or
(b) That the defendant threatens, or intends, to remove or dispose of his property with a view to defraud his creditors,
the Court may, by order, grant a temporary injunction to restrain such act, or make such other order for the purpose of staying and preventing the wasting, damaging, alienation, sale, removal, or disposition of the property, as the Court thinks fit, until the disposal of the suit or until further orders.

The injunction to restrain repetition or continuance of breach:
(1) In any suit for restraining the defendant from committing a breach of contract or other injury of any kind, whether compensation is claimed in the suit or not, the plaintiff may, at any time after the commencement of the suit, and either before or after judgment, apply to the Court for a temporary injunction to restrain the defendant from committing the breach of contract or injury complained of, or any breach of contract or injury of a like kind arising out of the same contract or relating to the same property or right.
(2) The Court may, by order, grant such injunction, on such terms as to the duration of the injunction, keeping an account, giving security, or otherwise, as the Court thinks fit.
(3) In case of disobedience or breach of any such terms, the Court granting an injunction may order the property of the person guilty of such disobedience or breach to be attached, and may also order such person to be detained in the civil prison for a term not exceeding six months, unless in the meantime the Court directs his release.
(4) No attachment under this rule shall remain in force for more than one year, at the end of which time, if the disobedience or breach continues, the property attached may be sold, and out of the proceeds, the Court may award such compensation as it thinks fit, and shall pay the balance, if any, to the party entitled thereto.
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধিতে কোথায় তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার নিয়োগের বিধান আছে?
  1. আদেশ ৩৮
  2. আদেশ ৪০
  3. আদেশ ৪১
  4. আদেশ ৪৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪০
ব্যাখ্যা
⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
- অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।  রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৪০ [ORDER - XL] এর বিধি-১ অনুযায়ী রিসিভার নিয়োগ দেয়া হয়-
(১) আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া-
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন;
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপদ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্ৰহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
(২) কোন ব্যক্তিকে সম্পত্তির দখল ও জিম্মাদারী হতে অপসারণের জন্য যাকে মামলার কোন একটি পক্ষের অনুরোপভাবে অপসারণের বর্তমান অধিকার নাই, অত্র বিধির কোন কিছু আদালতকেও উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ অপসারণের ক্ষমতা দিবে না।
১৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী "বিচার্য বিষয়" কত প্রকার?
  1. এক প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. তিন প্রকার
  4. চার প্রকার
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ আদেশ ১৪ বিধি-১ বিচার্য বিষয় প্রণয়ন:
(১) যখন কোন ঘটনার বা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একপক্ষ দুঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।
(২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলতে আইনগত বা তথ্যসংক্রান্ত সেই সমস্ত বিষয় বুঝাবে, বাদী কর্তৃক তার মামলা করার অধিকার প্রতিপন্ন করার জন্য যে বিষয়ে অভিযোগ আনয়ন করতে হবে, অথবা বিবাদী কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য যে বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে।
(৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করে।
(৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকার : ক) তথ্যগত বা ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইনগত বিচার্য বিষয়।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14. Framing of issues:
(1) Issues arise when a material proposition of fact or law is affirmed by the one party and denied by the other.
(2) Material propositions are those propositions of law or fact which a plaintiff must allege in order to show a right to sue or a defendant must allege in order to constitute his defence.
(3) Each material proposition affirmed by one party and denied by the other shall form the subject of a distinct issue.
(4) Issues are of two kinds: (a) issues of fact, (b) issues of law.
১৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না -
  1. দণ্ডমূলক প্রতিকারে
  2. চুক্তি নয় এমন প্রতিকারে
  3. রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রতিকারে
  4. উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত তিনটি ক্ষেত্রেই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না। 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪ ধারামতে কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
i) চুক্তি নয় এমন কোন অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকারে, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইনের অধীন প্রতিকারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৭ ধারামতে দণ্ডমূলক আইন (Penal Laws) বলবৎ বা কার্যকর করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
- অর্থাৎ দণ্ডমূলক আইনের (Penal Laws) ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।

 ⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (Specific Relief Act) এর ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের পদ্ধতিগুলো নিম্নরূপ:
১) দখল প্রদান: সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদান।
২) বাধ্যকরণ আদেশ: কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করতে বাধ্য করার আদেশ।
৩) নিষেধাজ্ঞা আদেশ: কোনো পক্ষকে নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত রাখার আদেশ।
৪) ঘোষণামূলক রায়: ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে।
৫) রিসিভার নিয়োগ: সম্পত্তি বা বিষয়ের তত্ত্বাবধানের জন্য রিসিভার নিয়োগ।

- এই ৫টি উপায় সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের জন্য প্রযোজ্য।
১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী ঘোষণামূলক ডিক্রি কাদের উপর বাধ্যকর হবে না?
  1. মোকদ্দমার পক্ষগণ
  2. পক্ষগণের দাবীদার
  3. পক্ষগণের জিম্মাদার
  4. পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষ
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ ছাড়া তৃতীয় পক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান ঘোষণার ফলাফল:
- এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবীদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে এবং পক্ষগণের জিম্মাদারের উপরও বাধ্যকর হবে।
- কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ পক্ষগণ ছাড়া কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবেনা।
-------------
⇒ Specific Relief Act- Section 43 -Effect of declaration:- A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.

Illustration:
- A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
১৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা হয়?
  1. চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য
  2. ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য
  3. বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধের জন্য
  4. আদালতের রায় কার্যকর করার জন্য
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা "বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধের জন্য" মঞ্জুর করা হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
------------
⇒Specific Relief Act- Section 55- Mandatory injunctions:
- When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
১৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের জন্য আদালত কিসের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. দলিলের নির্দিষ্ট শর্ত
  2. দলিলের ভাষা এবং তার ব্যাখ্যা
  3. দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
  4. দলিলের স্বাক্ষরের তারিখ
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের উদ্দেশ্য এবং ফলাফল
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারায় দলিল সংশোধনের মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এ ধারা অনুযায়ী দলিল সংশোধনের সময় আদালত নিম্নের বিষয় অনুসন্ধান করতে পারেন:
- দলিলের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং দলিলের ফলাফল কী।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৩ ধারার বিধান: সংশোধনের মূলনীতিসমূহ:
- লিখিত দলিল সংশোধন করার সময় আদালত অনুসন্ধান করতে পারেন, কি অর্থ বহন করা দলিলের অভিপ্রেত ছিল এবং চুক্তির বৈধ ফলাফল সম্পর্কে অভিপ্রায় কি ছিল, শুধুমাত্র দলিলের ভাষা কী হতে চেয়েছিল, এ বিষয়ে অনুসন্ধানে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
------------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 33. Principles of rectification:
-In rectifying a written instrument, the Court may inquire what the instrument was intended to mean, and what were intended to be its legal consequences, and is not confined to the inquiry what the language of the instrument was intended to be.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ:
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৭ দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৮ রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৯ ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ১ বছর।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০ অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ অনধিক ৩ বছর।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে সর্বোচ্চ ৩ বছর।
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধি কত সালে সর্বশেষ সংশোধন হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
- ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন হয় ২০১২ সালে।
⇒ Section-11-[(2A) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Chief Judicial Magistrate, Additional Chief Judicial Magistrate and other Judicial Magistrates shall hold its sitting.]
- Sub-section (2A) was inserted after the sub-section (2) by section 2 of the Code of Criminal Procedure, (Amendment) Act, 2012 (Act No. XXXVII of 2012).

