পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১১১
সিলেবাস
Full Model Test - 3
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১১ প্রশ্ন

.
'Amend' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ক্ষতিপূরণ দান করা
  2. সংশোধন করা
  3. সংবেদনশীল
  4. পরিবর্ধন করা
ব্যাখ্যা

• 'Amend' এর বাংলা পরিভাষা - সংশোধন করা।

অন্যদিকে,
• 'Amenable' অর্থ - সংবেদনশীল; চালিত বা নিয়ন্ত্রিত হতে আগ্রহী এমন; বাধ্য; অনুগত।
• 'Amends' অর্থ - ক্ষতিপূরণ দান করা।
• 'Augmenting' অর্থ - পরিবর্ধন করা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।

.
'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. উদক
  2. হিমানী
  3. প্রভঞ্জন
  4. পায়োদ
ব্যাখ্যা

• 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।

অন্যদিকে,
• 'পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ: অম্বু, জল, নীর, সলিল, অপ, উদক, তোয়, জীবন ইত্যাদি।
• 'তুষার' শব্দের সমার্থক শব্দ: বরফ; হিমানী; নীহার।
• 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ: জলধর; জীমূত; বারিদ; নীরদ; পায়োদ; ঘন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; অভিগম্য অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
আঠার শতকের শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন-
  1. বিদ্যাপতি
  2. চণ্ডীদাস
  3. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  4. ভারতচন্দ্র রায়
ব্যাখ্যা

• ভারতচন্দ্র রায়:
- কবি রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র আঠার শতকের শ্রেষ্ঠ কবি। তিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবেও মর্যাদার অধিকারী। মঙ্গলকাব্য ধারার শেষ কবি ভারতচন্দ্র বিদ্যাসুন্দর কাহিনিরও শ্রেষ্ঠ কবি রূপে পরিগণিত।

- কবি ভারতচন্দ্রের প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য। 'কালিকামঙ্গল' ও 'বিদ্যাসুন্দর' এই কাব্যের অংশমাত্র।
- ভারতচন্দ্র ছিলেন 'ব্যাকরণ অভিধান সাহিত্য নাটক অলঙ্কার সঙ্গীত শাস্ত্রের অধ্যাপক এবং পুরাণ-আগম-পারসী-নাগরী -বেত্তা।'

- ভারতচন্দ্রের জন্মকাল নিয়ে মতানৈক্য আছে। ঈশ্বরগুপ্ত কর্তৃক উল্লেখিত ১৭১২ সাল সঠিক জন্মসাল নয়। বিভিন্ন তথ্য ও অনুমান মিলিয়ে সিদ্ধান্ত করা হয়েছে যে, ভারতচন্দ্র আঠার শতকের গোড়ার দিকে ১৭০৫ থেকে ১৭১০ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ড. আশুতোষ ভট্টাচার্য সর্বশেষ তথ্য বিবেচনা করে ১৭০৭ সালে ভারতচন্দ্রের জন্ম হয়েছিল বলে মনে করেন। রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র বর্তমান বর্ধমান বিভাগের ভুরসুট পরগনায় আধুনিক হাওড়া জেলার পেঁড়ো (পান্ডুয়া) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

- চল্লিশ বৎসর বয়সে ভারতচন্দ্র নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি নিযুক্ত হন। তাঁর মাসিক বেতন হয় চল্লিশ টাকা। কবি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রকে প্রতিদিন কবিতা রচনা করে শোনাতেন। তাঁর কবিত্বে মুগ্ধ হয়ে রাজা তাঁকে 'গুণাকর' উপাধি প্রদান করেন এবং প্রচুর ভূসম্পত্তি উপহার দেন।

- ভারতচন্দ্র মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে 'অন্নদামঙ্গল' কাব্য রচনা করেন। কবি গ্রন্থোৎপত্তি সম্পর্কে বলেছেন যে, একদিকে দেবীর আদেশ, অন্যদিকে রাজার আদেশে কাব্য রচনা করেছেন।

অন্যদিকে,
• বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার কবি। মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়। তিনি ছিলেন ব্রজবুলি বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার। তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।

• চণ্ডীদাস চৈতন্যপূর্ব যুগের কবি ছিলেন। চণ্ডীদাসকে বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি বলা হয়।

• মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি ছিল কবিকঙ্কন।মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মানব রসের তিনি প্রথম এবং একমাত্র স্রষ্টা। মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে দুঃখ-বর্ননার কবি হিসাবেও আখ্যায়িত করা হয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

.
যোগতন্ত্রশাস্ত্র মতে 'মীননাথ' চর্যাপদের কোন কবির অপর নাম?
  1. কাহ্নপা
  2. ভুসুকুপা
  3. লুইপা
  4. শবরপা
ব্যাখ্যা

• লুইপা:
- 'চয্যাচর্যবিনিশ্চয়'-এর প্রথম কবি লুইপা। তিব্বতি ঐতিহ্যে প্রাপ্ত চুরাশি জন সিদ্ধাচার্যের নামের তালিকায় লুইয়ের নাম আদিতম। অনেক পণ্ডিত লুইপাকে প্রথম চর্যাগীতি রচয়িতা বলে মনে করেন। তাঁর জীবনকাল ৭৩০-৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে। সে সময় ছিল রাজা ধর্মপালের রাজত্বকাল। হিন্দিভাষীরা লুইপাকে মগধ বা বিহারের অধিবাসী বলে দাবি করেন।

- যোগতন্ত্রশাস্ত্রেও লুইপার উল্লেখ রয়েছে। তন্ত্রশাস্ত্রের লুইপার অন্য নাম মীননাথ বা মৎস্যেন্দ্রনাথ। মৎস্যের সঙ্গে নামের মিল থাকায় কোনো কোনো পণ্ডিত লুইকে শবরপা-এর শিষ্য ও ধীবর সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেন। এ লুইপা আদি সিদ্ধাচার্য (সকল সিদ্ধাচার্যের গুরু) বলে অনেকের ধারণা।

- লুইপাকে সংস্কৃত টীকাকার মুনি দত্ত আদি সিদ্ধাচার্য বলে উল্লেখ করেছেন। তবে, তারানাথের মতে, লুইপা চতুর্থ সিদ্ধাচার্য, আর সরহ হলেন আদি সিদ্ধাচার্য। তাঁর মতে, লুইপা ছিলেন উড্ডীয়ান-রাজ উদয়নের কর্মচারী। তিনি শবর পা-র শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছিলেন। চর্যাগীতির লুইপা আর তন্ত্রশাস্ত্রের লুইপা অভিন্ন নয় বলেই মনে করা হয়। কেননা বলা হয়েছে, লুইপা ছিলেন গৌড় অঞ্চলের অধিবাসী। আর তন্ত্রশাস্ত্রের মীননাথ বা মৎস্যেন্দ্রনাথের বাড়ি দক্ষিণবঙ্গে। তিনি ছিলেন গোরক্ষনাথের গুরু। তাই ধারণা করা হয়, লুইপা ও মীননাথ অভিন্ন ব্যক্তি নয়।

- হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ধারণা লুইপা ছিলেন বাঙালি। রাহুল সাংস্কৃত্যায়নের মতে, লুইপা রাজা ধর্মপালের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

- লুইপা বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। তিব্বতি অনুবাদের মাধ্যমে লুইয়ের বৌদ্ধ দর্শন বিষয়ক তিনটি গ্রন্থের নাম পাওয়া যায়। এগুলো হলো: 'শ্রীভগবদভিসময়', 'অভিসময়বিভঙ্গ' ও 'তত্ত্বস্বভাবদোহাকোষগীতিকাদৃষ্টিনাম'। প্রথম দুটি বই দর্শনের এবং তৃতীয়টি দোঁহা ও গানের।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

.
"সবাই এসো আলোর মিছিলে হে নবীন তরুণ দল।" এখানে 'মিছিল' কোন ভাষার শব্দ?
  1. বাংলা
  2. ফারসি
  3. ওলন্দাজ
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা



মিছিল (বিশেষ্য পদ),
- এটি ফারসি ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- শোভাযাত্রা (মহরমের মিছিল)।
- মোকদ্দমা ও তৎসম্বন্ধীয় নথিপত্র।
- বিন্যাস, সিজিল।
- সমান, সমকক্ষ।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো:
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, দারোয়ান, সাদা, খরগোশ, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চাকর, চারপায়, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস-
  1. নাসিকা
  2. মুখ
  3. ফুসফুস
  4. কণ্ঠ
ব্যাখ্যা

• ধ্বনি:
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি। কোনো ভাষার উচ্চারিত শব্দকে সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করলে তার যে অবিভাজ্য ক্ষুদ্রতম অংশ পাওয়া যায়, তা-ই ধ্বনি। মানুষের বাগ্‌যন্ত্রের সহায়তায় উচ্চারিত ধ্বনি থেকেই ভাষার সৃষ্টি। বস্তুত ভাষাকে বিশ্লেষণ করলে চারটি মৌলিক উপাদান পাওয়া যায়। এই উপাদানগুলো হলো-ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ও অর্থ।

- মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য 'কথা' বলে। মানুষের 'কথা' হলো অর্থযুক্ত কিছু ধ্বনি। ব্যাকরণ শাস্ত্রে মানুষের কণ্ঠনিঃসৃত শব্দ বা আওয়াজকেই ধ্বনি বলা হয়। বস্তুত অর্থবোধক ধ্বনিসমূহই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাধ্বনি। ধ্বনিই ভাষার মূল ভিত্তি।

- ধ্বনি নির্গত হয় মুখ দিয়ে। ধ্বনি উৎপাদনে মুখ, নাসিকা, কণ্ঠ প্রভৃতি বাক্-প্রত্যঙ্গ ব্যবহৃত হলেও ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস হলো ফুসফুস। ফুসফুসের সাহায্যে আমরা শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করি। ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন বাক্-প্রত্যঙ্গের সংস্পর্শে আসে। ফুসফুস থেকে বাতাস স্বরযন্ত্রের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় মুখের বিভিন্ন জায়গায় ঘষা খায়। এই ঘর্ষণের ফলে মুখে নানা ধরনের ধ্বনির সৃষ্টি হয়।

- অর্থাৎ ফুসফুস নির্গত বাতাস স্বরযন্ত্রের মধ্য দিয়ে মুখগহ্বরে প্রবেশের পর বিভিন্ন বাক্-প্রত্যঙ্গের সংস্পর্শে আঘাত লাগার দরুন ধ্বনি গঠিত বা তৈরি হয়। ধ্বনি গঠনে বিভিন্ন বাক্- প্রত্যঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

.
'ঘরানা' শব্দটি কোন প্রত্যয় যোগে গঠিত?
  1. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
  2. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
  4. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

• আনা (য়ানা) -আনি (য়ানি) বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়: ভাব, অভ্যাস বা আচরণ অর্থে বিশেষ্য শব্দ গঠন করে।
যেমন:
ঘর + আনা = ঘরানা,
গরিব + আনা = গরিবানা,
বাবু + আনা = বাবুয়ানা,
বিবি + আনা = বিবিয়ানা ইত্যাদি।

আবার,
বাবু + আনি = বাবুআনি > বাবুয়ানি।

• এরূপ কিছু বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় হলো-
-ওয়ান, -খানা, -খোর, -গর, -গিরি, -চা > চি, -চী > চি, -তর (তরো), -দান, -দানি, -সার, -নবিশ, -বন্দি, -বাজ /-বাজি, -সহি, সই, -স্তান।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
যুক্তবর্ণের অশুদ্ধ গঠন কোনটি?
  1. জ্‌ + ঞ = জ্ঞ
  2. ঞ্‌ + ক = ঙ্ক
  3. ঞ্‌ + জ = ঞ্জ
  4. ঞ্‌ + চ = ঞ্চ
ব্যাখ্যা

