পরীক্ষা আর্কাইভ

livemcq

পরীক্ষাlivemcqতারিখতারিখ অনির্ধারিত১৪৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৫২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

livemcq

livemcq · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫২ প্রশ্ন

.
পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন?
  1. মৌর্য
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. চন্দ্র
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুরের 'সোমপুর মহাবিহার' বাংলার পাল শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন।

সোমপুর মহাবিহার:

- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।
- ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।
- এ বিহারে ১২৫নং কক্ষে মাটির পাত্রে খলিফা হারুন-অর-রশিদের শাসনামলের রৌপ্য মুদ্রা পাওয়া যায়।

⇒ ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার নেতৃত্ব দেন কে?
  1. মোহাম্মদ সোলায়মান
  2. আব্দুল খালেক
  3. মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
  4. শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদানকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম। তিনি একাত্তরে ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশ প্রধান ছিলেন।

মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিল কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

⇒ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

অন্যান্য তথ্য:
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
.
ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবিতে কোন দু'টি বিষয় কেন্দ্রিয় সরকারের হাতে রাখার প্রস্তাব ছিল?
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা
  2. অর্থ ও পররাষ্ট্র
  3. স্বরাষ্ট্র ও পরিকল্পনা
  4. প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচির ২য় দফায় প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় দুটি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

ছয়দফা কর্মসূচি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

⇒ ছয়দফা কর্মসূচির দাবিসমূহ:
• প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম।

• দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট সকল বিষয়ের ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে।

• তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
- দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে।
- অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।

• চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
- আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।

• পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসাব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।

• ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
- অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?
  1. ভূমি রাজস্ব
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

⇒ সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
.
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ রান করেন?
  1. লিটন দাস
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
২০২৩ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি মোট ৩২৮ রান করেন।

আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩:
- আয়োজক দেশ: ভারত।
- এটি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১০টি।
- মোট ম্যাচ: ৪৮টি।
- বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর-১৯ নভেম্বর।
- চ্যাম্পিয়ন: অস্ট্রেলিয়া (৬ষ্ঠ বার)।
- রানার্স আপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)।
- সর্বাধিক রান: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- সর্বাধিক উইকেট: মোহাম্মদ শামি (ভারত)।
- সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস: গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
- সর্বাধিক সেঞ্চুরি: কুইন্টন ডি' কক।

উল্লেখ্য,
⇒ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩ এ বাংলাদেশ:
- ২০২৩ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ ৯টি ম্যাচ খেলে ২টি ম্যাচে জয় লাভ করে।
- ২০২৩ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৩২৮ রান)।
- বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহ করেন শরিফুল ইসলাম (১০ উইকেট)।

উৎস: ICC Cricket ওয়েবসাইট।
.
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন কোন জাতীসত্ত্বায় রয়েছে?
  1. গারো
  2. সাওতাল
  3. মনিপুরি
  4. চাকমা
ব্যাখ্যা
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন গারো জাতীসত্ত্বায় রয়েছে।

গারো:

- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
.
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এ কয়টি ভৌগোলিক হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে?
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা:
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি হটস্পট নির্ধারণ করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন পদক পান?
  1. মানবাধিকার
  2. নারীর ক্ষমতায়ন
  3. শিশু মৃত্যুহার হ্রাস
  4. মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস
ব্যাখ্যা
নারীর ক্ষমতায়নে অনন্য অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পদক পান।

প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন:
- গ্লোবাল পার্টনারশিপস ফোরাম-এর পক্ষ থেকে ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ এবং জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন-উইম্যান-এর পক্ষ থেকে ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মালটার প্রেসিডেন্ট ম্যারি লুইস কোলেইরো প্রেকা এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের স্ত্রী বান সুন-তায়েকও ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: i) যুক্তরাষ্ট্রস্থ বাংলাদেশ মিশনের ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।
১০.
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ কবে শেষ হবে?
  1. ২০৩১
  2. ২০৩৫
  3. ২০৪১
  4. ২০৪৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হবে ২০৪১ সালে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০১০-২০২১। 

[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রূপকল্প ২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে চেয়েছিল সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা, ২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার করার লক্ষ্য ছিল। এজন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ৪৭ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রকল্পটি গ্রহণ করে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। এর মধ্যে ১৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকাই খরচ হবে পরামর্শক খাতে।

উল্লেখ্য,
- দেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ২০২০ সালের ডিসেম্বরে অনুমোদিত হয়।
- এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উত্তরসূরি এবং দীর্ঘমেয়াদি 'বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১' এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রথম বড় দলিল।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) পরিকল্পনা বিভাগের ওয়েবসাইট।
১১.
বাংলাদেশের নবীনতম নদী কোনটি?
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. জিঞ্জিরাম
  4. মেঘনা
ব্যাখ্যা
নবীনতম নদী:
- নিকতম অতীতে বাংলাদেশে নতুন নদী তৈরি হওয়ার ইতিহাস নেই, বরং ভরাট হয়; সংস্কারের অভাবে নদী মরে যায়।
- এখানে নবীনতম নদী বলতে সর্বশেষ যে নদীর ধারা সৃষ্টি হয়েছে সেটাই বুঝানো হয়েছে।
- বাংলাদেশে নতুন নদী তৈরি হওয়ার ঘটনাটি বেশ পুরনো।
- প্রায় ২৪০ বছর পূর্বে ১৭৮৭ সালে এই ভূখণ্ডে তীব্র ভূমিকম্প ও বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়েছিলো।
- এই ঘটনার পর বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আর নতুন নদী তৈরি হওয়ার ইতিহাস নেই।
- তাই যমুনা নদীকেই বাংলাদেশের নবীনতম নদী বলা যায়।

⇒ যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম।
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত প্রচণ্ড ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- তারপর তিব্বত ও আসামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদ ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- একটি শাখা যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- অপর শাখা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী: ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা।

অন্যদিকে,
• পদ্মা নদী:
- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- পদ্মা নদী রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো ⎯ মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি এবং উপনদী ⎯ মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

• জিঞ্জিরাম নদী:
- জিঞ্জিরাম নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী।
- নদীটি বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও জামালপুর জেলায় প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির দৈর্ঘ্য ২৫ কিলোমিটার।

• মেঘনা নদী:
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের প্রশস্ত ও গভীরতম নদী।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী। ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- এর মধ্যে একটি সুরমা নামে এবং অন্যটি কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়ে হবিগঞ্জের কালনী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এরপর মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- অত:পর চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরো দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে ⎯ মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম এবং জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া মেঘনার শাখানদী।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২.
'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. গুরু দত্ত
  2. শিবু সিরিল
  3. শ্যাম বেনেগাল
  4. বিশাল ভরদ্বাজ
ব্যাখ্যা
‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’:
- শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত হওয়া ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো বায়োপিক।
- সিনেমাটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
- ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন শ্যাম বেনেগাল।
- এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি।

এছাড়া,
- রেণু (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব) চরিত্রে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা,
- শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া,
- শেখ রেহানা চরিত্রে সাবিলা নূর,
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদ,
- তাজউদ্দীন আহমদ চরিত্রে রিয়াজ,
- এ কে ফজলুল হক চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চুসহ অনেকেই অভিনয় করেছেন।

উৎস: প্রথম আলো।
১৩.
The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. আনিসুর রহমান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
The Foreshadowing of Bangladesh:
- The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক হারুন-অর-রশিদ।
- এটি '১৯৪৭ সালের আগে বাংলার মুসলমানদের অবহেলিত ইতিহাস'।

উল্লেখ্য,
• হারুন-অর-রশিদ:
- হারুন-আর-রশিদ একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক, গবেষক, কলাম লেখক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
- ১৯৪৭-পূর্ব ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীন অবিভক্ত বাংলা, পাকিস্তানি শাসনকাল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি, এর গতিধারা ও রাজনৈতিক উন্নয়ন’ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র।
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র গঠন সব সময় তাঁর গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয়।

⇒ তাঁর গবেষণা-গ্রন্থের মধ্যে -
- The Foreshadowing of Bangladesh 1906-1947 (fourth edition, UPL 2015),
- Inside Bengal Politics 1936-1947 : Unpublished Correspondence of Partition Leaders (second edition, UPL 2012),
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ (ইউপিএল ২০১৩),
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন বাংলাদেশের . অভ্যুদয় (আগামী প্রকাশনী ২০০৩),
- বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন ১৭৫৭-২০০০ (নিউ এজ পাবলিকেশন্স ২০০১),
- “আমাদের বাঁচার দাবী’ : ৬ দফার ৫০ বছর (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- মূলধারার রাজনীতি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কাউন্সিল ১৯৪৯-২০১৬ (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য-সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ, (বাংলা একাডেমি ও অন্যপ্রকাশ ২০১৮) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

⇒ প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া’ (২০ খণ্ড) রচনা প্রকল্পের প্রধান হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য ২০২১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: i) Amazon.com
ii) Rokomari.com
১৪.
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বাংলাদেশে প্রথম:
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করে মুসা ইব্রাহিম (২০১০ সালের ২৩ মে)।
- প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি - বিডিনিউজ।
- প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে - ডাচ বাংলা ব্যাংক লি.।
- প্রথম এটিএম কার্ড চালু করে - স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
- বাংলাদেশের প্রথম আদম শুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য,
⇒ 'মুজিবনগর সরকার' সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- গঠিত হয়: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
- সদরদপ্তর ছিলো - ৮নং থিয়েটার রোড, কলকাতা।

⇒ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার কত শতাংশ ছিল?
  1. ৪০.৮
  2. ৪০.৯
  3. ৪১.৬
  4. ৪১.৮
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিলো ৪১.৮ শতাংশ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে।
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২২৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ।
- ক্ষমতাসীনদের পর সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা:
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন?
  1. ৯৫
  2. ৯৬
  3. ৯৭
  4. ৯৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক:
- সংবিধানের ষষ্ঠভাগে বিচারবিভাগ ও ষষ্ঠভাগের প্রথম পরিচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং
ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থেকে থাকলে; অথবা
খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করে থাকলে; অথবা
গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থেকে থাকলে;
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হবেন না।

(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘সুপ্রীম কোর্ট’ বলতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।

এছাড়াও,
- অনুচ্ছেদ ⎯ ৯৬: বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ⎯ ৯৭: অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ⎯ ৯৮: সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭.
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদিআরব
  3. কুয়েত
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে।

বাংলাদেশের বৃহত্তম শ্রম বাজার:

- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।

তথ্য মতে-
- ২০২৪ সালে সৌদি আরব সর্বোচ্চ ৬ লাখ ২৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়েছে, যা একক বছরে কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যা।

⇒ ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। 

উৎস: The Business Standard. [link] 
১৮.
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ জয় করে কোন দেশের বিপক্ষে?
  1. পাকিস্তান
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ভারত
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ জয় করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।

⇒ ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

⇒ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০০০ সালে।
- সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
১৯.
নিচের কোন ভগ্নাংশটি ২/৩ হতে বড়?
  1. ৩৩/৫০
  2. ৮/১১
  3. ৩/৫
  4. ১৩/২৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন ভগ্নাংশটি ২/৩ হতে বড়?

সমাধান:
২/৩ = ০.৬৬৭

এখানে,
৩৩/৫০ = ০.৬৬
৮/১১ = ০.৭৩
৩/৫ = ০.৬০
১৩/২৭ = ০.৪৮

এখানে, ২/৩ < ৮/১১

৮/১১ ভগ্নাংশটি ২/৩ হতে বড়।
২০.
বার্ষিক ৫% হার মুনাফায় ৪০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
  1. ৪৪০ টাকা
  2. ৪৪১ টাকা
  3. ৪৪৫ টাকা
  4. ৪৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক ৫% হার মুনাফায় ৪০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
প্রারম্ভিক মূলধন, P = ৪০০ টাকা
বার্ষিক মুনাফার হার, r = ৫% = ৫/১০০
সময়, n = ২ বছর

আমরা জানি,
চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে,
সবৃদ্ধিমূল বা চক্রবৃধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ৪০০{(১ + (৫/১০০)}
= ৪০০{(১০০ + ৫)/১০০}
= ৪০০(১০৫/১০০)
= ৪০০ × (২১/২০) × (২১/২০) টাকা
= ৪৪১ টাকা
২১.
১০০ হতে বড় দুইটি পূর্ণসংখ্যার যোগফল ৩০০ হলে, সংখ্যা দুইটির অনুপাত কত?
  1. ১ : ৯
  2. ২ : ৫
  3. ২ : ৩
  4. ৩ : ৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০০ হতে বড় দুইটি পূর্ণসংখ্যার যোগফল ৩০০ হলে, সংখ্যা দুইটির অনুপাত কত?

সমাধান:
এই ধরণের প্রশ্নগুলো অপশন টেস্ট করে করা তুলনামূলক সহজ।

অপশন (গ): ২ : ৩
ধরি,
একটি সংখ্যা ২ক এবং অপর সংখ্যা ৩ক

এখন
২ক + ৩ক = ৩০০
৫ক = ৩০০
ক = ৬০

একটি সংখ্যা = ২ × ৬০ = ১২০
অপর সংখ্যাটি = ৩ × ৬০ = ১৮০
সংখ্যা দুইটির অনুপাত = ১২০ : ১৮০ = ২ : ৩

যেহেতু পূর্ণসংখ্যা দুইটি ১০০ হতে বড়।
তাই সঠিক উত্তর: অপশন (গ)

বাকি অপশনগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।
২২.
x2 - 7x + 12 ≤ 0 এর সমাধান সেট -
  1. (- ∞, 3]
  2. (3, 4)
  3. [3, 4]
  4. [4, ∞)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 7x + 12 ≤ 0 এর সমাধান সেট -

সমাধান: 
x2 - 7x + 12 ≤ 0
x2 - 3x - 4x  + 12 ≤ 0
x(x - 3) - 4(x - 3) ≤ 0
∴ (x - 3)(x - 4) ≤ 0

x2 - 7x + 12 ≤ 0 সত্য হবে যদি x - 3 ≤ 0 এবং x - 4 ≥ 0 হয়।
এখন, x - 3 ≤ 0 এবং x - 4 ≥ 0
অর্থাৎ,  x ≤ 3 এবং x ≥ 4
3 এর চেয়ে ছোট বা সমান এবং 4 এর চেয়ে বড় বা সমান x এর কোন মান নাই।
এক্ষেত্রে অসমতাটির কোন সমাধান পাওয়া যাবে না।

আবার,
x2 - 7x + 12 ≤ 0 সত্য হবে যদি x - 3 > 0 এবং x - 4 ≤ 0 হয়।
এখন,  x - 3 ≥ 0 এবং x - 4 ≤ 0
অর্থাৎ x ≥ 3 এবং x ≤ 4
x এর মান 3 এর চেয়ে বড় বা সমান এবং 4 এর চেয়ে ছোট বা সমান।
সুতরাং অসমতাটির সমাধান পাওয়া যাবে.  

সুতরাং নির্ণেয় সমাধান: 3 ≤ x ≤ 4

x2 - 7x + 12 ≤ 0 এর সমাধান সেট [3, 4]
২৩.
x2 + y2 + z2 = 2, xy + yz + zx = 1 হলে, (x + 2y)2 + (y + 2z)2 + (z + 2x)2 এর মান-
  1. 12
  2. 19
  3. 16
  4. 14
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + y2 + z2 = 2, xy + yz + zx = 1 হলে, (x + 2y)2 + (y + 2z)2 + (z + 2x)2 এর মান-

সমাধান: 
দেওয়া আছে
x2 + y2 + z2 = 2
xy + yz + zx = 1

প্রদত্ত রাশি = (x + 2y)2 + (y + 2z)2 + (z + 2x)2 
= x2 + 2 × x × 2y + (2y)2 + y+ 2 × y × 2z + (2z)2 + z2 + 2 × z × 2x + (2x)2
= x2 + 4xy + 4y2 + y2 + 4yz + 4z2 + z2 + 4xz + 4x2
= 5x2 + 5y2 + 5z2 + 4xy + 4yz + 4xz
= 5(x2 + y2 + z2) + 4(xy + yz + zx)
= (5 × 2) + (4 × 1)
= 10 + 4
= 14
২৪.
3x - y = 3, 5x + y = 21 হলে (x, y) এর মান-
  1. (2, 5)
  2. (2, 6)
  3. (3, 5)
  4. (3, 6)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 3x - y = 3, 5x + y = 21 হলে (x, y) এর মান-

সমাধান:
3x - y = 3 ............... (1)
5x + y = 21 ..............(2)
 
(1) + (2) নং হতে পাই,
3x - y = 3
5x + y = 21
8x = 24
∴ x = 3
 
(1) নং এ x এর মান বসিয়ে পাই,
(3 × 3) - y = 3
বা, 9 - y = 3
বা, y = 9 - 3
∴ y = 6

∴ নির্ণেয় সমাধান (x, y) = (3, 6)
২৫.
হলে x এর মান কত?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:হলে x এর মান কত?

সমাধান:
(1/2) × 2x - 3 + 1 = 5
⇒ 2 - 1 × 2x - 3 + 1 = 5
⇒ 2x - 4 = 5 - 1
⇒ 2x - 4 = 4
⇒ 2x . 2- 4 = 4
⇒ 2x . 1/24 = 4
⇒ 2x . 1/16 = 4
⇒ 2x = 16 . 4
⇒ 2x = 64
⇒ 2x = 26
∴ x = 6
২৬.
হলে x এর মান কত?
  1. 32
  2. 8
  3. 3
  4. √8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:হলে x এর মান কত?

সমাধান:
log√8x = 3(1/3)
বা, log√8x = 10/3
বা, x = (√8)10/3
বা, x = (√23)10/3
বা, x = (23/2)10/3
বা, x = 25
∴ x = 32
২৭.
১ হতে বড় ১০০০ এর মধ্যে কতগুলো সংখ্যা আছে যারা ১৬ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৩০ দ্বারা বিভাজ্য?
  1. 33
  2. 35
  3. 37
  4. 41
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ হতে বড় ১০০০ এর মধ্যে কতগুলো সংখ্যা আছে যারা ১৬ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৩০ দ্বারা বিভাজ্য?

সমাধান:
১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে ৩০ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ১০০০/৩০ = ৩৩.৩৩৩ ≅ ৩৩

১৬ ও ৩০ দ্বারা ল.সা.গু ২৪০
আবার, ১৬ ও ৩০ উভয় সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ১০০০/২৪০ =  ৪.১৬৭ ≅ ৪


১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে ১৬ দ্বারা বিভাজ্য নয় কিন্তু ৩০ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যা = ৩৩ - ৪ = ২৯

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
২৮.
একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ২ সে মি এবং উচ্চতা ৬ সে মি হলে, উহার তলগুলির মোট ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৬π বর্গ সেমি
  2. ৩২π বর্গ সেমি
  3. ৩৬π বর্গ সেমি
  4. ৪৮π বর্গ সেমি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ ২ সে মি এবং উচ্চতা ৬ সে মি হলে, উহার তলগুলির মোট ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে
সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ, r = ২ সে.মি.
উচ্চতা, h = ৬ সে.মি. 
 
আমরা জানি,
সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = 2πr(r + h)
= ২π × ২(২ + ৬)
= ২π × ১৬
= ৩২π বর্গ সে.মি.
২৯.
কোনো একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাণ ২৮° ও ৬২°। ত্রিভুজটি কোন ধরনের?
  1. সমকোণী
  2. সূক্ষ্মকোণী
  3. স্থূলকোণী
  4. সমদ্বিবাহু সমকোণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো একটি ত্রিভুজের দুইটি কোণের পরিমাণ ২৮° ও ৬২°। ত্রিভুজটি কোন ধরনের?

সমাধান:
আমরা জানি,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০°।

ধরি,
৩য় কোণটি ‘ক’

প্রশ্নমতে,
২৮° + ৬২° + ক = ১৮০°
বা, ৯০° + ক = ১৮০°
∴ ক = ৯০°

সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ এক সমকোণ বা ৯০° এবং অন্য দুটি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ। 
ত্রিভুজটি সমকোণী।
৩০.
4 সেমি বাহুবিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রে পরিলিখিত বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 8π বর্গসেমি
  2. 6π বর্গসেমি
  3. 4π বর্গসেমি
  4. 2√2 π বর্গসেমি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4 সেমি বাহুবিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রে পরিলিখিত বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:

বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য 4 সেমি
বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √2 × বাহু
= 4√2 সেমি

প্রশ্নমতে,
বৃত্তের ব্যাস = বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য 
বৃত্তের ব্যাস = 4√2

বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 4√2/2 = 2√2 সে.মি.

আমরা জানি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
= π(2√2)2
= 8π বর্গসেমি
৩১.
CONIC শব্দটির অক্ষরগুলো নিয়ে গঠিত বিন্যাস সংখ্যা কত?
  1. 24
  2. 40
  3. 60
  4. 120
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: CONIC শব্দটির অক্ষরগুলো নিয়ে গঠিত বিন্যাস সংখ্যা কত?

সমাধান:
CONIC শব্দটিতে 5টি অক্ষর রয়েছে, যার মধ্যে দুইটি C বাকি অক্ষরগুলো ভিন্ন ভিন্ন।

নির্ণেয় বিন্যাস সংখ্যা = 5!/2! = 60
৩২.
একটি থলিতে 5টি নীল, 10টি সাদা, 20টি কালো বল আছে। দৈব চয়নের মাধ্যমে একটি বল তুললে সেটি সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 3/10
  2. 5/7
  3. 7/5
  4. 7/10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি থলিতে 5টি নীল, 10টি সাদা, 20টি কালো বল আছে। দৈব চয়নের মাধ্যমে একটি বল তুললে সেটি সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
থলিতে মোট বল আছে = (5 + 10 + 20)টি = 35টি
বলটি সাদা হওয়ার সম্ভাবনা = 10/35 = 2/7

বলটি সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা = 1 - (2/7) 
= (7 - 2)/7
= 5/7
৩৩.
একজন লোক উত্তর-পশ্চিম দিকে মুখ করে আছে। সে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° ঘুরে, তারপরে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ১৮০° ঘুরে এবং তারপর একই দিকে আরো ৯০° ঘুরে। এখন সে কোন দিকে মুখ করে আছে?
  1. দক্ষিণ
  2. দক্ষিণ-পশ্চিম
  3. দক্ষিণ-পূর্ব
  4. পূর্ব
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন লোক উত্তর-পশ্চিম দিকে মুখ করে আছে। সে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° ঘুরে, তারপরে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ১৮০° ঘুরে এবং তারপর একই দিকে আরো ৯০° ঘুরে। এখন সে কোন দিকে মুখ করে আছে?

