পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ৪ পরীক্ষার টপিক: ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ১২তম বি.সি.এস. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। [উপরোক্ত বিসিএসের মূল পরীক্ষার প্রশ্নগুলো Live MCQ আর্কাইভ থেকে উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ ভালোভাবে পড়ে নিন। মূল প্রশ্ন মডিফাই করে রিভিশন পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণীত হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১০০ প্রশ্ন

.
'আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
  1. যুগ-বাণী
  2. রুদ্র-মঙ্গল
  3. দুর্দিনের যাত্রী
  4. রাজবন্দির জবানবন্দি  
সঠিক উত্তর:
রুদ্র-মঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্র-মঙ্গল
ব্যাখ্যা

আমার পথ:
- 'আমার পথ' প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের ‘রুদ্র-মঙ্গল’ প্রবন্ধগ্রন্থের দ্বিতীয় প্রবন্ধ।
- রুদ্র-মঙ্গল গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে।
- গ্রন্থটিতে মোট ৮টি প্রবন্ধ রয়েছে।

‘আমার পথ’ প্রবন্ধের অংশবিশেষ:
‘আমার এই যাত্রা হল শুরু ওগো কর্ণধার, তোমারে করি নমস্কার ।
মাভৈঃ বাণীর ভরসা নিয়ে' ‘জয় প্রলয়ঙ্কর' বলে ‘ধূমকেতু’কে রথ করে আমার আজ নতুন পথে যাত্রা শুরু হল। আমার কর্ণধার আমি। আমায় পথ দেখাবে আমার সত্য। আমার যাত্রা শুরুর আগে আমি সালাম জানাচ্ছি—নমস্কার করছি আমার সত্যকে। যে-পথ আমার সত্যের বিরোধী, সে পথ ছাড়া আর কোনো পথই আমার বিপথ নয়! রাজভয়— লোকভয় কোনো ভয়ই আমায় বিপথে নিয়ে যাবে না। আমি যদি সত্যি করে আমার সত্যকে চিনে থাকি, আমার অন্তরে মিথ্যার ভয় না থাকে, তা হলে বাইরের কোন ভয়ই আমার কিছু করতে পারবে না । যার ভিতরে ভয়, সে-ই বাইরে ভয় পায়।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- নজরুল ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের  ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।

কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ - যুগবাণী।
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ: 
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- রুদ্র মঙ্গল,
- মন্দির ও মসজিদ,
- আমি সৈনিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং কাজী নজরুল রচিত 'আমার পথ' প্রবন্ধ।

.
কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
  1. ঠগী
  2. সংবাদ
  3. পাঠক
  4. হিমালয়
সঠিক উত্তর:
পাঠক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঠক
ব্যাখ্যা

• 'পাঠক ' শব্দটির সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো √পঠ্ + অক ।
এটি একটি সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয়।

এরূপ আরো কিছু সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় এর উদাহরণ হলো-
- √কৃ + অক = কারক
- √নী + অক = নায়ক
- √শ্রু + অক = শ্রাবক
- √নৃৎ + অক= নর্তক
- √স্মৃ + অক = স্মারক

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ

.
নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ?
  1. ইছামতি
  2. মেঘমল্লার
  3. অপরাজিতা
  4. দৃষ্টিপ্রদীপ
সঠিক উত্তর:
মেঘমল্লার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘমল্লার
ব্যাখ্যা

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে চব্বিশ পরগনায় মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা কথা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত শেষ উপন্যাস ‘ইছামতী’ প্রকাশিত হয় ১৯৫০ সালে।
- মানুষের জীবনের কথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৪৯) লাভ করেন।
- ১৯৫০ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিতা,
- আরণ্যক,
- ইছামতী,
- দৃষ্টিপ্রদীপ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোট গল্পগ্রন্থ:
- মেঘমল্লার,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- কিন্নরদল । 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ইছামতি, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

.
বিখ্যাত 'নীলকর' কবিতাটি কে রচনা করেন?
  1. দীনবন্ধু মিত্র
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. হরিশচন্দ্র মুখার্জী
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

• 'নীলকর' কবিতা:
'সংবাদ প্রভাকর’ এ মহারাণী ভিক্টোরিয়াকে সম্বোধন করে ‘নীলকর’ নামে ব্যঙ্গাত্মক কবিতা লিখেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। এই কবিতাটির মাধ্যমে তিনি সে সময়কার নীলকরদের শোষণ ও অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরেছেন, যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী একটি প্রকাশ।

কবিতার কিছু অংশ হলো-

নীলকর
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষা গরু
শিখিনি শিং বাকানো ,
কেবল খাব খোল বিচালী ঘাস।
যেন রাঙা আমলা, তুলে মামলা,
গামলা ভাঙ্গে না;
আমরা ভুসি পেলেই খুশি হব,
ঘুসি খেলে বাঁচব না।।

• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক। 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা
প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'নীলকর' কবিতা।

.
এক কথায় প্রকাশ করুন- 'যা প্রকাশ করা হয়নি'
  1. অউক্ত
  2. অব্যক্ত
  3. অনুক্ত
  4. অকথ্য
সঠিক উত্তর:
অব্যক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যক্ত
ব্যাখ্যা

• 'যা প্রকাশ করা হয়নি' এর এক কথায় প্রকাশ - অব্যক্ত।

এমন আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো:
- ‘যা বলা হয়েছে’ এক কথায় বলে - উক্ত।
- ‘যা বলা হবে’ এক কথায় বলে - বক্তব্য।
- ‘যা বলা হচ্ছে’ এক কথায় বলে - বক্ষ্যমাণ।
- 'যা বলা হয় নি' এর এক কথায় প্রকাশ - অনুক্ত।
- ‘যা পূর্বে শোনা যায় নি’ এক কথায় বলে - অশ্রুতপূর্ব।
- 'যা বলার যোগ্য নয়' এক কথায় বলে - অকথ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
উনিশ শতকে এক শ্রেণির লোকের স্ত্রীর প্রতি অবহেলা দেখিয়ে মদপান ও পতিতাবৃত্তিকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে-
  1. জমীদার দর্পণ
  2. বসন্তকুমারী
  3. এর উপায় কি
  4. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
সঠিক উত্তর:
এর উপায় কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর উপায় কি
ব্যাখ্যা

• 'এর উপায় কি' প্রহসন:
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত একমাত্র প্রহসন।
- উনিশ শতকে এক শ্রেণির লোক যে স্ত্রীর প্রতি অবহেলা দেখিয়ে মদ ও পতিতাবৃত্তিতে আকৃষ্ট হয়ে নানা ধরনের অনাচার ও উচ্ছৃঙ্খলতায় নিমজ্জিত হয়েছিল-লেখক এই প্রহসনে সে রকম একটি ঘটনাই তুলে ধরেছেন
- স্বামী রাধাকান্ত, স্ত্রী মুক্তকেশী, রক্ষিতা নয়নতারা, ইয়ার মদন প্রমুখ এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র।
- এই প্রহসনে মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা'র প্রভাব রয়েছে।

• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার। নিজগৃহে মুনশির নিকট আরবি ও ফারসি শেখার মাধ্যমে মশাররফ হোসেনের লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয়।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু। গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু। পরে তাঁর দ্বিতীয়া স্ত্রী বিবি কুলসুমও এক্ষেত্রে বিরাট অবদান রাখেন।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়।
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার চার বছর পর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়।

নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।

উপন্যাস:
- বিষাদ সিন্ধু।

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ কোনটি?
  1. দারোগা
  2. কলম
  3. আসমান
  4. কাগজ
সঠিক উত্তর:
কলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলম
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'কলম' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
১ কোনো শক্ত দণ্ডের প্রান্তে বল বা নিব সংযুক্ত করে তৈরি লেখনী; ঝরনাকলম।
২ নলখাগড়া পালক প্রভৃতির অগ্রভাগ ত্যারচা করে কেটে তৈরি লেখনী।

• আরবি ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:

তফসির, তবিয়ত, তম্বি, তরজমা, আমানত, আমামা, আমিন, আমির, আমিরাত, আম্বর, আয়াত, আয়েশ, আরশ, আর্জি, আলামত, আলিশান, আলেম, আশেক, আসর।

অন্যদিকে,
• ফারসি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো: 
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, দারোয়ান, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চাকর, চারপায়, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. লাঙল
  2. শিখা
  3. ধূমকেতু
  4. সওগাত
সঠিক উত্তর:
ধূমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধূমকেতু
ব্যাখ্যা

• 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা:
- কাজী নজরুল ইসলাম 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা রচনার জন্য কারাবরণ করেণ।
- ৭৯ লাইনের বৃটিশ বিরোধী এই কবিতাটিতে নজরুলের ক্ষুব্ধ মনের প্রকাশ পাওয়া যায় জ্বালাময়ী শব্দের অন্তরালে।
- 'ধূমকেতু' পত্রিকার পূজা সংখ্যায় 'আনন্দময়ীর আগমনে' (২৬ শে সেপ্টেম্বর, ১৯২২) কবিতাটি প্রকাশিত হলে কাজী নজরুল ইসলাম কুমিল্লা থেকে ৮ই নভেম্বর গ্রেফতার হন।
- এই কবিতার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাক নাম ছিল 'দুখু মিয়া'। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'বিদ্রোহী কবি'।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে 'বুলবুল' নামে খ্যাত।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশী,
- ছায়ানট,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- সিন্ধু-হিন্দোল,
- চক্রবাক,
- ফণি-মনসা,
- প্রলয়-শিখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
চতুরঙ্গ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র- 
  1. অমিত, লাবণ্য
  2. নিখিলেস, বিমলা
  3. নীরজা, আদিত্য
  4. শচীশ, দামিনী
সঠিক উত্তর:
শচীশ, দামিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শচীশ, দামিনী
ব্যাখ্যা

•'চতুরঙ্গ':
- 'চতুরঙ্গ' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
- এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'চতুরঙ্গ' উপন্যাসের চরিত্র - শচীশ, দামিনী এবং শ্রীবিলাস।
- উপন্যাসটিতে চারটি অধ্যায় রয়েছে, প্রতিটি অধ্যায়ের নামকরণ করা হয়েছে উপন্যাসের প্রধান চরিত্রদের নামে।

অন্যদিকে,
- নিখিলেস, বিমলা ঘরে বাইরে উপন্যাসের চরিত্র।
- অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল শেষের কবিতা উপন্যাসের চরিত্র।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাসে অন্যান্য চরিত্র:
- অতীন, এলা চার অধ্যায় উপন্যাসের চরিত্র।
- নীরজা, আদিত্য মালঞ্চ উপন্যাসের চরিত্র।
- গোরা, মসুচরিতা, পরেশবাবু গোরা উপন্যাসের চরিত্র।
- শর্মিলা, উর্মিলা দুইবোন উপন্যাসের চরিত্র।
- মধুসূদন, কুমোদিনী যোগাযোগ উপন্যাসের চরিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া

১০.
'আমি আজ আলবত যাব!' – বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে? 
  1. পদান্বয়ী অব্যয়
  2. অনুসর্গ অব্যয়
  3. অনন্বয়ী অব্যয়
  4. অনুকার অব্যয় 
সঠিক উত্তর:
অনন্বয়ী অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনন্বয়ী অব্যয়
ব্যাখ্যা

অনন্বয়ী অব্যয়:
- যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনাে অন্বয় বা সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে তাদেরকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
- অনন্বয়ী অব্যয় বক্তার আনন্দ, উচ্ছ্বাস, বিষাদ প্রভৃতি মনােভাব প্রকাশে সহায়তা করে।
যেমন: মরি মরি, উঃ, বটে, ছিঃ প্রভৃতি।
বাক্যে ব্যবহার: 
'মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!' - এখানে 'মরি মরি' অনন্বয়ী অব্যয়।

