পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১২২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১২৩
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।] ----------------- এক নজরে বিসিএসের সিলেবাস: ১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য - ৩৫ নম্বর ২. English Language and Literature - ৩৫ নম্বর ৩. বাংলাদেশ বিষয়াবলি - ৩০ নম্বর ৪. আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ২০ নম্বর ৫. ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা - ১০ নম্বর ৬. বিজ্ঞান ও কম্পিউটার-তথ্য প্রযুক্তি - ৩০ নম্বর ৭. গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা - ৩০ নম্বর ৮. নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন - ১০ নম্বর
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১২৩ প্রশ্ন

.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ছিলেন না কে?
  1. ক) উইলিয়াম কেরী
  2. খ) গোলকনাথ শর্মা
  3. গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. ঘ) চণ্ডীচরণ মুনশী
সঠিক উত্তর:
গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ ফোর্ট উইলিয়মের অভ্যন্তরভাগে গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলী কর্তৃক ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রাচ্যবিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। 
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন-
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয়‌ বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলােচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী ইত্যাদি। 
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘ব্রাহ্মণ-রােমান-ক্যাথলিক সংবাদ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) উইলিয়াম কেরী
  2. খ) ব্রাসি হ্যালহেড
  3. গ) মনোএল দা আসুসাম্পসাঁউ
  4. ঘ) দোম আন্তোনিও
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোম আন্তোনিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোম আন্তোনিও
ব্যাখ্যা
বাঙালী খ্রিষ্টান দোম আন্তোনিও রচিত ‘ব্রাহ্মণ-রােমান-ক্যাথলিক সংবাদ’ একটি ধর্মীয় বিতর্কমূলক গ্রন্থ। 
- আন্তোনিও ব্রাহ্মণ-রোমান-ক্যাথলিক সম্বাদ নামে ১২০ পৃষ্ঠার একটি গ্রন্থ রচনা করেন, যা বাংলা সাধু গদ্যরীতির আদি নিদর্শন হিসেবে খ্যাত। ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে গ্রন্থটি সুরেন্দ্রনাথ সেনের সম্পাদনায়  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত হয়।

দোম আন্তোনিও (১৭শ-১৮শ শতক) বাংলা গদ্যরীতির প্রথম লেখক ও বাংলায় খ্রিস্টধর্মের প্রচারক।
- আনুমানিক ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন যশোর-ফরিদপুর অঞ্চলের  ভূষণা রাজ্যের রাজ পরিবারের সদস্য। তাঁর প্রকৃত নাম ও উপাধি জানা যায় না। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?' বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) নতুন লেখা
  2. খ) মুহূর্তের কবিতা
  3. গ) সাত সাগরের মাঝি
  4. ঘ) নৌফেল ও হাতেম
সঠিক উত্তর:
গ) সাত সাগরের মাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যা
• মুসলিম জাগরনের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা:- সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

কবিতাটি নিম্নরূপ- 

রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি?
এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে?
সেতারা, হেলাল এখনো ওঠেনি জেগে?
তুমি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভুলে;
অসীম কুয়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি।
রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? (সংক্ষিপ্ত)

• তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুর কাহিনী ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'প্রলুব্ধ' শব্দের বিশেষ্য রূপ কোনটি?
  1. ক) প্রলিপ্ত
  2. খ) প্রলোভিত
  3. গ) প্রলোভন
  4. ঘ) প্রলেপক
সঠিক উত্তর:
গ) প্রলোভন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রলোভন
ব্যাখ্যা
 প্রলুব্ধ/ প্রলোভিত' শব্দের বিশেষ্য রূপ = 'প্রলোভন'

• প্রলোভন (বিশেষ্য) 
অর্থ: লুব্ধকরণ, লোভজনক বিষয় 

• প্রলুব্ধ  (বিশেষণ) 
অর্থ: অতিশয় লোভাতুর,
- আকৃষ্ট

• প্রলোভ (বিশেষ্য) 
অর্থ: অতিরিক্ত লোভ 

• প্রলিপ্ত (বিশেষণ) 
অর্থ: উত্তমরূপে লেপন করা হয়েছে এমন। 

• প্রলেপক (বিশেষণ) 
অর্থ: প্রলেপকারী, লেপক। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
.
সুফিয়া খাতুন রচিত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ভ্রমণকাহিনি কোনটি?
  1. ক) প্রবাসের প্রাপ্তি
  2. খ) পথে প্রান্তরে
  3. গ) সােনা ঝরা দিন
  4. ঘ) জীবন নদীর বাঁকে বাঁকে
সঠিক উত্তর:
ক) প্রবাসের প্রাপ্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রবাসের প্রাপ্তি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২১ পুরস্কার প্রাপ্ত ভ্রমণকাহিণি ‘প্রবাসের প্রাপ্তি’ এর রচয়িতা সুফিয়া খাতুন

সুফিয়া খাতুন:
সুফিয়া খাতুন জন্ম মে ১৯২২ সালে ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে। এই বিদুষী সংগ্রামী নারী সারাজীবন সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করেছেন।
- তারই প্রকাশ ঘটেছে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘জীবন নদীর বাঁকে বাঁকে' (২০০৫)-এ।
- শিশুদের জন্য রচনা করেছেন ‘সােনা ঝরা দিন’ (২০০৬)।
- দীর্ঘ তিন যুগ ধরে তাঁর পরিচিত পরিবেশ এবং নিকটজনদের নিয়ে কিছু সরস ও সহজবােধ্য কবিতা রচনা করেছেন। সেগুলাে মলাট বন্দি করেছেন ‘আপন ভুবন’ নামক কাব্যগ্রন্থে।
- জীবনের মনোরম দিনগুলি কাটিয়েছে প্রবাসী সন্তানদের সঙ্গে ইউকে ও ইউএসএ-তে।
- তারই দিনলিপির খসড়া প্রণয়ন ‘প্রবাসের প্রাপ্তি’।
- গ্রন্থটি ২০২১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত হয়। 
- ০৭ জানুয়ারি ২০২৩ তিনি  মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ‘জীবন নদীর বাঁকে বাঁকে', সুফিয়া খাতুন এবং ।
.
কর্মধারয় সমাসের প্রকারের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) উপমান
  2. খ) উপমেয়
  3. গ) উপমিত
  4. ঘ) রূপক
সঠিক উত্তর:
খ) উপমেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উপমেয়
ব্যাখ্যা
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন – গােলাপ নামের ফুল = গােলাপফুল, যা কাঁচা তাই মিঠা = কাঁচা-মিঠা।

• কিছু কর্মধারয় সমাসের সমস্যমান পদে যে’ যােজক থাকে।
যেমন – খাস যে জমি = খাসজমি

• কিছু কর্মধারয় সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক শব্দ হয়, সেগুলােকে দ্বিগু কর্মধারয় বলে।
যেমন – তিন ফলের সমাহার = ত্রিফলা


• কিছু কর্মধারয় সমাসে সমস্যমান পদের মধ্যবর্তী এক বা একাধিক পদ লােপ পায়। এগুলাে মধ্যপদলােপী কর্মধারয় নামে পরিচিত।
যেমন – ঘি মাখানাে ভাত = ঘিভাত

• যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস
হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন – কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে

• যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলােকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন –  পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ


• কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়। এগুলােকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন – বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
"গোধূলিতে নামল আঁধার ,
ফুরিয়ে গেল বেলা ,
ঘরের মাঝে সাঙ্গ হল
চেনা মুখের মেলা ।"
- কবিতাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) সেঁজুতি
  2. খ) আকাশপ্রদীপ
  3. গ) সঞ্চয়িতা
  4. ঘ) পুনশ্চ
সঠিক উত্তর:
খ) আকাশপ্রদীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আকাশপ্রদীপ
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  ‘আকাশ-প্রদীপ’ কাব্যগ্রন্থটি সুধীন্দ্রনাথ দত্তকে উৎসর্গ করেন। 
- এ কাব্যগ্রন্থের অধিকাংশ কবিতায় শৈশবস্মৃতি  এবং জীবন সায়াহ্নের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। 
- 'গোধূলিতে নামল আঁধার' এ কাব্যগ্রন্থের মূল সুর।
- কবিতাটি নিম্নরূপ- 

আকাশপ্রদীপ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোধূলিতে নামল আঁধার,
ফুরিয়ে গেল বেলা,
ঘরের মাঝে সাঙ্গ হল
চেনা মুখের মেলা ।
দূরে তাকায় লক্ষ্যহারা
নয়ন ছলোছলো,
এবার তবে ঘরের প্রদীপ
বাইরে নিয়ে চলো
মিলনরাতে সাক্ষী ছিল যারা
আজো জ্বলে আকাশে সেই তারা ।

পাণ্ডু-আঁধার বিদায় রাতের শেষে
যে তাকাত শিশির সজল শূন্যতা-উদ্দেশে সেই তারকাই তেমনি চেয়েই আছে
অস্তলোকের প্রান্তদ্বারের কাছে ।
অকারণে তাই এ প্রদীপ জ্বালাই আকাশ-পানে - যেখান হতে স্বপ্ন নামে প্রাণে ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং আকাশপ্রদীপ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
.
'বর্ষাকালে খেজুরের রস পাওয়া যায়' - বাক্যটিতে কোন গুণের অভাব ঘটেছে?
  1. ক) আকাঙ্ক্ষা
  2. খ) আগ্রহ
  3. গ) আসত্তি
  4. ঘ) যোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) যোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
সার্থক বাক্যের গুণ ৩ টি - 
- আকাঙ্ক্ষা
- আসত্তি 
- যোগ্যতা 

'বর্ষাকালে খেজুরের রস পাওয়া যায়' - বাক্যটিতে যোগ্যতার অভাব ঘটেছে। 
- বাক্যের পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধনের নামই যোগ্যতা। 
- যেমন- 'শীতকালে খেজুরের রস পাওয়া যায়' এটি একটি যোগ্যতা সম্পন্ন বাক্য। কারন বাক্যটির পদসমূহের অর্থগত ও ভাবগত মেলবন্ধন আছে। 
- কিন্তু 'বর্ষাকালে খেজুরের রস পাওয়া যায়' - বাক্যটি ভাব প্রকাশে যোগ্যতা হারাবে। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'কেতকাপুরাণ' মঙ্গল কাব্য ধারার সাহিত্য?
  1. ক) ধর্মমঙ্গল
  2. খ) চণ্ডীমঙ্গল
  3. গ) শিবমঙ্গল
  4. ঘ) মনসামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনসামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা
'কেতকাপুরাণ' মনসামঙ্গল কাব্য ধারার সাহিত্য। 

- 'মনসামঙ্গলের' একমাত্র পশ্চিম বঙ্গীয় কবির নাম কেতকা দাস ক্ষেমানন্দ। 
- তার কাব্যের নাম 'কেতকাপুরাণ'। 
- ক্ষেমানন্দের মনসামঙ্গল সর্বপ্রথম মুদ্রণ সৌভাগ্য লাভ করে ১৮৪৪ সালে। 
- এজন্য উনিশ শতকের বাঙালি শিক্ষিত সমাজে কবি সবচয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
‘ম’ বর্ণ হচ্ছে-
  1. ক) প-বর্গীয় ধ্বনি
  2. খ) নাসিক্য বর্ণ
  3. গ) ওষ্ঠ্য বর্ণ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ঙ ঞ ণ ন ম- এই পাঁচটি বর্ণ এবং ং, ঃ, ঁ যে বর্ণের সঙ্গে লিখিত হয় সে বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নিঃসৃত বায়ু মুখবিবর ছাড়াও নাসারন্ধ্র দিয়ে বের হয়; অর্থাৎ এগুলোর উচ্চারণে নাসিকার সাহায্য প্রয়োজন হয়। তাই এগুলোকে বলে আনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি, আর এগুলোর বর্ণকে বলা হয় আনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ।

• প- বর্গীয় ধ্বনিঃ প, ফ, ব, ভ, ম এই পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে ওষ্ঠের সঙ্গে অধরের স্পর্শ ঘটে।
- তাই এদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি এবং প্রতীকগুলোকে ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
"সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস:
বাতাসের ওপারে বাতাস–
আকাশের ওপারে আকাশ।" পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সমর সেন
  2. খ) জীবনানন্দ দাশ
  3. গ) মহাদেব সাহা
  4. ঘ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
আলোচ্য পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশ রচিত 'আকাশলীনা' কবিতাটির অংশ।
- কবিতাটি 'সাতটি তারার তিমির' (১৯৪৮) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

কবিতাটি নিম্নরূপ- 

সুরঞ্জনা, অইখানে যেয়ো নাকে তুমি,
বোলো নাকো কথা অই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনা:
নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে;

ফিরে এসো এই মাঠে ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূরে–আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়ো নাকে আর।

কী কথা তাহার সাথে?–তার সাথে!
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মতো তুমি আজ:
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে।

সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস:
বাতাসের ওপারে বাতাস–
আকাশের ওপারে আকাশ।
-------------
জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ -
- ঝরাপালক (১৯২৮)
- ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬)
- বনলতা সেন (১৯৪২)
- সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)
- রূপসী বাংলা (১৯৫৭)

উৎস: আকাশলীনা, জীবনানন্দ দাশ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
নিম্নের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) ইতিমধ্যে
  2. খ) ইতঃমধ্যে
  3. গ) ইতোমধ্যে
  4. ঘ) ইতিঃমধ্যে
সঠিক উত্তর:
গ) ইতোমধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইতোমধ্যে
ব্যাখ্যা
ইতোমধ্যে (ক্রিয়া বিশেষণ) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = ইতঃ+মধ্য+অ
অর্থ: ইত্যবসরে, এর মধ্যে।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৩.
'নিষিদ্ধ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) সিদ্ধ
  2. খ) অসিদ্ধ
  3. গ) সসিদ্ধ
  4. ঘ) নিষেধ
সঠিক উত্তর:
ক) সিদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিদ্ধ
ব্যাখ্যা
'নিষিদ্ধ'/'অসিদ্ধ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ = সিদ্ধ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
'গঙ্গা' শব্দের সমার্থক কোনটি?
  1. ক) গাঙ
  2. খ) নির্ঝরিণী
  3. গ) সমুদ্রকান্তা
  4. ঘ) পিনাকিনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিনাকিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পিনাকিনী
ব্যাখ্যা
'পিনাকিনী'; 'গঙ্গা' শব্দের সমার্থক। 
'গঙ্গা' শব্দের সমর্থক শব্দ = ভাগীরথী, শিবপত্নী, গোমতী, কৃষ্ণবেণী, পিনাকিনী, কাবেরী। 

• 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ: নদ, নদনদী, তটিনী, প্রবাহিণী, তরঙ্গিনী, শৈবালিনী, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, নির্ঝরণী, গাঙ, সরিৎ, সমুদ্রকান্তা, সমুদ্রদয়িতা, স্রোতবহা, মন্দাকিনী, স্রোতোবহ, কল্লোলিনী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
'আসন গ্রহণ করেছে'-তাকে এক কথায় কী বলে?
  1. ক) বচসা
  2. খ) উপ্ত
  3. গ) উপাসীন
  4. ঘ) উপবিষ্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপবিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপবিষ্ট
ব্যাখ্যা
'আসন গ্রহণ করেছে'-তাকে এক কথায় বলে = উপবিষ্ট, আসীন 

উপবিষ্ট (বিশেষণ) 
অর্থ: আসন গ্রহণ করেছে এমন, আসীন 

অন্যদিকে, 
বাক্যের দ্বারা কৃতকলহ = বচসা 
বপন করা হয়েছে = উপ্ত
বলা হয়েছে যা = উক্ত 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১৬.
'শুভেচ্ছা' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোন সূত্রযোগে গঠিত?
  1. ক) অ/আ + উ/ঊ = ও
  2. খ) অ/আ + ও/ঔ = ঔ।
  3. গ) অ/আ + ই/ঈ = এ
  4. ঘ) অ/আ + অ/আ = আ।
সঠিক উত্তর:
গ) অ/আ + ই/ঈ = এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ/আ + ই/ঈ = এ
ব্যাখ্যা
অ/আ + ই/ঈ = এ। সূত্রযোগে সন্ধি বিচ্ছেদ ঘটেছে 'শুভেচ্ছা' শব্দে। 
যেমন – শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা

