পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৯ প্রশ্ন

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পগুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. মাল্যদান
  2. মহেশ
  3. ব্যবধান
  4. অতিথি
সঠিক উত্তর:
মহেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশ
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পগুচ্ছের অন্তর্ভুক্ত নয়- মহেশ। 

• 'মহেশ' ছোটগল্প: 

- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সার্থক ছোটগল্প 'মহেশ'।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।
- গল্পের চরিত্র: গফুর, আমেনা, মহেশ, তর্করত্ন, জমিদার শিববাবু প্রমুখ।
- এ গল্পে 'মহেশ' একটি ষাঁড়ের নাম।

-----------------------
• "গল্পগুচ্ছ":
গল্পগুচ্ছ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের সংকলন। কবি ১২৯৮ থেকে ১৩৪০ বঙ্গাব্দের মধ্যে বেশিরভাগ গল্প লিখেছেন।[১] অখণ্ড সংস্করণে মোট ৯৫টি ছোট গল্প রয়েছে। উল্লেখযোগ্য গল্প ‌- পোস্টমাস্টার, ব্যবধান, হৈমন্তী, অতিথি, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন, নষ্টনীড়, মাল্যদান, ফেল, কাবুলিওয়ালা ইত্যাদি।

১৯০৮‌-১৯০৯ সালে ইন্ডিয়ান পাবলিশিং হাউস ৫ খণ্ডে এগুলো প্রকাশ করে। তবে ১৩০৭ বঙ্গাব্দে মজুমদার লাইব্রেরি প্রকাশিত সংস্করণকেই প্রথম সংস্করণ হিসাবে গণ্য করা হয়। এ বই এর প্রচুর গল্পের উপর বিভিন্ন সময় নাটক তৈরি হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের ছোট গল্পের বইগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

উৎস: "গল্পগুচ্ছ" রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'মহেশ' গল্প।

.
চর্যাকাররা 'বাঙ্গালা' ও তন্নিকটবর্তী দেশের লোক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন কে?
  1. সুকুমার সেন 
  2. বিজয়চন্দ্র মজুমদার
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদের ভাষা নিয়ে বিভিন্ন পণ্ডিতের মতে:
- পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, চর্যাকাররা 'বাঙ্গালা' ও তন্নিকটবর্তী দেশের লোক। যদিও অনেকের ভাষায় একটু-আধটু ব্যাকরণের প্রভেদ আছে, তবুও চর্যার ভাষাকে বাংলা বলে উল্লেখ করেছেন। এ অভিমতের পক্ষে তিনি কোনো যুক্তি উপস্থাপন করেন নি। অন্যদিকে, সব পণ্ডিত যে তাঁর সঙ্গে অভিন্ন মত পোষণ করেছেন এমন নয়।

- ভাষাতাত্ত্বিক বিজয়চন্দ্র মজুমদার এ বলে মত প্রকাশ করেছেন যে, সামগ্রিকভাবে চর্যার ভাষাকে বাংলা বলা যাবে না। তাতে হিন্দি ও ওড়িয়া আছে। এটি মিশ্র ভাষা হিসেবে পরিচিত হতে পারে।

- ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় চর্যাগীতির ভাষা নিয়ে প্রথম ভাষাতাত্ত্বিক বিশদ আলোচনা করেন দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থে। তিনি তাতে সুস্পষ্টভাবে এ অভিমত দেন যে, চর্যাগীতির ভাষা বাংলা এবং তাতে শৌরসেনী অপভ্রংশের প্রভাব রয়েছে। যেমন: আইসন, জইসন, জিম, তিম ইত্যাদি পুরোপুরি বাংলার রূপ পাচ্ছিল না। কেননা চর্যাগীতিগুলো যখন রচিত হয় তখন বাংলা ভাষা পুরোপুরি অপভ্রংশের খোলস ত্যাগ করতে পারে নি।

- সুনীতিকুমারের মতকে সুকুমার সেন সমর্থন করে চর্যাগীতির ভাষাকে বাংলা বলেই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তবে তিনি শৌরসেনী প্রভাবের বদলে অবহষ্ঠের প্রভাবের পক্ষে অভিমত দিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, অসমিয়া ভাষীদের দাবিও অযৌক্তিক নয়।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, মাহাবুবুল হক।

.
'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯২৯ সালে
  2. ১৯৩২ সালে
  3. ১৯৩৮ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা

• 'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্য:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা। দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি জসীম উদ্দীন তা অবলম্বন করেছেন। গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

----------------------
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির।
- হলদে পরীর দেশ।
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: ভাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'নক্সী কাঁথার মাঠ' গ্রন্থের ভূমিক এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
'ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের' জয়গান গাওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন নাটকে?
  1. রক্তকরবী
  2. বিসর্জন
  3. প্রায়শ্চিত্ত
  4. ডাকঘর
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
ব্যাখ্যা

• 'রক্তকরবী' নাটক:
- রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত। তখন এর নামকরণ হয়েছিল যক্ষপুরী।
- ১৩৩০ সনের আশ্বিন মাসে যখন প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় তখন এর নাম হয় রক্তকরবী।

- মানুষের অসীম লোভ কীভাবে জীবনের সব সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্র ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণে পরিণত করেছে এবং এর ফলে তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কীরূপ ধারণ করেছে এরই প্রতিফলন ঘটেছে এ নাটকটিতে।

- রক্তকরবীতে 'ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের' জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে। 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। শেষপর্যন্ত জয়ী হয়েছে মানুষের প্রাণশক্তি।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নন্দিনী,
- রঞ্জন।

------------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কিছু নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- তাসের দেশ,
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত,
- ডাকঘর,
- বসন্ত,
- চণ্ডালিকা,
- নটীর পূজা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
দর্শন ও বিজ্ঞান উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলা সাহিত্যের দুঃখবাদী কবি বলা হয় কাকে?
  1. যতীন্দ্রমোহন বাগচী 
  2. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
  3. রামনিধি গুপ্ত 
  4. গোবিন্দদাস 
সঠিক উত্তর:
যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা

• যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত:
- যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরে তাঁর জন্ম।
- রবীন্দ্র যুগের কবি হয়েও রবীন্দ্রনাথের প্রভাব এড়িয়ে যে কয়জন কবি-সাহিত্যিক নতুন ভাবনা ও স্বতন্ত্র বক্তব্য নিয়ে কাব্যচর্চা করেন, যতীন্দ্রনাথ তাঁদের অন্যতম।

- যতীন্দ্রনাথ ছিলেন একজন যুক্তিবাদী ও মননশীল লেখক; সমাজ ও সমকাল তাঁর কাব্যের বিষয়বস্তু। ভাষার মধ্যে তর্ক, কটাক্ষ ও প্রচ্ছন্ন পরিহাস তাঁর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। দর্শন ও বিজ্ঞান উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই তিনি ছিলেন দুঃখবাদী, আর এই দুঃখবাদ তাঁর কাব্যের মূল সুর। প্রকৃতি ছলনাময়ী, জীবন দুঃখময়, সুখ অনিত্য ও ক্ষণিকের এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি জগৎ-সংসারকে দেখেছেন। কোনোরূপ ভাববাদের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পর্যবেক্ষণ থেকে তিনি দুঃখ ও নৈরাশ্যের চিত্র এঁকেছেন। 

- যতীন্দ্রনাথের ভাষা আবেগমুক্ত ও যুক্তিসিদ্ধ; তিনি সরাসরি বিষয়ের প্রকাশ ঘটান। তবে অন্ত্যপর্বের কাব্যগুলিতে তাঁর রোম্যান্টিক বিহবলতা ও চাঞ্চল্য প্রকাশ পেয়েছে। মহাত্মা গান্ধীর জীবনদর্শন ও রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর জীবনদৃষ্টিতে মানবতাবাদ ও দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর মমতা লক্ষণীয়। 

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ:
- মরীচিকা,
- মরুশিখা,
- মরুমায়া,
- সায়ম্,
- ত্রিযামা,
- নিশান্তিকা এবং
- কবিতা-সংকলন অনুপূর্বা।

[প্রথম তিনখানি কাব্যের নামকরণে অগ্নি, রুদ্র ও মরুর দহন এবং শেষের তিনটির নামকরণে রাত্রির অন্ধকারের প্রতীক-দ্যোতনা প্রকাশ পেয়েছে।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি উপমান কর্মধারয় সমাস?
  1. সিংহপুরুষ
  2. নয়নপদ্ম
  3. কাজলকালো
  4. বীরকেশরী
সঠিক উত্তর:
কাজলকালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজলকালো
ব্যাখ্যা

• উপমান কর্মধারয় সমাস:
যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলোকে উপমান কর্মধারয় বলে। এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়।
যেমন:
- কাজলের মতো কালো = কাজলকালো,
- শশের মতো ব্যস্ত = শশব্যস্ত,
- তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র।

অন্যদিকে,
• উপমিত কর্মধারয়:
যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলোকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নয়ন পদ্মের ন্যায় = নয়নপদ্ম;
- আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি;
- বীর কেশরীর ন্যায় = বীরকেশরী;
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ;
- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

.
বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. চোরা
  2. চড়াই
  3. লাজুক
  4. নাচন্ত
সঠিক উত্তর:
নাচন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাচন্ত
ব্যাখ্যা

• বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু বিবর্জিত বাংলা ধাতুর সঙ্গে প্রাকৃত ভাষা থেকে আগত যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন:
√নাচ্ + অন্ত = নাচন্ত;
√ডুব্‌ + অন্ত = ডুবন্ত;
√চল্ + অন্ত = চলন্ত ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
-----------------
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
• আ-প্রত্যয় (অবজ্ঞার্থে): চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্টা।
• আই-প্রত্যয় ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে: বড় + আই = বড়াই, চড়া + আই = চড়াই
• উক-প্রত্যয় বিশেষণ গঠনে: লাজ + উক = লাজুক, মিশ + উক = মিশুক, মিথ্যা + উক = মিথ্যুক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
বাংলা ভাষায় কোন স্বরধ্বনি উচ্চারণকালে জিহ্বা উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষায় 'ও' স্বরধ্বনিটি উচ্চারণকালে জিহ্বা উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে।

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ বিধি:
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা-
১. উচ্চ স্বরধ্বনি- ই, উ।
২. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি- এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি- অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি- আ।

• আবার, জিভের সম্মুখ পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা-
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি: ই, এ, অ্যা।
২. মধ্য স্বরধ্বনি: আ।
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: অ, ও, উ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
ধ্বনি সম্পর্কে কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে।
  2. যে কোনো শব্দকে 'ধ্বনি' বলে বিবেচনা করা যায়। 
  3. ধ্বনি দৃশ্যমান, উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়।
  4. অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগ্‌ধ্বনি।
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি দৃশ্যমান, উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি দৃশ্যমান, উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়।
ব্যাখ্যা

• ধ্বনি সম্পর্কে অশুদ্ধ বাক্য- ধ্বনি দৃশ্যমান, উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়।
- শুদ্ধ বাক্য-  ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়।

--------------------
• ধ্বনি:

ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে। 'কোনো ভাষার বাক্‌প্রবাহকে সুদ্ধভাবে বিশ্লেষণ করলে আমরা কতগুলো মৌলিক ধ্বনি পাই। মানুষের বাগ্‌যন্ত্রের সাহায্যে যে আওয়াজ উৎপন্ন করে তাকেই ধ্বনি (phone/sound) বলে। যে কোনো শব্দকে 'ধ্বনি' বলে বিবেচনা করা যায়। যেমন- ঘণ্টা বাজার ধ্বনি, কাক ডাকার ধ্বনি; মানুষের মুখনিঃসৃত ধ্বনি ইত্যাদি। কিন্তু ব্যাকরণে শুধু মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থবোধক আওয়াজকেই 'ধ্বনি' বলে। 

অর্থাৎ অর্থবোধক ধ্বনির সমষ্টিই ভাষার প্রধান উপাদান। কিন্তু ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়। একজন বলে অন্যজন শোনে। সেই ধ্বনিকে, আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে, বা ধ্বনিকে একটা দৃশ্যরূপ দেওয়ার জন্যই বর্ণের সৃষ্টি হয়েছে।

- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, "কোনও ভাষার উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে, আমরা কতগুলি ধ্বনি পাই।"
- ধ্বনিতাত্ত্বিক মুহম্মদ আবদুল হাই 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থে লিখেছেন, "অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগ্‌ধ্বনি।"

মূল কথা হলো,
- অর্থবোধক ধ্বনি সমষ্টিই ভাষার প্রধান উপাদান।
- কিন্তু ধ্বনি দৃশ্যমান নয়, উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়।
- ধ্বনিকে দৃশ্যমান দেওয়ার জন্য বা লিখিত আকারে প্রকাশ করার জন্যে প্রয়োজন হয় এক প্রকার সংকেত বা চিহ্নের। এই সঙ্কেত বা চিহ্নকে বর্ণ বলে। ধ্বনি দৃশ্যমান না হলেও বর্ণ দৃশ্যমান হয়ে থাকে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

১০.
নিচের কোনটি বিশেষণ পদ?
  1. চিরন্তন
  2. চিরনিদ্রা
  3. চিরতুষার
  4. চিরদারিদ্র্য
সঠিক উত্তর:
চিরন্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরন্তন
ব্যাখ্যা


• বিশেষণ পদ:

যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
যেমন- চিরন্তন, চিরঞ্জীবী, চিরতরুণ, চিরদীন, চিরবাঞ্চিত।

-------------------
• বিশেষ্য পদ:
কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে। বাক্যমধ্যে ব্যবহৃত যে সমস্ত পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় তাদের বিশেষ্য পদ বলে।
যেমন- চিরনিদ্রা, চিরদৈন্য, চিরতুষার, চিরদারিদ্র্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯- সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১.
বর্ণ বিপর্যয়ের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1.  পিশাচ > পিচাশ
  2. তলোয়ার > তরোয়াল
  3. রিকসা্‌ > রিস্‌কা
  4. ধাইমা > দাইমা 
সঠিক উত্তর:
ধাইমা > দাইমা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাইমা > দাইমা 
ব্যাখ্যা

•  বর্ণ বিপর্যয়ের উদাহরণ নয়- ধাইমা > দাইমা 

• ধ্বনি বিপর্যয় বা বর্ণ বিপর্যয়:

শব্দের মধ্যবর্তী দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে হলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন: 
- পিশাচ > পিচাশ,
- লাফ > ফাল,
- বাক্‌স > বাস্‌ক,
- রিকসা্‌ > রিস্‌কা,
- তলোয়ার > তরোয়াল ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• ব্যঞ্জন বিকৃতি: 
শব্দ-মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন- কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।

১২.
শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1.  উদ্‌ + ছেদ = উচ্ছেদ
  2. যাবৎ + জীবন = যাবজ্জীবন
  3. উদ্‌ + জ্বল = উজ্জ্বল
  4. তৎ + জন্য = তজ্জন্য
সঠিক উত্তর:
যাবৎ + জীবন = যাবজ্জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবৎ + জীবন = যাবজ্জীবন
ব্যাখ্যা

• ব্যঞ্জনে + ব্যঞ্জনে = ব্যঞ্জন সন্ধির নয়ম:
আগে ৎ বা দ্ এবং পরে চ্ বা ছ্‌ থাকলে ৎ বা দ্‌ স্থানে চ্ হয়। এবং ৎ বা দ্‌-এর পরে জ্‌ বা ঝ্‌ থাকলে ত্ বা দ্‌ স্বানে জ্‌ হয়।
যেমন:
- সৎ + চরিত্র = সচ্চরিত্র,
- চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র,
- বিপদ্‌ + চিন্তা = বিপচ্চিন্তা,
- তদ্‌ + চিত্র = তচ্চিত্র,
- উৎ + ছিন্ন = উচ্ছিন্ন,
- উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ,
- তদ্‌ + ছবি = তচ্ছবি,
- তদ্‌ + ছিদ্র = তচ্ছিদ্র,
- উৎ + জ্বল = উজ্জ্বল,
- যাবৎ + জীবন = যাবজ্জীবন,
- বিপদ্‌ + জনক = বিপজ্জনক,
- তদ্‌ + জন্য = তজ্জন্য,
- কুৎ + ঝটিকা = কুঞ্ঝটিকা,
- বিপদ্‌ + ঝঞ্ঝা = বিপজঝঞা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
নিচের কোনটি তুর্কি ভাষার শব্দ?
  1. চাবি
  2. চাকু
  3. চামচ 
  4. চাবুক 
সঠিক উত্তর:
চাকু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকু
ব্যাখ্যা


 
 • তুর্কি ভাষার কিছু শব্দ হলো:
কাঁচি, খোকা, বাবুর্চি, উজবুক, কোর্মা, চাকু, তুরক, তুরগ, বেগম, বাবা।

অন্যদিকে, 
----------------                    
• 'চাবি' পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।
• 'চামচ' একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। এটি 'চমস' তৎসম শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 
• 'চাবুক' ফারসি ভাষার শব্দ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।

১৪.
বিপরীত অর্থে 'অপ' উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে? 
  1. অপসৃষ্টি
  2. অপযশ
  3. অপকর্ম
  4. অপবাদ
সঠিক উত্তর:
অপবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপবাদ
ব্যাখ্যা

উপসর্গ:
যেসব শব্দাংশ অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলােকে উপসর্গ বলে। নতুন শব্দ তৈরি করা এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন করা উপসর্গের কাজ।

তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

বিভিন্ন অর্থে 'অপ' উপসর্গের ব্যবহার:
- বিপরীত অর্থে: অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ
- নিকৃষ্ট অর্থে: অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
- স্থানান্তর অর্থে: অপসারণ, অপহরণ, অপনোধন।
- বিকৃত অর্থে: অপমৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।

১৫.
'Newscaster' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. সংবাদ প্রতিবেদক
  2. বার্তা সম্পাদক
  3. সংবাদ উপস্থাপক 
  4. সংবাদপত্র বিক্রেতা
সঠিক উত্তর:
সংবাদ উপস্থাপক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ উপস্থাপক 
ব্যাখ্যা

• 'Newscaster' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ- সংবাদ উপস্থাপক। 

অন্যদিকে, 
------------ 
• 'News editor' অর্থ - বার্তা সম্পাদক। 
• 'News reporter' অর্থ - সংবাদ প্রতিবেদক। 
• 'Newsagent' অর্থ - সংবাদপত্র বিক্রেতা।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি এবং অভিগম্য অভিধান। 

১৬.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
  1. বিপর্যস্থ 
  2. সমাধিস্থ
  3. ভূগর্ভস্থ
  4. অন্তঃস্থ
সঠিক উত্তর:
বিপর্যস্থ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপর্যস্থ 
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান- বিপর্যস্থ।  
- শুদ্ধরূপ: বিপর্যস্ত। 

• স্ত আর স্থ-য়ে গন্ডগোল:

স্ত /স্থ সংক্রান্ত বানান ভুল এড়াবার একটা উপায় আছে। যেসব শব্দে স্থ আছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেসব শব্দ থেকে স্থ বাদ দিলেও অর্থবোধক শব্দ পড়ে থাকবে। কিন্তু স্ত দিয়ে যেসব শব্দ পাচ্ছি সেখানে স্ত বাদ দিলে অর্থবোধক শব্দ পড়ে থাকবে না।

উদাহরণগুলো লক্ষ করি:
• স্ত: অভ্যস্ত, অস্ত, আশ্বস্ত, গ্রস্ত (যেমন: বিপদগ্রস্ত) ত্রস্ত, নিরস্ত, ন্যস্ত, পরাস্ত, পর্যুদস্ত, প্রশস্ত, বিধ্বস্ত, বিন্যস্ত, বিপর্যস্ত, বিশ্বস্ত, ব্যতিব্যস্ত, সন্ত্রস্ত সমস্ত, স্বস্তি।

• স্থ: অন্তঃস্থ, অবস্থা, অভ্যন্তরস্থ, কণ্ঠস্থ, গর্ভস্থ, গৃহস্থ, তটস্থ, দুস্থ, দ্বারস্থ, ভূগর্ভস্থ, মধ্যস্থতা, মনস্থ, মুখস্থ, সভাস্থ, সমাধিস্থ, সুস্থ।

উল্লেখ্য, 'অধীনস্থ' ব্যাকরণসম্মত নয় বটে, কিন্তু বর্তমানে সর্বত্র প্রচলিত।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১৭.
নিচের কোনটি চলিত রীতির শব্দ?
  1. খোলস
  2. জুতা
  3. শুকনো
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
শুকনো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুকনো
ব্যাখ্যা

• চলিত রীতি:
-  চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিত রীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে।
-  এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল।
-  চলিত রীতি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলাপ-আলোচনা ও নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী।
-  সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। বহু বিশেষ্য ও বিশেষণের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে।
- চলিত রীতির কিছু শব্দ হলো- পড়লো, খোসা, পেরিয়ে, দেননি, আগেই, জুতো, তুলো, শুকনো, বুনো, মধ্যে, মাঝে, সঙ্গে, তাঁরা/ওঁরা, তাকে/ওকে। 

-----------------
• সাধু রীতি:
-  বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধুভাষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রাধান্য নেই।
- সাধুভাষা কথোপকথনে, নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
- সাধুভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী।
- সাধুভাষা সর্বজনীন লেখ্য ভাষা।
- এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।
- সাধু রীতির বহু সর্বনামে 'হ'-বর্ণ যুক্ত থাকে, যেমন- তাহারা, ইহাদের, যাহা, তাহা, উহা, কেহ। 
- সাধু রীতির কিছু শব্দ হলো- খোলস, জুতা, তুলা, তাহারই, তারই, পূর্বেই, সহিত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. অনুষঙ্গ
  2. চক্ষুম্মান
  3. উৎকৃষ্ট
  4. ষড়যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্র
ব্যাখ্যা

• ষ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

'ষ' ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের 'স' 'ষ' হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুম্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ" হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত  > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি। ইত্যাদি।

যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ষ হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও 'ষ' হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৯.
শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √শন্‌ + ক্তি = শান্তি
  2. √মন্ + ক্তি = মতি
  3. √শ্রন্‌ + ক্তি = শ্রান্তি 
  4. √মুক্‌ + ক্তি = মুক্তি
সঠিক উত্তর:
√মন্ + ক্তি = মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√মন্ + ক্তি = মতি
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয়- √মন্ + ক্তি = মতি। 

বিশেষ নিয়ম:

(ক) ক্তি-প্রত্যয় যোগ করলে কোনো কোনো ধাতুর অন্ত ব্যঞ্জনের লোপ হয়। যথা- √মন্ + ক্তি = মতি, √রম্ + ক্তি = রতি।
(খ) কোনো কোনো ধাতুর উপধা অ-কারের বৃদ্ধি হয়, অর্থাৎ আ-কার হয়। যেমন- √শ্রম্ + ক্তি = শ্রান্তি (সন্ধিসূত্রে ম>ন), √শম্ + ক্তি = শান্তি।
(গ) 'চ' এবং 'জ' স্থলে 'ক' হয়। যেমন-√বচ্ + ক্তি = উক্তি, √মুচ্ + ক্তি = মুক্তি, √ভিজ্ + ক্তি = ভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২০.
‍'মৃগাঙ্ক' শব্দের অর্থ কী?
  1. চন্দ্র
  2. পর্বত 
  3. রাত 
  4. বাতাস 
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
ব্যাখ্যা


• মৃগাঙ্ক (বিশেষ্য পদ),
- মৃগ+অঙ্ক। 
অর্থ- চন্দ্র, চাঁদ। 

---------------
'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ:
চন্দ্র, চন্দ্রমা; নিশাকর; নিশাকান্ত; শশধর; হিমাংশু; সুধাংশু; সুধাকর; ইন্দু; বিধু; শশী; সোম; মৃগাঙ্ক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
"শঙ্খমালা" কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ঝরাপালক
  2. বনলতা সেন
  3. মহাপৃথিবী
  4. সাতটি তারার তিমির
সঠিক উত্তর:
বনলতা সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনলতা সেন
ব্যাখ্যা

• "শঙ্খমালা" কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কবিতা হিসেবে বিবেচিত। 
• এ কবিতায় শঙ্খমালা নামের রূপসী নারীর কথা বলা হয়েছে। কবির ধারণা, পৃথিবীর অন্য কোথাও শঙ্খমালাদের পাওয়া যাবে না।
• তার বিশ্বাস, বিশালাক্ষী বর দিয়েছিলো বলেই নীল-সবুজে মেশা বাংলার ভূ- প্রকৃতির মধ্যে অনুপম এই সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়েছে। তাই বলা যায় জীবনানন্দ দাশের কবিতায় ব্যবহৃত 'শঙ্খমালা' হলো- রোমান্টিক কবিকল্পনা।

'শঙ্খমালা' কবিতার অংশবিশেষ- 

শঙ্খমালা
- জীবনানন্দ দাশ
কান্তারের পথ ছেড়ে সন্ধ্যার আঁধারে
সে কে এক নারী এসে ডাকিল আমারে,
বলিল, তোমারে চাই:
বেতের ফলের মতো নীলাভ ব্যথিত তোমার দুই চোখ
খুঁজেছি নক্ষত্রে আমি- কুয়াশার পাখনায়-

--------------------
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে "চিত্ররূপময়" কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।
- তাঁর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ- "কবিতার কথা"। 'কবিতার কথা' প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত উক্তি: "সকলেই কবি নন, কেউ
কেউ কবি"
- 'বনলতা সেন' তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।'বনলতা সেন' কবিতার উপর আডগার এলেন পো এর প্রভাব রয়েছে।
- জীবনানন্দের মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় 'রূপসী বাংলা' এবং "বেলা অবেলা কালবেলা' নামক কাব্য।

জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত),
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া; 'শঙ্খমালা- কবিতা'।

২২.
'জয়দেব' কোন ভাষার কবি ছিলেন?
  1. বাংলা 
  2. হিন্দি 
  3. ব্রজবুলি 
  4. সংস্কৃত 
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 
ব্যাখ্যা

• জয়দেব:
- কবি জয়দেব সংস্কৃত সাহিত্যের একজন মধ্যযুগীয় অন্যতম প্রসিদ্ধ কবি। তাঁর ভাষা ছিল সংস্কৃত।
- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার অজয়নদের তীরবর্তী কেন্দুবিল্ব বা কেঁদুলি গ্রামে তাঁর জন্ম। কেউ কেউ তাঁকে মিথিলা বা উড়িষ্যার অধিবাসী বলেও মনে করেন।

- জয়দেব ছিলেন বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম।

- বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির সূচনা জয়দেবের গীতগোবিন্দের পদাবলি থেকেই বলে ধারণা করা হয়। বাঙ্গালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়। রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত 'গীতগোবিন্দম্' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। ২৮৬টি শ্লোক এবং ২৪টি গীতের সমন্বয়ে ১২ সর্গে 'গীতগোবিন্দম্' রচিত।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ; বাংলা ভাষা অ সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কবি-কাহিনী' কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো ধারাবাহিকভাবে কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল? 
  1. প্রতিবিম্ব
  2. ভারতী
  3. জ্ঞানাঙ্কুর
  4. তত্ত্ববোধিনী
সঠিক উত্তর:
ভারতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতী
ব্যাখ্যা

• 'কবি-কাহিনী' কাব্যগ্রন্থ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'কবি-কাহিনী'। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
- 'ভারতী' পত্রিকায় পৌষ-চৈত্র ১২৮৪ বঙ্গাব্দ সংখ্যায় এর কবিতাগুলো ছাপা হয়।
- ১৮৭৮ খ্রিষ্টাব্দেই কবিতাগুলো নিয়ে 'কবি-কাহিনী' গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
- চার সর্গে বিভক্ত এই নাতিদীর্ঘ কাব্যের নায়ক এক কবি এবং নায়িকা নলিনী। নলিনীর মৃত্যুর পর নায়ক কবির বিশ্বপ্রেমের উপলব্ধিতে কাব্যের পরিসমাপ্তি।
- মনে করা হয়, এ কাব্যের নায়ক রবীন্দ্রনাথ নিজেই। কবিতার কাহিনিতে নাটকীয়তা নেই। অমিত্রাক্ষর ছন্দের রচনা। তবে বিন্যাস পয়ার ও ত্রিপদী উভয় ধরনের।

উল্লেখ্য,
• জ্ঞানাঙ্কুর ও প্রতিবিম্ব পত্রিকায় তাঁর 'বনফুল' কাব্যগ্রন্থটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতো। 
• রবীন্দ্রনাথের প্রথম মুদ্রিত কবিতা ‘অভিলাষ’ তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১২৮১ সনের (১৮৭৪) অগ্রহায়ণ মাসে (কারও কারও মতে প্রথম কবিতা ‘ভারতভূমি’ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ১৮৭৪ সালে প্রকাশিত হয়)। 

