পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৪ (Revised রুটিন) পার্ট-১: সাধারণ জ্ঞান - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক: বৈশ্বিক নিরাপত্তা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যু ও সংস্থা, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়াবলি। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট-২: বাংলা সাহিত্য টপিক: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ লেখক (মীর মশাররফ হোসেন, ফররুখ আহমেদ, বেগম রোকেয়া, দীনবন্ধু মিত্র, কায়কোবাদ, বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপান্ডব ও সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক)। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাহিত্য, কবি সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম ও উপাধি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট-৩: সাধারণ জ্ঞান টপিক: GK - বিজ্ঞান প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান ... সংশ্লিষ্ট মৌলিক বিষয়) উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. থমাস জেফারসন
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. রুজভেল্ট
  4. জেমস মনরো
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট  জর্জ ওয়াশিংটন কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নির্বাচিত প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট - বারাক ওবামা।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
.
বেলফোর ঘোষণার মূল প্রতিপাদ্য ছিল কী?
  1. ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা
  2. ইহুদীদের জন্য রাষ্ট্র গঠন
  3. যুক্তরাজ্য পুনর্গঠন
  4. জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
• বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটাই বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। 
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
'পিংপং ডিপ্লোমেসি' কোন দুটি দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  4. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• পিংপং ডিপ্লোমেসি:
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং - এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- কোনো কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হচ্ছিলো না। ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- এর আগে গোপনে দুই দেশের সরকারের যোগাযোগ হলেও এই ঘটনা প্রকাশ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার দুয়ার খুলে দেয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস টীমের ১৫ সদস্য চীন ভ্রমণে যায় এবং ৭ দিন অবস্থান করে ১৭ তারিখে হংকং ফিরে আসে।
- এই সময়ে তারা সেখানে প্রেসিডেন্ট জু এনলাই, সর্বোচ্চ নেতা মাও সেতুংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন। বিশ্ব মিডিয়ায় যা আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- এই ঘটনার সূত্র ধরেই, ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গোপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
.
ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact) চুক্তির সদস্য দেশ ছিলো -
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৭টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
Warsaw Pact:
- Warsaw Pact বলতে বোঝায় Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি।
- উদ্দেশ্য: মূলত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধিই ছিলো এর মূল উদ্দেশ্য।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- বিলুপ্ত: ১ জুলাই, ১৯৯১।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি;

যেমন: 
→ সোভিয়েত ইউনিয়ন,
→ আলবেনিয়া,
→ বুলগেরিয়া,
→ চেকোস্লাভিয়া,
→ পূর্ব জার্মানি,
→ হাঙেরি,
→ পোল্যান্ড ও
→ রোমানিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
.
কোন দেশে নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়?
  1. দক্ষিণ কোরিয়ায়
  2. মেক্সিকোতে
  3. কানাডায়
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
নাগোয়া প্রটোকল:
- জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশনের সম্পূরক হিসেবে নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়।
- জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার এবং জেনেটিক সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত উপযোগিতার ন্যায্যতাভিত্তিক বন্টন ও বিনিময়ের লক্ষ্যে নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- এটি ২০১০ সালের ২৯ অক্টোবর জাপানের নাগোয়া শহরে গৃহীত হয় এবং ২০১৪ সালের ১২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়।
- ১৪০টি দেশ নাগোয়া প্রটোকলের অংশীদার।

সূত্র: নাগোয়া ওয়েবসাইট।
.
মুক্তিযুদ্ধের বিখ্যাত গান ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই’ - এর রচয়িতা কে?
  1. নজরুল ইসলাম বাবু
  2. আবদুল লতিফ
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যা
সিকান্‌দার আবু জাফর:
- তিনি ছিলেন সাহিত্যিক, সাংবাদিক।
- ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁদের আদি নিবাস ছিল পাকিস্তানের পেশোয়ারে।
- তাঁর পূর্ণ নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বখ্ত সিকান্দার । 
- আবু জাফর ১৯৫০ সালে  কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন এবং বিভিন্ন সময়ে দৈনিক নবযুগ, ইত্তেফাক, সংবাদ ও মিল্লাত পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। 
- তিনি মাসিক 'সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক (১৯৫৭-১৯৭০) ছিলেন।
- তাঁর রচিত ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই’ গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় জনগণকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।
-  তিনি নাটকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৬) এবং একুশে পদক (১৯৮৪, মরণোত্তর) লাভ করেন। 
- ১৯৭৫ সালের ৫ আগস্ট ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয় এবং বনানী কবরস্থানে তিনি সমাহিত হন। 

