পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৮১
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি] ফুল মডেল টেস্ট - ৬
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · ৮১ প্রশ্ন

.
'আগুনে সেঁক দাও।' এখানে 'আগুনে' কোন কারক?
  1. কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি
  2. অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি
  3. কর্তৃ কারকে ৭মী বিভক্তি
  4. করণ কারকে ৭মী বিভক্তি
ব্যাখ্যা

করণ কারক ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম বা উপায় নির্দেশ করে। এখানে 'আগুনে' (সেঁক দেওয়া) ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ 'আগুনের দ্বারা' সেঁক দেওয়া হচ্ছে।

বাক্যটিকে প্রশ্ন করলে- 'কিসের দ্বারা সেঁক দাও?' উত্তর হবে 'আগুনে', যা করণ কারক নির্দেশ করে। সুতরাং 'আগুনে' করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। 
 
-----------------
• করণ কারক:

- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত দ্বারা", "দিয়ে, কর্তৃক ইত্যাদি অনুসর্গ যুক্ত হয়।
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায়, তা-ই করণ কারক।
যেমন:
- নীরা কলম দিয়ে লেখে। (উপকরণ = কলম)।
- 'জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায়।' (উপায় সাধনা)।
- 'এ সাবানে কাপড় কাচা চলবে না'। (উপকরণ = সাবান)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'একরাত্রি' ছোটগল্পের চরিত্র কোনটি?
  1. সুরবালা
  2. চন্দরা
  3. মৃন্ময়ী
  4. কাদম্বিনী
ব্যাখ্যা

• 'একরাত্রি' ছোটগল্প:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রেষ্ঠ গল্পসমূহের মধ্যে 'একরাত্রি' বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে। 
- গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৯৯ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ সংখ্যা 'সাধনা' পত্রিকায়।
- ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত ছোটগল্প' শীর্ষক রবীন্দ্র গল্পগ্রন্থে এটি প্রথম গ্রন্থিত হয়।
- গল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- 'সুরবালা'।

অন্যদিকে,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'শাস্তি' ছোটগল্পের নায়িকা 'চন্দরা'।
- 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের চরিত্র 'মৃন্ময়ী'।
- 'জীবিত ও মৃত' গল্পটির প্রধান চরিত্র কাদম্বিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিকল্পনা-প্রসূত মাসিক পত্রিকা কোনটি?
  1. সাধনা
  2. বঙ্গদর্শন 
  3. ভারতী
  4. তত্ত্ববোধিনী
ব্যাখ্যা

• 'ভারতী' পত্রিকা:
- 'ভারতী' জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিকল্পনা-প্রসূত মাসিক পত্রিকা। পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৮৪ বঙ্গাব্দের ১৫ শ্রাবণ (২৯ জুলাই, ১৮৭৭ খ্রি)।

- ভারতী-র প্রথম সম্পাদক ছিলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪০-১৯২৬)। তবে কার্যত পত্রিকা প্রকাশের সবরকম দায়িত্ব পালন করেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর।

- প্রথম প্রকাশিত সংখ্যার ভূমিকায় দ্বিজেন্দ্রনাথ জ্ঞান আহরণ ও শিক্ষার উন্নতি বিধানের প্রতি আলোকপাত করে এদুটি বিষয়কে পত্রিকার অভীষ্ট লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ভারতী-র প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর তিনটি রচনা প্রদান করেন। 

- ভারতী পত্রিকার সম্পাদনার ইতিহাস বেশ চমকপ্রদ। দ্বিজেন্দ্রনাথ ১২৮৪ থেকে ১২৯০ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন। পরে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্বর্ণকুমারী দেবী। তিনি ১২৯১ থেকে ১৩০১ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। স্বর্ণকুমারী দেবী তাঁর এগারো বছরের দীর্ঘ সম্পাদনাকালীন সময়ে এই চমৎকার ও উন্নতমানের পত্রিকাটির অনন্য বৈশিষ্ট্য রক্ষায় কঠোর পরিশ্রম করেন।

- ১৩০২-১৩০৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত সময়ে হিরণ্ময়ী দেবী ও সরলা দেবী যৌথভাবে পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। সরলাদেবীর সম্পাদনাধীনকালে পত্রিকাটি জাতীয়তাবাদী ভাবধারার পক্ষে অবিচল সমর্থন বজায় রাখে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এক বছর (১৩০৫ বঙ্গাব্দ) ভারতী-র সম্পাদক ছিলেন। 

অন্যদিকে, 
------------------
• 'সাধনা' পত্রিকা:
সাধনা প্রথম প্রকাশিত হয় ১২৯৮ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ মাসে (ডিসেম্বর, ১৮৯১) এবং পরবর্তী চার বছর পত্রিকাটির প্রকাশনা অব্যাহত ছিল। প্রথম তিন বছরের সংখ্যাগুলিতে সম্পাদক হিসেবে  দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরএর তৃতীয় পুত্র সুধীন্দ্রনাথের (১৮৬৯-১৯২৯) নাম ছাপা হলেও প্রকৃতপক্ষে পত্রিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি ছিলেন  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১)। প্রকাশের চতুর্থ বছরে রবীন্দ্রনাথ এর সম্পাদকের দায়িত্ব লাভ করেন। একবছর পর (কার্তিক, ১৩০২ বঙ্গাব্দ) পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।

• 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা:
বঙ্গদর্শন মাসিক সাহিত্যপত্রিকা। ১৮৭২ সালে  বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) কর্তৃক এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। উনিশ শতকের  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়। পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের পরে তাঁর ভাই  সঞ্জীবচন্দ্র ও শ্রীশচন্দ্র স্বল্প সময় বঙ্গদর্শন সম্পাদনা করেন।
 
• 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা:
'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা ব্রাহ্মসমাজের তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র। ব্রাহ্মধর্মের প্রচার এবং তত্ত্ববোধিনী সভার সভ্যদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর। উনিশ শতকের শ্রেষ্ঠ গদ্যলেখক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজনারায়ণ বসু, দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ এ পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন এবং তাঁদের লেখার মাধ্যমে তখন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এক নবযুগের সূচনা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

.
ভাষা আন্দোলনের পেক্ষাপটে রচিত নাটক কোনটি?
  1. আর্তনাদ
  2. বিবাহ
  3. নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি
  4. জীবন থেকে নেওয়া
ব্যাখ্যা

• 'বিবাহ' নাটক:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে মমতাজউদদীন আহমদের লেখা প্রথম নাটক 'বিবাহ'।
- নাটকটি ১৯৮৫ সালে প্রকাসজিত হয়। 

- বিবাহ নাটকে আমরা দেখি সখিনাকে। যে কিনা স্বপ্ন দেখেছিল তার একটি সংসার হবে, যে কিনা বধূবেশে বসার স্বপ্ন দেখেছিল, বসেছিলও। গায়ে হলুদের দিন মেহেদী মেখেছিল হাতে। কিন্তু যার সাথে তার বিয়ে হবে সেই বর ছুটে গেল মিছিলে। বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মিছিলে। পুলিশের গুলি খেয়ে পড়ে ছিল রাজপথে। যার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হলো বাংলা ভাষা। সখিনার অস্ফুট স্বরে আর্তনাদ তাইতো বুক ভেঙে আসে।

অন্যদিকে, 
------------------
• ভাষা আন্দোলনের ভিত্তিতে শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস ’আর্তনাদ’। 
• সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস ”নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি”। 
• জহির রায়হানের পরিচালিত চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেওয়া'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; The Daily Star Bangla এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
'অপকার' শব্দে 'অপ' উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নিকৃষ্ট অর্থে
  2. বিকৃত অর্থে
  3. অভাব অর্থে
  4. বিপরীত অর্থে
ব্যাখ্যা

• তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে। তৎসম উপসর্গ বিশটি।

যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

বিভিন্ন অর্থে 'অপ' উপসর্গের ব্যবহার:
বিপরীত অর্থে: অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ।
• নিকৃষ্ট অর্থে: অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
• স্থানান্তর অর্থে: অপসারণ, অপহরণ, অপনোধন।
• বিকৃত অর্থে: অপমৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. চলিত ভাষা তদ্ভব শব্দবহুল 
  2. চলিত ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী
  3. চলিত ভাষা জীবন্ত ও লোকায়ত
  4. চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল
ব্যাখ্যা

• চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য:
১. চলিত ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ সংক্ষিপ্ত। যেমন: করেছি, গিয়েছি।
২. চলিত ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ সংক্ষিপ্ত। যেমন: তারা, তাদের।
৩. চলিত ভাষায় অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন: হতে, দিয়ে।
. চলিত ভাষায় তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি।
যেমন: হাত, মাথা, ঘি, ধোয়া।
৫. চলিত ভাষার উচ্চারণ হালকা ও গতিশীল।
৬. চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল।
৭. চলিত ভাষা চটুল, জীবন্ত ও লোকায়ত।

অন্যদিকে,
• সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের (সংস্কৃত শব্দ) প্রয়োগ বেশি। যেমন: হস্ত, মস্তক, ঘৃত, ধৌত।
- সাধু ভাষার উচ্চারণ গুরুগম্ভীর।
- সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী।
- এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।

.
'আগুন' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. মার্তণ্ড
  2. ভানু
  3. সর্বভুক
  4. অনিল
ব্যাখ্যা

• 'আগুন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অনল, বহ্নি, হুতাশন, পাবক, বৈশ্বানর, দহন, সর্বভুক, শিখা, হোমাগ্নি, কৃশানু।

অন্যদিকে,
• 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ: বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।

• 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ: সবিতা, আদিত্য, দিনমণি, রবি, অরুণ, দিবাকর, বিভাবসু, মিহির, মার্তণ্ড, ভানু, বিভাকর, অর্ক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

.
'যে সৎ লোক সে কখনোই মিথ্যার সঙ্গে আপস করে না।' এখানে 'যে-সে' কোন ধরনের সর্বনাম?
  1. আত্মবাচক সর্বনাম
  2. পারস্পারিক সর্বনাম
  3. সাপেক্ষ সর্বনাম
  4. সাকুল্যবাচক সর্বনাম
ব্যাখ্যা

• সর্বনাম:
বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। সর্বনাম পদগুলোকে মূলত ৯ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: ব্যক্তিবাচক সর্বনাম ব্যক্তি নামের পরিবর্তে বসে। যেমন- আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।

২. আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে, এ ভাবটি জোরদিয়ে বোঝানোর জন্য এ ধরণের সর্বনাম ব্যবহার করা হয়। যেমন- স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপনি।

৩. নির্দেশক সর্বনাম: যে সর্বনাম নৈকট্য বা দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে নির্দেশক সর্বনাম বলে। যেমন:
নিকট নির্দেশক-এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি।
দূর নির্দেশক- ও, ওই, ওরা, উনি।

৪. অনির্দষ্ট সর্বনাম: অনির্দষ্ট বা পরিচয়হীন কিছু বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয় তাকে অনির্দিষ্ট সর্বনাম বলে। যেমন- কেউ, কোথাও, কিছু, একজন।

৫. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়। যেমন- কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি।

. সাপেক্ষ সর্বনাম: পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। যেমন- যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন ইত্যাদি।

৭. পারস্পারিক সর্বনাম: দুই পক্ষের সহযোগিতা বা নির্ভরতা বোঝাতে পারস্পরিক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন- পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।

৮. সকলবাচক/সাকুল্যবাচক সর্বনাম: ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে সকলবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন- সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ, সমস্ত ইত্যাদি।

৯. অন্যবাচক সর্বনাম: নিজ ভিন্ন অন্য কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বোঝাতে অন্যবাচক সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন: অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।

- তবে পুরাতন বই অনুযায়ী সর্বনাম ১০ প্রকার। ১০ নম্বরটি হলো- ব্যতিহারিক সর্বনাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

.
চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯০৯ সালে
  2. ১৯১৩ সালে
  3. ১৯১৬ সালে
  4. ১৯১৮ সালে
ব্যাখ্যা

১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।

• চর্যাপদ:
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
'জানালা > জান্‌লা' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. স্বরলোপ
  2. ধ্বনি বিপর্যয় 
  3. অভিশ্রুতি
  4. বিষমীভবন
ব্যাখ্যা

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।
যেমন:
- আটমেসে > আটাসে,
- কুটুম্ব > কুটুম,
- জানালা > জান্‌লা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১১.
'কাজটি কি তুমি করেছিলে?' বাক্যটি ক্রিয়ার কোন কাল নির্দেশ করে?
  1. ঘটমান অতীত কাল
  2. পুরাঘটিত বর্তমান কাল 
  3. সাধারণ অতীত কাল 
  4. পুরাঘটিত অতীত কাল
ব্যাখ্যা

• পুরাঘটিত অতীত কাল:
যে ক্রিয়া অতীতের বহু পূর্বেই সংগঠিত হয়ে গিয়েছে এবং যার পরে আরও কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলা হয়।
যেমন:
- সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম।
- কাজটি কি তুমি করেছিলে?

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
'আলকাতরা' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তুর্কি 
  2. ওলন্দাজ
  3. পর্তুগিজ 
  4. ফরাসি 
ব্যাখ্যা

আলকাতরা.
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
- এটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ। 
অর্থ:
বায়ুশূন্য বা অল্প পরিমাণ অক্সিজেনপূর্ণ পাত্রে উচ্চ তাপ-মাত্রায় পাথুরে কয়লা পাতন করে প্রাপ্ত কালো ও ঘন দাহ্য তরল পদার্থ। 

ইংরেজি শব্দ- tar, coaltar।

কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
- আনারস,
- আচার,
- আলকাতরা,
- আলপিন,
- চাবি,
- আলমারি,
- বেহালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
'তেজস্বী' শব্দের শুদ্ধ স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. তেজস্ববিনী  
  2. তেজস্বিনী 
  3. তেজস্বনী 
  4. তেজস্বীন  
ব্যাখ্যা

• পুরুষবাচক শব্দের সঙ্গে 'ইনী' প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক করা হয়।
যেমন:
- তেজস্বী - তেজস্বিনী,
- যশস্বী - যশস্বিনী,
- পয়স্বী - পয়স্বিনী,
- বিজয়ী বিজয়িনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম (২০২২ সংস্করণ)।

১৪.
বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. নাচন
  2. ঘরামি
  3. ধড়িবাজ
  4. পুষ্পিত
ব্যাখ্যা

• বাংলা কৃৎ প্রত্যয়:
সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু বিবর্জিত বাংলা ধাতুর সঙ্গে প্রাকৃত ভাষা থেকে আগত যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের বাংলা কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন:
√নাচ্ + অন = নাচন;
√ডুব্‌ + অন্ত = ডুবন্ত ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
----------------------
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় ব্যতীত বাকি প্রত্যয়গুলোকে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
বাঘ +  আ = বাঘা;
ঘর + আমি = ঘরামি ইত্যাদি।

• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের শেষে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
ডাক্তার + খানা = ডাক্তারখানা,
ধড়ি + বাজ = ধড়িবাজ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব প্রত্যয় কে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
অণু + ইক = আণবিক,
পুষ্প + ইত = পুষ্পিত

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
কোনটি যৌগিক শব্দ?
  1. মহাযাত্রা
  2. বাঁশি
  3. রাজপুত
  4. বাবুয়ানা
ব্যাখ্যা

• যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।

যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু আনা অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা মারা অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