----------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে-
- মানসী,
-সোনার তরী,
- বিচিত্রা,
- চৈতালী,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপুট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- প্রভাতসঙ্গীত,
- বনফুল,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৪.
বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গদ্য সাহিত্যের কোন লেখক?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. প্রমথ চৌধুরী 
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।
- প্রমথনাথ বিশি বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন।

- তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। কারণ তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণ দান করেছেন। তিনি বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন। বিদ্যাসাগরের সৃষ্ট গদ্যরীতির প্রভাবেই পরবর্তী পর্যায়ে বাংলা গদ্যের পরিণত রূপের সৃষ্টি হয়।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ। ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
• প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক। তৎকালীন ওড়িষা প্রদেশের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৫.
'দুনিয়া সাচ্চা নয়-মুই একা সাচ্চা হয়ে কি করবো?'- উক্তিটি কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত?
  1. আলালের ঘরের দুলাল
  2. লালসালু 
  3. পদ্মানদীর মাঝি
  4. সূর্য দীঘল বাড়ী
সঠিক উত্তর:
আলালের ঘরের দুলাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলালের ঘরের দুলাল
ব্যাখ্যা

• 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাস:
- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'। 
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়। তার আগে ১৮৫৪ সাল থেকে 'মাসিক পত্রিকা'তে ধারাবাহিকভাবে এটি প্রকাশিত হতে থাকে।
- উপন্যাসটিতে দেশীয় শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।
- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়। পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।
- উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা।
- 'দুনিয়া সাচ্চা নয়-মুই একা সাচ্চা হয়ে কি করবো?' উপন্যাসে উক্তিটি বলেছেন ঠকচাচা।
এছাড়াও উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রে হচ্ছে- বাবুরাম, বাবুরামের পুত্র মতিলাল, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।

প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত বাংলা গ্রন্থের সংখ্যা নিতান্ত অল্প নয়। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- আলালের ঘরের দুলাল,
- মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কি উপায়,
- রামারঞ্জিকা,
- কৃষি পাঠ,
- গীতাঙ্কু,
- যৎকিঞ্চিৎ,
- অভেদী,
-ডেভিড হেয়ারের জীবন চরিত,
- এতদ্দেশীয় স্ত্রীলোকদিগের পূর্ব্বাবস্থা,
- বামাতোষিণী।

উৎস: 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাস; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৬.
'গো জীবন' মীর মশাররফ হোসেনের কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. নাটক 
  2. উপন্যাস 
  3. প্রহসন 
  4. প্রবন্ধ 
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধ 
ব্যাখ্যা

• 'গো জীবন':
- 'গো জীবন' মীর মশাররফ হোসেনের একটি প্রবন্ধ পুস্তিকা।
- প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য হলো, কৃষি নির্ভর অর্থনীতিতে যে কোন কারণেই হোক গো-হত্যা অনুচিত।
- হিন্দু ও মুসলমান এই দুই ধর্মালম্বীদের ঐক্যবদ্ধ করার মানসেই মীর মশাররফ হোসেন এ প্রবন্ধ রচনা করেন। এ গ্রন্থের জন্য লেখককে মামলাতে জড়িয়ে পরতে হয়। অবশেষে মৌলবাদীদের প্রবল চাপের মুখে তিনি প্রবন্ধটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।

প্রহসন:
- টালা অভিনয়,
- এর উপায় কি,
- ফাঁস কাগজ,
- ভাই ভাই এইতো চাই।

উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৭.
'জঙ্গনামা' কাব্যধারার কবি নন কে?
  1. মুহম্মদ খান
  2. ওয়াহিদ আলী 
  3. নওয়াজিস খান 
  4. ফকির গরিবুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
নওয়াজিস খান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াজিস খান 
ব্যাখ্যা

• 'জঙ্গনামা' কাব্যধারার কবি নন- নওয়াজিস খান।  
• নওয়াজিস খান মধ্যযুগীয় রোম্যান্টিক কাব্যধারার কবি। তাঁর রচিত কাব্য 'গুলে বকাওলী'। 

-----------------
• জঙ্গনামা:

জঙ্গনামা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য। ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। বিশেষত  হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণির কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে। তাই আরবি-ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।

জঙ্গনামা শ্রেণির কাব্যধারার উল্লেখযোগ্য কবি ও কাব্যের নাম হলো:  
- শেখ ফয়জুল্লাহ (ষাল’শ শতক, জয়নবের চৌতিশা),  
- দৌলত উজির বাহরাম খান (ষোল’শ শতক, জঙ্গনামা),
- মুহম্মদ খান (সতের’শ শতক, মকতুল হোসেন),
- শেরবাজ (আঠার’শ শতক, কাশিমের লড়াই ও ফাতিমার সুরতনামা),
- হেয়াত মামুদ (আঠার’শ শতক, জারি-জঙ্গনামা),
- জাফর (আঠার’শ শতক, শহীদ-ই-কারবালা ও সখিনার বিলাপ),
- হামিদ (আঠার’শ শতক, সংগ্রাম হুসেন),
- ফকির গরিবুল্লাহ (আঠার’শ শতক, জঙ্গনামা  ও সোনাভান),
- মুহম্মদ হামিদুল্লাহ খান (উনিশ’শ শতকের প্রথমার্ধ, গুলজার-ই-সাহাদৎ),
- ওয়াহিদ আলী (উনিশ’শ শতকের প্রথমার্ধ, বড় জঙ্গনামা),
- জনাব আলী (উনিশ’শ শতক, শহিদ-ই-কারবালা),
- মুহম্মদ মুনসি (উনিশ’শ শতক, শহিদ-ই-কারবালা),
- মুহম্মদ ইসহাকউদ্দীন (বিশ শতকের প্রথমার্ধ,
- দাস্তান শহিদ-ই-কারবালা), কাজী আমীনুল হক (বিশ শতকের প্রথমার্ধ, জঙ্গে কারবালা) ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২৮.
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. আরণ্যক
  2. যাত্রাবদল
  3. ইছামতী
  4. দৃষ্টিপ্রদীপ
সঠিক উত্তর:
যাত্রাবদল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাত্রাবদল
ব্যাখ্যা

• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস নয়-  যাত্রাবদল। 

• 'যাত্রাবদল' গল্পগ্রন্থ:

- 'যাত্রাবদল' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প সংকলন।
- 'যাত্রাবদল' প্রকাশিত হয় ১৯৩৪ সালে।

গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্পসমূহ হলো-
- ভণ্ডুলমামার বাড়ি,
- পেয়ালা,
- উইলের খেয়াল,
- কনে দেখা,
- সার্থকতা,
- একটি দিন,
- বাইশ বছর,
- বৈদ্যনাথ,
- ডানপিটে,
- যাত্রাবদল।

-------------------
• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:

- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী। তিনি ১৮৯৪ সালে চব্বিশ পরগনায় মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পরে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা 'পথের পাঁচালী'। প্রথম রচিত এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। 'অপরাজিত', পথের পাঁচালীরই পরবর্তী অংশ।
- হেমন্তকুমার গুপ্তের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি 'দীপক' (১৯৩২) পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- আরণ্যক,
- ইছামতী,
- দৃষ্টিপ্রদীপ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোট গল্পগ্রন্থ:
- মেঘমল্লার,
- মৌরীফুল,
- যাত্রাবদল,
- কিন্নরদল।

উৎস: 'যাত্রাবদল' গল্পগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

২৯.
'ক্ষুদিরামের মা' বিখ্যাত প্রবন্ধটি কার রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. জগদীশচন্দ্র বসু
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

• 'ক্ষুদিরামের মা' প্রবন্ধ:
- কাজী নজরুল ইসলাম 'রুদ্রমঙ্গল' প্রবন্ধগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'ক্ষুদিরামের মা' প্রবন্ধে দেশপ্রেমিক মায়েদেরকে উজ্জীবিত করার প্রকৃত আবেদনই উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে।
- ক্ষুদিরামের অনন্য দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের সূত্র ধরে ভারতীয় যুব সম্প্রদায়কে আত্মোৎসর্গে উজ্জীবিত হতে বলেছেন। পরাধীন ভারতমাতা বা ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার আহ্বানই জানানো হয়েছে আলোচ্য প্রবন্ধের মাধ্যমে।

- প্রবন্ধ পাঠে জানা যায় ক্ষুদিরাম পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ে পড়ার সময় সে স্বাধীনতাকামী এক বিপ্লবীর সাথে যোগ দেন। ব্রিটিশ শষণের পক্ষের লোক ম্যাজিস্ট্রেট কিংস ফোর্ড সাহেবকে হত্যার জন্য ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকি মুজফ্ফরপুর গ্রামে যান। সেখানে ভুলবশত কিংস ফোর্ডের গাড়ির পরিবর্তে অন্য এক সরকারি কর্মচারির গাড়িতে বোমা নিক্ষেপ করেন। গাড়িতে বোমা নিক্ষেপের পরে গাড়িতে অবস্থানকারী রাজকর্মচারী ও তার মেয়ের মৃত্যু হয়। গাড়িতে বোমা নিক্ষেপের অপরাধে শাস্তি স্বরূপ ক্ষুদিরামকে ফাঁসি দেয়া হয়। আঠারো বছরের ক্ষুদিরাম দেশের শৃঙ্খল-মুক্তি ও বন্ধন মুক্তির জন্যই গাড়িতে বোমা মেরেছিলো। দেশের শৃঙ্খল মুক্তির জন্য যারা নির্ভয়ে জীবন দিতে চান, যারা ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে মৃত্যুকে সাদরে বরণ করে নিতে চান, ক্ষুদিরাম ছিলেন তাদেরই একজন পথ প্রদর্শক প্রতিনিধি। স্বাধীনতাকামী ও মুক্তকামী দেশমাতৃকার কবি নজরুল ক্ষুদিরামের আত্মত্যাগের অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে প্রবন্ধটি রচনা করেছেন।

------------------------
• 'রুদ্র-মঙ্গল' প্রবন্ধগ্রন্থ:
- 'রুদ্র-মঙ্গল' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'রুদ্রমঙ্গল' প্রবন্ধগ্রন্থে মোট আটটি প্রবন্ধ রয়েছে।
- এগুলো হলো: রুদ্রমঙ্গল, আমার পথ, মোহররম, বিষবাণী, ক্ষুদিরামের মা, ধূমকেতুর পথ, মন্দির-মসজিদ, হিন্দু-মুসলমান।

উৎস: 'ক্ষুদিরামের মা' প্রবন্ধ এবং 'রুদ্রমঙ্গল' প্রবন্ধগ্রন্থ।

৩০.
'নীলদর্পণ' নাটক প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হন কে?
  1. দীনবন্ধু মিত্র
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. জেমস লং
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
জেমস লং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস লং
ব্যাখ্যা

• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- 'নীলদর্পণ' (১৮৬০) দীনবন্ধু মিত্রের শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু। নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন। এই অনুবাদ Nil Durpan, or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশ করেছিলেন রেভারেন্ড জেমস লং। এই অনুবাদ প্রকাশিত হবার সঙ্গে সঙ্গে দেশে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং জেমস লং এর অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড হয়। জরিমানার টাকা আদালতেই দিয়ে দেন কালীপ্রসন্ন সিংহ। 
- বঙ্কিমচন্দ্র নীলদর্পণকে আঙ্কল টমস কেবিন-এর সঙ্গে তুলনা করেন। নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
- এটিই বিদেশী ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক। ১৮৬০ সালে 'কস্যচিৎ পথিকস্য' ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।

------------------------
দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক।

নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩১.
Choose the correct sentence.
  1. Neither of the options were suitable for the project.
  2. Neither of the options have been suitable for the project.
  3. Neither of the options is suitable for the project.
  4. Neither of the option was suitable for the project.
সঠিক উত্তর:
Neither of the options is suitable for the project.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Neither of the options is suitable for the project.
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence - Neither of the options is suitable for the project.

• Each of, Either of, Neither of এর পরে plural noun বা pronoun এবং singular verb বসে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

• 'Neither of' যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- Neither + of + plural noun + singular verb.
- Neither of এর পরে plural noun এবং singular verb বসে।

Example:
- Neither of the books is available in the library. 
- Neither of the approaches seems effective.

Option analysis:
ক) Neither of the options were suitable for the project.
- were হলো plural verb → ভুল।

খ) Neither of the options have been suitable for the project.
- have হলো plural → singular subject-এর সাথে mismatch।

ঘ) Neither of the option was suitable for the project.
 - ভুল (option singular form এ আছে, কিন্তু "of the options" এর সাথে plural "options" থাকা উচিত)। 

৩২.
Choose the antonym of the word 'Incognito'.
  1. Anonymous
  2. Disguise
  3. Overt
  4. Copious
সঠিক উত্তর:
Overt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Overt
ব্যাখ্যা

• Incognito: 
English meaning: avoiding being recognized, by changing your name or appearance.
Bangla meaning: ছদ্মবেশী; ছদ্মরূপী।

Options,
ক) Anonymous:
- নামহীন বা অপ্রকাশিত নাম।

খ) Disguise:
- ছদ্মবেশ ধারণ করা; প্রতারণা করতে বা নিজের পরিচয় গোপনে চেহারা পাল্টে ফেলা।

গ) Overt:
- প্রত্যক্ষ; প্রকাশ্য।

ঘ) Copious:
- প্রাচুর্যপূর্ণ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym of the word 'Incognito' - Overt.

Source: Cambridge Dictionary & Accessible Dictionary.

৩৩.
Fill in the blank:
He had ______ to apologize for his misconduct.
  1. no alternative
  2. no alternative but
  3. any alternative except
  4. no other alternative
সঠিক উত্তর:
no alternative but
উত্তর
সঠিক উত্তর:
no alternative but
ব্যাখ্যা

Answer- no alternative but.

Complete sentence: He had no alternative but to apologize for his misconduct.

• No alternative but:
Meaning: If you have no alternative but to do something, you are forced to do something you do not want to do.
Bangla meaning: কোনো বিকল্প নেই শুধুমাত্র এটি ছাড়া। 

Example: 
- I'm afraid I have no alternative but to ask you to leave.

Structure: "No alternative but + to + infinitive"
অর্থ: একমাত্র উপায় হলো।

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) "no alternative"
- Incomplete expression.
- "But" missing করে sentence incomplete থেকে যায়।

গ) "any alternative except"
- Context এ negative meaning দরকার ("no" দরকার "any" নয়)।
- "Except" এর চেয়ে "but" বেশি appropriate এই construction এ। 

ঘ) "no other alternative"
- Redundant: "alternative" ইতিমধ্যে "other option" বোঝায় "Other" অতিরিক্ত।

Source: Cambridge Dictionary

৩৪.
Identify the correct spelling:
  1. Pronounciation
  2. Pronunciation
  3. Pronunceation
  4. Pronounsiation
সঠিক উত্তর:
Pronunciation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pronunciation
ব্যাখ্যা

Answer: খ) Pronunciation.

• Pronunciation:
English meaning: how words are pronounced.
Bangla meaning: উচ্চারণ।

Example:
- Students said it was helpful if the teacher corrected their pronunciation.
- Her pronunciation of English is improving.

Source: Cambridge Dictionary.

৩৫.
'A bird in the hand is worth two in the bush.' is an example of a/an ______.
  1. Proverb
  2. Metaphor
  3. Hyperbole
  4. Oxymoron
সঠিক উত্তর:
Proverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Proverb
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) Proverb.

• A bird in the hand is worth two in the bush. [proverbial saying]
English meaning: used to say that it is better to hold onto something one has than to risk losing it by trying to get something better.
Bangla meaning: নিশ্চিতভাবে যা হাতে আছে, তা অনিশ্চিত বড় কিছুর চেয়ে বেশি মূল্যবান।

Other options,
• Metaphor:
- Metaphor involves - Implicit comparison.
- Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

• Metaphor এর আরো কিছু উদাহরণ হলো -
- Life is but a walking shadow.
- "She's all states, and all princes, I"
- "Revenge is a wild justice.
- All the world's a stage, And all the men and women merely players.

• Hyperbole: 
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।

• Example: 
"Ten thousand saw I at a glance," (Wordsworth: Daffodils). 

• Oxymoron:
- Two contradictory ideas express one thing
- সাধারণত, Oxymoron বিপরীতধর্মী শব্দগুলিকে পাশাপাশি বসিয়ে একটি লুকানো সত্য প্রকাশ করে।
- এক ধরনের অলংকার যেটিতে পরস্পরবিরোধী শব্দ একসাথে ব্যবহৃত হয়।
- Paradox এবং Oxymoron এর মাঝে পার্থক্য: Paradox এর মাঝে একাধিক বাক্য বা বিবৃতি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, কিন্তু Oxymoron এর মাঝে কেবল দুটি বিপরীতার্থক শব্দ পাশাপাশি বসবে।

• Here is a famous example:
- All changed, changed utterly:
A terrible beauty is born. (W. B. Yeats: "Easter 1916").

Source:
- Merriam-Webster Dictionary.
- An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman.

৩৬.
The tyre's flat—the nail has gone right through. Here, 'through' is -
  1. Adjective
  2. Adverb
  3. Preposition
  4. Noun
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা

The tyre's flat—the nail has gone right through. Here, 'through' is - Adverb.
- "through" এখানে কোন noun বা pronoun-এর সাথে যুক্ত হচ্ছে না; এটি শুধুই বলছে যে "nail টি ভিতরে চলে গেছে" বা "ভেদ করেছে"। অর্থাৎ, এটি verb-এর সঙ্গে ব্যবহার হয়ে action-এর দিক বা সম্পূর্ণতার ধারণা দিচ্ছে।
- তাই, এখানে “through” adverb হিসেবে কাজ করছে।

• Through: [adverb]
English meaning: from one end or side of something to the other.
Bangla meaning: একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত; শুরু থেকে শেষ; এক পাশ থেকে অন্য পাশ

Example: 
- Put the coffee in the filter and let the water run through.
- The tyre's flat—the nail has gone right through.
- The onlookers stood aside to let the paramedics through.

Source: Oxford Dictionary.

৩৭.
Which is the correct complex form of the sentence?
A corrupt man cannot win the respect of others.
  1. A man who is corrupt cannot respect others.
  2. A man does not respect others who are corrupt.
  3. A man who is corrupt cannot win the respect of others.
  4. A man who can win the respect of others cannot be corrupt.
সঠিক উত্তর:
A man who is corrupt cannot win the respect of others.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A man who is corrupt cannot win the respect of others.
ব্যাখ্যা

[46th BCS Preli]

• Adjective + noun যুক্ত Simple Sentence কে Complex করার নিয়ম:
- article বসে +
- adjective এর পরের noun টি বসে +
- relative pronoun who/which/that বসে +
- tense অনুযায়ী verb বসে +
- adjective টি বসে +
- প্রদত্ত noun এর পর থেকে শেষ অংশ বসে। 

• Example:
Simple - An industrious boy can shine in life.
Complex - A boy who is industrious can shine in life. 

তাই, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - 
Simple: A corrupt man cannot win the respect of others.
Complex: A man who is corrupt cannot win the respect of others.

Other options,

ক) A man who is corrupt cannot respect others.
- এখানে "cannot respect others" বলা হয়েছে। মূল বাক্যে বলা হচ্ছে cannot win the respect of others, মানে অন্যদের শ্রদ্ধা পাওয়া যাবে না। এখানে অর্থ বদলে গেছে।

খ) A man does not respect others who are corrupt.
- এখানে বলা হয়েছে, যে মানুষ অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা দেখায় না, তারা corrupt, অর্থ পুরোটা ভিন্ন। মূল বাক্যের সঙ্গে মিল নেই।

ঘ) A man who can win the respect of others cannot be corrupt.
- এখানে মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ বলা হয়েছে। মূল বাক্যের অর্থ হচ্ছে corrupt man cannot win respect, কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে যে মানুষ respect পেতে পারে, সে corrupt নয়।

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

৩৮.
The rising gale fanned the smouldering fire. [passive]
  1. The smouldering fire was fanned by the rising gale.
  2. The smouldering fire is fanned by the rising gale.
  3. The fan was smouldered by the rising gale.
  4. The smouldered fire was fanned by the rising gale.
সঠিক উত্তর:
The smouldering fire was fanned by the rising gale.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The smouldering fire was fanned by the rising gale.
ব্যাখ্যা

• Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
- Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- তারপর মূল verb এর past participle হয়।
- preposition (by, with, at, to, in) বসে।
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।

Active: The rising gale fanned the smouldering fire.
Passive: The smouldering fire was fanned by the rising gale.

Other options,

খ) The smouldering fire is fanned by the rising gale.
- এখানে present tense ব্যবহার করা হয়েছে। মূল বাক্য past tense, তাই এটা ভুল।

গ) The fan was smouldered by the rising gale.
- এখানে subject ভুল (The fan), এবং “smouldered” ভুলভাবে verb হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।

ঘ) The smouldered fire was fanned by the rising gale. 
- “smouldered fire” ভুল। মূল বাক্য বলছে smouldering fire (present participle), তাই participle বদলানো যাবে না।

Source: Advanced Learners Communicative English Grammar and Composition

৩৯.
Choose the correct one.
  1. I bought a new scissor yesterday.
  2. I bought a new pair of scissor.
  3. I bought a new pair of scissors.
  4. I bought new scissorses.
সঠিক উত্তর:
I bought a new pair of scissors.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I bought a new pair of scissors.
ব্যাখ্যা

Correct answer - I bought a new pair of scissors.

• "Scissors" হলো plural noun.
- এর singular form নেই। 
- এক জোড়া কাঁচি “a pair of scissors” বলা হয়।

Options বিশ্লেষণ:

ক) I bought a new scissor yesterday.
- “scissor” singular নেই। ভুল।

খ) I bought a new pair of scissor. 
- “pair of scissors” সঠিক, কিন্তু এখানে “scissor” লেখা হয়েছে singular, এটি ভুল।

ঘ) I bought new scissorses. 
- “scissorses” শব্দটি ভুল। plural already 'scissors'.

Source: Accessible Dictionary.

৪০.
Fill in the blank: 
This research is important _____ it confirms the link between aggression and alcohol.
  1. or else
  2. in case of
  3. otherwise 
  4. in that
সঠিক উত্তর:
in that
উত্তর
সঠিক উত্তর:
in that
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) in that.

উল্লিখিত অপশনগুলো হলো - 

ক) or else:
- নয়তো; অন্যথায়।

খ) in case of:
- এমন ঘটলে; এমতাবস্থায়।

গ) otherwise:
-  অন্যভাবে; ভিন্নভাবে।

ঘ) in that:
- কারণ / যেহেতু।

অপশনগুলো বিবেচনা কেও দেখা যায়, শূন্যস্থানে in that বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়। 

Complete sentence: This research is important in that it confirms the link between aggression and alcohol.
Bangla: এই গবেষণাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আক্রমণাত্মক আচরণ এবং মদ্যপানের মধ্যে সংযোগকে নিশ্চিত করে।

৪১.
Select the word closest in meaning to Inimical:
  1. Meticulous
  2. Hostile
  3. Permanent
  4. Recalcitrant
সঠিক উত্তর:
Hostile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hostile
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Hostile.

• Inimical:
English meaning: harmful or limiting.
Bangla meaning: বৈরী; প্রতিকূল; অননুকূল; অহিতকর; অপরকারী; ক্ষতিকর

Options,
ক) Meticulous:
-  খুঁটিনাটির ব্যাপারে অতি যত্নশীল; অতি সতর্ক ও যথাযথ।

খ) Hostile:
- (১) শত্রুপক্ষীয়; বৈরী। (২) প্রতিকূল; বৈরী; বিদ্বেষী; শত্রুভাবাপন্ন।

গ) Permanent:
- স্থায়ী; চিরস্থায়ী; দীর্ঘকালব্যাপী অপরিবর্তিত; সুদীর্ঘকাল টিকে থাকার মতো করে গঠিত বা নির্মিত।

ঘ) Recalcitrant:
- অবাধ্য; অবশ্য; শৃঙ্খলাভঙ্গকারী।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the word closest in meaning to Inimical: Hostile.

Source: Accessible Dictionary.

৪২.
Fill in the blank:
Don’t worry, just _______ your hair on; everything will go smoothly.
  1. put
  2. pull
  3. keep
  4. let
সঠিক উত্তর:
keep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
keep
ব্যাখ্যা

Complete sentence: Don’t worry, just keep your hair on; everything will go smoothly.

- প্রশ্নটি করা হয়েছে idiom এর উপর ভিত্তি করে, সঠিক idiom টি হলো - Keep one’s hair on তাই উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক।

• Keep one’s hair on
English Meaning: used to urge someone not to panic or lose their temper.
Bangla Meaning: কাউকে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে বলা।

Ex. Sentence: Keep your hair on! Your car isn't badly damaged!
Bangla Meaning: মাথা ঠান্ডা রাখো! তোমার গাড়ির খুব বেশি ক্ষতি হয় নি।

Source: Live MCQ Lecture.

৪৩.
Fill in the blank:
The manager insisted on ______ the report by Friday.
  1. finish
  2. finishing
  3. to finish
  4. finished
সঠিক উত্তর:
finishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
finishing
ব্যাখ্যা

Complete sentence: The manager insisted on finishing the report by Friday.

• Insist on/upon/ Insist on doing something
- English Meaning: to keep doing something, even if it annoys other people, or people think it is not good for you.
- Bangla Meaning: পীড়াপীড়ি/জোর করা; জিদ/নির্বন্ধ করা; গোঁ ধরা; অতি আগ্রহ করা।

• More examples:
- He insisted on my going there.
- She insists on doing everything her own way.

• “insist on” মানে “জোর দেয়া / দাবি করা”, এবং এর পরে verb এর -ing আকার (gerund) আসে।
- তাই উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এখানে ভুল। 

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪৪.
Life is but a walking shadow. Here 'walking' is a -
  1. Participle
  2. Gerund
  3. Finite verb
  4. Verbal noun
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

• Life is but a walking shadow. Here 'walking' is a - Participle.
- এখানে walking শব্দটি shadow (noun) কে বর্ণনা করছে।
- যখন কোনো verb-এর আকার noun-এর আগে বসে বা noun কে modify করে, তখন সেটি participle হয়।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed. 

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৪৫.
Though I was nervous, I gave the speech confidently. Here, the underlined part is - 
  1. Adverbial Clause of Reason
  2. Adverb Clause of Concession
  3. Adverb Clause of Condition
  4. Adverb Clause of Purpose
সঠিক উত্তর:
Adverb Clause of Concession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb Clause of Concession
ব্যাখ্যা

Though I was nervous, I gave the speech confidently. Here, the underlined part is - Adverb clause of concession.

• Adverb clause of supposition/ concession/ contrast.
- Verb সংঘটিত হবার বিপরীত কোন কিছু হওয়া/ করা বোঝাবে।
- Principal clause এর verb কে 'কী সত্ত্বেও' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।

• Though I was nervous, I gave the speech confidently.
- 'কী সত্ত্বেও I gave the speech confidently' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'Though I was nervoust'.
- তাই এটি Adverb clause of concession.

-------------------
• Adverbial clause of reason: 
- এর দ্বারা verb সংঘটিত হবার কারণ বোঝায়।
- Principal clause এর verb কে why দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
- Because, as, since দ্বারা adverbial clause of reason শুরু হয়।
Example: As the movie was starting soon, we hurried to the theater.

• Adverb Clause of Condition:
- এ Clause দ্বারা শর্ত আরোপ করা হয়।
- তাই এ clause If, whether, unless, but, for, otherwise, provided, suppose ইত্যাদি Conjunction দ্বারা শুরু হয়।
Example: If she invites me, I will attend the party.

• Adverb Clause of Purpose:
- এ Clause, Principal Clause-এর কাজের উদ্দেশ্য নির্দেশ করে।
- এ Clause so that, in order that, lest ইত্যাদি Conjunction দ্বারা শুরু হয়।
Example: They arrived early in order to get the best seats.