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পূরবী,
- মাটি আর অশ্রু,
- নবী কাহিনী, 
- জয়ের পথে,
- নতুন সকাল ইত্যাদি। 

তাঁর রচিত কবিতা:
- প্রসন্ন প্রহর,
- বৈরীবৃষ্টিতে,
- তিমিরান্তক,
- বৃশ্চিকলগ্ন,
- কবিতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
.
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে ‘ভাষাচার্য’ উপাধি দেন কে?
  1. মুহম্মদ এনামুল হক
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
-  ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম। 
- ভাষা বিষয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘অরিজিন এণ্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ’।
- শেষের কবিতা উপন্যাসে সুনীতিকুমারের স্বীকৃতি আছে।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে 'ভাষাচার্য' উপাধি দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- ১৯৭৭ সালের ২৯ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার্স,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- ল্যাঙ্গুয়েজ এণ্ড লিটারেচর অফ মডার্ন ইন্ডিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'একাত্তরের ডায়েরী' কার রচনা?
  1. আবু ইসহাক
  2. সুফিয়া কামাল
  3. সেলিনা হোসেন
  4. জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
• 'একাত্তরের ডায়েরী' সুফিয়া কামাল রচিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথামূলক রচনা।

সুফিয়া কামাল: 

- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে পরিচিত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।

তার রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মায়া কাজল ইত্যাদি।

গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা,  
- একাত্তরের ডায়েরী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'ইঁদুর' ছোটগল্পটির রচয়িতা কে?
  1. সোমেন চন্দ
  2. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  3. সুকুমার রায়
  4. সত্যেন সেন
ব্যাখ্যা
• 'ইঁদুর' ছোটগল্পটির রচয়িতা - সোমেন চন্দ।

সোমেন চন্দ:

- তিনি ছিলেন মূলত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ।
- ১৯২০ সালের ২৪ মে বালিয়া গ্রাম, পলাশ, নরসিংদীতে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পূর্ণ নাম সোমেন্দ্র কুমার চন্দ।
- তিনি ঢাকার প্রগতি লেখক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর বিখ্যাত ছোটগল্প 'ইঁদুর' পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ জানিয়েছেন, 'ইঁদুর' গল্প পড়েই তিনি কথাসাহিত্য রচনার অনুপ্রেরণা লাভ করেন।
- তিনি ৮ই মার্চ, ১৯৪২ সালে ফ্যাসিবাদ সমর্থকদের হাতে ছুরিকাহত হয়ে নিহত হন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- সংকেত ও অন্যান্য গল্প,
- বনস্পতি ও অন্যান্য গল্প,
- সোমেন চন্দের গল্পগুচ্ছ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
‘পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি -
  1. উপন্যাস
  2. গল্প
  3. নাটক
  4. ভ্রমণকাহিনি
ব্যাখ্যা
• ‘পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ' শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত একটি - ভ্রমণকাহিনি।  

শহীদুল্লা কায়সার:
- শহীদুল্লা কায়সার একজন কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, লেখক।
- তিনি ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় শহীদুল্লার সাংবাদিক জীবন শুরু হয়।
- শহীদুল্লা কায়সার বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২)এবং আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২) লাভ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা, 
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।

স্মৃতিকথা:
- রাজবন্দীর রোজনামচা। 

ভ্রমণবৃত্তান্ত:
- পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
১১.
সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে কোন খনিজ পদার্থ ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোয়ার্টজ
  2. চুনাপাথর
  3. মাইকা
  4. ম্যাগনেটাইট
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
- ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো - 
• লোহা (Fe), 
• তামা  (Cu), 
• সোনা (Au) এবং 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে - 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica) এবং 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 
- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
নিচের কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না?
  1. জলবিদ্যুৎ
  2. বায়োগ্যাস
  3. কয়লা
  4. ভূতাপীয় শক্তি
ব্যাখ্যা
- 'কয়লা' একটি অনবায়নযোগ্য শক্তি, যার কারণে তা পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 

শক্তির উৎস: 

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
i) নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং 
ii) অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

নবায়নযোগ্য শক্তি: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হলো - 
• সৌর শক্তি, 
• জলবিদ্যুৎ, 
• বায়ু বিদ্যুৎ, 
• বায়োগ্যাস, 
• ভূতাপীয় শক্তি। 