অন্যদিকে, 
অ/আ + উ/ঊ = ও; সূত্রযোগে সন্ধি বিচ্ছেদ ঘটেছে 'সূর্যোদয়' শব্দে।
সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়

সূত্র: অ/আ + অ/আ = আ।
যেমন – উত্তর + অধিকার = উত্তরাধিকার, আশা + অতীত = আশাতীত

সূত্র: অ/আ + ও/ঔ = ঔ।
যেমন – বন + ওষধি = বনৌষধি

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি এর উদাহরণ নিচের কোনটি?
  1. ক) শরীর > শরীল
  2. খ) মারি > মাইর
  3. গ) কাঁদনা > কান্না
  4. ঘ) রত্ন > রতন
সঠিক উত্তর:
ঘ) রত্ন > রতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রত্ন > রতন
ব্যাখ্যা
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি (Anaptyxis):
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন
অ – রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
ই – প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ > কিলিপ, ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
উ – মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক, ভ্রু > ভুরু ইত্যাদি।
এ – গ্রাম > গেরাম, প্ৰেক > পেরেক, স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
ও – শ্লোক > শােলােক, মুরগ > মুরােগ > মােরগ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
কাঁদনা > কান্না = সমীভবন
মারি > মাইর = অপিনিহিতি
শরীর > শরীল = বিষমীভবন

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি-
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) কাজেম আল কোরেশী
  3. গ) আবদুল হাকিম
  4. ঘ) আলাওল
সঠিক উত্তর:
খ) কাজেম আল কোরেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাজেম আল কোরেশী
ব্যাখ্যা
• আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ। 
- তার প্রকৃত নাম- কাজেম আল কোরেশী।
- কায়কোবাদ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- তিনি মুসলমান কবিদের মধ্যে সর্বপ্রথম সনেট এবং মহাকাব্য রচনা করেন।
- 'মহাশ্মশান' কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি একটি মহাকাব্য।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে 
- অশ্রুমালা
- কুসুমকানন
- অমিয়ধারা 
- শিবমন্দির 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
'সাদা-কালো' শব্দটি কোন দুটি ভাষার মিশ্রণে গঠিত?
  1. ক) বাংলা+আরবি
  2. খ) ফারসি+বাংলা
  3. গ) আরবি+হিন্দি
  4. ঘ) হিন্দি+বাংলা
সঠিক উত্তর:
খ) ফারসি+বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফারসি+বাংলা
ব্যাখ্যা
সাদা-কালো শব্দটি ফারসি+বাংলা শব্দের মিশ্রণে গঠিত। 

সাদা - ফারসি শব্দ
কালো - বাংলা শব্দ

সাদা-কালো (বিশেষণ) 
অর্থ: 
- সাদা ও কালো, রঙিন নয় এমন (সাদাকালো ছবি) 
- অস্পষ্টতা নে এমন। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২০.
Allotment শব্দের সঠিক পারিভাষিক অর্থ কোনটি?
  1. ক) বরাদ্দ
  2. খ) বণ্টন
  3. গ) ভাতা
  4. ঘ) বিকল্প
সঠিক উত্তর:
ক) বরাদ্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বরাদ্দ
ব্যাখ্যা
Allotment শব্দের সঠিক পারিভাষিক অর্থ = বরাদ্দ, আবণ্টন, বিলি 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু পারিভাষিক শব্দ-
Distribution - বণ্টন
Allowance = ভাতা 
Appendix =  পরিশিষ্ট
Alternative = বিকল্প
Amendment = সংশোধন 
Appointment = নিয়োগ 
Audit = নিরীক্ষা 
Attested = সত্যায়িত
Assembly = পরিষদ, সভা, সমাগম। 

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা অভিধান
২১.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত নাটক কোনটি?
  1. ক) কোকিলারা
  2. খ) উজানে মৃত্যু
  3. গ) নেমেসিস
  4. ঘ) জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
সঠিক উত্তর:
খ) উজানে মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উজানে মৃত্যু
ব্যাখ্যা
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ একজন  কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

নাটক:
- বহিপীর,
- সুড়ঙ্গ,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু ইত্যাদি।

উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- আবদুল্লাহ আল মামুন - রচিত ''কোকিলারা'' একটি এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক। 
- নুরুল মোমেনের শ্রেষ্ঠ নাটক 'নেমেসিস'। ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৪৪ সালে রচনা করা হয় এই নাটক।
- 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' সেলিম আল দীন রচিত একটি নাটক।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
The selection of words in a writing is called -
  1. ক) Denotation
  2. খ) Denouement
  3. গ) Diction
  4. ঘ) Didactic
সঠিক উত্তর:
গ) Diction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Diction
ব্যাখ্যা
•The selection of words in a writing is called - Diction.
- A particular writer chooses a particular type of words and phrases অর্থাৎ প্রতিটি লেখকের নিজস্ব বা বিশেষ শব্দচয়ন রয়েছে।
- যেমন John Milton তাঁর লেখায় bombastic, unusual, allusive এবং latinized শব্দের ব্যবহার করেছেন - কিন্তু George Orwell এর সাহিত্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে তাঁর লেখায় simple, lucid এবং common শব্দের ব্যবহার বেশি। 
- সুতরাং, সাহিত্যিকদের সাহিত্য রচনার জন্য করা শব্দচয়নকে সেই সাহিত্যিকের diction বলা হয়।

অন্যদিকে,
• The direct meaning of a word - Denotation.
• A kind of writing intended to teach or instruct - Didactic.
• The final scene of a drama in which all problems resolved - Denouement.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
২৩.
The mission for the crew of the space shuttle is essentially over. Here the word crew is a/an -
  1. ক) Masculine gender
  2. খ) Feminine gender
  3. গ) Common gender
  4. ঘ) Neuter gender
সঠিক উত্তর:
ঘ) Neuter gender
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Neuter gender
ব্যাখ্যা
• The mission for the crew of the space shuttle is essentially over. Here the word crew is a/an - Neuter gender.
- কারণ crew হচ্ছে collective noun এবং collective noun ব্যক্তি বাচক /প্রাণিবাচক হলেও তা neuter gender হিসেবে বিবেচিত হয়। 
এই রকম আরো কিছু neuter gender এর উদাহরণ হচ্ছে - 
- cattle, soldiers, army, folk etc.
২৪.
Marie Curie is the woman that discovered radium. Here 'that' is a/an -
  1. ক) Indefinite pronouns
  2. খ) relative pronoun
  3. গ) distributive pronoun
  4. ঘ) reciprocal pronoun
সঠিক উত্তর:
খ) relative pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) relative pronoun
ব্যাখ্যা
• Marie Curie is the woman that discovered radium. Here 'that' is a - relative pronoun.
• Relative pronoun - Whom, who, whose, which,that ইত্যাদি শব্দ গুলো যদি দুটি বাক্যের বা clause এর মাঝে বসে দুইটি clause এর মধ্যে relation তৈরি করে তবে তাদের relative pronoun বলে।
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে that দুইটি clause এর মাঝে বসে এদের মধ্যে একটি relation বা সম্পর্ক সৃষ্টি করেছে।
- তাই সঠিক উত্তর হবে - relative pronoun
অন্যদিকে,
• Reciprocal pronoun - পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে each other এবং one another এই দুইটি pronoun ব্যবহার করা হয়, যারা reciprocal pronoun নামে পরিচিত
• Indefinite pronouns বা অনির্দিষ্ট অর্থজ্ঞাপক Pronoun হলো: One, someone, everyone, nobody.
- এগুলো দ্বারা নির্দিষ্ট ভাবে কাউকে না বুঝিয়ে সাধারণ ভাবে বোঝানো হয়।
• Distributive Pronoun:
যে সকল pronoun দুই বা ততোধিক ব্যক্তি বা বস্তুর প্রত্যেককে পৃথক ভাবে বুঝায় তাদেরকে Distributive Pronoun বলে।
যেমন - each, every, either, neither ইত্যাদি।
এই pronoun গুলোকে positive pronoun ও বলে।
২৫.
Fill in the gap with appropriate phrase. We would later have to ________ over our bold moves.
  1. ক) face to face
  2. খ) face the music
  3. গ) far cry
  4. ঘ) fall about
সঠিক উত্তর:
খ) face the music
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) face the music
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে -
ক) face to face
English Meaning: (of two people) close together and facing each other.
Bangla Meaning: মুখোমুখি, সরাসরি

খ) face the music
English Meaning: to accept criticism or punishment for one’s action.
Bangla Meaning: কর্মফল ভোগ (গ্রহন) করা

গ) far cry
English Meaning: a long distance.
Bangla Meaning: পার্থক্য বা বিশাল ব্যবধান

ঘ) fall about
English Meaning: 2. have an argument.
Bangla Meaning: ২. তর্কে জড়ানো

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, context অনুসারে শূন্যস্থানে face the music phrase টি বসালে বাক্যের অর্থ পুর্ণতা পাবে। 
- Complete Sentence: We would later have to face the music over our bold moves.
- Bangla Meaning: আমাদের এইসব সাহসী কাজের ফল কিন্তু পরে ভোগ করতে হবে।

Source: Live MCQ Lecture.
২৬.
In which poem we can found Hindu myth or allusion of philosophy?
  1. ক) Ode to the West Wind
  2. খ) Ode on a Grecian Urn
  3. গ) The Waste Land
  4. ঘ) The Sun is Rising
সঠিক উত্তর:
গ) The Waste Land
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) The Waste Land
ব্যাখ্যা
• In the poem 'The Waste Land' we can found Hindu myth or allusion of philosophy.
- এটি T.S Eliot রচত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এই কবিতায় The Waste Land বলতে তিনি বর্তমান পৃথিবীকে বুঝিয়েছেন।
- এই কবিতাটি ১৯২২ সালে রচিত
- তিনি ১৯৪৮ সালে কবিতাটির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এই কবিতায় Hindu myth or allusion of philosophy এর বিভিন্ন উদাহরণ পাওয়া যায়।
- The Waste Land' is a 433- lines, Five parted Poem.
- এবং এর ৪র্থ এবং ৫ম পার্টে he influence of Indian thought এবং Hindu myth or allusion of philosophy লক্ষ্য করা যায়। 

• The Five Parts are - 
1) 'The Burial of the Dead'
2) 'A Game of Chess'
3) 'The Fire Sermon'
4) 'Death by Water' and
5) 'What the Thunder Said'
২৭.
Which of the following lines is not stated by Francis Bacon?
  1. ক) It is impossible to love and to be wise.
  2. খ) Silence is the sleep that nourishes wisdom.
  3. গ) Some are born great, some achieve greatness, and some have greatness thrust upon them
  4. ঘ) Beauty itself is but the sensible image of the Infinite
সঠিক উত্তর:
গ) Some are born great, some achieve greatness, and some have greatness thrust upon them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Some are born great, some achieve greatness, and some have greatness thrust upon them
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 'Some are born great, some achieve greatness, and some have greatness thrust upon them' এই উক্তিটি Francis Bacon এর নয়।
- উক্তিটি William Shakespeare এর Twelfth Night comedy হতে উদ্ধৃত। 
- Shakespeare used this quote as a joke that Malvolio's fellow servants played on him.

অন্যদিকে অপশনে উল্লেখিত বাকি তিনটি quotations Francis bacon এর।
• The famous essayist in English Literature Francis Bacon.
- এটি তার essay 'Of Studies' থেকে উদ্ধৃত।
- Francis Bacon কে father of English Essay এবং natural philosopher বলা হয়ে থাকে।
 
• তার বিখ্যাত কিছু quotes - 
- “Wives are young men’s mistresses; companions for middle age, and old men’s nurses.”
- “Reading maketh a full man; conference a ready man, and writing an exact man.”
- “It is impossible to love and to be wise.”
- “Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested.”
- "Wonder is the seed of knowledge."
- "A false friend is more dangerous than an open enemy."
- "Beauty itself is but the sensible image of the Infinite."
- "Silence is the sleep that nourishes wisdom."

Source: Enotes.com and Britannica.
২৮.
Which of the followings is the finest examples of Old English Period?
  1. ক) The Wife's Lament
  2. খ) Piers Plowmen
  3. গ) Le Morte d'Aurther
  4. ঘ) Confessio Amantis
সঠিক উত্তর:
ক) The Wife's Lament
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) The Wife's Lament
ব্যাখ্যা
• The Wife's Lament is the finest examples of Old English Period/ The Anglo-Saxon Period.
- The Old English Period started in 450 and ended in 1066 with the Norman Conquest.

• এই যুগের অন্যতম সাহিত্যকর্ম গুলো হচ্ছে - 
- Beowulf (earliest epic)
- The Seafarer
- The Husband's Message
- The Wife's Lament
- The Wanderer
- The Anglo-Saxon Chronicle (earliest prose)

অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি তিনটি অপশন এর সবগুলোই The Middle English Period এর সাহিত্যকর্ম।
• Piers Plowmen written by - William Langland.
• Le Morte d'Aurther written by Sir Thomas Malory (The first romance in prose).
• Confessio Amantis written by John Gower.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
২৯.
Which one is the correct sentence?
  1. ক) One of the boy is present.
  2. খ) One of the boys was present.
  3. গ) One of the boys are present.
  4. ঘ) One of the boys were present.
সঠিক উত্তর:
খ) One of the boys was present.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) One of the boys was present.
ব্যাখ্যা
• ‘One of’ এর পরে সবসময় plural noun হয়; যে কারণে ‘One of the boys’ সঠিক।
- অন্যদিকে, ‘One of the boys’ phrases এর headword ‘one’ singular হওয়ায় verb singular হবে.
- অতএব, ‘were’ বা ‘are’ ব্যবহার করা যাবেনা।
- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্য হচ্ছে - One of the boys was present.
৩০.
The burglars broke into the car. Here the underlined part is a/an -
  1. ক) Verb Phrase
  2. খ) Phrasal Verb
  3. গ) Prepositional Phrase
  4. ঘ) Conjunctional Phrase
সঠিক উত্তর:
খ) Phrasal Verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Phrasal Verb
ব্যাখ্যা
• The burglars broke into the car. Here the underlined part is a/an -
Phrasal Verb:
- বাক্যে Verb + preposition/adverb থাকলে সেটা Phrasal Verb হয়।
- যেমন - look down upon, give up, look after.
- তাই এখানে broke into (verb + preposition) হচ্ছে phrasal verb.

অন্যদিকে,
• Verb Phrase:
- যে phrase - verb এর কাজ করে সেটি Verb Phrase.
-A verb phrase consists of a main verb alone, or a main verb plus any modal and/or auxiliary verbs.
- The main verb always comes last in the verb phrase

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারনত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Advrbial phrase.

• Prepositional Phrase:
- Prepositional Phrase - Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective Phrase বা Adverb Phrase এর মতো কাজ করে। যেমন -
- A man of high intellect often feels lonely. (Prepositional Phrase/ Adjective Phrase)
- He went there with a jolly mind. (Prepositional Phrase/ Adverb Phrase)
৩১.
Bad handwriting or spelling is known as -
  1. ক) Cartography
  2. খ) Chirography
  3. গ) Cacography
  4. ঘ) Calligraphy
সঠিক উত্তর:
গ) Cacography
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Cacography
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
- Cartography -  writing done by hand
- Calligraphy - Art of good handwriting.
- Cacography - Illegible or bad handwriting /spelling.
- Cartography - An art of drawing maps.

