পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৮ রিভিশন পরীক্ষা - ৩ Topic: The Code of Criminal Procedure, 1898 (পরীক্ষা ১৯, ২২, ২৪, ২৬) + General part (পরীক্ষা ১৮, ২০, ২৩, ২৫, ২৭)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
Which one of the following sections of the Criminal Procedure Code,1898 provides that "no Judge or Magistrate shall try any case in which he is personally interested"?
  1. Section 554
  2. Section 556
  3. Section 558
  4. Section 561A
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৬-এ বলা হয়েছে: কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো মামলায় নিজে পক্ষ হন বা ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকে, তবে তিনি সেই মামলার বিচার করতে পারবেন না। অর্থাৎ "no Judge or Magistrate shall try any case in which he is personally interested"
তবে, যদি তার আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত অনুমতি দেয়, তখন তিনি বিচার করতে পারেন।
একইভাবে, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজের দেওয়া রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারবেন না।
 
Principle of Natural Justice:
এটি “nemo judex in causa sua” নীতির প্রতিফলন।
অর্থাৎ কেউ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হতে পারে না।

ব্যতিক্রম (Explanation):
ধারা ৫৫৬ অনুযায়ী, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত বলা হবে না যদি:
- তিনি কেবলমাত্র পৌর কমিশনার বা সরকারি দায়িত্বে মামলার সাথে যুক্ত থাকেন।
- তিনি অপরাধ সংঘটিত স্থল বা সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং তদন্ত করেছেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections 556. Case in which Judge or Magistrate is personally interested:
- No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself. 

Explanation:–
- A Judge or Magistrate shall not be deemed a party, or personally interested, within the meaning of this section, to or in any case by reason only that he is a Municipal Commissioner or otherwise concerned therein in a public capacity, or by reason only that he has viewed the place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place in which any other transaction material to the case is alleged to have occurred, and made an inquiry in connection with the case.
Illustration:
A, as Collector, upon consideration of information furnished to him, directs the prosecution of B or a breach of the excise Laws. A is disqualified from trying this case as a Magistrate.
------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫৬: বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকার ক্ষেত্রে বিধান:
কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, যার আদালত থেকে আপিল করা যায় এমন আদালতের অনুমতি ছাড়া, এমন কোনো মামলার বিচার বা শুনানি পরিচালনা করতে পারবেন না যেখানে তিনি নিজে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত রয়েছেন। এছাড়া কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে প্রদত্ত কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনবেন না।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে, কোনো বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেটকে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত কারণে পক্ষ বা ব্যক্তিগতভাবে স্বার্থ জড়িত বলে গণ্য করা হবে না:
১. তিনি একজন পৌর কমিশনার বা অন্য কোনো সরকারি পদে রয়েছেন এবং সেই সূত্রে মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
২. তিনি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার স্থান বা মামলার সাথে সম্পর্কিত অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন এবং মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট তদন্ত করেছেন।

উদাহরণ: A একজন কালেক্টর হিসেবে B-কে এক্সাইজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত করার নির্দেশ দেন। এই মামলায় A ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বিচার পরিচালনা করতে অযোগ্য হবেন, কারণ তিনি ব্যক্তিগতভাবে মামলার সাথে জড়িত।

.
Under section 167 of The Criminal Procedure Code,1898 the longest period for which an accused can be remanded to police custody is-
  1. 07 days
  2. 14 days
  3. 15 days
  4. 20 days
ব্যাখ্যা

⇒ The Criminal Procedure Code-এর Section 167 অনুযায়ী, একজন অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে (police custody) সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত রিমান্ডে রাখা যেতে পারে।
- এই ১৫ দিনের বেশি সময় পুলিশ হেফাজত আইনসম্মত নয়। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনে আদালত অভিযুক্তকে জেল হেফাজতে (judicial custody) পাঠাতে পারেন, কিন্তু পুলিশ হেফাজত আর বাড়ানো যায় না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারায় রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে:-
(২) এই ধারা অনুসারে আসামিকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে, তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক, তিনি তার বিবেচনামতে আসামিকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন, তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।
- মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তা হলে তিনি আসামিকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারিবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন, এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-167: 
(2) The Magistrate to whom an accused person is forwarded under this section may, whether he has or has not jurisdiction to try the case from time to time authorize the detention of the accused in such custody as such Magistrate thinks fit, for a term not exceeding fifteen days in the whole. If he has not jurisdiction to try the case or send it for trial, and considers further detention unnecessary, he may order the accused to be forwarded to a Magistrate having such jurisdiction:
Provided that no Magistrate of the third class, and no Magistrate of the second class not specially empowered in this behalf by the Government shall authorize detention in the custody of the police.

.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযোগপত্র, সমন, ওয়ারেন্ট বা চার্জে ত্রুটি থাকলেও রায় বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে?
  1. ধারা ৫৩৫
  2. ধারা ৫৩৩
  3. ধারা ৫৩৭
  4. ধারা ৫৩৮
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৩৭-এর শিরোনাম হলো "Finding or sentence when reversible by reason of error or omission in charge or other proceedings"।
ধারা ৫৩৭ এর মাঝে বলা আছে যে, অভিযোগপত্র (complaint), সমন (summons), ওয়ারেন্ট (warrant), চার্জ (charge), ঘোষণাপত্র (proclamation), আদেশ (order), রায় (judgment) বা অন্য কোনো কার্যধারায় (proceedings) কোনো ত্রুটি (error), বাদ পড়া (omission) বা অনিয়ম (irregularity) থাকলেও, সেই কারণে কোনো সক্ষম এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের (Court of competent jurisdiction) দেওয়া রায় (finding), দণ্ডাদেশ (sentence) বা আদেশ (order) অধ্যায় XXVII-এর অধীনে, আপিলে (appeal) বা পুনর্বিচারে (revision) বাতিল (reversed) বা পরিবর্তন (altered) করা যাবে না, যদি না সেই ত্রুটির কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটে থাকে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩৭ অনুযায়ী: কোনো আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র অভিযোগপত্র, সমন, ওয়ারেন্ট, চার্জ বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ত্রুটি, বাদ বা অনিয়ম থাকার কারণে বাতিল হবে না।
তবে, যদি প্রমাণিত হয় যে এই ত্রুটি বা অনিয়মের কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে, তখনই রায় বাতিল বা পরিবর্তন হতে পারে।
Explanation: আদালত বিবেচনা করবে যে আপত্তি বা ত্রুটি কি বিচার প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে উত্থাপন করা যেত এবং করা উচিত ছিল কিনা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 537. Finding or sentence when reversible by reason of error or omission in charge or other proceedings:
Subject to the provisions hereinbefore contained, no finding, sentence or order passed by a Court of competent jurisdiction shall be reversed or altered under Chapter XXVII or on appeal or revision on account– 
(a) of any error, omission or irregularity in the complaint, summons, warrant, charge, proclamation, order, judgment or other proceedings before or during trial or in any inquiry or other proceedings under this Code, or 

Explanation–In determining whether any error, omission or irregularity in any proceeding under this Code has occasioned a failure of justice, the Court shall have regard to the fact whether the objection could and should have been raised at an earlier stage in the proceedings.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুযায়ী, আদেশটি প্রথমে কীভাবে জারি করা হবে?
  1. পুলিশের মাধ্যমে মৌখিকভাবে
  2. সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে
  3. আদালতের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে
  4. সমন জারির পদ্ধতিতে ব্যক্তিগতভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুসারে, আদেশটি প্রথমে প্রয়োজনে সমন জারির পদ্ধতিতে (in manner herein provided for service of a summons) সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জারি করতে হবে। অর্থাৎ, আদেশটি সমন দেওয়ার বিধান অনুসারে তার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। এটি আদেশ জারির প্রাথমিক পদ্ধতি।
যদি এভাবে পরিবেশন করা সম্ভব না হয়, তাহলে ধারা ১৩৪(২) অনুসারে প্রচারের মাধ্যমে (proclamation) এবং উপযুক্ত স্থানে কপি টাঙিয়ে জানানো হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 134. Service or notification of order:
(1) The order shall, if practicable, be served on the person against whom it is made, in manner herein provided for service of a summons. 
(2) If such order cannot be so served, it shall be notified by proclamation, published in such manner as the Government may by rule direct, and a copy thereof shall be stuck up at such place or places as may be fittest for conveying the information to such person.

