পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫০: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসটি রচনা করেন কে?
  1. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. মাহমুদুল হক
  3. শওকত ওসমান
  4. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস - 'একটি কালো মেয়ের কথা'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- জলসাঘর,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য,
- নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিম্নলিখিত কোনটি ‘সধবার একাদশী’ নাটকের চরিত্র?
  1. কাদম্বিনী
  2. মালতী
  3. সৌদামিনী
  4. সরোজিনী
ব্যাখ্যা
'সধবার একাদশী' নাটক:
- এই নাটকের রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র। প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- সধবার একাদশী বিখ্যাত সামাজিক নাটক।
- উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাবৃত্তি যুবকদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল।
- এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনী নিয়ে নাটকটির রচিত।
- নাটকটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র: নিমচাঁদ, কেনারাম, সৌদামিনী, গিন্নী, কাঞ্চন ইত্যাদি।

দীনবন্ধু মিত্র:
- ১৮৩০ খ্রিষ্টাব্দ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সাহিত্য জীবনের শুরু কবিতা দিয়ে।
- দীনবন্ধু মিত্র কবিতা দিয়ে সাহিত্যজীবনের শুরু করলেও নাট্যকার রুপে সমাধিক খ্যাত।
- ইংরেজি শিক্ষিত নব্য যুবকদের মদ্যপান ও বারবণিতা সঙ্গকে ব্যঙ্গ করে তাঁর রচিত প্রহসন সধবার একাদশী।
- দীনবন্ধু মিত্র ১লা নভেম্বর ১৮৭৩ মৃত্যবরণ করেন।

উৎস:
১) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘শর্মিষ্ঠা’ নাটকটি কোথায় মঞ্চস্থ হয়?
  1. জোড়াসাঁকো নাট্যশালা
  2. বেলগাছিয়া থিয়েটার
  3. বঙ্গীয় নাট্যশালা
  4. মিনার্ভা থিয়েটার
ব্যাখ্যা
'শর্মিষ্ঠা' নাটক:
- এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম প্রকাশিত বাংলা নাটক।
- কলকাতার পাইকপাড়ার রাজাদের অনুপ্রেরণায় বেলগাছিয়া থিয়েটারের জন্য মধুসূদন দত্ত ১৮৫৮ সালে নাটকটি রচনা করেন।
- ১৮৫৯ সালের জানুয়ারি মাসে রাজাদের অর্থানুকূল্যে ‘শর্মিষ্ঠা' প্রকাশিত ও ১৮৫৯ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর সেটা বেলগাছিয়া থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়।
- পাশ্চাত্যরীতিতে বাংলা নাটক রচনার চেষ্টা এই নাটকের মধ্যে বিশেষভাবে সফলতা পায়।
- মধুসূদন পরে ‘শর্মিষ্ঠা’র ইংরেজি অনুবাদও করেন ।
- এই নাটক রচনায় পুরাণের কাহিনি অবলম্বন করা হয়েছে।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: যযাতি, দেবযানী, শর্মিষ্ঠা, মাধব্য, পূর্ণিমা, রাজমন্ত্রী প্রমুখ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩) বাংলাপিডিয়া।
.
‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৩২ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯২৫ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
নক্সী কাঁথার মাঠ:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা।
- দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীমউদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন।
- গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'অলৌকিক ইস্টিমার' কোন প্রকার সাহিত্য?
  1. কাব্য
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা
'অলৌকিক ইস্টিমার' কাব্য:
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- কবিতায় যৌনতার অনুষঙ্গ আছে, কিন্তু স্লোগান ও আছে। তবে কাব্যভাষা ঋদ্ধ, লক্ষ্যভেদী।

হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র” গ্রন্থটি কে সম্পাদনা করেন?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. জহির রায়হান
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
হাসান হাফিজুর রহমান:
- হাসান হাফিজুর রহমান (১৯৩২ - ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন।
- ১৯৩২ সালের ১লা জুন জামালপুর শহরে তাঁর জন্ম।
- হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ: বিমুখ প্রান্তর।
- তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম সংকলন গ্রন্থ “একুশে ফেব্রুয়ারী"। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র' সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'একুশের গল্প' রচনা করেন কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. জহির রায়হান
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
একুশের গল্প:
- জহির রায়হানের বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে একুশের গল্প অন্যতম।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত এই গল্পের প্রধান চরিত্র: তপু, রেণু ও রাহাত।
- এই গল্পটি জহির রায়হান রচনাবলি ২য় খণ্ড থেকে চয়িত হয়েছে।

এই গল্পের মূলকথা হচ্ছে:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের এক উদ্দাম হৃদয়বান, প্রাণবন্ত তরুণ শহিদ হয়। কিন্তু পুলিশ সেই লাশ গুম করে ফেলে। তাঁর কঙ্কাল মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়া এক বন্ধু আবিষ্কার করে।

জহির রায়হান:
- তিনি ১৯৩৫ সালে ফেনি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাশিল্পী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।
- তাঁর প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
- জহির রায়হান সৃষ্টি প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সঙ্গম’। তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কখনো আসে নি’। তাঁর সৃষ্ট প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি ‘বাহানা’।
- তাঁর সৃষ্ট 'কাঁচের দেয়াল' চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে নিগার পুরস্কার লাভ করে।

জহির রায়হান রচিত উপন্যাস:
- হাজার বছর ধরে,
- বরফ গলা নদী,
- আর কতদিন,
- তৃষ্ণা,
- শেষ বিকেলের মেয়ে,
- কয়েকটি মৃত্যু।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যপাঠ, বাংলাপিডিয়া।
.
‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাসে কোন শহরের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে।
- উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
‘সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি’ — উক্তিটি কোথা থেকে নেওয়া?
  1. কবিতার ভাবনা
  2. বনলতা সেন
  3. রূপসী বাংলা
  4. কবিতার কথা
ব্যাখ্যা
• কবি জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘কবিতার কথা’। এই গ্রন্থের বিখ্যাত উক্তি হলো, ‘সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।’

জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- জীবনানন্দ বরিশাল ব্রজমোহন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯১৫), বি এম কলেজ থেকে আই.এ (১৯১৭) এবং কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ
থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বি.এ (১৯১৯) ও ইংরেজিতে এম.এ (১৯২১) পাস করেন।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
১০.
ঘটমান বর্তমান কালের ক্রিয়া রয়েছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. চার আর তিনে সাত হয়।
  2. এতক্ষণ আমি অঙ্ক করেছি।
  3. টেলিভিশনে রবীন্দ্রনাথের লেখা নাটক দেখাচ্ছে।
  4. সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়।
ব্যাখ্যা
• ঘটমান বর্তমান:
যে ক্রিয়ার কাজ বর্তমানে ঘটছে বা চলছে, এখনো শেষ হয়ে যায়নি, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে।

যেমন:
- আমার ছোট ভাই লিখছে।
- ছেলেরা এখনো ফুটবল খেলছে।
- টেলিভিশনে রবীন্দ্রনাথের লেখা নাটক দেখাচ্ছে।
- বালকেরা স্কুলে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, 
• এতক্ষণ আমি অঙ্ক করেছি।- পুরাঘটিত বর্তমান কালের উদাহরণ। 
• সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায়। চার আর তিনে সাত হয়।-  নিত্যবৃত্ত সাধারণ বর্তমান কালের উদাহরণ। 

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১১.
'মরিয়া' শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √মর্ + ইয়া
  2. √মরি + ইয়া
  3. √মরি + আ
  4. √মরি + ইআ
ব্যাখ্যা
• ইয়া > ইয়ে-প্রত্যয় বিশেষণ গঠনে ইয়া/ ইয়ে প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- √মর্ + ইয়া = মরিয়া (মরতে প্রস্তুত),
- √বল্ + ইয়ে = বলিয়ে (বাকপটু)।