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) সেকশন ১১ এর একটি সংশোধনী। এখানে একটি নতুন উপ-ধারা (২ক) যোগ করা হয়েছে।
এই সংশোধনীর মূল বক্তব্য হলো:
- সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবে যে:
প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত , অতিরিক্ত প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত ,  অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালত কোন স্থান বা স্থানসমূহে তাদের বসার আয়োজন করবে।
অর্থাৎ এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তারা বিভিন্ন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলো কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারবে। এই নির্দেশনা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হবে।
উল্লেখ্য,
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালতকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৩৬ ধারায়
  2. ৪৩৯ ধারায়
  3. ৪৩৯ক ধারায়
  4. ৪৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৩৯ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩৯ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ
- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।
- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 439A: Sessions Judge's powers of revision:
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে কয় প্রকার বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের উল্লেখ আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ১ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate) তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate). 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।ঃ
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার করার সময় স্পর্শ করার প্রয়োজন নেই যদি-
  1. কোর্ট থেকে অনুমতি না আসে।
  2. আসামি পালানোর চেষ্টা করে।
  3. পুলিশ কর্মকর্তার ইচ্ছা না থাকে।
  4. আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
সঠিক উত্তর:
আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি স্বেচ্ছায় হেফাজতে যাওয়ার জন্য সম্মতি দেয়।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
 গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।
⇒ পুলিশ বা অন্য যিনি গ্রেফতার করবেন, তাকে সরাসরি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শরীরে স্পর্শ করতে হবে বা তাকে আটক করতে হবে। তবে, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নিজের ইচ্ছায় কথা বা কাজের মাধ্যমে হেফাজতে যেতে সম্মতি দেয়, তাহলে স্পর্শ করা প্রয়োজন নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার বিধান গ্রেফতারের পদ্ধতি:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ: এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46. Arrest how made:
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- Resisting endeavour to arrest:
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with 71[transportation for life].
২৪.
শান্তিভঙ্গের আশঙ্কায় স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অভিযোগ কোথায় দাখিল করতে হবে?
  1. থানায় পুলিশের নিকট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. সরাসরি দায়রা আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনোভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ স্পষ্ট হওয়ার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কুলির মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হওয়ার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবি সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, ম্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।
(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারির জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করতে হবে এবং অন্ততপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারি করতে হবে।

→ অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যায়।
২৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি ৪২০ ধারায় অনুযায়ী কারাগারে থাকা অবস্থায় আপিল করার আবেদন কাকে জমা দিতে হবে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. স্থানীয় থানার ইনচার্জ
  3. আদালতের রেজিস্ট্রার
  4. কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারামতে আপীলকারি কারাগারে থাকলে, আপীলকারি তার রায়ের নকলসহ আবেদনপএ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবে এবং উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতে আপীল দাখিল করবেন।
⇒ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার আধিন দায়ের করা আপীলকে  জেল আপীল বলে।
---------------------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail: 
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা বেআইনি সমাবেশ ভাঙার সময় কার নির্দেশে দায়িত্ব পালন করবেন?
  1. পুলিশ কমিশনারের
  2. দায়রা আদালতের
  3. হাইকোর্ট বিভাগের
  4. সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারের
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনারের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা মতে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।
--------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 130.Duty of officer commanding troops required by Magistrate to disperse assembly:
(1) When an Executive Magistrate or the Police Commissioner determines to disperse any such assembly by military force, he may require any commissioned or non-commissioned officer in command of any soldiers in the Bangladesh Army to disperse such assembly by military forced, and to arrest and confine such persons forming part of it as the Magistrate or the Police Commissioner may direct, or as it may be necessary to arrest and confine in order to disperse the assembly or to have them punished according to law. 
 
(2) Every such officer shall obey such requisition in such manner as he thinks fit, but in so doing he shall use as little force, and do as little injury to person and property, as may be consistent with dispersing the assembly and arresting and detaining such persons.
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১২ অনুযায়ী দোষ স্বীকার করার পরও কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যেতে পারে?
  1. উচ্চ আদালতে সরাসরি আপিল করা যাবে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি সাপেক্ষে আপিল করা যাবে
  3. দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যাবে
  4. পৃথকভাবে কারাদণ্ডের সাজার উল্লেখ না থাকলে করা যাবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৪ ধারার বিধান সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই: এই কার্যবিধিতে ইতোপূর্বে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, সংক্ষিপ্তভাবে বিচারকৃত কোন মোকদ্দমায় ধারা-২৬০ অনুসারে কাজ করতে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিষ্ট্রেট শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন আপীল করতে পারবে না।
- সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বিচারের ক্ষেত্রে প্রদত্ত কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। কিন্তু অর্থদন্ড ২০০ টাকার বেশি না হলে আপীল করা যাবে না। অর্থ দণ্ডের পরিমাণ ২০০ টাকার বেশি হলে আপীল করা যাবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।

- ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

- ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414.No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding two hundred Taka only.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৪ অনুযায়ী আপিল করার জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. আদালতের অনুমতি
  3. দণ্ডিত ব্যক্তির আবেদন
  4. ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে আপিলের বিধান
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে আপিলের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে আপিলের বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে।
-অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ ধারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না:
উক্ত (ফৌজদারি) কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-404: Unless otherwise provided, no appeal to lie:
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত খালাস প্রদান করেন?
  1. ২৬৫চ ধারা
  2. ২৬৫জ ধারা
  3. ২৬৫ট ধারা
  4. ২৬৫ঘ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬৫জ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫জ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
- বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামি অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামিকে খালাস দেওয়ার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
- If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.
৩০.
চুরির মামলায় বিচার চলাকালে তিন মাস জেলে থাকার পর "X" বিচার শেষে ছয় মাসের দণ্ড পেলে কতদিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন সাজা ভোগ করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
→ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

→ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 35A.Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানমতে কত দিনের মধ্যে একজন অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ অনুযায়ী:
- ফরিয়াদি যদি দায়রা আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে চায়, তাহলে তাকে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দাখিল করতে হবে।
- যদি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খালাস আদেশ দেয়, তবে ফরিয়াদি ৬০ দিনের মধ্যে দায়রা আদালতে আপিল করতে পারবে।
- অভিযোগকারী (যে ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেছে) খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে।
- অভিযোগকারী বা ফরিয়াদি শুধু একবার মূল মামলার খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে, এরপর তারা দ্বিতীয়বার আপিল করতে পারবে না।
- তবে, যদি আপিল আদালত খালাস আদেশটি প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে ওই আদেশের বিরুদ্ধে ২য় আপিল করা যাবে না, তবে রিভিশন (পুনঃমূল্যায়ন) দাখিল করা যাবথা

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ অনুযায়ী ফরিয়াদি কর্তৃক দায়রা আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে এবং ফরিয়াদি কর্তৃক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আপিল দায়ের করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে।
অভিযোগকারী বা ফরিয়াদি শুধুমাত্র মূল মামলায় প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারে, কিন্তু আপিলে প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করতে পারেনা অর্থাৎ ২য় আপিলের সুযোগ নেই।
তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ (৪) ধারা অনুযায়ী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল নাকচ বা প্রত্যাখান হলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে ২য় আপিল চলবেনা; তবে রিভিশন দায়ের করা যাবে।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি প্রশ্নের উত্তর না দেয় বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. তাকে শাস্তি দিতে পারে
  2. তাকে মুক্তি দিতে পারে
  3. তাকে দোষী সাব্যস্ত করতে পুলিশ হেফাজতে দিতে পারে
  4. আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত যদি প্রশ্নের উত্তর না দেয় বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তাহলে আদালত তার উত্তর থেকে ন্যায্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

→ ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
→ (2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
(4) No oath shall be administered to the accused
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর গ্রেপ্তার
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. তদন্ত প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা
  4. দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
সঠিক উত্তর:
দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করার প্রধান উদ্দেশ্য হল দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।
- ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
- ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 96. When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সরেজমিনে পরিদর্শন (Local inspection) এর বিধান আছে?
  1. ৫৩৯ ধারায়
  2. ৫৩৯ক ধারায়
  3. ৫৩৯খ ধারায়
  4. ৫৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 ------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কিত বিধান আছে?
  1. ১৭১
  2. ১৭২
  3. ১৭৩
  4. ১৭৫
সঠিক উত্তর:
১৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট প্রস্তুত ও তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। 
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে কোনো তদন্ত শুরু হলে তা অযথা বিলম্ব না করেই সম্পন্ন করতে হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিম্নলিখিত কাজ করবেন:
(ক) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন, যেখানে: মামলার পক্ষগুলোর নাম, তথ্যের প্রকৃতি, মামলার পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের নাম, অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে কি না,
গ্রেপ্তার হলে কি জিম্মায় রাখা হয়েছে বা মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ থাকবে।
(খ) যিনি মামলার প্রথম তথ্য দিয়েছেন, তাকে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে তদন্তে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করবেন।
(২) যদি ধারা ১৫৮-এর অধীনে কোনো উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা নিযুক্ত থাকেন, তবে সরকারের সাধারণ বা বিশেষ নির্দেশ অনুযায়ী রিপোর্ট তার মাধ্যমে জমা দিতে হবে। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পুনরায় তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(৩) যদি রিপোর্টে উল্লেখ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মুচলেকায় মুক্তি পেয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট ওই মুচলেকা বাতিল করার জন্য বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদেশ দেবেন।
(৩ক) যদি রিপোর্ট ধারা ১৭০-এর অধীনে হয়, তবে পুলিশ কর্মকর্তা রিপোর্টের সঙ্গে নিম্নলিখিত নথিপত্র জমা দেবেন: মামলার প্রাসঙ্গিক সব নথি বা তথ্যের কপি,
সাক্ষীদের বক্তব্য (ধারা ১৬১-এর উপধারা ৩ অনুযায়ী রেকর্ড করা)।
(৩খ) যদি প্রথম রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর নতুন প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে নতুন প্রমাণ সম্বলিত আরও একটি রিপোর্ট জমা দিতে পারবেন।
(৪) কোনো রিপোর্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেওয়ার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি আবেদন করেন, তাহলে তাকে রিপোর্টের একটি কপি প্রদান করা হবে। তবে এর জন্য ফি দিতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কারণে তা বিনামূল্যে দেওয়ার আদেশ দেন।

 ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে।

 ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ পুলিশ কর্তৃক তদন্তের দায়িত্ব ও রিপোর্ট জমা দেওয়ার নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে। এই ধারা তদন্ত শেষ করার সময়সীমা, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়া, পুনরায় তদন্তের সুযোগ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রিপোর্টের কপি দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173. Report of police-officer:
(1) Every investigation under this Chapter shall be completed without unnecessary delay, and, as soon as it is completed, the officer in charge of the police-station shall- 
(a) forward to a Magistrate empowered to take cognizance of the offence on a police-report a report, in the form prescribed by the Government, setting forth the names of the parties, the nature of the information and the names of the persons who appear to be acquainted with the circumstances of the case, and stating whether the accused (if arrested) has been forwarded in custody or has been released on his bond, and, if so, whether with or without sureties, and 
(b) communicate, in such manner as may be prescribed by the Government, the action taken by him to the person, if any, by whom the information relating to the commission of the offence was first given. 
(2) Where a superior officer of police has been appointed under section 158, the report shall in any cases in which the Government by general or special order so directs, be submitted through that officer, and he may, pending the orders of the Magistrate, direct the officer-in-charge of the police-station to make further investigation. 
(3) Whenever it appears from a report forwarded under this section that the accused has been released on his bond, the Magistrate shall make such order for the discharge of such bond or otherwise as he thinks fit. 
(3A) When such report is in respect of a case to which section 170 applies, the police-officer shall forward to the Magistrate along with the report- 
(a) all documents or relevant extracts thereof on which the prosecution proposes to rely other than those already sent to the Magistrate during investigation; 
(b) the statements recorded under sub-section (3) of section 161 of all the persons whom the prosecution proposes to examine as its witnesses. 
(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
(4) a copy of any report forwarded under this section shall on application, be furnished to the accused before the commencement of the inquiry or trial: 
Provided that the same shall be paid for unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার অধীনে কে দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতা রাখেন?
  1. পুলিশ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আদালত
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা মতে সরকার দণ্ড হ্রাস, মওকুফ ও পরিবর্তন করতে পারেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার বিধান দণ্ড স্থগিত অথবা মওকুফ করার ক্ষমতা (Power to suspend or remit sentences): সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা শর্তসাপেক্ষে দণ্ড কার্যকর স্থগিত রাখতে পারেন বা সম্পূর্ণ দত্ত বা দণ্ডের অংশবিশেষ মওকুফ করতে পারেন।
- যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হলে, সরকার আদালতের প্রিজাইডিং জজকে আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিনা, সে সম্পর্কে মতামত জানাতে বলতে পারে এবং বিচারের নথি নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
- যে সকল শর্তে দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করা হয়েছে তার কোনটি পালন করা হয়নি বলে মনে করলে সরকার স্থগিত বা মওকুফের আদেশ বাতিল করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তি তখন মুক্ত থাকলে পুলিশ তাকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারবে।
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন, দণ্ড স্থগিত রাখা বা কার্যকরে বিলম্ব ঘটানো বা মওকুফ করার অধিকার অক্ষুন্ন থাকবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-401.Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
৩৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি ঘটানোর জন্য ন্যূনতম কয়জন সদস্যের উপস্থিতি আবশ্যক?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৯১ অনুযায়ী, পাঁচ বা তার বেশি ব্যক্তি একসঙ্গে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করলে তাদেরকে "ডাকাতি" বলা হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
---------------- 
⇒ The Penal Code Section 391- Dacoity:
- When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
৩৮.
দণ্ডবিধি কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ৬ অক্টোবর, ১৮৬০
  2. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
  3. ১লা জানুয়ারি, ১৮৬১
  4. ২০ অক্টোবর, ১৮৬০
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জানুয়ারি, ১৮৬২
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৩৩ সালে ভারতের শাসনভার ইংরেজ কোম্পানি হাত হতে ব্রিটিশ রাজ গ্রহণ করার পর ভারতবর্ষের জন্য একটি আইন কমিশন গঠন করেন।
-ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে।
- প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay).
- প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন , i) সভাপতি-লর্ড ম্যাকলে। ii) সদস্য- মি: ম্যাকলিউড। iii) সদস্য-মি: এন্ডারসন। iv) সদস্য-মি: মিলার।
- ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দণ্ডবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারি ১৮৬২ সালে থেকে কার্যকর হয়।
- যার নামকরণ করা হয় ১৮৬০ সালের ৪৫ নং আইন, দণ্ডবিধি।

⇒  অর্থাৎ ১৮৬০ সালের ৬ অক্টোবর দণ্ডবিধি প্রণীত হয় যা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে ‘Indian Penal Code’ নামে কার্যকর হয়।
৩৯.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান কী?
  1. মানহানির অভিযোগে সাজা প্রদান
  2. সরকারী কাজে বাধার জন্য সাজা প্রদান
  3. রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান
  4. সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য সাজা প্রদান
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজা প্রদান।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:

- কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা-১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা-২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা-৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code Section 124A. Sedition:
- Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.
 
Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.
৪০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় খুনের শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২৯৯ ধারায়
  2. ৩০০ ধারায়
  3. ৩০২ ধারায়
  4. ৩০৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০২ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা- খুনের সাজা: কোন ব্যক্তি যদি খুনের অপরাধ করে তবে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
----------------- 
⇒ The Penal Code Section 302- Punishment for murder:
Whoever commits murder shall be punished with death, or imprisonment for life, and shall also be liable to fine. 
৪১.
দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান কী?
  1. Cheating
  2. Mischief
  3. Criminal trespass
  4. Cheating by personation
সঠিক উত্তর:
Mischief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mischief
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:-
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকীয়তা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
--------------------------
⇒ The Penal Code,1860, Section 425: Mischief:
-Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation 1.-It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation 2.-Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
৪২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মনুষ্য হরণের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৫ বছর কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ১২ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬২ ধারার বিধান অপহরণ বা মনুষ্যহরণ:- যদি কোন ব্যক্তি, অপর কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুব্ধ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অনুরূপ ব্যক্তিকে অপহরণ করে বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬৩ ধারার বিধান মনুষ্য হরণের সাজা:- কোন ব্যক্তি যদি কাউকে বাংলাদেশ হতে অথবা আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
------------
The Penal Code, 1860 Section 362. Abduction: Whoever by force compels, or by any deceitful means induces, any person to go from any place, is said to abduct that person.