.
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮-এর ধারা ৫৫৮ অনুসারে আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮-এর বিধান অনুযায়ী, এই কোডের উদ্দেশ্যে সরকার (Government) তার প্রশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেক আদালতের ভাষা কী হবে তা নির্ধারণ করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা: 
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

.
The principle of “protection against double jeopardy” is provided under which section of the Criminal Procedure Code?
  1. Section 401
  2. Section 403
  3. Section 405
  4. Section 412
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898)-এর ধারা ৪০৩ (Section 403)-এ “protection against double jeopardy” নীতি প্রদান করা হয়েছে। এই ধারার শিরোনাম হলো: “Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence”।
- এতে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে যদি একটি সক্ষম এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত (Court of competent jurisdiction) দ্বারা একই অপরাধের জন্য বিচার করে দোষী সাব্যস্ত (convicted) বা খালাস (acquitted) করা হয়, তাহলে সেই দোষী সাব্যস্তি বা খালাস বলবৎ থাকাকালীন তাকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না। এটি nemo debet bis vexari (কোনো ব্যক্তিকে একই কারণে দু'বার দণ্ড দেওয়া যাবে না) নীতির উপর ভিত্তি করে গঠিত।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এক্তিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামিকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

- যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না।
-অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না।
-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
-----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-403.Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence:
(1) A person who has once been tried by a Court of competent jurisdiction for an offence and convicted or acquitted of such offence shall, while such conviction or acquittal remains in force, not be liable to be tried again for the same offence, nor on the same facts for any other offence for which a different charge from the one made against him might have been made under section 236, or for which he might have been convicted under section 237. 
(2) A person acquitted or convicted of any offence may be afterwards tried for any distinct offence for which a separate charge might have been made against him on the former trial under section 235, sub-section (1). 
(3) A person convicted of any offence constituted by any act causing consequences which, together with such act, constituted a different offence from that of which he was convicted, may be afterwards tried for such last-mentioned offence, if the consequences had not happened, or were not known to the Court to have happened, at the time when he was convicted. 
(4) A person acquitted or convicted of any offence constituted by any acts may, notwithstanding such acquittal or conviction, be subsequently charged with, and tried for, any other offence constituted by the same acts which he may have committed if the Court by which he was first tried was not competent to try the offence with which he is subsequently charged. 
(5) Nothing in this section shall affect the provisions of section 26 of the General Clauses Act, 1897, or section 188 of this Code. 
Explanation- The dismissal of a complaint, the stopping of proceedings under section 249, or the discharge of the accused is not an acquittal for the purposes of this section.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অনুযায়ী কত টাকা পর্যন্ত চুরির মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য?
  1. এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  2. দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  3. পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
  4. দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০(১)(ঘ) অনুযায়ী— চুরি (Penal Code ধারা 379, 380, 381) সংক্রান্ত মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য হবে যদি চুরি করা সম্পত্তির মূল্য পাঁচ লক্ষ টাকার বেশি না হয়। অতএব, পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চুরির মামলা Summary Trial-এ বিচারযোগ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ অনুযায়ী Summary Trial পরিচালনা করতে পারেন:
- মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। 
- প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট। 
- প্রথম শ্রেণির ক্ষমতাপ্রাপ্ত বেঞ্চ অব ম্যাজিস্ট্রেট।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৬০ অনুযায়ী Summary Trial-এ বিচারযোগ্য অপরাধসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য নয় এমন অপরাধ
- ওজন ও পরিমাপ সম্পর্কিত অপরাধ (ধারা 264–266)
- আঘাত (Hurt) — ধারা 323
- চুরি (ধারা 379, 380, 381) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ (ধারা 403) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- চুরি করা সম্পত্তি গ্রহণ/সংরক্ষণ (ধারা 411) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- চুরি করা সম্পত্তি গোপন/নষ্ট করতে সহায়তা (ধারা 414) — ≤ ৫ লক্ষ টাকা
- Mischief (ধারা 426, 427)
- Criminal trespass ও House trespass (ধারা 447, 448 ইত্যাদি)
- নির্বাচনী ঘুষ ও ছদ্মবেশ (ধারা 171E, 171F)
 
অর্থাৎ  ধারা ২৬০ অনুযায়ী চুরি মামলার Summary Trial-এর সীমা হলো সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 260.Power to try summarily:
(1) Notwithstanding anything contained in this Code,-
(a) the Metropolitan Magistrate,
(b) any Magistrate of the first class , and
(c) any Bench of Magistrates invested with the powers of a Magistrate of the first class,[shall] try in a summary way all or any of the following offences:-
(a) offences not punishable with death, transportation or imprisonment for a term exceeding [two years];
(b) offences relating to weights and measures under sections 264, 265 and 266 of the Penal Code;
(c) Hurt, under section 323 of the same Code;
(d) theft, under section 379, 380 or 381 of the same Code, where the value of the property stolen does not exceed [ five lac taka];
(e) dishonest misappropriation of property under section 403 of the same Code, where the value of the property misappropriated does not exceed [five lac taka];
(f) receiving or retaining stolen property under section 411 of the same Code, where the value of such property does not exceed [five lac taka];
(g) assisting in the concealment or disposal of stolen property, under section 414 of the same Code, where the value of such property does not exceed [five lac taka];
(h) mischief, under sections 426 and 427 of the same Code;
(i) criminal trespass, under section 447, and house trespass, under section 448, and offences under sections 451, 453, 454, 456 and 457 or the same Code;
(j) insult with intent to provoke a breach of the peace, under section 504, and criminal intimidation, under section 506, [and offences under sections 509 and 510] of the same Code;
(jj) offence of bribery and personation at an election under sections 171E and 171F of the same Code;
(k) abetment of any of the foregoing offences;
(l) an attempt to commit any of the foregoing offences, when such attempt is an offence;
(m) offences under section 20 of the Cattle-trespass Act,1871: Provided that no case in which a Magistrate exercises the special powers conferred by section 33A shall be tried in a summary way.

.
Which one of the following sections of Criminal Procedure Code,1898 has defined the word 'offence'?
  1. Section 2(1)(f)
  2. Section 4(1)(o)
  3. Section 4(1)(n)
  4. Section 2(1)(p)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)-এ সংজ্ঞা (Definitions) দেওয়া আছে। এখানে "offence" শব্দের সংজ্ঞা clause (o)-এ দেওয়া হয়েছে: (o) "offence" means any act or omission made punishable by any law for the time being in force; it also includes any act in respect of which a complaint may be made under section 20 of the Cattle-trespass Act, 1871:

অর্থাৎ, কোনো কাজ বা অবহেলা যা বিদ্যমান আইনে শাস্তিযোগ্য, সেটিই ‘অপরাধ’ বা ‘Offence’। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, 1898)-এর Section 4(1)(o)-এ ‘Offence’ শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করবেন?
  1. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হলে
  2. কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে
  3. অন্য কারও দ্বারা, প্রাণী বা যন্ত্রের কারণে দুর্ঘটনায় নিহত হলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১৭৪(১)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা সরকার কর্তৃক বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যদি নিম্নলিখিত যেকোনো তথ্য পান, তাহলে তিনি নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করে মৃতদেহের স্থানে গিয়ে তদন্ত (inquest) করবেন এবং সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) তৈরি করবেন:
(a) কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে (has committed suicide)
(b) কোনো ব্যক্তি অন্য কারও দ্বারা হত্যা করা হয়েছে, বা প্রাণী বা যন্ত্র বা দুর্ঘটনার কারণে নিহত হয়েছে (has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident)
(c) এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটন করেছে (has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence)
অর্থাৎ, উপরের তিনটি পরিস্থিতি (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনাজনিত/হত্যাজনিত মৃত্যু, বা অপরাধজনিত সন্দেহজনক মৃত্যু) যেকোনো একটি হলেই পুলিশ অফিসারকে এই ধারার অধীনে তদন্ত করতে হবে।
- সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত সবগুলো ক্ষেত্রই (আত্মহত্যা, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, সন্দেহজনক মৃত্যু) ধারা ১৭৪-এর আওতাভুক্ত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান অনুযায়ী:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে—
- কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।
- অন্য কারও দ্বারা, কোনো প্রাণী বা যন্ত্রের কারণে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।
এরূপ অবস্থায় মারা গেছে, যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে এটি অপরাধজনিত মৃত্যু।
- তখন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করবেন।
- এরপর তিনি মৃত ব্যক্তির লাশের স্থানে উপস্থিত হয়ে তদন্ত পরিচালনা করবেন।
- তদন্তে স্থানীয় দুই বা ততোধিক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে।
- পুলিশ মৃতদেহের জখম, হাড় ভাঙা, থেঁতলানো ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন পর্যবেক্ষণ ও বর্ণনা করবেন।
- সেইসঙ্গে কোনো অস্ত্র, যন্ত্র বা উপায়ে ওই চিহ্নগুলো সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়, তা উল্লেখ করবেন।
- তদন্ত শেষে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ উল্লেখ করে একটি লিখিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে, যা সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) নামে পরিচিত।
--------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police station or some other police officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:

Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.
(2) The report shall be signed by such police officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.