• যুক্তবর্ণের অশুদ্ধ গঠন- ঞ্‌ + ক = ঙ্ক।
- শুদ্ধরূপ: ঙ্‌ + ক = ঙ্ক।

---------------
• যুক্তবর্ণ:

একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলো-
- জ্‌ + ঞ = জ্ঞ;
- ঞ্‌ + জ = ঞ্জ;
- ঞ্‌ + চ = ঞ্চ;
- ঞ্‌ + ছ = ঞ্ছ;
- ষ্‌ + ণ = ষ্ণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।' বাক্যে কোন ধরনের অশুদ্ধি ঘটেছে??
  1. বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল
  2. বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
  3. সমাস ঘটিত অশুদ্ধি
  4. বাচ্যজনিত অশুদ্ধি
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্যের জায়গায় বিশেষণের কিংবা বিশেষণের বাহুল্য প্রয়োগজনিত ভুল:
বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত বিশেষ্য পদকে বিশেষণ কিংবা বিশেষণ পদকে বিশেষ্য ভেবে পদ পরিবর্তন করলে এ ধরনের ভুল হয়।
যেমন- আবশ্যক শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বদলে ঈয় প্রত্যয় যোগ করে আবশ্যকীয় শব্দের ব্যবহার যথাযথ নয়।
যেমন
অশুদ্ধ: অনাবশ্যকীয় ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
শুদ্ধ: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।

অশুদ্ধ: ইহার আবশ্যক নাই।
শুদ্ধ: হার আবশ্যকতা নাই।

অশুদ্ধ: রাঙ্গামাটি পার্বতীয় এলাকা।
শুদ্ধ: রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকা।

অশুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নতশীল দেশ।
শুদ্ধ: বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
বিশেষণ পদ নয় কোনটি?
  1. নিখুঁত
  2. সুকঠিন
  3. দুঃসহ
  4. সততা
ব্যাখ্যা

• বিশেষণ পদ নয়- সততা।
- 'সততা' গুণবাচক বিশেষ্য পদ।

• আদ্য প্রত্যয় বা উপসর্গযুক্ত বিশেষণ: এ ধরনের বিশেষণ আদ্যপ্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত হয়।
যেমন:
- নিখুঁত (নি + খুঁত) কাজ।
- সুকঠিন (সু + কঠিন) প্রতিজ্ঞা।
- দুঃসহ (দুঃ + সহ) দারিদ্র্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. প্রশস্ত
  2. অভ্যস্ত
  3. গৃহস্ত
  4. ব্যস্ত
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান: গৃহস্থ।
- এটি বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- সংসার ধর্ম পালন করে এমন,
- গৃহী।

অন্যদিকে,
• প্রশস্ত, অভ্যস্ত ও ব্যস্ত বানানগুলো শুদ্ধ।

• এরূপ কিছু শুদ্ধ শব্দ- ঠোঁটস্থ, মুখস্থ, দ্বারস্থ, অস্ত, কণ্ঠস্থ, গ্রস্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২.
১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. কালো ঘোড়া
  2. কালো বরফ
  3. খেলাঘর
  4. একটি কালো মেয়ের কথা
ব্যাখ্যা

• 'কালো বরফ' উপন্যাস:
- ১৯৭৭ সালের ২১-৩০ আগস্ট মাহমুদুল হক রচনা করেন 'কালো বরফ' উপন্যাসটি, কিন্তু এর প্রকাশকাল অনেক পরে ১৯৯২ সালে।
- এটি ছেচল্লিশের দাঙ্গা ও ১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে রচিত।
- উপন্যাসটিতে হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ-দাঙ্গা, দ্বেষ-ক্ষোভ এবং মিলন-বিরহ পরিস্ফুটিত হয়েছে।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র- আব্দুল খালেক।

অন্যদিকে,
-----------------
• 'খেলাঘর' (১৯৮৮): এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। চরিত্র: রেহানা, মুকল ও ইয়াকুব। ২০০৬ সালে উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়ন করা হয়।

• 'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস- 'একটি কালো মেয়ের কথা'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।

• "কালো ঘোড়া" লেখক ইমদাদুল হক মিলন রচিত একটি উপন্যাস। ১৯৮১ সালে পশ্চিম জার্মানির সিনডেল ফিঙেন শহরে বসে তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেন এবং এটি বাংলাদেশের একটি নিবিড় গ্রামকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। ‘কালোঘোড়া’ মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস। ১৯৭১ এর সেই জেগে ওঠার দিনে বাংলাদেশের একটি গ্রামে কেমন চেহারা নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ, কেমন করে মুক্তিযুদ্ধ প্রভাবিত করেছিল গ্রামের প্রতিটি মানুষকে, কেমন করে মুক্তিযোদ্ধারা এসে আশ্রয় পায় এক বালকের কাছে, কেমন করে প্রাণ হারায় এব বোবা যুবতী, স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের হোতা কেমন করে নিহত হয় মুক্তেোদ্ধাদের হাতে আর কেমন করেই বা মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দাতা সেই বালক নিজের অজান্তে হয়ে ওঠে এক মহান মুক্তিযোদ্ধা, প্রাণের বিনিময়ে যে রক্ষা করতে চায় সহযোদ্ধাদের কে, এরকম অনেকগুলো বিষয়কে ‘কালোঘোড়া’ উপন্যাসে উপজীব্য করেছেন ইমদাদুল হক মিলন।

উৎস: 'কালো বরফ' ও "কালো ঘোড়া" উপন্যাস; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩.
'অপর্ণা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের চরিত্র?
  1. ডাকঘর
  2. মুক্তধারা
  3. বিসর্জন
  4. প্রায়শ্চিত্ত
ব্যাখ্যা

• 'বিসর্জন' নাটক:
- 'বিসর্জন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি নাটক। 'রাজর্ষি' উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে 'বিসর্জন' নাটকটি রচিত হয়।

- 'বিসর্জন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মঞ্চসফল এবং জনপ্রিয় নাটকগুলির অন্যতম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এই নাটকের প্রধান দুটি চরিত্র রঘুপতি ও জয়সিংহের ভূমিকায় বিভিন্ন সময়ে অভিনয় করেন।

- উদার ধর্মবোধ এবং সংকীর্ণ ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব যেমন এই নাটকের প্রধান উপকরণ, তেমনই বিশ্বাসের উগ্রতা এবং মানব সম্পর্কের নিবিড়তা এই নাটকের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- রবীন্দ্রনাথ রচিত বিসর্জন নাটকে গোমতী নদীর কথা উল্লেখ আছে। নাটকটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- রঘুপতি,
- জয়সিংহ,
- অপর্ণা,
- গুণবতী,
- গোবিন্দমাণিক্য।

অন্যদিকে,
• 'ডাকঘর' নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: অমল, সুধা, ঠাকুর্দা প্রমুখ।
• 'মুক্তধারা' নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: অভিজিৎ, রণজিত, সুমন, অম্বা, বিভূতি।
• "প্রায়শ্চিত্ত" নাটকের চরিত্রগুলো: ধনঞ্জয়, সুরমা, উদয়াদিত্য, বিভা ইত্যাদি।

-------------------
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- রুদ্র চন্দ্র,
- বাল্মিকী প্রতিভা,
- কালের যাত্রা,
- তাসের দেশ,
- ডাকঘর,
- মালিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
‘জাপাদ-২০২৫’ নামক সামরিক মহড়া চালিয়েছে -
  1. রাশিয়া ও চীন
  2. জাপান ও ভারত
  3. চীন ও পাকিস্তান
  4. রাশিয়া ও বেলারুশ
ব্যাখ্যা

• জাপাদ-২০২৫:
- জাপাদ-২০২৫ হলো রাশিয়া ও বেলারুশের যৌথ সামরিক মহড়া।
- এই মহড়া ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ শুরু হয় এবং ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ শেষ হয়।
- এই মহড়ায় প্রায় ১ লাখ সেনা অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ভারী অস্ত্র, বোমারু বিমান, যুদ্ধজাহাজ এবং প্যারাট্রুপারদের সমন্বয়ে ব্যাপক সামরিক কৌশল প্রদর্শন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৩টি দেশের প্রতিনিধিরা মহড়া দেখতে বেলারুশে উপস্থিত ছিলেন।
- মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সম্ভাব্য আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুতি প্রদর্শন।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৫.
মহানবী (স.) কখন জন্মগ্রহন করেন?
  1. ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট
  2. ৫৭১ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট
  3. ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ আগস্ট
  4. ৫৭১ খ্রিস্টাব্দের ১২ আগস্ট
ব্যাখ্যা

⇒মহানবী (স.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ২৯ আগস্ট মোতাবেক ১২ই রবিউল আউয়াল মাসে মা আমিনার গর্ভে,মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
-কুরাইশ শব্দের অর্থ বণিক বা সওদাগর ।

১৬.
খুলাফায়ে রাশেদুনের সময় পুলিশ প্রধানকে কি নামে অভিহিত করা হয়?
  1. কাজী-উল-কুজ্জাত
  2. সাহিব-উল-আহদাস
  3. আমিল
  4. ওয়ালী
ব্যাখ্যা

⇒খুলাফায়ে রাশেদুনের সময় প্রধান বিচারপতিকে কাজী-উল-কুজ্জাত।
-প্রদেশের প্রধানকে ওয়ালী।
-জেলার প্রধানকে আমিল।
-পুলিশ প্রধানকে সাহিব-উল-আহদাস নামে অভিহিত করা হয়।

১৭.
তৈমুর লঙ ভারত অভিযানের সময় দিল্লির সুলতান কে ছিলেন?
  1. নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. ফিরোজ শাহ তুঘলোক
  3. নসরত শাহ
  4. গিয়াস উদ্দিন তুঘলোক
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক ছিলেন দিল্লি সালতানাতের সর্বশেষ ক্ষমতাধর শাসক।
-তিনি ১৩৮৮ সালে ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
-তার মৃত্যের পর দিল্লি সালতানাতের দুর্বলতা প্রকট হয়।
-এই সুযোগে মোঙ্গল নেতা তৈমুর লং নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহের সময় ১৩৯৮ সালে ভারত অভিযান করে দিল্লি দখল করেন।

১৮.
দ্বীন-ই-ইলাহির অনুসারী ছিলেন কতজন?
  1. ১৫ জন
  2. ১৬ জন
  3. ১৭ জন
  4. ১৮ জন
ব্যাখ্যা

⇒সকল ধমের্র দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
-এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।
-আকবর নিজে ‘ইমাম-ই-আদিল’ উপাধি গ্রহণ করেন।
-সম্রাটের ধর্মনীতির মূল কথাই ছিল পরধর্ম সহিঞ্চুতা বা “সুলহ-ই-কুল”।

১৯.
আইয়্যূবী শাসনের অবসান ঘটিয়ে মামলুক বংশ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. তুরান শাহ
  2. আস-সালিহ
  3. শাজারুদ্বার
  4. বাইবার্স
ব্যাখ্যা

⇒১১৭৪ সালে সালাহউদ্দিন ‘আইয়ুবী’ বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
-এ রাজবংশ মূলত মিশর, সিরিয়া, হেজাজ, ইয়েমেন, ইরাকের কিছু অংশ ও উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
-১২৫০ সালে আইয়ুবী’ বংশের শাসক আল-সালিহর স্ত্রী শাজারুদ্বার শেষ আইয়ুবী শাসক তুরান শাহকে পরাজিত করে মামলুক বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।

