পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৫৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 15” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ৪ পার্ট-১) ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাঃ ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব। ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব। ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ : প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। পার্ট-২) বাংলা সাহিত্য: টপিকসমূহ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: শওকত আলী, শওকত ওসমান, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শামসুদ্দীন আবুল কালাম, শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, সেলিনা হোসেন, সেলিম আল দীন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ শামসুল হক। ২. অন্যান্য লেখকগণ: শহীদ কাদরী, শহীদুল্লা কায়সার, শামসুজ্জামান খান, সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সত্যেন সেন, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, সমর সেন, সরদার জয়েন উদ্দিন, সানাউল হক, সিকান্দার আবু জাফর, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্বর্ণকুমারী দেবী, সোমেন চন্দ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুকুমার রায়, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ আলী আহসান, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও সম-সাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: বাংলাপিডিয়া, যেকোনো গাইড বই এবং সাথে যেকোনো একজন একাডেমিক ব্যক্তির বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৫৫ প্রশ্ন

.
শওকত আলী রচিত ত্রয়ী উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. পূর্বরাত্রি পূর্বদিন
  2. কুলায় কালস্রোত
  3. প্রদোষে প্রাকৃতজন
  4. দক্ষিণায়নের দিন 
সঠিক উত্তর:
প্রদোষে প্রাকৃতজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদোষে প্রাকৃতজন
ব্যাখ্যা

• শওকত আলী:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১২ই জানুয়ারি, দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘যাত্রা’।
- তাঁর রচিত ত্রয়ী উপন্যাস - দক্ষিণায়নের দিন, কুলায় কালস্রোত, পূর্বরাত্রি পূর্বদিন।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৮), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৯), একুশে পদক (১৯৯০) লাভ করেন।
- তিনি ২০১৮ সালের ২৫শে জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ, 
- যাত্রা, 
- প্রদোষে প্রাকৃতজন
- দক্ষিণায়নের দিন, 
- কুলায় কালস্রোত, 
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন, 
- যেতে চাই, 
- ওয়ারিশ, 
- বাসর মধুচন্দ্রিমা, 
- উত্তরের খেপ, 
- হিসাবনিকাশ, 
- দলিল, 
- উপরে ছাপ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- উন্মুল বাসনা,
- লেলিহান স্বাদ,
- শুন হে লক্ষিন্দর,
- বাবা আপনে যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস 'বড়দিদি' কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ভারতী
  2. বিচিত্রা
  3. বঙ্গদর্শন
  4. সংবাদ প্রভাকর
সঠিক উত্তর:
ভারতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতী
ব্যাখ্যা

• 'বড়দিদি' উপন্যাস: 
• 'বড়দিদি' (১৯১৩) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম মুদ্রিত উপন্যাস।
• এই উপন্যাসটি সরলা দেবী সম্পাদিত ‘ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশকালে বাংলা সাহিত্যে আলোড়নের সৃষ্টি করে। প্রথমে এর নাম ছিল ‘শিশু’।
• শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের প্রধান আকর্ষণ, নারীচরিত্রের সংযম ও মাধুর্য, শাস্ত্রশাসিত জীবন ও স্বাভাবিক প্রবৃত্তির মধ্যে টানাপোড়েন এবং সহজ সাবলীল ভাষা-সবই এখানে পূর্ণমাত্রায় প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র : সুরেন্দ্রনাথ, ব্রজরাজ, মাধবী, প্রমীলা। বড়দিদি ‘মাধবী'র নাম।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭)  ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের  প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: 
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'হাঙ্গর নদী গ্রেনেড' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. শওকত ওসমান
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

•'হাঙর নদী গ্রেনেড' উপন্যাস:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- তার মধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
- মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।

সেলিনা হোসেন:
- বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখিকা সেলিনা হোসেন।
- তিনি রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে।
- তার রচিত উপন্যাস ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীকালে এ উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম হাঙর নদী গ্রেনেড নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাস:
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড,
- পোকা মাকড়ের ঘরবসতি,
- নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি,
- জলোচ্ছ্বাস,
- নীল ময়ূরের যৌবন,
- আগষ্টের একরাত,
- খুন ও ভালোবাসা,
- কাঁটাতারের প্রজাপতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- অপেক্ষা,
- গেরিলা ও বীরাঙ্গনা,
- ঘুমকাতুরে ঈশ্বর,
- পূর্ণছবির মগ্নতা,
- ভালোবাসা প্রীতিলতা,
- কালকেতু ও ফুল্লরা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোনটি সেলিম আল দীন রচিত নাটক?
  1. নবান্ন
  2. বহিপীর
  3. চাকা
  4. কবর
সঠিক উত্তর:
চাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকা
ব্যাখ্যা

• ‘চাকা’ নাটক:
- নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও গণতন্ত্রের ফিরে আসাকে কেন্দ্র করে সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘চাকা’।
- গরুর গাড়িতে একটি লাশ যায় গ্রামের বাড়িতে। কিন্তু ঠিকানা খুঁজে না পেয়ে সেটি ঘুরতেই থাকে। লোকনাট্য ধারায় রচিত কথানাট্যটিকে অবিরাম পথচলার এক অপূর্ব আখ্যান বলা যায়।
- ১৯৯৩ সালে এই নাটকটি নিয়ে পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম সিনেমা নির্মাণ করেন।


অন্যদিকে,
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত নাটক- বহিপীর। 
- “কবর” মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক।
- বিজন ভট্টাচার্য রচিত নবান্ন' একটি নাটক।

• সেলিম আল দীন:

- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনি জেলার অন্তর্গত সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের প্রকৃত নাম মইনুদ্দিন আহমেদ ।
- ১৯৬৮ সালে কবি আহসান হাবিব সম্পাদিত ‘দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে আমেরিকার কালো মানুষদের নিয়ে তাঁর প্রথম বাংলা প্রবন্ধ 'নিগ্রো সাহিত্য' প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রথম রেডিও নাটক 'বিপরীত তমসায়' ১৯৬৯ সালে এবং প্রথম টেলিভিশন নাটক আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় 'লিব্রিয়াম' (পরিবর্তিত নাম ঘুম নেই) প্রচারিত হয় ১৯৭০ সালে।
- ১৯৮৬ সালে তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগদান এবং উক্ত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশের নাট্যশিল্পকে বিশ্বনাট্য ধারার সঙ্গে সমপংক্তিতে সমাসীন করার লক্ষ্যে ১৯৮১-৮২ সালে তিনি এবং নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দিন ইউসুফ সারাদেশব্যাপী গড়ে তোলেন 'বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার'।
- বাংলাদেশের বিচিত্র শ্রমজীবী, পেশাজীবী, বাঙালি ও বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজজীবন ও তাদের আবহমান কালের সংস্কৃতিকে তিনি তাঁর নাটকে মহাকাব্যিক ব্যাপ্তিদান করেছেন।
- ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত নাট্যগ্রন্থ:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কীর্তন খোলা,
- হাতহদাই,
- জুলান,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
শওকত ওসমান রচিত নাটক কোনটি?
  1. ক্রীতদাসের হাসি
  2. বনি আদম
  3. জন্ম যদি তব বঙ্গে
  4. আমলার মামলা
সঠিক উত্তর:
আমলার মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলার মামলা
ব্যাখ্যা