সমাধান: 
- লোকটি প্রথমে উত্তর-পশ্চিম দিকে মুখ করে ছিলো।
- ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° ঘুরে উত্তর-পূর্ব মুখ করে ছিলো।
- তারপরে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ১৮০° ঘুরে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে মুখ করে ছিলো।
- তারপর একই দিকে অর্থাৎ ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে আরো ৯০° ঘুরে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলো।

সে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মুখ করে আছে।
৩৪.
নিম্নের শব্দগুলো অভিধানে যে ক্রমে আছে সেভাবে সাজান;
(১) Protect           (২) Pragmatic
(৩) Pastel           (8) Postal  
(৫) Pebble
  1. ৪৩৫২১
  2. ৩৫৪২১
  3. ৩৪৫১২
  4. ৪৩৫১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের শব্দগুলো অভিধানে যে ক্রমে আছে সেভাবে সাজান;
(১) Protect           (২) Pragmatic
(৩) Pastel            (8) Postal  
(৫) Pebble

সমাধান:
১ম বর্ণ P যা সবগুলো শব্দের মধ্যে আছে।

অভিধানের ক্রম
(৩) Pastel বর্ণ ‍a, যা অভিধানে সবার প্রথমে আসে; 
(৫) Pebble বর্ণ e, প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে ২য়; 
(8) Postal বর্ণ o, প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে ৩য়; 
(২) Pragmatic বর্ণ  ra, প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে ৪র্থ; 
(১) Protect বর্ণ r, প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে ৫ম; 

সঠিক উত্তর ৩৫৪২১
৩৫.
একটি ছবিতে একজন পুরুষের দিকে ইঙ্গিত করে একজন মহিলা বলেন, 'তার ভাইয়ের বাবা আমার দাদার একমাত্র ছেলে।' ছবির পুরুষের সঙ্গে উক্ত মহিলার সম্পর্ক কী?
  1. মা
  2. খালা
  3. বোন
  4. কন্যা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছবিতে একজন পুরুষের দিকে ইঙ্গিত করে একজন মহিলা বলেন, 'তার ভাইয়ের বাবা আমার দাদার একমাত্র ছেলে।' ছবির পুরুষের সঙ্গে উক্ত মহিলার সম্পর্ক কী?

সমাধান:
তার (পুরুষের) ভাইয়ের বাবা আমার দাদার একমাত্র ছেলে। ∴ তাদের তিন জনের বাবা একজনই ।

∴ ছবির পুরুষের সঙ্গে উক্ত মহিলার সম্পর্ক বোন।
৩৬.
যদি E = 10, J = 20, O = 30 এবং T = 40 হয়, তাহলে B + E + S + T =?
  1. ৭১
  2. ৮২
  3. ৯০
  4. ৯২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি E = 10, J = 20, O = 30 এবং T = 40 হয়, তাহলে B + E + S + T =?

সমাধান:
ইংরেজী বর্ণমালা অনুসারে,
E এর অবস্থান 5
E = 5 × 2 = 10

J এর অবস্থান 10
J = 10 × 2 = 20

T এর অবস্থান 20
T = 20 × 2 = 40

একইভাবে, B = 2 × 2 = 4
E = 5 × 2 = 10
S = 19 × 2 = 38
T = 20 × 2 = 40

B + E + S + T = 4 + 10 + 38 + 40
= 92
৩৭.
নিচের কোন শব্দটি অন্যদের থেকে আলাদা?
  1. Kiwi
  2. Eagle
  3. Emu
  4. Ostrich
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন শব্দটি অন্যদের থেকে আলাদা?

সমাধান:
Kiwi, Eagle, Emu, Ostrich সবগুলোই পাখি।
কিন্তু এদের মধ্যে একমাত্র Eagle উড়তে পারে বাকিগুলো উড়তে পারে না।

Eagle শব্দটি অন্যদের থেকে আলাদা।
৩৮.
একজন মহিলা বলছেন, 'আপনি যদি আমার নিজের বয়সকে উল্টে দেন তাহলে তা আমার স্বামীর বয়সকে নির্দেশ করে। তিনি আমার থেকে বয়সে বড় এবং আমাদের বয়সের পার্থক্য আমাদের মোট বয়সের যোগফলের এগারো ভাগের একভাগ।' মহিলার বয়স কত?
  1. ২৩ বছর
  2. ৩৪ বছর
  3. ৪৫ বছর
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন মহিলা বলছেন, 'আপনি যদি আমার নিজের বয়সকে উল্টে দেন তাহলে তা আমার স্বামীর বয়সকে নির্দেশ করে। তিনি আমার থেকে বয়সে বড় এবং আমাদের বয়সের পার্থক্য আমাদের মোট বয়সের যোগফলের এগারো ভাগের একভাগ।' মহিলার বয়স কত?

সমাধান:
অপশন টেস্ট করে সমাধান করা অধিক সহজতর।
অপশন গ হতে- ৪৫ বছর।

ধরি,
মহিলার বয়স ৪৫ বছর।
মহিলার বয়সকে উল্টে দিলে তা তাঁর স্বামীর বয়সকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ স্বামীর বয়স ৫৪ বছর।

শর্তমতে,
৫৪ বছর > ৪৫ বছর

তাদের বয়সের পার্থক্য = ৫৪ - ৪৫ = ৯ বছর।
তাদের বয়সের যোগফল = ৫৪ + ৪৫ = ৯৯ বছর।

তাদের বয়সের পার্থক্য/তাদের বয়সের যোগফল = ৯/৯৯ = ১/১১
যা তাদের মোট বয়সের যোগফলের এগারো ভাগের একভাগ। 

∴ মহিলার বয়স ৪৫ বছর।
৩৯.
যদি একটি কামান থেকে নিম্নলিখিত ৪টি বস্তুকে অনুভূমিক ভাবে নিক্ষেপ করা হয়, তবে কোনটি সবচেয়ে বেশি দূরে উড়ে যাবে?
    ব্যাখ্যা
    সঠিক উত্তর ⎯ গ) গোলাকৃতির বস্তু
    Aerodynamics- এর নিয়ম অনুযায়ী, যে বস্তুর Drag of Coeeficient কম সে বস্তু বাতাসে বা যে কোনো Fluid এর বাধা অতিক্রম করে খুব সহজেই বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবে।



    উল্লিখিত অপশনের মধ্যে,
    অপশন গ) গোলকটির Drag of Coeeficient এর মান সবচেয়ে কম (০.৪৭), তাই গোলকটি বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবে।
    অপশন ঘ) মোচক (2D Triangle/ 3D Cone) -এর Drag of Coeeficient গোলকের তুলনায় বেশি (০.৫০), তাই এটি গোলকের তুলনায় কম দূরত্ব অতিক্রম করবে।

    বাস্তব অবস্থাও বিবেচনা করা যাক, যেহেতু এখানে ল্যাব টেস্ট নয় বরং কামান দিয়ে নিক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। 
    কামান থেকে মোচক আকৃতির কিছু নিক্ষেপ করা হলে সেটার সূচালো দিকটি সবসময় সামনে থাকবে না। অভিকর্ষ বল এবং বাতাসের বাধার কারণে মোচক ঘুরতে থাকবে। তাই, এক্ষেত্রে মোচকের জন্য বাতাসের বাধা গোলকের চেয়ে অনেক বেড়ে যাবে। অন্যদিকে, গোলক যেভাবেই থাকুক, একই পরিমাণ বাতাসের বাধা কাজ করবে।
    দেখা যাচ্ছে, কামান থেকে মোচক বা Non-Uniform যেকোনো আকৃতির বস্তু নিক্ষেপ করা হলে বাস্তবে তা গোলকের চেয়ে কম দূরত্ব অতিক্রম করবে।  
    খুব স্বাভাবিক ভাবে আগের যুগে কামানের গোলা তাই গোলক আকৃতিরই হতো। 

    বর্তমান সময়ে মর্টার শেল বা অনুরূপ ক্ষেত্রে গোলক আকৃতির শেল ব্যবহার হয় না। সিলিন্ডাকৃতির উপর Streamlined Body (মোচক নয়) এর আকৃতি ব্যবহার করার ফলে, পূর্বের কামানের তুলনায় এখনকার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কামানের মিসাইল বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
    সেখানেও, অরিয়েন্টেশন স্থির রাখতে তথা সূচালো অংশটা সামনে রাখতে Weight distribution, শেলের লেজের দিকে ফিন (Fin) এবং Gyroscopic Effect ব্যবহার করা হয়। নাহলে গোলা বেশিদূর যেতে পারবে না।
    - উল্লেখ্য, Streamlined Body-এর Drag of Coeeficient মাত্র ০.০৪ হওয়ায়, বর্তমানে কামানের মিসাইল অনেক বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
    - বুলেট ট্রেন, উড়োজাহাজ, রকেট, মিসাইল সহ যে কোনো উচ্চ গতিসম্পন্ন বস্তুতে Streamlined Body ব্যবহৃত হয়।
    - একারণে এগুলো বাতাসের বাধা সহজেই প্রতিরোধ করে উচ্চ গতিতে কম সময়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
    ৪০.
    একটি সভায় ১৫ জন লোক রয়েছে এবং তারা সকলেই সভা শেষে একে অপরের সাথে করমর্দন করে। মোট কতটি করমর্দন হবে?
    1. ২১০
    2. ১০৫
    3. ২২৫
    4. ১৯৬
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: একটি সভায় ১৫ জন লোক রয়েছে এবং তারা সকলেই সভা শেষে একে অপরের সাথে করমর্দন করে। মোট কতটি করমর্দন হবে?

    সমাধান:
    সভায় লোক আছে, n = 15 জন

    আমরা জানি, 
    করমর্দন সংখ্যা = nC2

    ∴ সভা শেষে মোট করমর্দন সংখ্যা = 15C2
    = 15!/(15 - 2)! × 2!
    = (15 × 14)/2
    = 105 টি
    ৪১.
    সেই জুটি নির্বাচন করুন যা-
    'Children : pediatrician' জুটির মধ্যে প্রকাশিত সম্পর্কটির মতো একটি সম্পর্ককে সর্বোত্তমভাবে প্রকাশ করে।
    1. Adult : Orthopedist
    2. Kidney : Nephrologist
    3. Females : Gynecologist
    4. Skin : Darmatologist
    ব্যাখ্যা
    প্রশ্ন: সেই জুটি নির্বাচন করুন যা-
    'Children : pediatrician' জুটির মধ্যে প্রকাশিত সম্পর্কটির মতো একটি সম্পর্ককে সর্বোত্তমভাবে প্রকাশ করে।

    সমাধান:
    Children = শিশু
    Pediatrician = শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।

    Adult = প্রাপ্তবয়স্ক
    Orthopedist = হাড় ও মাংসপেশি বিশেষজ্ঞ।
    এটি সঠিক হবে না কারণ হাড় ও মাংসপেশি বিশেষজ্ঞ প্রাপ্তবয়স্ক ছাড়াও অন্যান্য বয়সের রোগীকেও চিকিৎসা করেন।

    Kidney = বৃক্ক
    Nephrologist = বৃক্ক রোগ বিশেষজ্ঞ।
    এটি সঠিক হবে না কারণ এটি শুধুমাত্র দেহের একটি অংশ নিয়ে কাজ করা বুঝায়।

    Female = মহিলা, নারী
    Gynecologist = স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ।

    Skin = চামড়া, চর্ম
    Dermatologist = চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ।
    এটি সঠিক হবে না কারণ এটি শুধুমাত্র দেহের একটি অংশ নিয়ে কাজ করা বুঝায়।

    ➝ Children ও Female উভয়ই মানুষ এবং তাদের রোগ বিশেষজ্ঞকে বুঝানো হয়েছে।
    ➝ Children এর রোগ বিশেষজ্ঞকে Pediatrician বলে।
    ➝ Female এর রোগ বিশেষজ্ঞকে Gynecologist বলে।

    ➝ বাকি অপশনগুলো দেহের বিভিন্ন অংশ।

    ➝ সার্বিক দিক বিবেচনা করে Children : pediatrician এর সাথে সবচেয়ে বেশি যুক্তিসঙ্গত সম্পর্ক Females : Gynecologist
    ৪২.
    কোন চিত্রটি সিরিজটি সম্পূর্ণ করে?
      ব্যাখ্যা
      এখানে
      প্রতিটি চিত্রে একটি করে বর্গ বৃদ্ধি পায় এবং আগের চিত্রে যা ছায়াঘেরা থাকে পরের চিত্রে তা ফাঁকা থাকে এবং আগের চিত্রে যা ফাঁকা থেকে পরের চিত্রে তা ছায়াঘেরা হয়।
      চিত্রগুলো ১ম কলামে উপর থেকে নিচে তারপর নিচের সারিতে বাম থেকে ডানে যায় এবং তারপর শেষ কলামে নিচ থেকে উপরে উঠে।

      বড় বর্গকে একটি 3 × 3 ম্যাট্রিক্স বিবেচনা করি।

      প্রথমে ১ম চিত্রে 1,1; 2,1; 3,1 ঘরে বর্গ আছে,
      ২য় চিত্রে1,1; 1,2; 1,3 এর পাশাপাশি 3,2 ঘরে একটি বর্গ আসে,
      তারপর ৩য় চিত্রে 3,3 ঘরে ১টি বর্গ বাড়ে,
      ৪র্থ চিত্রে 2,3 ঘরে একটি বর্গ বাড়ে, সুতরাং ৫ম চিত্রে 1,3 ঘরে একটি বর্গ বাড়বে।

      উল্লিখিত সকল বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় সঠিক উত্তর হবে অপশন: ক
      ৪৩.
      সঠিক বানান কোনটি, চিহ্নিত করুন।
      1. Consciencious
      2. Conscienctious
      3. Consciencitious
      4. Conscientious
      ব্যাখ্যা
      প্রশ্ন: সঠিক বানান কোনটি, চিহ্নিত করুন।

      সমাধান:
      সটিক বানান Conscientious.
      Conscientious (adjective): English Meaning - Feeling a moral responsibility to do your work carefully and to be fair to others.
      Bangla Meaning - বিবেকবান; বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন।
      ৪৪.
      একটি কমিটিতে পুরুষ এবং মহিলার সংখ্যা একটি অনুপাতে ৩ : ২ হলে এবং মহিলা সংখ্যা ২৫ জন হলে পুরুষের সংখ্যা কত?
      1. ৩০
      2. ৩৫
      3. ৪০
      4. ৪৫
      অনির্ধারিত
      ব্যাখ্যা
      প্রশ্ন: একটি কমিটিতে পুরুষ এবং মহিলার সংখ্যা একটি অনুপাতে ৩ : ২ হলে এবং মহিলা সংখ্যা ২৫ জন হলে পুরুষের সংখ্যা কত?

      সমাধান:
      ধরি, কমিটিতে পুরুষের সংখ্যা ৩ক
      কমিটিতে মহিলা সংখ্যা ২ক

      প্রশ্নমতে,
      ২ক = ২৫
      ∴ ক = ১২.৫

      কমিটিতে পুরুষের সংখ্যা ৩ক = ৩ × ১২.৫ = ৩৭.৫ জন। [যা সম্ভব নয়]

      মূল পরীক্ষার প্রশ্নে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
      ৪৫.
      'Ubiquitous' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি চিহ্নিত করুন।
      1. Scarce
      2. Abundant
      3. Widespread
      4. Limited
      ব্যাখ্যা
      প্রশ্ন: 'Ubiquitous' শব্দটির সমার্থক শব্দ কোনটি চিহ্নিত করুন।

      সমাধান:
      Ubiquitous (adjective) - একই সময়ে সর্বত্র বা বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত; সর্বব্যাপী।

      Scarce - অপ্রতুল; দুষ্প্রাপ্য; দুর্লভ; দুষ্প্রাপণীয়।
      Abundant - প্রচুর; অঢেল।
      Widespread - বহুবিস্তৃত।
      Limited - নিয়ন্ত্রিত; বাধাপ্রাপ্ত; সংকীর্ণ; সীমিত; সীমাবদ্ধ।

      অপশন বিবেচনায় 'Ubiquitous' শব্দটির সমার্থক শব্দ Widespread.
      ৪৬.
      পাঁচটি ধারাবাহিক পূর্ণসংখ্যার গড় হলো ১৫ সবচেয়ে বড় পূর্ণ সংখ্যা কত?
      1. ১৮
      2. ২০
      3. ২২
      4. ২৪
      অনির্ধারিত
      ব্যাখ্যা
      প্রশ্ন: পাঁচটি ধারাবাহিক পূর্ণসংখ্যার গড় হলো ১৫ সবচেয়ে বড় পূর্ণ সংখ্যা কত?

      সমাধান:
      ধরি, 
      ধারাবাহিক পাঁচটি পূর্ণসংখ্যার ক, ক + ১, ক + ২, ক + ৩, ক + ৪

      প্রশ্নমতে,
      (ক + ক + ১ + ক + ২ + ক + ৩ + ক + ৪)/৫ = ১৫
      বা, ৫ক + ১০ = ১৫ × ৫
      বা, ৫ক + ১০ = ৭৫
      বা, ৫ক = ৬৫
      ∴ ক = ১৩

      সবচেয়ে বড় পূর্ণ সংখ্যা = ১৩ + ৪ = ১৭

      অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।
      ৪৭.
      'Animal Liberation' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
      1. হেগেল
      2. কান্ট
      3. বেন্থাম
      4. পিটার সিঙ্গার
      ব্যাখ্যা
      'Animal Liberation' গ্রন্থটির রচয়িতা পিটার সিঙ্গার।

      পিটার সিঙ্গার:
      - Peter Singer এর পুরো নাম - Peter Albert David Singer এবং তিনি অস্ট্রেলিয়ান নৈতিক ও পলিটিক্যাল দার্শনিক।
      - তিনি জৈব-নৈতিকতা নিয়ে কাজ করার জন্য বিখ্যাত এবং আধুনিক Animal Rights আন্দোলনের প্রবর্তক।
      - পিটার সিঙ্গারের ব্যবহারিক নীতিবিদ্যার বৈশিষ্ট্য হলো তথ্যগত উপাদানের ব্যবহার।
      - তথ্য যেখানে থেমে যায়, দর্শন সেখান থেকে শুরু হয়। এজন্য তিনি বলেন "দার্শনিকরা তাদের স্বীয় কাজে ফিরে এসেছে"।
      - যেমন, তাঁর Animal Liberation গ্রন্থটির কথা বলা যাক। উপযোগবাদকে গ্রহণ না করেও এ গ্রন্থটি গুরুত্বপূর্ণ একটি দার্শনিক গ্রন্থে পরিণত হয়েছে।
      - গোটা গ্রন্থের দুই-তৃতীয়াংশ অ-মানব প্রাণীর প্রতি আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত এ সম্পর্কে ব্যবহারিক কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

      ⇒ তাঁর লেখা আরো কয়েকটি বই:
      - The Life You Can Save,
      - The Most Good You Can Do,
      - Animal Liberation,
      - Ethics in the Real World.

      উৎস: i) Britannica.
      ii) পিটার সিঙ্গারের ব্যবহারিক নীতিবিদ্যা গ্রন্থের পর্যালোচনা, আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া।
      ৪৮.
      "মানুষ হও এবং মরে বাঁচ।" - এটি কার উক্তি?
      1. প্লেটো
      2. হেগেল
      3. জি. ই. ম্যূর
      4. রাসেল
      ব্যাখ্যা
      "মানুষ হও এবং মরে বাঁচ (Be a person, Die to live)"- এটি জার্মান দার্শনিক জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিখ হেগেলের উক্তি।

      জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিখ হেগেল:

      - আধুনিক কালের পূর্ণতাবাদ বা কল্যাণবাদের প্রসিদ্ধ চিন্তাবিদ হলেন হেগেল।
      - তার ভাববাদের উপর ভিত্তি করেই তার নীতিদর্শন স্থাপিত।
      - তিনি মনে করেন যে, পরমাত্মা বা পরমসত্তাই একমাত্র স্বনির্ভর সত্তা এবং জীবাত্মাও। জড়বস্তু পরমাত্মারই খণ্ড প্রকাশ মাত্র।

      • হেগেলীয় পূর্ণতাবাদ:
      - জার্মান দার্শনিক জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিখ হেগেলের দর্শন অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও জটিল।
      - তাঁর নীতিদর্শনও তাই জটিলতামুক্ত নয়।
      - তবে কয়েকটা বিষয় বেশ স্পষ্ট আর তা হচ্ছে ⎯
      ১. জগতের সব কিছুই এক পরম সত্তার (absolute) প্রকাশ এবং এই প্রকাশটি ঘটে বিবর্তনের ধারায় একটা ক্রমবিকাশমান প্রক্রিয়া হিসেবে।
      - এ প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে আত্ম-সচেতনতার (self-consciousness) সৃষ্টি যা পরম সত্তার গুণ। জগতে এর চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে মানুষের মধ্যে।
      - হেগেলের মতে যার মধ্যে এর প্রকাশ যত বেশি সে তত বেশি আত্ম-বাস্তবায়ন সাধন করে এবং পূর্ণ মানুষে পরিণত হয়।
      ২. মানুষ পূর্ণ আত্ম-সচেতনতায় পৌঁছে একটি দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
      - এ প্রক্রিয়ার মূলকথা হচ্ছে মানুষের চিন্তা প্রথমে একটি মত গঠন করে। এরপর সে তা বাতিল করে দ্বিতীয় একটি প্রতিমত গঠন করে এবং এ দুটো মিলে এরপর সে আবার ততীয় একটি সমন্বয়-মত গঠন করে। এ সমন্বয় মত আবার সময়মত একটি মত হিসেবে অপর একটি প্রতি-মতের সষ্টি করে এবং এভাবে চিন্তা পর্ণতার দিকে এগিয়ে চলে।
      ৩. জগতে একটা আঙ্গিক ঐক্য রয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে জগৎ একটি সামগ্রিক সত্তা এবং এর কোন অংশকে অন্য একটি অংশের সঙ্গে কিংবা সমগ্রের সঙ্গে সম্পর্কিত হিসেবে না দেখে উপায় নেই। অন্যভাবে বলা যায়, জগতে কোন কিছুরই আলাদা ও স্বনির্ভর অস্তিত্ব নেই।

      ⇒ হেগেলের পূর্ণতাবাদের ব্যাখ্যা প্রদান করে তেমন দুটি উক্তি খুবই প্রসিদ্ধ। এগুলো হচ্ছে:
      i) Be a person ⎯ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হও/মানুষ হও।
      ii) Die to live ⎯ বাঁচার জন্য মরো/মরে বাঁচ।
      - এই মতবাদ ও উক্তি দুটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে তার - The Phenomenology of Spirit (1807) গ্রন্থে।

      উৎস: i) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii) Britannica.
      ৪৯.
      নিচের কোনটি 'SMART Bangladesh' এর উপাদান?
      1. Smart Democracy
      2. Smart Politics
      3. Smart Society
      4. Smart Parliament
      ব্যাখ্যা
      উল্লিখিত অপশনে 'Smart Society' হচ্ছে 'SMART Bangladesh' এর উপাদান।

      স্মার্ট বাংলাদেশ:
      - স্মার্ট বাংলাদেশ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রতিশ্রুতি ও শ্লোগান।
      - এই প্রতিশ্রুতি হচ্ছে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তর করা।
      - বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ ডিসেম্বর, ২০২২ এ 'ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস' উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে 'স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার ঘোষণা দেন।

      • স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার চারটি ভিত্তি:
      - স্মার্ট সিটিজেন,
      - স্মার্ট ইকোনমি,
      - স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও,
      - স্মার্ট সোসাইটি।

      উৎস: smartbangladesh.gov.bd ওয়েবসাইট।
      ৫০.
      'Republic' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
      1. বার্কলে
      2. জন লক
      3. ডেকার্ট
      4. প্লেটো
      ব্যাখ্যা
       'Republic' গ্রন্থটির রচয়িতা প্লেটো।

      প্লেটো:
      - প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন প্লেটো।
      - সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় প্লেটোর 'The Republic' গ্রন্থে।
      - প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বলেছেন, “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”
      - তার লেখা বিখ্যাত বই - Republic যা Plato’s Republic নামে পরিচিত।