⇒ The Penal Code, 1860, Section 363. Punishment for kidnapping:- Whoever kidnaps any person from Bangladesh or from lawful guardianship, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৪৩.
বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য—এই বিধান কোথায় রয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির ২ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৪ ধারা
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারা
  4. খ + গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ + গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ বা বিমানে কেউ অপরাধ করলে, তা বাংলাদেশে বিচারযোগ্য তা দণ্ডবিধির ৪ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারাতে রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য বিধিটির আওতার সম্প্রসারণ:
- নিম্নোক্ত ব্যক্তিগণ দ্বারা সংঘটিত কোন অপরাধের ক্ষেত্রেও এই বিধির বিধানগুলো প্রয়োগযোগ্য হবে;
(১) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত কোন জায়গায় বাংলাদেশের নাগরিক;
(৪) বাংলাদেশে রেজিষ্ট্রিকৃত যে কোন জাহাজ বা বিমান পোতে আরোহী যে কোন ব্যক্তি উক্ত জাহাজ কিংবা বিমান পোতে যেখানেই থাকুক না কেন।
- ব্যাখ্যা:- এই ধারা মতে যে কার্য বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত হলে এই বিধি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত তা বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত হলে তার 'অপরাধ' কথাটির আওতাভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৮ ধারার বিধান বাংলাদেশের বাহিরে সংঘটিত অপরাধের দায়:
যখন বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাহিরে কোন স্থানে কোন অপরাধ করে; অথবা যখন কোন ব্যক্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে, তাহা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, কোন অপরাধ করে;
তখন বাংলাদেশের যে স্থানেই তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে মর্মে ধরে নিয়ে সে অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ২ ধারার বিধান বাংলাদেশের মধ্যে সংঘটিত অপরাধ এর সাজা:
- বাংলাদেশের মধ্যে এই বিধির আওতায় প্রণীত বিধানের পরিপন্থি কোন কার্য করলে অথবা বিধানের নির্দেশ অনুযায়ী কোন কার্য না করলে প্রত্যেক ব্যক্তি এই বিধির আওতায় সাজার জন্য দায়ী হবেন এবং অপর কোনভাবে নয়।
৪৪.
"প্রতারণা" সংজ্ঞা অনুযায়ী, নিচের কোনটি সত্য?
  1. প্রতারণা একটি শারীরিক অপরাধ
  2. প্রতারণা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ক্ষতি সৃষ্টি করে
  3. প্রতারণার অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো শাস্তি নির্ধারণ করা হয় না
  4. প্রতারণার ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার "প্রতারণা" সংজ্ঞা অনুযায়ী "প্রতারণার ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে অন্য কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়" কথাটি সত্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:
যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা:-
অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 415- Cheating:
Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".

Explanation: A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
৪৫.
দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুযায়ী অপহরণ কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা মতে মনুষ্যহরণ বা অপহরণ ২ প্রকার।
(i) বাংলাদেশ থেকে মনুষ্যহরণ;
(ii) আইনগত অভিভাবকের নিকট হতে মনুষ্যহরণ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬০ ধারার বিধান বাংলাদেশ হতে মনুষ্য হরণ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে তার সম্মতি ছাড়াই অথবা তার স্বপক্ষে সম্মতি দানের ক্ষমতাসম্পন্ন অপর কারো সম্মতি ছাড়াই বাংলাদেশের সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেয় বা নিয়ে যায়, তবে উক্ত ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশ হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৬১ ধারার বিধান আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে মনুষ্যহরণ:- কোন ব্যক্তি যদি চৌদ্দ বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালককে অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সী কোন নাবালিকাকে অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক কোন ব্যক্তিকে তার অভিভাবকের সম্মতি ছাড়াই অভিভাবকের রক্ষণাবেক্ষণ হতে নিয়ে যায়, তবে সে ব্যক্তি উক্ত অপ্রাপ্তবয়স্ক বালক বা বালিকাকে অথবা অনুরূপ বিকৃতমস্তিষ্ক ব্যক্তিকে আইনসম্মত অভিভাবকত্ব হতে অপহরণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
---------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section-359. Kidnapping:
 Kidnapping is of two kinds: kidnapping from Bangladesh, and kidnapping from lawful guardianship. 

⇒ The Penal Code, 1860 Section-360. Kidnapping from Bangladesh, etc:

 Whoever conveys any person beyond the limits of Bangladesh without the consent of that person, or of some person legally authorized to consent on behalf of that person, is said to kidnap that person from Bangladesh.

⇒ The Penal Code, 1860 Section-361. Kidnapping from lawful guardianship:
Whoever takes or entices any minor under fourteen years of age if a male, or under sixteen years of age if a female, or any person of unsound mind, out of the keeping of the lawful guardian of such minor or person of unsound mind, without the consent of such guardian, is said to kidnap such minor or person from lawful guardianship. 
Explanation.-The words "lawful guardian" in this section include any person lawfully entrusted with the care or custody of such minor or other person. 
Exception.-This section does not extend to the act of any person who in good faith believes himself to be the father of an illegitimate child, or who in good faith believes himself to be entitled to the lawful custody of such child, unless such act is committed for an immoral or unlawful purpose.
৪৬.
যদি কারাদণ্ড ছয় মাসের বেশি হয় কিন্তু এক বছর না হয়, নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত দিন হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ যদি কারাদণ্ড ছয় মাসের বেশি হয় কিন্তু এক বছর না হয়, নির্জন কারাবাসের সর্বোচ্চ মেয়াদ ২ মাস হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৩ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাস:- যদি কোন ব্যক্তিকে এমন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত করা হয়, যে অপরাধের জন্য আদালত এই আইনবলে তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন তবে, আদালত তার দণ্ডাজ্ঞার মাধ্যমেই আদেশ করতে পারবেন যে অপরাধীকে তার বিরুদ্ধে প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদের কোন অংশবিশেষের বা কয়েকটি অংশের জন্য-যা সর্বসাকুল্যে তিন মাসের বেশি হতে পারবে না-নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কতসময়ের জন্য অপরাধীকে নির্জন কারাবাসে আবদ্ধ রাখা হবে তা নিম্নে নির্দেশ করা যাচ্ছে: কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক না হলে অনধিক এক মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাসের অধিক কিন্তু এক বৎসরের অনধিক হলে অনধিক দুই মাস পর্যন্ত; কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বৎসরের অধিক হলে অনধিক তিন মাস পর্যন্ত।

⇒ দণ্ডবিধির ৭৪ ধারার বিধান, নির্জন কারাবাসে সাজার সীমা:- নির্জন কারাবাস আদেশ কার্যকরীকরণে অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদ কোন ক্ষেত্রেই একাদিক্রমে ১৪ দিনের বেশি হবে না এবং কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদও কারাবাসের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না; প্রদত্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ তিন মাসের বেশি হলে প্রদত্ত কারাদণ্ডের সমগ্র মেয়াদের মধ্যে কোন এক মাসে নির্জন কারাবাসের মেয়াদ সাত দিনের বেশি হবে না এবং অনুরূপ কারাবাসের মেয়াদসমূহের মধ্যবর্তী বিরতিকালের মেয়াদ অপেক্ষা কম হবে না।
-----------
⇒Section 73. Solitary confinement:
 Whenever any person is convicted of an offence for which under this Code the Court has power to sentence him to rigorous imprisonment, the Court may, by its sentence, order that the offender shall be kept in solitary confinement for any portion or portions of the imprisonment to which he is sentenced, not exceeding three months in the whole, according to the following scale, that is to say
a time not exceeding one month if the term of imprison-ment shall not exceed six months:
a time not exceeding two months if the term of imprisonment shall exceed six months and shall not exceed one year:
a time not exceeding three months if the term of imprisonment shall exceed one year.