অন্যদিকে,
মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতি বিশেষ'।
• রূঢ়ি শব্দ: হস্তী, বাঁশি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৬.
লৌকিক শ্রেণির মঙ্গলকাব্য কোনটি?
  1. অন্নদামঙ্গল
  2. কমলামঙ্গল
  3. চণ্ডীমঙ্গল
  4. ভবানীমঙ্গল
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যের নানা শ্রেণির কাব্যে মঙ্গল কথাটির প্রয়োগ থাকলেও কেবল বাংলা লৌকিক দেবতাদের নিয়ে রচিত কাব্যই 'মঙ্গলকাব্য' নামে অভিহিত হয়। বৈষ্ণব সাহিত্যের চৈতন্যমঙ্গল, গোবিন্দমঙ্গল প্রভৃতি মঙ্গল নামধেয় কাব্যের সঙ্গে মঙ্গলকাব্যের কোন যোগসূত্র নেই।
প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যগুলোকে শ্রেণিগত দিক থেকে পৌরাণিক ও লৌকিক এই দু ভাগে ভাগ করা যায়।

• পৌরাণিক শ্রেণির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: গৌরীমঙ্গল, ভবানীমঙ্গল, দুর্গামঙ্গল, অন্নদামঙ্গল, কমলামঙ্গল, গঙ্গামঙ্গল, চণ্ডিকামঙ্গল ইত্যাদি।
লৌকিক শ্রেণি হলো: শিবায়ন বা শিবমঙ্গল, মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল, কালিকামঙ্গল (বা বিদ্যাসুন্দর), শীতলামঙ্গল, রায়মঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল, সারদামঙ্গল, সূর্যমঙ্গল প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাদেশের ইতিহাস ২য় খণ্ড (মধ্যযুগ) রমেশচন্দ্র মজুমদার।

১৭.
'যুগান্তর' কোন সমাস?
  1. বহুব্রীহি সমাস 
  2. নিত্য সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস 
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা

• নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্যসমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়।

যেমন:
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- তুমি আমি ও সে = আমরা,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই,
- অন্য যুগ = যুগান্তর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

১৮.
'জলৌঘ' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. জল + ঔঘ 
  2. জল + লৌঘ
  3. জল + ওঘ
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়ম:
অ-কার কিংবা আ-কারের পর ও-কার কিংবা ঔ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ-কার হয়। ঔ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
- বন + ওষধি = বনৌষধি,
- মহা + ঔষধ = মহৌষধ,
- মহা + ওষধি = মহৌষধি,
- বন  + ঔষধ = বনৌষধ,
- জল + ওঘ = জলৌঘ,
- গঙ্গা + ওঘ = গঙ্গৌঘ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৯.
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন কোনটি?
ব্যাখ্যা

• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত।
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন: হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• কম্পিত ব্যঞ্জন- র।
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

২০.
'উড়নচণ্ডী' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. গুজব
  2. পক্ষপাতদুষ্ট
  3. নির্লজ্জ
  4. অমিতব্যয়ী
ব্যাখ্যা

• 'উড়নচণ্ডী' বাগ্‌ধারার অর্থ - অমিতব্যয়ী। 

অন্যদিকে, 
• 'উড়ো কথা' অর্থ - গুজব। 
• 'একচোখা' অর্থ - পক্ষপাতদুষ্ট। 
• 'কানকাটা' অর্থ - নির্লজ্জ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. জবাবদীহি
  2. জবাবদিহি
  3. জবাবদিহী 
  4. জবাবদীহী 
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান: জবাবদিহি। 
- এটি মিশ্র ভাষার শব্দ (জবাব (আরবি) এবং দিহি (হিন্দি) ভাষার শব্দ)। 
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
অর্থ:
- কারণ প্রদর্শন,
- কৈফিয়ত। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২২.
কোনটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ? 
  1. নবম
  2. আড়াই
  3. পহেলা
  4. দ্বাদশ 
ব্যাখ্যা

• সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা:
ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন, চার... আট ইত্যাদি।
পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ... নবম, দ্বাদশ ইত্যাদি।
• তারিখ পূরণবাচক- পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক- আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৩.
কোন ধরনের শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না?
  1. প্রত্যয় সাধিত শব্দে
  2. সমাসবদ্ধ শব্দে
  3. সন্ধি সাধিত শব্দে
  4. উপসর্গযুক্ত শব্দে
ব্যাখ্যা

• ণ-ত্ব বিধান:
বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে। এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
তৎসম শব্দের বানানে ৭-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।

'ণ' ব্যবহারের নিয়ম:
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ঘণ্টা, কাণ্ড ইত্যাদি।
- ঋ, র, ষ- এর পরে 'ণ' হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
- কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা,
স্থাণু, ফণী, পিণাক ইত্যাদি।

যেসকল ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
১. সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না। এরূপ ক্ষেত্রে 'ন' হয়। যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।
২. ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় ন কখনো (ণ) হয় না। যেমন- অন্ত, গ্রন্থ ইত্যাদি।
৩. বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৪.
'বাস করার ইচ্ছা' এক কথায় কী বলে?
  1. বিবৎসা
  2. বুভুক্ষা
  3. বিবিক্ষা
  4. বিবমিষা
ব্যাখ্যা

• 'বাস করার ইচ্ছা' এক কথায় বলে - বিবৎসা।

অন্যদিকে, 
-------------
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বুভুক্ষা।
- 'প্রবেশ করার ইচ্ছা'এর এক কথায় প্রকাশ- বিবিক্ষা।
- 'বমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ- বিবমিষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

২৫.
What is the plural form of the word "Information"?
  1. Information
  2. Informations
  3. Informationes
  4. None of these
ব্যাখ্যা

কিছু শব্দ আছে যেগুলো সব সময় Singular হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন:
- এদের সাথে s/ es যুক্ত হয় না, এদের plural ও হয় না।

Example:
- Information,
- Furniture,
- Scenery,
- Poetry,
- News,
- Ethics,
- Politics, etc.

• Information (Uncountable Noun)
- English meaning: Facts or details about somebody/ something.
- Bangla meaning: সংবাদ, তথ্য,জ্ঞান।

Note:
- এদেরকে plural করতে হলে, A piece of information (Singular), কে Two pieces of information (Plural) লিখে করতে হয়।

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das.

২৬.
He added _______ sugar to his tea because he likes it very sweet.
  1. a few
  2. few
  3. a little
  4. more
ব্যাখ্যা

• Determiner হচ্ছে noun/ pronoun এর নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, সংখ্যা বা পরিমাপ নির্দেশক।
- a few বা a little উভয়ের অর্থই হচ্ছে অল্প কয়েকটি বা অল্প পরিমাণ।
- অল্প কয়েকটি অর্থে countable noun এর পূর্বে a few বসে।

- কিন্তু অল্প একটু বা সামান্য পরিমাণ অর্থে uncountable noun এর পূর্বে a little বসে।
- তাই নিয়মানুসারে, বাক্যটিতে 'sugar' uncountable noun. তাই, এর পূর্বে determiner হিসেবে 'a little' বসবে

Complete Sentence: He added a little sugar to his tea because he likes it very sweet.

Example Sentence:
- The recipe called for a little milk to help blend the dry ingredients better.
- She drizzled a little milk over the cereal before digging in.

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

২৭.
I'm learning ____ Bengali because I've always loved the sound of the language.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article
ব্যাখ্যা

ভাষার নামের পূর্বে The বসে না
- Example: English is an international language.

• Correct answer: I'm learning Bengali because I've always loved the sound of the language.

• কিন্তু ভাষার পর Language শব্দটি থাকলে উক্ত ভাষার পূর্বে The ব্যবহার করা হয়।
- Example: The Spanish Language is very interesting to learn.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৮.
Which of the following words can be used as Interjections?
  1. So
  2. Wow
  3. Whether
  4. Neither
ব্যাখ্যা

Interjections
- Interjections are those words which express the sudden feelings of the human mind.
- যে word দ্বারা মনের আকস্মিক আবেগ, অনুভূতি ইত্যাদি প্রকাশ করা যায় তাকে Interjection বলে।

Wow:
- এটি একটি বহুল ব্যবহারকৃত একটি Interjection.
- এর দ্বারা মূলত Sentence এর বিস্ময়, উত্তেজনা, অবাক হওয়া ইত্যাদি বুঝানো হয়ে থাকে।
- Surprise অথবা Excitement বুঝাতে Wow ব্যবহার করা হয়।

- অন্য অপশনগুলো conjunction হিসেবে ব্যবহার হয়।

Source: Oxford Dictionary.

