পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ Part 1: English Literature Topics: 1. Periods of English Literature (Names and Time Period only) 2. Anglo-Saxon Period and Middle English Period. 3. Rennaissance Period [Elizabethan Period, Jacobean Period, Caroline Age, Commonwealth Period] [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] i) Important Writers: Geoffrey Chaucer, William Shakespeare, University Wits (Christopher Marlowe, Robert Greene, Thomas Nashe, Thomas Lodge, George Peele, John Lyly, Thomas Kyd), Ben Johnson, Metaphysical poet (John Donne, Henry Vaughan, Andrew Marvell, John Cleveland, Edmund Spenser, Sir Philip Sidney, Francis Bacon, Thomas Hobbes. ii) Other Writers: Thomas Moore, John Wycliffe, Sir Thomas Malory, Cavalier Poets (Richard Lovelace, Sir John Suckling, Robert Herrick, Thomas Carew), Nicholas Udall, Thomas Norton, Thomas Sackville, Caedmon, Cynewulf, Roger Bacon, William Langland, Alfred the Great, Venerable Bede, John Webster, Cyril Tourneur, Henry Vaughan, Jeremy Taylor. পার্ট – ২: ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিকসমূহ: ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
The Victorian period is divided into __________.
  1. 2 sub-ages
  2. 3 sub-ages
  3. 4 sub-ages
  4. None of these
ব্যাখ্যা
The Victorian period: [1832-1901]
- 19th century of English literature refers to - The Victorian Period.
- 1832–1901- time frame is known as the ‘Victorian Period’ in English Literature.
- এই যুগটি Queen Victoria 'র নামে নামকরণ করা হয়।
- Queen Victoria যদিও 1837 সালে ক্ষমতায় আসে কিন্তু এই যুগটির সূচনা হয় 1832 সালে।
- এর কারণ হলো 1832 সাল থেকেই সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যে আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- Fabian Society was founded in 1883 to avoid violence in class-struggle.
- G.B. Shaw was one of the members of the Fabian Society.

• Victorian period মোট ২টি সময়কালে বিভক্ত। যেমন:
- The Pre-Raphaelites: (1848-1860);
- Aestheticism & Decadence: (1880-1901).
.
Who is credited with translating the Bible into English from Latin?
  1. William Tyndale
  2. John Wycliffe
  3. Venerable Bede
  4. William Langland
ব্যাখ্যা
•  John Wycliffe translated The Bible into English from Latin.
- তিনি The Middle English Period (1066-1500) এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে একাধারে English theologian, philosopher, church reformer হিসেবেও পরিচিত।
- He was the promoter of the first complete translation of the Bible into English অর্থাৎ তিনি সর্বপ্রথম বাইবেল ল্যাটিন থেকে ইংরেজিতে সফল্ভাবে অনুবাদ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন Protestant Reformation এর অন্যতম অগ্রদূত। 
- তাঁকে the father of English prose বলা হয়ে থাকে।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
.
Which type of literary work is 'The Canterbury Tales' classified as?
  1. Sonnet sequence
  2. Epic
  3. Drama
  4. Frame story
ব্যাখ্যা
• The Canterbury Tales:
- এটি Geoffrey Chaucer রচিত।
- রচনার ধরন অনুযায়ী একে Frame story বলা হয়ে থাকে।
- এটি মূলত একটি কবিতা হলেও এতে ২৪ টি গল্প রয়েছে।
- এতে মোট ৩০ জন চরিত্রকে দেখানো হয়েছে।
- The Nun's Priest's Tale, The Knight's Tale ইত্যাদি হলো এসব গল্পের মধ্যে অন্যতম। 
 
• Chaucer:
- তিনি ছিলেন Shakespeare এর আগের একজন অন্যতম লেখক।
- The Canterbury Tales ranks as one of the greatest poetic works in English.
 
Geoffrey Chaucer এর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম সমূহ: 
- Canterbury Tales,
- The nun priest’s Tale,
- The Parliament of Fowls,
- The Legend of Good Women,
- The Book of the Duchess,
- The Romance of the Rose,
- House of Fame,
- Troilus and Criseyde.
 