'আমলার মামলা' শওকত ওসমান রচিত নাটক।

শওকত ওসমান:

- শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক।
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।

• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস -
- ক্রীতদাসের হাসি
- সমাগম
- রাজা উপাখ্যান
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- পতঙ্গ পিঞ্জর
- রাজসাক্ষী
- জলাঙ্গী
- পুরাতন খঞ্জর
- বনি আদম
- জননী
- চৌরসন্ধি

• শওকত ওসমান রচিত নাটক -
- তস্কর নস্কর
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা
- আমলার মামলা।

• শওকত ওসমান রচিত গল্পগ্রন্থ -
ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী, পিঁজরাপোল, জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত প্রথম উপন্যাস -
  1. মালতী
  2. দীপনির্বাণ
  3. মেবার রাজ
  4. বিচিত্রা
সঠিক উত্তর:
দীপনির্বাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীপনির্বাণ
ব্যাখ্যা

• স্বর্ণকুমারী দেবী:
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভগ্নী।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি মহিলা ঔপন্যাসিক।
- স্বর্ণকুমারী দীর্ঘ ত্রিশ বছর মাসিক ভারতী পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- তিনি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন ছিলেন।
- তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাস 'দীপনির্বাণ'।
- সম্ভবত তার সবচেয়ে সেরা গ্রন্থ কাহাকে (১৮৯৮)। এ গ্রন্থটি The Unfinished Song নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- দীপ নির্বাণ,
- মেবার রাজ,
- মালতী,
- বিদ্রোহ,
- বিচিত্রা,
- স্বপ্নবাণী,
- মিলনরাত্রি।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- গাঁথা,
- কবিতা ও গান।

তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্ত উৎসব,
- দেব কৌতুক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে ‘ভাষাচার্য’ উপাধি দেন কে?
  1. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
-  ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম। 
- ভাষা বিষয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘অরিজিন এণ্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ’।
- শেষের কবিতা উপন্যাসে সুনীতিকুমারের স্বীকৃতি আছে।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে 'ভাষাচার্য' উপাধি দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- ১৯৭৭ সালের ২৯ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার্স,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- ল্যাঙ্গুয়েজ এণ্ড লিটারেচর অফ মডার্ন ইন্ডিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোন উপন্যাস ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
  1. বৈকুণ্ঠের উইল
  2. নিষ্কৃতি
  3. দেনা-পাওনা
  4. পথের দাবী
সঠিক উত্তর:
পথের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পথের দাবী
ব্যাখ্যা

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭)  ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের  প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
তারই রূপচিত্র এঁকেছেন তিনি তাঁর রচনায়। 
- তবে তাঁর উপন্যাসে ব্যক্তিবর্গের ইচ্ছাভিসার ও মুক্তি সর্বদাই সমাজ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় বলে তাঁকে রক্ষণশীলও বলা হয়ে থাকে। 
- বার্মায় বসবাসকালে তাঁর অঙ্কিত ‘মহাশ্বেতা’ অয়েল পেইন্টিং একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: 
- দেনা-পাওনা,
- বৈকুণ্ঠের উইল
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- নিষ্কৃতি
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'জলোচ্ছ্বাস' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. সুফিয়া কামাল
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সৈয়দ আলী আহসান
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

• 'জলোচ্ছ্বাস' উপন্যাসের রচয়িতা- 'সেলিনা হোসেন'। 

• সেলিনা হোসেন: 
- সেলিনা হোসেন ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত 'হাঙর নদী গ্রেনেড' সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বদেশ পরবাসী 
- একাত্তরের ঢাকা 
- নির্ভয় করো হে 

• তাঁর রচিত গল্প:
- উৎস থেকে নিরন্তর
- পরজন্ম
- মানুষটি,
- মতিজানের মেয়েরা 
- অনূঢ়া ,
- পূর্ণিমা,
- একালের পান্তাবুড়ি
- নারীর রূপকথা,

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস: 
- জলোচ্ছ্বাস,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- নীল ময়ূরের যৌবন,
- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি,
- কালকেতু ও ফুল্লরা,
- ভালোবাসা প্রীতিলতা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
'একক সন্ধায় বসন্ত' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. সেলিনা হোসেন
  3. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  4. সৈয়দ আলী আহসান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা

• 'একক সন্ধ্যায় বসন্ত' সৈয়দ আলী হাসান রচিত কাব্যগ্রন্থ।

• সৈয়দ আলী হাসান:
- সৈয়দ আলী হাসান বাংলাদেশে একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক, কবি, সাহিত্য সমালোচক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক ছিলেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ,
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত,
- সহসা সচকিত,
- আমার প্রতিদিনের শব্দ,
- চাহার দরবেশ ও অন্যান্য কবিতা,
- সমুদ্রেই যাব,
- রজনীগন্ধা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১.
‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব’ নামে এক নতুন নাট্যরীতির প্রবর্তক -
  1. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  2. সেলিম আল দীন
  3. শামসুজ্জামান খান
  4. সত্যেন সেন
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
ব্যাখ্যা

• নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন:
- ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট তৎকালীন নোয়াখালী (বর্তমান ফেনী) জেলার সোনাগাজী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন রবীন্দ্রোত্তরকালের বাংলা নাটকের প্রধান পুরুষ সেলিম আল দীন। 
- ১৯৮৬ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তার উদ্যোগেই খোলা হয় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ। 
- তিনি ১৯৮১-৮২ সালে দেশব্যাপী গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।
- ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি মর্ত্যলোকের মায়া ত্যাগ করে চলে যান অনন্তলোকে।

- সেলিম আল দীন ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব’ নামে এক নতুন নাট্যরীতির প্রচলন করেন।
- পাশ্চাত্য শিল্পের সব বিভাজনকে বাঙালির সহস্র বছরের নন্দনতত্ত্বের আলোকে অস্বীকার করে তিনি এই নবতর শিল্পরীতি প্রবর্তন করেন।
- এছাড়াও তিনি ফিউশন তত্ত্ব’র প্রবক্তা এবং নিউ এথনিক থিয়েটারের উদ্ভাবনকারী। 