২৯.
During the drought, the plants began to shrivel ____ under the scorching sun.
  1. by
  2. to
  3. up
  4. on
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: During the drought, the plants began to shrivel up under the scorching sun.
- Bangla Meaning: খরার সময় তীব্র রোদের নিচে গাছগুলো শুকিয়ে কুঁচকে যেতে শুরু করল।

• shrivel up (phrasal verb with shrivel verb)
- English Meaning: to become dry, smaller, and wrinkled due to loss of moisture.
- Bangla Meaning: শুকিয়ে কুঁচকে যাওয়া।

"শুকিয়ে কুঁচকে যাওয়া" বোঝাতে shrivel এর পরে Preposition হিসেবে সাধারণত 'up' ব্যবহৃত হয়।

Example Sentence:
- The leaves shriveled up in the scorching sun.
- If you don’t water the plant, it’ll shrivel up and die.

Source: Cambridge Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩০.
Depression is often hereditary.
Here, the word "hereditary" is a/ an -
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adverb
  4. Adjective
ব্যাখ্যা

The correct answer is - Adjective.
- এই বাক্যে 'hereditary' শব্দটি Depression (noun) কে modify করছে।
- তাই, এটি একটি Adjective.

• Hereditary (Adjective):
- English Meaning: (of characteristics or diseases) passing from a parent to a child through the genes.
- Bangla Meaning: পুত্রপৌত্রাদিক্রমে প্রাপ্ত; পরম্পরাগত; ক্রমায়ত; কৌলিক; বংশানুক্রমিক।

More Examples:
- Diabetes may be hereditary.
- Epilepsy is frequently hereditary.
- Asthma is occasionally hereditary.

Source: Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary.

৩১.
The synonym of the word "Lethargic" is -
  1. Lazy
  2. Vigorous
  3. Bashful
  4. Animated
ব্যাখ্যা

• Lethargic (Adjective)
- English Meaning: Lacking in energy; feeling unwilling or unable to do anything.
- Bangla Meaning: অস্বাভাবিকভাবে নিদ্রালু; জড়িমাগ্রস্ত; অলস; নিশ্চেষ্ট।

Synonyms:
- Inert (জড়; অচেতন),
- Lazy (অলস, শ্রমবিমুখ),
- Indolent (নিশ্চেষ্ট),
- Unenergetic (শক্তিহীন),
- Sluggish (অলস)।

• Antonyms:
- Vigorous (বলিষ্ঠ; তেজস্বী; বলবান),
- Energetic (কর্মশক্তিসম্পন্ন; উদ্যমী),
- Animated (সজীব),
- Robust (শক্তসমর্থ),
- Industrious (পরিশ্রমী)।

Other Forms:
-  Lethargy [লেথাজি] (noun) [uncountable noun] আলস্য; তন্দ্রা; অস্বাভাবিক দীর্ঘ নিদ্রা; নিশ্চেষ্টতা; জড়িমা।
- Lethargically (adverb).

Other options:
- Bashful (adjective) লাজুক,

Example Sentences:
- All of us were suffering from headaches, feeling nauseated and very lethargic.
- Bullfrogs became lethargic with the first cold nights.

Source: Live MCQ Lecture.

৩২.
The antonym of the word "Insipid" is -
  1. Flavorless 
  2. Tasty
  3. Boring
  4. Uninteresting 
ব্যাখ্যা

• Insipid (Adjective)
- English Meaning: (of food) Lacking a strong taste or character, or (of people, activities, or entertainment) lacking in interest or energy.
- Bangla Meaning: বিরস, নীরস; বিস্বাদ, অস্বাদু।

• Synonyms:
- Tasteless (বিস্বাদ, নীরস),
- Uninteresting (নীরস),
- Boring (বিরক্তিকর),
- Flavorless (স্বাদহীন),
- Savorless (স্বাদহীন)।

Antonyms:
- Tasty (সুস্বাদু),
- Interesting (মজাদার),
- Delicious (সুস্বাদু),
- Tasteful (রুচিকর),
- Delightful (নন্দন, মজাদার)।

Other Forms:
- Insipidly (adverb) নীরসভাবে ইত্যাদি।
- Insipidness (noun)
- Insipidity [ইন্সিপিডাটি] (noun) [uncountable noun] বিস্বাদত্ব, অস্বাদুতা, নীরসতা।

Example Sentences:
- There were indeed big chunks of chocolate, but the ice-cream itself was insipid and flavorless.
- You may find insipid hospital food in every corner of this country.

Source: Live MCQ Lecture.

৩৩.
The word 'Laconic' means -
  1. Profoundly emotional
  2. Excited and enthusiastic
  3. Brief in speech or expression
  4. A salubrious place
ব্যাখ্যা

The word 'Laconic' means - Brief in speech or expression.

Laconic (Adjective):
- English Meaning: Brief or terse in speech or expression; using very few words to express what you mean.
- Bangla Meaning: সংক্ষিপ্ত; অল্পকথায় প্রকাশিত; স্বল্পভাষী ব্যক্তি।

Other options:
- Profoundly emotional - গভীরভাবে আবেগপ্রবণ।
- Excited and enthusiastic - উচ্ছ্বসিত।
- A salubrious place - স্বাস্থ্যকর জায়গা।

Source: Cambridge Dictionary, Collins Dictionary.

৩৪.
"এখন দশটা বেজে পনেরো মিনিট।" Translate into bangla.
  1. It is now fifteen minute past ten.
  2. It is now fifteen minutes with ten.
  3. It is now fifteen minutes to ten.
  4. It is now fifteen minutes past ten.
ব্যাখ্যা

"এখন দশটা বেজে পনেরো মিনিট।" - It is now fifteen minutes past ten.

সময় বলার ক্ষেত্রে,
- It + be verb + past/ to + ঘণ্টার সংখ্যা বসে।
- বেজে বুঝাতে মিনিটের পরে past/gone ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: It is now fifteen minutes past ten.

অন্যদিকে,
- বাজতে বাকি বুঝাতে মিনিটের পরে to/ of ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: It is fifteen minutes to ten. দশটা বাজতে পনেরো মিনিট বাকি।)

- সুতরাং, সঠিক অনুবাদটি হলো- It is now fifteen minutes past ten.

৩৫.
They are going to build a new bridge. (Make it passive)
  1. A new bridge is going to been built by them.
  2. A new bridge is going to being built by them.
  3. A new bridge is going to be built by them.
  4. A new bridge has going to be built by them.
ব্যাখ্যা

be going to দিয়ে Active Voice থাকলে তা Passive Voice এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Active voice এর Object টি Passive voice এর Subject হিসেবে বসে।
- Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
- going to এর কোন পরিবর্তন হয় না।
- going to এরপর be বসে।
- মূল verb এর Past participle form বসে।
- by বসে।
- Active voice এর subject টি Passive voice এ Object হিসেবে বসে।

Active Voice: They are going to build a new bridge.
• Passive Voice: A new bridge is going to be built by them.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৬.
They walked as if they _______ the whole street.
  1. owned
  2. had owned
  3. was owned
  4. had been owned
ব্যাখ্যা

As if / As though যুক্ত sentence এর ব্যবহার:
- As if / As though এর পূর্বে Present Indefinite Tense থাকলে as if/as though এর পরে Past Indefinite Tense হয় এবং Be verb থাকলে সব সময় were হয়।
- Example: He talks as though he knew everything.