২০.
আরব উপদ্বীপের আকৃতি কেমন?
  1. বর্গাকৃতির
  2. আয়তাকৃতির
  3. ত্রিভূজাকৃতির
  4. বৃত্তাকৃতির
ব্যাখ্যা

বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ হচ্ছে আরব উপদ্বীপ।
-যার আকৃতি অনেকটাই ত্রিভূজের মত।

২১.
মহানবী (সা.) কোন উদ্দেশ্যে মদিনা সনদ প্রণয়ণ করেন?
  1. নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার জন্য
  2. মদীনার জনগণ চেয়েছিল তাই
  3. শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য
  4. আথির্ক নিরাপত্তার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒৬২২ সালে ৪৭ টি মতান্তরে ৫৩ টি ধারার সম্বলিত মদিনার সনদ বা মদিনার সংবিধান রচনা করেন।
-যার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য।

২২.
কোন শহরটি ফিরোজ শাহ তুঘলক কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নয়?
  1. আগ্রা
  2. ফিরোজাবাদ
  3. ফতেহাবাদ
  4. জৌনপুর
ব্যাখ্যা

⇒ সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক নির্মাতা হিসেবেও ইতিহাসে প্রসিদ্ধি অজর্ন করেন।
-বাংলা অভিযানের সময় তিনি এলাকার নামকরণ করেন আজাদপুর এবং পান্ডুয়া বিজয় করে নামকরণ করেন ফিরোজাবাদ। এছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি নতুন শহর স্থাপন করেন যেগুলোর মধ্যে ফতেহাবাদ, হিসার, জৌনপুর, ফিরোজপুর প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

২৩.
উমাইয়া বংশের শেষ গৌরব বলা হয় কোন শাসককে?
  1. হিশামকে
  2. ওমর বিন আ.আজিজকে
  3. সুলাইমানকে
  4. ২য় মারওয়ানকে
ব্যাখ্যা

⇒হিশাম ৭২৪ খ্রি.সেনাপতি হানজালাকে উত্তর আফিক্রার শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন।
-‘মূতির্র যুদ্ধে’ (Battle of Idols) হানজালা বিদ্রোহীদের পরাজিত করে উত্তর আফ্রিকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
-তিনি স্পেনে ৬ বছর বিশৃংখল অবস্থার জন্য ৭৩১ খ্রিস্টাব্দে আব্দুর রহমান আল-গাফিকীকে স্পেনে পাঠান।
-স্পেনের শাসক ইউডিজ ফ্রানকিস রাজা চালর্স মারটেলের সহায়তায় আব্দুর রহমানকে বাঁধা দেন।
-৭৩২ খ্রি. টুরসের যুদ্ধে আব্দুর রহমান নিহত হয়।
-তিনি উমাইয়াদের মর্যাদা পুন:প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।
- এ জন্য তাকে উমাইয়া বংশের শেষ গৌরব বলা হয়।

২৪.
শাহজাহানের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ‘ময়ুর সিংহাসন' এর শিল্পী কে ছিলেন?
  1. ওস্তাদ ঈসা
  2. ঈসা খান
  3. ইসফানদিয়ার রুমী
  4. বেবাদল খাঁ
ব্যাখ্যা

⇒শাহজাহানের স্থাপত্য শিল্পের আর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো ‘ময়ুর সিংহাসন'।
-পারস্যের বিখ্যাত শিল্পী বেবাদল খাঁ এটি নির্মাণ করেছিলেন।
-এই সিংহাসনের বাহন ছিল রত্ন খচিত ময়ুর।
-দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে ১৭৩৯ সালে পারস্যের সম্রাট নাদির শাহ এই মহামূল্যবান ময়ূর সিংহাসনটি লুণ্ঠন করে নিয়ে গিয়েছিলেন।

২৫.
কোন জাতি খন্দকের যুদ্ধের সম্মিলিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. কুরাইশরা
  2. বেদুইনরা
  3. ইহুদিরা
  4. খ্রিষ্টানরা
ব্যাখ্যা

⇒৬২৭ খ্রিস্টাব্দের ৩১ শে মার্চ কুরাইশ,বেদুইন ও ইহুদিরা সম্মিলিতভাবে মদিনা আক্রমণ করে।
-মোকাবেলায় নবী মহানবী(স) পারস্যের সাহাবী সালমান ফারসির পরামর্শে মদিনার চারপাশে পরিখা খনন করেন।
-পবিত্র কুরআনে এই যুদ্ধকে আহযাবের যুদ্ধ (সম্মিলিত বাহিনীর) বলা হয়েছে।

২৬.
ওসমান (রা.) রাসূল (সা.) এর কোন দুই মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন?
  1. রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে
  2. ফাতেমা ও যয়নবকে
  3. রুকাইয়া ও ফাতেমাকে
  4. উম্মে কুলসুম ও ফাতেমাকে
ব্যাখ্যা

⇒তিনি রাসূল (সা.) এর চার কন্যার মধ্যে দুই কন্যা রুকাইয়া ও উম্মে কুলসুমকে একজনের মৃত্যুর পর অন্যজনকে বিয়ে করেন।
-তাই তাঁকে বলা হয় ‘যুন্নুরাইন’ বা দুই-নূরের অধিকারী।
- তাকে নিয়ে রাসূল (স.) বলেছেন," আমার যদি আমার আরও কোন মেয়ে থাকতো তাকেও আমি ওসমানের সাথে বিয়ে দিতাম।
- এ থেকে ওসমান (রা.) এরপ্রতি মহানবী (স.) এর ভালোবাসার নিদর্শন পাওয়া যায়।

২৭.
মুসলিম আইনের উৎস নয় কোনটি?
  1. আল কুরআন
  2. ইসতেহসান
  3. আল হাদিস
  4. ইজমা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনের উৎস চারটি।
১) আল কুরআন ২) আল হাদিস ৩) ইজমা ৪) কিয়াস।

২৮.
হাজার দিনারী বলা হয় কাকে ?
  1. উলুঘ খানকে
  2. নুসরাত খানকে
  3. মালিক সালিহকে
  4. মালিক কাফুরকে
ব্যাখ্যা

⇒১২৯৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান আলাউদ্দিন খলজি নিজ ভাই উলুঘ খান এবং নুসরাত খানকে গুজরাট অভিযানে প্রেরণ করেন।
- সেখান থেকে রানী কমলাদেবী সহ কাফুর নামক একজন খোজাকে বন্দি করে নিয়ে আসা হয়।
-সুলতান রানী কমলাদেবীকে বিবাহ করেন।
-খোজা কাফুরকে নসরাত খান ১০০০ দিনারের বিনিময়ে সুলতানের কাছে বিক্রয় করেন।
-পরবর্তীতে মালিক কাফুর নামে সেনাপতি ও অমাত্যের পদ অলংকৃত করেন।
-১০০০ দিনারের বিনিময়ে সুলতানের কাছে বিক্রয় করেন জন্য মালিক কাফুর কে হাজার দিনারী বলা হয়।

২৯.
উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী কোথায় স্থাপিত হয় ?
  1. কুফায়
  2. বসরায়
  3. ইয়েমেনে
  4. দামেস্কে
ব্যাখ্যা

⇒খিলাফতে আসীন হয়েই মুয়াবিয়া সাম্রাজ্যের রাজধানী কুফা হতে দামেস্কে স্থানান্তরিত করেন।
-উমাইয়া খিলাফতের রাজধানী হিসেবে দামেস্ক ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত টিকে ছিল।

৩০.
গৌড়কে 'জান্নাতাবাদ' নামে আখ্যায়িত করেন কোন সম্রাট?
  1. সম্রাট বাবর
  2. সম্রাট হুমায়ুন
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট জাহঙ্গীর
ব্যাখ্যা

⇒১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দের মধ্যভাগে সম্রাট হুমায়ুন চুনার দুর্গ জয় সম্পন্ন করে বাংলার দিকে অগ্রসর হন।
-১৫৩৮ খিস্ট্রাব্দের জুলাই মাসে তিনি সসৈন্যে গৌড়ে প্রবেশ করেন।
-গৌড়ের মনোরম আবহাওয়া হুমায়ুনকে প্রবলভাবে আলোড়িত করে।
-তিনি প্রীত হয়ে এর নাম রাখেন জান্নাতাবাদ।

৩১.
"বায়তুল হিকমা"-এর প্রধান অনুবাদক কে ছিলেন?
  1. আল-ফারাবি
  2. হুনায়ন ইবনে ইসহাক
  3. আল-রাজি
  4. ইবনে সিনা
ব্যাখ্যা

⇒৮৩০ খ্রি. বাইতুল হিকমা (House of Wisdom) প্রতিষ্ঠিত হয়।
-এরমোট ৩টি শাখা ছিল।
-এগুলো হল- গ্রন্থগার, শিক্ষায়তন ও অনুবাদ ব্যুরো।
-হুনায়ন ইবনে ইসহাক এর পরিচালক ও প্রধান অনুবাদক ছিলেন।

৩২.
'হুমায়ুননামা' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. নুরজাহান বেগম
  2. গুলবদন বেগম
  3. রাজিয়া সুলতানা
  4. মিনহাজই সিরাজ
ব্যাখ্যা

১৫৮৭ খ্রি. আকবরের নির্দেশে বাবুর কন্যা গুলবদন বেগম (১৫২৩-১৬০৩) গ্রন্থটি রচনা করেন।
-বাবুর ও হুমায়ুনের ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবন এবং মুঘল হারেমের ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে এ গ্রন্থটি প্রথম শ্রেণীর ঐতিহাসিক তথ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

৩৩.
পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন কে?
  1. আবু বকর (রা.)
  2. আলী (রা.)
  3. ওয়ারাকা বিন নওফেল
  4. খাদিজা (রা.)
ব্যাখ্যা

⇒৬১০ সালের পর রাসূল (সা) গোপনে নিকট আত্মীয়ের কাছে ইসলাম প্রচার করতে থাকেন।
-সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন খাদিজা (রা)।
-পুরুষদের মধ্যে ১ম ইসলাম গ্রহণ করেন আবু বকর (রা.)।

৩৪.
কোন যুদ্ধকে মৃত্যুর বাগান বা The Battle of the Garden of death বলা হয়?
  1. কাদিসিয়ার যুদ্ধ
  2. ইয়ামামার যুদ্ধ
  3. জালুলার যুদ্ধ
  4. নিহাওয়ান্দের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

⇒ভন্ডনবীদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী ছিলো মুসায়লামা।
-প্রথমে ইকরামা ও শুরাহবিল (রা.)-কে তার বিরুদ্ধে প্রেরণ করে ব্যর্থ হলে ৬৩৩ খ্রি. খালিদ (রা.) তাকে ইয়ামামার যুদ্ধে পরাজিত করেন। এ যুদ্ধে ৩০০/৭০ জন হাফেজ শহিদ হয়।
-এজন্যে ওমর(রা.) এর পরামর্শে যায়েদ বিন সাবিতকে কুরআন সংকলনের দায়ীত্ব দেন।
-দুইপক্ষেরই বিপুল সংখ্যক লোক এই যুদ্ধে নিহত হন জন্য এ যুদ্ধকে মৃত্যুর বাগান বা The Battle of the Garden of death বলা হয়

৩৫.
ইংরেজদের বিরুদ্ধে বাংলায় কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল কোনটি?
  1. সাঁওতাল বিদ্রোহ
  2. চাষি আন্দোলন
  3. মুণ্ডা বিদ্রোহ
  4. নীল বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