উল্লেখযোগ্য নাটক : 
- জণ্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- মুনতাসির, শকুন্তলা,
- কিত্তনখোলা,
- কেরামত মঙ্গল,
- হাতহদাই,
- যৈবতী কন্যার মন,
- চাকা,
- হরগজ,
- বনপাংশুল,
- প্রাচ্য,
- নিমজ্জন,
- ধাবমান,
- স্বর্ণবোয়াল ইত্যাদি।

উৎস : যুগান্তর ও  বাংলাপিডিয়া।

১২.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত অস্তিত্ববাদী নাটক-
  1. তরঙ্গভঙ্গ
  2. চাঁদের অমাবস্যা
  3. নয়নচারা
  4. কাঁদো নদী কাঁদো
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গভঙ্গ
ব্যাখ্যা

 • ‘তরঙ্গভঙ্গ’ নাটক (১৯৬৬):
- সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ্‌র পাশ্চাত্যরীতি অনুসারী এবসার্ডধর্মী অস্তিত্ববাদী একটি নাটক ‘তরঙ্গভঙ্গ’।
- অভাব-দারিদ্র্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাত এ নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে।
- এ নাটকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলো হচ্ছে - বাদী মৌলবি আব্দুস সাত্তার, সাক্ষী মতলুব আলী।
- মৌলবি আবদুল সাত্তার নেওলাপুরী বিচারকের কাছে দরিদ্র চব্বিশ-পঁচিশ বছর বয়সী গৃহবধূ আমেনার বিরুদ্ধে শিশু স্বামী হত্যার অভিযোগ আমেনা অভাবের তাড়নায় অসুস্থ স্বামী কুতুব শেখকে চিকিৎসা করাতে না পেরে  সে ধুতরার বিষ পান করিয়ে স্বামী হত্যা করে। আর চারটি শিশুর আহার সংস্থান করতে না পেরে ছোটটিকেও সে মেরে ফেলে। বিচারক এর বিচার করতে বসেন।
- এ নাটকের একটি সংলাপ ‘ভেবেছিলেন জজ  সাহেব ঘুমিয়েছিল? না, জজ কখনো ঘুমান না।’

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- পিতা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর।
- তরঙ্গভঙ্গ।
- সুড়ঙ্গ।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু।
- চাঁদের অমাবস্যা।
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা।
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য কোনটি?
  1. হ-য-ব-র-ল
  2. ছড়ার আসর
  3. পাখির বাসা
  4. বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
সঠিক উত্তর:
হ-য-ব-র-ল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ-য-ব-র-ল
ব্যাখ্যা

• সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য-  হ-য-ব-র-ল।

অন্যদিকে,
'ছড়ার আসর'  ও 'পাখির বাসা'  শিশুতোষ গ্রন্থটির রচয়িতা - ফররুখ আহমদ।
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর শিশুতোষ গ্রন্থটির রচয়িতা - আহসান হাবীব।

• সুকুমার রায়:
- শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী হলো সুকুমার রায়ের পিতা।
- সুকুমার রায়ের পুত্র অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।

• তাঁর রচিত অন্যান্য শিশুতোষ সাহিত্য:
- আবোল-তাবোল।
- হ-য-ব-র-ল।
- পাগলা দাশু।
- বহুরূপী।
- খাইখাই।
- অবাক জলপান।
- ঝালাপালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪.
'অনেক সূর্যের আশা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. সরদার জয়েন উদ্দিন
  2. সেলিনা হোসেন
  3. সুফিয়া কামাল
  4.  রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সরদার জয়েন উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরদার জয়েন উদ্দিন
ব্যাখ্যা

• ‘অনেক সূর্যের আশা’ উপন্যাস:
- ‘অনেক সূর্যের আশা’ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পটভূমিতে সরদার জয়েনউদ্‌দীন রচিত একটি উপন্যাস।
- ‘অনেক সূর্যের আশা’ উপন্যাস তাঁকে খ্যাতি ও প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।

- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় নিদারুণ অর্থনৈতিক সংকট মানবাত্মাকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছিলো। এর ফলশ্রুতি-এক মুঠো আহার না পেয়ে মানুষ নিজের ইজ্জত খোলাম-কুচির মতো বিকিয়েছিলো, পশুর চেয়েও নিম্ন স্তরে নেমে গিয়েছিলো তার নৈতিক ধর্ম। সেসব দিনের অনেক ঘটনা চাক্ষুষ দেখবার দুর্ভাগ্য লেখকের হয়েছিল; সেগুলো আঘাত করেছে তাঁর মানসপটে, হৃদয়ে। এ উপন্যাস সেসব মনোবেদনারই জীবন্ত চেতনা বা ভাষারূপ।


• সরদার জয়েনউদ্‌দীন:
- সরদার জয়েনউদ্‌দীন মূলত কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
- ১৯১৮ সালে পাবনা জেলার কামারহাটি গ্রামের এক কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম।
- প্রকৃত নাম মুহম্মদ জয়েনউদ্‌দীন বিশ্বাস ।
- সরদার জয়েনউদ্‌দীন ছিলেন একজন জনপ্রিয় কথাশিল্পী।
- তাঁর প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘নয়ন ঢুলি’ প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে এবং এর মাধ্যমেই তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
- সরদার জয়েনউদ্‌দীনের রচনায় গণমানুষের কল্যাণ ও মুক্তিচিন্তার পাশাপাশি সমকালীন সমাজ ও রাজনীতিবিষয়ক ঘটনাবলিও প্রাধান্য পেয়েছে।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭) এবং কথাসাহিত্যে আদমজি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আদিগন্ত,
- অনেক সূর্যের আশা,
- বেগম শেফালী মির্জা,
- রোদের ঢেউ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫.
'অশীতিপর শর্মা' কার ছদ্মনাম?
  1. সমরেশ বসু
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সুকান্ত ভট্টাচার্য
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি ও ছান্দসিক।
- পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগ্‌ধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা ‘ছন্দ-সরস্বতী’ প্রকাশিত হয়।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন - নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।
- ১৯২২ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।
- তাঁর মৃত্যুর পর রচিত 'সত্যেন-প্রয়াণ' কবিতা কাজী নজরুল ইসলাম লিখেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্য:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি,
- কাব্যসঞ্চয়ন।


তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- তীর্থরেণু,
- মণি মঞ্জুষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
সৈয়দ শামসুল হক কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. রংপুর
  3. নীলফামারী
  4. গাইবান্ধা
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ শামসুল হক: 
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- তাঁর জীবনের প্রথম মঞ্চনাটক- ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
- ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ তাঁর মঞ্চসফল অপর একটি নাটক।
- তাঁর রচিত ‘রক্ত গোলাপ’ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে প্রথম জাদুবাস্তবতা নিয়ে আসে পাঠকের কাছে। 

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নূরলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস।
- শীত বিকেল।
- আনন্দের মৃত্যু।
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান।
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

