পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) প্রাচীন যুগ - প্রাচীন জনপদ বিভিন্ন রাজবংশের শাসন, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; ii) মধ্যযুগ - মুসলিম শাসন, মুঘল, সুলতানি ও নবাবী আমলে বাংলা ও উপমহাদেশ। উৎস: বোর্ড বই (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই), বাংলাপিডিয়া অথবা যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
ভারতবর্ষের প্রথম কামানের ব্যবহার হয় কোন যুদ্ধে?
  1. তরাইনের প্রথম যুদ্ধ
  2. পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ
  3. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
  4. পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল: ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন।
- পানি পথের প্রথম যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।

• পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল: হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল: মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

.
রাঢ় জনপদের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. নদীয়া
  2. কোটিবর্ষ
  3. বিক্রমপুর
  4. দেবপর্বত
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
ব্যাখ্যা

রাঢ়:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূক্ষদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'সোমপুর বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা

সোমপুর বৌদ্ধ বিহার:
- নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার।
- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সোমপুর বিহার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।
- ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন।
- ১৯২৩ সাল থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যমত্ম এর খনন কাজ চলে।
- খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল। ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ নৃপতি কে ছিলেন?
  1. হুবিষ্ক
  2. কনিষ্ক
  3. বাসুদেব
  4. শশাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
কনিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনিষ্ক
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলেন কনিষ্ক। 
- উমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কুষাণ সম্রাটগণ।
- কুষাণ সম্রাট বীম কদফিসেসই সম্ভবত সর্বপ্রথম স্বর্ণমুদ্রা প্রবর্তন করেন যেখানে মুদ্রার উপরিপৃষ্ঠে বেদিতে যজ্ঞরত রাজার প্রতিকৃতি উৎকীর্ণ রয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মনে করেন, এই বিশেষ প্রতিকৃতি পার্থিয়ান রাজা গোটার্জেসের স্বর্ণমুদ্রার নকশা দ্বারা প্রভাবিত।
- তবে পরবর্তীকালের কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক ও হুবিষ্ক তাদের স্বর্ণমুদ্রায় বিভিন্ন ধরনের নকশা ও প্রতীক ব্যবহার করেছেন যেগুলো আলাদাভাবে বিশ্লেষণের দাবি রাখে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ বাংলার বিভিন্ন প্রত্নস্থান থেকে কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক, হুবিষ্ক ছাড়াও মহানাদ কুষাণ, প্রথম বাসুদেব ও দ্বিতীয় বাসুদেবের স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কার করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএ বাংলা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'করতলব খান' কার উপাধি?
  1. সুজাউদ্দিন খান
  2. আলীবর্দী খান
  3. মুর্শিদকুলি খান
  4. সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা

মুর্শিদকুলি খান:
- মুর্শিদকুলি খানের উপাধি "করতলব খান"।
- মুর্শিদকুলি খান দক্ষিণ ভারতের একটি দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।
- হাজী শফী ইস্পাহানী ছিলেন দাক্ষিণাত্যে শায়েস্তা খানের দিওয়ান।
- তিনি অল্প বয়সী মুর্শিদ কুলিকে কিনে নিয়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন।
- প্রথমে তার নাম রাখা হয় মুহাম্মদ হাদী।
- রাজস্ব আদায়ের কাজে তাঁর অভিজ্ঞতা শেষ পর্যন্ত সম্রাট আওরঙ্গজেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- কর্মদক্ষতার গুণে আপ্লুত আওরঙ্গজেব তাঁকে হায়দারাবাদের দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে "করতলব খান" উপাধি প্রদান করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র,  এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পাল বংশের 'শেষ মুকুটমণি' বলা হয় কোন শাসককে?
  1. ধর্মপাল
  2. দেবপাল 
  3. রামপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা

রামপাল:
- রামপালকে পালবংশের শেষ 'মুকুটমণি' বলা হয়।
- দ্বিতীয় শূরপালের পর রামপাল পাল বংশের রাজা হন।
- লিপি প্রমাণে বলা যায় তিনি ৪২ বছর  রাজত্ব করেন।
- তিনি আনুমানিক ১০৮২-১১২৪ খ্রি পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- প্রথম দিকে তাঁর রাজ্য বিহার ও পশ্চিম বাংলার অংশবিশেষে সীমাবদ্ধ ছিল।
- অগ্রজ দুই ভ্রাতার পর রামপাল বেশ প্রৌঢ় অবস্থায় সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তাঁর রাজত্বকাল ছিল নিঃসন্দেহে সাফল্যপূর্ণ।
- সীমিত সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়েও উত্তর বাংলাকে পাল সাম্রাজ্যভুক্ত করে।
- তাঁর মৃত্যুর পর এই সাম্রাজ্য দ্রুত গতিতে বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালের প্রধান ঘটনা ছিল উত্তর বাংলার সামন্ত বিদ্রোহ।
- 'রামচরিত' কাব্যে এই বিদ্রোহ ও বিদ্রোহোত্তর ঘটনাবলীর পাওয়া যায়।
- গোপালের উত্থানের মধ্যে দিয়ে পাল রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পাল রাজবংশ প্রায় ৪শ বছর স্থায়ী ছিল।

উৎস: ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
অবিভক্ত প্রাচীন বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কে ছিলেন?
  1. লক্ষণ সেন
  2. শশাঙ্ক
  3. ধর্মপাল
  4. অশোক
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক: 
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্কই প্রথম সার্বভৌম (স্বাধীন) শাসক।
- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক "স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।"
- শশাঙ্ক প্রথম জীবনে স্বাধীন রাজা ছিলেন না, গুপ্ত বংশীয় মহাসেন নামক এক রাজার সামন্ত ছিলেন।
- ষষ্ঠ শতকের শেষের দিকে গৌড়ের পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজাগণ দুর্বল হয়ে পড়েন।
- এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক ৬৩৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে গৌড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- গোটা বাংলায় নেমে আসে অন্ধকারের যুগ।
- প্রায় একশ বছর বাংলার ইতিহাসে যে অরাজকতা, নেতৃত্বের শূন্যতার সৃষ্টি হয় তাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
পানিপথের ২য় যুদ্ধ কার কার মধ্যে সংঘঠিত হয়?
  1. বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী
  2. বৈরাম খাঁ বনাম হিমু
  3. আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা
  4. হিমু বনাম মারাঠা
সঠিক উত্তর:
বৈরাম খাঁ বনাম হিমু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈরাম খাঁ বনাম হিমু
ব্যাখ্যা

পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ: 
- ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে আকবর আফগান শাসক আদিল শাহ সুরের সেনাপতি হিমুকে পরাস্ত করেন।
- মুঘল শাসনের ইতিহাসে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল চূড়ান্ত মীমাংসাত্মক যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ভারতে মুঘল শক্তি স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভারতে আফগানদের আধিপত্যের অবসান হয়।
- এর ফলে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত ভিত্তি দৃঢ়ভাবে স্থাপিত হয় এবং মুঘল সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ প্রশস্ত হয়।

অন্যদিকে,
- পানি পথের প্রথম যুদ্ধ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ: আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

.
বখতিয়ার খলজী বাংলার কোন রাজাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন?
  1. বল্লাল সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. কেশব সেন
  4. লক্ষণ সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা

বখতিয়ার খিলজির নদীয়া অভিযান:
- ১২০৪ সালে লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে তুর্কী বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা করেন।

