পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৪০ রিভিশন- (৩৬ - ৩৯)"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
‘আলাল-দুলালের পালা’ হিসেবে পরিচিত কোন পালা?
  1. দেওয়ানা মদিনা
  2. কমলা
  3. দেওয়ান ভাবনা
  4. মহুয়া
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানা মদিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানা মদিনা
ব্যাখ্যা
দেওয়ানা মদিনা':
- পালাটির লেখক মনসুর বয়াতি।
- বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার অধীনে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচঙ্গের দেওয়ানদের সম্পর্কে এ পালা।
- বানিয়াচঙ্গের দেওয়ান সোনাফরের পুত্র আলাল ও দুলালের বিচিত্র জীবনকাহিনি এবং দুলাল ও গৃহস্থকন্যা মদিনার প্রেম কাহিনি ‘দেওয়ানা মদিনা' এর মূল বিষয়।
- ‘দেওয়ানা মদিনা' পালার অপর নাম ‘আলাল-দুলালের' পালা।
• ‘দেওয়ারা মদিনা’র প্রধান কয়েকটি চরিত্র হলো: আলাল দুলাল,  মদিনা, সোনার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বর্তমান কালের অনুজ্ঞার উদাহরণ কোনটি?
  1. সদা সত্য বলবে।
  2. ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
  3. ভালোভাবে কাজটি কোরো।
  4. সকলের মঙ্গল হোক।
সঠিক উত্তর:
সকলের মঙ্গল হোক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলের মঙ্গল হোক।
ব্যাখ্যা
• সকলের মঙ্গল হোক।- বর্তমান কালের অনুজ্ঞার উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• সদা সত্য বলবে।
• ভালোভাবে পৌঁছে যেয়ো।
• ভালোভাবে কাজটি কোরো।

[বাক্যগুলো ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা কালেরর উদাহরণ।]

---------------------
• বর্তমান কাল:
যে ক্রিয়া দ্বারা বর্তমানের কোনো কাজ করা, অভ্যাস বা চিরসত্য বোঝায় তাকে বর্তমান কাল বলে। বর্তমান কালের চারটি রূপ। যথা:
১. সাধারণ বর্তমান কাল,
২. ঘটমান বর্তমান কাল,
৩. পুরাঘটিত বর্তমান কাল,
৪. বর্তমান অনুজ্ঞা।

• সাধারণ বর্তমান কাল: যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে তার কালকে বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- তৃণা স্কুলে যায়।
- বর্ণ বই পড়ে।

• ঘটমান বর্তমান কাল: যে ক্রিয়ার কাল শেষ হয়নি, এখন চলছে এরূপ অর্থ বোঝালে ঘটমান বর্তমান হয়।
যেমন:
- ছন্দা গান গাইছে।
- রাফিন ও রিজন বল খেলছে।

• পুরাঘটিত বর্তমান কাল: যে ক্রিয়ার কার্য কিছুক্ষণ পূর্বে ঘটেছে। কিন্তু এর ফর বা প্রভাব এখনও বর্তমান, এরূপ অর্থে পুরাঘটিত বর্তমান কাল হয়।
যেমন:
- বৃষ্টি আমাদের বড়োই উপকার করেছে।
- ঝড় আমাদের ভীষণ ক্ষতি করেছে।

• বর্তমান অনুজ্ঞা: বর্তমানে কোনো ক্রিয়া সম্পাদনের আদেশ, উপদেশ, আশীবার্দ, অভিশাপ, অনুরোধ, প্রার্থনা প্রভৃতি বোঝানোর জন্য বর্তমান অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- সকলের মঙ্গল হোক।
- সদা সত্য বলো।
- আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘজীবী করুন।
- আল্লাহ তোমাকে সুস্থতা দান করুক।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২২ সংস্করণ)।
.
‘জনতা’ কোন পদ?
  1. সর্বনাম
  2. বিশেষ্য
  3. বিশেষণ
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
• ‘জনতা’ সমষ্টিবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।