⇒Section 74. Limit of solitary confinement:
In executing a sentence of solitary confinement, such confinement shall in no case exceed fourteen days at a time, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods, and when the imprisonment awarded shall exceed three months, the solitary confinement shall not exceed seven days in any one month of the whole imprisonment awarded, with intervals between the periods of solitary confinement of not less duration than such periods.
৪৭.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির অপরাধে কোন শর্তটি আবশ্যক?
  1. সম্পত্তির মালিকের সম্মতি থাকতে হবে
  2. সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে
  3. চুরি কেবলমাত্র দিনের বেলা করা যাবে
  4. সম্পত্তি সরকারের মালিকানাধীন হতে হবে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর হতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরির বিধান রয়েছে। ৩৭৮ ধারামতে কোন ব্যক্তির দখল থেকে সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি (Movable property) অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করলে বা সরানো হলে তা চুরি বলে গণ্য হবে। অন্যভাবে বলা যায়, যদি কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে সম্পত্তির দখলে থাকা ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে তবে তা চুরি বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারায় চুরিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। চুরির অপরাধ অস্থাবর সম্পত্তি যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত। যখন কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দখলে থাকা কোন অস্থাবর সম্পত্তি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া অসাধু উপায়ে গ্রহণ করার অভিপ্রায়ে বা অনুরূপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তি স্থানান্তর করে, সেই ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। চুরির উপাদান বা শর্তসমূহ:
(i) অন্যকোনো ব্যক্তির দখল হতে অসাধুভাবে সম্পত্তি গ্রহণ করা
(ii) সম্পত্তিটি অবশ্যই অস্থাবর সম্পত্তি হবেl যেমন টাকা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদি।
(iii) উক্ত সম্পত্তি অন্য ব্যক্তির দখল থেকে নিতে হবে।
(iv) সম্পত্তিটি উক্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া নিবে।
(v) চুরি সম্পন্ন হবে যদি সম্পত্তিটি সামান্য হলেও প্রকৃতপক্ষে স্থানান্তর করা হয়।
------------
⇒ The Penal Code, 1860 Section, 378. Theft:
Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft. 
Explanation 1.-A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth. 
Explanation 2.-A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft. 
Explanation 3.-A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it. 
Explanation 4.-A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal. 
Explanation 5.-The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
৪৮.
দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার ব্যতিক্রমসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনস্বার্থে সত্য-দোষারোপ করা
  2. সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা
  3. ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
  4. আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে নিন্দা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার বিধান মানহানি:-
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে এবং সেখানে মোট ১০ টি ব্যতিক্রম সাপেক্ষে এই অপরাধ সংঘটনের কথা বলা আছে।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেওয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।

⇒ শান্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
৪৯.
দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পরিবর্তন করার ক্ষমতা কার অধীনে রয়েছে?
  1. পুলিশ
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পরিবর্তন করার ক্ষমতা সরকারের অধীনে রয়েছে।

→ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:

- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
--------------------------
→ Section 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:
- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
৫০.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "গুরুতর আঘাত" হিসেবে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. হাড় বা দাঁতের ভাঙ্গন
  2. আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
  3. মাথা বা মুখের স্থায়ী বিকৃতি
  4. এক কানের শ্রবণ ক্ষমতা স্থায়ীভাবে হারানো
সঠিক উত্তর:
আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ শ্রেণীর জখমকে গুরুতর জখম' হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৮ শ্রেণির গুরুতর আঘাত হল। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ।
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ।
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ।
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ।
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি।
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা।
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত। 

অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় "আঘাতের কারণে শারীরিক ক্লান্তি" গুরুতর আঘাত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নয়।
------------
⇒ The Penal Code Section 320.Grievous hurt:
The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly. -Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly. -Permanent privation of the hearing of either ear.
Fourthly. -Privation of any member or joint. 
Fifthly. -Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly. -Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly. -Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly. -Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits. 
৫১.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় বেআইনি সমাবেশের সংজ্ঞা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১৪১ ধারায়
  2. ১৪২ ধারায়
  3. ১৪৩ ধারায়
  4. ১৪৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় বেআইনি সমাবেশের বিধান রয়েছে। পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি জনসাধারণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কোন সমাবেশ করলে তাকে বেআইনি সমাবেশ বা Unlawful Assembly বলে।
→ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি কর্তৃক সৃষ্ট সমাবেশে নিম্নলিখিত ৫টি সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object থাকলে তা বেআইনি সমাবেশ বলে গণ্য হবে। সাধারণ উদ্দেশ্যগুলো (common object) নিম্নরূপ যথা-
১) সরকার, সরকারি কর্মচারী বা আইনসভাকে আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগকালে বাধা বা বলপ্রয়োগের হুমকি দান;
২) আইনগত ব্যবস্থা বাস্তবায়নে বাধা ।
৩) অনিষ্ট, অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশ বা অপর কোন অপরাধ সংঘটন ।
৪) অপরাধজনক বলপ্রয়োগ পূর্বক সম্পত্তি অর্জন বা কোন ব্যক্তিকে রাস্তা বা পানি ব্যবহার বা দখল থেকে বঞ্চিত; অথবা
৫) কোন ব্যক্তিকে যা করতে বাধ্য নয় তা করাতে ও যা করতে বাধ্য তা থেকে বিরত রাখতে বাধ্য করা।

→ সাধারণ উদ্দেশ্য বা common object বলতে তদ্রূপ উদ্দেশ্যকে বোঝায় যা পূরণকল্পে সমাবেশের সকল সদস্য সমবেত হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য হাসিল করবে বলে তারা সকলে জানত; অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ করার জন্য যে সকল উদ্দেশ্য থাকে সেই সকল উদ্দেশ্য সমূহ হলো সাধারণ উদ্দেশ্য।
---------------------
⇒ The Penal Code Section-141.Unlawful assembly:
- An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First: -To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or 
Second: To resist the execution of any law, or of any legal process; or 
Third: To commit any mischief or criminal trespass, or other offence ; or 
Fourth.- By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or 
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do. 
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
৫২.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে আতঙ্কিত করার জন্য উক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি বা সুনাম বা দেহের ক্ষতি ( injury to property, reputation or person) করার ভয় বা হুমকি (threat) দেখানো হলে, তাকে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন বা Criminal Intimidation বলে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের শাস্তি রয়েছে যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section- 503.Criminal intimidation:
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause to alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation. 
 
Explanation.-A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this section.

⇒ The Penal Code, 1860, Section- 506.Punishment for criminal intimidation:
 Whoever commits the offence of criminal intimidation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both;
৫৩.
দণ্ডবিধি কোন ধারায় একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে?
  1. ৩০২ ধারার
  2. ৩০৩ ধারার
  3. ৩০৪ ধারার
  4. ৩০৭ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৩ ধারার
ব্যাখ্যা
 ⇒ দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 303. Punishment for murder by life-convict: Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের কোন তথ্য সঠিক বলে অনুমান করে?
  1. সমস্ত তথ্য সঠিক বলে ধরে নেয়।
  2. যাচাই করা হয়নি এমন সমস্ত তথ্য।
  3. যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য।
  4. তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হয় না।
সঠিক উত্তর:
যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা- ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ সম্পর্কে অনুমান:
বিপরীত কিছু প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, গ্রাহকের যে সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করা হয়নি তা ব্যতীত ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের উল্লেখিত তথ্য সঠিক, যদি সনদটি গ্রাহক দ্বারা গৃহিত হয়। 
⇒ অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৮৫গ ধারা অনুযায়ী আদালত ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেটের "যাচাই করা হয়েছে এমন তথ্য" সঠিক বলে অনুমান করে।
- গ্রাহকের তথ্য হিসেবে নির্ধারিত তথ্য যাচাই করা না হলে তা সঠিক বলে আদালত অনুমান করবে না।
 ---------------
⇒ The Evidence Act, Section 85C- Presumption as to Digital Signature Certificates.-
The Court shall presume, unless contrary is proved, that the information listed in a Digital Signature Certificate is correct, except for information specified as subscriber information which has not been verified, if the subscriber accepted the certificate.
৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্তের পূর্ববর্তী ভাল চরিত্র প্রাসঙ্গিক -
  1. সমস্ত প্রকার মামলায়।
  2. ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে।
  3. দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে।
  4. পারিবারিক মামলার ক্ষেত্রে।
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে।
ব্যাখ্যা
 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির পূর্ববর্তী ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
- সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারার বিধান ফৌজদারী মোকদ্দমায় পূর্ববর্তী সচ্চরিত প্রাসঙ্গিক:- ফৌজদারী মোকদ্দমার অপরাধী ব্যক্তির চরিত্র যে উত্তম, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয়।
--------------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৫৬.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী একজন ব্যক্তিকে মৃত বলে কবে ধরে নেওয়া হয়?
  1. ৭ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
  2. ১০ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
  3. ১২ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
  4. কোনো সময়সীমা নির্ধারিত নেই।
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে খবর না পাওয়া গেলে।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির গত ৭ বছরের মধ্যে কোনো খোঁজ না পাওয়া যায় এবং স্বাভাবিক অবস্থায় যারা তার খবর পাওয়ার কথা তারা যদি কোনো খবর না পায়, তবে আদালত সেই ব্যক্তিকে মৃত বলে অনুমান করতে পারে। তবে, যদি কেউ সেই ব্যক্তিকে জীবিত বলে দাবি করে, তাহলে তার প্রমাণের দায়িত্ব দাবিদারের ওপর বর্তাবে।

 ⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারা অনুযায়ী-
আদালত কোন ব্যক্তিকে মৃত অনুমান করতে বাধ্য যদি বিগত ৭ বৎসর যাবৎ তার কোন খবর পাওয়া না যায় এমন ব্যক্তিকে যে জীবিত দাবী করে, তাকেই প্রমাণ করতে হবে উক্ত ব্যক্তি জীবিত।
-----------------
⇒ The Evidence Act,1872: Section 108:  Burden of proving that person is alive who has not been heard of for seven years:
Provided that when the question is whether a man is alive or dead, and it is proved that he has not been heard of for seven years by those who would naturally have heard of him if he had been alive, the burden of proving that he is alive is shifted to the person who affirms it.
৫৭.
সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারার অধীনে কিসের মাধ্যমে সরকারি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যায়?
  1. মৌখিক সাক্ষ্যের মাধ্যমে।
  2. মূল দলিল দাখিলের মাধ্যমে।
  3. অনুমান নির্ভর প্রমাণের মাধ্যমে।
  4. প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি উপস্থাপনের মাধ্যমে।
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, সরকারি দলিল বা এর কোনো অংশের বিষয়বস্তু প্রমাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দলিলের প্রত্যয়নকৃত অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করা যেতে পারে। এই অনুলিপিগুলোই প্রমাণ হিসাবে গৃহীত হতে পারে যদি তা সংশ্লিষ্ট দলিলের যথাযথ প্রত্যয়ন করে।

অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো আনুষ্ঠানিক বা সরকারি কাগজপত্রের নকল তৈরি করা হয়, তাহলে সেই নকল কাগজকে মূল কাগজের প্রমাণ হিসাবে আদালতে দাখিল করা যাবে।
এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
১. একটি দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে সেই মূল দলিলের প্রতিনিধিত্বকারী হিসাবে গণ্য করা হয়।
২. এই নকল মূল দলিলের সম্পূর্ণ নকল হতে পারে অথবা আংশিক নকল হতে পারে।
৩. এই অনুমোদিত/জাবেদা নকল দলিলকে আদালতে মূল দলিলের বিষয়বস্তুর প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করা হবে।

সহজ কথায়, এই ধারা অনুসারে যেকোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠানের জারি করা দলিলের অনুমোদিত/জাবেদা নকলকে মূল দলিলের প্রতিনিধি হিসাবে আদালতে গ্রহণ করা হবে। এটি আদালতের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে।

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা: "অনুরূপ জাবেদা নকল সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে বুঝতে দেয়া হয়, সে দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
------------------
⇒ The Evidence Act,1872: section- 77.Proof of documents by production of certified copies:
- Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

৫৮.
সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারার অধীনে আদালত কখন তলবকৃত দলিল পরিদর্শন করতে পারে না?
  1. যদি দলিল প্রাসঙ্গিক না হয়।
  2. যদি দলিল রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কিত হয়।
  3. যদি দলিল ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে।
  4. যদি দলিলের বৈধতা নিশ্চিত করা হয়।
সঠিক উত্তর:
যদি দলিল রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিল রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কিত হয়।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারার অধীনে যদি দলিল রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কিত হয় তখন আদালত তলবকৃত দলিল পরিদর্শন করতে পারে না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারা অনুযায়ী যদি সাক্ষীকে দলিল দাখিলের জন্য সমন দেওয়া হয় এবং সেই দলিল সাক্ষীর দখলে থাকে, তাহলে সেই সাক্ষী দলিলটি আদালতে হাজির করতে বাধ্য থাকবেন।
-আদালতের আদেশে সমন দেওয়া হলে সাক্ষীকে তার দখলস্থ নথি বা দলিলগুলি আদালতে হাজির করতে হবে। দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে তা পরবর্তীতে বিবেচনা করা হবে।
-যদি কোনো সাক্ষী আদালতের সমনকে অমান্য করেন এবং দলিল হাজির না করেন, তাহলে তিনি আদালতের অবমাননার দায়ে দণ্ডিত হতে পারেন।
-সুতরাং, দলিলের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে যেকোনো আপত্তি থাকলেও, সাক্ষীকে আদালতের সমন অনুসারে দলিল হাজির করতে হবে।

১. দলিল উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা:
যে সাক্ষীকে দলিল উপস্থাপনের জন্য আদালতে তলব করা হয়েছে, তার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে থাকা দলিলটি আদালতে নিয়ে আসতে হবে, যদিও তার উপস্থাপন বা গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আপত্তি থাকতে পারে। এই ধরনের আপত্তি আদালত সিদ্ধান্ত নেবে।

২. আদালতের পরিদর্শনের ক্ষমতা:
আদালত চাইলে দলিলটি পরিদর্শন করতে পারে, তবে যদি তা রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কিত হয়, তাহলে আদালত এ ধরনের দলিল পরিদর্শনে বিরত থাকতে পারে। এছাড়া, আদালত প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণের জন্য অন্য প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে।

৩. দলিল অনুবাদ:
যদি দলিল উপস্থাপনের জন্য তা অনুবাদ করা প্রয়োজন হয়, তাহলে আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে অনুবাদক বিষয়বস্তু গোপন রাখবেন, যদি দলিলটি সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন না করা হয়। যদি অনুবাদক এই নির্দেশনা অমান্য করেন, তাহলে তিনি দণ্ডবিধির ১৬৬ ধারার অধীনে অপরাধ করবেন।
----------------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 

The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.

Translation of documents:
If for such a purpose it is necessary to cause any document to be translated, the Court may, if it thinks fit, direct the translator to keep the contents secret, unless the document is to be given in evidence: and, if the interpreter disobeys such direction, he shall be held to have committed an offence under section 166 of the Penal Code.
৫৯.
Which of the following is the examination of a witness by the adverse party?
  1. Cross-examination
  2. Re-examination
  3. Examination-in-chief
  4. Preliminary examination
সঠিক উত্তর:
Cross-examination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cross-examination
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
→ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]: যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।
⇒জেরা [Cross Examination]: বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।
→ পুন: জবানবন্দি [Re-examination]: জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

⇒ ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
-------------------------
The Evidence Act, 1872 section 137:
→ Examination-in-chief: The examination of a witness by the party who calls him shall be called his examination-in-chief.
→ Cross-examination: The examination of a witness by the adverse party shall be called his cross-examination.
→ Re-examination: The examination of a witness, subsequent to the cross-examination by the party who called him, shall be called his re-examination.

The Evidence Act, 1872 section 138. Order of examinations:
Witnesses shall be first examined-in-chief, then (if the adverse party so desires) cross-examined, then (if the party calling him so desires) re-examined. 
The examination and cross-examination must relate to relevant facts but the cross-examination need not be confined to the facts to which the witness testified on his examination-in-chief.
৬০.
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুযায়ী পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডটি আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে যদি-
  1. সরকারী অফিসে সংরক্ষিত হয়।
  2. এটি অভিযুক্তের কাছ থেকে সংগৃহীত হয়।
  3. এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল।
  4. উপরোক্ত কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রমাণিত হয় যে তা যথাযথ হেফাজতে ছিল।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারা অনুযায়ী, ৫ বছর পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের প্রমাণ প্রদান করা হলে, আদালত অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অথবা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। ডিজিটাল রেকর্ড সঠিকভাবে সংরক্ষিত হলে তা বৈধ বলে গণ্য হয়, যদি তা প্রাকৃতিকভাবে সঠিক স্থানে এবং সঠিক ব্যক্তির কাছে থাকে

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার বিধান পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান:

- যেখানে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড, পাঁচ বছরের পুরানো বলে প্রমাণিত এবং যে হেফাজত থেকে দাখিল করা হয় তা বিশেষ ক্ষেত্রে আদালত যথাযথ বিবেচনা করে, আদালত অনুমান করতে পারে যে, ডিজিটাল স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর হতে পারে যা এই জন্য তার দ্বারা বা তার দ্বারা অনুমোদিত যে কোন ব্যক্তি দ্বারা সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা- ডিজিটাল রেকর্ডগুলিকে যথাযথ হেফাজতে আছে বলা হয় যদি সেগুলি সেই জায়গায় থাকে সেখানে, এবং যার তত্ত্বাবধানে স্বাভাবিকভাবেই থাকে; কিন্তু কোন হেফাজত অনুপযুক্ত নয় যদি এটি প্রমাণিত হয় যে এটির একটি বৈধ উৎস ছিল, বা বিশেষ মামলার পরিস্থিতি এমন হয় যে এই জাতীয় উৎসকে সম্ভাব্য গণ্য করা যায়।

উল্লেখ্য যে, 
- পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কে আদালত may presume ধরে নিবেন।
-  ডিজিটাল রেকর্ডটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত থেকে দাখিল করতে হবে।
- ৯০ ধারার দলিলের মতোই ব্যবহার হবে।
----------
The Evidence Act, 1872 section 90A. Presumption as to digital records five years old:
 Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
৬১.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোনটি সরকারি দলিল নয়?
  1. আরজি
  2. উইল
  3. জন্ম সনদ
  4. সংসদের আইন
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে সাক্ষ্য আইনের অনুযায়ী উইল সরকারি দলিল নয়। অন্যদিকে আরজি, জন্ম সনদ, সংসদের আইন সরকারি দলিল।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং ২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document).