এরূপ নাচিয়ে, গাইয়ে, লিখিয়ে, বাজিয়ে, কইয়ে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১২.
'দর্শন' শব্দের ধাতুমূল কোনটি?
  1. দৃষ
  2. দৃর্শ
  3. দৃ
  4. দৃশ
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত ধাতু:
বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন: কৃ, গম্, ধূ, গঠ, স্থা ইত্যাদি।

কিছু সংস্কৃত শব্দ ও তা দ্বারা সাধিত শব্দ:
ক্রন্দ্ - ক্রন্দন।
ক্রী - ক্রয়, ক্রীত।
খাদ - খাদ্য, খাদক।
গঠ - গঠিত।
ঘৃষ - ঘর্ষণ।
দৃশ - দৃশ্য, দর্শন।
পঠ - পঠন, পাঠ্য, পঠিত।
ধূ - ধৃত, ধার।
বৃক্ষ - রক্ষণ, রক্ষিত, রক্ষী।
শ্রু - শ্রবণ, শ্রুত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৩.
মৌলিক বাংলা ধাতু কোনটি?
  1. ঘৃষ
  2. ধর্
  3. পঠ
  4. খাদ্‌
ব্যাখ্যা
• মৌলিক ধাতু ৩ প্রকার।
যথা:
ক) বাংলা ধাতু, 
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসে নি, সেগুলোকে বাংলা ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
যেমন: কাদ্, কাট্, নাচ্, আক্ কহ্, কর্, কিন্, গড়, ধর্, পড়, রাখ, শুন্‌, হাস্, বুঝ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত মূল ধাতু:
যে সব ক্রিয়াপদের মূল সংস্কৃত ভাষা থেকে এসে বাংলাভাষায় সরাসরি ব্যবহৃত হচ্ছে সেসব ধাতুকে বলা হয় সংস্কৃত মূল ধাতু। এসব ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়া বিশেষ্য বাক্রিয়া বিশেষণ গঠিত হয়।
যেমন: অঙ্ক, কথ, কৃৎ, খাদ্‌, হস্, পঠ, দৃশ্, বুধ, স্থা, শ্রু, ধূ, বন্ধু, ঘৃষ, ক্রী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৪.
নিত্যবৃত্ত অতীত কালের উদাহরণ কোনটি?
  1. তারা সেখানে বেড়াতে গেল।
  2. খবরটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।
  3. আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
  4. প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।
ব্যাখ্যা
• নিত্যবৃত্ত অতীত কাল:
অতীতকালে যে ক্রিয়া সাধারণভাবে এবং সচরাচর ঘটতো তার কাল নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
যেমন:
- প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।
- সুমন রোজ সকালে ব্যায়াম করত।

অন্যদিকে,
• সাধারণ অতীত:
অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন:
- তারা সেখানে বেড়াতে গেল।
- তখন বাতিটা জ্বলে উঠল।

• ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন:
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
- তারা মাঠে খেলছিল।
- তুমি নাচছিলে।

• পুরাঘটিত অতীত:
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীতকাল বলে।
যেমন:
- খবরটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
সংস্কৃত তদ্ধিত সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. সাম্য
  2. মাধুর্য
  3. জলুয়া
  4. প্রাচ্য
ব্যাখ্যা
• বাংলা তদ্ধিত উয়া/ওয়া>ও-প্রত্যয়: সম্পর্কিত অর্থে-  ঘর + ওয়া = ঘরোয়া, জল+ উয়া = জলুয়া জলো (দুধ)।

অন্যদিকে, 
• সংস্কৃত তদ্ধিত 'য' প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রাতিপদিকের অন্তে স্থিত অ, আ, ই এবং ঈ-এর লোপ হয়।
যথা:
সম্ + য = সাম্য, কবি + য = কাব্য, মধুর + য = মাধুর্য, প্রাচী + য = প্রাচ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৬.
'বৃক্ষ' উৎস বিবেচনায় কোন ধরনের শব্দ?
  1. তদ্ভব শব্দ
  2. তৎসম শব্দ
  3. দেশি শব্দ
  4. মিশ্র শব্দ
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ-

উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

১. তৎসম শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।

২. তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

৩. দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

৪. বিদেশি শব্দ:
ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলে। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৭.
পর্তুগিজ ভাষার শব্দ কোনটি?
  1. আইন
  2. ফরমান
  3. পেরেক
  4. দারোগা
ব্যাখ্যা
পেরেক (বিশেষ্য পদ),
- পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। 
অর্থ:
- কাঠ লোহা বা অনুরূপ বস্তুর পৃথক খণ্ড জোড়া দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত লোহার ছোটো কাঁটা,
- কীলক,
- তারকাঁটা।

• পর্তুগিজ ভাষার কিছু শব্দ:
ইংরেজ, পাউরুটি, আনারস, আচার, আলকাতরা, আলপিন, চাবি, আলমারি, বেহালা, বালতি, পেয়ারা, ইস্পাত, নিলাম, গরাদ, গামলা, পেরেক, মিস্ত্রি, যিশু, কেদারা, কামরা।

অন্যদিকে, 
আইন, ফরমান ও দারোগা ফারসি ভাষার শব্দ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮.
'STATISTICS' শব্দটিরর বর্ণগুলো কত উপায়ে সাজানো যায়?
  1. 50400
  2. 40320
  3. 25200
  4. 12960
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'STATISTICS' শব্দটিরর বর্ণগুলো কত উপায়ে সাজানো যায়?

সমাধান:
'STATISTICS' শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে = 10টি
যার মধ্যে S আছে 3টি, T আছে 3টি এবং I আছে 2টি করে এবং বাকিগুলো ভিন্ন।

∴ মোট সাজানোর উপায় = 10!/(3! × 3! × 2!)
= (10 × 9 × 8 × 7 × 6 × 5 × 4 × 3 × 2)/(6 × 6 × 2)
= 50400
১৯.
P(X) = 1/4, P(Y) = 2/5 এবং X ও Y স্বাধীন হলে, P(Y/X) এর মান কত?
  1. 2/3
  2. 1/2
  3. 2/5
  4. 1/4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P(X) = 1/4, P(Y) = 2/5 এবং X ও Y স্বাধীন হলে, P(Y/X) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
P(X) = 1/4
P(Y) = 2/5
এবং X ও Y স্বাধীন

∴ P(X ∩ Y) = P(X) × P(Y)
= (1/4) × (2/5)
= 2/20 = 1/10

∴ P(Y/X) = P(X ∩ Y)/P(X)
= (1/10)/(1/4)
= (1/10) × (4/1)
= 2/5
২০.
A = {x ∈ Z : -3 < x < 6} এবং B = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 10} হলে, A ∩ B নির্ণয় করুন?
  1. {2, 4}
  2. {1, 3, 5}
  3. {6, 8, 10}
  4. {- 2, - 1, 0}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x ∈ Z : -3 < x < 6} এবং B = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 10} হলে, A ∩ B নির্ণয় করুন?

সমাধান:
শর্তানুযায়ী,
A = {x ∈ Z : -3 < x < 6} = {-2, -1, 0, 1, 2, 3, 4, 5}
এবং B = {x ∈ N : x জোড় সংখ্যা এবং x ≤ 10} = {2, 4, 6, 8, 10}

∴ A ∩ B = {-2, -1, 0, 1, 2, 3, 4, 5} ∩ {2, 4, 6, 8, 10}
= {2, 4}
২১.
নিচের উপাত্তগুলো মানের উর্ধ্বক্রমে সাজানো আছে। যদি উপাত্তগুলোর মধ্যক 22 হয় তাহলে x এর মান নির্ণয় করুন।
9, 14, x, x + 1, x + 3, 30, 35
  1. 18
  2. 20
  3. 19
  4. 21
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের উপাত্তগুলো মানের উর্ধ্বক্রমে সাজানো আছে। যদি উপাত্তগুলোর মধ্যক 22 হয় তাহলে x এর মান নির্ণয় করুন।
9, 14, x, x + 1, x + 3, 30, 35