      ⇒ তার লেখা অন্যান্য বইসমূহ:
      - Symposium,
      - Apologia Socrates,
      - Allegory of the Cave,
      - The Laws (348 BCE),
      - Plato: Complete Works ইত্যাদি।

      উল্লেখ্য,
      - প্লেটোর মতে সদগুণ বা মৌলিক সততা হলো চারটি।
      - এগুলো হলো: জ্ঞান, সাহসিকতা, আত্মসংযম ও ন্যায়পরায়ণতা।

      উৎস: i) উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
      ii) Britannica.
      ৫১.
      নিচের কোনটি গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়?
      1. জলীয় বাষ্প (H2O)
      2. কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2)
      3. মিথেন (CH4)
      4. নাইট্রিক অক্সাইড (NO)
      ব্যাখ্যা
      - গ্রীনহাউজ গ্যাস নয়- নাইট্রিক অক্সাইড (NO), এটি মূলত এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী একটি গ্যাস।

      গ্রীন হাউজ গ্যাস ও গ্রীন হাউজ প্রভাব:
      - শীতপ্রধান দেশে তাপমাত্রা প্রায় 0°C এর কাছাকাছি থাকে, এত কম তাপমাত্রায় শাকসব্জি চাষ চলে না। ফলে কাঁচের ছাউনিযুক্ত ঘর তৈরি করে এর মধ্যে সবুজ (green) শাকসজির চাষ করা হয়।
      - সবুজ উদ্ভিদের ঐ কাঁচের ঘরকে গ্রীন হাউজ বলা হয়।
      - গ্রীন হাউজের মধ্যে তাপমাত্রা 38°C থেকে 39°C এর মধ্যে থাকে।
      - এটি সম্ভব হয় দৃশ্যমান আলোর সব তরঙ্গ গ্রীন হাউজের কাঁচকে ভেদ করে ভেতরে ঢুকতে পারে।
      - ভূপৃষ্ঠ দৃশ্যমান আলো তরঙ্গ (VIBGYOR) দ্বারা উত্তপ্ত হয়, কিন্তু উত্তপ্ত ভূপৃষ্ঠ বৃহৎ তরঙ্গযুক্ত ইনফ্রারেড (IR) রশ্মি বিকিরণ করে, IR রশ্মি কাঁচ ভেদ করতে পারে না।

      গ্রীন হাউজ গ্যাস:
      - যে সব গ্যাস ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত IR রশ্মিকে শোষণ করে তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে।
      - কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাসকে প্রধান গ্রীন হাউজ গ্যাস বলা হয়।
      - এছাড়াও জলীয় বাষ্প (H2O), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ফ্রিয়ন বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) ও ওজোন গ্যাস (O3) গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে।
      - শেষের গ্যাসগুলোর ঘনত্ব বায়ুমণ্ডলে CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক কম হলেও এদের IR রশ্মি শোষণ ও বিকিরণ ক্ষমতা CO2 গ্যাসের তুলনায় অনেক বেশি। তাই গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এ এদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
      • গ্রিন হাউজ গ্যাস ⇔ বায়ুতে % পরিমাণ
      ১। কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) গ্যাস ⇔ 49%,
      ২। মিথেন (CH4) গ্যাস ⇔ 18%,
      ৩। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) গ্যাস ⇔ 6%,
      ৪। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC) গ্যাস ⇔ 14%,
      ৫। ওজোন )=(O3) গ্যাস ⇔ 8% এবং
      ৬। জলীয় বাষ্প।

      অন্যদিকে,
      - নাইট্রিক অক্সাইড (NO) এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস।
      - এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (NO, NO2) ইত্যাদি।

      উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
      ৫২.
      জলীয় দ্রবণে pH এর সর্বোচ্চ মান কোনটি?
      1. ১০
      2. ১৪
      3. ২০
      ব্যাখ্যা
      • জলীয় দ্রবণে pH এর সর্বোচ্চ মান 14 এবং pH এর সর্বনিম্ন মান 0.

      pH স্কেল:
      - কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন।
      - pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
      - pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে।
      - কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
      অর্থাৎ, pH = - log[H+]
      - pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়।
      - pH মিটারে pH স্কেল থাকে।
      - দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
      - দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়
      - দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং
      - দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ।

      উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৫৩.
      কোন অর্গানেলটি পর্দা দ্বারা আবেষ্টিত থাকে না?
      1. রাইবোসোম
      2. ক্লোরোপ্লাস্ট
      3. মাইটোকন্ড্রিয়া
      4. পারোক্সিসোম
      ব্যাখ্যা
      প্রদত্ত অপশনসমূহের মধ্যে 'রাইবোসোম' পর্দা দ্বারা আবেষ্টিত থাকে না।

      • রাইবোসোম:
      - সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাই রাইবোসোম।
      - রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার।
      - রাইবোসোমের কোনো আবরণী নেই।
      - সাইটোপ্লাজমে একাধিক রাইবোসোম মুক্তোর মালার মতো অবস্থান করলে তাকে পলিরাইবোসোম বা পলিসোম বলে।
      - আদিকোষ ও প্রকৃতকোষ-এই উভয় প্রকার কোষেই রাইবোসোম উপস্থিত থাকার কারণে রাইবোসোমকে সর্বজনীন অঙ্গাণু বলা হয়।

      • ক্লোরোপ্লাস্ট:
      - সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট।
      - ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিলের সমন্বয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত।
      - ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা (pigment) অধিক মাত্রায় ধারণ করে বলে এরা সবুজ বর্ণের।
      - এতে অন্যান্য বর্ণকণিকাও কিছু কিছু পরিমাণে বিদ্যমান থাকে।
      - ১৮৮৩ সালে বিজ্ঞনী শিম্পার সর্বপ্রথম উদ্ভিদ কোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ্য করেন এবং নামকরণ করেন ক্লোরোপ্লাস্ট।

      ক্লোরোপ্লাস্টের গঠন (ভৌত গঠন):
      - সমস্ত ক্লোরোপ্লাস্ট একটি দুই স্তরবিশিষ্ট আংশিক অনুপ্রবেশ্য (semipermeable) মেমব্রেন (ঝিল্লি) দ্বারা আবৃত থাকে।
      - ক্লোরোপ্লাস্ট মেমব্রেনে ফসফোলিপিড-এর পরিবর্তে গ্লাইকোসিল গ্লিসারাইড (glycosyl glyceride) থাকে।
      - এটি একটি ব্যতিক্রমী গঠন।
      - ক্লোরোপ্লাস্ট হলো তিন মেমব্রেন দ্বারা তৈরি ৩ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট একটি অঙ্গাণু।

      • মাইটোকন্ড্রিয়া:
      - প্রকৃত জীবকোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।
      - কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা শক্তিঘর বলা হয়।
      - এ অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া প্রভৃতি ঘটে থাকে।
      - দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমন্ত্র যে অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে এবং শক্তি উৎপন্ন হয় সেই অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।
      - মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু।

      • পারোক্সিসোম:
      - পারঅক্সিসোম প্রায় সব ধরনের কোষে দেখা গেলেও প্রাণীর কিডনি ও লিভার কোষে অধিক থাকে।
      - অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের আউটপকেটিং-এর মাধ্যমে এরা তৈরি হয়।
      - এরা এক আবরণী বিশিষ্ট, ব্যাস ০.২-১৭ µm, এবং এরা দানাদার।
      - এর ভেতরে ক্রিস্টাল বা দানার আকারে সঞ্চয়ী এনজাইম জমা থাকে।
      - এর মধ্যে catalase প্রধান এনজাইম, এদেরকে মাইক্রোসোম (microsome) নামেও অভিহিত করা হয়।
      - ১৯৬৭ সালে বেলজিয়াম সাইটোলজিস্ট Christian de Duve কোষের সাইটোপ্লাজম থেকে পারঅক্সিসোম অঙ্গাণুটি আবিষ্কার করেন।
      - পারঅক্সিসোম প্রাণীর কিডনি ও লিভার কোষে অধিক থাকে।

      উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
      ৫৪.
      প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা কতভাগ 238U আইসোটোপ থাকে?
      1. 50%
      2. 99.3%
      3. 0%
      4. 69.3%
      ব্যাখ্যা
      • প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে শতকরা 99.3 ভাগ 238U আইসোটোপ থাকে।

      আইসোটোপ:
      - যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
      - বর্তমানে সর্বমোট আইসোটোপের সংখ্যা প্রায় ১৩০০।

      ইউরেনিয়াম:
      - ইউরেনিয়াম একটি তেজস্ক্রিয় মৌল।
      - ইউরেনিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ৯২ এবং পারমাণবিক ভর ২৩৮।
      - ইউরেনিয়ামের তিনটি প্রধান আইসোটোপ হলো-

      238U আইসোটোপ:
      • প্রোটনের সংখ্যা: 92,
      • নিউট্রনের সংখ্যা: 146,
      • শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 99.3% এবং
      • অর্ধায়ু: 4.47 বিলিয়ন বছর।

      235U আইসোটোপ:
      • প্রোটনের সংখ্যা: 92,
      • নিউট্রনের সংখ্যা: 143,
      • শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 0.7% এবং
      • অর্ধায়ু: 703.8 মিলিয়ন বছর।

      234U আইসোটোপ:
      • প্রোটনের সংখ্যা: 92,
      • নিউট্রনের সংখ্যা: 142,
      • শতকরা পরিমাণ প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে: 0.0057% এবং
      • অর্ধায়ু: 245,500 বছর।

      - 238U প্রাকৃতিকভাবে অবস্থিতিশীল এবং অতি দীর্ঘজীবী।
      - অন্যদিকে, 235U আইসোটোপটি বিভক্ত হতে পারে এবং পারমাণবিক বিস্ফোরণের জন্য দায়ী, এটিই পারমাণবিক চুল্লী ও বোমায় ব্যবহৃত হয়।

      উৎস: United States Nuclear Regolatory Commission এবং ব্রিটানিকা।
      ৫৫.
      জীববিজ্ঞানে কী ধরনের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
      1. বায়োইনফরমেটিক্স
      2. বায়োমেট্রিক্স
      3. বায়োকেমিস্ট্রি
      4. কোনটিই নয়
      ব্যাখ্যা
      ◉ জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হলো 'বায়োইনফরমেটিক্স'।

      বায়োইনফরমেটিক্স:
      - বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়।
      - জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করে সেগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য মূলত এই বিষয়টির জন্ম হয়েছে।
      অর্থাৎ, জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হলো বায়োইনফরমেটিক্স।
      - জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন সেটাকে বলা হয় বায়োইনফরমেটিক্স।
      - জিন ফাইন্ডিং গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
      ৫৬.
      গমের মোজাইক ভাইরাস কীভাবে ছড়ায়?
      1. ইদুঁরের মাধ্যমে
      2. মাইটের মাধ্যমে
      3. বাতাসের মাধ্যমে
      4. পাখির মাধ্যমে
      ব্যাখ্যা
      • গমের মোজাইক ভাইরাস:
      - গমের মোজাইক ভাইরাস একটি সংক্রামক আঙ্গুরীয় ভাইরাস যা গম ফসলকে আক্রমণ করে।
      - গমের মোজাইক ভাইরাস মূলত মাইট নামক ক্ষুদ্র পোকাদের মাধ্যমে ছড়ায়।
      - আক্রান্ত গাছ থেকে মাইটরা ভাইরাস গ্রহণ করে এবং অন্য সুস্থ গাছে স্থানান্তরিত হয়ে তাদের আক্রান্ত করে।
      - মাইটগুলো ভাইরাসযুক্ত গাছের রস শুষে নেয় এবং পরবর্তীতে সুস্থ গাছে স্থানান্তরিত হয়ে তাদের আক্রান্ত করে।
      - কৃষকরা মাইটের আক্রমণ এড়াতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে যেমন- জৈব পর্যবেক্ষণ, ভাইরাস প্রতিরোধী জাত বা কীটনাশক ব্যবহার করা।

      মাইটের বৈশিষ্ট্য:
      - মাইট হল অতি ক্ষুদ্র পোকা যা দেখতে অনেকটা গাছের পাতার ধুলোর মতো।
      - এরা অদৃশ্য নয়ন অস্ত্র দিয়ে গাছ থেকে রস শুষে নেয়।
      - তাদের সরু শরীর ও চলাচল বৈশিষ্ট্যের কারণে এরা গাছের বিভিন্ন অংশে সহজেই প্রবেশ করতে পারে।

      মাইট প্রতিরোধের উপায়:
      - জৈব পর্যবেক্ষণ এবং সময়মতো কীটনাশক ব্যবহার,
      - ভাইরাস প্রতিরোধী গমের জাত চাষ,
      - আগাম বীজতলা প্রতিস্থাপন এবং মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা,
      - সংক্রামিত গাছ উপড়ে ফেলা এবং জ্বালিয়ে দেওয়া।

      উৎস: National Library of Medicine (NIH)।
      ৫৭.
      এন্টিবডি তৈরি করে নিচের কোনটি?
      1. Red blood corpuscle
      2. Thrombocyte
      3. B Lymphocyte
      4. Monocyte
      ব্যাখ্যা
      ◉ B Lymphocyte এন্টিবডি তৈরি করে।

      শ্বেত রক্ত কণিকা:
      - শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই।
      - এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
      - শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।
      - হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে।
      - ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়।
      - রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম।
      - এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে।
      - ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে।
      - মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে।
      - শ্বেত রক্ত কণিকায় DNA থাকে।

      গঠনগতভাবে এবং সাইটোপ্লাজমে দানার উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অনুসারে শ্বেত কণিকাকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
      যথা-
      (ক) অ্যাগ্রানুলোসাইট বা দানাবিহীন এবং
      (খ) গ্রানুলোসাইট বা দানাযুক্ত।

      অ্যাগ্রানুলোসাইট:
      - এ ধরনের শ্বেত কণিকাগুলোর সাইটোপ্লাজম দানাহীন ও স্বচ্ছ।
      - অ্যাগ্রানুলোসাইট শ্বেত কণিকা দুই রকমের।
      যথা-লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট।
      - দেহের লিম্ফলোড, টনসিল, প্লীহা ইত্যাদি অংশে এরা তৈরি হয়।
      - লিম্ফোসাইটগুলো বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ছোট কণিকা।
      - মনোসাইট ছোট, ডিম্বাকার ও বৃক্কাকার নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট বড় কণিকা।
      - লিম্ফোসাইট অ্যান্টিবডি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশ করা রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে, B-লিম্ফোসাইট (B-Lymphocyte) কোষ অ্যান্টিবডির মাধ্যমে রস নির্ভর প্রতিরক্ষা সৃষ্টি করে।
      - মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে।

      উৎস:
      ১. বিজ্ঞান, নবন-দশম শ্রেণি।
      ২. প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৫৮.
      অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড কোনটি?
      1. গ্লাইসিন (Glycine)
      2. সেরিন (Serine)
      3. সিস্টিন (Cistine)
      4. ভ্যালিন (Valine)
      ব্যাখ্যা
      • অপশনসমূহের মধ্যে ভ্যালিন (Valine) হচ্ছে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।

      আমিষ:
      - কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়।
      - শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যাামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
      - মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
      - উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার। যথা-
      ১. প্রাণিজ আমিষ ও
      ২. উদ্ভিজ আমিষ।

      প্রাণিজ আমিষ:
      - প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তাই প্রাণিজ আমিষ।
      যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি।

      উদ্ভিজ আমিষ:
      - উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ।
      যেমন- ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি,বাদাম ইত্যাদি।

      - ২০ টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮ টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়।
      যেমন- লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন (Valine), লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইন।
      - এই ৮ টি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীরে সংশ্লেষ করতে পারে।
      - প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি।
      - উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়।
      - অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম।
      - প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য।
      - দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি।
      - দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং ইত্যাদি সবগুলোই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়।
      - প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন।

      উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
      ৫৯.
      প্রকৃতিতে মৌলিক বল কয়টি?
      1. 2 টি
      2. 3 টি
      3. 4 টি
      4. 5 টি
      ব্যাখ্যা
      বল:
      - যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে।
      - বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে।
      - প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে।
      যথা: মহাকর্ষ বল, তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।

      ১। মহাকর্ষ বল:
      - এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
      - এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
      - পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
      - এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
      - ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

      ২। তাড়িতচৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
      - দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

      ৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
      - দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়।
      - মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-18 m) কাজ করে।

      ৪। সবল নিউক্লীয় বল:
      - সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-15 m) কাজ করে।
      - সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

      উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
      ৬০.
      জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ কোন ধরনের রেডিয়েশন ব্যবহার করে?
      1. Ultra-violet
      2. Infrared
      3. Visible
      4. X-ray
      ব্যাখ্যা
      • জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ Infrared রেডিয়েশন ব্যবহার করে।

      • জেমস্ ওয়েব টেলিস্কোপ:
      - বিশ্বের বৃহত্তম ও সবচাইতে শক্তিশালী টেলিস্কোপ বা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের একটি হচ্ছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
      - নাসার দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি বা জুপিটারের কিছু বিস্ময়কর ছবি তুলেছে।
      - এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বৃহস্পতি গ্রহের অরোরা বা বর্ণচ্ছটা, দানবীয় ঝড়, বৃহস্পতির চাঁদ এবং গ্রহটিকে ঘিরে থাকা বলয়।
      - জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ একটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ অভিযান প্রকল্প।
      - মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার নেতৃত্বে এটির অন্যান্য অংশীদার হচ্ছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি।
      - এটা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে উৎক্ষেপণ করা হয়।
      - এটি এখন পৃথিবী থেকে ১৬ লাখ (ষোল লাখ) কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
      - জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের প্রথম পূর্ণাঙ্গ রঙিন ছবি প্রকাশ করা হয় ২০২২ সালের ১২ই জুলাই।
      - বলা হয় এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বিস্তারিত "অবলোহিত (ইনফ্রারেড)" চিত্র এটি যাতে এমন সব ছায়াপথ দেখা যাচ্ছে, যেখান থেকে পৃথিবী পর্যন্ত আলো পৌঁছাতে বিলিয়ন বিলিয়ন বছর সময় লাগে।
      - তখন থেকেই মহাবিশ্বের নিত্যনতুন দৃশ্য দেখে আসছে হাবল টেলিস্কোপের এই উত্তরসূরী।
      - জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে তোলা এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ক্যারিনা নেবুলা নিহারীকার নক্ষত্রপুঞ্জ এবং কিছু তারকা।
      - ক্যারিনা নেবুলা মহাকাশের বৃহত্তম এবং উজ্জ্বলতম নিহারীকাগুলোর একটি।
      - এটির অবস্থান পৃথিবী থেকে কম বেশি ৭ হাজার ৬শ আলোকবর্ষ দূরে।

      উৎস: NASA,  BBC NEWS বাংলা, ২৪ আগস্ট, ২০২২ এবং ব্রিটানিকা।
      ৬১.
      কোনটি আলোর প্রাথমিক রং হিসাবে বিবেচনা করা হয় না?
      1. সবুজ
      2. নীল
      3. লাল
      4. হলুদ
      ব্যাখ্যা
      ◉ লাল, নীল, সবুজ এই তিনটি রঙকে মৌলিক রঙ (মূল রঙ) বা প্রাথমিক রং হিসাবে বিবেচনা করা হয়। হলুদ মৌলিক রঙ নয়।

      রং সম্পর্কিত জ্ঞান:
      - আমাদের চারপাশের প্রতিটি বস্তুরই নিজস্ব রং রয়েছে।
      - রঙের উৎস প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম হতে পারে।

      ◉ রং মূলত তিন প্রকার। যথা-
      ১। মৌলিক/প্রাথমিক রং:
      - লাল, নীল, সবুজ এই তিনটি রঙকে মৌলিক রঙ (মূল রঙ) বা প্রাথমিক রং হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
      - মৌলিক রং বা প্রাথমিক রংগুলো বিশুদ্ধ রং, কেননা এগুলো অন্যান্য রঙের সংমিশ্রণে তৈরি হয় না বরং এদের সংমিশ্রণে অন্যান্য রং সৃষ্টি হয়।

      ২। গৌণ রং:
      - মূল তিনটি বর্ণ থেকে যেকোন দুটি মিশালে যে রং হয় তাকে বলা হয় গৌণ বর্ণ।
      - দুটো মৌলিক রঙের মিশ্রণে গৌণ রং তৈরি হয়। যেমন-
      • নীল + লাল = বেগুনি,
      • লাল + সবুজ = হলুদ এবং
      • নীল + সবুজ = নীলাভ সবুজ।
      - এই রংগুলোকে মিশ্র বা মাধ্যমিক বর্ণও বলা হয়।

      ৩। প্রান্তিক রং:
      - মৌলিক রঙের সাথে কাছাকাছি যে কোনো একটি গৌণ রং মিশিয়ে প্রান্তিক রং প্রস্তুত করা হয়। যেমন-
      • হলুদ + সবুজ = হলদে সবুজ,
      • লাল + বেগুনি = লালচে বেগুনি,
      • লাল + কমলা = লালচে/কমলা এবং
      • কমলা + হলুদ = হলদে কমলা।

      উৎস: ব্রিটানিকা।
      ৬২.
      রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হল-
      1. Vitamin K
      2. Vitamin A
      3. Vitamin B
      4. Vitamin C
      ব্যাখ্যা
      রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হলো- Vitamin K (ভিটামিন কে)।

      ভিটামিন কে (Vitamin K):
      - ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন।
      - ভিটামিন কে তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

      ভিটামিন কে-এর উৎস:
      - সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়।

      ভিটামিন কে-এর কাজ:
      - কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে।
      - রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে।
      - ভিটামিন কে পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
      - ভিটামিন কে যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে।

      ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত সমস্যা:
      - ভিটামিন কে-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়, ফলে সামান্য কাটাছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

      উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৬৩.
      ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হল-
      1. hλ/c
      2. hc/λ
      3. cλ/h
      4. chλ
      ব্যাখ্যা
      ◉ ফোটন শক্তি 'E' এর সমীকরণটি হলো- E = hc/λ

      ফোটন কণা:
      - ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে।
      - ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
      - প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
      - কৃষ্ণবস্তুর বিকিরণ, আলো তড়িৎ ক্রিয়া, কম্পটন ক্রিয়াগুলোকে ব্যাখ্যা করার জন্য বিকিরণ শক্তিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেটের গুচ্ছ প্রবাহ আকারে বিবেচনা করা হয়। এই শক্তিকে আলোর কোয়ান্টা (quanta) বা ফোটন (photon) বলে।

      • প্রতিটি ফোটনের শক্তি মান E = hf, যেখানে কম্পাংক, f = c/λ.
      বা, E = hf
      বা, E = h × c/λ
      ∴ E = hc/λ

      এখানে, λ হলো বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য।

      উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৬৪.
      দ্বিপদ নামকরণে দ্বিতীয় নামটি নির্দেশ করে-
      1. প্রজাতি
      2. বর্গ
      3. রাজ্য
      4. শ্রেণি
      ব্যাখ্যা
      • দ্বিপদ নামকরণে দ্বিতীয় নামটি 'প্রজাতি' নির্দেশ করে।

      দ্বিপদ নামকরণ:
      - উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হয়।
      - বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস।
      - প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।
      - জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।
      - বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিদে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
      - একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
      - প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
      - প্রজাতি হলো শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচের ধাপ বা একক।
      যেমন: মানুষ, কুনোব্যাঙ, কবুতর ইত্যাদি এক একটি প্রজাতি।

      - প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়।
      - ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন।
      - একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়।
      - এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে।
      যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম - Homo Sapiens ।
      - বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়।

      উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. গাজী আজমল) এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
      ৬৫.
      ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়-
      1. লবণ
      2. পানি
      3. কার্বন ডাইঅক্সাইড
      4. সবগুলো
      ব্যাখ্যা
      ◉ ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় লবণ, পানি ও ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়।

      সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
      - এসিডের অণুতে প্রতিস্থাপন যোগ্য হাইড্রোজেন বর্তমান থাকে।
      - এ হাইড্রোজেন ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

      ধাতব কার্বোনেট ও হাইড্রোজেন কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
      - এসিড ধাতব কার্বোনেট বা ধাতব হাইড্রোজেন কার্বোনেট এর সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে থাকে। যেমন-
      • Na2CO3(s) + 2HCl(aq) → 2NaCl(aq) + H2O(l) + CO2(g).
      • NaHCO3(s) + HCl(aq) → NaCl(aq) + H2O(l) + CO2(g).