৪৬.
The famous novel Catch-22 was written by -
  1. Joseph Heller
  2. Ernest Hemingway
  3. F. Scott Fitzgerald
  4. John Steinbeck
সঠিক উত্তর:
Joseph Heller
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joseph Heller
ব্যাখ্যা

• Catch-22:
- রচনা করেন American writer Joseph Heller. 
- এটি একটি satirical novel.
- প্রকাশিত হয় 1961 সালে। 
- এই কাজটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে  Captain John Yossarian, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপে মোতায়েন থাকা একজন আমেরিকান বোমারু বিমানচালক। উপন্যাসটি তার জীবিত থাকার জন্য করা মরিয়া চেষ্টার কাহিনি বর্ণনা করে।

• Yossarian পুরো যুদ্ধকেই নিজের ওপর একটি ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে দেখে এবং এই বিশ্বাসে পৌঁছে যায় যে, সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে অকালমৃত্যুর দিকে পাঠাতে চাইছে। তাই সে বইয়ের বেশিরভাগ সময় তার মিশনগুলো থেকে বাঁচার জন্য ক্রমাগত আরও উদ্ভট ও চতুর উপায় বের করতে থাকে।

• Joseph Heller:
- তিনি ছিলেন একজন আমেরিকান লেখক, জন্ম ১ মে, ১৯২৩ সালে নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে, মৃত্যু ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে ইস্ট হ্যাম্পটন, নিউ ইয়র্কে।

- তার সবচেয়ে বিখ্যাত বই Catch-22, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের সময়ে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদী সাহিত্যের একটা। এটা একটা তীব্র ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস। The satirical novel was a popular success, and a film version appeared in 1970.

Source: Britannica.

৪৭.
Shakespeare's play "The Merchant of Venice" features the character Shylock, who is —
  1. A generous nobleman
  2. A Jewish moneylender
  3. A Venetian duke
  4. A young merchant
সঠিক উত্তর:
A Jewish moneylender
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Jewish moneylender
ব্যাখ্যা

Shakespeare's play "The Merchant of Venice" features the character Shylock, who is — A Jewish moneylender.

• The Merchant of Venice:
- এটি Shakespeare লিখিত একটি comedy.
- একজন ইহুদি (Jew) সুদখোর 'Shylock' আর একজন merchant - Antonio এর কাহিনি নিয়ে এটি রচিত। 
- Shylock ছিলেন একজন moneylender. 
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।

• এই comedy এর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চরিত্র:
- Antonio (a merchant in Venice),
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia,
- Bassanio,
- Jessica etc.

• Shakespeare:
- জন্মস্থান Stratford-upon-Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- The Merchant of Venice,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

৪৮.
'O Captain! My Captain!' is an elegy by ______.
  1. Walt Whitman
  2. Robert Frost
  3. Robert Browning
  4. W.B. Yeats
সঠিক উত্তর:
Walt Whitman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Walt Whitman
ব্যাখ্যা

'O Captain! My Captain!' is an elegy by Walt Whitman.

• O Captain! My Captain:
- Walt Whitman রচিত।
- এটি একটি elegy.
- এই elegy টি President Abraham Lincoln কে নিয়ে লিখা।
- It celebrates the end of the American Civil War.

• Walt Whitman:
- তিনি একজন American poet.
- তিনি একাধারে একজন poet, journalist এবং essayist.

• Notable works: 
- Calamus
- Crossing Brooklyn Ferry
- Democratic Vistas
- Drum-Taps
- I Sing the Body Electric
- O Captain! My Captain!
- Sequel to Drum-Taps
- Song of Myself

Source: Britannica.

৪৯.
The quote "All animals are equal but some animals are more equal than others" is from whom?
  1. Franz Kafka 
  2. Charles Dickens
  3. George Orwell
  4. Rudyard Kipling
সঠিক উত্তর:
George Orwell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Orwell
ব্যাখ্যা

• 'All animals are equal but some animals are more equal than others' this line quoted by - এই উক্তিটি এসেছে George Orwell-এর ‘Animal Farm’ নামের রাজনৈতিক উপন্যাস থেকে।

• Animal Farm:
- এটি রচনা করেন George Orwell.
- It is a political allegory/ satirical allegorical novel about revolution and power.
- অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ।
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language.

• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington,Mr. Frederick
২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.

• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• Notable work:
- A Clergyman’s Daughter,
- A Hanging,
- Animal Farm,
- Burmese Days,
- Coming Up for Air,
- Down and Out in Paris and London,
- Homage to Catalonia,
- Keep the Aspidistra Flying,
- Nineteen Eighty-four.

Source: Britannica.

৫০.
Guy de Maupassant is an author from _____.
  1. Ireland
  2. Africa
  3. Italy
  4. France
সঠিক উত্তর:
France
উত্তর
সঠিক উত্তর:
France
ব্যাখ্যা

Guy de Maupassant is an author from France.

• Guy de Maupassant ছিলেন একজন ফরাসি সাহিত্যিক, যিনি মূলত ছোটগল্প (short story) লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

• Guy de Maupassant:
- He was born August 5, 1850, and died July 6, 1893.
- He is a French naturalist writer of short stories and novels who is by general agreement the greatest French short-story writer.

• Notable Work:
- A Woman’s Life,
- Bel-Ami,
- Boule de Suif,
- L’Inutile Beauté,
- La Maison Tellier,
- Le Rosier de Madame Husson,
- Mont-Oriol,
- Notre coeur,
- Pierre et Jean,
- The Horla,
- Toine.

Source: Britannica.

৫১.
I'd invite you to come with me, only it's such a long way. Here, 'only' is -
  1. adjective
  2. adverb
  3. conjunction
  4. preposition
সঠিক উত্তর:
conjunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
conjunction
ব্যাখ্যা

I'd invite you to come with me, only it's such a long way. Here, 'only' is - conjunction.
- এখানে only শব্দটি দুটি clause-এর মধ্যে সংযোগ তৈরি করছে এবং একটি বিরোধ বা ব্যতিক্রম (contrast) দেখাচ্ছে।
- যেহেতু এটি দুটি clause সংযুক্ত করছে, তাই এটি conjunction.

• only: [conjunction]
English meaning: except that; but.
Bangla meaning: তবে কিনা; তবে এ কথা বলতেই হবে যে।

Example: 
- I'd love to come, only I have to work.
- It tastes like chicken, only stronger.

Source:
- Cambridge Dictionary.
- Oxford Dictionary.

৫২.
'In Memoriam A.H.H.' by Alfred Lord Tennyson was written in memory of —
  1. John Keats 
  2. Abraham Lincoln
  3. Arthur Henry Hallam
  4. P.B. Shelley 
সঠিক উত্তর:
Arthur Henry Hallam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arthur Henry Hallam
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) Arthur Henry Hallam.
In Memoriam A.H.H.’ কবিতাটি আলফ্রেড লর্ড টেনিসন (Alfred Lord Tennyson) লিখেছিলেন Arthur Henry Hallam-এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

• In Memoriam:
- This poem is written by Alfred Tennyson.
- In Memoriam, in full In Memoriam A.H.H, Alfred Tennyson এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা যেটি ১৮৩৩ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল এবং ১৮৫০ সালে anonymously প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাটিতে ১৩১ টি sections, একটি prologue এবং একটি epilogue রয়েছে।
- তিনি এই কবিতাটি তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে লিখেছিলেন।
- This chiefly elegiac work examines the different stages of Tennyson’s period of mourning over the death of his close friend Arthur Henry Hallam.
- In Memoriam reflects the Victorian struggle to reconcile traditional religious faith with the emerging theories of evolution and modern geology.

• Alfred Tennyson:
- তিনি হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি তাঁর melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।

• Notable works:
• Poems:
- Crossing the Bar,
- Enoch Arden,
- Idylls of the King, In Memoriam,
- Locksley Hall,
- In memoriam.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.

৫৩.
David Copperfield was written by whom?
  1. Thomas Hardy
  2. Charles Dickens
  3. G.B. Shaw
  4. Virginia Woolf
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
ব্যাখ্যা

• David Copperfield:
- David Copperfield is a novel by Charles Dickens.
- উপন্যাসটির পুরো নাম: The Personal History of David Copperfield.
- পূর্নাঙ্গ বই আকারে এটি প্রকাশিত হয় ১৮৫০ সালে।
- লেখকের মতে এটা তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তিনি এটাকে আখ্যায়িত করতেন তার “favorite child.” হিসেবে।
- The work is semi-autobiographical বা আত্মজীবনী মূলক উপন্যাস। এই উপন্যাস লেখার প্রেরণা লেখক তার নিজের জীবন থেকেই সংগ্রহ করেছিলেন।
কাহিনীর সময়কাল হিসেবে দেখানো হয়েছে রাণী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলের প্রথমদিকের সময়।

• Charles Dickens:
- তিনি একজন British novelist
- He is generally considered the greatest of the Victorian era.

• Best Works: (Novels)
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House.
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations, and
- Our Mutual Friend.
- Hard Times
- The Pickwick Papers

Source: Live MCQ lecture and Britannica.com

৫৪.
Who authored the novel The Great Gatsby?
  1. Charles Dickens
  2. Mark Twain
  3. F. Scott Fitzgerald
  4. John Steinbeck
সঠিক উত্তর:
F. Scott Fitzgerald
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F. Scott Fitzgerald
ব্যাখ্যা

• The Great Gatsby:
- রচনা করেন American writer F. Scott Fitzgerald.
- It was published in 1925.
- Set in Jazz Age New York.
- It tells the story of Jay Gatsby, a self-made millionaire, and his pursuit of Daisy Buchanan, a wealthy young woman whom he loved in his youth.

• Summary:
- প্রধান চরিত্র Jay Gatsby, একজন ধনী এবং রহস্যময় ব্যক্তি, যে প্রেম এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার জন্য অসীম ধন-সম্পদ অর্জন করেছে।
- গল্পের ন্যারেটর Nick Carraway, Gatsby-এর প্রতিবেশী, তার জীবনের উত্থান-পতন এবং ট্র্যাজেডি পর্যবেক্ষণ করে।
- Gatsby-এর অতীতের প্রেমিকা Daisy Buchanan এবং তার স্বামী Tom-এর সাথে সম্পর্কের জটিলতা গল্পের কেন্দ্রবিন্দু।
- উপন্যাসে সম্পদ, প্রেম, স্বপ্ন, প্রতারণা এবং সামাজিক ভেদাভেদ ফুটে উঠেছে।
- শেষ পর্যন্ত, Gatsby-এর স্বপ্ন এবং জীবনের অহংকার তার ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

• F. Scott Fitzgerald (1896-1940):
- তার পুরো নাম হলো- Francis Scott Key Fitzgerald.
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান ছোটগল্প লেখক ও উপন্যাসিক, যিনি বিশেষভাবে জাজ যুগের (১৯২০-এর দশক) চিত্রায়নের জন্য প্রসিদ্ধ।
- তার সবচেয়ে brilliant work হলো- The Great Gatsby (১৯২৫), যেটিকে প্রায়ই গ্রেট আমেরিকান নোভেল বলা হয়।

• Notable Works: 
- The Diamond as Big as the Ritz,
- The Great Gatsby,
- The Last Tycoon,
- This Side of Paradise,
- The Crack-Up,
- Tales of the Jazz Age,
- Tender Is the Night,
- The Beautiful and Damned, etc.

Source: Britannica.

৫৫.
Who is the narrator of Moby Dick?
  1. Ahab
  2. Ishmael
  3. Queequeg
  4. Starbuck
সঠিক উত্তর:
Ishmael
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ishmael
ব্যাখ্যা

‘Moby Dick’ উপন্যাসের ন্যারেটর হলেন Ishmael.

• Moby Dick:
- Herman Melville রচিত একটি novel.
- The novel, 'Moby Dick' by Herman Melville depicts - the story of a whale.
- অর্থাৎ, Moby Dick' in the novel is A Giant Whale.
- উপন্যাসটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে একটি তিমি শিকারকে কেন্দ্র করে।
- একটি whaling vessel বা শিকারকারি জাহাজে করে গল্পের চরিত্রগুলো সমুদ্রের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা শুরু করে।
- এই জাহাজটি নাম হচ্ছে - 'Pequod'.
- Moby Dick নামক white gaint whale বা তিমিটিকে শিকারের কাহিনীর উপ্যাখান দেখা যায় পুরো কাহিনী জুড়ে, যার সমাপ্তি ঘটে বর্ণনাকারী Ismael ব্যাতীত সকলের মৃত্যুর মধ্যে দিয়েই।
- But the irony is - The white whale does not die in Moby Dick at the end!

• Herman Melville:
- তিনি হচ্ছেন একজন American Novelist, short-story writer and poet.
- Moby Dick, a novel by Herman Melville, published in London in October 1851 as "The Whale" and a month later in New York City as Moby-Dick; or, The Whale.
- It is dedicated to Nathaniel Hawthorne.
- Moby Dick is generally regarded as Melville’s magnum opus and one of the greatest American novels.

• Famous novels of Herman Melville are:
- Moby Dick,
- White Jacket,
- Bartleby, the Scrivener.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.

৫৬.
The Ministry of Utmost Happiness is written by -
  1. American author
  2. Indian author
  3. Irish author
  4. French author
সঠিক উত্তর:
Indian author
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indian author
ব্যাখ্যা

The Ministry of Utmost Happiness is written by - Indian author.

• The Ministry of Utmost Happiness:
- এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে। 
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Anjum যে একজন transgender woman এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের নাম হচ্ছে Tilo.
- সমসামিয়ক ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন অন্ধকারতম দিক, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগতি, এগুলো এই উপন্যাসটির অন্যতম উপজীব্য বিষয়।

• Arundhati Roy:
- Born: November 24, 1961, Shillong, Meghalaya, India.
- Indian author, actress, and political activist.
- She is best known for the award-winning novel The God of Small Things (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.
- ১৯৯৮ সালে তিনি Man Booker Prize লাভ করেন ফিকশন রচনার জন্য। 
 
Source: Encyclopaedia Britannica and Live MCQ Lecture

৫৭.
Identify the correct sentence.
  1. If I had more free time, I would learned a new language.
  2. If I had more free time, I had learn a new language.
  3. If I had more free time, I would have learned a new language.
  4. If I had more free time, I would learn a new language.
সঠিক উত্তর:
If I had more free time, I would learn a new language.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If I had more free time, I would learn a new language.
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত বাক্যটি 2nd conditional sentence এর উদাহরণ।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী - 
- If + past indefinite + subject + would/could/might + verb এর base form + ext.
- অর্থাৎ, If + past indefinite যুক্ত clause এর পরবর্তী clause টিতে subject এর পর would/could/might এর সাথে verb এর base form বসে।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী ,
Correct sentence: If I had more free time, I would learn a new language.

এখানে had main verb হিসেবে বসেছে।

৫৮.
Identify the literary work that contains the line "Frailty, thy name is woman."
  1. Macbeth
  2. Twelfth Night
  3. Othello
  4. Hamlet
সঠিক উত্তর:
Hamlet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hamlet
ব্যাখ্যা

• "Frailty, thy name is woman." — এটি Hamlet নাটকের থেকে।
- এই উক্তিটি Hamlet তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।
- উক্তিটি এই tragedy এর প্রথম soliloquy হতে উদ্ধৃত।
- এই উক্তির দ্বারা মুলত Hamlet তাঁর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সমগ্র নারী জাতিকে frail and weak in character বলে অভিহিত করেছেন।

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of Denmark.
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর দেখা যায়  প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- 'There is divinity that shapes our end'.
 
• Shakespeare:
- তার জন্মস্থান Stratford-upon-Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৫৯.
Identify the literary genre of Man and Superman.
  1. Novel
  2. Short story
  3. Essay
  4. Play
সঠিক উত্তর:
Play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Play
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Play.

“Man and Superman” হলো নাটক।

• The play 'Man and Superman' is written by - G.B Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- Basic to Man and Superman, which Shaw subtitled A Comedy and A Philosophy, is his belief in the conflict between man as spiritual creator and woman as guardian of the biological continuity of the human race. 
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes.

• George Bernard Shaw:
- Irish comic dramatist, literary critic, and socialist propagandist.
- George Bernard Shaw is considered to be the greatest modern English dramatist.
- The Nobel Prize in Literature 1925 was awarded to George Bernard Shaw.

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion,
- Mrs. Warren's Profession,
- Arms and the Man,
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra,
- Man and Superman,
- The Doctor's Dilemma,
- St. Joan of Arc etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica

৬০.
My Last Duchess was written during -
  1. Neoclassical period
  2. Romantic period
  3. Victorian period
  4. Modern period
সঠিক উত্তর:
Victorian period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victorian period
ব্যাখ্যা

My Last Duchess was written during - Victorian period.

• My Last Duchess:
- এটি একটি dramatic monologue, যা 56 লাইনে রচিত।
- কবিতার বক্তা ফেরারার ডিউক, যে তার প্রয়াত স্ত্রীর ছবির সম্পর্কে মন্তব্য করছে।
- ডিউক তার স্ত্রীর নিষ্পাপতা ও চরিত্র সম্পর্কে কথা বলে, তবে তার অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব এবং তার শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখানোর জন্য স্ত্রীর প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে।
- কবিতার মধ্যে শেষের দিকে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ডিউক নিজেই তার স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য দায়ী।

• Robert Browning (1812-1889):
- Robert Browning ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান ইংরেজি কবি।
- তিনি নাটকীয় একক বক্তৃতা এবং মানসিক চিত্রকল্পের জন্য পরিচিত।
- তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ ছিল The Ring and the Book , যা একটি রোমান হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার গল্প।

• His notable poems:
- My Last Duchess,
- Fra Lippo Lippi,
- Men and Women (Books of poems),
- Porphyria’s Lover,
- Pippa Passes,
- Rabbi Ben Ezra,
- Fra Lippo Lippi,
- Sordello,
- The Pied Piper of Hamelin,
- The Ring and the Book,
- The Patriot,
- Bishop Blougram’s Apology (long poem), etc.

Drama:
- Pippa Passes.

Source: Britannica.

৬১.
R হলো একটি ধনাত্মক সংখ্যা। সংখ্যাটিকে 8 দিয়ে গুণ করে তার বর্গ করা হলো। এখন বর্গটিকে 4 দিয়ে ভাগ করে তার বর্গমূল করা হলো। বর্গমূলের ফল Q হলে, Q এর মান কত? 
  1. 3R
  2. 4R
  3. 7R
  4. 9R
সঠিক উত্তর:
4R
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4R
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: R হলো একটি ধনাত্মক সংখ্যা। সংখ্যাটিকে 8 দিয়ে গুণ করে তার বর্গ করা হলো। এখন বর্গটিকে 4 দিয়ে ভাগ করে তার বর্গমূল করা হলো। বর্গমূলের ফল Q হলে, Q এর মান কত? 

সমাধান:

R কে 8 দিয়ে গুণ করে তার বর্গ করা হলো,

R × 8 = 8R
বর্গ: (8R)2 = 64R2

বর্গটিকে 4 দিয়ে ভাগ করে তার বর্গমূল করা হলো,

ভাগ: 64R2 ÷ 4 = 16R2

বর্গমূল: √(16R2) = 4R
তাহলে, Q = 4R

উত্তর: খ) 4R

৬২.
০.৭ + ০.০৭ + ০.০০৭ + ............. অসীম ধারাটির সমষ্টি হচ্ছে: 
  1. ১/৯
  2. ৭/৯
  3. ২/৯
  4. ৩/৭
সঠিক উত্তর:
৭/৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭/৯
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ০.৭ + ০.০৭ + ০.০০৭ + ............. অসীম ধারাটির সমষ্টি হচ্ছে: 

সমাধান: 
ধারাটির প্রথম পদ, a = ০.৭ 
= ৭/১০ 

ধারাটির সাধারণ অনুপাত r = ০.০৭/ ০.৭ = = ০.১ = ১/১০

∴ সমষ্টি, S = a/(1 - r) 
= (৭/১০)/(১ - ১/১০)
= (৭/১০)/(৯/১০)
= ৭/১০ x ১০/৯ 
= ৭/৯ 

৬৩.
যদি ex = 2 এবং ey = 3, তাহলে e3x - 2y = ?
  1. 9/8
  2. 8/9
  3. 1
  4. - 1
সঠিক উত্তর:
8/9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8/9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ex = 2 এবং ey = 3, তাহলে e3x - 2y = ?

সমাধান:
এখানে, 
e3x - 2y
= e3x e-2y
= (ex)3 (ey)-2
= 23 . 3-2
= 8/9

৬৪.
যদি দুটি ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করা হয়, তাহলে যোগফল কমপক্ষে ১১ হওয়ার সম্ভাবনা কত? 
  1. ১/১২
  2. ১/১০ 
  3. ১/৮ 
  4. ১/৬ 
সঠিক উত্তর:
১/১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/১২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি দুটি ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করা হয়, তাহলে যোগফল কমপক্ষে ১১ হওয়ার সম্ভাবনা কত? 

সমাধান:
দুটি ছক্কা একসাথে নিক্ষেপ করলে মোট সম্ভাব্য ফলাফল = ৬ × ৬ = ৩৬ 

কিন্তু আমরা চাই যোগফল ≥ ১১

ছক্কায় জোড়ার যোগফল,
যোগফল = ১১ → জোড়া: (৫, ৬), (৬, ৫) → ২টি ফলাফল
যোগফল = ১২ → জোড়া: (৬, ৬) → ১টি ফলাফল
∴ মোট অনুকূল ফলাফল = ২ + ১ = ৩ 

∴ সম্ভাবনা = ৩/৩৬ = ১/১২ 

৬৫.
একটি গ্রামের 10% বাসিন্দা কলেরায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায়, বাকি বাসিন্দাদের 25% গ্রাম ছেড়ে চলে যান। ফলে জনসংখ্যা কমে হয় 4050, গ্রামের পূর্বের বাসিন্দা সংখ্যা কত ছিল? 
  1. 5000 জন 
  2. 6050 জন 
  3. 6150 জন 
  4. 6000 জন 
সঠিক উত্তর:
6000 জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6000 জন 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গ্রামের 10% বাসিন্দা কলেরায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায়, বাকি বাসিন্দাদের 25% গ্রাম ছেড়ে চলে যান। ফলে জনসংখ্যা কমে হয় 4050, গ্রামের পূর্বের বাসিন্দা সংখ্যা কত ছিল? 

সমাধান:

ধরা যাক,
গ্রামের প্রাথমিক বাসিন্দা সংখ্যা = X

কলেরায় মারা গেছে 10% বাসিন্দা:
∴ মরেছে = 10% × X = 0.1X

বাকি বাসিন্দা = X - 0.1X = 0.9X

আতঙ্কে বাকি 25% গ্রাম ছেড়ে চলে যায়:
∴  গ্রাম ছেড়েছে = 25% × 0.9X = 0.225X

গ্রামের অবশিষ্ট বাসিন্দা = 0.9X - 0.225X = 0.675X

∴  অবশিষ্ট বাসিন্দা সংখ্যা = 4050

অতএব, 
0.675X = 4050
X = 4050 ÷ 0.675 = 6000

 সুতরাং, গ্রামের প্রাথমিক বাসিন্দা সংখ্যা ছিল 6000 জন 
৬৬.
একটি আয়তাকার কক্ষের দৈর্ঘ্য ৭ মি., প্রস্থ ৫ মি. এবং উচ্চতা ২৫০ সে. মি.। কক্ষটির আয়তন কত?
  1. ৭৫.৭৫ ঘন মিটার
  2. ৮০ ঘন মিটার
  3. ৮৭.৫ ঘন মিটার
  4. ৬৫ ঘন মিটার
সঠিক উত্তর:
৮৭.৫ ঘন মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭.৫ ঘন মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তাকার কক্ষের দৈর্ঘ্য ৭ মি., প্রস্থ ৫ মি. এবং উচ্চতা ২৫০ সে. মি.। কক্ষটির আয়তন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
দৈর্ঘ্য = ৭ মি.
প্রস্থ = ৫ মি.
উচ্চতা = ২৫০ সে.মি. = ২.৫ মি   ; [১ মি = ১০০ সে.মি.]

আমরা জানি, 
আয়তক্ষেত্রাকার কক্ষের আয়তন = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা) ঘন একক।
= ৭ × ৫ × ২.৫
= ৩৫ × ২.৫
= ৮৭.৫ ঘন মিটার।

সুতরাং,  কক্ষটির আয়তন ৮৭.৫ ঘন মিটার।

৬৭.
(5/2)(x - 2) + 3x = 3(x + 2) - 10
উক্ত সমীকরণে x এর মান নির্ণয় করুন।
  1. 2/5
  2. - 2/5
  3. - 1/5
  4. 1/5
সঠিক উত্তর:
2/5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2/5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (5/2)(x - 2) + 3x = 3(x + 2) - 10
উক্ত সমীকরণে x এর মান নির্ণয় করুন।

সমাধান:
প্রদত্ত সমীকরণ,
(5/2)(x - 2) + 3x = 3(x + 2) - 10
⇒ (5/2)x - (5/2).2 + 3x = 3x + 6 - 10
⇒ (5/2)x - 5 + 3x = 3x + 6 - 10

⇒ (5/2)x - 5 + 3x = 3x - 4
(5/2)x + 3x - 5 = 3x - 4
⇒ (11/2)x - 5 = 6/2x - 4
(11/2)x - (6/2)x = -4 + 5
⇒ (5/2)x = 1
⇒ x = 1 ÷ (5/2) = 2/5

সুতরাং, সমীকরণের সমাধান: x = 2/5

৬৮.
secθ = √4 হলে tan2θ - 1 = ?
  1. - 1
  2. 0
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: secθ = √4 হলে tan2θ - 1 = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
secθ = √4
⇒ sec2θ = (√4)
⇒ sec2θ = 4

আমরা জানি,
sec2θ - tan2θ = 1
⇒ 4 - tan2θ = 1
⇒ tan2θ = 4 - 1
⇒ tan2θ = 3 

∴ tan2θ - 1 = 3 - 1 = 2

৬৯.
যদি 3ln(1/x) = ln8 হয়, তাহলে x = ?
  1. 1/2
  2. 2
  3. -1/2
  4. -2
সঠিক উত্তর:
1/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 3ln(1/x) = ln8 হয়, তাহলে x = ?

সমাধান:
3ln (1/x) = ln8
⇒ ln(1/x)3 = ln8
⇒ ln(1/x)3 = ln8
⇒ (1/x)3 = 8
⇒ x-3 = 8
⇒ (x-3)-1/3 = 8-1/3
⇒ x = 1/2

৭০.
উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন। 
√3x2 + 11x + 6√3
  1. (x + 3√3)(√3x + 2)
  2. (x + 3)(√3x + 3)
  3. (x + 2)(√3x + 4)
  4. (x + 6)(√3x + 2)
সঠিক উত্তর:
(x + 3√3)(√3x + 2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x + 3√3)(√3x + 2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন। 
√3x2 + 11x + 6√3

সমাধান:

√3x2 + 11x + 6√3
 এখানে, 
√3 x 6√3 = 18
আবার, 9 + 2 = 11

√3x2 + 11x + 6√3
= √3x2 + 9x + 2x + 6√3
= √3x (x + 3√3) + 2(x + 3√3)
= (x + 3√3)(√3x + 2)

৭১.
তিনজন মেয়ে একটি বৃত্তাকার মাঠের চারিদিক বরাবর একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে দৌড়ানো শুরু করল এবং প্রত্যেকে একটি পাক যথাক্রমে 24 সেকেন্ড, 36 সেকেন্ড এবং 48 সেকেন্ড পূর্ণ করে। কত সময় পর তারা একই স্থানে মিলিত হবে?
  1. 2 মিনিট 20 সেকেন্ড 
  2. 2 মিনিট 24 সেকেন্ড 
  3. 3 মিনিট 36 সেকেন্ড 
  4. 4 মিনিট 12 সেকেন্ড 
সঠিক উত্তর:
2 মিনিট 24 সেকেন্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 মিনিট 24 সেকেন্ড 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনজন মেয়ে একটি বৃত্তাকার মাঠের চারিদিক বরাবর একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে দৌড়ানো শুরু করল এবং প্রত্যেকে একটি পাক যথাক্রমে 24 সেকেন্ড, 36 সেকেন্ড এবং 48 সেকেন্ড পূর্ণ করে। কত সময় পর তারা একই স্থানে মিলিত হবে?

সমাধান:

প্রথম মেয়ে এক পাক সম্পন্ন করে = 24 সেকেন্ডে
দ্বিতীয় মেয়ে এক পাক সম্পন্ন করে = 36 সেকেন্ডে
তৃতীয় মেয়ে এক পাক সম্পন্ন করে = 48 সেকেন্ডে

24, 36 এবং 48 এর ল.সা.গু (LCM) বের করতে হবে। 

প্রথমে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ:
24 = 23 × 3
36 = 22 × 32
48 = 24 × 3

LCM (ল.সা.গু) = সর্বোচ্চ ঘাতসহ সকল মৌলিক উৎপাদকের গুণফল

LCM(ল.সা.গু) = 24 × 32 = 16 × 9 = 144

অতএব, 144 সেকেন্ড বা 2 মিনিট 24 সেকেন্ড পর তারা একই স্থানে মিলিত হবে।

৭২.
‘LOGARITHMS’ শব্দটির অক্ষরগুলো ব্যবহার করে (অর্থপূর্ণ বা অর্থহীন), অক্ষরের পুনরাবৃত্তি না করে কতটি চার অক্ষরের শব্দ গঠন করা যায়?
  1. ৪৮০০ 
  2. ৩০২০ 
  3. ২০৮০ 
  4. ৫০৪০ 
সঠিক উত্তর:
৫০৪০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৪০ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ‘LOGARITHMS’ শব্দটির অক্ষরগুলো ব্যবহার করে (অর্থপূর্ণ বা অর্থহীন), অক্ষরের পুনরাবৃত্তি না করে কতটি চার অক্ষরের শব্দ গঠন করা যায়?