প্রশ্নে আলোচিত বাক্য - 'আমি আজ আলবত যাব।’
- বাক্যটিতে 'আলবত' অব্যয়টি অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা বাক্যের অন্য পদের সাথে সরাসরি সম্বন্ধ না রেখে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।

১১.
'রসুলবিজয়' কাব্য কে রচনা করেন?
  1. জৈনুদ্দীন
  2. আবদুল হাকিম
  3. ফকির গরীবুল্লাহ
  4. দৌলত কাজী
সঠিক উত্তর:
জৈনুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈনুদ্দীন
ব্যাখ্যা

জৈনুদ্দীন:
- জৈনুদ্দীন (১৫শ শতক)  মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি। তিনি ছিলেন সুফি ধারার অনুসারী; শাহ্ মোহাম্মদ খান ছিলেন তাঁর পীর। কবির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন গৌড়ের যুবরাজ ইছপ খান (ইউসুফ খান), যিনি পরে শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ (১৪৭৪-৮২) নামে গৌড়ের সুলতান হন। 
- রসুলবিজয় কাব্য রচনা করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।
- তার রচিত রসুলবিজয় যুদ্ধবিষয়ক একটি কাহিনীকাব্য।
- এতে  হযরত মুহাম্মদ (স.) ও ইরাকাধিপতি জয়কুমের মধ্যেকার দীর্ঘযুদ্ধের বর্ণনা আছে। যুদ্ধে ইসলামের বিজয় দেখানো হয়েছে।
- কাব্যটিতে রসুলের মধুর বাণী আছে বটে, কিন্তু যুদ্ধের ঘনঘটা ও শৌর্যবীর্যের যে ব্যাপক বর্ণনা আছে, তাতে কবিত্বের পরিচয় আছে কমই।
- কাব্যের উৎস ফারসি সাহিত্য হলেও কবি কোন কাব্য অনুসরণ করেছেন তা জানা যায় না।

উল্লেখ্য, অপশনে থাকা শেখ চাঁদ ও জৈনুদ্দীন - উভয়ই 'রসুল বিজয়' কাব্য রচনা করেন।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
'সওগাত' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
  2. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. কাজী আব্দুল ওদুদ
  4. সিকান্দার আবু জাফর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
ব্যাখ্যা

• 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- 'মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন'।

• 'সওগাত' পত্রিকা:
- ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) অগ্রহায়ণ মাসে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন 'বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী' নামে একটি ছোট গল্প পাঠান।
- এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।
- সওগাতের অন্যান্য প্রধান লেখক ছিলেন বেগম রোকেয়া, কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল মনসুর আহমদ এবং আবুল ফজল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৩.
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, কোন বানানটি সঠিক?
  1. তান্ডব
  2. সুনামি
  3. সর্বশান্ত
  4. জলচ্ছ্বাস
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
শুদ্ধবানান - সুনামি।
বাকিদের শুদ্ধ রূপ: জলোচ্ছ্বাস, তাণ্ডব, সর্বস্বান্ত।

সুনামি (বিশেষ্য):
শব্দের উৎস: জাপানি ভাষা।
অর্থ:
- সমুদ্রগর্ভে তীব্র ভূকম্পন বা অগ্ন্যুৎ-পাতের ফলে সমুদ্র উপকূলকে প্লাবিত করে এমন প্রবল বেগে ধেয়ে আসা জলোচ্ছ্বাস,
- বেলোর্মি।

তাণ্ডব (বিশেষ্য):
শব্দের উৎস: সংস্কৃত ভাষা।
অর্থ:
- তণ্ডুমুনি-উদ্ভাবিত নৃত্য,
- উদ্যাম নৃত্য,
- শিবের নৃত্য।
আলংকারিক অর্থ: প্রলয়ংকর ব্যাপার।

সর্বস্বান্ত (বিশেষণ):
শব্দের উৎস: সংস্কৃত ভাষা।
অর্থ: সব সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে এমন।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৪.
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে মোট কয়টি কবিতা রয়েছে?
  1. ১৩ টি 
  2. ১৭ টি 
  3. ১৯ টি 
  4. ২১ টি 
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
ব্যাখ্যা

 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ফররুখ আহমদ রচিত 'পাঞ্জেরি' কবিতাটি 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা রয়েছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি নাম কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হচ্ছে:
- সিন্দাবাদ,
- পাঞ্জেরি,
- লাশ,
- আউলাদ,
- দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
'তামসিক' শব্দের অর্থ কী?
  1. পর্ণকার
  2. মেঘাচ্ছন্ন
  3. কৌতুকপূর্ণ
  4. ঈষৎ
সঠিক উত্তর:
মেঘাচ্ছন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘাচ্ছন্ন
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'তামসিক' শব্দের অর্থ:
- অজ্ঞতাপ্রসূত,
- মেঘাচ্ছন্ন,
- তমোগুণপূর্ণ।


উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬.
বিদেশি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. নিখুঁত
  2. আনমনা
  3. অবহেলা
  4. কারখানা
সঠিক উত্তর:
কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারখানা
ব্যাখ্যা

• ফারসি উপসর্গ ‘কার’ যোগে গঠিত শব্দ- কারখানা।

অন্যদিকে,
• খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - আনমনা ও নিখুঁত।
• তৎসম উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- অবহেলা।

• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

১৭.
'ভাষার ইতিবৃত্ত' কার রচনা?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  2. মুহম্মদ আবদুল হাই
  3. সুকুমার সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সুকুমার সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা

• 'ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন - সুকুমার সেন। 

 'ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও।' মন্তব্যটি সুকুমার সেন তার 'ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থে করেছেন।

সুকুমার সেন:
-  জানুয়ারি, ১৯০০ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। 
- তিনি ১৯৬৩ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার, ১৯৮১ সালে বিদ্যাসাগর পুরস্কার লাভ করেন। 

তাঁর অন্যান্য রচনা: 
- বাংলা স্থান নাম,
- বাংলায় নারীর ভাষা,
- বাংলা সাহিত্যে গদ্য,
- ভারতীয় আর্য সাহিত্যের,
- ভারত কথার গ্রন্থিমোচন,
- রামকথার প্রাক ইতিহাস,
- বটতলার ছাপা ও ছবি,
- বনফুলের ফুলবন,
- কলকাতার কাহিনি ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষার ইতিবৃত্ত, সুকুমার সেন এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৮.
'অপলাপ' শব্দের অর্থ কী?
  1. অবমাননা
  2. তর্ক
  3. প্রলাপ
  4. অসদালাপ
সঠিক উত্তর:
অবমাননা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবমাননা
ব্যাখ্যা

• অপলাপ (বিশেষ্য পদ)।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
 
অর্থ:
- অবমাননা
- গোপন।
- মিথ্যা উক্তি ((সত্যের অপলাপ)।
- অস্বীকার (তুমি একেবারে পরিণয় পর্যন্ত অপলাপ করিতেছ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলি রচনা করেন কে?
  1. চণ্ডীদাস
  2. বিদ্যাপতি
  3. জয়দেব
  4. গোবিন্দদাস
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা

• বৈষ্ণব পদাবলি:
- বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।
- বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বা পদাবলির আদিকবি বলা হয়। তাঁর রচিত রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত 'গীতগোবিন্দম্' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায় রচিত।
- পরবর্তীতে বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।
- অবাঙালি কবি বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি বলা হয়। উনি অভিনব জয়দেব নামেও পরিচিত।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলি রচনা করেন চণ্ডীদাস।

এই কাব্যে পাঁচটি রস রয়েছে। যথা:
১. শান্তরস,
২. দাস্যরস,
৩. সখ্যরস,
৪. বাৎসল্যরস ও
৫. মধুররস।
['শৃঙ্গার রস'কে মধুররস বলে।]

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

২০.
'ঢাকের বাঁয়া' বাগধারাটির অর্থ-
  1. অকেজো
  2. প্রচার করা
  3. মোসাহেব
  4. তোষামুদে
সঠিক উত্তর:
অকেজো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকেজো
ব্যাখ্যা

• 'ঢাকের বাঁয়া' অর্থ - অকেজো।
বাক্য: দায়িত্ব দু'জনের ওপর থাকলে কী হবে, মামুন তো ঢাকের বাঁয়া।

এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা হলো:
• 'ঢাকের কাঠি' বাগ্‌ধারার অর্থ- মোসাহেব / তোষামুদে / চাটুকার।
- বাক্য: ঢাকের কাঠির কথায় বাড়াবাড়ি করা ভালো নয়।

• 'ঢেঁকির কুমির' অর্থ - অপদার্থ।
বাক্য: ঢেঁকির কুমিররা কখনোই জীবনে উন্নতি লাভ করতে পারে না।

• 'ঢাক পেটানো' অর্থ - প্রচার করা।
বাক্য: আইবুড়ো মেয়ের বয়স সতেরো, তা কি ঢাক পিটিয়ে জানাতে হবে!

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
Who is not a Victorian Poet?
  1. Robert Browning
  2. Jane Austen
  3. Charles Dickens
  4. Lord Alfred Tennyson
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jane Austen
ব্যাখ্যা

• Jane Austen:
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.
- তিনি Romantic period এর একজন novelist.

• Some notable work:
- Emma,
- Lady Susan,
- Mansfield Park,
- Northanger Abbey,
- Persuasion,
- Pride and Prejudice,
- Sense and Sensibility.

• A list of writers of the 'Victorian Age':
- Charles Dickens,
- Thomas Hardy,
- Matthew Arnold,
- Lord Alfred Tennyson,
- Robert Browning,
- George Eliot,
- Samuel Butler etc.

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.

২২.
Which of the following is suitable for 'Caesar and Cleopatra'? 
  1. a tragedy by Shakespeare 
  2. a play By G. B. Shaw
  3. a poem by Lord Byron 
  4. a novel by S.T. Coleridge
সঠিক উত্তর:
a play By G. B. Shaw
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a play By G. B. Shaw
ব্যাখ্যা

• Caesar and Cleopatra:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি 4 act বিশিষ্ট tragedy play.
- এই ট্র্যাজিডিটি ১৮৯৮ সালে রচিত এবং ১৯০১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি লেখকের first great play হিসেবে বিবেচিত।
- Caesar and Cleopatra was extraordinarily successful, largely because of Shaw’s talent for characterization.

• Characters:
- Julius Caesar,
- Cleopatra,
- Rufio,
- Ftatateeta,
- Pothinus,
- Ptolemy,
- Britannus,
- Apollodorus,
- Lucius Septimius,
- Mark Antony
- Pompey,
- Achillas,
- Theodotus, etc,

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

• উল্লেখ্য যে, Antony and Cleopatra শিরোনামে William Shakespeare এর একটি tragedy play রয়েছে।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.

২৩.
What is the theme of the poem To His Coy Mistress?
  1. The beauty of nature
  2. The importance of religion in life
  3. The conflict between love and time
  4. The power of wealth
সঠিক উত্তর:
The conflict between love and time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The conflict between love and time
ব্যাখ্যা

To His Coy Mistress:
- কবিতায় বক্তা তার লাজুক প্রেয়সীকে ভালোবাসা বিলম্ব না করার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে।
- সে বলে, যদি সময় অসীম হতো, তাহলে ধীরে ধীরে প্রেম করা যেত।
- কিন্তু বাস্তবে জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং সময় খুব দ্রুত ফুরিয়ে যায়।
- তাই সময়ের স্বল্পতার কারণে প্রেমকে দেরি না করে উপভোগ করা উচিত।
- পুরো কবিতায় ভালোবাসা ও সময়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব (The conflict between love and time) তুলে ধরে বর্তমান মুহূর্তকে কাজে লাগানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।

• Andrew Marvell (1621-1678):
- তিনি Jacobean period এর একজন বিখ্যাত কবি।
- বিংশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত তাঁর কবিতার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। 
- তাঁকে মেটাফিজিক্যাল কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি গভীর চিন্তাশীলতা, বুদ্ধিদীপ্ত উপমা (conceit), এবং ধর্ম ও প্রেমের মিলন ঘটিয়ে অসাধারণ কবিতা রচনা করেছেন।

• Notable Works:
- “The Rehearsal Transpros’d”,
- “To His Coy Mistress,
- "The Definition of Love",
- "The Garden", etc.