সুতরাং, Bad handwriting or spelling is known as - Cacography.
৩২.
Genghis Khan was more ruthless than all other conquerors. (Make it positive)
  1. ক) Very few conquerors were as ruthless as Genghis Khan.
  2. খ) No other conqueror was as ruthless as Genghis Khan.
  3. গ) No other conquerors was so ruthless as Genghis Khan.
  4. ঘ) Very few conqueror was as ruthless as Genghis Khan.
সঠিক উত্তর:
খ) No other conqueror was as ruthless as Genghis Khan.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) No other conqueror was as ruthless as Genghis Khan.
ব্যাখ্যা
• than all other / than any other থাকলে Positive করার tructure:
- প্রথমে No other বসে
- Object টি বসে
- verb + as/so + (Positive Degree) + as
- Subject টি বসে। 
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, সঠিক উত্তর - No other conqueror was as ruthless as Genghis Khan.
৩৩.
Hardly had the bus stopped _________.
  1. ক) then we got down
  2. খ) than we got down
  3. গ) as we got down
  4. ঘ) when we got down
সঠিক উত্তর:
ঘ) when we got down
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) when we got down
ব্যাখ্যা
• বাক্যে No sooner..... scarcely had .........hardly had ....... থাকলে এর প্রথম অংশ Past Perfect এবং Verb এর Past Participle হয় এবং ২য় অংশে Past Indefinite হয়।
- মনে রাখা জরুরি, no sooner...than, scarcely..when, hardly...when এভাবে আসে। 
যেমন:
No sooner had the thief seen the police than he ran away.
Hardly had I reached the station when the train came.
Scarcely had we reached the station, when the train left.
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি hardly had দিয়ে শুরু হয়েছে তাই এরপরের অংশ when দিয়ে শুরু হবে এবং Past Indefinite tense এ হবে।
- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - when we got down.
- Complete Sentence: Hardly had the bus stopped, when we got down

৩৪.
Akash went to ______ hospital because he had ___ fever.
  1. ক) no article, an
  2. খ) the, a
  3. গ) no article, a
  4. ঘ) the, no article
সঠিক উত্তর:
গ) no article, a
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) no article, a
ব্যাখ্যা
• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- School, college, market, bed, hospital, prison, mosque, temple, church, court of ইত্যাদি মূখ্য উদ্দেশ্যে (যেটা যেটার জন্য নির্মিত) ব্যবহৃত হলে কোন Article বসে না।
যেমন:
- I go to school.
- He went to market.
একই ভাবে - He went to hospital for treatment purposes.
•  কিন্তু স্থানগুলো অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলে এদের আগে Article বসে।
যেমন:
- I went to the hospital to visit my uncle.

- সুতরাং, তাই প্রথম শূন্যস্থানে No article হবে।
- দ্বিতীয় ক্ষেত্রে শব্দ (fever) টি Consonant এর উচ্চারণ দিয়ে শুরু হওয়ায় এর পূর্বে Article a বসবে।
- তাই সঠিক উত্তর - no article, a
- Complete Sentence: Akash went to hospital because he had a fever.
৩৫.
Which kind of literary work is 'The Murders in the Rue Morgue'?
  1. ক) Dark comedy
  2. খ) Dystopian novel
  3. গ) Scientific novel
  4. ঘ) Detective story
সঠিক উত্তর:
ঘ) Detective story
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Detective story
ব্যাখ্যা
• 'The Murders in the Rue Morgue' is a short Detective story by Edgar Allan Poe.
- এটি ১৮৪১ সালে প্রথম Graham’s magazine এ প্রকাশিত হয়।
- It is considered one of the first detective stories.
- অর্থাৎ, The Murders in the Rue Morgue” আধুনিক গোয়েন্দা গল্পের সূচনা করেছিল এবং  the atmosphere in his tales of horror is unrivaled in American fiction.

• Edgar Allan Poe, American short-story writer, poet, critic, and editor who is famous for his cultivation of mystery and the macabre.
- তাঁকে the father of modern detective stories বলা হয়ে থাকে।
- His “The Raven” (1845) numbers among the best-known poems in the national literature.

Source: Britannica.
৩৬.
If you don't hurry, you ____ miss the train.
  1. ক) will
  2. খ) will be
  3. গ) would have
  4. ঘ) would be
সঠিক উত্তর:
ক) will
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) will
ব্যাখ্যা
• First conditional এর নিয়মানুযায়ী,
- If + present indefinite + comma + future indefinite. 
-If যুক্ত clause টি present indefinite tense এ থাকলে এর পরের অংশে future indefinite হবে।
সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - will 
Complete Sentence: If you don't hurry, you will miss the train.
৩৭.
The government stands accused _____ eroding freedom of speech.
  1. ক) with
  2. খ) by
  3. গ) of
  4. ঘ) for
সঠিক উত্তর:
গ) of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) of
ব্যাখ্যা
•Accuse of - কাউকে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত করা।
-  কাউকে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত করা বোঝাতে accuse এর পর appropriate preposition হিসেবে of ব্যবহৃত হয়।
-তাই সঠিক উত্তর - of
৩৮.
The adjective form of the word 'Diffidence' is -
  1. ক) Diffidently
  2. খ) Diffident
  3. গ) Diffidence
  4. ঘ) Diffidentful
সঠিক উত্তর:
খ) Diffident
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Diffident
ব্যাখ্যা
Diffidence (noun)
- এর adjective হচ্ছে - Diffident.

English Meaning: The quality of being shy and not confident of your abilities.
Bangla Meaning: আত্মপ্রত্যয়হীনতা; অবিশ্বাস।

Synonyms: Timidity (ভীরুতা; লজ্জা), Self-doubt (স্ব-সন্দেহ), Insecurity (নিরাপত্তাহীনতা;
সংশয়পন্ন), Self-distrust (আত্মবিশ্বাসের অভাব)।
Antonyms: Confidence (আত্মবিশ্বাস; দৃঢ়তা; সাহস; আস্থা), Sureness (নৈশ্চিত্য),
Assurance (আত্মপ্রত্যয়), Authority (কর্তৃত্ব), Trust (আস্থা)।

Other Forms: 
- Diffident (adjective) আত্মপ্রত্যয়হীন; নিজের শক্তিতে আস্থাহীন; সংশয়ী।
- Diffidently (adverb)

Example Sentence: 
1. There was a diffidence in his soft voice.
2. In his whole speech, diffidence was present.

Source: Live MCQ Lecture
৩৯.
The girls sang beautifully. Here 'sang' is a/an -
  1. ক) Transitive verb
  2. খ) Linking verb
  3. গ) Intransitive verb
  4. ঘ) Cognate Verb
সঠিক উত্তর:
গ) Intransitive verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Intransitive verb
ব্যাখ্যা
- যেসকল verb এর object বা কর্ম থাকে না তাকে Intransitive verb বলে।
- সাধারণত বাক্যে verb এর পরে কোনো word না থাকলে অথবা verb এর পরে adverb থাকলে অথবা শুধু preposition থাকলে verb টি অবশ্যই Intransitive verb হবে।
- প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যে verb (sang) এরপর adverb (beautifully) আছে এবং এর object নেই তাই এটি intransitive verb.
৪০.
4a2 - 9 - b(b - 6) এর উৎপাদক কত?
  1. ক) (3a - b - 2)(3a - b + 2)
  2. খ) (2a + b + 3)(2a - b - 3)
  3. গ) (3a + b - 2)(3a - b + 2)
  4. ঘ) (2a + b - 3)(2a - b + 3)
সঠিক উত্তর:
ঘ) (2a + b - 3)(2a - b + 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) (2a + b - 3)(2a - b + 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4a2 - 9 - b(b - 6) এর উৎপাদক কত?

সমাধান: 
4a2 - 9 - b(b - 6) 
= 4a2 - 9 - b2 + 6b
= 4a2 - (b2 - 6b + 9)
= (2a)2 - {b2 - 2 . b . 3 + 32}
= (2a)2 - (b - 3)2
= {2a + (b - 3)}{2a - (b - 3)}
= (2a + b - 3)(2a - b + 3)
৪১.
যদি একজন লোক তার বিক্রিত পণ্যের ১/৪ ভাগ ১০% লাভে এবং বাকি পণ্য ২০% ক্ষতিতে বিক্রয় করে, তার শতকরা লাভ বা ক্ষতি কত? 
  1. ক) ৮.৫% ক্ষতি
  2. খ) ৮.৫% লাভ
  3. গ) ১২.৫% ক্ষতি
  4. ঘ) ১২.৫% লাভ
সঠিক উত্তর:
গ) ১২.৫% ক্ষতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২.৫% ক্ষতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি একজন লোক তার বিক্রিত পণ্যের ১/৪ ভাগ ১০% লাভে এবং বাকি পণ্য ২০% ক্ষতিতে বিক্রয় করে, তার শতকরা লাভ বা ক্ষতি কত? 

সমাধান:
ধরি 
মোট পণ্য = ১০০ টি 
১০০টি পণ্যের মোট ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা 


১০% লাভে,
২৫টি পণ্যের বিক্রয়মূল্য = (২৫ × ১১০)/১০০ =  ২৭.৫ টাকা 

২০% ক্ষতিতে 
৭৫টি পণ্যের বিক্রয়মূল্য = (৭৫ × ৮০)/১০০ = ৬০ টাকা 

মোট বিক্রয়মূল্য = (২৭.৫ + ৬০) টাকা = ৮৭.৫ টাকা 

ক্ষতি = ১০০ - ৮৭.৫ = ১২.৫ 
শতকরা ক্ষতি = {(১২.৫/১০০) × ১০০}% = ১২.৫%
৪২.
।5x - 4। < 6 অসমতাটির সমাধান হলো- 
  1. ক) - 2/5 < x < 2
  2. খ) - 4/5 < x < 3
  3. গ) - 1/5 < x < 4
  4. ঘ) - 3/5 < x < 5
সঠিক উত্তর:
ক) - 2/5 < x < 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) - 2/5 < x < 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ।5x - 4। < 6 অসমতাটির সমাধান হলো- 

সমাধান: 
।5x - 4। < 6
- 6 < 5x - 4 < 6
- 6 + 4 < 5x - 4 + 4 < 6 + 4
- 2 < 5x < 10
- 2/5 < 5x/5 < 10/5
- 2/5 < x < 2
৪৩.
একটি সমান্তর অনুক্রমের সাধারণ অন্তর ৪ এবং ১০ তম পদটি ৪২ হলে ২৫ তম পদটি কত?
  1. ক) ১০২
  2. খ) ১৪২
  3. গ) ১৩২
  4. ঘ) ১২০
সঠিক উত্তর:
ক) ১০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমান্তর অনুক্রমের সাধারণ অন্তর ৪ এবং ১০ তম পদটি ৪২ হলে ২৫ তম পদটি কত?

সমাধান: 
ধরি 
 সমান্তর অনুক্রমের প্রথম পদ a এবং
        সাধারণ অন্তর d 

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n-1)d 

এখানে, ১০ তম পদ ৪২ 
সুতরাং a + (১০ - ১)×৪= ৪২
        বা, a + ৩৬ = ৪২
             a = ৬

সুতরাং, ২৫ তম পদ = ৬ + (২৫ - ১)× ৪
                               = ৬ + ৯৬
                               = ১০২
৪৪.
একজন ব্যক্তি স্থির পানিতে ঘণ্টায় ৫ কি.মি. যেতে পারে। যদি স্রোতের বেগ ১ কি.মি/ঘণ্টা হয় তাহলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে ফিরে আসতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে। স্থানটির দূরত্ব কত? 
  1. ক) ৪.৮ কি.মি
  2. খ) ৩.৬ কি.মি
  3. গ) ২.৪ কি.মি
  4. ঘ) ৬.১২ কি.মি
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৮ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৮ কি.মি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি স্থির পানিতে ঘণ্টায় ৫ কি.মি. যেতে পারে। যদি স্রোতের বেগ ১ কি.মি/ঘণ্টা হয় তাহলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে ফিরে আসতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে। স্থানটির দূরত্ব কত? 

সমাধান: 
ধরি ,
স্থানটির দূরত্ব x  কি.মি. 

স্রোতের অনুকূলে গতিবেগ = ৫ + ১ = ৬ কি.মি./ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে গতিবেগ = ৫ - ১ = ৪ কি.মি./ঘণ্টা

প্রশ্নমতে,
(x /৪) + (x /৬) = ২
(৩x  + ২x)/১২ = ২
৫x /১২ = ২
৫x = ২৪ 
x = ২৪ /৫ 
x  = ৪.৮ কি.মি। 
৪৫.
3x + 3/x = 3√3 হলে, x2 + 1/x2 এর মান কত?
  1. ক) 1
  2. খ) √3
  3. গ) 2√3
  4. ঘ) 5
সঠিক উত্তর:
ক) 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3x + 3/x = 3√3 হলে, x2 + 1/x2 এর মান কত? 

সমাধান:
দেয়া আছে
3x + 3/x = 3√3
3(x + 1/x) = 3√3
x + 1/x = √3

x2 + 1/x2 = (x)2 + (1/x)2
                = (x + 1/x)2 - 2.x.1/x
                = (√3)2 - 2
                = 3 - 2
                = 1 
৪৬.
একটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দুটি বিভাগে 4টি করে প্রশ্ন থাকে। একজন প্রার্থীকে 5টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে কিন্তু কোনো গ্রুপ থেকে 3টির বেশি প্রশ্নের উত্তর দেয়া যাবে না। 5টি প্রশ্ন কয়টি উপায়ে নির্বাচন করা যাবে?
  1. ক) 96
  2. খ) 36
  3. গ) 72
  4. ঘ) 48
সঠিক উত্তর:
ঘ) 48
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 48
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দুটি বিভাগে 4টি করে প্রশ্ন থাকে। একজন প্রার্থীকে 5টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে কিন্তু কোনো গ্রুপ থেকে 3টির বেশি প্রশ্নের উত্তর দেয়া যাবে না। 5টি প্রশ্ন কয়টি উপায়ে নির্বাচন করা যাবে?

সমাধান: 
5টি প্রশ্ন নিম্ন লিখিত উপায়ে নির্বাচন করা যাবে। 

প্রথম বিভাগ থেকে 2টি এবং ২য় বিভাগ থেকে 3টি অথবা প্রথম বিভাগ থেকে 3টি এবং ২য় বিভাগ থেকে 2টি নির্বাচন করা যাবে
মোট উপায় = (4C2 × 4C3) + (4C3 × 4C2)
                  = 24 + 24
                   = 48
৪৭.
দুটি সংখ্যার গুণফল 192 এবং সমষ্টি 28 হলে, সংখ্যা দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যাটি কত? 
  1. ক) 8
  2. খ) 10
  3. গ) 12
  4. ঘ) 14
সঠিক উত্তর:
গ) 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গুণফল 192 এবং সমষ্টি 28 হলে, সংখ্যা দুটির মধ্যে ছোট সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি = x
বড় সংখ্যাটি = 28 - x

প্রশ্নমতে,
x(28 - x) = 192
28x - x2 = 192 
28x - x2 - 192 = 0
x2 - 28x + 192 = 0 
x2 - 16x - 12x + 192 = 0
x(x - 16) - 12(x - 16) = 0
(x - 16)(x - 12) = 0

x = 12,  16 

ছোট সংখ্যাটি = 12
৪৮.
কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ৪১, ৬৬ ও ৭৯ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৫,৬ ও ৭ ভাগশেষ থাকবে?
  1. ক) ১২
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
ক) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বৃহত্তম সংখ্যা দ্বারা ৪১, ৬৬ ও ৭৯ কে ভাগ করলে যথাক্রমে ৫,৬ ও ৭ ভাগশেষ থাকবে?

