উত্তর
ব্যাখ্যা
- অটোয়া কনভেনশন, যা "স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি" নামেও পরিচিত,।
- অ্যান্টি-পার্সোনেল ল্যান্ডমাইন (ভূ-মাইন) ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং স্থানান্তরের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
উল্লেখ্য,
উৎস: Arms Control Association. [Link]
৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন
• বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ:
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫,
- স্থান: হিরোশিমা, জাপান,
- বোমার নাম: লিটল বয়।
- বিমান: Enola Gay (যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর বি-২৯ বোমারু বিমান),
- ধ্বংসযজ্ঞ: আনুমানিক ৭০,০০০–৮০,০০০ মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে নিহত হন।
- অস্ত্রের ধরণ: ইউরেনিয়াম-২৩৫ ভিত্তিক পারমাণবিক বোমা,
- দ্বিতীয় হামলা: ৯ আগস্ট, ১৯৪৫- নাগাসাকি শহরে।
- বোমার নাম: ফ্যাটম্যান।
উল্লেখ্য,
- জাপান ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পণ করে।
- হিরোশিমা ও নাগাসাকি হামলা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও যুদ্ধনীতি পুনর্বিবেচনার পথ খুলে দেয়।
উৎস: Britannica.
• পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW):
- পূর্ণরূপ: Treaty on the Prohibition of Nuclear Weapons।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৯৪টি দেশ।
- কার্যকর হয়: ২২ জানুয়ারি ২০২১ (৫০টি দেশ চুক্তি অনুমোদন দেওয়ার পর)।
- অনুমোদনকারী দেশ: ৭৩টি দেশ।
- স্বাক্ষর করেনি: পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো (যেমন: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, ইসরায়েল)।
- স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেয়নি: জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো।
- অনুসমর্থকারী দেশ: বাংলাদেশসহ ৭৩টি দেশ।
- লক্ষ্য: পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা।
- এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা জোরদার করা্
উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ২০১৭ সালে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এবং ২০১৯ সালে এটি অনুমোদন করে।
উৎস: TPNW ওয়েবসাইট।[Link]
- জার্মানি পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র নয়।
• পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র:
- চীন: ১৯৬৪ সালে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করে।
- বর্তমানে একটি স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র।
- ভারত: ১৯৭৪ সালে "Smiling Buddha" নামে প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষণ করে।
- পাকিস্তান : ১৯৯৮ সালে সফলভাবে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষণ করে।
অপরদিকে,
- জার্মানির পারমাণবিক অবস্থান:
- জার্মানি NPT (Non-Proliferation Treaty)-এর সদস্য।
- তাদের নিরাপত্তা নির্ভর করে NATO ও মার্কিন পরমাণু নিরাপত্তার উপর।
- জার্মান ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র কিছু পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করলেও সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।
উৎস: Britannica এবং ডেইলি স্টার।[লিঙ্ক]
• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।
• মূল উদ্দেশ্য:
- রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন ও পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করা।
- কূটনীতিকদের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা।
- কূটনৈতিক মিশন ও ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
• স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড:
- স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড হল লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরের প্রচলিত নাম।
- এটি যুক্তরাজ্যের একটি বিখ্যাত পুলিশ সংস্থা।
- যা লন্ডন শহরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ তদন্তে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৮২৯ সালে,।
- উদ্যোক্তা: তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট পিল।
- প্রথম অফিস: স্কটল্যান্ড প্লেস নামে একটি রাস্তায় অবস্থিত ছিল।
- নামের উৎস: এলাকার নাম থেকেই "Scotland Yard" নামটি প্রচলিত হয়।
- বর্তমান নাম: New Scotland Yard।
• এর কার্যাবলী:
- অপরাধ তদন্ত: খুন, চুরি, জালিয়াতি, সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি অপরাধে তদন্ত চালায়।
- ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স: গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ।
- Forensic Service: অপরাধস্থলে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বিশ্লেষণ।
- জননিরাপত্তা রক্ষা: লন্ডনে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।
- সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ।
উৎস: Britannica.