Source: Britannica.

২৪.
What is the verb of the word 'Heart'?
  1. Heart
  2. Hearten
  3. Heartening
  4. Heartful
সঠিক উত্তর:
Hearten
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hearten
ব্যাখ্যা

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে - 
ক) Heart (noun) আবেগ-অনুভূতি, বিশেষত প্রেমানুভূতির উৎস; হৃদয়; প্রাণ;হৃৎপিণ্ড ; হৃদ্‌যন্ত্র; রক্তাশয়।

খ) Hearten (verb) - উৎসাহ দেওয়া; উল্লসিত করা।

গ) Heartening (adjective) - উৎসাহব্যঞ্জক; উল্লাসজনক।

ঘ) Heartful - (কোন শব্দ নেই)।

• সুতরাং, The verb of the word 'Heart' is 'Hearten'.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy

২৫.
Childe Harold’s Pilgrimage was composed by- 
  1. William Wordsworth
  2. John Keats
  3. George Gordon Byron
  4. Percy Bysshe Shelley
সঠিক উত্তর:
George Gordon Byron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Gordon Byron
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) George Gordon Byron.

• Childe Harold’s Pilgrimage:

- এই কবিতাটি একটি narrative poem, যা ভ্রমণ, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং ইউরোপের বিভিন্ন স্থান নিয়ে রচিত।
- এতে একজন বিষণ্ণ যুবক Harold-এর ভ্রমণের মাধ্যমে তার মানসিক অবস্থা ও সমাজ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে।

• Lord Byron:
- তার পুরো নাম George Gordon Byron.
- তিনি একজন বিখ্যাত Romantic poet.
- তার লেখায় ব্যক্তিস্বাধীনতা, আবেগ, এবং সমাজের প্রতি বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশ পায়।
  
• Notable works:
- Don Juan,
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Manfred,
- The Giaour.

Source: Encyclopedia Britannica.

২৬.
What is the antonym of 'peculiar'?
  1. Assimilated
  2. Common
  3. Abnormal
  4. Odd
সঠিক উত্তর:
Common
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Common
ব্যাখ্যা

• Peculiar (Adjective)
English Meaning: different from the usual or normal.
Bangla Meaning: বিশিষ্ট; স্বতন্ত্র।

Synonym: odd, strange, unusual, funny, curious, bizarre.
Antonym: normal, ordinary, typical, usual, average, standard.

• অপশনে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) Assimilated (verb transitive)
-  অঙ্গীভূত করা; হজম করা।

খ) Common (adjective)
- গতানুগতিক, সচরাচর বা প্রায় সর্বত্র দেখা যায় এমন।

গ) Abnormal (adjective)
- অস্বাভাবিক; অস্বভাবী।

ঘ) Odd (adjective)
- অদ্ভুত; অস্বাভাবিক।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Common শব্দটি peculiar এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। 

Source: Merriam-Webster Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৭.
In Percy Bysshe Shelley’s Ozymandias, who does the ruined statue represent?
  1. Julius Caesar
  2. King Tutankhamun
  3. Pharaoh Ramesses II
  4. Alexander the Great
সঠিক উত্তর:
Pharaoh Ramesses II
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pharaoh Ramesses II
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Pharaoh Ramesses II.

• Ozymandias:

- এটি একটি sonnet, প্রকাশিত হয়েছিল 1818 সালে।
- Ozymandias হলো ফারাও Ramesses II-এর গ্রীক নাম।
- কবিতে মরুভূমিতে পড়ে থাকা ভগ্ন ভাস্কর্য এই শাসকের শক্তি এবং মহানত্বের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
- কবি এটিকে ব্যবহার করে দেখিয়েছেন যে, যত বড় ও শক্তিশালী শাসকই হোক না কেন, সময়ের সঙ্গে তার ক্ষমতা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে যায়।
- এই কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, একচ্ছত্র ক্ষমতাও ক্ষনস্থায়ী। যত বড় ক্ষমতাধর এবং শক্তিশালী শাসকই হোক না কেন তার ক্ষমতা সীমাবদ্ধ।

• P. B. Shelley (1792–1822):
- পুরো নাম: Percy Bysshe Shelley.
- Romantic যুগের অন্যতম কবি।
- তাকে ইংরেজি সাহিত্যে Revolutionary poet হিসাবেও গণ্য করা হয়।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজ পরিবর্তনের জন্য গুণগত বিপ্লব প্রয়োজন।
- প্রবাদ-প্রতিম খেতাব: “The poet of Hope and Regeneration”.

• Other notable works of P.B. Shelley:
- Adonais.
- Ode to the West Wind.
- Prometheus Unbound.
- The Revolt of Islam.
- A Defence of Poetry.

Other Options:
ক) Julius Caesar → রোমান শাসক, কবিতার সঙ্গে সম্পর্ক নেই।
গ) King Tutankhamun → অন্য ফারাও, এই কবিতার চরিত্র নয়।
ঘ) Alexander the Great → গ্রিক বিজয়ী, এখানে উল্লেখ নেই।

Source: Encyclopedia Britannica.

২৮.
Who, Which, What are used as -
  1. Demonstrative pronoun
  2. Relative pronoun
  3. Interrogative Pronoun
  4. Both B and C
সঠিক উত্তর:
Both B and C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both B and C
ব্যাখ্যা

• Who, which, what are - Relative Pronouns and Interrogative pronoun.
- অপশনে যেহেতু relative pronoun আছে, তাই এটিই উত্তর হবে।

• Relative Pronoun:
এই pronoun দুটি বাক্যের মধ্যে relation বা সমন্ধ বুঝিয়ে দেয়। এগুলো বাক্যের মাঝে বসে।
যেমন - who, whose, whom, which, that ইত্যাদি।

• Interrogative Pronoun:
এই pronoun গুলো প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলো বাক্যের প্রথমে বসে।
যেমন -who, whose, whom, which, what.

• Pronoun ৮ প্রকার।
- যথা-
1. Personal pronouns (he, they).
2. Demonstrative pronouns (this, these).
3. Interrogative pronouns (which, who, where, what).
4. Indefinite pronouns (none, several).
5. Possessive pronouns (his, your).
6. Reciprocal pronouns (each other, one another).
7. Relative pronouns (Who, which, where, what).
8. Reflexive pronouns (itself, himself).

২৯.
Desdemona is a character in which Shakespearean play?
  1. Macbeth
  2. Othello
  3. Hamlet
  4. King Lear
সঠিক উত্তর:
Othello
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Othello
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: খ) Othello.

- Desdemona হলো Shakespeare-এর ট্রাজেডি Othello-এর প্রধান নারী চরিত্র।

• Othello:
• Othello, Venice-এর একজন Moor (African general), এবং Desdemona হলেন একজন উচ্চবিত্ত ভেনিসীয় মহিলা।
• নাটকের কেন্দ্রীয় বিষয় হলো প্রেম, ঈর্ষা ও বিশ্বাসঘাতকতা।
• Iago, Othello-এর সহকর্মী, Desdemona ও Cassio-র মধ্যে মিথ্যা সম্পর্ক দেখিয়ে Othello-কে ভুল বোঝায়।
• Othello, ক্রোধে অন্ধ হয়ে, Desdemona কে হত্যা করে, পরে সত্য জানার পর আত্মহত্যা করে।

Main characters: 
- Othello A Moor (an African).
- Desdemona (A noble Venetian lady).
- Cassio (Othello's lieutenant).
- Brabantio (A Venetian Senator, Desdemona's father).
- Roderigo (A Venetian nobleman in love with Desdemona).
- Iago (Captain in the Army).
- Emilia (Iago's wife).

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Famous Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- Macbeth,
- King Lear,
- Julius Caesar,
- Coriolanus,
- Antony and Cleopatra,
- Timon of Athens (Unfinished Tragedy), etc.

Source: Britannica.

৩০.
Choose the correct sentence - 
  1. Let she and I go there.
  2. Let me and she go there.
  3. Let her and me go there.
  4. Let I and her go there.
সঠিক উত্তর:
Let her and me go there.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let her and me go there.
ব্যাখ্যা

Correct Answer: গ) Let her and me go there. 

• ইংরেজিতে কোনো বাক্যে একাধিক Pronoun বসলে তা সাধারণত '231' বা '23' বা '21' অথবা '31' নিয়মে বসে।
- অর্থাৎ প্রথমে second person, তারপর third person এবং শেষে first person.
- এবং এরপরে verb সর্বদা plural হয়।

• এক্ষেত্রে,  দোষ স্বীকার করলে অথবা অপরাধ স্বীকার করলে '123'/ '132' নিয়মে বসবে।
- যেমন - I, you and he committed the crime.

• সাধারণত Let এরপর সবসময় objective pronoun বসে।
- যেমন: me, him, her, us, them.
- Subjective pronoun (I, he, she, we, they) বসবে না।

• নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্য হচ্ছে - Let her and me go there.
- অন্য বাক্যগুলোতে pronoun এর ভুল ব্যবহার হয়েছে বিধায় বাক্যগুলো সঠিক নয়।

৩১.
Select the correct spelling.
  1. Horroscope
  2. Horosocope
  3. Horoscope
  4. Horsecope
সঠিক উত্তর:
Horoscope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Horoscope
ব্যাখ্যা

• Correct spelling: Horoscope.

Horoscope (Noun):
- English Meaning: an astrological forecast.
- Bangla Meaning: রাশিচক্র; জন্মপত্রিকা; কোষ্ঠী; কোষ্ঠিকা।

Example Sentences:
- I read my horoscope this morning, and it predicted a lucky day for me.
- Many people believe that their horoscope can guide them in making important life decisions.

৩২.
What is the adjective of the word 'Shortly'?
  1. Shortly
  2. Shortish
  3. Shorten
  4. none
সঠিক উত্তর:
Shortish
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shortish
ব্যাখ্যা

• Shortly এর adjective form হলো- Shortish.

Shortish (Adj)
- English Meaning: somewhat short.
- Bangla Meaning: মোটামুটি ছোট।

• Shortly (adverb)
English meaning: soon
Bangla meaning: শীঘ্রই; কিছুক্ষণের মধ্যে; অল্প।
Example: We will shortly be arriving in King's Cross Station.

• Shorten (verb transitive, intransitive)
English Meaning: to reduce the length or duration of.
Bangla Meaning: ছোট/সংক্ষিপ্ত হওয়া বা করা; খাটো করা; খর্ব করা।

Source:
1. Accessible Dictionary.
2. Merriam-Webster dictionary.

৩৩.
Choose the correct sentence:
  1. He discussed about the issue in the meeting.
  2. He discussed on the issue in the meeting.
  3. He discussed the issue in the meeting. 
  4. None of the above 
সঠিক উত্তর:
He discussed the issue in the meeting. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He discussed the issue in the meeting. 
ব্যাখ্যা

Correct Sentence: He discussed the issue in the meeting.

- The verb "discuss’’ যখন transitive verb হিসেবে থাকে এর পরে direct object বসে এবং  সাধারণত preposition বসে না। 
- প্রদত্ত বাক্যে object হলো the matter. সুতরাং এর পূর্বে আর কোন preposition বসবে না। 

এছাড়াও,
- discuss এর মতো describe, order and request are transitive verbs, এবং এগুলোর পরে সাধারণত preposition বসে না। 

উদাহরণ:
- Wrong: We discussed about the issue in the meeting yesterday.
- Right: We discussed the issue in the meeting yesterday.

- Wrong: He described about the scenery.
- Right: He described the scenery.

- Wrong: I have ordered for three cups of coffee.
- Right: I have ordered three cups of coffee.

৩৪.
Choose the correct meaning of the word “Cul-de-sac”: 
  1. a road closed at one end
  2. a place full of confusion
  3. a type of selection process
  4. a sudden mistake
সঠিক উত্তর:
a road closed at one end
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a road closed at one end
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: ক) a road closed at one end.