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে।
- অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা মতে নিম্নলিখিত দলিল গুলি সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল (ক) কোন সাবভৌম কর্তৃপক্ষের, (খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং (গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের কোন অংশের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যাক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

- সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারায় সরকারি দলিলের কোনো তালিকা না দিয়ে এর বৈশিষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের ডিক্রি, আদেশ, আরজি তা যখন আদালতে দাখিল করা হয় এবং সমনের আসল এগুলো সবই আদালতের কার্যক্রমের অংশ। সুতরাং এগুলো সবই সরকারি দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল । কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.
৬২.
সাক্ষ্য আইন অনুযায়ী কোনটি ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয়?
  1. ড্রোন ডাটা
  2. সিসিটিভি ফুটেজ
  3. আঙ্গুলের ছাপ
  4. কম্পিউটার মেমোরি
সঠিক উত্তর:
আঙ্গুলের ছাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঙ্গুলের ছাপ
ব্যাখ্যা
⇒ ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক রেকর্ড বলতে সেই সমস্ত তথ্য বা ডেটা বোঝায় যা চৌম্বকীয়, ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক, কম্পিউটার মেমোরি, সিসিটিভি, ড্রোন ডেটা, মোবাইল ফোন বা অন্য ডিজিটাল ডিভাইসে তৈরি, পাঠানো, সংরক্ষণ বা গ্রহণ করা হয়। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত।

- অন্যদিকে, "যে উপাদান বা বস্তু, যেমন রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ বা অঙ্গ, যা অপরাধ সংঘটিত হওয়ার প্রমাণ দেয় বা অপরাধী ও ভুক্তভোগীর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে, সেগুলো শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।"

→ উল্লিখিত প্রশ্নে আঙ্গুলের ছাপ ইলেকট্রনিক রেকর্ড নয় এটি শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
 ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।

- রক্ত, বীর্য, চুল, শরীরের সমস্ত উপাদান, অঙ্গ বা অঙ্গের অংশ, ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ), আঙ্গুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ এবং পায়ের ছাপ সম্পর্কিত সকল উপাদানসমূহ বা বস্তুসমূহ বা অনুরূপ প্রকৃতির অন্যকোন উপাদান বা বস্তু, শরীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক সাক্ষ্য মর্মে গণ্য হবে যদি এমন উপাদান বা বস্তুসমূহ-

- প্রতিষ্ঠা করে যে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা অপরাধ ও অপরাধীর মধ্যকার কোন সংযোগ বা সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে এবং কোন ঘটনা প্রমাণিত বা মিথ্যা প্রমাণিত করতে পারে।
----------------
“Digital record" or “electronic record” means any record, data or information generated, prepared, sent, received or stored in magnetic or electro-magnetic, optical, computer memory, micro film, computer generated micro fiche including audio, video, Digital Versatile Disc or Digital Video Disc (DVD), records of Closed Circuit Television (CCTV), drone data, records from cell phone, hardware, software or any other digital device as defined in Digital Security Act, 2018 (Act No. 46 of 2018)];
"Evidence" means and includes-
(1) all statements which the Court permits or requires to be made before it by witnesses, in relation to matters of fact under inquiry:
such statements are called oral evidence;
(2) all documents produced for the inspection of the Court
such documents are called documentary evidence.
(3) all materials or objects relating to blood, semen, hair, all body material, organ or part of organ, Deoxyribo Nucleic Acid (DNA), finger impression, palm impression, iris impression and foot print or any other similar material or object which may-
(i) establish that an offence has been committed or establish a link or relation between an offence and its victim or an offence and its offender; and
(ii) prove or disprove a fact:
such materials or objects are called physical or forensic evidence.
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৫৬ অনুযায়ী কোনটি সঠিক?
  1. দলিল ছাড়া আদালত কোনো প্রমাণ গ্রহণ করবে না
  2. আদালতে সকল প্রমাণ উপস্থাপন করা আবশ্যক
  3. সাক্ষীর বক্তব্য ছাড়া আদালত প্রমাণ গ্রহণ করতে পারে না
  4. কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিছু ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ আদালত তা নিজেই জানে
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)-
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী- যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
--------------
⇒ The Evidence Act, Section 56. Fact judicially noticeable need not be proved: No fact of which the Court will take judicial notice need be proved.
৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ধরনের ঘটনা প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. যেসব ঘটনা সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ নেই।
  2. যেসব ঘটনা আদালতের বিবেচনার বাইরে।
  3. যেসব ঘটনা পক্ষ বা তাদের এজেন্ট স্বীকার করে।
  4. যেসব ঘটনা আদালত গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়।
সঠিক উত্তর:
যেসব ঘটনা পক্ষ বা তাদের এজেন্ট স্বীকার করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেসব ঘটনা পক্ষ বা তাদের এজেন্ট স্বীকার করে।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুযায়ী যেসব ঘটনা পক্ষ বা তাদের এজেন্ট স্বীকার করে তা প্রমাণের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন।
--------------
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:
- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:
Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
৬৫.
একজন ব্যক্তি কিসের কারণে সাক্ষ্য দিতে অযোগ্য হতে পারেন?
  1. একজন শিশু
  2. একজন শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  3. বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
  4. বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 এর ১১৮ ধারা অনুসারে, কোন ব্যক্তি সাক্ষ্য দানে যোগ্য কিনা সেটা নির্ভর করে, তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সে সক্ষম কিনা, বিকৃত মস্তিক ব্যক্তি যিনি প্রশ্ন বুঝতে ও উত্তর দানে সক্ষম অল্প বয়স্ক বুদ্ধিমান বালক সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত এবং বোবা ব্যক্তি ১১৯ ধারা অনুসারে সাক্ষ্য দানে যোগ্য। । বার্ধক্যের কারণে প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের উপযুক্ত না। কিন্তু কোন ব্যক্তি বয়স্ক হওয়ার পরও যদি তার জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের যুক্তিযুক্ত উত্তর প্রদানে সক্ষম হয়, তাহলে সেও সাক্ষ্য প্রদানে উপযুক্ত।

অর্থাৎ বার্ধক্যের কারণে যিনি প্রশ্ন বুঝতে অক্ষম, তিনি সাক্ষ্য প্রদান করতে উপযুক্ত নন। তবে, একজন শিশু, শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি বা মানসিকভাবে বিকৃত ব্যক্তি, যদি আদালতের মতে তারা প্রশ্ন বুঝতে এবং যৌক্তিক উত্তর দিতে সক্ষম হন, তবে তারা সাক্ষ্য দিতে সক্ষম বা যোগ্য সাক্ষী।
-------------------
⇒ The Evidence Act, Section-118. Who may testify:
- All persons shall be competent to testify unless the Court considers that they are prevented from understanding the questions put to them, or from giving rational answers to those questions, by tender years, extreme old age, disease, whether of body or mind, or any other cause of the same kind. 
Explanation.–A lunatic is not incompetent to testify, unless he is prevented by his lunacy from understanding the questions put to him and giving rational answers to them.
৬৬.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় বিশেষজ্ঞের মতামত (Expert Opinion) এর বিধান আছে?
  1. ৪২ ধারা
  2. ৪৫ ধারা
  3. ৫২ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার বিধান: বিশেষজ্ঞদের মতামত (Expert Opinion):-
যখন আদালতকে বিদেশী আইন, বা বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড, বা চারুকলা, বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ বা পায়ের ছাপের বা হাতের তালুর ছাপ বা চোখের আইরিসের ছাপ বা টাইপ রাইটিং বা ব্যবসায়িক প্রথা ব্যবহার বা টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয় তখন বিশেষভাবে দক্ষ ব্যক্তির এই ধরনের বিদেশী আইন, বিজ্ঞান, শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ বা ডিজিটাল রেকর্ড বা চারুকলায় বা হাতের লেখা বা আঙ্গুলের ছাপ, পায়ের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, টাইপ রাইটিং, ব্যবসায়িক প্রথা, টেকনিক্যাল শব্দ বা ব্যক্তি বা প্রাণীর পরিচয় শনাক্তের প্রশ্নে অভিমত অনুরূপ প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক বিষয়। এই ধরনের ব্যক্তিদের বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

