পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: [শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।] ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: [শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে)] ------------- নির্দেশনা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
ফসলের বহুমুখীকরণের মাধ্যমে নিচের কোনটি করা যায়?
  1. খাদ্য নিরাপত্তা
  2. পুষ্টি নিরাপত্তা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ফসলের বহুমুখীকরণ (Crop Diversification) খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের কৃষক প্রধানতঃ ধান চাষের উপর নির্ভরশীল।
- উৎপাদন পর্যাপ্ত হওয়ার কারণে উৎপাদন খরচের তুলনায় এর বাজার মূল্য প্রায়শঃ কম থাকে, যার ফলে কৃষক পরিবারের জীবন মান উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না।
- শস্য বহুমুখীকরণের ফলে কৃষক উন্নত প্রযুক্তি পায়, যার ফলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বহুগুণে বাড়াতে পারে।
- শস্য বহুমুখীকরণ করলে কৃষক উচ্চ মূল্যের বিভিন্ন রকম ফসল উৎপাদন করতে পারে, যা একদিকে তার পুষ্টি নিশ্চিত করে অন্যদিকে ফসলের উচ্চ মূল্য পাওয়ার কারণে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়।
- গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, শস্য বহুমুখীকরণের ফলে একক ফসল (Mono Crop) থেকে উৎপাদন ও আয় দুই থেকে তিনগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
- এরকম প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার ৯ বছর মেয়াদী (২০০১-২০০৯) North West Crop Diversification Project (NCDP) নামক প্রকল্পটি গ্রহণ করে যা উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের ১৬টি জেলার ৬১টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- এরই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ৭ বছর মেয়াদী (২০১০-২০১৭) ২য় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (Second Crop Diversification Project SCDP) শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয় যা ৫টি বিভাগের ২৭টি জেলার ৫২টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়।

উৎস: ২য় শস্য বহুমুখীকরণ প্রকল্প (২য় সংশোধিত), পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
.
নিচের কোনটি অনলাইন কৃষি মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম?
  1. ফুড ফর নেশন
  2. কৃষকের জানালা
  3. হর্টেক্স বাজার
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
- কৃষিসেবা সহজে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য 'কৃষি বাতায়ন' চালু রাখার পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষিতথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র (এআইসিসি) স্থাপন করা হয়েছে।
- এছাড়া, কৃষি কমিউনিটি রেডিও, কৃষক বন্ধু ফোন-৩৩৩১, ই-বুক, অনলাইন সার সুপারিশ, ই-সেচ সেবা, রাইস নলেজ ব্যাংক, কৃষিপ্রযুক্তি ভাণ্ডার, ই-বালাইনাশক প্রেসক্রিপশন, কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কমিউনিটি রুরাল রেডিওসহ বিভিন্ন মোবাইল এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোঁড়ায় কৃষিতথ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
- অনলাইন কৃষি মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম 'হর্টেক্স বাজার' এবং 'ফুড ফর নেশন' চালু করা হয়েছে।
- উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে কৃষি খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধি, সার-বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণে প্রণোদনা ও সহায়তা কার্ড, সেচের মূল্য হ্রাস, হাসকৃত ভাড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহন, কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা, স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে বিশেষ কৃষি ঋণ সুবিধা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর কাজ নয় কোনটি?
  1. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ
  2. সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ
  3. মানি লন্ডারিং করা
  4. গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU):
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) হল মানি লন্ডারিং (ML), সন্ত্রাসে অর্থায়ন (TF) এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার (PF) প্রতিরোধে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সংস্থা।

প্রধান কার্যক্রম:
- সন্দেহজনক লেনদেন/কার্যক্রম প্রতিবেদন (STRs/SARs) এবং নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (CTRs) বিশ্লেষণ।
- রিপোর্টিং সংস্থা (ROs) এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ।
- বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ।
- রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি।
- বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের দায়িত্ব পালন।
- BFIU দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কাজ করে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BFIU  ওয়েবসাইট
.
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী কোনটি?
  1. নিকাশ ঘর
  2. নোট প্রচলন
  3. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী: 
বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যাবলী নিচে আলোচনা করা হল:
- নোট প্রচলন
- সরকারের ব্যাংক
- অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংকার
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ
- ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল 
- বৈদেশিক বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা
- নিকাশ ঘর
- উন্নয়নমূলক কার্যাবলী
- অন্যান্য কাজ
উপরিউক্ত কাজ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক অথনৈতিক বিষয়ে গবেষণা করা, অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান তৈরি করা, ব্যাংক কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় উপাত্ত ও পরামর্শ দেয়া ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করে থাকে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের বীমা খাতের জন্য প্রণীত জাতীয় বীমা নীতি কোনটি?
  1. জাতীয় বীমা নীতি ২০১০
  2. জাতীয় বীমা নীতি ২০১২
  3. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
  4. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৬
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪:
বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে জাতীয় বীমা নীতি প্রণয়ন করে, যা দেশের বীমা খাতের উন্নয়ন, সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে। এই নীতির লক্ষ্য বীমা খাতকে আরও শক্তিশালী করা, জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমার ভূমিকা নিশ্চিত করা।
বীমাযোগ্য ঝুঁকিসমূহ নিরসনে বীমা সম্বন্ধে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি, বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়ন, আর্থিক শৃংখলা বজায়, বীমা সেবা পরিচালনায় পেশাদারিত্ব সৃষ্টি এবং বীমা সেবার সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করে বীমা খাতকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা প্রদান সম্ভব হবে।