(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.

১০.
Which one of the following provisions of Criminal Procedure Code provides that no court shall alter the Judgement after it has been signed?
  1. Section 368(1)
  2. Section 368(2)
  3. Section 369
  4. Section 372
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৬৯ অনুযায়ী এই কোড বা অন্য কোনো প্রচলিত আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকলে, কোনো আদালত তার রায়ে স্বাক্ষর করার পরে সেই রায় পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারবে না, শুধুমাত্র টাইপিং বা লিপিগত ভুল (clerical error) সংশোধনের জন্য ছাড়া।
- এটি "রায়ের চূড়ান্ততা নীতি" (Doctrine of Finality of Judgment) হিসেবে পরিচিত, যা আদালতকে রায় স্বাক্ষরের পর তা পরিবর্তন থেকে বিরত রাখে।
- অর্থাৎ, কোনো আদালত একবার তার রায় স্বাক্ষর করার পর তা আর পরিবর্তন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারবে না। তবে, আদালত শুধুমাত্র clerical error (লেখার ভুল বা টাইপের ভুল) সংশোধন করতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 369.Court not to alter judgment:
 Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.

১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ অনুযায়ী তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুলিশ কর্মকর্তার দাখিলকৃত প্রতিবেদনটির নাম কী?
  1. Complaint
  2. Policy Diary 
  3. Case Diary 
  4. Charge Sheet
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ অনুযায়ী, তদন্ত শেষে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক আদালতে দাখিলকৃত প্রতিবেদনকে পুলিশ রিপোর্ট বলা হয়। এই রিপোর্ট দুই ধরনের হতে পারে:
১. চার্জশিট (Charge Sheet) – যখন তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার সুপারিশ করা হয়।
২. ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report) – যখন তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয় না বা মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
- প্রশ্নে উল্লেখ আছে “অভিযোগ প্রমাণিত হলে” – সেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা চার্জশিট দাখিল করবেন, যা অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করে এবং বিচারের সূত্রপাত ঘটায়।
অর্থাৎ অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত শেষে পুলিশ কর্মকর্তার দাখিলকৃত প্রতিবেদনকে চার্জশিট (Charge Sheet) বলা হয়।

১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুসারে, এই ধারার বিধান কার্যকর করার জন্য কে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন?
  1. আদালত
  2. সরকার
  3. জেলা প্রশাসক
  4. কারা মহাপরিদর্শক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ কার্যকর করার জন্য সরকার বিধি প্রণয়ন করতে পারে। আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীর ঠিকানা জানানোর আদেশ দিতে পারেন। কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন (rules) প্রণয়ন করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সরকারকে।
অর্থাৎ, সরকারই নির্ধারণ করবে কীভাবে অপরাধী তার বাসস্থান, পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: সরকার (খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬৫(৩) এর বিধান: "সরকার এই ধারার মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদীদের আবাস বা আবাসের পরিবর্তন কিংবা আবাসস্থল থেকে অনুপস্থিতি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিষয়ে বিধান কার্যকর করার উদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়ন করতে পারিবেন।"
"সরকার" বলতে এখানে বাংলাদেশ সরকার/গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার-কে বোঝায়।
এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য হলো, মুক্তিপ্রাপ্ত কয়েদী কীভাবে তার ঠিকানা, ঠিকানা পরিবর্তন বা অনুপস্থিতি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত জানাবে তা বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রক্রিয়া বা বিধিমালা প্রণয়ন করা।

১৩.
According to Section 265E under The Criminal Procedure Code, 1898 who can plead guilty? 
  1. The Public Prosecutor
  2. The Investigating Officer
  3. The Victim of the Offence
  4. The Accused of the Offence
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) The Accused of the Offence.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC 1898)-এ plea bargaining শব্দটি সরাসরি নেই, তবে Plea of Guilty সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- Section 265D → দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবে সে অপরাধ স্বীকার করে কিনা।
- Section 265E → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করে (pleads guilty), আদালত তা রেকর্ড করবে এবং বিবেচনার ভিত্তিতে তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
- Section 265F → যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তবে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করবে।
- Section 412 → অভিযুক্ত যদি অপরাধ স্বীকার করে এবং সেই ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়, তবে সাধারণত আপিল করা যাবে না, শুধু শাস্তির মাত্রা বা বৈধতা নিয়ে আপিল করা যাবে।
 
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তি (Accused) আদালতে অপরাধ স্বীকার করতে পারে এবং সেই ভিত্তিতে আদালত তাকে দণ্ডিত করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265D. Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265E. Conviction of plea of guilty:
 If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265F.Date for prosecution evidence: 
 If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.

১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধের আপোস (Compounding of Offences) বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা-৩৪৩ 
  2. ধারা-৩৪৫ 
  3. ধারা-৩৪৬ 
  4. ধারা-৩৪৮ 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩৪৫ (Compounding of offences)-এ অপরাধের আপোস বা সমঝোতার (compounding) সম্পূর্ণ বিধান দেওয়া আছে। এই ধারায় দুটি টেবিলের মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে:
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি ছাড়াই সমঝোতা করা যায় (যেমন: আঘাত, মানহানি, অপমান ইত্যাদি) এবং কে সমঝোতা করতে পারবে (সাধারণত ভুক্তভোগী ব্যক্তি)।
- কোন কোন অপরাধ আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করা যায় (যেমন: গুরুতর আঘাত, চুরি, প্রতারণা ইত্যাদি)।
ধারা ৩৪৫(৬) অনুসারে, সমঝোতা হলে অভিযুক্তের খালাস (acquittal) হয়। ধারা ৩৪৫(৭) বলে, এই ধারায় উল্লিখিত ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ সমঝোতা করা যাবে না।

অর্থাৎ এই ধারা বলে যে, কিছু নির্দিষ্ট অপরাধে অভিযোগকারী (ভুক্তভোগী) এবং অভিযুক্ত পক্ষ পরস্পর সমঝোতা (আপোস) করে মামলা শেষ করতে পারেন। সমঝোতা হলে আদালত অভিযুক্তকে খালাস (acquittal) দিয়ে দেন, অর্থাৎ মামলা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় এবং একই অপরাধে আবার মামলা করা যায় না।

এছড়াও,
খালাসের প্রভাব (ধারা ৩৪৫(৬)): সমঝোতা হলে অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হয়।
১৮ বছরের কম বয়সী/অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রে (ধারা ৩৪৫(৪)): অভিভাবক বা প্রতিনিধি আদালতের অনুমতি নিয়ে সমঝোতা করতে পারেন।
বিচার চলাকালীন বা আপিলে (ধারা ৩৪৫(৫)): আদালতের অনুমতি নিতে হয়।
শুধুমাত্র এই ধারায় উল্লিখিত অপরাধই সমঝোতা করা যায় (ধারা ৩৪৫(৭))। অন্য কোনো অপরাধ (যেমন: খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি) আপোস করা যায় না।
আদালতের সহায়তা (ধারা ৩৪৫(৮)): আধুনিক সংশোধনীতে আদালত নিজে থেকে আপোস প্রক্রিয়া সহজ করে দিতে পারে, লিগ্যাল এইড অফিসার বা আইনজীবীর মাধ্যমে সমঝোতা করাতে পারে এবং চুক্তি রেকর্ড করে আদেশ দিতে পারে।

১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা 265H অনুসারে, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণের পর আদালত যদি মনে করেন যে অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে কোনো প্রমাণ নেই, তাহলে কী করবেন?
  1. চার্জ পরিবর্তন করবেন
  2. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেবেন
  3. অভিযুক্তকে খালাস দিবেন
  4. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির 265H ধারা (Acquittal) অনুযায়ী, প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণ, অভিযুক্তের জেরা এবং উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর যদি আদালতের মতে অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে কোনো প্রমাণ না থাকে, তবে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দেবেন এবং এই মর্মে একটি আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
- বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামি অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামিকে খালাস দেওয়ার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন। 
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
- If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.