- বিহারকে মূল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি পূর্ব দিকে সেনারাজ্য আক্রমণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।
- বাংলার সেনবংশীয় বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- সেনদের আদি রাজধানী ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে।
- নদীয়া ছিল তাদের দ্বিতীয় রাজধানী।
- বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ খ্রি. নদীয়া জয় করেন।
- নদীয়া আক্রমণের সময় বখতিয়ার বাংলার সাধারণ প্রবেশ পথ তেলিয়াগর্হির গিরিপথ দিয়ে না ঢুকে উড়িষ্যার ঝড়খন্ডের জঙ্গলের দূর্গম পথে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- তিনি ঘোড়া ব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে মাত্র ১৭ বা ১৮ জন অগ্রগামী অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে দ্রুতগতিতে নদীয়ার দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হন।
- মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি রাজপ্রাসাদের রক্ষীদের হত্যা করে প্রাসাদে ঢুকে অতর্কিতে আক্রমণ শুরু করেন।
- ইতিমধ্যে তাঁর মূল বাহিনী এসে পড়ে।
- এ সময় রাজা লক্ষণ সেন মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন।
- তিনি এ আকস্মিক আক্রমণে ভীত হয়ে কোন প্রতিরোধ ছাড়াই পেছনের দরজা দিয়ে নৌকা যোগে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে পালিয়ে যান।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
প্রাচীন বাংলার বরেন্দ্র জনপদ অঞ্চল নয় কোনটি?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. দিনাজপুর
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল। 

উল্লেখ্য,
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রাচীন বাংলার গৌড় জনপদের অংশ ছিল।
- এছাড়াও মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান-ও গৌড় জনপদের অংশ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১১.
'মাৎস্যন্যায়' যুগের অবসান ঘটে কোন রাজবংশের আগমনের মাধ্যমে? 
  1. সেনদের আগমনে
  2. মৌর্যদের আগমনে
  3. পালদের আগমনে
  4. গুপ্তদের আগমনে
সঠিক উত্তর:
পালদের আগমনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালদের আগমনে
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে।
- এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সময় উত্তর ভারতের আধিপত্য নিয়ে গুর্জর প্রতিহার, রাষ্ট্রকুট ও পালবংশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ধর্মপালের পর রাজা হলেন তাঁর পুত্র দেবপাল।
- তাঁর শাসনামলে পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হয়।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে।
- প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
- রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন।
- তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

উৎস: ইতহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
বাংলার আকবর বলা হয় কাকে?
  1. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  2. মুহাম্মদ ঘুরি
  3. কুতুব উদ্দিন আইবেক
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি 'বাংলার আকবর' হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব "বৈষ্ণব ধর্ম" প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

১৩.
প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ কোনটি?
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র
  3. হরিকেল
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ-৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা ছিল।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
হোসেন শাহী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা

হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা: 
- হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলাউদ্দিন হোসেন শাহ। 
- তিনি ছিলেন আরবের সৈয়দ বংশের লোক। 
- তিনি হাবশি সুলতান বরবক শাহের আমলে বাংলায় আসেন এবং চাকুরি গ্রহণ করেন। 
- সর্বশেষ হাবশি সুলতান মুজাফ্ফর শাহ তাঁকে উজির নিযুক্ত করেন।
- মুজাফ্ফর শাহের স্বৈর শাসনে দেশে বিদ্রোহ দেখা দেয়।
- গৌড়ের অনেক অধিবাসীকে তিনি নির্মমভাবে হত্যা করেন।
- দেশের এরূপ পরিস্থিতিতে হোসেন শাহ হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- তিনি আলাউদ্দিন হোসেন শাহ উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর নামানুসারেই তাঁর বংশের নাম হয় হোসেন শাহী বংশ।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
প্রাচীন গৌড়ের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. পুণ্ড্রনগর
  2. কর্ণাটক 
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. কনৌজ 
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

১৬.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে?
  1. লক্ষ্মৌ চুক্তি
  2. আলীগড় চুক্তি
  3. এলাহাবাদ চুক্তি
  4. বক্সার চুক্তি
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
ব্যাখ্যা

এলাহাবাদ চুক্তি: 
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে এলাহাবাদ চুক্তি (Allahabad Treaty) এর মাধ্যমে।
- দ্বিতীয় শাহ আলম (১৭৬১-১৮০৫) দিল্লির মুঘল সম্রাট আজিজুদ্দীন দ্বিতীয় আলমগীরের পুত্র।
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম মীর কাসিমকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সুবাহদার হিসেবে অভিষিক্ত করেন এবং বিনিময়ে নওয়াব কর্তৃক বার্ষিক ২৪ লক্ষ টাকা কর প্রদানের প্রতিশ্রুতি আদায় করেন।
- ১৭৫১ সাল থেকে ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধ পর্যন্ত বাদশাহ শাহ আলম অযোদ্ধার নওয়াব  সুজাউদ্দৌলার আশ্রয়ে ছিলেন।
- বক্সারের যুদ্ধের পর সম্রাট শাহ আলম এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে (১৭৬৫) বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দীউয়ানি প্রদান করেন।
- কোম্পানি কারা ও এলাহাবাদকে বাদশাহর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭.
দেবপাল কার পুত্র?
  1. মদন পাল
  2. ধর্মপাল
  3. গোপাল
  4. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