⇒বাংলার কৃষকেরা ১৮৫৯-৬২ খ্রি. ইউরোপীয় নীলকরদের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক বিদ্রোহ সংঘটন করে।
-তারা সকলে একতাবদ্ধ হয়ে নীল চাষ বর্জন করার আন্দোলন গড়ে তোলে।

৩৬.
জালালী পঞ্জিকা তৈরী করেন কে?
  1. নিযাম-উল-মুলক
  2. মালিক শাহ
  3. আলাপ আর সালান
  4. উমর আল-খৈয়াম
ব্যাখ্যা

⇒নিযাম-উল-মুলক রাজ্যশাসন কাঠামোর উপর ‘সিয়াসাত নামা’ নামক ফার্সি ভাষায় একটি মহামূল্যবান পুস্তক রচনা করেন।
-তিনি ১০৬৫-৬৭ খ্রি. বাগদাদে নিযামিয়া মাদ্রাসা প‌্রতিষ্ঠা করেন।
-তার পরামর্শে ১০৭৪ খ্রি. উমর আল-খৈয়াম নিশাপুরে ৭০ জন জ্যোতির্বিদদের একটি সম্মেলন আহবান করে একটি পারসিক পঞ্জিকা সংস্কার করেন।
-এটি সুলতানের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘জালালী পঞ্জিকা’।

৩৭.
মুহম্মদ বিন তঘুলকের আসল নাম কি?
  1. খিজির খান
  2. উলুঘ খান
  3. মঙ্গু খান
  4. জুনা খান
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক পুত্র জুনা খানকে ‘উলুঘ খান’ উপাধি প্রদান করে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।
-১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে জুনা খান মুহম্মদ বিন তঘুলক উপাধি ধারণ করে সুলতান হয়ে ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দে পর্যন্ত দীর্ঘ ২৬ বছর দিল্লির ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।

৩৮.
সুলতান মাহমুদের ভারত আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
  2. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে
  3. অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে
  4. সামরিক উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান মাহমুদ রাজধানী গজনিকে তিলোত্তোমা নগরীতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।
-তাঁর ছিল একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সৈন্যবাহিনী। তিনি দক্ষ পশ্রাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন।
-এসবের জন্য তাঁর প্রচুর অর্থের প্রয়োজন ছিল।
-কিন্তু গজনীর রাষ্ট্রীয় কোষাগার তাঁর চাহিদার যোগান দিতে না পারায় বাইরে থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেন।
-এ জন্যই তিনি ১৭ বার ভারতের বিভিন্ন মন্দিরে আক্রমন করেছেন।

৩৯.
আরবদের কাছে স্পেন কি নামে পরিচিত ছিল?
  1. আইবেরিয়া
  2. জাবালুত তরিক
  3. আন্দালুসিয়া
  4. জাজিরা
ব্যাখ্যা

⇒ স্পেন ইউরোপের পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমৃদ্ধ দেশ।
-যা একটি উপদ্বিপ।
-এর পূর্বনাম ছিল আইবেরিয়া উপদ্বিপ।
-আরবদের কাছে স্পেন আন্দালুসিয়া নামে পরিচিত ছিল।
-তারিক বিন যিয়াদ ৭১২ খি: গোয়াদালকুইভার নামক নদীর তীরে মেডিনা-সিডোনিয়ায়তারিক রডারিকের বাহিনীকে সাথে যুদ্ধে পরাজিত করে স্পেন বিজয় করেন।
- ১৪৯২ সাল পর্যন্ত স্পেনে মুসলমানদের শাসন চালু ছিল।

৪০.
মুঘল যুগে প্রধান শ্রম শিল্প কোনটি?
  1. লোহা ও সোরা
  2. রেশম ও বস্ত্র
  3. কার্পাস ও বয়ন
  4. শাল ও গালিচা
ব্যাখ্যা

⇒লোহা ও সোরা শিল্প ছিল এই যুগের প্রধান শ্রম শিল্প।
-কিন্তু শিল্পোৎপাদনের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান ছিল কার্পাস ও বয়ন শিল্পের।
-এই যুগে উৎপাদিত শিল্প সম্ভার দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা হতো।

৪১.
বিবি খাদিজা ও রাসূল (সা.)-এর দাম্পত্য জীবন কত বছর স্থায়ী হয়েছিল?
  1. ২৩ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২৭ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒মুহাম্মদ (সা.)-এর বয়স ২৫ বছর আর হযরত খাদিজার ৪০ বছর।
-চাচা আবু তালিবের অনুমতিক্রমে বিবি খাদিজা ও রাসূল (সা.)-এর শুভ পরিণয় সম্পন্ন হয়।
-দীর্ঘ পঁচিশ বছর তাঁদের এ দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয়েছিল।
-হযরত খাদিজার জীবদ্দশায় তিনি অন্য কোনো নারীকে স্ত্রীত্বে গ্রহন করেন।

৪২.
নিচের কোনটি আরবের ভূ-প্রকৃতির শ্রেনী বিন্যাস নয়?
  1. মরু অঞ্চল
  2. দাহনা অঞ্চল
  3. পাহাড়ী অঞ্চল
  4. উর্বর অঞ্চল
ব্যাখ্যা

⇒ভূ-প্রকৃতি অনুসারে আরবকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
-১) মরু অঞ্চল (Arabian Desert), ২) পাহাড়ী অঞ্চল (Arabian Petraca), ৩) উর্বর অঞ্চল (Arabian Felix)।

৪৩.
কোন আব্বাসীয় খলিফা মুতাজিলাকে তাদের রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন?
  1. আবু জাফর আল মনসুর
  2. হারুন অর রশীদ
  3. আল মামুন
  4. আল মুতাওয়াক্কিল
ব্যাখ্যা

⇒আব্বাসীয় খলিফা আল মামুন মুতাজিলাকে তাদের রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।
-পরে মুতাসিম ও ওয়াসিকও তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
-মুতাওয়াক্কিল ৮৪৮ সালে তাদের আন্দোলন ধূলিসাৎ করেন।

৪৪.
সর্ব প্রথম পুলিশ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন কে?
  1. যরত আবু বকর (রা.)
  2. হযরত উমর (রা.)
  3. মুয়াবিয়া
  4. আব্দুল মালিক
ব্যাখ্যা

⇒সুবিস্তৃতিত ইসলামী সাম্রাজ্যের শাসনকার্যের সুবিধা ও জনগণকে সুন্দর ভাবে ভাতা প্রদানের জন্য হযরত উমর (রা.) সর্ব প্রথম পরিকল্পিত ভাবে আদমশুমারীর ব্যবস্থা করেন।
-তিনিই সর্ব প্রথম পুলিশ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন ।

৪৫.
আল-আমিন ও আল-মামুনের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ সংঘঠিত হওয়ার প্রধান কারণ কি ছিল?
  1. সাম্রাজ্যের বিভাজন
  2. শিক্ষাগত পাথর্ক্য
  3. চারিত্রক পার্থক্য
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒আল-আমিন ও আল-মামুনের মধ্যকার গৃহযুদ্ধ সংঘঠিত বেশকিছু কারণ ছিল। যেমন-
-চারিত্রিক পার্থক্য
-উত্তরাধিকার নীতির অভাব
-অর্থ আত্মসাৎ
-আরব-পারশ্যিক দ্বন্দ্ব
- আল আমীনের বিলাসিতা
-ফজল বিন রাবীর উচ্চাভিলাষীতা
ইত্যাদি।

৪৬.
‘কুতুব মিনার’ কোথায় অবস্থিত?
  1. লাহোরে
  2. দিল্লিতে
  3. আজমিরে
  4. পাঞ্জাবে
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লিতে ‘কুয়াত-উল-ইসলাম’ এবং আজমীরে ‘আড়াই দিন-কা-ঝোপড়া’ মসজিদ নির্মাণ করেন।
-রাজ্য বিজয়ের স্মারক এবং ইসলামের মহিমা বিশ্বজনীনভাবে উপস্থাপনের দিল্লিতে ‘কুতুব মিনার’ নির্মাণ আরম্ভ করেন।
-তবে তিনি এর নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেন নি।

৪৭.
খারেজীদের স্লোগান কি ছিল?
  1. আলী খলিফাতুল্লাহ
  2. লা হুকমা ইল্লাল্লাহু
  3. মুয়াবিয়া মুর্দাবাদ
  4. হুসাইন খলিফাতুল্লাহ
ব্যাখ্যা

-৬৫৭ সালে সংঘটিত সিফফিনের যুদ্ধ বন্ধে ৬৫৯ সালে দুমাতুল জান্দালে সালিশি বৈঠক বসে।
- এ বৈঠকে আমর বিন আসের চাতুরীর জন্য আলী (রা.)কে খলিফা থেকে অপসারণ করে মুয়াবিয়াকে খলিফা হিসেবে ঘোষনা করা হয়।
- এ ঘোষনা না মেনে আলী (রা.) এর ১২,০০০ অনুচর আলাদা হয়ে যায়। যারা খারেজী নামে পরিচিত।
-তাদের মুল স্লোগান ছিল ' লা হুকমা ইল্লাল্লাহু '।

৪৮.
বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান ও আওরঙ্গজেবের সম্পর্ক কি ছিল?
  1. চাচতো ভাই
  2. মামতো ভাই
  3. বৈমাত্রেয় ভাই
  4. মামা
ব্যাখ্যা

⇒আসাম থেকে ঢাকায় প্রত্যাবর্তনের পথে ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীর জুমলা মৃত্যুবরণ করেন।
-মীর জুমলার মৃত্যুর পর আওরঙ্গজেব তাঁর মাতুল আসফ খাঁর পুত্র শায়েস্তা খানকে দাক্ষিণাত্য থেকে সরিয়ে এনে বাংলার শাসনকর্তা (সুবাদার) পদে নিয়োগ দান করেন।
-শায়েস্তা খান দীর্ঘ ত্রিশ বছর এই পদে বহাল ছিলেন।

৪৯.
Which primary Persian text offers a narrative of the Arab conquest of Sindh? (আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রাথমিক ফারসি বিবরণ কোনটি?)
  1. Tarikh‑i‑Firishta (তারিখ-ই-ফিরিশতা)
  2. Akbarnama (আকবরনামা)
  3. Ain‑i‑Akbari (আইন-ই-আকবরি)
  4. Chach‑Nama (চাচ-নামা)
ব্যাখ্যা

⇒The Chach Nama (also spelled Chachnamah) is a medieval Persian text.
-that narrates the history of Sindh (now in Pakistan),
-including the rise of the Chach dynasty
-and its eventual fall to the Arab Umayyad forces in the early 8th century.