---------------------
• বিশেষ্য পদ:
যেসব শব্দ দিয়ে ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়, সেগুলোকে বিশেষ্য বলে। যেমন নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা ইত্যাদি। বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য,
২. জাতি-বিশেষ্য,
৩. বস্তু-বিশেষ্য,
৪. সমষ্টি-বিশেষ্য,
৫. গুণ-বিশেষ্য এবং
৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য।

• নাম-বিশেষ্য:
ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি প্রভৃতির সুনির্দিষ্ট নামকে নাম-বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন:
ব্যক্তিনাম: হাবিব, সজল, লতা, শম্পা।
স্থাননাম: ঢাকা, বাংলাদেশ, হিমালয়, পদ্মা।
কালনাম: সোমবার, বৈশাখ, জানুয়ারি, রমজান।
সৃষ্টিনাম: গীতাঞ্জলি, সঞ্চিতা, ইত্তেফাক, অপরাজেয় বাংলা।

• জাতি-বিশেষ্য:
জাতি-বিশেষ্য সাধারণ-বিশেষ্য নামেও পরিচিত। এ ধরনের বিশেষ্য নির্দিষ্ট কোনো নামকে না বুঝিয়ে প্রাণী ও অপ্রাণীর সাধারণ নামকে বোঝায়। যেমন: মানুষ, গরু, ছাগল, ফুল, ফল, নদী, সাগর, পর্বত ইত্যাদি।

• বস্তু-বিশেষ্য:
কোনো দ্রব্য বা বস্তুর নামকে বস্তু-বিশেষ্য বলে। যেমন: ইট, লবণ, আকাশ, টেবিল, বই ইত্যাদি।

• সমষ্টি-বিশেষ্য:
এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়। যেমন: জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

• গুণ-বিশেষ্য:
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতা, ধৈর্য ইত্যাদি।

• ক্রিয়া-বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা কাজের নাম বোঝায়, তাকে ক্রিয়া-বিশেষ্য বলে। যেমন: পঠন, ভোজন, শয়ন, করা, করানো, পাঠানো, নেওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘লােকটি অশিক্ষিত হলেও অভদ্র নয়।’ কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. খণ্ডবাক্য
সঠিক উত্তর:
সরল বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল বাক্য
ব্যাখ্যা
• সরল বাক্য: 
যে বাক্যে একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন :
- পাখিগুলো নীল আকাশে উড়ছে।
- তিনি ভাত খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।

• সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করার নিয়ম:

- যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
- এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়।
- সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়।
- সরল বাক্যকে যৌগিক বাক্যে পরিণত করতে হলে সরল বাক্যের কোন অংশকে নিরপেক্ষ বাক্যে রূপান্তর করতে হয়।

যেমন:
• সরল বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত হলেও অভদ্র নয়।
• যৌগিক বাক্য: লােকটি অশিক্ষিত, কিন্তু অভদ্র নয়।

• সরল বাক্য: পরিশ্রম করলে ফল পাবে।
• যৌগিক বাক্য: পরিশ্রম কর তবেই ফল পাবে।

• সরল বাক্য: এখন পরবালের কর্ম না করিলে কবে করিব?
• যৌগিক বাক্য: এখন পরকালের কর্ম করিব, নাতো কবে করিব?

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘প্রবল’ শব্দের ‘প্র’ উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. খ্যাতি
  2. ধারা-পরম্পরা
  3. আধিক্য
  4. সম্যক
সঠিক উত্তর:
আধিক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধিক্য
ব্যাখ্যা
• আধিক্য অর্থে ‘প্র’ সংস্কৃত উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে- প্রচার, প্রবল, প্রসার, প্রগাঢ় শব্দে

অন্যদিকে,
• প্রকৃষ্ট/সম্যক অর্থে ‘প্র’ সংস্কৃত উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে- প্রচলন, প্রস্ফুটিত শব্দে।
• খ্যাতি অর্থে ‘প্র’ সংস্কৃত উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে- প্রতাপ, প্রসিদ্ধ, প্রভাব শব্দে।
• ধারা-পরম্পরা বা অনুগামিক অর্থে ‘প্র’ সংস্কৃত উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে- প্রশাখা, প্রপৌত্র শব্দে।

