পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
Exam - 3 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-3 Topic ➝ Section 337-487 • General provisions as to inquiries and trials • The mode of taking and recording evidence in inquiries and trials • The judgment • The submission of sentences for confirmation • Execution • Suspensions, Remissions and Commutations of sentences • Previous acquittals or convictions • Appeal, Reference and Revision • Time for disposal of appeal and revision • Lunatics • Proceedings in case of certain offences affecting the administration of justice
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, ক্ষমা গ্রহণকারীকে অন্য অভিযুক্তদের সাথে—
  1. একত্রে বিচার করা যাবে
  2. একত্রে বিচার করা যাবে না
  3. শুধুমাত্র হাইকোর্টের অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
  4. কেবল সরকারি কৌঁসুলির অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯: যে ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছে তার বিচার-
(১) যদি ৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়ে থাকে এবং সরকারি কৌঁসুলি (Public Prosecutor) এই মর্মে প্রত্যয়ন দেন যে উক্ত ব্যক্তি ক্ষমার শর্ত মেনে চলেননি— হয় ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গোপন করেছেন অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তবে ঐ ব্যক্তিকে সেই অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে যার জন্য তাকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, অথবা একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে।

শর্তসাপেক্ষে—
- ব্যক্তিকে অন্য কোনো অভিযুক্তের সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না; এবং
- তিনি বিচারে এই যুক্তি দেখাতে পারবেন যে তিনি ক্ষমার শর্ত পূরণ করেছেন।
- এই ক্ষেত্রে, প্রসিকিউশনের (অভিযোগপক্ষের) দায়িত্ব হবে প্রমাণ করা যে শর্ত মানা হয়নি।
 
(২) যিনি ক্ষমার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন তার দেওয়া বিবৃতি সেই বিচারে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে।

(৩) উক্ত বিবৃতির বিষয়ে মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না, যদি না হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) এর অনুমোদন থাকে।

.
ধারা ৪০২ এর অধীনে কে দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন করতে পারে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. দায়রা আদালত
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে।

ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

.
আসামীকে রিমান্ডে পাঠানোর সর্বোচ্চ মেয়াদ কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৪৪: কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।
ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়। তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

.
রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তির সময়সীমা গণনা শুরু হবে কোন তারিখ থেকে?
  1. রায় ঘোষণার তারিখ থেকে
  2. আবেদন দায়েরের তারিখ থেকে
  3. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারির তারিখ থেকে
  4. বিচারকের আদেশের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫ (৮) অনুযায়ী, যদি উভয় পক্ষ আপসযোগ্য মামলায় আপসের জন্য একমত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলাটি স্থগিত করবে
  2. আপসের প্রক্রিয়া সহজতর করবে
  3. মামলাটি বাতিল করবে
  4. অভিযুক্তকে জামিন দিবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪৫ (৮):
এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ আছে তা সত্ত্বেও, যদি উভয় পক্ষ কোনো আপসযোগ্য মামলায় আপসের জন্য একমত হয়, তবে আদালত পক্ষগুলোর মধ্যে আপসের প্রক্রিয়া সহজতর করতে পারে বা বিষয়টি আইনি সহায়তা আইন, ২০০০ (২০০০ সালের আইন) এর অধীনে নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট আইনি সহায়তা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে পারে, অথবা পক্ষগুলোর নিযুক্ত উকিলদের কাছে, অথবা যদি কোনো উকিল নিযুক্ত না থাকে, তবে পক্ষ বা পক্ষগুলোর নিজেদের কাছে আপসের জন্য পাঠাতে পারে। যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় যে পক্ষগুলোর মধ্যে এই আপসের জন্য একটি বৈধ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে, তবে আদালত সেই চুক্তিটি রেকর্ডে সংরক্ষণ করতে পারে এবং চুক্তির শর্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করতে পারে, তবে এই বাস্তবায়ন যেন কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার বা স্বার্থের ক্ষতি না করে।

ব্যাখ্যা: এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যে, “পক্ষ” বলতে সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বোঝায় যারা আইনানুগভাবে অপরাধের আপস করতে পারে এবং অভিযুক্ত।