৫০.
মক্কা বাসী মহানবী (স.) কে কী উপাধী দিয়েছিল?
  1. আল-আমিন
  2. সিদ্দিক
  3. ফারুক
  4. আসাদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

⇒মহানবী (স.) এর সত্যবাদিতা, কর্তব্য নিষ্ঠা, আমানতদারী, সরলতা ও পবিত্রতার জন্য মক্কার মানুষ তাঁকে ‘আল-আমিন’ বা বিশ্বাস উপাধিতে ভূষিত করে।

৫১.
মুহম্মদ বিন তুঘলকের নতুন রাজধানী দেবগিরি দিল্লি হতে কত দূরে অবস্থিত?
  1. ৫০০ মাইল দূরে
  2. ৬০০ মাইল দূরে
  3. ৭০০ মাইল দূরে
  4. ৮০০ মাইল দূরে
ব্যাখ্যা

⇒কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে ক্রমাগত মোঙ্গল আক্রমণের আশঙ্কা, দাক্ষিণাত্যের ধন-দৌলত, মুসলিম সভ্যতা ও সংস্কৃৃতির প্রসার এবং সর্বোপরি সাম্রাজ্যের মধ্যস্থেল অবস্থানের কারণে ১৩২৬-২৭ খ্রি. সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লি হতে ৭০০ মাইল দূরে অবস্থিত দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তর করেন।
-প্রায় ৮ বছর দৌলতাবাদে অবস্থানের পর দূরত্ব ও জলবায়ুর বৈপরীত্যের কারণে সুলতান সবাইকে নিয়ে পুনরায় দিল্লিতে প্রত্যাবর্তন করেন।
-ফলে সুলতানের রাজধানী স্থানান্তর পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পযর্বসিত হয়।

৫২.
কোন আব্বাসী শাসক সর্ব প্রথম কাগজকল প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. আবু জাফর আল মনসুর
  2. হারুন অর রশীদ
  3. আল- মামুন
  4. আল মুতাসিম বিল্লাহ
ব্যাখ্যা

⇒আল- মামুন ৮৩০ সালে বাগদাদে বায়তুল হিকমাহ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর অনুবাদে সহায়তা করেছিল তার পিতা হারুন অর রশীদের প্রথম প্রতিষ্ঠিত কাগজকল।

৫৩.
কোন মুঘল শাসক জিজিয়া কর পুনঃ প্রবতর্ন করেন?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. শাহজাহান
  4. আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

⇒১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেব দরবারে নৃত্যগীত নিষিদ্ধ করেন।
-তিনি প্রজাদের প্রায় ৮০ প্রকার কষ্টসাধ্য কর বাতিল করেন।
-চন্দ্রমাসের বর্ষপঞ্জিও চালু করেন।
-১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেব এক নির্দেশনামায় হিন্দু প্রজাদের ওপরে পুনরায় জিজিয়া কর স্থাপন করেন।

৫৪.
আবু জার আল গিফারীকে কোথায় পাঠানো হয়?
  1. রাবাদায়
  2. মদিনায়
  3. মক্কায়
  4. কুফায়
ব্যাখ্যা

⇒আবু জার আল গিফারী একটি গোঁড়া সমাজতান্ত্রিক মতবাদ প্রচার করছিলেন।
- তিনি মনে করতেন ইসলামে সম্পদ সঞ্চয় করা জায়েজ নাই।
-এ জন্য মুয়াবিয়া (রা.) ভীত হয়ে কৌশলে তাকে সিরিয়া হতে মদীনায় পাঠিয়ে দেন।
-হযরত উসমান (রা.) ও তাকে কিছুদিনের জন্য তাকে ‘রাবাদা’ নামক পাঠিয়ে দেন।
-সেখানেই তিনি স্বাভাবিক মৃত্যবরণ করেন।

৫৫.
আরবদের প্রধান কৃষিপণ্য কোনটি?
  1. খেজুর
  2. গম
  3. বার্লি
  4. আঙ্গুর
ব্যাখ্যা

⇒আরব দেশের উৎপন্ন দ্রব্যাদির মধ্যে প্রধান হলো খেজুর।
তৎকালীন আরবে খেজুর গাছকে Queen of the trees বা ‘গাছের রাণী’ বলে অভিহিত করা হতো।
-এ গাছ ধনী-দরিদ্র সকলের বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিল।
-আরবের উপকূল এলাকায় ফলমূল ও শাকসবজি জন্মাত।
-সেকালে ইয়েমেন সর্বাপেক্ষা উর্বর প্রদেশ ছিল। তথায় গম ও কফি অত্যধিক ফলত।

৫৬.
কোন ঘটনাকে পবিত্র কুরআনে 'ফাতহুম মুবিন' বা সুস্পষ্ট বিজয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. হিজরতের ঘটনাকে
  2. মদিনা সনদকে
  3. হুদায়বয়িার সন্ধিকে
  4. মক্কা বিজয়কে
ব্যাখ্যা

⇒হুদায়বয়িার সন্ধি ৬২৮ খ্রি.স্বাক্ষরিত হয়।
-যাকে কুরআনে ফাতহুম মুবিন বা সুস্পষ্ট বিজয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

৫৭.
উমাইয়া খিলাফতের মোট খলিফা ছিলেন কতজন?
  1. ১২ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১৭ জন
  4. ৩৭ জন
ব্যাখ্যা

⇒ উমাইয়া খিলাফতের মোট খলিফা ছিলেন ১৪ জন।
- এ বংশের ১ম খলুফা ছিলেন মুবাবিয়া।
- সর্বশেষ খলিফা ছিলেন ২য় মারওয়ান (৬৬১-৭৫০) মোট ৯০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

৫৮.
ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কারকারী ভাস্কো-দ্য-গামা কোন জাতীর লোক ছিলেন?
  1. ওলন্দাজ
  2. পর্তুগীজ
  3. ইতালিয়ান
  4. ফরাসী
ব্যাখ্যা

⇒১৪৫৩ খ্রি. তুর্কি শাসকরা কনস্টান্টিনোপল (ইস্তাম্বুল) দখল করার পর ইউরোপীয়রা ভারতে আসার প্রথম প্রচেষ্টা চালায়।
-কলম্বাস ভারতে আসার জন্যে যাত্রা করেছিলেন কিন্তু তিনি ১৪৯২ সালে গিয়ে পৌঁছেন আমেরিকায়।
-১৪৯৮ খ্রি. পর্তুগীজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছেন।
-এভাবে ইউরোপীয়দের সাথে প্রত্যক্ষ এবং ব্যাপক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

৫৯.
কোন শাসককে দাস বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয়?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেককে
  2. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশকে
  3. আরম শাহকে
  4. গিয়াসউদ্দিন বলবনকে
ব্যাখ্যা

⇒ শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ মুঈজি-কুতুবী আমিরদের ষড়যন্ত্র, তাজউদ্দিন ইয়ালদুজের বিদ্রোহ, গিয়াসউদ্দিনের স্বাধীনতার ঘোষণা, নাসিরউদ্দিন কুবাচা লাহোর স্বাধীনতা ঘোষণা করলে তিনি সব বিদ্রোহ দমন করেন করেন।
-তিনি মোঙ্গল আক্রমণের সম্ভাব্যতা থেকে ভারতীয় উপমহাদেশকে কৌশলে রক্ষা করে তিনি দিল্লি সালতানাতকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠা করেন।
-এ জন্য তাকে দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় ও দাস বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয়।

৬০.
উহুদ যুদ্ধে মুসলমানদরে বিপর্যয়ের কারণ কি?
  1. কুরাইশদের ভয়
  2. ঈমানী দুর্বলতা
  3. লোভ লালসা
  4. নেতার আদেশ অমান্য
ব্যাখ্যা

⇒আব্দুল্লাহ ইবনে জুবায়েরের নেতৃত্বে ৫০ জন তীরন্দাজকে গিরিপথ পাহারা দিতে নিযুক্ত করেন।
-কিন্তু তারা মহানবী(স.) এর আদেশ অমান্য করে গণিমত সংগ্রহে ব্যস্ত হওয়ায়, সুচতুর খালিদ বিন ওয়ালিদ মুসলমানদের উপর অতর্কিত হামলা করে।

৬১.
ইমাম আবু হানিফা কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. মদিনায়
  2. গাজায়
  3. বাগদাদে
  4. কুফায়
ব্যাখ্যা

⇒হানাফী মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা আবু হানিফা ৭০০ খ্রিস্টাব্দে কুফায় জন্মগ্রহণ করেন।
-তার পূর্বপুরুষ পারস্যে বসবাস করত।
-তার জ্ঞান ও যুক্তি তর্কের তাকে ইসলামের সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী আইনজ্ঞে পরিণত করেছিলেন।

৬২.
কোন মুসলিম শাসক "আল- ওয়াসিত" নামক শহরটি নির্মাণ করেন?
  1. আব্দুল মালিক
  2. আবু জাফর আল মনসুর
  3. আল মামুন
  4. নিজামুল মুলক
ব্যাখ্যা

⇒উমাইবা খলিফা আব্দুল মালিক ‘মসজিদ-উল- আকসা’ নামে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন।
-তিনি দজলা নদীর তীরে অবস্থিত আল- ওয়াসিত নামক একটি শহর নির্মাণ করেন।
-দামেস্কে মুহাফিজখানা বা সরকারী দলিল দস্তাবেযখানা (দিওয়ান-আল-রাসায়িল) নির্মাণ করেন।

৬৩.
ওসমান (রা.) অসামঞ্জস্যহীন কুরআনের কপি পুড়িয়ে ফেলেন কেন ?
  1. কুরআনের আবৃত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব দূর করতে
  2. মুহাম্মদ(সা.) এর নির্দেশনায়
  3. মূল কুরআনের পাঠ ও বিভ্রান্তি দূর করতে
  4. কুরআনের শিক্ষা দান করতে
ব্যাখ্যা

⇒হযরত ওমর (রা.)এর খিলাফত কালে ইসলাম বিভিন্ন অনারব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়লেহযরত উসমান (রা.) এর সময় কুরআনের উচ্চারণের তারতম্য দেখা দেয়।
-মূল কুরআনের পাঠ ও বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি ৬৫১ খ্রি. যায়েদ বিন-সাবিত (রা.)এর নেতৃত্বে কুরআনের মূল পান্ডুলিপি রাসূল (সা.) এর অন্যতম স্ত্রী ও হযরত উমর (রা.) এর কন্যা বিবি হাফসার নিকট থেকে গ্রহণ করে কয়েকটি অনুলিপি করে বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে আগের সব গুলো পুড়িয়ে ফেলেন।
-এই জন্য তাকে ‘জামিউল কুরআন’ উপাধি দেওয়া হয়।

৬৪.
প্রথম অবতীর্ণ আয়াতসমূহ কোন সূরার অন্তর্গত?
  1. সূরা ফাতিহা
  2. সূরা ইখলাস
  3. সূরা আলাক
  4. সূরা আনফাল
ব্যাখ্যা

⇒তিনি মক্কার অদূরে জাবাল নূরের হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যান মগ্ন থাকতেন।
-অবশেষে ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি জিব্রাইল(আ) এর মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাসের ২১ থেকে ২৯ তারিখের কোন এক বিজোড় রাতে ঐশী বাণী লাভ করেন।
-দীর্ঘ ২৩ বছর এই কুরআান রাসূলের বিভিন্ন প্রয়োজনে অবতীর্ণ হয়।

৬৫.
সৈয়দ বংশের প্রতিষ্ঠাতা খিজির খানের উপাধি কি ছিল?
  1. মসনদ-ই-আলা
  2. মসনদ-ই-আখের
  3. সলতান-ই-আলা
  4. সুলতান-উল-ইসলাম
ব্যাখ্যা

⇒খিজির খান ১৪১৪ খ্রিস্টাব্দে দৌলত খানকে পরাজিত করে সৈয়দ বংশের গোড়াপত্তন করেন।
-কোন ধরণের রাজকীয় উপাধি গহ্রণ না করে শুধুমাত্র ‘মসনদ-ই-আলা’ বা 'রায়ত-ই-আলা 'উপাধি গ্রহন করে সিংহাসনে বসেন।

৬৬.
আরব জোয়ান অব আর্ক’ (Arab Joan of Arc) নামে পরিচিত লায়লা কোন সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?
  1. খারিজীদের
  2. শিয়াদের
  3. মুতাজিলাদের
  4. আশারিয়াদের
ব্যাখ্যা