মূল উদ্দেশ্য:
বীমা খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
গ্রাহকদের সুরক্ষা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা।
দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা।
নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি ব্যবহার করে বীমা খাতকে আধুনিক করা।
বীমার মাধ্যমে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা।

উৎস: জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ:
- সকল স্তরের জনসাধারণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর আলোকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়। 
- এটি ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর ০২ ফেব্রুয়ারি 'জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস' হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা। 
- সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে খাদ্যের ভেজাল রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণাসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাদ্যের নিরাপত্তা ও গুণগতমান পরীক্ষণ, রেস্তোরাঁর গ্রেডিং ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
.
Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশের কোন শিল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে?
  1. তৈরি পোশাক শিল্প
  2. ওষুধ শিল্প
  3. সিমেন্ট শিল্প
  4. পর্যটন শিল্প
ব্যাখ্যা
Mapped in Bangladesh (MiB): 
- বাংলাদেশে ম্যাপড ইন বাংলাদেশ (MiB) হল বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী আরএমজি শিল্পের সর্বপ্রথম ব্যাপক প্রাথমিক তথ্য ভান্ডার।
- MiB একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী করতে তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে।
- এটি উদ্যোগ যা স্বচ্ছতা এবং ট্রেসেবিলিটির মাধ্যমে শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন এবং কাজের পরিবেশের উন্নতি সাধনে বিশ্বাস করে।
- MiB একটি বহুপক্ষীয় Project Advisory Committee (PAC) দ্বারা পরিচালিত, যেখানে ব্র্যান্ড, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, শিল্প সমিতি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত।
- MiB বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
- MiB নিয়মিতভাবে তথ্য হালনাগাদ করার জন্য ক্রাউডসোর্সিং পদ্ধতি ব্যবহার করে।

উৎস: Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইট।
.
অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর সময়কাল কত?
  1. ১-১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১০-২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ৫-১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ২০-২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪: 
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, আয়-ব্যয়, কর্মী সংখ্যা, তাদের সুযোগ সুবিধা, আয়-ব্যয়, কর প্রদানসহ ২৭টি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে এই শুমারিতে।
- সময়কাল: ১০-২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪। 
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান এবং অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এস এম শাকিল আখতার।
- সারা দেশে ৯৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবারের শুমারির জন্য তথ্য সংগ্রহ করবেন।
- শুমারির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য জিওগ্রাফিকস ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) এবং জিওকোড সমন্বয় করে ডিজিটাল ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে।
- মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত ট্যাবগুলো মোবাইল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট (এমডিএম) সফটওয়্যার ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
- চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির মূল তথ্য সংগ্রহের কাজ ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
- দেশের ৪ কোটি পরিবারের মধ্যে ১ কোটি ২২ লাখ অর্থনৈতিক পরিবার বা ইউনিট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে বর্তমানে লিড সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানার সংখ্যা কতটি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ২০৯টি
  2. ২১৯টি
  3. ২৩২টি
  4. ২৩৯টি
ব্যাখ্যা
লিড সনদ (LEED, or Leadership in Energy and Environmental Design): 
- দেশের আরও দুটি তৈরি পোশাক ও একটি সুতা তৈরির কারখানা পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে। [২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪]
- কারখানাগুলো হলো—নারায়ণগঞ্জের অনন্ত হুয়াজিং লিমিটেড, গাজীপুরের সেপাল গার্মেন্টস লিমিটেড ও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ইউনিটেক্স স্পিনিং লিমিটেড (দ্বিতীয় ইউনিট)।
- কারখানা তিনটি যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) থেকে পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে।
- আরও ২ প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব কারখানার সনদ পেয়েছে। 
- তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ বলেছে, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০০ পরিবেশবান্ধব কারখানার ৬১টি বাংলাদেশে অবস্থিত।
- বিজিএমইএর তথ্য অনুসারে, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে বর্তমানে লিড সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানা বেড়ে হয়েছে ২৩২টি।
- এর মধ্যে ৯১টিই লিড প্লাটিনাম সনদধারী। এ ছাড়া ১২৪টি গোল্ড, ১০টি সিলভার ও ৪টি কারখানা সার্টিফায়েড সনদ পেয়েছে।
- সনদ পাওয়ার সাতটি শর্ত পরিপালনে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে কোনো কারখানা ৮০-এর বেশি পেলে ‘লিড প্লাটিনাম’, ৬০-৭৯ পেলে ‘লিড গোল্ড’, ৫০-৫৯ নম্বর পেলে ‘লিড সিলভার’ এবং ৪০-৪৯ নম্বর পেলে ‘লিড সার্টিফায়েড’ সনদ দেওয়া হয়।
- বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ১০ পরিবেশবান্ধব কারখানার ৯টিই বাংলাদেশে।
- এর মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি লাভ করেছে গাজীপুরের কোনাবাড়ীর এসএম সোর্সিং।
- পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তা সাজ্জাদুর রহমান মৃধার হাত ধরে ২০১২ সালে দেশে পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয়। 

