পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
Exam - 77 General Knowledge: Topic: Science (Important and Basics) (বিগত সালের ব্যাংক ও বিসিএসের প্রশ্ন দেখুন)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
A diode primarily allows current to flow in:
  1. One direction
  2. Both directions
  3. Alternating directions
  4. No direction
ব্যাখ্যা

• ডায়োড হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা মূলত বিদ্যুৎ প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহকে চলতে দেয় এবং বিপরীত দিকে প্রবাহকে বাধা দেয়। এজন্য ডায়োডকে আমরা “একদিক প্রবাহক” বলি। ডায়োডের এই বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়, যেমন এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করা, ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ, সিগন্যাল ডিটেকশন ইত্যাদি। সাধারণত এর ভেতরে একটি পি-এন জাংশন থাকে যা প্রবাহের দিক নির্ধারণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো— ক) One direction, কারণ ডায়োড কেবলমাত্র একদিকে বিদ্যুৎ প্রবাহকে চলতে দেয়।

ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি (AC) প্রবাহকে ডিসি (DC) প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
What is the minimum gap needed between the original sound and the reflected sound to perceive an echo?
  1. 1 second
  2. 0.05 second
  3. 0.5 second
  4. 0.1 second
ব্যাখ্যা

• ইকো বা প্রতিধ্বনি তখনই শোনা যায় যখন মূল শব্দ এবং প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যবধান থাকে। মানব কানে দুটি শব্দকে আলাদা করে শোনার জন্য প্রয়োজন অন্তত 0.1 সেকেন্ড ব্যবধান। শব্দ বাতাসে প্রায় 340 মিটার/সেকেন্ড বেগে চলাচল করে, তাই 0.1 সেকেন্ডে এটি প্রায় 34 মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। প্রতিফলিত শব্দকে আলাদা করে শোনার জন্য শব্দকে অন্তত 17 মিটার দূরে কোনো পৃষ্ঠে গিয়ে প্রতিফলিত হতে হয়, কারণ এটি যাওয়া-আসা মিলিয়ে 34 মিটার পথ পাড়ি দেয়। তাই প্রতিধ্বনি শোনার ন্যূনতম সময় ব্যবধান হলো 0.1 সেকেন্ড।

শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং, প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- ০°C বা ২৭৩K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি ৩৩২ms-1
- ০°C বা ২৭৩ K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব ০.৩ m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো- শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m (০°C বা ২৭৩ K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Galileo concluded that heavier and lighter objects fall __________ if air resistance is negligible.
  1. Faster
  2. Slower
  3. Equally
  4. Randomly
ব্যাখ্যা

• গ্যালিলিও প্রমাণ করেছিলেন যে, ভারী ও হালকা বস্তুর পতন ভিন্ন গতিতে ঘটে না, বরং তারা সমানভাবে পড়ে যদি বায়ুর বাধা বা প্রতিরোধ না থাকে। তার পূর্বে অনেকে বিশ্বাস করত যে ভারী বস্তু দ্রুত পড়ে এবং হালকা বস্তু ধীরে পড়ে। কিন্তু গ্যালিলিও পরীক্ষার মাধ্যমে দেখালেন, পতনের হার ভরের উপর নির্ভর করে না, বরং মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে সব বস্তু একই হারে নিচে নামে। এই ধারণা পরবর্তীতে নিউটনের সূত্র প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুতরাং, উত্তর হলো— গ) Equally.

পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে গ্যালিলিওর সূত্র: 
- কোনো বস্তু উপর থেকে নিচে পড়ার সময় সরাসরি মাটির দিকে পড়তে থাকে। 
- বস্তুর এই খাড়াভাবে পতনের কারণ অভিকর্ষ বা পৃথিবীর আকর্ষণ বল। 
- ইটালীর বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ১৫৮৯ খ্রিষ্টাব্দে পিসা শহরে ১৮০ ফুট উঁচু মিনারের ছাদ থেকে একই সাথে একটি ভারী ও একটি হালকা বস্তুকে নিচে ফেলে দিয়ে প্রমাণ করেন যে, বস্তুদ্বয় প্রায় একই সময়ে মাটিতে পড়ে। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণ ভরের উপর নির্ভরশীল নয়। তাই নিচে পড়ার সময়, ভারী ও হালকা বস্তুর ত্বরণ একই হবে এবং বস্তুদ্বয় একই সময়ে মাটিতে পড়বে। 
- পড়ন্ত বস্তুর সূত্রগুলো স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধার পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
- গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে তিনটি সূত্র দেন। 
যেমন- 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 
 
দ্বিতীয় সূত্র: 
- বাঁধাহীন পথে পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময় পর প্রাপ্ত বেগ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ t. 
 
তৃতীয় সূত্র: 
- বাঁধাহীন পথে পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্ব সময়ের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∝ t2
 
উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
The Heisenberg Uncertainty Principle is most closely related to which concept?
  1. Gravity
  2. Quantum indeterminacy
  3. Classical mechanics
  4. Determinism
ব্যাখ্যা

• হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি মূলত কোয়ান্টাম অনির্ধারকতা (Quantum indeterminacy) ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই নীতি অনুযায়ী, কোনো কণার অবস্থান ও ভরবেগ একই সঙ্গে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা অসম্ভব। যত বেশি নির্ভুলভাবে অবস্থান মাপা হয়, তত কম নির্ভুলভাবে ভরবেগ জানা যায়, এবং বিপরীতটিও সত্য। এটি প্রমাণ করে যে কোয়ান্টাম স্তরে কণার আচরণ নির্দিষ্ট নয়, বরং সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে। ফলে, মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জগতে ঘটনাগুলো পূর্বনির্ধারিত না হয়ে সম্ভাবনামূলকভাবে ঘটে থাকে। এই কারণে অনিশ্চয়তা নীতি ধ্রুপদী পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ে কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।

হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি (Uncertainty Principle): 
- জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ভার্নার হাইজেনবার্গ ১৯২৭ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- কোনো কণার অবস্থান (position) এবং বেগ/ভরবেগ (velocity/momentum) একসাথে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। প্রকৃতিতে “একই সাথে সঠিক অবস্থান ও সঠিক ভরবেগ”-এর ধারণাটির কোনো বাস্তব অর্থ নেই।
- পরমাণু বা পরমাণু কণার (যেমন: ইলেকট্রন) ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। ইলেকট্রনের বেগ নির্ণয় করতে গেলে অবস্থান পরিবর্তিত হয়, আর অবস্থান মাপতে গেলে বেগের তথ্য অনিশ্চিত হয়।
- অনিশ্চয়তা নীতির ধারণা থেকেই তৈরি হয়েছে কণা ত্বরক বা পার্টিকল অ্যাকসিলারেটর যন্ত্র। যেমন সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার।

গাণিতিক রূপ:
Δx⋅Δp ≥ h/4π

এখানে, 
Δx = অবস্থান নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
Δp = ভরবেগ নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 

.
Newton’s First Law of Motion is also known as:
  1. Law of Action-Reaction
  2. Law of Gravitation
  3. Law of Acceleration
  4. Law of Inertia
ব্যাখ্যা

• নিউটনের প্রথম গতি সূত্রকে জড়তার সূত্র (Law of Inertia) বলা হয়। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তু বাহ্যিক বল প্রয়োগ না হলে স্থির অবস্থায় থাকলে স্থিরই থাকবে এবং গতি অবস্থায় থাকলে একই বেগে ও একই দিকে চলতে থাকবে। অর্থাৎ কোনো বস্তুর গতির পরিবর্তন ঘটাতে হলে অবশ্যই বাহ্যিক বল প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, একটি বল মাটিতে গড়াতে থাকলে ঘর্ষণ ও বায়ুরোধ না থাকলে সেটি অনন্তকাল গড়াতে পারত। কিন্তু ঘর্ষণ বলের কারণে তা থেমে যায়। এভাবে নিউটনের প্রথম সূত্র আমাদের জড়তা ও বাহ্যিক বলের সম্পর্ক বোঝায়। সঠিক উত্তর: ঘ) Law of Inertia.