• সৈয়দ শামসুল হক রচিত কবিতা:
- একদা এক রাজ্যে।
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা।
- পরানের গহীন ভিতর।
- বেজান শহরের জন্য কোরাস।
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে।
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

• সৈয়দ শামসুল হকের প্রবন্ধ: 
- হৃৎকলমের টানে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৭.
"রাজবন্দীর রোজনামচা" কার রচনা?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. শহীদুল্লা কায়সার
  4. সোমেন চন্দ
সঠিক উত্তর:
শহীদুল্লা কায়সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল্লা কায়সার
ব্যাখ্যা

 • রাজবন্দীর রোজনামচা:
• শহীদুল্লা কায়সারে আট বছরের কারাজীবনের আশা, আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ, বেদনায় নিয়ে রচিত স্মৃতিকথা মূলক গ্রন্থ ‘রাজবন্দীর রোজনামচা’। গ্রন্থটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
• গ্রন্থের শুরুতে তিনি লিখেছেন-
আট বছরের কারাজীবনে আশা আকাঙ্ক্ষা দুঃখ বেদনায় যারা ছিল নিত্যদিনের সাথী তাদের হাতে তুলে দিলাম বন্দী-জীবনের রোজনামচা।

• শহীদুল্লা কায়সার:
- শহীদুল্লা কায়সার একজন কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, লেখক।
- তিনি ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় শহীদুল্লার সাংবাদিক জীবন শুরু হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।

স্মৃতিকথা:
- রাজবন্দীর রোজনামচা।

ভ্রমণবৃত্তান্ত:
- পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ ।

বি.দ্র. 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' নামে কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত একটি প্রবন্ধ রয়েছে।

উৎস: ‘রাজবন্দীর রোজনামচা’ গ্রন্থ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৮.
‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ১৯২৩ সালে
  2. ১৯২৬ সালে
  3. ১৯২৮ সালে
  4. ১৯২৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৬ সালে
ব্যাখ্যা

সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- ‘কিশোর কবি’ সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

• সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত গ্রন্থগুলো:
- পূর্বাভাস,
- হরতাল,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৯.
'কাঞ্চনমালা' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  2. সুফিয়া কামাল
  3. সেলিনা হোসেন
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন আবুল কালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন আবুল কালাম
ব্যাখ্যা

 • 'কাঞ্চনমালা' উপন্যাসের রচয়িতা - শামসুদ্‌দীন আবুল কালাম।

উল্লেখ্য, 'কাঞ্চনমালা' নামে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীরও একটি উপন্যাস রয়েছে।

• শামসুদ্দীন আবুল কালাম:
- শামসুদ্দীন আবুল কালাম ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে বরিশালের নলছিটি থানার কামদেবপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- শামসুদ্দীন বরিশাল জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯৪১), ব্রজমোহন কলেজ থেকে আই.এ (১৯৪৩) এবং  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ (১৯৪৬) পাস করেন।

তাঁর রচনাসমূহ হলো:
গল্পগ্রন্থ: 
- অনেক দিনের আশা,
- ঢেউ,
- পথ জানা নাই,
- দুই হৃদয়ের তীর,
- শাহের বানু।

উপন্যাস: 
- আলমনগরের উপকথা,
- কাশবনের কন্যা,
- কাঞ্চনমালা,
- জায়মঙ্গল,
- কাঞ্চনগ্রাম,
- পুঁই ডালিমের কাব্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
'অনল প্রবাহ' কোন ধরনের কাব্য?
  1. শোষিত মানুষের জাগরণমূলক 
  2. মুসলিম জাগরণমূলক 
  3. বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ জাগরণমূলক 
  4. রোমান্সধর্মী
সঠিক উত্তর:
মুসলিম জাগরণমূলক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসলিম জাগরণমূলক 
ব্যাখ্যা

• 'অনল প্রবাহ' কাব্য:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।
- 'অনল প্রবাহে' কবি হেমচন্দ্ৰ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ভারত ভিক্ষা’, ‘ভারত বিলাপ' ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
- এগুলো হচ্ছে : অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ : ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।
- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
- সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন।
- পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

 তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কি নারী জীবন,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

• ভ্রমণ কাহিনী:
-তুরস্ক ভ্রমণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
'বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।' এই কালোত্তীর্ণ বাক্য কোন গ্রন্থের?
  1. শ্রীকান্ত
  2. পালামৌ
  3. কাঁদো নদী কাঁদো
  4. যাত্রা
সঠিক উত্তর:
পালামৌ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালামৌ
ব্যাখ্যা

 "বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে":
- চমৎকার এ কথাটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন 'পালামৌ' নামের ভ্রমণকাহিনীতে।
এর মূলভাব হলো সৌন্দর্য্য সর্বত্র বিকশিত হয় না । প্রাকৃতিক নিয়মে যার যথা স্থান সেখানেই তার সৌন্দর্য ফুটে উঠে।

- 'পালামৌ' সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ রচনা। 
- ছোটনাগপুরের আদিম গিরিদরী অরণ্যানী ও আরণ্যক পশু ও মানব লেখকের বর্ণনাগুণে উচ্চ সাহিত্যমূল্য লাভ করে।
- ''বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে'' এই গ্রন্থের যুগোত্তীর্ণ বাক্য।
- এই বাক্য সৃষ্টির মাধ্যমে লেখক স্মরনীয় হয়ে থাকবেন।

 সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ডেপুটি কালেক্টরেট যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
- তিনি 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ১২৮৪ থেকে ১২৮৯ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত।
- তাঁর জনপ্রিয় গ্রন্থ ‘পালামৌ' যা 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রথমে প্রকাশিত হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কণ্ঠমালা।
- মাধবীলতা।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- রামেশ্বরের অদৃষ্ট।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যাত্রা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২২.
সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
  1. শবনম
  2. চাচা-কাহিনী
  3. অবিশ্বাস্য
  4. দেশে বিদেশে
সঠিক উত্তর:
দেশে বিদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা

 • 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি: 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা-  সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

• সৈয়দ মুজতবা আলী: 

- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি  কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।  
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি।
- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য।
- শবনম।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী।
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৩.
'আরেফ আলী' কোন গ্রন্থের  বিখ্যাত চরিত্র?
  1. বহিপীর
  2. চাঁদের অমাবস্যা
  3. লালসালু
  4. কাঁদো নদী কাঁদো
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা

 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা।
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস:
- লালসালু, 
- চাঁদের অমাবস্যা, 
- কাঁদো নদী কাঁদো।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৪.
'তুরস্ক-ভ্রমণ' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সিকান্দার আবু জাফর
  2. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর:
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা

• ‘তুরস্ক ভ্রমণ’ গ্রন্থ পরিচিতি
‘তুরস্ক ভ্রমণ’ গ্রন্থটি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি। তিনি ১৯১০ সালে বঙ্গীয় প্রতিনিধি হিসেবে তুরস্ক ভ্রমণ করেন এবং সেই অভিজ্ঞতা এই গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেন। এটি তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলোর মধ্যে একটি, যা তৎকালীন তুরস্কের সংস্কৃতি, সমাজ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।

- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী :
- তিনি একাধারে লেখক, বাগ্মী এবং কৃষক নেতা। তিনি ১৮৮০ সালের ১৩ জুলাই সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্ম বলেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে 'সিরাজী' উপাধি যুক্ত করেন।
- ইসমাইল হোসেন সিরাজী সিরাজগঞ্জে কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
- তিনি জমিদার ও মহাজন বিরোধী আন্দোলনে কৃষকদের সংগঠিত করেন।
- তিনি ১৯৩১ সালের ১৭ই জুলাই মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- আকাঙ্ক্ষা,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- নব উদ্দীপনা,
- স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারা-বাঈ,
- ফিরোজা বেগম,
- নূরুদ্দীন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "তুরস্ক ভ্রমণ" ভ্রমণকাহিনি এবং বাংলাপিডিয়া।

২৫.
ঐতিহাসিক চরিত্র  "বাদশা হারুন অর রশিদ" নিচের কোন গ্রন্থে পাওয়া যায়?
  1. ক্রীতদাসের হাসি
  2. জাহান্নম হইতে বিদায় 
  3. নেকড়ে অরণ্য
  4. চিলেকোঠার সেপাই
সঠিক উত্তর:
ক্রীতদাসের হাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যা

'ক্রীতদাসের হাসি':
- শওকত ওসমানের 'ক্রীতদাসের হাসি' (১৯৬২) উপন্যাসটিতে প্রতীকাশ্রয়ে তৎকালীন পাকিস্তানিদের বিরূপ শাসনের সমালোচনা করা হয়েছে।
- বাগদাদের বাদশা হারুন অর রশিদ অত্যাচারী। সে ক্রীতদাস তাতারি ও বাঁদি মেহেরজানের প্রণয়ে বাধা সৃষ্টি এবং তাতারিকে গৃহবন্দি ও অত্যাচার করে ।
- তাতারি আমৃত্যু বাদশা হারুনের নির্যাতনের প্রতিবাদ করে যায়।
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক
- তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত।

শওকত ওসমান:
- তিনি ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা হলো:
- জননী
- ক্রীতদাসের হাসি
- সমাগম
- চৌরসন্ধি 
- রাজা উপাখ্যান
- জাহান্নম হইতে বিদায় 
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- পতঙ্গ পিঞ্জর
- আর্তনাদ
- রাজপুরুষ
- গল্পগ্রন্থ।

অন্যদিকে,
•  'চিলেকোঠার সেপাই' ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।
- এ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ওসমান গণি ওরফে রঞ্জু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৬.
‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'- অবিস্মরণীয় আহ্বানটির স্রষ্টা কে?
  1. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. সেলিম আল দীন
  4. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা

• নূরলদীনের সারাজীবন:
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য নূরলদীনের সারা জীবন।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নুরুলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নুরুলদীনের অবিস্মরণীয় আহ্বান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত।


• সৈয়দ শামসুল হক:
- সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

• তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়,
- নূরলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীত বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- এক মহিলার ছবি,
- অনুপম দিন,
- খেলারাম খেলে যা,
- নীল দংশন,
- স্তব্ধতার অনুবাদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৭.
'রূপালি স্নান' কবিতার রচয়িতা কে?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. শামসুর রাহমান
  3. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা

• 'রূপালি স্নান' কবিতা:
- রচয়িতা: শামসুর রাহমান।
- কলকাতা থেকে বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত 'কবিতা' পত্রিকায় তাঁর 'রূপালি স্নান' প্রকাশ করে বৃহত্তর বাংলায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- 'রূপালি স্নান' কে বলা যায় শামসুর রাহমানের আগমনী কবিতা।
- সংকলিত হয় প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে কাব্যগ্রন্থে।

রূপালি স্নান- কবিতা, 
- শামসুর রাহমান

শুধু দু’টুকরো শুকনো রুটির নিরিবিলি ভোজ
অথবা প্রখর ধু-ধু পিপাসার আঁজলা ভরানো পানীয়ের খোঁজ
শান্ত সোনালি আল্পনাময় অপরাহ্নের কাছে এসে রোজ
চাইনি তো আমি। দৈনন্দিন পৃথিবীর পথে চাইনি শুধুই
শুকনো রুটির টক স্বাদ আর তৃষ্ণার জল। এখনো যে শুই
ভীরু-খরগোশ-ব্যবহৃত ঘাসে, বিকেলবেলার কাঠবিড়ালিকে
দেখি ছায়া নিয়ে শরীরে ছড়ায়,- সন্ধ্যা নদীর আঁকাবাঁকা জলে (সংক্ষেপিত)।

• শামসুর রাহমান:
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি শামসুর রহমানে জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়, 
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া, পত্রিকা রিপোর্ট।

২৮.
‘কেয়ার কাঁটা’ সুফিয়া কামাল রচিত-
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. ভ্রমণ কাহিনী
  4. স্মৃতিকথা
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

'কেয়ার কাঁটা' - সুফিয়া কামালের একটি উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ।

সুফিয়া কামাল:
- সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০শে জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, বুদ্ধিজীবী, সমাজনেত্রী।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আবদুল বারি এবং মাতা সৈয়দা সাবেরা খাতুন।
- 'সওগাত' সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (১৮৮৮-১৯৯৪) ১৯২৬ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ প্রকাশ করেন।
- ১৯৩১ সালে সুফিয়া মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম ‘ভারতীয় মহিলা ফেডারেশন’-এর সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালে ‘মহিলা সংগ্রাম পরিষদ’ (বর্তমানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ) গঠিত হলে তিনি তার প্রতিষ্ঠাতাপ্রধান নির্বাচিত হন এবং আজীবন তিনি এর সঙ্গে জড়িত থাকেন।
- তাঁকে 'জননী সাহসিকা' বলা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ২০শে নভেম্বর ঢাকায় তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- সাঁঝের মায়া,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে,
- মায়া কাজল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৯.
"মোদের বাংলা ভাষা" কবিতার রচয়িতা কে?
  1. শামসুর রাহমান
  2. সানাউল হক
  3. সুফিয়া কামাল
  4. সুকুমার রায়
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা

"মোদের বাংলা ভাষা" কবিতার রচয়িতা সুফিয়া কামাল।

মোদের বাংলা ভাষা
- সুফিয়া কামাল
মোদের দেশের সরল মানুষ
কামার কুমার জেলে চাষা
তাদের তরে সহজ হবে
মোদের বাংলা ভাষা।
বিদেশ হতে বিজাতীয়
নানান কথার ছড়াছড়ি
আর কতকাল দেশের মানুষ
থাকবে বল সহ্য করি।