১৬.
Which one of the following sections of the Criminal Procedure Code, 1898 provides that "no appeal to lie unless otherwise provided"? 
  1. Section 404
  2. Section 405
  3. Section 406
  4. Section 407
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force."
অর্থাৎ, এই আইনে বা অন্য কোনো প্রচলিত আইনে সরাসরি বিধান না থাকলে, ফৌজদারি আদালতের কোনো রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
- এটি আপিলের সাধারণ নিষেধাজ্ঞা (general bar on appeals) হিসেবে কাজ করে এবং ধারা ৪০৪-কে "no appeal to lie unless otherwise provided" ধারা হিসেবেই উদ্ধৃত করা হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 404. Unless otherwise provided, no appeal to lie:
- No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুসারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. সরাসরি সাজা দেবেন
  2. অব্যাহতি দেবেন
  3. সাক্ষী ডাকবেন না
  4. অভিযোগ গঠন করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সম্ভাবনা (ground for presuming) দেখেন, তবে তিনি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-242. Charge to be framed:
If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.

১৮.
Under Criminal Procedure Code, 1898 what is the period of limitation prescribed for taking cognizance of an offence which is punishable with imprisonment for a term exceeding 3 years?
  1. 2 years
  2. 3 years
  3. 5 years
  4. No limit of period prescribed
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) No limit of period prescribed.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী ফৌজদারি (Criminal) মামলার জন্য সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তামাদি মেয়াদ (limitation period) নির্ধারিত নেই।
অর্থাৎ, যদি অপরাধের শাস্তি ৩ বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য হয়, আদালত যে কোনো সময় সেই অপরাধের বিচার শুরু করতে পারে।
কোনো ব্যক্তি যদি অপরাধ করে, তবে যতদিন পর্যন্ত অপরাধের বিষয়ে মামলা দায়ের না হয়, ততদিনও মামলা করা যেতে পারে,
যতক্ষণ পর্যন্ত আদালত মনে করে ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলা গ্রহণযোগ্য।

- এছাড়াও, তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলার জন্য প্রযোজ্য। এটি মূলত দেওয়ানি (Civil) মামলা বা বৈধ দাবির জন্য প্রযোজ্য। ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত এই আইন প্রযোজ্য নয়।

উল্লেখ্য, ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, CrPC) অনুসারে, কোনো ফৌজদারী ঘটনার (অপরাধ) প্রথম তথ্য প্রতিবেদন (First Information Report, FIR) দায়ের করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। অর্থাৎ, কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি, প্রত্যক্ষদর্শী বা সংশ্লিষ্ট কেউ ঘটনার পর যেকোনো সময় থানায় গিয়ে FIR দায়ের করতে পারেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুযায়ী ৩ বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা নেই। আদালত ন্যায়ের স্বার্থে যে কোনো সময় cognizance নিতে পারে।

১৯.
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আদালত কর্তৃক বাতিল না হওয়া পর্যন্ত বা সম্পাদিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে—এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৭৪(২) 
  2. ধারা ৭৫(১) 
  3. ধারা ৭৫(২) 
  4. ধারা ৭৬(২) 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৭৫(২) অনুযায়ী আদালত কর্তৃক জারিকৃত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না আদালত সেটি বাতিল করে বা এটি সম্পাদিত হয়।
অর্থাৎ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয় না; এর কার্যকারিতা শেষ হয় কেবলমাত্র আদালতের বাতিলকরণে, অথবা গ্রেপ্তারের বাস্তবায়নে।
- তাই প্রশ্নে উল্লিখিত বিধানটি ধারা ৭৫(২) তে উল্লেখ আছে।
----------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-  75. Form of warrant of arrest Continuance of warrant of arrest:
(1) Every warrant of arrest issued by a Court under this Code shall be in writing, signed by the presiding officer, or in the case of a Bench of Magistrates, by any member of such Bench, and shall bear the seal of the Court. 
(2) Every such warrant shall remain in force until it is cancelled by the Court which issued it, or until it is executed.

২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে (preventive arrest) পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১৫১
  4. ধারা ১৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫১ অনুযায়ী যদি কোনো পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবগত হন এবং তার কাছে প্রতীয়মান হয় যে অপরাধটি অন্যভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ বা পরোয়ানা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান- আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতার:

কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 151- Arrest to prevent such offences:
A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.

২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker) অপরাধীদের কাছ থেকে সৎ আচরণের জন্য মুচলেকা (security for good behaviour) গ্রহণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১০৯
  4. ধারা ১১০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০-এ Security for good behaviour from habitual offenders সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,
যদি তথ্য পান যে তাঁর এখতিয়ারাধীন কোনো ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভেদকারী (house-breaker), চোর বা জালিয়াত, অথবা
চোরাই মাল গ্রহণকারী, চোরদের আশ্রয়দাতা বা চোরাই মাল গোপনে রাখা/বিক্রয়ে সহায়তাকারী, কিংবা শান্তিভঙ্গকারী গুরুতর ও বিপজ্জনক প্রকৃতির অপরাধে অভ্যাসগতভাবে জড়িত, তাহলে তিনি সেই ব্যক্তিকে  কেন তিনি সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছরের জন্য জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত সৎ আচরণের মুচলেকা (bond for good behaviour) সম্পাদন করবেন না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিতে পারেন।

-সুতরাং, অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker)-এর ক্ষেত্রে ধারা ১১০ প্রযোজ্য হবে, যা সদাচরণের জন্য মুচলেকা গ্রহণের বিধান করে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 110. Security for good behaviour from habitual offenders:
Whenever a District Magistrate, or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government receives information that any person within the local limits of his jurisdiction- 
(a) is by habit a robber, house-breaker, thief, or forger, or
(b) is by habit a receiver of stolen property knowing the same to have been stolen, or
(c) habitually protects or harbours thieves or aids, in the concealment or disposal of stolen property, or
(d) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, the offence of kidnapping, abduction, extortion, cheating or mischief, or any offence punishable under Chapter XII of the Penal Code, or under section 489A, section 489B, section 489C or section 489D of that Code, or
(e) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, offences involving a breach of the peace, or (f) is so desperate and dangerous as to render his being at large without security hazardous to the community, such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding three years, as the Magistrate thinks fit to fix.