নিউটনের গতি বিষয়ক প্রথম সূত্র: 
প্রথম সূত্র: “বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে- 
(১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং 
(২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 

- সুতরাং দেখা যায় যে, গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তার ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চায়, বস্তুর এ প্রবণতাকে জড়তা বলে। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- সূত্রটিকে অন্যভাবেও বলা যায়, যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতি অবস্থার পরিবর্তন হবে না। 
- অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

অন্যদিকে,
• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো বলের সূত্র।
• নিউটনের তৃতীয় সূত্রটি হলো বলের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত সূত্র। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of these is an alternative fuel to CNG?
  1. LPG
  2. Coal
  3. Wood
  4. Diesel
ব্যাখ্যা

• সিএনজি (Compressed Natural Gas) হলো পরিবেশবান্ধব একটি জ্বালানি। এর বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলপিজি (Liquefied Petroleum Gas) ব্যবহার করা যেতে পারে। এলপিজি মূলত প্রোপেন এবং বুটেনের মিশ্রণ, যা গ্যাসীয় অবস্থায় ব্যবহার করা হয়। এটি সহজে সংরক্ষণযোগ্য, পরিষ্কার দাহ হয় এবং পরিবেশে কম দূষণ ছড়ায়। অন্যদিকে কয়লা ও কাঠ পুড়লে বেশি ধোঁয়া এবং কার্বন নির্গত হয়, যা দূষণ সৃষ্টি করে। ডিজেল একটি তরল জ্বালানি, যা সাধারণত যানবাহনের ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি সিএনজি বা এলপিজির তুলনায় বেশি দূষণ করে। তাই এলপিজি হলো সিএনজির একটি উপযুক্ত বিকল্প।

• সিএনজি:
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas.
- CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ  - মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে।
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি।
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Iodine-131 is a:
  1. Stable halogen
  2. Radioiodine
  3. Inert iodine
  4. Iodate compound
ব্যাখ্যা

• Iodine-131 হল একটি Radioiodine, অর্থাৎ এটি একটি তেজস্ক্রিয় আয়োডিন সমজাতীয় পদার্থ। এটি প্রাকৃতিক আয়োডিনের মতই রাসায়নিকভাবে কাজ করে, কিন্তু এর নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল এবং তেজস্ক্রিয় বিকিরণ (বিটা ও গামা রশ্মি) নিঃসরণ করে। মেডিসিনে Iodine-131 প্রধানত থাইরয়েড রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়, যেমন হাইপারথাইরয়ডিজম বা থাইরয়েড ক্যান্সারের চিকিৎসায়। এটি শরীরে থাইরয়েড গ্রন্থিতে জমা হয় এবং স্থানীয়ভাবে বিকিরণ ছাড়ায় প্রভাবিত কোষ ধ্বংস করে। এই কারণে Iodine-131 একটি গুরুত্বপূর্ণ রেডিওনুক্লিয়াইড ও থেরাপিউটিক উপাদান, যা স্বাস্থ্যসেবা ও গবেষণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) Radioiodine.

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

.
Scopolamine is sometimes referred to as:
  1. Blue Lotus
  2. Happy Leaf
  3. Angel’s Dust
  4. Devil’s Breath
ব্যাখ্যা