সমাধান: 
৪১ - ৫ = ৩৬
৬৬ - ৬ = ৬০
৭৯ - ৭ = ৭২
সুতরাং ৩৬, ৬০, ৭২ এর গ.সা.গু = ১২


∴ বৃহত্তম সংখ্যাটি = ১২
৪৯.
একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের অন্তর 2 মিটার এবং তাদের মধ্যে লম্ব দূরত্ব 5 মিটার। ট্রাপিজিয়ামক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 45 বর্গমিটার হলে, ক্ষুদ্রতম বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) 11.5 মিটার
  2. খ) 8.0 মিটার
  3. গ) 9.5 মিটার
  4. ঘ) 12.0 মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) 8.0 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 8.0 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন : একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের অন্তর 2 মিটার এবং তাদের মধ্যে লম্ব দূরত্ব 5 মিটার। ট্রাপিজিয়ামক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 45 বর্গ মিটার হলে, ক্ষুদ্রতম বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান : 
মনে করি, সমান্তরাল বাহুদ্বয় x ও (x + 2) মিটারলম্ব দূরত্ব 3 মিটার
 
আমরা জানি, 
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (1/2) × সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল × উচ্চতা
∴ ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল =(5/2)(x + x+ 2) বর্গ মিটার
প্রশমতে,
বা, (5/2)(2x + 2) = 45
বা,5(x + 1) = 45
বা, x + 1 = 9
বা, x = 9 - 1
বা, x = 8

∴ ক্ষুদ্রতম বাহুটির দৈর্ঘ্য = 8 মিটার।
৫০.
144 এর 2√3 ভিত্তিক লগারিদম কত?
  1. ক) 6
  2. খ) 4
  3. গ) 2
  4. ঘ) 8
সঠিক উত্তর:
খ) 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 144 এর 2√3 ভিত্তিক লগারিদম কত?

সমাধান: 
144 এর 2√3 ভিত্তিক লগারিদম
= log2√3144 
= log2√3(2√3)4
= 4log2√32√3
= 4 .1 
= 4
৫১.
1 এবং 30 এর মধ্য হতে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা নেওয়া হলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হওয়ার সম্ভবনা কত?
  1. ক) 1/6
  2. খ) 1/5
  3. গ) 1/10
  4. ঘ) 1/7
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1/7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1/7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 এবং 30 এর মধ্য হতে  দৈবচয়ন পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা নেওয়া হলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হওয়ার সম্ভবনা কত?

সমাধান: 
1 এবং 30 এর মধ্য বর্গসংখ্যা 4টি এবং মোট সংখ্যা 28 টি।
22 = 4
32 = 9
42 = 16
52 = 25

সুতরাং একটি সংখ্যা দৈবচয়ন করা হলে, বর্গ সংখ্যা হওয়ার সম্ভাবনা = 4/28 = 1/7
৫২.
একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল একটি বর্গের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ৪০মি. এবং ত্রিভুজটির উচ্চতা ৮০ মি. হলে, ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৩০ মিটার
  2. খ) ৪০ মিটার
  3. গ) ৬০ মিটার
  4. ঘ) ৫৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল একটি বর্গের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ৪০মি. এবং ত্রিভুজটির উচ্চতা ৮০ মি. হলে, ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান: 
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য ৪০মি. 
বর্গের ক্ষেত্রফল = (৪০ × ৪০) বর্গ মিটার 
                          = ১৬০০ বর্গ মিটার 

ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১৬০০ বর্গ মিটার 
ত্রিভুজটির উচ্চতা = ৮০ মি. 

আমরা জানি,
(১/২) × ভূমি × উচ্চতা = ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 
(১/২) × ভূমি × ৮০ = ১৬০০
ভূমি = (১৬০০ × ২)/৮০ 
ভূমি = ৪০ মিটার।
৫৩.
a, a + 2, a + 4, a + 6 এবং a + 8 এর গড় 13 হলে, শেষের তিনটি সংখ্যার গড় কত?
  1. ক) 17
  2. খ) 15 
  3. গ) 19
  4. ঘ) 21
সঠিক উত্তর:
খ) 15 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 15 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a, a + 2, a + 4, a + 6 এবং a + 8 এর গড় 13 হলে, শেষের তিনটি সংখ্যার গড় কত?

সমাধান: 
 (a + a + 2 + a + 4 + a + 6 + a + 8)/5 = 13 
5a + 20 = 65
5a = 65- 20
5a = 45
a = 9 

শেষের তিনটি সংখ্যা = 13, 15, 17 

শেষের তিনটি সংখ্যার গড় = (13 + 15 + 17)/3
= 45/3
= 15 
৫৪.
একটি সুষম বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থকোণ 135° হলে, ঐ বহুভুজের বাহুর সংখ্যা কত হবে? 
  1. ক) 12টি
  2. খ) 10টি
  3. গ) 9টি
  4. ঘ) 8টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) 8টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 8টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সুষম বহুভুজের প্রতিটি অন্তঃস্থকোণ 135° হলে, ঐ বহুভুজের বাহুর সংখ্যা কত হবে? 

সমাধান: 
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃস্থকোণের পরিমাণ 135° 
সুতরাং সুষম বহুভুজের বহিস্থঃকোণ = 180° - 135° 
                                                       = 45°
আমরা জানি,
সুষম বহুভুজের বহিস্থঃকোণের সমষ্টি = 360°

সুতরাং বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা হবে = 360°/45°
                                                       = 8
৫৫.
অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টিংচার আয়োডিন
  2. খ) ক্লোরোফরম
  3. গ) নাইট্রোগ্লিসারিন
  4. ঘ) ইথার
সঠিক উত্তর:
ক) টিংচার আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিংচার আয়োডিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন MRI, CT-Scan, X-Ray এবং বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম যেমন - সিরিঞ্জ, স্যালাইনের ব্যাগ, ছুরি, কাঁচি, সূঁচ ইত্যাদিতে রয়েছে রসায়নের অবদান।
- বিভিন্ন রোগব্যাধি নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধ, যেমন- নিউমোনিয়ায় পেনিসিলিন, যক্ষায় স্ট্রেপটোমাইসিন, টাইফয়েডে ক্লোরোমাইসেটিন ইত্যাদি রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন করা হচ্ছে।
- তাছাড়া অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে টিংচার আয়োডিন, হেক্সাক্লোরোফিন ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- চেতনা নাশক হিসেবে ইথার, ক্লোরোফরম ইত্যাদি মানুষের জীবন রক্ষায় চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৬.
সেলুলয়েডকে পশমী কাপড় দিয়ে ঘর্ষণ করলে সেলুলয়েডে কোন ধরণের আধানের সৃষ্টি হবে?
  1. ক) ধনাত্মক আধান
  2. খ) ঋণাত্মক আধান
  3. গ) নিরপেক্ষ আধান
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ঋণাত্মক আধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঋণাত্মক আধান
ব্যাখ্যা
- আধান দুই প্রকার: ধনাত্মক আধান ও ঋণাত্মক আধান। 
- দুটি ভিন্ন বস্তুকে পরস্পরের সাথে ঘর্ষণ করলে বস্তু দুটি তড়িতগ্রস্থ হয়। একটিতে ধনাত্মক আধান ও অপরটিতে ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হয়। 
- কাচ দন্ডকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে কাচে যে ধরণের আধান পাওয়া যায় তা ধনাত্মক আধান।
- অ্যাম্বার দন্ডকে পশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে অ্যাম্বার যে ধরণের আধান পাওয়া যায় তা ঋণাত্মক আধান।
- সেলুলয়েডকে পশমী কাপড় দিয়ে ঘর্ষণ করলে সেলুলয়েডে ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হবে এবং পশমী কাপড়ে ধনাত্মক আধানের সৃষ্ট হবে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৭.
নিচের কোনটি সংকর ধাতু নয়?
  1. ক) ব্রাস
  2. খ) ব্রোঞ্জ
  3. গ) ইস্পাত
  4. ঘ) আর্সেনিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর্সেনিক
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু


- আর্সেনিক একটি মৌলিক পদার্থ যার প্রতীক As এবং পারমাণবিক সংখ্যা 33. এর পারমাণবিক ভর 74.92160 (সাধারণ কাজে 75 ব্যবহার করা হয়)।

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৮.
দেহে পানির সমতা নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে নিচের কোনটি?
  1. ক) নেফ্রন
  2. খ) ক্যাপসুল
  3. গ) বৃক্ক
  4. ঘ) মেডুলা 
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৃক্ক
ব্যাখ্যা
বৃক্ক: মানবদেহের রেচন অঙ্গের নাম বৃক্ক। 
নেফ্রন: বৃক্কের ইউরিনিফেরাস নালিকার ক্ষরণকারী অংশ ও কার্যকরী একককে নেফ্রন বলে।

বৃক্কের কাজ
১। রক্ত থেকে নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা।
২। দেহে ও রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
৩। রক্তে বিভিন্ন লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা।
৪। রক্ত অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
৫। হরমোন ও এনজাইম নিঃসরণ করা।
৬। দেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
৭। ভিটামিন ডি ও লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে অংশগ্রহণ করা।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৯.
মানুষের হাম রোগের জন্য দায়ী কোন ভাইরাস?
  1. ক) ফ্ল্যাভি ভাইরাস
  2. খ) রুবিওলা ভাইরাস
  3. গ) ভেরিওলা ভাইরাস
  4. ঘ) অ্যাডিনো ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
খ) রুবিওলা ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রুবিওলা ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসঘটিত মানুষের কিছু রোগ:


সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬০.
উদ্ভিদের শুকনো বীজ, কাঠ, ইত্যাদি পানির সংস্পর্শে আসলে পানি শোষণ করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ইমবাইবিশন
  2. খ) অভিস্রবণ
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) পরিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
ক) ইমবাইবিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইমবাইবিশন
ব্যাখ্যা
ইমবাইবিশন
- উদ্ভিদের শুকনো বীজ, কাঠ, ইত্যাদি পানির সংস্পর্শে আসলে এগুলো পানি শোষণ করে।
- শুকনো বস্তুর এ ধরনের পানি শোষণ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন।
- সেলুলোজ, স্টার্চ, জিলাটিন, পেকটিন, প্রোটোপ্লাজমের প্রোটিন এবং উদ্ভিদ কোষের অন্যান্য জৈব রাসায়নিক পদার্থের ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় প্রচুর পানি শোষণের ক্ষমতা রয়েছে।
- ইমবাইবিশনের মাধ্যমে পানি শোষণের ফলে এসব জিনিসের আয়তন বাড়ে। 

অভিস্রবণ
- একই দ্রাবকবিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে আলাদা রাখলে দেখা যায় দ্রাবক পাতলা দ্রবণ থেকে (অর্থাৎ দ্রাবকের পরিমাণ যেখানে বেশি) পর্দার ভেতর দিয়ে ঘন দ্রবণের দিকে যায়।
- দুটি দ্রবণের ঘনত্ব এক না হওয়া পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এরই নাম অভিস্রবণ।
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মাটি থেকে পানি শোষণ করে।

ব্যাপন
- যে প্রক্রিয়ায় কোনও পদার্থের অণু নিজস্ব গতি শক্তির সাহায্যে বেশি ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বের দিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে ব্যাপন বলা হয়।
- এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া।
- একই তাপমাত্রা এবং চাপে কোনও পদার্থের বেশি ঘনত্ব থেকে কম ঘনত্বের দিকে ব্যাপিত হবার প্রচ্ছন্ন ক্ষমতাকে ব্যাপন চাপ বলা হয়।
- একই বায়ু চাপে কোনও একটি দ্রবণ এবং দ্রাবকের ব্যাপন চাপের যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তাকে ব্যাপন চাপ ঘাটতি বলা হয়।
- উদ্ভিদের পাতার মেসোফিল টিস্যুতে এ ব্যাপন চাপ ঘাটতির ফলে পানির ঘাটতি থাকা কোষগুলো পাশের কোষ থেকে পানি টেনে নেয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬১.
খাদ্য আহারের পর শর্করা পরিপাক হয়ে কীসে পরিণত হয়?
  1. ক) গ্লুকোজ
  2. খ) অ্যামিনো এসিড
  3. গ) ফ্যাটি এসিড
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
শর্করা বা শ্বেতসার:
- শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে কাজ করার শক্তি জোগায়।
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।
- খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়। 

উৎস:
- উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে থাকে। 
- গ্লুকোজ, ল্যাকটোজ ও শ্বেতসার শর্করার বিভিন্ন রূপমাত্র।

প্রকারভেদ
- গঠন পদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- এক শর্করা: এক অণুবিশিষ্ট শর্করা গ্লুকোজ। উৎস: মধু, ফলের রস।
- দ্বি-শর্করা: দু’অণুবিশিষ্ট শর্করা সুক্রোজ, ল্যাকটোজ। উৎস: চিনি ও দুধ।
- বহু শর্করা: বহু অণুবিশিষ্ট শর্করা শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন। উৎস: চাল, আটা, আলু, সবুজ পাতা, শাকসবজি।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
তেজস্ক্রিয় রশ্মি পূর্বে কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. ক) কুরী রশ্মি
  2. খ) গামা রশ্মি
  3. গ) ইউ-ভি রশ্মি
  4. ঘ) বেকেরেল রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বেকেরেল রশ্মি
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। - ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”।
- পরবর্তিতে মাদাম কুরী এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত।

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৩.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ট্রান্সেন্ডিং
  2. খ) মিক্সিং
  3. গ) ডোপিং
  4. ঘ) লুপিং
সঠিক উত্তর:
গ) ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডোপিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়।
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৪.
মানবদেহের ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করে -
  1. ক) B-লিস্ফোসাইট
  2. খ) T-লিস্ফোসাইট
  3. গ) ইন্টারফেরন
  4. ঘ) লাইসোজাইম
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারফেরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারফেরন
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রতিরক্ষা
- মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ নিয়মতান্ত্রিকভাবে একত্রে দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনায় কোন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী ও অন্যান্য জীবাণুর আক্রমণ থেকে মানুষকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে বলা হয় ইমিউনিটি।
- দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্রদেহকে রোগাক্রমণের হাত থেকে এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা করে তাকে ইমিউন তন্ত্র বলা হয়।

- রোগ প্রতিরোধে ইমিউনিটির প্রধান উদ্দেশ্য তিন প্রকারের। যথা-
১। অণুজীবদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা,
২। দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে শনাক্ত করা ও প্রতিস্থাপিত করা
৩। পরিত্যক্ত বা নষ্ট কোষগুলোকে শনাক্ত করা এবং তাদের ধ্বংস করা।

- B-লিস্ফোসাইট: কোষ অ্যান্টিবডির মাধ্যমে রস নির্ভর প্রতিরক্ষা সৃষ্টি করে।
- T-লিস্ফোসাইট: অ্যান্টিবডির মাধ্যমে কোষ নির্ভর প্রতিরক্ষা দিয়ে থাকে।
- কমপ্লিমেন্ট: ১১টির বেশী সিরাম প্রোটিনের সমন্বয়ে জীবাণু সংক্রমন রোধে কাজ করে।
- লাইসোজাইম: ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধবংস করে।
- ইন্টারফেরন: এক ধরনের প্রোটিন যা ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৫.
'এনজিওপ্লাস্টি' কোন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হৃদরোগ
  2. খ) স্নায়ুরোগ
  3. গ) রেচনতন্ত্রের রোগ
  4. ঘ) পারকিনসন
সঠিক উত্তর:
ক) হৃদরোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হৃদরোগ
ব্যাখ্যা
হৃদরোগের চিকিৎসায় পেসমেকার, ওপেন হার্ট সার্জারি, করোনারি বাইপাস সার্জারি, এনজিওপ্লাস্টি ব্যবহৃত হয়।

পেসমেকার
- হৃৎপিন্ডে ডান অ্যাট্রিয়াম-প্রাচীরের উপর দিকে অবস্থিত, বিশেষায়িত কার্ডিয়াক পেশিগুচ্ছে গঠিত ও স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে নিয়ন্ত্রিত একটি ছোট অংশ যা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ প্রবাহ ছড়িয়ে দিয়ে হৃৎস্পন্দন সৃষ্টি করে এবং স্পন্দনের ছন্দময়তা বজায় রাখে তাকে পেসমেকার বলে।

ওপেন হার্ট সার্জারি
- শল্যচিকিৎসক যখন রোগীর বুক কেটে উন্মুক্ত করে হৃৎপিন্ডে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন তখন সে প্রক্রিয়াকে ওপেন হার্ট সার্জারি বলে ।