সমাধান:
দেয়া আছে,

‘LOGARITHMS’ শব্দটিতে ১০টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।

সুতরাং, ১০টি অক্ষর থেকে একসঙ্গে ৪টি করে নিয়ে শব্দ গঠনের সংখ্যা =
১০টি অক্ষর থেকে ৪টি করে নেওয়ার বিন্যাস সংখ্যা 
= ১০P৪ 
= (১০ x ৯ x ৮ x ৭)
= ৫০৪০ 

৭৩.
যদি 2q = 2/q + 3 হয়, তবে 8q3 - 8/q3 এর মান কত?
  1. 37
  2. 43
  3. 63
  4. 53
সঠিক উত্তর:
63
উত্তর
সঠিক উত্তর:
63
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 2q = 2/q + 3 হয়, তবে 8q3 - 8/q3 এর মান কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
2q = 2/q + 3
⇒ 2q - 2/q = 3
⇒ 2(x - 1/q) = 3
⇒ q - 1/q = 3/2

∴ 8q3 - 8/q3
= 8(q3 - 1/q3)
= 8 {(x - 1/q)3 + 3. q. 1/q(q - 1/q)}
= 8 {(3/2)3 + 3 × 3/2}
= 8 {(27 + 36)/ 8}
= 63

৭৪.
(- x/0.3) ≤ 20, অসমতাটির সমাধান সেট কী হবে? 
  1. x : x ≥ - 6
  2. {x : x ≤ - 60}
  3. x : x ≥ - 60
  4. {x : x ≥ - 6}
সঠিক উত্তর:
{x : x ≥ - 6}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{x : x ≥ - 6}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (- x/0.3) ≤ 20, অসমতাটির সমাধান সেট কী হবে? 

সমাধান:

এখানে, 
-x/0.3 ≤ 20
⇒ x ≥ (0.3) (2)
⇒ x ≥ -6

সুতরাং, সমাধান সেটটি হবে, {x : x ≥ -6}

"দ্রষ্টব্য:
- কোনো অসমতার উভয় পাশে ঋণাত্মক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করার সময় অসমতার চিহ্ন উল্টে দিতে হবে।
- সমাধান সেটে অবশ্যই সেকেন্ড ব্র্যাকেট {} ব্যবহার করতে হবে - তাই অপশন (ক) সঠিক হবে না। "

৭৫.
2500 টাকা 8 বছরের জন্য নির্দিষ্ট বার্ষিক সরল সুদের হারে বিনিয়োগ করলে মেয়াদের শেষে এটি 3725 টাকা হয়। বার্ষিক সরল সুদের হার কত?
  1. 5.25%
  2. 6.125%
  3. 6.725%
  4. 6%
সঠিক উত্তর:
6.125%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6.125%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2500 টাকা 8 বছরের জন্য নির্দিষ্ট বার্ষিক সরল সুদের হারে বিনিয়োগ করলে মেয়াদের শেষে এটি 3725 টাকা হয়। বার্ষিক সরল সুদের হার কত?

সমাধান:

দেওয়া আছে,
মূলধন (Principal) P = 2500 টাকা
সময় (Time) T = 8 বছর
মোট টাকা (Amount) A = 3725 টাকা
বার্ষিক সরল সুদের হার (Rate) R = ?

সাধারণ সরল সুদের হার বের করার সূত্র: I = (P × R × T) / 100
1225 = (2500 × R × 8) / 100
1225 = (20000 × R) / 100
1225 = 200R
R = 1225 ÷ 200
R = 6.125%

অতএব, বার্ষিক সরল সুদের হার ছিল 6.125% 

৭৬.
P = {x ∈ N : 5x < 40} হলে, P এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?
  1. 127 টি
  2. 129 টি
  3. 128 টি
  4. 122 টি
সঠিক উত্তর:
127 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
127 টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P = {x ∈ N : 5x < 40} হলে, P এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?

সমাধান: 
P = {x ∈ N : 5x < 40}
5x < 40
x < 8

অর্থাৎ 8 এর চেয়ে ছোট সকল স্বাভাবিক সংখ্যা হলো P সেটের উপাদান।
∴ P = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7}

P সেটের উপসেট সংখ্যা = 27 = 128
∴ প্রকৃত উপসেট সংখ্যা = 128 - 1 = 127 টি 

৭৭.
একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা ও সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা সমান, সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ১৬ মিটার হলে বর্গক্ষেত্রটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৮ মিটার
  2. ১৪ মিটার
  3. ১২ মিটার
  4. ৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
১২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা ও সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা সমান, সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ১৬ মিটার হলে বর্গক্ষেত্রটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের একবাহুর দৈর্ঘ্য ক একক হলে পরিসীমা ৩ক একক।
বর্গক্ষেত্রের একবাহুর দৈর্ঘ্য ক একক হলে পরিসীমা ৪ক একক।

সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য  = ১৬ মিটার
তাহলে, এর পরিসীমা = ৩ × ১৬ = ৪৮ মিটার

বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪৮ মিটার
∴ এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪৮/৪ = ১২ মিটার।

৭৮.
s + (s + 1) + (s + 2) + ............ ধারাটির প্রথম 18 টি পদের সমষ্টি কত? 
  1. 18s + 153
  2. 9s + 117
  3. 18s + 130
  4. 18s + 127
সঠিক উত্তর:
18s + 153
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18s + 153
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: s + (s + 1) + (s + 2) + ............ ধারাটির প্রথম 18 টি পদের সমষ্টি কত? 

সমাধান: 
s + (s + 1) + (s + 2) + ............
ধারাটির,
প্রথম পদ, a = s
সাধারন অন্তর, d = s + 1 - s = 1

প্রথম 18 টি পদের সমষ্টি, Sn = n/2{2a + (n - 1)d}
= 18/2 {2s + (18 - 1)1}
= 9(2s + 17)
= 18s + 153

৭৯.
M এবং N সমান। O হলো M-এর চেয়ে খাটো। P হলো N-এর চেয়ে লম্বা কিন্তু Q-এর চেয়ে খাটো। সবচেয়ে লম্বা কে?
  1. Q
  2. N
সঠিক উত্তর:
Q
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Q
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: M এবং N সমান। O হলো M-এর চেয়ে খাটো। P হলো N-এর চেয়ে লম্বা কিন্তু Q-এর চেয়ে খাটো। সবচেয়ে লম্বা কে?

সমাধান:
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সম্পর্কগুলো সাজালে আমরা পাই, 
M = N (M এবং N সমান উচ্চতার)
M > O (O হলো M-এর চেয়ে খাটো)
P > N (P হলো N-এর চেয়ে লম্বা)
Q > P (P হলো Q-এর চেয়ে খাটো, অর্থাৎ Q বড়)

সম্পর্কগুলো ধারাবাহিকভাবে সাজালে দাঁড়ায়-
Q > P > N = M > O

সুতরাং, তাদের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা হলো Q।

৮০.
সাইকেল ভ্রমণে কোন ব্যক্তি A থেকে B পর্যন্ত ২১ কিমি দূরত্ব ১ ঘন্টা ৪০ মিনিটে অতিক্রম করে। A থেকে শুরু করে ১৩ কিমি পর্যন্ত রাস্তা সমতল, B পর্যন্ত বাকীটা ক্রম উর্ধ্বগামী পাহাড়ী রাস্তা। যদি সমতল ভূমিতে তার বেগ ১৫ কিমি/ঘন্টা হয় তাহলে ঊর্ধ্বগামী রাস্তায় তার গতিবেগ কত?
  1. ৮.৫ কি.মি./ঘণ্টা
  2. ৯.৭৫ কি.মি./ঘণ্টা
  3. ১৬ কি.মি./ঘণ্টা
  4. ১০ কি.মি./ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
১০ কি.মি./ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কি.মি./ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সাইকেল ভ্রমণে কোন ব্যক্তি A থেকে B পর্যন্ত ২১ কি.মি. দূরত্ব ১ ঘন্টা ৪০ মিনিটে অতিক্রম করে। A থেকে শুরু করে ১৩ কিমি পর্যন্ত রাস্তা সমতল, B পর্যন্ত বাকীটা ক্রম উর্ধ্বগামী পাহাড়ী রাস্তা। যদি সমতল ভূমিতে তার বেগ ১৫ কিমি/ঘন্টা হয় তাহলে ঊর্ধ্বগামী রাস্তায় তার গতিবেগ কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
মোট দূরত্ব = ২১ কি.মি.
মোট সময় = ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
= ১ ঘণ্টা + (৪০/৬০) ঘণ্টা
= ১ + (২/৩)
= ৫/৩ ঘণ্টা
সমতল রাস্তা = ১৩ কি.মি.
সমতলের বেগ = ১৫ কি.মি./ঘণ্টা
∴ সমতল অংশে সময় লাগে = ১৩/১৫ ঘণ্টা

আবার,
পাহাড়ি উর্ধ্বগামী রাস্তা = ২১ - ১৩ = ৮ কি.মি.
পাহাড়ি অংশে সময় লাগে = মোট সময় - সমতলের সময়
= (৫/৩) - (১৩/১৫)
= (২৫ - ১৩)/১৫ 
= ১২/১৫
= ৪/৫ ঘণ্টা

এখন পাহাড়ি রাস্তায় গতিবেগ = দূরত্ব ÷ সময়
= ৮ ÷ (৪/৫)
= ৮ × (৫/৪)
= ৪০/৪
= ১০ কি.মি./ঘণ্টা

সুতরাং, ঊর্ধ্বগামী পাহাড়ী রাস্তায় তার গতিবেগ ১০ কি.মি./ঘণ্টা।

৮১.
কোনটি অন্যদের থেকে আলাদা?
  1. Perspicuous
  2. Obfuscatory
  3. Pellucid
  4. Lucid
সঠিক উত্তর:
Obfuscatory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Obfuscatory
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনটি অন্যদের থেকে আলাদা?

সমাধান:
Perspicuous = খুব স্পষ্ট, পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় এমন
Pellucid = অত্যন্ত স্বচ্ছ, পরিষ্কার ও সহজবোধ্য
Lucid = স্পষ্ট, পরিচ্ছন্ন ও সহজে বোঝার মতো
এই তিনটি শব্দের অর্থ প্রায় একই ⇒ স্পষ্ট / পরিষ্কার / সহজবোধ্য

কিন্তু, Obfuscatory = ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর, অস্পষ্ট করা, ঘোলাটে করা। 

অর্থাৎ বাকি তিনটি শব্দ যেখানে 'স্পষ্টতা' বোঝায়,
Obfuscatory ঠিক তার বিপরীত — 'অস্পষ্টতা' বা 'বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা' বোঝায়।

সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) Obfuscatory

৮২.
A-এর ঘূর্ণন হার প্রতি সেকেন্ডে 50 বার হলে, D-এর ঘূর্ণন হার প্রতি সেকেন্ডে কত হবে?
  1. 25 বার 
  2. 75 বার
  3. 500 বার
  4. 5 বার
সঠিক উত্তর:
25 বার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25 বার 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A-এর ঘূর্ণন হার প্রতি সেকেন্ডে 50 বার হলে, D-এর ঘূর্ণন হার প্রতি সেকেন্ডে কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
A গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা 5
এবং ঘূর্ণন সংখ্যা 50টি
D গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা 10
ধরি, D গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা x টি

আমরা জানি,
১ম গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা × ১ম গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা = ২য় গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা × ২য় গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা
এখন, 
⇒ A গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা × A গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা = D গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা × D গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা
⇒ D গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা = (A গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা × A গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা)/D গিয়ারের দাঁতের সংখ্যা
∴ D গিয়ারের ঘূর্ণন সংখ্যা = (5 × 50)/10 = 25

সুতরাং, D-এর ঘূর্ণন হার প্রতি সেকেন্ডে 25টি হবে। 

(অর্থাৎ A-এর চেয়ে দাঁত দ্বিগুণ হওয়ায় D-এর গতি অর্ধেক হয়েছে।)

৮৩.
Tuberculosis : Lungs : : Typhoid : ?
  1. Liver
  2. Brain
  3. Intestine
  4. Lungs
সঠিক উত্তর:
Intestine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intestine
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Tuberculosis : Lungs : : Typhoid : ?

সমাধান: 
Tuberculosis (যক্ষ্মা) প্রধানত Lungs (ফুসফুসে) আক্রমণ করে। 

একইভাবে, 
Typhoid (টাইফয়েড) প্রধানত আক্রমণ করে Intestine (অন্ত্র)। 

সঠিক উত্তর:
Tuberculosis : Lungs :: Typhoid : Intestine

 
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল-
Liver = হেপাটাইটিস, সিরোসিস, লিভার অ্যাবসেসের সাথে সম্পর্ক বেশি
Lungs = টিবি, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার
Brain = মেনিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, ব্রেন টিউমার

৮৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
  1. 69
  2. 29
  3. 32
  4. 55
সঠিক উত্তর:
29
উত্তর
সঠিক উত্তর:
29
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

সমাধান: 
(কলাম বরাবর সংখ্যাদ্বয়ের অন্তর) + (সারি বরাবর সংখ্যাদ্বয়ের অন্তর) = মাঝের সংখ্যা 

১ম চিত্রে, 
(23 - 7) + (15 - 8) = 16 + 7 = 23

২য় চিত্রে,
(24 - 5) + (18 - 9) = 19 + 9 = 28

একইভাবে, ৩য় চিত্রে,
(28 - 8) + (13 - 4) = 20 + 9 = 29

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 29 সংখ্যাটি বসবে। 

৮৫.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্রটি বসবে?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্রটি বসবে?

    সমাধান: 
    সঠিক উত্তর গ) নং । 
    কারণ, 
    ১ম, ৩য়, ৫ম চিত্রের পরিবর্তন গুলো হলো, 
    ১ম চিত্রের ডান পাশে একটি পাতা এবং বাম পাশে শূন্য পাতা। 
    ৩য় চিত্রের ডান পাশে দুইটি পাতা এবং বাম পাশে একটি পাতা। 
    একইভাবে, 
    ৫ম চিত্রের ডান পাশে তিনটি পাতা এবং বাম পাশে দুইটি পাতা।

    আবার, 
    ২য়, ৪র্থ চিত্রের পরিবর্তন গুলো হলো,
    ২য় চিত্রের উভয় পাশে দুইটি পাতা 
    ৪র্থ চিত্রে, পাতার সংখ্যা ২য় চিত্রের দ্বিগুণ অর্থাৎ চারটি পাতা। 

    সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) নং ।

    ৮৬.
    একজন লোক উত্তর দিকে 2 কি.মি. হাঁটে। তারপর সে পূর্ব দিকে ঘুরে 10 কি.মি. হাঁটে। এরপর সে আবার উত্তর দিকে ঘুরে 3 কি.মি. হাঁটে। আবার সে পূর্ব দিকে ঘুরে 2 কি.মি. হাঁটে। সে এখন শুরুর জায়গা থেকে কত দূরে আছে?
    1. 12 কি.মি.
    2. 17 কি.মি.
    3. 15 কি.মি.
    4. 13 কি.মি.
    সঠিক উত্তর:
    13 কি.মি.
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    13 কি.মি.
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একজন লোক উত্তর দিকে 2 কি.মি. হাঁটে। তারপর সে পূর্ব দিকে ঘুরে 10 কি.মি. হাঁটে। এরপর সে আবার উত্তর দিকে ঘুরে 3 কি.মি. হাঁটে। আবার সে পূর্ব দিকে ঘুরে 2 কি.মি. হাঁটে। সে এখন শুরুর জায়গা থেকে কত দূরে আছে?

    সমাধান:


    সে শুরুর জায়গা থেকে 13 কিলোমিটার দূরে আছে।
    কারণ, 
    উত্তরে দিকে মোট দূরত্ব = 2 + 3 = 5 কি.মি.
    এবং পূর্বে দিকে মোট দূরত্ব = 10 + 2 = 12 কি.মি.

    এখন দূরত্ব = √(উত্তর2 + পূর্ব2)
    = √(52 + 122)
    = √(25 + 144)
    = √169
    = 13 কি.মি.

    সুতরাং সঠিক উত্তর 13 কি.মি.। 

    ৮৭.
    ১০০ মিটার লম্বা একটি ট্রেন বিপরীত দিক থেকে ঘন্টায় ৫ কি.মি. বেগে আসা একটি লোককে ৯ সেকেন্ডে অতিক্রম করে। ট্রেনের গতিবেগ কত? 
    1. ৩৫ কি.মি./ঘণ্টা
    2. ২৯ কি.মি./ঘণ্টা
    3. ৪১ কি.মি./ঘণ্টা
    4. ৪৫ কি.মি./ঘণ্টা
    সঠিক উত্তর:
    ৩৫ কি.মি./ঘণ্টা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৫ কি.মি./ঘণ্টা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ১০০ মিটার লম্বা একটি ট্রেন বিপরীত দিক থেকে ঘন্টায় ৫ কি.মি. বেগে আস একটি লোককে ৯ সেকেন্ডে অতিক্রম করে। ট্রেনের গতিবেগ কত? 

    সমাধান: 
    দেওয়া আছে, 
    ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ১০০ মিটার
    লোকটিকে অতিক্রম করতে সময় লাগে = ৯ সেকেন্ড
    লোকটির গতি = ৫ কিমি/ঘণ্টা (বিপরীত দিকে) 
    = (৫ × ১০০০)/৩৬০০
    = ৫ × (৫/১৮)
    = (২৫/১৮) মি./সে.

    যেহেতু ট্রেন ও লোক বিপরীত দিকে যাচ্ছে, তাই তাদের আপেক্ষিক গতি = ট্রেনের গতি + লোকের গতি
    এখন, 
    ট্রেন গতিবেগ + লোকের আপেক্ষিক গতি = ট্রেনের দৈর্ঘ্য ÷ সময়
    ⇒ v + (২৫/১৮) = ১০০/৯
    ⇒ v = (১০০/৯) - (২৫/১৮)
    ⇒ v = (২০০ - ২৫)/১৮
    ⇒ v = (১৭৫/১৮) মি/সে
    ⇒ v = (১৭৫/১৮) × (১৮/৫) কি.মি./ঘণ্টা
    ⇒ v = ১৭৫/৫
    ∴ v = ৩৫ কি.মি./ঘণ্টা

    সুতরাং, ট্রেনের গতিবেগ ৩৫ কি.মি./ঘণ্টা।

    ৮৮.
    বস্তুটিকে টেনে উপরে তুলতে কতটুকু বল লাগবে?
    1. 35 N
    2. 45 N
    3. 28 N
    4. 30 N
    সঠিক উত্তর:
    30 N
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    30 N
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: বস্তুটিকে টেনে উপরে তুলতে কতটুকু বল লাগবে?


    সমাধান:
    আমরা জানি, 
    কপিকলে বস্তু উপরে তুলতে প্রযুক্ত বল = বস্তুটির ওজন/বস্তুটি যে চাকাটি বা চাকাগুলোর সাথে যুক্ত আছে তার সাথে যুক্ত দড়ির সংখ্যা
    = 180/6 N
    = 30 N 

    সুতরাং, বস্তুটিকে টেনে উপরে তুলতে 30 N বল লাগবে। 

    ৮৯.
    প্রদত্ত চিত্রে কয়টি আয়তক্ষেত্র আছে? 
    1. 13টি 
    2. 15টি 
    3. 14টি 
    4. কোনটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    13টি 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    13টি 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কয়টি আয়তক্ষেত্র আছে? 

    সমাধান: 

    একটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 = 8টি
    দুইটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 23, 67, 78 = 3টি 
    তিনটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 678 = 1টি 
    সবগুলো করে ফাঁকা ঘর নিয়ে আয়তক্ষেত্র আছে- 12345678 = 1টি 

    ∴ মোট আয়তক্ষেত্র আছে = 8 + 3 + 1 + 1 = 13টি 

    ৯০.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
    6 : 18 : : 4 : ?
    1. 2
    2. 6
    3. 8
    4. 22
    সঠিক উত্তর:
    8
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    8
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
    6 : 18 : : 4 : ?

    সমাধান: 
    প্রথম সংখ্যাটির বর্গের অর্ধেক দ্বিতীয় সংখ্যা

    এখানে, 
    6 : 62/2 = 6 : 36/2 = 6 : 18

    তেমনি, 
    4 : 42/2 = 4 : 16/2 = 4 : 8

    সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে গ) 8
    এখানে, সম্পর্কটি হচ্ছে, x : x2/2

    ৯১.
    'X' চিত্রের পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি? 
    1. 1
    2. 2
    3. 3
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    2
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'X' চিত্রের পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি? 

    সমাধান: 

    সঠিক উত্তর খ) 2 নং 

    ৯২.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণগুলো বসবে?
    QAR, RCS, SET, TGU, _____
    1. VJW
    2. UIV
    3. UIW
    4. UJV
    সঠিক উত্তর:
    UIV
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    UIV
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণগুলো বসবে? 
    QAR, RCS, SET, TGU, _____

    সমাধান: 
    এখানে, তিনটি ধারা আছে, 
    ১ম ধারাটি হলো - Q(17), R(18), S(19), T(20) → পরবর্তী = U (21)

    ২য় ধারাটি হলো - A(1), C(3), E(5), G(7) → পরবর্তী = I(9)
     
    ৩য় ধারাটি হলো - R(18), S(19), T(20), U(21) → পরবর্তী = V(22)

    সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে UIV বর্ণগুলো বসবে। 

    ৯৩.
    যদি RAT = 49 এবং DOG = 36 হয়, তবে CAT = কত?
    1. 27
    2. 28
    3. 44
    4. 34
    সঠিক উত্তর:
    34
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    34
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি RAT = 49 এবং DOG = 36 হয়, তবে CAT = কত? 

    সমাধান: 

    ইংরেজি বর্ণমালা পজিশন হতে, 
    R A T = 18 1 20
    RAT = 18 + 1 + 20 + 10 = 49 ; [অতিরিক্ত 10 যোগ করে]

    D O G = 4 15 7
    DOG = 4 + 15 + 7 + 10 = 36  ; [অতিরিক্ত 10 যোগ করে]

    একইভাবে, 
    C A T = 3 1 20
    CAT = 3 + 1 + 20 + 10 = 34  ; [অতিরিক্ত 10 যোগ করে]

    সুতরাং, CAT = 34

    ৯৪.
    সূর্য ও অধিকাংশ নক্ষত্র কোন অবস্থার পদার্থ দিয়ে গঠিত?
    1. বায়বীয়
    2. প্লাজমা
    3. তরল 
    4. কঠিন 
    সঠিক উত্তর:
    প্লাজমা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্লাজমা
    ব্যাখ্যা

    প্লাজমা অবস্থা: 
    - কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়াও পদার্থের আর একটি অবস্থা হলো 'প্লাজমা'। 
    - চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
    - প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। 
    - কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। 
    - তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
    - প্লাজমা অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয় অর্থাৎ, গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
    - প্লাজমা অবস্থা সচরাচর আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। তবে নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
    - পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
    - সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৫.
    বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রভাব কোনটির উপর কম হয়?
    1. প্রতিসরণ 
    2. বিচ্যুতি
    3. বিক্ষেপণ
    4. সবগুলোই 
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই 
    ব্যাখ্যা

    দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
    - তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় যা মূলত দৃশ্যমান বিকিরণ অথবা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
    - দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র। এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
    - এই আলোর বিভিন্ন বর্ণকে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
    - আলোর বিভিন্ন বর্ণের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। 
    - যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
    - বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
    - লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৬.
    ডায়ালাইসিস কেন করা হয়? 
    1. বৃক্ক বিকল হলে রক্ত পরিশোধনের জন্য
    2. রক্তের প্লাজমা পরিবর্তনের জন্য
    3. রক্তের লোহিত কণিকা বৃদ্ধি করার জন্য
    4. রক্তে অক্সিজেন বৃদ্ধির জন্য 
    সঠিক উত্তর:
    বৃক্ক বিকল হলে রক্ত পরিশোধনের জন্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বৃক্ক বিকল হলে রক্ত পরিশোধনের জন্য
    ব্যাখ্যা

    ডায়ালাইসিস (Dialysis): 
    - বৃক্ক সম্পূর্ণ অকেজো বা বিকল হওয়ার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধন করার নাম ডায়ালাইসিস। 
    - সাধারণত 'ডায়ালাইসিস মেশিনের' সাহায্যে রক্ত পরিশোধন করা হয়। 
    - এই মেশিনের ডায়ালাইসিস টিউবটির এক প্রান্ত রোগীর হাতের কব্জির ধমনির সাথে এবং অন্য প্রান্ত ঐ হাতের কব্জির শিরার সাথে সংযোজন করা হয়। 
    - ধমনি থেকে রক্ত ডায়ালাইসিস টিউবের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করানো হয়। এর প্রাচীর আংশিক বৈষম্যভেদ্য হওয়ায় ইউরিয়া, ইউরিক এসিড এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ বাইরে বেরিয়ে আসে। 
    - পরিশোধিত রক্ত রোগীর দেহের শিরার মধ্য দিয়ে দেহের ভেতর পুনরায় প্রবেশ করে। 
    উল্লেখ্য, 
    - ডায়ালাইসিস টিউবটি এমন একটি তরলের মধ্যে ডুবানো থাকে, যার গঠন রক্তের প্লাজমার অনুরূপ হয়। এভাবে ডায়ালাইসিস মেশিনের সাহায্যে নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থ (ইউরিয়া এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ) বাইরে নিষ্কাশিত হয়। তবে এটি একটি ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া।

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৬, সংস্করণ)।

    ৯৭.
    জগদীশচন্দ্র বসু প্রথম কোন ক্ষেত্রে গবেষণা করেছিলেন এবং সফল হন?
    1. কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ
    2. নিউট্রন আবিষ্কার
    3. দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে সংকেত প্রেরণ
    4. প্ল্যানেটের কক্ষপথ নির্ধারণ
    সঠিক উত্তর:
    দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে সংকেত প্রেরণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে সংকেত প্রেরণ
    ব্যাখ্যা

    জগদীশচন্দ্র বসু: 
    - ১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশচন্দ্র বসু কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিজ্ঞানে অধ্যাপনা এবং গবেষণা শুরু করেন। 
    - জগদীশচন্দ্র বসু প্ৰথম বিনা তারে দুরবর্তী স্থানে সংকেত পাঠানো বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং সফল হন। 
    - ১৮৯৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বারের মত দূরবর্তী স্থানে বিনা তারে রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। তিনিই প্রথম তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে মিলিমিটার (৫ মিলিমিটার) পর্যায়ে পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
    - জগদীশচন্দ্র বসুই সর্বপ্রথম রেডিও সংকেত শনাক্ত করার কাজে অর্ধপরিবাহি জাংশন ব্যবহার করেন। এই আবিষ্কারকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে জগদীশচন্দ্র বসু তাঁর আবিষ্কারকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেন। 
    - জীব পদার্থবিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র বসু গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। 
    - উদ্ভিদের শারীরিতত্বের উপর তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হচ্ছে উদ্ভিদের বৃদ্ধি রেকর্ড করার জন্য ক্রেস্কোগ্রাফ। তিনি উদ্ভিদের উদ্দীপকে সাড়া দেওয়ার কারণ ও প্রক্রিয়াকে ব্যাখ্যা করেন। তিনি দেখান যে বিভিন্ন উদ্দীপনায় উদ্ভিদেও সাড়া দেওয়ার প্রকৃতি রাসায়নিক নয় বৈদ্যুতিক। 
    - তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের একটি হচ্ছে ‘Response in the living and non-living'। 
    - ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দে উদ্ভিদ-শরীরিতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার জন্য কলকাতায় বসু মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
    - ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ নভেম্বর জগদীশচন্দ্র বসু পরলোকে গমন করেন। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৮.
    জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদের তুলনায় বেশি কেন?
    1. কারণ জলজ উদ্ভিদে ক্লোরোফিলের সংখ্যা বেশি থাকে 
    2. কারণ জলজ উদ্ভিদে বেশি সূর্যালোক পড়ে 
    3. কারণ জলজ উদ্ভিদে পানি কম থাকে 
    4. কারণ পানিতে দ্রবীভূত CO2-এর পরিমাণ বেশি থাকে 
    সঠিক উত্তর:
    কারণ পানিতে দ্রবীভূত CO2-এর পরিমাণ বেশি থাকে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কারণ পানিতে দ্রবীভূত CO2-এর পরিমাণ বেশি থাকে 
    ব্যাখ্যা

    সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis): 
    - সবুজ উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এরা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
    - সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরি হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
    - সবুজ উদ্ভিদে প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ নিজে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফল, মূল, কাণ্ড অথবা পাতায় সঞ্চিত রাখে। উদ্ভিদে সঞ্চিত এই খাদ্যের উপরে মানবজাতি ও অন্যান্য জীবজন্তুর অস্তিত্ব নির্ভর করে। 
    - সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো হলো ক্লোরোফিল, আলো, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি। 
    - সালোকসংশ্লেষণ একটি জৈব রাসায়নিক (biochemical) বিক্রিয়া। 
    যেমন-

    - পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
    - স্থলজ সবুজ উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পানি শোষণ করে পাতার মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছায় এবং স্টোমা বা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বায়ু থেকে CO2 গ্রহণ করে, যা মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছে। 
    - জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত CO2 গ্রহণ করে। 
    - বায়ুমণ্ডলে 0.03% কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং পানিতে 0.3% কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) আছে, তাই জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 
    - অক্সিজেন এবং পানি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার উপজাত দ্রব্য (by-product)। 
    - সালোকসংশ্লেষণ একটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া (oxidation-reduction process), এ প্রক্রিয়ায় H2O জারিত হয় এবং CO2 বিজারিত হয়। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ৯৯.
    ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° C বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপ কত ক্যালরি?
    1. ১.০ ক্যালরি
    2. ২.৪ ক্যালরি
    3. ০.১ ক্যালরি
    4. ১০ ক্যালরি
    সঠিক উত্তর:
    ১.০ ক্যালরি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১.০ ক্যালরি
    ব্যাখ্যা

    তাপ: 
    - তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
    - তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
    - তাপের এস.আই (S.I) একক জুল (J)। 
    - এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
    - 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
    - 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
    -  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
    - তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
    - দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০০.
    ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন কোন ধরনের টিকা?
    1. ডিএনএ টিকা
    2. মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
    3. নিষ্ক্রিয় জীবাণুভিত্তিক জীবন্ত টিকা
    4. দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু ভিত্তিক টিকা
    সঠিক উত্তর:
    মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা
    ব্যাখ্যা

    টিকার প্রকারভেদ: 
    - মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
    - গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিকার প্রকারভেদ নিম্নরূপ- 
    ১। নিষ্ক্রিয় জীবাণুভিত্তিক জীবন্ত টিকা: 
    - এতে কালচার করা জীবাণুদের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করা হয়। 
    উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

    ২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
    - এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি করা হয়। 
    উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

    ৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
    - জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি এই টিকা। 
    উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

    ৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু ভিত্তিক টিকা: 
    - সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
    উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

    ৫। ডিএনএ টিকা: 
    - রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

    উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০১.
    নিচের কোন পদার্থটি সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে না এসে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়?
    1. কার্বন মনোক্সাইড
    2. অ্যামোনিয়া
    3. অ্যামোনিয়াম
    4. নাইট্রোজেন অক্সাইড
    সঠিক উত্তর:
    অ্যামোনিয়াম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অ্যামোনিয়াম
    ব্যাখ্যা

    - অ্যামোনিয়াম (NH4+) পদার্থটি সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে না এসে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। 

    দূষক (Pollutant): 

    - কোনো পদার্থ পরিবেশে তার স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রাচুর্য অপেক্ষা অধিক পরিমাণে উপস্থিত থেকে মনুষ্যজাতি অথবা অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে ঐ পদার্থটিকে দূষক বলা হয়। 
    - বায়ুতে সল্পমাত্রায় (0.1 ppm) কার্বন মনোক্সাইড (CO) থাকে, কিন্তু এর পরিমাণ বেড়ে 40 ppm বা তার বেশি হলে এটি দূষক হিসেবে বিবেচিত হয়। 
    - দূষক প্রধানত দুই প্রকার। 
    ১। প্রাইমারি দূষক: 
    - যে সকল দূষক পদার্থ কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়ে অপরিবর্তিত অবস্থায় পরিবেশে বিদ্যমান থাকে এবং পরিবেশের দূষণ ঘটায় তাদেরকে প্রাইমারি দূষক বলে।
    যেমন- 
    • নাইট্রিক অক্সাইড (NO), 
    • নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2), 
    • কার্বন মনোক্সাইড (CO), 
    • কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2), 
    • সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2), 
    • অ্যামোনিয়া (NH3) ইত্যাদি। 

    ২। সেকেন্ডারি দূষক: 
    - যে সকল দূষক পদার্থ সরাসরি কোনো উৎস থেকে পরিবেশে আসে না, বরং বায়ুমণ্ডলে নির্গত হওয়া প্রাথমিক দূষকগুলো থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে। 
    যেমন- 
    • সালফার ট্রাইঅক্সাইড (SO3), 
    • নাইট্রিক এসিড (HNO3), 
    • নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO2), 
    • সালফিউরিক এসিড (H2SO4), 
    • হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H2O2), 
    • অ্যামোনিয়াম (NH4+), 
    • ওজোন (O3) ইত্যাদি। 

    উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং University of California এবং Energy Education.

    ১০২.
    বৃহদন্ত্রের কোন অংশ অ্যাপেনডিক্সের সাথে সংযুক্ত থাকে? 
    1. সিকাম
    2. ইলিয়াম 
    3. কোলন
    4. মলাশয়
    সঠিক উত্তর:
    সিকাম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিকাম
    ব্যাখ্যা

    অন্ত্র (Intestine): 
    - পাকস্থলীর পরের অংশ অন্ত্র, এটি একটি লম্বা প্যাঁচানো নালি। 
    - অন্ত্র দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত। 
    যেমন- ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদন্ত্র। 
    (১) ক্ষুদ্রান্ত্র (Small Intestine): 
    - পাকস্থলী থেকে বৃহদন্ত্র পর্যন্ত বিস্তৃত লম্বা, প্যাঁচানো নলটিকে ক্ষুদ্রান্ত্র বলে। 
    - ক্ষুদ্রান্ত্র আবার তিনটি অংশে বিভক্ত। 
    যথা- ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম। 
    - ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিওডেনামে পিত্তথলি থেকে পিত্তনালি এবং অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় নালি এসে মিলিত হয়। 
    - পিত্তনালির মাধ্যমে যকৃতের পিত্তরস এবং অগ্ন্যাশয়ের অগ্ন্যাশয় রস ডিওডেনামে এসে পৌঁছে। 
    - ক্ষুদ্রান্ত্রের গায়ে আন্দ্রিক গ্রন্থিও থাকে। 
    - ক্ষুদ্রান্ত্রের অন্তঃপ্রাচীরে আঙুলের মতো প্রক্ষেপিত অংশ থাকে, এদের ভিলাস বলে। ভিলাস পরিপাককৃত খাদ্য উপাদান শোষণ করে। 

    (২) বৃহদন্ত্র (Large Intestine): 
    - ইলিয়াম থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত মোটা নলাকৃতির অংশ হলো বৃহদন্ত্র। 
    - বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। 
    যথা- সিকাম, কোলন ও মলাশয়। 
    - সিকামের সাথে অ্যাপেনডিক্স নামক ক্ষুদ্র নলের মতো প্রবৃদ্ধি সংযুক্ত থাকে। 
    - বৃহদন্ত্রে মূলত পানি শোষিত হয়, মল তৈরি হয় এবং মল জমা থাকে। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৬, সংস্করণ)।

    ১০৩.
    ভিনেগার প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে কিভাবে কাজ করে? 
    1. খাদ্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
    2. খাদ্যের রঙ পরিবর্তন করে 
    3. খাদ্যের pH কমিয়ে অণুজীবের বংশবিস্তার রোধ করে
    4. খাদ্যের আর্দ্রতা বৃদ্ধি করে 
    সঠিক উত্তর:
    খাদ্যের pH কমিয়ে অণুজীবের বংশবিস্তার রোধ করে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খাদ্যের pH কমিয়ে অণুজীবের বংশবিস্তার রোধ করে
    ব্যাখ্যা

    ভিনেগার: 
    - প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
    - ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
    অর্থাৎ, ভিনেগারের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড। 
    - ভিনেগার বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
    - খাদ্যদ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে ভিনেগার ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমে যায় ফলে অণুজীবগুলো বংশ বিস্তার করতে পারে না। 
    যেমন- 
    - অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে, তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

    ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
    - মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এভিনেগারের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
    - যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
    - ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
    - ভিনেগার পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
    - ভিনেগার দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

    উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৪.
    ডায়াচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
    1. চুম্বক ক্ষেত্রের দিকে মুখ করে দুর্বল চুম্বকায়ন সৃষ্টি করে
    2. শক্তিশালী চুম্বকায়ন দেখায় এবং ডোমেইন গঠন করে
    3. চুম্বকায়ন সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত 
    4. চুম্বক ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বল চুম্বকায়ন সৃষ্টি করে
    সঠিক উত্তর:
    চুম্বক ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বল চুম্বকায়ন সৃষ্টি করে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চুম্বক ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বল চুম্বকায়ন সৃষ্টি করে
    ব্যাখ্যা

    - ডায়াচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চুম্বক ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বল চুম্বকায়ন সৃষ্টি করে। 

    প্যারাচৌম্বক পদার্থ:  
    - যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, তাদেরকে প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে। যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, টিন ইত্যাদি। 
    - প্যারাচৌম্বক পদার্থের অণু, পরমাণু, বা আয়নের স্থায়ী চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। এসব দ্বিপোল এক একটি স্বাধীন সত্ত্বা হিসেবে কাজ করে। কিন্তু সাধারণ তাপমাত্রায় তাপজনিত কম্পন বেশি হওয়ার ফলে এই দ্বিপোল গুলো এলোমেলোভাবে থাকে। ফলস্বরূপ পদার্থের কোন এক দিকে নীট চুম্বকায়ণ থাকে না। 

    ডায়াচৌম্বক পদার্থ: 
    - যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায, তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে। যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইত্যাদি। 
    অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়, এদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে। 
    - ডায়াচৌম্বক পদার্থের পরমাণুমূহের কোন স্থায়ী চৌম্বক মোমেন্ট থাকে না। এসব পরমাণুতে ইলেকট্রনের কক্ষীয় ও স্পিন গতি থেকে চৌম্বক মোমেন্ট উৎপত্তি হয়। 
    - এক জোড়া ইলেককট্রনের মধ্যে একটির মোমেন্ট অন্যটির সমান ও বিপরীত হলে, এদের নীট মোমেন্ট শূন্য হবে। যেহেতু ডায়াচৌম্বক পদার্থের পরমাণুতে এ রকম বহু সংখ্যক জোড়ার সমাহার সেহেতু পদার্থের পরমাণুতে কোনো দ্বিপোল থাকে না এবং কোন নীট মোমেন্টও থাকে না। 

    ফেরোচৌম্বক পদার্থ: 
    - যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়, তাদেরকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে। যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 
    - ফেরোচৌম্বক পদার্থের পরমাণু তথা অণুসমূহের প্রত্যেকের নীট্ চৌম্বক দ্বিপোল মোমেন্ট থাকে। কিন্তু দ্বিপোলগুলো স্বাধীন সত্তা হিসেবে কাজ করে না, এই দ্বিপোলগুলো বিভিন্ন ডোমেইন-এ বিভক্ত থাকার ফলে সমষ্টিগতভাবে নীট মোমেন্ট শূন্য হয়। 
    - ফেরোচৌম্বক পদার্থকে বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে বা চুম্বকের কাছে আনলে চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে কিছু কিছু ডোমেইনের আকার এক সময় বৃহৎ ডোমেইন গঠন করে এবং দ্বিপোলগুলো ক্ষেত্রের দিকে পদার্থটির চুম্বকায়ন ঘটে। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ১০৫.
    (0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করুন।
    1. 0.B5C...
    2. 0.C5C...
    3. 0.B5D...
    4. 0.B7C...
    সঠিক উত্তর:
    0.B5C...
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    0.B5C...
    ব্যাখ্যা

    • (0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করলে: 0.B5C... হয়। 



    • হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
    - হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
    - এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
    - এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

    • সংখ্যা পদ্ধতি:
    - কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
    - সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
    ১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
    ২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
    ৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
    ৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

    - দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal) – ভিত্তি ১০। 
    - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary) – ভিত্তি ২। 
    - অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal) – ভিত্তি ৮। 
    - হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal) – ভিত্তি ১৬। 

    - প্রতিটি পদ্ধতিতে সংখ্যা প্রকাশের নিয়ম আলাদা, কিন্তু মূল ধারণা একই- একটি নির্দিষ্ট ভিত্তির উপর সংখ্যাগুলো লেখা।

    হেক্সাডেসিমাল ব্যবহার:

    - কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: যেমন C, C++ এ 0x দ্বারা হেক্সাডেসিমাল নির্দেশ করা হয়।
    - মেমোরি ঠিকানা: প্রতিটি মেমোরি লোকেশনকে ছোট হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করা যায়।
    - রঙের কোডিং (HTML/CSS): উদাহরণ: #FF5733 → RGB রঙ।
    - ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স: বাইট বা ওয়ার্ডের মান সংক্ষেপে দেখানোর জন্য।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১০৬.
    ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার কোনটি?
    1. হার্ড ডিস্ক
    2. GPU
    3. নেটওয়ার্ক কার্ড
    4. পাওয়ার সাপ্লাই
    সঠিক উত্তর:
    হার্ড ডিস্ক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হার্ড ডিস্ক
    ব্যাখ্যা

    •  ভার্চুয়াল মেমরি হলো একটি প্রযুক্তি যা কম্পিউটারকে তার মূল মেমরি (RAM) এর সীমা ছাড়িয়ে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা দেয়। যখন RAM পর্যাপ্ত থাকে না, তখন অপারেটিং সিস্টেম অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করে, যা “পেজ ফাইল” বা “সাপারফ্লো স্পেস” হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রামও চালাতে সক্ষম হয়। তাই ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার হলো হার্ড ডিস্ক, কারণ এটি RAM-এর অতিরিক্ত স্থান সরবরাহ করে এবং ডেটা আয়ত্তে রাখে।
    - অন্য হার্ডওয়্যার যেমন GPU, নেটওয়ার্ক কার্ড বা পাওয়ার সাপ্লাই সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।

     
    ভার্চুয়াল মেমরি: 
    - ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
    - অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
    - যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
    - প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

    উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

    ১০৭.
    কোন উপাদানটি LLM-এর প্রশিক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে?
    1. Network Interface Card (NIC)
    2. Central Processing Unit (CPU)
    3. Hard Disk Drive (HDD)
    4. Graphics Processing Unit (GPU) 
    সঠিক উত্তর:
    Graphics Processing Unit (GPU) 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Graphics Processing Unit (GPU) 
    ব্যাখ্যা

    •  LLM (Large Language Model)-এর প্রশিক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ঘ) Graphics Processing Unit (GPU)। GPU বিশেষভাবে সমান্তরাল গণনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা একটি বড় নিউরাল নেটওয়ার্কের অসংখ্য ম্যাট্রিক্স ও ভেক্টর অপারেশনকে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম। LLM প্রশিক্ষণের সময় কোটি কোটি প্যারামিটার আপডেট করতে হয়, যা CPU এর চেয়ে GPU দ্বারা অনেক দ্রুত করা যায়। HDD বা NIC এর ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম; HDD শুধু ডেটা সংরক্ষণ করে এবং NIC ডেটা ট্রান্সফারে সাহায্য করে, কিন্তু মডেলের গণনায় সরাসরি প্রভাব ফেলে না। সুতরাং, উচ্চ ক্ষমতার GPU ছাড়া LLM-এর কার্যকর প্রশিক্ষণ প্রায় অসম্ভব।
     
    • LLM:
    - LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
    - LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

    • Graphics Card (GPU):
    - GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।  
    - LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।  
    - CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।  
    - LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স—দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।  
    - বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।  
    - GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।  

    সূত্র: 
    - NVIDIA [link]

    ১০৮.
    এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) বলতে কী বোঝায়?
    1. শুধু ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
    2. শুধু অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR)
    3. VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
    4. শুধু 3D ভিডিও গেম
    সঠিক উত্তর:
    VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
    ব্যাখ্যা

    • এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো এমন একটি প্রযুক্তি ক্ষেত্র যা বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জগতের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে। এটি কেবল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) বা অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) নয়, বরং উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR) এর মতো আরও উন্নত ফর্মগুলিও এতে আসে। VR ব্যবহারকারীকে সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল পরিবেশে নিয়ে যায়, AR বাস্তব জগতের সঙ্গে ভার্চুয়াল উপাদান overlay করে, আর MR বাস্তব এবং ভার্চুয়াল উপাদানকে মিলিয়ে ইন্টারেক্টিভ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
    - তাই XR হলো VR, AR এবং MR এর সমন্বয়, যা প্রযুক্তি ও ইন্টারঅ্যাকশনের নতুন মাত্রা উন্মোচন করে। সঠিক উত্তর: গ) VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)।


    • এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR):
    - এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব ও ভার্চুয়াল পরিবেশের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশনকে একত্রিত করে।
    - এটি শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং VR, AR এবং MR-কে একসাথে অন্তর্ভুক্ত করে।
    - XR ব্যবহারকারীদের বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানের সাথে মিলিয়ে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
    - এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন- শিক্ষা, গেমিং, চিকিৎসা এবং শিল্পক্ষেত্রে।

    • ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
    - VR হলো একটি কম্পিউটার-জেনারেটেড পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে।
    - ব্যবহারকারী সাধারণত হেডসেট বা VR গিয়ার ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পরিবেশের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।

    • অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR):
    - AR হলো প্রযুক্তি যা বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদানগুলো সংযুক্ত করে।
    - এটি বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানকে একসাথে প্রদর্শন করে, যেমন- মোবাইল স্ক্রিন বা AR চশমার মাধ্যমে।

    • মিক্সড রিয়েলিটি (MR):
    - MR হলো এমন প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল এবং বাস্তব উপাদানকে একত্রিত করে এবং ব্যবহারকারীকে উভয়ের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
    - এটি VR এবং AR এর মিশ্রণ হিসেবে বিবেচিত।

    সূত্র: University of California, Los Angeles - Advanced Research Computing [link]

    ১০৯.
    কোনটি সাইবারস্টকিং (Cyberstalking) -এর উদাহরণ?
    1. একটি ব্লগে ভদ্রভাবে মন্তব্য করা
    2. বন্ধুর প্রোফাইল অনুসরণ করা
    3. কারো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট পছন্দ করা
    4. বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
    সঠিক উত্তর:
    বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
    ব্যাখ্যা

    • সাইবারস্টকিং (Cyberstalking) হলো ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যমে কারও উপর নিয়মিতভাবে হুমকি, তাড়া বা অপ্রয়োজনীয় নজরদারি চালানোর একটি অবৈধ আচরণ। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তি বিশেষকে মানসিকভাবে উত্তেজিত বা ভীত করে রাখা। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে, ঘ) বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো হলো সাইবারস্টকিং-এর উদাহরণ। কারণ এটি পুনরায় পুনরায় তাড়া করার মতো আচরণ এবং প্রাপকের জন্য মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, একটি ব্লগে ভদ্রভাবে মন্তব্য করা, বন্ধুর প্রোফাইল অনুসরণ করা বা কারো পোস্ট পছন্দ করা সাধারণ অনলাইন ব্যবহার এবং সেগুলো হুমকি বা দমনমূলক নয়। তাই শুধুমাত্র হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো সাইবারস্টকিং-এর অন্তর্ভুক্ত।
     
     • সাইবার ক্রাইম:
    - ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
    - ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
    - ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
    - বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
    - ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

    • উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
    - হ্যাকিং,
    - স্প্যামিং,
    - সাইবার থেফ্ট,
    - সাইবার বুলি,
    - স্ফুফিং,
    - ফিশিং,
    - ভিশিং,
    - স্নিকিং,
    - প্লেজিয়ারিজম,
    - Cyberstalking,
    - DDoS Attacks, প্রভৃতি

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১১০.
    ALU (Arithmetic Logic Unit) কম্পিউটারের কোন অংশে অন্তর্ভুক্ত?
    1. হার্ডডিস্ক
    2. সিপিইউ
    3. রম 
    4. ইনপুট ইউনিট
    সঠিক উত্তর:
    সিপিইউ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিপিইউ
    ব্যাখ্যা

    • ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের CPU-এর (Central Processing Unit) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি মূলত গণিত ও লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনের জন্য দায়ী। উদাহরণস্বরূপ, এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং তুলনা বা শর্ত যাচাই করার কাজ করে। CPU-এর মধ্যে ALU সহ আরও কিছু উপাদান থাকে, যেমন Control Unit, যা নির্দেশাবলী ব্যাখ্যা ও পরিচালনা করে। হার্ডডিস্ক, র‌্যাম বা ইনপুট ইউনিট শুধুমাত্র ডেটা সংরক্ষণ বা প্রেরণের কাজ করে, অপারেশন সম্পাদন করে না। তাই ALU CPU-র অংশ এবং এটি কম্পিউটারের কার্যক্রমের মূল গণিত ও লজিক্যাল প্রসেসিং পরিচালনা করে।

    - সঠিক উত্তর: খ) সিপিইউ। 
     
    গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
    - ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
    - নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
    - বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
    - কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
    - বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
    - বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১১.
    GitHub সাধারণত কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
    1. কোডের ভার্সন নিয়ন্ত্রণ ও সহযোগিতার জন্য
    2. প্রবন্ধ লেখার জন্য
    3. গ্রাফিক্স ডিজাইন করার জন্য
    4. ওয়েব সার্ভার চালানোর জন্য
    সঠিক উত্তর:
    কোডের ভার্সন নিয়ন্ত্রণ ও সহযোগিতার জন্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কোডের ভার্সন নিয়ন্ত্রণ ও সহযোগিতার জন্য
    ব্যাখ্যা

    • GitHub মূলত কোডের ভার্সন নিয়ন্ত্রণ এবং সহযোগিতার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে প্রোগ্রামাররা তাদের কোড সংরক্ষণ, ভাগ এবং একত্রে কাজ করতে পারে। GitHub Git নামের একটি ভার্সন নিয়ন্ত্রণ সিস্টেম ব্যবহার করে, যা প্রোগ্রামারদের বিভিন্ন সংস্করণ ট্র্যাক করতে সাহায্য করে, ফলে কোডের পরিবর্তন সহজে নজরে আসে এবং পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়। এটি দলগত প্রকল্পে অত্যন্ত কার্যকর, কারণ একাধিক ব্যক্তি একসাথে একটি প্রজেক্টে কাজ করতে পারে, পরিবর্তন প্রস্তাব করতে পারে এবং সমস্যার সমাধান করতে পারে। তাই GitHub ওয়েব সার্ভার চালানো, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা প্রবন্ধ লেখার জন্য নয়।

    - সঠিক উত্তর: ক) কোডের ভার্সন নিয়ন্ত্রণ ও সহযোগিতার জন্য। 

    GitHub:
    - GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
    - এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
    - GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
    - মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির  নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
    - GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
    - Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।

    ১১২.
    NOT গেটকে আরও কী বলা যায়?
    1. OR gate
    2. AND gate
    3. Buffer
    4. Inverter
    সঠিক উত্তর:
    Inverter
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Inverter
    ব্যাখ্যা

    •  NOT গেটকে সাধারণত Inverter বলা হয়। এটি একটি লজিক গেট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি ইনপুট “1” হয়, আউটপুট হবে “0”, এবং ইনপুট “0” হলে আউটপুট হবে “1”। NOT গেটের কাজ হলো ডিজিটাল সিগন্যালের লজিক মান উল্টে দেওয়া। অন্য লজিক গেট যেমন AND, OR বা Buffer-এর সঙ্গে এর কার্যকারিতা আলাদা, কারণ সেগুলি সরাসরি ইনপুটের যৌক্তিক সমন্বয় বা পুনঃপ্রচারণার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, Buffer কেবল ইনপুটকে অপরিবর্তিত আকারে আউটপুট দেয়। তাই NOT গেটের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত সমার্থক নাম হলো Inverter.

    মৌলিক লজিক গেইট:
    - ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
    - কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
    ১. অর গেইট (OR Gate),
    ২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
    ৩. নট গেইট (NOT Gate).

    • সার্বজনীন গেইট:
    - যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
    - NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
    - কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

    • মৌলিক লজিক গেইট:
    - OR Gate,
    - AND Gate,
    - NOT Gate.

    • সার্বজনীন লজিক গেইট:
    - NAND Gate,
    - NOR Gate.

    • বিশেষ লজিক গেইট:
    - XOR Gate,
    - XNOR Gate.

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১১৩.
    একজন ব্যবহারকারী CUI-এর সাথে প্রধানত কীভাবে ইন্টারঅ্যাক্ট করে?
    1. মাউস ক্লিক
    2. ভয়েস কমান্ড
    3. কীবোর্ড টাইপিং
    4. স্পর্শের মাধ্যমে
    সঠিক উত্তর:
    কীবোর্ড টাইপিং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কীবোর্ড টাইপিং
    ব্যাখ্যা

    • CUI বা Command-Line User Interface হলো একটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস যেখানে ব্যবহারকারী কম্পিউটারের সাথে সরাসরি কমান্ডের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। CUI-তে প্রধানত কীবোর্ড টাইপিং-এর মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করা হয়, অর্থাৎ ব্যবহারকারী কমান্ড লিখে কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের নির্দেশ দেয়। মাউস ক্লিক, ভয়েস কমান্ড বা স্পর্শের মাধ্যমে এখানে খুব কম বা কার্যত কোন কাজ হয় না, কারণ CUI-তে কোনো গ্রাফিকাল বা টাচ-ভিত্তিক উপাদান থাকে না। ব্যবহারকারীকে অবশ্যই সঠিক সিনট্যাক্স অনুযায়ী কমান্ড টাইপ করতে হয়, এবং কম্পিউটার সেই কমান্ডের ফলাফল টেক্সট আকারে প্রদর্শন করে।
    - তাই কীবোর্ডের মাধ্যমে টাইপ করাই CUI-এর সবচেয়ে সাধারণ এবং মূল ইন্টারঅ্যাকশন পদ্ধতি।
    - সঠিক উত্তর: গ) কীবোর্ড টাইপিং।

    • বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
    - বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
    - ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

    • বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
    - MS-DOS,
    - PC DOS,
    - CP/M, ইত্যাদি।

    • অপারেটিং সিস্টেম:
    - কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

    • ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
    - অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

    • চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
    - চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
    - আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
    - চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
    - প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
    - চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

    • চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
    - Windows 95/98/Xp/2000/7,
    - Mac OS, ইত্যাদি।

    উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
    ২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

    ১১৪.
    কোন ধরনের গণনার জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
    1. গ্রাফিক ডিজাইন
    2. শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব
    3. শুধু পাঠ্যভিত্তিক গণনা
    4. রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা
    সঠিক উত্তর:
    রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা
    ব্যাখ্যা

    • হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় প্রযুক্তির সুবিধা একসাথে ব্যবহার করে। এটি অ্যানালগ কম্পিউটারের দ্রুততা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সঠিকতা একত্রিত করে। তাই হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় এমন গণনার ক্ষেত্রে যেখানে দ্রুত রিয়েল-টাইম প্রসেসিং এবং জটিল বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশল সমস্যার সমাধান একসাথে প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, আবহাওয়া পূর্বাভাস, সামরিক রাডার সিস্টেম, শিল্প প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার খুব কার্যকর। এটি শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব বা পাঠ্যভিত্তিক গণনার জন্য নয়, বরং উচ্চগতির ও জটিল গণনার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা।
     
    • হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
    - হাইব্রিড কম্পিউটার এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে। এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
    - একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
    - হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
    - ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
    - হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
    - এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    • গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
    ১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
    ২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
    ৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

    উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৫.
    ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
    1. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার পরিচালনা করা
    2. ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা
    3. প্রোগ্রাম তৈরি করা
    4. ওয়েবসাইট নকশা করা
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা
    ব্যাখ্যা

    • ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও দক্ষভাবে ব্যবস্থাপনা করা। এটি বিপুল পরিমাণ ডেটাকে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করে, যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত ও সহজে ডেটা খুঁজে পাওয়া যায়। DBMS ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করে এবং ডেটার অখণ্ডতা বজায় রাখে। একই সঙ্গে এটি একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেয় এবং ডেটা আপডেট, মুছে ফেলা ও বিশ্লেষণকে সহজ করে তোলে।
    - তাই সঠিক উত্তর হলো-  ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা।

    DBMS: 
    - DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
    - ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
    - DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
    - DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

    DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
    - ডেটাবেজ তৈরি,
    - ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
    - ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

    কয়েকটি DBMS:
    - Microsoft Access,
    - ORACLE,
    - MySQL,
    - Microsoft SQL Server,
    - SQLite,
    - Postgre SQL.