      ধাতুর অক্সাইডের সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
      - এসিড ধাতুর অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
      - ধাতুর অক্সাইড সমূহ ক্ষার ধর্মী এটির সাথে এসিডের বিক্রিয়া ঘটে।

      ধাতুর হাইড্রোক্সাইডের সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
      - এসিড ধাতুর হাইড্রোক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
      - ধাতুর হাইড্রোক্সাইড ক্ষার বিধায় এটির সাথে এসিডের বিক্রিয়া ঘটে।
      - এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।

      সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
      - ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়।
      - পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়।
      - তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
      - হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল।

      উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৬৬.
      Windows অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?
      1. এটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম
      2. এটি Open source অপারেটিং সিস্টেম
      3. ক এবং খ উভয়ই সত্য
      4. কোনোটিই সত্য নয়
      ব্যাখ্যা
      ◉ Windows হলো একটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows একটি closed source অপারেটিং সিস্টেম।

      • Windows:
      - উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
      - উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
      - এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
      - সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
      - ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
      - ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
      - ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
      - Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
      - তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
      - বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

      উৎস:
      ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ২. geeksforgeeks.
      ৬৭.
      নিচের কোনটি কম্পিউটার মেমোরি হিসেবে দ্রুততম?
      1. RAM
      2. Hard Disk
      3. ROM
      4. Register
      ব্যাখ্যা
      ◉ উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে Register সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে।

      • রেজিস্টার (Register):
      - মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
      - রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
      - এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
      - মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

      • মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

      - পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
      - আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

      অন্যন্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
      - RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
      - RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
      - অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
      - হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
      - সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

      উৎস:
      ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ২. ব্রিটানিকা।
      ৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৬৮.
      নিচের কোনটি কম্পিউটার সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় কোনো ভূমিকা রাখে না?
      1. Size of RAM
      2. Size of ROM
      3. Size of Cache Memory
      4. Size of Register
      ব্যাখ্যা
      ◉ Size of ROM কম্পিউটার সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় কোনো ভূমিকা রাখে না।
      - কারণ রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না।
      - অপশনের বাকি ৩টি কম্পিউটার সিস্টেমের কার্মক্ষমতার সাথে সম্পৃক্ত।

      • RAM:
      - RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
      - মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
      - এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
      - কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
      - বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
      - এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

      • ROM:
      - এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
      - এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
      - RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
      - তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
      - বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

      • Cache Memory:
      - কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
      - সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
      - কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache তে অবস্থান করে।
      - Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

      • Register:
      - মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
      - রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
      - এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
      - মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
      - অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়

      উৎস:
      ১. ব্রিটানিকা
      ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৬৯.
      নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা (২৪) এর সঠিক বাইনারি রূপ?
      1. (111 101)2
      2. (010 100)2
      3. (111 100)2
      4. (101 010)2
      ব্যাখ্যা
      অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
      - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
      - অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
      ১ = ০০১
      ২ = ০১০
      ৩ = ১০১
      ৪ = ১০০

      ∴ (২৪) = (010 100)2

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৭০.
      একটি অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে। নিচের কোনটি এ শ্রেণির কাজকে নির্দেশ করে?
      1. Command-Line Interface
      2. Graphical User Interface
      3. Block User Interface
      4. Tap User Interface
      ব্যাখ্যা
      ◉ গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।

      • চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
      - গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
      - এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
      - প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
      - Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

      • এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
      ১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
      ২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
      ৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
      ৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
      ৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
      ৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
      ৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
      ৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
      ৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

      উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৭১.
      নিচের কোন বিবৃতিটি কম্পাইলার সম্পর্কিত সঠিক?
      1. এটি Interpreter-এর চেয়ে অনুবাদ করতে বেশি সময় লাগে
      2. এটি প্রতি লাইন প্রোগ্রাম পড়ে এবং অনুবাদ করে
      3. এটি একবারে পুরো প্রোগ্রাম অনুবাদ করে
      4. এটি মেশিন প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রামে রূপান্তর করে
      ব্যাখ্যা
      ◉ ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে। অপরদিকে কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করে এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করে। ফলে অনুবাদ করতে ইন্টারপ্রেটারের চেয়ে কম্পাইলারের সময় কম লাগে।

      • অনুবাদক প্রোগ্রাম:
      - যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
      - অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
      ১. কম্পাইলার,
      ২. ইন্টারপ্রেটার ও
      ৩. অ্যাসেম্বলার।

      • কম্পাইলার:
      - কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
      - এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
      - ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
      - কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
      - কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

      • কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
      - উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
      - সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
      - প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা।
      - রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
      - প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।

      উৎস:
      ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।
      ৭২.
      নিচের কোনটি সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নয়?
      1. Facebook
      2. Instagram
      3. Twitter
      4. Google
      ব্যাখ্যা
      - উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে Facebook, Instagram ও Twitter (বর্তমানে 'X') সোস্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং Google একটি সার্চ ইঞ্জিন।

      • গুগল (Google):
      - ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
      - বর্তমান CEO: Sundar Pichai (Oct 2, 2015 - present)
      - গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
      - গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
      - গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
      - গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

      • ইনস্টাগ্রাম:
      - ইনস্টাগ্রাম চালু হয় ২০১০ সালের ৬ অক্টোবর।
      - ইনস্টাগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন কেভিন সাইস্ট্রম ও মাইক ক্রিঞ্জার।
      - এটি বর্তমানে সারা বিশ্বে ৩৩ ভাষায় ব্যবহার করা হয়।
      - ২০১২ সালে Instagram কিনে নিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট Facebook।
      - বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ মেটার অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

      • ফেসবুক:
      - বর্তমান CEO: মার্ক জাকারবার্গ
      - প্রতিষ্ঠাকাল: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪
      - বাণিজ্যিক নাম: মেটা
      - সদরদপ্তর: ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
      - মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো- ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি।

      • X (Twitter):
      - X এর পূর্বনাম টুইটার।
      - অক্টোবর, ২০২২ সালে ইলন মাস্ক টুইটার কিনে নেয়।
      - জুলাই, ২০২৩ সালে ইলন মাস্ক Twitter এর নাম পরিবর্তন করেন এবং নতুন নাম দেন X.
      - X এ সর্বোচ্চ ২৮০ অক্ষরের বার্তা পোস্ট করা যায়।
      - প্রতিষ্ঠাকাল: ২১ মার্চ ২০০৬ এবং চালু হয় ১৫ জুলাই ২০০৬ সালে।
      - সদরদপ্তর: San Francisco, California, United States.
      - প্রতিষ্ঠাতা: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass.
      - বর্তমান CEO: Linda Yaccarino.

      উৎস: ব্রিটানিকা এ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
      ৭৩.
      Cellular Data Network এর ক্ষেত্রে GPRS বলতে কী বুঝায়?
      1. Global Positioning Radio Service
      2. General Positioning Radio Service
      3. Global Packet Radio Service
      4. General Packet Radio Service
      ব্যাখ্যা
      - GPRS বলতে বোঝায় General Packet Radio Service

      • মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
      - বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
      ১. GSM [Global System for Mobile Communication):
      - GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
      - এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
      - সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
      - এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

      ২. CDMA (Code Division Multiple Access):
      - এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
      - যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
      - মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
      - সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
      - আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

      উৎস:
      ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
      ২. ব্রিটানিকা।
      ৭৪.
      নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
      1. Bing
      2. Google
      3. Yahoo
      4. Safari
      ব্যাখ্যা
      - অপশনে উল্লেখিত Bing, Google ও Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন এবং Safari হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার।

      • সার্চ ইঞ্জিন:
      - ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
      - সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
      - ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
      - বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
      - গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
      - Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

      • ওয়েব ব্রাউজার:
      - ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়‍্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
      - ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
      - safari হলো অ্যাপলের মালিকানাধীন একটি ওয়েব ব্রাউজার।
      - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
      - ২০১৩ সাল নাগাদ ক্রোম প্রভাবশালী ব্রাউজারে পরিণত হয়েছিল, জনপ্রিয়তায় মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলার ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যায়।
      - কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের হলো Google Chrome, Mozilla Firefox, Safari, Opera, Microsoft Edge, Maxthon, Brave, UC Browser.

      উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট
      ৭৫.
      ইন্টারনেট জগতে hyper-linked document গুলোর কালেকশানকে কী বলে?
      1. HTML
      2. Email
      3. WWW
      4. DWS
      ব্যাখ্যা
      • ইন্টারনেট জগতে hyper-linked document গুলোর কালেকশানকে WWW বলে।

      • WWW:
      - WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
      - ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। এটি একটি বৃহৎ - সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
      - টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
      - টিম বার্নাস লি'কে WWW এর জনক বলা হয়।
      - ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
      - WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

      উৎস:
      ১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ২. www foundation.
      ৩. University of washignton.
      ৪. TechTarget
      ৭৬.
      গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত?
      1. Remote Sensing
      2. Cloud Computing
      3. Remote Invocation
      4. Private Computing
      ব্যাখ্যা
      • ক্লাউড কম্পিউটিং:
      - ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
      - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:

      ১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
      - ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

      ২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
      - ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
      - ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

      ৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
      - ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
      - ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্য পেমেন্ট করতে হবে।

      - বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

      উৎস:
      ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
      ২. ব্রিটানিকা।
      ৭৭.
      নিচের কোন নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়?
      1. LAN
      2. WAN
      3. MAN
      4. PAN
      ব্যাখ্যা
      - WAN নেটওয়ার্কটি সবচেয়ে বেশি জায়গা ব্যাপ্তি হয়।

      • WAN:
      - WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
      - অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
      - WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
      - পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
      - এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

      • LAN:
      - LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
      - LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

      • PAN:
      - PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
      - কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
      - প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

      • MAN:
      - MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network
      - একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
      - MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

      উৎস:
      ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
      ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
      ৭৮.
      নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়?
      1. Applied Al
      2. Applied I0T
      3. Virtual Reality
      4. কোনোটিই নয়
      ব্যাখ্যা
      • Face Recognition System-এ Artificial Intelligence প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

      • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
      - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
      - মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
      - AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
      - কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

      • Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
      - Face Recognition System,
      - Speech Recognition System,
      - Natural Language Processing ইত্যাদি।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৭৯.
      নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট বোঝাতে ব্যবহৃত 'MbPS' এর পূর্ণরূপ কী?
      1. Megabytes per second
      2. Megabits per second
      3. Milibits per second
      4. কোনোটিই নয়
      ব্যাখ্যা
      - 'MbPS' এর পূর্ণরূপ Megabits per second.
      - এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
      - এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
      - এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
      - অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।• bps অর্থ হলো bit per second (1) বিট = 1 বা 0)

      • kbps হলো kilobits per second (1000 বিট =1 কিলোবিট)
      • Mbps হলো megabits per second (1000 কিলোবিট = 1 মেগাবিট)
      • Gbps হলো gigabits per second (1000 মেগাবিট = 1 গিগাবিট)
      • Tbps হলো Terabits per second (1000 গিগাবিট =1 টেরাবিট)
      • Pbps হলো Petabits per second (1000 টেরাবিট=1 পেটাবিট

      নোট: এখানে MBps দ্বারা মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং Mbps দ্বারা মেগা বিট পার সেকেন্ড বোঝানো হয়ে থাকে।
      অর্থাৎ বড় হাতের B থাকলে সেটি হবে মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং ছোটো হাতের b থাকলে সেটি হবে মেগা বিট পার সেকেন্ড।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
      ৮০.
      জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত সংস্থা UNODC-র প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
      1. রোম
      2. ভিয়েনা
      3. জেনেভা
      4. পিটসবার্গ
      ব্যাখ্যা
      জাতিসংঘ মাদক ও অপরাধ সংক্রান্ত সংস্থা UNODC-র প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে।

      UNODC:
      - UNODC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Office on Drugs and Crime.
      - UNODC হলো জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা।
      - এটি মাদক, সংঘটিত অপরাধ, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে।
      - UNODC  প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৭ সালে।
      - সদর দপ্তর: অস্টিয়ার ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

      ⇒ জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (ইউএনডিসিপি) এবং জাতিসংঘ অপরাধ দমন ও বিচার বিভাগ এর সমন্বয়ে এই সংস্থাটি গঠিত হয়।

      উৎস: UNODC ওয়েবসাইট।
      ৮১.
      উন্নয়নশীল দেশসমূহের বৈশ্বিক জোট 'জি-৭৭' এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
      1. ১০৫
      2. ১১৫
      3. ১২৫
      4. ১৩৫
      ব্যাখ্যা
      G-77:
      - G-77-এর পূর্ণরূপ: Group of 77.
      - জাতিসংঘের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট হচ্ছে G-77।
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জুন, ১৯৬৪।
      - বর্তমান সদস্য দেশ: ১৩৫টি।
      - এ জোট গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘের যেকোন উদ্যোগ বা ফোরামে সমষ্টিগতভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থ আদায়।
      - উদ্যোক্তা: The United Nations Conference on Trade and Investment (UNCTAD).

      উল্লেখ্য,
      - ১৯৬৪ সালে UNCTAD এর প্রথম সম্মেলনে G-77এর আত্নপ্রকাশ ঘটে।
      - UNCTAD এবং G-77 শুধু একই বছর প্রতিষ্ঠিত হয় নি, উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণ করাও ছিল উভয় সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
      - মূলত G-77 প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে UNCTAD এর ভূমিকা অগ্রগণ্য।

      ⇒ [অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তথ্য আপডেট হয় নি, তবে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন নিউজপোর্টালে ১৩৫টি রাষ্ট্রের কথা উল্লেখ রয়েছে।]

      উৎস: i) G-77 ওয়েবসাইট।
      ii) UNCTAD ওয়েবসাইট। [link]
      ৮২.
      “২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের দরিদ্র নারী, পুরুষ ও শিশুর সংখ্যা অর্ধেক নামিয়ে আনতে হবে" -এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রায় কোন অভীষ্ট লক্ষ্য?
      1. টার্গেট ১.১
      2. টার্গেট ১.২
      3. টার্গেট ১.৩
      4. টার্গেট ১.৪
      ব্যাখ্যা
      সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
      - সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
      - এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
      - এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
      - মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।

      • লক্ষ্য ১: দারিদ্র্য বিলোপ।
      ⇒ ১.১: ২০৩০ সালের মধ্যে, সর্বত্র সকল মানুষের জন্য, বর্তমানে দৈনন্দিন মাথাপিছু আয় ১.২৫ ডলারের কম -এ সংজ্ঞানুযায়ী পরিমাপকৃত চরম দারিদ্র্যের সম্পূর্ণ অবসান।
      ১.২: জাতীয় সংজ্ঞানুযায়ী চিহ্নিত যেকোন ধরনের দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী সকল বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুর সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে কমপক্ষে অর্ধেকে নামিয়ে আনা।
      ⇒ ১.৩: ন্যূনতম সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধার নিশ্চয়তাসহ সকলের জন্য জাতীয়ভাবে উপযুক্ত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপের বাস্তবায়ন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দরিদ্র ও অরক্ষিত জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে এ ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা।
      ⇒ ১.৪: ২০৩০ সালের মধ্যে সকল নারী ও পুরুষ, বিশেষ করে দরিদ্র ও অরক্ষিত জনগোষ্ঠীর অনুকূলে অর্থনৈতিক সম্পদ ও মৌলিক সেবা সুবিধা, জমি ও অপরাপর সম্পত্তির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উত্তরাধিকার, প্রাকৃতিক সম্পদ, লাগসই নতুন প্রযুক্তি এবং ক্ষুদ্র ঋণসহ আর্থিক সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
      ⇒ ১.৫: ২০৩০ সালের মধ্যে, দরিদ্র ও অরক্ষিত পরিস্থিতিতে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর অভিঘাতসহনশীলতা বিনির্মাণ এবং জলবায়ু সম্পৃক্ত চরম ঘটনাবলি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত অভিঘাত ও দুর্যোগে তাদের আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হবার ঝুঁকি কমিয়ে আনা।

      উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
      ৮৩.
      বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা এর প্রস্তাবক হচ্ছে -
      1. চীন
      2. জাপান
      3. ডেনমার্ক
      4. সুইডেন
      ব্যাখ্যা
      বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা-এর প্রস্তাবক হচ্ছে চীন।

      বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই):
      - GDI-এর পূর্ণরূপ: Global Development Initiative.
      - জিডিআই হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঘিরে উন্নয়ন সহযোগিতার উদ্যোগ।
      - 'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' চীনের প্রস্তাবিত।
      - মূলত জিডিআইতে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
      - চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ২০২১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগের ঘোষণা দেন। 
      - ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের জন্য জিডিআই।

      উল্লেখ্য,
      - প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভন-জিডিআই) বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় চীন।

      উৎস: i) The World Economic Forum.
      ii) প্রথম আলো।
      ৮৪.
      বাংলাদেশ কত সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
      1. ১৯৭২
      2. ১৯৭৩
      3. ১৯৭৪
      4. ১৯৭৫
      ব্যাখ্যা
      বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

      ILO:
      - ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
      - এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
      - সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
      - বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
      - বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
      - ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

      ⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

      উৎস: ILO ওয়েবসাইট।
      ৮৫.
      বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল -
      1. সৌদি আরব
      2. কুয়েত
      3. ওমান
      4. জর্দান
      ব্যাখ্যা
      [এটি পরিবর্তনশীল তথ্য। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

      বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:

      - বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
      - এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি যান সৌদি আরবে।
      - মোট নারী অভিবাসীর ৬৬ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

      এছাড়াও,
      - বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
      - ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
      - বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
      - তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।
      - ২০২৪ সালে সৌদি আরব সর্বোচ্চ ৬ লাখ ২৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়েছে, যা একক বছরে কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যা।
       ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
      - এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান।



      উৎস: BMET ওয়েবসাইট। [link]
      ৮৬.
      কপ ২৮ সম্মেলনটি কী সম্পর্কিত?
      1. শরণার্থীর অধিকার
      2. জ্বালানি নিরাপত্তা
      3. সমুদ্র সীমানা
      4. জলবায়ু পরিবর্তন
      ব্যাখ্যা
      'কপ -২৮' জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত।

      কপ সম্মেলন (Cop Conference):
      - COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
      - জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
      - জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
      - এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

      উল্লেখ্য,
      - কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলন ২০২৩ সালে ৩০ নভেম্বর-১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়।

      এছাড়াও,
      - ২০২৪ সালের নভেম্বরে আজারবাইজানের বাকুতে ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জলবায়ু সম্মেলনের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ফাইন্যান্স কপ’ বা ‘জলবায়ুর আর্থিক সম্মেলন’। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো। ৩০০ বিলিয়ন ডলারের (২৩৮ বিলিয়ন পাউন্ড) প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি, দেশগুলো ২০৩৫ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধের জন্য ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে সম্মত হয়েছে।
      - কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

      উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
      ৮৭.
      বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৩ অনুযায়ী কোন দেশটি সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির মধ্যে?
      1. আফগানিস্তান
      2. মায়ানমার
      3. পেরু
      4. মালি
      ব্যাখ্যা
      বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৩ অনুযায়ী আফগানিস্তান সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
      অন্যদিকে, বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৪ অনুযায়ী বুরকিনা ফাসো সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

      [এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

      বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৪:
      - অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক Institute for Economics & Peace (IEP) ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সালে Global Terrorism Index (GTI) 2024: Measuring the Impact of Terrorism শিরোনামে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে।
      - স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান আইইপি মানুষের ভালো থাকা ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও অর্জনযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে।
      - IEP এর GTI প্রতিবেদনটি বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

      ⇒ সন্ত্রাসবাদে শীর্ষ দেশ:
      1. বুরকিনা ফাসো।
      2. ইসরাইল।
      3. মালি।
      4. পাকিস্তান।
      5. সিরিয়া।
      6. আফগানিস্তান।
      7. সোমালিয়া।
      8. নাইজেরিয়া।
      9. মিয়ানমার।
      10. নাইজার।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশের অবস্থান ৩২তম [স্কোর-৩.৩১৭]।



      উৎস: Global Terrorism Index ওয়েবসাইট।
      ৮৮.
      'বার বিধি' (The Twelve Tables) কী?
      1. রোমান আইনের ভিত্তি
      2. স্থাপত্যের ১২টি নির্দেশনা
      3. ফুটবল খেলার নিয়মাবলি
      4. স্থানীয়/দেশি খেলা
      ব্যাখ্যা
      'বার বিধি' (The Twelve Tables):
      - খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দে সর্বপ্রথম লিখিত রোমান আইন প্রচলিত হয়। ইতিহাসের পাতায় 'Twelve Tables বা বারো বিধি' নামে পরিচিত সেই আইনের মাধ্যমে রোমে এক নতুন যুগের সূচনা হয়। প্রায় বারটি ধাপে রোমের সকল নাগরিকের অধিকারের নিশ্চয়তা নিয়ে প্রণীত সেই বারো টেবিল আইনটি আজও ইতিহাসবিদগণের নিকট এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়।

      • রোমান সভ্যতা:

      - গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
      - রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
      - প্রথম দিকে রােম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
      - এ সময় একটি সভা ও সিনেট ছিল।
      - রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
      - ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়।
      - রোমের গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

      ⇒ সভ্যতায় রোমের অবদান:
      - রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
      - রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
      - রোমের অর্থনীতি ছিল দাসদের ওপর নির্ভরশীল।
      - সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
      - ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
      - স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রোমান ভাস্কর্যেরও উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল।

      উৎস: i) Britannica.
      ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
      ৮৯.
      সিয়াচেন হিমবার (Siachen Glaciar) কোন দুইটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
      1. ভারত ও চীন
      2. নেপাল ও চীন
      3. পাকিস্তান ও চীন
      4. ভারত ও পাকিস্তান
      ব্যাখ্যা
      সিয়াচেন হিমবার (Siachen Glacier) ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত।
       
      সিয়াচেন হিমবাহ:
      - ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
      - সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
      - 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

      ⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
      - তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
      - মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

      অন্যদিকে,
      • ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড হলো কালাপানি,
      • ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল লাদাখ,
      • ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল ইম্ফল।