তার রচিত বিখ্যাত কয়েকটি কবিতা:
- প্রার্থনা
- পল্লী স্মৃতি
- জন্মেছি এই দেশে
- আজিকার শিশু
- তাহারেই পড়ে মনে
- ইতল বিতল
- হেমন্ত
- সাঁঝের মায়া
- ছোটন ঘুমায়

সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প ‘সৈনিক বধূ’। রচনা হয় ১৯২৩ সালে। গ্রন্থটি বরিশালের ‘তরুণ’ পত্রিকায় প্রকাশ পায়।

• তার রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা।

• শিশুতোষ গল্প:
- ইতল বিতল,
- নওল কিশোরের দরবারে।

• ডায়েরি: একাত্তরের ডায়েরী। 
• আত্মজীবনী: একালে আমাদের কাল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও সংশ্লিষ্ট কাব্যগ্রন্থ।

৩০.
"কালের ধুলোয় লেখা" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  2. শামসুর রাহমান
  3. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  4. সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা

• 'কালের ধুলোয় লেখা’ আত্মস্মৃতি:
- 'কালের ধুলোয় লেখা' (২০০৪) শামসুর রাহমান রচিত একটি আত্মস্মৃতি।
- 'কালের ধুলোয় লেখা' তাঁর আত্মজীবনীতে রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি শুধু নয়, বৈশ্বিক পটভূমিতে কাছ থেকে দেখা বাঙালির গণ-সংস্কৃতির ইতিহাস যেমন প্রকাশিত হয়েছে তেমনি প্রতিভাত হয়েছে তার কাব্যসত্তার ভেতর- বাহির।
- এই গ্রন্থে জীবনে ঘটেছে এমন কোনো ঘটনাকে লুকোতে চান নি তিনি। মুখোমুখি হয়েছেন বারবার।
- বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী শামসুর রাহমান অনেক অজানা ইতিহাসকে খোলসা করেছেন স্পষ্টভাবে যার মধ্য দিয়ে বিশুদ্ধ সত্যাশ্রয়ী আত্মজীবনী লেখার একটি সংস্কৃতি চালু করেন।

• শামসুর রাহমান:
- কবি, সাংবাদিক শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- শামসুর রাহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
- ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাব্য- "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে"- এর প্রকাশ কবিতায় তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
- যুদ্ধকালীন লেখা কবিতাগুচ্ছ মুক্তিযুদ্ধ শেষে ‘বন্দী শিবির থেকে’ নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ফসল অজস্র গল্প, উপন্যাস কবিতার মধ্যে ‘বন্দী শিবির থেকে’ কবিতাগুচ্ছ এক অনন্য মর্যাদার অধিকারী।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩১.
'গাবখান চ্যানেলের' অবস্থান বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. ঝালকাঠি
  2. ঝিনাইদহ
  3. কুড়িগ্রাম
  4. গাইবান্ধা
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠি
ব্যাখ্যা

• গাবখান চ্যানেল:
- গাবখান চ্যানেল বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত।
- ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর সাথে পিরােজপুরের সন্ধ্যা নদীর সংযােগ ঘটিয়েছে গাবখান চ্যানেল।
- গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার সুয়েজখাল নামে পরিচিত।
- এর ঝালকাঠি অংশে সুগন্ধা, বিষখালী ও ধানসিঁড়ি নদীর মোহনা এবং পিরোজপুর অংশে কচা নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ১৮ কিলোমিটার। 

- ঝালকাঠি জেলার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা গাবখান নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ৫ম বাংলাদেশ-চীনমৈত্রী সেতু হিসেবে পরিচিত যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গাবখান চ্যানেলের উপর দিয়ে।
- ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য ১৯১২ সালে ব্রিটিশরা ঝালকাঠি পৌর শহরের গাবখান থেকে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াঝড়ি পর্যন্ত খনন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩২.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের মোট কয়টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে?
  1. ৪ টি 
  2. ৫ টি 
  3. ৬ টি 
  4. ৭ টি 
সঠিক উত্তর:
৫ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
• রাজ্যগুলো হলো:
- আসাম, 
- মিজোরাম, 
- ত্রিপুরা, 
- মেঘালয় ও 
- পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ওয়েবসাইট।

৩৩.
'বাটালি পাহাড়' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি
  3. মৌলভীবাজার
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাটালি পাহাড়: 
- ”বাটালি পাহাড়” চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় হিসেবে স্বীকৃত। 
- চট্টগ্রামের লালখানবাজার, টাইগারপাস ও আমবাগানের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বাটালি পাহাড়ের অবস্থান।
- এই পাহাড়ের চূড়া থেকে একঝলকে পুরো শহরসহ বঙ্গোপসাগর দেখা যায়।
- এই পাহাড় এর চূড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মারকও রয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৪.
বাংলাদেশের চারপাশে অবস্থানকারী প্রধান টেকটোনিক প্লেটগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ইউরেশীয় প্লেট 
  2. বার্মা প্লেট
  3. ভারতীয় প্লেট
  4. প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের আশপাশে অবস্থিত প্রধান টেকটোনিক প্লেটগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।

• টেকটোনিক প্লেট:
- ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। 
- প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়। 
- দেশের ভেতরে ও সীমানা ঘিরে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের উৎপত্তি হওয়ার মতো একাধিক ফাটলরেখা (টেকটোনিক প্লেট বাউন্ডারি চ্যুতি বা পিবিএফ) রয়েছে। 
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।
- বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও পূর্বে ওই দুটি প্লেটের প্রান্তসীমা।
-এই প্লেটগুলোর প্রান্তবর্তী অধিকাংশ ফাটলরেখাই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে কিংবা সংলগ্ন এলাকায়।
- ফলে এসব ফাটলরেখায় বড় কোনো ভূমিকম্পের সৃষ্টি হলে দেশের মধ্যে তার প্রভাব বিধ্বংসী হবে। 

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) প্রথম আলো।

৩৫.
'চেঙ্গী নদী' নিচের কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. বান্দরবান 
  2. খাগড়াছড়ি 
  3. সিলেট
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি 
ব্যাখ্যা

• চেঙ্গী নদী:
- খাগড়াছড়ির প্রধান নদী চেঙ্গী।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এর উৎপত্তি। রাজ্যটির আঠারমুড়া থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এটি মহালছড়িতে এসে কাপ্তাই লেকে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর অববাহিকায় রয়েছে লোগং, পানছড়ি, ভাইবোনছড়া, খাগড়াছড়ি, মাইসছড়ি ও মহালছড়ি।খাগড়াছড়ির মধ্য দিয়ে বয়ে চলা নদীটির নাম চেঙ্গি।
- এটি চিংড়ি নদী নামেও পরিচিত।
- পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এঁকেবেঁকে চলা এই নদীর দৈর্ঘ্য ৯৬ কিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ ৭৭ মিটার।

