পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাস: ১৯৭০ থেকে বর্তমান। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?
  1. ক) ২৮৮ টি
  2. খ) ১৬০ টি
  3. গ) ১৬৭ টি
  4. ঘ) ২৯৮টি
ব্যাখ্যা

১৯৭০ এর নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। ৩০০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন মোট এক হাজার ৯৫৭ জন প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এক হাজার ৫৭৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে ১৬২টি আসন পূর্ব পাকিস্তানে এবং বাকিগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে।
- আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সংরক্ষিত ও স্বতন্ত্র নির্বাচিত সদস্য আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ায় মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় - ১৬৭টি।

- আবার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে।
- স্বতন্ত্র ও সংরক্ষিত নারী আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগে যোগ দিলে আওয়ামী লীগের দলীয় আসন দাঁড়ায় - ২৯৮টি।

( তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. ক) বিচারপতি এম ইদ্রিস
  2. খ) বিচারপতি চৌধুরী এটিএম মাসুদ
  3. গ) বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম
  4. ঘ) কেএম নুরুল হুদা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস৷
তাঁর কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই ৷
১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে এই কমিশন৷।

- বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার৷
তিনি ১৯৭৭ সালের ৮ জুলাই দায়িত্ব নেন৷ অব্যাহতি নেন ১৯৮৫ সালের ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি৷ আট বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি ৷

- বর্তমান কমিশন হলো নুরুল হুদা’র কমিশন৷ সিইসি পদে সাবেক সচিব কেএম নুরুল হুদা নিয়োগ পান ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি৷
তাঁর অধীনেই সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন  অনুষ্ঠিত হয় ৷

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও ডয়েচে ভেলে)

.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতবার সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৩ বার
  2. খ) ২ বার
  3. গ) ১ বার
  4. ঘ) কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা

১৯৯১ সালের গণভোট মূলত রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থেকে প্রধানমন্ত্রীর শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করার জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এটাই একমাত্র সাংবিধানিক গণভোট
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার অথবা ৮, ৪৮, ৫৬, ৫৮, ৮০, ৯২ক বা ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ব্যবস্থা করে কোন বিল উক্ত সংবিধানের ১৪২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে গৃহীত হওয়ার পর তাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করবেন কি করবেন না এই প্রশ্নটি যাচাইয়ের জন্য গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন৷

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট গণভোট হয়েছে ৩ বার।
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ। (প্রশাসনিক )
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই। (প্রশাসনিক)
- তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক )।

বাংলাদেশের গণভোট সংক্রান্ত আইন - গণভোট আইন, ১৯৯১

উৎস: বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো আর্কাইভ।

.
প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল কখন?
  1. ক) ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর
  3. গ) ২০০৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

১. ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি করে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
- রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- পরে ১৯৭৯ সালে সংসদ কর্তৃক এটি অনুমোদন করা হয়। ১৯৭৯ সালের ৯ জুলাই বাংলাদেশ -সংবিধানের ৫ম সংশোধনীর পর সংশোধিত আইনে এ আইনটি বাংলাদেশ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

২. ২য ইনডেমিনিটি বিলটি' ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীতে এটি অন্তর্ভুক্ত' করা হয়।

৩. ২০০২ সালের অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান করার জন্য ২০০৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট

.
হুসেইন মো. এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন কবে?
  1. ক) ১৮ অক্টোবর ১৯৮১
  2. খ) ২৪ মার্চ ১৯৮২
  3. গ) ১২ জুন ১৯৮২
  4. ঘ) ৬ ডিসেম্বর ১৯৮২
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে সরিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি ক্ষমতা থেকে সরে দাড়ান। তিনি প্রায় ৯ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিলেন।
- এরশাদ ১৪ জুলাই ২০১৯ মারা যান।

(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
.
বাংলাদেশের সংবিধান দিবস কোনটি?
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ১২ অক্টোবর
  3. গ) ৪ নভেম্বর
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গণপরিষদে গৃহিত হয়। এজন্য ৪ নভেম্বরকে ‘সংবিধান দিবস’ বলা হয়।
- সংবিধান কার্যকর বা প্রবর্তিত হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বিগ্রেড আকারে কয়টি ফোর্স গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানী (সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে) বিগ্রেড আকারে তিনটি ফোর্স গঠন করেছিলেন। এসকল ফোর্সের প্রধানদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে ফোর্সগুলোর নামকরণ করা হয়।
ব্রিগেড ফোর্স ও প্রধানরা হলেন -
১. কে ফোর্স - খালেদ মোশাররফ
২. জেড ফোর্স - জিয়াউর রহমান
৩. এস ফোর্স - কে এম শফিউল্লাহ

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণীর বোর্ড বই

.
প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরী’ পুরস্কার প্রদান করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১৩ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৭৩ সালের ২৩ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালের ২৪ মে
ব্যাখ্যা

শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

সূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।

.
‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ বা ‘বাকশাল’–এর কাঠামো ঘোষণা করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৭৫ সালের ৭ জুন
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালের ৮ জুন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা ‘বাকশাল’–এর কাঠামো ঘোষণা করা হয়।
- সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ১১৭-ক অনুচ্ছেদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একটি নতুন ‘জাতীয় দল’ গঠন করার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
- ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হওয়ার কথা।
- ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তাই আর বাকশাল কার্যকর হয় নি।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া।

১০.
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম প্রচার করেন-
  1. ক) এম.এ. হান্নান
  2. খ) এ.কে. খন্দকার
  3. গ) এম.এ মান্নান
  4. ঘ) জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বেই চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম. এ. হান্নানের নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন।
- এম.এ. হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম এবং সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র (পরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

১১.
মুজিবনগর সরকারের ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. গ) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

সুত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।

১২.
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম কত সালে আওয়ামী-লীগের সভাপতি হন?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৭৮ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ৬ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফিরে আসেন।
- তার আগেই ১৯৮১ সালের ১৪ - ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

সোর্স: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।