      উৎস: i) Britannica.
      ii) BBC.
      ৯০.
      টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) চতুর্থ লক্ষ্যমাত্রা কোনটি?
      1. জলবায়ু কার্যক্রম
      2. মানসম্মত শিক্ষা
      3. দারিদ্র বিমোচন
      4. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান
      ব্যাখ্যা
      টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ৪র্থ লক্ষ্য হলো মানসম্মত শিক্ষা - অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতা-ভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং সবার জন্য আজীবন শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা।

      সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):

      - সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
      - এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
      - এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
      - ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
      - বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
      - মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

      ⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
      ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
      ২. ক্ষুধা মুক্তি;
      ৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
      ৪. মানসম্মত শিক্ষা;
      ৫. লিঙ্গ সমতা;
      ৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
      ৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
      ৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
      ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
      ১০.অসমতার হ্রাস;
      ১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
      ১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
      ১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
      ১৪. জলজ জীবন;
      ১৫. স্থলজ জীবন;
      ১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
      ১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব।

      উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
      ৯১.
      জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক (Biosafety to the Convention on Biological Diversity) হচ্ছে-
      1. কার্টাগেনা প্রটোকল
      2. মন্ট্রিল প্রটোকল
      3. কিয়াটো প্রটোকল
      4. প্যারিস চুক্তি
      ব্যাখ্যা
      জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক (Biosafety to the Convention on Biological Diversity) হচ্ছে কার্টাগেনা প্রটোকল।

      কার্টাগেনা প্রটোকল:
      - কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
      - এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
      - এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।

      ⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
      - তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
      - কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
      - স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
      - কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
      - চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
      - অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

      অন্যদিকে: 
      • মন্ট্রিল প্রটোকল:
      - ১৬ সেপ্টেম্বর,১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়।
      - ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
      - যার লক্ষ্য ছিল পৃথিবীর ওজোন স্তর হ্রাসে অবদান রাখে এমন রাসায়নিকের উৎপাদন এবং ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।

      • কিয়েটো প্রোটকল:
      - কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
      - এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
      - ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।

      • প্যারিস চুক্তি:
      - যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলে।

      উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।
      ৯২.
      আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice) সভাপতির মেয়াদ কত বৎসর?
      1. ২ বৎসর
      2. ৩ বৎসর
      3. ৬ বৎসর
      4. ৯ বৎসর
      ব্যাখ্যা
      আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice) সভাপতির মেয়াদ ৩ বৎসর।

      International Court of Justice (ICJ):

      - ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
      - জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত হলো আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত।
      - এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় সংস্থা।
      - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে (সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা)।
      - কার্যক্রম শুরু হয়: ১৯৪৬ সালে।
      - সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
      - এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট নওয়াফ সালাম।

      ⇒ বিচারক সংখ্যা: আদালতের সদস্য সংখ্যা ১৫ জন এবং তারা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ দ্বারা নির্বাচিত হন।
      - একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য ও একজন সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।

      ⇒ কাজ: আদালত আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে এবং আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান করে।
      - বিরোধ নিষ্পত্তি: রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে যে কোনো আন্তর্জাতিক আইনের বিষয় নিয়ে বিরোধ থাকলে আদালত সেগুলোর নিষ্পত্তি করে।
      - আইনি পরামর্শ: জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষভাবে আন্তর্জাতিক আইন সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি পরামর্শ প্রদান।

      উৎস: International Court of Justice ওয়েবসাইট।
      ৯৩.
      উত্তর আটলান্টিক চুক্তির কত নম্বর ধারায় যৌথ নিরাপত্তার ধারণাটি ব্যক্ত হয়েছে?
      1. আর্টিকেল ২
      2. আর্টিকেল ৩
      3. আর্টিকেল ৪
      4. আর্টিকেল ৫
      ব্যাখ্যা
      উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ৫নং অনুচ্ছেদে Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তার ধারণা ব্যক্ত করা হয়েছে।

      NATO:
      - NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
      - এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
      - প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
      - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
      - প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
      - বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
      - সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
      - বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
      - মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
      - সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

      ⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
      - পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।

      ⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
      - অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
      - অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
      - ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

      উল্লেখ্য,
      ⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
      - অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
      - অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
      - অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
      - অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
      - অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
      - অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
      - অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
      - অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
      - অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
      - অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
      - অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
      - অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
      - অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
      - অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

      উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
      ৯৪.
      আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কোন তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা প্রদান করে?
      1. উদারবাদ
      2. বাস্তববাদ
      3. মার্ক্সবাদ
      4. কোনোটিই নয়
      ব্যাখ্যা
       আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উদারবাদ বা Liberalism তত্ত্বটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা প্রদান করে।
      উল্লেখ্য, নব্য-উদারতাবাদ বা Neoliberalism-ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী ভূমিকার বিষয়ে ধারণা প্রদান করে থাকে। তবে এটি অপশনে না থাকায় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

      উদারতাবাদ/উদারবাদ/উদারনীতিবাদ (Liberalism):
      - উদারতাবাদ হলো এমন একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মতবাদ, যা মূলত একজন ব্যক্তির স্বকীয়তা, স্বাতন্ত্র্য, বৈষম্যহীনতা, সমান অধিকার এবং ব্যক্তি বিশেষের অধিকার, সর্বোপরি জীবন, স্বাধীনতা, সম্পত্তির ইত্যাদি রক্ষা করার উপর গুরুত্ব আরোপ করে।
      - অবস্থার প্রেক্ষিতে এটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করা হয়।

      ⇒ উদারবাদের নীতি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৩০ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কে প্রভাব বিস্তারকারী ছিল এবং ভয়াবহ যুদ্ধ রোধ করতে সাহায্য করেছিল।
      - এই তত্ত্বে আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া লীগ অব নেশন্স বা জাতিপুঞ্জ এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিল বলা চলে।
      - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই উদারবাদ নীতির প্রাথমিক প্রবক্তাদের মধ্যে আছেন ⎯ জন লক, অ্যাডাম স্মিথ, প্রমুখ চিন্তাবিদগণ।
      - তারা বোঝাতে চেয়েছিলেন একটি সমাজ এবং রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মুক্তি তরান্বিত করা সম্ভব মুক্ত অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রের পরিশীলিত বা স্বল্প মাত্রার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে। কিংবা অন্যভাবে বলা যায়, বাজার ব্যবস্থা হবে প্রতিযোগীতামূলক এবং এখানে রাষ্ট্র বা অন্য কোন পক্ষের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রন অনুপস্থিত থাকতে হবে।
      - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক ইত্যাদি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো একই ধারণার উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।

      অন্যদিকে,
      • বাস্তববাদ (Realism):
      - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই তত্ত্বটি রাষ্ট্রের বিভিন্ন দায়িত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের কথা বলে।

      • মার্ক্সবাদ (Marxism):
      - মার্ক্সবাদ মূলত একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ , দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ, উদ্বৃত্ত্ব মুল্যতত্ত্ব ও শ্রেণিসংগ্রাম এই চারটি বিষয়কে কেন্দ্র করে মার্কসবাদ বিকশিত হয়েছে।

      উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে সহজেই বলা যায়, উদারবাদে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক কার্যকরী ভূমিকার কথা সুস্পষ্টভাবেই দৃশ্যমান। অতএব এটিই সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য উত্তর।

      উৎস: i) Britannica.
      ii) আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ; লেখক: তারেক শামসুর রহমান।
      iii) Liberalism & International theory; A Moravcsik.
      ৯৫.
      হিলি স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
      1. বিরামপুর, দিনাজপুর
      2. ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
      3. হাকিমপুর, দিনাজপুর
      4. পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট
      ব্যাখ্যা
      হিলি স্থলবন্দর:
      - হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
      - এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
      - দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরটি ২৬ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হয়।

      উল্লেখ্য,
      - দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল। এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
      - বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
      - চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

      এছাড়াও,
      ⇒ কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো:
      - ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
      - সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
      - বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
      - আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
      - বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
      - দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
      - তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
      - সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।

      উৎস: i) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
      ii) বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
      ৯৬.
      ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-
      1. সকাল ০৯:০০ টা
      2. বিকাল ০৩:০০ টা
      3. সন্ধ্যা ০৬:০০ টা
      4. রাত ০৯:০০ টা
      ব্যাখ্যা
      পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
      - ৪৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের প্রার্থক্য হবে, ৪৫×৪ = ১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা।
      - যেহেতু পূর্বে গেলে সময় বাড়ে সেহেতু ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে বিকেল ৩টা।

      আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
      - গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
      - এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
      - ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
      - গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
      - গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
      - পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
      - কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

      উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
      ৯৭.
      কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত?
      1. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
      2. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
      3. ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান
      4. বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান
      ব্যাখ্যা
      ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত।

      এভারেস্ট পর্বত
      - মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
      - এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
      - তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
      - মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
      - এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।



      উৎস: i) Britannica.
      ii) National Geographic.
      ৯৮.
      দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলনে (কপ-২৮) মূল ফোকাস ছিল -
      1. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
      2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক
      3. ওজোনস্তর ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক
      4. মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
      ব্যাখ্যা
      কপ-২৮ এ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাস বিষয়ে দুবাই জলবায়ু সম্মেলনে একমত হয়েছে প্রায় ২০০ দেশ। কপ-২৮ এর মূল ফোকাস ছিল এটি।
      অন্যদিকে, জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলনে (কপ-২৯) মূল ফোকাস ছিল জলবায়ু অর্থায়ন। 

      জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮:
      - ৩০ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হয়।
      - স্থান: আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
      - কপ-২৮ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে সরে আসার আহবান জলবায়ু সম্মেলনে।

      ⇒ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP):
      - COP এর পূর্ণরূপ: Conference of the parties.
      - ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
      - এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।
      - ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

      ⇒ ২০২২ সালের নভেম্বরে মিশরে 'কপ-২৭' অনুষ্ঠিত হয়।
      - 'কপ-২৯' আয়োজিত হয়েছে আজারবাইজানে।
      - ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।

      উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট। 
      ii) প্রথম আলো।
      ৯৯.
      নিচের কোনটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Hazard)?
      1. ভূমিকম্প
      2. ভূমিধস
      3. সুনামি
      4. খরা
      ব্যাখ্যা
      কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Hazard) হচ্ছে খরা।

      ‘আপদ (Hazard):
      - আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
      - এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
      - দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
      - সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

      ⇒ খরা ( Drought):
      - কোনো এলাকা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে উক্ত এলাকাটির মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে।
      - উক্ত এলাকার মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। মাটির এরূপ অবস্থাকে খরা বলা হয়।
      - বাংলাদেশের উওর-পশ্চিমাঞ্চল অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
      - খরা উপদ্রুত অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
      - উপদ্রুত অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে পানির অভাব দেখা দেয়।
      - বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল পর্যাপ্ত ফসলের অভাবে খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে।
      - গাছপালা বিহীন শুষ্ক প্রকৃতি ও তীব্র গরমে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।

      অন্যদিকে, 
      - ভূমিকম্প, ভূমিধস, সুনামি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Hazard) নয়।

      উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
      ১০০.
      Which of the following words can be used as a verb?
      1. mobile
      2. sugar
      3. media
      4. sand
      অনির্ধারিত
      ব্যাখ্যা
      • Sugar এবং Sand দুটি শব্দই noun এবং verb দুইভাবেই ব্যবহৃত হতে পারে।
      - অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায়, উত্তর নেওয়া সম্ভব হয় নি।

      • Sand
      → (noun) ⎯ বালি, বালুকা।
      Example Sentence: The children played all day in/on the sand.

      → (verb transitive) ⎯ বালু দিয়ে ঢাকা বা ঘষা; বালি ছিটানো।
      Example Sentence: Sand the door (down) thoroughly before starting to paint.

      • Sugar
      → (noun) ⎯ চিনি বা শর্করা।
      Example Sentence: I don't take sugar in my coffee, thanks.

      → (verb transitive) ⎯ মিষ্টি করা; চিনি মেশানো; শর্করাযুক্ত করা।
      Example Sentence: He sugared the rims of the martini glasses.

      -----------------------
      অন্য অপশনগুলো -
      • Mobile
      → (adjective) - সচল; ভ্রাম্যমাণ; গতিময়।
      → (noun) - ভাস্কর্য বা অনুরূপ বস্তু, যার অংশসমূহ বাতাসে নড়ে।

      • Media
      → (noun) যোগাযোগমাধ্যম; গণমাধ্যম (টিভি, রেডিও, খবরের কাগজ ইত্যাদি)।

      Source:
      1. Cambridge Dictionary,
      2. Merriam-Webster Dictionary,
      3. Accessible Dictionary.
      ১০১.
      In which sentence 'like' is used as a preposition?
      1. He likes to eat fish
      2. He laughs like his father does
      3. He climbed the tree like a cat
      4. Like minded people are necessary to start a business
      ব্যাখ্যা
      উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - He climbed the tree like a cat.
      - এই বাক্যে like preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
      [মূল প্রশ্ন climbed বানান ভুল দেয়া ছিল]

      • Preposition হিসেবে like: (মত, রকম)
      - in the manner of, similarly to or having the characteristics of, similar to ইত্যাদি বোঝানোর ক্ষেত্রে like preposition হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
      - সে একটি বিড়ালের মতো গাছে উঠেছিল এই অর্থে like এখানে preposition.

      - তাছাড়াও, Like এখানে a cat- noun এর পূর্বে অবস্থান করে বাক্যের অন্যান্য word এর সাথে nounটির সম্পর্ক স্থাপন করেছে অর্থাৎ preposition এর কাজ করেছে।

      • অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -

      ক) He likes to eat fish.
      - এই বাক্যে Like হচ্ছে Verb.
      - সে মাছ খেতে পছন্দ করে অর্থাৎ পছন্দ করা অর্থে like এখানে verb.

      খ) He laughs like his father does.
      - Here, "like" is used as a conjunction.
      - in the same way that; as এই অর্থে like conjunction হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

      এখানেও like ‘মত`এর ন্যায় অর্থ দিচ্ছে বলে মনে হয়, কিন্তু এখানে যেহেতু like এর পরের অংশ একটি Clause এবং like পরের Clause কে পূর্বের Clause এর সাথে সংযুক্ত করছে, তাই এটা এখানে Conjunction.

      ঘ) Like-minded people are necessary to start a business.
      - Here, "like" is used as an adjective within the compound adjective "like-minded". Here like means ‘similar’.
      - তাই এটিকে preposition বলা যাবে না।

      Source: Oxford Learner's Dictionary.
      ১০২.
      He died following the incident.
      The underlined word is a/an-
      1. adjective
      2. adverb
      3. noun
      4. preposition
      ব্যাখ্যা
      • Following (Preposition):
      এটা হচ্ছে Participle Preposition, যা ‍এখানে after বা পরে অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।

      • He died following the incident.
      - এই বাক্যে 'following' শব্দটি the incident - Noun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্যান্য অংশের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে। তাই, এখানে 'following' শব্দটি preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

      এছাড়াও,
      - 'Following' শব্দটি adjective ও noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

      • Following (adjective):
      Meaning - The following day, morning, etc. is the next one.

      • Following (noun):
      Meaning - (often used to introduce a list, report, etc.) of what comes next.

      Source:
      1. Longman Dictionary.
      2. Cambridge Dictionary.
      3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
      ১০৩.
      Writing a diary is a very good practice to develop the writing skill.
      The underlined part is a/an-
      1. noun phrase
      2. verbal phrase
      3. adjective phrase
      4. adverbial phrase
      ব্যাখ্যা
      Writing a diary is a very good practice to develop the writing skill.
      - এই বাক্যে 'Writing a diary' phrase টি Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং একই সাথে এটি একটি Gerund phrase.
      - তাই, 'Writing a diary' হচ্ছে Noun phrase.
      --------------------

      • Noun phrase:
      - যে phrase বা শব্দগুচ্ছ noun এর কাজ করে তাই মূলত Noun phrase.
      - অর্থ এবং বাক্যে অবস্থান অনুযায়ী Noun phrase বিভিন্ন ভূমিকা পালন করে।
      যেমন:
      - Subject হিসেবে; (এই বাক্যে 'Writing a diary' phrase টি Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি Noun Phrase.)
      - Object of a verb হিসেবে;
      - Object of a preposition হিসেবে;
      - Subject complement হিসেবে;
      - Object complement হিসেবে।

      • The three types of noun phrases are:
      i. Appositive phrase:
      - It renames another noun in the sentence.
      - যে noun phrase অন্য একটি noun সম্মন্ধে comma ব্যবহার করে নতুন তথ্য যোগ করে তাকে appositive বলে।
      Example: Mr. Salim, my favorite English teacher, is doing this assignment for me.

      ii. Gerund phrase:
      - Gerund phrase starts with a gerund.
      - Gerund (verb + ing) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে gerund phrase বলে।
      Example: The ringing of the phone during the prayers in the mosque disturbs me much.

      ii. Infinitive phrase:
      - It has an infinitive (to + the present form of the verb) and modifiers linked to the infinitive.
      - Infinitive (to+verb) দিয়ে শুরু হওয়া phrase কে infinitive phrase বলে।
      Example: I like to have a cup of tea in the morning.

      Source: Cliff's TOEFL.
      ১০৪.
      Fill in the blank with the correct word.
      _____ he lay on the ground groaning.
      1. Injured
      2. Injuring
      3. Having injured
      4. Be injured
      ব্যাখ্যা
      • শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Injured.
      - Complete sentence: Injured he lay on the ground groaning.

      বাক্যের অর্থ: আহত হয়ে (হওয়ার পরে), সে গোঙিয়ে গোঙিয়ে মাটিতে শোয়ে পড়ল।
      • উল্লিখিত বাক্যে, ‍‘after being injured’ অর্থে lay - verb এর adverb of time হিসেবে শূন্যস্থানে injured বসবে।
      তবে এখানে Injured এর পর Comma থাকা উচিত ছিল।

      Context অনুযায়ী এটা Passive Form + Non-finite Verb হওয়া উচিত।

      • অন্য অপশনগুলো সঠিক নয় কারণ,
      খ) Injuring - Active Form.
      গ) Having injured - Active Form.
      ঘ) Be injured - Non-finite এর কোনো Form নয়। (Being injured হলে সঠিক হতো)।
      ১০৫.
      Choose the best alternative for the underlined. He went back on his promise of voting for me.
      1. withdrew
      2. forgot
      3. reinforced
      4. support
      ব্যাখ্যা
      • Go back on something (phrasal verb): 
      English Meaning - To fail to keep a promise, or to change a decision or agreement. 
      Bangla Meaning - কথার বরখেলাপ করা।

      Given options:
      ক) withdrew - সরে আসা; সরিয়ে আনা। 
      খ) forgot - ভুলে যাওয়া। 
      গ) reinforced - অধিকতর জনবল বা রসদ জুগিয়ে আরো শক্তিশালী করা; ভারবহনক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আকার, ঘনত্ব ইত্যাদি বৃদ্ধি করা; দৃঢ়তর/জোরদার করা। 
      ঘ) support - সমর্থন করা; চালু রাখতে সাহায্য করা। 

      • অপশনসমূহ বিবেচনা করে দেখা যায়, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - 'withdrew'. 

      Source: 
      1. Cambridge Dictionary.
      2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
      ১০৬.
      Which is the correct complex form of the sentence?
      'A corrupt man cannot win the respect of others.'
      1. A man who is corrupt cannot respect others.
      2. A man does not respect others who are corrupt.
      3. A man who is corrupt cannot win the respect of others.
      4. A man who can win the respect of others cannot be corrupt.
      ব্যাখ্যা
      • Adjective + noun যুক্ত Simple Sentence কে Complex করার নিয়ম:
      - article বসে +
      - adjective এর পরের noun টি বসে +
      - relative pronoun who/which/that বসে +
      - tense অনুযায়ী verb বসে +
      - adjective টি বসে +
      - প্রদত্ত noun এর পর থেকে শেষ অংশ বসে। 

      • Example:
      Simple - An industrious boy can shine in life.
      Complex - A boy who is industrious can shine in life. 

      - তাই, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - A man who is corrupt cannot win the respect of others.
      ১০৭.
      Find out the correct positive form of the sentence : 'Who else is the better player than Zaman in the team'?
      1. Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
      2. Who is the best player than Zaman in this team?
      3. Is there any other players in this team who is as good as Zaman?
      4. Are there any other player in this team who are as good as Zaman?
      ব্যাখ্যা
      • এখানে মূল বাক্যটি interrogative form এ আছে। তাই positive sentence টিও interrogative form এ রাখতে হবে।
      • এবং, মূলবাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এমন একটি বাক্য খুঁজতে হবে যা - জামানের মতো দক্ষ আর কোনো খেলোয়াড় দলে আছে কিনা সেই প্রশ্ন করবে।

      অপশন অনুসারে একমাত্র সঠিক উত্তর ক) Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
      এই বাক্যে Positive sentence এর structure বজায় থাকছে এবং মূল বাক্যের সাথে অর্থেরও সামঞ্জস্য ঠিক থাকছে।
      -----------------------

      অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
      খ) Who is the best player than Zaman in this team?
      - 'the best player than' - এই অংশের structure grammatically ভুল। তাছাড়া এটি Positive sentence এর structure ও অনুসারেও গঠিত হয় নি।

      গ) Is there any other players in this team who is as good as Zaman?
      - এখানে 'any other এর পর players - plural ব্যবহার করা ভুল।

      ঘ) Are there any other player in this team who are as good as Zaman?
      - এখানে 'any other player' অংশটি singular sense প্রকাশ করছে, তাই এর verb হিসেবে শুরুতে are এর ব্যবহার ভুল।
      ১০৮.
      Fill in the blank with the correct word:
      The submarine dipped to avoid ______ by the enemy plane.
      1. see
      2. seeing
      3. being seen
      4. seen
      ব্যাখ্যা
      • কিছু কিছু Verb আছে এরপর verb+ing (gerund) বসে।
      - যেমন: admit, appreciate, avoid, can't help, consider, delay, deny, enjoy, finish, mind, miss, postpone, practice, risk, resume, resist etc.
      - নিয়মানুযায়ী, এখানে seeing বসার কথা।

      • কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায়,
      - উল্লিখিত বাক্যে verb টির কাজ তার ‍subject তথা The Submarine নিজে করতে পারে না।
      - তাই এটি passive এর গঠন অনুসরণ করবে।

      • তাই সঠিক উত্তর হবে - being seen.
      - Complete sentence: The submarine dipped to avoid being seen by the enemy plane.
      ১০৯.
      In fear of ______ he escaped elsewhere.
      1. arresting
      2. arrested
      3. being arrested
      4. having arrested
      ব্যাখ্যা
      • শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - being arrested.
      - Complete sentence: In fear of being arrested he escaped elsewhere.

      - সাধারণত Preposition এর পর Verb+ing ব্যবহৃত হয়।
      - কিন্তু arrest হয় পুলিশ কর্তৃক। subject (he) যাতে arrest না হয়, এ ধারণা এখানে প্রকাশ পাচ্ছে, তাই এটি Passive Form এ বসবে।
      - Verb+ing এর Passive form হচ্ছে being + verb এরপর Past Participle.