করোনারি বাইপাস সার্জারি
- এক বা একাধিক করোনারি ধমনির ল্যুমেন (গহ্বর) রূদ্ধ হয়ে গেলে হৃৎপিন্ডে রক্ত সরবরাহ অব্যাহত রাখতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দেহের অন্য অংশ থেকে (যেমন-পা থেকে) একটি সুস্থ রক্তবাহিকা (ধমনি বা শিরা) কেটে এনে বৃদ্ধ ধমনির পাশে স্থাপন করে রক্ত সরবরাহের যে বিকল্প পথ সৃষ্টি করা হয় তাকে করোনারি বাইপাস বলে । করোনারি বাইপাস সৃষ্টির সামগ্রিক অস্ত্রোপচার প্রক্রিয়াটিকে করোনারি বাইপাস সার্জারি বলা হয়।

এনজিওপ্লাস্টি
- বড় ধরনের অস্ত্রোপচার না করে হৃৎপিন্ডের সংকীর্ণ ল্যুমেন (গহ্বর)-যুক্ত বা রূদ্ধ হয়ে যাওয়া করোনারি ধমনি পুনরায় প্রশস্ত ল্যুমেনযুক্ত বা উন্মুক্ত করার পদ্ধতিকে এনজিওপ্লাস্টি বলে।
- এনজিওপ্লাস্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে সরু বা বন্ধ হয়ে যাওয়া ল্যুমেনের ভেতর দিয়ে হৃৎপিন্ডে পর্যাপ্ত O2 সরবরাহ নিশ্চিত করে হৃৎপিন্ড ও দেহকে সচল রাখা।
- বুকে ব্যথা (অ্যানজাইনা), হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক প্রভৃতি মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তির সহজ উপায় এনজিওপ্লাস্টি।
- ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে সুইজারল্যান্ডের ডাঃ অ্যানডেস গয়েন জিগ সর্বপ্রথম এ পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য়  পত্র(একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি) - গাজী আজমল ও গাজী আসমত ।
৬৬.
বিটকয়েন ব্লকচেইনে ব্যবহৃত কনসেনসাস মেকানিজমের নাম কী?
  1. ক) Proof-of-Stake
  2. খ) Proof-of-Authority
  3. গ) Proof-of-Identity
  4. ঘ) Proof-of-Work
সঠিক উত্তর:
ঘ) Proof-of-Work
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Proof-of-Work
ব্যাখ্যা
- বিটকয়েন ব্লকচেইনে ব্যবহৃত ঐক্যমত্য প্রক্রিয়াকে প্রুফ-অফ-ওয়ার্ক (Proof-of-Work ) বলা হয়।
- এই প্রক্রিয়াটি একটি জটিল গাণিতিক সমস্যা ব্যবহার করে সমাধান করে থাকে।

উৎস : প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট 
৬৭.
নিচের কোনটি আউটপুট হার্ডওয়্যার নয়?
  1. ক) ফিল্ম রেকর্ডার
  2. খ) প্লটার
  3. গ) এমআইসিআর
  4. ঘ) ইমেজ সেটার
সঠিক উত্তর:
গ) এমআইসিআর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এমআইসিআর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট হার্ডওয়্যার নামে পরিচিত।
অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট যন্ত্রাংশ বা আউটপট হার্ডওয়্যার বলা হয়।

উল্লেখযোগ্য আউটপট হার্ডওয়্যারসমূহ হলো:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
-  ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেড ফোন (Headphone) ইত্যাদি।

অপরদিকে, এমআইসিআর (MICR) হলো ইনপুট ডিভাইস। 

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮.
টেলিভিশন রিমোট কন্ট্রোলে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাইক্রোওয়েভ
  2. খ) ইনফ্রারেড
  3. গ) রেডিও ওয়েভ
  4. ঘ) লেজার
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
-ইনফ্রারেড হলো এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা 300 GHz থেকে 400THz হয়ে থাকে। 
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
-  এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে। 
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
 
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯.
নিচের কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
  1. ক) পেটাবাইট
  2. খ) জেটাবাইট
  3. গ) টেরাবাইট
  4. ঘ) এক্সাবাইট
সঠিক উত্তর:
খ) জেটাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেটাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

ইট্টাবাইট(YB)> জেটাবাইট(ZB)> এক্সাবাইট(EB)> পেটাবাইট(PB)> টেরাবাইট(TB)> গিগাবাইট(GB)> মেগাবাইট(MB)> কিলোবাইট(KB> বাইট(B)
বিট(B): বিট এখানে সবচেয়ে ছোট এবং ৮ বিট মিলে হয় এক বাইট।


কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৭০.
Blu-Ray ডিস্কে ব্যবহৃত কপিরাইট সুরক্ষা ব্যবস্থার নাম কী?
  1. ক) CSS
  2. খ) AACS
  3. গ) DRM
  4. ঘ) BD+
সঠিক উত্তর:
খ) AACS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) AACS
ব্যাখ্যা
- AACS এর পূর্ণরূপ Advanced Access Content System .
- অ্যাডভান্সড অ্যাকসেস কনটেন্ট সিস্টেম ব্লু-রে ডিস্কে ব্যবহৃত কপিরাইট সুরক্ষা ব্যবস্থা যা ডিস্কে সঞ্চিত অননুমোদিত অনুলিপি এবং বিতরণ রোধ করে।
-  এটি Blu-ray ছাড়াও HD-DVD এর হাই ডেফিনিশন ভিডিও কন্টেন্টের সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।

উৎস : Centre for Applied Cryptographic Research (CACR) at the University of Waterloo Website 
৭১.
কম্পিউটার মনিটর প্রযুক্তিতে IPS এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) In-Pixel Screen
  2. খ) In-Plane Switching
  3. গ) Input-Pixel Screen
  4. ঘ) Instant Power Supply
সঠিক উত্তর:
খ) In-Plane Switching
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) In-Plane Switching
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার মনিটর প্রযুক্তিতে IPS এর পূর্ণরূপ -In-Plane Switching
- IPS মনিটর হলো একধরণের LCD (liquid-crystal display) মনিটর। 

An in-plane switching (IPS) monitor is a type of LCD (liquid-crystal display) monitor. It’s made up of backlighting or a mirror behind a polarizer. These sit behind the liquid with crystals mixed into it. The monitor relies on perfect alignment of the liquid crystals to pass along the light to the next polarizer.

উৎস : HP Development Company Website
৭২.
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের built-in ভার্চুয়ালাইজেশন প্রযুক্তির নাম কী?
  1. ক) Hyper-V
  2. খ) Parallels
  3. গ) VirtualBox
  4. ঘ) VMware
সঠিক উত্তর:
ক) Hyper-V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Hyper-V
ব্যাখ্যা
- Hyper-V হল উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের built-in ভার্চুয়ালাইজেশন প্রযুক্তি। 
- ইহা ব্যবহারকারীকে সিঙ্গেল ফিজিক্যাল হোস্টে একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন চালানোর অনুমতি প্রদান করে।

Reference: https://docs.microsoft.com/en-us/virtualization/hyper-v-on-windows/about/
৭৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি পেমেন্ট সিস্টেম?
  1. ক) BDPMS
  2. খ) RTGS
  3. গ) RTBDT
  4. ঘ) BDTGS
সঠিক উত্তর:
খ) RTGS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) RTGS
ব্যাখ্যা
RTGS এর পূর্ণরূপ - Real Time Gross Settlement.

নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমকে সহজতর করার জন্য, বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে ২৯ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করেছে। 
 
RTGS হল একটি ইলেকট্রনিক সেটেলমেন্ট সিস্টেম যেখানে একটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাঙ্কে রিয়েল-টাইমে তহবিল স্থানান্তর করা হয়।
 
উৎস : বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট
৭৪.
Phishing attack এ ব্যবহৃত সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক) ফোন কল
  2. খ) টেক্সট বার্তা
  3. গ) ইমেইল
  4. ঘ) সোশ্যাল মিডিয়া বার্তা
সঠিক উত্তর:
গ) ইমেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইমেইল
ব্যাখ্যা
- ইমেইল হল ফিশিং আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি।
- কারণ এটি যোগাযোগের একটি বহুল ব্যবহৃত রূপ এবং আক্রমণকারীদের পক্ষে একবারে প্রচুর সংখ্যক ইমেল পাঠানো তুলনামূলকভাবে সহজ।
- উপরন্তু, আক্রমণকারীদের পক্ষে একটি ইমেলকে বৈধ দেখানো এবংক্ষতিকর লিঙ্কে ক্লিক করা বা ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের জন্য প্রতারণা করা তুলনামূলকভাবে সহজ।

উৎস : যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো নিরাপত্তা সংস্থার ওয়েবসাইট
৭৫.
CPU ডিজাইনের সাথে সম্পৃক্ত - 
  1. ক) CPRS এবং CPMS
  2. খ) CISC এবং RISC
  3. গ) MCP এবং ICP
  4. ঘ) SSL এবং DMV
সঠিক উত্তর:
খ) CISC এবং RISC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) CISC এবং RISC
ব্যাখ্যা
CISC এবং RISC হল CPU ডিজাইনের দুটি রূপ। 
CISC এর পূর্ণরূপ - Complex Instruction Set Computer.
RISC  এর পূর্ণরূপ - Reduced Instruction Set Computer.

CISC জটিল মেশিন ভাষার নির্দেশাবলীর একটি বিশাল সেট ব্যবহার করে, যেখানে RISC সহজ নির্দেশাবলীর একটি রিডিউসড সেট ব্যবহার করে।

উৎস : সায়েন্স ডাইরেক্ট ওয়েবসাইট
৭৬.
{(4.2 × 4.2) - (1.9 × 1.9)}/(2.3 × 6.1) = কত? 
  1. ক) 8.4
  2. খ) 2.3
  3. গ) 1.0
  4. ঘ) 4.2
সঠিক উত্তর:
গ) 1.0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1.0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: {(4.2 × 4.2) - (1.9 × 1.9)}/(2.3 × 6.1) = কত? 

সমাধান: 
ধরি
a = 4.2 এবং b =1.9
a + b = 4.2 + 1.9 = 6.1
a - b = 4.2 - 1.9 = 2.3

প্রদত্ত রাশি 
= (a2 - b2)/(a + b)(a - b)
= (a2 - b2)/(a2- b2)
=1
৭৭.
কোনটি ব্যতিক্রম? 
551, 263, 383, 362, 284
  1. ক) 551
  2. খ) 383
  3. গ) 362
  4. ঘ) 284
সঠিক উত্তর:
খ) 383
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 383
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি ব্যাতিক্রম? 
551, 263, 383, 362, 284

সমাধান: 
383 ব্যতীত প্রতিটি সংখ্যার প্রথম এবং তৃতীয় অঙ্কের গুণফল হল মধ্যবর্তী অঙ্কটি হয়।
৭৮.
(17)12 × (17)8 ÷ (17)4 = (17)x হলে, x এর মান কত?
  1. ক) 14
  2. খ) 18
  3. গ) 20
  4. ঘ) 16
সঠিক উত্তর:
ঘ) 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (17)12 × (17)8 ÷ (17)4 = (17)x হলে, x এর মান কত?

সমাধান:  
(17)12 × (17)8 ÷ (17)4 = (17)x 
(17)12 + 8 - 4 = (17)x
(17)16 = (17)x
x = 16 
৭৯.
প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে? 
  1. ক) 12টি 
  2. খ) 13টি 
  3. গ) 15টি 
  4. ঘ) 16টি 
সঠিক উত্তর:
গ) 15টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 15টি 
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে? 
 

সমাধান: 

১টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = AFB, FEB, EBC, DEC, DFE এবং AFD = 6টি 
২টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = AEB, FBC, DFC, ADE, DBE  এবং ABD = 6টি
৩টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে =ADC এবং ABC = 2টি
৪টি ফাঁকা স্থান নিয়ে ত্রিভুজ আছে = DBC = 1টি
মোট ত্রিভুজ আছে = 6 + 6 + 2 + 1 = 15টি 
৮০.
কোনটি শুদ্ধ রূপে লেখা বানান? 
  1. ক) বিমুঢ়
  2. খ) বিমূড়
  3. গ) বিমূঢ়
  4. ঘ) বিমূর
সঠিক উত্তর:
গ) বিমূঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিমূঢ়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি শুদ্ধ রূপে লেখা বানান? 

সমাধান: 
বিমূঢ় সংস্কৃত ভাষার শব্দ। 
এর শব্দের অর্থ- 
১.হিতাহিত জ্ঞানশূন্য 
২.অজ্ঞান 
৩.হতবুদ্ধি, বিহ্বল 
৪.মোহাচ্ছন্ন 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
৮১.
যদি a/b = 3/2 এবং b/c = 4/5 হয়, তাহলে a : c : b = ?
  1. ক) 4 : 5 : 6
  2. খ) 5 : 4 : 6
  3. গ) 6 : 4 : 5
  4. ঘ) 6 : 5 : 4
সঠিক উত্তর:
ঘ) 6 : 5 : 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 6 : 5 : 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি a/b = 3/2 এবং b/c = 4/5 হয়, তাহলে a : c : b = ?

সমাধান: 
a : b = 3 : 2 = 6 : 4
b : c = 4 : 5 = 4 : 5

a : c : b = 6 : 5 : 4
৮২.
একজন মহিলা একটি মেয়েকে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো। একজন লোক মহিলার সঙ্গে মেয়েটির সম্পৰ্ক জানতে চাইলে মহিলা বললো ' মেয়েটি আমার মায়ের একমাত্র ছেলের বৌয়ের মেয়ে'। তাহলে মহিলাটি মেয়েটির কী হয়? 
  1. ক) বোন
  2. খ) ফুফু
  3. গ) মা
  4. ঘ) খালা
সঠিক উত্তর:
খ) ফুফু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুফু
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন মহিলা একটি মেয়েকে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো। একজন লোক মহিলার সঙ্গে মেয়েটির সম্পৰ্ক জানতে চাইলে মহিলা বললো ' মেয়েটি আমার মায়ের একমাত্র ছেলের বৌয়ের মেয়ে'। তাহলে মহিলাটি মেয়েটির কী হয়? 

সমাধান:
 মহিলাটির একমাত্র মায়ের একমাত্র ছেলে হলো মহিলাটির ভাই 
ভাইয়ের বৌয়ের মেয়ে হলো মহিলাটির ভাতিজি 
তাহলে মহিলাটি মেয়েটির ফুফু। 
৮৩.
যদি SEQUENCE দিয়ে FDOFVRFT বোঝায় তাহলে 'MOLTEN' দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?
  1. ক) OMFUPN
  2. খ) UMOFPN
  3. গ) OPNFUM
  4. ঘ) OFUMPN
সঠিক উত্তর:
ঘ) OFUMPN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) OFUMPN
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি SEQUENCE দিয়ে FDOFVRFT বোঝায় তাহলে 'MOLTEN' দিয়ে নিচের কোনটি বোঝাবে?

এখানে 
SEQUENCE এর প্রতিটি বর্ণটি উল্টা করে বসিয়ে তাদের পরবর্তী বর্ণটি বসেছে। 
SEQUENCE - ECNEUQES - FDOFVRFT
MOLTEN - NETLOM - OFUMPN
৮৪.
T স্থান থেকে শুরু করে, রাজু পশ্চিম দিকে 18 মিটার হাঁটলো। সে বাম দিকে ঘুরলো এবং 23 মিটার হাঁটলো। সে তারপর বাম দিকে ঘুরলো এবং 18 মিটার হাঁটলো। এর পরে সে ডানদিকে ঘুরে 12 মিটার হাঁটলো। T থেকে রাজু এখন কত দূরে আছে?
  1. ক) 30 মিটার
  2. খ) 18 মিটার
  3. গ) 35 মিটার
  4. ঘ) 41 মিটার
সঠিক উত্তর:
গ) 35 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 35 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: T স্থান থেকে শুরু করে, রাজু পশ্চিম দিকে 18 মিটার হাঁটলো। সে বাম দিকে ঘুরলো এবং 23 মিটার হাঁটলো। সে তারপর বাম দিকে ঘুরলো এবং 18 মিটার হাঁটলো। এর পরে সে ডানদিকে ঘুরে 12 মিটার হাঁটলো। T থেকে রাজু এখন কত দূরে আছে?