- আবার, As if / As though এর পূর্বে Past Indefinite Tense থাকলে as if/as though এর পরে Past Perfect Tense হয়

Correct Answer: They walked as if they had owned the whole street.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৭.
Let’s go to the park this evening, _________?
  1. will we
  2. shall we
  3. do we
  4. aren't we
ব্যাখ্যা

Tag question করার নিয়ম:
- Tag question ব্যবহার করা হয় উক্তিটি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত করার জন্য।
- Statement positive হলে tag question টি negative হবে।
- Subject ও tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question হয়।

Let যুক্ত imperative sentence এর tag question করার নিয়ম:
- Let এরপর 's থাকেলে বুঝতে হবে যে 's দ্বারা us কে বুঝানো হয়েছে।
- Us এর পরিবর্তে We ব্যবহার করা হয়।
- Tag question এ shall we বসে।

Complete Sentence: Let's go to the park this evening, shall we?

Source: A Passage to the English Language S. M. Zakir Hussain.

৩৮.
Identify the poet who does not belong to the Romantic literary period.
  1. Alfred Tennyson
  2. William Wordsworth
  3. P. B. Shelley
  4. John Keats
ব্যাখ্যা

The poet who is not belong to the Romantic Period is - Alfred Tennyson.

Lord Alfred Tennyson (1809-1892)
- Alfred Tennyson হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন। 
- তিনি তাঁর Melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।.

The other poems of Tennyson are:
- The Lotos Eaters,
- Morte D'Arthur,
- Oenon,
- Ulysses,
- In Memoriam,
- Tithonus,
- Aurora.

Source: Britannica.

৩৯.
Who famously used iambic pentameter in his plays and sonnets?
  1. Charles Dickens
  2. George Orwell
  3. William Shakespeare
  4. John Milton
ব্যাখ্যা

The required answer is - William Shakespeare.

Iambic Pentameter
- Iambic pentameter ইংরেজি কবিতায় ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় metric line.
- "Iambic pentameter" means a line of verse with five metrical feet, each consisting of one short (or unstressed) syllable followed by one long (or stressed) syllable.
- It is a rhythmic line.
- 'Blank Verse' in Literature is a kind of verse having no rhyming ends.
- ছন্দের অন্তমিল দেখা না গেলেও এতে iambic pentameter এর দেখা মেলে।

William Shakespeare
- Born: April 26, 1564, Stratford-upon-Avon, England.
- Death: April 23, 1616, Stratford-upon-Avon.
- Shakespeare was also spelled Shakspere.
- Byname: Bard of Avon or Swan of Avon.
- He was an English poet, dramatist, and actor.
- He was often called the English national poet and considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- Shakespeare wrote 37 Plays.

• Notable works:
Tragedy
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens
- Antony and Cleopatra
- Coriolanus
- Romeo and Juliet, etc.

Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,

Comedy
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,

Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III

Source: Live MCQ Lecture and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৪০.
x2 - 3x + 1 = 0 হলে, x2 + 1/x2 এর মান কত? 
  1. 11
  2. 7
  3. 13
  4. 27
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 - 3x + 1 = 0 হলে, x2 + 1/x2 এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
x2 - 3x + 1 = 0
বা, x2 + 1 = 3x
বা, x2/x + 1/x = 3x/x
∴ x + 1/x = 3

আমরা জানি, 
x2 + 1/x2 = (x + 1/x)2 - 2.x.1/x
= (3)2 - 2
= 9 - 2
= 7

৪১.
10 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত? 
  1. 100 বর্গ সে.মি.
  2. 150 বর্গ সে.মি.
  3. 220 বর্গ সে.মি.
  4. 200 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 10 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
ব্যাসার্ধ, r = 10 সে.মি. 
তাহলে, ব্যাস = 2r = (10 × 2) = 20   [যা বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্যের সমান] 

আমরা জানি, 
ক্ষেত্রফল = (1/2) × (কর্ণ)2
= (1/2) × (20)2
= 400/2
= 200 বর্গ সে.মি. 

∴ ক্ষেত্রফল = 200 বর্গ সে.মি.। 

৪২.
একটি সংখ্যা ৫১৩ থেকে যত বড় ৬৫১ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত? 
  1. ৪৮২ 
  2. ৪৯৪ 
  3. ৫৮২
  4. ৫৯৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সংখ্যা ৫১৩ থেকে যত বড় ৬৫১ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
ধরি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে,
ক - ৫১৩ = ৬৫১ - ক
⇒ ক + ক = ৬৫১ + ৫১৩
⇒ ২ক = ১১৬৪
⇒ ক = ১১৬৪/২
∴ ক = ৫৮২

∴ সংখ্যাটি হলো = ৫৮২  । 

৪৩.
যদি a = - 3 এবং b = 2 হয়, তাহলে 8a3 + 36a2b + 54ab2 + 27b3 এর মান কত? 
  1. 0
  2. 1
  3. - 1
  4. 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a = - 3 এবং b = 2 হয়, তাহলে 8a3 + 36a2b + 54ab2 + 27b3 এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
a = - 3
এবং b = 2 

প্রদত্ত রাশি = 8a3 + 36a2b + 54ab2 + 27b3
=(2a)3 + 3·(2a)2·3b + 3·2a·(3b)2 + (3b)3
= (2a + 3b)3
= {2 × (- 3) + 3 × (2)}3
= (- 6 + 6)3
=(0)3
= 0

৪৪.
একটি কোণকের উচ্চতা 12 সে.মি. এবং আয়তন 100π ঘন সে.মি. হলে, হেলানো তলের দৈর্ঘ্য কত? 
  1. 11 সে.মি.
  2. 12 সে.মি.
  3. 13 সে.মি.
  4. 14 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কোণকের উচ্চতা 12 সে.মি. এবং আয়তন 100π ঘন সে.মি. হলে, হেলানো তলের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান: 
ধরি,
ব্যাসার্ধ = r

দেওয়া আছে,
কোণকের উচ্চতা, h = 12  সে.মি.
কোণকের আয়তন, v = 100π ঘন সে.মি.

প্রশ্নমতে, 
কোণকের আয়তন = (1/3)πr2h
বা, 100π = (1/3)πr2 × 12
বা, 100π = (1/3)πr2 × 12
বা, 100π = 4πr2
বা, 4πr2 = 100π
বা, r2 = 100π/4π
⇒ r2 = 25
⇒ r2 = 52
∴ r = 5

আমরা জানি,
হেলানো তলের দৈর্ঘ্য = √{(12)2 + (5)2}
= √(144 + 25)
= √169
= 13 সে.মি.। 

৪৫.
একজন নির্মাতা এবং একজন খুচরা বিক্রেতা উভয় ২০% লাভে একটি দ্রব্য বিক্রয় করে, যদি ঐ দ্রব্যের নির্মাণ খরচ ৩০০ টাকা হয় তবে খুচরা মূল্য কত? 
  1. ৪২০ টাকা
  2. ৪৩২ টাকা 
  3. ৩৮৮ টাকা
  4. ৫৮৫ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন নির্মাতা এবং একজন খুচরা বিক্রেতা উভয় ২০% লাভে একটি দ্রব্য বিক্রয় করে, যদি ঐ দ্রব্যের নির্মাণ খরচ ৩০০ টাকা হয় তবে খুচরা মূল্য কত? 