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

    ১১৬.
    একটি সার্চ ইঞ্জিন মূলত কী ব্যবহার করে ওয়েব পেজ খুঁজে বের করে?
    1. ব্যবহারকারীর প্রোফাইল
    2. শুধু ছবি
    3. কীওয়ার্ড
    4. ইমেইল তালিকা
    সঠিক উত্তর:
    কীওয়ার্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কীওয়ার্ড
    ব্যাখ্যা

    • একটি সার্চ ইঞ্জিন মূলত কীওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েব পেজ খুঁজে বের করে। ব্যবহারকারী যখন সার্চ বক্সে কোনো শব্দ বা বাক্য লেখে, সেটিই কীওয়ার্ড হিসেবে কাজ করে। সার্চ ইঞ্জিন তার ডেটাবেসে থাকা অসংখ্য ওয়েব পেজের শিরোনাম, কনটেন্ট, লিংক ও মেটাডেটার সঙ্গে সেই কীওয়ার্ড মিলিয়ে দেখে। এরপর প্রাসঙ্গিকতা অনুযায়ী ফলাফল সাজিয়ে ব্যবহারকারীর সামনে উপস্থাপন করে। ব্যবহারকারীর প্রোফাইল, শুধু ছবি বা ইমেইল তালিকা সার্চ করার মূল উপায় নয়। তাই দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) কীওয়ার্ড।

    • সার্চ ইঞ্জিন:
    - ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
    - সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
    - ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
    - বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
    - গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
    - Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

    উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

    ১১৭.
    পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্কিংয়ের সাথে সাধারণত কোন অ্যাপ্লিকেশনটি সম্পর্কিত?
    1. ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন
    2. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
    3. ওয়েব হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম
    4. ইমেইল সার্ভার
    সঠিক উত্তর:
    ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন
    ব্যাখ্যা

    • পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer বা P2P) নেটওয়ার্কিং হল এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে নেটওয়ার্কে থাকা প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড সরাসরি একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং একে অপরকে সরাসরি ডেটা শেয়ার করতে পারে। এতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার প্রয়োজন হয় না। এই ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারণত ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত। উদাহরণস্বরূপ, বিটটরেন্ট (BitTorrent) এবং লিমেলাইট (LimeWire) এর মতো সফটওয়্যার ব্যবহারকারীদের মধ্যে বড় ফাইল, যেমন ভিডিও, অডিও বা সফটওয়্যার, সরাসরি বিনিময় করতে দেয়। অন্যদিকে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ওয়েব হোস্টিং প্ল্যাটফর্ম বা ইমেইল সার্ভার সাধারণত ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে কাজ করে, যেখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার তথ্য বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ করে।
    - সুতরাং, P2P নেটওয়ার্কের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত অ্যাপ্লিকেশন হল ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন।

    - সঠিক উত্তর: ক) ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন। 

    • নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
    যথা-
    ১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
    ২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
    ৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

    • ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
    - কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
    - এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

    • পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
    - পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
    - এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

    • হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
    - হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
    - সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
    - তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৮.
    NEIR-এর মাধ্যমে কোন ধরনের ডিভাইস শনাক্ত করা যায়?
    1. ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল
    2. ল্যাপটপের হার্ডড্রাইভ
    3. কেবল স্মার্টওয়াচ
    4. নতুন এবং পুরনো মোবাইল
    সঠিক উত্তর:
    ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল
    ব্যাখ্যা

    • NEIR বা National Equipment Identity Register মূলত মোবাইল ডিভাইস সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ডাটাবেস। এটি প্রতিটি মোবাইলের IMEI নম্বর সংরক্ষণ করে এবং চুরি, হারানো বা অবৈধ (ক্লোন) ডিভাইসগুলোকে নেটওয়ার্কে প্রবেশ থেকে বাধা দেয়। যখন কোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় হয়, তখন NEIR এর মাধ্যমে ডিভাইসটির আইডেন্টিটি যাচাই করা হয়, ফলে অবৈধ বা ব্লক করা ডিভাইস ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এটি আন্তর্জাতিকভাবে তথ্য বিনিময় করতেও সাহায্য করে, যা মোবাইল চুরি ও প্রতারণা কমাতে কার্যকর। তাই NEIR মূলত ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল শনাক্ত করতে সক্ষম।

    - উত্তর: ক) ক্লোন বা অবৈধ মোবাইল। 

    • NEIR (National Equipment Identity Register):
    - NEIR হলো একটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ডিভাইস পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা, যেখানে চুরি, হারানো বা ব্লক করা মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর সংরক্ষিত থাকে।  
    - এটি মূলত মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ, ক্লোন বা ব্ল্যাকলিস্টেড ডিভাইস প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়।  
    - কোনো মোবাইল ডিভাইস চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে তার IMEI এই রেজিস্ট্রিতে ব্লক করা যায়।  
    - একবার ব্লক করা হলে সেই ফোন বিশ্বের যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যায় না।  
    - বিভিন্ন দেশের টেলিকম রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ NEIR ব্যবহার করে মোবাইল নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ করে।  
    - এটি মোবাইল ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    • NEIR কেন গুরুত্বপূর্ণ:
    - চুরি হওয়া মোবাইল পুনরায় বিক্রি বা সক্রিয় করা বন্ধ করে।  
    - নেটওয়ার্কে ক্লোন বা জাল IMEI যুক্ত ডিভাইস শনাক্ত করা যায়।  
    - ব্যবহারকারীর ডেটা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে।  
    - মোবাইল চুরি-সংক্রান্ত অপরাধ কমাতে সহায়তা করে।

    সূত্র -
    - prothom-alo. [link]
    - BTRC. [link]
    - prothom-alo. [link]

    ১১৯.
    সি‌রি - প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর দেওয়ার জন্য কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
    1. Blockchain
    2. Artificial Intelligence
    3. Augmented Reality
    4. Virtual Reality
    সঠিক উত্তর:
    Artificial Intelligence
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Artificial Intelligence
    ব্যাখ্যা

    • সি‌রি প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর দেওয়ার জন্য মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে। এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর, ভাষা এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপট বোঝার জন্য প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। AI প্রশ্নের অর্থ বিশ্লেষণ করে এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে এনে সঠিক উত্তর প্রদান করে। অন্য প্রযুক্তিগুলি যেমন ব্লকচেইন ডেটা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য, অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদান যুক্ত করার জন্য, এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সম্পূর্ণ কল্পিত পরিবেশ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - সুতরাং, সি‌রি বা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো সিস্টেমের জন্য সঠিক উত্তর হলো খ) Artificial Intelligence.

     
    • অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
    - অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
    - এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
    - প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
    - স্লোগান: Think Different.
    - সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
    - অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

    • সিরি:
    - অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট হলো সিরি, যা প্রথম চালু হয় ২০১১ সালে আইফোন 4S-এর মাধ্যমে। এরপর থেকে এটি আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাকবুক, অ্যাপল ওয়াচ, হোমপড সহ প্রায় সব অ্যাপল ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়।

    - সিরি ব্যবহারকারীর কণ্ঠ নির্দেশনা বুঝে বিভিন্ন কাজ করতে পারে, যেমন:
    - কল বা মেসেজ করা,
    - অ্যালার্ম সেট করা,
    - আবহাওয়া বা খবর জানানো,
    - ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা,
    - এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর দেয়।

    - অ্যাপলের নিজস্ব ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার কারণে সিরি অন্যান্য ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের থেকে আলাদা এবং ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে সুবিধাজনক।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
    - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
    - মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।

    - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
    - ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
    - তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
    - কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
    - তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
    - আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

    ⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

    উৎস:
    i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) ব্রিটানিকা। 

    ১২০.
    ২০২৬ সালের 'বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে কোনটিকে?
    1. ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল
    2. আইসিটি পণ্য ও সেবা
    3. পেপার ও প্যাকেজিং পণ্য
    4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
    সঠিক উত্তর:
    পেপার ও প্যাকেজিং পণ্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পেপার ও প্যাকেজিং পণ্য
    ব্যাখ্যা

    ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য:
    - ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে।
    - এ বছর মেলায় পলিথিন ব্যাগ এবং একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ⇒ রপ্তানি প্রসারে প্রতি বছর একটি সম্ভাবনাময় পণ্যকে 'বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
    - ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
    - নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) এই মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
    - সেখানে পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন।
    - পেপার ও প্যাকেজিং পণ্যকে বর্ষপণ্য ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)। এক বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি মো. শাহরিয়ার বলেন, ‘এ ঘোষণা দেশের পেপার প্যাকেজিং শিল্পের জন্য একটি মাইলফলক। বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে এ শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।’

    উল্লেখ্য,
    - দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনের পাশাপাশি শিল্পোৎপাদন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

    উৎস: i) The Business Standard.
    ii) প্রথম আলো।

    ১২১.
    ২০২৫ সালে কততম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
    1. ৩৬তম
    2. ৩৮তম
    3. ৩৯তম
    4. ৪২তম
    সঠিক উত্তর:
    ৩৮তম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩৮তম
    ব্যাখ্যা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন:
    - ২০২৫ সালে ৩৮তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উল্লেখ্য,
    - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্বকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন।
    - ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরপরই স্যার এ. এফ. রহমানের উদ্যোগে তিন আবাসিক হলে (মুসলিম হল, জগন্নাথ হল ও ঢাকা হল) ছাত্র সংসদ গঠন করা হয়।
    - এরই ধারাবাহিকতায় পরে গঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ।
    - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে (ডাকসু) তার ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণে বাংলাদেশের 'দ্বিতীয় সংসদ' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
    - ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা দাবি, ১৯৬৯ সালের গণ–অভ্যুত্থান কিংবা নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি ঐতিহাসিক সংগ্রামে ডাকসু গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছে এবং ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয় রাজনীতিকে প্রভাবিত করেছে।

    ⇒ স্বাধীনতার পর ডাকসুর প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৭২ সালে।
    - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ডাকসুর সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন মাহবুবুর জামান।

    উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট। 
    ii) The Daily Star Bangla.

    ১২২.
    কর্মসংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় খাত কোনটি?
    1. কৃষি
    2. সেবা
    3. শিল্প 
    4. বাণিজ্য
    সঠিক উত্তর:
    কৃষি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কৃষি
    ব্যাখ্যা

    কর্মসংস্থানের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় খাত কৃষি।

    খাত ভিত্তিক জিডিপি:

    ⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
    - শিল্প: ৩৭.৪৪%।
    - সেবা: ৫১.৬২%।
    - কৃষি: ১০.৯৪%।

    ⇒ খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার (স্থির মূল্যে):
    - সেবা: ৪.৫১%,
    - শিল্প: ৪.৩৪%,
    - কৃষি: ১.৭৯%। 

    ⇒ বিভিন্ন খাতে মোট শ্রমশক্তির হার:
    - কৃষি: ৪৪.৬৭%, 
    - সেবা: ৩৭.৯৬%।
    - শিল্প: ১৭.৩৭%, 

    এছাড়াও,
    - বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
    - জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
    - জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
    - মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
    - মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
    - মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
    - মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

    ১২৩.
    কোন শাসনামলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা’ নামে পরিচিতি লাভ করে?
    1. মৌর্য
    2. মুসলিম
    3. পাল
    4. সেন
    সঠিক উত্তর:
    মুসলিম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মুসলিম
    ব্যাখ্যা

    বাংলাভাষী অঞ্চলটি 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিতি লাভ করে মূলত শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ (১৪ শতকের মাঝামাঝি) এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলা সালতানাতের আমলে, যখন তিনি সমগ্র বাংলা অঞ্চলকে একত্রিত করে 'শাহ-ই-বাঙ্গালা' বা 'সুলতান-ই-বাঙ্গালা' হিসেবে পরিচিতি পান। 

    বাংলাদেশের ইতিবৃত্ত:
    - আজকের বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিম বাংলার অধিকাংশ এলাকাকে প্রাচীনকালে বলা হতো 'বাংলা'।
    - তবে প্রাচীন যুগে এই সম্পূর্ণ দেশটির একক নাম বাংলা ছিল না।
    - হিন্দু ও বৌদ্ধদের শাসনকালে এই দেশ অনেকগুলো অংশে বিভক্ত ছিল।
    - প্রত্যেকটি অংশের ছিল ভিন্ন ভিন্ন নাম।
    - মধ্যযুগে যখন এদেশে মুসলমান শাসকদের অধিকারে আসে তখন থেকে দেখা যায় দেশটির নামের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসছে।
    - বাংলা ভাষায় কথা বলা লোকেরা যে অঞ্চলে বাস করত এসময়ে তারই নাম হয় বাংলা।

    ⇒ মুসলমান শাসন যুগ অর্থাৎ মধ্য যুগের শুরুর দিকে মুসলিম শাসক ও ইতিহাস লেখকগণ 'বঙ্গ বা বাঙলা (বাংলা)' বলতে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাকে বুঝাতেন। এ যুগের সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াসশাহ প্রথম পুরো বাংলাকে নিজের অধিকারে আনেন। ইতিহাস লেখকগণ তখন তাঁকে উপাধি দেন 'শাহ-ই-বাঙ্গালা' এবং 'সুলতানই বাঙ্গালা'।
    - এ সময় থেকেই পুরো দেশটি বাংলা নামে পরিচিত হয়। রাঢ় ও লক্ষণাবতীর (গৌড়) লোকেরা ইলিয়াস শাহের সময় থেকেই বাঙালি বলে পরিচিত হতে থাকে।

    ⇒ অনেককাল পরে ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজদের অধিকারে চলে যায় এদেশ।
    - ধীরে ধীরে পুরো ভারতের ক্ষমতা দখল করে ইংরেজরা।
    - আমাদের এদশেটি ব্রিটিশদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়।
    - ইংরেজরা তখন এই প্রদেশকে বলত 'বেঙ্গল'। বেঙ্গল নামটি ছিল ইংরেজি ভাষায় আর বাংলা ভাষায় বলা হতো বাংলাদেশ। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটো দেশের জন্ম হয়। এ সময় পূর্ব বাংলা হয়ে যায় পাকিস্তানের অংশ আর পশ্চিম বাংলা হয় ভারতের অংশ। পরে পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পূর্ব পাকিস্তান। কিন্তু পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকে দুই অঞ্চলের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য, জাতিগত এবং সংস্কৃতিগত স্বতন্ত্র সত্তাগুলো ক্রমশ প্রকট হতে থাকে। এর ফলে শেষ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ স্বাধীন হওয়ার আকঙ্ক্ষায় ১৯৭১ এর ২৬ মার্চে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। তখন থেকে এদেশবাসী তাদের দেশেন নাম দেয় 'বাংলাদেশ'। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে। তখন থেকে 'বাংলাদেশ' একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের নাম হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত হয়।

    উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৪.
    শিক্ষা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন কে?
    1. ড. জিনবোধি ভিক্ষু
    2. ড. নিয়াজ জামান
    3. ড. মাযহারুল ইসলাম
    4. রোকেয়া সুলতানা
    সঠিক উত্তর:
    ড. নিয়াজ জামান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ড. নিয়াজ জামান
    ব্যাখ্যা

    শিক্ষা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন ড. নিয়াজ জামান। 

    একুশে পদক ২০২৫:
    ⇒ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন। পুরস্কার প্রাপ্তরা -
    - শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
    - চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
    - সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
    - আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
    - চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
    - সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
    - সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
    - সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
    - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
    - সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
    - ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
    - গবেষণায় মঈদুল হাসান।

    অন্যদিকে,
    - ড. জিনবোধি ভিক্ষু শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদক লাভ করেন ২০২৪ সালে।
    - ড. মাযহারুল ইসলাম শিক্ষায় একুশে পদক লাভ করেন ২০২৩ সালে।

    উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    ১২৫.
    সরকারি গেজেটভুক্ত বর্তমানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা কত জন?
    1. ৮৩২ জন
    2. ৮৩৬ জন
    3. ৮৩৮ জন
    4. ৮৪৪ জন
    সঠিক উত্তর:
    ৮৩৬ জন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮৩৬ জন
    ব্যাখ্যা

    জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এর শহীদদের গেজেট:
    - জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের গেজেট অনুসারে, জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬।

    ⇒ "জুলাই যোদ্ধা" অর্থ জুলাই গণ অভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে আহত ছাত্র-জনতা।
    - এছাড়া "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ" অর্থ "তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি।"

    উল্লেখ্য,
    - ৮৩৪ জনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে সেখানে যুক্ত করা হয় আরও ১০ জনের নাম।
    - গত ৩০শে জুন, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন।
    - তবে সরাসরি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত না থাকা এবং চারজনের নাম গেজেটে দুইবার উল্লেখ থাকায় গত ৩রা অগাস্ট, ২০২৫ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা থেকে আটজনের নাম বাতিল করে।
    - মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

    উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
    ii) বিবিসি।

    ১২৬.
    বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে উপরাষ্ট্রপতি পদ বিলুপ্ত করা হয়?
    1. দশম
    2. দ্বাদশ
    3. ত্রয়োদশ
    4. চতুর্দশ
    সঠিক উত্তর:
    দ্বাদশ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দ্বাদশ
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী-এর মাধ্যমে উপরাষ্ট্রপতি পদ বিলুপ্ত করা হয়। 

    সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
    - ১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের সময় সংবিধানে আনা হয়েছিল এবং এর ফলে রাষ্ট্রপতি একটি সাংবিধানিক প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, সেই সাথে উপ-রাষ্ট্রপতি পদটি অপ্রয়োজনীয় হয়ে বিলুপ্ত হয়। 

    ⇒ এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
    - এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
    - ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

    ⇒ এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
    (১) সংসদীয় সরকার: দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
    (২) নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
    (৩) রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
    (৪) উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
    (৫) মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
    (৬) গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।

    উৎস: i) BBC.
    ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৭.
    কৃষিতে ‘মানিক' ও 'রতন’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
    1. আলু
    2. বাধাঁকপি
    3. টমেটো
    4. বেগুন
    সঠিক উত্তর:
    টমেটো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    টমেটো
    ব্যাখ্যা

    কৃষিতে ‘ঝুমকা’ টমেটোর উন্নত জাত।
    • উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।


    এছাড়াও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
    • উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, বাংলামতি, ব্রিশাইল, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, কিরণ, দুলাভোগ, দিশারী, মোহিনী, সুফলা, আশা, শ্রাবণী, প্রগতি, মুক্তা, ময়না, গাজী, শাহীবালাম, শাহজালাল। 
    • উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
    • উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
    • উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
    • উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
    • উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
    • উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
    • উন্নত জাতের হলুদ: ডিমলা, পাটনাই, খোচামুদি, দেবিপাট। 
    • উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
    • উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।
    • উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
    • উন্নত জাতের কলা: চিনি চম্পা, সবরি, কবরী, অগ্নীশ্বর, কানাই খালি, মোহনবাশি, গানা সুন্দরী, মেহের সাগর, জাহাজি, অমৃতসাগর, সিঙ্গাপুরী, জাপকাঠালী, বীটজবা।

    উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

    ১২৮.
    শায়েস্তা খানকে বাংলার সুবেদার হিসেবে নিয়োগ দেন কে?
    1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
    2. সম্রাট বাবর
    3. সম্রাট শাহজাহান
    4. সম্রাট জাহাঙ্গীর
    সঠিক উত্তর:
    সম্রাট আওরঙ্গজেব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সম্রাট আওরঙ্গজেব
    ব্যাখ্যা

    শায়েস্তা খান:
    - ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
    - তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
    - শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন।
    - ১৬৬৩ সালে বাংলার সুবাদার মীর জুমলার মৃত্যু হলে ১৬৬৪ সালে আওরঙ্গজেব তাঁকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।

    ⇒ শায়েস্তা খানকে বাংলার সুবেদার হিসেবে নিয়োগ দেন সম্রাট আওরঙ্গজেব।
    - সিংহাসনে আরোহণের পর আওরঙ্গজেব তাঁকে উচ্চতর পদমর্যাদা দান করেন এবং উত্তরাধিকার যুদ্ধে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে মর্যাদাপূর্ণ আমীর-উল-উমারা (আমীরদের বা অভিজাতদের প্রধান) উপাধিতে ভূষিত করেন। 
    - শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
    - দুই দফায় ২২ বছর তিনি বাংলা শাসন করেন। প্রথমে ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ সাল এবং দ্বিতীয় বার ১৬৮০ থেকে ১৬৮৮ সাল পর্যন্ত যা ছিল মুঘল আমলে বাংলার দীর্ঘতম শাসনকাল। 
    - তাঁর ছয়জন দক্ষ পুত্র শাসনকাজে তাঁকে সহায়তা করেছেন। 

    ⇒ শায়েস্তা খানের বিজয়াভিযানের মধ্যে চট্টগ্রাম বিজয় উল্লেখযোগ্য।
    - ১৪৫৯ সালে আরকান রাজ চট্টগ্রামকে বাংলার সুলতানদের নিকট থেকে দখল করে নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম পুনর্দখলের উদ্দেশ্য শায়েস্তা খান সেনাবাহিনী প্রেরণ করেছিলেন। তাঁর সেনাবাহিনী সন্দ্বীপ দখল করে চট্টগ্রামের দিকে মনোনিবেশ করেন। এ সময় চট্টগ্রামের মগ-রাজা ও স্থানীয় পর্তুগিজদের মধ্যে বিবাদ বাঁধে। চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গীরা তখন নোয়াখালিতে এসে আশ্রয় নেয়। শায়েস্তা খান ফিরিঙ্গী নেতাকে নিজ দলভুক্ত করেন। ১৬৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ফিরিঙ্গীদের ৪০টি রণতরী সহ ইবনে হুসাইনের নেতৃত্বে বিশাল নৌবাহিনীসহ চট্টগ্রামে আক্রমণ করে। সম্মিলিত বাহিনীর মুকাবিলায় আরাকান বাহিনী পরাজিত হয়।

    উল্লেখ্য,
    - তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
    - তিনি লালবাগ কেল্লা, শায়েস্তা খান মসজিদ, ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।
    - ১৬৯৪ সালে তিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।

    উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
    ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১২৯.
    ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য নয় কোনটি?
    1. শূন্য কার্বন নিঃসরণ
    2. শূন্য বেকারত্ব
    3. শূন্য প্লাস্টিক
    4. শূন্য দারিদ্র্য
    সঠিক উত্তর:
    শূন্য প্লাস্টিক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শূন্য প্লাস্টিক
    ব্যাখ্যা

    শূন্য প্লাস্টিক ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য নয়।

    থ্রি-জিরো তত্ত্ব:
    - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
    - ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য: শূন্য কার্বন নিঃসরণ, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য দারিদ্র্য।
    - তার লক্ষ্য: দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
    - এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

    ⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।  
    - এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
    - এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।


    উল্লেখ্য,
    - প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাড়াজাগানো বই ‘A World of Three Zeros’।
    - বইটি ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
    - ‘এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস’-এ তিনি পৃথিবীর তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের সমাধানের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছিলেন। 
    - বইটিতে তার আলোচনার বিষয়বস্তু তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে যথা— শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নিট কার্বন নির্গমন (Zero Net Carbon Emissions)। তিনি মূলত একটি উন্নত, টেকসই এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজ গঠনের জন্য এই তিনটি শূন্যের লক্ষ্যকে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করেছেন।

    • ‘Zero Poverty’ বা শূন্য দারিদ্র্যের আলোচনায় তিনি দেখিয়েছেন, দারিদ্র্য কোনো স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক অবস্থা নয়, বরং এটি একটি মানবসৃষ্ট অবস্থা, যা সম্পদের অসম বণ্টনের ফলস্বরূপ তৈরি হয়েছে। 
    • তার দ্বিতীয় ধারণা Zero Unemployment বা শূন্য বেকারত্ব। যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন— উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান করা সম্ভব। কেননা আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু সঠিক অর্থায়নের অভাবে অনেকেই তাদের সম্ভাবনা পূর্ণ করতে পারেন না। 
    • তৃতীয়ত তিনি Zero net carbon emissions বা পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলেছেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। 

    উৎস: i) Yunus Centre.
    ii) Yunus Social Business।

    ১৩০.
    স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন কোথায় স্থাপিত হয়?
    1. নিউ ইয়র্ক
    2. নয়াদিল্লি
    3. লন্ডন
    4. কলকাতা
    সঠিক উত্তর:
    কলকাতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কলকাতা
    ব্যাখ্যা

    প্রবাসে বাঙালিদের ভূমিকা ও কূটনৈতিক তৎপরতা:
    - স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রথম কূটনৈতিক মিশন স্থাপিত হয় কলকাতায়।

    - এটি ছিল পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনের পরিবর্তিত রূপ যেখানে ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল পাকিস্তানি ডেপুটি হাইকমিশনার এম হোসেন আলীর নেতৃত্বে বাঙ্গালী কর্মকর্তারা আনুগত্য প্রকাশ করেন।
    - এটি ছিল বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম দূতাবাস। 

    উল্লেখ্য,
    - স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য মুজিবনগর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ করে।
    - বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় জাতিসংঘে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে।
    - এতে পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়।

    ⇒ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই এপ্রিল মাসে প্রবাসী বাঙালি মহিলাদের একটি প্রতিবাদ মিছিল লন্ডনের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে।
    - জুন মাসে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে লন্ডনে মিছিলের আয়োজন করে।
    - মিছিল শেষে এই প্রতিবাদকারীগণ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে গিয়ে স্মারকলিপি পেশ করে।

    উল্লেখ্য,
    - মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দুটি মিশন স্থাপন করে।
    - এছাড়া বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনেও বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করে।
    - এসব মিশন বাংলাদেশের পক্ষে মিছিল, সমাবেশ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থন আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান রাখে।

    উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

    ১৩১.
    ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয় নিম্নের কোন আদালতকে?
    1. হাইকোর্ট
    2. সুপ্রিম কোর্ট
    3. জজকোর্ট
    4. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
    সঠিক উত্তর:
    সুপ্রিম কোর্ট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুপ্রিম কোর্ট
    ব্যাখ্যা

    সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয়।

    ১ম পরিচ্ছেদ:  সুপ্রীম কোর্ট
    - সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

    ⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
    - সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
    - সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
    - সুপ্রীমকোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক।
    - নাগরিকের মৌলিক অধিকারের উপর সংসদ যে সমস্ত বাঁধা নিষেধ আরোপ করতে পারে সেগুলো যুক্তিসঙ্গত কিনা তা বিচার করবার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যাস্ত।

    উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
    ii) বাংলাদেশের সংবিধান।

    ১৩২.
    দেশে বর্তমানে কয়টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে?
    1. ৩টি
    2. ৪টি
    3. ৫টি
    4. ৬টি
    সঠিক উত্তর:
    ৬টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬টি
    ব্যাখ্যা

    ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
    - ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
    - বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
    - এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প (২০২৫)।

    উল্লেখ্য,
    - সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
    - ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
    - দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 
    - বাংলাদেশের ষষ্ঠ আইসিএইচ উপাদান হিসেবে টাঙ্গাইল বয়নশিল্প চূড়ান্তভাবে তালিকাভুক্ত হলো।

    উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৩৩.
    বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে কবে?
    1. ১৪ নভেম্বর, ২০২৬
    2. ১৬ নভেম্বর, ২০২৬
    3. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
    4. ২৬ নভেম্বর, ২০২৬
    সঠিক উত্তর:
    ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
    ব্যাখ্যা

    LDC:
    - ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
    - প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
    - বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
    - মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
    - সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

    ⇒ বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
    - জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া সাতটি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
    - ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

    উল্লেখ্য,
    - এলডিসি থেকে কোন দেশ বের হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ করে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) অধীন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)।
    - তিন বছর পরপর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়।
    - মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা—এই তিন সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়, কোনো দেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য কি না। যেকোনো দুটি সূচকে উত্তীর্ণ হতে হয় অথবা মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার দ্বিগুণ হতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব মানদণ্ড অবশ্য পরিবর্তিত হয়।

    উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৩৪.
    কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব 'খাল খনন কর্মসূচী' চালু করেছিলেন?
    1. তাজউদ্দিন আহমেদ
    2. মাওলানা ভাসানী
    3. জিয়াউর রহমান
    4. এ কে ফজলুল হক
    সঠিক উত্তর:
    জিয়াউর রহমান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জিয়াউর রহমান
    ব্যাখ্যা

    খাল খনন কর্মসূচী:
    - 'খাল খনন কর্মসূচী' চালু করেছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
    - রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন।
    - ওই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখা, শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং সহজ যোগাযোগ ও পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশের মডেল তৈরি করা।
    - ওই মডেলকে মানুষ ‘জিয়া মডেল’ হিসেবে বিবেচনা করে।
    - ওই কর্মসূচি ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ মডেলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছিল যাতে গ্রামের মানুষ খাদ্য বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর বিনিময়ে খাল খননের কাজে অংশগ্রহণ করেছিল।

    উৎস: প্রথম আলো।

    ১৩৫.
    বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
    1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
    2. ডাচ–বাংলা ব্যাংক পিএলসি
    3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
    4. এবি ব্যাংক পিএলসি
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
    ব্যাখ্যা

    এজেন্ট ব্যাংকিং:
    - বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি (Bank Asia PLC)।
    - ব্যাংক এশিয়া ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি এই সেবা প্রবর্তন করে।
    -  তারা পরীক্ষামূলকভাবে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করে। ওই উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ইসলাম শেখকে প্রথম এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করে ব্যাংকটি।
    - এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার উদ্যোক্তা ছিলেন ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী। 

    উল্লেখ্য,
    - বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে তারাই ব্যাংকের এজেন্ট। এসব এজেন্ট এর মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। মূলতঃ এটাই এজেন্ট ব্যাংকিং।
    - বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।

    এছাড়াও,
    - বিশ্বের প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল ব্রাজিলে। 

    উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
    ii) প্রথম আলো। 

    ১৩৬.
    মেজর জেনারেল কে. এম. শফিউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
    1. ৩নং
    2. ৪নং
    3. ৯নং
    4. ১১নং
    সঠিক উত্তর:
    ৩নং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩নং
    ব্যাখ্যা

    মেজর জেনারেল কে. এম. শফিউল্লাহ:
    - মেজর জেনারেল কে. এম. সফিউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধে ৩ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হয়েছিলেন।
    - কমান্ড: তিনি 'এস' ফোর্সেরও কমান্ডারের দায়িত্বে ছিলেন।
    - কে এম সফিউল্লাহর জন্ম ১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে।
    - তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশী জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সেনাপ্রধান এবং সাবেক সংসদ সদস্য।

    উল্লেখ্য,
    - দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে, তার ব্যাটালিয়ন সহ, তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি অফিসার যিনি ১৯ মার্চ ১৯৭১ সালে বিদ্রোহ করেন এবং ৫৭ বিডিই কমান্ডার-ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ছিলেন।
    - তিনি সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় সদরদপ্তর ৩ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হন।
    - তিনি সরাসরি সক্রিয় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং অন্তত দুটি এই ধরনের যুদ্ধে নিশ্চিত মৃত্যু থেকে রক্ষা পান।
    - সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে তিনি তিনজন ব্রিগেড কমান্ডারের একজন নিযুক্ত হন।
    - তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় 'এস-ফোর্স'-এর কমান্ডার ছিলেন।
    - কে. এম. সফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে দেশের প্রথম সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন।
    - তিনি ১৯৭৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
    - ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৩৭.
    বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার?
    1. ২,৬৩৮ মার্কিন ডলার
    2. ২,৭৮৬ মার্কিন ডলার
    3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
    4. ২,৮৫৬ মার্কিন ডলার
    সঠিক উত্তর:
    ২,৮২০ মার্কিন ডলার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২,৮২০ মার্কিন ডলার
    ব্যাখ্যা

    মাথাপিছু আয়:
    - ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২,৮২০ মার্কিন ডলার বা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২১১ টাকা।
    - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
    - এই মাথাপিছু আয় এ যাবৎকালের রেকর্ড। 

    ⇒ বিবিএস-এর তথ্যমতে,
    - ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
    - ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
    - ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

    উল্লেখ্য,
    - মাথাপিছু আয় ব্যক্তির একক আয় নয়। দেশের অভ্যন্তরীণ আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে এই হিসাব করা হয়।
    - মূলত ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় বিবিএসের হিসাবে মাথাপিছু আয়ের পার্থক্য হয়। চলতি অর্থবছরের বিবিএসের মাথাপিছু আয় হিসাব করতে প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ধরা হয়েছে ১২০ টাকা ২৯ পয়সা। গতবার এই বিনিময় হার ধরা হয়েছিল ১১১ টাকা ৬ পয়সা।

    উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
    ii) প্রথম আলো।

    ১৩৮.
    মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
    1. মাঘীপূর্ণিমা
    2. চৈত্রসংক্রান্তি
    3. পৌষ সংক্রান্তি
    4. মহারাসলীলা
    সঠিক উত্তর:
    মহারাসলীলা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মহারাসলীলা
    ব্যাখ্যা

    মহা রাসলীলা:
    - মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।
    - শারদীয় পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় বলে মহারাসকে মণিপুরীরা পূর্ণিমারাসও বলে থাকে। 

    ⇒ মণিপুরী:

    - মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়।
    - জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত। 
    - বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
    - আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
    - মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো। 

    ⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
    - বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
    - মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

    উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
    ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

    ১৩৯.
    বাংলাদেশ সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
    1. অনুচ্ছেদ ৯৩
    2. অনুচ্ছেদ ৯৪
    3. অনুচ্ছেদ ৯৫
    4. অনুচ্ছেদ ৯৬
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ৯৩
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ ৯৩
    ব্যাখ্যা

    অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা:
    - অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
    - বাংলাদেশ সংবিধানের  পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। 

    ⇒ ৯৩ নং অনুচ্ছেদ: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা
    - সংসদ ভাঙা বা অধিবেশন না থাকলে রাষ্ট্রপতি জরুরি পরিস্থিতিতে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

    অন্যদিকে,
    - ৯৪ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
    - সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
    - ৯৬ নং অনুচ্ছেদে বিচারকদের পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

    উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

    ১৪০.
    রাষ্ট্রভাষা আন্দোলের সময় একুশের প্রথম লিফলেটটি কে লিখেছিলেন?
    1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
    2. হাসান হাফিজুর রহমান
    3. মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
    4. মোশাররফ উদ্দীন আহমদ
    সঠিক উত্তর:
    আলাউদ্দিন আল আজাদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আলাউদ্দিন আল আজাদ
    ব্যাখ্যা

    একুশের প্রথম লিফলেট:
    - রাষ্ট্রভাষা আন্দোলের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী উল্লেখযোগ্য দিন একুশে ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই দিনে শহীদ হন নাম জানা না–জানা অনেক মানুষ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয় কবিতা, গান, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ; নির্মিত হয় শহীদ মিনার, চলচ্চিত্র। 

    ⇒ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি অপরাহ্ণের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ওই দিন সন্ধ্যায় একটি লিফলেট তৈরি হয়। 
    - এ পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ, মুস্তফা নূরউল ইসলাম, ফজলে লোহানী এবং হাসান হাফিজুর রহমান।
    - পাটুয়াটুলির সওগাত অফিসের বিপরীত গলির পাইওনিয়ার প্রেসে লিফলেটটি ছাপা হয়।
    - সেখানে লেখা ছিল, ‘বিপ্লবের কোদাল দিয়ে আমরা অত্যাচারী, শাসকগোষ্ঠীর কবর রচনা করব।’
    - এটি লিখেছিলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ।
    - আর ছাপানোর দায়িত্ব পালন করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
    - রাতেই লিফলেটটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পলাশী ব্যারাক এলাকায় বিতরণ করা হয়।

    উৎস: প্রথম আলো।

    ১৪১.
    বিগত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার ছিল কোন দেশ?
    1. নেদারল্যান্ডস
    2. জার্মানি
    3. স্পেন
    4. যুক্তরাষ্ট্র
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার:
    - বিগত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ছিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
    -  বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।

    ⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪,৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।
    - ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

    এছাড়াও,
    - কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

    উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
    ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
    iii) প্রথম আলো।

    ১৪২.
    'মৎস্য আইন ১৯৫০'-এর অধীনে কত সেন্টিমিটারের চেয়ে ছোট ইলিশ ধরা, বিক্রি বা মজুত করা নিষিদ্ধ?
    1. ২২ সে.মি
    2. ২৩ সে.মি
    3. ২৪ সে.মি
    4. ২৫ সে.মি
    সঠিক উত্তর:
    ২৫ সে.মি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৫ সে.মি
    ব্যাখ্যা

    মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০:
    - দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
    - নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
    - পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

    ⇒ মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০' অনুসারে,
    - প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
    - প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
    - প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
    - প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
    - বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
    - মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

    উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
    ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।

    ১৪৩.
    বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোন জেলায় অবস্থিত?
    1. নরসিংদী 
    2. সিলেট 
    3. জামালপুর
    4. সুনামগঞ্জ
    সঠিক উত্তর:
    নরসিংদী 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নরসিংদী 
    ব্যাখ্যা

    ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
    - বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানা হলো নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
    - এটি দেশের বৃহত্তম এবং প্রথম পরিবেশবান্ধব সার কারখানা হিসেবে পরিচিত।
    - এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানাগুলোর একটি।

    ⇒ ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
    - বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চালু আছে।

    উল্লেখ্য,
    - বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
    - ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
    - নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
    - কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
    - এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
    - এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

    এছাড়াও,
    - পূর্বেকার বৃহত্তম সার কারখানা যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড জামালপুর জেলায় অবস্থিত। 

    উৎস: i) প্রথম আলো।
    ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

    ১৪৪.
    ‘বাংলাদেশের দরিদ্র মানচিত্র ২০২২’ অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা কোনটি?
    1. রাজৈর, মাদারীপুর
    2. ডাসার, মাদারীপুর
    3. কাউনিয়া, রংপুর
    4. হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ
    সঠিক উত্তর:
    ডাসার, মাদারীপুর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডাসার, মাদারীপুর
    ব্যাখ্যা

    ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২’ অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা হলো মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলা যেখানে দারিদ্র্যের হার ৬৩.২%।

    বাংলাদেশের দরিদ্র মানচিত্র ২০২২:

    - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানুয়ারি, ২০২৫-এ 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য ম্যাপ ২০২২' প্রকাশ করেছে।
    - রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৯.২ শতাংশ।
    - শহরে দারিদ্র্যের হার ১৬.৫ শতাংশ এবং গ্রামে দারিদ্র্যের হার ২০.৩ শতাংশ।

    ⇒ দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল বিভাগে ২৬.৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫.২ শতাংশ।
    - দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা মাদারীপুর এবং সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা মাদারীপুরের ডাসার।
    - অন্যদিকে, দেশের সবচেয়ে ধনী থানা ঢাকার পল্টন; জেলা হিসেবে সবচেয়ে ধনী নোয়াখালী।

    উল্লেখ্য,
    ⇒ দেশের সবচেয়ে দরিদ্র ১০টি উপজেলা :
    ১) ডাসার, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৬৩.২%
    ২) হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ: দারিদ্র্য হার ৫৯.৬%
    ৩) কালকিনি, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৫৬.৩% -
    ৪) রাজৈর, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৫৬%
    ৫) শিবচর, মাদারীপুর: দারিদ্র্য হার ৫৫.১%
    ৬) নলছিটি, ঝালকাঠি: দারিদ্র্য হার ৫৩.৮% -
    ৭) গৌরীপুর, ময়মনসিংহ: দারিদ্র্য হার ৫২.৯%
    ৮) মাদারীপুর সদর: দারিদ্র্য হার ৫০%
    ৯) বেলাব, নরসিংদী: দারিদ্র্য হার ৪৯.৫%
    ১০) বোদা, পঞ্চগড়: দারিদ্র্য হার ৪৮.২%।

    উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
    ii) বণিক বার্তা।

    ১৪৫.
    'হলোকাস্ট' হিসেবে চিহ্নিত করা হয় কোনটিকে?
    1. সোভিয়েত ইউনিয়নের স্টালিন যুগের নিপীড়ন
    2. হিরোশিমা-নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা হামলা
    3. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার যুদ্ধাপরাধ
    4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদি গণহত্যা
    সঠিক উত্তর:
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদি গণহত্যা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদি গণহত্যা
    ব্যাখ্যা

    হলোকাস্ট:
    - হলোকাস্ট ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ও তার সহযোগীদের দ্বারা পরিচালিত ইহুদি গণহত্যা।
    - এই সময় প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদি পুরুষ, নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়।
    - এছাড়াও লক্ষ লক্ষ রোমা (জিপসি), প্রতিবন্ধী, সমকামী, রাজনৈতিক বিরোধী ও অন্যান্য গোষ্ঠীর লোকও শিকার হয়েছিল।
    - এটিকে নাৎসিরা 'ইহুদি সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান' (Final Solution) নামে অভিহিত করত।
    - আউশভিৎজ, ট্রেবলিঙ্কা, সোবিবোরের মতো মৃত্যুশিবিরে গ্যাস চেম্বার ও ক্রিমেটরিয়াম ব্যবহার করা হয়।
    - অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি আদর্শে ইহুদিদের "অধঃস্তন জাতি" (Untermenschen) ও জার্মান জাতির শত্রু হিসেবে দেখা হতো।
    - এটি জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব (Aryan supremacy), Lebensraum (জীবনস্থান) ও ইহুদি-বিদ্বেষের (antisemitism) উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।
    - নাৎসি জার্মানির রাষ্ট্রীয় নীতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে ইহুদি জাতির প্রায় পুরো ইউরোপীয় অংশকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেছিল।
    - এটি শুধু যুদ্ধের অংশ নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র জাতিগত যুদ্ধ ছিল।

    তথ্যসূত্র - Bitannica.com

    ১৪৬.
    International Union for Conservation of Nature (IUCN) সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
    1. জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
    2. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
    3. বার্ন, সুইজারল্যান্ড
    4. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
    সঠিক উত্তর:
    গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
    ব্যাখ্যা

    IUCN:
    - বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
    - IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
    - সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালে।
    - এর  প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ডে অবস্থিত।।
    - IUCN বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
    - সংস্থাটির প্রধান উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

    তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

    ১৪৭.
    নিচের কোন ভাষাটি জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা নয়?
    1. আরবি
    2. রুশ
    3. জার্মান
    4. স্প্যানিশ
    সঠিক উত্তর:
    জার্মান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জার্মান
    ব্যাখ্যা

    ⇒ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা নয় জার্মান।

    জাতিসংঘ:
    - ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
    - এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
    - জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
    - জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা ৬টি।
    - এগুলো হচ্ছে
    • ইংরেজি,
    • চীনা,
    • স্প্যানিশ,
    • ফরাসি,
    • রুশ ও
    • আরবি।

    - বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
    - জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
    - বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
    - জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।

    তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

    ১৪৮.
    গাজা যুদ্ধের ওপর লেখার জন্য ২০২৫ সালের পুলিৎজার জয়ী ফিলিস্তিনি ব্যক্তি কে?
    1. আদানিয়া শিবলি
    2. সুসান আবুলহাওয়া
    3. মোসাব আবু তোহা
    4. ইসাবেলা হাম্মাদ
    সঠিক উত্তর:
    মোসাব আবু তোহা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মোসাব আবু তোহা
    ব্যাখ্যা

    ⇒ গাজা যুদ্ধের ওপর লেখার জন্য ২০২৫ সালের পুলিৎজার জয়ী ফিলিস্তিনি ব্যক্তি মোসাব আবু তোহা।

    পুলিৎজার পুরস্কার ২০২৫:

    - ২০২৫ সালের পুলিৎজার পুরস্কার লাভ ফিলিস্তিনি লেখক, কবি ও সাহিত্যিক মোসাব আবু তোহা।
    - আবু তোহা তাঁর বিভিন্ন প্রবন্ধে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের চালানো শারীরিক ও মানসিক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র তুলে ধরেছেন।
    - তাঁর প্রবন্ধগুলো গভীর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন হলেও ব্যক্তিগত স্মৃতিকথার মিশেলে সেগুলো উপস্থাপন করেছেন তিনি, যা ফিলিস্তিনি জনগণের যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা জীবন্ত করে তুলেছে।
    - আবু তোহা ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতী মাদক ফেন্টানিলের সহজলভ্যতা নিয়ে নির্ভীক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ বছর (২০২৫ সাল) পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে।
    - ব্রেকিং নিউজের জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
    - নিউইয়র্ক টাইমস এবার চারটি শাখায় পুলিৎজার জিতেছে।

    তথ্যসূত্র - The Pulitzer Prizes ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

    ১৪৯.
    ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় কোন ধরনের লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করা হত?
    1. লিনিয়ার
    2. কিউনিফর্ম
    3. রুনিক
    4. হায়ারোগ্লিফিক্স
    সঠিক উত্তর:
    কিউনিফর্ম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কিউনিফর্ম
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় কিউনিফর্ম লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করা হত।

    ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
    - ব্যাবিলন প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের শহর।
    - এই শহরের ধ্বংসাবশেষ বাগদাদ থেকে প্রায় ৫৫ মাইল (৮৯ কিমি) দক্ষিণে, ইরাকের আধুনিক শহর আল-হিল্লার কাছে অবস্থিত।
    - এটি ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে আমোরীয় রাজাদের শাসনের অধীনে আসে।
    - শহরটি ব্যাবিলোনিয়ার রাজধানী হয়ে ওঠে এবং টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদী ব্যবস্থার প্রধান বাণিজ্যিক শহর ছিল।
    - এটি নেবুচাদনেজার দ্বিতীয় এর অধীনে নিও-ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসাবে তার সর্বশ্রেষ্ঠ গৌরব অর্জন করেছিল।
    - নেবুচাঁদনেজার পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিচিত- ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান নির্মাণ করেন।

    তথ্যসূত্র - Britannica.com

    ১৫০.
    রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপ কোন নামে খ্যাত?
    1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
    2. মার্চ বিপ্লব
    3. জুলাই বিপ্লব
    4. অক্টোবর বিপ্লব
    সঠিক উত্তর:
    অক্টোবর বিপ্লব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অক্টোবর বিপ্লব
    ব্যাখ্যা

    রুশ বিপ্লব:
    - ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
    - এই দুটি বিপ্লব হলো:
     • ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও
    • বলশেভিক বিপ্লব।
    - এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

    ⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
    - রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়: ফেব্রুয়ারি বিপ্লব।
    - এই বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
    - ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
    - সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
    - রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

    ⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
    - রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপ বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব নামে খ্যাত।
    - এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
    - বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

    তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com

    ১৫১.
    জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা IPCC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
    1. International Panel on Climate Control
    2. Intergovernmental Panel on Climate Change
    3. International Programme on Climate Change
    4. Intergovernmental Programme on Climate Control
    সঠিক উত্তর:
    Intergovernmental Panel on Climate Change
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Intergovernmental Panel on Climate Change
    ব্যাখ্যা

    IPCC:
    - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল IPCC.
    - IPCC-এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
    - জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
    - WMO এবং UNEP এর সম্মিলিত নাম IPCC গঠিত হয়।
    - জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে।
    - IPCC এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫টি।
    - এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

    তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।

    ১৫২.
    ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC) এর বর্তমান মহাসচিব হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করছেন? (জানুয়ারি, ২০২৬)
    1. আহমেদ আবুল গেইত
    2. নাবিল আল-আরাবি
    3. হুসাইন ইব্রাহিম তাহা
    4. আবদুল করিম আল-আলসি
    সঠিক উত্তর:
    হুসাইন ইব্রাহিম তাহা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    হুসাইন ইব্রাহিম তাহা
    ব্যাখ্যা

    OIC:
    - ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
    - এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation.
    - রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC গঠিত হয়।
    - OIC প্রতিষ্ঠার স্থান: মরক্কো।
    - ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
    - এর সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
    - বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
    - অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি। যথা:
    • আরবি, 
    • ইংরেজি, 
    • ফ্রেঞ্চ।

    উল্লেখ্য:
    ⇒ বর্তমান সদস্য দেশ: ৫৭টি।
    ⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য।
    • গায়ানা ও
    • সুরিনাম।
    - ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC এর সদস্য।

    অন্যদিকে:
    - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

    তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

    ১৫৩.
    ২০২৫ সালের World Press Freedom Index-এ শীর্ষে থাকা দেশের নাম কী?
    1. সুইডেন
    2. নেদারল্যান্ডস
    3. এস্তোনিয়া
    4. নরওয়ে
    সঠিক উত্তর:
    নরওয়ে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নরওয়ে
    ব্যাখ্যা

    বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫:
    - সূচকের শিরোনাম: RSF World Press Freedom Index 2025.
    - সূচকটি প্রকাশিত হয় ২ মে, ২০২৫।
    - ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF) সূচকটি প্রকাশ করে।

    ⇒ শীর্ষ দেশ:
    • নরওয়ে।
    • এস্তোনিয়া।
    • নেদারল্যান্ডস।
    • সুইডেন।
    • ফিনল্যান্ড।

    ⇒ উল্লেখ্য:
    - এই তালিকায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ইরিত্রিয়া।

    ⇒ অন্যদিকে:
    - বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

    তথ্যসূত্র - Reporters Without Borders (RSF) ওয়েবসাইট।

    ১৫৪.
    বিশ্বের কোন মহাদেশে সর্বনিম্ন সংখ্যক স্বাধীন দেশ রয়েছে?
    1. উত্তর আমেরিকা
    2. ওশেনিয়া
    3. দক্ষিণ আমেরিকা
    4. ইউরোপ
    সঠিক উত্তর:
    দক্ষিণ আমেরিকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দক্ষিণ আমেরিকা
    ব্যাখ্যা

    ⇒ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে সবচেয়ে কম সংখ্যক দেশ অবস্থিত।

    দক্ষিণ আমেরিকা (South America):
    - আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
    - এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির।
    - এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া।
    - দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১২টি স্বাধীন দেশ রয়েছে।
    - এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
    - ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
    - দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
    - এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
    - নিরক্ষরেখা মহাদেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

    ⇒ বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
    • আফ্রিকা - ৫৪
    • এশিয়া - ৪৮
    • ইউরোপ - ৪৪
    • উত্তর আমেরিকা - ২৩
    • অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪

    তথ্যসূত্র - worldatlas.com

    ১৫৫.
    'বারাক এমএক্স' আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরী করেছে -
    1. ইরান
    2. যুক্তরাষ্ট্র
    3. ইসরায়েল
    4. রাশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল
    ব্যাখ্যা

    বারাক এমএক্স:
    - বারাক এমএক্স আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে ইসরায়েল।
    -
    অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই) এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে।
    - বারাক এমএক্স এর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ১৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
    - এর রাডার ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত কামান, মর্টার ও রকেট হামলাও শনাক্ত করতে সক্ষম।
    - বারাক এমএক্সে রয়েছে উন্নত নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা।
    - এর থ্রিডি রাডার সর্বোচ্চ ৪৬০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত কার্যকর।

    তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

    ১৫৬.
    মন্ট্রিল প্রটোকল কোন বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি?
    1. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক
    2. বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
    3. জৈব নিরাপত্তা
    4. গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
    সঠিক উত্তর:
    বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর রক্ষা করা
    ব্যাখ্যা

    ⇒ মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি?

    মন্ট্রিল প্রটোকল:

    - পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই প্রটোকল গৃহীত হয়।
    - এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়
    - এটি গৃহীত হয় ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
    - মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯ সালে।
    - মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

    তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

    ১৫৭.
    ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা কত?
    1. ৬টি
    2. ৭টি
    3. ৮টি
    4. ৯টি
    সঠিক উত্তর:
    ৬টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬টি
    ব্যাখ্যা

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
    - বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
    - ইউরোপীয় ইউনিয়ন মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
    - ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি দেশ।
    • বেলজিয়াম,
    • ফ্রান্স,
    • জার্মানি,
    • ইতালি,
    • লুক্সেমবার্গ,
    • নেদারল্যান্ডস।
    - বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ।
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া।
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।

    তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।

    ১৫৮.
    ২০২৫ সালের গাজা শান্তি সম্মেলনের আয়োজক দেশ কোনটি? (জানুয়ারি, ২০২৬)
    1. কাতার
    2. কুয়েত
    3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
    4. মিশর
    সঠিক উত্তর:
    মিশর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মিশর
    ব্যাখ্যা

    গাজা শান্তি সম্মেলন:
    - ২০২৫ সালের গাজা শান্তি সম্মেলনের আয়োজক দেশ মিশর।
    - শান্তি সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়: শারম আল-শেখ, মিশর।
    - বিভিন্ন দেশের নেতার উপস্থিতিতে হামাস-ইসরাইল শান্তি পরিকল্পনা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
    - ১৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে চুক্তিটি।
    - এই নথিতে ট্রাম্প ছাড়াও মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানিসহ অন্যান্য বিশ্বনেতারা স্বাক্ষর করেছেন।
    - সম্মেলনে প্রায় ৩৫ জন বিশ্বনেতা অংশ নেন।
    - গাজায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এ চুক্তি সই হয়।

    ⇒ উল্লেখ্য:
    - এর আগে ১০ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েল ও হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
    - এরই মধ্যে হামাস ২০ জন জীবিত জিম্মি ও কয়েকজন জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলের কাছে হস্তান্তর করেছে। ইসরায়েলও প্রায় দু হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে।

    তথ্যসূত্র - Al Jazeera.