      - সুতরাং, being arrested হবে সঠিক উত্তর।
      ১১০.
      I didn't follow who passed by me. It _____ Shajib.
      1. were
      2. must be
      3. might be
      4. was
      ব্যাখ্যা
      • শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - might be.
      Complete sentence:  I didn't follow who passed by me. It might be Shajib

      • Might
      - used to express permission, liberty, probability, or possibility in the past.
      - যেহেতু বাক্যটি past tense এ আছে এবং সম্ভাব্যতা প্রকাশ করছে, তাই উত্তর হবে might be.
      ১১১.
      Samin is my colleague. I _______ him for ten years.
      1. know
      2. knew
      3. have known
      4. have been known
      ব্যাখ্যা
      • শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - have known.
      - Complete sentence: Samin is my colleague. I have known him for ten years.

      • অতীতে সংঘটিত হয়ে কোনো কাজ কাজ বর্তমান সময়ে চলছে এরূপ বুঝালে Verb এর Present Perfect Continuous Tense হয়।
      কিন্তু see, watch, understand, know, be, have ইত্যাদি verb এর সাধারণত Present Perfect Continuous Form ব্যবহৃত হয় না, এর পরিবর্তে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়। 

      Structure:  Subject + have/has + verb এর past participle + Extension.
      যেমন:
      - He has been in London for three years. 
      - I have seen him for two decades.

      Source: Learn English Online, British Council.
      ১১২.
      The snow swirls ______ the valley.
      1. up
      2. in
      3. down
      4. through
      ব্যাখ্যা
      • 'The snow swirls down the valley' এই লাইনটি Marjorie Kinnan Rawlings এর short story 'A Mother in Mannville' থেকে নেয়া হয়েছে। 

      - যে কোনো কিছুর Direction (গতিপথ) নিচের দিকে হলে সাধারণত Verb এর পর Adverb হিসেবে down ব্যবহৃত হয়। যেহেতু তুষার উপর থেকে নিচের দিকে পতিত হয়, তাই এখানে down ব্যবহৃত হবে। 

      • Swirl (verb):
      English Meaning - To move quickly with a twisting circular movement, or to cause something to move this way.
      Bangla Meaning - (জল, বাতাস ইত্যাদি) ঘুরপাক খাওয়া বা খাওয়ানো; ঘূর্ণিত হওয়া বা করা; ঘূর্ণি তোলা; ঘূর্ণিবেগে ভাসিয়ে বা উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া।
      - ঘূর্ণিত হয়ে নিচের দিকে পতিত হওয়া অর্থে 'swirl down' ব্যবহৃত হয়। 

      • Example Sentence - Snowflakes swirled down from the sky.

      • Complete Sentence - The snow swirls down the valley. 
      - Bangla Meaning - উপত্যকায় তুষার ঘুরপাক খেয়ে নিচে নামছে।
      ১১৩.
      There is a coffee shop ______ the street.
      1. at
      2. on
      3. before
      4. across
      ব্যাখ্যা
      • শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - across.
      - এখানে সবচেয়ে সুন্দর বাক্য হবে: রাস্তার ওপারে একটি কফির দোকান আছে। ওপারে অর্থে across ব্যবহৃত হবে। 
      - জায়গার নাম যদি street এর নামে হয়, তখন At বা On ব্যবহার করা যেতে পারে। 

      Complete sentence: There is a coffee shop across the street.
      - "Across" is the preposition that correctly indicates the location of the coffee shop to the street.
      - When you're describing a location on the other side of the street, "across" is more commonly used:

      Source: Longman Dictionary, Cambridge Dictionary.
      ১১৪.
      Identify the correct sentences:
      1. He has said to me that I will go but you will stay there in Dhaka.
      2. He has told me that he will go but I will stay here in Dhaka.
      3. He has told me that I would go but you would stay there in Dhaka.
      4. He has told me that he would go but I would stay here in Dhaka.
      ব্যাখ্যা
      • সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - He has told me that he will go but I will stay here in Dhaka.
      - মূলত এখানে ভিন্ন ভিন্ন অর্থে সবগুলো বাক্যই শুদ্ধ।

      - প্রদত্ত বাক্যটি indirect speech এ রয়েছে।
      - Narration এর নিয়মানুযায়ী, Indirect speech এর Reporting verb - Present বা Future Tense এর হলে Reported Speech এর Verb- যে কোনো Tense এর হতে পারে।
      - আবার নিকটবর্তী বা দূরবর্তী (here, therer, now, then etc.) যে কোনো নির্দেশনা সূচক শব্দ বসাতেও সমস্যা নেই।

      - অর্থ অনুযায়ী সবচেয়ে সুন্দর এবং মানানসই বাক্য হবে - (“He has said to me, “I will go but you will stay here in Dhaka” Probable Direct Speech ধরে নিয়ে)
      - খ) He has told me that he will go but I will stay here in Dhaka.
      - অর্থ: সে আমাকে বলেছিল যে, সে চলে যাবে কিন্তু আমি এখানে ঢাকায়ই থাকব।
      ১১৫.
      Identify the correct sentences:
      1. The room was darkened by switching off all the lights.
      2. The room was darkened switching off all the lights.
      3. The room was darkened to switch off all the lights.
      4. Switching off all the lights the room was darkened.
      ব্যাখ্যা
      • উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে যথোপযুক্ত বাক্য হচ্ছে - The room was darkened by switching off all the lights.
      - বাক্যের অর্থ: সকল লাইটের সুইচ অফ করে, রুমটিকে অন্ধকার করা হলো।

      • অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
      খ) The room was darkened switching off all the lights. এবং
      ঘ) Switching off all the lights the room was darkened. 
      - রুমটি সুইচ অফ করতে পারে না, অন্য কেউ করে। কিন্তু এই দুই অপশনের বাক্যের Structure অনুযায়ী the room কে switch - verb এর Subject বলে মনে হয়। 
      - তাই এই দুটি সঠিক নয়।

      গ) The room was darkened to switch off all the lights.
      - এই বাক্যের অর্থ হচ্ছে রুমটাকে অন্ধকার করা হলো সুইচ বন্ধ করার জন্য, অর্থগত দিক থেকে যা মোটেই গ্রহণযোগ্য বাক্য নয়। 

      - তাই একমাত্র সঠিক উত্তর ক) The room was darkened by switching off all the lights.
      ১১৬.
      Identify the correct sentences:
      1. Had you been there on time, you could have had the information.
      2. If you had been there on time, you could have the information.
      3. If you had been there on time, you might get the information.
      4. Had been you there, you could have got the information.
      ব্যাখ্যা
      •  সঠিক উত্তর হবে - Had you been there on time, you could have had the information.

      • Had + subject + verb এর past participle থাকলে এর পরবর্তী cluse এ -
      - would/could/might + have + verb এর past participle form ব্যবহৃত হয়।

      - Structure: Had + subject + verb এর past participle +Subject+ would have + past participle.
      - এই নিয়মানুযায়ী গঠিত বাক্যগুলো 3rd Conditional sentence হিসেবে পরিচিত।
      ১১৭.
      Identify the correct sentences:
      1. There are trees on the both sides of the road.
      2. There are trees on both the sides of the road.
      3. There are trees, on both side of the road.
      4. There are trees on either sides of the road.
      ব্যাখ্যা
      • যদিও modern English এ both এর পরে the এর ব্যবহার হয় না, তবে এর ব্যবহার অশুদ্ধ নয়। 
      যেমন:
      - Both the women were French. (Oxford Dictionary)
      - Both the horses were out, tacked up and ready to ride. (Collins Dictionary)

      - তাই অপশন বিবেচনায় এখানে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর:
      - খ) There are trees on both the sides of the road.
      ............................................
      ................................

      Other options:
      ক) There are trees on the both sides of the road.
      Cambridge Dictionary অনুসারে the both এর ব্যবহার অশুদ্ধ।
      সে অনুসারে এ অপশনটি সঠিক নয়।

      গ) There are trees, on both side of the road.
      এখানে কমা এর ব্যবহার সঠিক নয়, তাছাড়া both এর পর noun plural form (sides) এ হবে।

      ঘ) There are trees on either sides of the road.
      Either এর পরে noun plural form এ না হয়ে singular form (side) এ হবে।
      ১১৮.
      The antonym of 'boisterous' is ______
      1. noisy
      2. quit
      3. unruly
      4. cheerful
      ব্যাখ্যা
      • Boisterous (adjective): 
      English Meaning - Noisy, energetic, and rough. 
      Bangla Meaning - (১) (কোনো ব্যক্তি বা তার আচরণ) অমার্জিত; হৈচৈপূর্ণ; উল্লাসময়।
      (২) (আবহাওয়া) উদ্দাম; ঝড়ো; প্রচণ্ড।

      • Synonyms - Lively (আনন্দোচ্ছল), Noisy (হৈচৈপূর্ণ), Rollicking (হৈচৈপূর্ণ ও আনন্দোচ্ছল), Violent (প্রবল)। 
      • Antonyms - Orderly (সুবিন্যস্ত), Quiet (শান্ত), Silent (নীরব)। 

      • Other forms: 
      - boisterously (adverb); 
      - boisterousness [Uncountable noun].

      • প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনসমূহের মধ্যে 'quit' শব্দটির বানান ভুল আছে। 
      - শব্দটি হওয়া উচিত ছিল 'Quiet', যা Boisterous শব্দটির সরাসরি antonym. 
      - অন্য কোন অপশন Boisterous এর antonym নয়, বরং Boisterous প্রায় কাছাকাছি (cheerful) এবং সরাসরি synonym (noisy and unruly) নির্দেশ করে।
      - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে খ) quit উত্তর রাখা যেতে পারে।

      • অন্যান্য অপশনসমূহ, 
      Noisy - হৈচৈপূর্ণ।
      Unruly - উচ্ছৃঙ্খল।
      Cheerful - আনন্দদায়ক বা আনন্দব্যঞ্জক। 

      Source: 
      1. Cambridge Dictionary. 
      2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
      ১১৯.
      'Plagiarism means ____
      1. the act of using someones else's idea as one's own.
      2. the act of planning everything beforehand.
      3. the act of playing a musical instrument.
      4. the art of dealing with forgery.
      ব্যাখ্যা
      • Plagiarism (noun)
      English Meaning: The process or practice of using another person's ideas or work and pretending that it is your own.
      Bangla Meaning: অন্যের ভাব, শব্দ ইত্যাদি গ্রহণ করে নিজের বলে ব্যবহার করা; কুম্ভিলকবৃত্তি।

      • Examples:
      - She's been accused of plagiarism.
      - The techniques for detecting plagiarism are becoming increasingly advanced.

      Source: Accessible Dictionary by Bagla Academy and Cambridge Dictionary.
      ১২০.
      The line 'Frailty, thou name is woman' occurs in Shakespeare's play -
      1. Hamlet
      2. Macbeth
      3. Othello
      4. King Lear
      ব্যাখ্যা
      • উক্তিটি মূলত হচ্ছে - 'Frailty, thy name is woman'
      - এটি William Shakespeare এর বিখ্যাত tragedy 'Hamlet' থেকে নেওয়া।
      - এই উক্তিটি Hamlet তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।
      - উক্তিটি এই tragedy এর প্রথম soliloquy হতে উদ্ধৃত।
      - এই উক্তির দ্বারা মুলত Hamlet তাঁর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সমগ্র নারী জাতিকে frail and weak in character বলে অভিহিত করেছেন।

      • Hamlet:
      - Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
      -  5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
      - Hamlet' in Shakespeare's Hamlet is a prince of Denmark.
      - হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
      - এরপর দেখা যায়  প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনি সামনে এগিয়ে যায়।
      - এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
      - শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

      • Famous quotations of Hamlet:
      - Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
      - To be or not to be that is the question.
      - Frailty, thy name is woman.
      - Brevity is the soul of wit.
      - Listen to many, speak to a few.
      - Though this be madness, yet there is method in't.
      - Conscience doth make cowards of us all.
      - 'There is divinity that shapes our end'.
       
      • The important characters of Hamlet:
      - Ophelia (Hermione),
      - Hamlet,
      - Claudius,
      - Gertrude,
      - Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet)
      - Polonius (Ophelia's Father)
      - Laertes (Ophelia's Uncle) etc.

      Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
      ১২১.
      Which is not a poetry form?
      1. Sonnet
      2. Ballad
      3. Tale
      4. Epic
      ব্যাখ্যা
      • উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Tale is not a poetry form.
      - Tale is considered as a form of story.
      - The riddle, lyric, and proverb are the materials that are at the dynamic centre of the tale.
      - A story about imaginary events : an exciting or dramatic story.

      • অন্যদিকে,
      - Sonnet, Ballad এবং Epic হচ্ছে কবিতার বিভিন্ন অংশ।
      • Sonnet হচ্ছে ১৪ লাইনের imabic pentametre এর রচিত একধরনের গীতকবিতা।
      • Ballad হচ্ছে একটি narrative বা আখ্যানমূলক কবিতা, যেখানে dialouge and action এর মাধ্যমে কাহিনির বর্ননা করা হয়।
      • Epic is a long narrative poem that describes the action or deeds of a hero.

      Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
      ১২২.
      Which event influenced the literature of the Romantic period?
      1. French Revolution
      2. Industrial Revolution
      3. Russian Revolution
      4. Hundred Years' War
      ব্যাখ্যা
      • French Revolution বা ফরাসী বিপ্লবের পর পরিবর্তিত পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে নতুন ধাঁচে সাহিত্য রচনা হয় Romantic period এ।

      Romantic Period: (1798-1832)
      -  এই যুগের ব্যপ্তিকাল অনুযায়ী একে the shortest period of English Literature হিসেবে গণ্য করা হয়।
      -  ১৭৯৮ সালে William Wordsworth রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয়। 
      - এই যুগকে বলা হয় The Golden age of Lyrics এবং  The Age of Revolution.
      - “Art for Art’s sake” এই যুগের সাহিত্যগুলোর সাধারণ বৈশিষ্ট্য বা শ্লোগান ছিলো। 
      - ফরাসী বিপ্লবের দ্বারা এই যুগের সাহিত্য প্রভাবিত হওয়ার কারণ হিসেবে বলা যায়, রাজতন্ত্র কিংবা পুরোহিত গোষ্ঠীর আধিপত্যের বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে নতুন ধারার সাহিত্য রচনা শুরু হয় এই যুগে।

      • উল্লেখ্য যে,
      - The father of English Romaticism and Romantic age -  William Wordsworth তার সাহিত্য জীবনের শুরুতে The French Revolution দ্বারা অনুপ্রাণিত হোন এবং তার কবিতায় এর প্রভাব দেখা যায়।
      - French Revolution এর মূল ছিল Liberty, equality and Fraternity.
      - Wordsworth, one of them, who greeted the revolution with enthusiasm.
      - London 1802 কবিতাটি এবং The Borderers নামক ট্র্যাজিডিটিতে french revolutions এর গভীর প্রভাব দেখতে পান পাঠকরা।

      Most Important Writers of the Romantic Period:

      - William Wordsworth,
      - Samuel Taylor Coleridge,
      - Robert Southey,
      - Sir Walter Scott,
      - Lord Byron,
      - Jane Austen,
      - William Blake,
      - Charles Lamb,
      - Mary Ann Lamb,
      - Maria Edgeworth,
      - Percy Bysshe Shelley,
      - John Keats,
      - William Hazlitt,
      - Mary Wollstonecraft Shelley,
      - Robert Southy, etc.

      Source: Britannica.com
      ১২৩.
      Which novel is written by an Indian novelist?
      1. The Ministry of Utmost Happiness
      2. The Return of the Native
      3. Things Fall Apart
      4. Heart of Darkness
      ব্যাখ্যা
      • অপশনে প্রদত্ত চারটি উপন্যাসের মধ্যে কেবলমাত্র The Ministry of Utmost Happiness উপন্যাসটি আলোচিত ভারতীয় লেখিকা Arundhati Roy কর্তৃক রচিত। 

      • The Ministry of Utmost Happiness:
      - এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালে। 
      - এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Anjum যে একজন transgender woman এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের নাম হচ্ছে Tilo.
      - সমসামিয়ক ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন অন্ধকারতম দিক, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রগতি, এগুলো এই উপন্যাসটির অন্যতম উপজীব্য বিষয়।

      • Arundhati Roy:
      - Born: November 24, 1961, Shillong, Meghalaya, India.
      - Indian author, actress, and political activist.
      - She is best known for the award-winning novel The God of Small Things (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.
      - ১৯৯৮ সালে তিনি Man Booker Prize লাভ করেন ফিকশন রচনার জন্য। 
       
      • অপশনে উল্লেখিত অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে -
      - The Return of the Native a novel by Thomas Hardy (English novelist)
      - Things Fall Apart is a novel by  Chinua Achebe (Nigerian novelist)
      - Heart of Darkness a novel written by Joseph Conrad (British writer)
       
      Source: Encyclopaedia Britannica and Live MCQ Lecture.
      ১২৪.
      বাংলা ভাষায় কোন স্বরধ্বনি উচ্চারণকালে জিহ্বা উচ্চ অবস্থানে থাকে?
      ব্যাখ্যা
      • বাংলা ভাষায় 'উ' স্বরধ্বনিটি উচ্চারণকালে জিহ্বা উচ্চ অবস্থানে থাকে।

      -----------------------
      • স্বরধ্বনির উচ্চারণ বিধি:
      - উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

      উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
      যথা -
      ১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
      ২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
      ৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
      ৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

      আবার, জিভের সম্মুখ - পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত।
      যথা -
      ১. সম্মুখ স্বরধ্বনি - ই, এ, অ্যা।
      ২. মধ্য স্বরধ্বনি: আ।
      ৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: অ, ও, উ।

      বিশেষ তথ্য:
      - ই এবং ঈ-ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বা এগিয়ে আসে এবং উচ্চে অগ্রতালুর কঠিনাংশের কাছাকাছি পৌছে।
      - ই, ঈ এ (অ) ধ্বনির উচ্চারণে জিহবা এগিয়ে সম্মুখভাগে দাঁতের দিকে আসে বলে এগুলোকে বলা হয় সম্মুখ ধ্বনি।

      - উ এবং ঊ-ধ্বনি উচ্চারণে জিহ্বা পিছিয়ে আসে এবং পশ্চাৎ তালুর কোমল অংশের কাছাকাছি ওঠে।
      - উ, ঊ ও অ-ধ্বনির উচ্চারণে জিহবা পিছিয়ে আসে বলে এগুলোকে পশ্চাৎ স্বরধ্বনি বলা হয়।

      উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
      ১২৫.
      বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দ -
      1. তৎসম
      2. তদ্ভব
      3. দেশি
      4. বিদেশি
      ব্যাখ্যা
      • বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দকে - দেশি শব্দ বলা হয়।

      • দেশি শব্দ:
      - বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের সংস্কৃতির কিছু কিছু শব্দ আর্যদের প্রভাবে পরিবর্তিত না হয়ে অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় রক্ষিত আছে, এসব শব্দকে বলা হয় দেশি শব্দ।
      - প্রাচীনকালে এদেশের অধিবাসী ছিলেন অনার্য, দ্রাবিড়, কোল প্রভৃতি জাতি।
      - তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় রক্ষিত হয়েছে। এগুলোকে দেশী শব্দ বলা হয়।
      - অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ণয় করা যায় না।
      - দেশি শব্দের উদাহরণ- পেট, ডাব, গজ, টোপ, ডিঙ্গা, চাউল ইত্যাদি।

      অন্যদিকে, 
      -----------------
      • তৎসম শব্দ:
      - প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলােকে তৎসম শব্দ বলে।
      যথা:
      পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ।
      - সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
      যথা:
      অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

      • তদ্ভব শব্দ:
      - প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলােকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
      - উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘােড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

      • বিদেশি শব্দ:
      - ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে এই শব্দগুলােকে বিদেশি শব্দ বলে।
      - এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি।

      উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
      ১২৬.
      'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থের রচয়িতা -
      1. মুহম্মদ আবদুল হাই
      2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
      3. মুনীর চৌধুরী
      4. মুহম্মদ এনামুল হক
      ব্যাখ্যা
      • ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব:
      -  মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ 'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব'।
      - বাংলা ভাষার ধ্বনির গঠন, উচ্চারণ ও ব্যবহারবিধি সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ও বিশে­ষণ রয়েছে এই গ্রন্থে।
      - ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব গ্রন্থটি মুহম্মদ আবদুল হাইকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি দান করে। ভাষাতত্ত্বের মৌলিক বিষয় নিয়ে এরূপ উচ্চমানসম্পন্ন গবেষণাগ্রন্থ দুই বাংলার মধ্যে তিনি প্রথম রচনা করেন। ধ্বনিবিজ্ঞানী হিসেবে গ্রন্থটি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়।

      --------------------
      • মুহম্মদ আবদুল হাই:
      - মুহম্মদ আবদুল হাই একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
      - তিনি ২৬ নভেম্বর ১৯১৯ সালে মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
      - তাঁর রচিত গ্রন্থ ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব (১৯৬৪)।

      • মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত গ্রন্থ:
      - সাহিত্য ও সংস্কৃতি,
      - তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা,
      - ভাষা ও সাহিত্য,
      - ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব,
      - বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত প্রভৃতি।

      উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
      ১২৭.
      বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বর কয়টি?
      1. ১টি
      2. ২টি
      3. ৩টি
      4. ৪টি
      ব্যাখ্যা
      • বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ- ২টি।

      • যৌগিক স্বর:
      - পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয়।
      - এরূপে একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়।
      যেমন:
      - অ + ই = অই (বই),
      - অ + উ = অউ (বউ),
      - অ + এ = অয়, (বয়, ময়না),
      - অ + ও = অও (হও, লও)।

      - বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশ।

      - বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটো বর্ণ রয়েছে: ঐ এবং ঔ।
      উদাহরণ: কৈ, বৌ।
      অন্য যৌগিক স্বরের চিহ্ন স্বরূপ কোনো বর্ণ নেই।

      উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
      ১২৮.
      যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
      1. কলম
      2. মলম
      3. বাঁশি
      4. শাখামৃগ
      ব্যাখ্যা
      • অর্থগতভাবে শব্দসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:
      ১. যৌগিক শব্দ,
      ২. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ,
      ৩. যোগরূঢ় শব্দ।

      • যোগরূঢ় শব্দ:
      সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ।
      যেমন:
      - পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই 'পঙ্কজ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।

      • তেমনিভাবে, শাখার ন্যায় মৃগ = শাখামৃগ সমাসবদ্ধ শব্দটি ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বিচরণ করে এবং লম্বা লেজ ও লোমাবৃত দেহবিশিষ্ট মাঝারি আকৃতির স্তন্যপায়ী বৃক্ষচর প্রাণীকে বোঝায়। তবে ব্যবহারীক অর্থে শাখামৃগ শব্দটি শুধু ‘বানর’কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ‘শাখামৃগ’ একটি যোগরূঢ় শব্দ।

      এরূপ আরো কিছু শব্দ হলো: মন্দির, জলদ, রাজপুত, জলধি, মহাযাত্রা ইত্যাদি।

      অন্যদিকে,
      • ‘মলম’ ও ‘কলম’ আরবি শব্দ এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থ একই। সুতরাং, অর্থগতভাবে ‘মলম’ ও ‘কলম’ যৌগিক শব্দ।