২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪(১) অনুসারে পুলিশ warrant ছাড়া মোট কত প্রকার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে? 
  1. ৯ প্রকার
  2. ১০ প্রকার
  3. ১১ প্রকার
  4. ১২ প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪(১) অনুযায়ী পুলিশ warrant ছাড়া মোট ১১ প্রকার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪(১)-এ পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করার ১১টি ক্ষেত্র "প্রথমত" (firstly) থেকে "একাদশত" (eleventhly) পর্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ১১টি বিভাগ বা শ্রেণি নিম্নরূপ:
প্রথমত: পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে অধিগ্রহণযোগ্য (cognizable) অপরাধ সংঘটনকারী।
দ্বিতীয়ত: যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ/সূত্র আছে যে সে ৭ বছর বা তার কম মেয়াদের সাজাযোগ্য অপরাধ করেছে (কিছু শর্তসাপেক্ষে)।
তৃতীয়ত: যার বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত সূত্রে প্রমাণিত যে সে ৭ বছরের বেশি সাজা বা মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করেছে।
চতুর্থত: বেআইনিভাবে গৃহভঙ্গির সরঞ্জাম বহনকারী।
পঞ্চমত: এই সংহিতা বা সরকারি আদেশে অপরাধী হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তি।
ষষ্ঠত: চোরাই মাল বহনকারী বলে সন্দেহভাজন ব্যক্তি।
সপ্তমত: পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধাদানকারী বা আইনানুগ হেফাজত থেকে পলাতক ব্যক্তি।
অষ্টমত: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলাতক বলে সন্দেহভাজন ব্যক্তি।
নবমত: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধে জড়িত ব্যক্তি (যা বাংলাদেশে হলে অপরাধ হতো)।
দশমত: ধারা ৫৬৫(৩) এর নিয়ম ভঙ্গকারী মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি।
একাদশত: অন্য পুলিশ অফিসারের Requisition (অনুরোধ) প্রাপ্ত ব্যক্তি।
সুতরাং, ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তারের ১১টি আলাদাভাবে শ্রেণিবদ্ধ ক্ষেত্র ধারা ৫৪(১)-এ বর্ণিত আছে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section- 54.  When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without warrant, arrest-
firstly, any person who commits, in the presence of a police-officer, a cognizable offence;
secondly, any person against whom a reasonable complaint has been made, or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may be less than seven years or which may extend to seven years, whether with or without fine, if the following conditions are satisfied, namely:-
    (i) the police-officer has reason to believe, on the basis of such complaint, information, or suspicion that such person has committed the said offence; and
    (ii) the police-officer is satisfied that such arrest is necessary-
        (a) to prevent such person from committing any further offence; or
        (b) for proper investigation of the offence; or
        (c) to prevent such person from causing the evidence of the offence to disappear or tampering with such evidence in any manner; or
        (d) to prevent such person from making any inducement, threat or promise to any person acquainted with the facts of the case so as to dissuade him from disclosing such facts to the Court or to the police-officer; or
        (e) as unless such person is arrested, his presence in the Court whenever required cannot be ensured;
            and the police-officer shall record while making such arrest, his reasons in writing:
            Provided that a police-officer shall, in all cases where the arrest of a person is not required under the provisions of this sub-section, record the reasons in writing for not making the arrest;
thirdly, any person against whom credible information has been received that he has committed a cognizable offence punishable with imprisonment for a term which may extend to more than seven years whether with or without fine, or with death sentence and the police-officer has reason to believe, on the basis of that information, that such person has committed the said offence;
fourthly, any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
fifthly, any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
sixthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
seventhly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
eighthly, any person who is reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
ninthly, any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
tenthly, any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
eleventhly, any person for whose arrest a requisition, has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.

(2) No police-officer shall arrest a person under this section for the purpose of detaining him under any law providing for preventive detention.

২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, ভুল দায়রা বিভাগ বা জেলায় বিচার হলেও তা বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে?
  1. ধারা ৫২৯
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩১ অনুযায়ী: কোনো ফৌজদারি আদালতের রায়, আদেশ বা দণ্ড শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে বিচার বা তদন্ত ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় হয়েছে।
তবে, যদি প্রমাণিত হয় যে এই ভুলের কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে, তখনই তা বাতিল হতে পারে।

অর্থাৎ কোনো ফৌজদারি আদালতের রায়, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল করা হবে না যে তদন্ত, বিচার বা কার্যক্রম ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় হয়েছে যতক্ষণ না এই ভুল প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটায়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 531. Proceedings in wrong place:
No finding, sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.

২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ক ধারা অনুযায়ী গ্রেপ্তার স্মারকে (memorandum of arrest) অন্তত কতজন সাক্ষীর স্বাক্ষর প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. কোন সাক্ষীর প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেপ্তার পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব:- 
গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্যান্য যে ব্যক্তি গ্রেপ্তার করছেন, তাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পালন করতে হবে-
(ক) তার নামের সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচয় বহন করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং প্রয়োজনে অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারক প্রস্তুত করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষী দ্বারা সাক্ষ্য সত্যায়িত হতে হবে, যিনি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট এলাকার সুনামধন্য ব্যক্তি হবেন, এবং যদি এমন কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকে উল্লেখ করতে হবে;
(ii) অভিযুক্ত যদি অস্বীকার না করে, তবে স্মারকে অভিযুক্তের স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্তকে তার বাসা থেকে অন্য স্থানে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে অভিযুক্তের দ্বারা মনোনীত পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব, কিন্তু গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং কন্ট্রোলের স্থানের তথ্য জানাতে হবে;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, শংসাপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ নথিভুক্ত করতে হবে;
(চ) অভিযুক্ত চাইলে তাকে নিজের পছন্দের উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করার বা নিকটতম আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে, সম্ভব হলে গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

২৫.
০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের বেগ কত?
  1. ৫১০০ মিটার/সেকেন্ড
  2. ১৪৯০ মিটার/সেকেন্ড
  3. ৫৬০ মিটার/সেকেন্ড
  4. ৩৩০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

- ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩০ মিটার। তবে ২০° সেলসিয়াস সাধারণ তাপমাত্রায় এই বেগ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩৪৩-৩৪৪ মিটার/সেকেন্ড।
- শব্দের বেগ বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না। তবে বাতাসের ঘনত্বের বর্গমূলের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে। তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়, সে জন্য শব্দের বেগ বেড়ে যায়।
- শব্দ নামক যান্ত্রিক তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। 
- তরল এবং কঠিন পদার্থের প্রকৃতি বাতাস থেকে ভিন্ন এবং স্বাভাবিক কারণেই শব্দের বেগ সেখানে ভিন্ন। তরলে শব্দের বেগ বাতাসে বেগের থেকে বেশি এবং কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ তার থেকেও বেশি।

- বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ:



উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

২৬.
নিচের কোনটি হ্যালোজেন গ্রুপ মৌল?
  1. গোল্ড
  2. রেডন
  3. ক্রিপ্টন
  4. ফ্লোরিন
ব্যাখ্যা

• হ্যালোজেন গ্রুপ: 
- গ্রুপ-17 এর 6টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলা হয়। এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- হ্যালোজেন মৌলকে 'X' দ্বারা প্রকাশ করা হয়। হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। যেমন, F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) বা খাদ্যলবণ গঠিত হয়।
- এরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু তৈরি করে, যেমন- Cl2, I2 ইত্যাদি।

• মুদ্রা ধাতু: 
- গোল্ড হচ্ছে গ্রুপ-11 মৌল। গ্রুপ-11 এর 4টি মৌল হচ্ছে কপার, সিলভার, গোল্ড এবং রন্টজেনিয়াম। 
- এই চারটি মৌলের মধ্যে প্রথম তিনটি মৌলকে মুদ্রা ধাতু (Coin Metals) বলা হয়, কারণ এই গ্রুপের সবচেয়ে নিচের মৌল রন্টজেনিয়াম ছাড়া অন্য যে তিনটি মৌল আছে তা দিয়ে প্রাচীনকালে মুদ্রা তৈরি হতো এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

• নিষ্ক্রিয় গ্যাস: 
- পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌলসমূহকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases) বলা হয়। মৌলগুলো হলো: হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।
- এই মৌলগুলোর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রন দিয়ে পূর্ণ থাকে বলে এরা ইলেকট্রন বিনিময় বা ভাগাভাগি করে কোনো যৌগ গঠন করতে চায় না।
- রাসায়নিক বন্ধন গঠন বা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এরা নিষ্ক্রিয় থাকে বলে এদেরকে নিষ্ক্রিয় মৌল বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে। নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাস হিসেবে থাকে।

উৎস: রসায়ন- নবম ও দশম শ্রেণি।

২৭.
স্যাটেলাইট কোন বলের কারণে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে?
  1. অভিকর্ষজ ত্বরণ
  2. মহাকর্ষ বল
  3. আপেক্ষিক বল
  4. সমান্তরাল বল
ব্যাখ্যা

- স্যাটেলাইট প্রধানত মহাকর্ষ বল বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতে থাকে।
- স্যাটেলাইটের নিজস্ব ভরবেগ (Momentum) বা সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার গতি এবং পৃথিবীর টান এমনভাবে ভারসাম্য বজায় রাখে যে, এটি পৃথিবীতে আছড়ে না পড়ে একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরতে থাকে।
- স্যাটেলাইটের  ঘূর্ণন বজায় রাখার পেছনে দুটি প্রধান কারণ কাজ করে। যথা:

• মহাকর্ষ বল (Gravitational Force):
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল কাজ করে, তাই মহাকর্ষ বল। এটি একটি সর্বজনীন আকর্ষণ বল।
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি স্যাটেলাইটকে সবসময় নিজের কেন্দ্রের দিকে টেনে ধরে রাখে।