.
ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী, অভিযুক্ত হাজির হওয়ার আদেশ কোথায় প্রকাশ করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র আদালতের বোর্ডে
  2. শুধুমাত্র জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে 
  3. জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে এবং সরকারি ওয়েবসাইটে
  4. শুধুমাত্র পুলিশের কার্যালয়ে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে এবং সরকারি ওয়েবসাইটে।

ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী, অভিযুক্তকে হাজির হওয়ার আদেশ একটি জাতীয় দৈনিকে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, সরকারি ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা যেতে পারে।

ধারা ৩৩৯খ: অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia):
(১) যদিও ধারা ৮৭ এবং ধারা ৮৮-এ যা কিছু উল্লেখ আছে, তা সত্ত্বেও, যদি আদালতের এমন বিশ্বাসের কারণ থাকে যে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক হয়েছে বা নিজেকে এমনভাবে গোপন করছে যে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের জন্য হাজির করা যাচ্ছে না এবং তাকে গ্রেপ্তারের কোনো তাৎক্ষণিক সম্ভাবনা নেই, তবে যে আদালত অভিযোগকৃত অপরাধের বিষয়ে বিচার গ্রহণ করছে, সেই আদালত একটি জাতীয় দৈনিক বাংলা সংবাদপত্রে, যার ব্যাপক প্রচার আছে, একটি আদেশ প্রকাশ করবে। এই আদেশে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি এই নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার করা হবে।

শর্ত: আদালত এছাড়াও নির্দেশ দিতে পারে যে, অভিযুক্তের হাজির হওয়ার আদেশটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চিফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা প্রশাসক অফিস, বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বা ব্যাপক জনসাধারণের প্রবেশাধিকারযুক্ত অন্য কোনো সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

২. যদি কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের সামনে হাজির হয় বা জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পলাতক হয় বা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, তবে উপ-ধারা (১)-এ উল্লিখিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না। এই ক্ষেত্রে, অভিযোগকৃত অপরাধের জন্য ওই ব্যক্তির বিচারের জন্য যোগ্য আদালত, এই সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে, তার অনুপস্থিতিতে বিচার করবে।

.
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী যদি গর্ভবতী থাকে, তাহলে ৩৮২ ধারায় হাইকোর্ট কোন ব্যবস্থা নিতে পারে?
  1. দণ্ড বাতিল করতে পারে
  2. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  3. শুধুমাত্র জরিমানা দিতে পারে
  4. মামলা বাতিল করতে পারে
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ মোতাবেক-
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাসকরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life

.
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ১২০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।

.
ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালত অবমাননা করলে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যাবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৮০: অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

১০.
ধারা ৪৩৫(১)-এর অধীনে নথি পর্যালোচনাকালীন সময়ে হাইকোর্ট বা দায়রা আদালত কী করতে পারে?
  1. বিচার বন্ধ করতে পারে
  2. অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারে
  3. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  4. মামলা বাতিল করতে পারে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫(১) ধারায়-
হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৪১২ ধারায়
  2. ৪১৬ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

• আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

১২.
পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির উপর মৃত্যুদণ্ড সাজা ঘোষণা করা হলে তা কখন কার্যকর হবে?
  1. অবিলম্বে
  2. পুনরায় হাজির হওয়ার পরে
  3. আদালতের আদেশ সাপেক্ষে
  4. অবশিষ্ট সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৯৬- পলাতক দণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ড কার্যকর করা:
(১) যখন এই কোডের অধীনে কোনো পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির উপর সাজা ঘোষণা করা হয়, তখন উক্ত সাজা, যদি মৃত্যুদণ্ড বা জরিমানা হয়, পূর্বে উল্লিখিত বিধানাবলীর সাপেক্ষে, অবিলম্বে কার্যকর হবে। আর যদি সাজা কারাদণ্ড বা পরিবহন (ট্রান্সপোর্টেশন) হয়, তবে নিম্নলিখিত নিয়ম অনুসারে কার্যকর হবে, যথা:

(২) যদি নতুন সাজা তার ধরনে পূর্বের সাজার তুলনায় কঠোর হয়, যে সাজা দণ্ডিত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার সময় ভোগ করছিল, তবে নতুন সাজা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