সমাধান: 
নির্মাতার ২০% লাভে, 
নির্মাণ খরচ ১০০ টাকা হলে খুচরা বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা 
∴ নির্মাণ খরচ ১ টাকা হলে খুচরা বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = ১২০/১০০ টাকা 
∴ নির্মাণ খরচ ৩০০ টাকা হলে খুচরা বিক্রেতার ক্রয়মূল্য = (১২০ × ৩০০)/১০০ টাকা
= ৩৬০ টাকা 

আবার, 
খুচরা বিক্রেতার ২০% লাভে, 
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে খুচরা বিক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা 
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে খুচরা বিক্রয়মূল্য = ১২০/১০০ টাকা 
∴ ক্রয়মূল্য ৩৬০ টাকা হলে খুচরা বিক্রয়মূল্য = (১২০ × ৩৬০)/১০০ টাকা 
= ৪৩২ টাকা 

∴ খুচরা মূল্য = ৪৩২ টাকা । 

৪৬.
দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যার দশকের অংক এককের অংক অপেক্ষা ২ বেশি। সংখ্যাটি এর অংকদ্বয়ের সমষ্টির সাতগুণ অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি কত? 
  1. ৩১ 
  2. ৭৫ 
  3. ৫৩ 
  4. ৬৪ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যার দশকের অংক এককের অংক অপেক্ষা ২ বেশি। সংখ্যাটি এর অংকদ্বয়ের সমষ্টির সাতগুণ অপেক্ষা ৩ বেশি। সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
ধরি, 
একক স্থানীয় অংক = ক 
দশক স্থানীয় অংক = (ক + ২) 
∴সংখ্যাটি = ১০(ক + ২) + ক 
= ১১ক + ২০ 

শর্তানুসারে, 
১১ক + ২০ = ৭(ক + ক + ২) + ৩ 
বা, ১১ক + ২০ = ৭(২ক + ২) + ৩ 
বা, ১১ক + ২০ = ১৪ক + ১৪ + ৩ 
বা, ৩ক = ৩ 
∴ ক = ১ 

∴ সংখ্যাটি = (১১ × ১) + ২০
= ৩১ । 

৪৭.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ২৩ মিটার বড়। আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা ২০৬ মিটার হলে আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত মিটার? 
  1. ৬৮ মিটার 
  2. ৬৩ মিটার 
  3. ৪৮ মিটার 
  4. ৪০ মিটার 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ২৩ মিটার বড়। আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা ২০৬ মিটার হলে আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত মিটার?

সমাধান: 
মনে করি, 
আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = x মিটার 
∴ আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = (x - ২৩) মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা = ২{x + (x - ২৩)} মিটার
= ২(২x - ২৩) মিটার
= (৪x - ৪৬) মিটার

প্রশ্নমতে,
৪x - ৪৬ = ২০৬
বা, ৪x = ২০৬ + ৪৬ 
বা, ৪x = ২৫২ 
বা, x = ২৫২/৪ 
∴ x = ৬৩
 আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য = ৬৩ মিটার

∴ আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ = (৬৩ - ২৩) মিটার
= ৪০ মিটার। 

৪৮.
ধানের মূল্য ২০% কমে যাওয়ায় ৮০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল ধান বেশি পাওয়া যায়। এক কুইন্টাল ধানের বর্তমান মূল্য কত? 
  1. ১২০০ টাকা 
  2. ১৫০০ টাকা 
  3. ১৬০০ টাকা 
  4. ২০০০ টাকা 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ধানের মূল্য ২০% কমে যাওয়ায় ৮০০০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ১ কুইন্টাল ধান বেশি পাওয়া যায়। এক কুইন্টাল ধানের বর্তমান মূল্য কত?

সমাধান: 
২০% মূল্য কমে যাওয়ায় বর্তমান মূল্য = (১০০ - ২০) টাকা 
= ৮০ টাকা

এখন, 
পূর্বমূল্য ১০০ টাকা হলে বর্তমান মূল্য = ৮০ টাকা
∴ পূর্বমূল্য ১ টাকা হলে বর্তমান মূল্য = ৮০/১০০ টাকা
∴ পূর্বমূল্য ৮০০০ টাকা হলে বর্তমান মূল্য = (৮০ × ৮০০০)/১০০ টাকা
= ৬৪০০ টাকা

∴ ১ কুইন্টাল ধানের বর্তমান মূল্য = (৮০০০ - ৬৪০০) টাকা 
= ১৬০০ টাকা। 

৪৯.
|2x - 3| < 7 অসমতাটির সমাধান কোনটি? 
  1. - 2 < x < 5 
  2. - 2 < x < 4 
  3. - 2 < x < 3 
  4. - 4 < x < 6 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |2x - 3| < 7 অসমতাটির সমাধান কোনটি? 

সমাধান: 
(2x - 3) ধনাত্মক হলে, 
2x - 3 < 7 
⇒ 2x - 3 + 3 < 7 + 3
⇒ 2x < 10
∴ x < 5

আবার,
(2x - 3) ঋণাত্মক হলে, 
- (2x - 3) < 7 
⇒ (2x - 3) > - 7
⇒ 2x - 3 + 3 > - 7 + 3
⇒ 2x >- 4
∴ x > - 2

∴ নির্ণেয় অসমতা  = - 2 < x < 5  । 

৫০.
একটি সুষম ষড়ভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 4 সে.মি. হলে, এর ক্ষেত্রফল কত? 
  1. 18√3 বর্গ সে.মি. 
  2. 32√3 বর্গ সে.মি. 
  3. 42√3 বর্গ সে.মি. 
  4. 24√3 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সুষম ষড়ভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য 4 সে.মি. হলে, এর ক্ষেত্রফল কত হবে?

সমাধান: 
মনে করি, 
সুষম ষড়ভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য, a = 4 সে.মি.
এবং
বাহুর সংখ্যা, n = 6 

আমরা জানি,
সুষম বহুভুজের ক্ষেত্রফল = (na2/4)cot(180°/n) 
= {(6 × 42)/4}Cot(180°/6) বর্গ সে.মি. 
= {(6 × 16)/4}Cot30° বর্গ সে.মি.
= (6 × 4)Cot30° বর্গ সে.মি.
= 24Cot30° বর্গ সে.মি.
= 24√3 বর্গ সে.মি.

∴ ক্ষেত্রফল = 24√3 বর্গ সে.মি.। 

৫১.
কোনো সমান্তর ধারার 13 তম পদ 77 হলে, ধারাটির প্রথম 25 টি পদের সমষ্টি কত? 
  1. 1675
  2. 1925
  3. 1750
  4. 1850
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো সমান্তর ধারার 13 তম পদ 77 হলে, ধারাটির প্রথম 25 টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান: 
ধরি, 
ধারাটির ১ম পদ = a
এবং
সাধারণ অন্তর = r
∴ 13 তম পদ = a + (13 - 1)d
= a + 12d 

শর্তমতে,
a + 12d = 77

∴ প্রথম 25 টি পদের সমষ্টি = (25/2){2a + (25 - 1)d} 
= (25/2)(2a + 24d) 
= (25/2) × 2(a + 12d) 
= (25/2) × 2 × 77 
= 25 × 77 
= 1925

৫২.
শতকরা ৬ টাকা হার সুদে কত বছরে ৫০০ টাকা সুদে-মূলে ৮০০ টাকা হয়? 
  1. ১২ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শতকরা ৬ টাকা হার সুদে কত বছরে ৫০০ টাকা সুদে-মূলে ৮০০ টাকা হয়?

সমাধান: 
এখানে, 
আসল, P = ৫০০ টাকা
সুদ, I = (৮০০ - ৫০০) টাকা = ৩০০ টাকা
সুদের হার, r = ৬%

আমরা জানি, 
I = Pnr/১০০
বা, n = (I × ১০০)/Pr
বা, n = (৩০০ × ১০০)/(৫০০ × ৬)
∴ n = ১০ বছর

৫৩.
log16x = 0.25 হলে, x এর মান কত? 
  1. 1/2
  2. 4
  3. 2
  4. 1/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log16x = 0.25 হলে, x এর মান কত?

সমাধান: 
log16x = 0.25 
∴ x = 160.25
বা, x = (24)1/4
∴ x = 2 

৫৪.
একটি দুর্গে ৫৫ দিনের জন্য ১২০০ সৈন্যের খাবার রয়েছে। ১০ দিন পর ২০০ সৈন্য দুর্গ ছেড়ে যায়। অবশিষ্ট খাবার কত দিন চলবে? 
  1. ৪৫ দিন
  2. ৪৮ দিন 
  3. ৫৪ দিন 
  4. ৫৬ দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি দুর্গে ৫৫ দিনের জন্য ১২০০ সৈন্যের খাবার রয়েছে। ১০ দিন পর ২০০ সৈন্য দুর্গ ছেড়ে যায়। অবশিষ্ট খাবার কত দিন চলবে? 