⇒৭৮৭-৮৮ খিষ্ট্রাব্দে মসুলে প্রথম খারিজী উপদ্রব দেখা দিলে যুদ্ধে তাদের নেতা ওয়ালিদ নিহত হয়।
-পরে তাঁর ভগ্নী লায়লা খারিজীদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
-খলীফার বাহিনী তাঁর নিকট পরাজিত হলেও তাকে অস্ত্রত্যাগ করে পারিবারিক জীবনে ফিরে যেতে অনুরোধ করলে তিনি বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটান।
-তিনি আরবীয় ইতিহাসে ‘আরব জোয়ান-অব-আর্ক’ (Arab Joan-of-Arc) নামে পরিচিত।

৬৭.
মুস্তারিবা গোত্রের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. কাব
  2. মুররা
  3. মা’আদ
  4. আদনান
ব্যাখ্যা

⇒হযরত ইবরাহীম এর সময় থেকে বিবি হাজিরা (আ.) ও ইসমাঈল (আ.) মক্কায় বসবাস আরম্ভ করেন।
-ইতোমধ্যে যমযম কূপের সৃষ্টি এবং ইবরাহীম ও ইসমাঈল (আ.)-এর নিরলস প্রচেষ্টায় পবিত্র কাবাগৃহ পুনঃনিমার্ণের মাধ্যমে নতুন নতুন বসতি স্থাপিত হতে থাকে।
-অন্যদিকে হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর সন্তান-সন্ততিদেরও বংশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
-এরাই আরবে মুস্তারিবা নামে অভিহিত।
-আদনান নামক হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর এক বংশধর মুস্তারিবা গোত্রের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

৬৮.
সম্রাট জাহাঙ্গীরের Bell of Justice বা ন্যায়বিচারের ঘন্টায় কতগুলো ঘন্টা ছিল?
  1. ৫০ টি
  2. ৫৫ টি
  3. ৬০ টি
  4. ৬৫ টি
ব্যাখ্যা

⇒সিংহাসনে বসে জাহাঙ্গীর কতগুলো জনহিতকর কার্যপদ্ধতি গ্রহণ করেন।
-ন্যায়বিচারের জন্য আগ্রা দুর্গ হতে যমুনা পর্যন্ত ষাটটি ঘন্টাযুক্ত ত্রিশ গজ লম্বা একটি সোনার শিকল ঝুলিয়ে দেন।
-এর ফলে যেসব প্রজা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতো তারা শিকলে টান দিয়ে সম্রাটের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারতো।
ইতিহাসে এই ঘন্টা Bell of Justice বা ন্যায়বিচারের ঘন্টা নামে পরিচিত।

৬৯.
মুয়াবিয়া (রা.) এর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন কে?
  1. আমর ইবনে আল আস
  2. আল মুগিরা
  3. সুফিয়ান বিন যিয়াদ
  4. মারওয়ান
ব্যাখ্যা

⇒ইসলামের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ কূটনৈতিক আমর ইবনে আল আস।
-তিনি ছিলেন মুয়াবিয়া (রা.) এর অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা ও প্রত্যক্ষ সহযোগী।
-খিলাফতে অধিষ্ঠিত হয়ে মুয়াবিয়া তাকে মিসরের শাসনকর্তারুপে নিয়োগ করেন।

৭০.
প্রাক-মুসলিম ভারতের হিন্দু সমাজ কয়টি ভাগে বিভক্ত ছিল?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা

⇒তৎকালীন হিন্দু সমাজ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র এই চারটি বর্ণ স্তরে বিভক্ত ছিল।
-সমাজে ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়দের অপরিসীম প্রভাব বিস্তৃত ছিল।
-আর বৈশ্য ও শূদ্রদের অবস্থান ছিল সমাজের নিম্নস্তরে।

৭১.
আবু জাফর আল-মনসুরকে প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলার কারণ কি?
  1. রাজ্যের পরিধি বৃদ্ধি করেন
  2. বিদ্রোহ দমন করেন
  3. সম্ভাব্য হুমকি ও সমস্যা প্রতিহত করেন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

⇒ আব্দুল্লাহর বিদ্রোহ দমন, আবু মুসলিমকে দমন, রাওয়ান্দিয়াদের দমন, আলী পন্থিদের দমন করে অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃংখলা প্রতিষ্ঠা করে ভবিষ্যৎ বংশধরের জন্য সিংহাসন নিষ্কন্টক করেন।
-রোমান সম্রাট ৪র্থ কনস্টানটাইনকে পরাজিত করে বার্ষিক কর প্রদানে বাধ্য করে বৈদেশিক হুমকি প্রতিহত করেন।
-তিনি নিরাপত্তার জন্য পারস্য সম্রাট কিসরার গ্রীষ্মকালীন আবাস্থল দজলা নদীর পশ্চিম তীরে বাগদাদে নতুন রাজধানী নির্মাণ করেন।
-এ নগরীর নামকরণ হয় ‘দারুস-সালম’ (শান্তি নিবাস)।
-এ জন্য তাকে এই বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

৭২.
কোন খলিফাকে ‘Administrative genius’ বলা হয় ?
  1. হযরত আবু বকর (রা.)
  2. হযরত উমর (রা.)
  3. হযরত উসমান (রা.)
  4. হযরত আলী (রা.)
ব্যাখ্যা

⇒প্রধান চারজন খলীফা হলেন- হযরত আবু বকর (রা.), হযরত উমর (রা.), হযরত উসমান (রা.), হযরত আলী (রা.)।
-তাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা অবদান রয়েছে।
-চারজন খলীফা মধ্যে হযরত উমর (রা.) এর সময় প্রশাসনিক সংস্কার অনেক বেশি সম্পন্ন হয় এ জন্য তাকে ‘Administrative genius’ বলা হয়।

৭৩.
মহানবী (সা.) এর নবুয়াতী ২৩ বছরকে কয়টি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাচটি
  4. ছয়টি
ব্যাখ্যা

⇒মহানবী (সা.)-এর নবুয়াতী ২৩ বছরে ইসলামের প্রতি মানুষকে আহবানের তিনটি পর্যায় উল্লেখযোগ্য যথা:
-১. গোপনে ইসলাম প্রচার: অহী নাযিলের পর থেকে প্রথম তিন বছর।
-২. প্রকাশ্যে ইসলাম প্রচার: নবুয়াতের চতুর্থ বছর থেকে দশম বচর পর্যন্ত।
-৩. মক্কার বাইরে আরব ও সমগ্র বিশ্বে ইসলাম প্রচার: নবুয়াতের দশম বছর থেকে শুরু করে মহানবী (সা.) এর ওফাতকাল পর্যন্ত।

৭৪.
কুতুব উদ্দুন আইবেকের আমলের আমিরগণ কি নামে পরিচিত ছিল?
  1. মুইজ্জী আমির
  2. হিন্দুস্থানী আমির
  3. কুতবী আমির
  4. শামসী আমির
ব্যাখ্যা

⇒মুইজ উদ্দুন মুহাম্মদ ঘুরির আমীর গণ মুঈজি আমীর নামে।
-কুতুব উদ্দুন আইবেকের আমীরগণ কুতুবী আমীর নামে,
-এবং শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশের আমীরগণ শামসী আমীর নামে পরিচিত ছিল।

৭৫.
কোন সম্প্রদায়ের মতে,"যোগ্য যে কোন ব্যক্তি খলিফা হতে পারবেন"?
  1. খারেজীদের মতে
  2. শীয়াদের মতে
  3. মুরতাজীয়া
  4. কাদেরিয়া
ব্যাখ্যা

⇒খারিজিরা গণতন্ত্রমনা ছিল।
-তাদের মতে,খলিফা পদের জন্য যে কোন ব্যক্তি বা গোত্রের মধ্যে কোন দাসও যদি যোগ্য হয় সে খলিফা হবে।

৭৬.
উমাইয়া খিলাফতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় কাকে?
  1. মুয়াবিয়াকে
  2. আব্দুল মালিককে
  3. আল-ওয়ালিদকে
  4. ওমর বিন আব্দুল আজিজকে
ব্যাখ্যা

⇒বিদ্রোহ দমন, শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আরবীকরণ—সবগুলো কারণেই আ. মালিককে প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

৭৭.
ভারতে অভিযানের পূর্বে বাবর কোথাকার শাসক ছিলেন?
  1. সমরখন্দের
  2. গজনীর
  3. কান্দাহারের
  4. ফারগানার
ব্যাখ্যা

⇒বাবর ১৪৮৩ খ্রিস্ট্রাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থানের এক ক্ষুদ্র রাজ্য ফারগানায় জন্মগ্রহণ করেন।
-তার পিতা উমর শেখ মির্জা ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে আকস্মিক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করে।
-মাত্র ১১ বছর বয়সে তিনি পিতৃ সিংহাসনে উপবেশন করেন।

৭৮.
কোন শহরটি আব্বসীদের রাজধানী ছিল না?
  1. কুফা
  2. আবু দুলাফ
  3. সামাররা
  4. বাগদাদ
ব্যাখ্যা

⇒৭৫০ সালে আব্বসীয় খিলাফতের সুচনার সময় রাজধানী ছিল কুফা।
-আবু জাফর আল মনসুর সুদীর্ঘ ৪ বছর (৭৬২-৬৬) পরিশ্রম করে বাগদাদে নতুন রাজধানী নির্মাণ করেন।
-আল মুতাসিম পারস্যিকদের প্রভাব হ্রাস করতেই রাজধানী বাগদাদ হতে ৬০ মাইল উত্তর পশ্চিমে সামাররাতে (৮৩৬ খি.) স্থানান্তরিত করেন।

৭৯.
মহানবী (সা.) বিদেশে দূত প্রেরণ করেছিলেন -
  1. যুদ্ধের কথা জানান দিতে
  2. আথির্ক সাহায্যের জন্য
  3. বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒৬৩০-৬৩১ খ্রি. ৯ম হিজরীতে বিভিন্ন সাম্রাজ্যে ইসলামের দূত প্রেরণ করায় এ বছরকে সানাৎ-আল-উফুদ বা প্রতিনিধি প্রেরণের বছর বলা হয়।
-মহানবী (সা.)বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিদেশে দূত প্রেরণ করেছিলেন।

৮০.
মিশর বিজয় করেন কোন সেনাপতি?
  1. খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.)
  2. আবু উবায়দা (রা.)
  3. সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)
  4. আমর ইবন আল-আস (রা.)
ব্যাখ্যা

⇒৬৩৭ খ্রি. জেরুজালেম অধিকারের পর আমর ইবন আল-আস (রা.) ৬৪০ খ্রি. হেলিওপলিসের যুদ্ধে রোমান সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে।
-৬৪১ সালের ৮ই নভেম্বর আলেকজান্দ্রিয়া বিজয় করেন।
-আমর ইবন আল-আস (রা.) বর্তমান কায়রোর নিকটবর্তী আল-ফুসতাতে একটি নগরী প্রতিষ্ঠিত করেন।

৮১.
নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. আরবের উত্তরে সিরিয়া মরুভূমি
  2. আরবের দক্ষিণে লোহিত সাগর
  3. আরবের পূর্ব পারস্য উপসাগর
  4. আরবের পশ্চিমে লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা

⇒আরবের উত্তরে সিরিয়া মরুভূমি, দক্ষিণে আরব সাগর, পূর্বে পারস্য উপসাগর,পশ্চিমে লোহিত সাগর।
-তিনদিকে জলবেষ্টিত ও একদিকে স্থল হওয়ায় এই ভূখন্ডকে জাজিরাতুল আরব বা আরব উপদ্বীপ বলা হয়।

৮২.
কোন আব্বাসীয় শাসক কারবালায় ইমাম হুসাইনের মাযার ধ্বংস করেন?
  1. আল-মুতাসিম বিল্লাহ
  2. আল-ওয়াসিক
  3. আল মনসুর
  4. আল-মুতাওয়াক্কিল
ব্যাখ্যা