    ১৫৯.
    ইউরোপের দেশ 'নেদারল্যান্ডস' নামটির বাংলা অর্থ কোনটি?
    1. নিম্ন ভূমি
    2. সমতল ভূমি
    3. উর্বর ভূমি
    4. উচ্চ ভূমি
    সঠিক উত্তর:
    নিম্ন ভূমি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিম্ন ভূমি
    ব্যাখ্যা

    নেদারল্যান্ডস:
    - নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ।
    - ইউরোপের দেশ 'নেদারল্যান্ডস' নামটির বাংলা অর্থ নিম্ন ভূমির দেশ।
    - দেশের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে অবস্থিত নিম্নভূমিগুলি মূলত সমতল ভূখণ্ড দ্বারা গঠিত।
    - এই অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরে বা নীচে অবস্থিত।
    - দেশটি হল্যান্ড নামেও পরিচিত।
    - নেদারল্যান্ডস সাংবিধানিক রাজার অধীনে একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
    - দেশটির উত্তর ও পশ্চিমে উত্তর সাগর , পূর্বে জার্মানি এবং দক্ষিণে বেলজিয়াম অবস্থিত।
    - দেশটির মোট আয়তন: প্রায় ২,৫০০ বর্গমাইল (৬,৫০০ বর্গকিলোমিটার)।
    - রাজধানী: আমস্টারডাম।

    তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

    ১৬০.
    আনুষ্ঠানিকভাবে কোয়াড (QUAD) গঠিত হয় কবে?
    1. ২০০১ সালে
    2. ২০০৫ সালে
    3. ২০০৭ সালে
    4. ২০১০ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৭ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৭ সালে
    ব্যাখ্যা

    কোয়াড (QUAD):
    - QUAD-এর পূর্ণরূপ: Quadrilateral Security Dialogue.
    - কোয়াড হল অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি কূটনৈতিক জোট।
    - Quadrilateral Security Dialogue একটি অনানুষ্ঠানিক কৌশলগত নিরাপত্তা ফোরাম।
    - আনুষ্ঠানিকভাবে কোয়াড (QUAD) গঠিত হয়: ২০০৭ সালে।
    - সদস্য দেশ: ৪টি।
    • যুক্তরাষ্ট্র,
    • অস্ট্রেলিয়া,
    • ভারত,
    • জাপান।

    ⇒ উল্লেখ্য:
    - কোয়াডের প্রাথমিক উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হল উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য কাজ করা।

    তথ্যসূত্র - অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ওয়েবসাইট।

    ১৬১.
    জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কার্টাগেনা প্রটোকল কার্যকর হয় -
    1. ২০০৩ সালে
    2. ২০০৫ সালে
    3. ২০০৬ সালে
    4. ২০০৯ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৩ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০০৩ সালে
    ব্যাখ্যা

    কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
    - কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
    - কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
    - এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
    - চুক্তিটি অনুমোদিত হয় ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে। 
    - চুক্তি কার্যকর হয় ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে। 

    তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

    ১৬২.
    বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রের নাম কী? (জানুয়ারি, ২০২৬)
    1. ভেনেজুয়েলা
    2. কাতার
    3. যুক্তরাষ্ট্র
    4. রাশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    বিশ্বের শীর্ষ তেল উত্তোলনকারী দেশ:
    - ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রের নাম যুক্তরাষ্ট্র।
    - দেশটি প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ১২ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।
    - এটা বিশ্বে প্রতিদিন মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২২ শতাংশ।

    • উল্লেখ্য:
    ⇒ দ্বিতীয় শীর্ষ তেল উত্তোলনকারী দেশ: সৌদি আরব।
    - সৌদি আরব প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ১১ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।

    ⇒ বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ তেল উত্তোলনকারী দেশ: রাশিয়া।
    - রাশিয়া প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।

    তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা প্রতিবেদন।

    ১৬৩.
    অরবিস ইন্টারন্যাশনাল কোন ধরনের অলাভজনক সংস্থা?
    1. মানবাধিকার সংগঠন
    2. উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
    3. দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা
    4. খাদ্য সাহায্য সংস্থা
    সঠিক উত্তর:
    উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
    ব্যাখ্যা

    অরবিস ইন্টারন্যাশনাল:
    - অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
    - এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
    - প্রতিষ্ঠার স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
    - ১৯৮২ সালের মে মাসে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্লেন প্রথম পানামায় ল্যান্ড করে।
    - অরবিস বাংলাদেশে আসে: ১৯৮৫ সালে।
    - ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে: ১৯৯৯ সালে।
    - বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসকদের নিয়ে ৪,০০০ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করার পাশাপাশি অরবিস প্রায় ২৪,০০০ বাংলাদেশির চোখের অপারেশন করে।
    - বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টি দেশে কাজ করছে।

    তথ্যসূত্র - অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

    ১৬৪.
    ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন কোন শ্রেণির মানুষের সুরক্ষার জন্য গৃহীত হয়?
    1. যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ
    2. যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত
    3. যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
    4. সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ
    সঠিক উত্তর:
    যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত
    ব্যাখ্যা

    জেনেভা কনভেনশন:
    - জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
    - যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
    - মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
    - ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
    - স্বাক্ষরের স্থান: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
    - এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
    - এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

    ♦ কনভেনশনসমূহ:
    ⇒ ১ম জেনেভা কনভেনশন:
    - ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

    ⇒ ২য় জেনেভা কনভেনশন:
    - ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

    ⇒ ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
    - ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

    ⇒ ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
    - ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

    তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

    ১৬৫.
    'CNN' কোন দেশেভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম?
    1. কাতার
    2. যুক্তরাজ্য
    3. জার্মানি
    4. যুক্তরাষ্ট্র
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    - এপি, ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), CNN যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম।

    ⇒ বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:

    - বাংলাদেশ: বাসস, এনা, আইএসপিআর, ইউএনবি, আবাস, পিআইবি।
    - যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, বিবিসি।
    - পাকিস্তান: এপিপি, পিপিআই, ইউপিপি।
    - চীন: সিনহুয়া।
    - ফ্রান্স: এএফপি।
    - অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
    - কানাডা: কানাডিয়া প্রেস (সিপি)।
    - ভারত: PTI, ইউএনআই।
    - রাশিয়া: ITAR-TASS, Rossiya Segodnya, ইন্টারফ্যাক্স।
    - ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
    - ইরান: ইরনা, আইএনএ।
    - ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।

    তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।

    ১৬৬.
    ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ এ মোট কতটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে?
    1. ৯৬টি
    2. ১০০টি
    3. ১০৪টি
    4. ১০৮টি
    সঠিক উত্তর:
    ১০৪টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১০৪টি
    ব্যাখ্যা

    ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
    - ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
    - আয়োজক দেশ: ৩টি।
    • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
    • কানাডা এবং
    • মেক্সিকো।

    - সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
    - অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
    - অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
    - তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।

    ১৬৭.
    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা গঠনের জন্য আয়োজিত ব্রেটন উডস কনফারেন্সে কয়টি দেশ অংশ নেয়?
    1. ৪৪টি
    2. ৪৭টি
    3. ৫১টি
    4. ৫৫টি
    সঠিক উত্তর:
    ৪৪টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪৪টি
    ব্যাখ্যা

    ব্রেটন উডস কনফারেন্স:
    - এটি United Nations Monetary and Financial Conference নামে পরিচিত।
    - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪৪ সালে জার্মানি ও জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর যুদ্ধোত্তর সময়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ সমূহের পুনর্গঠন ও আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বানিজ্যের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য  ব্রেটন উডস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
    - কনফারেন্সের স্থান: যুক্তরাষ্ট্র।
    - কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৪টি।
    - এই সম্মেলনকে ব্রেটন উডস কনফারেন্স (Bretton Woods Conference) বলা হয়।
    - এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা Harry Dexter White এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ John Maynard Keynes।
    - ব্রেটন উডস সম্মেলনেই বিশ্বব্যাংক (IBRD) ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) গঠিত হয়।
    - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বাধা দূরীকরণ, নীতি নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সংগঠন গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।

    তথ্যসূত্র - World Bank Group ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট।

    ১৬৮.
    'Good Friday Agreement' বলতে কোন আন্তর্জাতিক চুক্তিকে বোঝায়?
    1. বেলফাস্ট চুক্তি
    2. ডেটন শান্তি চুক্তি
    3. উই রিভার চুক্তি
    4. আলজিয়ার্স চুক্তি
    সঠিক উত্তর:
    বেলফাস্ট চুক্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বেলফাস্ট চুক্তি
    ব্যাখ্যা

    ⇒ 'Good Friday Agreement' বলতে বেলফাস্ট চুক্তিকে বোঝায়।

    বেলফাস্ট চুক্তি:

    - উত্তর আয়ারল্যান্ডে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেলফাস্ট চুক্তিটি একটি মাইলফলক হিসাবে বিবেচিত হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড - এর শাসনতন্ত্র কিরকম হবে তা এই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
    - চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ সালে।
    - চুক্তিটি কার্যকর হয় ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে।
    - চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
    - চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।

    তথ্যসূত্র - Britannica.com

    ১৬৯.
    নিচের কোন দেশ মেলানেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত?
    1. নাউরু
    2. টোঙ্গা
    3. কিরিবাতি
    4. ফিজি
    সঠিক উত্তর:
    ফিজি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফিজি
    ব্যাখ্যা

    ⇒ মেলানেশিয়া:
    - 'মেলানেশিয়া' শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ 'কালো দ্বীপ'।
    - মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল।
    - এটি প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
    - এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো: পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু এবং ফিজি।

    ⇒ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
    - টোঙ্গা,
    - টুভ্যালু,
    - সামোয়াত।

    ⇒ মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
    - নাউরু,
    - পালাউ,
    - কিরিবাতি,
    - মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ।

    তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

    ১৭০.
    নিচের কোন শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা সর্বাধিক?
    1. রূপান্তরিত শিলা
    2. পাললিক শিলা
    3. আগ্নেয় শিলা
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    পাললিক শিলা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাললিক শিলা
    ব্যাখ্যা

    শিলা:
    - ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত।
    - গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার। যথা:
    • আগ্নেয় শিলা।
    • পাললিক শিলা।
    • রূপান্তরিত শিলা।

    ⇒ পাললিক শিলা:
    - এদের মধ্যে পাললিক শিলা গঠিত হয় পলি সঞ্চিত হয়ে। পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো:
    • জীবাশ্ম দেখা যায়।
    • স্তর লক্ষ্য করা যায়।
    • পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর।
    • সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
    - বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।
    - অন্যদিকে, আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৭১.
    প্রতি দুই ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য কত মিনিট?
    1. ১ মিনিট
    2. ২ মিনিট
    3. ৪ মিনিট
    4. ৮ মিনিট
    সঠিক উত্তর:
    ৮ মিনিট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮ মিনিট
    ব্যাখ্যা

    গ্রিনিচ মান সময়:
    - গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ +৬ ঘন্টা।
    - পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
    - অর্থাৎ ২ দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৮ মিনিট।
    - সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
    - গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
    - গ্রিনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।

    ১৭২.
    মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের মিলনস্থলে?
    1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেট
    2. ইউরেশিয়ান প্লেট ও নর্থ আমেরিকান প্লেট
    3. প্যাসিফিক প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেট
    4. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেট
    সঠিক উত্তর:
    ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান প্লেট
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত।

    এভারেস্ট পর্বত:
    - মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
    - এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
    - তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক
    সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
    - মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
    - এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

    তথ্যসূত্র - Britannica & National Geographic.

    ১৭৩.
    নিচের কোন ব্যবস্থা বন্যা নিয়ন্ত্রণের সাধারণ ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত নয়?
    1. নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা
    2. নদীর দুই তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি করা
    3. বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা
    4. নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
    সঠিক উত্তর:
    নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
    ব্যাখ্যা

    ⇒ বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control System):
    ক) সাধারণ ব্যবস্থাপনা:
    • নদীর দুই তীরে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা।
    • নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
    • বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
    • পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন ও পুনঃখনন করে পানি সংরক্ষণ করা।
    • বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারি ভাবে স্থায়ী ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

    খ) ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
    • ড্রেজিং-এর মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
    • জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানি প্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
    • আর্ন্তজাতিক নদীসমূহে পানি প্রবাহকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রন ও নিষ্কাশন করা।
    • সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
    • নদী তীরে স্থায়ী ও সুদৃঢ় বাঁধ নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ সংরক্ষণ করা।

    গ) সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
    • নদীর দুই তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
    • দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
    • রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
    • বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
    • শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৪.
    ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে কী বলা হয়?
    1. ফোকাস
    2. ফ্রাকচার
    3. ফল্ট
    4. এপিসেন্টার
    সঠিক উত্তর:
    এপিসেন্টার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    এপিসেন্টার
    ব্যাখ্যা

    ভূমিকম্প:
    - ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
    - একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
    - ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র (Centre বা Focus) বলে।
    - কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
    - ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
    - ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
    - যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৫.
    নিচের কোনটি জলবায়ুর প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত?
    1. অক্ষাংশ
    2. উচ্চতা
    3. বায়ুপ্রবাহ
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    জলবায়ু:
    - জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা।
    - অর্থাৎ জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা।
    - জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়।
    - আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
    - জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
    - বাংলাদেশের ‘ক্রান্তীয় মৌসুমি’ জলবায়ুর দেশ।
    - জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৬.
    শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত প্রধানত কোন ধরনের ঢালে দেখা যায়?
    1. প্রতিবাত
    2. প্রতিপদ
    3. অনুপাদিত
    4. অনুবাত
    সঠিক উত্তর:
    প্রতিবাত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রতিবাত
    ব্যাখ্যা

    শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
    - জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
    - এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
    - দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
    - পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে। ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
    - এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৭.
    কোন স্থানীয় বায়ু আরব মরুভূমির বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিচিত?
    1. সাইমুম
    2. টাইফুন
    3. খামসিন
    4. সিরোক্কো
    সঠিক উত্তর:
    সাইমুম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সাইমুম
    ব্যাখ্যা

    স্থানীয় বায়ু:
    - স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
    - রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
    - উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
    - ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
    - অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৮.
    টারশিয়ারি যুগের ভূ-গঠনের পাহাড় বাংলাদেশের কোন স্থানে রয়েছে?
    1. কুমিল্লা
    2. মৌলভীবাজার
    3. টাঙ্গাইল
    4. গাজীপুর
    সঠিক উত্তর:
    মৌলভীবাজার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মৌলভীবাজার
    ব্যাখ্যা

    ⇒ ভূ-প্রকৃতি:
    - বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
    - এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
    - উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
    - এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
    - ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
    • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
    • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
    • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

    ⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
    - টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
    - আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
    - রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
    - এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
    - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
    - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
    • দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
    • উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৯.
    নিচের কোনটি UNHCR নির্ধারিত সুশাসনের উপাদানের অন্তর্ভুক্ত নয়?
    1. স্বচ্ছতা
    2. জবাবদিহিতা
    3. সংবেদনশীলতা
    4. কেন্দ্রীয়করণ
    সঠিক উত্তর:
    কেন্দ্রীয়করণ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কেন্দ্রীয়করণ
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: ঘ) কেন্দ্রীয়করণ।

    সুশাসনের উপাদান:
    - যে শাসন ব্যবস্থায় আইনের শাসন, দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং জনগণের অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক উপায়ে সুনিশ্চিত হয় তাকেই সুশাসন বলে।
    - এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়, সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।

    - UNHCR এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৫টি। এগুলো হলো:
    ১. স্বচ্ছতা (Transparency).
    ২. দায়বদ্ধতা (Responsibility).
    ৩. জবাবদিহিতা (Accountability).
    ৪. অংশগ্রহণ এবং (Participation).
    ৫. সংবেদনশীলতা (Responsiveness).

    ⇒ কেন্দ্রীয়করণ সুশাসনের উপাদান নয়; বরং সুশাসনে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    তথ্যসূত্র:
    i) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।

    ১৮০.
    রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা কোনটি?
    1. জনসমষ্টি
    2. সার্বভৌমত্ব
    3. ভূ-খন্ড
    4. সরকার
    সঠিক উত্তর:
    সার্বভৌমত্ব
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সার্বভৌমত্ব
    ব্যাখ্যা

    ⇒ রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে। যথা-
    (১) জনসমষ্টি,
    (২) ভূ-খন্ড,
    (৩) সরকার ও
    (৪) সার্বভৌমত্ব।

    সার্বভৌমত্ব: 
    - রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল সার্বভৌমত্ব।
    - এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা
    - সার্বভৌমত্ব ব্যতীত কোন দেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে না।

    - সার্বভৌমত্বের দু'টো দিক রয়েছে। যথা-
    (ক) অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব, যার দ্বারা রাষ্ট্র তার সীমানার মধ্যে যেকোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর অবাধ ও সীমাহীন ক্ষমতার অধিকারী। এ ক্ষমতার মাধ্যমে রাষ্ট্র অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখে।

    (খ) বাহ্যিক সার্বভৌমত্ব, এ ক্ষমতা বলে রাষ্ট্র বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করে।

    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮১.
    মূল্যবোধের চালিকাশক্তি কী?
    1. শিক্ষা
    2. সংস্কৃতি
    3. আইন
    4. অর্থনীতি
    সঠিক উত্তর:
    সংস্কৃতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সংস্কৃতি
    ব্যাখ্যা

    মূল্যবোধের চালিকাশক্তি:
    - মূল্যবোধের চালিকাশক্তি হলো সংস্কৃতি।
    - মূল্যবোধ (Values) হলো সমাজে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায়ের ভিত্তিতে গৃহীত কিছু আদর্শ ও নীতিমালা।
    - মূল্যবোধ গড়ে ওঠে একটি সমাজের বিশ্বাস, আচরণ, নীতি ও ঐতিহ্যের ভিত্তিতে।
    - এসব উপাদান সবচেয়ে গভীরভাবে প্রতিফলিত হয় সংস্কৃতিতে।

    অন্যদিকে,
    - সংস্কৃতি বলতে বোঝায় একটি সমাজের ইতিহাস, ঐতিহ্য, রীতি-নীতি, ধর্ম, বিশ্বাস, শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা, সামাজিক আচার-আচরণ ও জীবনযাত্রার পদ্ধতি।
    - সংস্কৃতি এমন একটি শক্তি, যা নিরবিচারে ব্যক্তি ও সমাজের মনন, চিন্তা ও আচরণের ভিত গড়ে তোলে।
    - এই সংস্কৃতিই সমাজের মানুষের মানসিকতা, চিন্তাধারা ও মূল্যবোধ গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
    - তাই, সংস্কৃতিকেই বলা হয় মূল্যবোধের চালিকাশক্তি।

    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৮২.
    মানুষের সভা-সমিতি করার অধিকার কোন ধরনের অধিকার?
    1. নৈতিক অধিকার
    2. রাজনৈতিক অধিকার
    3. সামাজিক অধিকার
    4. অর্থনৈতিক অধিকার
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক অধিকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সামাজিক অধিকার
    ব্যাখ্যা

    আইনগত অধিকারের শ্রেণিবিভাগ:
    - যেসব অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত, সেগুলোকে আইনগত অধিকার বলে।
    - যেমন-জীবন ধারণের অধিকার, ভোটদানের অধিকার, শিক্ষার অধিকার।
    - আইনগত অধিকারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

    (ক) সামাজিক অধিকার:
    - সমাজে সুন্দরভাবে সুখ-শান্তিতে বসবাসের জন্য নাগরিকগণ যেসব অধিকার ভোগ করে, সেগুলোকে সামাজিক অধিকার ভোগ বলে।
    - যেমন- জীবন রক্ষা, মত প্রকাশ, চলাফেরা, বিনা বিচারে আটক না হওয়া, সংঘবদ্ধ হওয়া, সভা-সমিতি, চুক্তি স্থাপন, সম্পত্তি ভোগ, আইনের চোখে সমতা লাভ, শিক্ষা লাভ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, পরিবার গঠন, নিজ-নিজ সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার অধিকার।

    (খ) রাজনৈতিক অধিকার:
    - রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণের জন্য নাগরিকরা যেসব অধিকার ভোগ করে, সেগুলোকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
    - যেমন- ভোটদান, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, সরকারি চাকরি লাভ, সরকারি কাজের সমালোচনা, আবেদন করা রাজনৈতিক অধিকার।

    (গ) অর্থনৈতিক অধিকার:
    - ক্ষুধা, দারিদ্র ও বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নাগরিকগণ যেসব অধিকার ভোগ করেন, সেগুলোকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
    - যেমন- কর্মের অধিকার, উপযুক্ত পারিশ্রমিক, অবকাশ যাপন প্রভৃতি অর্থনৈতিক অধিকার।

    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৩.
    'Hedonism' বলতে নিচের কোনটি বোঝায়?
    1. পূর্ণতাবাদ
    2. স্বজ্ঞাবাদ
    3. সুখবাদ
    4. আকারবাদ
    সঠিক উত্তর:
    সুখবাদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুখবাদ
    ব্যাখ্যা

    সুখবাদ:
    - গ্রীক 'hedone' শব্দের অর্থ 'সুখ' (pleasure)।
    - কাজেই, যে মতবাদ অনুসারে সুখই জীবনের পরমার্থ, তাকে বলা হয় 'Hedonism' বা 'সুখবাদ'।
    - সাধারণত সেইসব প্রত্যক্ষবাদী দার্শনিক (empiricists) সুখবাদের সমর্থক যারা মনে করেন যে, মানুষ মূলত ইন্দ্রিয়াসক্ত এবং ইন্দ্রিয়সেবার মাধ্যমে সুখলাভই তার একমাত্র লক্ষ্য।
    - সুখবাদীরা সুখের বিচারে কর্মের নৈতিক বিচার করেন যে কাজ দুঃখের তুলনায় অধিক পরিমাণে সুখ দেয় তা 'ভাল', আর যে কাজ সুখের তুলনায় অধিক পরিমাণে দুঃখ দেয় তা 'মন্দ'।

    ⇒ আত্মসুখবাদ ও সর্বজনীন সুখবাদ, স্থুল সুখবাদ ও সুক্ষ্ম সুখবাদ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের সুখবাদ রয়েছে।

    অন্যদিকে,
    - স্বজ্ঞাবাদ (Intuitionism): স্বজ্ঞা এমন একটি বৃত্তি যার সাহায্যে আমরা প্রত্যক্ষভাবে বুদ্ধি বা সংবেদনের সাহায্য ছাড়াই কোন কিছু সম্পর্কে নিশ্চিত জ্ঞানলাভ করতে পারি।
    - আকারবাদ (Formalism): নৈতিকতা সামাজিক ব্যাপার হলেও এর মর্যাদার কারণেই এর ভিত্তিটি মানবিক অভিজ্ঞতার ঊর্ধ্বে বিশুদ্ধ বুদ্ধিতে প্রোথিত। ঐ উৎস থেকে নিয়ম বা আইনের আকারে এ উৎসারিত হয়।
    - পূর্ণতাবাদ (Perfectionism): পূর্ণতাকে যে নীতি নৈতিকতার মান হিসেবে গ্রহণ করে তাকে পূর্ণতাবাদ বলে। একে বুঝতে হলে পূর্ণতা শব্দটির অর্থ সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে।

    উৎস:
    i) Sitaram Mahato Memorial College.
    ii) নীতিবিদ্যা, দর্শন চতুর্থ পর্ব, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৪.
    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা কে?
    1. মন্টেস্কু
    2. জন লক
    3. টমাস হবস
    4. অ্যালান বল
    সঠিক উত্তর:
    মন্টেস্কু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মন্টেস্কু
    ব্যাখ্যা

    ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি:
    - ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল অর্থ সরকারের সমগ্র কাজকে তিন ভাগে বিভক্ত করা এবং তিনটি স্বতন্ত্র বিভাগের সহায়তায় তা পরিচালনা করা।
    - বিভাগগুলো হচ্ছে আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ।
    - এ নীতি অনুযায়ী আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন করবে। শাসন বিভাগ আইনগুলোকে বাস্তবায়ন করবে এবং বিচার বিভাগ বিচারিক কার্য সম্পাদন করবে ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করবে।

    উল্লেখ্য,
    - ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী চার্লস মন্টেস্কু তাঁর বিখ্যাত "The Spirit of Laws" গ্রন্থে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
    - তিনিই ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির মূল প্রবক্তা।
    - তিনি বলেন, "যখন একই ব্যক্তি বা একই শাসক বর্গের হাতে আইন রচনা এবং শাসন করার ক্ষমতা ন্যস্ত করা হয় তখন জনগনের স্বাধীনতা থাকতে পারে না, অথবা আইন ও শাসন ক্ষমতা যদি বিচার বিভাগ থেকে স্বতন্ত্র না হয় তাহলেও স্বাধীনতা থাকতে পারে না।"

    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৫.
    সামাজিক চুক্তি মতবাদের মূল বক্তব্য কী?
    1. রাষ্ট্র ঈশ্বর প্রদত্ত
    2. রাষ্ট্র বলপ্রয়োগের ফল
    3. জনগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের সৃষ্টি
    4. রাষ্ট্র পারিবারিক প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্ভূত
    সঠিক উত্তর:
    জনগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের সৃষ্টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জনগণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের সৃষ্টি
    ব্যাখ্যা

    সামাজিক চুক্তি মতবাদ:
    - রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ক আলোচনাতে, সামাজিক চুক্তি মতবাদটি সম্ভবত সর্বাধিক আলোচিত। 
    - এ মতবাদের মূল বক্তব্য হল, রাষ্ট্র নামক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানটি জনগনের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে। 
    - সামাজিক চুক্তির বিষয়টি টমাস হবস, জন লক ও জাঁ জ্যাক রুশো ভিন্ন ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

    উল্লেখ্য
    - টমাস হবস তার 'লেভিয়াথান' নামক গ্রন্থে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কিত সামাজিক চুক্তি মতবাদ ব্যাখ্যা করে।
    - হবসের মতে, রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে মানুষ প্রকৃতির রাজ্যে বাস করত। 
    - কিন্তু প্রকৃতির রাজ্যে কোন আইন, সরকার ও বিচার ছিল না। যার কারণে প্রকৃতির রাজ্যের মানুষের জীবন ছিল ভয়াবহ ও বিশৃঙ্খলাপূর্ন। 
    - সে সময়ে মানুষ স্বার্থপর, আত্মকেন্দ্রিক, অসহায় ও কলহপ্রিয় ছিল। সবল দুর্বলকে অত্যচার করত।
    - এ অবস্থা থেকে মুক্তির লক্ষে মানুষ নিজেদের মধ্যে চুক্তি করে রাষ্ট্রের সৃষ্টি করে।

    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৬.
    ‘দলীয় সংগঠনবিহীন’- এটি কার বৈশিষ্ট্য?
    1. সংসদ
    2. সরকার
    3. রাজনৈতিক দল
    4. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
    সঠিক উত্তর:
    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
    ব্যাখ্যা

    চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
    - চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হল এমন এক দল ব্যক্তির সমষ্টি, যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন থাকে।

    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
    চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে। এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে। নিম্নে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলঃ
    ১। দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই। এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়। সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

    ২। দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই। এটি নির্দলীয় সংগঠন। এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

    ৩। নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না। তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। এছাড়াও কোন কোন দেশে চাপসৃষ্টিকারী কোন কোন গোষ্ঠীকে পছন্দের দলের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিতে দেখা যায়।

    ৪। সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

    ৫। সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না। তবে পরোক্ষভাবে রাজনীতিক নেতৃবৃন্দের সাথে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। আর এ যোগাযোগের ভিত্তিতে তারা প্রভাব বিস্তার করে।

    ৬। সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে। আর এ সমজাতীয় মনোভাবের মূলে রয়েছে তাদের স্বার্থ। কেননা সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন না হলে তাদের স্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়।

    ৭। বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ। চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সরকারি স্বীকৃতিও সাধারণত থাকে না।

    সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৭.
    আমলাতন্ত্রের ‘Legal and Rational Model’ সর্বপ্রথম কে উপস্থাপন করেন?
    1. কার্ল মার্কস
    2. ম্যাক্স ওয়েবার
    3. ফ্রেডরিক টেলর
    4. উড্রো উইলসন
    সঠিক উত্তর:
    ম্যাক্স ওয়েবার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ম্যাক্স ওয়েবার
    ব্যাখ্যা

    আমলাতন্ত্র:
    - আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Bureaucracy'। 
    - ইংরেজি 'Bureaucracy' শব্দটি এসেছে ফরাসি থেকে। ফরাসি 'Bureau' এবং গ্রিক 'Kratos' শব্দের সমন্বয়ে। 
    - 'Bureau' শব্দের অর্থ ডেস্ক বা অফিস এবং 'Kratos' শব্দের অর্থ শাসন বা রাজনৈতিক ক্ষমতা। 
    - সুতরাং আমলাতন্ত্রের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে `Desk government' বা 'দাপ্তরিক সরকার'। 
    - আক্ষরিক অর্থে আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন। 
    - বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন। 
    - জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার সর্বপ্রথম 'Legal and rational Model' এর মাধ্যমে আমলাতন্ত্রকে উপস্থাপন করেন। 
    - ম্যাক্স ওয়েবারকে বলা হয় আদর্শ আমলাতন্ত্রের উদ্ভাবক। 
    - পরিশেষে বলা যায়, আমলাতন্ত্র হচ্ছে স্থায়ী, বেতনভুক্ত, নিরপেক্ষ, দক্ষ ও পেশাদারী সংগঠন যার দ্বারা সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়।

    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, HSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮৮.
    হল্যান্ড ও ওপেনহাইমের আইনের উৎসসমূহের মধ্যে মূল পার্থক্য কোনটি?
    1. প্রথা
    2. ধর্ম
    3. জনমত
    4. আইনসভা
    সঠিক উত্তর:
    জনমত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জনমত
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) জনমত।

    আইন ও আইনের উৎস:

    - আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।
    ⇒ জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি, তা হলো সার্বভৌমের আদেশ।

    উল্লেখ্য,
    ⇒ অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস ৬টি। যথা:
    ১. প্ৰথা,
    ২. ধর্ম,
    ৩. বিচারকের রায়,
    ৪. ন্যায়বিচার,
    ৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
    ৬. আইনসভা।

    ⇒ ওপেনহাইমের মতে, আইনের উৎস ৭টি। যথা:
    ১. প্রথা,
    ২. ধর্ম,
    ৩. বিচারকের রায়,
    ৪. ন্যায়বিচার,
    ৫. বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
    ৬. আইনসভা,
    ৭. জনমত।

    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৮৯.
    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় কোন দুটি বিষয়ের ওপর?
    1. ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব
    2. জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা
    3. আইন ও শাস্তি
    4. পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতা
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
    - সুশাসন যেমন গণতন্ত্রের প্রাণ, তেমনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধও সুশাসনের প্রাণ।
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে।
    - যে সরকার ব্যবস্থায় বা প্রশাসনে জবাবদিহিতার নীতি কার্যকর হয় এবং যে সরকার ও প্রশাসন যত বেশি স্বচ্ছ সেখানে তত বেশি সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - দায়িত্বশীলতা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রাণ। 
    - গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্বশীল বলেই সেখানে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।
    - গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার সম্পর্ক তৈরি করে।
    - সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হলে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
     
    তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথম পত্র, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।