সমাধান: 
১০ দিন পর সৈন্য আছে= (১২০০ - ২০০) জন
= ১০০০ জন
এবং
দিন বাকি = (৫৫ - ১০) দিন
= ৪৫ দিন

এখন,
১২০০ জন সৈন্যের খাবার আছে = ৪৫ দিনের 
∴ ১ জন সৈন্যের খাবার আছে = ৪৫ × ১২০০ দিনের 
∴ ১০০০ জন সৈন্যের খাবার আছে = (৪৫ ×১২০০)/১০০০ দিনের 
= ৫৪ দিনের 

∴  অবশিষ্ট খাবার চলবে = ৫৪ দিন । 

৫৫.
A ও B দুটি সসীম সেট। যদি n(A) = 20, n(B) = 28 এবং n(A ∪ B) = 36 হয়, তাহলে n(A ∩ B) = কত?
  1. 12
  2. 28
  3. 44
  4. 72
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A ও B দুটি সসীম সেট। যদি n(A) = 20, n(B) = 28 এবং n(A ∪ B) = 36 হয়, তাহলে n(A ∩ B) = কত?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
n(A ∪ B) = n(A) + n(B) - n(A ∩ B) 
∴ n(A ∩ B) = n(A) + n(B) - n(A ∪ B) 
= 20 + 28 - 36 
= 48 - 36 
= 12 

৫৬.
অর্ধবৃত্তস্থ ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের মধ্যে একটি অপরটির দ্বিগুণ হলে, বৃহত্তম সূক্ষ্মকোণটির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫°
  2. ৬০°
  3. ৩০°
  4. ১২০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: অর্ধবৃত্তস্থ ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের মধ্যে একটি অপরটির দ্বিগুণ হলে, বৃহত্তম সূক্ষ্মকোণটির পরিমাণ কত?

সমাধান: 
অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সমকোণ হওয়ায় ত্রিভুজটি সমকোণী। 
ত্রিভুজটির সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের ক্ষুদ্রতম কোণটি = x হলে বৃহত্তম কোণটি হবে = ২x 

আমরা জানি, 
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° 
∴ x + ২x + ৯০° = ১৮০° 
বা, ৩x = ১৮০° - ৯০° 
বা, ৩x = ৯০° 
বা, x = ৯০°/৩ 
∴ x = ৩০°
অর্থাৎ, ক্ষুদ্রতম কোণ = ৩০° 

∴ বৃহত্তম সূক্ষ্মকোণ= ২x 
= ২ × ৩০° 
= ৬০° 

৫৭.
যদি ক : খ = ২ : ৭ এবং খ : গ = ৫ : ৭ হয়, তবে ক : খ : গ = কত? 
  1. ১০ : ৩৫ : ৪৯ 
  2. ১০ : ২৫ : ৪৯ 
  3. ২০ : ৩৫ : ৪৯
  4. ১৪ : ৩৫ : ৪৯ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ক : খ = ২ : ৭ এবং খ : গ = ৫ : ৭ হয়, তবে ক : খ : গ = কত?

সমাধান: 
ক : খ = ৪ : ৭
= (২ × ৫) : (৭ × ৫)
= ১০ : ৩৫

আবার,
খ : গ = ৫ : ৭
= (৫ × ৭ ) : (৭ × ৭)
= ৩৫ : ৪৯

∴ ক : খ : গ = ১০ : ৩৫ : ৪৯ । 

৫৮.
x4 + x2 + 1 এর একটি উৎপাদক (x2 + x + 1) হলে অপর উৎপাদকটি কত হবে? 
  1. (x2 + x + 1) 
  2. (x2 - x - 1)
  3. (x2 + x + 2) 
  4. (x2 - x + 1) 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x4 + x2 + 1 এর একটি উৎপাদক (x2 + x + 1) হলে অপর উৎপাদকটি কত হবে?

সমাধান: 
x4 + x2 + 1 
= x4 + 2x2 - x2 + 1
= (x4 + 2x2 + 1) - x2
= {(x2)2 + 2.x2.1 + (1)2} - x2
= (x2 + 1)2 - x2
= (x2 + 1 + x)(x2 + 1 - x)
= (x2 + x + 1)(x2 - x + 1)

৫৯.
ঘড়িতে যখন 4 : 25 বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত? 
  1. 15.5°
  2. 17.5°
  3. 18.5°
  4. 19.5° 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন 4 : 25 বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?

সমাধান: 
উৎপন্ন কোণ = {|11M - 60H|}/2 
= {| (11 × 25) - (60 × 4)|}/2 
= {|275 - 240|}/2 
= 35/2
= 17.5°

৬০.
দুইটি সংখ্যার গুণফল ৩৬০০। সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু ৮০ হলে, গ.সা.গু কত?
  1. ৪৮ 
  2. ৩৮ 
  3. ৪৫ 
  4. ৫৬ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার গুণফল ৩৬০০। সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু ৮০ হলে, গ.সা.গু কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ৩৬০০
সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু = ৮০

আমরা জানি, 
দুইটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুইটির ল.সা.গু × গ.সা.গু
⇒ ৩৬০০ = ৮০ × গ.সা.গু
⇒ গ.সা.গু = ৩৬০০/৮০
∴ গ.সা.গু = ৪৫

৬১.
একটি তাসের প্যাকেট হতে একটি তাস নিলে তা বিবি হওয়ার সম্ভাবনা কত? 
  1. ১/১৩
  2. ১/৪ 
  3. ১/২ 
  4. ১/১৬ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি তাসের প্যাকেট হতে একটি তাস নিলে তা বিবি হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান: 
আমরা জানি, 
তাসের সংখ্যা = ৫২ টি 

এখন,
একটি তাসের প্যাকেটে,
সাহেবের সংখ্যা = ৪ টি 
বিবির সংখ্যা = ৪ টি 
টেক্কার সংখ্যা = ৪ টি 

∴ তাসটি  বিবি হওয়ার সম্ভাবনা =  (৪/৫২) 
= ৪/৫২
= ১/১৩ ।

৬২.
কোন ডিভাইসটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. মাউস
  2. স্ক্যানার
  3. প্রজেক্টর
  4. কীবোর্ড
ব্যাখ্যা

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
’সুন্দরবন’ কী ধরনের বনাঞ্চল?
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. ক্রান্তীয় আর্দ্র পর্ণমোচী বন
  4. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
ব্যাখ্যা

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন: 
- উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্ত সীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনাঞ্চাল বিস্তৃত ।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায় ।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি :
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
১. ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
২. দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায় ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৪.
নিচের কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়?
  1. MS Word
  2. MS Excel
  3. Oracle
  4. Windows
ব্যাখ্যা
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়- Windows.
- Windows হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার এবং এটি মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System - OS)।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়‍্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
প্রাচীন গৌড়ের রাজধানী ছিল-
  1. সোনারগাঁও
  2. দিল্লি
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. মুর্শিদাবাদ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়। 
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৬৬.
পাল বংশের রাজাগণ কত বছর শাসন করেন?
  1. ২০০ বছর
  2. ৩০০ বছর
  3. ৫০০ বছর
  4. ৪০০ বছর
ব্যাখ্যা

- গোপাল প্রতিষ্ঠিত রাজবংশের নাম পাল বংশ।
- গোপালের পিতার নাম বপ্যট।
- পিতামহ ছিলেন দয়িতবিষ্ণু।
- গোপালের সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পাল রাজত্বের শুরু হয়।
- পাল বংশের রাজাগণ একটানা চার'শ বছর শাসন করেন। 
- গোপাল সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগ দেন।
- তিনি বাংলার উত্তর এবং পশ্চিমের বিরাট অংশই রাজ্যভুক্ত করেন।
- ইতিহাস গবেষকগণের অনেকেই মনে করেন, গোপাল ৭৫০ থেকে ৭৮১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রাজ্য শাসন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৬৭.
সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক্রেসকোগ্রাফ
  2. সেক্সট্যান্ট
  3. ক্রনোমিটার
  4. অলটিমিটার
ব্যাখ্যা