⇒আল-ওয়াসিকের মৃত্যুর পর তাঁর ভ্রাতা আল-মুতাওয়াক্কিল ৮৪৭ খ্রি: সিংহাসনে আরোহণ করেন।
-তিনি ছিলেন গোঁড়া সুন্নী পন্থী’।
-তাই শিয়া ও মুতাযিলা মতবাদ অবলম্বনকারীদের প্রতি তিনি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন।
- তিনি কারবালায় ইমাম হুসাইনের মাযার ধ্বংস করেন।

৮৩.
দিল্লি সালতানাতের সর্বশেষ সুলতান কে ছিলেন?
  1. ইব্রাহিম লোদী
  2. খিজির খান
  3. সিকান্দার লোদী
  4. বাহলুল লোদী
ব্যাখ্যা

⇒লোদী বংশের সর্বশেষ শাসক ছিলেন ইব্রাহিম লোদী (১৫১৭-১৫২৬খ্রি.)।
-তিনি কাবুলের শাসক জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবরের নিকট পানি পথের ১ম যুদ্ধে(১৫২৬) পরাজিত হয়।
- যার ফলে দিল্লি সালতানাতের অবসান ঘটে এবং মুঘল বংশের শাসন শুরু হয়।

৮৪.
‘সাইফুল্লাহ’ শব্দের অর্থ কি?
  1. আল্লাহর অনুগ্রহ
  2. আল্লাহর তরবারী
  3. আল্লাহর সিংহ
  4. আল্লাহর বান্দা
ব্যাখ্যা

⇒খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা) এর নেতৃত্বে ও বীরত্বে মুসলমারা মুতার যুদ্ধে বিজয় লাভ করায় মহানবী (স.) তাকে ‘সাইফুল্লাহ’ বা আল্লাহর তরবারী উপাধি প্রদান করেন

৮৫.
দিল্লি সালতানাতের একমাত্র মহিলা সুলতানা রাজিয়ার শাসন কাল কোনটি?
  1. ১২৩০-১২৪০ খ্রি.
  2. ১২৮০-১২৪০ খ্রি.
  3. ১২৩৬- ১২৪২ খ্রি.
  4. ১২৩৬-১২৪০ খ্রি.
ব্যাখ্যা

⇒সুলতান ইলতুৎমিশ তাঁর সুযোগ্য কন্যা, বুদ্ধিমতী ও অনন্য প্রতিভার অধিকারী রাজিয়াকে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।
-১২৩৬ খ্রিস্টাব্দে ইলতুৎমিশের মৃত্যুর পর তাঁর মনোনয়ন অস্বীকার করে কতিপয় অভিজাত সুলতান পুত্র রুকনউদ্দিন ফিরোজকে সিংহাসনে আরোহণে সহায়তা প্রদান করেন।
-রুকনউদ্দিন ফিরোজের অদক্ষতার জন্য আমির উমারাহগণ রাজিয়াকে দিল্লির সিংহাসনে আমন্ত্রণ জানালে তিনি ১২৩৬ সালে সিংহাসনে আরোহন করেন।

৮৬.
মুসলিম আগমনের পূর্বে ভারতের কোন অঞ্চলের লোকেরা ধনী ও সমৃদ্ধশালী ছিল?
  1. মগধ
  2. মালব
  3. কাশ্মির
  4. আজমির
ব্যাখ্যা

⇒মুসলিম আগমনের পূর্বে ভারতের মানুষের প্রধান পেশা ছিল কৃষিকাজ।
-গুজরাট ও বাংলা কাপার্স বস্ত্র উৎপাদন ও রপ্তানির জন্য বিখ্যাত ছিল।
-ভারতবর্ষের অথর্নৈতিক অবস্থা খুব ভালো ছিল বলে এদেশে সংস্কৃতি ও সভ্যতার চরম বিকাশ ঘটেছিল।
-মগধের লোকেরা ধনী ও সমৃদ্ধশালী ছিল।

৮৭.
খলিফা নির্বাচনের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ কোথায় একত্রিত হতেন?
  1. দারুন নদওয়ায়
  2. ছাকিফা বানী সায়িদায়
  3. কাবা গৃহে
  4. মদিনা মসজিদে
ব্যাখ্যা

⇒৬৩২ খ্রিস্টাব্দে মহানবী (সা.) এর অসুস্থতার সময় তাঁর স্থলে ইমামতি করেন।
-এজন্য ইসলামের সংকটময় সময়ে হযরত উমর (রা.) এবং আবু উবায়দাকে সঙ্গে নিয়ে হযরত আবু বকর (রা.) সহ ছাকিফা বানী সায়িদা গৃহে অবস্থান করছিলেন।
-পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করলে হযরত উমর (রা.) বয়স, অবস্থান, পদমর্যাদা,সম্মান ইত্যাদি বিবেচনা করে হযরত আবু বকর (রা.) কে ইসলামের প্রথম খলিফা বলে ঘোষণা করে তাঁর হাত স্পর্শ করে বায়াৎ গ্রহণ করেন।

৮৮.
বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব দেয়া হয় কাকে?
  1. রামনারায়ণ
  2. নজমুদ্দৌলা
  3. সেতাব রায়
  4. রেজা খাঁন
ব্যাখ্যা

⇒দিওয়ানী হস্তান্তরের ফলে রাজস্ব শাসন পরিচালনার ক্ষমতা কোম্পানি লাভ করে।
-কিন্তু ক্লাইভ উক্ত দায়িত্ব দেশীয় আমলাতন্ত্রের হাতে ছেড়ে দেন, যদিও সর্বময় ক্ষমতা থাকবে কোম্পানির হাতেই।
-বাংলার জন্য সৈয়দ মোহাম্মদ রেজা খান এবং বিহারে রাজা সিতাব রায়কে নায়েব দিওয়ান নিযুক্ত করা হয়।
-সংগৃহীত রাজস্ব থেকে সমস্ত প্রশাসনিক ব্যয় মিটানোর পর তাঁরা উদ্বৃত্ত রাজস্ব কোম্পানিকে প্রদান করবেন।

৮৯.
সালাহ্উদ্দিন আইয়্যূবী ক্রসেডারদের থেকে জেরুজালেম উদ্ধারকারী হিত্তিনের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১১৮৫ সালে
  2. ১১৮৬ সালে
  3. ১১৮৭ সালে
  4. ১১৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ ক্রসেডের ২য় ধাপে মুসলামানদের নেতৃত্ব দেন বিখ্যাত বীর সালাউদ্দিন আইয়ুবী।
- যিনি ১১৮৭ সালে "Battle of Hattin"-এ খ্রিস্টান বাহিনীকে পরাজিত করেন।
- এ যুদ্ধে জয় লাভের পরেই মুসলমানরা জেরুজালেম পুনর্দখল করেন।

৯০.
মুঘল বংশে মোট কতজন শাসক ছিলেন?
  1. ১৭ জন
  2. ১৮ জন
  3. ১৯ জন
  4. ২০ জন
ব্যাখ্যা

⇒শাসনতান্ত্রিকভাবে মুঘল সাম্রাজ্য ছিল এককেন্দিক্র রাজতান্ত্রিক শাসন।
-১৭ জন সম্রাটের মধ্যে মাত্র ৬ জন যোগ্য শাসক ছিলেন।
ব্যক্তিগত দুবর্লতাও দক্ষতার অভাবে সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিশৃংখলা রোধ করা শাসকদের পক্ষে সম্ভব ছিল না।

৯১.
গনি শব্দের অর্থ কী?
  1. দানশীল
  2. বিশ্বাসী
  3. দয়ালু
  4. ধনী
ব্যাখ্যা

⇒হযরত উসমান (রা.) কুরাইশ বংশের অন্যতম ধনী ব্যক্তি ছিলেন জন্য তাকে ‘গণি’ (সম্পদশালী বা ধনী) উপাধি দেয়া হয়।
-তিনি তার সম্পদ অকাতরে ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন।

৯২.
মহানবী (স) মদিনায় গিয়ে কোন যুদ্ধের মিমাংসা করেন?
  1. বাসুসের যুদ্ধ
  2. উহুদের যুদ্ধ
  3. বুয়াসের যুদ্ধ
  4. হারবুল ফুজ্জার
ব্যাখ্যা

⇒মহানবী (স) মদিনায় গিয়ে আউস ও খাজরাজ গোত্রের মধ্যে বুয়াসের যুদ্ধের মিমাংসা করেন।

৯৩.
কুতুবুদ্দিন আইবকের সমাধী কোথায়?
  1. দিল্লিতে
  2. লাহোরে
  3. গজনিতে
  4. আজমিরে
ব্যাখ্যা

⇒১২০৬ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জুন লাহোরে কুতুবউদ্দিন আইবেক দায়ীত্ব নেয়ার পর তাঁর নামে খুৎবা পাঠ করা হয় এবং মুদ্রা প্রচলন করা হয়।
-মাত্র চার বছর শাসনকার্য পরিচালনার পর ১২১০ খিস্ট্রাব্দের নভেম্বর মাসে লাহোরে চৌগান বা পোলো খেলার সময় হঠ্যাৎ পড়ে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন এবং শেষ পর্যন্ত সেই আঘাতেই মৃত্যুবরণ করেন।
-তাঁর সমাধি বর্তমানে লাহোরে অবস্থিত।

৯৪.
শিয়াদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. মহররম
  2. ঈদ-উল-ফিতর
  3. আশুরা
  4. ঈদ-উল-আযহা
ব্যাখ্যা

⇒তারা রাজনৈতিক মতবাদ হিসেবে অভিভূত হয়েছিলেন ৬৮০ সালের ১০ই মহররম কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইনকে হত্যার মধ্য দিয়ে।
-তারা ১০ই মহররমে আশুরা দিবসে তাজিয়া মিছিল বের করে।
- এই দিনাটি তাদের প্রধান উৎসব।

৯৫.
আল-ওয়ালিদের শাসনকাল কোনটি?
  1. ৬৮৫-৭০৫ খ্রি.
  2. ৭০৫-৭১০ খ্রি.
  3. ৬৯৫-৭০৫ খ্রি.
  4. ৭০৫-৭১৫ খ্রি.
ব্যাখ্যা

⇒আল-ওয়ালিদ হাজ্জাজ বিন ইউসুফকে পূর্বাঞ্চলের এবং মুসা ইবনে নুসাইরকে পশ্চিমাঞ্চলের শাসক হিসেবে নিযুক্ত করেন।
-তার ধমর্প্রাণ চাচাতো ভাই ওমর বিন আব্দুল আযীজকে হেজাযের গভর্ণর হিসেবে নিয়োগ করেন।
-তার সময় বিখ্যাত চার সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম, তারিক বিন জিয়াদ, মুসা ইবনে নুসাইর ও কুতায়বা বিন মুসলিম।
- যারা তার সাম্রাজ্য বিস্তারে অবদান রাখেন।
-তার রাজত্বকাল হচ্ছে ৭০৫-৭১৫ খ্রি.।

৯৬.
পৃথ্বীরাজ চৌহানের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. কানৌজ
  2. দিল্লি
  3. লাহোর
  4. আজমীর
ব্যাখ্যা

⇒মুহম্মদ ঘুরির ভারত আক্রমনের সময় উত্তর ভারতে চৌহান বংশ শাসন করতো।
-তাদের রাজা ছিল পৃথ্বীরাজ চৌহান। তাদের রাজধানী ছিল আজমীর।
-মুহম্মদ ঘুরি ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্য নিয়ে আবার ভারত আক্রমণ করেন।
-পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে তরাইনের ২য় যুদ্ধে পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
-আজমীর পর্যন্ত মুসলমানদের দখলে আসে।