সমাধান: 
 
যাত্রা শুরুর স্থান T এবং গন্তব্যস্থান D 
TD = 23 + 12 = 35 মিটার
৮৫.
বাংলার প্রাচীন ইতিহাসে 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' সংগঠিত হয় কোন শাসনামলে?
  1. ক) গুপ্ত
  2. খ) পাল
  3. গ) মৌর্য
  4. ঘ) সেন
সঠিক উত্তর:
খ) পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাল
ব্যাখ্যা
কৈবর্ত বিদ্রোহ বা বরেন্দ্র বিদ্রোহ: 
» পাল শাসকরা দীর্ঘ ৪০০ বছর বাংলা শাসন করেন।
» এঁদের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন ধর্মপাল ও দেবপাল।
» রাজা দ্বিতীয় মহীপালের শাসনকালে মাছ মাংস ভক্ষণের কারণে কৈবর্ত সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
» পাল বংশের উত্তরাধিকার নিয়েও দেখা দেয় ভ্রাতৃ কলহ।
» ফলে রাজ্যে অরাজকতা সৃষ্টি হয়।
» এই অরাজকতা থেকে রক্ষা পেতে ১০৮০ খ্রিস্টাব্দে পাল কর্মচারী দিব্যের নেতৃত্বে কৈবর্ত জেলে সম্প্রদায়ের মানুষ পাল রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।
»  ইতিহাসে এটি কৈবর্ত বা বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামে পরিচিত।
» এই বিদ্রোহে মহীপালকে পরাজিত ও নিহত করে বরেন্দ্র দখল করে নেয় দিব্য বাহিনী।
» দিব্যের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় বসেন তাঁর ছোট ভাই রুদোক ও তার পরে রুদোক পুত্র ভীম।
» মহীপালের ভাই রামপাল সামন্তদের সাহায্যে কৈবর্ত শাসক ভীমকে এক ভয়াবহ যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত করেন।
»  ১০৮২ খ্রিস্টাব্দে বরেন্দ্র অঞ্চলে পাল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা পায়।  

সূত্র: ষষ্ঠ শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।
৮৬.
আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. ক) নাথান কমিশন
  2. খ) হান্টার কমিশন
  3. গ) সাইমন কমিশন
  4. ঘ) উড কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টার কমিশন
ব্যাখ্যা
হান্টার কমিশন:
- সরকারিভাবে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন (১৮৮২) নামে পরিচিত।
- এটি ছিল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ সালে উইলিয়ম হান্টারকে চেয়ারম্যান করে প্রথম ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন নিয়োগ করেন।
- এই কমিশন সরকারি অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যক্তি উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়া, স্কুলে অভ্যন্তরীণ ও প্রবেশিকা পরীক্ষা অনুষ্ঠান এবং মাধ্যমিক স্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে।
- ১৯০১ সালে সিমলায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান কনফারেন্সের পর লর্ড কার্জন একটি সরকারি সিদ্ধান্তের আদলে ১৯০৪ সালে তাঁর শিক্ষানীতি প্রকাশ করেন।
- এই শিক্ষানীতিতে হাইস্কুল পর্যায়ে বিশেষত পাবলিক স্কুলে মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষালাভের সুযোগ সম্প্রসারিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮৭.
বঙ্গবন্ধুর কোন ভাষণ ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের দলিল' হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. ক) ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ভাষণ
  2. খ) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভাষণ
  4. ঘ) ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারির ভাষণ
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ
ব্যাখ্যা
• ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড (এমওডব্লিউ) কর্মসূচির উপদেষ্টা কমিটি ৭ মার্চের ভাষণসহ মোট ৭৮টি দলিলকে 'মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে' যুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
• 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ-এ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
• ইউনেস্কো মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ৩০শে অক্টোবর এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
• সেদিনের ১৮ মিনিটের ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ''এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম"।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।
৮৮.
গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ছিল কত সদস্য বিশিষ্ট?
  1. ক) ৪ সদস্য
  2. খ) ৫ সদস্য
  3. গ) ৬ সদস্য
  4. ঘ) ৭ সদস্য
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ সদস্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন:
- বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দনি আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে ১০ এপ্রিল একটি অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান হতে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের অধিকাংশ সদস্য প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন।
- ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী এসব নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে সর্বসম্মতিক্রমে স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল নতুন সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে।
- ১২ এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতারে গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ৬ সদস্য বিশিষ্ট অস্থায়ী সরকার গঠনের সংবাদ প্রচার করা হয়।
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয় ।

• অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
- তদানিন্তন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলা (বর্তমানে মুজিবনগর) গ্রামে শতাধিক দেশী-বিদেশী সাংবাদিক, কতিপয় নির্বাচিত জাতীয় পরিষদ সদস্য ও কয়েক হাজার সাধারণ জনতার উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী শপথ পাঠ করান।
- শপথ অনুষ্ঠানে তিনি একটি ঘোষণাপত্রও পাঠ করেন।
- এ ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে উল্লেখ
করা হয়।

• অস্থায়ী সরকারের সদস্য ও তাদের দফতর:
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: রাষ্ট্রপতি
২. সৈয়দ নজরুল ইসলাম: উপ-রাষ্ট্রপতি
৩. তাজউদ্দিন আহমদ: প্রধানমন্ত্ৰী 
8. খন্দকার মোশতাক আহমদ: পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্ৰী
৫. এম. মনসুর আলী: অর্থমন্ত্রী
৬. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান: স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী

• উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে আটক থাকায় উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার প্রদান করা হয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে -
  1. ক) ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর
  2. খ)  ১৯৭১ সালের ১লা অক্টোবর
  3. গ)  ১৯৭২ সালের ১লা অক্টোবর
  4. ঘ)  ১৯৭৩ সালের ১লা অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ধান গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের প্রধান কেন্দ্র ও পথিকৃৎ হিসেবে দেশে-বিদেশে সুপরিচিত প্রতিষ্ঠানটি  ১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর যাত্রা শুরু করে, এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সংসদীয় আইন ১০, ১৯৭৩ (Parliamentary Act X, 1973)-এর বলে “বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)” নাম ধারণ করে।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্হিত ব্রি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা এবং বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (NARS)-এর একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
- বর্তমানে ব্রি সংসদীয় আইন ১৯, ২০১৭ (Parliamentary Act X) মোতাবেক পরিচালিত হচ্ছে।
- মহাপরিচালক হচ্ছেন ব্রি-র সংস্থা প্রধান। তাঁর নেতৃত্বে একটি ১৩ সদস্যবিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা বোর্ড (Board of Management) ব্রি-র সার্বিক নীতি নির্ধারণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।

 • ব্রি-র প্রধান উদ্দেশ্য ও অভিলক্ষ্য হচ্ছে: টেকসই খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ধানভিত্তিক প্রযুক্তিসমূহের নিরন্তর উন্নয়ন। বর্তমানের সমস্যাসমূহ সমাধানকল্পে ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চারটি প্রধান লক্ষ্য সামনে রেখে ব্রি-র সকল গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হয়:
- কৃষকবান্ধব টেকসই ধানের জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন,
- প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবস্হাপনার মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জীববৈচিত্র্য অক্ষুন্ন রাখা,
- প্রাগ্রসর গবেষণার মাধ্যমে নতুন ও উন্নততর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং
- প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গ্রহণ ত্বরান্বিতকরণ।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।
৯০.
ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) ওরাওঁ
  4. ঘ) গারো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে চাকমা ও সাঁওতাল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নের উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে। 

- ইংরেজদের বিরুদ্ধে একাধিক বার সাঁওতাল বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছে।
- ১৭৮০-৮৫ সালে তিলকা মাঝি বা মুরমু'র নেতৃত্বে, ১৮৫৫, ১৮৭১, ১৮৭৪, ১৮৮০-৮১, ১৯৩৩ সালে সাওতাল বিদ্রোহ সংগঠিত হয়।
- এর মধ্যে ১৮৫৫-৫৬ সালে সংঘটিত সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিলো সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারী। এর নেতৃত্ব দেন সিধু ও কানু নামে দুই সাঁওতাল।

অপরদিকে, 
- ১৭৭৬ সাল থেকে ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত চাকমাদের বিদ্রোহ কার্পাস বিদ্রোহ নামে পরিচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলার চাষ হতো এবং কর হিসেবে চাকমারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে তুলা প্রদান করতে হতো।
- মোট চারবার চাকমা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। এসব বিদ্রোহে চাকমা রাজা সের দৌলত এবং তার সেনাপতি রুনু খান নেতৃত্ব দেন।
- ১৭৮৭ সালে চাকমা রাজা ও ইংরেজদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ফলে কার্পাস বিদ্রোহের অবসান হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস : সিরাজুল ইসলাম এবং দৈনিক প্রথম আলো)

সূত্র: বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পরিচিতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, সপ্তম শ্রেণি; বাংলাদেশের ইতিহাস : সিরাজুল ইসলাম এবং দৈনিক প্রথম আলো।
৯১.
২০২২-২৩ বাজেট অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ক) ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
  2. খ) ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
  3. গ) ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২২-২৩
বাজেটের আকা: ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

বাজেটের আয়
রাজস্ব আয় প্রাক্কলন: ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা : ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
এনবিআর বহির্ভূত কর: ১৮ হাজার কোটি টাকা
করছাড় প্রাপ্তি: ৪৩ হাজার কোটি টাকা
বৈদেশিক অনুদান: ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা

বাজেটের খরচ
বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ: ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা
উন্নয়ন ব্যয়: ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৭ দশমিক ৫ শতাংশ
মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা: ৫ দশমিক ৬ শতাংশ

সূত্র: বাজেট ২০২২-২৩
৯২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, সার্বিকভাবে জিডিপির খাত কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৯টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা: কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।  

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো –
১. কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ
২. খনিজ ও খনন
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প)
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
৫. পানি সরবরাহ; পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম
৬. নির্মাণ
৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত
৮. পরিবহণ এবং সংরক্ষণ 
৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম
১০. তথ্য ও যোগাযোগ 
১১. আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম
১২. রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম
১৩. পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম
১৪. প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম 
১৫. জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা; বাধ্যতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা
১৬. শিক্ষা
১৭. মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম
১৮. শিল্পকলা ও বিনোদন
১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৯৩.
জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৫ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ৩০ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৫ নভেম্বর
  4. ঘ) ৩০ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয়  প্রতি বছরের ৩০ নভেম্বর
- ২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
- আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হতো।  
- তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর।
- এদিন ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন।

সূত্র: যুগান্তর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৪.
'নাকুগাঁও স্থলবন্দর' এর অবস্থান -
  1. ক) দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. গ) গোয়াইনঘাট, সিলেট
  4. ঘ) নালিতাবাড়ী, শেরপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নালিতাবাড়ী, শেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নালিতাবাড়ী, শেরপুর
ব্যাখ্যা
• সারসংক্ষেপস্থলবন্দর:
১। ঘোষিত স্থলবন্দরের সংখ্যা: ২৫টি
২। চালু স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১২টি (নিজস্ব তত্ত্ববধানে ৭টি+বিওটি ভিত্তিতে ৫টি)
৩। বাস্থবকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১৮টি
৪। বিওটির ব্যবস্থাপনাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা: ০৬টি
৫। উন্নয়ন কার্যক্রমাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১২টি

• জেলা প্রশাসক সম্মেলনে নিম্নোক্ত ২টি স্থলবন্দরের ঘোষণার দাবী রয়েছে:
০ প্রাগপুর-দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
০ মোঘলহাট-লালমনিরহাট, সদর।

• কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
০ বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর
০ বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
০ আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া
০ ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর
০ নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর
০ তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট
০ সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
০ দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা
০ বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী

সূত্র: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
৯৫.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পিট কয়লাক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) হাকালুকি হাওর
  2. খ) টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. গ) ভাগিয়াচান্দা বিল
  4. ঘ) চলন বিল
সঠিক উত্তর:
ক) হাকালুকি হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাকালুকি হাওর
ব্যাখ্যা
• দেশের অন্যতম বৃহৎ হাওর হাকালুকিতে ২০০ মিলিয়ন টনের বেশি পিট কয়লা মজুত রয়েছে।
- এটি দেশের সর্ববৃহৎ পিট কয়লাক্ষেত্র। 
- মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুলাউড়া ও বড়লেখা এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলাজুড়ে হাকালুকি হাওরের বিস্তৃতি।
- এর আয়তন প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর।
- হাকালুকি হাওরে ২০০ মিলিয়ন টনের বেশি পিট কয়লা মজুত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
- যার বাজারমূল্য এক হাজার কোটি টাকার বেশি।
- সেখানকার পিট কয়লার বয়স পাঁচ থেকে আট হাজার বছর হবে।
- হাওরের অন্তত ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে পিট কয়লা মজুত রয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
- হাকালুকির পিট কয়লা ৩০ মেগাওয়াটের তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কমপক্ষে ১০০ বছরের জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
- এর আগে ফরিদপুরের ভাগিয়াচান্দা বিলে জরিপ চালিয়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন টন পিট কয়লার মজুত পাওয়া যায়।

সূত্র:  ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর ও প্রথম আলো।
৯৬.
দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খ) ফার্নেস অয়েল 
  3. গ) ডিজেল 
  4. ঘ) কয়লা 
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের পূরণ করে - প্রায় ৬২%। 
• জ্বালানি উৎস:
– গ্যাস  
– ফার্নেস অয়েল 
– কয়লা 
– ডিজেল 
– জলবিদ্যুৎ 
– নবায়নযোগ্য জ্বালানি 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২। 
 
৯৭.
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার জাতিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান উপহার দেয় -
  1. ক) ৯ মাসে
  2. খ) ১০ মাসে
  3. গ) ১১ মাসে
  4. ঘ) ১২ মাসে
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ মাসে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
সুতরাং,
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো- ৯ মাস। 
- গণপরিষদের মোট ২১টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এই সংবিধান প্রণয়নে। 


উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
৯৮.
বাংলাদেশ সংবিধানে রাষ্ট্রের ‘মৌলিক আদর্শ' হিসেবে উল্লেখ করা হয় কয়টি স্তম্ভ?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) ছয়টি
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭২ সালে রচিত মূল বাংলাদেশ সংবিধানে উল্লিখিত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিসমূহ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২য় ভাগের ৮ম অনুচ্ছেদ থেকে ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা রয়েছে।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা এই চারটি বিষয়কে রাষ্ট্রের মৌলস্তম্ভ বা ‘মৌলিক আদর্শ' হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
- এতে আরো বলা হয়, অন্যান্য মৌলিক নীতি উপরোক্ত চারটি আদর্শ থেকে উৎসারিত হবে।

১। জাতীয়তবাদ:  ভাষাগত এবং সংক্ষিপ্ত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালি জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, সেই জনগোষ্ঠীর ঐক্য বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি (অনুঃ ৯)।

২। সমাজতন্ত্র: মানুষের ওপর মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত ন্যায়ানুগ সমাজলাভ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হলো রাষ্ট্রের লক্ষ্য (অনুঃ ১০)।

৩। গণতন্ত্র: বাংলাদেশ হবে একটি প্রজাতন্ত্র। এর রাজনৈতিক ব্যবস্থা হবে গণতান্ত্রিক। প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে (অনুঃ ১১)।