• Cul-de-sac (noun):
English Meaning: a street or passage closed at one end; a dead end
Bangla Meaning: কানাগলি; একদিকে বন্ধ রাস্তা।

Other Options:
• a place full of confusion - বিভ্রান্তিপূর্ণ স্থান।

• a type of selection process - নির্বাচন পদ্ধতি।

• a sudden mistake - হঠাৎ ভুল।

৩৫.
This could have succeeded if I _______ been more prepared.
  1. have
  2. had
  3. might
  4. would
সঠিক উত্তর:
had
উত্তর
সঠিক উত্তর:
had
ব্যাখ্যা

- The sentence "This could have succeeded if I had been more prepared."
- is using the third conditional structure to express a hypothetical situation in the past. 
- অর্থাৎ, Third conditional sentence এর ক্ষেত্রে if-clause টি তে past perfect (had + past participle) tense ব্যবহৃত হয় এবং main clause টি তে modal auxiliary (would, could, should, etc.) + have + past participle ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যটিতে বক্তা মূলত: এমন একটি পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিক করেন যেটা দ্বারা বোঝায়, কোন কাজে প্রত্যাশিত ফলাফল আসতো যদি তারা আরো দূরদর্শী হতেন। সুতরাং সঠিক উত্তরটি হবে- had. যা have এর past perfect form. 

যেমন:
- This could have worked if I had been more cautious.
- This could have worked if I had been more far-sighted.

৩৬.
The Phrase 'Achilles heel' means:
  1. a weak point
  2. a permanent solution
  3. a serious idea
  4. a strong point
সঠিক উত্তর:
a weak point
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a weak point
ব্যাখ্যা

• The Phrase 'Achilles heel' means: a weak point.

• Achilles heel (Idiom-Phrase)
- English Meaning: a weakness or vulnerable point/ a weak point.
- Bangla Meaning: দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থান।

• Ex. Sentence: Maths has always been my Achilles heel.
- Bangla Meaning: গণিত সর্বদাই আমার বড় দুর্বলতা ছিল।

Source:
1. Live MCQ Lecture.
2. Oxford Dictionary.

৩৭.
Identify the passive form of the following sentence: "Who will deliver the message?"
  1. By whom will the message deliver?
  2. By whom will the message be delivered?
  3. By whom the message will be delivered?
  4. Whom will the message be delivered?
সঠিক উত্তর:
By whom will the message be delivered?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By whom will the message be delivered?
ব্যাখ্যা

Correct Answer: খ) By whom will the message be delivered?

• “Who” দিয়ে শুরু হওয়া interrogative sentence-এর passive voice তৈরির নিয়ম:
- Passive voice-এর শুরুতে By whom বসবে।
- Auxiliary verb tense অনুযায়ী বসবে, এখানে will.
- Subject হবে original object.
- Main verb-এর past participle ব্যবহার হবে।
- Interrogative বাক্য হওয়ায় sentence-এর word order অনুসরণ করতে হবে।

Other options:
ক) By whom will the message deliver?
- ভুল, কারণ main verb-এর passive participle বাদ গেছে।

গ) By whom the message will be delivered?
- ভুল, কারণ interrogative word order ঠিক নেই।

ঘ) Whom will the message be delivered?
- ভুল, কারণ “By” preposition বাদ গেছে।

৩৮.
Despite repeated warnings, the driver did not _____ . 
  1. slow down
  2. turn up
  3. break out
  4. look after
সঠিক উত্তর:
slow down
উত্তর
সঠিক উত্তর:
slow down
ব্যাখ্যা

Correct Answer: ক) slow down.

Complete Sentence: Despite repeated warnings, the driver did not slow down.
Bangla Meaning: বারবার সতর্ক করার পরেও চালক গতি কমায়নি।

• Slow down (phrasal verb)
English Meaning: to reduce speed.
Bangla Meaning: গতি কমানো।

Other Options:
• Turn up - উপস্থিত হওয়া। 

• Break out - সহসা আবির্ভূত হত্তয়া।

• Look after - দেখাশোনা করা।

৩৯.
Fortnight is a period of -
  1. 7 days
  2. 10 days
  3. 14 days
  4. 30 days
সঠিক উত্তর:
14 days
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14 days
ব্যাখ্যা

Correct Answer: গ) 14 days.

Fortnight (noun):
- English Meaning: a period of two weeks or 14 days
- Bangla Meaning: দুই সপ্তাহ; ১৪ দিনের সময়কাল

Example Sentence:
- We will go on vacation for a fortnight.

৪০.
The students stayed in a hostel ____ rooms were very small. 
  1. that
  2. which
  3. where
  4. whose
সঠিক উত্তর:
whose
উত্তর
সঠিক উত্তর:
whose
ব্যাখ্যা

Correct Answer: ঘ) whose.

Complete Sentence: The students stayed in a hostel whose rooms were very small.
Bangla Meaning: শিক্ষার্থীরা একটি হোস্টেলে থাকত যার কক্ষগুলো খুব ছোট ছিল।

• Relative Pronoun
- দুটি বাক্যকে সংযোগ করতে Relative Pronoun - who, which, what, whose, whom, that, etc. ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যটির প্রথম অংশের অর্থ শিশুরা একটি কক্ষে পড়াশুনা/অধ্যয়ন করেছিলো।
- দ্বিতীয় অংশের অর্থ জানালা কখনোই খোলা হয়নি।

- দুটি অংশকে একত্র করতে হলে relative pronoun বসবে, কারণ দুটি অংশের মধ্যে সম্পর্ক আছে। আর সম্পর্ক বোঝানোর ক্ষেত্রে relative pronoun -এর possessive হয় অর্থাৎ whose (যার) হবে।
- অর্থাৎ, এখানে (কার/কীসের) windows খোলা হয়নি, উত্তরে বোঝাচ্ছে class room -এর।
- সুতরাং, একমাত্র whose বসালে বাক্যটি অর্থবোধক হয়।

৪১.
p + q = 10 এবং p - q = 2 হলে p2 + q2 = ?
  1. 48
  2. 52
  3. 62
  4. 50
সঠিক উত্তর:
52
উত্তর
সঠিক উত্তর:
52
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: p + q = 10 এবং p - q = 2 হলে p2 + q2 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
p + q = 10 
p - q = 2

আমরা জানি, 
2(p2 + q2) = (p + q)2 + (p - q)2
⇒ 2(p2 + q2) = 102 + 22
⇒ 2(p2 + q2) = 100 + 4
⇒ 2(p2 + q2) = 104
⇒ (p2 + q2) = 104/2
∴ (p2 + q2) = 52

৪২.
যদি log(x/y) + log(y/x) = log(x + y) হয়, তবে-  
  1. x - y = 1
  2. x2 - y2 = 1
  3. x = y
  4. x + y = 1
সঠিক উত্তর:
x + y = 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x + y = 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log(x/y) + log(y/x) = log(x + y) হয়, তবে- 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
log(x/y) + log(y/x) = log(x + y) 
⇒ log{(x/y) × (y/x)} = log(x + y)  [আমরা জানি, log M + log N = log(MN)]
⇒ log1 = log(x + y) 
⇒ x + y = 1 [উভয় পক্ষ থেকে log বর্জন করে]

৪৩.
একটি গাড়ি ২/৩ সেকেন্ডে ৫০ মিটার যায়। একই গতিতে গাড়িটি ৫ সেকেন্ডে কত মিটার যাবে?
  1. ৩০০ মিটার
  2. ৩৭৫ মিটার
  3. ৪০০ মিটার
  4. ৩৫০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৩৭৫ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৫ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গাড়ি ২/৩ সেকেন্ডে ৫০ মিটার যায়। একই গতিতে গাড়িটি ৫ সেকেন্ডে কত মিটার যাবে?

সমাধান: 
গাড়িটি ২/৩ সেকেন্ডে যায় ৫০ মিটার।
∴ গাড়িটি ১ সেকেন্ডে যায় = ৫০/(২/৩) = ৫০ × (৩/২) = ৭৫ মিটার
∴ গাড়িটি ৫ সেকেন্ডে যায় = ৭৫ × ৫ মিটার
= ৩৭৫ মিটার

সুতরাং, গাড়িটি ৫ সেকেন্ডে ৩৭৫ মিটার যাবে।

৪৪.
রুবেল সাহেবের বেতন ৩০% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন ৩০% বাড়ানো হলে তার কতটুকু ক্ষতি হলো? 
  1. ১৯%
  2. ৩.৭৫%
  3. ১২%
  4. ৯%
সঠিক উত্তর:
৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রুবেল সাহেবের বেতন ৩০% কমানোর পর হ্রাসকৃত বেতন ৩০% বাড়ানো হলে তার কতটুকু ক্ষতি হলো?

সমাধান:
ধরি, রুবেল সাহেবের মূল বেতন = ১০০ টাকা

৩০% কমানোর পর,
বেতন = ১০০ - ১০০ এর ৩০% টাকা
= ১০০ - ১০০ × (৩০/১০০) টাকা 
= ১০০ - ৩০ টাকা
= ৭০ টাকা 

আবার, হ্রাসকৃত বেতনের ওপর ৩০% বৃদ্ধিতে,
নতুন বেতন = ৭০ + ৭০ এর ৩০% টাকা
= ৭০ + ৭০ × (৩০/১০০) টাকা
= ৭০ + ২১ টাকা
= ৯১ টাকা

∴ ক্ষতি = (১০০ - ৯১) = ৯ টাকা
∴ শতকরা ক্ষতি = (৯/১০০) × ১০০ = ৯%

৪৫.
STATIONARY এবং STATIONERY এই শব্দগুলো কী?
  1. একই অর্থে
  2. না এক না ভিন্ন অর্থ
  3. বিপরীত অর্থ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
না এক না ভিন্ন অর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না এক না ভিন্ন অর্থ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: STATIONARY এবং STATIONERY এই শব্দগুলো কী?

সমাধান: 
Stationary (adjective): স্থির, নড়াচড়া না করা, এক জায়গায় থাকা।
উদাহরণ: The car remained stationary at the red light.(গাড়িটি লাল আলোয় স্থির হয়ে ছিল।)

এবং 
Stationery (noun): লেখার সামগ্রী, যেমন কাগজ, খাম, কলম, নোটবুক ইত্যাদি।
উদাহরণ: I need to buy some stationery for school. (স্কুলের জন্য কিছু স্টেশনারি কিনতে হবে।)

দুটি শব্দ দেখতে প্রায় একই রকম, কিন্তু অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। 

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) না এক না ভিন্ন অর্থ। 

উৎস: অভিগম্য অভিধান (Accessibledictionary.gov.bd) এবং Cambridge Dictionary.

৪৬.
1/√3, - 1, √3, ......... ধারটির সপ্তম পদ কত?
  1. - 9
  2. 9√3
  3. 3√3
  4. 27
সঠিক উত্তর:
9√3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9√3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1/√3, - 1, √3, ......... ধারটির সপ্তম পদ কত? 

সমাধান:
এখানে
প্রথম পদ, a = 1/√3
সাধারণ অনুপাত, r = - 1/(1/√3)
= - √3

আমরা জানি 
n তম পদ = arn - 1
∴ সপ্তম পদ = ar7 - 1
= (1/√3)(- √3)6
= (1/√3){(- √3)2}3
= (1/√3) × 27
= 27/√3
= (9 × 3)/√3
= (9 × √3 × √3)/√3
= 9√3

সুতরাং, ধারটির সপ্তম পদ 9√3

৪৭.
দুটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি 265 হলে, বড় সংখ্যাটি কত?
  1. 15
  2. 13
  3. 9
  4. 12
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি 265 হলে, বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
ধরি,
ছোট সংখ্যা = x
তাহলে বড় সংখ্যা = x + 1

প্রশ্ন অনুযায়ী,
x2 + (x + 1)2 = 265
⇒ x2 + x2 + 2x + 1 = 265
⇒ 2x2 + 2x + 1 = 265
⇒ 2x2 + 2x - 264 = 0
⇒ x2 + x - 132 = 0
⇒ x2 + 12x - 11x - 132 = 0
⇒ x(x + 12) - 11(x + 12) = 0
⇒ (x - 11)(x + 12) = 0
হয়, 
x - 11 = 0
∴ x = 11
অথবা, 
x + 12 = 0
∴ x = - 12 ; যা গ্রহণযোগ্য নয় 

সুতরাং, ছোট সংখ্যা = 11
এবং বড় সংখ্যা = 11 + 1 = 12

৪৮.
যদি ছ × I = 63 হয় তবে L × ঠ = ?
  1. 110
  2. 124
  3. 144
  4. 90
সঠিক উত্তর:
144
উত্তর
সঠিক উত্তর:
144
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ছ × I = 63 হয় তবে L × ঠ = ?