(৩) যদি নতুন সাজা তার ধরনে পূর্বের সাজার তুলনায় কঠোর না হয়, যে সাজা দণ্ডিত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার সময় ভোগ করছিল, তবে নতুন সাজা কার্যকর হবে তার পরে, যখন সে আরও একটি সময়ের জন্য কারাদণ্ড বা পরিবহন, যে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ভোগ করবে। এই সময়টি তার পূর্বের সাজার অবশিষ্ট মেয়াদের সমান হবে, যা পালানোর সময় অপূর্ণ ছিল।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে—

(ক) পরিবহনের সাজা কারাদণ্ডের সাজার চেয়ে কঠোর বলে গণ্য হবে; (খ) নির্জন কারাবাস সহ কারাদণ্ডের সাজা একই ধরনের কারাদণ্ডের তুলনায় কঠোর বলে গণ্য হবে, যেখানে নির্জন কারাবাস নেই; (গ) কঠোর কারাদণ্ডের সাজা সাধারণ কারাদণ্ডের সাজার চেয়ে কঠোর বলে গণ্য হবে, যেখানে নির্জন কারাবাস থাকুক বা না থাকুক।

১৩.
ধারা ৩৪০ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে না পারলে অন্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালত কী করতে পারবে?
  1. অনুমান করতে পারবে
  2. অনুমান করতে পারবে না
  3. সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই দণ্ড দিতে পারবে
  4. নতুন সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান- যাহার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হইয়াছে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থন করিবার অধিকার ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা:
(১) ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবে।

(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে।

(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবে:

তবে শর্ত এই যে,
ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
১৪.
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত জরিমানার সাজা প্রদান করলে, দণ্ডিত ব্যক্তির আপিলের অধিকার থাকবে না?
  1. ২০০
  2. ১০০০
  3. ২০০০
  4. ৫০০০
ব্যাখ্যা

ধারা ৪১৪: নির্দিষ্ট সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডপ্রাপ্তের আপিল নিষিদ্ধ:
কোনো ব্যক্তিকে যদি ম্যাজিস্ট্রেট (ধারা ২৬০ অনুযায়ী ক্ষমতাসম্পন্ন) সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ড দেয়, এবং সেই দণ্ড মাত্র ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হয়, তবে সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything herein before contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand taka only.]

১৫.
ধারা ৩৭৬ এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগের কী ক্ষমতা আছে?
  1. দণ্ড বহাল রাখা
  2. খালাস দেওয়া
  3. অন্য কোনো দণ্ড প্রদান
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, 
যে কোনো মামলা ধারা ৩৭৪ বা ৪০৫ অনুযায়ী হাইকোর্টে পেশ করা হয়, সেখানে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে:
(ক) দণ্ড বহাল রাখতে পারে, অথবা আইন অনুযায়ী অন্য কোনো দণ্ড প্রদান করতে পারে।

(খ) দোষ প্রমাণ বাতিল করতে পারে, এবং অভিযুক্তকে সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে যার জন্য দায়রা আদালত তাকে দণ্ড দিতে পারত, অথবা একই বা সংশোধিত অভিযোগে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারে।

(গ) অভিযুক্তকে খালাস (acquit) দিতে পারে।

শর্ত: এই ধারা অনুযায়ী কোনো দণ্ড বহাল রাখার আদেশ দেওয়া যাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত—

আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা

নির্ধারিত সময়ে আপিল করলে সেই আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.

১৬.
ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক-এর আপিল কখন বাতিল হবে?
  1. অভিযোগপত্র বাতিল হলে
  2. অভিযুক্ত মারা গেলে
  3. জামিন না মঞ্জুর হলে
  4. মামলা স্থগিত হলে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী,

ধারা ৪১৭ বা ৪১৭ক অনুযায়ী আপিল: অভিযুক্তের মৃত্যু ঘটলে, সেই আপিল চূড়ান্তভাবে বাতিল (abate) হয়ে যাবে।

অন্যান্য সকল আপিল (জরিমানা ছাড়া): আপিলকারী মারা গেলে, সেই আপিলও চূড়ান্তভাবে স্থগিত হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter (except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.