তথ্যসূত্র: মহালছড়ি উপজেলা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৬.
'পলল সমভূমি' হিসাবে পরিচিত কোন জেলা?
  1. ঢাকা
  2. কক্সবাজার
  3. দিনাজপুর 
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

• পাদদেশীয় পলল সমভূমি :
- অনেক সময় পাহাড়িয়া নদী দ্বারা পলি সঞ্চিত হয়ে পাহাড়ের পাদদেশে নতুন সমভূমি গড়ে ওঠে।
- এরূপ সমভূমিকে পাহাড়ের পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলা হয়।
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পলল সমভূমি নামে পরিচিত। 
- তিস্তা, আত্রাই, যমুনেশ্বরী প্রভৃতি নদী দ্বারা এ অঞ্চল বিধৌত।
- এসব নদী হিমালয় পর্বত হতে উৎপন্ন হয়েছে। 
- ফলে নদীগুলো সহজেই পাহাড় হতে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে। 
- পাহাড়ের পাদদেশে দুই বা ততোধিক পলল পাখা বা কোণ মিলিত হয়েও পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠন করতে পারে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
'কংস' নদীর উৎপত্তিস্থল কোন পাহাড়ে?
  1. গারো পাহাড়
  2. লুসাই পাহাড়
  3. সীতা পাহাড়
  4. কংস পাহাড়
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা

• কংস নদী বা কংশ নদী বা কংসবতী নদী বা কংসাই নদী: 

- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জ জেলার একটি নদী। 
- ভারতের শিলং মালভূমির পূর্বভাগে তুরার কাছে গারো পাহাড়ে এ নদীর উৎপত্তি। 
- উৎস থেকে দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হওয়ার পর শেরপুর জেলার উত্তর ভাগে নালিতাবাড়ী উপজেলা সদরের প্রায় ১৬ কিমি উত্তর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। 
- সেখান থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে সোমেশ্বরী নদীতে মিশেছে। কংস ও সোমেশ্বরীর মিলিত স্রোত বাউলাই নদী নামে পরিচিত। 

• বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
কোন গ্রহকে পশ্চিমাকাশে 'সন্ধ্যাতারা' এবং পূর্বাকাশে 'শুকতারা' রূপে দেখা যায়?
  1. মঙ্গল 
  2. বুধ
  3. বৃহস্পতি
  4. শুক্র
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা

• শুক্র (Venus): 
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। 
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার। 
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় 'শুকতারা'। 
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় 'সন্ধ্যাতারা'। 
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান 'চন্দ্রনাথ পাহাড়টি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুমিল্লা
  3. মৌলভীবাজার
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

•বাংলাদেশের পাহাড়:
- ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত - গারো পাহাড়।
- হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৪কি.মি. পূর্বে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত
-  কালাউড়া পাহাড় মৌলভীবিাজার জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: কুলাউড়া উপজেলা, বান্দরবান জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা, সীতাকুন্ড উপজেলা, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

৪০.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে কোন কাল্পনিক রেখা ব্যবহৃত হয়?
  1. কর্কটক্রান্তি
  2. মকরক্রান্তি
  3. বিষুবরেখা
  4. মূল মধ্যরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা:
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে। 

• নিরক্ষরেখা (Equator): 
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত।
-  ভূ-গোলাককে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা। 
- এই অক্ষরেখার অপর নাম সমূহ হলো- বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)। 
- বিষুবরেখা রেখা থেকে অক্ষাংশ গণনা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
'চর কুকড়ি মুকড়ি' কোথায় অবস্থিত? 
  1. লক্ষীপুর
  2. ভোলা
  3. ফেনী
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪২.
বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে ভারতের কোন রাজ্যটি অবস্থিত নয়? 
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. মেঘালয় 
  3. ত্রিপুরা
  4. আসাম 
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যটি বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত নয়।
- ত্রিপুরা রাজ্যটি বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত। 

• বাংলাদেশের সীমানা: 

• বাংলাদেশের উত্তরে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
• পূর্বে→ আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার; 
• দক্ষিণে→  বঙ্গোপসাগর;
• পশ্চিমে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪৩.
সিকিমের পর্বত থেকে বাংলাদেশের কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে? 
  1. মনু
  2. করতোয়া
  3. কর্ণফুলী
  4. সাঙ্গু
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
‘হাইল হাওর’ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোনা
  2. মৌলভীবাজার
  3. সুনামগঞ্জ
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• ‘হাইল হাওর’:
- সিলেটের শষ্যভাণ্ডার বলে খ্যাত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলা এবং হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিত হাইল হাওর।
- ঐতিহ্যবাহী হাইল হাওর প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র ও জীবন জীবিকার বিবেচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

- এছাড়াও হাইল হাওর দেশী বিদেশী নানা জাতের পাখি, শামুক, ঝিনুক, ফোকল, ঘাস, শাপলা, শালুক, উকল, হিজল-করচ গাছ ইত্যাদি এবং অন্য বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল।

তথ্যসূত্র: মৌলভীবাজার জেলার ওয়েবসাইট।

৪৫.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে কোন কাঠ ব্যবহৃত হয়?
  1. চাপালিশ
  2. কেওয়া
  3. সুন্দরী
  4. গেওয়া
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরী
ব্যাখ্যা

• খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি: 
- খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। 
- খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি'র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। 
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। 
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান। 
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়। 
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে। 
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে। 
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

উল্লেখ্য,
বর্তমানে মিলটি বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি. ও প্রথম আলো।

৪৬.
চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির দেখা মেলে কোন জেলায়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রংপুর 
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪৭.
'ভলগা' নদীর অবস্থান কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. ইতালি
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- ভলগা নদী রাশিয়ায় অবস্থিত।

• ভলগা নদী (Volga River):
- উৎপত্তি: মস্কোর উত্তরে ভ্যালডাই হিলস।
-পতিত হয়েছে:  ক্যাসপিয়ান সাগরে, দক্ষিণে প্রায় ৩,৫৩০ কিমি দূরে।
- নদীর মোট দৈর্ঘ্য: প্রায় ৩,৫৭,০০০ মাইল।
- এটি প্রায় ২০০ উপনদী, ১,৫১,০০০ নদী ও স্থায়ী ও অস্থায়ী নালা সমন্বিত।