দেবপাল (৮২১-৮৬১ খ্রিস্টাব্দ):
- তিনি পাল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্য বিস্তারকারী শাসক। 
- ধর্মপালের মৃত্যুর পর তার পুত্র দেবপাল (৮২১ খ্রি.) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।
- দেবপাল ভারতবর্ষের উৎকল, হৃন, কম্বোজ, গাড়োয়াল, রাষ্ট্রকূট, প্রতিহার, প্রাগজ্যোতিষপুর এবং সমতটের রাজাদের পরাজিত করেন।
- এর ফলে সমগ্র উত্তর ভারতে তার রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাজ্য বিস্তারে তার মন্ত্রী দর্ভপাণির কূটনীতি এবং মন্ত্রী কেদার মিত্র মিশ্রের বুদ্ধি বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে।
- তবে বাংলার হরিকেল অঞ্চল তার অধীনতার বাইরে থেকে যায়।
- পরবর্তীকালে সমতটে চন্দ্রবংশের উত্থান ঘটে।
- পালরাজাদের মধ্যে দেবপাল সবচেয়ে শক্তিশালী রাজা ছিলেন।
- তবে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী হিসেবে পাল রাজারা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের চেয়ে বুদ্ধিমত্তা ও কূটনীতির সাফল্যের ওপরই বেশি গুরুত্ব দিতেন।
- দেবপাল নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, এছাড়া নালন্দায় তিনি একটি বৌদ্ধ বিহারও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
ঢাকার আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?
  1. নবাব আব্দুল লতিফ
  2. নবাব আব্দুল গণি
  3. শায়েস্তা খান
  4. নবাব কুতুব উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
নবাব আব্দুল গণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব আব্দুল গণি
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গণি। তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

১৯.
কোন সুলতান 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধি ধারণ করেন?
  1.  আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয় এবং শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন কে?
  1. সামন্ত সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. বিজয় সেন
  4. লক্ষন সেন
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
ব্যাখ্যা

সেন বংশের পরিচয়: 
- হেমন্ত সেন ছিলেন বাংলার হিন্দু সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি সেন বংশের মূল প্রতিষ্ঠাতা "সামন্ত সেনের" পুত্র।
- সেন বংশের পূর্বপুরুষরা কর্ণাটক থেকে বাংলার রাঢ়ভূমিতে এসে বসবাস শুরু করেন পাল যুগে।
- সামন্ত সেন সেই বংশে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও তার বাল্য ও যৌবনকাল কেটেছিল কর্ণাটকে, সেখানে কয়েকটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে খ্যাতিও অর্জন করেছিলেন।
- কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে রাঢ়দেশে এসে আশ্রমবাসে বসবাস করেন।
- তার পুত্র হেমন্ত সেন দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালে ভ্রাতৃবিরোধ ও সামন্ত বিরোধের সুযোগ নিয়ে রাঢ় অঞ্চলে সামন্ত (জমিদার) হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- তিনি বাংলায় সেন বংশের শাসন শুরু করলেও তাঁর পুত্র বিজয় সেনই বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
- পাল শাসনামলের ভগ্নদশার সুযোগ নিয়ে বিজয় সেন (১০৯৭-১১৬০ খ্রি.) মহাধিরাজ উপাধি ধারণ করে বাংলায় সেন শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