১৭.
'ক' কে গুরুতর আঘাতের অপরাধে 'ম' দণ্ডিত হয়। পরবর্তীতে উক্ত আঘাতজনিত কারণে 'ক' মারা যায়। এক্ষেত্রে-
  1. 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে
  2. 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে না
  3. দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে, 'ম' এর পুনরায় বিচার করা যাবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

এছাড়া, ধারা ৪০৩(৩) অনুসারে-
যখন কোন ব্যক্তি কোন কার্যদ্বারা সৃষ্ট কোন অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং উক্ত কার্য ও তার প্রতিক্রিয়া সমন্বয়ে তদপেক্ষা ভিন্ন ধরনের একটি অপরাধ সৃষ্টি হয়, তখন উক্ত প্রতিক্রিয়া না ঘটে থাকে বা ঘটেছে বলে আদালত অবহিত না থাকলে, পরবর্তীতে শেষোক্ত অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে। 

'ম' প্রথমে গুরুতর আঘাতের অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে, কিন্তু 'ক' মারা যাওয়ায় 'নরহত্যা' অর্থাৎ ভিন্ন অপরাধের সৃষ্টি হয়েছে। তাই নরহত্যার অপরাধে 'ম' কে পুনরায় বিচার করা যাবে।

১৮.
ধারা ৩৫২-এর অধীনে সর্বসাধারণ বা কোনো বিশেষ ব্যক্তির আদালতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার আদেশ দিতে পারেন-
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. আদালতের কর্মচারী
  4. সরকারি কৌঁসুলি
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

১৯.
'ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল গ্রহণযোগ্য হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪১৮ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২০ ধারায়
  4. ৪২১ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
- ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
- ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.

২০.
ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী, কোন বয়সের কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে রাখা হবে?
  1. ২১ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

২১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৪২ ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা উত্তর দিলে শুধু এই কারণে-
  1. শাস্তি দেয়া যাবে 
  2. শাস্তি দেয়া যাবে না
  3. শাস্তির পরিমাণ বেড়ে যাবে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪২: অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা:

১. জিজ্ঞাসাবাদ:
- যে কোনো তদন্ত বা বিচারকার্যের সময়, আদালত অভিযুক্তকে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারে, পূর্বে সতর্কতা ছাড়াই।
- প্রশ্ন করা হবে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর এবং আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের আগে।

২. উত্তর অস্বীকার বা মিথ্যা উত্তর:
- অভিযুক্ত উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা উত্তর দিলে শুধু এই কারণে শাস্তি দেয়া যাবে না।
- তবে আদালত সেই আচরণ থেকে যথাযথ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

৩. উত্তরের ব্যবহার:
- অভিযুক্তের দেওয়া উত্তর মৌলিক মামলায় বিবেচনা করা যাবে।
- একই উত্তর অন্য কোনো মামলায় প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি তা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

৪. শপথ:
- অভিযুক্তকে শপথ করানো যাবে না।

২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারায় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন কে?
  1. বিচারিক আদালত
  2. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  3. আপিল আদালত
  4. রিভিশন আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

২৩.
ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, মহানগর দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কাকে প্রেরণ করবে?
  1. হাইকোর্টকে
  2. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. কেবল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

২৪.
ধারা ৩৩৯ক অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত ক্ষমার শর্ত পূরণ করে, তবে আদালত কী রায় দিবে?
  1. মুক্তির রায় দিতে হবে
  2. খালাসের রায় দিতে হবে
  3. শাস্তি স্থগিত করতে হবে
  4. পুনরায় বিচার করতে হবে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৩৯ক- ৩৩৯ ধারার অধীনে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া:
(১) যে আদালত ৩৩৯ ধারার অধীনে ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তির বিচার করছে, সে আদালত—
(ক) যদি আদালত সেশন কোর্ট হয়, তবে অভিযোগপত্র অভিযুক্তকে ২৬৫ডি ধারা, উপ-ধারা (২) অনুযায়ী পাঠ করা ও ব্যাখ্যা করার আগে; এবং
(খ) যদি আদালত ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত হয়, তবে প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের আগে—

অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবে যে তিনি কি এই দাবি করেন যে ক্ষমা প্রদানের শর্ত তিনি পূরণ করেছেন।

(২) যদি অভিযুক্ত এই দাবি করেন, তবে আদালত তার এই আবেদন/দাবি নথিভুক্ত করবে এবং বিচার চালিয়ে যাবে। পরে রায় ঘোষণার আগে আদালত নির্ধারণ করবে অভিযুক্ত আসলেই ক্ষমার শর্ত পূরণ করেছেন কি না।