৯৭.
কে পর্বতের বৃদ্ধ লোক (The Old Man of the Mountain) নামে পরিচিত?
  1. মালিক শাহ
  2. হাসান বিন সাবাহ
  3. আলপ আর-সালান
  4. নিজাম-উল-মুলক
ব্যাখ্যা

⇒মালিক শাহের রাজত্বের শেষ দিকে গুপ্তঘাতক সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
-তাদের প্রধান ঘাটি আলামুত দুর্গ।
-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নিযামুল মুলকের সহপাঠি হাসান সাবাহ।
-যিনি পর্বতের বৃদ্ধ লোক (The Old Man of the Mountain) নামে পরিচিত।

৯৮.
বাবরের সমাধি কোথায় অবস্থিত?
  1. কাবুলে
  2. আগ্রায়
  3. দিল্লিতে
  4. লাহোরে
ব্যাখ্যা

⇒১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়সে মুঘল সাম্রাজ্যের ভাগ্যবিধাতা পরলোকগমন করেন।
-বাবুরকে প্রথমদিকে আগ্রার কাছে আরামবাগে সমাহিত করা হয় ।
-কিন্তু কয়েক বছর পর তাঁর অভিপ্রায় অনুযায়ী কাবুলে তাঁর এক প্রিয় উদ্যানে সমাহিত করা হয়।

৯৯.
দারুন নদওয়া নির্মাণ করেন কে?
  1. কুসাই
  2. কিলাব
  3. আবদুল মুত্তালিব
  4. কুরাইশ
ব্যাখ্যা

⇒কুসাই কাবাঘর সংস্কার ও মন্ত্রনাপরিষদ বিভক্তকরণের পাশাপাশি কাবাঘরের পাশে আরেকটি প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন, যার নামকরণ করা হয় দারুন নদওয়া বা মন্ত্রনাপরিষদ।
-দারুন নদ্ওয়ায় বসে নগরের অভিজাতবর্গ যে কোনো সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতেন।
-কিন্তু নগর ও কাবাঘর বিষয়ক কাযর্ক্রম, যেগুলোর সাথে সবর্সাধারণের সংশ্লিষ্টতা ছিল, সেগুলোর জন্য সকল নাগরিক কাবা প্রাঙ্গনে সাধারণ সভা করে সিদ্ধান্ত নিতেন।

১০০.
কোন যুদ্ধে হযরত আবু বকর (রা) তার সমস্ত সম্পদ দান করেন?
  1. বদর যুদ্ধে
  2. উহুদ যুদ্ধে
  3. তাবুক যুদ্ধে
  4. মুতার যুদ্ধে
ব্যাখ্যা

⇒রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াসের বিরুদ্ধে তাবুক ৬৩০/৬৩১ খ্রি.অভিযান ছিল মহানবী (স.) এর শেষ অভিযান।
-এ যুদ্ধের তহবিল সংগ্রহের সময় আবু বকর (রা) তার সমস্ত সম্পদ, হযরত ওমর (রা.) অর্ধেক এবং ওসমান (রা.) ১০০০ উট দান করেন।

১০১.
খাইবার অভিযান কত সালে পরিচালিত হয়?
  1. ৬৩০ খ্রি.
  2. ৬২৮ খ্রি.
  3. ৬২৫ খ্রি.
  4. ৬২৪ খ্রি.
ব্যাখ্যা

⇒৬২৮ সালে মহানবী খাইবার অবরোধ করেন এবং ইহুদিদের পরাজিত করেন।

১০২.
কোন মুঘল সম্রাট বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত হন?
  1. দ্বিতীয় শাহ আলম
  2. দ্বিতীয় আকবর
  3. ফররুখশিয়ার
  4. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা

⇒মীর কাশিম নবাব সুজাউদ্দৌলা এবং মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সঙ্গে এক মৈত্রী জোট গঠন করেন এবং তাঁদের সম্মিলিত বাহিনী বিহারের দিকে অগ্রসর হয়।
-ইংরেজ সেনাপতি হেক্টর মনরো এক বিশাল বাহিনী নিয়ে মিত্রপক্ষের গতিরোধ করে।
-১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দের ২২ অক্টোবর বক্সার নামক স্থানে উভয়পক্ষে ঘোরতর লড়াই হয়।
-মীর কাশিম ও তাঁর মিত্ররা এ যুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।

১০৩.
আস-সাফফাহ শব্দের অর্থ কী ?
  1. রক্তপাত নীতি
  2. রক্তপিপাসু
  3. রক্তের প্রয়োজন
  4. রক্তপ্রবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ আবুল আব্বাস আস সাফফাহ উমাইয়া নিধন নীতি গ্রহন করেন।
-এ জন্য তিনি প্যালেস্টাইনের আবু ফ্রটসে ৮০ জন উমাইয়া বংশের লোককে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে।
-এমনকি মৃত উমাইয়াদের দেহ কবর হতে তুলে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
-কেবল মুয়াবিয়া ও দ্বিতীয় উমরের কবর এই নিষ্ঠুরতার হাত হতে রক্ষা পায়।
-এ জন্য তাকে আস-সাফফাহ বা রক্তপিপাসু উপাধি দেয়া হয়।

১০৪.
জাহাঙ্গীরের আসল নাম কী ছিল?
  1. সেলিম
  2. খুররম
  3. দারা শিকো
  4. সুজা
ব্যাখ্যা

⇒অনেকগুলো সন্তান পরপর মারা যাওয়ার পর শেখ সেলিম চিশতির দোয়ায় ১৫৬৯ খ্রিস্টাব্দে জাহাঙ্গীরের জন্ম হয়।
-সে জন্য সেলিম চিশতির নামে সন্তানের নাম রাখেন সেলিম।
-তিনি ডাকতেন ‘সেখুবাবা' বলে।
-তিনি ছিলেন অম্বররাজ বিহারীমলের কন্যার গর্ভজাত সন্তান।

১০৫.
ফিরোজ শাহ তুঘলক কৃষকের জন্য কত ধরনের কর হ্রাস করেন?
  1. ২৩ ধরনের
  2. ২৪ ধরনের
  3. ২৫ ধরনের
  4. ২৬ ধরনের
ব্যাখ্যা

⇒ফিরোজ শাহ তুঘলক ২৩ প্রকার কর রহিত করেন।
-তিনি (১) খারাজ (২) যাকাত, (৩) জিজিয়া ও (৪) খুমস সহ ৪ ধরনের কর ধার্য করেন।
-তার কর হ্রাসের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে কৃষকের উন্নয়ন করা।

১০৬.
আরব জাতীয়তাবাদের জনক বলা হয় কাকে?
  1. ওমর (রা.) কে
  2. মুয়াবিয়াকে
  3. আব্দুল মালিককে
  4. হারুন আর রশীদকে
ব্যাখ্যা

⇒পারস্য, আমের্নীয়া, খুরাসান, সিরিয়া ও মিসরে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হয়।
-এতে করে আরবী ভাষার সাথে আঞ্চলিক ভাষা যেমন- পারসিক, সিরীয়, কপটিক ইত্যাদি ভাষা সরকারি ক্ষেত্রে গোলযোগ ও সমস্যার সৃষ্টি করে।
-তাই আব্দুল মালিক এই ভাষা সমস্যার সমাধান ও আরব জাতীয়তাবাদের জন্য সরকারী ক্ষেত্রে কেবল আরবী ভাষা প্রচলন করেন।

১০৭.
'তুযুক-ই-বাবরী’ কোন ধরনের রচনা?
  1. আত্মজীবনীমূলক
  2. জীবনীমূলক
  3. ঐতিহাসিক রচনা
  4. কবিতার সংকলন
ব্যাখ্যা

⇒তাঁর রচিত তুর্কি কবিতার সংকলন ‘দিওয়ান’ নামে পরিচিত।
-ফার্সি ভাষায় বাবর এক প্রকার নতুন ছন্দ আবিষ্কার করেন যা সাধারণত ‘নুবাইয়ান’ নামে সুপরিচিত।
-জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের সাহিত্যানুরাগের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন তুর্কি ভাষায় রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ’‘তুযুক-ই-বাবরী’।

১০৮.
কোন খলিফা কাবা গৃহ সম্প্রসারণের কাজ শেষ করেন?
  1. আবু বকর (রা.)
  2. ওমর (রা.)
  3. ওসমান (রা.)
  4. আলী (রা.)
ব্যাখ্যা

⇒ ওমর (রা.) এর সময় কাবা গৃহ সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়।
- কিন্তু তিনি শেষ করে যেতে পারেন নি।
- ওসমান (রা.) এর সময় ৬৪৭ সালে কাবা গৃহ সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়।

১০৯.
সুলতান মাহমুদ সোমনাথ অভিযান করেন কখন?
  1. ১০২৪ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১০২৫ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১০২৬ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১০২৭ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

⇒১০২৬ খ্রিস্টাব্দে কাথিওয়ারের (বর্তমান গুজরাট) এর সোমনাথ মন্দিরে অভিযান পরিচালিত হয়।
-এই মন্দিরে বিপুল পরিমাণ ধন-রত্ন সঞ্চিত ছিল।
-হিন্দুগণ সোমনাথ মন্দিরকে অজেয় মনে করতো।
-পার্শ্ববর্তী রাজ্যের রাজারা সোমনাথ মন্দির রক্ষার জন্য বিপুল শক্তি সংগ্রহ করে।
-এ মন্দির থেকে দুই কোটি স্বর্ণমুদ্রা, প্রচুর অলঙ্কার ও মণি-মানিক্য ।

১১০.
বুয়াইয়া বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মুইয-উদ-দৌলা
  2. আজদুদ্দৌলাহ
  3. ইজজুদ্দৌলাহ
  4. শামসউদ্দৌলাহ
ব্যাখ্যা

⇒আব্বাসীয় খলিফা মুস্তাকফী (৯৪৪-৪৬ খ্রি.) এর সময় বাগদাদে তুর্কি দেহরক্ষী বাহিনীর আধিপত্য বেড়ে যায়।
- এ জন্য় আবু সুযার পুত্র আহমদ এর নিকট খলিফা সাহায্য প্রার্থনা করেন।
-আহমদ খলিফার আহবানে সাড়া দিয়ে বাগদাদে প্রবেশ করে তুর্কি বাহিনীকে রাজধানী থেকে বিতাড়ন করেন।
-খলিফা তাঁর উপর সন্তুষ্ট হয়ে তাকে আমীর-উল-উমারা হিসেবে নিযুক্ত করেন এবং মুইয-উদ-দৌলাহ উপাধিতে ভূষিত করেন।
-মুইয-উদ-দৌলা বাগদাদে তাঁর পিতার নামানুসারে এ বংশের নাম রাখেন বুয়াইয়া বংশ।

১১১.
নিচের কোন ব্যাক্তি একেশ্বরবাদী বা হানিফ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. কবি যুহায়ের
  2. আবু লাহাব
  3. উমাইয়া বিন সালাত
  4. ওয়ারাকা বিন নওফেল
ব্যাখ্যা

⇒অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগেও আরবের কতিপয় লোক আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসী ছিলেন।
-তারা কোনো প্রকার মূতির্পূজায় বিশ্বাস করতেন না।
-পৌত্তলিক আরবে তারা ‘হানিফ’ নামে পরিচিত ছিলেন।
-বিবি খাদিজার চাচাতো ভাই ওরাকা বিন নওফল, উমাইয়া বিন আবিস সালত, আওস বিন সাওদা, কবি যুহায়র প্রমূখ বিশিষ্ট আরববাসী ছিলেন একমাত্র সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী হানিফ সম্প‌্রদায়ভুক্ত।