সমাধান:
9, 14, x, x + 1, x + 3, 30, 35
এখানে মোট ৭টি উপাত্ত রয়েছে যা বিজোড় সংখ্যক।
∴ মধ্যক হবে (৭ + ১)/২ = ৪ তম পদ

∴ মধ্যক = x + 1

প্রশ্নমতে,
x + 1 = 22
⇒ x = 22 - 1
⇒ x = 21
২২.
250 জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো পরীক্ষায় 160 জন ইংরেজিতে, 140 জন গণিতে এবং 120 জন উভয় বিষয়ে পাশ করেছে। কতজন শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করেছে?
  1. 60 জন
  2. 45 জন
  3. 40 জন
  4. 70 জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 250 জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো পরীক্ষায় 160 জন ইংরেজিতে, 140 জন গণিতে এবং 120 জন উভয় বিষয়ে পাশ করেছে। কতজন শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে ফেল করেছে?

সমাধান:
মোট শিক্ষার্থী, n = 250
ইংরেজিতে পাস করেছে, n(E) = 160
গণিতে পাস করেছে, n(M) = 140
উভয় বিষয়ে পাস করেছে, n(E ∩ M) = 120

আমরা জানি,
n(E ∪ M) = n(E) + n(M) - n(E ∩ M) = 160 + 140 - 120 = 180
∴ n(E ∪ M) = 180

∴ n(উভয় বিষয়ে ফেল) = 250 - 180 = 70
২৩.
7P5 + 7P4= কত?
  1. 2850
  2. 3360
  3. 840
  4. 5880
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 7P5 + 7P4= কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
nPr ​= n!/(n - r)!
এখন,
​7P5 = 7!/(7 - 5)! = 7!/2! = 2520
এবং
7P4 = 7!/(7 - 4)! = 7!/3! = 840

7P5 + 7P4 = 2520 + 840 = 3360
২৪.
দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা তোলা হলে সেটি 12 এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 4/45
  2. 1/10
  3. 2/45
  4. 1/9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা তোলা হলে সেটি 12 এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
সংখ্যা পদ্ধতিতে দুই অংকের সংখ্যা আছে = 99 - 10 + 1 = 90 টি
12 দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো হলো- 12, 24, 36, 48, 60, 72, 84, 96 = 8 টি

∴ সম্ভাবনা = 8/90 = 4/45
২৫.
U = {a, b, c, d, e, f, g, h}, A = {a, b, c, d, e}, B = {b, d, f, h} হলে, Bc\Ac হবে?
  1. {a, c, e, g}
  2. {a, c, e}
  3. {g, h}
  4. {f, g, h}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: U = {a, b, c, d, e, f, g, h}, A = {a, b, c, d, e}, B = {b, d, f, h} হলে, Bc\Ac হবে?

সমাধান:
Ac = U - A
= {a, b, c, d, e, f, g, h} - {a, b, c, d, e}
= {f, g, h}

Bc = U - B
= {a, b, c, d, e, f, g, h} - {b, d, f, h}
= {a, c, e, g}

∴ Bc\Ac = {a, c, e, g}\{f, g, h}
= {a, c, e}
২৬.
dBase কোন ধরণের সফটওয়্যার?
  1. Word Processing Software
  2. Spreadsheet Software
  3. Database Software
  4. Graphics Design Software
ব্যাখ্যা
dBase একটি Database Package Program সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ডের জন্য জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নয়?
  1. Gigabyte
  2. Intel
  3. Asus
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
Microsoft মাদারবোর্ডের জন্য জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নয়। এটি একটি সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক কোম্পানি।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
• CPU (Central Processing Unit),
• RAM (Random Access Memory),
• Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
২৮.
NCR 300 কম্পিউটার কোন প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. প্রথম প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
NCR 300 কম্পিউটার দ্বিতীয় প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত। 

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯):
- আকারে বড় ও ভারী।
- উচ্চ শব্দ ও উত্তাপ সমস্যা।
- সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
- ধীর গতিসম্পন্ন।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এসেম্বলি ভাষার ব্যবহার।
- যেমন: ABC, ENIAC, UNIVAC.