Source: Britannica.com
.
'Tamburlaine the Great' is a/an -
  1. essay
  2. poem
  3. novel
  4. play
ব্যাখ্যা
• Tamburlaine the Great
- It is a great tragedy written by Christopher Marlowe.
- Christopher Marlowe রচিত প্রথম play হচ্ছে এটি। 
- এই ট্র্যাজিডিটি দুই খন্ডে বিভক্ত এবং প্রতিটি 5 acts বিশিষ্ট।
- এটি ১৫৯০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
-  মুঘল সম্রাট বাবরের পূর্ব পুরুষ তৈমুর লংয়ের জীবনী নিয়ে লেখা।
- তৈমুর লংয়ের নৃশংসতা, তার ক্ষমতার উত্থান এবং তার ও তার সাম্রাজ্যের রহস্যময় পতনের কাহিনী নিয়ে লেখা হয়েছে 'Tamburlaine the Great'.

• Christopher Marlowe (1564-1593): 
- Christopher Marlowe Elizabeth যুগের বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার।
- Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.
- তার বিখ্যাত tragedy নাটক সমূহ হচ্ছে : The Jew of Malta, Tamburlaine The Great, Edward-II, Doctor Faustus etc. 
- তিনি একজন 'University wit' ছিলেন। 

marlo
- Doctor Faustus,
- The Jew of Malta,
- Tamburlaine the Great
- Dido, Queen of Carthage” 

Source: Britannica.
.
Famous author 'Ben Jonson' is related to -
  1. The Comedy of Errors
  2. Comedy of Manners
  3. Comedy of Ideas
  4. Comedy of Humors
ব্যাখ্যা
• Ben Jonson:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে English Stuart dramatist, lyric poet এবং literary critic.
- তাকে Father of Comedy of Humours বলা হয়।

• Comedy of Humors:
- It is a dramatic genre most closely associated with the English Playwright Ben Jonson from the late 16th century.
- The comedy of humour is a genre of dramatic comedy that focuses on a character or range of characters, each of whom exhibits two or more overriding traits or 'humour' that dominate their personality, desires and conduct.
- এই ধরণের কমেডিগুলোতে সাধারণত চরিত্রগুলো নিজেদের হিউমার (temperaments) অনুযায়ী আচরণ করে থাকে।
- এই হিউমার গুলো হচ্ছে - Choleric (খিটখিটে; বদমেজাজি), melancholic (বিষাদবায়ুগ্রস্ত; বিষাদপূর্ণ), sanguine (আশাবাদী) and phelgmatic (স্বভাবত উদাসীন)।

• Example:
- Ben Jonson's Every Man in His Humour and Every Man Out of His Humour are two famous comedies of humour.

Other options,

• Comedy of Ideas: 
- A form of comedy which presents certain ideas or theories in dramatic form.
- Examples: Arms and the Man, Man and Superman, Apple cart by G. B Shaw - who was the pioneer of the comedy of ideas.

• Comedy of Manners: 
- A comedy of manners is concerned with social usage and the question of whether or not characters meet certain social standards.
- It describes a genre of realistic, satirical comedy of the Restoration period.
- It questions and comments upon the manners and social conventions of a greatly sophisticated, artificial society.
- William Congreve and Willaim Wycherley were major contributors to the comedy of manners during the Restoration age.

• The Comedy of Errors:
- এটি Shakespeare রচিত।
- প্রকাশিত হয় 1594 সালে। 
- তার রচিত এটি একটি comedy play.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
.
Who of the following authors was not a 'University Wits'?
  1. Cyril Tourneur
  2. Christopher Marlowe
  3. Robert Greene
  4. Thomas Kyd
ব্যাখ্যা
• অপশন গুলোর মধ্যে Cyril Tourneur ছাড়া বাকি সবাই হলেন University Wits এর সদস্য।
- তিনি ছিলেন একজন Jacobean author.