• কেন্দ্রমুখী বল (Centripetal Force):
- কেন্দ্রমুখী বল হলো সেই বাহ্যিক বল যা কোনো বস্তুকে বৃত্তাকার পথে ঘোরানোর জন্য কেন্দ্রের দিকে কাজ করে।
- মহাকর্ষ বলই মূলত এখানে কেন্দ্রমুখী বল হিসেবে কাজ করে, যা স্যাটেলাইটটিকে সোজা পথে চলে যেতে না দিয়ে বৃত্তাকার বা উপবৃত্তাকার পথে ঘুরতে বাধ্য করে।

• অন্যান্য অপশন সমূহ:

আপেক্ষিক বল: 
- আপেক্ষিক বল বলতে সাধারণত একটি চলন্ত বা অ-জড় (non-inertial) প্রসঙ্গ কাঠামো থেকে পরিমাপ করা কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বলকে বোঝায়, যার মধ্যে প্রকৃত বলের সাথে কাল্পনিক বলও (pseudo-force) অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি পর্যবেক্ষকের গতির ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। 

সমান্তরাল বল:
- যখন দুই বা ততোধিক বলের ক্রিয়ারেখা পরস্পর সমান্তরাল হয়, তখন তাদের সমান্তরাল বল বলে। এই বলগুলো একই দিকে (সদৃশ/সমমুখী) অথবা বিপরীত দিকে (বিসদৃশ) কাজ করতে পারে।

অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষজ ত্বরণ (Gravitational acceleration) হলো পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হার, যাকে 'g' দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর মান প্রায় 9.8 m/s2 । 

উৎস:
১। পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।
২। National Environmental Satellite, Data & Information Service- USA [Link]

২৮.
নিচের কোনটি হাইড্রোকার্বন?
  1. NaHCO3
  2. NaCl
  3. C6H6
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। যেমন: মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C2H12), বেনজিন (C6H6) ইত্যাদি। 
- হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার: (i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন ও (ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।

 (i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন:
- অ্যালিফেটিক কথাটির অর্থ হলো চর্বিজাত। এই শ্রেণির হাইড্রোকার্বন মূলত প্রাণীর চর্বি থেকে পাওয়া গিয়েছিল। তাই এ ধরনের হাইড্রোকার্বনের নাম অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন দেওয়া হয়েছে। 
- মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C6H12), সাইক্লোবিউটিন হচ্ছে অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ। 

(ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন:
- গ্রিক শব্দ অ্যারোমা (Aroma) থেকে অ্যারোমেটিক শব্দটি এসেছে। অ্যারোমেটিক শব্দের অর্থ হলো সুগন্ধযুক্ত। প্রথমে যে অ্যারোমেটিক যৌগগুলো পাওয়া গিয়েছিল সেগুলো ছিল সুগন্ধযুক্ত, তাই এ ধরনের নামকরণ করা হয়েছে।
- বেনজিন (C6H6) বা ন্যাপথলিন (C10H8) হচ্ছে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ।

- অপরদিকে NaHCO3 এবং NaCl হচ্ছে অজৈব লবণ।

উৎস: রসায়ন- নবম ও দশম শ্রেণি।

২৯.
Choose the correct spelling-
  1. Inaccessibelity
  2. Inaccesibility
  3. Inacessibility
  4. Inaccessibility
ব্যাখ্যা

Correct answer: Inaccessibility.

Inaccessibility (noun)
- English meaning: the fact of being very difficult or impossible to travel to or to reach.
- Bangla meaning: অগম্যতা; অনতিগম্যতা; দুর্গমতা; অলভ্যতা; অপ্রাপণীয়তা।

Example sentence:
1. The website's inaccessibility frustrated users with visual impairments.
2. The area is inaccessible by road. 

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩০.
He runs faster than his brother. (make it comparative)
  1. His brother does not run as fast as him.
  2. His brother does not run so fast so he.
  3. His brother run as fast as he.
  4. His brother does not run as fast as he.
ব্যাখ্যা

Comparative Degree: He runs faster than his brother. 
Positive Degree: His brother does not run as fast as he.

• Than যুক্ত Comparative Degree কে Positive Degree তে রুপান্তর করার নিয়ম:
- Than এর পরের অংশ + verb + not + so/as + Comparative এর Positive form + as + প্রদত্ত sentence এর subject.
- Comparative: He is stronger than I.
- Positive: I am not as strong as he.
- Than এর পরের অংশ বসানো হয়েছে।
- Subject অনুযায়ী (verb - am) বসানো হয়েছে।
- গঠন অনুযায়ী not বসানো হয়েছে।
- এরপর as/so বসবে এবং তারপর Comparative এর Positive form বসবে।
- এরপর as + প্রদত্ত sentence এর subject - "He" বসবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩১.
A person who abstains from alcoholic drinks is a-
  1. Vegetarian
  2. Epicurean
  3. Omnivorous
  4. Teetotaler
ব্যাখ্যা

Correct answer: Teetotaler.

Teetotaler (noun)
- English meaning: someone who never drinks alcohol.
- Bangla meaning: যিনি মদ্যপান থেকে বিরত থাকেন।

Other options:
ক) Vegetarian: A person who does not eat meat or fish.

খ) Epicurean: One who believes in the theory of eat, drink, and be merry.

গ) Omnivorous: One who eats everything.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩২.
An investigation was carried out by the auditor to find the financial discrepancies, ____________ concealed for years.
  1. which have been
  2. which had been
  3. which had 
  4. which was
ব্যাখ্যা

Correct answer: which had been.
Complete sentence: An investigation was carried out by the auditor to find the financial discrepancies, which had been concealed for years.
- প্রশ্নে "investigation was carried out by the auditor" Past indefinite tense e আছে, সুতরাং অপর অংশটি টি Past Perfect tense - এ হবে। আবার যেহেতু গোপন করার কাজটি কারো দ্বারা করা হয়েছিলো তাই বাক্যটি Passive voice হবে এবং তাই had been+ Concealed হয়েছে।

• অতীত কালে দুটি কাজ সম্পূর্ণ হলে যে কাজটি আগে হয় সেটি past perfect tense হয় এবং যে কাজটি পরে হয় সেটি Past Indefinite tense হয়।
- অর্থাৎ Past Perfect Tense অতীতে সম্পন্ন হওয়া কোনো কাজ বা ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যখন তা অন্য কোনো ঘটনার পূর্বে ঘটেছিল।
• Past Perfect Tense এর গঠন: Subject + had + Past Participle (V3) + Extension.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৩৩.
The word "intransigence" means-
  1. having the symptoms of fever.
  2. Refusing to change your opinions or behaviour.
  3. Completely ignoring something.
  4. Using more words than necessary.
ব্যাখ্যা

Correct answer: refusing to change your opinions or behaviour.

Intransigence (noun)
- English meaning: the quality of refusing to change your opinions or behaviour.
- Bangla meaning: আপসহীন মনোভাব; অনমনীয়তা।

Example sentence:
1. Government intransigence has led to a mass exodus from farming in the past two years.
2. Progress has been delayed because of the government's intransigence.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩৪.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিংডং কোন ভূপ্রকৃতিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  2. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  4. উপকূলীয় সমভূমি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিংডং টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়েটারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- আজ থেকে প্রায় ২ মিলিয়ন বছরেরও আগে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
যথা-
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ।
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান,খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ-পূর্বের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। বান্দরবানের একটি শৃঙ্গের নাম তাজিনডং (বিজয়),যার উচ্চতা ১,২৮০ মিটার। এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

• উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩৫.
বাংলাদেশের জলবায়ু কোন ধরনের হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
  2. মেরুক্ষেত্রীয় জলবায়ু
  3. উপসাগরীয় জলবায়ু
  4. শীতপ্রধান জলবায়ু
ব্যাখ্যা

জলবায়ু (Climate)
- বাংলাদেশের জলবায়ু সাধারণত সমভাবাপন্ন।
- দেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রমকরায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে।
- কিন্তু মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত।

- মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো বছরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঋতুর আবির্ভাব।
 - এ বিভিন্ন ঋতুতে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য হয়।
- কিন্তু কোনো সময়ই শীতপ্রধান ও গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মতো চরমভাবাপন্ন হয় না।
- উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলাদেশে বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১° সেলসিয়াস এবং গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়।
- বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) গ্রীষ্মকাল,
(খ) বর্ষাকাল ও
(গ) শীতকাল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয়? (ফেব্রুয়ারি-২০২৬)
  1. রংপুর 
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. বগুড়া 
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলুর  উৎপাদন -  রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)।