----------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘ছেলেরা মাঠে খেলছে।’- বাক্যে ‘খেলছে’ কোন ধরনের ক্রিয়া পদ?
  1. সরল ক্রিয়া
  2. প্রযোজক ক্রিয়া
  3. সংযোগ ক্রিয়া
  4. যৌগিক ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
সরল ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া পাঁচ রকম। এগুলো হলো:

• সরল ক্রিয়া:

একটিমাত্র পদ দিয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয় এবং কর্তা এককভাবে ক্রিয়াটি সম্পন্ন করে, তাকে সরল ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সে লিখছে।
- ছেলেরা মাঠে খেলছে।
[এখানে ‘লিখছে’ ও ‘খেলছে’ এগুলো সরল ক্রিয়া।]

• প্রযোজক ক্রিয়া:
কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- তিনি আমাকে অঙ্ক করাচ্ছেন।
- রাখাল গরুকে ঘাস খাওয়ায়।
[এখানে 'করাচ্ছেন' ও 'খাওয়ায়' প্রযোজক ক্রিয়া।]

• নামক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের শেষে আ বা আনো প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠিত হয়, তাকে নামক্রিয়া বলে।
যেমন:
- বাজারে সবজির দাম কমছে না; (বিশেষণ কম শব্দের সঙ্গে আ যুক্ত হয়ে হয় কমা)।
-  জবাই করা মুরগি উঠানে ছটফটায়; (ধ্বন্যাত্মক ছটফট শব্দের সঙ্গে -আনো যুক্ত হয়ে হয় ছটফটানো)।

• সংযোগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযোগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
• করা ক্রিয়া যোগে: গান করা, গরম করা, ঠনঠন করা, ব্যাট করা।
• কাটা ক্রিয়া যোগে: সাঁতার কাটা, বিপদ কাটা।
• হওয়া ক্রিয়া যোগে: উদয় হওয়া, বড়ো হওয়া, রাজি হওয়া;
• দেওয়া ক্রিয়া যোগে: কথা দেওয়া, মন দেওয়া, দোষ দেওয়া ইত্যাদি।

• যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দাঁড়ানো, বেঁধে দেওয়া, বুঝে নেওয়া, বলে ফেলা, করে তোলা, চেপে রাখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
  2. শীঘ্রই বৃষ্টি আসবে।
  3. আমরা মাঠে খেলতে যাব।
  4. তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে। 
সঠিক উত্তর:
তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে। 
ব্যাখ্যা
• তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে।- এই বাক্যে সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ ঘটেছে।

অন্যদিকে,
- দু-এক দিনের মধ্যে সে আসবে।
- শীঘ্রই বৃষ্টি আসবে।
- আমরা মাঠে খেলতে যাব।
[বাক্যগুলো সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের উদাহরণ।]

-----------------------
• ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
অনেক সময়ে ক্রিয়াবিভক্তি যে কালের হয়, ঘটনা সেই কালের হয় না। এগুলো ক্রিয়ার কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ।নিচের বাক্য দুটির দিকে তাকানো যাক:
- আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছিলাম।
- আমি গত বছর পরীক্ষা দিয়েছি।

[প্রথম বাক্যে ক্রিয়ার কাল অতীত এবং ক্রিয়া ঘটার সময় অতীতের। কিন্তু দ্বিতীয় বাক্যে ক্রিয়ার কাল বর্তমান কালের এবং ক্রিয়া ঘটার সময় অতীতের। দ্বিতীয় বাক্যটি কালের বিশিষ্ট প্রয়োগের নমুনা।]

• সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)
- সবাই যেন সভায় হাজির থাকে। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)

• ঘটমান বর্তমান কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- আগামী মাসে আমরা সিলেট যাচ্ছি। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল বর্তমান।)

• সাধারণ অতীত কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- শিকারি পাখিটিকে এইমাত্র গুলি করল। (ঘটনা পুরাঘটিত বর্তমানের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত।)
- 'যদি বৃষ্টি হতো, সবাই মিলে খিচুড়ি খেতাম। (ঘটনা ভবিষ্যতের; কিন্তু ক্রিয়ার কাল অতীত।