অনবায়নযোগ্য শক্তি: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনাবয়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হলো - 
কয়লা
• খনিজ তেল, 
• প্রাকৃতিক গ্যাস, 
• নিউক্লিয় শক্তি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
প্লাস্টিডের প্রধান কাজ কোনটি?
  1. খাদ্য প্রস্তুত করা
  2. খাদ্য সঞ্চয় করা
  3. উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- 
১। ক্লোরোপ্লাস্ট, 
২। ক্রোমোপ্লাস্ট এবং 
৩। লিউকোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটি হলুদ, কোনটি নীল আবার কোনটি লাল দেখায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 

লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
কোন বস্তুর স্থিতিস্থাপকতা সর্বাপেক্ষা বেশি? 
  1. সোনা
  2. ইস্পাত
  3. রবার
  4. তামা
ব্যাখ্যা
স্থিতিস্থাপকতা: 
- বল প্রয়োগ যদি কোনো বস্তুর আকার বা আয়তন বা উভয়েরই পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ বস্তু বিকৃত হয় তাহলে প্রযুক্ত বল সরিয়ে নিলে যে ধর্মের ফলে বিকৃত বস্তু আগের আকার ও আয়তন ফিরে পায় তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে। 
- যে বস্তুর বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা বেশি তার স্থিতিস্থাপকতাও বেশি হবে। 
- লোহা ও রাবারের মধ্যে বাঁধা দেওয়ার ক্ষমতা লোহার বেশি তাই লোহা রাবারের চেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক। 

স্থিতিস্থাপক সীমা: 
- বাহ্যিক বলের একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত প্রত্যেক বস্তুই পূর্ণ স্থিতিস্থাপক। 
- এই সীমাকে বস্তুটির উপাদানের স্থিতিস্থাপক সীমা বলা হয়। 
- বিভিন্ন পদার্থের স্থিতিস্থাপক সীমা বিভিন্ন। 
যেমন- ইস্পাতের স্থিতিস্থাপক সীমা খুব বেশি আবার রবারের খুব কম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)। 
১৫.
পাটের আঁশ হলো এক ধরনের -
  1. সার্ফেস ফাইবার
  2. ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা
  3. বাস্ট ফাইবার
  4. জাইলেম ফাইবার
ব্যাখ্যা
ফ্লোয়েম ফাইবার বা তন্তু (Phloem fibre): 
- স্ক্লেরেনকাইমা কোষ সমন্বয়ে ফ্লোয়েম ফাইবার তৈরি হয়। 
- এগুলো একধরনের দীর্ঘ কোষ, যাদের প্রান্তদেশ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। এদের বাস্ট ফাইবারও বলে। 
- পাটের আঁশ হলো এক ধরনের বাস্ট ফাইবার। 
- উদ্ভিদ অঙ্গের গৌণবৃদ্ধির সময় এ ফাইবার উৎপন্ন হয়। 
- এসব কোষের প্রাচীরে কূপ দেখা যায়। 
- ফ্লোয়েম টিস্যুর মাধ্যমে পাতা উৎপাদিত শর্করা এবং মূলে সঞ্চিত খাদ্য একই সাথে উপরে নিচে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. গামা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়। 
- এক্সরের একক রন্টজেন। 
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের, মূলত ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিসরে এবং ৩x১০১৬ থেকে ৩x১০২০ হার্জের কম্পাংক পরিসরে অবস্থিত ও উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 

এক্স রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণ, 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা, 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়, 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে কোন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে? 
  1. ব্যাপন
  2. প্রস্বেদন
  3. নিঃসরণ
  4. অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১৮.
পোস্ট অফিস বক্সের সাহায্যে কী পরিমাপ করা যায়? 
  1. প্রবাহ
  2. আধান
  3. রোধ
  4. বিভব পার্থক্য
ব্যাখ্যা
পোস্ট অফিস বক্স: 
- যে রোধ বাক্সের রোধগুলোকে হুইটস্টোন ব্রিজের তিনটি বাহু হিসেবে বিবেচনা করে এর সাহায্যে হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি ব্যবহার করে কোনো অজানা রোধ নির্ণয় করা যায়, তাকে পোস্ট অফিস বক্স বলে। 
- পোস্ট অফিস বক্স হুইটস্টোন ব্রিজের আরেকটি রূপ। 
- পূর্বে পোস্ট অফিসের লোকজন টেলিগ্রাম, টেলিফোন লাইনের তারের রোধ নির্ণয়ের জন্য এই যন্ত্র ব্যবহার করতেন বলে একে পোস্ট অফিস বক্স বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।