৪। ধর্মনিরপেক্ষতা: ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হলো সকল প্রকার সাম্প্রদায়িকতার অবসান, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা না দেয়া, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করা এবং ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তির প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বা নিপীড়নের অবসান (অনুঃ ১২)।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৯৯.
বর্তমান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের একমাত্র নারী সদস্য -
  1. ক) রাজিয়া সুলতানা
  2. খ) রাজিয়া বানু
  3. গ) বেগম রাশেদা সুলতানা
  4. ঘ) বেগম কবিতা খানম
সঠিক উত্তর:
গ) বেগম রাশেদা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেগম রাশেদা সুলতানা
ব্যাখ্যা
বর্তমান নির্বাচন কমিশন
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার: কাজী হাবিবুল আউয়াল
• নির্বাচন কমিশনার:
» ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আহসান হাবিব খান (অবঃ)
» বেগম রাশেদা সুলতানা
» জনাব মোঃ আলমগীর
» জনাব মোঃ আনিছুর রহমান

• দেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বেগম কবিতা খানম। 
• ভারতবর্ষের প্রথম নারী শাসক রাজিয়া সুলতানা।
• বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র নারী সদস্য রাজিয়া বানু।

সূত্র: নির্বাচন কমিশন।
১০০.
আইন প্ৰণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদ সদস্যদের কত অংশের সম্মতি থাকতে হয়?
  1. ক) এক-তৃতীয়াংশ
  2. খ) দুই-তৃতীয়াংশ
  3. গ) এক-চতুর্থাংশ
  4. ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) দুই-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুই-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- আইন অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রত্যেক বয়স্কপ্রাপ্ত নাগরিক তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করে থাকে।
- এই সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে একজন প্রার্থীর বয়স ৩৫ বছর হতে হবে।
- পক্ষান্তরে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ২৫ বছর হওয়ার শর্ত দেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।
- জাতীয় সংসদে কোন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে নিয়মতান্ত্রিকভাবে সংসদ সদস্যগণের মতামত গৃহীত হয়।
- মূলত: জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকারের সম্মুখে সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে কোন আইন সংসদে পাশ হয়।
- তবে আইন প্ৰণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।
- এরপর সরকার প্রধান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও পরিশেষে রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির লিখিত সম্মতির মধ্য দিয়ে একটি আইনকে কার্যকরি রূপ প্রদান করা হয়।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
 
১০১.
‘গ্লাসনস্ত' ও ‘পেরেস্ত্রোইকা’ কোন দেশে চালু হয়েছিল?
  1. ক) অষ্ট্রিয়া
  2. খ) বেলারুশ
  3. গ) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ঘ) পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
• ‘গ্লাসনস্ত' ও ‘পেরেস্ত্রোইকা’ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে চালু হয়েছিল। 

• ১৯৮৫ সালে গরবাচেভ ক্ষমতায় এসেছিলেন ।
- ১৯৮৭ সালে তিনি সংস্কার কর্মসূচির কথা বলেন।
- গরবাচেভ তার সংস্কার কর্মসূচির কথা বলেছেন দুভাবে
১. ‘গ্লাসনস্ত' যার আভিধানিক অর্থ দুয়ার খোলা নীতি।
২. ‘পেরেস্ত্রোইকা’ যার অর্থ দাঁড়ায় পরিবর্তন কিংবা পরিবর্ধন।

• গরবাচেভ তার সংস্কার কর্মসূচি বাস্ত বায়ন করতে গিয়ে সবকিছু ‘ওপেন' করে দিয়েছিলেন।
-গরবাচেভ বলেছিলেন ব্যুরোক্রেসিমুক্ত একটি সমাজ ব্যবস্থার কথা।
- বলেছিলেন গোপন ব্যালটের মাধ্যমে পার্টির কর্মকর্তা নির্বাচন করার প্রক্রিয়া শুরু করার কথা।
- বলেছিলেন, সরকার ফ্যাক্টরি প্রশাসক নির্ধারণ করবে না।
- এরা নিযুক্ত হবেন কর্মচারীদের ভোটে। বলেছিলেন, ফ্যাক্টরিগুলোর প্রশাসন তাদের নিজস্ব উৎপাদিত দ্রব্যের ব্যাপারে ও বাজারজাতের ব্যাপারে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে-এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ থাকবে না ।
- তিনি বলেছিলেন, যেসব শিল্প-কারখানা, তাদের উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে বাজারে প্রতিযোগিতায় দাঁড়াতে পারছে না, তা বন্ধ করে দেয়া হবে।
- সাংবাদপত্রকে তিনি যথেষ্ট স্বাধীনতা দিয়েছিলেন।
- প্রশাসনের প্রভাব থেকে নিরপেক্ষভাবে অনেক সংবাদপত্র তখন প্রকাশিত হয়েছিল।
- তিনি বাজার অর্থনীতি চালু করার কথাও বলেছিলেন। ব্যক্তিগত খাত সৃষ্টি করা হয়েছিল।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১০২.
বিখ্যাত 'Social Contract' গ্রন্থটির লেখক কে ছিলেন?
  1. ক) কার্ল মার্কস
  2. খ) লেনিন
  3. গ) রুশো
  4. ঘ) মন্টেস্কু
সঠিক উত্তর:
গ) রুশো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রুশো
ব্যাখ্যা
রুশোর দৃষ্টিতে প্রতিবাদই ছিলো প্রথম প্রতিরোধ যার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে যুদ্ধে জয়লাভের মধ্য দিয়ে।
- রুশোর লেখালেখি ফরাসি বিপ্লব-পূর্ব সময়ে মানুষকে প্রতিবাদের চেতনায় উদ্দীপ্ত করে। এ
- রুশো মনে করতেন মানুষ স্বাধীন সত্তা নিয়ে জন্ম গ্রহণ করেও চারপাশের নানা দায়িত্বও নিয়মের মধ্যে পড়ে পরাধীন হয়ে পড়ে। 
- তিনি সব জনগণের একনিষ্ঠ সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনিই প্রথম মতামত প্রদান করেন রাষ্ট্র যদি জনগণের কথা মতো পরিচালিত না হয় তবে সেই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা জনগণের অধিকার এমনকি নৈতিক দায়িত্বও বটে। 
- তিনি বিখ্যাত সোসিয়েল কন্টাক্ট (Social Contract) গ্রন্থে এই কথাই স্পষ্ট করে বলেছেন।

• বিশেষ করে ধর্মের নামে মঠ কেন্দ্রিক ব্যবসার পাশাপাশি শাসনতান্ত্রিক নানা অনিয়ম ও লাগামহীন স্বৈরতন্ত্রের ঘোর বিরোধী ছিলেন মন্টেস্কু।
- ‘দি পার্সিয়ান লেটার্স (The Persian Leters)' গ্রন্থে তিনি ঐ সময়ের সামাজিক অবস্থার বিবরণ দিয়ে জ্ঞানগর্ভ সমালোচনা করে গেছেন।
- ব্যক্তি-স্বাতন্ত্র, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসন, আইন ও বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের দাবি নিয়ে তিনি রচনা করেন দি স্পিরিট অব ল'জ (The Sprit of Laws) আরেকটি বিখ্যাত বই। 

সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩.
বিশ্ব অর্থনীতিতে 'দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন' দেখা যায় কখন?
  1. ক) ১৯১৯ সালে
  2. খ) ১৯২৯ সালে
  3. গ) ১৯৩৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে ১৯২৯ সালের অক্টোবর থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি ছন্দপতন লক্ষ করা গেছে।
- অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বড় আকারের এই ছন্দপতনকে মহামন্দা তথা দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে পশ্চিমা বিশ্বে ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করে পুঁজিবাদ।
- আর পুঁজিবাদী ব্যবস্থার নিয়মই হচ্ছে এখানে মাঝে মাঝে মন্দাভাব দেখা দেয়।
- তবে ঝড়ের বেগে এসে এই মন্দাভাব ও পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে গ্রাস করবে, তা ছিল কল্পনাতীত।
- হঠাৎ করে সংকট উপনীত হওয়ার অনেকগুলো শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যায়।
- বিভিন্ন স্থানে বেড়ে যায় বেকার ও চাকরি প্রত্যাশী মানুষের সংখ্যা।
- ১৯২৯ সালের এই মন্দা অতীতে ঘটে যাওয়া সব ধরনের রেকর্ড ভঙ্গ করে।
- আর সেদিক থেকে ধরতে গেলে এর মহামন্দা নামকরণ স্বার্থক।
- এর প্রমাণ হিসেবে এক যুক্তরাষ্ট্রেই ১৯২৯-৩৫ সালের মধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার দেউলিয়া হয়ে যাওয়া ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০৪.
কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বন্দর কোনটি?
  1. ক) মারিউপল বন্দর
  2. খ) ওডেসা বন্দর
  3. গ) চাবাহার বন্দর
  4. ঘ) মালমো বন্দর
সঠিক উত্তর:
খ) ওডেসা বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওডেসা বন্দর
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী ওডেসা বন্দর

⇨ ওডেসা যে দেশের সমুদ্র বন্দর – ইউক্রেন।
⇨ ক্রেমলিন ও কিয়েভের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি মতে ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর থেকে খাদ্যশস্য রপ্তানি শুরু হয়।উল্লেখ্য,
খাদ্যশস্য রপ্তানিতে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত• গোটা বিশ্বকে খাদ্য সংকট থেকে বাঁচাতে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো খুলে দিতে ২২ জুলাই ২০২২ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• এতে মধ্যস্থতা করে জাতিসংঘ ও তুর্কিয়ে।
• জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও তুর্কিয়ের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এর উপস্থিতে রাশিয়ার পক্ষে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু এবং ইউক্রেনের পক্ষে দেশটির অবকাঠামো বিষয়ক মন্ত্রী ওলেকসান্দার কুবরাকভ সেই চুক্তিতে সই করেছেন।চুক্তি অনুযায়ী -
i) পণ্যবাহী জাহাজ যাত্রা শুরুর আগে ইউক্রেনীয় বন্দরগুলোতে শস্য ভর্তির কাজ নিরীক্ষণ করবে তুর্কিয়ে, ইউক্রেন ও জাতিসংঘ। জাহাজগুলো কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করে তুর্কিয়ের বসফরাস প্রণালির দিকে যাবে।
ii) জাতিসংঘ, ইউক্রেন, রাশিয়া ও তুর্কিয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলের একটি যৌথ সমন্বয় কেন্দ্র থেকে জাহাজ পর্যবেক্ষণ করবেন।
iii) ইউক্রেনে প্রবেশকারী জাহাজগুলোও একইভাবে যৌথ সমন্বয় কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনা করা হবে, যাতে তারা ইউক্রেনে অস্ত্র বহন করতে না পারে। রাশিয়া ও ইউক্রেন অত্যাবশ্যক শস্য পরিবহনে নিযুক্ত কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা বন্দরগুলোতে আক্রমণ করবে না।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২ ও বিবিসি বাংলা।
১০৫.
প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে 'ইউবোট যুদ্ধকৌশল' প্রয়োগ করে কোন দেশ?
  1. ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তারাজ্য
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
আটলান্টিকের ত্রাস জার্মান ইউবোট:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত ব্রিটিশ নৌবাহিনীকে ইউরোপের প্রতিটি দেশ সমীহ করে চলতে।
- ১৯১৪ সালের দিকে উদ্ভাবিত জার্মান ইউবোট এক্ষেত্রে হঠাৎ করেই আটলান্টিকের অতলে ত্রাস সৃষ্টি করে।
- জার্মান শব্দ ‘আন্ডারসিবোটভাভি' থেকেই এ ইউবোটের নামকরণ যা পানির তলদেশ দিয়ে আক্রমণ চালাতে অনেক কার্যকর একটিসাবমেরিন।
- ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ঠিক দুদিন পর তৎপরতা শুরু করে এ ইউবোট।
- ১৯১৪ সালের ৬ আগস্ট হোলিগোল্যান্ডে অবস্থিত নৌঘাঁটি থেকে ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ওপর আক্রমণ শানাতে যাত্রা করে ১০টি জার্মান ইউ বোট।
- ইতিহাসে প্রথমবারের মত সাবমেরিন টহল শুরু হলে মাইনের আঘাতে কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- তবে ১৯১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে সফলতার মুখ দেখে ইউবোটগুলো।
- লেফটেন্যান্ট অটো হার্সিং ইউ-২১ থেকে টর্পেডো নিক্ষেপ করে ব্রিটিশ ক্রুজার পাথফাইন্ডারকে ডুবিয়ে দেয়।
- এতে ২৫৯ জন ক্রুর কেউই প্রাণরক্ষা করতে পারেনি। এদিকে ২২ সেপ্টেম্বর লেফটেন্যান্ট অটো ওয়েডিগেন ইউ-৯ তিনটি ব্রিটিশ ক্রুজারে প্রাণঘাতী হামলা চালান।
- এতে তিনটি ব্রিটিশ ক্রুজার আবুকির, ক্রেসি ও হগ পুরোপুরি পানিতে ডুবে যায়।
- মাত্র আধঘণ্টার এ লড়াইয়ে প্রায় ১ হাজার ৪৬০ জন ব্রিটিশ নাবিক প্রাণ হারায়।
- এরপর আরো কয়েকটি হামলা চালিয়ে এককথায় আটলান্টিকের ত্রাস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জার্মান ইউবোট।

সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংগঠিত গণহত্যাকে নিন্দা করে একে ‘মানব ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়' বলে অভিহিত করেছিলেন জাতিসংঘের কোন মহাসচিব?
  1. ক) আন্তোনিও গুতেরেস
  2. খ) কফি আনান
  3. গ) উথান্ট
  4. ঘ) বান কি মুন
সঠিক উত্তর:
গ) উথান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উথান্ট
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘ মূলত যুক্ত হয়েছিল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ; এবং শরণার্থীদের সহায়তা দানের মধ্য দিয়ে।
- ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতৃবৃন্দ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা চেয়ে তারবার্তা পাঠিয়েছিলেন তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব উথান্টের কাছে।
- সে সময়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির ঢাকাস্থ প্রতিনিধির সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠকও করেছিলেন তাঁরা।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষের উপর যে গণহত্যা সংঘঠিত হয়, তা সারা বিশ্বে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে সেদিন জাতিসংঘ মহাসচিব উথান্ট এই গণহত্যাকে নিন্দা করে একে ‘মানব ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়' বলে অভিহিত করেছিলেন।

সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রাশিয়ার কৌশলগত ছিটমহল কোনটি?
  1. ক) কালিনিনগ্রাদ
  2. খ) লেনিনগ্রাদ
  3. গ) ভ্লাদিভস্টক
  4. ঘ) ক্রিমিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) কালিনিনগ্রাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কালিনিনগ্রাদ
ব্যাখ্যা
• রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রুশ ছিটমহল কালিনিনগ্রাদের সঙ্গে বাল্টিক তীরবর্তী দেশ লিথুয়ানিয়া এবং পোল্যান্ডের সীমান্ত রয়েছে।
- কালিনিনগ্রাদে রাশিয়ার কয়েক ডজন রণতরী এবং ডুবোজাহাজ রয়েছে। 
- এ ছাড়া, রুশ পদাতিক বাহিনী, নৌ ব্রিগেড এবং দু'টি সামরিক ঘাঁটিও এখানে আছে।
- কৌশলগত এই অঞ্চলে ইসকান্দার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে রাশিয়া।
- দ্বৈত-ক্ষমতা সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র হিসেব পরিচিত ইসকান্দার পরমাণু বোমাও বহন করতে পারে।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৭০০ কিলোমিটার হওয়ায় জার্মানির রাজধানী বার্লিনসহ পোল্যান্ড ও সুইডেনের দুই-তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড এর আওতায় পড়বে।

সূত্র: Britannica
১০৮.
ভেটো ক্ষমতা প্রাপ্ত জাতিসংঘের সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ ধ্বংসলীলার পরে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ ও অশান্তি দূর করার জন্য আবার ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী শক্তিবর্গ যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, চীন এবং ফ্রান্স এই জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্যেক্তা।
- প্রতিষ্ঠাকালে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৫১ আর বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সকল স্বাধীন দেশই এর সদস্য এবং এর সংখ্যা ১৯৩।
- এসব দেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়েছে, তাদের শান্তি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বিগ্রহ থেকে পৃথিবীর মানুষকে রেহাই দেবার প্রত্যাশায়।
- কিন্তু বিশ্ববাসীর দুর্ভাগ্য, জাতিসংঘ বিশ্বে শান্তি এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি।
- শান্তি এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রসমূহ অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে জাতিসংঘের সদস্য হলেও শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহের ভূমিকা মোটেই নিরপেক্ষ নয়।
- তাদের হাত থেকে ক্ষুদ্র জাতিসমূহের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
- এর মূল কারণ হচ্ছে জাতিসংঘ সনদেই তার ব্যর্থতার বীজ নিহিত রয়েছে।
- আর সেটা হচ্ছে ভেটো ক্ষমতা, যার মালিক হচ্ছে বৃহৎ পাঁচ রাষ্ট্র তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, চীন এবং ফ্রান্স
- এরা সম্মিলিতভাবে কৌশলে এই ভেটো ক্ষমতা প্রবর্তন করেছে এবং এর মালিকানা নিজেরা নিয়ে নিয়েছে।
- মূলত এই ভেটো ক্ষমতা প্রবর্তনের ফলে সকল রাষ্ট্রের সমানাধিকারকে অস্বীকার করা হয়েছে।

সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৯.
বেলফোর ঘোষণার সাথে কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত?
  1. ক) ফিলিস্তিন
  2. খ) লেবানন
  3. গ) ইসরাইল
  4. ঘ) জর্দান
সঠিক উত্তর:
গ) ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
• বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটাই বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। 
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১১০.
'পাতাগোনিয়া' মরুভূমি কোথায়?
  1. ক) মঙ্গোলিয়া
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
গ) আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য মরুভূমিসমূহ:
- থর: ভারত-পাকিস্তান
- গোবি: চীন-মঙ্গোলিয়া
- কারাকুম: তুর্কমেনিস্তান
- পাতাগোনিয়া: আর্জেন্টিনা
- আতাকামা: চিলি
- মোজাবে: যুক্তরাষ্ট্র
- তাকলামাকান: চীন

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
১১১.
European Recovery Program নামে পরিচিত -
  1. ক) ডমিনো তত্ত্ব
  2. খ) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. গ) ট্রুম্যান ডকট্রিন
  4. ঘ) মার্শাল প্ল্যান
সঠিক উত্তর:
ঘ) মার্শাল প্ল্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মার্শাল প্ল্যান
ব্যাখ্যা
মার্শাল প্ল্যান এর পরিচিতি হচ্ছে European Recovery Program.