• সাধারণ ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়ার বিশিষ্ট প্রয়োগ:
- তোমরা হয়ত ছয় দফার কথা শুনে থাকবে। (ঘটনা অতীতের; কিন্তু কাল ভবিষ্যৎ।)

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২২ সংস্করণ)।
.
বিশেষণ পদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ধৈর্য 
  2. দীনতা
  3. আনন্দ
  4. চালাক
সঠিক উত্তর:
চালাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালাক
ব্যাখ্যা
• গুণবাচক বিশেষণ:
- যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
 যেমন-
- চালাক ছেলে,
- ঠান্ডা পানি
উপরের উদাহরণগুলোতে ‘চালাক’ ও ‘ঠান্ডা' হলো গুণবাচক বিশেষণ

অন্যদিকে,
• গুণ-বিশেষ্য:
গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমন: সরলতা, দয়া, আনন্দ, গুরুত্ব, দীনতাধৈর্য ইত্যাদি।


------------------
• বিশেষণ:
যে শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায় তাকে বিশেষণ বলে।

শব্দটি কীভাবে গঠিত, কোন শ্রেণির শব্দকে বিশেষিত করে এবং বাক্যের মধ্যে বিশেষণের অবস্থান কোথায় এসব বিবেচনায় বিশেষণকে নানা নামে উপস্থাপন করা যেতে পারে। যেমন:
- বর্ণবাচক বিশেষণ,
- গুণবাচক বিশেষণ,
- অবস্থানবাচক বিশেষণ,
- ক্রমবাচক বিশেষণ,
- পূরণবাচক বিশেষণ,
- পরিমাণবাচক বিশেষণ,
- উপাদানবাচক বিশেষণ,
- প্রশ্নবাচক বিশেষণ,
- নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ,
- ভাববাচক বিশেষণ,
- বিধেয় বিশেষণ ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. অবমাননা
  2. আনমনা
  3. অনুতাপ
  4. অভিসার
সঠিক উত্তর:
আনমনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনমনা
ব্যাখ্যা
• বিক্ষিপ্ত অর্থে খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘আন’ যোগে গঠিত শব্দ- আনমনা।

অন্যদিকে,
• ‘অব’, ‘অনু’ ও ‘অভি’ তৎসম উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ- অবমাননা, অনুতাপ ও অভিসার।

---------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
‘তিনি আমাকে দশটি টাকা দিলেন এবং বাড়ি যেতে বললেন।’ কোন বাক্যের উদাহরণ?
  1. যৌগিক বাক্য
  2. সরল বাক্য
  3. জটিল বাক্য
  4. প্রধান খণ্ডবাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
• যৌগিক বাক্য:
দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এবং, ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (;), কোলন (:), ড্যাশ (−) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন:
- তিনি আমাকে দশটি টাকা দিলেন এবং বাড়ি যেতে বললেন।
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল ৷
- অন্ধকার হয়ে এসেছে, বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি, এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
নিচের কোনটি (a3 - 9a2 + 26a - 24) এর একটি উৎপাদক?
  1. (a - 1)
  2. (a - 5)
  3. (a - 4)
  4. (a + 2)
সঠিক উত্তর:
(a - 4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(a - 4)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি (a3 - 9a2 + 26a - 24) এর একটি উৎপাদক?

সমাধান:
a3 - 9a2 + 26a - 24
= a3 - 3 · a2 · 3 + 3 · a · 32 - 33 - a + 3
= (a - 3)3 - 1(a - 3)
= (a - 3){(a - 3)2 - 1}
= (a - 3)(a - 3 + 1)(a - 3 - 1)
= (a - 3)(a - 2)(a - 4)
= (a - 2)(a - 3)(a - 4)
১২.
(3x - 2y, 12) এবং  (5, 2x + 3y) হলে, (x , y)  এর মান কত?
  1. (3, 2)
  2. (5, 2)
  3. (2, 1)
  4. (3, 1)
সঠিক উত্তর:
(3, 2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3, 2)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (3x - 2y, 12) এবং  (5, 2x + 3y) হলে, (x , y)  এর মান কত?