সমাধান:
বাংলা ব্যাঞ্জন বর্ণ ছ এর অবস্থানগত মান = 7
ইংরেজি বর্ণমালা I এর অবস্থানগত মান = 9
∴ ছ × I = 7 × 9 = 63

একইভাবে, 
 বাংলা ব্যাঞ্জন বর্ণ ঠ এর অবস্থানগত মান = ১২
ইংরেজি বর্ণমালা L এর অবস্থানগত মান = 12
∴ L × ঠ = 12 × 12 = 144 

৪৯.
২৪০ লিটার পানিকে ৫ : ৯ : ৬ অনুপাতে তিনটি পাত্রে ভাগ করলে দ্বিতীয় পাত্রে কত লিটার পানি থাকবে?
  1. ১০৮ লিটার
  2. ৯০ লিটার
  3. ১১৮ লিটার
  4. ৮৮ লিটার
সঠিক উত্তর:
১০৮ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৮ লিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৪০ লিটার পানিকে ৫ : ৯ : ৬ অনুপাতে তিনটি পাত্রে ভাগ করলে দ্বিতীয় পাত্রে কত লিটার পানি থাকবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
অনুপাত ৫ : ৯ : ৬
অনুপাতের সমষ্টি = ৫ + ৯ + ৬ = ২০

এখন, দ্বিতীয় পাত্র পানি থাকবে = ২৪০× (৯/২০) লিটার
= ১২ × ৯
= ১০৮ লিটার

সুতরাং, দ্বিতীয় পাত্রে ১০৮ লিটার পানি থাকবে।

৫০.
নিম্নলিখিত সংখ্যা শ্রেণির সর্বশেষ সংখ্যার পরের সংখ্যাটি কত হবে?
৩, ৫, ৮, ১২, ১৭, ? 
  1. ২৪ 
  2. ২৭ 
  3. ৩১ 
  4. ২৩
সঠিক উত্তর:
২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিম্নলিখিত সংখ্যা শ্রেণির সর্বশেষ সংখ্যার পরের সংখ্যাটি কত হবে?
৩, ৫, ৮, ১২, ১৭, ?

সমাধান:
১ম পদ = ৩
২য় পদ = ৩ + ২ = ৫
৩য় পদ = ৫ + ৩ = ৮ 
৪র্থ পদ = ৮ + ৪ = ১২ 
৫ম পদ = ১২ + ৫ = ১৭ 
৬ষ্ঠ পদ = ১৭ + ৬ = ২৩  

সুতরাং, সর্বশেষ সংখ্যার পরের সংখ্যাটি হলো ২৩। 

৫১.
a2 - 8a - 8b + 16 + b2 এর সঙ্গে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে?
  1. 8ab
  2. 2ab
  3. 6ab
  4. - 2ab
সঠিক উত্তর:
2ab
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2ab
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a2 - 8a - 8b + 16 + b2 এর সঙ্গে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে?

সমাধান:
a2 - 8a - 8b + 16 + b2
= a2 + b2 + (- 4)2 + 2 . a .( - 4) + 2 . b . (- 4) + 2 . a . b - 2ab
= (a + b - 4)2 - 2ab

∴ a2 - 8a - 8b + 16 + b2 এর সাথে 2ab যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে।

৫২.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহু ২৪ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১২০√৩ বর্গমিটার
  2. ১৬০√৩ বর্গমিটার
  3. ৯৬√৩ বর্গমিটার
  4. ১৪৪√৩ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১৪৪√৩ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪√৩ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহু ২৪ মিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমবাহু ত্রিভুজটির একটি বাহুর দৈর্ঘ্য a = ২৪ মিটার।

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ক্ষেত্রফল = (√৩/৪)a২ 
= (√৩/৪) × (২৪)
= (√৩/৪) × ২৪ × ২৪
= √৩ × ৬ × ২৪
= ১৪৪√৩ বর্গমিটার

সুতরাং, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল ১৪৪√৩ বর্গমিটার

৫৩.
যদি PLAY-এর কোড 8123 এবং RHYME-এর কোড 49367 হয়, তাহলে MALE-এর কোড হবে-
  1. 6217
  2. 6317
  3. 6127
  4. 6237
সঠিক উত্তর:
6217
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6217
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি PLAY-এর কোড 8123 এবং RHYME-এর কোড 49367 হয়, তাহলে MALE-এর কোড হবে-

সমাধান:
PLAY = 8123
P = 8 , L = 1 , A = 2, Y = 3

এবং RHYME =  49367
R = 4 , H = 9, Y = 3, M = 6, E = 7

∴ MALE = 6217

৫৪.
একটি বৃত্তচাপ কেন্দ্রে ৩০° কোণ উৎপন্ন করে। বৃত্তের ব্যাস ১৮ সে.মি. হলে বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য কত?
  1. π/২ সে.মি.
  2. ১.৫π সে.মি.
  3. ২π সে.মি.
  4. π সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১.৫π সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৫π সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তচাপ কেন্দ্রে ৩০° কোণ উৎপন্ন করে। বৃত্তের ব্যাস ১৮ সে.মি. হলে বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
বৃত্তের ব্যাস = ১৮ সে.মি.
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ১৮/২ = ৯ সে.মি.
বৃত্তচাপ দ্বারা কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ θ = ৩০° 
বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য s = ?

আমরা জানি,
s = πrθ/১৮০°
⇒ s =  (π × ৯ × ৩০°)/১৮০°
∴ s = ১.৫π সে.মি.

সুতরাং, বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য ১.৫π  সে.মি.। 

৫৫.
ROSE এর আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
  1. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'ROSE' এর আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?

সমাধান: 
'ROSE' এর আয়নায় প্রতিবিম্ব অপশন 'ক' 

৫৬.
কোন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন থাকে না?
  1. লিথিয়াম 
  2. হাইড্রোজেন
  3. হিলিয়াম 
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।  
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- বিজ্ঞানী চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
-  নিউট্রনের ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n. 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g. 
- নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
নিচের কোনটি মৌলিক (Basic) লজিক গেইট?
  1. NAND
  2. XOR
  3. XNOR 
  4. AND
সঠিক উত্তর:
AND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AND
ব্যাখ্যা

সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

মৌলিক লজিক গেইট: 
- OR Gate, 
- AND Gate এবং 
- NOT Gate. 

সার্বজনীন লজিক গেইট: 
- NAND Gate এবং 
- NOR Gate. 

বিশেষ লজিক গেইট: 
- XOR Gate এবং 
- XNOR Gate. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৮.
সমুদ্রের কোথায় জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে?
  1. সমুদ্রের মধ্যভাগে
  2. গভীর সমুদ্রে
  3. উপকূলের অগভীর অংশে
  4. নদীর মোহনায় 
সঠিক উত্তর:
উপকূলের অগভীর অংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলের অগভীর অংশে
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। 
- উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাটা বলে না। 
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
মানুষের রক্তে প্রধানত কত ধরনের অ্যান্টিজেন থাকতে পারে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা

রক্তের গ্রুপ: 
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এই দুই ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে। 
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- O, A, B এবং AB।
O রক্তের গ্রুপ: 
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই। 
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে। 

• A রক্তের গ্রুপ: 
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে। 
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে। 

• B রক্তের গ্রুপ: 
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে। 
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে। 

• AB রক্তের গ্রুপ: 
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে। 
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- 
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. অডিওমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র।
• পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র। 
• ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র।  
• অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ওডোমিটার মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র। 
• ব্যারােমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। 
• সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৬১.
অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল বা মেসেজ প্রেরণ করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. স্নিকিং
  3. ফ্রেকিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
সঠিক উত্তর:
স্প্যামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

• প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবাহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং। 

• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলা হয়। 
- একসময় যখন কম্পিউটার সিস্টেম প্রচলিত ছিলনা, তখন হ্যাকাররা টেলিফোনে নানা ধরনের হ্যাকিং পরিচালনা করত। 
- সাধারণভাবে ফোন হ্যাকারদের ফ্রেকার (Phreaker) নামে অভিহিত করা হয়। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং (Sneaking) বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৬২.
টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. আয়োডিন-131
  2. টেকনিশিয়াম-99 
  3. ফসফরাস-32
  4. কোবাল্ট-60
সঠিক উত্তর:
কোবাল্ট-60
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোবাল্ট-60
ব্যাখ্যা

চিকিৎসা ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে বর্তমানে বিভিন্ন প্রয়োজনে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হচ্ছে।
যেমন- 
• রোগ নির্ণয়ে: 
- আইসোটোপ ব্যবহার করে একজন রোগীর রোগাক্রান্ত স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। এ পদ্ধতিতে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 (99Tc) কে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়।
- এই আইসোটোপ যখন শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে জমা হয় তখন ঐ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ গামা রশ্মি বিকিরণ করে, তখন বাইরে থেকে গামা রশ্মি শনাক্তকরণ ক্যামেরা দিয়ে সেই স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। এই তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 এর লাইফটাইম 6 ঘণ্টা। তাই সামান্য সময়েই এর তেজস্ক্রিয়তা শেষ হয়ে যায় বলে এটি অনেক নিরাপদ। 

• রোগ নিরাময়ে: 
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (131I) সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়। এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায় এবং এই আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে।
- ইরিডিয়াম-১৯২ (192Ir) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কোবাল্ট-৬০ (60Co) ব্যবহার করা হয়। কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষ কলাকে ধ্বংস করে। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ফসফরাস-৩২ (32p) এর ফসফেট ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৩.
নিচের কোনটি প্রাথমিক দূষক?
  1. ওজোন
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন মনোক্সাইড
ব্যাখ্যা

দূষক (Pollutant): 
- কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়। 
- বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) CO থাকে, কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে 40 ppm বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়। 
- দূষক দুই প্রকার।
যথা-
১। প্রাথমিক (প্রাইমারী) দূষক: 
- যেসব দূষক কোনো উৎস হতে নির্গত হয়ে সরাসরি অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে আসে তাদের প্রাইমারী দূষক বলা হয়। 
যেমন- সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), NOx, হাইড্রোকার্বনসমূহ, ছাই, ধূলিকণা ইত্যাদি। 

২। গৌণ (সেকেন্ডারী) দূষক: 
- এই প্রকারের দূষক কোনো উৎস থেকে সরাসরি পরিবেশে আসে না। 
- পরিবেশেস্থিত দূষকগুলির পারস্পরিক বিক্রিয়ায় বা প্রাথমিক দূষকের সঙ্গে পরিবেশের কোনো একটি উপদানের বিক্রিয়ায় যেসব ক্ষতিকারক পদার্থ সৃষ্টি হয় তাদের গৌণ দূষক বলে। ওজোন
যেমন- পারঅক্সি অ্যাসাইল নাইট্রেট (PAN), ডাই মিথাইল মার্কারি [(CH3)2Hg], সালফার ট্রাই-অক্সাইড (SO3), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2), ওজোন (O3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
কোন প্রক্রিয়াতে ভারী পরমাণুর বিভাজন ঘটিয়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত করা যায়?
  1. তাপ বিক্রিয়া
  2. রাসায়নিক বিক্রিয়া
  3.  নিউক্লিয়ার ফিউশন
  4.  নিউক্লিয়ার ফিশন
সঠিক উত্তর:
 নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা

- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুইটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। 
যথা- 
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে। 

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
- জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। 
- প্রকৃতি এই শক্তি ব্যবহার করছে। 
- সূর্যে এই বিক্রিয়াটি স্বচ্ছন্দে ঘটে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫.
ফায়ারওয়ালের মূল কাজ কোনটি? 
  1. ডেটা ব্যাকআপ তৈরি করা
  2. কম্পিউটারের র‍্যাম বৃদ্ধি করা
  3. নেটওয়ার্কে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা
  4. সফটওয়্যার ইনস্টলেশন সহজ করা 
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্কে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল (Firewall): 
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
কোন এসিড শিল্পোন্নয়নের পরিমাপক হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সালফিউরিক এসিড
  2. নাইট্রিক এসিড
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  4. কার্বোলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা

এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
যেমন-
• সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
• আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
• বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
• সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
• এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
• ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬৭.
সিরামিকের তাপ সহনশীলতা ও যান্ত্রিক শক্তি বৃদ্ধি করতে কোন উপাদান ব্যবহৃত হয়?
  1. ফেলস্পার
  2. সিলিকা
  3. চায়না ক্লে 
  4. ক্ষারীয় অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকা
ব্যাখ্যা

সিরামিক: 
- সিরামিক বলতে মৃৎশিল্প (pottery), টেবিল সামগ্রী (table ware), চীনামাটির বাসনপত্র (crockery), স্যানিটারি সামগ্রী (sanitary ware), ঘর সজ্জার চীনামাটির পাত্র (decorateir) ইত্যাদিকে বোঝায়। 

সিরামিক উৎপাদনের উপাদানসমূহ: 
- সিরামিক সামগ্রী উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল তিনটি। 
যথা- 
১. চায়না ক্লে (কেওলিন বা কাদা মাটি): 
- চায়না ক্লে হলো হাইড্রেটেড অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট (Al2O3.2SiO2.2H2O)। 

২. সিলিকা (কোয়ার্টজ বা ফ্রিন্ট): 
- সিলিকন ডাই-অক্সাইড (SiO2) একটি উচ্চ তাপসহ রিফ্লেকক্টরি দ্রব্য। ক্লে-কণাগুলোর বাইন্ডাররূপে সিলিকা কাজ করে। সিরামিকের তাপ সহনশীলতা ও যান্ত্রিক শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য সিলিকা ব্যবহৃত হয়। 

৩. ফেলস্পার (felspar): 
- অ্যালুমিনা (Al2O3), সিলিকা (SiO2) ও ক্ষারীয় অক্সাইডের মিশ্রণে গঠিত পদার্থ হলো ফেলস্পার। এটি বিগালক বা ফ্লাক্সিং পদার্থ (flux) রূপে ব্যবহৃত হয়। 
- তিন ধরনের  ফেলস্পার সিরামিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- (i) পটাশ ফেলস্পার (K2O.Al2O3.6SiO2); (ii) সোডা ফেলস্পার (Na2O.Al2O3.6SiO2) এবং (iii) লাইম ফেলস্পার (CaO.Al2O3. 6SiO2)। 

উৎস: রয়ায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

৬৮.
শব্দ তরঙ্গের বেগ কোন পদার্থে সবচেয়ে বেশি?
  1. কঠিন 
  2. বায়ু 
  3. তরল 
  4. ভ্যাকুয়াম
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

শব্দ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
যেমন- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে বেগ সবচেয়ে বেশি বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৯.
GPU প্রধানত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটাবেজ সংরক্ষণ
  2. গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ
  3. নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

Graphics Processing Unit: 
- কম্পিউটারের GPU প্রধানত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের কাজটি করে থাকে
- GPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Graphics Processing Unit. 
- GPU গ্রাফিক্স সম্পর্কিত কাজ যেমন- গ্রাফিক্স, ইফেক্ট এবং ভিডিও পরিচালনা করতে সাহায্য করে। 
- বর্তমানে বেশিরভাগ কম্পিউটারে ভিডিও কার্ড ব্যবহার করা হয়না, এর পরিবর্তে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে একটি GPU তৈরি করা হয়েছে। 
- GPU একটি বিশেষ প্রসেসর যা মূলত গ্রাফিক্স এর কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 
- এটি একই সাথে অনেকগুলি ডেটা প্রক্রিয়া করতে পারে, এবং ডেটাগুলিকে মেশিন লার্নিং, ভিডিও এডিটিং এবং গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য উপযোগী করে তোলে৷ 
- GPU গুলি কম্পিউটারের CPU এর সাথে একত্রিত থাকতে পারে অথবা আলাদা হার্ডওয়্যার ইউনিট হিসাবেও থাকতে পারে। 
- গেমিংয়ে GPU অনেক অপারেশন বা কাজ করে থাকে যে কারণে CPU এর চেয়ে বেশি তাপ উৎপন্ন করে। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমিংয়ের উত্থানের সাথে সাথে 4K স্ক্রিন এবং উচ্চ রিফ্রেশ রেটগুলির মতো উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তির সাথে গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। GPU গুলি 2D এবং 3D উভয় ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স রেন্ডার করতে সক্ষম। 

উৎস: মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক] এবং School of Science and Technology, Open University.

৭০.
কোন গ্রিন হাউস গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে ২০ গুণ বেশি তাপ ধারণ করে?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড 
  2. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন 
  3. মিথেন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা

গ্রিন হাউজ প্রভাব: 
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে। গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট (Green house effect) বলে। 
- গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC) ইত্যাদি। 
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান নিয়ামক হিসেবে নিম্নে গ্রিন হাউস গ্যাস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো- 
১। কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2): 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড বর্ণহীন, সামান্য গন্ধযুক্ত কার্বন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত একটি গ্যাস। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ০.০৩ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইড। জীবের প্রশ্বাসের সাথে কার্বন ডাই-অক্সাইড, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের পচন, মোটরযান ও শিল্প কারখানার জ্বালানি (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তৈল) পোড়ানো থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে যোগ হয়। বর্তমানে তরল ও কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে আইসক্রিম, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। সবুজ উদ্ভিদ এর খাদ্য প্রস্তুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করলেও বন উজাড় বৃদ্ধি পাওয়ায়, অধিক হারে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার, মোটরযানের সংখ্যা প্রভৃতি বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করছে। 

২। মিথেন (CH4): 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। এছাড়াও জলাভূমিতে পানির নিচে পানা পচনের মাধ্যমে, ধানের বর্জ্য অবশিষ্টাংশের পচন থেকে মিথেন পাওয়া যায়। তাপ ধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে মিথেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাইতে ২০ গুণ বেশি তাপ ধারণ করে। 

৩। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC): 
- সিএফসি সাধারণত বিষমুক্ত, নিষ্ক্রিয় এবং ফ্লোরিন ও কার্বনের সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। সিএফসি হিমায়নে (ফ্রিজ, এসি) ও স্প্রে-ক্যানে (অ্যারেসোল), মাইক্রো ইলেকট্রিক সার্কিট ও প্লাস্টিক ফোমে ব্যবহৃত হয়। 

৪। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O): 
- অক্সিজেনের সাথে নাইট্রোজেন যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ তৈরি করে। এটিও বর্ণহীন, সামান্য মিষ্টিগন্ধযুক্ত। এই গ্যাসের উৎসসমূহ হলো মোটরযান, শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, কারখানা। 

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
নিম্নের কোন দেশটি NATO-এর সদস্য নয়?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. নরওয়ে
  3. ইতালি
  4. রোমানিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

অস্ট্রিয়া NATO-এর সদস্য নয়। 

NATO:

- সামরিক সহযোগিতার জোট NATO'র পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

• ন্যাটোর সদস্য দেশ:
- বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, তুরস্ক, জার্মানি, স্পেন, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, আলবেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, মন্টিনিগ্রো, উত্তর মেসিডোনিয়া, ফিনল্যান্ড, সুইডেন।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

৭২.
হাকালুকি হাওরকে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

হাকালুকি হাওর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি হাওর। এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত। হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।

• হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী। এই জলরাশি হাওরের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত কুশিয়ারা নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়। বর্ষাকালে হাওর সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বিশাল রূপ ধারন করে, এই সময় পানির গভীরতা হয় ২-৬ মিটার।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে। প্রায় সারাবছরই বিলগুলিতে পানি থাকে।
- হাকালুকি হাওরের বিলগুলিতে বিভিন্ন জাতের বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। তবে এক সময়ের অন্যতম আকর্ষণীয় Swamp Forest অর্থাৎ জলময় নিম্নভূমির বনাঞ্চল এখন আর তেমন নেই।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

উল্লেখ্য,
 - হাকালুকি হাওরকে ১৯৯৯ সালে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) ঘোষণা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৩.
একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন কত?
  1. ৩ মণ
  2. ৪ মণ
  3. ৪.৫ মণ
  4. ৫.৫ মণ
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
ব্যাখ্যা

কাঁচা পাটের গাইট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।

• পাট উৎপাদনের পর থেকে পচনের আগ পর্যন্ত একে কাঁচা পাট নামে অভিহিত করা হয়।পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন ৪.৫ মণ।

উল্লেখ্য,
- পাটের ওজন হিসেব করা হয় বেল দিয়ে। বেল অর্থ গাঁট বাধা। গাঁট থেকেই গাঁইট এসেছে বলা যায়।

১ বেল = ১৮২.২৫ কেজি।
১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি
১৮২.২৫ কেজি= প্রায় ৪.৫ মণ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) বাংলা একাডেমী অভিধান।

৭৪.
একটি সমাজের পরিবেশ, সংস্কৃতি ও চিন্তাভাবনা মূল্যায়নে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. আইন
  2. ধর্ম
  3. মূল্যবোধ
  4. নৈতিকতা
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- মূল্যবোধের প্রাথমিক শিক্ষা কেন্দ্র হলো পরিবার এবং প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো শিক্ষালয়। মূল্যবোধ হলো ঐসব চিন্তাভাবনা, আশা-আকাঙ্খা, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, যা মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার ও কার্যাবলীকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রণ করে। মূল্যবোধ স্থায়ী নয় বরং পরিবর্তনশীল। শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়বিচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা, শৃঙ্খলাবোধ ও মানবিক সুবিবেচিত আচরণের সমষ্টিগত রূপই হলো মূল্যবোধ।

• মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য:
- নৈতিক প্রাধান্য: মূল্যবোধ বিষয়টি নৈতিকতার উপর নির্ভরশীল। নীতি-নৈতিকতাহীন ব্যক্তি সাধারণত মূল্যবোধসম্পন্ন হয় না।
- নির্দিষ্টতা: যেমন, মায়ের প্রতি কারো সম্মান। আবার তা সাধারণও হতে পারে। যেমন, যে প্রতিবেশীকে ভালবাসে আসলে সে নিজেকেই ভালবাসে।
- বিভিন্নতা: সংস্কৃতি ভেদে মূল্যবোধ ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক থেকে শুরু করে নানা দিক থেকে পশ্চিমা সংস্কৃতির মূল্যবোধের সাথে বাঙালি সংস্কৃতির মূল্যবোধের পার্থক্য আছে।
- আপেক্ষিকতা: মূল্যবোধ একটি আপেক্ষিক বিষয়। একই মূল্যবোধ ভিন্ন-ভিন্ন দেশে বা সংস্কৃতিতে নানারকম হতে পারে। অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্রভেদে মূল্যবোধের মাত্রা কম বা বেশি দেখা যায়।
- সামাজিক মানদন্ড: বিদ্যমান মূল্যবোধ দিয়ে একটি সমাজের বা রাষ্ট্রের পরিবেশ, সংস্কৃতি, চিন্তা-ভাবনার মূল্যায়ন করা যায়। যেমন, কৃষি প্রধান সমাজের মূল্যবোধ একরকম, আবার শিল্পসমৃদ্ধ সমাজের মূল্যবোধ অন্যরকম।
- পরিবর্তনশীলতা: মূল্যবোধ যেহেতু চর্চার বিষয় এবং অভ্যাসের দ্বারা গড়ে উঠে, তাই ভিন্ন সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন বসবাসের ফলে একজন ব্যক্তির পুরনো মূল্যবোধে পরিবর্তন আসতে পারে। যেমন, একজন বাঙালি দীর্ঘ দিন পশ্চিমা কোন সংস্কৃতিতে বসবাস করলে তার আচারণ-আচরণে চিন্তায় নানান পরিবর্তন ঘটতে পারে।
- সম্পর্কের সেতু: অপরিচিত ব্যক্তিরা অনেক সময় একই মূল্যবোধের হলে, তাদের মাঝেও একটি আত্নিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। যেমন কোন বাংলাদেশি নাগরিক লন্ডনে আরেকজন অপরিচিত বাংলাদেশী নাগরিককের সাথে দেখা হলে সহজেই তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৭৫.
শান্তিতে ২০২৫ সালে কে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন?
  1. মারিয়া কোরিনা মাচাদো
  2. নার্গেস মোহাম্মদী
  3. লাসলো ক্রাসনাহোরকাই
  4. ওমর ইয়াঘি
সঠিক উত্তর:
মারিয়া কোরিনা মাচাদো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারিয়া কোরিনা মাচাদো
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।  
- ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা এবং স্বৈরশাসন থেকে শান্তিতে উত্তরণের জন্য তার দীর্ঘদিনের সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি তাকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করে। 

উল্লেখ্য,
- সাহিত্য: হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- পদার্থবিজ্ঞান: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- রসায়ন: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
- অর্থনীতি: ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৭৬.
বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. মার্চ, ১৯৭২
  2. নভেম্বর, ১৯৭২
  3. জানুয়ারি, ১৯৭৩
  4. মার্চ, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশন (JRC):
- ১৯৭২ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবর রহমান এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ১৯ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে যৌথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের জুন মাস থেকেই যৌথ নদী কমিশন (জে.আর.সি) তার কার্যক্রম শুরু করলেও এর কার্যবিধি ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের নয়াদিল্লীতেও অনুরূপ একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে।

• বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদীঃ গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে। এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।

• ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন, উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- উক্ত ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের ২৪ নভেম্বর অংশগ্রহণকারী দুদেশের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে সর্বাধিক যৌথ ফলপ্রসূ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অভিন্ন নদীসমূহ থেকে সর্বোচ্চ সুফল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের স্ট্যাটিউট স্বাক্ষরিত হয়।
- ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের বাংলাদেশ পক্ষের কাজ সম্পাদনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে যৌথ নদী কমিশন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

• রূপকল্প (Vision): টেকসই পানি নিরাপত্তার লক্ষ্যে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত বণ্টন ও যৌথ ব্যবস্থাপনা।
• অভিলক্ষ্য (Mission): আন্তঃসীমান্ত নদী অববাহিকাভূক্ত দেশ এর সাথে পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর এবং পানি সম্পদের যৌথ ব্যবস্থাপনা।

উৎস: i) যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭৭.
কত সালে বিশ্বব্যাংকের সুশাসন সম্পর্কিত 'শাসন প্রক্রিয়া ও উন্নয়ন' রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়। 
- বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে "শাসন প্রক্রিয়া ও উন্নয়ন" শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করেছে। এ রিপোর্ট অনুযায়ী- "Governance is the manner in which power is exrcised in the management of a country's economic and social resources for development"
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বব্যাংকের ঘোষিত চারটি স্তম্ভ হলো:
১. দায়িত্বশীলতা, 
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো ও
৪. অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

৭৮.
BIMSTEC-এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ঢাকা
  2. নয়াদিল্লি
  3. ব্যাংকক
  4. কলম্বো
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংকক
ব্যাখ্যা

BIMSTEC:
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation বা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ জুন, ১৯৯৭ (ব্যাংকক ঘোষণাপত্র)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি (BISTEC- Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- বর্তমান সদস্য: ৭টি। (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান)।
- সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ (২০১৪ সালে ঢাকায় সচিবালয় চালু হয়)।
- বর্তমান মহাসচিব: ইন্দ্রমণি পান্ডে।
- বর্তমান সভাপতি দেশ: বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২-৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ৬ষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

৭৯.
ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত কোনটি?
  1. ভাওয়াইয়া
  2. ভাটিয়ালি
  3. গম্ভীরা
  4. ধামাইল
সঠিক উত্তর:
ভাটিয়ালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাটিয়ালি
ব্যাখ্যা

ভাটিয়ালি:
- ভাটিয়ালি গান মূলত ভাটি অঞ্চলের (নদীবহুল নিম্নাঞ্চল) বিশেষ করে ময়মনসিংহ, সিলেট-ময়মনসিংহের হাওর-নদী অঞ্চল, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকায় প্রচলিত।
- এটি মাঝি-মাল্লাদের নৌকায় ভাটার সময় গাওয়া গান, যা বিরহ, প্রকৃতি ও জীবনের অনুভূতি প্রকাশ করে।

• লোকসঙ্গীত:
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভাটিয়ালি।
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।
- রংপুর ও কুচবিহার জেলা এই গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮০.
ট্রয় নগরীর ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. গ্রীস
  3. ইতালি
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।

⇒ ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ। এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন। গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- প্যারিস যখন স্পার্টা থেকে রাতের অন্ধকারে হেলেনকে নিয়ে পালিয়ে এলেন, হেলেনের স্বামী স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এবং তার ভাই আগামেমনন ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে নৌবহর নিয়ে ইজিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে এই নগরের পাশে স্কামান্দার নদীর মুখে এসে তাঁবু গেড়েছিলেন।
- তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন গ্রিস বা আচিয়ানদের বন্ধুপ্রতিম সব রাজ্যের রাজা।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

⇒ ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

৮১.
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM)-এর প্রতিষ্ঠার পূর্বসূরি হিসেবে কোন সম্মেলনকে গণ্য করা হয়?
  1. বান্দুং সম্মেলন
  2. বেলগ্রেড সম্মেলন
  3. কায়রো সম্মেলন
  4. হাভানা সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
বান্দুং সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দুং সম্মেলন
ব্যাখ্যা

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM):
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM)-এর প্রতিষ্ঠার সরাসরি পূর্বসূরি হিসেবে ১৯৫৫ সালের বান্দুং সম্মেলন বা এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলনকে গণ্য করা হয়।
- ইন্দোনেশিয়ার বান্দুংয়ে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ঔপনিবেশিকতা বিরোধী এবং জোট নিরপেক্ষতার ভিত্তি হিসেবে ১০টি মূলনীতি গৃহীত হয়েছিল যা ১৯৬১ সালে ন্যাম (NAM) প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের অংশগ্রহণে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এর অংশ হিসেবে ভারতের জওহরলাল নেহেরু, ইন্দোনেশিয়া ড. আহমেদ সুকর্ণ, মিশরের গামাল আবদেল নাসের প্রমুখ নেতৃত্ববৃন্দের উদ্যোগে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

• NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়। 
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) প্রতিষ্ঠাতা: যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপতি মার্শাল টিটো, ঘানার রাষ্ট্রপতি কোয়ামে নক্রমা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের রাষ্ট্রপতি জামাল আবদেল নাসের এবং ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।

৮২.
বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করলেও সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়। তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়। এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
 
উল্লেখ্য,
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন। লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ ইলিয়াস শাহকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।
 
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩.
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. দিনাজপুরের মধ্যপাড়া
  2. চট্টগ্রামের সাতকানিয়া
  3. নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুর
  4. নওগাঁর পত্নীতলা
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুর
ব্যাখ্যা

চীনামাটি:
- চীনামাটি বা কেওলিন (Kaolin) হলো একধরণের উন্নতমানের সাদা কর্দম খনিজ, যা মূলত সিরামিক, টাইলস এবং তৈজসপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে তৈরি করা হয়, ফলে এটি অত্যন্ত শক্ত, অভেদ্য এবং স্বচ্ছ প্রকৃতির হয়। 
- একে সাদা মাটিও বলা হয়। 
- এটি সিরামিক শিল্প, টেবিলওয়্যার (চায়ের সেট), স্যানিটারি ওয়্যার (টয়লেট), এবং কাগজ শিল্পে ফিলার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম ১৯৫৭ সালে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়।
- এটি দেশের সবচেয়ে বড় চীনামাটি বা সাদামাটির খনি অবস্থিত।
- এছাড়া শেরপুরের নালিতাবাড়ী, চট্টগ্রামের হাইদগাঁও ও সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জত এবং দিনাজপুরের মধ্যপাড়া, নওগাঁ জেলার পত্নীতলা ও ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।

৮৪.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. জিয়াউর রহমান
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন:
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনটি সোনারগাঁও জাদুঘর হিসেবেই পরিচিত। 
- এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ।
- প্রতিষ্ঠাতা: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন অনুধাবন করেছিলেন যে, শেকড়কে ভুলে কোনো জাতি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। তাই তিনি আমাদের সোনালি ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ ঘটাতে ঐতিহাসিক সোনারগাঁওকেই বেছে নিয়েছিলেন এই ফাউন্ডেশনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তাই আজ বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করছে।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক। সোনার গাঁয়ের যাদুঘর এলাকাকে রূপসী বাংলাদেশ হিসাব ঘোষণা করা হয়েছে।

• কারুশিল্পের উন্নয়ন ও শিল্পীদের অধিকার সুরক্ষায় ১৯৯৮ সালে ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আইন (১৯৯৮ সনের ৮ নং আইন)’ প্রণীত হয়। এই আইনের ৭ (চ) উপ-ধারায় কারুশিল্পের প্রসারে উৎসাহ প্রদানের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফাউন্ডেশনের মূল কার্যাবলি ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে:
- সংগ্রহ ও সংরক্ষণ: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লোকজ নিদর্শনগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষণ করা।
- গবেষণা ও প্রকাশনা: কারুশিল্পের উদ্ভব ও বিবর্তন নিয়ে মৌলিক গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি করা।
- প্রদর্শন ও মেলা: লোকজ মেলার আয়োজন এবং যাদুঘরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের ঐতিহ্যের পরিচয় তুলে ধরা।
- পৃষ্ঠপোষকতা: কারুশিল্পীদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলার ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো সোনারগাঁও। সুলতানি আমলের রাজধানী থেকে শুরু করে বারো ভূঁইয়াদের শাসনকাল পর্যন্ত প্রায় তিনশত বছর সোনারগাঁও ছিল বাংলার প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। বিশেষ করে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈসা খাঁর বীরত্ব এবং বিশ্ববিখ্যাত মসলিন কাপড়ের আভিজাত্য সোনারগাঁওকে বিশ্বদরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। মসলিনের সেই সূক্ষ্ম কারুকাজ আজও বাংলার কারুশিল্পীদের সৃজনশীলতার চরম উৎকর্ষের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮৫.
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আত্মজীবনীমূলক বিখ্যাত বইটির নাম কী?
  1. The Art of the Deal
  2. The Art of Winning
  3. Think Big and Kick Ass
  4. Crippled America
সঠিক উত্তর:
The Art of the Deal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Art of the Deal
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম এবং ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।
- তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ The Art of the Deal:
- The Art of the Deal বইটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প-এর আত্মজীবনীমূলক বই।
- এটি সাংবাদিক টনি শোয়ার্জ (Tony Schwartz)-এর সহায়তায় লেখা হয়েছিল। যদিও এর কৃতিত্ব মূলত ট্রাম্পকেই দেওয়া হয় এবং এটি তার ব্যবসায়িক জীবনের গল্প বলে।
- বইটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য এবং চুক্তি করার পদ্ধতি নিয়ে লেখা, যা তাকে একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ীতে পরিণত করতে সাহায্য করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Amazon.com

৮৬.
'The Idea of Justice' বইটি কে লিখেছেন?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. জন রলস
  3. জন স্টুয়ার্ট মিল
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা

The Idea Of Justice:
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- এটি ন্যায়বিচার বা বিচার সম্পর্কিত একটি যুগান্তকারী বই যা জন রলসের আদর্শিক ন্যায়বিচার তত্ত্বের সমালোচনা করে বাস্তবভিত্তিক ও তুলনামূলক আলোচনার ওপর জোর দেয়।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।
 
উল্লেখ্য,
• অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৫১ সালে আইএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং তারপর অর্থনীতি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন। এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান অমর্ত্য সেন।

উৎস: Britannica.