- এটি ইউরোপের দীর্ঘতম নদী এবং পশ্চিম রাশিয়ার প্রধান নৌপথ।
- এটি রাশিয়ার ঐতিহাসিক কেন্দ্রস্থল এবং দেশের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মূল উৎস।
- ভলগা নদীর অববাহিকা ইউরোপীয় রাশিয়ার প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ এলাকায় বিস্তৃত এবং এটি প্রায় রাশিয়ার জনসংখ্যার অর্ধেকের আবাসস্থল।
- অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে এটি বিশ্বের প্রধান নদীর মধ্যে গণ্য।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪৮.
বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন কোনটি?
  1. সুন্দরবন
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. রাতারগুল জলাবন
  4. হাকালুকি হাওর
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
ব্যাখ্যা

• রাতারগুল জলাবন: 
- রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন।
- যা সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। 
- বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর,
- আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  

৪৯.
শূন্য পয়েন্ট ও কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যবর্তী কত মিটার দূরত্বকে ‘No-Man’s-Land’ ধরা হয়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ১৫০ মিটার
  3. ১৮০ মিটার
  4. ২০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা

- কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত ১৫০ মিটার জায়গা নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত।

- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি, ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি নামে পরিচিত।
- এ চুক্তির অন্য সব বিষয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় ছিল যে, যদি কোনো দেশ সীমান্ত বরাবর বেড়া দেয়, তবে তা শূন্য পয়েন্ট থেকে নিজ ভূখণ্ডের ১৫০ মিটার ভেতরে নির্মাণ করতে হবে।

• স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

এছাড়াও
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি প্রটোকল নয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছিলো।

- ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফর করেন।
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে ওই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উক্ত প্রটোকলে সীমান্তে অচিহ্নিত অংশগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল এবং অপদখলীয় ভূমি সমস্যার সমাধান করে স্থায়ী সীমানা চিহ্নিত করা হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ভেতর থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল ও ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল বিনিময়ে সম্মত হয়।
- পরবর্তীতে এই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয়  তথ্য বাতায়ন।

৫০.
সুন্দরবনের পূর্বে যে নদী অবস্থিত -
  1. রায়মঙ্গল
  2. মাতামুহুরী
  3. বলেশ্বর
  4. রূপসা
সঠিক উত্তর:
বলেশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলেশ্বর
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- বাংলাদেশ এবং ভারত জুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবনের বৃহত্তর অংশটি (৬২%) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবস্থিত। 
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে বলেশ্বর নদী আর উত্তরে বেশি চাষ ঘনত্বের জমি বরাবর সীমানা। 
- উঁচু এলাকায় নদীর প্রধান শাখাগুলো ছাড়া অন্যান্য জলধারাগুলো সর্বত্রই বেড়িবাঁধ ও নিচু জমি দ্বারা বহুলাংশে বাঁধাপ্রাপ্ত।
- এটি সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী অঞ্চল জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে সুন্দরবন অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: খুলনা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫১.
জাতীয় বৃক্ষমেলার সূচনা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০ সালে 
  2. ১৯৯২ সাল
  3. ১৯৯৪ সালে 
  4. ১৯৯৫ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে 
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বৃক্ষমেলা: 
- জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষমেলার সূচনা হয় ১৯৯৪ সালে বন বিভাগের উদ্যোগে। 
- তবে এই সামাজিক আন্দোলনের বীজ বপন হয়েছিল আরও আগেই। 
- ১৯৯১ সালের ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দেশের প্রতিটি নাগরিককে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। 
- এরপর ১৩ আগস্ট গাজীপুরের শালনা গ্রামে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী একটি মেহগনি গাছ রোপণ করে ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ৯১’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। 
- ধীরে ধীরে এ কর্মসূচি পরিণত হয় একটি বৃহৎ জনসম্পৃক্ত সবুজ আন্দোলনে।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের জাতীয় বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য ‘পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলান ট্রিবিউন। (Link1) (Link2) 

৫২.
'শুভলং ঝর্ণা' নিচের কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. বড়লেখা
  2. কাপ্তাই
  3. বাঘাইছড়ি
  4. বরকল
সঠিক উত্তর:
বরকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরকল
ব্যাখ্যা

• শুভলং ঝর্ণা:
- শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটি সদর হতে শুভলং ঝর্ণার দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
- শুকনো মৌসুমে শুভলং ঝর্নায় খুব সামান্য পানি থাকে।
- বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে কাপ্তাইয়ের জলে গিয়ে মেশে।

তথ্যসূত্র: রাঙ্গামাটি জেলা ওয়েবসাইট।

৫৩.
'দাহনা' কোন দেশের মরুভূমি? 
  1. ইরাক
  2. সৌদি আরব 
  3. মিশর 
  4. ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব 
ব্যাখ্যা

• মরুভূমি: 
যে স্থানের বৃষ্টিপাত ২৫ সে.মি. এর কম এবং বাস্পীভবন থেকে বৃষ্টিপাত কম তাকে মরুভূমি বলে। 
মরুভূমি ২ ধরনের। 
শীতল মরুভূমি – উত্তর মেরু, দক্ষিণ মেরু ও লাদাখ । 
উষ্ণ মরুভূমি – দস্ত ই লুত।

উল্লেখযোগ্য মরুভূমি: 
- দক্ষিণ মেরু মরুভূমি – পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শীতল মরুভূমি। 
- সাহারা মরুভূমি - পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি (আফ্রিকার দুঃখ)। 
- অ্যারাবিয়ান মরুভূমি: 
   • রাব আল খালি - সৌদি আরব, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন। 
   • আন নাফুদ – সৌদি আরব 
   • দাহনা-সৌদি আরব
- গোবি মরুভূমি - মঙ্গোলিয়া এবং চীন । 
- কালাহারি – আফ্রিকা (নামিবিয়া, বতসোয়ানা, দক্ষিণ আফ্রিকা)। 
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি – অস্ট্রেলিয়া। 
- সোনোরান মরুভূমি – যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো । 
- থর মরুভূমি – ভারত ও পাকিস্তান ।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৫৪.
কোন দ্রাঘিমা রেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলা হয়?
  1. ০°
  2. ৯০°
  3. ১২০°
  4. ১৮০°
সঠিক উত্তর:
১৮০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০°
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
'পারকী' সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত? 
  1. চট্টগ্রাম
  2. কক্সবাজার
  3. বরগুনা 
  4. পটুয়াখালী 
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• পারকী সমুদ্র সৈকত: 
- স্থানীয় ভাষায় “পারকীর চর” আর পর্যটনীয় ভাষায় “পারকী বীচ" বা সৈকত”। 
- চট্টগ্রাম শহর থেকে “পারকী বীচের” দূরত্ব প্রায় ২৫ কিঃমিঃ।
-  এটা মূলত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীর মোহনার পশ্চিম তীরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং পূর্বদক্ষিণ তীরে পারকী সমুদ্র সৈকত।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানার অর্ন্তগত একটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত।
- চট্টগ্রাম সার কারখানা ও কাফকো যাওয়ার পথ ধরে এই সৈকতে যেতে হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।