      --------------------
      • যৌগিক শব্দ:
      যৌগিক শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অর্থাৎ একই রকম।
      যেমন:
      - বাংলা ‘মিতালি’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘মিতার ভাব, বন্ধুত্ব’ (মিতা শব্দের পরে ‘ভাব’ অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় ‘আলি’ যোগে ‘মিতালি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ) এবং শব্দটি এই অর্থেই ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
      অর্থাৎ ‘মিতালি’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই। ফলে ‘মিতালি’ বাংলাতে যৌগিক শব্দ।

      এরূপ শব্দ হলো: গায়ক, কর্তব্য, বাবুয়ানা, মধুর, দৌহিত্র, চিকামারা ইত্যাদি।

      • রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
      যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ।
      যেমন: গবেষণা, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ, জেঠামি, বাঁশি ইত্যাদি ।

      উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
      ১২৯.
      উপসর্গযুক্ত শব্দ-
      1. বিদ্যা
      2. বিদ্রোহী
      3. বিষয়
      4. বিপুল
      ব্যাখ্যা
      • 'বি' তৎসম উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- 'বিদ্রোহী'।

      এখানে,
      • 'দ্রোহী' শব্দের অর্থ: অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী।
      - 'দ্রোহী' শব্দের সাথে 'বি' উপসর্গ যুক্ত হয়ে 'বিদ্রোহী শব্দটি গঠিত হয়েছে।

      অন্যান্য অপশনে,
      বিদ্যা, বিষয়, বিপুল - শব্দগুলোর ক্ষেত্রে 'বি' উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।

      --------------------
      • বিভ্রান্তি দূরীকরণ:
      উপসর্গের মূল কথা হলো- উপসর্গ নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। 'বি'- খাঁটি বাংলা এবং তৎসম উভয় ভাষার উপসর্গ।

      • 'বি' উপসর্গটি তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে- 'বিশেষ', অভাব, অপ্রকৃতস্থ, গতি অর্থে ব্যবহৃত হয়।

      আর,
      • খাঁটি বাংলা ক্ষেত্রে নাই /ভিন্নতা/ নিন্দনীয় অর্থে ব্যবহৃত হয়।

      • উপসর্গযুক্ত শব্দ - 'বিদ্রোহী'।
      এখানে,
      - 'দ্রোহী' শব্দের অর্থ: অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী।
      - 'দ্রোহী' শব্দের সাথে 'বি' উপসর্গটি 'বিশেষ অর্থে' যুক্ত হয়ে 'বিদ্রোহী শব্দটি গঠিত হয়েছে।

      অন্যদিকে,
      -----------
      • 'বিপুল' শব্দের ক্ষেত্রে, 'বি' শব্দটি উপসর্গ নয়।
      কারণ,
      'পুল' শব্দের অর্থ: সাঁকো, সেতু। 'পুল'- ফারসি শব্দ।
      'বিপুল' শব্দের অর্থ- বৃহৎ, ব্যাপক। 'বিপুল'- তৎসম শব্দ।
      [এক্ষেত্রে 'বি' কোন ধরনের আলাদা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। অর্থ্যাৎ- 'পুল' এবং 'বিপুল' স্বতন্ত্র শব্দ।]

      উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।
      ১৩০.
      বিভক্তিযুক্ত শব্দ কোনটি?
      1. সরোবরে
      2. চশমা
      3. সরোজ
      4. চম্পক
      ব্যাখ্যা
      • সরোবর (বিশেষ্য পদ),
      অর্থ: বড় পুষ্করিণী; দিঘি; হ্রদ; পদ্ম, শাপলা প্রভৃতি ফুলযুক্ত পুষ্করিণী (ফুটিয়াছে সরোবরে কমলনিকর)।

      • ‘সরোবর’ শব্দে ‘এ’ সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত হয়ে গঠিত শব্দ ‘সরোবরে’।

      -----------------
      • বিভক্তি:
      যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি।

      • বাংলা শব্দে বিভক্তি ৭ প্রকার। যথা:
      - প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি: শূণ্য, অ।
      - দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে, রে।
      - তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক।
      - চতুর্থী বিভক্তি: কে, রে।
      - পঞ্চমী বিভক্তি: হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে।
      - ষষ্ঠী বিভক্তি: র, এর।
      - সপ্তমী বিভক্তি: এ, য়, তে।

      উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং অভিগম্য অভিধান।
      ১৩১.
      কোনটি প্রত্যয়-সাধিত শব্দ?
      1. ভাইবোন
      2. রাজপথ
      3. বকলম
      4. ঐকিক
      ব্যাখ্যা
      • ‘ঐকিক’ শব্দটি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগ গঠিত শব্দ।

      • ঐকিক (বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়),
      - এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
      - সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়: এক + ইক = ঐকিক।
      অর্থ:
      - পাটিগণিতের প্রণালিবিশেষ, এক সংক্রান্ত।

      অন্যদিকে,
      • রাজপথ সমাস সাধিত শব্দ। রাজার পথ = রাজপথ।
      • ‘ভাইবোন’ দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত শব্দ। ভাই ও বোন = ভাইবোন।
      • ‘বকলম’ শব্দটি ‘ব’ ফারসি উপসর্গযোগে গঠিত।

      উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
      ১৩২.
      'শিরশ্ছেদ' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ -
      1. শির + ছেদ
      2. শিরঃ + ছেদ
      3. শিরশ্ + ছেদ
      4. শির + উচ্ছেদ
      ব্যাখ্যা
      • 'শিরশ্ছেদ' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ - 'শিরঃ + ছেদ'।

      • বিসর্গ সন্ধির নিয়ম:
      বিসর্গের পর অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিশ ধ্বনি হয়, অঘােষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘােষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে দন্ত্য শিশ ধ্বনি হয়।
      যেমন:
      • সূত্র- ( ঃ + চ / ছ = শ + চ / ছ):
      - নিঃ + চয় = নিশ্চয়।
      - শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ।

      • সূত্র- (ঃ + ট / ঠ = ষ + ট/ ঠ):
      - ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টঙ্কার।
      - নিঃ + ঠুর = নিষ্ঠুর।

      • সূত্র- (ঃ + ত / থ = স + ত / থ):
      - দুঃ +তর = দুস্তর।
      - দুঃ +থ = দুস্থ।

      উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।
      ১৩৩.
      'নীলকর' কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?
      1. দ্বন্দ্ব
      2. বহুব্রীহি
      3. নিত্য
      4. উপপদ তৎপুরুষ
      ব্যাখ্যা
      • তৎপুরুষ সমাস:
      সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।
      যেমন:
      - ছায়া দ্বারা শীতল - ছায়াশীতল;
      - ছাত্রদের জন্য আবাস - ছাত্রাবাস;
      - মধু দিয়ে মাখা - মধুমাখা ইত্যাদি।

      • উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
      কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। এ সমাসে পূর্বপদ সাধারণত বিশেষ্য হয়ে থাকে।
      যেমন:
      - নীল চাষ/ উৎপাদন করে যে - নীলকর;
      - জাদু করে যে - জাদুকর;
      - ধামা ধরে যে - ধামাধরা;
      - শিরো ধার্য যা - শিরোধার্য;
      - পকেট মারে যে - পকেটমার;
      - দ্রুত গমন করে যে - দ্রুতগামী ইত্যাদি।

      উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
      ১৩৪.
      'pedagogy' শব্দের পরিভাষা -
      1. সহশিক্ষা
      2. নারীশিক্ষা
      3. শিক্ষাতত্ত্ব
      4. শিক্ষানীতি
      ব্যাখ্যা
      • বাংলা একাডেমির অভিগম্য অভিধান অনুসারে,
      'Pedagogy' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ- 'শিক্ষণবিজ্ঞান'।

      • Cambridge Dictionary অনুসারে,
      'pedagogy' means - the study of the methods and activities of teaching.

      • অপশন বিবেচনায়, 'pedagogy' শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসাবে সঠিক উত্তর হবে - শিক্ষাতত্ত্ব।

      অন্যান্য অপশনের পারিভাষিক শব্দ:
      • ‘Coeducation’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - ছেলেমেয়েদের একত্র শিক্ষা; সহশিক্ষা।
      • ‘Education policy’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - শিক্ষানীতি।

      ------------------
      • আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
      • ‘Apprentice’ - শিক্ষানবিশ।
      • 'Mass Education’ - গণশিক্ষা।
      • ‘Phonetics’ - ধ্বনিবিজ্ঞান।
      • ‘Plebiscite’ - গণভোট।
      • ‘Pledge’ - বন্দক।
      • ‘Orion’ - কালপুরুষ।
      • ‘Hostage’ - জিম্মি।
      • ‘Honorary’ - অবৈতনিক।
      • ‘Distorted’ - বিকৃত।

      উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি; Cambridge Dictionary এবং অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।
      ১৩৫.
      'বঙ্কিম' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
      1. বন্ধুর
      2. অসম
      3. সুষম
      4. ঋজু
      ব্যাখ্যা
      • 'বঙ্কিম' শব্দের অর্থ:
      - বাঁকা, আঁকাবাঁকা, কুটিল।

      • ‘ঋজু’ শব্দের অর্থ:
      - অবক্র, অকপট, সরল।

      • সুতরাং,
      'বঙ্কিম' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ: ‘ঋজু’।

      আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ হলো:
      • আবশ্যিক - ঐচ্ছিক,
      • আর্দ্র - শুষ্ক,
      • আবশ্যক - অনাবশ্যক,
      • অমৃত - গরল,
      • গুপ্ত - ব্যাপ্ত,
      • গৃহী - সন্ন্যাসী।

      উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
      ১৩৬.
      বাংলা একাডেমির 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' কত সালে প্রণীত হয়?
      1. ১৯৯০
      2. ১৯৯২
      3. ১৯৯৪
      4. ১৯৯৬
      ব্যাখ্যা
      • বাংলা একাডেমি 'প্রমিত বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে ১৯৯২ সালে।

      • বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানের নিয়ম:
      - বাংলা একাডেমি ড. আনিসুজ্জামানকে সভাপতি করে বানানের নিয়মগুলো সূত্রবদ্ধ করার জন্য কমিটি গঠন করে।
      - এ কমিটি বিশ্বভারতী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রবর্তিত পাঠ্য বইয়ের বানানরীতিকে সমন্বিত করে
      - একটি অভিন্ন বানানের নিয়ম নির্ধারণ করেন, যা বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' বলে পরিচিত।
      - যার প্রথম প্রকাশ ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর এবং পরিমার্জিত সংস্করণ ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি।
      - উক্ত নিয়ম অনুসরণ করে একই কমিটির অন্যতম সদস্য জামিল চৌধুরী প্রণয়ন করেন 'বাংলা বানান-অভিধান'।
      - ১৯৯৪ সালের জুনে বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে।
      - বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকার জন্য বাংলাদেশের সমসাময়িক সাহিত্য এবং পত্র-পত্রিকায় ওই বানানকে 'প্রমিত' হিসেবে গণ্য করা হয়।

      -----------------------
      উল্লেখ্য,
      জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ১৯৮৮ সালে বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে।

      • বাংলা একাডেমি অভিধান সংকলন:
      - বাংলা একাডেমি সূচনালগ্ন (১৯৫৫) থেকেই অভিধান রচনায় মনোনিবেশ করে এবং এই কাজে ব্রতী হয়েছিলেন স্বয়ং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।
      - তাঁর সম্পাদনায় ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় পূর্ব পাকিস্তানী আঞ্চলিক ভাষার অভিধান (পরবর্তীকালে বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান, ১৯৬৫)।
      - দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান (১৯৭৪) প্রণয়নের সূত্রপাত করেন আরেকজন বিখ্যাত পণ্ডিত ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
      - এই অভিধানটি প্রকাশিত হয় অধ্যাপক শিবপ্রসন্ন লাহিড়ীর সম্পাদনায় (১৯৮৪)।

      • বাংলা একাডেমি প্রণীত কয়েকটি অভিধান গ্রন্থ:
      - Bangla Academy English-Bangla Dictionary (1993),
      - Bangla Academy Bengali-English Dictionary (1994),
      - বাংলা একাডেমি বাংলা বানান অভিধান (১৯৯৪),
      - বাংলা একাডেমী বাংলা উচ্চারণ অভিধান (১৯৯০),
      - যথাশব্দ (১৯৭৪),
      - বাংলা একাডেমী ছোটদের অভিধান (১৯৮৩) প্রভৃতি।

      উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অভিধান।
      ১৩৭.
      কোন বানানটি শুদ্ধ?
      1. মুলো
      2. মুলা
      3. ধুলি
      4. ধূলো
      ব্যাখ্যা
      বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা ও বানান অভিধান অনুসারে,
      • মুলা ও মুলো দুটি শব্দের বানানই শুদ্ধ।

      - যেহেতু বানান দুটোই শুদ্ধ, তাই প্রমিত রীতি বিবেচনায় নিয়ে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর বিবেচনায় নিতে হবে।

      • বাংলা প্রমিত রীতি অনুসারে সঠিক শব্দ - মুলা। মুলো শব্দটি বর্জনীয়।

      প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির অনেকগুলো শব্দ বর্জনীয়।
      যেমন- ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো ইত্যাদি না লিখে ⎯ ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা ইত্যাদি লিখতে হয়।

      অর্থাৎ,
      - ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা - শব্দগুলো গ্রহণযোগ্য।
      - ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো - শব্দগুলো কথ্য রীতির হওয়ায় ব্যবহার বর্জনীয়।

      অপশনের অন্যান্য শব্দ:
      - ধুলি শব্দের সঠিক বানান - ধূলি।
      - ধূলো বানানটি ভুল; সঠিক রূপ - ধুলো (তবে এই শব্দও প্রমিত রীতিতে বর্জনীয়)।

      ----------------------
      প্রমিত রীতি:
      বিশ শতকের সূচনায় কলকাতার শিক্ষিত লোকের কথ্য ভাষাকে লেখ্য রীতির আদর্শ হিসেবে চালু করার চেষ্টা হয়। এটি তখন চলিত রীতি নামে পরিচিতি পায়। এই রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম, অনুসর্গ প্রভৃতি শ্রেণির শব্দ হ্রস্ব হয় এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার অপেক্ষাকৃত কমে।
      একুশ শতকের সূচনা নাগাদ এই চলিত রীতিরই নতুন নাম হয় 'প্রমিত রীতি'। এটি 'মান রীতি' নামেও পরিচিত।

      প্রমিত রীতির সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
      ক) প্রমিত রীতিতে ক্রিয়া, সর্বনাম ও অনুসর্গ হ্রস্বতর।
      ক্রিয়ার ক্ষেত্রে যেমন- 'করা' ক্রিয়ার রূপ: করছে, করেছে, করল, করলে, করলাম, করত, করছিল, করেছিল, করব, করবে, করতে, করে, করলে, করার। সর্বনামের ক্ষেত্রে যেমন তারা, এদের, যা, তা, ও, কেউ ইত্যাদি। - অনুসর্গের ক্ষেত্রে যেমন থেকে, হতে, সঙ্গে ইত্যাদি।

      খ) প্রমিত রীতিতে শব্দ ব্যবহার আলোচ্য বিষয়ের উপরে নির্ভরশীল।
      প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের শব্দ ব্যবহার করা যায়। যেমন তৎসম 'বৎসর'-ও লেখা যায় আবার তদ্ভব 'বছর'-ও লেখা যায়।
      একইভাবে 'চন্দ্র'-ও লেখা যায়, 'চাঁদ'-ও লেখা যায়।

      গ) প্রমিত রীতিতে কথ্য রীতির বহু শব্দ বর্জনীয়।
      যেমন 'ধুলো, তুলো, মুলো, পুজো, সবচে' ইত্যাদি না লিখে 'ধুলা, তুলা, মুলা, পূজা, সবচেয়ে' ইত্যাদি লিখতে হয়।

      উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
      ১৩৮.
      'নদী'-র সমার্থক শব্দ কোনটি?
      1. সিন্ধু
      2. হিল্লোল
      3. তটিনী
      4. নির্ঝর
      ব্যাখ্যা
      • 'নদী'-র সমার্থক শব্দ: তটিনী।

      অন্যদিকে,
      'সিন্ধু'এর সমার্থক শব্দ: সাগর।
      'হিল্লোল'এর সমার্থক শব্দ: ঢেউ, তরঙ্গ।
      'নির্ঝর' এর সমার্থক শব্দ: ঝরনা।

      --------------------
      • 'নদী' শব্দের আরো কিছু সমার্থক শব্দ:
      - নদ
      - নদনদী
      - গাঙ,
      - স্রোতস্বিনী,
      - তটিনী,
      - স্রোতস্বতী,
      - শৈবলিনী,
      - সরিৎ
      - প্রবাহিণী,
      - নির্ঝরণী,
      - তরঙ্গিণী
      - মন্দাকিনী
      - কল্লোলিনী ইত্যাদি।

      উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মাহমুদ, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
      ১৩৯.
      চর্যাপদের কবিরা ছিলেন -
      1. মহাঘানী বৌদ্ধ
      2. বজ্রঘানী বৌদ্ধ
      3. বাউল
      4. সহজঘানী বৌদ্ধ
      ব্যাখ্যা
      • চর্যাপদের পদসংখ্যা ও মোট কবির সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও সকল লেখক ও গবেষকগণ চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়াগণ বা সহযানী বৌদ্ধ ভিক্ষুগণ রচনা করেছেন - এই ব্যাপারে একমত ছিলেন।
      -  তাই চর্যাপদ সহজযানী বৌদ্ধ কবিগণ রচনা করেছেন, এই ব্যাপারে দ্বিমত করার সুযোগ নেই।
      -  প্রশ্নের অপশনে- সহজঘানী বৌদ্ধ মূলত টাইপিং-এর ভুলে লেখা হয়ে থাকতে পারে। এটা মূলত সহজযানী বৌদ্ধ হবে। [উল্লেখ্য, প্রশ্নে আরো বেশ কয়েকটি বানান ভুল রয়েছে।]

      অন্যদিকে, 
      • লাল নীল দীপাবলিতে ড. হুমায়ুন আজাদ সহজে বুঝিয়ে বলার জন্য চর্যাপদের রচয়িতা হিসাবে বাউল বৌদ্ধের কথা বলেছেন। তবে বাউলতত্ত্বের উদ্ভব হয়েছে চর্যাপদ রচনার অনেক পরে। চর্যাপদের কবিদের জীবন ধারণ বর্তমান বাউল সম্প্রদায়ের সাথে কিছুটা মিল থাকায় এই যুক্তি উপস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে।

      ------------------
      • চর্যাপদ:
      - বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন ⎯ চর্যাপদ। এটি মূলত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
      - ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
      - চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে। চর্যাপদের বিষয়বস্তু ছিল বৌদ্ধ ধর্মমতে সাধনভজনের তত্ত্ব প্রকাশ।

      সহজিয়া বলতে বোঝায়-
      -  সহজিয়া একটি বিশেষ ধর্মসম্প্রদায়, যারা সহজপথে সাধনা করে। ‘সহজ’ শব্দের অর্থ যা সঙ্গে সঙ্গেই জন্মায়। জীব বা জড়ের বাহ্য রূপের সঙ্গে সঙ্গে তার ভেতরেও একটি শাশ্বত স্বরূপ জন্মলাভ করে। এই শাশ্বত স্বরূপই ‘সহজ’। এর উপলব্ধির মধ্য দিয়েই যাবতীয় প্রাণী ও বস্ত্তর উপলব্ধি হয়। আর এই উপলব্ধির প্রণালীই হলো সহজপথ।

      - সহজিয়ারা দুই ভাগে বিভক্ত বৌদ্ধ সহজিয়া ও বৈষ্ণব সহজিয়া। বৌদ্ধ সহজিয়াদের উদ্ভব বজ্রযানী বৌদ্ধদের থেকে এবং তাদেরই অনুকরণে বৈষ্ণবদের একটি অংশ বৈষ্ণব সহজিয়া নামে পরিচিত হয়।

      - বৌদ্ধ সহজিয়া মতবাদ সহজযান নামে পরিচিত। বজ্রযানী বৌদ্ধদের মধ্যে মন্ত্র-তন্ত্র, পূজার্চনা, ব্রত-নিয়ম, শাস্ত্রপাঠ ইত্যাদির প্রাবল্য দেখা দিলে তাদেরই একটি অংশ উপলব্ধি করে যে, এসব শাস্ত্রাচার পালন নিরর্থক; প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই বোধি বা বুদ্ধ আছেন এবং কেবল সহজ-সাধনায় তাঁকে উপলব্ধি করতে পারলেই মোক্ষলাভ করা যায়। এভাবেই পাল রাজাদের আমলে বাংলায় বৌদ্ধ সহজিয়া মতের উদ্ভব হয়।

      - বৃহত্তর অর্থে বৌদ্ধধর্মের যে মহাযান ধর্মমত, তাই পরে বজ্রযান, কালচক্রযান, মন্ত্রযান, সহজযান ইত্যাদি উপবিভাগে বিভক্ত হয়।
      - চর্যাপদের রচয়িতাগণ বৌদ্ধধর্মের সহজযান মতের অনুসারী ছিলেন।

      • সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে ‘বৌদ্ধ সহজিয়াগণ’ বা সহজযান বৌদ্ধরা ছিলেন চর্যাপদের কবি। সুতরাং অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে অপশন ‘ঘ’ ‘সহজঘানী বৌদ্ধ’ গ্রহণ করা হলো।

      উৎস: বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা (১ম খন্ড), গোপাল হালদার ও বাংলাপিডিয়া।
      ১৪০.
      বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কাঁকিল্যা গ্রাম কেন উল্লেখযোগ্য?
      1. শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মস্থান
      2. বড়ু চণ্ডীদাসের জন্মস্থান
      3. চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান
      4. শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন কাব্যের প্রাপ্তিস্থান
      ব্যাখ্যা
      • পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের শ্ৰী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার হওয়ায় বাংলা সাহিত্যে এই গ্রাম উল্লেখযোগ্য।

      -----------------
      • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
      - বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত।
      - ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের শ্ৰী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
      - ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
      - পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি।

      - কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।
      - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।
      - শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মূল কাহিনি ভাগবত থেকে নেওয়া হলেও এতে বিভিন্ন পুরাণ এবং জয়দেবের গীতগোবিন্দের প্রভাব রয়েছে।
      - কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি- কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই।

      • মোট ১৩ খণ্ডে ৪১৮টি পদে এটি বিন্যস্ত। খণ্ডগুলো হলো:
      - জন্ম খণ্ড,
      - তাম্বূল খণ্ড,
      - দান খণ্ড,
      - নৌকা খণ্ড,
      - ভার খণ্ড,
      - ছত্র খণ্ড,
      - বৃন্দাবন খণ্ড,
      - কালিয়দমন খণ্ড,
      - যমুনা খণ্ড,
      - হার খণ্ড,
      - বাণ খণ্ড,
      - বংশী খণ্ড ও
      - বিরহ খণ্ড (রাধাবিরহ)।

      উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
      ১৪১.
      'যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী।
      সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।।' - কবিতাংশটি
      কোন কাব্যের অন্তর্গত?
      1. নূরনামা
      2. নসিহতনামা
      3. মধুমালতী
      4. ইউসুফ-জুলেখা
      ব্যাখ্যা
      • যে সব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'
      - কবিতাংশটির আবদুল হাকিম রচিত 'নূরনামা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'বঙ্গবানী' কবিতার অংশ বিশেষ।