উল্লেখ্য,
- লক্ষণ সেন সর্বশেষ রাজা সেন রাজবংশের, ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি তাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  2. ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
  3. গিয়াসউদ্দীন হোসেন শাহ 
  4. ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ:
- বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- তিনি বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার শাসকগণ দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের শাসনামলে বাংলাকে সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হলে ফখরুদ্দিন নামে তাঁর একজন সিলাদার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- তিনি 'মুবারক শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- ফখরুদ্দিন বাংলায় তাঁর কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করলে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলায় দু'শো বছরের স্বাধীন ইতিহাসের সূচনা হয়।
- তিনি তাঁর রাজ্যসীমা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অনেকটা সম্প্রসারণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিজয় করেন এবং এ পর্যন্ত সমগ্র ভূ-ভাগে তাঁর সুদৃঢ় নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
বাংলায় আগমনকারী প্রথম চীনা পরিব্রাজক কে?
  1. ফা-হিয়েন
  2. হিউয়েন-সাং
  3. শীলভদ্র
  4. ই-ৎসিঙ্
সঠিক উত্তর:
ফা-হিয়েন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফা-হিয়েন
ব্যাখ্যা

পরিব্রাজক:
- ফা-হিয়েন ভারতে চৈনিক তীর্থ-ভ্রমণকারীদের মধ্যে সর্বপ্রথম বিবরণী পাওয়া যায়।
- পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন।
- তখন গুপ্ত বংশীয়রা বাংলার অংশবিশেষসহ ভারত শাসন করছিলেন।
- ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।
- এবং ১৪ বছর পর আবার চীনে ফিরে যান।
- ভ্রমণের শেষ পর্যায়ে তিনি সীমান্ত রাজ্য চম্পার মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- ফা-হিয়েন প্রথম বাংলায় আসেন।
গন্তব্যস্থল:
- তাম্রলিপ্তি (তমলুক, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত)।
- সমুদ্রপথে তিনি অপর বৌদ্ধপ্রধান অঞ্চল শ্রীলঙ্কায় যান।

অপরদিকে,
- হিউয়েন-সাং ফা-হিয়েনের পরবর্তী তীর্থ-ভ্রমণকারী ছিলেন।
- হিউয়েন-সাং ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে বাংলায় আসেন।
- ই-ৎসিঙ্ ৬৭২ খ্রিস্টাব্দের দিকে চৈনিক পর্যটক বাংলায় আসেন।
- তা চেং-তেঙ বারো বছর তাম্রলিপ্তিতে বসবাস করে সংস্কৃত ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন।
- শেঙ চি-এর ভ্রমনের সময় ছিল অভিন্ন (৬৭২-৭৩ খ্রি.)।
- জানা যায়, তিনি রাজভটের শাসনকালে সমতটে আসেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৩.
ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপনের সময় সুবেদার কে ছিলেন?
  1. ইসলাম খান
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. উমিদ খাঁ
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতি বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা পাঁচবার বাংলার রাজধানী হয়।
- ১৬১০, ১৬৬০,  ১৯০৫, ১৯৪৭, ১৯৭১ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন কবে?
  1. ১৭৫৫ সালে
  2. ১৭৫৬ সালে
  3. ১৭৫৮ সালে
  4. ১৭৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

সিরাজউদ্দৌলা:
- আলীবর্দী খানের কোনো পুত্র ছিল না।
- তার তিন কন্যা আমেনা, ময়মুনা ও ঘষেটি ।
- ময়মুনা ও আমেনার দুই পুত্র ছিল।
- কিন্তু ঘষেটি বেগমের কোনো পুত্র ছিল না।
- আলীবর্দী খান আমেনার পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন।
- এ কারণে তাঁকেই তাঁর জীবিতকালে বাংলার নবাব পদে মনোনীত করে যান।
- আলীবর্দী খান দৌহিত্য ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- সিরাজ ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর পিতার নাম মির্জা মুহম্মদ হাসিম মইনুদ্দীন খান।
- ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয়।
- তখন ১৭৫৬ সালে সিরাজউদ্দৌলা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন।
- নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ১৭৫৬ সালে কলকাতায় ইংরেজদের ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ অধিকার করেন।
- তিনি কলকাতা অধিকার করে এর নাম রাখেন আলীনগর।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. অশোক মৌর্য
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. হর্ষবর্ধন
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা

চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলায় মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা অশোক।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।