• Scopolamine একটি শক্তিশালী অ্যান্টিকোলিনার্জিক ড্রাগ যা প্রায়শই মেডিকেল ব্যবহারে যেমন ভ্রমণজনিত বমি বা মরণভীতি কমাতে ব্যবহৃত হয়। তবে, এর অজানা বা ভুল ব্যবহার অত্যন্ত বিপজ্জনক। এই ড্রাগকে কখনও কখনও “Devil’s Breath” বলা হয়, যা মূলত তার অতিরিক্ত প্রয়োগে মানুষের ইচ্ছা বা সচেতনতা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতার কারণে। এটি ব্যবহারকারীর মনে বিভ্রান্তি, স্মৃতি ক্ষয় এবং অচেতন অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। অনেক সময় অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে এই ড্রাগ ব্যবহৃত হয়, যেমন কারো থেকে সম্পত্তি ছিনতাই করা বা অপরাধে যুক্ত করা। তাই এর ব্যবহার শুধুমাত্র নির্দিষ্ট চিকিৎসাজনিত পরিস্থিতিতেই নিরাপদ।

সঠিক উত্তর: ঘ) Devil’s Breath.

শয়তানের নিশ্বাস বা ডেভিলস ব্রেথ: 
- ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা স্কোপোলামিন এক ধরনের ড্রাগ, যা ধুতরা ফুল থেকে তৈরি করা হয়।  
- এটি মানুষকে সম্মোহিত বা বশ করে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এটি ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। 
- স্কোপোলামিন তরল ও পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায় এবং শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে দ্রুত কাজ করে। 
- অপরাধীরা এটি ব্যবহার করে ব্যক্তির মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নেয়।
- এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, অস্থিরতা, এমনকি হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। 
- নিরাপত্তার জন্য অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সতর্ক থাকা জরুরি। 
- প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে এবং মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [link]

.
The most species-rich group in the animal kingdom is:
  1. Echinodermata
  2. Arthropoda
  3. Porifera
  4. Cnidaria
ব্যাখ্যা

• প্রাণিজগতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রজাতি-সমৃদ্ধ গ্রুপ হলো আর্থ্রোপোডা (Arthropoda)। এ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীরা হলো পোকা, ক্রাস্টেসিয়ান, আর্কেনিড এবং মিলিপেডের মতো বিভিন্ন ধরণের প্রাণী। তাদের দেহ সাধারণত সেগমেন্টেড এবং এক্সোস্কেলিটন দ্বারা আবৃত থাকে, যা তাদের সুরক্ষা দেয় এবং চলাচল সহজ করে। আর্থ্রোপোডরা পৃথিবীর প্রায় সব পরিবেশে বাস করে, মাটি, জল এবং বাতাসে তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এদের বৈচিত্র্য এবং অভিযোজন ক্ষমতার কারণে তারা প্রাণিজগতের সবচেয়ে বিস্তৃত ও প্রজাতি-সমৃদ্ধ গ্রুপ। প্রায় ১০ লাখেরও বেশি প্রজাতি এই গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

আর্থ্রোপোডা (Arthropoda): 
- Arthro শব্দের অর্থ সন্ধি, Poddos শব্দের অর্থ পা। এই শব্দ দুটি থেকে এই পর্বের নামকরণ করা হয়েছে। 
- আর্থ্রোপোডা পর্বটি প্রাণিজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্ব। 
- এরা পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র সকল পরিবেশে বাস করতে সক্ষম। 
- এদের বহু প্রজাতি অন্তঃপরজীবী ও বহিঃপরজীবী হিসেবে বাস করে। 
- বহু প্রাণী স্থলে, স্বাদু পানিতে ও সমুদ্রে বাস করে। 
- এ পর্বের অনেক প্রজাতির প্রাণী ডানার সাহায্যে উড়তে পারে। 

সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
- দেহ মন্তক, বক্ষ ও উদর এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান।
- মাথায় একজোড়া পুঞ্জাক্ষি ও অ্যান্টেনা থাকে। 
- নরম দেহ কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত। 
- ম্যালপিজিয়ান নালিকা নামক রেচন অঙ্গ বিদ্যমান। 
- দেহের রক্তপূর্ণ গহ্বর হিমোসিল নামে পরিচিত। 
উদাহরণ: প্রজাপতি, চিংড়ি, আরশোলা ও কাঁকড়া ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১০.
The green plastid that contains chlorophyll is called:
  1. Chloroplast
  2. Chromoplast
  3. Leukoplast
  4. Etioplast
ব্যাখ্যা