• প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত এক বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ যারা সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের সমর্থন করা। অর্থাৎ এখানে কমিউনিজম ভীতি কাজ করছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল। ওইদিন থেকেই তা কার্যকর হয়।
- পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা সফল হয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র এই প্রোগ্রামের আওতায় ওই সময় ১৫ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা দিয়েছিল।
- এই আর্থিক সহায়তার কারণে পশ্চিম ইউরোপের জিডিপি ১৫ থেকে ২৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
- পরবর্তীতে অনুন্নত দেশগুলোর জন্যও মার্শাল পরিকল্পনা প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
১১২.
'হিউগো ফ্রেমওয়ার্ক ফর একশন' কোন বিষয় সম্পর্কিত?
  1. ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ও দুর্যোগ জনিত ঝুঁকি
  2. খ) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  3. গ) গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ প্রশমন
  4. ঘ) ওজোন স্তরের ক্ষয়
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ও দুর্যোগ জনিত ঝুঁকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা ও দুর্যোগ জনিত ঝুঁকি
ব্যাখ্যা
• হিউগো ফ্রেমওয়ার্ক ফর একশন (Hugo Framework for Action):
- জাপানের কোবে নগরীতে বিশ্বের ১৬৮টি দেশের প্রতিনিধি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ও দুর্যোগ জনিত ঝুঁকি কমাতে ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে একটি সম্মেলন করেন।
- উক্ত সম্মেলন হিউগো ফ্রেমওয়ার্ক ফর অ্যাকশন নামে পরিচিত।
- পরিবেশ বিষয়ক উক্ত কর্মকাঠামোতে টেকসই উন্নয়নের জন্য, বিভিন্নমুখী আপদ মোকাবেলার কৌশল, দুর্যোগের ভয়াবহতা ও প্রকোপ হ্রাস করা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসকে জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূলধারায় অন্তর্ভূক্ত করা, ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতীয় সামর্থ্যকে শক্তিশালী করা, দুর্যোগ প্রস্তুতিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিনিয়োগ করা, দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা অর্জনে সুশীল সমাজকে সম্পৃক্ত করা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী বারোটি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যকে বলা হয় -
  1. ক) Dirty Dozen
  2. খ) Baker's Dozen
  3. গ) Polluted Dozen
  4. ঘ) Dime Dozen
সঠিক উত্তর:
ক) Dirty Dozen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Dirty Dozen
ব্যাখ্যা
ডার্টি ডজন (Dirty Dozen):
- পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী পৃথিবীর বারোটি মারাত্মক বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের সাধারণ দলগত নাম।
- এ ১২টি রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে- 

• আটটি কীটনাশক:
- অলড্রিন (aldrin),
- ডায়েলড্রিন (dieldrin),
- ক্লোরডেন (chlordane),
- এনড্রিন (endrin),
- হেপ্টাক্লোর (heptachlor),
- ডিডিটি (DDT),
- মিরেক্স (mirex) এবং
- টক্সাফিন (toxaphene)।

 • দুটি শিল্পজাত রাসায়নিক দ্রব্য:
- পিসিবি (PCBs) এবং
- হেক্সাক্লোরোবেনজিন (hexachlorobenzene)। এবং

• অন্য দুটি ডাইওক্সিন (dioxin) ও ফিউরান (furan)।

• কল-কারখানায় উৎপন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত উপজাত।
- খাদ্যচক্রে প্রবেশ করে এ মারাত্মক বিষগুলি সারা পৃথিবীর প্রায় সব পরিবেশের সব ধরনের জীবজন্তুর ওপর তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটায়।
- এখন জানা গেছে মানুষের ক্ষেত্রেও এসব বিষাক্ত পদার্থ ত্রুটিপূর্ণ শিশুর জন্ম, ক্যান্সার উৎপাদন এবং ভ্রূণ বিকাশের নানাবিধ সমস্যার সঙ্গে জড়িত।
১১৪.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর শীর্ষ পদ কোনটি?
  1. ক) প্রশাসক
  2. খ) মহাসচিব
  3. গ) মহাপরিচালক
  4. ঘ) প্রেসিডেন্ট
সঠিক উত্তর:
গ) মহাপরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর শীর্ষ পদের নাম মহাপরিচালক। 
- সংস্থাটির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম Ngozi Okonjo-Iweal

• উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয় এবং যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO)।

• এক নজরে WTO
প্রতিষ্ঠাকাল – ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সাল।
সদস্য সংখ্যা - ১৬৬টি দেশ।
সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান (২৯ জুলাই, ২০১৬ সাল); পর্যবেক্ষক ২৫টি।
সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

তথ্যসূত্র:- WTO ওয়েবসাইট।
১১৫.
কোথায় সর্বশেষ ASEAN Summit অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) হ্যানয়
  2. খ) সিঙ্গাপুর সিটি
  3. গ) ম্যানিলা
  4. ঘ) নমপেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) নমপেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নমপেন
ব্যাখ্যা
• নভেম্বর ২০২২ সালে কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে সর্বশেষ ASEAN Summit অনুষ্ঠিত হয়।

• ASEAN (Association of Southeast Asian Nations) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
• এটি ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট স্নায়ুযুদ্ধের সময় ‘ব্যাংকক ডিক্লারেশনের’ মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এর সদরদপ্তর অবস্থিত জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
• এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
• দেশগুলো হলো- মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
• বাংলাদেশ আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের সদস্য।

তথ্যসূত্র:- আসিয়ানের ওয়েবসাইট।
১১৬.
The Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) দক্ষিণ কোরিয়া
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• The Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর  চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে চুক্তিটি কার্যকর হয়।

• RCEP চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী মোট দেশ ১৫টি। যথা:
- চীন
- জাপান
- দক্ষিণ কোরিয়া
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- ইন্দোনেশিয়া 
- মালয়েশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- ফিলিপাইন
- ব্রুনাই
- সিঙ্গাপুর
- কম্বোডিয়া
- লাওস ও
- মিয়ানমার।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড
১১৭.
প্লাইস্টোসিনকালের গঠিত ভূমিরূপ নয় নিচের কোন জেলা?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকালে বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• নিম্নে এসব উচ্চভূমি বর্ণনা করা হলো।
ক) বরেন্দ্রভূমি: বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। 

খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি। সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার । এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

গ) লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার। এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১৮.
ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে কোন নদী?
  1. ক) কর্ণফুলী
  2. খ) সাঙ্গু
  3. গ) ফেনী
  4. ঘ) নাফ
সঠিক উত্তর:
গ) ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফেনী
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলী (Karnaphuli):
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী।
- এ নদীর দৈর্ঘ্য ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলির প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা ও বোয়ালখালি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

• সাঙ্গু (Shangu):
- সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে।
- অত:পর বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

ফেনী (Feni):
- ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে।
- ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- এ নদীটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক জেলা ফেনীর নামে পরিচিত এবং ফেনী জেলাতেই অবস্থিত।

• নাফ (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার।
- এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১৯.
পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বেশি টর্নেডোপ্রবণ এলাকা -
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগরের নিকট
  2. খ) বাল্টিক সাগর ও নর্দিক অঞ্চল
  3. গ) ভূমধ্যসাগরীয় এলাকা
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
• টর্নেডো: 
- টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়।
- টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়।
- টর্নেডোর ভিতরে ও বাইরের বায়ু চাপের গড় পার্থক্য প্রায় ২ ইঞ্চি। 
 
• টর্নেডোর বৈশিষ্ট্য টর্নেডোর বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে আলোচিত হলো-
১. টর্নেডোতে প্রথমত আকস্মিকভাবে বায়ু চাপের হ্রাস ঘটে বলেই বড় বড় ইমারতে ফাটল ধরে।
২. বায়ুর আবর্তন হয় অত্যন্ত দ্রুতবেগে। ফলে বায়ুপ্রবাহের সম্মুখে প্রতি বর্গফুটে বায়ুচাপের পরিমাণ হয় ১৬০ থেকে ১০০০ পাউন্ড।
৩. টর্নেডোর উত্তোলন ক্ষমতা অনেক ভয়ঙ্কর। ভয়ঙ্কর বেগে টর্নেডোর বায়ু উপরের দিকে উত্থিত হয় এবং পথে যা পায় তাই তুলে নেয়।
৪. ভূমিতে টর্নেডোর রৈখিক গতিবেগ বিভিন্ন টর্নেডোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের হয়। যেমন- উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে আসে ।
৫. টর্নেডোর গতিপথ অর্ধবৃত্তাকার হতে পারে এবং উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো ডানদিকে আবর্তিত হয়।
৬. টর্নেডোর গতিবেগ ঘন্টায় ৫ হতে ৬৫ মাইল হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ মাইল হয়।
৭. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডোপ্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া
৮. সমুদ্রের উপর টর্নেডো সৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে, মেক্সিকো উপসাগরে এবং চীন ও জাপানের উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে গ্রীষ্মকালে টর্নেডোর প্রকোপ দেখা যায়।
৯. টর্নেডো ব্যাপক জানমাল ও পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২০.
ইউরেনিয়াম আকরিক পাওয়া যায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) বরগুনা
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• ইউরেনিয়াম আকরিক (Uranium Ore): 
- কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া হতে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মাটিতে ইউরেনিয়াম আকরিক পাওয়া যায়। 
- এছাড়া মৌলভীবাজার জেলার হাড়গাছা পাহাড়ে ইউরেনিয়াম আকরিক পাওয়া গেছে। 
- এটি প্রধানত পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি ও পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইউরেনিয়াম আকরিক কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• চীনামাটি (China Clay):
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর, শেরপুর জেলার ভুরুংগা, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাও, কাঞ্চপুর ও এলাহাবাদ এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলায় চীনামটি পাওয়া গেছে।
- চীনামাটি প্রধানত তৈজসপত্র, বৈদ্যুতিক ইনস্যুলেটর, স্যানিটারি জিনিসপত্র, বাসনপত্র, কাগজ প্রভৃতি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

• নুড়িপাথর (Gravel):
- পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় ও তেঁতুলিয়া, লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম এবং সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ ও পিরানগঞ্জে নুড়িপাথর পাওয়া যায়। নুড়িপাথর রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, রেলপথ ও গৃহনির্মাণে ব্যবহৃত হয়।

• গন্ধক (Sulphur): কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে গন্ধক পাওয়া গেছে। সাধারণত দিয়াশলাইয়ের বারুদ, সালফিউরিক এসিড, আতশবাজি, বিস্ফোরক, কীটনাশক প্রভৃতি তৈরিতে গন্ধক ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
'কিলাওয়েয়া' আগ্নেয়গিরির অবস্থান কোথায়?
  1. ক) সিসিলি দ্বীপে
  2. খ) ভূমধ্যসাগরে
  3. গ) হাওয়াই দ্বীপে
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়ায়
সঠিক উত্তর:
গ) হাওয়াই দ্বীপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাওয়াই দ্বীপে
ব্যাখ্যা
হাওয়াই দ্বীপের সবচাইতে শক্তিশালী আগ্নেয়গিরি হল কিলাওয়েয়া।
- ১৯৮৩ সাল থেকে এর পূর্ব অংশ থেকে সারাক্ষণই লাভা বের হয়।
- কিলাওয়েয়ার লাভাকে বলা হয় বিশ্বের সবচাইতে গরম।
- জ্বালামুখের আশপাশে রয়েছে নালার মতো।

সূত্র: World Atlas ও বিবিসি বাংলা। 
১২২.
গোল্ডেন মিন (Golden Mean) হলো -
  1. ক) সমস্ত সম্ভাব্য কর্মের গড়
  2. খ) দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী অবস্থা
  3. গ) ত্রিভুজের দুটি বাহন বূ-কেন্দ্রিক সম্পর্ক
  4. ঘ) একটি প্রাচীন দার্শনিক ধারার নাম
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী অবস্থা
ব্যাখ্যা
• গোল্ডেন মিন (Golden Mean ) বা সুবর্ণ মধ্যক একটি দার্শনিক পরিভাষা।
- গ্রিক দার্শনিক এরস্টিটল দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী অবস্থাকে বুঝাতে গোল্ডেন মিন পরিভাষাটি ব্যবহার করেছেন।
- যেমন একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে খুবই অভাব, এ দুটি অবস্থার মাঝামাঝি অবস্থাই হলো গোল্ডেন মিন।

সূত্র: Britannica
১২৩.
'সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' উক্তির মাধ্যমে কোন ধরনের মূল্যবোধ প্রকাশিত হয়।
  1. ক) সামাজিক মূল্যবোধ
  2. খ) রাজনৈতিক মূল্যবোধ
  3. গ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
  4. ঘ) ধর্মীয় মূল্যবোধ
সঠিক উত্তর:
গ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ (Democratic Values): 
» অন্যের মতামত ও মনোভাবকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়।
» গঠনমূলক সমালোচনা করার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা ও সংযম গড়ে তুলতে হবে।
» গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মানুষকে পারস্পরিক সুখে-দুঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।
» সবসময় ভাবতে হবে 'সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।' শৃঙ্খলাবোধে বিশ্বাসী হতে হবে।
» অধিকার ও কর্তব্য সচেতন হতে হবে। সরকারকে তাদের নীতি ও সিদ্ধান্তের জন্য দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক আচরণ বা মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
» নির্বাচনে জয়- পরাজয়কে মেনে নিতে হবে। আইনসভাকে কার্যকর করতে হবে।
» হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও নয়, বরং আইনসভায় বসে আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সব সমস্যার সমাধান খুঁজতে হবে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসসর মোঃ মোজ্জামেল হক।