৮৭.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ১৩৩টি
  2. ১৪৫টি
  3. ১৪৯টি
  4. ১৫২টি
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
ব্যাখ্যা

কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি:
- প্রবাসী আয় ও তৈরি পোশাকের পর কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। 
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে অকৃষি খাতে রপ্তানি কমেছে ১০.৩০ শতাংশ।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিপণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৫৩ কোটি ৪১ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কৃষি খাতে রফতানি আয় কমেছে ৬ কোটি ডলারের বেশি। এ সময়ে দেশের সার্বিক রফতানি আয় ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমলেও কৃষিতে এর হার ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ।

• বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানি করে। এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য পাঠানো হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রফতানি পণ্যের গন্তব্য হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়।
- বর্তমানে ১৪৫টি দেশে সুগন্ধি চাল, ফল, সবজি, মাছ, মাংসের পাশাপাশি বিস্কুট, চানাচুর, নুডলস, জুস, মসলাসহ প্রায় ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) বণিক বার্তা।

৮৮.
Gulf Cooperation Council (GCC)-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ইরান 
  2. কুয়েত
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. কাতার
সঠিক উত্তর:
ইরান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান 
ব্যাখ্যা

Gulf Cooperation Council (GCC)-এর সদস্য দেশ নয় - ইরান।

GCC:
- GCC-এর পূর্ণরূপ: Gulf Cooperation Council.
- Gulf Cooperation Council হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫মে, ১৯৮১ ।
- সদরদপ্তর: রিয়াদ, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬টি (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান)।
- GCC সদস্য দেশগুলো একে অপরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ট্যুরিজম এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সুপ্রিম কাউন্সিল GCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সত্তা, যা সদস্য রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে গঠিত এবং বার্ষিক বৈঠক করে। সিদ্ধান্তগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এছাড়া, একটি প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা কাউন্সিল রয়েছে যা সামরিক সহযোগিতা সমন্বয় করে।
- GCC সনদের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জোটটির মূল উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, GCC গঠিত হয়েছিল সদস্য দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য এবং দেশগুলির নাগরিকদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য। 

উৎস: Britannica.

৮৯.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল 'দহগ্রাম ছিটমহল' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. লালমনিরহাট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ছিটমহল:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা যা লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত এবং ভারতের তিন বিঘা করিডোর দিয়ে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত।

উল্লেখ্য,
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়। ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

⇒ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯০.
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC) গঠনের প্রধান কারণ কী ছিল?
  1. তেল সংকট
  2. ইরান-ইরাক যুদ্ধ
  3. প্যালেস্টাইন যুদ্ধ
  4. আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগ
সঠিক উত্তর:
আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগ
ব্যাখ্যা

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC):
- ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে OIC গঠিত হয়।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির ২য় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ OIC-এর ৩২তম সদস্য।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।

৯১.
কর্কটক্রান্তি রেখা মোট কয়টি দেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭টি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। 
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে ( চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.

৯২.
কোন গভর্নর জেনারেল সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন?
  1. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
সঠিক উত্তর:
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা

সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো সদ্য বিধবা নারীকে স্বামীর চিতায় সহমরণ বা আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করার এক অমানষিক ও অমানবিক প্রথা।
- সতীদাহ প্রথা ছিল মূলত সামাজিক ও ধর্মীয় হত্যাকাণ্ড। 

⇒ ১৭৯৯ সালে উইলিয়াম কেরি এই প্রথা বন্ধের প্রয়াস নেন।
- গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলির কাছে তিনি সতীদাহ বন্ধের আবেদন জানান।
- এরপর রামমোহন রায় ১৮১২ সালে সতীদাহবিরোধী সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৮২৮ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন। লর্ড বেন্টিঙ্কের কাছে রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য আবেদন করেন। লর্ড বেন্টিঙ্ক রামমোহনের যুক্তির সারবত্তা অনুভব করে আইনটি পাসে উদ্যোগী হন। ব্রিটিশ শাসনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাস করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৮৩২ সালে প্রিভি কাউন্সিল রক্ষণশীল হিন্দুদের আপিল খারিজ করে লর্ড বেন্টিঙ্কের আদেশ বহাল রাখেন। এই বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির বাদশাহ দ্বিতীয় আকবর রামমোহনকে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এরপর ভারতবর্ষ থেকে সতীদাহ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ করতে আরও তিন দশক লেগে যায়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কত সদস্য বিশিষ্ট ছিল?
  1. ২৯ সদস্য
  2. ৩৩ সদস্য
  3. ৪০ সদস্য
  4. ৪৪ সদস্য
সঠিক উত্তর:
৪০ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ সদস্য
ব্যাখ্যা

সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের জানুয়ারিতে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রধান মন্ত্রীর পদ ছেড়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসেন। ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনিও জিন্নাহর মতো ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।' এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুলুহয়ে যায়। এবার প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ছাত্র জনতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে। সংগ্রাম পরিষদের আহ্বানে ৪ ফেব্রুয়ারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট আহবান করা হয়। ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ২য়, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

৯৪.
‘৫০০ দিনের প্ল্যান’ কোন দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার প্রকল্প ছিল?
  1. চীন
  2. যুগোস্লাভিয়া
  3. কিউবা
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

৫০০ দিনের প্ল্যান:
- ৫০০ দিনের প্ল্যান (500 Days Plan) হলো সোভিয়েত ইউনিয়নে কমিউনিস্ট অর্থনীতিকে বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য প্রস্তাবিত একটি অর্থনৈতিক সংস্কার প্রকল্প।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে মিখাইল গর্বাচেভের পেরেস্ত্রোইকা এবং গ্লাসনস্ত নীতির অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় এই প্ল্যান প্রস্তাব করা হয়।
- এটি গ্রিগরি ইয়াভলিনস্কি এবং অন্যান্য অর্থনীতিবিদদের নেতৃত্বে তৈরি '500-Day Program' নামে পরিচিত।
- এর লক্ষ্য ছিল ৫০০ দিনের (প্রায় ১.৫ বছর) মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত কমিউনিস্ট অর্থনীতিকে বাজারভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করা যেমন: বেসরকারিকরণ, মূল্য নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া, ব্যাংকিং সংস্কার ইত্যাদি। 
- এটি সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়নি। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ১৯৯১-এর অভ্যুত্থান চেষ্টা এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের কারণে এটি ব্যর্থ হয়।

উৎস: Britannica.

৯৫.
স্বাধীনতার পর জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে জাপানের স্বীকৃতি:
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পর প্রথম যে কয়টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, জাপান তার মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমপর্ণের মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে জাপানিপত্র-পত্রিকায় শিরোনাম করল 'Pakistanis Ink Surrender Papers'.
- ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জাপান এয়ার লাইন্সের একটি বিরাট বিমান নানা সাহায্য সামগ্রী নিয়ে ঢাকা পৌঁছায়। জাপানের জনগণ ও স্কুলের ছেলেমেয়েরা জাপান রেডক্রসের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই সাহায্য দান করেন। জাপানি স্কুল শিশুরা তাদের টিফিনের অর্থ বাঁচিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
-  স্বীকৃতি দান প্রসঙ্গে হায়াকাওয়া বলেন, জাপান স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দিয়েছিল। সিদ্ধান্তটি ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর জাপান কূটনীতির ক্ষেত্রে এই প্রথম স্বতস্ফূর্তভাবে একটা উদ্যোগ নিল।
- ১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি: জাপান বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। জাপান বাংলাদেশে দূতাবাসের কার্যক্রম চালু করে। তাকাশি ওয়ামাদা বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রথম জাপানি রাষ্টদূত।

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৯৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি?
  1. ৪৮(১) নং
  2. ৬৫(১) নং
  3. ৭০(১) নং
  4. ৭২(১) নং
সঠিক উত্তর:
৭২(১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২(১) নং
ব্যাখ্যা

 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।
- প্রতিবছর সংসদের অন্যূন দুটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।

• রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানসমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
- নিয়মমাফিক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত এবং তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।

⇒ রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান করে।  কোন বিল সংসদে পাশ হলে তা সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। সংসদ ভেঙে দেয়া হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করে আইন তৈরি করতে পারেন যা সংসদে আইন হিসেবে গণ্য হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭.
আলজিয়ার্স চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জুন, ১৯৭৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ইরাক-ইরান।
- মধ্যস্থতাকারী: আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরের স্থান: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী এবং ইরাকের পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে চুক্তিটি অকার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
• ইরান-ইরাক যুদ্ধ:
- ইরাক-ইরান যুদ্ধ শুরু হয়: ১৯৮০ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ - ২০ আগস্ট, ১৯৮৮ সাল।
- ফলাফল: জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি।

উৎস: Britannica.

৯৮.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ (১) নং অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কার কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ সচিবালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
• ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪১ নং অনুচ্ছেদদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়। সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৯৯.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কী বলে?
  1. নিয়ত বায়ু
  2. সাময়িক বায়ু
  3. স্থানীয় বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।  যথা: অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

অন্যদিকে -
• সাময়িক বায়ু: কোনো নির্দিষ্ট দিক, বা বছরের কোনো নির্দিষ্ট ঋতুতে যে বায়ুপ্রবাহ জল ও স্থলভাগের তাপের তারতম্য সৃষ্টি করে তাকেই বলা হয় সাময়িক বায়ু। 
• স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়প্রবাহ।
• অনিয়মিত বায়ু: কোনো স্থানে অধিক উত্তাপের জন্য বায়ুচাপ কমে নিম্নচাপের অথবা অত্যাধিক শীতের জন্য কোনো স্থানীয় বায়ু শীতল জলে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়। এভাবে সৃষ্টি যে বায়ুপ্রবাহ তাকে বলা হয় অনিয়মিত বায়ু প্রবাহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০০.
পার্ল হারবার আক্রমণের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. উড্রো উইলসন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  4. ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

পার্ল হারবার আক্রমণ:
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবার আক্রমণের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট এবং ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- তাঁর নেতৃত্বেই যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করে। 

• উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি। ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে। এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপানি নৌবাহিনী হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটিতে অতর্কিত বিমান হামলা চালায়। জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়। জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

উল্লেখ্য,
- চীন-জাপান যুদ্ধ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সম্প্রসারণের জন্য জাপানের তেল ও অন্যান্য সম্পদ দরকার ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের উপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় জাপান প্যাসিফিক ফ্লিটকে নিষ্ক্রিয় করতে এই আক্রমণ করে, যাতে তারা দক্ষিণে অগ্রসর হতে পারে।
- এই আক্রমণের ফলে প্রায় ২,৪০০ মার্কিন সৈন্য ও নাগরিক নিহত হয়, আহত হয় ১,১০০ এরও অধিক। অসংখ্য যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত ও বিমান ধ্বংস হয়। এর পরদিন ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট কংগ্রেসে বলেন: "a date which will live in infamy" এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.