⇒  Expert Opinion আদালতের জন্য বাধ্যকর নয়, এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। এটি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু অনুসমর্থন প্রকৃতির। অর্থাৎ অন্যান্য সাক্ষ্যের সাথে মিলিয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
---------
⇒ The Evidence Act, Section- 45. Opinion of Experts:
- When the Court has to form an opinion upon a point of foreign law, or of science, physical or forensic evidence or digital record, or art, or as to identity of hand writing or finger impression or footprint or palm impression or iris impression or typewriting or usage of trade or technical terms or identity of person or animal, the opinion upon that point of person specially skilled in such foreign law, science, physical or forensic evidence or digital record or art, or in questions as to identity of handwriting or finger impression, footprint, palm impression, typewriting, usage of trade, technical term or identity of person or animal, as the case may be, are relevant facts.
Such persons are called experts.
৬৭.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর কত ধারার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে না?
  1. ৫ ধারা
  2. ১৫ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
- বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
- চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
- বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
- সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
------------
⇒ Limitation Act Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special  law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৬৮.
তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুযায়ী, একটি মামলা দায়ের করতে হলে, প্রতিবন্ধকতার অবসানের পর কত সময়ের মধ্যে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬-৭ ধারায় মামলা করার অধিকার সৃষ্টির সময় বাদী legal disability তে আক্রান্ত থাকলে তখন তামাদির মেয়াদ গণনা বন্ধ রাখার বিধান আছে। কিন্তু তামাদি আইনে ৮ ধারায় বলা আছে এই বিধান অগ্রক্রয়ের আবেদন বা মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম: ৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
উদাহরণ:
(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।
----------------
⇒ The Limitation Act:- Section 8: Special exceptions:
- Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৬৯.
তামাদি আইনের কোন ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) সরাসরি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৫ ধারা
  2. ৬ ধারা
  3. ৮ ধারা
  4. ৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে।
যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
- তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section 6. Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908. 
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply. 
 
Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority. 
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease. 
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
৭০.
তামাদি আইনের ১৯ ধারা অনুসারে, নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনার জন্য কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. প্রাপ্তি স্বীকার লিখিত হতে হবে
  2. প্রাপ্তি স্বীকার স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. প্রাপ্তি স্বীকার তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে,
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে,
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
-------------------------
⇒ The Limitation Act:- Section-19. Effect of acknowledgement in writing:

(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 

Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time 
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৭১.
তামাদি আইনের ১৭ ধারা মূলত কোন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে?
  1. নাবালকত্ব
  2. মৃত্যুর প্রভাব
  3. বৈধ অপারগতা
  4. লিখিত প্রাপ্তি স্বীকার
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর প্রভাব
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনের ১৭ ধারা মূলত মৃত্যুর প্রভাবের ওপর আলোকপাত করে। 

⇒ তামাদি আইনের ১৭ ধারার বিধান মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

-এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।
---------------------
⇒ The Limitation Act- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.ঃ
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
৭২.
তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
→ তামাদি আইনে যেসব দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই, সেগুলোর তামাদি মেয়াদ ৩ বছর।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৭৩.
তামাদি আইনের ২৩ ধারার অধীনে কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত ধারা শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
  2. অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি ঘটলেও তামাদি মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে।
  3. চুক্তি একবার ভঙ্গ হলে, মামলার কারণ একটি সময়েই সীমাবদ্ধ থাকে।
  4. অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর:
অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারায় অবিরামভাবে চুক্তি ভঙ্গ বা অনিষ্টের ফলাফল (Continuing breaches and wrongs) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ ধারাটি বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, এমন কিছু চুক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যা লংঙ্ঘন করা হলে প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণ উদ্ভব হয়ে থাকে। এছাড়া চুক্তি বহির্ভূত এমন কিছু ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে যা প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এ সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নতুন করে বৃদ্ধি পায়।
- অর্থাৎ কোন চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করা হতে থাকলে বা অবিরত অন্যায় আচরণ অব্যাহত রাখা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রতি মুহূর্তেই নতুন ভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
---------------
⇒ The Limitation Act- Section 23.Continuing breaches and wrongs:
- In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৭৪.
তামাদি আইনের ২৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য হয় কোন প্রেক্ষিতে?
  1. দলিলের বৈধতা প্রমাণ করতে
  2. দলিলের মূল্যের হিসাব করতে
  3. দলিলে উল্লেখিত সময় গণনা করতে
  4. দলিলের পক্ষসমূহ নির্ধারণ করতে
সঠিক উত্তর:
দলিলে উল্লেখিত সময় গণনা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলে উল্লেখিত সময় গণনা করতে
ব্যাখ্যা
⇒ দলিলে উল্লিখিত সময়ের গণনা (Computation of Time mentioned in instruments )- তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লিখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে।
- তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচিত হবে।
-----------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
- All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar.
৭৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে চুক্তি বাতিলের মামলা দায়েরের সময়সীমা তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১১২
  2. অনুচ্ছেদ-১১৩
  3. অনুচ্ছেদ-১১৪
  4. অনুচ্ছেদ-১১৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ এর বিধান: চুক্তি প্রত্যাহার করার (For recession of a contract] মামলা ।
-সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারায় চুক্তি রদের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১১৪ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

- যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার‌ প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হয় তখন থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।
৭৬.
বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদটি 'লিঙ্গ বৈষম্য বিরোধী'?
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ
  2. ২৮ অনুচ্ছেদ
  3. ২৯ অনুচ্ছেদ
  4. ৩০ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৮ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর  অনুচ্ছেদ - ২৮ এর বিধান: শুধুমাত্র লিঙ্গের কারণে কোনো নারীকে আইনজীবী হিসেবে ভর্তির যোগ্যতা অর্জনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না।
-------------
⇒  The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article 28. No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
৭৭.
বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১০ অনুসারে, বার কাউন্সিল কোন কার্যটি করবে?
  1. বার কাউন্সিলের ফান্ড ব্যবস্থাপনা করা
  2. বার কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন
  3. আইনজীবীদের পেশাগত আচরণের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 Article-10:
-Subject to the provisions of this Order and the rules made thereunder the functions of the Bar Council shall be-
(a) to admit persons as advocates on its roll, to hold examinations for purposes of admission, and to remove advocates from such roll;
(b) to prepare and maintain such roll;
(c) to lay down standard of professional conduct and etiquette for advocates;
(d) to entertain and determine cases of misconduct against advocates on its roll and to order punishment in such cases;
(e) to safeguard the rights, privileges and interests of advocates on its roll;
(f) to manage and invest the funds of the Bar Council;
(g) to provide for the election of its members;
(h) to lay down the procedure to be followed by its committees;
(i) to promote legal education and to lay down the standards to such education in consultation with the universities in Bangladesh imparting such education;
(j) to perform all other functions conferred on it by or under this Order;
(k) to do all other things necessary for discharging the aforesaid functions.
৭৮.
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী 'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব' কোন কর্তব্যের অন্তর্গত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী, "মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব" আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের অন্তর্গত। এর মাধ্যমে আইনজীবী আদালতের মর্যাদা রক্ষা ও বিচার প্রক্রিয়ায় সঠিক ভূমিকা পালন করতে দায়িত্ববান হন।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।