• সবুজ রঙ্গক ক্লোরোফিল ধারণকারী প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast) বলা হয়। এটি উদ্ভিদ এবং শৈবাল কণিকায় পাওয়া যায় এবং প্রধানত সূর্যালোক থেকে শক্তি সংগ্রহ করে খাদ্য প্রস্তুত করে, যা ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। ক্লোরোপ্লাস্টে থাকা ক্লোরোফিল পিগমেন্টটি সবুজ রঙ প্রদান করে এবং আলো শোষণ করে। এটি কোষের শক্তি উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি সূর্যের শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে থাইলাকয়েড, স্ট্রোমা এবং গ্রানা থাকে, যা ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়াকে কার্যকর করে। তাই, উদ্ভিদ কোষের সবুজ রঙ এবং খাদ্য উৎপাদনের মূল কেন্দ্র হলো ক্লোরোপ্লাস্ট।

প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- 
 ১। ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 
 
২। ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটি হলুদ, কোনটি নীল আবার কোনটি লাল দেখায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 
 
৩। লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১.
Which disease is bacterial in nature?
  1. Malaria
  2. Ringworm
  3.  Anthrax 
  4. AIDS
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট রোগ হল Anthrax। এটি একটি সংক্রামক রোগ যা মূলত প্রাণী ও মানুষ উভয়কেই প্রভাবিত করে। রোগটি Bacillus anthracis নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায়। Anthrax প্রধানত পশুর চামড়া, পশুর মাংস বা সংক্রমিত পরিবেশের মাধ্যমে মানুষকে সংক্রমিত করে। অন্যদিকে, Malaria হলো পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট রোগ, Ringworm হলো ফাঙ্গাস বা ছত্রাকজনিত রোগ, এবং AIDS হলো ভাইরাসজনিত রোগ। তাই, প্রদত্ত চারটির মধ্যে শুধুমাত্র Anthrax হলো ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সৃষ্ট। এটি দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা না করলে গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে।

• ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি। 

• ভাইরাস জনিত রোগ: 
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: জন্ডিস, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২.
The disease rickets, which affects bone development in children, occurs due to deficiency of:
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin B6
ব্যাখ্যা

• রিকেটস একটি শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধি ও বিকাশকে প্রভাবিত করা রোগ। এটি মূলত তখন ঘটে যখন দেহে ভিটামিন ডি-এর অভাব থাকে। ভিটামিন ডি হাড়কে শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। যখন শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি পায় না, তখন হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়, ফলে হাড় বাঁকানো বা বিকৃত হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে পায়ের হাড়ের বাঁক, স্তনের হাড়ের বৃদ্ধি সমস্যা, দাঁতের দেরী বিকাশ এবং পেশীতে দুর্বলতা। সঠিক খাদ্য, যেমন দুধ, ডিম, এবং সূর্যের আলো ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করতে সহায়ক। তাই রিকেটস প্রতিরোধে ভিটামিন ডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। 
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
- যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩.
What happens to light when it reaches the event horizon of a black hole?
  1. It accelerates out
  2. It bends and escapes
  3. It reflects back
  4. It gets trapped
ব্যাখ্যা

• যখন কোনো আলো একটি ব্ল্যাক হোলের ইভেন্ট হরাইজনের কাছে পৌঁছায়, তখন এটি অবলম্বন করে চরম মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব। ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ এতই প্রবল যে আলোও পালাতে পারে না। কোনো আলো বা পদার্থ একবার ইভেন্ট হরাইজনের ভেতরে ঢুকে গেলে তা চিরতরে ব্ল্যাক হোলের মধ্যে আটকে যায়। এটি আলোর গতি কমায় না, কিন্তু তার পথ সম্পূর্ণভাবে ব্ল্যাক হোলের কেন্দ্রে আকৃষ্ট হয়। তাই ইভেন্ট হরাইজনের অতিক্রম করা আলো কোনোভাবেই বের হতে পারে না, প্রতিফলিত হয় না এবং কোনোভাবে বাইরে ছড়াতে পারে না। সুতরাং, আলো সেই স্থানে আটকে যায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) It gets trapped.

কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অভ্যন্তরে অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। 
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। 
- নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, এমনটি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
Which region is known as the “Ring of Fire,” where many tsunamis originate?
  1. South Atlantic
  2. Pacific Ocean
  3. Mediterranean Sea
  4. Arctic Circle
ব্যাখ্যা

• “Ring of Fire” হলো পৃথিবীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের চারপাশে অবস্থিত একটি অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল। এই অঞ্চলে অনেকগুলি টেকটনিক প্লেট একে অপরের সাথে সংঘর্ষ করে, যার ফলে এখানে বারংবার ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি সৃষ্টির ঘটনা ঘটে। একই কারণে, এই অঞ্চলটি সুনামি উৎপত্তির জন্যও পরিচিত। প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলবর্তী দেশগুলো যেমন জাপান, ইন্দোনেশিয়া, চিলি ও ফিলিপাইনস প্রায়শই এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। তাই “Ring of Fire” মূলত Pacific Ocean সংলগ্ন অঞ্চলকে বোঝায়।

উত্তর: খ) Pacific Ocean.

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
What provides the extreme temperature and pressure required for fusion in a hydrogen bomb?
  1. Solar energy
  2. Magnetic confinement
  3. Fission bomb explosion
  4. Electric current
ব্যাখ্যা

• হাইড্রোজেন বোমা বা থার্মোনিউক্লিয়ার বোমার মধ্যে নিউক্লিয়ার ফিউশন ঘটানোর জন্য অত্যন্ত উষ্ণতা ও চাপের প্রয়োজন হয়। এই চরম অবস্থার জন্য সরাসরি সৌর শক্তি, চুম্বকীয় আবদ্ধকরণ বা বৈদ্যুতিক ধারা যথেষ্ট নয়। বরং, একটি ছোট ফিশন বিক্রিয়ার বিস্ফোরণকে প্রাথমিক উত্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ফিশন বিক্রিয়ার মুহূর্তে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে, যা তাপ এবং চাপের চরম পরিবেশ সৃষ্টি করে। এই চরম পরিবেশ হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসকে একত্রিত করে ফিউশন প্রতিক্রিয়া ঘটায়, যার ফলে আরও বিশাল শক্তি উৎপন্ন হয়। তাই হাইড্রোজেন বোমার ফিউশনের জন্য মূল উৎস হলো ফিশন বোমার বিস্ফোরণ। উত্তর: গ) Fission bomb explosion.

ফিউশন বিক্রিয়া (Fusion Reaction):
- ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্য শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া হলো নক্ষত্রগুলোর প্রধান শক্তি উৎস এবং হালকা মৌলগুলোর নিউক্লোসিনথেসিসের (নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ) প্রধান প্রক্রিয়া।
- ১৯৩০-এর দশকে হান্স বেতে প্রথম হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসের ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ডিউটেরিয়াম গঠনের ফলে বিশাল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় বলে চিন্তাধারা উপস্থাপন করেন।
- এই বিক্রিয়ার ক্রমাগত সংঘটনের ফলে হিলিয়াম তৈরি হয়, যা সাধারণ নক্ষত্রগুলোর (যেমন সূর্য) মূল শক্তির উৎস।
- ফিউশন বিক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে নক্ষত্রের কেন্দ্রীয় প্লাজমার তাপমাত্রা ১৫,০০০,০০০ কে (কেলভিন) বা তার কম হতে হয়।
- হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো একত্রে মিশে হিলিয়ামে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া বিশ্বের শক্তি উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

অন্যদিকে,
ফিশন বিক্রিয়া (Fission):
- একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক ছোট নিউক্লিয়াস তৈরি হয়, যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর বিভাজন।

উৎস: Britannica.