এছাড়াও
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৩৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৫ কিমি
  2. ৬.১ কিমি
  3. ৫.২ কিমি
  4. ৪.৮ কিমি 
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু

- ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।
- প্রকল্পের নকশা প্রণয়নসহ সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা।
- ২০২৩ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল।
- পরে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- প্রকল্পের শুরুতে এই সেতুর নাম ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু।
- অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বছরের ডিসেম্বরে সেতুর নাম পাল্টে যমুনা রেলসেতু রাখা হয়।
- নতুন রেলসেতু ৫০টি পিলারের ওপর ৪৯টি স্প্যানে নির্মিত হয়েছে।
- এই সেতুতে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, তারা সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল নির্ধারিত করে দিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৩৮.
’প্রভাতসঙ্গীত’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. ফররুখ আহমেদ
ব্যাখ্যা

 'প্রভাতসঙ্গীত':
- ”প্রভাতসঙ্গীত” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- এখানে মোট ২১টি কবিতা রয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, 'প্রভাতসঙ্গীত আমার অন্তর প্রকৃতির প্রথম বহির্মুখী উচ্ছ্বাস।'
- এই গ্রন্থের বিখ্যাত কবিতা: নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ।

রবীন্দ্রনাথা ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর। 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- মূলত কবি হিসেবেই তাঁর প্রতিভা বিশ্বময় স্বীকৃত।
- ১৯১৩ সালে তাঁকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- এশিয়ার বিদগ্ধ ও বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম এই পুরস্কার জয়ের গৌরব অর্জন করেন।

তাঁর রচিক কাব্যগ্রন্থ: 
-  প্রকৃতির প্রতিশোধ,
- কড়ি ও কোমল, 
- মায়ার খেলা,
- মানসী,
- সোনর তরী,
- গীতাঞ্জলী,
- বলাকা,
- পূরবী,
- চৈতালী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৯.
ফররুখ আহমদ সম্পর্কে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. তিনি যশোরের মাঝআইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  2. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে তাঁর অবস্থান উর্দু ভাষার পক্ষে।
  3. পাখির বাসা গ্রন্থের জন্যে তিনি ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
  4. তিনি ইসলামি স্বাতন্ত্র্যবাদী কবি ছিলেন।
ব্যাখ্যা

• ফররুখ আহমদ সম্পর্কে সঠিক বক্তব্য নয় - পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে তাঁর অবস্থান উর্দু ভাষার পক্ষে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে বাংলার পক্ষে তাঁর অবস্থান ছিলেন।

• ফররুখ আহমদ, 
- তিনি ছিলেন একজন কবি, শিশুসাহিত্যিক।
- ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা খান সাহেব সৈয়দ হাতেম আলী ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর।
- ফররুখ আহমদ ১৯৩৭ সালে খুলনা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন।
- পরে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে আইএ (১৯৩৯) পাস করে তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজে দর্শন ও ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স নিয়ে বিএ শ্রেণিতে ভর্তি হন, কিন্তু পরীক্ষা না দিয়েই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন।
- তিনি ইসলামি স্বাতন্ত্র্যবাদী কবি ছিলেন।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪০.
জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় বলে আখ্যা দিয়েছেন কে?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

 জীবনানন্দ দাশ
- বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক৷
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- জীবনানন্দ দাশ ১৯৫৫ সালে কলকাতায় এক ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হন, পরে ২২ অক্টোবর মারা যান।
- তিনি দৈনিক ’স্বরাজ’ পত্রিকার সাহিত্য বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- তাঁর প্রথম কবিতা ‘বর্ষ-আবাহন’ ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রথম কাব্য- ঝরা পালক।
- তার রচিত কাব্যগুলো ছিলো- গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যময় প্রকৃতি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় বলে আখ্যা দিয়েছেন।

• তাঁর উপাধি ছিলো:

- ধূসরতার কবি;
- তিমির হননের কবি;
- নির্জনতার কবি;
- রূপসী বাংলার কবি।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ
- ঝরা পালক ,
- ধূসর পান্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহা পৃথিবী,
- বেলা অবেলা কালবেলা,
- রূপসী বাংলা (এটি তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪১.
’একটি তুলসী গাছের কাহিনি’ গল্পের রচয়িতা কে?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ 
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা

'একটি তুলসী গাছের কাহিনি' 
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত 'একটি তুলসী গাছের কাহিনি' গল্পটি ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত
- গল্পটি তাঁর 'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প' নামক গল্পগ্রন্থ থেকে সংকলিত।
- গল্পের সীমিত পরিসরে জীবনের গভীর কোনো তাৎপর্যকে ইঙ্গিতময় ও ব্যঞ্জনাসমৃদ্ধ করে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মুন্সিয়ানা রয়েছে। 
-  ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর কলকাতা থেকে আসা কিছু উদ্বাস্তু ঢাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেয়।
- খোলামেলা বাড়ি পেয়ে তারা স্বস্তি পেলেও উঠানে পাওয়া একটি তুলসী গাছ নিয়ে দ্বিধা তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত গাছটি রেখে দেওয়া হয়।
- অজান্তেই কেউ একজন গাছটির যত্ন নিতে থাকে। পরে সরকারি নির্দেশে উদ্বাস্তুরা উচ্ছেদ হলে বাড়িটি আবার শূন্য হয়ে যায়।
- যত্নের অভাবে তুলসী গাছটিও অবহেলিত হয়ে পড়ে।
- মানুষের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মতোই তুলসী গাছটিও সেই অস্থিরতার নীরব শিকার হয়ে থাকে।
 
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম সৈয়দ আহমদউল্লাহ্। তাঁদের পৈতৃক নিবাস ছিল নোয়াখালী।
- কলকাতা ও ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে তাঁর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত হয়।
- সাংবাদিকতা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু। দেশে-বিদেশে সরকারের বিভিন্ন উচ্চতর পদে তিনি অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক (মরণোত্তর) পেয়েছেন।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১-এর ১০ই অক্টোবর তিনি প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।

 ⇒ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: 'লালসালু', 'চাঁদের অমাবস্যা' ও 'কাঁদো নদী কাঁদো'।

• তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে- 
 ⇒ গল্পগ্রন্থ: 'নয়নচারা' এবং 'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প';

 ⇒ নাটক : 'বহিপীর', 'তরঙ্গভঙ্গ' ও 'সুড়ঙ্গ'।

উৎস: সাহিত্যপাঠ, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

৪২.
”অলীক কুনাট্যরঙ্গে মজে লোক রাঢ়েবঙ্গে/নিরখিয়া প্রাণে নাহি সয়।” এই উক্তিটি কোন বিখ্যাত লেখকের?
  1. দীনবন্ধু মিত্র
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

⇒ ”অলীক কুনাট্যরঙ্গে মজে লোক রাঢ়েবঙ্গে/নিরখিয়া প্রাণে নাহি সয়।” উক্তিটি  মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত শর্মিষ্ঠা নাটকের  প্রথম সংস্করণের পুস্তকের প্রারম্ভে এই অংশ প্রস্তাবনা ছিল।

’শর্মিষ্ঠা’

- এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম প্রকাশিত বাংলা নাটক।
- কলকাতার পাইকপাড়ার রাজাদের অনুপ্রেরণায় বেলগাছিয়া থিয়েটারের জন্য মধুসূদন দত্ত ১৮৫৮ সালে নাটকটি রচনা করেন।
- ১৮৫৯ সালের জানুয়ারি মাসে রাজাদের অর্থানুকূল্যে ‘শর্মিষ্ঠা' প্রকাশিত ও ১৮৫৯ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর সেটা বেলগাছিয়া থিয়েটারে মঞ্চস্থ হয়।
- পাশ্চাত্যরীতিতে বাংলা নাটক রচনার চেষ্টা এই নাটকের মধ্যে বিশেষভাবে সফলতা পায়।
- মধুসূদন পরে ‘শর্মিষ্ঠা’র ইংরেজি অনুবাদও করেন ।
- এই নাটক রচনায় পুরাণের কাহিনি অবলম্বন করা হয়েছে।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: যযাতি, দেবযানী, শর্মিষ্ঠা, মাধব্য, পূর্ণিমা, রাজমন্ত্রী প্রমুখ।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- তিনি প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)।
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তিলোত্তমাসম্ভ ‘ কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