যদি আদালত দেখতে পায় যে শর্ত পূরণ করা হয়েছে, তবে এই বিধি সত্ত্বেও আদালত খালাসের রায় প্রদান করবে।

২৫.
রিভিশনের আবেদনের ক্ষেত্রে সেশন জজের সিদ্ধান্ত-
  1. আপিলযোগ্য
  2. চূড়ান্ত 
  3. পুনরায় রিভিশনযোগ্য
  4. হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে চূড়ান্ত 
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৯ক: সেশন জজের রিভিশন ক্ষমতা:

(১) কোনো বিচার কার্যক্রমের রেকর্ড যা- নিজে সেশন জজ আহ্বান করেছেন, অথবা অন্যভাবে তার নজরে এসেছে, সে ক্ষেত্রে সেশন জজ হাইকোর্ট বিভাগের ধারা ৪৩৯ অনুসারে যেসব ক্ষমতা ব্যবহার করা যায়, তার সব বা যেকোনো ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারেন।

(২) কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে বা দ্বারা রিভিশনের আবেদন করলে—সেশন জজের সেই বিষয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

(৩) অতিরিক্ত সেশন জজেরও এই অধ্যায়ের অধীনে সেশন জজের সব ক্ষমতা থাকবে এবং প্রয়োগ করতে পারবেন, যদি কোনো মামলা সেশন জজের সাধারণ বা বিশেষ আদেশে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

২৬.
ধারা ৪১৩ অনুসারে, কোন ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না?
  1. দায়রা আদালত ২ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
  2. দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬,০০০ টাকার জরিমানা আরোপ করলে
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ১০,০০০ টাকার জরিমানা আরোপ করলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: b) দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।

অন্যদিকে,
যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি বা শাস্তি মওকুফ করতে পারে?
  1. যদি তিনি আপিল করেন
  2. যদি তিনি জামিন পান
  3. যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
  4. যদি তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৮৪: দোষী ব্যক্তির অব্যাহতি (ক্ষমা প্রার্থনা বা আত্মসমর্পণ করলে):
যদি কোনো আদালত ধারা ৪৮০ বা ধারা ৪৮২ এর অধীনে কাউকে শাস্তি প্রদান করে, অথবা বিচার করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে,

কারণ:
তিনি আইনগতভাবে যা করতে বাধ্য ছিলেন তা করতে অস্বীকার করেছেন বা বাদ দিয়েছেন, অথবা
আদালতের প্রতি ইচ্ছাকৃত অবমাননা বা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন,

তাহলে আদালত নিজের বিবেচনায়—
- সেই দোষী ব্যক্তিকে অব্যাহতি দিতে পারে, অথবা শাস্তি মওকুফ করতে পারে, যদি তিনি আদালতের আদেশ/নির্দেশ মেনে নেন, অথবা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪১ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1. যখন আসামি উন্মাদ প্রমাণিত হয়
  2. যখন আসামি আদালতে হাজির হতে অস্বীকার করে
  3. যখন আসামি বিচার কার্যক্রম বুঝতে অক্ষম
  4. যখন আসামি স্বীকারোক্তি দিতে অস্বীকার করে
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৪১: অভিযুক্ত ব্যক্তি বিচার কার্যক্রম না বুঝলে করণীয়:
যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি উন্মাদ না হয়, কিন্তু তারপরও তাকে বিচার কার্যক্রম বোঝানো সম্ভব না হয়, তবে আদালত তদন্ত বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবে।

তবে হাইকোর্ট বিভাগ ছাড়া অন্য কোনো আদালতে—
যদি সেই বিচার কার্যক্রমের ফলাফল হিসেবে দণ্ড (conviction) হয়, তবে সেই কার্যক্রম মামলার পরিস্থিতির বিবরণসহ হাইকোর্ট বিভাগে পাঠানো হবে। এরপর হাইকোর্ট বিভাগ যে আদেশ প্রয়োজন মনে করবে, তা প্রদান করবে।

Section 341- Procedure where accused does not understand proceedings:
If the accused, though not insane, cannot be made to understand the proceedings, the Court may proceed with the inquiry or trial; and, in the case of a Court other than High Court Division, if such 355[proceedings result] in a conviction, the proceedings shall be forwarded to the High Court Division with a report of the circumstances of the case, and the High Court Division shall pass thereon such order as it thinks fit.