• University Wits:
- Elizabethan Period - এর একদল নাট্যকার (Dramatist) - কে একত্রে University Wits বলা হয়।
- এই নাট্যকারদের প্রায় সবাই Oxford বা Cambridge University এর গ্রাজুয়েট।
- তারা তাদের লেখনীতে গতানুগতিক ধারা পরিহার করে বৈচিত্র্য ও সমসাময়িক আধুনিকতা আনায়ন করেন।

University Wits - রা হচ্ছেন -
1. Christopher Marlowe - (Cambridge),
2. Robert Greene - (Cambridge),
3. Thomas Nashe - (Cambridge),
4. Thomas Lodge - (Oxford),
5. George Peele- (Oxford),
6. John Lyly - (Oxford),
7. Thomas Kyd (not university-trained).

Source: Britannica.com
.
"Mosca, Celia & Voltore" are characters created by -
  1. Edmund Spenser
  2. Ben Jonson
  3. Christopher Marlowe
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা
"Mosca, Celia & Voltore" are characters created by - Ben Jonson.

• Volpone:

- নাটকটির পুরো নাম Volpone; Or, the Fox.
- এটি একটি 5-act drama.
- এটি Ben Jonson লিখিত একটি comedy play.
- এটি 1607 সালে প্রকাশিত হয়।
- It is a story about how a wealthy Venetian without heirs, devises a scheme to become wealthier by playing on people’s greed.
- With the complicity of his servant Mosca, Volpone pretends to be near death.
- He accepts valuable gifts from three fortune hunters.
- Mosca gives assurance to each of whom that he alone is to inherit all of Volpone’s wealth.

• Volpone নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলো:
- Volpone,
- Mosca,
- Celia,
- Bonario,
- Corvino,
- Voltore,
- Corbaccio.

• Ben Jonson:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে English Stuart dramatist, lyric poet এবং literary critic.
- তাকে Father of Comedy of Humours বলা হয়।

• Best plays:
- Every Man in His Humour (1598),
- Volpone (1605),
- Epicoene; or, The Silent Woman (1609),
- The Alchemist (1610), and
- Bartholomew Fair (1614).

Source: Britannica.
.
What is the central focus of the play 'Ralph Roister Doister'?
  1. A political rivalry
  2. A battle between kingdoms
  3. A heroic knight
  4. A rich widow
ব্যাখ্যা
Ralph Roister Doister:
- এটি Nicholas Udall রচিত.
- এটি একটি Comedy.
- নাটকটি একজন rich widow কে কেন্দ্র করে।
- Christian Custance, who is betrothed to Gawyn Goodluck, a merchant. Ralph Roister Doister is encouraged throughout by a con-man trickster figure to woo Christian Custance, but his pompous attempts do not succeed.

• Nicholas Udall:
- তিনি একজন English writer.
- তিনি একাধারে একজন English playwright, translator.
- তিনি ছিলেন একজন schoolmaster.
- প্রথম comedy Ralph Roister Doister তার রচিত।

• Notable work:
- Ralph Roister Doister.

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman, Britannica, and Live MCQ Lecture.
.
What is the main cause of Othello’s downfall in the play?
  1. His poor leadership
  2. His excessive jealousy
  3. His overconfidence
  4. His betrayal by Cassio
ব্যাখ্যা
• Othello:
- এটি Shakespeare রচিত একটি Tragedy.
- It tells the story of Othello, A moor of Venice.
- নাটকটির মূল চরিত্র Othello. সে ছিল ভেনিসের একজন সেনাপতি।
- এই tragedy এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello এবং Othello এর Desdemona হচ্ছে নায়িকা।
- Villan চরিত্রে ছিল Iago.
- Othello ছিল the Moor of Venice.
- Iago, Othello কে manipulates করে Desdemona এর বিরুদ্ধে।
- সে Othello কে বলে যে Desdemona তার প্রতি unfaithful.
- এতে Othello ঈর্ষান্বিত হয়ে হঠে। 

• Iago চরিত্রটি সাহিত্য জগতে Machiavellian villain হিসেবে পরিচিত অর্থাৎ, ব্যাক্তিস্বার্থ উদ্ধারের জন্য ষড়যন্ত্রের অনুসরণ করেন যে ব্যক্তি।
- নাটকে দেখা যায়, Igao দ্বারা বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত হয়ে, Othello তাঁর স্ত্রী Desdemona কে হত্যা করে।
- In this tragedy, Othello, the hero, was affected by Othello Syndrome (a mental disorder of excessive jealousy) যার বর্শবর্তী হয়ে villain Iago এর প্ররোচনায় Othello Desdemona কে হত্যা করে।

• Iago cunningly convinces Othello that Desdemona has been unfaithful to him with Cassio, Othello's lieutenant.
- Consumed by jealousy and driven to madness, Othello succumbs to Iago's machinations and ultimately kills Desdemona. Realizing his grave error, Othello takes his own life, and Iago's treachery is exposed.