সমাধান:
3x - 2y = 5 .............(1)
2x + 3y = 12 ............(2)

(1)নং × 3 + (2) নং × 2 হতে পাই,
9x - 6y + 4x + 6y = 15 + 24
⇒ 13x = 39
⇒ x = 39/13
∴ x = 3

x এর মান (2) নং এ বসিয়ে পাই,
2 × 3 + 3y = 12
⇒ 3y = 12 - 6
⇒ 3y = 6
∴ y = 2

∴ নির্ণেয় সমাধান (x, y) = (3, 2)
১৩.
4a2 - 17a - 15 এর উৎপাদকে বিশ্লেষিত রূপ কোনটি?
  1. (a - 3)(2a + 5)
  2. (a + 2)(3a - 2)
  3. (a - 5)(4a + 3)
  4. (a + 3)(2a - 5)
সঠিক উত্তর:
(a - 5)(4a + 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(a - 5)(4a + 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4a2 - 17a - 15 এর উৎপাদকে বিশ্লেষিত রূপ কোনটি?

সমাধান:
4a2 - 17a - 15
= 4a2 - 20a + 3a - 15
= 4a(a - 5) + 3(a - 5)
= (a - 5)(4a + 3)
১৪.
যদি x + y = - 8 এবং x - y = 12 হয়, y এর মান কত?
  1. 6
  2. - 8
  3. - 10
  4. 5
সঠিক উত্তর:
- 10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x + y = - 8 এবং x - y = 12 হয়, y এর মান কত?

সমাধান:
x + y = - 8 .............. (i)
x - y = 12 ............ (ii)

(i) ও (ii) যোগ করে,
2x = 4
∴ x = 2

(i) নং এ x এর মান বসিয়ে পাই,
2 + y = - 8
⇒ y = - 8 - 2
∴ y = - 10
১৫.
(x - 2)(x + 3) + 4 এর উৎপাদক কোনটি?
  1. (x + 2)(x - 1)
  2. (x + 3)(x - 2)
  3. (x + 4)(x - 1)
  4. (x - 3 )(x + 1)
সঠিক উত্তর:
(x + 2)(x - 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x + 2)(x - 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x - 2)(x + 3) + 4 এর উৎপাদক কোনটি?

সমাধান:
(x - 2)(x + 3) + 4
= x2 + 3x - 2x - 6 + 4
= x2  + x - 2
= x2 + 2x - x - 2
= x(x + 2) - 1(x + 2)
= (x + 2)(x - 1)
১৬.
বনভোজনে যাওয়ার জন্য একটি বাস ২৪০০ টাকায় ভাড়া করা হলো এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো যে, প্রত্যেক যাত্রী সমান ভাড়া দিবে। ১০ জন যাত্রী অনুপস্থিত থাকায় মাথাপিছু ভাড়া ৮ টাকা বৃদ্ধি পেল। কতজন যাত্রী যাওয়ার জন্য বাসটি ভাড়া করা হয়েছিল?
  1. ৫০ জন
  2. ৫৫ জন
  3. ৬০ জন
  4. ৬৫ জন
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বনভোজনে যাওয়ার জন্য একটি বাস ২৪০০ টাকায় ভাড়া করা হলো এবং সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো যে, প্রত্যেক যাত্রী সমান ভাড়া দিবে। ১০ জন যাত্রী অনুপস্থিত থাকায় মাথাপিছু ভাড়া ৮ টাকা বৃদ্ধি পেল। কতজন যাত্রী যাওয়ার জন্য বাসটি ভাড়া করা হয়েছিল?