      -------------------
      • আব্দুল হাকিম:
      - তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর মুসলিম কবি ছিলেন।
      - নোয়াখালী জেলার বাবুপুর (মতান্তরে সন্দ্বীপের সুধারাম) ছিল কবির আবাসভূমি।
      - তাঁর পিতা শাহ্ রাজ্জাক ছিলেন একজন পন্ডিত ব্যক্তি এবং তাঁর পীর ছিলেন সাহাবুদ্দীন।
      - আবদুল হাকিম আরবি, ফারসি ও সংস্কৃত ভাষায় বিশেষ ব্যুৎপন্ন ছিলেন।
      - হাদীস, আল-কুরআন, ফেকাহ প্রভৃতি শাস্ত্র এবং রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণ সম্পর্কেও তাঁর গভীর পান্ডিত্য ছিল।
      - আব্দুল হাকিমের ৫টি কাব্য পাওয়া যায়।

      তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
      - ইউসুফ জোলেখা,
      - নূরনামা,
      - দুররে মজলিশ,
      - লালমোতি সয়ফুলমুলুক,
      - হানি-ফার লড়াই।

      উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
      ১৪২.
      কোন বাংলা গানকে ইউনেস্কো Heritage of Humanity অভিধায় ভূষিত করেছে?
      1. রবীন্দ্র সংগীত
      2. নজরুল সংগীত
      3. ভাটিয়ালি গান
      4. বাউল গান
      ব্যাখ্যা
      • বাউল সংগীত:
      - ‘বাউল গান’ বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক গান। বাউল একটি ধর্মীয় লোক-সম্প্রদায়।
      - বাউলরা ধর্মীয় তত্ত্ব ও দর্শন, জীবনবোধ ও আদর্শের কথা গানের ভাষায় প্রকাশ করেন। মৌখিক ধারার এ গানই বাউল সংগীত হিসেবে পরিচিত।
      - বাউল গানের স্রষ্টা লালন শাহ্। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া বাউল গানের কেন্দ্র-ভূমি, কালক্রমে তা পার্শ্ববর্তী যশোর, ফরিদপুর, পাবনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। অনুরূপভাবে এ গান পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় প্রসার লাভ করেছে।

      - বাউল গানকে এদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি বড় উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
      - ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন, মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষণা দেয়।
      - পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে ‘Intangible Cultural Heritage of Humanity’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

      উৎস: বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
      ১৪৩.
      'রত্নপরীক্ষা' গ্রন্থের রচয়িতা -
      1. রামমোহন রায়
      2. অক্ষয়কুমার দত্ত
      3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
      4. রাধানাথ শিকদার
      ব্যাখ্যা
      • 'রত্নপরীক্ষা':
      - 'রত্নপরীক্ষা' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেনামি রচিত রচনাগুলোর মধ্যে একটি। এটি বেনামি লেখা ঈশ্বরচন্দ্রের পঞ্চম রচনা।
      - তিনি 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো-সহচরস্য' ছদ্মনামে গ্রন্তটি রচনা করে।
      - এতে ভাষা নির্মাণে বিদ্যাসাগর সাধুরীতিকে কথ্যরীতিতে নিয়ে এসেছেন।

      • বিদ্যাসাগর 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে নিম্নোক্ত পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন:
      - অতি অল্প হইল,
      - আবার অতি অল্প হইল,
      - ব্রজবিলাস,
      - বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
      - রত্নপরীক্ষা।

      --------------------
      • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
      - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একজন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
      - তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
      - ১৮৩৯ সালে কলকাতার ‘সংস্কৃত কলেজ’ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়। তিনি এই কলেজেরই ছাত্র ছিলেন। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
      - তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
      - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।
      - প্রভাবতী সম্ভাষণ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা।

      বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
      - শকুন্তলা,
      - সীতার বনবাসের,
      - ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

      • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
      - আখ্যান মঞ্জরী,
      - বোধোদয়,
      - বর্ণপরিচয়,
      - কথামালা ইত্যাদি।

      উৎস: লাল নীল দীপাবলি, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
      ১৪৪.
      ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থের চরিত্র?
      1. কমলাকান্ত
      2. লোকরহস্য
      3. মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত
      4. যুগলাঙ্গুরীয়
      ব্যাখ্যা
      • ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের "কমলাকান্তের দপ্তর" গ্রন্থের একটি চরিত্র।

      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রবন্ধ সংকলন "কমলাকান্ত"। এটি নকশা জাতীয় রম্য রচনা।
      এর তিনটি অংশ -
      ১. কমলাকান্তের দপ্তর,
      ২. কমলাকান্ত পত্র ও
      ৩. কমলাকান্তের জবানবন্দি।

      • "কমলাকান্তের দপ্তর":
      - "কমলাকান্তের দপ্তর" বঙ্কিমচন্দ্রের একটি রম্যরচনার সংগ্রহ, যেখানে তিনি সমাজের নানা দিক ও ব্যক্তিদের নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেছেন। এই গ্রন্থে কমলাকান্ত নামের একজন চরিত্র মাধ্যমে সমাজের নানা অসংগতি ও বিচিত্র স্বভাবের মানুষদের নিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।

      -  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' ইংরেজ সাহিত্যিক ও সমালোচক ডি-কুইনসির Confession of an English Opium Eater-এর প্রেরণায় রচিত।
      - 'কমলাকান্তের দপ্তর' (১৮৭৫) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিভিন্ন মেজাজের লঘু ঢঙে লেখা ব্যক্তিগত প্রবন্ধ।
      - কমলাকান্ত নামক এক চরিত্রের জবানিতে প্রবন্ধগুলি লিখিত।

      ------------------
      বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধসমূহ:
      - লোকরহস্য,
      - কমলাকান্তের দপ্তর,
      - বিবিধ সমালোচনা,
      - সাম্য,
      - কৃষ্ণচরিত্র,
      - ধর্মতত্ত্ব অনুশীলন ইত্যাদি।

      তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস সমূহ:
      - কপালকুণ্ডলা,
      - মৃণালিনী,
      - বিষবৃক্ষ,
      - ইন্দিরা,
      - যুগলাঙ্গুরীয়,
      - চন্দ্রশেখর,
      - রাধারানী,
      - রজনী,
      - কৃষ্ণকান্তের উইল,
      - রাজসিংহ।

      উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
      ১৪৫.
      দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের ইংরেজি অনুবাদক -
      1. জশুয়া মার্শম্যান
      2. ডেভিড হেয়ার
      3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
      4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      ব্যাখ্যা
      • নীলদর্পণ নাটক:
      • ‘নীলদর্পণ‘ (১৮৬০) তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু। নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন এবং পাদ্রি জেমস লং তা প্রকাশ করে আদালত কর্তৃক অর্থদন্ডে দন্ডিত হন। বঙ্কিমচন্দ্র নীলদর্পণকে আঙ্কল টমস কেবিন-এর সঙ্গে তুলনা করেন। নাটকটি রচনাকাল থেকে আজ পর্যন্ত জাতীয় চেতনার পথিকৃৎ হয়ে আছে।
      • এটিই বিদেশী ভাষায় অনূদিত প্রথম বাংলা নাটক। ১৮৬০ সালে ‘কস্যচিৎ পথিকস্য’ ছদ্মনামে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৭২ সালের ৭ ডিসেম্বর এটি দিয়েই শুরু হয় সাধারণ রঙ্গালয়ের অভিনয়।

      --------------
      • দীনবন্ধু মিত্র:
      - পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে ১৮৩০ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
      - তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।
      - ১৮৭১ সালে লুসাই যুদ্ধের সময় দীনবন্ধু কাছাড়ে সফলভাবে ডাক বিভাগ পরিচালনা করেন, যার জন্য সরকার তাঁকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে।
      - নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।

      দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
      - সধবার একাদশী,
      - বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
      - জামাই বারিক।

      নাটক:
      - লীলাবতী,
      - নবীন তপস্বিনী,
      - কমলে কামিনী।

      উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
      ১৪৬.
      'তৈল' প্রবন্ধটি লিখেছেন -
      1. সুকুমার রায়
      2. রমেশচন্দ্র মজুমদার
      3. শিবনারায়ণ রায়
      4. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
      ব্যাখ্যা
      • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত প্রবন্ধ ‘তৈল’।

      • প্রবন্ধের কিছু অংশ:
      বাঙালীর বল নাই, বিক্রম নাই, বিদ্যাও নাই, বুদ্ধিও নাই। সুতরাং বাঙালীর একমাত্র ভরসা তৈল — বাঙালীর যে কেহ কিছু করিয়াছেন, সকলই তৈলের জোরে, বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই। তাঁহারাই আমাদের দেশের বড় লোক, তাঁহারাই আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করিয়া আছেন।

      ------------------
      • হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
      - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা।
      - তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক।
      - তিনি 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে 'চর্যাপদ' সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

      • হরপ্রসাদ বহু বিদ্যাপ্রতিষ্ঠানের সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য:
      - ১৮৮৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবন ফেলো মনোনয়ন;
      - ১৮৯৮ সালে সরকারের দেওয়া সম্মান ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি (মহারানী ভিক্টোরিয়ার ৬০তম রাজ্যাঙ্কে প্রবর্তিত)।
      - ১৯১১ সালে ‘সি.আই.ই’ উপাধি; ১৯২১ সালে ইংল্যান্ডের রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির অনারারি মেম্বার মনোনয়ন;
      - ১৯২৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।

      তাঁর রচিত উপন্যাস:
      - কাঞ্চনমালা ও
      - বেণের মেয়ে।

      তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ-
      - হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা,
      - প্রাচীন বাংলার গৌরব,
      - মেঘদূত ব্যাখ্যা,
      - ভারত মহিলা,
      - বাঙ্গালা ব্যাকরণ ইত্যাদি।

      উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
      ১৪৭.
      "নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" কাব্যের রচয়িতা -
      1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      2. বিষ্ণু দে
      3. অমিয় চক্রবর্তী
      4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
      ব্যাখ্যা
      • ‘নাম রেখেছি কোমল গান্ধার’:
      - ‘নাম রেখেছি কোমল গান্ধার’ বিষ্ণু দে রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
      - গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে।
      - এই কাব্যগ্রন্থে ‘নাম রেখেছি কোমল গান্ধার মনে মনে’ নামক একটি কবিতা রয়েছে।

      ---------------
      • বিষ্ণু দে:
      - তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
      - ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
      - তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
      - বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
      - তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
      - তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
      - বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

      • তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হল:
      - উর্বশী ও আর্টেমিস,
      - চোরাবালি,
      - সাত ভাই চম্পা,
      - সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
      - নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
      - তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

      • তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
      - রুচি ও প্রগতি,
      - সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
      - রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

      • অনুবাদ সাহিত্য:
      - এলিয়টের কবিতা।

      উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
      ১৪৮.
      'ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' -গানটির রচয়িতা -
      1. কাজী নজরুল ইসলাম
      2. গোলাম মোস্তফা
      3. জসীমউদ্‌দীন
      4. আব্বাস উদ্দীন আহমদ
      ব্যাখ্যা
      • “ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ” মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় ও আনন্দের উৎসব ঈদ-উল-ফিতর নিয়ে বাঙ্গালি কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কালজয়ী গান
      • কবির শিষ্য শিল্পী আব্বাস উদ্দিন আহমদ-এর অনুরোধে ১৯৩১ সালে কবি নজরুল এই গান রচনা ও সুরারোপ করেন।

      গানটির সংক্ষিপ্তরূপ:
      ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ,
      তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে, শোন আসমানী তাগিদ।
      তোর সোনা-দানা, বালাখানা সব রাহে লিল্লাহ
      দে যাকাত, মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিঁদ,
      ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।

      --------------------
      • কাজী নজরুল ইসলাম:
      - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
      - কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
      - নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
      - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
      - কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

      তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মসমূহ:
      • কাব্যগ্রন্থ:
      - অগ্নি-বীণা,
      - সঞ্চিতা,
      - চিত্তনামা,
      - মরুভাস্কর,
      - সর্বহারা,
      - ফণি-মনসা,
      - চক্রবাক,
      - সাম্যবাদী,
      - ছায়ানট,
      - নতুন চাঁদ,
      - পুবের হাওয়া,
      - জিঞ্জির,
      - বিষের বাঁশি,
      - দোলনচাঁপা,
      - সিন্ধু হিন্দোল,
      - ভাঙার গান,
      - সন্ধ্যা ইত্যাদি।

      • উপন্যাস:
      - বাঁধনহারা,
      - মৃত্যুক্ষুধা,
      - কুহেলিকা।

      • গল্পগ্রন্থ:
      - ব্যথার দান,
      - রিক্তের বেদন,
      - শিউলিমালা।

      • প্রবন্ধগ্রন্থ:
      - যুগবাণী,
      - রাজবন্দীর জবানবন্দী,
      - দুর্দিনের যাত্রী,
      - রুদ্রমঙ্গল।

      উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ১৪৯.
      সেলিম আল দীনের নাটকে অনুসৃত শিল্পতত্ত্ব -
      1. অস্তিত্ববাদ
      2. অভিব্যক্তিবাদ
      3. পরাবাস্তববাদ
      4. দ্বৈতাদ্বৈতবাদ
      ব্যাখ্যা
      • সেলিম আল দীনের নাটকে ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদ’ শিল্পতত্ত্ব / সাহিত্যরীতি অনুসৃত হয়েছে।

      -------------------
      • সেলিম আল দীন
      - সেলিম আল দীন (১৯৪৯-২০০৮) বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
      - তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনি জেলার অন্তর্গত সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

      - ১৯৯৫ সালে তিনি জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে ‘মধ্যযুগের বাঙলা নাট্য’ শীর্ষক অভিসন্দর্ভের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

      - ১৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘদিন বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করার পর ১৯৮৬ সালে তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগদান এবং উক্ত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

      - বাংলাদেশের বিচিত্র শ্রমজীবি, পেশাজীবী, বাঙালি ও বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজজীবন ও তাদের আবহমান কালের সংস্কৃতিকে তিনি তাঁর নাটকে মহাকাব্যিক ব্যাপ্তিদান করেছেন।

      - মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে তিনি অন্যান্যদের সঙ্গে গঠন করেন ঢাকা থিয়েটার ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার। মূলত ঢাকা থিয়েটারের সাংগঠনিক কাঠামো থেকে তিনি তাঁর সুবিস্তৃত নিরীক্ষামূলক নাট্য রচনা ও তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।

      - জীবদ্দশায় তিনি বিভিন্ন রচনায় লিখেছেন-শিল্পাদর্শে তিনি ছিলেন দ্বৈতাদ্বৈতবাদী।
      পাশ্চাত্য শিল্পের সব বিভাজনকে বাঙালির সহস্র বৎসরের নন্দতত্ত্বের আলোকে অস্বীকার পূর্বক তিনি বাংলা সাহিত্যে এক নবতর শিল্পরীতি প্রবর্তন করেছেন, যার নাম দেন ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব’।

      - তিনি শুধু নাটক রচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, নাট্যবিষয়ক বহু গবেষণামূলক প্রবন্ধ রচনা পূর্বক বাঙলা নাটকের সহস্র বৎসরের ইতিহাস এবং তার একটি সুস্পষ্ট আঙ্গিক নির্মাণেও সমর্থ হন, রচনা করেন মধ্যযুগের বাঙলা নাট্য (১৯৯৬)।

      - বাঙলা ভাষার একমাত্র নাট্যবিষয়ক কোষগ্রন্থ বাঙলা নাট্যকোষ সংগ্রহ, সংকলন, প্রণয়ন ও সম্পাদন করে বাঙলা নাট্যের কোষগ্রন্থের অভাব পূরণ করতেও সক্ষম হয়েছেন তিনি।

      - নাট্য বিষয়ক গবেষণা পত্রিকা থিয়েটার স্টাডিজ-এর সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছা্ড়া, নাট্যশিক্ষার্থীদের জন্য তিনি অনুবাদ ও সম্পাদনা করেন নাট্যবিষয়ক গ্রন্থ নন্দিকেশ্বরের অভিনয় দর্পণ (১৯৮২)।

      তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য সাহিত্যকীর্তির মধ্যে রয়েছে-
      • কাব্যগ্রন্থ:
      - কবি ও তিমি,

      • উপন্যাস:
      - অমৃত উপাখ্যান।

      • তাঁর রচিত সব সৃজনকর্ম নিয়ে ৫ খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে সেলিম আল দীন রচনাসমগ্র [১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ (২০০৫-২০০৯)]।

      উৎস: বাংলাপডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
      ১৫০.
      'পৃথক পালঙ্ক' কাব্যগ্রন্থের কবি -
      1. আল মাহমুদ
      2. রফিক আজাদ
      3. আবুল হাসান
      4. আবুল হোসেন
      ব্যাখ্যা
      • ‘পৃথক পালঙ্ক’ আবুল হাসান রচিত কাব্যগ্রন্থ।
      - কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়।

      -------------------
      ◉ আবুল হাসান:
      - আবুল হাসানের প্রকৃত নাম ⎯ আবুল হোসেন মিয়া। তিনি পেশায় সাংবাদিক ছিলেন।
      - ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়ার বর্ণি গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।

      • তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
      - রাজা যায় রাজা আসে,
      - যে তুমি হরণ করো,
      - পৃথক পালঙ্ক।

      • তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত কাব্যনাট্য 'ওরা কয়েকজন'।
      • তাঁর প্রকাশিত গল্প সংকলন  আবুল হাসান গল্প সংগ্রহ।

      উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
      ১৫১.
      কোন গল্পকারের গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজমের প্রতিফলন ঘটেছে?
      1. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
      2. রিজিয়া রহমান
      3. শহীদুল জহির
      4. দিলারা হাশেম
      ব্যাখ্যা
      • জাদুবাস্তবতার রচনাভঙ্গি / ম্যাজিক রিয়েলিজমের প্রতিফলন ঘটেছে শহীদুল জহিরের রচনায়।

      -  তাঁর প্রতিটি রচনায় জীবনবোধ খুব ঘনিষ্ঠভাবে ফুটে উঠেছে। বাস্তব-পরাবাস্তবের মাঝখানে অনিশ্চিত একটা অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে তিনি পছন্দ করতেন।
      - চরিত্রদের একই সঙ্গে অন্তরঙ্গ ও অনিশ্চিত করে তুলতে পারেন, বিমূর্ত একটা ভাষায়, কিন্তু ঘনিষ্ঠ একটা বয়ানে তিনি বাস্তবের পর্দাপরা মানুষ ও প্রকৃতির জীবনের ভেতরের খবরটি বর্ণনা করতে পারেন। তাঁর ভাষায় বিমূর্ততা একটা স্তরে ছিল গভীর দ্যোতনা ও নিহিতার্থের একটা অবয়ব রচনার প্রয়াস।

      -----------------
      শহীদুল জহির:
      - শহীদুল জহিরের জন্ম ঢাকায় নারিন্দার ভূতের গলিতে। তাঁর গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়।
      - বাংলা সাহিত্যে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত কথাশিল্পী শহীদুল জহির। পরিচিত এ অর্থে যে তিনি সমগ্র বাংলা কথাশিল্পে লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তবরীতির একনিষ্ঠ সাধনা করে অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

      - তার রচনায় প্রথম এ রীতির প্রয়োগ ঘটেছে, না কি তার পূর্বেও কেউ কেউ এ রীতিতে লেখার চেষ্টা করেছেন, লিখেছেন, তা গবেষণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও একবাক্যে শহীদুল জহির ও জাদুবাস্তবতা সমার্থক।

      - উত্তর-আধুনিক প্রগতিবাদী লেখক হিসেবেও শহীদুল জহিরকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। শহীদুল জহির তাঁর রচিত সাহিত্যে ভাষা ব্যবহারে অভিনবত্ব আনার চেষ্টা করেছেন, হয়তো সফলও হয়েছেন। সাধারণভাবে বলা যায়, তিনি নিম্নবর্গের মানুষের মুখের অকৃত্রিম ভাষাকে পুঁজি হিসেবে নিয়েছিলেন।

      - বাংলা সাহিত্য জগতের ব্যতিক্রমী স্রষ্টা শহীদুল জহির অকালপ্রয়াত। বিগত শতাব্দীর সত্তরের দশকে সৃজনশীল সাহিত্য অঙ্গনে তাঁর আগমন ঘটেছিল।
      - শহীদুল জহির জীবদ্দশায় আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, 'আজকের কাগজ সাহিত্য পুরস্কার' এবং 'প্রথম আলো বর্ষসেরা সাহিত্য পুরস্কার (মরণোত্তর) অর্জন করেছেন।

      ◉ তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
      গল্পগ্রন্থ:
      - পারাপার,
      - ডুমুরখেকো,
      - মানুষ ও অন্যান্য গল্প,
      - ডলু নদীর হাওয়া ও অন্যান্য গল্প। 

      উপন্যাস:
      - জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা,
      - সে রাতে পূর্ণিমা ছিল,
      - মুখের দিকে চেয়ে দেখি ইত্যাদি।

      উৎস: শহীদুল জহির ‘গল্পসমগ্র’; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং কালি কলম।
      ১৫২.
      “একুশ মানে মাথা নত না করা” - এই অমর পঙ্ক্তির রচয়িতা -
      1. আবদুল গাফফার চৌধুরী
      2. আবুল ফজল
      3. মুনীর চৌধুরী
      4. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
      ব্যাখ্যা
      • “একুশ মানে মাথা নত না করা” - এই অমর পঙ্‌ক্তির রচয়িতা হচ্ছেন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক আবুল ফজল।

      -----------------
      • আবুল ফজল:
      - শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, কথা সাহিত্যিক ফজল আবুল ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্গত কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
      - আবুল ফজল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৩০ সালে তিনি এর সম্পাদক হন।
      - কর্মজীবনে আবুল ফজল শিক্ষকতা করেছেন বিভিন্ন স্কুল, কলেজে। তিনি যখন চট্টগ্রাম কলেজে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত তখন দেশজুড়ে বইছিল ভাষা আন্দোলনের হাওয়া। ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে চট্টগ্রামে আবুল ফজলের ভূমিকাও ছিল অগ্রগণ্য।

      - ভাষা আন্দোলন নিয়ে তাঁর বিখ্যাত উক্তি 'একুশ মানে মাথা নত না করা' তো চিরকালই প্রেরণা জুগিয়েছে বাঙালিকে।
      - ষাটের দশকে পাকিস্তান সরকার যখন রবীন্দ্র সঙ্গীত নিষিদ্ধ করেছিল তখন তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন আবুল ফজল। বলেছিলেন, 'রবীন্দ্রনাথকে মুছে দেওয়ার মতো সামর্থ্য পাকিস্তান কেন, সমগ্র ভূমণ্ডলেরও নেই।''
      - আবুল ফজল উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম, ভ্রমণকাহিনি ইত্যাদি বিষয়ে বহু গ্রন্থ রচনা করেন।

      তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মসমূহ হলো:
      • রাজনীতি ও রাজনীতিবিদ বিষয়ক প্রবন্ধ: একুশ মানে মাথা নত না করা।

      • উপন্যাস:
      - চৌচির,
      - প্রদীপ ও পতঙ্গ,
      - রাঙ্গা প্রভাত।

      • গল্পগ্রন্থ:
      - মাটির পৃথিবী,
      - মৃতের আত্মহত্যা।

      • দিনলিপি:
      - রেখাচিত্র,
      - দুর্দিনের দিনলিপি প্রভৃতি।

      উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া ও The Daily Star Bangla।