• Important characters:
- Othello,
- Desdemona,
- Brabantio,
- lago,
- Cassio,
- Emilia etc.

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.
১০.
The setting of the play 'Julius Caesar' is -
  1. Venice
  2. Denmark
  3. Rome
  4. Verona
ব্যাখ্যা
• Julius Caesar:
- তিনি Rome এর ruler ছিলেন।
- Caesar এর betrayer এর নাম হলো Brutus.
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লিখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- 'Julius Caesar' William Shakespeare এর একটি Historical Play এবং Tragedy.
- নাটকটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকে ঘিরে আবর্তিত হয় যা Julius Caesar, একজন রোমান রাষ্ট্রনায়ক এবং সামরিক জেনারেলকে হত্যার দিকে নিয়ে যায়।
- ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা সিজারের বন্ধু Brutus কে Caesar এর বিরুদ্ধে তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Caesar কে অত্যধিক ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে, Brutus এবং ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে March এর Ides এ হত্যা করে।
- Mark Antony ষড়যন্ত্রকারীদের রোম থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং একটি যুদ্ধে তাদের সাথে লড়াই করে।

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar,
- Antony and Cleopatra.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com
১১.
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুকে কী বলে?
  1. গর্জনশীল চল্লিশ
  2. অর্শ্ব অক্ষাংশ
  3. অয়ন বায়ু
  4. মেরু বায়ু
ব্যাখ্যা
পশ্চিমা বায়ু:
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
- ৩০° অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেঁষে মেরুর দিকে ৬০° অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়। এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল।
- দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ুপ্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)।

- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের মত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০° থেকে ৫০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে দুটি ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান রয়েছে।
- প্রাচীনকালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজ প্রবাহিত হবার সময় ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করে নিয়ে যেত।
- এই অঞ্চলের বায়ু প্রবাহের জন্য বাতাসের গতি যখন মন্থর হয়ে যেতো নাবিকরা তখন খাদ্য ও পানীয় জলের অনেক অভাবে তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিতো। এ জন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলে।
- উত্তর গোলার্ধে ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলটিতে শীতকালেও পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে কী বলে?
  1. নদী মনস্তি
  2. নদী জিকস্তি
  3. নদী শিকস্তি
  4. নদী পয়স্তি
ব্যাখ্যা
নদী ভাঙ্গনের সাথে জড়িত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- নদীখাতে পানি প্রবাহের কারণে পার্শ্ব ক্ষয়কে নদী ভাঙ্গন বলে।
- নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ।
- নদীর তরঙ্গাঘাতে তীরের যে জমি নষ্ট হয় তাঁকে নদী শিকস্তি বলে।
- নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে নদী পয়স্তি বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
সামুদ্রিক সমগভীরতা রেখাকে কী বলে?
  1. আইসোবাথ
  2. আইসোহেলাইন
  3. আইসোবার
  4. আইসোহাইট
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাল্পনিক রেখা:
- আইসোবার: ভূপৃষ্ঠের সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
- আইসোহেলাইন: সমুদ্রের সম লবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানের সংযোগকারী রেখা।
- আইসোথার্ম: ভূপৃষ্ঠের সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
- আইসোহাইট: ভূপৃষ্ঠের সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
- আইসোবাথ: সামুদ্রিক সমগভীরতা রেখা।
- আইসোজিওথার্ম: ভূগর্ভস্থ সমোষ্ণ রেখা।
- আইসোশেশমল: সমভূমিকম্প তীব্রতা রেখা।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
১৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল কম ভূমিকম্প প্রবণ?
  1. উত্তর - পশ্চিম
  2. উত্তর - পূর্ব
  3. দক্ষিণ - পশ্চিম
  4. দক্ষিণ - পূর্ব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।

অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য,
BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১.মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭),
২.মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬),
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
১৫.
নিচের কোন দেশ ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পাকিস্তান
  2. মরক্কো
  3. ইসরাইল
  4. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত দেশ।

ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতার কারণে জলবায়ুর ধরনেরও পার্থক্য দেখা যায়। ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০°-৪৫° অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- পশ্চিম এশিয়ার তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল; দক্ষিণ ইউরোপের পুর্তগাল, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, গ্রিস; ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ সাইপ্রাস, চিলি, করসিকা, মালটা; আফ্রিকার তিউনেশিয়া, লিবিয়া, মরক্কো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই অঞ্চলের উদাহরণ।

বৈশিষ্ট্য:
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল। 
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০° - ২৮° সে. এবং শীতকালে উষ্ণতা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে যে বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখযোগ্য তা হলো- এখানে সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩৮ সে.মি থেকে ৭৫ সে.মি।
- সাধারণত অন্যান্য এলাকার তুলনায় সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার বেশি।
- বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়। কম বৃষ্টি হয় এমন স্থানে
ঝোপঝাড় জন্মে।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক।

উৎস: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী টর্নেডো কোন জেলায় সংঘটিত হয়?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. নাটোর
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা
মানিকগঞ্জ টর্নেডো:
- মানিকগঞ্জ জেলায় ২৬ এপ্রিল, ১৯৮৯ সালে আঘাত হানে। আনুমানিক ১,৩০০ জন প্রাণহানি ঘটায়, এটি রেকর্ড করা ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে মারাত্মক টর্নেডো ছিল।
- স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে টর্নেডো আঘাত হানে এবং দৌলতপুর এলাকা থেকে পূর্ব দিকে সাটুরিয়া ও মানিকগঞ্জ সদরের এলাকায় চলে আসে - একটি অঞ্চল যেটি প্রচণ্ড খরায় ভুগছিল ।
- এটি প্রায় ২.৫ বর্গ মাইল (৬ বর্গ কিমি) এলাকার মধ্যে সমস্ত বিল্ডিংকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়।
- ১৯৭৩ সালের ১৭ এপ্রিল মানিকগঞ্জ অঞ্চলে আরেকটি টর্নেডো কমপক্ষে ৬৮১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এছাড়া,
- টর্নেডো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা স্থলভাগে সৃষ্টি হয়। স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
- সাধারণত ঝড়ের গতিবেগ ১০০ কিলোমিটারের অধিক হলে তা টর্নেডো হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- টর্নেডোর স্থায়ীত্ব স্বল্প সময়ের জন্যে হলেও এর তাণ্ডবের মাত্রা থাকে অত্যধিক।
- স্পেনীয় এবং লাতিন ভাষার সমন্বয়ে Tornado শব্দের উৎপত্তি।
- টর্নেডো শব্দের অর্থ বজ্রঝড়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী, Britannica.
১৭.
কোনটি দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ের অংশ?
  1. পূর্ব প্রস্তুতি
  2. প্রশমন
  3. সাড়াদান
  4. প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায় এবং
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়।

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়: দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।   

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়: দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।



উৎস: একাদশ শ্রেনীর ভূগোল বোর্ড বই, ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
বাংলাদেশের সর্বশেষ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কোনটি? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. বেতবুনিয়া
  2. তালিবাবাদ
  3. মহাখালী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। যথা:
- বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি), 
- তালিবাবাদ (গাজীপুর),
- মহাখালী (ঢাকা) এবং 
- সিলেট।

- প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র বেতবুনিয়া (১৯৭৫) এবং সর্বশেষ কেন্দ্র সিলেট (১৯৯৭)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
কোনটি প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়?
  1. বন্যা
  2. খড়া
  3. ভূমিকম্প
  4. শব্দ দূষণ
ব্যাখ্যা
বিপর্যয় বলতে বিপদ বা আপদের সম্ভাবনাকে বুঝায়। অর্থাৎ যে সকল ঘটনা একটি এলাকার জনগণের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, এমনকি একেবারে ধ্বংস করতে পারে, সে সকল ঘটনাকে বিপর্যয় বলে। 