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
- সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- CD, Pen Drive ইত্যাদি মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান):
- তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
- উন্নত মানের operating system.
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI- Artificial Intelligence) এর ব্যবহার।
- নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি থাকবে।
- মানুষের কন্ঠস্বর বুঝতে পারবে।
- পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে (ডাক্তার, শিক্ষক ইত্যাদি)।
- বিশাল তথ্য ধারণ ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
বিশ্বের প্রথম ব্যবহারযোগ্য এমবেডেড কম্পিউটার কোনটি?
  1. Intel 4004
  2. The Apollo Guidance Computer
  3. Microsoft Windows
  4. IBM PC
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হচ্ছে The Apollo Guidance Computer।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩০.
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কোন বৃহৎ শক্তিধর দেশ জাতিসংঘে ভেটো দেয়?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে ভেটো প্রদান:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। 
- বর্তমানে সোভিয়েত ইউনিয়ন নাম রাশিয়া।
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো দেয় রাশিয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে।
- এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।

উল্লেখ্য, 
-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠিত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. ২১ নভেম্বর ১৯৭১
  4. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
যৌথ কমান্ড গঠন:
- মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- সময়: ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর।
- লেফটেন্যান্ট জেনারেন জগজিৎ সিং অরোরার নেতৃত্বে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে আক্রমণ করলে ভারত সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।
- ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী মুক্তিবাহিনীর সাথে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই যৌথ কমান্ড এর নিকট পাক-বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।
৩২.
স্বাধীন বাংলাদেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়-
  1. ৬ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ১২ আগস্ট ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী রাষ্ট্র:
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান (পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে) এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ২৫ মে ১৯৭২।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে- ১৫ মে, ১৯৭২।
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- ইরাক।
- ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৩৩.
ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা সদস্যরা মূলত কোন এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করত?
  1. সীমান্ত এলাকায়
  2. কক্সবাজারে
  3. চট্টগ্রামে
  4. ঢাকায়
ব্যাখ্যা
'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।
 
 উৎস:  বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।
৩৪.
IAEA-এর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম কী? [ জুন, ২০২৫]
  1. রাফায়েল গ্রোসী
  2. হেনরি লোয়ার
  3. মার্ক রুট
  4. করিম আল-হাসান
ব্যাখ্যা
IAEA:
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency. 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র সংখ্যা: ১৮০টি। [ জুন, ২০২৫]
- বর্তমান মহাপরিচালক: Rafael Mariano Grossi. [ জুন, ২০২৫]
- স্লোগান / মিশন: “Atoms for Peace and Development”.

• প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও ইতিহাস:
-মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুয়াইট আইজেনহাওয়ার ১৯৫৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে “Atoms for Peace” নামে একটি প্রস্তাব দেন।
- এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে ১৯৫৭ সালে IAEA প্রতিষ্ঠিত হয়।

• উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার উৎসাহিত করা।
- পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে (non-proliferation) নজরদারি করা।
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান।

উৎস: IAEA ওয়েবসাইট।
৩৫.
’Human Development Reports’ প্রকাশ করে জাতিসংঘের কোন সংস্থা?
  1. UNICEF
  2. UNDP
  3. UNESCO
  4. WHO
ব্যাখ্যা
UNDP: 
- পূর্ণ নাম: United Nations Development Programme.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৫ সালে। 
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র। 
- বর্তমানে ১৭০ দেশে ও অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- বর্তমান প্রশাসক:  Achim Steiner (জার্মানি)।[ জুন, ২০২৫]
- স্লোগান / মিশন: "Empowered lives. Resilient nations."