• তাঁর রচিত নাটক :
- পদ্মবতী,
- কৃষ্ণকুমারী,
- শর্মিষ্ঠা,

উৎস:
i) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
ii) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
iii) শর্মিষ্ঠা নাটক।

৪৩.
একটি সংখ্যা 15% বৃদ্ধি করা হলো এবং তারপর 25% হ্রাস করা হলো, ফলে সংখ্যাটি মূল সংখ্যার চেয়ে 22 কম হয়ে গেল। মূল সংখ্যাটি কত?
  1. 480
  2. 368
  3. 160
  4. 540
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সংখ্যা 15% বৃদ্ধি করা হলো এবং তারপর 25% হ্রাস করা হলো, ফলে সংখ্যাটি মূল সংখ্যার চেয়ে 22 কম হয়ে গেল। মূল সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
মনে করি,
সংখ্যাটি P

সংখ্যাটি প্রথমে 15% বৃদ্ধি করা হয়,
তাহলে সংখ্যাটি = {P + P এর 15%}
= {P + (3P/20)}
= (23P/20)

এরপর প্রাপ্ত সংখ্যাটি 25% হ্রাস করা হয়
তাহলে সংখ্যাটি = {(23P/20) - (23P/20) এর 25%}
= {(23P/20) - (23P/20) × (1/4)}
= {(23P/20) - (23P/80)}
= (92P - 23P)/80
= (69P/80)

চূড়ান্ত সংখ্যাটি মূল সংখ্যার চেয়ে 22 কম হলে,

শর্তানুসারে,
P - (69P/80) = 22
⇒ (80P - 69P)/80 = 22
⇒ 11P/80 = 22
⇒ P = (80 × 22)/11
∴ P = (80 × 2) = 160

∴ সংখ্যাটি 160 ।

৪৪.
সাইফুল 13400 টাকায় 4 টি ঘোড়া এবং 9 টি গরু ক্রয় করেন। যদি তিনি ঘোড়াগুলো 10% লাভে এবং গরুগুলো 20% লাভে বিক্রি করেন, তবে তার মোট 1880 টাকা লাভ হয়। দুইটি ঘোড়ার ক্রয়মূল্য কত?
  1. 7900 টাকা
  2. 2600 টাকা
  3. 8500 টাকা
  4. 4000 টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সাইফুল 13400 টাকায় 4 টি ঘোড়া এবং 9 টি গরু ক্রয় করেন। যদি তিনি ঘোড়াগুলো 10% লাভে এবং গরুগুলো 20% লাভে বিক্রি করেন, তবে তার মোট 1880 টাকা লাভ হয়। দুইটি ঘোড়ার ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
একটি ঘোড়ার ক্রয়মূল্য H টাকা
একটি গরুর ক্রয়মূল্য C টাকা

সাইফুল 13400 টাকায় 4 টি ঘোড়া এবং 9 টি গরু ক্রয় করেন
প্রশ্নমতে,
4H + 9C = 13400 ................... (1)

ঘোড়ায় 10% এবং গরুতে 20% লাভ হলে মোট লাভ হয় 1880 টাকা
তাহলে,
4H × 10% + 9C × 20% = 1880
⇒ 4H × (1/10) + 9C × (1/5) = 1880
⇒ (2H/5) + (9C/5) = 1880
⇒ (2H + 9C)/5 = 1880
⇒ (2H + 9C) = 1880 × 5
⇒ (2H + 9C) = 9400 ....................(2)

এখন, (1) - (2) ⇒
4H + 9C - 2H - 9C = 13400 - 9400
⇒ 2H = 4000
∴ 2H = 4000

∴ দুইটি ঘোড়ার ক্রয়মূল্য 4000 টাকা।

৪৫.
দুটি ভিন্ন ব্যাংক, পৃথক বার্ষিক সুদের হারের জন্য ৬৫০ টাকার ২ বছরের সুদের পার্থক্য হয় ৭৮ টাকা। তবে ব্যাংক দুটির বার্ষিক সুদের হারের পার্থক্য কত?
  1. ১০%
  2. ৬%
  3. ১৫%
  4. ২০%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি ভিন্ন ব্যাংক, পৃথক বার্ষিক সুদের হারের জন্য ৬৫০ টাকার ২ বছরের সুদের পার্থক্য হয় ৭৮ টাকা। তবে ব্যাংক দুটির বার্ষিক সুদের হারের পার্থক্য কত?

সমাধান:

ধরি,
প্রথম ব্যাংকের বার্ষিক সুদের হার = r₁%
দ্বিতীয় ব্যাংকের বার্ষিক সুদের হার = r₂%
r₁ > r₂ (ধরে নিলাম প্রথম ব্যাংকের হার বেশি)

সরল সুদের ক্ষেত্রে,
সুদ = (মূলধন × সুদের হার × সময়) ÷ ১০০

প্রথম ব্যাংকের ২ বছরের সুদ = (৬৫০ × r₁ × ২) ÷ ১০০ = ১৩r₁ টাকা
দ্বিতীয় ব্যাংকের ২ বছরের সুদ = (৬৫০ × r₂ × ২) ÷ ১০০ = ১৩r₂ টাকা

সুদের পার্থক্য = ১৩r₁ - ১৩r₂ = ৭৮
বা, ১৩(r₁ - r₂) = ৭৮
বা, r₁ - r₂ = ৭৮ ÷ ১৩ = ৬

সুদের হারের পার্থক্য = ৬%

৪৬.
একটি চৌবাচ্চা দুইটি নল দ্বারা যথাক্রমে ১২ মিনিট ও ১৫ মিনিটে পূর্ণ হতে পারে। নল দুইটি একসঙ্গে খুলে দিলে চৌবাচ্চাটির  তিন-চতুর্থাংশ পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?
  1. ১২ মিনিট
  2. ৫ মিনিট
  3. ১৫ মিনিট
  4. ২০ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চৌবাচ্চা দুইটি নল দ্বারা যথাক্রমে ১২ মিনিট ও ১৫ মিনিটে পূর্ণ হতে পারে। নল দুইটি একসঙ্গে খুলে দিলে চৌবাচ্চাটির  তিন-চতুর্থাংশ পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
১ম নল দ্বারা,
১২ মিনিটে পূর্ণ হয় ১ অংশ
১ মিনিটে পূর্ণ হয়  ১/১২ অংশ

২য় নল দ্বারা একইভাবে ১ মিনিটে পূর্ণ হয় ১/১৫ অংশ

নল দুইটি একসঙ্গে খুলে দিলে ১ মিনিটে পূর্ণ হয় = (১/১২) + (১/১৫) অংশ
= (৫ + ৪)/৬০ অংশ
= ৯/৬০ অংশ
= ৩/২০ অংশ

এখন,
৩/২০ অংশ পূর্ণ হয় ১ মিনিটে
∴ ১ বা সম্পূর্ণ অংশ পূর্ণ হয় = (২০/৩) মিনিটে
∴ তিন-চতুর্থাংশ বা ৩/৪ অংশ পূর্ণ হয় = (২০/৩) × (৩/৪) মিনিটে
= ৫ মিনিটে ।

∴ চৌবাচ্চাটির  তিন-চতুর্থাংশ পূর্ণ হতে ৫ মিনিট সময় লাগবে।

৪৭.
রকিব একটি কাজ আকাশের চেয়ে ৭৫ দিন কম সময়ে করতে পারে। রকিবের কাজের গতি যদি আকাশের কাজের গতির ৪ গুণ হয় তবে রকিব একা ঐ কাজ কতদিনে শেষ করতে পারবে?
  1. ৩৫ দিন
  2. ২৫ দিন
  3. ২৭ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:  রকিব একটি কাজ আকাশের চেয়ে ৭৫ দিন কম সময়ে করতে পারে। রকিবের কাজের গতি যদি আকাশের কাজের গতির ৪ গুণ হয় তবে রকিব একা ঐ কাজ কতদিনে শেষ করতে পারবে?

সমাধান:
ধরি,
আকাশের কাজটি করতে লাগে ৪ক দিন
রকিব কাজটি করতে লাগে ক দিন

এখন,
৪ক - ক = ৭৫
⇒ ৩ক = ৭৫
⇒ ক = ৭৫/৩
∴ ক = ২৫

∴ রকিব একা কাজটি ২৫ দিনে শেষ করতে পারবে।