সমাধান:
ধরি, প্রথমে যাত্রী ছিল = x জন

প্রশ্নমতে,
(২৪০০/x - ১০) - (২৪০০/x) = ৮
⇒ (১/x - ১০) - (১/x) = ৮/২৪০০
⇒ (১/x - ১০) - (১/x) = ১/৩০০
⇒ x - x + ১০/x (x - ১০) = ১/৩০০
⇒ x (x - ১০) = ৩০০০
⇒ x2 - ১০x - ৩০০০ = ০
⇒ x2 - ৬০x + ৫০x - ৩০০০ = ০
⇒ x (x - ৬০) + ৫০ (x - ৬০) = ০
∴ x = - ৫০; যা গ্রহণযোগ্য নয়
x = ৬০ জন।
অতএব ৬০ জন যাত্রী যাওয়ার জন্য বাসটি ভাড়া করা হয়েছিল। তবে বাসে যাত্রী গিয়েছিল ৬০ - ১০ = ৫০ জন
১৭.
(4a4 - 27a2 - 81) এবং (2x2 - x - 15) এর একটি সাধারণ উৎপাদক কোনটি?
  1. (2a + 4)
  2. (a + 5)
  3. (a - 3)
  4. (a - 1)
সঠিক উত্তর:
(a - 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(a - 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (4a4 - 27a2 - 81) এবং (2x2 - x - 15) এর একটি সাধারণ উৎপাদক কোনটি?

সমাধান:
১ম রাশি:
4a4 - 27a2 - 81
= 4a4 - 36a2 + 9a2 - 81
= 4a2(a2 - 9) + 9(a2 - 9)
= (a2 - 9)(4a2 + 9)
= (a + 3)(a - 3)(4a2 + 9)

২য় রাশি:
2a2 - a - 15
= 2a2 - 6a + 5a - 15
= 2x(x - 3) + 5(x - 3)
= (a - 3)(2a + 5)
১৮.
কোন প্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের যোগফল 10 এবং বিয়োগফল 4 হলে ভগ্নাংশটি কত?
  1. 5/7
  2. 3/7
  3. 2/3
  4. 4/9
সঠিক উত্তর:
3/7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন প্রকৃত ভগ্নাংশের লব ও হরের যোগফল 10 এবং বিয়োগফল 4 হলে ভগ্নাংশটি কত?

সমাধান:
মনে করি,
প্রকৃত ভগ্নাংশটির লব = x
প্রকৃত ভগ্নাংশটির হর = y
∴ ভগ্নাংশটি = x/y

প্রশ্নমতে,
x + y = 10 ...........(1)
y - x = 4 ..........(2)
(1) + (2) পাই
2y = 14
y = 7

y এর মান (1) বসিয়ে পাই,
x + 7 = 10
x = 10 - 7
x = 3

∴ ভগ্নাংশটি = x/y = 3/7
১৯.
নিচের কোন বহুপদীর একটি উৎপাদক x + 3?
  1. x3 - 3x - 3
  2. x2 + 5x + 6
  3. x2 - 3x + 2
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
x2 + 5x + 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x2 + 5x + 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বহুপদীর একটি উৎপাদক x + 3?

সমাধান:
f(x) এর একটি উৎপাদক x + 3 হলে f(-3) = 0 হবে।
x = -3 হলে,
x2 + 5x + 6
= (-3)2 + 5(-3) + 6
= 9 - 15 + 6
= 0

x3 - 2x - 3
= (-3)3 - 2(-3) - 3
= -27 + 6 - 3
= -24 ≠ 0

x2 - 3x + 2
= (-3)2 - 3(-3) + 2
= 9 + 9 + 2
= 20 ≠ 0
∴ (x + 3), x2 + 5x + 6 এর একটি উৎপাদক।
২০.
4x + 10y = - 2 এবং 3x - 2y = 8 হলে, y এর মান কত?
  1. - 1
  2. 1
  3. 2
  4. - 2
সঠিক উত্তর:
- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4x + 10y = - 2 এবং 3x - 2y = 8 হলে, y এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
4x + 10y = - 2 …… (i)
এবং 3x - 2y = 8
⇒ 15x - 10y = 40 ……(ii) [উভয়পক্ষকে 5 দ্বারা গুণ করে]