উৎস: প্রথম আলো (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪)।
RTV online (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)
১০.
বাংলাদেশে কার্যরত বিদেশী ব্যাংক কোনটি?
  1. স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
  2. দি সিটি ব্যাংক
  3. সিটিব্যাংক এন.এ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বিদেশি ব্যাংকসমূহের নাম:
- ব্যাংক আলফালাহ্
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- সিটিব্যাংক এন.এ
- হাবিব ব্যাংক
- এইচএসবিসি
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
- উরি ব্যাংক

উৎস: তফসিলি ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিসমূহের CSR কার্যক্রমের ষান্মাসিক প্রতিবেদন (জানুয়ারি-জুন ২০২৪), বাংলাদেশ ব্যাংক।
১১.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রধান কার্যক্রম কোনটি?
  1. দেশীয় শিল্প রক্ষা করা এবং উন্নয়ন
  2. শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ এবং নীতি প্রণয়ন
  3. ডাম্পিং পণ্য আমদানি প্রতিরোধ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন: 
- স্বাধীনতার পর পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
- পুনর্গঠন: ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন অনুযায়ী।
- অধিভুক্ত: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- প্রধান: সচিব পর্যায়ের চেয়ারম্যান।

প্রধান কার্যক্রম:
- দেশীয় শিল্প রক্ষা এবং উন্নয়ন।
- শিল্পসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি।
- ডাম্পিং ও অসাধু আমদানি প্রতিরোধ।
- শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ এবং নীতি প্রণয়ন।
- আমদানি নিষেধাজ্ঞা ও সীমাবদ্ধতা মূল্যায়ন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১২.
বর্তমানে বিসিআইসি'র অধীনে কতটি শিল্প কারখানা রয়েছে?
  1. ১২টি
  2. ৮টি
  3. ১৩টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি): 
- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) সরকারি খাতে বাংলাদেশের দশের পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা।
- দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
- বর্তমানে ১৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠান বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রনাধীনে পরিচালিত হচ্ছে। 
- চালু কারখানাগুলোর মধ্যে ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইন্স্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
- সম্প্রতি প্রধান কাঁচামাল স্বল্পতার কারণে ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লি. ও উসমানিয়া গ্লাস শীট ফ্যাক্টরি লি. কারখানা ২টির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইউরিয়া সার, কাগজ, ইনস্যুলেটর ও স্যানিটারীওয়্যার ইত্যাদি পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।
- বিসিআইসি'র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।
- বিসিআইসি'র সাথে স্থানীয়/বিদেশি যৌথ উদ্যোগে ৯টি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
১৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নীটওয়‍্যার পণ্যের রপ্তানি আয় মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ?
  1. ৮৫.৪৫%
  2. ৮০.৩৭%
  3. ৪৮.৩৫%
  4. ৩৭.১০%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: কৃষিজাত পণ্য (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য (০.৭১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪.
কোন গাছের কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে?
  1. ধুন্দল
  2. গেওয়া
  3. গরান
  4. গর্জন
ব্যাখ্যা
শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

পরিবহন শিল্প:
- বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গর্জন, সেগুন, চাপালিশ, প্রভৃতি গাছের কাঠ রেলথের স্লিপার, রেলগাড়ির বগি, লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা, বাস ও ট্রাকের বডি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরি করতে প্রয়োজন।

ভেষজ শিল্প:
- বনের গাছ-গাছড়া, লতাপাতা, মধু, প্রভৃতির উপর নির্ভর করে ভেষজ শিল্প গড়ে উঠেছে।

চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয় কত ছিল?
  1. ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  2. ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  3. ৬৩.২৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  4. ৫২.১৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
আমদানি: 
- গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৫.৮১ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৫২,১৯০.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারে নেমে যায়।
- বিলাস জাতীয় দ্রব্য ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এলসি মার্জিন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ফলে আমদানি ব্যয় হ্রাস পেয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