বিপর্যয় দুই ধরনের হতে পারে। যেমন:
১. প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট বিপর্যয়, যেম পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, রাসায়নিক বিষক্রিয়া, যুদ্ধ ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. পুনরুদ্ধার
  2. পূর্বপ্রস্তুতি
  3. প্রশমন
  4. প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মোকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

অন্যদিকে,
দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে - 
- সাড়াদান,
- পুনরুদ্ধার ও
- উন্নয়ন।
এইগুলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. পানি উন্নয়ন বোর্ড
  2. ওয়াসা
  3. নদী গবেষণা কেন্দ্র
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
ব্যাখ্যা
FCDI প্রকল্প:
- FCDI: Flood Control, Drainage and Irrigation Projects 
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প। 
- উদ্দেশ্য: বন্যাপ্রবণ এলাকার ২০% ভূমিকে রক্ষা করা। 
- ১৯৬৪ সালে দেশজুড়ে ৫৮টি বন্যা প্রতিরোধ এবং নিষ্কাশন প্রকল্প সম্বলিত একটি মাস্টার প্ল্যান গৃহীত হয়েছিল।  
- FCDI এর প্রধান প্রধান কয়েকটি সেচ প্রকল্প হলো:
* গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট);
* ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রকল্প ;
* কর্ণফুলি বহুমুখী প্রকল্প ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর।
২২.
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে কোন দেশ?
  1. ওমান
  2. মালদ্বীপ
  3. মিয়ানমার
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’:
- ২৬ মে, ২০২৪ সালের রাত ৮টার দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
- ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এর নামকরণ করেছে ওমান।
- আরবিতে যার অর্থ বালি।

উৎস: ইত্তেফাক, ২৫ মে ২০২৪ ও বণিক বার্তা, ২৭ মে ২০২৪।
২৩.
ছোট ও মাঝারি তীব্রতার ঘূর্ণিঝড় বন্দরের উপর দিয়ে অতিক্রম করার ক্ষেত্রে কত নং বিপদ সংকেত দেয়া হয়?
  1. ৬ নং
  2. ৭ নং
  3. ৮ নং
  4. ৯ নং
ব্যাখ্যা
সতর্কতা ও বিপদ সংকেত:
ঘূর্ণিঝড়ের সময় সতর্কতা ও বিপদ বুঝানোর জন্য সমুদ্র বন্দরের জন্য ১১টি সংকেত রয়েছে এবং নদীবন্দরের জন্য ৪ টি সংকেত রয়েছে।
সমুদ্র বন্দরের ১১টির মধ্যে প্রথম চারটি সতর্কতা ও স্থানীয় সংকেত। পরের তিনটি বিপদ সংকেত এবং তার পরের তিনটি মহাবিপদ সংকেত। ১১নং সংকেত মূলত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত।
নিম্নে সমুদ্র বন্দরের ১১টি সংকেতের অর্থ দেওয়া হল
১ নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত:
জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার (কি.মি.)। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।

২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত:
দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত:
বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি.মি. হতে পারে।

৪ নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত:
বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কি.মি.। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।

৫ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭ নং বিপদ সংকেত:

বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৮ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।

১১ নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত:
আবহাওয়ার বিপদ সংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।

উৎস: ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা।
২৪.
সমুদ্র উপকূল থেকে দূরবর্তী স্থানে কেমন জলবায়ু বিরাজ করে?
  1. উষ্ণভাবাপন্ন
  2. চরমভাবাপন্ন
  3. মৃদুভাবাপন্ন
  4. সমভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর একটি নিয়ামক হলো সমুদ্র থেকে দূরত্ব। এই দূরত্বের কারণে একটি স্থানের জলবায়ুর পরিবর্তন নিম্নরূপ:

সমভাবাপন্ন: সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকার জলবায়ু সাধারণত এমন হয়ে থাকে। এইসব অঞ্চলের বায়ুর তাপমাত্রা শীত, গ্রীষ্ম ও দিন-রাত্রিতে তেমন পার্থক্য হয় না। সমুদ্র হতে প্রবাহিত আর্দ্র বায়ু শীতকালে বায়ুকে উষ্ণ ও গরমকালে বায়ুকে শীতল করে। 

মৃদুভাবাপন্ন: জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। সমুদ্র উপকূলের জলবায়ু এমন ধরনের হয়। যেমন বাংলাদেশের কক্সবাজার।

চরমভাবাপন্ন: সমুদ্র উপকূল থেকে দূরবর্তী স্থানে চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে। চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম, শীতকালে তীব্র শীত।

উৎস: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
মনু নদী প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
FCDI এর প্রধান সেচ প্রকল্পগুলো হচ্ছে:
• গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জিকে প্রজেক্ট) - কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনিয়াদহ, মাগুড়া।
• ঢাকা- নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা প্রকল্প(DND প্রজেক্ট) - বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল।
• কর্ণফুলী বহুমুখী প্রকল্প - রাঙ্গামাটি
• উপকূলীয় বেরিবাঁধ প্রকল্প - উপকূলের ১৪ টি জেলা।
• উত্তরাঞ্চল নলকূপ প্রকল্প - দিনাজপুর ও ঠঁকুরগাও।
• মেঘনা- ধনাগোদা প্রকল্প - চাঁদপুর।
• মনু নদী প্রকল্প - মৌলভীবাজার
• খোয়াই নদী প্রকল্প - হবিগঞ্জ

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৬.
একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায় কোনটির জন্য?
  1. মৃত্তিকার গঠন
  2. ভূমির ঢাল
  3. উচ্চতা
  4. মেঘ
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর একটি নিয়ামক হলো উচ্চতা।
উচ্চতা:
- উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়। 
- সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬°/৬.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়। 
যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতা ভিন্নতার জন্য এদের জলবায়ু ভিন্নরকম হয়।
দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা অনেক কম। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
জলবায়ু পরিবর্তনের মানবসৃষ্ট কারণ কোনটি?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. বাতাসে নাইট্রাস অক্সাইড বৃদ্ধি 
  3. পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
  4. মহাদেশীয় ড্রিফট
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণসমূহ ২ ভাগে ভাগ করা যায়।
১. প্রাকৃতিক কারণসমূহ
২. মনুষ্য সৃষ্ট কারণসমূহ

প্রাকৃতিক কারণসমূহ:
ক. মহাদেশীয় ড্রিফট
খ. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
গ. পৃথিবীর গতি পরিবর্তন
ঘ. সামুদ্রিক স্রোত
ঙ. ঘূর্ণিঝড়

মনুষ্য সৃষ্ট কারণসমূহ:
ক. কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি /কার্বন নিঃসরণ 
খ. খনিজ জ্বালানি ব্যবহার 
গ. বাতাসে নাইট্রাস অক্সাইড বৃদ্ধি 
ঘ. পাহাড় নিধন 
ঙ. বন্যভূমি উজাড়

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৮.
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং বাংলাদেশে আঘাত হানে কবে?
  1. ১৪ই এপ্রিল ২০২৩
  2. ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
  3. ১৪ই মে ২০২৩
  4. ২৪শে অক্টোবর ২০২২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সংঘটিত উল্লেখযোগ্য ঘূর্ণিঝড়সমূহ:
ভোলা - ১২ নভেম্বর, ১৯৭০
সিডর - ১৫ নভেম্বর, ২০০৭
আইলা - ২৫শে মে, ২০০৯
মহাসেন - ১৬ই মে ২০১৩
কোমেন - ২৯ জুলাই ২০১৫
মোরা - ৩০শে মে ২০১৭
ফণী - ২মে ২০১৯
আম্ফান - ২০শে মে ২০২০
সিত্রাং - ২৪শে অক্টোবর ২০২২
মোখা - ১৪ই মে ২০২৩

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিসি বাংলা।