• সমুদ্রের দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম - ক্রনোমিটার।

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্নায়ক যন্ত্র - ক্রেসকোগ্রাফ।
- বিমানের উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র - অলটিমিটার।
- কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করার যন্ত্র হল-  সেক্সট্যান্ট।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৮.
’রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ কমিটির আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. গোলাম কিবরিয়া 
  2. আব্দুল মতিন চৌধুরি
  3. অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া
  4. সজিব রেজা চৌধুরি
ব্যাখ্যা

'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ',
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

 - ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ 
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ গঠিত হয়।
- এ কমিটি আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়,
- যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ'
- ৩১শে জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ' গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৬৯.
’বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. ৫নং
  2. ৩নং
  3. ৭(১)নং
  4. ২নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।

অন্যদিকে,

• সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।
• সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।
• সংবিধানের ৭(১)নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭০.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষার্থী  ছিলেন?
  1. বাংলা বিভাগ
  2. রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
  3. গণিত বিভাগ
  4. ইংরেজি বিভাগ
ব্যাখ্যা

আবু সাঈদ:
- আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের  শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাঈদ।

উৎস: প্রথম আলো।

৭১.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৩৭তম
  2. ১৩৬তম
  3. ১৩৯তম
  4. ১৩২তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তি সেনা প্রেরণকারী দেশ।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।
- ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাইস্মরণ করিয়ে দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

৭২.
A world of three zeros.-গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. আবুল বারাকাত চৌধুরি
  2. ড. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনুস :
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের একজন শিক্ষক।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং 'সামাজিক ব্যবসা' ধারণার প্রবর্তক।
- অধ্যাপক ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির দিক থেকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়।

- তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে' এবং '(Banker to the Poor)।
- তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য বই :
A world of three zeros,
Creating a world unlimited potential ,
Without poverty,
Super happiness,

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

৭৩.
২০২৫-২৬ বাজেটে, মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৭.৫ শতাংশ
  2. ৬.৫ শতাংশ
  3. ৬.৪ শতাংশ
  4. ৫.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৭৪.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঝিনাইদহ
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় - ঝিনাইদহ।
- ঝিনাইদহ জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৩,৯৮২ একর জমিতে পাটের আবাদ হয় উৎপাদন হয়- ২৫,১১৮.৬০ বেল।
- এবং মোট তুলার আবাদ হয়- ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন

​এছাড়াও,
​- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

​​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৭৫.
ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে কোন প্রণালী?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী 
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- দারদানেলিস এবং  মারমারা সাগরের পাশাপাশি বসফরাস প্রণালী তুর্কি ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত এবং থ্রেসকে আনাতোলিয়া থেকে পৃথক করে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে সরু প্রণালী, যা কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- মারমারা সাগর দারদানেলিস প্রণালীর মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর এবং এজিয়ান সাগরের সাথে সংযুক্ত । 
- প্রণালীটি ইউরেশিয়ার পশ্চিম অংশ দখল করে এবং এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সীমানা তৈরি করে উভয় মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগর কে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• ​জিব্রাল্টার প্রণালী:
​ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• হরমুজ প্রণালী:
​পারস্য উপসাগর (পশ্চিম) এবং আরব সাগর ( দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ।
- এই প্রণালীটি ৩৫ থেকে ৬০ মাইল (৫৫ থেকে ৯৫ কিমি) প্রশস্ত এবং ইরানকে (উত্তর) আরব উপদ্বীপ (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৬.
নিচের কোন দেশটি ASEAN জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. থাইল্যান্ড
  2. কম্বোডিয়া
  3. মালয়েশিয়া
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা

• ASEAN জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়- শ্রীলঙ্কা।

Association of South East Asian Nations - (ASEAN)

- হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক জোট।
- এটি ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট স্নায়ুযুদ্ধের সময় ‘ব্যাংকক ডিক্লারেশন’ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আসিয়ানের সদরদপ্তর জাকার্তায় অবস্থিত।

• বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি:

- ইন্দোনেশিয়া;
- মালয়েশিয়া;
- ব্রুনাই;
- সিঙ্গাপুর;
- থাইল্যান্ড;
- ফিলিপাইন;
- কম্বোডিয়া;
- ভিয়েতনাম;
- লাওস;
- মিয়ানমার।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

৭৭.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কী ধরনের?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. সংসদীয়
  3. নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র
  4. একনায়কতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত, গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে। 
- এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।

- রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন। 
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত এবং তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার উপর ন্যস্ত। 
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়বদ্ধ থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

৭৮.
বাংলাদেশের কোথায় ’আলুটিলা গুহা’ অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. সিলেট
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

আলুটিলা গুহা: 
- খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় আলুটিলার সবচেয়ে আকষীয় স্থান হচ্ছে পাহাড়ের পাদদেশে রহস্যময় এক গুহা।
- প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি বিশাল ওই গুহাটি পাহাড়কে একপাশ থেকে অন্য পাশ পযন্ত ভেদ করেছে।
- ঘুটঘুটে অন্ধকার এই গুহার ওপর থেকে ঝিরঝির করে পড়ে পানি।
- গুহার ভিতর ঢুকতে হলে মশাল জ্বালিয়ে যেতে হয়।
- পর্যটন কেন্দ্রেই ৫ থেকে ১০ টাকা দিয়ে পাওয়া যায় মশাল।
- গা ছমছম করা অনুভূতি নিয়ে পাহাড়ি সুরঙ্গ পথ বেয়ে নামতে নামতে মনে হবে আপনি যেন পাতালে চলে যাচ্ছেন।
- পাহাড়ের পাদদেশ থেকে গুহার মুখ পযন্ত যেতে এক সময় দর্শনাথীদের অনেক কষ্ট করতে হতো।
- তবে জেলা পরিষদ সেখানে পাকা সিঁড়ি নির্মাণ করায় এখন পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬ টি সিড়ি বেয়ে চলে যাওয়া যায় নিচে।
- আলুটিলা সুরঙ্গের দৈঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৯.
‘জলকেলি উৎসব’ কোন সম্প্রদায় পালন করেন?
  1. রাখাইন
  2. চাকমা
  3. সাঁওতাল
  4. গারো
ব্যাখ্যা

রাখাইন
- রাখাইন  বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী
- আঠারো শতকের শেষে আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- রাখাইনদের হাজার বছরের পুরানো এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে।
- রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর।
- রাখাইনদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত।
- রাখাইন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় বার্ষিক আয়োজন—‘জলকেলি উৎসব’।
- রাখাইনদের আরও সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, নববর্ষ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮০.
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. প্যারিস
  3. লন্ডন
  4. জুরিখ
ব্যাখ্যা

UNESCO:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (UNESCO)
- UNESCO- এর পূর্ণরুপ – United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে – ১৯৪৬ সালে।
- সদর দপ্তর - প্যারিস, ফ্রান্স।
- বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭২ সালে।
- সদস্য সংখ্যা- ১৯৩ টি এবং সহযোগী সদস্য ১১ টি।
- UNESCO- এর বর্তমান বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা- ১২৪৮ টি। (আগস্ট-২০২৫)
- UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য- ৩ টি।

উৎস: UNESCO.

৮১.
’এশিয়া কাপ ক্রিকেট-২০২৫’ কোথায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে?
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

- ১৭তম এশিয়া কাপ- ক্রিকেট, শুরু হচ্ছে ৯ সেপ্টেম্বর, শেষ হবে ২৮ সেপ্টেম্বর।
- এবার টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে, খেলা হবে আবুধাবি ও দুবাইয়ে। 
- এবারের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি সংস্করণে হবে।
- এশিয়া কাপের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি, আটটি দল অংশ নিচ্ছে।  

উৎস: প্রথম আলো।