• প্রধান কার্যক্রম:

- Human Development Reports (HDR):
- প্রতি বছর প্রকাশিত “মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন” ও Human Development Index (HDI)
- জাতিসংঘের Sustainable Development Goals (SDGs) অর্জনে সহায়তা প্রদান
- Inclusive Growth Programmes:
- নারী, যুব ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন
- নির্বাচন, নীতি প্রণয়ন, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি হ্রাস ও পরিবেশবান্ধব টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
৩৬.
UNHCR- কতবার নোবেল পুরস্কার পায়? [ জুন, ২০২৫]
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ১ বার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
UNHCR:
- পূর্ণ নাম: United Nations High Commissioner for Refugees.
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৫০।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- কার্যক্রম শুরু: ১ জানুয়ারি, ১৯৫১।
- বর্তমান হাইকমিশনার: Filippo Grandi (ইতালি)। [জুন, ২০২৫]
- ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে UNHCR নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে। 
- দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- স্লোগান / মিশন: "The UN Refugee Agency – Protecting People Forced to Flee"

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- UNHCR-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী শরণার্থী, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি, রাষ্ট্রহীন ব্যক্তি এবং আশ্রয়প্রার্থী জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও সহায়তা নিশ্চিত করা।
- এবং তাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তন, স্থানান্তর অথবা নতুন জীবন শুরু করতে সহায়তা করা।
- UNHCR বর্তমানে ১৩০টির বেশি দেশে কাজ করছে। 

উৎস: UNHCR ওয়েবসাইট।
৩৭.
CTBTO-এর প্রধান কাজ কী?
  1. পরমাণু শক্তি উন্নয়ন
  2. পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ
  3. জৈব অস্ত্র গবেষণা
  4. যুদ্ধাপরাধ তদন্ত
ব্যাখ্যা
CTBTO: 
- পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (CTBT):
- পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty.
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৮৭টি দেশ,
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৭৮টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: চীন, মিশর, ইরান, ইসরায়েল, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষরকরে: ১৯৯৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর।

- CTBTO-এর মূল উদ্দেশ্য হলো:
- বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করা।
- একটি বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা
- গোপন পারমাণবিক পরীক্ষা সনাক্ত করতে সক্ষম হওয়া
- বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
৩৮.
ILO- কবে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯৩৫ সালে
  3. ১৯৪৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। (জুন, ২০২৫)
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৯.
UN Women গঠনের আগে নিচের কোন সংস্থাটি নারীর উন্নয়ন নিয়ে কাজ করত?
  1. UNDP
  2. UNICEF
  3. UNIFEM
  4. ILO
ব্যাখ্যা
UN Women:
- UN Women হলো The United Nations Entity for Gender Equality and the Empowerment of Women.  - লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য নিবেদিত জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- বিশ্বব্যাপী নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য UN Women প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১০ সালে।
- কার্যক্রম শুরু: ২০১১ সালে।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: Sima Sami Bahous (জর্ডান)।

• UN Women গঠনের আগে জাতিসংঘের নারীর উন্নয়নসংক্রান্ত কাজ ৪টি সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হতো:
- DAW (Division for the Advancement of Women)
- INSTRAW (International Research and Training Institute for the Advancement of Women)
- OSAGI (Office of the Special Adviser on Gender Issues)
- UNIFEM (United Nations Development Fund for Women)

উৎস: UN Women ওয়েবসাইট।
৪০.
UNFPA- মূলত কোন বিষয়ে কাজ করে?
  1. আন্তর্জাতিক আইন
  2. পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
  3. প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা
  4. খাদ্য নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
UNFPA:
- UNFPA এর পূর্ণরুপ: United Nations Population Fund.
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল নামে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের নামকরণ করা হয়।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- নির্বাহী পরিচালক: নাতালিয়া কানেম।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস:  ১১ জুলাই। 

• UNFPA কাজ:

- প্রজনন স্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু কমানো, পরিবার পরিকল্পনা,
- যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য এবং সেবা প্রদান,
- এবং জনগণের প্রজনন অধিকার রক্ষা করার ক্ষেত্রে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব জনসংখ্যা রির্পোট প্রকাশ করে UNFPA।
- UNFPA সেবা দিয়ে যাচ্ছে ১৫০টিরও বেশি দেশে।

উৎস: UNFPA ওয়েবসাইট।