(i) + (ii) নং ⇒ 4x + 10y + 15x - 10y = - 2 + 40
⇒ 19x = 38
∴ x = 2

x এর মান (i) নং এ বসিয়ে পাই,
(4 × 2) + 10y = - 2
⇒ 10y = - 2 - 8
⇒ y = - 10/10
∴ y = - 1
২১.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. শামসুল হক
  2. এস এম শরীফ
  3. কুদরত-এ-খুদা
  4. কবির চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
কুদরত-এ-খুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-এ-খুদা
ব্যাখ্যা
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- কমিশনের নাম: জাতীয় শিক্ষা কমিশন, যা কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন নামেও পরিচিত।
- গঠন তারিখ: ২৬ জুলাই, ১৯৭২।
- চেয়ারম্যান: ড. কুদরত-ই-খুদা।
- উদ্বোধন: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২।
- কমিশনের কার্যপ্রণালী: প্রশ্নমালার মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ ও তা বিশ্লেষণ করে শিক্ষাব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ প্রণয়ন।
- রিপোর্ট পেশ: ৩০ মে, ১৯৭৪।
- এই কমিশন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের রূপরেখা প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২২.
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. অস্ট্রিক
  2. নেগ্রিটো
  3. দ্রাবিড়
  4. ভোটচীনীয়
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠন:
- বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়া একটি বৈচিত্র্যময় এবং দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার ফল।
-  বাঙালি জাতি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মিশ্রণে গঠিত।
- ইন্দোচীন থেকে আগত অস্ট্রিক জাতি বাংলায় প্রাক-আর্য যুগে বসতি স্থাপন করে।
- বাঙালির প্রধান নৃতাত্ত্বিক উপাদান অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর থেকে এসেছে।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক। 
- দ্রাবিড় এবং আর্য জাতির সাথে সংমিশ্রণে বাঙালির নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিকশিত হয়।
- ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে বাঙালির রক্তধারায় ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজসহ বিভিন্ন জাতির সংমিশ্রণ ঘটে।
- এই বৈচিত্র্যময় সংমিশ্রণ বাঙালির নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
২৩.
মনিপুরীদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. সোহরাই
  2. জলকেলি
  3. ওয়ানগালা
  4. রাসপূর্ণিমা
সঠিক উত্তর:
রাসপূর্ণিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসপূর্ণিমা
ব্যাখ্যা
মনিপুরী নৃগোষ্ঠী ও রাস উৎসব:
- মনিপুরীদের প্রধান উৎসব রাসপূর্ণিমা বা রাস উৎসব।
- শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।
- রাস উৎসবের দুটি পর্ব।
- দিনের বেলায় রাখালরাস আর রাতে মহারাস।
- সম্প্রতি, মনিপুরী সম্প্রদায়ের ১৮২তম রাসোৎসব পালিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়। 
- তবে তারা অধিক সংখ্যক বাস করে মৌলভীবাজার জেলায়।

এছাড়াও,
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো সোহরাই।
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো - ওয়ানগালা।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের সম্মিলিত বর্ষবরণ উৎসব হলো "বৈসাবি"।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো নিউজ।
২৪.
বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. কৃষি নির্ভরতা
  2. অধিক জনসংখ্যা
  3. রাজনৈতিক অস্থিরতা
  4. শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা
সঠিক উত্তর:
অধিক জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিক জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
বেকারত্ব বৃদ্ধি:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা বেকারত্ব।
- আর অতিরিক্ত জনসংখ্যাই আমাদের (বাংলাদেশের) বেকার সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ।
- জনসংখ্যা অনুপাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না বলে বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।
- অর্থাৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধির তুলনায় কর্মসংস্থান যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি পায়নি।
- এছাড়াও কর্মসংস্থানের অভাব, শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, অর্থনৈতিক বৈষম্য, শিল্পায়নের অভাব বেকারত্ব বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। 

সমাধানের সম্ভাব্য পথ:
- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ।
- কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষা চালু।
- ক্ষুদ্র শিল্প ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি।
- বিদেশি শ্রমবাজারে অধিকতর কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধি।
- গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র: সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, এবং এসএসসি প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।